পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: সাধারণ বিজ্ঞান [গুরত্বপূর্ণ সকল বিষয়সমূহ] পদার্থবিজ্ঞান: দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহারিক বিজ্ঞান, মহাকর্ষ-অভিকর্ষ, আলো, তড়িৎ, চৌম্বক, নবায়নযোগ্য শক্তি, বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ আবিষ্কার ও আবিষ্কারক, বিভিন্ন পরিমাপক যন্ত্র (যেমন: থার্মোমিটার, ব্যারোমিটার, ফ্যাদোমিটার) প্রভৃতি। রসায়ন: দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহারিক বিজ্ঞান, বিভিন্ন ব্যবহারিক জিনিসের রাসায়নিক নাম ও সংকেত, পদার্থের অবস্থা ও ধর্ম, পারমাণবিক গঠন, মৌলিক কণা, অণু ও পরমাণু প্রভৃতি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
পৃথিবী ও অন্য যেকোনো বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে কী বলে?
  1. অভিকর্ষ 
  2. মধ্যাকর্ষণ
  3. গতি
  4. ক +খ
সঠিক উত্তর:
ক +খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক +খ
ব্যাখ্যা
• মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ (Gravitation & Gravity):
- এই মহাবিশ্বের প্রত্যেকটি বস্তু কণা একে অপরকে নিজের দিকে আকর্ষণ করে।
- মহাবিশ্বের যে কোন দুটি বস্তুর মধ্যে যে আকর্ষণ তাকে মহাকর্ষ বলে।
- দুটি বস্তুর একটি যদি পৃথিবী হয় তবে তাকে অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলে অর্থাৎ কোনো বস্তুর উপর পৃথিবীর আকর্ষণকে অভিকর্ষ বা মাধ্যাকর্ষণ বলে।
- অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ।
- অভিকর্ষ বল একটি কেন্দ্রমুখী বল।
- মাধ্যাকর্ষণ বল বা অভিকর্ষের জন্য পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না।
- পৃথিবীর কেন্দ্রীয় আকর্ষণে আকৃষ্ট হয়ে বায়ুমণ্ডল পৃথিবীর সঙ্গে আবর্তিত হচ্ছে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
.
নির্দিষ্ট মাধ্যমে দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের-
  1. বর্গের সমানুপাতিক
  2. সমানুপাতিক
  3. বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
  4. ব্যস্তানুপাতিক
সঠিক উত্তর:
বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্গের ব্যস্তানুপাতিক
ব্যাখ্যা
• কুলম্বের সূত্র:
- দুটি বিন্দু আধানের মধ্যবর্তী আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বল সম্পর্কে বিজ্ঞানী কুলম্ব একটি সূত্র বিবৃত করেন। একে কুলম্বের সূত্র বলে।
সূত্র :
- নির্দিষ্ট মাধ্যমে দুটি বিন্দু আধানের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলের মান আধানদ্বয়ের গুণফলের সমানুপাতিক, এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল আধানদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।

- দুটি আধানের পরিমাণ যথাক্রমে q1 ও q2 ও এবং মধ্যবর্তী দূরত্ব d। 
- এদের মধ্যে ক্রিয়াশীল আকর্ষণ বা বিকর্ষণ বলকে স্থির তড়িৎ বল বা কুলম্ব বল বলে এবং এ বলের মান F হলে, কুলম্বের সূত্রানুসারে,

∴ F α q1q2/d2

∴ F = C q1q2/d2
এখানে C একটি সমানুপাতিক ধ্রুবক যার মান রাশিগুলোর একক এবং বিন্দু আধানদ্বয়ের মধ্যবর্তী মাধ্যমের প্রকৃতির উপর নির্ভর করে। এ ধ্রুবককে অনেক সময় কুলম্ব ধ্রুবক বলা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
.
বৈদ্যুতিক বাতি কে আবিষ্কার করেন?
  1. টমাস আলভা এডিসন
  2. জেমস ওয়াট
  3. উইলিয়াম গিলবার্ট
  4. মাইকেল ফ্যারাডে
সঠিক উত্তর:
টমাস আলভা এডিসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টমাস আলভা এডিসন
ব্যাখ্যা
• টমাস আলভা এডিসন:
- তিনি ১১ ফেব্রুয়ারী ১৮৪৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন।
- সেখানে তিনি কার্বন-বোতাম ট্রান্সমিটার (১৮৭৭) আবিষ্কার করেন।
- ১৮৭৭ সালে তিনি ফোনোগ্রাফ এবং ১৮৭৯ সালে বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন।

অন্যদিকে,
- উইলিয়াম গিলবার্ট (William Gilbert) কে বলা হয় "বিদ্যুতের জনক"। 
- জেমস ওয়াট বাষ্প ইঞ্জিনের উন্নয়নে অবদান রেখেছেন। 
- মাইকেল ফ্যারাডে ডায়নামো আবিষ্কার করেন। 

উৎস: Britannica.com। 
.
পানি বরফে পরিণত হলে-
  1. ঘনত্ব বেড়ে যাবে
  2. ঘনত্ব কমে যাবে
  3. আয়তন কমে যাবে
  4. ভর কমে যাবে
সঠিক উত্তর:
ঘনত্ব কমে যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘনত্ব কমে যাবে
ব্যাখ্যা
• বরফ:
- একই পরিমাণ পানি যখন বরফে পরিণত হয় তখন বরফের আয়তন বেড়ে যায়।
- সমপরিমাণ ওজনের বরফ পানির চেয়ে বেশি জায়গা দখল করে বলেই বরফ পানিতে ভাসে।
- বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির ঘনত্ব বেশি।
- কারণ, বরফে পানির অণুগুলো একটি ক্রিস্টাল গঠন তৈরি করে, যেখানে তারা একে অপরের থেকে কিছুটা দূরে অবস্থান করে ফলে ঘনত্ব কমে যায়।

- বরফ পানিতে পরিণত হলে আয়তন কমে যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
আলোর বর্ণ নির্ধারণ করে তার- 
  1. গতিবেগ
  2. বিস্তার 
  3. তরঙ্গদৈর্ঘ্য
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরঙ্গদৈর্ঘ্য
ব্যাখ্যা
• আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য:
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4×10-7m থেকে 7×10-7m মাত্র।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
পানি একটি- 
  1. প্যারাচৌম্বক পদার্থ
  2. ফেরোচৌম্বক পদার্থ
  3. ডায়াচৌম্বক পদার্থ
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
ডায়াচৌম্বক পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়াচৌম্বক পদার্থ
ব্যাখ্যা
• প্যারাচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং এরা চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়। এদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি প্যারা চৌম্বক পদার্থ।

• ডায়াচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং এরা চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায়।
অর্থাৎ সৃষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বিপরীত দিকে হয়। এদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইতাদি ডায়া চৌম্বক পদার্থ।

• ফেরোচৌম্বক:
- এ সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে, পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়। এদের ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে।
যেমন - লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি ফেরো চৌম্বক পদার্থ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভূপৃষ্ঠে কোন বস্তুর ভর X হলে চন্দ্রপৃষ্ঠে তার ভর কত হবে?
  1. X
  2. X/6
  3. 6X
  4. শূন্য
সঠিক উত্তর:
X
উত্তর
সঠিক উত্তর:
X
ব্যাখ্যা
• ভর (Mass) এবং ওজন (Weight) -এ দুটি আলাদা জিনিস।

• ভর:
- কোনো বস্তুর মধ্যে মোট পদার্থের পরিমাণকে ভর বলে।
- ভর সর্বদা ধ্রুব (constant) থাকে।
- অর্থাৎ, একটি বস্তুর ভর পৃথিবী, চাঁদ বা মহাকাশ যেখানেই যান না কেন পরিবর্তিত হয় না।
-তাই, যদি ভূপৃষ্ঠে ভর হয় X, তবে চন্দ্রপৃষ্ঠেও ভর হবে ঠিক X।

- ওজন হলো কোনো বস্তুর উপর মহাকর্ষীয় বলের প্রভাবে প্রয়োগকৃত বল।
- ওজন পরিবর্তিত হয়।

- চাঁদে মহাকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর প্রায় 1/6 অংশ।
- তাই  চাঁদে বস্তুটির ওজন হবে-  X/6।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি।
.
সোডিয়াম কার্বনেটের রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. Na2CO3
  2. NaCO3
  3. NaCO2
  4. Na2CO2
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Na2CO3
ব্যাখ্যা
- সোডিয়াম (Na) একটি ধনাত্মক একমাত্রায়ন: Na⁺
- কার্বনেট (CO₃²⁻) একটি ঋণাত্মক দ্বিমাত্রায়ন.
- সঠিক আনুপাতিক সংযোজন করতে হলে:
- ২টি Na⁺ + ১টি CO₃²⁻ = Na₂CO₃

কিছু গুরুত্বপূর্ণ যৌগের সংকেত:
- HCl - হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড। 
- H₂SO₄ - সালফিউরিক অ্যাসিড। 
- HNO₃ - নাইট্রিক অ্যাসিড। 
- CH₃COOH - অ্যাসিটিক অ্যাসিড (ভিনেগার)। 
- H₂CO₃ - কার্বনিক অ্যাসিড। 

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ শ্রেণি
.
কোন রঙের আলোর সবচেয়ে কম বিচ্যুতি দেখা যায়?
  1. বেগুনি
  2. নীল
  3. কমলা
  4. লাল
সঠিক উত্তর:
লাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল
ব্যাখ্যা
• লাল রঙের আলোর বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১০.
বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপের যন্ত্র কোনটি?
  1. গ্যালভানোমিটার
  2. ভোল্টমিটার
  3. ওহমমিটার
  4. অ্যামিটার
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামিটার
ব্যাখ্যা
• অ্যামিটার:
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক: Ampere (A)
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের যন্ত্র: অ্যামিটার

• গ্যালভানোমিটার:

- এটি খুবই সংবেদনশীল যন্ত্র, যা কারেন্টের উপস্থিতি ও দিক দেখায়।
- তবে এটি সরাসরি কারেন্টের পরিমাণ (Ampere) মাপে না।
- এটা সাধারণত ডিটেকশন বা সেন্স করার কাজে ব্যবহৃত হয়।

• ভোল্টমিটার:
- এটি ভোল্টেজ (Voltage) পরিমাপ করে।
- অর্থাৎ বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য মাপার যন্ত্র।

• ওহমমিটার:
- এটি রোধ (Resistance) পরিমাপ করে।
- একক: ওহম (Ω)

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১.
কোনো পরমাণুর চতুর্থ কক্ষের ইলেকট্রন সংখ্যা-
  1. ৮টি
  2. ১৬টি
  3. ৩২টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২টি
ব্যাখ্যা
- আমরা এখানে "চতুর্থ কক্ষ" বলতে বুঝি n = 4 শক্তিস্তর, অর্থাৎ প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা n = 4।

- একটি শক্তিস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রনের সংখ্যা নির্ধারণ করা যায় এই সূত্রে:
- সর্বোচ্চ ইলেকট্রন সংখ্যা=2n2  
- n = শক্তিস্তরের সংখ্যা (কক্ষ)।
- যখন n = 4, তখন:
- 2n2=2×42=2×16=32।

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১২.
একটি বৈদ্যুতিক বাল্বের গায়ে 40W - 200V লেখা আছে বাল্বটির রোধ কত?
  1. 1000 Ohm
  2. 5 Ohm
  3. 1/5 Ohm
  4. 8000 Ohm
সঠিক উত্তর:
1000 Ohm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1000 Ohm
ব্যাখ্যা
দেওয়া আছে,
- বিদ্যুৎ শক্তি (Power, P) = 40 W
- ভোল্টেজ (Voltage, V) = 200 V
- রোধ (Resistance, R) = ?

 আমরা জানি, 
P=V​2/R
⇒  R=V2/P
⇒ R=2002/40​=40000​/40=1000 Ω​

∴ রোধ (Resistance, R) =1000 Ω​

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩.
একটি ইলেকট্রনের চার্জের পরিমাণ হলো-
  1. 1.60×10-19C
  2. 1.73×10-19C
  3. 9.11×10-28C
  4. 6.02×10-23C
সঠিক উত্তর:
1.60×10-19C
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1.60×10-19C
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রন (Electron):
- পরমাণুর ক্ষুদ্রতম কণিকা ইলেকট্রন।
- সকল মৌলের পরমাণুর একটি সাধারণ উপাদান হল ইলেকট্রন।
- এর ভর অতি সামান্য।
- একটি ইলেকট্রন একটি হাইড্রোজেন পরমাণুর তুলনায় 1840 গুণ হালকা।
- ইলেকট্রন একক ঋণাত্মক তড়িৎধর্মী কণা।
- ইলেকট্রনের সংকেত e-.
- ইলেকট্রনের আসল ভর- 9.11×10-28 g ।
- ইলেকট্রনের প্রকৃত আধান 1.60×10-19 Coulomb।
- আপেক্ষিক আধান -1.

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
প্লাটিনাম মৌলটির প্রতীক কোনটি?
  1. P
  2. Pb
  3. Pt
  4. Pa
সঠিক উত্তর:
Pt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pt
ব্যাখ্যা
• কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মৌলের প্রতীক:
- গোল্ডের প্রতীক Au.
- লেড এর প্রতীক Pb.
- প্লাটিনামের প্রতীক Pt.
- প্রোটো একটিনিয়ামের প্রতীক Pa.
- পোলোনিয়ামের প্রতীক Po.
- পটাশিয়ামের প্রতীক K .
- কপারের প্রতীক - Cu.
- সিলভারের প্রতীক- Ag.
- আর্সেনিকের প্রতীক - As .
- আয়রনের প্রতীক - Fe.

উৎস: রসায়ন, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১৫.
নিচের কোনটি ধনাত্মক যৌগমূলক?
  1. কার্বনেট
  2. ফসফেট
  3. ডাইক্রোমেট
  4. অ্যামোনিয়াম
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যামোনিয়াম
ব্যাখ্যা
• অ্যামোনিয়াম (NH₄⁺) হল একটি ধনাত্মক আয়ন যা অ্যামোনিয়া (NH₃) এর সঙ্গে একটি প্রোটন (H⁺) যুক্ত হয়ে তৈরি হয়।

- ধনাত্মক যৌগমূলক (positive radical বা cationic radical) বলতে এমন আয়ন বা মৌলিক গোষ্ঠীকে বোঝায় যার উপর ধনাত্মক চার্জ থাকে।

অন্যদিকে,
• কার্বনেট (CO₃²⁻):
- এটি একটি ঋণাত্মক যৌগমূলক (anion)।
- চার্জ: -2

• ফসফেট (PO₄³⁻):
- এটিও একটি ঋণাত্মক যৌগমূলক।
- চার্জ: -3

• ডাইক্রোমেট (Cr₂O₇²⁻):
- এটিও ঋণাত্মক যৌগমূলক।
- চার্জ: -2

উৎস: রসায়ন ১ম পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬.
DDT এক ধরনের-
  1. কীটনাশক
  2. বিস্ফোরক
  3. ঔষধ
  4. টিকা
সঠিক উত্তর:
কীটনাশক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কীটনাশক
ব্যাখ্যা
• DDT:
- DDT এর পূর্ণরূপ হলো: DichloroDiphenylTrichloroethane
- এটি একটি প্রচলিত রাসায়নিক কীটনাশক, যা মূলত মশা, মাছি, পোকামাকড় ধ্বংসের জন্য ব্যবহার করা হতো
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ১৯৪০ সালে DDT আবিষ্কৃত হলে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয় যে কৃত্রিম রাসায়নিক পদার্থ কীটনাশক হিসেবে অজৈব ও উদ্ভিদজাত পদার্থ থেকে গুণগত মানের দিক থেকে উন্নত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও U.S. Environmental Protection Agency।
১৭.
রেলওয়ে ইঞ্জিন কে আবিষ্কার করেন?
  1. জেমস ওয়াট
  2. নিকলাস অটো
  3. জেমস হ্যারিসন
  4. স্টিফেনসন
সঠিক উত্তর:
স্টিফেনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেনসন
ব্যাখ্যা
• স্টিফেনসন (George Stephenson):
- তিনি  প্রথম কার্যকর বাষ্পচালিত রেল ইঞ্জিন তৈরি করেন। 
- এরপর ১৮২৫ সালে "Locomotion No.1" এবং ১৮২৯ সালে "The Rocket"  যা ছিল তৎকালীন সময়ের সবচেয়ে উন্নত রেল ইঞ্জিন।
- তাঁকে “রেলওয়ের জনক (Father of Railways)” বলা হয়।

অন্যদিকে,
- নিকলাস অটো: তিনি অটো ইঞ্জিন বা আভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন (Internal Combustion Engine) উদ্ভাবন করেন।
- জেমস ওয়াট: তিনি বাষ্প ইঞ্জিন (Steam Engine) উন্নত করেন।
- জেমস হ্যারিসন: তিনি ফ্রিজিং সিস্টেম বা রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তিতে কাজ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।