পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৩৯
সিলেবাস
পার্ট-১) বাংলাদেশের ইতিহাস: ১৯৪৭ থেকে বর্তমান। পার্ট-২) পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, টিস্যু, জেনেটিকস, জীববৈচিত্র্য, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, এনিম্যাল টিস্যু, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, প্রাণিজগৎ, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, পরাগায়ন ইত্যাদি। পার্ট–১ সোর্স: বাংলাপিডিয়া, যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই। পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৯ প্রশ্ন

.
একুশের প্রথম গান রচনা করেন-
  1. ক) আলতাফ মাহমুদ
  2. খ) আবদুল গাফফার চৌধুরী
  3. গ) আ. ন. ম. গাজীউল হক
  4. ঘ) আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
- একুশের প্রথম গানের রচনা করেন আ. ন. ম. গাজীউল হক।
- গানটির প্রথম চরন- 'ভুলবো না ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলবো না'।
- ৫৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি আরমানিটোলা ময়দানে আয়োজিত এক জনসভায় গানটি প্রথম গাওয়া হয়।
- ১৯৫৩-৫৪ সাল পর্যন্ত ওই গানটি গেয়েই প্রভাতফেরি করা হতো।
- গানটির সুরকার ছিলেন গাজীউল হক নিজেই। 

- “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি।” - এই গানটি রচনা করেছিলেন ঢাকা কলেজের ছাত্র আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- এটি প্রথমে সুর করেন - আবদুল লতিফ এবং বর্তমানে যে সুরে গাওয়া হয়, তা করেছেন - আলতাফ মাহমুদ।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
.
কয়টি রাজনৈতিক দল মিলে যুক্তফ্রন্ট গঠন করেছিলো?
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৬ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের সভাপতি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

যুক্তফ্রন্টে রাজনৈতিক দল ছিল ৪ টি ।
এগুলো হলো -
১. আওয়ামী মুসলিম লীগ (মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী)
২. কৃষক প্রজাপার্টি (এ. কে. ফজলুল হক)
৩. নেজামে-ই-ইসলাম (মাওলানা আতাহার আলী)
৪. গণতন্ত্রী দল (হাজী মোহাম্মদ দানেশ)

- যুক্তফ্রন্টের প্রধান অফিস সদরঘাটের ৫৬, সিমসন রােডে।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক নৌকা।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
.
২১ দফার প্রথম দফা কোনটি?
  1. ক) একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা
  2. খ) পূর্ব বাংলাকে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান
  3. গ) জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ
  4. ঘ) বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- ২১ দফার প্রথম দফা ছিলো বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
- ২১ দফার মধ্যে ভাষা সংক্রান্ত দফা ৫ টি যথা - ১,১০,১৬,১৭,১৮ । 

এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।

উৎস- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
.
১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. ক) আইন, বিচার ও সংসদ
  2. খ) কৃষি, বন, সমবায় ও পল্লী
  3. গ) শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড
  4. ঘ) কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
- আওয়ামী লীগ প্রধান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে রিপাবলিকান নেতা উত্তর - পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের ডা. খাঁন সাহেবের ৫ দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে একটি কোয়ালিশন গঠিত হয় ।
- এর ফলে ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমুন্ত্রী চৌধুরী মোহাম্মদ আলী পদত্যাগ করেন ।

- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন । 
- তার নেতৃত্বাধীন কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

- ইস্কান্দার মীর্জার গােপন ষড়যন্ত্রে রিপাবলিকান দলীয় কিছুসংখ্যক সদস্য সােহরাওয়ার্দী মন্ত্রিসভার উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে মন্ত্রিসভা নাজুক অবস্থার সম্মুখীন হয়।
- ১৯৫৭ সালের ১৮ অক্টোবর সোহরাওয়ার্দী প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

তথসুত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
.
বঙ্গবন্ধু প্রথম কত সালে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন?
  1. ক) ১৯৪৯ সালে
  2. খ) ১৯৫৩ সালে
  3. গ) ১৯৫৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের আওয়ামী মুসলিম লীগের তৃতীয় সম্মেলনে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
আওয়ামীলীগের প্রথম কমিটি:
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- সহ সভাপতি : আতাউর রহমান খান
- সহ সভাপতি : আব্দুস সালাম খান
- যুগ্ম সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- যুগ্ম সম্পাদক : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
-------
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমবারের মতো দলটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
- তিনি টানা চারবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
-------
১৮-২০ মার্চ, ১৯৬৬ তারিখে আওয়ামীলীগের ষষ্ঠ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- এই কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন - তাজউদ্দিন আহমেদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।

.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্যের শুনানি হয় কোথায়?
  1. ক) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  2. খ) করাচি আদালতে
  3. গ) লাহোরে
  4. ঘ) ঢাকা কোর্টে
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়া এই মামলার আরো আসামি ছিলেন ৩৪ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন, ১৯৬৮ সালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।

- মামলার বিচারের জন্যে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি এস এ রহমান।
- অপর দুই সদস্য হলেন এম আর খান এবং মুকসুমুল হাকিম।

- বঙ্গবন্ধুর পক্ষে কৌশুলী ছিলেন ব্রিটিশ আইনজীবী টমাস উইলিয়াম, আব্দুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- সরকার পক্ষের কৌশুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের এবং অ্যাডভোকেট জেনারেল টি এইচ খান।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া।

.
পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দানের বিল উত্থাপন করেন কে?
  1. ক) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। 
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
---------
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

.
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় -
  1. ক) ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৯৬৯ সালের ২ জুলাই
  3. গ) ১৯৭০ সালের ১ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৯৭০ সালের ১৭ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

১৯৭০ এর নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ও ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- আওয়ামী লীগ দলীয় সভায় ১৯৭০ সালের ১ এপ্রিল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত এবং একই বছরের ১৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের দলীয় নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে ‘নৌকা’ পছন্দ করেন।
- জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি এবং প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে ২৯৮টি আসন লাভ করে।
-------------------
উল্লেখ্য,
- সাধারণ নির্বাচন পরিচালনার জন্যে ১৯৬৯ সালের ২ জুলাই প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে।
- এই কমিশন পাকিস্তানের জন্যে একটি ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং ১৯৭০ সালে বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা করে।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

.
স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রীসভা কবে শপথ গ্রহণ করে?
  1. ক) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  2. খ) ১ এপ্রিল ১৯৭১
  3. গ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ১০ই এপ্রিল তারিখে।
- এটিই স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার।
- ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল এই সরকারের মন্ত্রীপরিষদের সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

এছাড়া, এম. এ. জি. ওসমানী প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

১০.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন-
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র  প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা।
বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে একই দিনে আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ নামে একটি আদেশ জারি করেন। স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সকল আইন চালু ছিল, তা রক্ষার্থে এটা করা হয়।
অর্থ্যাৎ ২৬ মার্চ থেকে এটি বলবৎ হয়।

- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।

- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

১১.
বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ (বাকশাল) এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন -
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) এম. মনসুর আলী
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা বাকশাল গঠন করা হয়।
- এতে রাষ্ট্রপতি হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী হন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
- এর সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
- এর আগে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

উৎস:-  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া ।

১২.
হুসেইন মো. এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন-
  1. ক) ১২ জুন ১৯৮২
  2. খ) ৬ ডিসেম্বর ১৯৮২
  3. গ) ২৪ মার্চ ১৯৮২
  4. ঘ) ১৮ অক্টোবর ১৯৮১
ব্যাখ্যা
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে সরিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি ক্ষমতা থেকে সরে দাড়ান।
- তিনি প্রায় ৯ বছর বাংলাদেশের ক্ষমতায় ছিলেন।
- এরশাদ ১৪ জুলাই ২০১৯ মারা যান।

সূত্র- বিবিসি বাংলা।
১৩.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতবার প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ২ বার
  2. খ) ৩ বার
  3. গ) ৪ বার
  4. ঘ) ৫ বার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৩ বার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়।
যথা -
- ১৯৭৮ সালের ৩ জুন বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ ভোটে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮১ সালের ১৫ নভেম্বর দেশে দ্বিতীয়বার প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর বাংলাদেশে সর্বশেষ প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জয় লাভ করেন।

- ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র চালু হলে প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বন্ধ হয়ে যায়।
- বর্তমানে পরোক্ষভাবে অর্থ্যাৎ সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়।

সূত্র- নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪.
মুজিবনগর সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন -
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. গ) এম মনসুর আলী
  4. ঘ) এএইচএম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল।
এটি ‘অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার’ নামেও পরিচিত। ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

১৫.
গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়-
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ২০১০ সালে
  4. ঘ) ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপুর্ন কোন বিষয়ে জনমত যাচাই করার জন্য যে প্রত্যক্ষ ভোট গ্রহন করা হয় তাকে গণভোট বা Referendum বলা হয়।
- যখনই কোন ক্রান্তিকাল উপস্থিত হয়, তখন সেই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য জনমত যাচাই করা হয় গনভোটের মাধ্যমে।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে গনভোটের বিধান আওতাভুক্ত করা হয়েছিল।
- কিন্তু ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে গনভোটের বিধান বাতিল করা হয়।
- গণভোট সংক্রান্ত দুটি অনুচ্ছেদ : ৪৮ এবং ৫৬. তবে বর্তমানে এই অনুচ্ছেদ দুটিতে গনভোটের বিধান আর নেই।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত গণভোট হয়েছে ৩ বার –

- ৩০ মে , ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ করতে।
- ১ মার্চ , ১৯৮৫ সালে এরশাদের সমর্থন যাচাই।
- ১৫ সেপ্টেম্বর , ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬.
পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে কোথায়?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) লাহোরে
  3. গ) করাচিতে
  4. ঘ) পাঞ্জাবে
ব্যাখ্যা

- পাকিস্তান গণপরিষদ পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট করাচিতে।
- ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাক্ট ১৯৪৭-এর শর্তানুযায়ী দুটি গণপরিষদের একটি স্থাপিত হয় ভারতে এবং অপরটি পাকিস্তানে।
- ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তান গণপরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন।
-ভারতের স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী গণপরিষদের দুটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ছিল: দেশের সংবিধান প্রণয়ন এবং তা কার্যকর করার পূর্ব পর্যন্ত একটি ফেডারেল আইনসভা (সংসদ) হিসেবে কাজ করা।

সোর্স: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রফেসর মোঃ মজাম্মেল হক) এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭.
পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করা হয়-
  1. ক) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
  2. খ) ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর
  3. গ) ১৯৫৭ সালের ২৫ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালের ৮ জুন
ব্যাখ্যা

- পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন এবং কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা ও মন্ত্রীপরিষদ বাতিল করেন।
- ২৭ অক্টোবর ১৯৫৮ জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে সড়িয়ে ক্ষমতা দখল করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন আইয়ুব খান সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন।
- ইয়াহিয়া খান ১৯৬৯ সালের ২৫শে মার্চ দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

১৮.
নিচের কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি’ গঠিত হয়?
  1. ক) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  2. খ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন জারি
  4. ঘ) ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধীদলগুলোর সমন্বয়ে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক)’ গঠিত হয়।
- এই জোটে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, মোজাফফর ন্যাপসহ আটটি রাজনৈতিক দল যুক্ত ছিলো।
- পাকিস্তানে ফেডারেল পার্লামেন্টারি পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন, প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং শেখ মুজিবুর রহমান, খান আবদুল ওয়ালী খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি দাবিতে এই জোট গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছিলো।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

১৯.
পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্ত্বশাসনের রূপরেখা ছয় দফার ষষ্ঠ দফা কোনটি?
  1. ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. খ) বৈদেশিক বাণিজ্য
  3. গ) প্যারা মিলিশিয়া গঠন
  4. ঘ) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮ - ১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।

ছয়টি দফা হলো-

১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২০.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত “সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি” গঠিত হয় কতজন সদস্য নিয়ে?
  1. ক) ৬ জন
  2. খ) ৮ জন
  3. গ) ১০ জন
  4. ঘ) ১২ জন
ব্যাখ্যা

- মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

উৎস:- নবম - দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই (উন্মুক্ত)।

২১.
কার সার্বিক তত্ত্বাবধানে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছিলো?
  1. ক) টিক্কা খান
  2. খ) রাও ফরমান আলী
  3. গ) আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন নাসের
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পুরো নয় মাস বিশেষত ১০-১৬ ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত পরিকল্পিতভাবে পাক-বাহিনী এ দেশীয় দোসরদের সহায়তায় বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করে অবশেষে হত্যা করে।
- ১৪ ডিসেম্বর 'শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস' হিসাবে পালন করে ঐ সময়ে শহীদ হওয়া জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের কিছু তথ্যঃ
- সার্বিক নির্দেশনা -- পাক বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী।
- সার্বিক তত্ত্বাবধায়নকারী -- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- বাস্তবায়নে ছিলো -- ব্রিগেডিয়ার বশির, লেঃ কর্নেল হেজাজী, মেজর আসলাম, মেজর জহুর, ক্যাপ্টেন নাসের, ক্যাপ্টেন কাইউম।
- দেশীয় দোসর -- আলবদর ও আলশামস বাহিনী।
('আলবদর' এর ঘাতকরা ছিলো জামাত ইসলামীর তৎকালীন অঙ্গ ছাত্রসংগঠন 'ইসলামী ছাত্র সংঘ' এর সদস্যরা এবং আলশামস বাহিনীর ঘাতকরা ছিলো মুসলিম লীগ, জামায়েত ইসলামী ও উর্দুভাষী বিহারীদের সমন্বয়ে গঠিত বাহিনী।)
- ঢাকার মিরপুর, নাখালপাড়া, রাজারবাগ, মোহাম্মদপুর সহ আরো কিছু স্থানে এই হত্যাকন্ড সংঘটিত হয়।

উৎস:- উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র) বই ও বাংলাপিডিয়া।

২২.
ক্র্যাক প্লাটুন কী?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধত্তোর অস্ত্র উদ্ধার অভিযান
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ অভিযান
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ২নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশারফের উদ্যোগে এই গেরিলা বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন:
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ।

তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল।

২৩.
প্রোটিনের মূল উপাদান কোনটি?
  1. ক) হাইড্রোজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) অক্সিজেন
  4. ঘ) কার্বন
ব্যাখ্যা
আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন দ্বারা গঠিত।
আমিষে শতকরা ১৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে। 
সালফার, ফসফরাস ও আয়রন সামান্য পরিমাণে থাকে।
শুধু আমিষ জাতীয় খাদ্যই দেহে নাইট্রোজেন সরবরাহ করে বলে পুষ্টি বিজ্ঞানে আমিষ একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য।

উৎসঃ জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২৪.
শ্রেণিবিন্যাসের প্রতিটি একককে বলা হয় -
  1. ক) প্রজাতি
  2. খ) ট্যাক্সন
  3. গ) পর্ব
  4. ঘ) গোত্র
ব্যাখ্যা
Taxon, plural Taxa, any unit used in the science of biological classification, or taxonomy. Taxa are arranged in a hierarchy from kingdom to subspecies, a given taxon ordinarily including several taxa of lower rank.
Source: Britanica.
-------------------------

শ্রেণিবিন্যাসের প্রতিটি একককে বলা হয় - ট্যাক্সন।

বর্তমানে প্রাণি শ্রেণিবিন্যাসে সাতটি ধাপ ব্যবহার করা হয়। যথা-
1. Kingdom (রাজ্য)
2. Phylum (পর্ব)
3. Class (শ্রেণি)
4. Order (বর্গ)
5. Family (গোত্র)
6. Genus (গণ)
7. Species (প্রজাতি)

সূত্রঃ প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
নিচের কোনটি এককোষী?
  1. ক) ইস্ট
  2. খ) অ্যাগারিকাস
  3. গ) ভাইরাস
  4. ঘ) মস
ব্যাখ্যা
ইস্ট একটি ছত্রাক জাতীয় এককোষী অণুজীব।
বেকারি ও মদ্য শিল্পে ইথানল প্রস্তুতিতে ইস্ট ব্যবহৃত হয়। ইস্ট ভিটামিনসমৃদ্ধ বলে ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া খাদ্যোপযোগী এককোষীয় প্রোটিন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৬.
DNA তে কয় ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে?
  1. ক) ২ ধরনের
  2. খ) ৩ ধরনের
  3. গ) ৪ ধরনের
  4. ঘ) ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা
জীনের রাসায়নিক গঠন উপাদান DNA। DNA তে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেস থাকে।
যথা-
১. অ্যাডেনিন,
২. গুয়ানিন,
৩. সাইটোসিন ও
৪. থাইমিন।

অপরদিকে, RNA তে চার ধরনের নাইট্রোজেন বেসের শুধু থায়ামিনের পরিবর্তে ইউরাসিল থাকে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২৭.
ইনসুলিন তৈরিতে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) E.coli
  2. খ) ইস্ট
  3. গ) PRSV
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
- ইস্ট ও E.Coli ব্যাকটেরিয়া থেকে ইনসুলিন তৈরি হয়।
- হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের ওষুধ তৈরিতে ইস্ট নামক ছত্রাক ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান, পৃষ্ঠা-৩১৩
২৮.
নিউক্লিওটাইডের পলিমারকে বলা হয় -
  1. ক) নিউক্লিক এসিড
  2. খ) নিউক্লিয়াস
  3. গ) অ্যাডেনিন
  4. ঘ) থাইমিন
ব্যাখ্যা
নিউক্লিক অ্যাসিড (ইংরেজি: Nucleic acid) হল জীবকোষের সবচাইতে বড়, অশাখান্বিত, অধিক আণবিক ভরবিশিষ্ট ও পলিমার জাতীয় রাসায়নিক পদার্থ যা জীবের বিভিন্ন প্রকারের জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এটি মূলত অসংখ্য নিউক্লিওটাইডের পলিমার। প্রতিটি নিউক্লিওটাইডের তিনটি অংশ থাকে। এগুলো হলো: ৫-কার্বন বিশিষ্ট শর্করা, একটি ফসফেট গ্রুপ এবং একটি নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক।
.........................................................

Nucleic acids are polynucleotides—that is, long chainlike molecules composed of a series of nearly identical building blocks called nucleotides. Each nucleotide consists of a nitrogen-containing aromatic base attached to a pentose (five-carbon) sugar, which is in turn attached to a phosphate group.
Source: Britannica
২৯.
সালোকসংশ্লেষনের জন্য উদ্ভিদ বায়ু থেকে কোন উপাদান গ্রহন করে?
  1. ক) অক্সিজেন
  2. খ) নাইট্রোজেন
  3. গ) হাইড্রোজেন
  4. ঘ) কার্বন-ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান ৪ টি।
পানি, কার্বন ডাই অক্সাইড (এই দুটি প্রধান), সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল।
তার মধ্যে পানি ও ক্লোরোফিল আসে উদ্ভিদের কোষ থেকে, কার্বন ডাই অক্সাইড বায়ুমণ্ডল থেকে এবং সূর্যালোক গ্রহন করে সূর্য থেকে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই।
৩০.
সবাত শ্বসনে ATP তৈরি হয় -
  1. ক) ২৮ অণু
  2. খ) ৩৮ অণু
  3. গ) ৪৮ অণু
  4. ঘ) ৫৮ অণু
ব্যাখ্যা
অক্সিজেনের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে শ্বসন প্রক্রিয়াকে দুভাগে ভাগ করা হয়−
যথাঃ
ক) সবাত শ্বসন বা বায়বীয় শ্বসন (aerobic respiration); অক্সিজেনের উপস্থিতিতে হয়
খ) অবাত শ্বসন, অবায়বীয় শ্বসন (anaerobic respiration); অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে হয়।

* সবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় এক অণু গ্লুকোজ সম্পূর্ণ জারিত হয়ে সর্বমোট ছয় অণু কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ছয় অণু পানিএবং ৩৮ অনু ATP উৎপন্ন করে।

উৎস: নবম শ্রেণির জীববিজ্ঞান।
৩১.
নিচের কোনটি পতঙ্গ পরাগী ফুল?
  1. ক) সরিষা
  2. খ) জুঁই
  3. গ) কুমড়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• পতঙ্গ পরাগী ফুল বড়, রঙ্গীন ও মধুগ্রন্থিযুক্ত এবং পরাগরেণু ও গর্ভমুন্ড আঁঠালো সুগন্ধযুক্ত হয়।
যেমন- জবা, কুমড়া, সরিষা, জুঁই, আকন্দ, সূর্যমুখী, গোলাপ, অর্কিড ইত্যাদি।

• অপরদিকে বায়ু পরাগী ফুল হালকা ও মধুগ্রন্থিহীন। এসব ফুলের সুগন্ধ নেই। এরা সহজেই বাতাসে ভেসে যেতে পারে।
যেমন- ধান।

• পানি পরাগী ফুল আকারে ক্ষুদ্র এবং হালকা। এরা সহজেই পানিতে ভাসতে পারে। এ সব ফুলের সুগন্ধ নেই।
যেমন- পাতাশেওলা।

• প্রাণীপরাগী ফুল মোটামুটি বড় ধরনের হয়, তবে ছোট হলে ফুলগুলো পুষ্পমঞ্জরিতে সজ্জিত থাকে। এদের রং আকর্ষণীয় হয়। এ সব ফুলে গন্ধ থাকতে পারে অথবা নাও থাকতে পারে।
যেমন- কদম, শিমুল, কচু ইত্যাদি।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি
৩২.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উচ্চতার উদ্ভিদ কোনটি?
  1. ক) বট
  2. খ) তালিপাম
  3. গ) বৈলাম
  4. ঘ) তালগাছ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উচ্চতম বৃক্ষ হলো বৈলাম। এই বৃক্ষ ২৪০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়।
- বর্তমানে বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার ডুলাহাজাড়ায় বৈলাম বৃক্ষ দেখা যায়।
- বৃক্ষটি বর্তমানে বিপন্নের পথে।

সূত্রঃ দৈনিক সমকাল রিপোর্ট।
৩৩.
মানুষের শরীরে মেলানিনের পরিমাণ যত বেশি হয় ত্বক তত -
  1. ক) সাদা হয়
  2. খ) কালো হয়
  3. গ) পুরো হয়
  4. ঘ) পাতলা হয়।
ব্যাখ্যা
মেলানিন নামক এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ, যা মেলানোসাইট নামক কোষ থেকে তৈরী হয়,যার কারণে মানুষ বা অন্যান্য প্রাণীর চামড়া, চুল ও চোখের মণি, পাখির পালক কালো হয়।
মেলানিনের অনুপস্থিতিতে চামড়ায় কোন রঞ্জক পদার্থ থাকে না, ফলে চামড়া সাদা হয়।
৩৪.
হিস্টোলজি হচ্ছে -
  1. ক) টিস্যুবিদ্যা
  2. খ) শারীরস্থান বিদ্যা
  3. গ) শারীরবিদ্যা
  4. ঘ) সাইটোলজি
ব্যাখ্যা
হিস্টোলজি - টিস্যুবিদ্যা
সাইটোলজি - কোষবিদ্যা।
এনাটমি - শারীরস্থান বিদ্যা, 
ফিজিওলজি - শারীরবিদ্যা এবং
মরফোলজি - অঙ্গসংস্থান বিদ্যা।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫.
নিচের কোনটিকে জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়?
  1. ক) পিঁপড়া
  2. খ) তেলাপোকা
  3. গ) রাজকাঁকড়া
  4. ঘ) মশা
ব্যাখ্যা
জীবন্ত জীবাশ্ম:
কতগুলাে জীব সুদূর অতীতে উৎপত্তি লাভ করেও কোনােরকম পরিবর্তন ছাড়াই এখনাে পৃথিবীতে বেঁচে আছে অথচ তাদের সমগােত্রীয় এবং সমসাময়িক অনেক জীবনের বিলুপ্তি ঘটছে। এই জীবদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলে। লিমুলাস বা রাজকাঁকড়া নামক সন্ধিপদ প্রাণী, স্ফোনোডন নামক সরীসৃপ প্রাণী, প্লাটিপাস নামক স্তন্যপায়ী প্রাণী এর উদাহরণ।
অন্যদিকে ইকুইজিটাম, নিটাম ও পিঙ্কো বাইলােবা নামের উদ্ভিদগুলো উদ্ভিদের জীবন্ত জীবাশ্মের উদাহরণ।

প্রায় ৪০০ মিলিয়ন বছর আগে লিমিউলাস জীবাশ্ম পাওয়া গিয়েছে। এর সমসাময়িক অন্যান্য আথ্রোপোডাগুলাে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছে, কিন্তু এরা আজও বেঁচে আছে। তাই এদের জীবন্ত জীবাশ্ম বলা হয়।

সূত্র: নব জীবনের সুচনা, বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৬.
বিষধর সাপ কামড় দিলে ক্ষত স্থানে কয়টি দাঁতের চিহ্ন থাকে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
বিষধর সাপের বিষথলী সংযুক্ত থাকে সামনের দিকের দুটি উচু দাঁতের সাথে। এইধরনের সাপ কামড়ালে তাই দুটো দাঁতই আক্রান্ত ব্যাক্তির মাংসপেশিতে ঢুকে যায় বলে পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ দেখা যায়।
৩৭.
কোন স্তন্যপায়ী প্রাণীটি ডিম দেয়?
  1. ক) কচ্ছপ
  2. খ) সীল
  3. গ) বাদুর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রায় সকল স্তন্যপায়ী প্রাণী, যেমন- বাদুড়, ক্যাঙ্গারু, সীল ইত্যাদি সন্তান প্রসব করে।
কিন্তু একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী প্লাটিপাস ডিম পাড়ে । প্লাটিপাসকে জীবন্ত জীবাশ্মও বলা হয়ে থাকে।

কচ্ছপ স্তন্যপায়ী প্রাণী নয়।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩৮.
সুন্দরবনে কয় প্রকারের ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ পাওয়া যায়?
  1. ক) ২৭ প্রজাতির
  2. খ) ৩০ প্রজাতির
  3. গ) ৩৫ প্রজাতির
  4. ঘ) ৩৭ প্রজাতির
ব্যাখ্যা
‘সুন্দরবন’ বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
সুন্দরবনে মোট ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে যার মধ্য ৩৫টি প্রজাতি হলো ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের।
সুন্দরবনের প্রধান উদ্ভিদ হলো সুন্দরী ও গেওয়া।
এছাড়া অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- কেওড়া
- ধুন্দল
- বাইন
- গোলপাতা
- ওড়া
- পশুর প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
৩৯.
নিচের কোনটি C4 উদ্ভিদ?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) ইক্ষু
  3. গ) ডাটাশাক
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দু’জন অস্ট্রেলীয় বিজ্ঞানী M. D. Hatch এবং C. R. Slack (১৯৬৬) ইক্ষু উদ্ভিদ নিয়ে গবেষণার সময় দেখান যে, সালোকসংশ্লেষণের সময় এদের প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার-কার্বনবিশিষ্ট।
এ চারকার্বনবিশিষ্ট পদার্থসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অক্সালো অ্যাসিটিক অ্যাসিড। তাদের নাম অনুযায়ী সালোকসংশ্লেষণের এ চক্রকে হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্র বলা হয়।

যেহেতু এ উদ্ভিদে প্রথম স্থায়ী পদার্থ চার কার্বনবিশিষ্ট সেহেতু হ্যাচ এন্ড স্ল্যাক চক্রকে C4 চক্রও বলা হয় এবং যে সব উদ্ভিদে এ চক্র চলে তাদেরকে C4 উদ্ভিদ বলা হয়।
ইক্ষু, ভুট্টা, মুথা ঘাস, কাটানটে, ডাটাশাক ইত্যাদি C4 উদ্ভিদ।

সূত্রঃ জীববিজ্ঞান, এসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।