পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়30 minutes
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২: Part-1: English Grammar Topics: 1. Noun [The Determiner, Number&Gender, The Pronoun] 2. Adjective, Adverb. Prepostion. পার্ট - ২ বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত] i) প্রাচীন যুগ - প্রাচীন জনপদ বিভিন্ন রাজবংশের শাসন, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি; ii) মধ্যযুগ - মুসলিম শাসন, মুঘল, সুলতানি ও নবাবী আমলে বাংলা ও উপমহাদেশ; iii) উপমহাদেশ ইউরোপীয়দের আগমন, ইংরেজ শাসন ও ইংরেজ শাসনামলে আন্দোলন সংগ্রাম ও উপমহাদেশের ইতিহাস। পার্ট - ৩ সাধারণ বিজ্ঞান টপিকসমূহ: আধুনিক বিজ্ঞান ও অন্যান্য: ১. মানবদেহ ও এর শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, রোগের কারণ ও প্রতিকার, সংক্রামক রোগ, রোগ জীবাণুর জীবনধারণ, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, মাইক্রোবায়োলজি, ইম্যুনাইজেশন এবং ভ্যাকসিনেশন, এইচআইভি, এইডস, টিবি, পোলিও, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি - এপিকালচার, সেরিকালচার, পিসিকালচার, হর্টিকালচার ইত্যাদি। ২. ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, শক্তির রূপান্তর, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস ও জীবাশ্ম ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
She blamed herself. Here the underlined of the sentence is -
  1. ক) Personal Pronoun
  2. খ) Reflexive Pronoun
  3. গ) Relative Pronoun
  4. ঘ) Possessive Pronoun
সঠিক উত্তর:
খ) Reflexive Pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Reflexive Pronoun
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নের 'herself' হচ্ছে Reflexive Pronoun.

• Reflexive Pronoun:
- এই Pronoun 'self' বা selves যোগে গঠিত হয় এবং কর্তা ও কর্ম একই ব্যক্তিকে বোঝায়।
Example: myself, ourselves, yourself, yourselves, himself, herself, themselves.

Source: Applied English Grammar and Composition by P. C. Das
.
What is the adverb form of 'careful'?
  1. ক) Carefully
  2. খ) Carefulness
  3. গ) Carefull
  4. ঘ) carefuly
সঠিক উত্তর:
ক) Carefully
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Carefully
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে 'careful' adverb form হচ্ছে Carefully.

• Adjective থেকে Adverb এ রূপান্তরিত কিছু শব্দ:
Adjective  -  Adverb
Bright  -  Brightly
Careful  - Carefully
Quiet  -  Quietly

Source: CLIFFS TOEFL.
.
The newspaper story was mendacious and hurtful. Here the underlined word is a/an -
  1. ক) adverb
  2. খ) noun
  3. গ) verb
  4. ঘ) adjective
সঠিক উত্তর:
ঘ) adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) adjective
ব্যাখ্যা
Mendacious (adjective):
English Meaning: Not telling the truth; lying.
Bangla Meaning: (আনুষ্ঠানিক) মিথ্যা; মিথ্যাবাদী: mendacious reports.

Other Forms:
Mendaciously (adverb) অসত্যভাবে।
Mendacity (noun) অসত্য বিবরণ।
Mendaciousness (noun).
Example Sentence: 
1. That promise has been revealed as mendacious nonsense.
2. The newspaper story was mendacious and hurtful.

Source:
1. Accessible Dictionary.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
.
Plural form of 'Sheep' -
  1. ক) Sheep
  2. খ) Shep
  3. গ) Sheeperer
  4. ঘ) Sheeps
সঠিক উত্তর:
ক) Sheep
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Sheep
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হচ্ছে Sheep.
- Sheep দ্বারা Singular ও Plural form উভয়কেই বুঝায়।

• আরো কিছু noun আছে যা Singular ও Plural form উভয়কেই বুঝায়।
- Deer, Sheep, Public, Dozen, Score, Hundred, Thousand.

Source: Applied English Grammar & Composition by P.C. Das.
.
Chair made ____ wood. (Fill in the blank)
  1. ক) to
  2. খ) of
  3. গ) from
  4. ঘ) after
সঠিক উত্তর:
খ) of
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) of
ব্যাখ্যা
- প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে of.

Made of: যখন কোন বস্তু উৎপাদন করার পর তা চোখে দেখে সহজে বুঝা যায় তখন Of বসে। 
Example: Chair made of wood.
- বাক্যে চেয়ারসহ যেকোন জিনিস কাঠ দিয়ে তৈরি হলে তা সহজে শনাক্ত করতে পারি।

আবার,
Made from: যখন কোন বস্তু উৎপাদন করার পর তা চোখে দেখে তা সহজে শনাক্ত করা যায় না তখন From বসে।
Example: Paper is made from wood.
- বাক্যে কাঠ থেকে কাগজ উৎপাদিত হয় কিন্তু তা সহজে শনাক্ত করতে পারি না। তাই যা সহজে শনাক্ত করা যায় না বা বুঝা যায় না সেক্ষেত্রে From বসে। 

সুতরাং Chair made of wood বাক্যটি সঠিক।
.
Identify the incorrect pairs of singular and plural forms respectively.
  1. ক) Forum - Forums
  2. খ) Genus - Genera
  3. গ) Dictum - Dictos
  4. ঘ) Datum - Data
সঠিক উত্তর:
গ) Dictum - Dictos
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Dictum - Dictos
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্নে ভুল উত্তর হচ্ছে Dictum - Dictos.
- Dictum এর plural form হচ্ছে Dicta.
- বাকি অপশনগুলো সঠিক।

 • Others Option:
Singular - plural
Genus - Genera
Forum - Forums
Datum - Data

Source: Applied English Grammar and composition, P.C. DAS
.
Do not jump ____ a conclusion without much thinking.
  1. ক) to
  2. খ) at
  3. গ) in
  4. ঘ) about
সঠিক উত্তর:
ক) to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) to
ব্যাখ্যা
- প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে to.

• jump to - তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্তে আসা।
Example: Do not jump to a conclusion without much thinking.

এছাড়াও,
• jump at - আগ্রহ সহকারে গ্রহণ করা।
Example: Do not jump at the offer.

Source: Applied English Grammar and Composition, P.C. DAS
.
January is the first month of the year. Identify the determiner ‘first’ is -
  1. ক) Cardinal number
  2. খ) Ordinal number 
  3. গ) Article 
  4. ঘ) None 
সঠিক উত্তর:
খ) Ordinal number 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Ordinal number 
ব্যাখ্যা
- প্রদত্তে অপশনে ‘first’ শব্দটি Ordinal number। এখানে ‘first’ দ্বারা বছরের একটি মাসকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।

• Determiner:
- যেসব word দ্বারা কোনো noun বা pronoun- এর পূর্বে বসে তাকে নির্দেশ করে তাদেরকে determiner বলে।

• Determiner তিন ধরনের হয়ে থাকে।
যথা: 
1. Article - ইংরেজি ভাষায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় definite and Indefinite article ( a, an, the).
2. Predeterminer: যে determiner গুলো central determiner- এর পূর্বে বসে তাদেরকে বোঝায়। যেমন: both, all, half, double, one-third, such, what etc.
3. Postdeteminer: যে determiner গুলো central determiner- এর পূর্বে বসে তাদেরকে বোঝায়।
যেমন: 
Ordinal Numbers:  যে সকল সংখ্যা কোনো স্থানের কোনো বস্তু বা প্রাণীর অবস্থান প্রকাশ করে তাদেরকে বুঝায়। Ordinal নাম্বারগুলো মূলত কোনো বস্তু বা প্রাণীর পরিমাণ বোঝায় না শুধুমাত্র তার অবস্থান বোঝায়। একে বাংলায় বলা হয় ক্রমবাচক সংখ্যা। যেমন: first, second, third, fourth etc.

Cardinal Numbers: যে সংখ্যা দ্বারা কোনোকিছুর সংখ্যা বা পরিমাণ নির্ণয় করা শেখায়।  একে বাংলায় গণনাবাচক বা অঙ্কবাচক সংখ্যাও বলা হয়।
যেমন: one, two, three, four etc.
.
He lives ____ fame.
  1. ক) for
  2. খ) on
  3. গ) by
  4. ঘ) to
সঠিক উত্তর:
ক) for
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) for
ব্যাখ্যা
- প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে for.

• Live for (an ideal) - বেঁচে থাকা।
Example: He lives for fame.

এছাড়াও,
• Live by - কোনো উপায়ে বেঁচে থাকা।
Example: He lives by honest means.

• Live on (food) অর্থ হচ্ছে খেয়ে বাঁচা।
Example: The cow lives on grass.

Source: Applied English Grammar and Composition, P.C. DAS
১০.
Which one is a singular number?
  1. ক) Radii 
  2. খ) Matrix 
  3. গ) Tempi
  4. ঘ) Foci 
সঠিক উত্তর:
খ) Matrix 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Matrix 
ব্যাখ্যা
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে singular form হলো Matrix যার plural হচ্ছে matrices/ matrixes.

• বাকি অপশনগুলো:
Radius এর plural form হচ্ছে Radii.
Tempo এর plural form হচ্ছে Tempi.
Focus এর plural form হচ্ছে Foci.
১১.
The mouse is a little animal.[Identify parts of speech]
  1. ক) Noun
  2. খ) Adjective
  3. গ) Adverb
  4. ঘ) Linking verb 
সঠিক উত্তর:
খ) Adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Adjective
ব্যাখ্যা
- প্রদত্ত option গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর Adjective.

• প্রশ্নোক্ত বাক্যে little শব্দটি 'animal' noun কে বিশেষিত করেছে। 

• Adjective ( বিশেষণ):
Adjective সাধারণত noun বা pronoun এর দোষ, গুণ, অবস্থা, আকৃতি, সংখ্যা বা পরিমাণকে নির্দেশ করে। 
Example : 
Amal is a good boy.
The elephant is a large animal.
উপরের বাক্যগুলোতে Good শব্দটি  'Boy'(noun) কে,  Large শব্দটি 'Animal'(noun) কে বিশেষিত করেছে।
১২.
I agree _____ you on this point.
  1. ক) to
  2. খ) on
  3. গ) with
  4. ঘ) for
সঠিক উত্তর:
গ) with
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) with
ব্যাখ্যা
- প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে with.

• Agree with (a person) - কারো সাথে একমত হওয়া।
Example:
I agree with you on this point.

এছাড়াও,
Agree on (a point) - কোনো বিষয়ে একমত হওয়া।
Agree to (a proposal) - কারো প্রস্তাবে রাজি হওয়া।

Source: Applied English Grammar and Composition, P.C. DAS
১৩.
বর্তমান কোন রাষ্ট্রের সীমানায় মেসোপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত ছিল?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ইরান
  3. গ) সিরিয়া
  4. ঘ) মিশর
সঠিক উত্তর:
ক) ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইরাক
ব্যাখ্যা
- খ্রিস্টপূর্ব ৫,০০০ অব্দে মিশরে যখন নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল, সেই সময় আরো কিছু নগর সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- এই নগর সভ্যতাগুলোর আলাদা আলাদা নাম থাকলেও, একই ভূ-খন্ডে গড়ে ওঠার কারণে এদেরকে একত্রে মেসোপটেমীয় সভ্যতা বলা হয়।
- বর্তমান ইরাক রাষ্ট্রের সীমানার মধ্যেই প্রাচীন মেসোপটেমীয়া অঞ্চল অবস্থিত।
মেসোপটেমীয়া একটি গ্রিক শব্দ। যার অর্থ দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি।
- মেসোপটেমীয়া বলতে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস (দজলা-ফোরাত) এই দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলকে বোঝায়।
- এই উর্বর ভূখন্ডের উত্তরে আর্মেনিয়ার পার্বত্যাঞ্চল, পশ্চিম ও দক্ষিণে আরব মরুভূমি; দক্ষিণ-পূর্বে পারস্য উপসাগর, পূর্বে এলাম পার্বত্যাঞ্চল এবং পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- মেসোপটেমীয়ার অর্ন্তভুক্ত সভ্যতাসমূহ প্রাচীন মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বেশ কয়েকটি নগর সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
- যেমন: সুমেরীয়, ব্যবিলনীয়, এ্যাসিরীয়, ক্যালডীয় ও আক্কাদীয় সভ্যতা।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ওলন্দাজরা কোন দেশের অধিবাসী?
  1. ক) আইসল্যান্ড
  2. খ) নিউজিল্যান্ড
  3. গ) হল্যান্ড
  4. ঘ) ইংল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ) হল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ওলন্দাজ ও দিনেমার:-
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- তারা ‘ডাচ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠন করে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ১৬০২খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে আসে।
- তারা কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া, বাকুড়া, বলাসোর, কাশিমবাজার এবং বরানগরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- কিন্তু অপর ইউরোপীয় শক্তি ইংরেজদের সঙ্গে তাদের ব্যবসায়-বাণিজ্য নিয়ে বিরোধ শুরু হয় এবং একই সঙ্গে তারা বাংলার শাসকদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে।
- ১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা বিদরার যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
- ফলে ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে শেষ পর্যন্ত সকল বাণিজ্যকেন্দ্র গুটিয়ে তারা এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।
- ওলন্দাজদের মতোই দিনেমার বা ডেনমার্কের অধিবাসী একদল বণিক বাণিজ্য করার জন্য ‘ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ গঠন করে।
- ১৬২০ খ্রিস্টাব্দে তারা দক্ষিণ ভারতের ত্রিবাঙ্কুর এবং ১৬৭৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলার শ্রীরামপুরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- কিন্তু এদেশে লাভজনক ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়ে ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্যিক সফলতা ছাড়াই দিনেমাররা এদেশ ত্যাগ করে। 

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৫.
পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন করেন কারা?
  1. ক) মিশরীয় বিজ্ঞানীরা
  2. খ) গ্রিক বিজ্ঞানীরা
  3. গ) সিন্ধুসভ্যতার ব্যবসায়ীরা
  4. ঘ) রোমান ভূগোলবিদরা
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক বিজ্ঞানীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রিক বিজ্ঞানীরা
ব্যাখ্যা
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রিক বিজ্ঞানিরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে।
- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।
- বিখ্যাত গণিতবিদ পিথাগোরাস, চিকিৎসা বিজ্ঞানী হিপোক্রেটসের যথেষ্ট খ্যাতি ছিল।
-  গ্রিক শিল্পের বিশেষ করে স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে বিশেষ উন্নতি হয়েছিল। 

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের প্রবর্তন করেন কে?
  1. ক) লর্ড ডালহৌসি
  2. খ) লর্ড রিপন
  3. গ) লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. ঘ) লর্ড ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কর্নওয়ালিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা
- লর্ড কর্নওয়ালিসকে কোম্পানির শাসন দুর্নীতিমুক্ত ও সুসংগঠিত করতে ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
ভারতের গভর্নর জেনারেল ও সেনা প্রধানের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়।
- তিনি ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- ঐ বছর ২২ মার্চ নির্দিষ্ট রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর স্থায়ী মালিকানা দান করে যে ভূমি বন্দোবস্ত চালু করা হয় তাকেই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বলা হয়।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের আগে ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস রাজস্ব আদায়ের জন্য পাঁচসালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং একসালা বন্দোবস্ত করে ভূমিব্যবস্থায় পরিবর্তন আনে। 

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৭.
ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম সংঘটিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৪৭
  2. খ) ১৯০৫
  3. গ) ১৮৮৫
  4. ঘ) ১৮৫৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৫৭
ব্যাখ্যা
- পলাশী যুদ্ধের একশ বছর পর ভারতের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে প্রধানত সিপাহীদের নেতৃত্বে যে ব্যাপক সশস্ত্র বিদ্রোহ সংঘটিত হয়, তাকেই ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়। 
- ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাসে ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের স্বাধীনতা সংগ্রাম এক যুগান্তকারী ঘটনা।
- ভারতের রাজনৈতিক, আর্থ- সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক ক্ষেত্রে কোম্পানি সরকারের গৃহীত ব্যবস্থা, অনুসৃত নীতি বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে অসন্তোষ আর ক্ষোভের সৃষ্টি করে, তারই বহি:প্রকাশ এই সংগ্রাম।
- নানা কারণে এ সংগ্রাম ব্যর্থ হয়।
- তবে এর ফলে ভারতে একশ বছরের কোম্পানি শাসনের অবসান ঘটে।
- ১৮৫৮ খ্রিস্টাব্দের ১ নভেম্বর মহারানী ভিক্টোরিয়ার ঘোষণাপত্রে স্বত্ববিলোপ নীতি এবং এর সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য নিয়ম বাতিল করা হয়।
- তাছাড়া এই ঘোষণা পত্রে যোগ্যতা অনুযায়ী ভারতীয়দের চাকরি প্রদান এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার নিশ্চয়তাসহ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি ক্ষমা ঘোষণা করা হয়।
- এই বিদ্রোহের সুদূর প্রসারি গুরুত্ব হচ্ছে, বিদ্রোহের ক্ষোভ থেমে থাকেনি।
- এই সংগ্রামের পরিপ্রেক্ষিতে জনগণ সচেতন হয় উঠে এবং নানা আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ শাসনের অবসান ঘটায়।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
১৮.
মাস্টারদার প্রকৃত নামের ক্ষেত্রে কোনটি সমর্থনযোগ্য?
  1. ক) নেতাজী
  2. খ) অজয় সেন
  3. গ) সূর্যসেন
  4. ঘ) মাস্টার মশাই
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্যসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্যসেন
ব্যাখ্যা
- এমন একজন দুঃসাহসী বিপ্লবী ছিলেন চট্টগ্রামের মাস্টারদা, যার আসল নাম সূর্যসেন (১৮৯৪-১৯৩৪)।
- তিনি চট্টগ্রামকে ব্রিটিশ শাসন মুক্ত করার জন্য গঠন করেন চট্টগ্রাম বিপ্লবী বাহিনী।
- পরে এই বিপ্লবী বাহিনীর নাম হয় ‘চিটাগাঙ রিপাবলিকান আর্মি’।
- এই বাহিনী একের পর এক সরকারি প্রতিষ্ঠান দখল করে, সরকারি অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করে ‘স্বাধীন চিটাগাঙ সরকার’ গঠনের ঘোষণা দেয়।
- যুদ্ধ ঘোষণা করে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে।
- এ যুদ্ধ ছিল অসম শক্তির যুদ্ধ। ফলে গোলাবারুদ ফুরিয়ে গেলে বিপ্লবীরা পিছু হটে।
- ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে সূর্যসেন গ্রেফতার হন।
- ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে সংক্ষিপ্ত ট্রাইবুনালের বিচারে তাঁকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়।
- চরম নির্যাতনের পর ১২ জানুয়ারি তাকে ফাঁসি দেয়া হয় এবং তাঁর লাশ বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দেয়া হয়।
- সূর্য সেনের বিপ্লবী বাহিনীতে নারী যোদ্ধাও ছিলেন। 
-  উল্লেখযোগ্য কল্পনা দত্ত ও প্রীতিলতা।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
১৯.
বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা করেন বাংলার কোন শাসক?
  1. ক) আলাউদ্দিন আলী শাহ
  2. খ) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  3. গ) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  4. ঘ) ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
গ) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
- সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ প্রজাদের কল্যাণের জন্য জনহিতকর প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ‘নৃপতি তিলক’, ‘জগৎভূষণ’, ‘কৃষ্ণাবতার’ প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- তিনি সুফি ও দরবেশদেরকে শ্রদ্ধা করতেন। 
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ বাংলা সাহিত্যেরও পৃষ্ঠপোষকতা করে বাংলা ভাষাকে রাজদরবারে স্থান দেন।
- তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বহু আরবি, ফার্সি ও সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
বড় সোনা মসজিদ, গৌড় ছোট সোনা মসজিদ, গৌড় বাংলাভাষায়ও অনেক গ্রন্থ রচিত হয়।
- যেমন রূপ গোস্বামী সুলতানের উৎসাহে বিদগ্ধ মাধব ও ললিত মাধব নামে দুটি বই লেখেন। এ সময়ে বিজয়গুপ্ত পদ্মপুরাণ বা মনসা মঙ্গল, বিপ্রদাস মনসা বিজয়
- এবং যশোরাজ খান শ্রীকৃষ্ণ বিজয় কাব্য রচনা করেন।
- মালাধর বসু শ্রীমদ্ভাগবত বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেন।
- তিনি শ্রীকৃষ্ণ বিজয় নামে আর একটি কাব্যও রচনা করেন।
- আলাউদ্দীন হুসেন শাহ বাংলায় হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠা করেন। 

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও  বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
একমাত্র কোন মুসলিম কবি সুলতানি আমলে বাংলায় কাব্য রচনা করেন?
  1. ক) সৈয়দ আশরাফ সিমনানী
  2. খ) শেখ আলাউল হক
  3. গ) শাহ মুহাম্মদ সগীর
  4. ঘ) সারিবদ্ধ খা
সঠিক উত্তর:
গ) শাহ মুহাম্মদ সগীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শাহ মুহাম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা
- মুসলিম শাসকগণ বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতাও করেন।
- এই সময়ে বাংলা ভাষা সাহিত্যের মর্যাদা পায় এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সুলতানদের দরবারে প্রবেশ করে।
- প্রথমে সুলতানরা ও তাঁদের আমাত্যেরা হিন্দু কবিদের উৎসাহ দেন ও পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- পরে মুসলিম কবিরাও বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন।
- শাহ মুহাম্মদ সগীর একমাত্র মুসলিম কবি যিনি সুলতানি আমলে কাব্য রচনা করেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
-  বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরোনো নমুনা হল চর্যাপদ। চর্যাপদের ভাষা পুরোপুরি বাংলা নয়, বলা চলে এটি বাংলা-পূর্ববর্তী ভাষা।
- কিন্তু তারপরও চর্যাপদকে বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নমুনা বলে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। কেউ কেউ একে চর্যাগীতি বলেন।
- বাংলা ভাষা নতুন গতি লাভ করে সুলতানি যুগে।
-  ইলিয়াসশাহী আমলে মহাকাব্য ও পৌরাণিক কাহিনী,  বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা বাংলায় ভাবপ্রবণ ও মানবতাবাদী সাহিত্যের উদ্ভব ঘটে।
- বাংলার সুলতান রুকনউদ্দিন-এর পৃষ্ঠপোষকতায় কৃত্তিবাস বাংলা ভাষায় ‘রামায়ণ’ রচনা করেন।
- চট্টগ্রামের শাসক পরাগল খার সহযোগিতায় কবি পরমেশ্বর ‘মহাভারত’ বাংলায় অনুবাদ করেন।
- আরো অনেক গ্রন্থই তখন রচিত হয়। মুসলিম শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় লৌকিক কাব্যের সাহিত্য রচনা হয়।
- ষোড়শ শতকে সারিবদ্ধ খাঁ নামক একজন মুসলমান ‘বিদ্যাসুন্দর’ কাব্য রচনা করেন। 

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২১.
মিশরীয়রা সর্বপ্রথম ব্যঞ্জনবর্ণের কয়টি বর্ণ আবিষ্কার করে?
  1. ক) ১0টি
  2. খ) ২৯টি
  3. গ) ৩০টি
  4. ঘ) ২৪টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪টি
ব্যাখ্যা
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- প্রথম  দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয়‘হায়ারোগিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের মন্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- পরে এই কাগজের উপর তারা লিখতে শুরু করে।
- গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’।
- যে শব্দ থেকে ইংরেজি ‘পেপার’ শব্দের উৎপত্তি।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে।
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
ইউরোপীয়দের ভারতে আগমনের প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. ক) রাজনৈতিক
  2. খ) সাংস্কৃতিক
  3. গ) বাণিজ্যিক
  4. ঘ) ধর্মীয়
সঠিক উত্তর:
গ) বাণিজ্যিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাণিজ্যিক
ব্যাখ্যা
- ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দে কনস্টান্টিনপোল অটমান তুর্কিদের দখলে চলে গেলে, উপমহাদেশের সঙ্গে ইউরোপীয়দের সমুদ্র পথে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথ বন্ধ হয়ে যায়।
- ফলে ভারতবর্ষে আসার ভিন্ন পথ আবিষ্কারের প্রয়োজন দেখা দেয়।
- এই পথ আবিষ্কারে প্রথম সফল হন পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-ডা-গামা।
- সর্ব প্রথম পর্তুগিজরাই ভারতবর্ষে ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য আসে।
- তাদের পথে আসে হল্যান্ড, ডেনমার্ক, ইংরেজ এবং ফরাসিরা।
- একশ বছর অর্থাৎ ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত চলে এদেশে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন এবং চরম শোষণ।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২৩.
ঐতিহাসিক পলাশী যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের ফলে ভারতে-
  1. ক) ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের পথ প্রশস্ত হয়
  2. খ) মুঘল সম্রাটদের ক্ষমতা সুসংহত হয়
  3. গ) বৃটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের সূচনা হয়
  4. ঘ) বাংলার স্বাধীন নবাবি শাসনের অবসান হয়
সঠিক উত্তর:
ক) ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের পথ প্রশস্ত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের পথ প্রশস্ত হয়
ব্যাখ্যা
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাবের সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়। 
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের কারণে বাংলায় ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠার পথ প্রশস্তহয়।
- তবে পলাশীর বিজয়ে কোম্পানির সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা হয়নি।
- সে জন্য তাকে আরো একটি যুদ্ধে লিপ্ত হতে হয়।
- মীর জাফর ইংরেজদের স্বার্থ রক্ষা করতে ব্যর্থ হলে তাকে সরিয়ে মীর কাশিমকে সিংহাসনে শর্তসাপেক্ষে বসানো হয়।
- স্বাধীনচেতা মীর কাশিম ইংরেজদের অনুগত না হয়ে স্বাধীনভাবে দেশ পরিচালনার জন্য একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
- যার ফলে শেষ পর্যন্ত ১৭৬৪ খ্রিস্টাব্দে বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে বাংলার নবাব একা পরাজিত হননি তাঁর সাথে তার মিত্র দিল্লির সম্রাট শাহ আলম অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলাও পরাজিত হন।
- এই তিন শক্তির এক সঙ্গে পরাজয়ের কারণে ইংরেজদের মর্যাদা ও শক্তি বৃদ্ধি পায়।
- একই সঙ্গে রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের পথ সুনিশ্চিত হয়।
- যার পরিণতিতে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি একশবছর অর্থাৎ ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই উপমহাদেশ শাসন করতে সক্ষম হয়।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ব বিদ্যালয়।
২৪.
নিচের কোন এনজাইম প্রোটিনকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে?
  1. ক) ট্রিপসিন
  2. খ) অ্যামাইলেজ
  3. গ) লাইপেজ
  4. ঘ) প্রোটিওলেজ
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রিপসিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রিপসিন
ব্যাখ্যা
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জটিল ও শোষণ অনুপযোগী খাদ্যবস্তু দেহাভ্যন্তরে বিভিন্ন এনজাইম ও পানির সাহায্যে ভেঙ্গে তরল, সরল ও শোষণ উপযোগী খাদ্যবস্তুতে পরিণত হয় তাকে পরিপাক (Digestion) বলে। 
- খাদ্য সিলেন্টেরনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে মুখছিদ্র বন্ধ হয়ে যায় এবং অন্তঃত্বকীয় গ্রন্থিগুলো সক্রিয় হয়।
- মূলত গ্যাস্ট্রোডার্মিস নিঃসৃত এনজাইমের ক্রিয়ায় শিকারের মৃত্যু ঘটে।
- এরপর দেহ প্রাচীরের সংকোচন ও প্রসারণের ক্রিয়ায় খাদ্যবস্তু চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়।
- পরবর্তীতে অন্তঃত্বকের ফ্ল্যাজেলীয় কোষের ফ্ল্যাজেলায় সঞ্চালনে খাদ্যকণা এনজাইমের সাথে ভালোভাবে মিশ্রিত হয়।
- গ্রন্থিকোষ নির্মিত ট্রিপসিন এনজাইম প্রোটিনকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে
- লিপিড ও শর্করা খাদ্যবস্তুর কোন পরিবর্তন হয় না।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
রুই মাছের হৃৎপিণ্ড কয়টি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২টি
ব্যাখ্যা
হৃৎপিণ্ড (Heart)
- রুই মাছের হৃৎপিণ্ড ফুলকাদ্বয়ের পিছনে পেরিকার্ডিয়াল গহ্বর (Pericardial cavity) নামক একটি বিশেষ প্রকোষ্ঠে আবৃত থাকে।
- পেরিকার্ডিয়াম নামক শক্ত আবরণে হৃৎপিণ্ডটি আবৃত থাকে। 
- রুই মাছের হৃৎপিণ্ড দুইটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। যথা: অ্যাট্রিয়াম বা অলিন্দ (atrium or auricle) এবং ভেন্ট্রিকল বা নিলয় (ventricle)। এছাড়া যথা- সাইনাস ভেনোসাস (sinus venosus) নামে একটি উপপ্রকোষ্ঠ রয়েছে।
- সাইনাস ভেনোসাস পাতলা প্রাচীর বিশিষ্ট প্রকোষ্ঠ যা হৃৎপিণ্ডের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত।
- শিরাসমূহের CO2 অ্যাট্রিয়াম হৃৎপিণ্ডের বৃহত্তম প্রকোষ্ঠ। এর প্রাচীরও পাতলা।
- এটি একদিকে সাইনাস ভেনোসাস অন্যদিকে অ্যাট্রিও ভেন্ট্রিকুলার ছিদ্রপথে ভেন্ট্রিকলে উন্মুক্ত। 
- পেরিকার্ডিয়াম গহ্বরে অঙ্কীয় পশ্চাৎ দেশে ভেন্ট্রিকল অবস্থিত। এর প্রাচীর পুরু ও মাংসল।
- এর গহ্বর নিয়ত এবং একটি ছিদ্রপথে বাল্বাস আর্টারিওসাস নামক প্রকোষ্ঠে যুক্ত হয়।
- এ ছিদ্রে দুটি অর্ধ চন্দ্রাকৃতি কপাটিকা থাকে ।
- ফলে এদের হৃৎপিণ্ডের মধ্য দিয়ে রক্ত কেবল একমুখী প্রবাহে প্রবাহিত হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের যকৃতের ওজন কতটুকু?
  1. ক) প্রায় ২-৩ কেজি
  2. খ) প্রায় ১.৫-২ কেজি
  3. গ) প্রায় ০.৫-১ কেজি
  4. ঘ) প্রায় ৩-৪ কেজি
সঠিক উত্তর:
খ) প্রায় ১.৫-২ কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রায় ১.৫-২ কেজি
ব্যাখ্যা
যকৃত (Liver):
- মানুষের মধ্যচ্ছদার ঠিক নিচে পাকস্থলির ডানদিকে বিস্তৃত গাঢ় লালচে বর্ণের ত্রিকোণাকার ও পিত্তরস নিঃসরণকারী গ্রন্থিকে যকৃত বলা হয়।
- যকৃতের বেশির ভাগ অংশ দেহের ডানদিকে অবস্থিত।
- যকৃত মানবদেহের সর্বাপেক্ষা বৃহৎ গ্রন্থি।
- একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের যকৃতের ওজন প্রায় ১.৫-২.০ কেজি
- এটি চারটি অসম্পূর্ণ খণ্ড নিয়ে বিভক্ত।
- ডান খণ্ডটি অপেক্ষাকৃত বড় এবং এই খণ্ডের নিচে পেয়ালার মতো পিত্তরস ধারণকারী একটি থলে থাকে, একে পিত্তথলি বলে।
- পিত্তথলি ৭-৮ সে.মি. লম্বা।
- পিত্তথলি থেকে পিত্ত ডিওডেনামে উন্মুক্ত হয়।
- পিত্তরস হলদে সবুজ বর্ণের একটি ক্ষার জাতীয় তরল পদার্থ।
- এতে শতকরা ৮০% পানি ও ২০% অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান থাকে।
- যকৃত থেকে ক্ষরণকৃত পিত্তরসে, খাদ্য পরিপাকে সাহায্যকারী কোন এনজাইম না থাকায় খাদ্য পরিপাকে এদের প্রত্যক্ষ কোন ভূমিকা নেই।
- তবে এরা শর্করা, প্রোটিন, ভিটামিন প্রভৃতি খাদ্যকে পরিপাকের পর রক্তস্রোতে পরিবাহিতকরণে সাহায্য করে।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
নিচের কোনটি শ্বেত রক্ত কণিকার অংশ নয়?
  1. ক) মনোসাইট
  2. খ) বেসোফিল
  3. গ) ক্রিয়েটিনিন
  4. ঘ) নিউট্রোফিল
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিয়েটিনিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্রিয়েটিনিন
ব্যাখ্যা
রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের তরল যোজক কলা।
- রক্তবাহিকার মাধ্যমে রক্ত মানব দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়।
- রক্ত সামান্য ক্ষারীয়।
- এর p" মাত্রা গড়ে ৭.৩-৭.৪।
- সজীব রক্তের তাপমাত্রা ৩৬°-৩৮° সেলসিয়াস।
- অজৈব লবণের উপস্থিতিতে রক্ত লবণাক্ত। 
- একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষের দেহে গড়ে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা শরীরের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- রক্তের প্রকারভেদ- 


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র কয়টি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক) ২০৪টি
  2. খ) ২০৫টি
  3. গ) ২০৬টি
  4. ঘ) ২০৮টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০৬টি
ব্যাখ্যা
মানুষের কঙ্কালতন্ত্র:
- ভ্রূণীয় মেসোডার্ম স্তর থেকে সৃষ্ট অস্থি, তরুণাস্থি ও লিগামেন্ট এর সমন্বয়ে গঠিত যে তন্ত্র দেহের কাঠামো সৃষ্টি করে, নির্দিষ্ট আকার আকৃতি দান করে, ভার বহন করে এবং অভ্যন্তরীণ অঙ্গাদি সুরক্ষিত রাখে, তাদেরকে একত্রে কঙ্কালতন্ত্র বলে।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্র ২০৬টি অস্থির সমন্বয়ে গঠিত। 
- এ ধরনের কঙ্কালতন্ত্রকে অন্তঃকঙ্কাল বলে। কারণ বাইরে থেকে এ কঙ্কাল দেখা যায় না।
- মানুষের কঙ্কালতন্ত্রকে প্রধান দুটি অংশে ভাগ করা হয়। যথা— (১) অক্ষীয় কঙ্কাল (Axial skeleton) (২) উপাঙ্গীয় কঙ্কাল (Appendicular skeleton) । 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
জীবাশ্মগত বিদ্যাকে বলা হয়-
  1. ক) Parasitology
  2. খ) Ophthalmology
  3. গ) Palaeontology
  4. ঘ) Helminthology
সঠিক উত্তর:
গ) Palaeontology
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Palaeontology
ব্যাখ্যা
জীবাশ্ম
- জীবাশ্ম বা ফসিল (Fossil), ল্যাটিন Fossilis শব্দ থেকে ইংরেজি Fossil শব্দের উৎপত্তি ।
- Fossilis শব্দের অর্থ হলো dug out বা খুড়ে তোলা।
- পূর্বে মাটি খুড়ে যা কিছু তোলা হতো তাকেই জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হতো।
- বর্তমানে, পৃথিবীর ভূত্বকে (crust) প্রাকৃতিক উপায়ে সংরক্ষিত প্রাগৈতিহাসিক জীবের দেহ, দেহাবশেষ বা দেহের কোন অংশের চিহ্ন বা সাক্ষ্যকে জীবাশ্ম বা ফসিল বলা হয়। 
- গমন পথ, ট্রেইল এবং জীবজনিত গর্তকে ট্রেস ফসিল (trace fossil) বা ইকনোফসিল (ichnofossil ) বা জার্মান ভাষায় লেবেনস্পুরেন (lebenspuren) নামে আখ্যায়িত করা হয়।
- জীবাশ্মগত বিদ্যাকে জীবাশ্মবিদ্যা বা প্যালেন্টোলজি (palaeontology) বলা হয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩০.
ডিসি প্রবাহের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ক) জেনারেটর
  2. খ) শুষ্ক কোষ
  3. গ) রেগুলেটর
  4. ঘ) বিদ্যুৎ কোষ
সঠিক উত্তর:
খ) শুষ্ক কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শুষ্ক কোষ
ব্যাখ্যা
ডিসি:
- আমাদের দৈনন্দিন কাজে ডিসি (DC) সরবরাহের অসংখ্য প্রয়োগ রয়েছে।
- বিশেষ করে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বা বর্তনী পরিচালনার জন্য নিরবচ্ছিন্ন একমুখী প্রবাহ বা ডিসি প্রবাহ (Direct Current) প্রয়োজন হয়।
- ব্যাটারি বা শুষ্ক কোষ হলো ডিসি প্রবাহের প্রধান উৎস
- কিন্তু এদের ভোল্টেজ বেশ কম এবং এগুলো প্রায়ই পরিবর্তন করতে হয় বলে বেশ ব্যয়বহুল।
- ব্যাটারি দ্বারা আমাদের সব প্রয়োজন মিটানো সম্বব নয়।
- তাই আমাদের প্রয়োজন, বৈদ্যুতিক সরবরাহ লাইনের দিক পরিবর্তী তথা এসি ভোল্টেজকে একমুখী তথা ডিসি ভোল্টেজ রূপান্তরিত করা।  
-  যে প্রক্রিয়ায় এই রূপান্তরের কাজটি সম্পন্ন করা হয় তাকে বলে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩১.
পরমাণুতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের মধ্যে কত ধরনের শক্তি বিদ্যমান থাকে?
  1. ক) দুই ধরনের
  2. খ) তিন ধরনের
  3. গ) চার ধরনের
  4. ঘ) এক ধরনের
সঠিক উত্তর:
ক) দুই ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দুই ধরনের
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রন:
- সকল পদার্থই অতি ক্ষুদ্র কণিকা দ্বারা গঠিত। এদেরকে পরমাণু বলে।
- পরমাণুর কেন্দ্রে থাকে ধনাত্মক আধানযুক্ত নিউক্লিয়াস।
- নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা ইলেকট্রন বিভিন্ন কক্ষপথে আবর্তন করে।
- ইলেকট্রন হলো ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা এবং এর ভর নগন্য।
- ইলেকট্রনের বৈশিষ্ট্য: 
(ক) ইলেকট্রনের আধান, e=1.602×10-19 C;
(খ) ইলেকট্রনের ভর, m = = 9.0×10-31 kg;
(গ) ইলেকট্রনের ব্যাসার্ধ, r =1.9×10-15 m এবং
(ঘ) ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধান, e/m =1.77×1011 Ckg-1। 
- ইলেকট্রনের আপেক্ষিক আধানের মান থেকে দেখা যায় যে, ইলেকট্রনের আধানের তুলনায় এর ভর খুবই কম।
- ইলেকট্রনের এ ধর্মের কারণে এর গতিশীলতা অনেক বেশি এবং এটি তড়িৎক্ষেত্র অথবা চৌম্বকক্ষেত্র দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হয়।
- পরমাণুতে নিউক্লিয়াসের চারদিকে ঘূর্ণায়মান ইলেকট্রনের মধ্যে দুধরনের শক্তি বিদ্যমান থাকে
- এর গতির জন্য থাকে গতিশক্তি এবং নিউক্লিয়াসের আধানের জন্য থাকে বিভবশক্তি।
- ইলেকট্রনের মোট শক্তি এর গতিশক্তি ও বিভবশক্তির যোগফলের সমান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কোন ধরনের শক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গতি শক্তি
  2. খ) বিভব শক্তি
  3. গ) যান্ত্রিক শক্তি
  4. ঘ) ঘর্ষণ শক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) বিভব শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিভব শক্তি
ব্যাখ্যা
জলবিদ্যুৎ:
- পানি নবায়নযোগ্য শক্তির অন্যতম উৎস।
- পানির স্রোত ও জোয়ার-ভাটাকে ব্যবহার করে শক্তির উৎপাদন করা যায়।
- পানির স্রোতে আছে গতি শক্তি ও বিভব শক্তি।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা যায়।
- একে জলবিদ্যুৎ বলা হয়।
- পানির স্রোতকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন পৃথিবীতে খুবই জনপ্রিয়।
- বাংলাদেশে রাঙ্গামাটির কাপ্তাইতে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আছে।
- জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বিভব শক্তি বা স্থিতি শক্তি ব্যবহার করা হয়। 
- পানির স্রোতের সাহায্যে একটি টার্বাইন ঘোরানো হয়।
- এই ট্রার্বাইনের ঘূর্ণন থেকেই এখানে যান্ত্রিক শক্তি ও চৌম্বকশক্তির সমন্বয় ঘটানো হয়।
- প্রবাহিত পানির স্রোত থেকে যান্ত্রিক শক্তি সংগ্রহ করে চৌম্বক শক্তির সমন্বয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৩৩.
অর্ধপরিবাহীর যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তির পার্থক্য কোনটি?
  1. ক) প্রায় 1.1 eV
  2. খ) প্রায় 15.0 eV
  3. গ) প্রায় 25.1 eV
  4. ঘ) প্রায় 50.1 eV
সঠিক উত্তর:
ক) প্রায় 1.1 eV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রায় 1.1 eV
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে। যেমন— জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ ।
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি।
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের।
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না।
- কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু ও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়।

অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0 K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে।  
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm এর মধ্যে থাকে। 
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়। 
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার উঠা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়।  
৫। অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তির পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম।  
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩৪.
কোন নদীকে মা মাছের মেটারনিটি ক্লিনিক বলা হয়ে থাকে?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) তিতাস
  4. ঘ) হালদা
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হালদা
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- চট্টগ্রামের হালদা নদী এশিয়ার বৃহত্তম একটি প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র।
- হালদা নদীর বৈশিষ্ট্য হলো এটি এমন একটি নদী যা বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে বাংলাদেশে পতিত হয়েছে।
- হালদা নদীকে মা মাছের মেটারনিটি ক্লিনিকও বলা হয়ে থাকে
- হালদা নদী থেকেই রুই জাতীয় মাছ, যেমন রুই, মৃগেল, কাতলা, কালিবাউস মাছের ডিম সরাসরি সংগ্রহ করা হয়।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।