পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়28 minutes
মোট প্রশ্ন৩০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১০: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর] উৎস: যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩০ প্রশ্ন

.
একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম সচল রাখাকে বলা হয়-
  1. ক) সর্টিং
  2. খ) ইন্ডেক্সিং
  3. গ) মাল্টিটাস্কিং
  4. ঘ) প্যারামিটার
ব্যাখ্যা
মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম:
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি কম্পিউটার একসাথে অনেকগুলো প্রোগ্রাম চালাতে পারে বা ডেটা প্রসেসিং করতে পারে।
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)। 
.
পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস নিচের কোনটি?
  1. ক) ফ্লপিডিস্ক
  2. খ) হার্ডডিস্ক
  3. গ) সিডি
  4. ঘ) ডিভিডি
ব্যাখ্যা
- পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস হচ্ছে হার্ডডিস্ক
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়। 
- ডিস্কটি অনেক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। 
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard Disk Drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে। 
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভের কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।
- হার্ডডিস্ক ভিন্ন ভিন্ন ক্যাপাসিটির হয়ে থাকে। যেমন: ২০০ গিগাবাইট, ৫০০ গিগাবাইট, ১ টেরাবাইট ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া নয়?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Hard Disk
  4. ঘ) PROM
ব্যাখ্যা
- উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে। যেমন: সিডি, ডিভিডি, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি।
- স্টোরেজ মিডিয়া প্রধানত দুই প্রকার। যথা: 
ক। প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া এবং
খ। সেকেন্ডারি স্টোরেজ মিডিয়া।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
কাজ সম্পন্ন করার পর্যায়ক্রমিক নির্দেশের তালিকাকে কী বলে?
  1. ক) হার্ডওয়্যার
  2. খ) প্রোগ্রাম
  3. গ) সফটওয়্যার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- যে সকল যন্ত্রাংশ দিয়ে কম্পিউটার তৈরি করা হয় এদেরকে হার্ডওয়্যার বলে।
- অর্থাৎ হার্ডওয়্যার বলতে কম্পিউটারের ইলেকট্রনিক, বৈদ্যুতিক, যান্ত্রিক ও আনুষাঙ্গিক যন্ত্রপাতিকে বুঝায়। যেমন: কীবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি।

- কম্পিউটারের নিজস্ব কোনো বুদ্ধিমত্তা নেই। তাই কোনো কাজ সম্পাদনের পূর্বে এটি প্রয়োজনীয় নির্দেশ গ্রহণ করে থাকে।
- কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় লিখিত এ ধরনের নির্দেশকে প্রোগ্রাম বলে।
- অর্থাৎ প্রোগ্রাম হলো কাজ সম্পন্ন করার পর্যায়ক্রমিক নির্দেশের তালিকা

- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো নির্দেশকৃত প্রোগ্রামের সমষ্টি যা কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য হার্ডওয়্যারকে সক্রিয় বা কর্মক্ষম করে।
- এটি কম্পিউটার ব্যবহারকারী এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে সংযোগ ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করে।

- কম্পিউটার থেকে ফলপ্রসূ কোনো আউটপুট পেতে হলে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উভয়েরই পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোন ধরনের প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে?
  1. ক) লেজার প্রিন্টার
  2. খ) ডট প্রিন্টার
  3. গ) ইংকজেট প্রিন্টার
  4. ঘ) ইমপেক্ট প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
লেজার প্রিন্টার
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার। এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM এ পরিমাপ করা হয়। 
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিম্নের কোনটি জনপ্রিয় জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট?
  1. ক) Upwork
  2. খ) Freelancer
  3. গ) Belancer
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবস্থার উন্নতির ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিরাট অংশ ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই দেশে এবং দেশের বাইরে চাকরির বাজারে আবেদন করে বেকারত্ব দূর করতে পারছে।

- আবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ খন্ডকালীন বা চুক্তিভিত্তিক পদ্ধতিতে যে কেউ স্বাধীনভাবে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করতে পারেন। এই ধরনের চুক্তিভিত্তিক কাজকে ফ্রিল্যান্সিং (স্ব-উদ্যোগের কাজ) বলা হয়।

- বিশ্বব্যাপী কয়েকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস বা জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট যেমন: Upwork, Freelancer, Belancer, Fiverr ইত্যাদিতে নানা ধরনের বৈচিত্র্যময় কাজ করা যায়।

- কাজের স্বাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি কাজের স্থান ও সময়ের কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম না থাকায় এ পেশার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
.
ইন্টারনেট সংযোগ দিতে নিম্নের কোন পদ্ধতিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে?
  1. ক) ডায়াল-আপ সিস্টেম
  2. খ) আইএসডিএন
  3. গ) ব্রডব্যান্ড
  4. ঘ) ওয়াই-ফাই
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট কথার অর্থ হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক। অর্থাৎ ইন্টারনেট হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অবস্থিত কম্পিউটারগুলোর নেটওয়ার্ক। বিশ্বের বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করলে যে নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে তাকে ইন্টারনেট বলে। 
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে। ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারের সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।

- বর্তমানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের পদ্ধতি আছে। বহুল প্রচলিত পদ্ধতিগুলো হলো- 
১। ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System)
২। আইএসডিএন (ISDN)
৩। ব্রডব্যান্ড (Broadband)
৪। ওয়াই-ফাই (Wi-Fi)
৫। ওয়াইম্যাক্স (WiMax)

ডায়াল আপ সিস্টেম (Dial-Up System):
- ডায়াল আপ সিস্টেম পদ্ধতিতে ইন্টারনেট সংযোগ দিতে কম্পিউটারের সাথে টেলিফোন লাইন ও মডেম সংযুক্ত থাকে
- কম্পিউটার টেলিফোন লাইন ও মডেমের মাধ্যমে নির্দিষ্ট আইএসপি (ISP) বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে। 
- তবে ডায়াল আপ সিস্টেমটি তুলনামূলক সহজ কিন্তু ইন্টারনেটের স্পিড তুলনামূলক অনেক কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি Search Engine?
  1. ক) Yahoo
  2. খ) Google
  3. গ) Alta Vista
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়। ইন্টারনেটের বিশাল সমুদ্র থেকে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেখা বা খুঁজাকে ইন্টারনেট ব্রাউজিং বলা হয়। ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।

- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (World Wide Web) একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম। এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোন ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট, ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোন ফর্মেটের ডাটা।

- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের তথ্য দ্রুত সার্চিংয়ের জন্য বেশ কিছু স্পেশাল চিহ্ন ও ক্যারেক্টার ব্যবহার করলে স্বল্প সময়ে সর্বোৎকৃষ্ট সদ্ধান পাওয়া যায়। ইন্টারনেটে সংযোগ স্থাপন করে সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে বিভিন্ন বিষয়ের ওয়েবপেজের তালিকা পাওয়া যায়। 

- ব্রাউজার উইন্ডোতে সার্চ ইঞ্জিনের ঠিকানা লিখে এন্টার কী চাপলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনের ওয়েবপেজটি ওপেন হবে। বিভিন্ন প্রকার সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। যেমন: Yahoo, Google, Alta Vista, Mamma, Hotbot, Go ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ-বি এড।
.
স্টার টপোলজি কোন ধরনের নেটওয়ার্কের টপোলজি?
  1. ক) LAN
  2. খ) PAN
  3. গ) MAN
  4. ঘ) WAN
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থিত একাধিক কম্পিউটার যখন আন্তঃসংযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান এবং প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তখন সম্পূর্ণ সিস্টেমকে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- দুটি কম্পিউটারকে যখন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিয়ে আসা হয় তখন আমরা প্রধান যে সুবিধা পায় তা হলো দুটি কম্পিউটার পরস্পরের রিসোর্স শেয়ার করতে পারে। রিসোর্স বলতে এখানে তথ্য এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসকে বুঝায়।

লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যেকরা হয়ে থাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়। 
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারসমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি। তাই টপোলজিকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network-LAN)-এর সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। যথা: 
১। স্টার টপোলজি
২। বাস টপোলজি
৩। রিং টপোলজি ও 
৪। ট্রি টপোলজি ।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০.
বর্তমানে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলে ডাটা ট্রান্সমিশন হার কত?
  1. ক) 10 mbps-1 Gega bps
  2. খ) 100 mbps-1 Gega bps
  3. গ) 10 mbps-2 Gega bps
  4. ঘ) 100 mbps-2 Gega bps
ব্যাখ্যা
- ডাটা কমিউনিকেশনে ক্যাবল বা তার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তার মাধ্যমকে গাইডেড মিডিয়াও বলা হয়। ডাটা কমিউনিকেশনে তিন ধরনের ক্যাবল ব্যবহৃত হয়।যথা: 
১। টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
২। কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
৩। অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল।

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল:
- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ফাইবার আলোক পরিবাহী। অপটিক ক্যাবল হচ্ছে ড্রাই-ইলেকট্রিক অন্তরক পদার্থ দিয়ে তৈরি এক ধরনের আঁশ যা আলো নিবন্ধিকরণ ও পরিবহনে সক্ষম। এই ধরনের ক্যাবলের মধ্য দিয়ে ডাটা আদান-প্রদান করা হয় আলোর গতিতে এবং আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়।

- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল তিনটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত। যথা: 
কোর (Core): সবচেয়ে ভিতরের অংশ হচ্ছে কোর যা কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি যা ১০০ মাইক্রোমিটার হয়ে থাকে। আলোক সিগন্যাল সঞ্চালনের প্রধান কাজটি করে কোর।
ক্ল্যাডিং (Cladding): কোরের ঠিক বাইরের অংশটি হচ্ছে ক্ল্যাডিং। ক্ল্যাডিং হচ্ছে কাঁচ বা প্লাস্টিক দ্বারা তৈরি এক বিশেষ ধরনের আবরণ যা কোর থেকে নির্গত আলোক রশ্মি প্রতিফলিত করে তা পুনরায় কোরে ফেরত পাঠায়।
জ্যাকেট (Jacket): ক্ল্যাডিং-এর প্লাস্টিক এবং বিভিন্ন ধাতব পদার্থ দ্বারা তৈরি বাইরের অংশটি হচ্ছে জ্যাকেট। জ্যাকেট ফাইবারকে জলীয়বাষ্প, আর্দ্রতা, ঘর্ষণ, মচকানো এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে।

- বর্তমানে যে সকল অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বাজারে পাওয়া যায় তার ডাটা ট্রান্সমিশন হার 100 mbps-2 Gega bps

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
টেক জায়ান্ট হুয়াওয়েই (Huawei) কর্তৃক উদ্ভাবিত অপারেটিং সিস্টেমের নাম কী?
  1. ক) iOS
  2. খ) Symbian
  3. গ) Android
  4. ঘ) HarmonyOS
ব্যাখ্যা
iOS: আইফোনে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে iOS. এর উদ্ভাবক হচ্ছে অ্যাপল।
Android: বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে Android। বর্তমানে এটি গুগলের মালিকাধীন।
Symbian: মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, বর্তমানে এর প্রচলন কম।
HarmonyOS: যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক চায়নিজ টেক জায়ান্ট হুয়াওয়েই (Huawei) ব্যান করার পর হুয়াওয়েই তাদের স্মার্টোফোনে গুগলের এন্ড্রয়েড  অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারছে না। ফলশ্রুতিতে  হুয়াওয়েই HarmonyOS নামক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করে।
১২.
কোনটি কম্পিউটারের অতি উচ্চতর বা চতুর্থ প্রজন্মের পোগ্রামিং ভাষা?
  1. ক) C
  2. খ) C++
  3. গ) Fortran
  4. ঘ) FOCUS
ব্যাখ্যা
উচ্চতর বা হাই লেভেল (High level) ভাষা:
কম্পিউটারের পক্ষে লো লেভেল ভাষা বোঝা সহজ হলেও মানুষের পক্ষে লো লেভেল ভাষা বোঝা সহজসাধ্য নয় । এই সকল অসুবিধা থেকে অব্যাহতির প্রচেষ্টার ফলে উচ্চতর ভাষার উদ্ভব হয় । উচ্চতর ভাষা বা হাই লেবেল ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন ইংরেজি) সাথে মিল আছে। এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব। অর্থাৎ এই প্রোগ্রাম ভাষা কম্পিউটার সংগঠনের নিয়ন্ত্রণের উর্ধ্বে, এই জন্য এসব ভাষাকে উচ্চতর ভাষা বলা হয়।

কিছু উচ্চতর ভাষার উদাহরণ হলো-
- C
- C++
- Basic
- Java
- ALGOL
- Fortran
- Python

অতি উচ্চতর (Very high level) ভাষা:
কম্পিউটারে সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ কয়েকটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (4GL) বলা হয়। 4GL এর সাহায্যে সহজেই অ্যপ্লিকেশন তৈরি করা যায় বলে একে Rapid Application Development (RAD) টুলও বলা হয়। ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট কুয়েরি (Query) এবং রিপোর্ট জেনারেটর ও ডেটা সঞ্চালনের জন্য ব্যবহৃত ভাষা সমূহ(যেমন SQL) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এসব ভাষায় ইংরেজি ভাষার মত নির্দেশ দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী ডেটাবেসের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং ডেটা আদান- প্রদান করতে পারেন। পুঙ্খানুপুঙ্খ বা বিস্তারিতভাবে প্রক্রিয়াকরণের বর্ণনা দিতে হয় না বলে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে ননপ্রসিডিউলার ল্যাংগুয়েজও বলা হয় ।

কিছু অতি উচ্চতর ভাষার উদাহরণ হলো-
- SQL
- NOMAD
- RPG III
- FOCUS
- Intellect BPM

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১৩.
F-Commerce কী?
  1. ক) Female Commerce
  2. খ) Future Commerce
  3. গ) Facebook Commerce
  4. ঘ) Functional Commerce
ব্যাখ্যা
F-Commerce (Facebook Commerce)
- Facebook Commerce এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে F-Commerce।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক প্রোফাইল বা পেইজের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি এবং ব্যবসায়িক লেনদেন সম্পন্ন করার নাম হচ্ছে এফ-কমার্স।
- এটি ব্যক্তিগত পর্যায়ে বা গ্রুপেও সম্পাদন করা যায়।
- এফ-কমার্সের অধিকাংশই নারী উদ্যোক্তা।
১৪.
হাইপারলিংক (Hyperlink) কী?
  1. ক) ওয়েবপেজে প্রদর্শিত ছবি।
  2. খ) ওয়েবপেজে প্রদর্শিত টেক্সট বা ছবির লিংক।
  3. গ) ডাটা এনক্রিপ্টিং মেথড।
  4. ঘ) ওয়েবপেজের তথ্য সাজানোর টুল
ব্যাখ্যা
হাইপারলিংক (Hyperlink)
কোন ফিল্ডের অধীনে টেক্সট ও নম্বরের কম্বিনেশন ও অন্যান্য কোন প্রোগ্রামের তথ্যকে লিঙ্ক করা হলে সেটাকে হাইপার লিংক বলে।
- এর মাধ্যমে ওয়েবপেজে প্রদর্শিত টেক্সট বা ছবির লিংক করা হয়,
- লিংক এ ক্লিক করলে অন্য আরেকটি ওয়েবপেজে নিয়ে যায়।
১৫.
নিচের কোনটি রাইড শেয়ারিং মাধ্যম নয়?
  1. ক) পাঠাও
  2. খ) উবার
  3. গ) রেডএক্স
  4. ঘ) ওভাই
ব্যাখ্যা
রাইড শেয়ারিং মাধ্যম
- পাঠাও
- উবার
- ওভাই
- Lyft
- Ola

_______________
- অন্যদিকে রেডএক্স হচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিস।
১৬.
ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে কী বলে?
  1. ক) কুয়েরি
  2. খ) রিপোর্ট
  3. গ) সর্টিং
  4. ঘ) ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা
রিপোর্ট
- রিপোর্ট শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো প্রতিবেদন।
- ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে।
- সাধারণত কোন তথ্য সরবরাহ বা বিতরণ করার জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি কলাম ও সারি অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়।
- ডাটাবেজে রিপোর্টের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ডেটা টেবিলের ভিত্তিতে নয়, কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য দিয়েও রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৭.
রোগীর রক্তচাপ ও হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া পর্যবেক্ষণের জন্য কোন ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে?
  1. ক) ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. খ) অ্যানালগ কম্পিউটার
  3. গ) হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড কম্পিউটার
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি।
- তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৮.
কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য সমস্যাটিকে ছোট ছোট ধাপে বিভক্ত করে যুক্তিসম্মতভাবে পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করাকে কী বলে?
  1. ক) অ্যালগরিদম
  2. খ) প্রোগ্রাম ডিজাইন
  3. গ) ফ্লোচার্ট
  4. ঘ) সুডো কোড
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রাম ডিজাইন
- সমস্যা সমাধান করার জন্য বর্তমান সিস্টেমের প্রয়োজনীয় সংশোধন করে নতুন সিস্টেমের মূল রূপ রেখা নির্ণয় করাকেই ডিজাইন বা পরিকল্পনা বলা হয়।
- ডিজাইন ধাপের মূল বিষয় হচ্ছে কীভাবে সমস্যাটি সমাধান করে কার্যকরী প্রক্রিয়া তৈরি করা যায়।
- সমস্যা বিশ্লেষণের পর প্রোগ্রাম ডিজাইনের কাজ শুরু করা হয়।
- প্রোগ্রাম ডিজাইনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো আউটপুট ডিজাইন।

প্রোগ্রাম ডিজাইনের ব্যবহৃত প্রধান টুলসসমূহ হলো:
১। অ্যালগরিদম
২। ফ্লোচার্ট ও
৩। সুডো কোড

অ্যালগরিদম
- কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য সমস্যাটিকে ছোট ছোট ধাপে বিভক্ত করে যুক্তিসম্মতভাবে পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করাকে অ্যালগরিদম বলে।
- অর্থাৎ অ্যালগরিদম হচ্ছে প্রোগ্রাম রচনা ও নির্বাহের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপগুলো পর্যায়ক্রমিকভাবে লিপিবদ্ধ করা।
- কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো সমস্যা সমাধানে প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষেত্রে অ্যালগরিদমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফ্লোচার্ট বা প্রবাহ চিত্র
- প্রোগ্রাম বা কোনো উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পদ্ধতিকে সহজে চিত্রের সাহায্যে তুলে ধরার জন্য সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণনাভিত্তিক এবং পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাকে ফ্লোচার্ট বা প্রবাহ চিত্র বলা হয়।
- ফ্লোচার্ট হচ্ছে অ্যালগরিদমের চিত্ররূপ।
- অর্থাৎ অ্যালগরিদমের ধাপসমূহ চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করাকে ফ্লোচার্ট বলে। 

সুডো কোড
- সুডো অর্থ হলো অবাস্তব, অর্থাৎ যা সত্য নয়।
- প্রোগ্রাম রচনার ধারাবাহিক বিন্যাসকে কথায় লেখাই হলো সুডো কোড।
- এটি অনেক প্রোগ্রাম লেখার মতোই।
- সুডো কোডকে অনেকে অ্যালগরিদমের বিকল্প বলে থাকেন।
- ইংরেজিতে সাধারণত এটি রচনা করা হয়।
১৯.
নিচের কোনটি ইউটিলিটি প্রোগ্রামের উদাহরণ?
  1. ক) অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) ডিস্ক ফ্রাগমেন্টেটর
  3. গ) ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  4. ঘ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
ব্যাখ্যা
ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি।
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools -এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেমসংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- Disk Fragmenter, Scan Disk, Drive Converter, Compression, System Monitor  ইত্যাদি System Tools এর ইউটিলিটি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত।
- এ সমস্ত সফটওয়্যারকে মেইনটেন্যান্স টুলসও বলা হয়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
'ভিয়েনা' এক ধরণের-
  1. ক) ফায়ারওয়াল
  2. খ) বায়োস
  3. গ) ভাইরাস
  4. ঘ) এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে। কম্পিউটার ভাইরাস 
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- VIRUS পুরো নাম হলো Vital Information Resources under Seize.
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি। 

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও  পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এর মধ্যে আন্তঃলেনদেন সেবার নাম কী?
  1. ক) NPSB
  2. খ) Pathao
  3. গ) BEFTN
  4. ঘ) Binimoy
ব্যাখ্যা
বিনিময়
- ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও  পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এর মধ্যে আন্তঃলেনদেন সেবার নাম ‘বিনিময়’।
- তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে বিনিময়।
- এ সেবার মাধ্যমে বিকাশ থেকে রকেটে অথবা উপায় থেকে এমক্যাশে বা বিকাশে কিংবা ব্যাংকে তাৎক্ষণিক লেনদেন করা যাবে একটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে।
- ভারতের ইউপিআই (Unified Payments Interface - UPI) এর আদলে তৈরি হয়েছে দেশের Interoperable Digital Transaction Platform (IDTP), যা বিনিময় নামে পরিচিত হবে।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৩ নভেম্বর ২০২২ এ।
২২.
মেধাসত্ব বা সৃষ্টিশীল কাজ চুরি করাকে কী বলে?
  1. ক) Hacking
  2. খ) Spamming
  3. গ) Plagiarism
  4. ঘ) Vishing
ব্যাখ্যা
লেখাচুরি (Plagiarism):
- গবেষণাকেন্দ্রিক পরিমণ্ডলে Plagiarism অতি প্রচলিত একটি শব্দ।
- মেধাসত্ব বা সৃষ্টিশীল কাজ চুরি করাকে Plagiarism বলে।
- ভিন্ন ব্যক্তির লেখা বা যে কোন কিছু সজ্ঞানে চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়াই Plagiarism ।
- অন্য ব্যক্তির আইডিয়া ধার করে নিজের কাজে ব্যবহার করতে হলে তার যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া কিংবা নাম জানা না থাকলে অন্তত ‘সংগৃহীত’ উল্লেখ করে দেওয়াই বাঞ্ছনীয় এবং ন্যূনতম ভদ্রতার পরিচায়ক।
- ছবি, গানের কথা, কবিতা, গবেষণাপত্র, প্রবন্ধ, প্রতিবেদন যে কোন গঠনমূলক রচনার ক্ষেত্রে অন্য উৎস মারফত সরাসরি বা হুবহু তথ্য ব্যবহারের প্রয়োজন হলে
মূল লেখকের নাম উল্লেখ না করা অশোভন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
- Plagiarism প্রতিরোধে Paraphrasing চর্চা করা যেতে পারে।
- মূল লেখার বিষয়টিকে অপরিবর্তিত রেখে জুতসই প্রতিশব্দ সহযোগে নিজের ভাষায় সারমর্ম আকারে উপস্থাপন করাকে Paraphrasing বলে।
- তবে সেক্ষেত্রেও মূল লেখকের নাম, সম্ভব হলে সন উল্লেখপূর্বক কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা আবশ্যক।
- এছাড়াও বর্তমানে বিভিন্ন সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাহায্যে কোন লেখায় Plagiarism হয়েছে কিনা তা সনাক্ত করা সম্ভব।
- Turnitin তেমনি একটি জনপ্রিয় সফ্টওয়্যার যা অনলাইনে ক্রয় করে নিজস্ব অ্যাকাউন্ট খুলে যে কেউ এর সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

সূত্র: তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
২৩.
রোবটের চলাচল ও কর্মকান্ডসহ সকল কিছু নিয়ন্ত্রণ করে কোন অংশ?
  1. ক) প্রোগ্রামকৃত প্রসেসর
  2. খ) অ্যাকচুয়েটর
  3. গ) মুভেবল বডি
  4. ঘ) পাওয়ার সিস্টেম
ব্যাখ্যা
রোবট
- কম্পিউটার প্রোগ্রামের সাহায্যে রোবট নিয়ন্ত্রিত হয়।
- রোবটের ইনপুট যন্ত্রপাতি (যেমন বিভিন্ন ধরনের সেন্সর) সাহায্যে পরিবেশ থেকে ইনপুট নেয়।
- অতঃপর প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণের পর অ্যাকচুয়েটরের মাধ্যমে আউটপুট প্রকাশিত বা প্রদর্শিত হয়।
- একটি সাধারণ রোবটে নিচের উপাদান বা অংশগুলো থাকে:-

প্রোগ্রামকৃত মস্তিষ্ক বা প্রসেসর:
- রোবটের মধ্যে এক বা একাধিক প্রসেসর থাকে যাতে রোবটকে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করার একটি প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে।
- এটি রোবটের মূল অংশ যা রোবটের চলাচল ও কর্মকান্ডসহ সকল কিছু নিয়ন্ত্রণ করে।

পাওয়ার সিস্টেম:
- সাধারণত লেড এসিড ব্যাটারী দিয়ে রোবটের পাওয়ার দেওয়া হয়।
- এই ব্যাটারী রিচার্জেবল অর্থাৎ এতে পুনরায় চার্জ করা যায়। তাই কাজ করার পূর্বে রোবটকে চার্জ দেওয়া হবে ।

ইলেকট্রিক সার্কিট:
- রোবটের হাইড্রোলিক ও নিউমেট্রিক সিস্টেমেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়।

অ্যাকচুয়েটর (Actuator):
- রোবটের হাত-পা অথবা বিশেষ ভাবে তৈরি কোন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মটরের সম্বন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো অ্যাকচুয়েটর। একে রোবটের হাত ও পায়ের পেশী বলেও অভিহিত করা যায়।

অনুভূতি (Sensing):
- অনুভূতি মানুষের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। সেন্সরের মাধ্যমে রোবটেও মানুষের মত অনুভূতি তৈরি করা হয়।
- কাজেই অনুভূতি রোবটের একটি বিশেষ উপাদান।
- রোবটের হাত বা পা কোন একটি জায়গায় স্পর্শ করলে সেই জায়গা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য নেওয়ার ক্ষমতা থাকবে।
- মানুষের চোখের ন্যায় রোবটের ক্যামেরা দিয়ে সামনের পা পিছনের দৃশ্য নেওয়া হয়।
- কাজের প্রয়োজনে রোবটকে ৩৬০° কোণে ঘুরানো যেতে পারে ।

ম্যনিপিউলেশন বা পরিবর্তন করা (Manipulation):
- রোবটের আশেপাশের বস্তুগুলোর অবস্থান পরিবর্তন বা বস্তুটি পরিবর্তন করার পদ্ধতিকে বলা হয় ম্যনিপিউলেশন।
- সাধারণত রোবটের হাত-পা এই পরিবর্তনের যাবতীয় কাজ করে থাকে।
- রোবটের হাতে কতগুলো আঙ্গুল থাকবে যা নড়াচড়া করে কোন বস্তু ধরতে পারবে।
- পায়ের সাহায্যে সামনে পিছনে বা ডানে-বামে চলাচল করতে পারবে।

মুভেবল বডি:
রোবটে চাকা, যান্ত্রিক পা এবং স্থানান্তর করা যায় এমন যন্ত্রপাতি যুক্ত থাকে ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২৪.
নিচের কোনটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নয়?
  1. ক) ফেইসবুক
  2. খ) টুইটার
  3. গ) লিংকডইন
  4. ঘ) চ্যাটজিপিটি
ব্যাখ্যা
বিশ্বের জনপ্রিয় কিছু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম:
- ফেইসবুক
- লিংকডইন
- টুইটার
- ইনস্ট্রাগ্রাম

ChatGPT (চ্যাটজিপিটি)
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

এটির রয়েছে আকর্ষণীয় কিছু বৈশিষ্ট্য:
- এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
- এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।

উৎস: 
১. https://www.openai.com
২. https://www.cnet.com
৩. https://www.independent24.com (ইন্ডিপেন্ডেন্ট নিউজ)
২৫.
একটি এসএমএসে সর্বোচ্চ কতটি অক্ষর ব্যবহার করা যায়?
  1. ক) ১৪০
  2. খ) ১৬০
  3. গ) ১৮০
  4. ঘ) ২৮০
ব্যাখ্যা
এসএমএস (SMS)
- জিএসএম এর একটি জনপ্রিয় সার্ভিস হচ্ছে এসএমএস (SMS)।
- SMS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Short Message Service.
- একটি এসএমএসে সর্বোচ্চ ১৬০ টি অক্ষর ব্যবহার করা যায়।
- যদি ১৬০ টির বেশি অক্ষর হয়ে যায় তবে সেটি  অটোমেটিকালি মাল্টিপল এসএমএসে পরিণত হয়।
- এসএমএস দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে চালু হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২. ব্রিটানিকা
৩. https://www.grameenphone.com
২৬.
'CAN' কোন নেটওয়ার্কের সমন্বয়ে গঠিত হয়?
  1. ক) PAN
  2. খ) LAN
  3. গ) MAN
  4. ঘ) WAN
ব্যাখ্যা
ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক (Campus Area Network - CAN)
- সাধারণত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের দুই বা ততোধিক LAN কে সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক গড়ে উঠে তাকে ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক বা CAN বলে।
- উদাহরণস্বরূপ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের কথা ধরা যাক। একাডেমিক ভবনের ল্যান, প্রশাসনিক ভবনের ল্যান, বিভিন্ন বিভাগের ল্যান, হলের ল্যান ইত্যাদি একত্রে সংযুক্ত হয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্ক গঠিত হয়েছে।
- ক্যানের (CAN) বিস্তৃতি ৫ কিলোমিটারের মধ্যে হতে পারে যা ল্যান থেকে বড় কিন্তু ম্যান থেকে ছোট।
- বড় প্রতিষ্ঠান বা এন্টারপ্রাইজের একাধিক ভবনের ল্যান ব্যবহারকারীদের কাজের সম্বন্বয়ের জন্য কিংবা মূল্যবান কোন ডিভাইস শেয়ার করার জন্য কর্পোরেট এরিয়া নেটওয়ার্ক (Corporate Area Network - CAN) তৈরি করা হয় যা অনেকটা ক্যাম্পাস এরিয়া নেটওয়ার্কের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২৭.
বাইনারি যোগ করুন: 1001110 + 110111 = কত?
  1. ক) 10001001
  2. খ) 10001101
  3. গ) 10000101
  4. ঘ) 10011001
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাইনারি যোগ করুন: 1001110 + 110111 = কত?

সমাধান:

বাইনারি যোগের ক্ষেত্রে,
⇒ 0 + 0 = 0
⇒ 1 + 0 = 1
⇒ 1 + 1 = 10  [বসবে 0 আর হাতে থাকবে 1]
⇒ 1 + 1 + 1 = 11 [বসবে 1 আর হাতে থাকবে 1]
২৮.
(101)10 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করুন।
  1. ক) 1101101
  2. খ) 1100101
  3. গ) 1110101
  4. ঘ) 1010011
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (101)10 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করুন।

সমাধান:

এখন, নিচের থেকে শুরু করে উপরের দিকে ভাগশেষগুলো ক্রমান্বয়ে নিতে হবে।

সুতরাং, (101)10 = (1100101)2
২৯.
নিচের কোনটি অক্ট্যাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. ক) 1010
  2. খ) 1234
  3. গ) 2222
  4. ঘ) 5678
ব্যাখ্যা
অক্ট্যাল সংখ্যা
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। 
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন: ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ কিন্তু ৪৮৫ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

_____________________
- এখানে, ৫৬৭৮ অক্ট্যাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩০.
চিহ্ন বিট (Signed Number) '0' হলে সংখ্যাটি কী হিসেবে ধরা হয়?
  1. ক) ধনাত্মক
  2. খ) ঋণাত্মক
  3. গ) নিরপেক্ষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাইনড নম্বর (Signed Number)
- দশমিক সংখ্যায় ঋণাত্মক কোন মান বোঝাতে সংখ্যাটির পার্শ্বে ‘-’ চিহ্ন দেওয়া হয়। কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা বোঝানোর কোন অবকাশ নাই।
- বাইনারি পদ্ধতিতে সাইন বা চিহ্ন বোঝানোর জন্য সাধারণত একটি অতিরিক্ত বিট ব্যবহার করা হয়। একে চিহ্ন বিট বলে।
- এই চিহ্ন বিট 0 হলে সংখ্যাটিকে ধনাত্মক এবং 1 হলে সংখ্যাটিকে ঋণাত্মক ধরা হয়।
- ১ বাইটে বা ৮ বিট রেজিস্টারে যে সকল চিহ্নযুক্ত বা সাইন্ড সংখ্যা উপস্থাপন করা যায় তার ব্যাপ্তি  হবে  - ১২৮ থেকে +১২৭ এর মধ্যে; মোট ২৫৬ টি বা শূন্য সহ ২ পৃথক মান উপস্থাপন করা যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)