পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
[For iPad Mania] --------------------------- বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটারের ইতিহাস ও বিবর্তন। ২. কম্পিউটারের প্রকারভেদ ও এমবেডেড (Embedded) কম্পিউটার। ৩. কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম: কম্পিউটার সিস্টেম সম্পর্কে ধারণা ব্যবহার, মাদারবোর্ড ইত্যাদি। ৪. কম্পিউটার প্রোগ্রাম ও সফটওয়্যার: অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
'Analytical Engine' কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) Gottfried Von Leibniz
  2. খ) Blaise Pascal
  3. গ) Herman Hollerith
  4. ঘ) Charles Babbage
ব্যাখ্যা
• Analytical Engine:
- ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charls Babbage) আরো উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Differenc Engine) বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন।
- চার্লস ব্যাবেজ ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী। তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- ১৮১৩ সালে তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিনকে উন্নত করার জন্য রয়েল সোসাইটি থেকে অনুদান পান। 
- ১৮৩৩ সালে ব্যাবেজ 'অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন' নামে অপর একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন এবং নকশা তৈরি করেন।
- ব্যাবেজ আধুনিক কম্পিউটারের মতোই তাঁর মেশিনে নিয়ন্ত্রণ অংশ, গাণিতিক অংশ, স্মৃতি অংশ, গ্রহণ মুখ, নির্গমন মুখ চিহ্নিত করেন। 
- চালর্স ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

• Gottfried Von Leibniz - রিকোনির যন্ত্রের জনক। 
• Blaise Pascal - যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর যার নাম প্যাসকেলেন এর জনক। 
• Herman Hollerith - টেবুলেটিং মেশিনের জনক। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
UNIX অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে-
  1. ক) মাল্টি টাস্কিং
  2. খ) টাইম শেয়ারিং
  3. গ) মাল্টি ইউজার
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ইউনিক্স (UNIX):
- মাল্টি টাস্কিং, টাইম শেয়ারিং ও মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন থমসম (Ken Thompson) ও ডেনিস রিসি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ সি (C) ভাষার মাধ্যমে তৈরি করেন।
- ইউনিক্সের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বহু ব্যবহারকারী একই সাথে অনেক কী-বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করতে পারেন, যা শুধুমাত্র একটি সিপিইউয়ে সংযুক্ত।
- ইউনিক্সের আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একটি সিপিইউ মাল্টি প্রসেসর সিস্টেমকে সাপোর্ট দিতে পারে।
- তবে ইউনিক্স মূলত সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) পরিচালনার জন্য Root Prompt ব্যবহৃত হয়
  2. খ) সকল কাজের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়
  3. গ) মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর
  4. ঘ) কম মেমোরির প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System): 
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেকগুলো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়।
- Linux, Unix, MS DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনার জন্য Root Prompt বা Command Prompt (C:/>) ব্যবহৃত হয়।
২. ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা, অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম, নতুন ডিভাইস শনাক্তকরণ সকল পর্যায়ের কাজই কমান্ড দিয়ে করতে হয় ।
৩. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে সকল কাজের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়।
৪. নতুন কোনো হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটারকে বলে দিতে হয় কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৫. নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেটব্যবস্থা কার্যকর নয়। তবে ইউনিক্স বা লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেটব্যবস্থা কার্যকর হয়।
৬. অল্প কিছু কমান্ড মুখস্থ করেই কম্পিউটার পরিচালনা করা যায়।
৭. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম খুব দ্রুত কাজ করতে পারে।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর নয়।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে কম মেমোরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ______ ব্যবহার করে।
  1. ক) ডেসিমাল ডিজিট
  2. খ) হেক্সাডেসিমাল ডিজিট
  3. গ) বাইনারি ডিজিট
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল, কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে বাইনারি ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মনিটরে প্রদর্শিত হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের গতি ও কার্যকারিতা অ্যানালগ কম্পিউটারের চেয়ে অনেক বেশি ও ভালো।
- আবার ডিজিটাল কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা অ্যানালগ কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।
- বর্তমান বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল পদ্ধতির কম্পিউটার। মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
TRS-40 কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) ২য় প্রজন্ম
  2. খ) ৩য় প্রজন্ম
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্ম
  4. ঘ) ৫ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• ৪র্থ প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়।
- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large-Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে।
- কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব পরিলক্ষিত হয় ১৯৭১ সালে IC এবং VLSI বর্তনীর সাহায্যে নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়। ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। 
- Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিলো।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে।
- IBM -3033, IBM 4341, TRS-40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Mark IV কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) ১ম প্রজন্ম
  2. খ) ২য় প্রজন্ম
  3. গ) ৩য় প্রজন্ম
  4. ঘ) ৪র্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি আকার, আয়তন ও কার্যকারিতা অনুসারে কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ নয়?
  1. ক) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. খ) মাইক্রো কম্পিউটার
  3. গ) মেক্সফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• আকার, আয়তন ও কার্যকারিতা অনুসারে কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ:
- আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সুপার কম্পিউটার (Super Computer),
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩. মিনি কম্পিউটার (Minicomputer) এবং 
৪. মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer)। 

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer): 
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে। 

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে। 

• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার। 

• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer):
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি ম্যালওয়্যার নয়?
  1. ক) Adware
  2. খ) Spyware
  3. গ) Ransomware
  4. ঘ) Firmware
ব্যাখ্যা
• Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

• ফার্মওয়্যার (Farmware):
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমোরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
- ROM BIOS এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল) এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পামটপ কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. ক) Mini Computer
  2. খ) Micro Computer
  3. গ) Super Computer
  4. ঘ) Mainframe Computer
ব্যাখ্যা
• Micro Computer:
- ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে।
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়।
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়।
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন।
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়।
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

• মাইক্রোকম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ:
- প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নতির সাথে সাথে মাইক্রোকম্পিউটারের আকৃতিতে নানা রকম পরিবর্তন হয়েছে। যেমন:
১. পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA),
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer),
৩. নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer),
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer); ইত্যাদি
এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহার
  2. খ) আকারে ছোট
  3. গ) সহজে স্থানান্তরের যোগ্য ছিলো
  4. ঘ) ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার জন্য পাঞ্চ কার্ডের ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• এ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বায়ুশূন্য টিউবের ব্যবহার।
২. আকারে অনেক বড়।
৩. সীমিত তথ্য ধারণক্ষমতা।
৪. মেশিন ভাষার (0/1) মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান ৷
৫. ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার জন্য পাঞ্চ কার্ডের ব্যবহার
৬. সহজে স্থানান্তরের যোগ্য ছিল না।
৭. অত্যধিক বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন।
৮. অনুন্নত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা; ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
হাইব্রিড কম্পিউটারের অ্যানালগ অংশ ব্যবহৃত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক) ডেটা প্রসেস
  2. খ) ডেটা ইনপুট
  3. গ) ডেটা আউটপুট
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer):
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে। 
- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয় হাইব্রিড কম্পিউটার। এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
নিম্নলিখিত কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) Windows
  2. খ) Linux
  3. গ) Safari
  4. ঘ) Mac OS
ব্যাখ্যা
• উইন্ডোজ (Windows):
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। 

• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন। 

• ম্যাক ওএস (Mac OS):
- Mac OS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Macintosh Operating System.
- ১৯৮০ সালে অ্যাপল(Apple) কোম্পানি তাদের অ্যাপল মেকিনটোশ কম্পিউটারসমূহে ব্যবহারের জন্য Mac OS তৈরি করেন। 

• Safari হলো ওয়েব ব্রাউজার।  

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
মাদারবোর্ডে প্যারালাল পোর্ট কত পিনবিশিষ্ট?
  1. ক) ২০টি
  2. খ) ২৫টি
  3. গ) ৩০টি
  4. ঘ) ৩৫টি
ব্যাখ্যা
• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
DOS অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার শুরু হয়েছিলো কোন প্রজন্ম থেকে?
  1. ক) ২য় প্রজন্ম
  2. খ) ৩য় প্রজন্ম
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্ম
  4. ঘ) ১ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্ম কম্পিউটার: 
- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়।
- কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব পরিলক্ষিত হয় ১৯৭১ সালে IC এবং VLSI বর্তনীর সাহায্যে নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে।
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো। 
- Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে।
- IBM 3033, IBM 4341, TRS 40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
Rootkit একটি-
  1. ক) Antivirus
  2. খ) Hardware
  3. গ) Trojan Horse
  4. ঘ) Operating System
ব্যাখ্যা
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse):
- Malicious Software Malware অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে রয়েছে: স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স প্রভৃতি।
- ট্রোজান হর্স হলো এক ধরনের মেলওয়্যার যা দেখতে বৈধ মনে হলেও ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ব্যবহারকারীর নেটওয়ার্কের ক্ষতি, তথ্য চুরি বা সাধারণভাবে অন্য কিছু ক্ষতিকারক পদক্ষেপের উদ্দেশ্যে ট্রোজান হর্স ডিজাইন করা হয়ে থাকে।
- উদাহরণ: Rootkit, Zeus, Backdoor ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
১৬.
Abacus কী?
  1. ক) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  2. খ) ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. গ) প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
  4. ঘ) গণনাযন্ত্র
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস (Abacus):
- গণনার কাজে সহায়তার জন্য প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন প্রকার যান্ত্রিক কৌশল প্রচলিত থাকলেও অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি প্রাচীন গণনার যন্ত্রকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ বলা যায় অ্যাবাকাস থেকেই কম্পিউটারের ইতিহাসের শুভযাত্রা।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড।
- এটি কাঠের তৈরি আয়তাকার কাঠামো যাতে ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তার বেঁধে বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল সাজানো থাকে।
- সাধারণত প্রত্যেক তারের ওপরের দিকে দুটি এবং নিচের দিকে পাঁচটি বল বা গুটি লাগানো থাকে।
- সবার ওপরের তারকে ধরা হতো এককের ঘর, দ্বিতীয় তারটি ছিল দশকের এবং তৃতীয় তারটি ছিল শতকের। এভাবে প্রত্যেক তারে একটি করে মান থাকত। ফ্রেমের মাঝখান বাম, ডান কিংবা ওপর-নিচ বিভক্ত থাকত। গুটিগুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
কার্নেলের কাজ কোনটি?
  1. ক) সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করা
  2. খ) মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করা
  3. গ) ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• কার্নেল:
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হল 'কার্নেল' (Kernel)।
- কার্নেল হল অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

কাজ:
১. সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
২. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
৩. ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
১৮.
সুপার কম্পিউটারের চেয়ে মেইনফ্রেম কম্পিউটার-
  1. ক) দ্রুতগতিসম্পন্ন
  2. খ) আকৃতিতে বড়
  3. গ) আকৃতিতে ছোট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
রিকোনির যন্ত্র আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) চার্লস ব্যাবেজ
  2. খ) গডফ্রাইট ভন লিবানিজ
  3. গ) ড. হারম্যান হলিরিথ
  4. ঘ) ব্লেইজ প্যাসকেল
ব্যাখ্যা
• রিকোনির যন্ত্র:
১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন। তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র।

• ১৮৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড. হারম্যান হলিরিথ (Dr. Herman Hollerith) নামের একজন পরিসংখ্যানবিদ সেন্সাস মেশিন বা টেবুলেটিং মেশিন নামে একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন।

• ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charls Babbage) উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Differenc Engine) বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন। 

• ১৬৪২ সালে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascaline)। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
সিস্টেম সফটওয়্যার হলো-
  1. ক) বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনের প্রোগ্রাম
  2. খ) সমস্যার সমাধান এবং রক্ষণাবেক্ষণ প্রোগ্রাম
  3. গ) কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।
- DOS, Windows XP, Linux, Unix, Mac OS ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।
- আবার Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রামসমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত। 

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

• ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো এক ধরনের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেম এর কার্যকারিতা পরিচালনা, কম্পিউটার কনফিগার অপটিমাইজ (optimize) এবং বিভিন্ন রকম সমস্যার সমাধান এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে অপারেটিং সিস্টেমকে সাহায্য করে। 
- উদাহরণ: Antivirus Programs, Disk Defragmenter, File Manage ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
RS-232 হলো-
  1. ক) সিরিয়াল পোর্ট
  2. খ) প্যারালাল পোর্ট
  3. গ) অডিও পোর্ট
  4. ঘ) ভিডিও পোর্ট
ব্যাখ্যা
• সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি- বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম নয় কোনটি?
  1. ক) Malware
  2. খ) Spyware
  3. গ) Worms
  4. ঘ) Avira
ব্যাখ্যা
• মেলওয়্যার (Malware):
- Malware-এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- মেলওয়্যার অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে রয়েছে: স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা।
- আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও আ্যাডভান্স লেভেলের মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 

• কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম:
- Malware,
- Spyware,
- Ransomware,
- Worms, 
- Trojan Horse ইত্যাদি। 

• Avira হলো অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
২৩.
EDSAC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Electronic Digital Storage Automatic Calculator
  2. খ) Electronic Delay Storage Analog Calculator
  3. গ) Electronic Dual Storage Automatic Calculator
  4. ঘ) Electronic Delay Storage Automatic Calculator
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রনিকস কম্পিউটার: 
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি ও প্রেসপার একটি (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন। এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এনিয়াক (ENIAC) কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো। প্রোগ্রামিংয়ের জন্য তারের সংযোগ বদলানোর প্রয়োজন হতো এবং শত শত সংযোগ বদলানোর জন্য কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত। এ ধরনের অসুবিধার দূর করার লক্ষ্যে আমেরিকায় এডভ্যাক (EDVAC) তৈরির সময়েই কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক মার্কস উইলকিসের নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেন।
- প্রকৃতপক্ষে এডস্যাক (EDSAC) কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতারা UNIVAC (Universal Automatic Computer) কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন। ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল। UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার?
  1. ক) MS Access
  2. খ) Google Sheet
  3. গ) Notepad
  4. ঘ) Firefox
ব্যাখ্যা
• স্প্রেডশিট (Spreadsheet): 
- একে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিটও বলা হয়ে থাকে। এ সফটওয়্যার গতানুগতিক আর্থিক টুলস; যেমন- হিসাবরক্ষকের কলামনার প্যাড (columnar pad), পেনসিল ও ক্যালকুলেটরের কম্পিউটার ভারসন দিয়ে কাজ করার সুবিধা প্রদান করে।
- একটি বৈদ্যুতিক (electronic) স্প্রেডশিট সজ্জিত থাকে কলাম ও রো (row)-এর গ্রিড দ্বারা।
- স্প্রেডশিটের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যখন একটি ভেল্যু (value) বা ভেল্যুর পরিবর্তন করা হয় তখন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ভেল্যুগুলো আবার নিজ থেকেই হিসাব
করে ফেলে।
- উদাহরণ: Google Sheet, Microsoft Excel, Numbers, LibreOffice Calc ইত্যাদি। 

• Firefox- ইন্টারনেট ব্রাউজার।
• Notepad- ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
• MS Access- ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৫.
ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন কোন কম্পিউটারের জনক?
  1. ক) Mark-I
  2. খ) ABC
  3. গ) ENIAC
  4. ঘ) EDSAC
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন (Dr. Howard Aeiken) ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিলো হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল। 

• ইলেট্রনিকস কম্পিউটার: 
- যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ (Dr. John vincent Atanasoff) এবং তাঁর ছাত্র ক্লিফ (Cliff Barry) ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasof Barry Computer)।
- এটিই ছিল প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন। এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- মার্কস উইলকিসের নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calcualtor) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেন।
- প্রকৃতপক্ষে এডস্যাক (EDSAC) কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয় নিচের কোনটি?
  1. ক) কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
  2. খ) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
  3. গ) প্যাকেজ প্রোগ্রাম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন: Word Processing Package Program, Spreadsheet Package Program, Database Package Program ইত্যাদি।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (General Application Program or Package Program) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম (Application Specific or Customized Program)। 

• ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।
- যেমন: Antivirus, Disk Defragmenter, WinRAR, WinZip ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।