পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
Exam - 25 Bangladesh Affairs topic: Full
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
UDMC এর সভাপতি কে?
  1. জেলা প্রশাসক
  2. উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
  3. ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
UDMC:
- UDMC এর পূর্ণ রূপ হলো Union Disaster Management Committee.
- ইউনিয়ন পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে সভাপতি করে এবং
- বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয় Union Disaster Management Committee.



সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
কত সালে ২৫শে মার্চকে 'গণহত্যা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ২০১৭ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
• ২৫শে মার্চের নৃশংস গণহত্যা:
- ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস।
- ২০১৭ সালের ১১ই মার্চ তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে গৃহীত সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে বাংলাদেশে প্রতিবছর ২৫শে মার্চ 'গণহত্যা দিবস' ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য-
- ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় ঢাকা ত্যাগ করেন। 
- যাবার আগে সেনাবাহিনীকে পূর্বপাকিস্তানিদের উপর আক্রমণের নির্দেশ দিয়ে যান। 
- ইয়াহিয়া খানের নির্দেশ মোতাবেক গভর্নর টিক্কা খানের ঘাতক সৈন্যরা ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় গণহত্যার তাণ্ডবলীলা চালায়। 
- এই গণহত্যা চলেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়, পুরনো ঢাকায়, কচুক্ষেত, তেজগাঁও, ইন্দিরা রোড, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ঢাকা বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে, রায়ের বাজার, ধানমন্ডি, কলাবাগান, কাঁঠালবাগানসহ ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে। 
- ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় গণহত্যা শুরু হলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তা ওয়্যারলেসযোগে চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেন। 
- নৃশংস গণহত্যার সংবাদ যাতে বিদেশে ছড়িয়ে না পড়ে, সে জন্য ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ২৫ জন বিদেশি সাংবাদিককে আটক করা হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ১১ মার্চ ২০১৭, বিবিসি বাংলা।
.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বিকল্প সভাপতি কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অর্থ সচিব
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলো অর্থমন্ত্রী।

 উল্লেখ্য,
- ECNEC এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এই কমিটির সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন। 
- নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
.
কোন গাছের কাঠ হতে দিয়াশলাই-এর কাঠি তৈরি হয়?
  1. গরান
  2. ধুন্দল
  3. গেওয়া
  4. চাপালিশ
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা
• দিয়াশলাই শিল্প:- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
• কাগজ শিল্প:- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।
• নিউজপ্রিন্ট কারখানা:- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।
• রেয়ন শিল্প:- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'আগুনের পরশমণি' চলচ্চিত্রটি কয়টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
আগুনের পরশমণি:

- মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে যে চলচ্চিত্রগুলো নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ‘আগুনের পরশমণি’।
- দর্শকনন্দিত এই ছবির চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন হ‌ুমায়ূন আহমেদ।
- ১৯৯৪ সালে সরকারি অনুদানে নির্মিত হয় এ ছবি। মুক্তি পায় ১৯৯৫ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর অভিযান আর মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের সংকট ছবিটিতে তুলে ধরেছেন। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, বিপাশা হায়াত, ডলি জহুর ও আরো অনেকে।
- আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রটি ৮টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
- শাখাগুলো হচ্ছে- শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রযোজক হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার (হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা (হুমায়ূন আহমেদ), শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (বিপাশা হায়াত), শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (সত্য সাহা), শ্রেষ্ঠ শব্দ গ্রাহক (মফিজুল হক), শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (শিলা আহমেদ), শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার (হোসনে আরা পুতুল)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয় কত তারিখ?
  1. পহেলা আষাঢ়
  2. পহেলা পৌষ
  3. পহেলা অগ্রহায়ণ
  4. পহেলা কার্তিক
সঠিক উত্তর:
পহেলা অগ্রহায়ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পহেলা অগ্রহায়ণ
ব্যাখ্যা
জাতীয় কৃ‌ষি দিবস:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- উৎপাদনশীলতা, আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বিশাল জনগোষ্ঠীর সমৃদ্ধির জন্য কৃষির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রতি বছর ১লা অগ্রহায়ণ 'জাতীয় কৃ‌ষি দিবস ও নবান্ন উৎসব' পালিত হয়।
- কৃষিই সমৃদ্ধি এ শ্লোগানকে ধারণ করে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর বা '১লা অগ্রহায়ণ, ১৪১৫' সালে প্রথম জাতীয় কৃষি দিবস পালন করা হয়। 
- সেই থেকে প্রতিবছর কৃষি দিবস পালিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচির কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি
- ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে শেখ মুজিবুর রহমান যে ছয়দফা দাবিনামা উত্থাপন করেছিলেন তা আদায়ের জন্য তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে। 
- ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচির ৩টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল -
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩. মুদ্রা ও অর্থ ব্যবস্থা।
৪. রাজস্ব, কর, শুল্ক ব্যবস্থা।
৫. বৈদেশিক মুদ্রা ও বৈদেশিক বাণিজ্য।
৬. প্রতিরক্ষা।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত হয় কোন ভাইসরয়ের আমলে?
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড রিপন
  3. লর্ড লিটন
  4. লর্ড কার্জন
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা
হান্টার কমিশন:
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হলো হান্টার কমিশন।
- এটি ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হান্টার কে প্রধান করে গঠিত হয়। এতে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন।
- কমিশনটি ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড রিপনের আমলে গঠিত হয়েছিলো।

- লর্ড লিটনের পদত্যাগের পর লর্ড রিপন ভারতের ভাইসরয় নিযুক্ত হন। তার শাসনকাল ১৮৮০ - ১৮৮৪ সাল।
- তিনি সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরোধী ছিলেন এবং ভারতবাসীর আশা আকাঙ্খার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে উদারনীতি অবলম্বন করেন।
- তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সংস্কার কাজ হচ্ছে -
- আফগান সীমান্ত সমস্যার সমাধান,
- সংবাদপত্রের স্বাধীনতা,
- শিক্ষা কমিশন গঠন (হান্টার কমিশন),
- স্থানীয় স্বায়ত্বশাসনমূলক আইন, রাজ্বস্ব ও প্রজাস্বত্ব আইন,
- ফ্যাক্টরি আইন (দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজের নিয়ম) ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনীর ইতিহাস বই, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা।
.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. শ্রীমঙ্গল
  3. পঞ্চগড়
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
• চা নিলাম কেন্দ্র:
-  দেশে বর্তমানে চা নিলাম কেন্দ্র আছে ৩টি।
- চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গলের পর পঞ্চগড়ে হলো দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র।
- ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কর হয়।
-  চাষীদের কাঁচা চা পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হলো। 
- উৎপাদনের দিক দিয়ে দেশের দ্বিতীয় চা অঞ্চল পঞ্চগড়।
-  দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড়ে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বাসস (২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)।
১০.
পদ্মা সেতু নিচের কোন দুইটি জেলাকে সংযুক্ত করেছে?
  1. মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর
  2. মানিকগঞ্জ ও ফরিদপুর
  3. ঢাকা ও মাদারীপুর
  4. ঢাকা ও শরীয়তপুর
সঠিক উত্তর:
মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সিগঞ্জ ও শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
১১.
স্বত্ববিলোপ নীতি আরোপ করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড ওয়েলেসলি
  4. লর্ড ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
• স্বত্ববিলােপ নীতি
ব্রিটিশ সরকার ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য যেসব নীতি অবলম্বন করে সেগুলির মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযােগ্য হল স্বত্ববিলােপ নীতি।

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তক ও প্রবর্তনকাল 
বড়োলাট লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮ খ্রি: স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তন করেন ।
 
• স্বত্ববিলোপ নীতির মূল বক্তব্য 
- লর্ড ডালহৌসির উল্লেখযােগ্য সাম্রাজ্য বিস্তার নীতি ছিল স্বত্ববিলােপ নীতি ।
- তিনি এক ঘােষণায় বলেন যে , কোনাে ব্রিটিশ আশ্রিত দেশীয় রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে সেই রাজ্যটি সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবে ।
- এই নীতি স্বত্ববিলােপ নীতি নামে পরিচিত।

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ পদ্ধতি 
লর্ড ডালহৌসি স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়ােগ করার আগে দেশীয় রাজ্যগুলিকে তিনভাগে ভাগ করেন –
(ক) স্বাধীন দেশীয় রাজ্য
(খ) কোম্পানির সৃষ্ট রাজ্য
(গ) কোম্পানির আশ্রিত বা কোম্পানির অধীনস্থ রাজ্য

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ 
- স্বত্ববিলোপ নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করে ডালহৌসী প্রথমেই ব্রিটিশ প্রভাবাধীন সাতারা রাজ্যটি দখল করেন ১৮৪৮ খ্রিঃ,
- এরপর ১৮৫৩ সালে নাগপুরের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে তাঁর রাজ্যটি গ্রাস করা হয়, এক্ষেত্রে ডালহৌসীর যুক্তি ছিল যে, নাগপুর রাজ্যটি নাকি ইংরেজরাই সৃষ্টি করেছিল।
- ঝাঁসির রাজা গঙ্গাধর রাও-এর প্রয়াণ হলে ডালহৌসী তাঁর দত্তক পুত্রকে মেনে নিতে রাজি হলেন না এবং ঝাঁসির রানির মতামতকে উপেক্ষা করেই ঝাঁসি রাজ্যটি দখল করা হল।
- এছাড়া ভগৎপুর, করৌলী, সম্বলপুর, উদয়পুর, বাগৎ প্রভৃতি রাজ্যগুলি একই কারণে গ্রাস করা হয়, যদিও উদয়পুর কোম্পানির সৃষ্ট দেশীয় রাজ্য ছিল না।

উৎস: দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস ১ম পত্র বই।
১২.
বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা
  2. কমনওয়েলথ
  3. জাতিসংঘ
  4. জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
কমনওয়েলথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমনওয়েলথ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও কমনওয়েলথ:
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ প্রথম যে আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে তা হচ্ছে কমনওয়েলথ।
- বাংলাদেশ‌ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে ৩২তম দেশ হিসেবে।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হওয়ায় পাকিস্তান কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পুনরায় যোগদান করে

উৎসঃ কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৩.
তিতুমীরের প্রধান সেনাপতি ছিলেন কে?
  1. সৈয়দ আলী
  2. গোলাম মাসুদ
  3. মীর হাসান আলী
  4. মোহাম্মদী বেগ
সঠিক উত্তর:
গোলাম মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাম মাসুদ
ব্যাখ্যা
• তিতুমীর
- তিতুমীর ১৭৮২ সালের ২৭ জানুয়ারি (১৪ মাঘ ১১৮২ বঙ্গাব্দ) ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার চাঁদপুর (মতান্তরে হায়দরপুর) গ্রামে একটি সুন্নী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতার নাম সৈয়দ মীর হাসান আলী এবং মাতার নাম আবিদা রুকাইয়া খাতুন।
- ১৮২২ সালে তিতুমীর মক্কায় হজ্জব্রত পালনের উদ্দেশ্যে যান।
- তিনি সেখানে আরবের স্বাধীনতার অন্যতম পথপ্রদর্শক সৈয়দ আহমেদ শহীদের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন ও ওয়াহাবী মতবাদে অনুপ্রাণিত হন।
- সেখান থেকে এসে (১৮২৭) তিতুমীর তার গ্রামের দরিদ্র কৃষকদের সাথে নিয়ে জমিদার এবং ব্রিটিশ নীলকদের বিরুদ্ধে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৮৩১ সালের ২৩শে অক্টোবর বারাসতের কাছে বাদুড়িয়ার ১০ কিলোমিটার দূরে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তারা বাঁশের কেল্লা তৈরি করেন।
- বাঁশ এবং কাদা দিয়ে তারা দ্বি-স্তর বিশিষ্ট এই কেল্লা নির্মাণ করেন।
- তিতুমীর বর্তমান চব্বিশ পরগনা, নদীয়া এবং ফরিদপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের অধিকার নিয়ে সেখানে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। 
- তার বাহিনীর প্রধান সেনাপতি মাসুম খাঁ বা গোলাম মাসুমকে ফাঁসি দেয়া হয়। বাশেঁর কেল্লা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়।
- ইতিহাসে এ কেল্লাই নারিকেলবাড়িয়া বাঁশের কেল্লা নামে বিখ্যাত।
- তিতুমীর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণার উৎস হিসাবে কাজ করেছে।
- ১৯৭১ সালে মুহাম্মদ জিন্নাহ কলেজ কে তার নাম অনুসারে সরকারী তিতুমীর কলেজ নামকরণ করা হয়।
- তার নামে বুয়েট এ একটি ছাত্র হলের নামকরণ করা হয় তিতুমীর হল।
- বিবিসির জরিপে তিনি ১১ তম শ্রেষ্ঠ বাঙালি।
- ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে তিতুমীরের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ১০ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খুলনা শহরে রূপসা নদীর তীরে 'বানৌজা তিতুমীর' নামে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি ঘাঁটি কমিশন করেন ও ‘নেভাল এনসাইন’ প্রদান করেন।
- এছাড়া বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি জাহাজের নামকরণ করা হয় বিএনএস তিতুমীর।
- রাজশাহী ও নীলফামারী জেলার চিলাহাটি স্টেশনের মধ্যে 'তিতুমীর এক্সপ্রেস' নামে একটি আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।  
১৪.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
  2. আহমেদ বিন জায়েদ
  3. ফয়সল বিন জামান
  4. আব্দুল জলিল
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি:
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চটগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- চুক্তিতে বালাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫.
বিলোনিয়া স্থলবন্দর কোন জেলার অন্তর্গত?
  1. পঞ্চগড়
  2. কুমিল্লা
  3. ফেনী
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ফেনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেনী
ব্যাখ্যা
বিলোনিয়া স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশের বাণিজ্যনগরী হিসাবে পরিচিত চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যতম একটি জেলা ফেনী।
- এ জেলার অন্তর্গত পরশুরাম উপজেলার উত্তর সীমান্তে রয়েছে বাংলাদেশের ১১তম স্থলবন্দর বিলোনিয়া স্থলবন্দর।
- এটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুহুরীঘাট এলসিএস রয়েছে;  
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখ বিলোনিয়া শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়; 
- ১৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়;
- রাজধানী ঢাকা হতে বিলোনিয়া স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ১৫৬ কি.মি.। 

তথ্যসূত্র:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং যুগান্তর। লিঙ্ক 
১৬.
ঘুমধুম সীমান্ত কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. সিলেট
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
ঘুমধুম সীমান্ত:
- ঘুমধুম সীমান্ত বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার অন্তর্গত নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
- এর উত্তরে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়ন ও সোনাইছড়ি ইউনিয়ন; পশ্চিমে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলার খুনিয়াপালং ইউনিয়ন, উখিয়া উপজেলার হলদিয়াপালং ইউনিয়ন, রত্নাপালং ইউনিয়ন, রাজাপালং ইউনিয়ন ও পালংখালী ইউনিয়ন এবং দক্ষিণে ও পূর্বে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশ অবস্থিত।
- মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৩ কিলোমিটার।
- এর বড় অংশ পড়েছে বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায়।
- সম্প্রতি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত–সংলগ্ন এলাকায় যুদ্ধ জোরালো করেছে আরাকান আর্মিসহ কয়েকটি গোষ্ঠী। 
- তুমব্রু ও ঘুমধুমের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা আতঙ্কে এলাকা ছেড়েছেন।  

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
১৭.
বঙ্গবন্ধু ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা‘র নামকরণ করেছিলেন-
  1. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
  2. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
  3. পাকিস্তান বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
  4. রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে। 
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রধান ছিলেন কে?
  1. আব্দুস সাত্তার
  2. এস এ রহমান
  3. মনজুর কাদের
  4. মুকসুমুল হাকিম
সঠিক উত্তর:
এস এ রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এ রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলায় আসামী করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
এই মামলার বিচারের জন্যে গঠিত ট্রাইব্যুনাল:
- প্রধান বিচারপতি : এস এ রহমান
- সদস্য : এম আর খান
- মুকসুমুল হাকিম।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি:
- মনজুর কাদের
- অ্যাডভোকেট জেনারেল টি. এইচ. খান।
বাদী পক্ষের আইনজীবী:
- আবদুস সালাম খান
- স্যার টমাস উইলিয়াম।
- এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
- এর ফলে ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
১৯.
PRSP-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Poverty Reduction Study Project
  2. Poverty Reduction Strategy Papers
  3. Power Reduction Scheme Papers
  4. Power Reproduction Strategy Programmed
সঠিক উত্তর:
Poverty Reduction Strategy Papers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Poverty Reduction Strategy Papers
ব্যাখ্যা
• PRSP:
- PRSP এর পূর্ণরূপ হলো - Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হলো আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন PRSP প্রণয়ন করে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
২০.
'আদিনা মসজিদ' কোন শাসকের তৈরী?
  1. ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ
  2. আলাউদ্দীন আলী শাহ
  3. জালাল উদ্দীন শাহ
  4. সিকান্দর শাহ
সঠিক উত্তর:
সিকান্দর শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকান্দর শাহ
ব্যাখ্যা
সিকান্দর শাহ:
- ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিকান্দর শাহ ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি প্রায় ৩৪ বছর রাজত্ব করেন।
- তাঁর এ সুদীর্ঘ রাজত্বকালে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সিকান্দর শাহ সুশাসক ও বিদ্যানুরাগী ছিলেন। 
- সুফি শেখ আলাউল হক ও শেখ শরফউদ্দীন ইয়াহিয়ার সাথে সিকান্দর শাহের সৌহার্দ্য ও পত্রালাপ ছিল।
- তাঁর রাজত্বকালে স্থাপত্যশিল্পের যথেষ্ট উন্নতি হয়।
- তাঁর সময় তৈরি 'আদিনা মসজিদ' মধ্যযুগের বাংলার স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।