১.
পাহাড়িয়া জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় কি-বোর্ডের নাম কী?
ব্যাখ্যা
‘মালত সাবা’ কি-বোর্ড:
- পাহাড়িয়া জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় নির্মিত ‘মালত সাবা’ কি-বোর্ড উদ্বোধনের মাধ্যমে তাদের মাতৃভাষায় লেখালেখির পথে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে।
- এই কি-বোর্ডটি ২৯৫তম ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
নির্মাতা: পাহাড়িয়া গবেষক অভিলাষ বিশ্বাস পাহাড়িয়া ও সহযোগী ছিলেন শিলা বিশ্বাস।
- নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১২ সালে, এবং এটি শেষ হতে ১২ বছর সময় লেগেছে।
- পাহাড়িয়া জনগোষ্ঠীর ভাষায় কথোপকথন সম্ভব হলেও মাতৃভাষায় লিখতে না পারার যে প্রতিবন্ধকতা ছিল, তা দূর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- ২৩ নভেম্বর ২০২৪, শনিবার রাজশাহী বিভাগের লিলিহল মোড় এলাকায় অবস্থিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির মিলনায়তনে উদ্বোধনী হয়।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাহাড়িয়া মাতৃভাষা চর্চার প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
- মালত সাবা কি-বোর্ড পাহাড়িয়া জনগোষ্ঠীর ভাষার লিখনশৈলীকে প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- এটি ভাষার সংরক্ষণ এবং প্রচারে ভূমিকা রাখবে।
- মাতৃভাষার শিক্ষার প্রসারে এটি সহায়ক হবে।
তথ্যসূত্র:- ঢাকা পোস্ট। [লিঙ্ক]
- পাহাড়িয়া জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় নির্মিত ‘মালত সাবা’ কি-বোর্ড উদ্বোধনের মাধ্যমে তাদের মাতৃভাষায় লেখালেখির পথে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে।
- এই কি-বোর্ডটি ২৯৫তম ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
নির্মাতা: পাহাড়িয়া গবেষক অভিলাষ বিশ্বাস পাহাড়িয়া ও সহযোগী ছিলেন শিলা বিশ্বাস।
- নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১২ সালে, এবং এটি শেষ হতে ১২ বছর সময় লেগেছে।
- পাহাড়িয়া জনগোষ্ঠীর ভাষায় কথোপকথন সম্ভব হলেও মাতৃভাষায় লিখতে না পারার যে প্রতিবন্ধকতা ছিল, তা দূর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- ২৩ নভেম্বর ২০২৪, শনিবার রাজশাহী বিভাগের লিলিহল মোড় এলাকায় অবস্থিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির মিলনায়তনে উদ্বোধনী হয়।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাহাড়িয়া মাতৃভাষা চর্চার প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
- মালত সাবা কি-বোর্ড পাহাড়িয়া জনগোষ্ঠীর ভাষার লিখনশৈলীকে প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- এটি ভাষার সংরক্ষণ এবং প্রচারে ভূমিকা রাখবে।
- মাতৃভাষার শিক্ষার প্রসারে এটি সহায়ক হবে।
তথ্যসূত্র:- ঢাকা পোস্ট। [লিঙ্ক]