পরীক্ষা আর্কাইভ

livemcq

পরীক্ষাlivemcqতারিখতারিখ অনির্ধারিত
মোট প্রশ্ন১৪
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

livemcq

livemcq · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
পাহাড়িয়া জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় কি-বোর্ডের নাম কী?
  1. শিলা কি-বোর্ড
  2. মালত সাবা
  3. বৈসাবি সাবা
  4. মালত হরফ
ব্যাখ্যা
‘মালত সাবা’ কি-বোর্ড:
- পাহাড়িয়া জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষায় নির্মিত ‘মালত সাবা’ কি-বোর্ড উদ্বোধনের মাধ্যমে তাদের মাতৃভাষায় লেখালেখির পথে একটি নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে।
- এই কি-বোর্ডটি ২৯৫তম ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
নির্মাতা: পাহাড়িয়া গবেষক অভিলাষ বিশ্বাস পাহাড়িয়া ও সহযোগী ছিলেন শিলা বিশ্বাস।
- নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০১২ সালে, এবং এটি শেষ হতে ১২ বছর সময় লেগেছে।
- পাহাড়িয়া জনগোষ্ঠীর ভাষায় কথোপকথন সম্ভব হলেও মাতৃভাষায় লিখতে না পারার যে প্রতিবন্ধকতা ছিল, তা দূর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- ২৩ নভেম্বর ২০২৪, শনিবার রাজশাহী বিভাগের লিলিহল মোড় এলাকায় অবস্থিত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির মিলনায়তনে উদ্বোধনী হয়।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পাহাড়িয়া মাতৃভাষা চর্চার প্রতিবন্ধকতা ও উত্তরণের উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।
- মালত সাবা কি-বোর্ড পাহাড়িয়া জনগোষ্ঠীর ভাষার লিখনশৈলীকে প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- এটি ভাষার সংরক্ষণ এবং প্রচারে ভূমিকা রাখবে।
- মাতৃভাষার শিক্ষার প্রসারে এটি সহায়ক হবে।

তথ্যসূত্র:- ঢাকা পোস্ট। [লিঙ্ক] 
.
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র কয়টি?
  1. ১২৩টি
  2. ১২৪টি
  3. ১২৫টি
  4. ১২২টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদলত (ICC): 
- ১৯৯৮ সালের ১৭ জুলাই স্বাক্ষরিত রোম চুক্তি কার্যকরের মাধ্যমে ২০০২ সালের ১ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২৪টি। [তথ্যটি পরিবর্তনশীল আপডেট  জানতে ICC ওয়েবসাইট দেখুন][ লিঙ্ক]
- আই.সি.সি - এর সদরদপ্তর - নেদারল্যান্ডেস্‌-এর হেগ শহরে।
- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারকদের নিয়োগ প্রদান করে ICC এর Assembly of State Parties (ASP).
- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারকের সংখ্যা - ১৮ জন এবং মেয়াদ - ৯ বছর।
- আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং আগ্রাসনের অপরাধের জন্য অভিযুক্তদের তদন্ত ও বিচার করে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (ICC) উদ্দেশ্য:
- অপরাধীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা।
- ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ রোধ করা।
- জাতীয় আদালতের পরিপূরক হিসেবে কাজ করা।

উল্লেখ্য, 
- সম্প্রতি,ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে 'যুদ্ধাপরাধের' অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)।

তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওয়েবসাইট ও  প্রথম আলো নিউজ। [ লিঙ্ক ]
.
সম্প্রতি, ইউএনএওসি (UNAOC) গ্লোবাল ফোরাম কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়? [নভেম্বর ২০২৪]
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. পর্তুগাল
  3. নাইজার
  4. আজারবাইজান
ব্যাখ্যা
ইউএনএওসি (UNAOC) গ্লোবাল ফোরাম:

- পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ২৫-২৭ নভেম্বর পর্তুগালের ক্যাসকেসে জাতিসংঘের দশম অ্যালায়েন্স অফ সিভিলাইজেশনস (ইউএনএওসি) গ্লোবাল ফোরামে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেন।
- ২০ বছর আগে ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৫৯তম অধিবেশনে স্পেনের প্রস্তাবে ‘অ্যালায়েন্স অফ সিভিলাইজেশন’ ইউএনএওসি গঠন করা হয়।
ফোরামের মূল বিষয়বস্তু:
- শান্তি ও মানবতা: “ইউনাইটেড ইন পিচ: রিস্টোরিং ট্রাস্ট রিসহেপিং দ্য ফিউচার” শীর্ষক আলোচনায় অংশগ্রহণ।
- বৈশ্বিক শান্তি, সম্প্রীতি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে মতবিনিময়।
- ইউএনএওসি’র অর্জন তুলে ধরা এবং ভবিষ্যতের জন্য ‘ওয়ান হিউমিনিটি’ পরিকল্পনা নির্ধারণ।
- জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস,  পর্তুগিজ প্রেসিডেন্ট মার্সেলো রেবেলো দে সোসা ও বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, মন্ত্রী, যুবনেতা ও সুশীল সমাজের সদস্য অংশগ্রহণ করেন। 

উল্লেখ্য, 
- এটি ২০০৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে স্পেনের প্রস্তাবে গঠিত।
- বৈশ্বিক সম্প্রীতির প্রসারে একটি গতিশীল ও প্রভাবশালী সত্তা হিসেবে বিকশিত।
- বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বৈশ্বিক শান্তি ও মানবতার প্রতি দেশের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
.
নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে কাকে মনোনীত করেছেন? [নভেম্বর ২০২৪]
  1. জেডি ভ্যান্স
  2. পাম বন্ডি
  3. সুসি উইলস
  4. পিট হেগসেথ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন:
- যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পাম বন্ডিকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে মনোনীত করেছেন।
- তিনি ২০১১-২০১৯ সাল পর্যন্ত ফ্লোরিডার প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন।
- এছাড়া, ট্রাম্প প্রশাসনের মাদক ও ওষুধ অপব্যবহার কমিশনে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- আমেরিকা ফার্স্ট পলিসি ইনস্টিটিউটের আইনি শাখার নেতৃত্বে ছিলেন।
-  ট্রাম্প আগে ম্যাট গেটজকে মনোনীত করেছিলেন, কিন্তু যৌন কেলেঙ্কারি অভিযোগে সমালোচনার মুখে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।
- ট্রাম্প বন্ডির আইনি দক্ষতার প্রশংসা করেন।
- আশা করেন, বন্ডি বিচার বিভাগকে রাজনীতিকরণের বাইরে নিয়ে আসবেন এবং অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
- ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, বিচার বিভাগ রিপাবলিকানদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছে।
- পাম বন্ডি ট্রাম্পের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভমেন্ট ইফিশিয়েন্সি’- এর নেতৃত্ব দেবেন ইলন মাস্ক ও বিবেক রামাস্বামী।
- ২০২৪ সালের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রানিংমেট হলো জেডি ভ্যান্স। 
-  হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হচ্ছেন সুসি উইলস। 
- ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনে প্রতিরক্ষামন্ত্রী হচ্ছেন পিট হেগসেথ।
- পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে থাকবেন ফ্লোরিডার সিনেটর মার্কো রুবিও।
- জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হচ্ছেন সিনেটর মাইকেল ওয়ালৎস।
- পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থার (ইপিও) প্রধান হচ্ছেন লি জেলডিন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
.
কোথায় ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. মিশরে
  2. ব্রিটেনে
  3. যুক্তরাষ্ট্রে
  4. জার্মানিতে
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি:
- ক্যাম্প ডেভিড মূলত যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের অবকাশকালিন স্থান। 
- এই স্থানে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের উপস্থিতিতে ও তার মধ্যস্থতায় মিশরের প্রেসিডেন্ট সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেগিনের মধ্যে ১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা ইতিহাসে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি নামে খ্যাত। 
- এই চুক্তির ফলে সিনাই এলাকা, যা ইসরাইল ১৯৬৭ সালের যুদ্ধে দখল করে নিয়েছিল মিশর ফিরে পেয়েছিল।
- গাজা ও জর্ডান নদীর পশ্চিমে তীরে ৫ বছরের মধ্যে স্বায়ত্তশাসন দেয়া হয়। 
- এই চুক্তিতে গোলান উপত্যকা (যা ইসরাইল দখল করে নিয়েছিল) সিরিয়ার কাছে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে কোনো সমঝোতা হয় নি ৷ 
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির কারণে মিসরের সাথে ইসরাইলের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছিল বটে, কিন্তু আনোয়ার সাদাতকে প্রাণ দিতে হয়েছিল। 
- অনেক আরব দেশই এই চুক্তিকে সমর্থন করেনি।

তথ্যসূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
.
বাংলাদেশ পুলিশের নতুন মহাপরিদর্শক (আইজিপি) কে? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. মো. ময়নুল ইসলাম
  2. শেখ সাজ্জাদ আলী
  3. বাহারুল আলম
  4. মো. রাশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 
বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান (২০২৪) মহাপরিদর্শক (আইজিপি)
- পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন বাহারুল আলম।
- আইজিপি মো. ময়নুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন বাহারুল আলম।
-বাহারুল আলম ২০২০ সালে পুলিশের চাকরি থেকে অবসরে গিয়েছিলেন এবং তাকে চুক্তিভিত্তিক আইজিপি পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
-সরকারী চাকরি আইন অনুযায়ী, তিনি অন্য কোনো পেশা বা প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবেন না, এবং দুই বছর মেয়াদে নিয়োগ পেতে হবে।
-বাহারুল আলম ২০০৭-০৮ সালে এসবিপ্রধান ছিলেন এবং জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন।
-২০২০ সালে অবসরে যাওয়ার আগে তিনি আফগানিস্তান, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া, কসোভো ও সিয়েরা লিওনে কর্মরত ছিলেন।
-আইজিপি পদে নিয়োগের আগে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বদলির অংশ হিসেবে এই নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পুলিশ প্রশাসন:
- পুলিশ প্রশাসন  অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা।
-  বর্তমানে বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (আইজিপি)।
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণে তিনি দেশের সকল পুলিশ বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করেন।
- তাকে পুলিশ সদর দপ্তরে সহযোগিতা করেন কয়েকজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা।
- সিভিল প্রশাসনিক ইউনিটের প্রত্যেক রেঞ্জে একজন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল নিয়োগ প্রাপ্ত হন। 
- বাংলাদেশে ছয়টি সিভিল রেঞ্জ ও একটি রেলওয়ে রেঞ্জ রয়েছে। প্রতিটি রেঞ্জে রয়েছেন একজন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল।
- এছাড়া বিভাগীয় মহানগর পুলিশ কমিশনার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইডি) প্রশাসনিক প্রধান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান এবং সারদা একাডেমীর প্রধানের পদবী অতিরিক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ।
- জেলা পর্যায়ে সকল পুলিশের প্রশাসন পরিচালক হলেন জেলা পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্ট। সার্কেলের প্রশাসন পরিচালনা করেন একজন সহকারি পুলিশ সুপার। 

তথ্যসূত্র: পুলিশ হেডকোয়ার্টাস, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো নিউজ।
.
বিশ্বের কোন দেশের মানুষের গড় উচ্চতা সবচেয়ে কম? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. গুয়াতেমালা
  2. চীন
  3. পূর্ব তিমুর
  4. মোজাম্বিক
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

বিশ্বের কম গড় উচ্চতার মানুষের দেশগুলোর তালিকা:
- বিশ্বে মানুষের গড় উচ্চতা ১৬৬ দশমিক ৯৯ সেন্টিমিটার বা প্রায় সাড়ে ৫ ফুট। তবে অঞ্চল বা দেশভেদে মানুষের উচ্চতা বিভিন্ন রকমের হয়।
- ওয়ার্ল্ড এটলাসে দেওয়া তালিকা অনুসারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ পূর্ব তিমুরে বিশ্বের সবচেয়ে কম উচ্চতার মানুষের বসবাস।
- সেখানকার মানুষের গড় উচ্চতা মাত্র ১৫৬ দশমিক ৪২ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ১ দশমিক ৬ ইঞ্চি)।
- অপরদিকে, বাংলাদেশের মানুষের গড় উচ্চতা ১৫৮ দশমিক ৭৩ সেন্টিমিটার (৫ ফুট আড়াই ইঞ্চি)।
- কম উচ্চতার মানুষের দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে পঞ্চম।
- আর জনসংখ্যাবহুল দেশের তালিকায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।

উল্লেখ্য,
ওয়ার্ল্ড এটলাসে দেওয়া তালিকা অনুসারে বিশ্বের কম উচ্চতার মানুষের দেশগুলোর তালিকা:
১) পূর্ব তিমুর:
- গড় উচ্চতা: ১৫৬.৪২ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ১.৬ ইঞ্চি) →  অবস্থান: ১ম।
২) গুয়াতেমালা:
- গড় উচ্চতা: ১৫৭.৬৪ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২.১ ইঞ্চি) →  অবস্থান: ২য়।
৩) লাওস:
- গড় উচ্চতা: ১৫৭.৯৪ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২.২ ইঞ্চি) →  অবস্থান: ৩য়।
৪)নেপাল:
- গড় উচ্চতা: ১৫৮.৩৮ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২.৪ ইঞ্চি) →  অবস্থান: ৪র্থ।
৫)বাংলাদেশ:
- গড় উচ্চতা: ১৫৮.৭৩ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২.৫ ইঞ্চি) →  অবস্থান: ৫ম।
৬)মাদাগাস্কার:
- গড় উচ্চতা: ১৫৯.১১ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২.৬ ইঞ্চি) →  অবস্থান: ৬ষ্ঠ।
৭) ইয়েমেন:
- গড় উচ্চতা: ১৫৯.৫৯ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২.৮ ইঞ্চি) →  অবস্থান: ৭ম।
৮) ফিলিপাইনস:
- গড় উচ্চতা: ১৫৯.৬৯ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২.৯ ইঞ্চি) →  অবস্থান: ৮ম।
৯)মোজাম্বিক:
- গড় উচ্চতা: ১৫৯.৮৬ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২.৯৪ ইঞ্চি) →  অবস্থান: ৯ম।
১০) সোলোমন দ্বীপপুঞ্জ:
- গড় উচ্চতা: ১৫৯.৯৩ সেন্টিমিটার (৫ ফুট ২.৯৬ ইঞ্চি) →  অবস্থান: ১০ম।

সাধারণ কারণ:
অপুষ্টি: শৈশবে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাবে শারীরিক বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়।
স্বাস্থ্যসেবা ও পরিচ্ছন্নতা: সংক্রমণ ও অসুস্থতা শিশুদের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত করে।
জিনগত বৈশিষ্ট্য: কিছু জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই গড় উচ্চতা কম।
অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা: দরিদ্র দেশগুলোতে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবার অভাবে উচ্চতায় প্রভাব পড়ে।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো নিউজ।
.
‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র কোন দেশের তৈরি?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

রাশিয়ান ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্র:
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিশ্চিত করেছেন যে, ইউক্রেনের নিপ্রো শহরে চালানো সাম্প্রতিক হামলায় নতুন হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র "ওরেশনিক" সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে।

- ‘আরএস–২৬ রুবেজ’ নামের আন্তমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের (আইসিবিএম) ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে ওরেশনিক।
- ওরেশনিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে একই ক্ষেপণাস্ত্রে তিন থেকে ছয়টি পৃথক ওয়ারহেড থাকতে পারে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
- শব্দের চেয়ে ১০ গুণ বেশি গতিতে চলতে পারে। পথিমধ্যে কৌশল পরিবর্তন করতে সক্ষম হওয়ায় এটি চিহ্নিত করা এবং থামানো অত্যন্ত কঠিন।
- প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র আটকাতে অক্ষম।
- রাশিয়া দাবি করছে যে ওরেশনিক যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের আধুনিক অস্ত্রশক্তি প্রদর্শনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি প্রতিরক্ষার পাশাপাশি হামলার ক্ষেত্রেও রাশিয়ার জন্য কৌশলগত সুবিধা দিচ্ছে।
- সামরিক বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের হাইপারসনিক অস্ত্র প্রযুক্তি মহাশক্তিধর দেশগুলোর মধ্যে অস্ত্র প্রতিযোগিতা আরও তীব্র করবে।

উল্লেখ্য,
- রাশিয়া দাবি, এই হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সরবরাহকৃত দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইউক্রেনের রুশ ভূখণ্ডে হামলার জবাব হিসেবে চালানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
.
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার হটলাইন নম্বর কত?
  1. ১৬৪৩০
  2. ১৬৪২০
  3. ১৬৫৩০
  4. ১৬৩৪০
ব্যাখ্যা
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার (লিগ্যাল এইড):

- জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার (লিগ্যাল এইড) নির্ধারিত হটলাইন কলসেন্টার ১৬৪৩০ নম্বরে ১ লাখ ৭৮ হাজার ৫০৬ জন বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পেয়েছেন।
- জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
- দেশে আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগনকে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে‘'আইনগত সহায়তা প্রদান আইনের’ অধীনে সরকারি খরচায় এই সেবা দেয়া হয়।

আইনগত সহায়তা কি?
 
- আইনগত সহায়তা'র অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং বিভিন্ন কারণে বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
- কোন আদালতে দায়ের যোগ্য মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
- দায়ের হয়েছে বা বিচার চলছে এমন মামলায় আইনি পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
- আইনজীবীর ফিস বা মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদান; নিযুক্ত সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;

লিগ্যাল এইডের মূল উদ্দেশ্য:
- বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
- আইনি প্রক্রিয়ায় দরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের বিনামূল্যে পরামর্শ, মামলা পরিচালনা এবং আইনি সহায়তা প্রদান।

সংস্থার কার্যক্রম:
- বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ: মামলা দায়ের বা প্রতিরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা।
- আইনজীবীর মাধ্যমে মামলা পরিচালনা: বিচার প্রক্রিয়ায় সহায়তা।
- মধ্যস্থতা বা সালিশি ব্যবস্থা: বিরোধ মীমাংসার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা।
- কারাবন্দি ব্যক্তিদের সহায়তা: আর্থিক অসচ্ছলতায় জামিনের ব্যবস্থা।
- তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র: আইনি সচেতনতা বৃদ্ধি।

লিগ্যাল এইড পাওয়ার জন্য নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা সাধারণত যোগ্য বিবেচিত হন:
- যাদের বার্ষিক আয় নির্ধারিত সীমার নিচে।
- নির্যাতিত নারী ও শিশু।
- মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি।
- বয়স্ক, প্রতিবন্ধী বা নিঃস্ব ব্যক্তি।
- হেফাজতে থাকা ব্যক্তি।

কোথায় আবেদন করা যায়:
জেলা লিগ্যাল এইড অফিস: প্রতিটি জেলায় লিগ্যাল এইড অফিস রয়েছে।
উপজেলা লিগ্যাল এইড কমিটি: উপজেলা পর্যায়ে সহায়তা পাওয়া যায়।
হটলাইন: হেল্পলাইন নম্বর: ১৬৪৩০ , টোল ফ্রি কলের মাধ্যমে সহায়তা পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ও জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার (লিগ্যাল এইড) ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১০.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ‘দ্য জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন’ হিসেবে কোন দেশকে বিবেচনা করা হতো?
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. রাশিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও কুমিল্লা সেনানিবাস:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কুমিল্লা সেনানিবাস ছিল ব্রিটিশদের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।
- ব্রিটিশ কমান্ডার ফিল্ড মার্শাল উইলিয়াম জোসেফ স্লিম বার্মার যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানিজরা সিঙ্গাপুর দখল করার পাশাপাশি চীনের অনেক জায়গা দখল করে ভারতের দিকে অগ্রসর হতে থাকে।
- পরে জাপানিরা বার্মায় রেঙ্গুন দখল করে ভারতের দিকে অগ্রসর হয়, তখন ভারতকে ‘দ্য জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন’ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।
- কুমিল্লা সেনানিবাস থেকে উইলিয়াম স্লিম তাঁর সৈনিকদের প্রস্তুত করেন। তখন প্রতিপক্ষও ফেনীসহ বিভিন্ন এলাকায় বোমাবর্ষণ শুরু করে।
- একপর্যায়ে উইলিয়াম স্লিম একটা আন্ডারগ্রাউন্ড কমান্ডো ফোর্স গঠন করেন; কুমিল্লা সেনানিবাসে যা এখনো আছে।
- কুমিল্লায় যুদ্ধ না হলেও এর কৌশলগত অবস্থান এবং ময়নামতির হাসপাতাল অঞ্চলটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।
- যুদ্ধকালে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে হাসপাতাল তৈরি হয়। আহত মিত্র সৈনিকদের চিকিৎসা ও মৃত্যুপরবর্তী সমাহিত করতে ময়নামতিতে যুদ্ধসমাধি স্থাপন করা হয়।
- বর্তমান স্থানটিতে প্রথমে ব্রিটিশদের সমাহিত করার কাজ শুরু হয়।
- জাপানিরা শত্রুপক্ষ হওয়ায় তাঁদের সমাধিস্থলের একটি কোণে জায়গা দেওয়া হয়।
- যাঁরা মুসলিম ছিলেন, তাঁদের পৃথকভাবে একটি (দক্ষিণ-পশ্চিম) পাশে দাফন করা হয়। কারণ, মুসলিমদের কবর দেওয়ার পদ্ধতি ভিন্ন।
- সেখানে সমাহিত করা বেশির ভাগই আহত অবস্থায় ময়নামতিতে চিকিৎসার জন্য এসে মারা গিয়েছিলেন।
- পাহাড়ি ও বন্যামুক্ত সুন্দর পরিবেশ থাকার কারণে ময়নামতিকে সমাধিস্থল হিসেবে বেছে নেওয়া হয়।
- বার্মায় যুদ্ধে অনেক সৈনিক নিহত হন। ওই সময় কুমিল্লা, চট্টগ্রামসহ কয়েকটি স্থানে যুদ্ধসমাধি তৈরি করেছিলেন ব্রিটিশরা। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।
১১.
বিশ্ব শিশু দিবস কবে?
  1. ১৫ ডিসেম্বর
  2. ২৫ নভেম্বর
  3. ২০ নভেম্বর
  4. ১৯ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
বিশ্ব শিশু দিবস:
- ২০ নভেম্বর বিশ্ব শিশু দিবস পালন করা হয়।
- বিশ্বজুড়ে শিশুর অধিকার সুরক্ষায় ১৯৮৯ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে শিশু অধিকার কনভেনশন বা সনদ (সিআরসি) গৃহীত হয়।
- সেই থেকে প্রতিবছর ২০ নভেম্বর বিশ্ব শিশু দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।
- দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য– ‘অন্তর্ভুক্তি, প্রত্যেক শিশুর জন্য’।

গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দিবস:
১১ জুলাই - বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস;
২১ মার্চ - বিশ্ব বন দিবস;
২২ এপ্রিল - বিশ্ব ধরিত্রী দিবস;
২৭ সেপ্টেম্বর - বিশ্ব পর্যটন দিবস;
২৩ মার্চ - বিশ্ব আবহাওয়া দিবস;
১০ মার্চ - জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস; 
১৬ সেপ্টেম্বর - আন্তর্জাতিক ওজোনস্তর সংরক্ষণ দিবস;
১৭ জুলাই - আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার দিবস;
১৮ জুলাই - নেলসন ম্যান্ডেলা আন্তর্জাতিক দিবস;
২৩ জুলাই - জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস;
২৬ জুলাই - বিশ্ব ম্যানগ্রোভ দিবস;

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১২.
স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে কে নিয়োগ পেয়েছেন? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  2. তোফায়েল আহমেদ
  3. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
  4. আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন:
সরকার স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য আট সদস্যের একটি কমিশন গঠন করেছে।
প্রধান: -অধ্যাপক তোফায়েল আহমেদ (স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান)।
অন্যান্য সদস্য:
- অধ্যাপক ফেরদৌস আরফিনা ওসমান (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)।
- সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দিন।
- আইনজীবী আব্দুর রহমান।
- মাহফুজ কবির (বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের পরিচালক)।
- মাসুদা খাতুন (নারী উদ্যোগ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক)।
- অধ্যাপক মো. তারিকুল ইসলাম (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)।
- শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

উল্লেখ্য,
- প্রধান উপদেষ্টার নির্দেশনায় এটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে।
- কমিশনকে ৯০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
১৩.
'জিস্যাট-এনটু' কোন সংস্থার তৈরি?
  1. নাসা
  2. স্পেস এক্স
  3. ইসরো
  4. ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা
ব্যাখ্যা
ইসরোর যোগাযোগ স্যাটেলাইট 'জিস্যাট-এনটু'
- ধনকুবের ইলন মাস্কের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান স্পেস এক্স সাফল্যের সঙ্গে ভারতের মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইসরোর সবচেয়ে অত্যাধুনিক যোগাযোগ স্যাটেলাইট 'জিস্যাট-এনটু'কে মহাকাশে পাঠিয়েছে।
- জিস্যাট-এনটু (GSAT-NTU) হচ্ছে the Indian Space Research Organisation(ISRO) দ্বারা তৈরি একটি স্যাটেলাইট।
- GSAT-N2 হল একটি যোগাযোগ উপগ্রহ, যা ISRO এর স্যাটেলাইট সেন্টার এবং লিকুইড প্রোপালশন সিস্টেমস সেন্টার যৌথভাবে তৈরি করেছে।
- এলন মাস্কের মালিকানাধীন স্পেসএক্স মঙ্গলবার ক্যানাভেরাল স্পেস ফোর্স স্টেশন থেকে ভারতের যোগাযোগ উপগ্রহ GSAT-N2 উৎক্ষেপণ করা হয়।
- এটি GSAT সিরিজের যোগাযোগ উপগ্রহের ধারাবাহিকতা এবং ভারতের স্মার্ট সিটিজ মিশন এর জন্য প্রয়োজনীয় যোগাযোগ অবকাঠামোর জন্য ডেটা ট্রান্সমিশন ক্ষমতা বাড়াবে।
- এতদিন ISRO তাদের ভারী উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য এআরিয়ানস্পেস এর আরিয়ানে রকেট ব্যবহার করত।
- তবে বর্তমানে, ISRO এর কাছে ৪,৭০০ কেজি ভারী উপগ্রহ উৎক্ষেপণের জন্য যথেষ্ট ক্ষমতা সম্পন্ন রকেট নেই।
- ভারতের LVM-3 রকেটের পে লোড ধারণক্ষমতা ৪,০০০ কেজি, যা GSAT-N2 এর প্রয়োজনীয় পে লোডের তুলনায় কম।
- তাই, স্পেসএক্সের the Falcon 9 রকেটটি উৎক্ষেপণের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

the Falcon 9 রকেট কী?
- the Falcon 9 একটি পুনঃব্যবহারযোগ্য, দুই-স্তরের রকেট যা স্পেসএক্স দ্বারা ডিজাইন এবং প্রস্তুত করা হয়েছে।
- এটি পৃথিবীর কক্ষপথে এবং তার বাইরে পণ্য ও মানুষ নিরাপদে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। স্পেসএক্স এর মতে, “the Falcon 9 হল পৃথিবীর প্রথম অরবিটাল ক্লাস পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট।
- পুনঃব্যবহারযোগ্যতা the Falcon 9 রকেটের সবচেয়ে ব্যয়বহুল অংশগুলোকে পুনরায় ব্যবহার করতে সক্ষম করে, যা মহাকাশে প্রবেশের খরচ কমায়।”

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা ও  হিন্দুস্থান টাইমস। [লিঙ্ক]
১৪.
‘এটিএসিএমএস’ ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহকারী দেশ কোনটি? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র:
- ইউক্রেন প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি পাওয়া দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এটিএসিএমএস ব্যবহার করে রাশিয়ার ভূখণ্ডে হামলা চালিয়েছে।
- এই ক্ষেপণাস্ত্র ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম এবং গুচ্ছ বোমা বা একক বোমা বহনে সক্ষম।
- ইউক্রেনের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, রাশিয়ায় হামলা চালানোর পরও যুদ্ধের মোড় পরিবর্তন হবে না, কারণ ক্ষেপণাস্ত্রের সরবরাহ সীমিত।

উল্লেখ্য, 
- এটিএসিএমএস এর পূর্ণরূপ: Army Tactical Missile System (ATACMS)।
- এটিএসিএমএস ভূমি থেকে ভূমিতে ৩০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
- এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করে অস্ত্র ও প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা মার্কিন প্রতিষ্ঠান লকহিড মার্টিন।
- গুচ্ছ বোমা: ছোট ছোট বোমাগুলো একটি বড় এলাকায় সাঁজোয়া যান, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও সেনাবাহিনী ধ্বংসে কার্যকর।
- একক বোমা: ২২৫ কেজি ওজনের উচ্চ-বিস্ফোরক বোমা, যা বড় অবকাঠামো বা সামরিক স্থাপনায় আঘাত হানতে সক্ষম।
- মূল্য: প্রতিটি ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য ব্যয় হয় প্রায় ১৫ লাখ মার্কিন ডলার।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।