পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১০ টপিক - ১: i) প্রাচীন সভ্যতাসমূহ, সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব ইত্যাদি), ii) মহাদেশ ও দেশসমূহের সাধারণ তথ্য (দেশের রাজধানী, মুদ্রা, সরকার ব্যবস্থা, সংসদ ইত্যাদি সহ সাধারণ তথ্য)। [২০ নম্বর] টপিক - ২: সাধারণ বিজ্ঞান - বিজ্ঞানের শাখা-প্রশাখা (যেমন, মাইক্রোবায়োলজি, সেরিকালচার ইত্যাদি), শক্তির উৎস ও ব্যবহার, জৈব-অজৈব যৌগ, মানবদেহ, রোগের কারণ ও ভ্যাক্সিন, উদ্ভিদ ও প্রাণীর পুষ্টি, তেজস্ক্রিয়তা, X-Ray, MRI, CT Scan ইত্যাদি [২০ নম্বর]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
‘হায়ারোগ্লিফিক’ নামক লিখন পদ্ধতি কাদের আবিষ্কার ছিলো?
  1. ক) চীনাদের
  2. খ) আরবীয়দের
  3. গ) ফিনিশীয়দের
  4. ঘ) মিশরীয়দের
ব্যাখ্যা
‘হায়ারোগ্লিফিক’ নামক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করে মিশরীয়রা।

• মিশরীয় সভ্যতা:

- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার। নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত। এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের মন্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে। পরে এই কাগজের উপর তারা লিখতে শুরু করে।
- গ্রীকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’। যে শব্দ থেকে ইংরেজি ‘পেপার’ শব্দের উৎপত্তি।

এখানে উল্লেখ্য
- নেপোলিয়ান বোনাপার্টের মিশর জয়ের সময় একটি পাথর আবিষ্কৃত হয়, যা রসেটা স্টোন নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের বাসভবনের নাম কী?
  1. ক) ব্লু হাউজ
  2. খ) টেম্পল ট্রি
  3. গ) ক্রেমলিন
  4. ঘ) এলিসি প্রাসাদ
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ কোরিয়া:
- দক্ষিণ কোরিয়র রাষ্ট্রীয় নাম - রিপাবলিক অব কোরিয়া।
- স্বাধীনতা লাভ করে - ১৫ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে।
- সরকার পদ্ধতি - সাংবিধানিক প্রজাতন্ত্র।
- প্রেসিডেন্টের বাসভবনের নাম - ব্লু হাউজ।
- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট - সিগম্যান রী।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট - ইউন সুক ইউল (২০২২ - )।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - হান ডাক সো (২০২২ - )।
- জাপান ও কোরিয়াকে পৃথক করেছে - কোরিয়া প্রণালি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
.
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভূক্ত ছিলো -
  1. ক) জার্মান
  2. খ) হাঙ্গেরী
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির অন্তর্ভূক্ত ছিলো - জাপান।

• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ( ১৯১৪-১৯১৮):

- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল ১৯১৪ সালের ২৮ জুন অস্ট্রিয়ার যুবরাজ আর্কডিউক ফার্ডিন্যাস্ড বসনিয়র রাজধানী সারায়েভোতে - আততায়ীর হাতে নিহত হবার ঘটনার মধ্য দিয়ে।
- যুদ্ধ শুরু হয়- ২৮ জুলাই, ১৯১৪ সালে।
- শেষ হয়- ১১ নভেম্বর, ১৯১৮ সালে।

- যুদ্ধে কেন্দ্রীয় শক্তিজোট ছিল- জার্মান, অস্ট্রিয়া, তুরস্ক, হাঙ্গেরী, বুলগেরিয়া।
- মিত্রশক্তি জোট ছিল- রাশিয়া, ফ্রান্স, সার্বিয়া, বেলজিয়াম, জাপান, বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র।
- যুদ্ধের ফলাফল- মিত্র শক্তির বিজয়।
- চার বছরের যুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৬০ লক্ষ মানুষের প্রাণহানী ঘটে।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
.
'ছয় সপ্তাহ' বয়সে নিচের কোন টিকাটির জন্য সুপারিশ করা হয়?
  1. ক) BCG
  2. খ) DT Vaccine
  3. গ) TT Vaccine
  4. ঘ) DPT-Ι
ব্যাখ্যা
- 'ছয় সপ্তাহ' বয়সে DPT-Ι টিকার জন্য সুপারিশ করা হয়। 

ভ্যাকসিন:
- বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization - WHO) এর (Expended Programe on Immunization -EPI) কার্যক্রমের আওতায় শিশুদের প্রাণঘাতী ৬টি রোগ যথা- যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিংকাশি, টিটেনাস, পোলিও এবং হাম-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
- এছাড়াও হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফাইলা ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি-এর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
- মা এবং শিশুকে টিটেনাস থেকে রক্ষার জন্য টিটেনাস টক্সেয়েড (tetanus toxoid) ভ্যাকসিন দেওয়া হয়।
- ভ্যাকসিনেশনের জাতীয় কর্ম সূচিতে নিচের ছক অনুযায়ী টিকা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে-


উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রক্তরসে বিদ্যমান জৈব রেচন পদার্থ কোনটি?
  1. ক) ভিটামিন
  2. খ) ইউরিয়া
  3. গ) অ্যালবুমিন
  4. ঘ) অ্যান্টিটক্সিন
ব্যাখ্যা
- রক্তরসে বিদ্যমান জৈব রেচন পদার্থ হচ্ছে- ইউরিয়া। 

রক্তরস
:
- রক্তের তরল অংশকে প্লাজমা বলে।
- রক্তরসে প্রায় ১০% জৈব ও অজৈব পদার্থ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে।

জৈব পদার্থ:
• খাদ্যসার (গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, স্নেহ পদার্থ, ভিটামিন ইত্যাদি)।
• রেচন পদার্থ (ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, অ্যামোনিয়া, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি)। 
• প্রোটিন (ফিব্রিনোজেন, গ্লোবিউলিন, অ্যালবুমিন ইত্যাদি)।
• প্রতিরক্ষামূলক দ্রব্যাদি (অ্যান্টিটক্সিন)।
এছাড়াও রয়েছে হরমোন, কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন ইত্যাদি।

অজৈব পদার্থ
- সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, লৌহ, আয়োডিন, এবং গ্যাসীয় পদার্থ O2, CO2, N2 ইত্যাদি। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটির সাহায্যে পিত্তথলি ও কিডনির পাথর সনাক্ত করা যায়?
  1. ক) এমআরআই
  2. খ) সিটিস্ক্যান
  3. গ) এক্সরে
  4. ঘ) এনজিওগ্রাফি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এমআরআই, সিটিস্ক্যান ও এক্সরে তিনটির সাহায্যেই পিত্তথলি ও কিডনির পাথর সনাক্ত করা যায়।
অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 

এক্সরে:
- এক্সরে হলো এক ধরনের তাড়িতচৌম্বক বিকিরণ।
- এক্সরের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণ আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে অনেক কম।
- এই রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10-10 m এর কাছাকাছি। 
- ১৮৯৫ সালে রন্টজেন এক্সরে আবিস্কার করেন।
- এক্সরে রঞ্জনরশ্মি নামেও পরিচিত।

চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক্সরের অবদান:
১. স্থানচ্যুত হাড়, হাড়ে ফাটল, ভেঙে যাওয়া হাড় ইত্যাদি এক্সরের সাহায্যে খুব সহজেই সনাক্ত করা যায়।
২. মুখমন্ডলীর যে কোনো ধরনের রোগ নির্ণয়ে এক্সরের ব্যবহার অনেক যেমন- দাঁতের গোড়ায় ঘা এবং ক্ষয় নির্ণয়ে এক্সরে ব্যবহৃত হয়।
৩. পেটের এক্সরের সাহায্যে অন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা সনাক্ত করা যায়।
৪. এক্সরের সাহায্যে পিত্ত থলি ও কিডনির পাথরকে সনাক্ত করা যায়।
৫. বুকের এক্সরের সাহায্যে ফুসফুসের রোগ যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া, ফুসফুসের ক্যান্সার ইত্যাদি নির্ণয় করা যায়।
৬. চিকিৎসার কাজেও এক্সরে ব্যবহার করা যায়। এটি ক্যান্সার কোষকে মেরে ফেলতে পারে। রেডিওথেরাপি প্রয়োগ করে ক্যান্সারের চিকিৎসা করা যায়।

সিটি স্ক্যান:
- সিটিস্ক্যান এর সম্প্রসারিত অর্থ হচ্ছে কম্পিউটেড টমোগ্রাফি স্ক্যান (Computed Tomography Scan)। 
- যে প্রক্রিয়ায় কোনো ত্রিমাত্রিক বস্তুর কোনো ফালি বা অংশের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয় সে প্রক্রিয়াকে টমোগ্রাফি বলে।
- সিটিস্ক্যান যন্ত্রে এক্সরে ব্যবহৃত হয়। এক্সরে যেখানে শরীরের অভ্যন্তরের কোনো ত্রিমাত্রিক অঙ্গের দ্বিমাত্রিক প্রতিবিম্ব গঠন করে, সেখানে সিটি স্ক্যান যন্ত্র দ্বারা সৃষ্ট প্রতিবিম্ব ত্রিমাত্রিক ।
- সিটিস্ক্যানের সাহায্যে শরীরের নরম টিস্যু, রক্তবাহী শিরা বা ধমনী, ফুসফুস, ব্রেণ ইত্যাদির ত্রিমাত্রিক ছবি পাওয়া যায।
- যকৃত, ফুসফুস এবং অগ্নাশয়ের ক্যান্সার সনাক্ত করার কাজে সিটিস্ক্যান ব্যবহৃত হয়।
- সিটিস্ক্যানের প্রতিবিম্ব চিকিৎসককে টিউমার সনাক্তকরণ, টিউমারের আকার, অবস্থান এবং টিউমারটি পার্শ্ববর্তী অন্য টিস্যুকে কী পরিমাণ আক্রান্ত করেছে তা নির্ধারণেও সাহায্য করে।
- মাথার সিটিস্ক্যানের সাহায্যে মস্তিষ্কের ভেতরে কোনো ধরনের রক্তপাত, ধমনীর ফুলা এবং টিউমারের উপস্থিতি সম্পর্কে জানা যায়।
- সিটিস্ক্যানের দ্বারা রক্ত সঞ্চালনে সমস্যা আছে কীনা তাও জানা যায়।
- সাধারণত গর্ভবতী মহিলাদের সিটি স্ক্যান পরীক্ষা করা হয় না।

এম.আর.আই (MRI):
- এম.আর.আই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)।
- এম.আর.আই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়।
- নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিকনীতির উপর ভিত্তি করে এই যন্ত্র কাজ করে থাকে।
- এম.আর.আই হলো একটি কৌশল যা শরীরের যে কোনো অঙ্গের (পরম ও সংবেদনশীল) পরিষ্কার ও বিস্তারিত ছবি তুলতে পারে।
- এটি শরীরের যে কোনো অঙ্গের জন্য ব্যবহার করা হলেও মস্তিষ্ক, পেশি এবং টিউমার শনাক্ত করার ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
এমআরআই যন্ত্রে কোন তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ইনফ্রারেড
  2. খ) রেডিও ওয়েব
  3. গ) এক্সরে
  4. ঘ) মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহৃত হয়।

এমআরআই
:
- এমআরআই এর অর্থ হচ্ছে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইম্যাজিং (Magnetic Resonance Imaging)। 
- এমআরআই যন্ত্রে শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্র এবং রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে শরীরের কোনো স্থানের বা অঙ্গের বিস্তৃত প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়। 
- নিউক্লিয় চৌম্বক অনুনাদের ভৌত এবং রাসায়নিক নীতির উপর ভিত্তি করে এমআরআই যন্ত্র কাজ করে। 
- এই নীতি ব্যবহার করে কোনো অণুর প্রকৃতি সম্পর্কে তথ্য জানা যায়।

- এমআরআই একটি নিরাপদ রোগ নির্ণয় পদ্ধতি।
- এই যন্ত্রে এক্সরে বা অন্য কোনো ধরনের বিকিরণ ব্যবহার করা হয় না। 
- শরীরের যে অংশের এমআরআই স্ক্যান করা হয় সেখান থেকে প্রাপ্ত সংকেতকে একটি কম্পিউটারের সাহায্যে পরিবর্তিত করে সেই অংশের অত্যন্ত স্পষ্ট প্রতিবিম্ব গঠন করা হয়।

- প্রত্যেকটি প্রতিবিম্ব শরীরের কোনো স্থানের এক একটি ফালির মতো কাজ করে।
-এভাবে অনেকগুলো প্রতিবিম্ব তৈরি করা হয়, যেগুলো শরীরের ঐ অংশের সকল বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তুলে। 
- পায়ের গোড়ালির মচকানো এবং পিঠের ব্যাথায় এমআরআই ব্যবহার করে জখমের বা আঘাতের তীব্রতা নিরূপণ করা হয়।
- ব্রেণ এবং মেরু রুজ্জুর বিস্তৃত প্রতিবিম্ব তৈরির জন্য এমআরআই হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে কোন শক্তির রূপান্তর ঘটে?
  1. ক) যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে
  2. খ) যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে
  3. গ) বিভব শক্তি গতি শক্তিতে
  4. ঘ) যান্ত্রিক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে
ব্যাখ্যা
যান্ত্রিক শক্তির রূপান্তর:
- হাতে হাত ঘষলে তাপ উৎপন্ন হয়। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি তাপ শক্তিতে রূপান্তর হয়। 
- কলমের খালি মুখে ফুঁ দিলে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- পানি যখন ভূ-পৃষ্ট হতে উপরে কোন পাত্রে থাকে তখন তাতে বিভব শক্তি সঞ্চিত থাকে। নিচে প্রবাহিত হবার সময় বিভব শক্তি গতি শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রক্ত জমাট বা প্রদাহের উৎস নির্ণয়ে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) এমআরআই
  2. খ) বায়োপসি
  3. গ) সিটি স্ক্যান
  4. ঘ) ইসিজি
ব্যাখ্যা
- রক্ত জমাট বা প্রদাহের উৎস নির্ণয়ে সিটি স্ক্যান যন্ত্রটি ব্যবহার করা হয়।  

সিটি স্ক্যান
:
- ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) সংস্করণের মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের সবচেয়ে আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য একটি পরীক্ষা পদ্ধতি হলো সিটি স্ক্যান।
- এর মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের অজস্র এক্স-রে ছবি তোলা হয় এবং কম্পিউটারের মাধ্যমে সেগুলোকে একত্র করা হয়।
- সিটি স্ক্যান এমন একটি মেডিকেল ইমেজিং পদ্ধতি, যাতে রোগীর শরীরের ভেতরের অবস্থা স্ক্যান করে ইমেজ বা ছবি তোলা হয়।
- একজন রেডিওলজি টেকনোলজিস্ট এই পরীক্ষা করেন।

যেসব ক্ষেত্রে সিটি স্ক্যান করা হয়
• টিউমার, ক্যানসারের অবস্থান নির্ণয়ে 
• মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য সমস্যা নিরীক্ষণে 
• অস্ত্রোপচার, রেডিয়েশন থেরাপি ও বায়োপসির গাইডলাইন নিশ্চিতকরণে 
• রক্ত জমাট বা প্রদাহের উৎস নির্ণয়ে 
• রক্ত চলাচলে বাধাবিপত্তি বা ব্লকেজ পরীক্ষা করতে 
• ফুসফুসের রোগ ও রোগের ধরন জানতে
• মূত্রনালিতে পাথর আছে কি না তা নির্ণয়ে এবং
• যেকোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ বা প্রদাহ নির্ণয়ে। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।