পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 5” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. কম্পিউটারের পারঙ্গমতা ও দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটারের ব্যবহার: কৃষি, যোগাযোগ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, খেলাধুলা ইত্যাদি। ২. কম্পিউটারের সংখ্যা পদ্ধতি ও কোড, ডিজিটাল লজিক ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যে কোনো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
অনলাইনে গবেষণাপত্র প্রকাশ করা হলে তাকে কি বলে?
  1. ই-পেপার
  2. পেটেন্ট
  3. ই-কন্টেন্ট
  4. ই-জার্নাল
ব্যাখ্যা
• ই-জার্নাল:
- ই-জার্নাল হলো গবেষণা নথি বা প্রবন্ধের একটি ডিজিটাল সংস্করণ, যা ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়।
- এর সুবিধাগুলো হলো, এটি যেকোনো সময় যে কোনো স্থান থেকে অ্যাক্সেস করা যায়, ডাউনলোড বা ই-মেইল করা যায় এবং এর কোনো নির্দিষ্ট অংশ বা পুরো জার্নালটি ইন্টারনেটে সার্চ করে বের করা যায় কিংবা পাঠ করা যায়।

• পেটেন্ট:
- পেটেন্ট হচ্ছে একচেটিয়া অধিকার, কোনো কিছু উদ্ভাবনের জন্য এটা অনুমোদন করা হয়।
- উদ্ভাবনটি হতে পারে একটি পণ্য বা একটি প্রক্রিয়া, যা কোনো কিছু সম্পাদনের নতুন পদ্ধতি প্রদান করে বা কোনো সমস্যার নতুন কারিগরি সমাধান প্রস্তাব করে।
- একটি পেটেন্ট তার মালিককে তার উদ্ভাবনের সুরক্ষা প্রদান করে।
- সীমিত সময়ের জন্য এই সুরক্ষা সাধারণত ২০ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
কাউন্টারের ব্যবহার হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
  2. ডিজিটাল ঘড়িতে
  3. ডিজিটাল কম্পিউটারে
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলেন।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে। 

• কাউন্টারের ব্যবহার:
ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
১। ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে।
২। টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে।
৩। ডিজিটাল ঘড়িতে।
81 ডিজিটাল কম্পিউটারে।
৫। অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে ব্যবহার করা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন সার্কিটের সাহায্যে ডেটাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করা হয়?
  1. এনকোডার
  2. ডিকোডার
  3. অ্যাডার
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে। 
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি

• অ্যাডার:

- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
-  যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।
২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
একটি যোগে করতে কম্পিউটারের ৫০ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগলে সেকেন্ডে এটা কতটি যোগ করতে পারবে?
  1. ১ কোটি
  2. ২ কোটি
  3. ৩ কোটি
  4. ১০ লক্ষ
ব্যাখ্যা
১ সেকেন্ড = ১০০০০০০০০০ ন্যানো সেকেন্ড
∴ সেকেন্ডে যোগ করতে পারবে = ১০০০০০০০০০/৫০ টি
= ২০০০০০০০ বা ২ কোটি