পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ [শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা, কৃষির উপর বিভিন্ন সমীক্ষা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ।] উৎস: NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, আমদানি রপ্তানি রিপোর্ট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
কৃষিক্ষেত্রে কোন সময়কালকে রবি মৌসুম বলে?
  1. ফাল্গুন থেকে বৈশাখ
  2. আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ
  3. কার্তিক থেকে ফাল্গুন
  4. শ্রাবণ থেকে আশ্বিন
সঠিক উত্তর:
কার্তিক থেকে ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্তিক থেকে ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:- রবি বা শীতকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।

.
আমন ধান রোপণের উপযুক্ত সময় কোনটি?
  1. মধ্য মে – মধ্য জুন
  2. ডিসেম্বর শেষ – জানুয়ারির শুরু
  3. অক্টোবর শেষ – নভেম্বর শুরু
  4. জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
-------------------
আউশ ধান = মধ্য মার্চ - মধ্য এপ্রিল।
আমন ধান =  জুনের শেষ  -সেপ্টেম্বরের শুরু।
বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর - মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
-----------------------
আউশ ধান = মধ্য জুলাই - আগস্টের শুরু।
আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)।

.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.৭৯%
  2. ১.৭৯%
  3. ৩.৭৯%
  4. ৫.৭৯%
সঠিক উত্তর:
১.৭৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৭৯%
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-২০২৫ অনুসারে, 
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৩০%। 
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ১.৫১ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: i) অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

.
কোনটি আলুর উন্নত জাত?
  1. রূপালি
  2. ডায়মন্ড
  3. মহানন্দা
  4. সুমাত্রা
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

.
দেশে ইলিশের অভয়াশ্রম কতটি?
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
⇒ বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২%। 
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।

⇒ প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- বাংলাদেশে ইলিশের চারটি প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)

.
বাংলামতি কী?
  1. একটি উপন্যাসের নাম
  2. একটি নদীর নাম
  3. একটি নাটকের নাম
  4. একটি ফসলের নাম
সঠিক উত্তর:
একটি ফসলের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি ফসলের নাম
ব্যাখ্যা

বাংলামতি:
- 'বাংলামতি' কৃষিতে এক প্রকার ধান।
- এটি ধানের উন্নত জাত।
- ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- জীবনকাল: ১৫৫ দিন দিন
- উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টর: ৬.০ টন কেজি

⇒ জাতের বৈশিষ্ট্য:

১। গাছের উচ্চতা ৮২ সেন্টিমিটার।
২। গাছ হেলে পড়ে না।
৩। চাল লম্বা, চিকন, সুগন্ধি ও সাদা।
৪। ভাত ঝরঝরে।
৫। চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.২%।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

.
বাংলাদেশে কয় ধরনের পাট চাষাবাদ করা হয়?
  1. তিন প্রকার
  2. দুই প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
চার প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার প্রকার
ব্যাখ্যা

• পাট চাষ ব্যবস্থাপনা:
• মৌসুম: পাট উৎপাদন মৌসুম (বপন থেকে পাট কাটা) হচ্ছে ফাল্গুনের শেষ থেকে আষাঢ়ের শেষ পর্যন্ত।
• জাত : আঁশ ফসলের জন্য চার ধরনের পাট রয়েছে। দেশী পাট, তোষা পাট, কেনাফ ও মেস্তা পাট। 

• জমি তৈরিকরণঃ
- উঁচু ও মধ্যম উঁচু জমি যেখানে বৃষ্টির পানি বেশি সময় দাঁড়ায় না এবং দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য বেশি উপযোগী।
- বৃষ্টিপাতের পরপরই আড়াআড়ি ৫-৭ টি চাষ দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে।
- ঢেলা গুড়ো করতে হবে এবং জমি আগাছামুক্ত করতে হবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
সর্বশেষ কতসালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল? (অক্টোবর-২০২৫)
  1. ২০১৮ সাল
  2. ২০১৫ সাল
  3. ২০১৯ সাল
  4. ২০২১ সাল
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সাল
ব্যাখ্যা

কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩টি।
- যথা: শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- দেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস ওয়েবসাইট।

.
চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত কোন মৌসুম?
  1. রবি মৌসুম
  2. খরিপ-১ মৌসুম
  3. খরিপ-২ মৌসুম
  4. বর্ষা মৌসুম
সঠিক উত্তর:
খরিপ-১ মৌসুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরিপ-১ মৌসুম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
যথা:- রবি বা শীতকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।

১০.
রিবণ রেটিং কোন ফসলের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধান
  2. আঁখ
  3. তামাক
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা

• রিবণ রেটিং:
- পানির অভাবে যে সব এলাকায় উৎপাদিত পাট পচনো সমস্যা হয়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার চাষীদের জন্য বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউট রিবণ রেটিং বা পাটের ছালকরণ ও পচন পদ্ধতি উদ্ভাবন করে।
- ছাল পচানোর জন্য পানি, জায়গা ও সময় কম লাগে।
- আঁশে কাটিংস হয় না।
- আঁশের মান ভালো হয়।
- এ গ্রেডের আঁশ পাওয়া যায়।
- মূল্য বেশি পাওয়া যায়।
- পরিবহন খরচ কম লাগে।
- স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা।
- পদ্ধতিটি অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক।
- পাট খড়ি শক্ত থাকে, ফলে জ্বালানি ও বিভিন্ন কাজে ব্যবহারে টেকসই এবং সুবিধাজনক।
- বাঁশের হুকের দীর্ঘস্থায়ী লোহার সিঙ্গেল রিবনার এবং ডাবল রোলার রিবনারের মাধ্যমে ছালকরণ যন্ত্র বা রিবনারের সাহায্যে সহজেই কাঁচা পাট গাছ থেকে ছাল ছাড়ানো যায়।

উৎস: কৃষি তথ্য বাতায়ন।

১১.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. সিলেট
  3. খাগড়াছড়ি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র:
- দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত। 
- চট্টগ্রাম ও সিলেটের পরে ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- চা-চাষিদের কাঁচা চা-পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হয়।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- ‘সমতলে চায়ের ভূবন, পঞ্চগড়ে স্বাগতম’ স্লোগানে স্মল টি গার্ডেন ওনার্স অ্যান্ড টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এই নিলাম কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয় চট্টগ্রামে।
- দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
- বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান: মালনীছড়া চা বাগান।

উৎস: i) ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
         ii) ১০ অক্টোবর, ২০১৮, কালের কন্ঠ। 

১২.
‘জোপাটিকা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. ভুট্টা
  3. গম
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

১৩.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু করে-
  1. শিলোয়া টি ফ্যাক্টরী
  2. ইস্পাহানি গ্রুপ
  3.  মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ
  4. কাজী এন্ড কাজী টি
সঠিক উত্তর:
কাজী এন্ড কাজী টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী এন্ড কাজী টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে ২০০০ সালের দিকে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটের মাধ্যমে তেতুঁলিয়ায় প্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর প্রভৃতি জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- অর্গানিক চা হলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত চা।
- অর্থাৎ অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।


উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং প্রথম আলো।
১৪.
বাংলাদেশে বেশি উৎপাদিত হয়- (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. আমন ধান
  2. ইরি ধান
  3. আউশ ধান
  4. বোরো ধান
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো ধান
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে বিভিন্ন ধানের উৎপাদনের পরিমান।

- ধানের  মোট উৎপাদন = ৪০৬.৯৭ লক্ষ
- ধানের মোট আবাদকৃত জমির পরিমান= ২৮৮.২০ লক্ষ(একর)

• আউশ ধান (স্থানীয় + অন্যান্য) = ২৯.৭৩ লক্ষ।
• আমন ধান (স্থানীয় + অন্যান্য) = ১৬৬.৫৬ লক্ষ।
• বোরো ধান (স্থানীয় অন্যান্য) = ২১০.৬৮ লক্ষ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৫.
বাংলাদেশ চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. বাগেরহাট
  3. কক্সবাজার
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র:
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র: বাগেরহাট।
- প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু: ০১ জুন, ২০১০
- মোট আয়তন: ৩.২৪ হেক্টর
- পুকুর কমপ্লেক্স: ১.৪২ হেক্টর

এছাড়াও -
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র: কক্সবাজার।
- স্বাদুপানি কেন্দ্র: ময়মনসিংহ।
- নদী গবেষণা কেন্দ্র: ফরিদপুর।
- লোনাপানি কেন্দ্র: পাইকগাছা, খুলনা।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট: ময়মনসিংহ।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।

১৬.
পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন কে?
  1. ড. আব্দুল আলিম
  2. ড. রেজা ইলাহি
  3. ড. মাকসুদুল আলম
  4. ড. মিনহাজুল করিম
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা

- ড. মাকসুদুল আলম ছিলেন একজন বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ।
- তিনি ২০১০ সালে পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন।
- তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা ।

এছাড়া
- তিনি পেঁপে, রাবার ও এক ধরনের ছত্রাকেরও জীবন রহস্য উদঘাটন করেন।
- ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মারা যান।

উৎস: বিবিসি বাংলা এবং প্রথম আলো,

১৭.
সরকার কর্তৃক ঘোষিত দেশের প্রথম মৎস্য অভয়াশ্রম কোনটি?
  1. হালদা নদী
  2. হাইল হাওর
  3. মেঘনা নদী
  4. চলন বিল
সঠিক উত্তর:
হাইল হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইল হাওর
ব্যাখ্যা

 মৎস্য অভয়াশ্রম:
- সরকার ঘােষিত দেশের প্রথম মৎস্য অভয়াশ্রম হাইল হাওর।
- জলাশয় সংশ্লিষ্ট মৎস্যজীবী-জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সুফলভোগীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জলাশয়ের জৈবিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকার এরই মধ্যে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি ২০০৯ প্রণয়ন করেছে।
- এ নীতির আওতায় অভ্যন্তরীণ জলসম্পদের স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য জলাশয় সংশ্লিষ্ট সুফলভোগী/জেলেদের সমন্বয়ে সমাজভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
- বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ, প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম স্থাপন একটি অন্যতম কারিগরি কৌশল।
- বিগত পাঁচ বছরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে ৫৩৪টি অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- পাঁচ বছরে স্থাপিত ৫৩৪টি অভয়াশ্রমসহ বর্তমানে দেশব্যাপী প্রায় ৫৫০টি অভয়াশ্রম স্থানীয় সুফলভোগী কর্তৃক সফলতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে।
- এসব অভয়াশ্রম স্থাপনের ফলে বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতি যথা-চিতল, ফলি, বামোস, কালিবাউস, আইড়, টেংরা, মেনি, রানী, সরপুঁটি, মধু পাবদা, রিটা, কাজলী, চাকা, গজার, তারা বাইম ইত্যাদি মাছের প্রাপ্যতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

⇒ হাইল হাওর:
- মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত ‘হাইল হাওর’।
- এই বিশাল জলাধারে রয়েছে ১৪টি বিল এবং পানি নিষ্কাশনের ১৩টি নালা।
- মোট আয়তন ১০ হাজার হেক্টর।
- প্রচুর লতা ও গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ থাকায় স্থানীয়দের কাছে এটি লতাপাতার হাওর নামেও পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৮.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. কুষ্টিয়া
  2. বাগেরহাট
  3. সিলেট
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার: 
- "কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার" বাংলাদেশে সাভার, ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৫৯-৬০ সালে ২৬১৩ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে বর্তমানে এর আয়তন ৭৯২.৮৭ একর।
- ১৯৬৩-৬৪ সালে সিন্ধি, শাহীওয়ালসহ দেশীয় গবাদিপশু নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয় এবং
- ১৯৭৩ সালে সরকারের উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়া থেকে হোলস্টেইন ফ্রিজিয়ান ও জার্সি জাতের গরু আনা হয়। এটি বিশুদ্ধ ফ্রিজিয়ান, শাহীওয়াল, সংকর জাতের গরু পালন ও সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।  

উৎস: কেন্দ্রীয় গো প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ওয়েবসাইট। 

১৯.
জুম চাষকে আর কী নামে ডাকা হয়?
  1. সেচনির্ভর কৃষি
  2. সুইডেন চাষাবাদ
  3. বনায়ন চাষাবাদ
  4. প্রাচীন চাষ পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
সুইডেন চাষাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন চাষাবাদ
ব্যাখ্যা

• জুম চাষ:
- জুমচাষ (Shifting cultivation) পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি।
- জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে ‘সুইডেন চাষাবাদ’ বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত।
- এমন একটা সময় ছিল যখন এখানকার জনগোষ্ঠীদের মধ্যে এই জুম চাষই ছিল জীবিকা অর্জনের একমাত্র উপায়। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এখানকার মানুষ সমতলের মত চাষাবাদ করার পদ্ধতি আয়ত্ব করেছে জুমচাষের অনেক পরে।
- মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতীয়দের জীবন ও সংস্কৃতি বহুলাংশে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল।
- এছাড়া সিলেটের পাহাড়িয়া অঞ্চলেও কিছু কিছু জুমচাষ হয়।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, জুম চাষ হয়।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির প্রধান জীবিকা ছিল কৃষি।
- জুম চাষকে স্থানান্তর কৃষি ব্যবস্থাও বলা হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

২০.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপন্ন হয়  কোন জেলায়? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. রাজশাহী
  2. চুয়াডাঙ্গা
  3. দিনাজপুর
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

- মোট ভুট্টা উৎপাদন- ৪৫,৯২,৫০৭.৬৩ মে. টন।
- মোট ভুট্টা আবাদ হয়েছে- ১২,২৭,২৯৯.৩৭ একর।

- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপন্ন হয় - দিনাজপুর জেলা ((৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন))
- ঠাকুরগাঁও জেলা- ২০২৩-২৪ বছরে মোট  ১,৭২,৪৯৮ একর জমিতে ভুট্টার আবাদ হয়।

উল্লেখ্য,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

২১.
একটি আদর্শ মৃত্তিকায় শতকরা কত ভাগ খনিজ পদার্থ থাকে?
  1. ৫০ ভাগ
  2. ২৫ ভাগ
  3. ৩৫ ভাগ
  4. ৪৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৪৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ ভাগ
ব্যাখ্যা

- মৃত্তিকা ৪টি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত।
- এগুলো হচ্ছে-খনিজ বা অজৈব পদার্থ, জৈব পদার্থ, পানি ও বায়ু। 
- একটি আদর্শ মৃত্তিকায় সাধারণত শতকরা ৪৫ ভাগ খনিজ পদার্থ, ২৫ ভাগ পানি, ২৫ ভাগ বায়ু এবং ৫ ভাগ জৈব পদার্থ থাকে ।
- তবে মৌসুম পরিবর্তনের সাথে সাথে প্রধানত পানি এবং বায়ুর অনুপাতের পরিবর্তন ঘটে। 
- মৃত্তিকা উপাদানের এই অনুপাত মৃত্তিকার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনাকে প্রভাবিত করে থাকে। 

উৎস: মৃত্তিকা ব্যবস্থাপনা, সৈয়দ নজরুল ইসলাম।