পরীক্ষা আর্কাইভ

৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬সময়01 hr 30 mins১৯০ বৈধ · ১০ অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন২০০
সিলেবাস
৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৩৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ · ২০০ প্রশ্ন

.
কোনটি বাগধারা বোঝায়?
  1. চৈত্র সংক্রান্তি
  2. পৌষ সংক্রান্তি
  3. শিরে সংক্রান্তি
  4. শিব-সংক্রান্তি
ব্যাখ্যা
• 'শিরে সংক্রান্তি' বাগ্‌ধারাটির অর্থ- আসন্ন বিপদ বা সামনেই বিপদ।
উদাহরণ: আমার এখন শিরে সংক্রান্তি, কিভাবে সব সামলাব তাই ভাবছি।

অপশনে প্রদত্ত অন্যান্য শব্দের অর্থ:
• চৈত্রসংক্রান্তি - চৈত্র মাসের শেষ দিন-এই দিনে বাঙালি হিন্দুরা শিবের পূজা করে এবং এ উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের উৎসব-অনুষ্ঠান ও মেলা হয়।
• পৌষ সংক্রান্তি - পৌষ মাসের শেষ দিনে পিঠা খাওয়ার বাঙালি উৎসব বিশেষ।
• শিব সংক্রান্তি - হিন্দুদের একটি পূজা বিশেষ। 

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা:
• 'অকাল কুষ্মাণ্ড' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অপদার্থ।
• 'অক্ষরে অক্ষরে' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - সম্পূর্নভাবে।
• 'আঠারো মাসে বছর' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - দীর্ঘসূত্রিতা।
• 'আকাশের চাঁদ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - দুর্লভ বস্তু।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি মৌলিক শব্দ?
  1. মানব
  2. গোলাপ
  3. একাঙ্ক
  4. ধাতব
ব্যাখ্যা
• গঠনগত দিক থেকে শব্দকে ২ শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
যথা:
- মৌলিক শব্দ ও
- সাধিত শব্দ।

• মৌলিক শব্দ:
যে-সব শব্দ বিশ্লেষণ করা বা ভাঙা যায় না, গােটা শব্দটাই নিজে নিজেই সম্পূর্ণ হয়ে আছে বা স্বয়ংসিদ্ধ, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। মৌলিক শব্দ ভা চাইলেও তার ভগ্ন বা বিশ্লিষ্ট অংশের কোনাে অর্থ হয় না; সে কারণে অবিভাজ্য ও অর্থযুক্ত শব্দই মৌলিক শব্দ অর্থাৎ স্পষ্ট অর্থ ও অবিভাজ্যতাই মৌলিক শব্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
যেমন- মা, পা, ঘােড়া, উট, বউ, গােলাপ, নাক, লাল, শাল, তিন, লতা ইত্যাদি।

• সাধিত শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলােকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যােগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন- পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ, সদস্য, নীলাকাশ, ডুবুরি, চলন্ত ইত্যাদি।
শব্দের দ্বিত্ব করেও সাধিত শব্দ হয়ে থাকে। যেমন: ফিসফিস, ধুমাধুম ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
মানব, একাঙ্ক, ধাতব ইত্যাদি সাধিত শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা?
  1. বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
  2. বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
  3. বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
  4. বাংলা সাহিত্যের কথা
ব্যাখ্যা
• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র লেখা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থের নাম: বাংলা সাহিত্যের কথা।

• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্:
- ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ভাষাতত্ত্ববিদ ছিলেন।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বে এম.এ (১৯১২) পাস করেন। দুবছর পর তিনি বি.এল (১৯১৪) ডিগ্রিও অর্জন করেন।
- ১৯২৬ সালে শহীদুল্লাহ্ উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য ইউরোপ যান।
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন বহুভাষাবিদ এবং ভাষাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তিনি স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছেন।
- তিনি ১৮টি ভাষা জানতেন; ফলে বিভিন্ন ভাষায় সংরক্ষিত জ্ঞানভাণ্ডারে তিনি সহজেই প্রবেশ করতে পেরেছিলেন।
- তিনি 'জ্ঞানতাপস' হিসেবে অধিক পরিচিত।
- তাঁকে 'চলিষ্ণু অভিধান' বলা হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জাতিসত্তা সম্পর্কে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র বিখ্যাত উক্তি- ''আমরা হিন্দু বা মুসলমান যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।''

তাঁর ভাষা ও সাহিত্যবিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- বাংলা সাহিত্যের কথা,
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ইত্যাদি।
এছাড়া তিনি বাংলা একাডেমির 'আঞ্চলিক ভাষার অভিধান' সম্পাদনা করেন।

--------------
অন্যদিকে,
সুকুমার সেন রচিত গ্রন্থ- 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস।
মুহম্মদ এনামুল হক ও সৈয়দ আলী আহসান যৌথভাবে রচনা করেন- ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত' (১৯৬৮)।
বাঙালি ও বাঙলা সাহিত্য - আহমদ শরীফ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. শামসুর রাহমান
  4. গাজীউল হক
ব্যাখ্যা
• 'একুশে ফেব্রুয়ারী' ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সম্পাদনা। এটি একটি সাহিত্য সংকলন তবে এর লেখাগুলো ৬টি বিভাগে বিভিন্ন শিরোনামে প্রকাশিত হয়।

• সুতরাং এটিকে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকা সম্পাদনাও বলা যায়।

• 'একুশে ফেব্রুয়ারী' সংকলন:

- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে বাংলা ভাষার জন্য ঢাকায় যে আত্মদান করা হয় তার স্মরণে ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে হাসান হাফিজুর রহমান 'একুশে ফেব্রুয়ারী' নামে একটি সাহিত্য সংকলন সম্পাদনা করেন।
- এর প্রকাশক ছিলেন মোহাম্মদ সুলতান।
- সম্পাদক ও প্রকাশক উভয়েই বামপন্থি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- এই সংকলনে কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প, গান, নক্শা, ইতিহাস শিরোনামে ৬টি বিভাগে মোট ২২ জন লেখক লিখেছেন।
- এই সংকলনেই প্রথম প্রকাশিত হয় আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী রচিত 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো' গানটি।
- প্রকাশের তিন সপ্তাহের মধ্যে পাকিস্তানের তৎকালীন সরকার সংকলনটি বাজেয়াপ্ত করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিচের কোন বানানগুচ্ছের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ?
  1. নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব
  2. অনূর্বর, ঊর্ধবগামী, শুদ্ধ্যশুদ্ধি
  3. ভূরিভূরি, ভুঁড়িওয়ালা, মাতৃশ্বসা
  4. রানি, বিকিরণ, দুরতিক্রম্য
ব্যাখ্যা
• অশুদ্ধ বানানগুচ্ছ: নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধব।
এর শুদ্ধরূপ: নিক্বণ, সূচ্যগ্র, অনূর্ধ্ব।

অন্যদিকে,
• অপশন ‘খ’ এর- অনূর্বর ও ঊর্ধবগামী বানানদ্বয় অশুদ্ধ। এদের শুদ্ধরূপ হলো- অনুর্বর ও ঊর্ধ্বগামী।
• অপশন ‘গ’ এর- মাতৃশ্বসা বানানটি অশুদ্ধ। এর শুদ্ধরূপ হলো- মাতৃষ্বসা।


• সুতরাং বানানগুচ্ছের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ অপশন ‘ক’ এর।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
বাংলাদেশে 'গ্রাম থিয়েটার'-এর প্রবর্তক কে?
  1. মমতাজউদদীন আহমদ
  2. আব্দুল্লাহ আল মামুন
  3. সেলিম আল দীন
  4. রামেন্দু মজুমদার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার এর প্রবর্তক : 'সেলিম আল দীন'।

----------------------
• সেলিম আল দীন:
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
- তিনি ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট সীমান্তবর্তী ফেনী জেলার অন্তর্গত সোনাগাজী উপজেলার সেনেরখিল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- নাট্যকার সেলিম আল দীনের প্রকৃত নাম মইনুদ্দিন আহমেদ ।
- ১৯৬৮ সালে কবি আহসান হাবিব সম্পাদিত ‘দৈনিক পাকিস্তান’ পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীতে আমেরিকার কালো মানুষদের নিয়ে তাঁর প্রথম বাংলা প্রবন্ধ 'নিগ্রো সাহিত্য' প্রকাশিত হয়।
- তাঁর প্রথম রেডিও নাটক 'বিপরীত তমসায়' ১৯৬৯ সালে এবং প্রথম টেলিভিশন নাটক আতিকুল হক চৌধুরীর প্রযোজনায় 'লিব্রিয়াম' (পরিবর্তিত নাম ঘুম নেই) প্রচারিত হয় ১৯৭০ সালে।
- ১৯৮৬ সালে তিনি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে যোগদান এবং উক্ত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৮১-৮২ সালে নাট্যাচার্য সেলিম আল দীন নাট্য নির্দেশক নাসির উদ্দীন ইউসুফকে নিয়ে সারাদেশে গড়ে তোলেন ‘বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার’।
- বাংলাদেশের বিচিত্র শ্রমজীবী, পেশাজীবী, বাঙালি ও বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজজীবন ও তাদের আবহমান কালের সংস্কৃতিকে তিনি তাঁর নাটকে মহাকাব্যিক ব্যাপ্তিদান করেছেন।
- ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
• কাব্যগ্রন্থ:
- কবি ও তিমি।

• উপন্যাস:
- অমৃত উপাখ্যান।

• নাটক:
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- বাসন,
- তিনটি মঞ্চ নাটক: মুনতাসির, শকুন্তলা ও কিত্তনখোলা,
- কেরামতমঙ্গল,
- প্রাচ্য,
- কিত্তনখোলা,
- হাতহদাই,
- যৈবতী কন্যার মন,
- চাকা,
- হরগজ,
- একটি মারমা রূপকথা,
- বনপাংশুল,
- স্বর্ণবোয়াল,
- পুত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
'সমভিব্যাহারে' শব্দটির অর্থ কী?
  1. একাগ্রতায়
  2. সমান ব্যবহারে
  3. সম ভাবনায়
  4. একযোগে
ব্যাখ্যা
• 'সমভিব্যাহারে' (ক্রিয়াবিশেষণ পদ),
- এটি সংস্কৃত ও বাংলা শব্দযোগে গঠিত।
 শব্দটির অর্থ:
 - সঙ্গে,
- সংঘবদ্ধ হয়ে।

অন্যদিকে,
• ‘একযোগে’ শব্দের অর্থ;
- একত্রে,
- একসঙ্গে,
- সম্মিলিতভাবে,
- যুগপৎ।

• সুতরাং সমভিব্যাহারে শব্দটির অর্থ একযোগে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কী রস বলে?
  1. ভাবরস
  2. মধুর রস
  3. প্রেমরস
  4. লীলারস
ব্যাখ্যা
• বৈষ্ণব পদাবলি:
- বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল।
- বাঙালি কবি জয়দেবকে বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বলা হয়।
- রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত ‘গীতগোবিন্দম্‌' কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন। তবে এটি বাংলা ভাষায় নয়, সংস্কৃত ভাষায়।
- পরবর্তীতে বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদ রচনা করেন।
- বাংলা ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদাবলির রচনা করেন চণ্ডীদাস।
- বৈষ্ণব পদাবলিতে কৃষ্ণের প্রধান প্রেমিকা শ্রীরাধাকে নায়িকা বলা হয়। পদাবলিতে নায়িকার ৮ টি অবস্থা।

- এই কাব্যে পাঁচটি রস রয়েছে। যথা:
১. শান্তরস,
২. দাস্যরস,
৩. সখ্যরস,
৪. বাৎসল্যরস ও
৫. মধুররস।

• মধুর রস’কে শৃঙ্গার রসও বলে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও লাল নীল দীপাবলি হুমায়ুন আজাদ।
.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?
  1. Buddhist Mystic Songs
  2. চর্যাগীতিকা
  3. চর্যাগীতিকোষ
  4. হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ সম্পর্কিত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ রচিত গ্রন্থের নাম- Buddhist Mystic Songs.
- তার মতে চর্যাপদ রচিত হয়েছিলো - ৬৫০ - ১২০০ সালের মধ্য।
- এই গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম পাওয়া যায়।
- এছাড়া তিনি এই গ্রন্থে চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব নিয়েও তিনি আলোচনা করেন।

অন্যদিকে,
- 'চর্যাগীতিকা' গ্রন্থের রচয়িতা- মুহম্মদ আবদুল হাই।
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রচিত গ্রন্থ- হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা।

----------------------------
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন গ্রন্থ।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খন্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।

- চর্যাপদ গ্রন্থের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, চর্যাপদের পদ হচ্ছে ৫০টি।
- তবে সুকুমার সেনের মতে, চর্যাপদের পদ হচ্ছে ৫১টি।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদের কবিরা হলেন সরহপা, শবরপা, লুইপা, ডোম্বীপা, ভুসুকুপা, কাহ্নপা, কুক্কুরীপা, মীনপা, আর্যদেব, ঢেণ্ঢনপা প্রমুখ।
- কাহ্নপা সর্বাপেক্ষা বেশি ১৩টি পদ রচনা করেন।
- ভুসুকুপা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮ টি পদ লেখেন।
- চর্যাপদের পদগুলো সন্ধ্যা বা সান্ধ্যাভাষায় রচিত।
- চর্যাপদের ২৩ নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলাপিডিয়া।
১০.
'পূর্ববঙ্গ গীতিকা'র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে?
  1. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
  2. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  3. চন্দ্রকুমার দে
  4. দীনেশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা
• 'পূর্ববঙ্গ গীতিকা'র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক ছিলেন- চন্দ্রকুমার দে।

---------------------
• চন্দ্রকুমার দে:

- চন্দ্রকুমার দে (১৮৮৯-১৯৪৬) লোকসাহিত্য সংগ্রাহক ও লেখক।
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের নেত্রকোনা জেলার রাঘবপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- চন্দ্রকুমার আমৃত্যু পল্লীর এ লোকসম্পদ সংগ্রহে নিয়োজিত থেকে বহু সংখ্যক পালা সংগ্রহ করেন।
- সেগুলির অধিকাংশই দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় মৈমনসিংহ গীতিকা (১৯২৩) ও পূর্ববঙ্গ-গীতিকা (১৯২৬) নামে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয় এবং দেশবিদেশের বহু গুণিজনের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

চন্দ্রকুমারের সংগৃহীত পালাগুলি হচ্ছে -
• মৈমনসিংহ-গীতিকা:
- মহুয়া,
- মলুয়া,
- চন্দ্রাবতী,
- দস্যু কেনারাম,
- কমলা,
- রূপবতী,
- কঙ্ক ও লীলা,
- দেওয়ান মদিনা ও
- ধোপার পাট;

• পূর্ববঙ্গ-গীতিকা:
- ভেলুয়া সুন্দরী,
- মইষাল বন্ধু,
- কমলারাণী,
- দেওয়ান ঈসা খাঁ,
- ফিরোজ খাঁ দেওয়ান,
- আয়না বিবি,
- শ্যামরায়,
- শিলাদেবী,
- আন্ধা বন্ধু,
- বন্ডুলার বারমাসী,
- রতন ঠাকুর,
- পীর বাতাসী,
- জিবালনি,
- সোনারামের জন্ম ও
- ভারাইয়া রাজা।

- এগুলি ছাড়া তাঁর সংগৃহীত আরও কতগুলি পালা হচ্ছে: অধুয়া সুন্দরী, সুরতজামাল, কাজলরেখা, আসমা, সত্যপীরের পাঁচালি, চন্দ্রাবতীর রামায়ণ, লীলার বারমাসী ও গোপিনী কীর্তন।
- পালাগুলির বেশির ভাগ ময়মনসিংহ ও সিলেট থেকে সংগৃহীত হয়েছে। মৌখিক ধারার এসব গান ও সাহিত্য মাঠপর্যায় থেকে সংগ্রহ করে জনসম্মুখে তুলে ধরার মৌলিক কৃতিত্ব চন্দ্রকুমারের। পালা সংগ্রহ ছাড়া চন্দ্রকুমার নিজে বেশ কিছু কবিতা, গল্প ও প্রবন্ধ রচনা করেছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১.
'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'-এর অর্থ কী?
  1. কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয়
  2. কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
  3. কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয়
  4. কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদের মূল নাম হল ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’।
- চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন।
- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন।

• চর্যাচর্য (বিশেষ্য),
অর্থ: আচরণীয় ও অনাচরণীয়; পালনীয় ও বর্জনীয়।

• বিনিশ্চয় বিশেষ্য),
অর্থ: স্থির সিদ্ধান্ত; সম্যক নির্ধারণ; সন্দেহাতীত বা নিশ্চয়াত্মক সিদ্ধান্ত।

• সুতরাং, সে হিসেব চর্যাচর্যবিনিশ্চয় অর্থ হয়- কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি অনাচরণীয় এটি যে গ্রন্থে বা যে সমস্ত গীতিকবিতায় স্থির করা হয়েছে।


উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি এবং বাংলাপিডিয়া।
১২.
'গোরক্ষ বিজয়' কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনি অবলম্বনে লেখা?
  1. শৈবধর্ম
  2. বৌদ্ধ সহজযান
  3. নাথধর্ম
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• ষোল শতকের কবি শেখ ফয়জুল্লাহ ‘গোরক্ষ-বিজয়’ নামে প্রথম একখানি কাব্য রচনা করেন। এতে নাথগুরুর মাহাত্ম্য ও নাথ ধর্মমতের মহত্ত্ব প্রকাশ বিধৃত হয়েছে।

• ‘গোরক্ষবিজয়’ কাব্যগ্রন্থ:
নাথ সাহিত্য ধারার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাহিনি হলো গোরক্ষবিজয়। গোরক্ষবিজয় সংক্রান্ত ১৭টির মতো পুথি অবিভক্ত বাংলা থেকে সংগৃহীত হয়েছে। সংগ্রাহকরা হলেন:
- নলিনীকান্ত ভট্টশালী (১টি পুথি),
- আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ (৮টি পুথি),
- আলি আহমদ (৭টি পুথি) এবং পঞ্চানন মন্ডল (১টি পুথি)।

• এসব পুথির অধিকাংশই খণ্ডিত। পুথি অনুসরণে সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন। নলিনীকান্ত ভট্টশালী সম্পাদিত গ্রন্থের নাম মীনচেতন এবং আবদুল করিম ও পঞ্চানন মণ্ডল সম্পাদিত গ্রন্থের নাম যথাক্রমে গোরক্ষবিজয় ও গোর্খবিজয়।

• গোরক্ষবিজয় কাব্যের রচনাকাল নিয়ে পণ্ডিত মহলে বিতর্ক আছে। শেখ ফয়জুল্লাহ ছাড়া কবীন্দ্র, ভীমসেন ও শ্যামদাসের নাম ভণিতায় পাওয়া যায়। তবে ভণিতায় নামের সংখ্যাধিক্যের হিসেবে ফয়জুল্লাহকেই গোরক্ষবিজয়ের কবি মনে করা হয়, অন্যরা ছিলেন গায়ক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
শাক্ত পদাবলির জন্য বিখ্যাত-
  1. রামনিধি গুপ্ত
  2. দাশরথি রায়
  3. এন্টনি ফিরিঙ্গি
  4. রামপ্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
• রামপ্রসাদ সেন:
- শাক্তসঙ্গীত/শ্যামাসঙ্গীত রচনা করে বিখ্যাত হয়েছিলেন - রামপ্রসাদ সেন।
- তিনি শাক্ত পদাবলীর আদি ও শ্রেষ্ঠ কবি।
- তার রচিত শ্যামাসঙ্গীতের সংখ্যা প্রায় তিনশ।
- পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কুমারহট্ট গ্রামের কবিরাজ বংশে তাঁর জন্ম।
- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় রামপ্রসাদের কবিত্ব ও সঙ্গীতখ্যাতির কথা শুনে তাঁকে নিজের রাজসভায় যোগদানের আহবান জানান এবং ‘কবিরঞ্জন’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- একসময় মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে নবাব সিরাজউদ্দৌলা নদীর পাড়ে রামপ্রসাদের গান শুনে মুগ্ধ হন।
- তিনি ভক্তিভাব এবং রাগ ও বাউল সুরের মিশ্রণে এক ভিন্ন সুরের সৃষ্টি করেন, যা বাংলা সঙ্গীতজগতে ‘রামপ্রসাদী সুর’ নামে পরিচিত।
- তার গানের সুর 'রামপ্রসাদি সুর' নামে পরিচিত।

• তাঁর বিখ্যাত উক্তি,
- 'আমি কি দুঃখেরে ডরাই'।

• বিখ্যাত গান-
"মনরে কৃষি কাজ জান না
এমন মানবজমিন রইল পতিত
আবাদ করলে ফলতো সোনা।"

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪.
'অলৌকিক ইস্টিমার' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. হুমায়ুন আজাদ
  2. হেলাল হাফিজ
  3. আসাদ চৌধুরী
  4. রফিক আজাদ
ব্যাখ্যা
• অলৌকিক ইস্টিমার:
- হুমায়ুন আজাদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ- অলৌকিক ইস্টিমার।
- ১৯৭৩ সালে কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থের কবিতায় যৌনতার অনুষঙ্গ আছে, কিন্তু স্লোগান ও আছে।

--------------------------
• হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার (প্রথম কাব্যগ্রন্থ),
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- যতোই গভীরে যায় মধু, যতোই ওপরে যাই নীল,
- আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে,
- পেরোনোর কিছু নেই ইত্যাদি‌।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল (প্রথম প্রকাশিত)
- সবকিছু ভেঙে পড়ে,
- মানুষ হিসেবে আমার অপরাধসমূহ,
- রাজনীতিবিদগণ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ,
- একটি খুনের স্বপ্ন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
'Custom' শব্দের পরিভাষা কোনটি যথার্থ?
  1. আইন
  2. প্রথা
  3. শুল্ক
  4. রাজস্বনীতি
ব্যাখ্যা
• ‘Custom' শব্দের পারিভাষিক শব্দ - প্রথা, অভ্যাস, সামাজিক রীতিনীতি।

অন্যদিকে,
- ‘Customs’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ - শুল্ক বিভাগ।
- ‘Act’ এর পারিভাষিক শব্দ - আইন।
- ‘Duty’ এর পারিভাষিক শব্দ - শুল্ক।

উৎস: প্রসাশসিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।
১৬.
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় 'কালাপাহাড়'-কে স্মরণ করেছেন কেন?
  1. ব্রাহ্মণ্যযুগে নব মুসলিম ছিলেন বলে
  2. ইসলামের গুণকীর্তন করেছিলেন বলে
  3. প্রাচীন বাংলার বিদ্রোহী ছিলেন বলে
  4. প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে
ব্যাখ্যা
• ‘মানুষ’ কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম 'গজনি মামুদ', 'চেঙ্গিস', 'কালাপাহাড়' এর নাম স্মরণ করেছেন।
- এখানে কবি কালা পাহাড়কে প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে স্মরণ করেছেন।

মানুষ- কবিতা
– কাজী নজরুল ইসলাম

‘আশিটা বছর কেটে গেল, আমি ডাকিনি তোমায় কভু,
আমার ক্ষুধার অন্ন তা’বলে বন্ধ করনি প্রভু!
তব মসজিদ-মন্দিরে প্রভু নাই মানুষের দাবি,
মোল্লা-পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবি!’
কোথা চেঙ্গিস, গজনি-মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়?
ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া-দ্বার!
খোদার ঘরে কে কপাট লাগায়, কে দেয় সেখানে তালা?
সব দ্বার এর খোলা রবে, চালা হাতুড়ি-শাবল চালা!

--------------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

কাজী নজরুলের কাব্যগ্রন্থ -
- অগ্নিবীণা
- সঞ্চিতা
- চিত্তনামা
- মরুভাস্কর
- প্রলয় শিখা
- নির্ঝর
- ভাঙার গান
- সর্বহারা
- ফণি-মনসা
- চক্রবাক
- সাম্যবাদী
- ছায়ানট
- পুবের হাওয়া
- জিঞ্জির
- বিষের বাঁশি
- দোলনচাঁপা
- চন্দ্ৰবিন্দু
- সিন্ধু হিন্দোল
- নতুন চাঁদ ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘মানুষ’ কবিতা।
১৭.
প্রদীপ নিবিয়া গেল!'-এ বিখ্যাত বর্ণনা কোন উপন্যাসের?
  1. বঙ্কিমচন্দ্রের 'বিষবৃক্ষ
  2. রবীন্দ্রনাথের 'চোখের বালি'
  3. বঙ্কিমচন্দ্রের কপালকুণ্ডলা
  4. রবীন্দ্রনাথের ‘যোগাযোগ’
ব্যাখ্যা
♦ ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬) বঙ্কিমচন্দ্রের দ্বিতীয় উপন্যাস।
- এতে নিগূঢ় ভাবসঙ্গতির জন্য 'রোমান্স' বলা যায়। অরণ্যে এক কাপালিক-পালিতা নারী কপালকুণ্ডলাকে কেন্দ্র করে এই উপন্যাসের কাহিনি গড়ে উঠেছে। সামাজিক সংস্কারের সঙ্গে অপরিচিতা এই নারীর নবকুমারের সঙ্গে বিয়ে এবং কপালকুণ্ডলার সমাজবন্ধনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব এই কাহিনির মূল ঘটনা। কুপালকুণ্ডলার মধ্যে যে রহস্য সেই রহস্য উদ্ঘাটনই উপন্যাসের প্রধান বিষয়।
- কাহিনিতে একদিকে আছে সম্রাট জাহাঙ্গিরের সময়কার আগ্রার নগর ও স্থাপত্য এবং অন্যদিকে অরণ্য ও সমুদ্র। প্রকৃতির সৌন্দর্য ও রহস্যময়তা, কপালকুণ্ডলার চরিত্র, কাহিনির ট্র্যাজিক পরিণতি এই তিনটি কারণে উপন্যাসটি বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যতম স্মরণীয় রচনা।
• বঙ্কিমের জীবৎকালেই এই উপন্যাসের আটটি সংস্করণ হয়। অনেকের মতে এটি বঙ্কিমের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- কুপালকুণ্ডলা,
- নবকুমার,
- কাপালিক ইত্যাদি।

এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তিগুলো হলো:
- 'পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ’ কপালকুণ্ডলা নবকুমারকে বলে।
- 'তুমি অধম, তাই বলিয়া আমি উত্তম না হইব কেন?'
- 'প্রদীপ নিবিয়া গেল।'

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাস।
১৮.
মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে।'-কার উক্তি?
  1. মীর মশাররফ হোসেনের
  2. ইসমাইল হোসেন সিরাজীর
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
  4. কাজী নজরুল ইসলামের
ব্যাখ্যা
• মীর মশাররফ হোসেনের 'আমাদের শিক্ষা' প্রবন্ধ থেকে 'মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে।'- উক্তিটি নেওয়া হয়েছে।

-----------------------------
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- পিতা মীর মোয়াজ্জেম হোসেন ছিলেন জমিদার। নিজগৃহে মুনশির নিকট আরবি ও ফারসি শেখার মাধ্যমে মশাররফ হোসেনের লেখাপড়ার হাতেখড়ি হয়।
- মশাররফ আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মোশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

তাঁর সাহিত্যকর্ম:
নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু,

গ্রন্থ:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী।

আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৯.
বর্গের কোন বর্ণসমূহের ধ্বনি মহাপ্রাণধ্বনি?
  1. তৃতীয় বর্ণ
  2. দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
  3. প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ
  4. দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ
ব্যাখ্যা
• মহাপ্রাণ ধ্বনি:
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস জোরে বের হয়ে যায়, বাতাসের চাপ বেশি থাকে তাকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।
- বর্গের ২য় ও ৪র্থ ধ্বনি হচ্ছে মহাপ্রাণ ধ্বনি।
- যথা: (খ, ঘ), (ছ, ঝ), (ঠ, ঢ), (থ, ধ), (ফ, ভ) এবং 'হ' ইত্যাদি।

• বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণধ্বনি,
• দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণধ্বনি,
• পঞ্চম বর্গ নাসিক্যধ্বনি।
• আবার প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ অঘােষ,
• তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণ ঘােষ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২০.
'কদাকার' শব্দটি কোন উপসর্গযোগে গঠিত?
  1. দেশি উপসর্গযোগে
  2. বিদেশি উপসর্গযোগে
  3. সংস্কৃত উপসর্গযোগে
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• ‘কদ’ খাঁটি বাংলা ‍উপসর্গযোগে নিন্দিত অর্থে গঠিত শব্দ: কদবেল, কদাকার এবং কদর্য ইত্যাদি।

[অপশনে খাঁটি বাংলা উপসর্গ কথাটা লেখা না থাকায়, প্রশ্নটি 'কোনটিই নয়' সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হলো।]
-------------------
• উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যে সকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।
২১.
যুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষরও এক মাত্রা গণনা করা হয় কোন ছন্দে?
  1. মাত্রাবৃত্ত
  2. অক্ষরবৃত্ত
  3. মুক্তক
  4. স্বরবৃত্ত
ব্যাখ্যা
• যুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষরও এক মাত্রা গণনা করা হয়- স্বরবৃত্ত ছন্দে।

• স্বরবৃত্ত ছন্দ:

বাংলা ভাষা ও বাঙালির ধ্বনি উচ্চারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ছন্দ হচ্ছে স্বরবৃত্ত ছন্দ। এর কারণ, বাংলা শব্দ স্বভাবগতভাবেই হলন্ত বা ব্যঞ্জনান্ত উচ্চারণ প্রক্রিয়াবিশিষ্ট, যাকে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন ‘হসন্তের ছাঁচ’। এ বৈশিষ্ট্য স্বরবৃত্ত ছন্দে রক্ষিত হয়েছে। চলিত বা প্রাকৃত বাংলার স্বভাব রক্ষা করে এ ছন্দের উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছে। ফলে এ ছন্দকে সাধু বাংলার বাইরে বাউল গানে, লোককথায় ও ছড়ায় খুঁজে পাওয়া যায়।

উচ্চারণে দ্রুততা ও সবলতা স্বরবৃত্ত ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রতি পর্বের প্রথমে প্রবল শ্বাসাঘাত যেমন এ ছন্দের দ্রুততার প্রধান কারণ, তেমনি শ্বাসাঘাতের শক্তিই একে করে তুলেছে সবল ও প্রাণবান। আবার স্বরবৃত্ত ছন্দের প্রধান পর্ব যেহেতু চার মাত্রার এবং তার পরেই থাকে একটি ক্ষুদ্র পর্ব, সেজন্যও এ ছন্দ দ্রুত উচ্চারিত হয়।

স্বরবৃত্ত ছন্দের বহুল প্রচলিত নাম ছড়ার ছন্দ, লৌকিক ছন্দ, লোকছন্দ, মেয়েলি ছন্দ। এটাকে প্রাকৃত বাংলা ছন্দও বলা হয়। প্রাচীন ছড়গুলো স্বরবৃত্তে রচিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একে ছড়া ছন্দ বা লোকছন্দ বলেছেন। এর ভাব লঘু ও চপল।

স্বরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য
- দ্রুত লয়ের ছন্দ।
- এই ছন্দের মূল পর্ব বা পূর্ণ পর্ব চার মাত্রাবিশিষ্ট।
- মুক্তাক্ষর এবং বদ্ধাক্ষর উভয়ই একমাত্র বিশিষ্ট,পর্বগুলো ছোট ৪ মাত্রা বিশিষ্ট।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং বাংলাপিডিয়া।
২২.
নিচের কোনটি অশুদ্ধ?
  1. অহিংস - সহিংস
  2. প্রসন্ন - বিষণ্ণ
  3. দোষী - নির্দোষী
  4. নিষ্পাপ - পাপিনী
ব্যাখ্যা
• 'দোষী-নির্দোষী' এটি অশুদ্ধ।
• শুদ্ধ রূপ হবে: দোষী এর বিপরীত শব্দ - নির্দোষ।

অন্যদিকে,
- প্রসন্ন এর বিপরীত শব্দ - বিষন্ন।
- অহিংস এর বিপরীত শব্দ - সহিংস।
- নিষ্পাপ এর বিপরীত শব্দ - পাপি/পাপিনী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি, আাধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৩.
'কল্লোল' পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম কী?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. দীনেশরঞ্জন দাশ
  3. সজনীকান্ত দাস
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্র
ব্যাখ্যা
• 'কল্লোল' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন- 'দীনেশরঞ্জন দাশ'।

• 'কল্লোল' পত্রিকা:
- ১৯২৩ সালে প্রথম কলকাতা থেকে মাসিক 'কল্লোল' পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- এ পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ।
- 'কল্লোল' পত্রিকায় নিয়মিত লিখতেন অচিন্ত্যকমার সেনগুপ্ত, শৈলজানন্দ মুখােপাধ্যায়, বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।

অন্যদিকে,
- বুদ্ধদেব বসু সম্পাদিত পত্রিকা 'কবিতা' ও 'প্রগতি'।
- সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকা 'বঙ্গশ্রী’ এবং
- প্রেমেন্দ্র মিত্র সম্পাদিত পত্রিকা কালিকলম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর।
২৪.
আমি এ কথা, এ ব্যথা, সুখব্যাকুলতা কাহার চরণতলে দিব নিছনি।'-রবীন্দ্রনাথের এ গানে 'নিছনি' কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অপনোদন অর্থে
  2. পূজা অর্থে
  3. বিলানো অর্থে
  4. ‍উপহার অর্থে
ব্যাখ্যা
• নিছনি (বিশেষ্য পদ),
অর্থ-
-অর্ঘ্য; নিবেদন (যদি না দিই নিছনি সেই প্রিয় সখার পার তলে-ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ)।

এছাড়াও এটি - রূপ; লাবণ্য; উপহার; বেশবিন্যাস ইত্যাদি অর্থেও ব্যবহৃত হয়।

সুতরাং, প্রদত্ত পঙ্‌ক্তিটিতে ‘নিছনি’ শব্দটি পূজা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

অন্যদিকে,
• অপনোদন (বিশেষ্য পদ),
অর্থ: দূরীকরণ; অপসারণ; খণ্ডন।

• বিলানো (ক্রিয়া পদ),
অর্থ: বন্টন করা; দান বা বিতরণ করা।

উৎস: অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৫.
'ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।'- কে বলেছেন?
  1. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. কাজী আব্দুল ওদুদ
ব্যাখ্যা
• 'সংস্কৃতি কথা' প্রবন্ধগ্রন্থ:
- মোতাহের হোসেন চৌধুরীর মৃত্যুর পর সিকান্দার আবু জাফরের সমকাল প্রকাশনী কতৃক মোতাহের হোসেন চৌধুরীর প্রবন্ধগুলো নিয়ে প্রকাশিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'সংস্কৃতি কথা'।
- ত্রিশটি প্রবন্ধ একত্রিত করে 'সংস্কৃতি কথা' শিরোনামে তাঁর প্রথম গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থটির দ্বিতীয় সংস্করণ বের করে বাংলা একাডেমি ১৯৭০ সালে।

'সংস্কৃতির কথা' প্রবন্ধগ্রন্থের বিখ্যাত উক্তি:
- 'মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।',
- 'ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।'

-----------------------------
• মোতাহের হোসেন চৌধুরী:
- শিক্ষাবিদ, লেখক মোতাহের হোসেন চৌধুরীর জন্ম নোয়াখালী জেলার কাঞ্চনপুর গ্রামে।
- মোতাহের হোসেনের প্রবন্ধের গদ্যশৈলীতে প্রমথ চৌধুরীর এবং মননে রবীন্দ্রনাথের প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
- তিনি বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
- ‘সংস্কৃতি কথা’ তাঁর রচিত প্রধান প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- 'সুখ' বার্ট্রান্ড রাসেলের Conquest of Happiness গ্রন্থের এবং 'সভ্যতা' ক্লাইভ বেল-এর Civiliszation গ্রন্থের ভাবানুবাদ গ্রন্থ।
- মুক্তবুদ্ধিচর্চার প্রবক্তা, উদার মানবতাবাদী ও মননশীল প্রবন্ধকার হিসেবে মোতাহের হোসেন চৌধুরীর বিশেষ খ্যাতি আছে।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- আমাদের দৈন্য,
- আদেশপন্থী ও অনুপ্রেরণাপন্থী,
- মুসলমান সাহিত্যিকদের চিন্তাধারা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; 'সংস্কৃতি কথা' প্রবন্ধগ্রন্থ এবং বাংলাপিডিয়া।
২৬.
কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
  2. তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।
  3. তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
  4. সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না।
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।

অশুদ্ধ বাক্যগুলোর শুদ্ধ রূপ হলো:
• অশুদ্ধ: 'আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।’
• শুদ্ধ বাক্য: আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।

• অশুদ্ধ: তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
• শুদ্ধ বাক্য: তােমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ নই।
- বাক্যটি অন্যভাবে বলা যায়: তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি বিরক্ত/ব্যাথিত।

• অশুদ্ধ বাক্য: সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না।
• শুদ্ধ বাক্য : তিনি সেদিন থেকে আর সেখানে যান না।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৭.
Ode কী?
  1. শোককবিতা
  2. পত্রকাব্য
  3. খণ্ড কবিতা
  4. কোরাসগান
ব্যাখ্যা
• ‘Ode’ শব্দের অর্থ:
- কবিতাবিশেষ (গাথাকবিতা);
- সাধারণত অনিয়মিত ছন্দে রচিত ও মহৎ অনুভূতি প্রকাশক এই কবিতা প্রায়ই কোনো বিশেষ ঘটনা বা বস্তুর মহিমাকীর্তন করে।
- কোরাসগান: সমবেত সংগীত; বৃন্দগীতি, (কবিতার) স্তবক।

উৎস: অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি।
২৮.
মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?
  1. বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
  2. আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
  3. ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা
  4. ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের নাম- ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব।

• ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব:
- বাংলা ভাষার ধ্বনির গঠন, উচ্চারণ ও ব্যবহারবিধি সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা-বিশে­ষণ দিয়ে রচিত তাঁর ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব গ্রন্থটি মুহম্মদ আবদুল হাইকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি দান করে।
- ‘ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব’ গ্রন্থটি ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- গ্রন্থটির বর্ণনাভঙ্গি বিজ্ঞানানুগ, এর ভাষাভঙ্গি ও রচনাকৌশল বিবেচনায় এখানে নিরস তত্ত্বকথাও রসপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফলে এ বিষয়ে অনভিজ্ঞ পাঠকও সহজে আকৃষ্ট হয়।
- ভাষাতত্ত্বের মৌলিক বিষয় নিয়ে এরূপ উচ্চমানসম্পন্ন গবেষণাগ্রন্থ দুই বাংলার মধ্যে তিনি প্রথম রচনা করেন।
- ধ্বনিবিজ্ঞানী হিসেবে গ্রন্থটি তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দেয়।

-----------------------------
• মুহম্মদ আবদুল হাই:
- মুহম্মদ আবদুল হাই একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি ২৬ নভেম্বর ১৯১৯ সালে মুর্শিদাবাদের রাণীনগর থানার মরিচা গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তাঁর রচিত গ্রন্থ ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব (১৯৬৪)।

• মুহাম্মদ আবদুল হাই রচিত গ্রন্থ:
- সাহিত্য ও সংস্কৃতি,
- তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব,
- বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৯.
'জলে-স্থলে' কী সমাস?
  1. সমার্থক দ্বন্দ্ব
  2. বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব
  3. অলুক দ্বন্দ্ব
  4. একশেষ দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা
• অলুক দ্বন্দ:
যে দ্বন্দ্ব সমাসে কোনাে সমস্যমান পদের বিভক্তি লােপ হয় না, তাকে অলুক দ্বন্দ্ব বলে।
যেমন:
- দুধে ও ভাতে = দুধে-ভাতে,
- জলে ও স্থলে = জলে-স্থলে,
- দেশে ও বিদেশে = দেশে-বিদেশে,
- হাতে ও কলমে = হাতে-কলমে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩০.
'ঔ' কোন ধরনের স্বরধ্বনি?
  1. যৌগিক স্বরধ্বনি
  2. তালব্য স্বরধ্বনি
  3. মিলিত স্বরধ্বনি
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• ‘ঔ’ একটি যৌগিক স্বরধ্বনি।
- ঔ-এর মধ্যে রয়েছে একটি পূর্ণ স্বরধ্বনি [ও] এবং একটি অর্ধস্বরধ্বনি [উ্]।

----------------------
• মৌলিকতা অনুযায়ী স্বরধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা
১. মৌলিক স্বরধ্বনি,
২. যৌগিক স্বরধ্বনি।

• মৌলিক স্বরধ্বনি:
যে স্বরধ্বনিকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না, তাকে মৌলিক স্বর বলে। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি।
যেমন:
- ই, এ, অ্যা, আ, অ, ও, উ।
বাংলা বর্ণমালায় ‘অ্যা’ ধ্বনিজ্ঞাপক কোনাে বর্ণ নেই।

• যৌগিক স্বরধ্বনি:
পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চারণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনিরুপে উচ্চারিত হয়। এরূপে একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর বলে।
- বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ২৫ টি।
- বাংলা ভাষার দ্বিস্বর বা যৌগিক স্বরধ্বনির প্রতীক ২ টি,যথা: ঔ,ঐ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৩১.
'বিস্ময়াপন্ন' সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
  1. বিস্ময় দ্বারা আপন্ন
  2. বিস্ময়ে আপন্ন
  3. বিস্ময়কে আপন্ন
  4. বিস্ময়ে যে আপন্ন
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস:
পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি (কে, রে) ইত্যাদি লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।
যথা:
- দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত;
- বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন;
- বিস্ময়কে আপন্ন = বিস্ময়াপন্ন,
- পরলোকে গত = পরলোকগত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩২.
কবি কায়কোবাদ রচিত 'মহাশ্মশান' কাব্যের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল-
  1. পলাশীর যুদ্ধ
  2. তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
  3. ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ
  4. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
ব্যাখ্যা
• কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' কাব্যটি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।

• 'মহাশ্মশান' কাব্য:
- কাব্যটি ধারাবাহিকভাবে মহম্মদ রওশন আলী সম্পাদিত' কোহিনূর' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
-পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ অবলম্বনে কাব্যটি রচিত।
- কাব্যের তিনটি খন্ড রচিত।
- মুনীর চৌধুরীর রক্তাক্ত প্রান্তরের কাহিনি-উৎস এই গ্রন্থ।
- মহাশ্মশান কাব্যে মোট তিনটি খণ্ড রয়েছে।
- প্রথম খণ্ড ১৯ সর্গ, দ্বিতীয় খন্ড ২৪ সর্গ এবং তৃতীয় খণ্ড ৭ সর্গে সমাপ্ত।
- উল্লেখ্য, বাংলাপিডিয়ায়, কায়কোবাদ রচিত 'মহাশ্মশান' মহাকাব্যের প্রকাশকাল ১৯০৪ সাল দেয়া।

প্রধান চরিত্র:
- এব্রাহিম কার্দি,
- জোহরা বেগম,
- হিরণ বালা,
- আতা খাঁ,
- লঙ্গ,
- রত্নজি,
- সুজাউদ্দৌলা,
- সেলিনা,
- আহমদ শাহ্ আব্দালী।

-------------------
• কায়কোবাদ:
- কায়কোবাদের প্রকৃত নাম: কাজেম আল কোরেশী।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ: বিরহ-বিলাপ।
- বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম মহাকাব্য রচয়িতা ।
- আধুনিক বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলিম কবি।

তাঁর অন্যান্য কাব্য:
- বিরহ-বিলাপ
- অমিয়ধারা,
- অশ্রুমালা,
- কুসুমকানন,
- শিবমন্দির প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র ও শেখর, বাংলাপিডিয়া।
৩৩.
সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ কোনটি?
  1. রহু চণ্ডালের হাড়
  2. কৈবর্ত খণ্ড
  3. ফুল বউ
  4. অলীক মানুষ
ব্যাখ্যা

• "অলীক মানুষ" উপন্যাস:
- "অলীক মানুষ" সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা উপন্যাস। এটি উনিশ-বিশ শতকের পটভূমিতে একটি মুসলিম পীর পরিবারের জীবন নিয়ে লেখা, যেখানে লৌকিক ও অলৌকিক ঘটনার মিশ্রণ ঘটেছে।
- উপন্যাসটি কোলাজ পদ্ধতিতে লেখা হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন ঘটনার বিবরণ, মিথ ও কিংবদন্তী, এমনকি ব্যক্তিগত ডায়েরি ও সংবাদপত্রের কাটিংও ব্যবহার করা হয়েছে।
- এই উপন্যাসে বাঙালি হিন্দু-মুসলিম জীবনের একটি অনাবিষ্কৃত দিক তুলে ধরা হয়েছে।‘অলীক মানুষ’ বইয়ের প্রাপ্ত পুরস্কার গুলির নাম ও সালঃ
- ভুয়ালকা পুরস্কার - ১৯৯০।
- বঙ্কিম স্মৃতি পুরস্কার - ১৯৯৪।
- সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার - ১৯৯৪।
- সুরমা চৌধুরী মেমোরিয়াল আন্তর্জাতিক সাহিত্য পুরস্কার - ২০০৮।

উৎস: "অলীক মানুষ" উপন্যাস।

৩৪.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'গীতাঞ্জলি' কাব্য প্রকাশিত হয় কত সনে?
  1. ১৯১০
  2. ১৯১১
  3. ১৯১২
  4. ১৯১৩
ব্যাখ্যা
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি:
- 'গীতাঞ্জলি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭টি গানের সংকলন।
- গানগুলি ১৯০৮ ও ১৯০৯ সালে রচিত এবং ১৯১০ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
- এগুলো সহজ ভাষায়, সাবলীল ছন্দে লিখিত।
- 'গীতাঞ্জলি'র গানগুলো মূলত কবিতা।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতাঞ্জলি অবলম্বনে Song Offerings গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯১২ সালের নভেম্বরে, ইংল্যান্ডে।
- 'গীতাঞ্জলি'র সম্পূর্ণ অনুবাদ যদিও Song Offerings নয়, তবুও এই গ্রন্থের আধ্যাত্মবাদ, প্রকৃতি, প্রেমযৌথধারায় ইংরেজি গ্রন্থে প্রবাহমান।
- Song Offerings এর জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কার অর্জন করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩৫.
'আসাদের শার্ট' কবিতার লেখক কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. আব্দুল মান্নান সৈয়দ
  3. অমিয় চক্রবর্তী
  4. শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
• আসাদের শার্ট:
- শহীদ আসাদ স্মরণে কবি শামসুর রাহমান লিখেছিলেন কালজয়ী কবিতা ‘আসাদের শার্ট’।
- ১৯৬৯ সালের ২০জানুয়ারি শামসুর রাহমান রচনা করেন ‘আসাদের শাট’র্ কবিতাটি।
- তাঁর লেখা ‘আসাদের শার্ট’ কবিতাটির পিছনে রয়েছে পুলিশের গুলিতে নিহত আসাদের শার্ট উঁচুতে তুলে ধরে প্রতিবাদী এক বিশাল মিছিলের মুখোমুখি হওয়া কবির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া।

তাতে কবি লিখেছিলেন -
''আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা।’'

-------------------------
• শামসুর রাহমান:
• কবি, সাংবাদিক শামসুর রাহমান ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরান ঢাকার ৪৬ নম্বর মাহুতটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন।
• শামসুর রাহমান বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি হিসেবে খ্যাত।
• ১৯৬০ সালে তাঁর প্রথম কাব্য- "প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে"- এর প্রকাশ কবিতায় তাঁর অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
• তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য, হে স্বাধীনতা’।
• যুদ্ধকালীন লেখা কবিতাগুচ্ছ মুক্তিযুদ্ধ শেষে ‘বন্দী শিবির থেকে’ নামে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
• একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ফসল অজস্র গল্প, উপন্যাস কবিতার মধ্যে ‘বন্দী শিবির থেকে’র কবিতাগুচ্ছ এক অনন্য মর্যাদার অধিকারী।

• শামসুর রাহমান রচিত উপন্যাস:
- অদ্ভুত আঁধার এক,
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

• শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে,
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- বন্দী শিবির থেকে,
- ফিরিয়ে নাও ঘাতক কাঁটা,
- আমি অনাহারী,
- প্রতিদিন ঘরহীন ঘরে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ,
- বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়,
- হরিণের হাড়,
- তুমি নিঃশ্বাস তুমি হৃদস্পন্দন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৬.
Which of the following words is in singular form?
  1. formulae
  2. agenda
  3. oases
  4. radius
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Radius singular form এ আছে।
• Radius (singular)
English meaning: a straight line joining the center of a circle to its edge or the center of a sphere to its surface.
Bangla meaning: ব্যাসার্ধ।
- এর plural form হচ্ছে Radii.

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
ক) Formulae (plural)
- Formula (singular) -  নির্দেশাবলি; নিয়ম; ব্যবস্থা; পদ্ধতি
- আরেকটি Plural হচ্ছে - Formulas.

খ) Agenda (plural)
- Agendum (singular) সভার কার্যতালিকা।
- আরেকটি Plural form: Agendums.

গ) Oases (plural)
- Oasis (singular) - মরূদ্যান।

Source: Bangla Academy Dictionary and Cambridge Dictionary.
৩৭.
Choose the correct sentence:
  1. All of it depend on you
  2. All of it are depending on you
  3. All of it depends on you
  4. All of it are depended on you
ব্যাখ্যা
•  সঠিক উত্তর হবে - All of it depends on you.

• All of it - Singular sense প্রকাশ করে।
- Subject 3rd person singular number হলে Present Indefinite Tense এর ক্ষেত্রে verb এর সাথে s/es হয়।
- এই নিয়মানুযায়ী All of It এরপর verb depend এর সাথে -s যুক্ত হয়েছে।

• যেহেতু - All of it Singular sense প্রকাশ করে, তাই এর সাথে are এর ব্যবহার ভুল।
- তাই All of it are depending on you এবং All of it are depended on you  বাক্যদ্বয় ভুল

• All of it depend on you - বাক্যে depends হলে বাক্যটি সঠিক হতো।
৩৮.
"A rolling stone gathers no moss" The complex form of the sentence is-
  1. Since a stone is rolling, it gathers no moss.
  2. Though a stone rolls, it gathers no moss.
  3. A stone what rolls gathers no moss.
  4. A stone that rolls gathers no moss.
ব্যাখ্যা
• Participle যুক্ত simple sentence-কে complex করতে হলে participle অংশকে subordinate clause-এ রূপান্তর করতে হয় এবং বাকি অংশ main clause হিসেবে অপরিবর্তিত থাকবে ।
- প্রদত্ত বাক্যে 'rolling' হচ্ছে present participle
- এর subordinate clause হল A stone which/that rolls.
- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে -

• Simple: A rolling stone gathers no moss.
• Complex- A stone that rolls gathers no moss.
৩৯.
A chart was appended to the report. Here 'appended' means-
  1. changed
  2. removed
  3. joined
  4. shortened
ব্যাখ্যা
• Append (verb-transitive)
English Meaning: add (something) to the end of a written document.
Bangla Meaning: লেখায় বা ছাপায় সংযুক্ত করা; (কোনো কিছু) পরিশেষে যোগ করা।
Example: The results of the survey are appended to this chapter.

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
ক) changed - পরিবর্তিত বা ভিন্ন অবস্থা; অন্য বস্তুর পরিবর্তে ব্যবহৃত বস্তু; স্থানান্তরে গমন।
খ) removed - সরানো; সরিয়ে নেওয়া।
গ) joined - মিলিত বা সংযুক্ত করা দুটি জিনিস বা প্রান্তকে দড়ি, রেখা, সেতু দ্বারা সংযুক্ত করা
ঘ) shortened - ছোট/সংক্ষিপ্ত হওয়া বা করা; খাটো করা; খর্ব করা।

• শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে - A chart was appended to the report. Here 'appended' means- joined.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
৪০.
The mother sat vigilantly beside the sick baby. Here 'vigilantly' is -
  1. a noun
  2. an adverb
  3. an adjective
  4. none of the three
ব্যাখ্যা
• The mother sat vigilantly beside the sick baby. Here the underlined part is - Adverb.

• এখানে, 'vigilantly' adverb 'sat' verb- কে modify করেছে।
- অর্থাৎ, যে word কোনো verb- কে modify করে, তাকে Adverb বলে।

• Vigilantly (adverb)
English Meaning: in a way that is always careful to notice things.
Bangla Meaning: সতর্কভাবে।
Example Sentence: Our community has acted vigilantly to ensure that all activities are appropriate.

Source: 
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪১.
The new offer of job was alluring. Here 'alluring' means -
  1. unexpected
  2. tempting
  3. disappointing
  4. ordinary
ব্যাখ্যা
• Alluring (adjective)
English Meaning: Powerfully and mysteriously attractive or fascinating; seductive.
Bangla Meaning: মুগ্ধকর বা জাদুকরী।
Example sentence: The town offers alluring shops and restaurants.

• অপশনে উল্লেখিত শব্দ গুলোর অর্থ - 
ক) Unexpected - অপ্রত্যাশিত।
খ) Tempting - উপলব্ধ করা বা মুগ্ধ করা।
গ) Ordinary -সাধারন।
ঘ) Dreary - বিষণ্ণ; নিরানন্দ।

• শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে যে, Alluring এবং Tempting একই অর্থ প্রকাশ করছে। 
- সুতরাং, The new offer of job was alluring. Here 'alluring' means - tempting.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
৪২.
"Who planted this tree here"? The correct passive voice of this sentence is-
  1. By whom the tree was planted here?
  2. Who the tree had been planted hereby?
  3. The tree was planted here by whom?
  4. By whom had the tree been planted here?
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর না থাকায়, উত্তর নেওয়া সম্ভব হয় নি।

• Who যুক্ত Active voice কে passive voice এ পরিণত করার সময় -
- Who এর পরিবর্তে প্রথমে By whom বসে।
- Tense ও person অনুযায়ী Auxiliary বসে।
- Object টির Subject রূপ বসে।
- মূল verb এর past participle বসে।
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে।
যেমন who did this এর passive voice হবে By whom was this done?
- তেমনি ভাবে, Who planted this tree here? এর passive voice হবে By whom was this tree planted here?

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, প্রদত্ত প্রশ্নের অপশনে সঠিক উত্তর নেই।
৪৩.
Fraility the name is women. Here 'Fraility' is:
  1. A noun
  2. An adjective
  3. An adverb
  4. A verb
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত লাইনটি হচ্ছে মূলত William Shakespeare এর বিখ্যাত ট্র্যাজিডি নাটক Hamlet থেকে উদ্ধৃত একটি উক্তি।
- উক্তিটি হবে - “Frailty, thy name is woman.”
- অর্থাৎ, প্রশ্নে বানান ভুল রয়েছে। “Frailty” এর স্থলে "Fraility" এসেছে।

• মূল উক্তি অনুযায়ী এটি “Frailty” ধরে উক্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে - Noun.

• Frailty [noun] [uncountable noun] (plural frailties)
English Meaning: weakness and lack of health or strength.
Bangla Meaning: ভঙ্গুরতা; নশ্বরতা; ক্ষণিকতা, নৈতিক দুর্বলতা; দোষত্রুটি; খুঁত।
Example sentence: Though ill for most of her life, physical frailty never stopped her from working.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৪৪.
Education is enlightening. Here 'enlightening' is:
  1. A gerund
  2. A participle
  3. An infinitive
  4. A finite verb
ব্যাখ্যা
• Education is ‘enlightening, here ‘enlightening is - A participle.

• প্রদত্ত বাক্যে ‘enlightening’ শব্দটি noun ‘Education’ কে modify করছে, অর্থাৎ adjective এর কাজ করছে।
- Verb + ing যখন adjective এর কাজ করে তখন তাকে participle বলে।

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.
৪৫.
Choose the appropriate prepositions in the blank of the following sentence:
The family doesn't feel ______ going outing this season.
  1. in
  2. on
  3. like
  4. of
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - like.
- Complete Sentence: The family doesn't feel like going outing this season.

• কিছু করতে চাওয়া বা ইচ্ছা করা বা আগ্রহী হওয়া বুঝাতে feel like ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
- I don’t feel like going now out of room.
- He didn’t feel like going to work.
- I just don't feel like doing anything tonight.

• আবার, মতো, অনুরূপ অর্থে like ব্যবহৃত হয়।
- যেমন- He looks like his father (সে দেখতে তার বাবার মত),

source: Longman dictionary of contemporary English.
৪৬.
Fill in the blank with appropriate use of tense :
I couldn't mend the computer myself, so I ____ at a shop.
  1. had it mended
  2. had it mend
  3. did it mend
  4. had mended
ব্যাখ্যা
• Causative Verb এর নিয়মানুযায়ী শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - had it mended.
- Complete sentence: I couldn't mend the computer myself, so I had it mended at a shop.

• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।

• Causative verb হিসেবে ‘Have’ এর ব্যবহার -
- Subject + have/has + object +verb এর past participle এই structure টি ব্যবহৃত হয়।
- বস্তুর ক্ষেত্রে - Akhi got her work done by Pakhi.
- উল্লিখিত বাক্যে had এরপর ব্যবহৃত it দ্বারা Computer কে নির্দেশ করছে, অর্থাৎ বস্তুবাচক object তাই verb এর past participle had it mended হয়েছে।

• তবে, ব্যক্তির ক্ষেত্রে bare infinite verb বসে।
- যেমন - The teacher has the students complete the project on time.
৪৭.
Use the appropriate article-
I saw ____ one-eyed man when I was walking on the road.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. no article is needed
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - a.
- Complete Sentence: I saw a one-eyed man when I was walking on the road.

• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- 'O' vowel এর উচ্চারণ যদি (wa) ওয়া এর মত হয় তবে এর পূর্বে article 'a' বসে।
- যেমন: A one(ওয়ান), a one-taka note, a one-eyed deer.

Example Sentence:
1. The storyteller captivated the children with tales of a one-eyed giant who guarded a hidden treasure.
2. Despite being a one-eyed stray, the dog showed immense loyalty to its new owner.
৪৮.
The word 'omnivorous' means:
  1. eating all types of food
  2. eating only fruits
  3. eating only meat
  4. eating grass and plants only
ব্যাখ্যা
• The word meaning of 'omnivorous' is reading all types of books & eating all types of food.

Omnivorous (adjective):
English Meaning:
- Naturally able to eat both plants and meat.
- Enthusiastic and interested in many different areas of a subject.
Bangla Meaning:
- (আনুষ্ঠানিক) সর্বভূক; সব ধরণের খাবার খায় এমন।
- সর্বভূক; (লাক্ষণিক) সব ধরনের বই পড়ে এমন; সর্বপাঠী।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৪৯.
Complete the following sentence choosing the appropriate option:
It's raining cats and dogs, so-
  1. Watch out for falling animals.
  2. Make sure you take an umbrella.
  3. Keep your pets inside.
  4. Keep the windows open.
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - Make sure you take an umbrella.
- Complete sentence:  It's raining cats and dogs, so - Make sure you take an umbrella.
's raining cats and dogs অর্থ মুষল্ধারে বৃষ্টি হচ্ছে।
তাই বাইরে যাওয়ার পূর্বে ছাতা নিতে হবে।

• When someone says "It's raining cats and dogs".
- It means - It's raining heavily. 

• cats and dogs (adverb)
English Meaning: in great quantities: very hard.
• rain cats and dogs দ্বারা - তুমুলবর্ষণ বুঝায়।

Example Sentence:
1. Last night, it was raining cats and dogs, and the streets were flooded within minutes.
2. I forgot my umbrella, and it started to rain cats and dogs just as I left the office.

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৫০.
The phrase 'Achilles' heel' means:
  1. A strong point
  2. A weak point
  3. A permanent solution
  4. A serious idea
ব্যাখ্যা
• The Phrase ‘Achilles heel' means - A weak point.

• Achilles heel:
English Meaning: a weakness or vulnerable point.
Bangla Meaning: দুর্বল বা ঝুঁকিপূর্ণ স্থান

Ex. Sentence: Maths has always been my Achilles heel.
Bangla Meaning: গণিত সর্বদাই আমার বড় দুর্বলতা ছিল।

Source: Live MCQ Lecture.
৫১.
He worked with all sincerity. The underlined phrase is-
  1. A noun phrase
  2. An adjective phrase
  3. An infinitive phrase
  4. An adverbial phrase
ব্যাখ্যা
• He worked with all sincerity. The underlined phrase is - an adverbial phrase.

• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারনত বাক্যকে কখন ( when), কোথায় ( where), কেন( why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটিই Adverbial phrase.
- প্রদত্ত বাক্যে underlined phrase টি বাক্যের verb ‘worked’ কে modify করেছে তাই এটি adverbial phrase.
৫২.
This is the book I lost. Here 'I lost' is-
  1. A noun clause
  2. An adverbial clause
  3. An adjective clause
  4. None of the three
ব্যাখ্যা
• This is the book I lost. Here 'I lost' is - An adjective clause.
- যে subordinate clause কোন Adjective এর মত কাজ করে তাকে Adjective Clause বলে।
- এগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে noun বা noun এর মত পদগুলোকে modify করে।
- এখানে “I lost” phrase টি Noun "the book” কে modify করেছে। তাই এটি adjective clause হবে।

• Adjective Clause 
- Adjective সাধারণত Noun এর আগে বা Linking verb এর পরে বসে। কিন্তু Adjective Clause সর্বদা Noun এর পরে বসে।
- Adjective Clause সাধারণত Relative Pronoun ( who, which, that, whom, whose, of which) ও  Relative Adverb (Why, where, when, how, as) ইত্যাদি দ্বারা শুরু হয়। 
- যেমন:
- He could not explain the reason why they left.
- The boy who is playing cricket is my brother.
৫৩.
Which do you think is the nearest in meaning to 'proviso':
  1. sanction
  2. substitute
  3. stipulation
  4. directive
ব্যাখ্যা
• Proviso (noun)
English Meaning: A condition or qualification attached to an agreement or statement.
Bangla Meaning: বিশেষত চুক্তি, দলিল ইত্যাদিতে কোনো বিধি বা শর্তের পরিধি সীমাবদ্ধ করার জন্য সংযোজিত অনুশর্ত; অনুবিধি।
Example: He let his house with the proviso that his own staff should remain to run it.

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
ক) sanction - কোনোকিছু করার জন্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অধিকার বা অনুমতি; অনুমোদন; মঞ্জুরি।
খ) substitute - বিকল্প; প্রতিকল্প; অনুকল্প; উপকল্প
গ) stipulation - প্রয়োজনীয় শর্ত হিসেবে কোনোকিছু উপস্থাপন করা.
ঘ) directive - সাধারণ বা বিস্তারিত নির্দেশ।

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - stipulation শব্দটি proviso এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
৫৪.
Cassandra is a night owl, so she doesn't usually get up untill about:
  1. 11 a.m
  2. 11 p.m
  3. 7 a.m
  4. 7 p.m
ব্যাখ্যা
• Night owl (noun)
- Night owl হচ্ছে একটি বাগধারা।
- English Meaning: A person who is habitually active or wakeful at night.
- Bangla Meaning: যে রাত জাগে এবং রাতের বেলা সক্রিয় থাকে।
- Example: Dedicated night owls may retire to the late bars.


• যেহেতু Cassandra রাতের বেলা জাগে, তাই স্বাভাবিকভাবে সকালবেলা সে ঘুমায়।
- এ জন্য যুক্তিসঙ্গতভাবে তার জাগার সময় হবে 11 ‍a.m.

Source: Oxford  Learner's Dictionary.
৫৫.
Select the word that is the most closely opposite in meaning to the capitalized word : DELETERIOUS
  1. toxic
  2. spurious
  3. harmless
  4. lethal
ব্যাখ্যা
• Deleterious (adjective):
English Meaning: Causing harm or damage.
Bangla Meaning: (শরীর বা মনের পক্ষে) ক্ষতিকর; ক্ষতিকারক; অপকারক।

Synonyms:
- Harmful, damaging, detrimental, injurious, inimical, hurtful, bad, adverse, disadvantageous, unfavourable, unfortunate, undesirable
Antonyms:
- Beneficial, advantageous, harmless, etc.

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
ক) toxic - বিষাক্ত; বিষসংক্রান্ত।
খ) spurious - মেকি; মিথ্যা; জাল; ভেজাল।
গ) harmless - ক্ষতি করে না এমন।
ঘ) lethal - প্রাণঘাতী; মারাত্মক।

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - harmless শব্দটি Deleterious এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy, Oxford and Cambridge Dictionary
৫৬.
"Gerontion" is a poem by-
  1. T.S. Eliot
  2. W.B.Yeats
  3. Mathew Arnold
  4. Robert Browning
ব্যাখ্যা
• T. S. Eliot wrote the poem 'Gerontion'.
- যুদ্ধের পাশাপাশি এর মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে ধর্ম এবং রাজনৈতিক অভ্যুত্থান  
- The poem deals with war as a major theme as well as religion and political upheaval.
- কবিতাটি 1919 সালে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনাবলী এবং এসকল বিষয়ে কবির নিজস্ব বিশ্ব, যুদ্ধ, ধর্ম এবং রাজনীতির একটি জটিল দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছে।
- It an eight-stanza poem that’s divided into uneven sets of lines.

• T.S Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়।
- তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Best works:
- The Waste Land (1922),
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- Ash Wednesday etc.

• His well known plays:
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Trail of a Judge etc.

Source: Britannica and An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman and poemanalysis.com
৫৭.
Fill in the blank. '____' is Shakespeare's last play.
  1. As You Like It
  2. Macbeth
  3. Tempest
  4. Othello
ব্যাখ্যা
• The Tempest: 
- William Shakespeare এর last work বা Swan Song, 'The Tempest'
- এর  কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম হচ্ছে Prospero, who is a magician.
- এটি 5 act এ বিভক্ত একটি Romantic comedy, যা ১৬২৩ সালে First Foilo এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Tempest শব্দটির অর্থ হচ্ছে Violent Storm.

• এই কমেডিতে Duke Prospero এবং তাঁর কন্যা Miranda এর কথা বলা হয়েছে, যারা কিনা ডিউকের ছোট ভাইয়ের দ্বারা ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে এক দূরদ্বীপে নির্বাসিত হয়।
- এই নাটকে Propero কে supernatural powers এর অধিকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে যার আয়ত্ত্বে থাকে Ariel এবং Caliban নামক দুইটি supernatural creature.
- নাটকের শুরুতেই দেখা যায় Prospero তার জাদু শক্তির ব্যবহার করে সমুদ্রে এক ভয়াবহ ঝড়ের সৃষ্টি করেছেন, যার ফলে নাটকের অন্য চরিত্র গুলো তার নির্বাসিত স্বীপে এসে পৌঁছেছে।
- Prospero, using his knowledge of magic and sorcery, conjures a storm (the tempest) to shipwreck his brother Antonio, who had usurped his position and cast him out.
-  Ariel হচ্ছে এমন একটি সুপার ন্যাচরাল ক্যারেক্টার যে জাদু ব্যবহার করে প্রসপেরোকে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সাহায্য করে।Ariel  is “an airy spirit, and stands for good.
- Caliban, a feral, sullen, misshapen creature, যে হচ্ছে অত্যধিক ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং বিদ্রোহী।
- Caliban represents the black magic of his mother and initially appears bad, especially when judged by conventional civilized standards.
- Caliban, তাকে ক্রীতদাস বানিয়ে রাখার কারণে Prospero কে জন্য ঘৃণা করে এবং সে তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা তৈরি করে।

• Main Characters: 
- Prospero (Duke)
- Miranda(Heroine)
- Ariel (Supernatural creature - good character)
- Caliban (Supernatural creature - bad in character)
- Antony (Villain/ brother of Duke)
- Ferdinand (Hero)
- Gonzalo ইত্যাদি।

• Some quotations from The Tempest: 
- “Hell is empty and all the devils are here.”
- “We are such stuff as dreams are made on, and our little life is rounded with a sleep.”
- “This thing of darkness, I Acknowledge mine.”
- “Thought is free.”
- “O, brave new world, that has such people in't!”
- “Awake, dear heart, awake. Thou hast slept well. Awake.”
- “Misery acquaints a man with strange bedfellows.”

Source: Britannica.com, Sparksnotes, and Cliffsnotes.
৫৮.
Who has written the poem "Elegy Written in a Country Churchyard"?
  1. Thomas Gray
  2. P.B.Shelley
  3. Robert Frost
  4. Y.B.Yeats
ব্যাখ্যা
• An Elegy Written in a Country Churchyard (1751): 
- Thomas Gray রচিত একটি Elegy বা শোকগাঁথা এটি। 
- A meditative poem written in iambic pentameter quatrains published in 1751. 
- ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম  সেরা রত্নভান্ডার বলা যেতে পাারে এই সাহিত্যটিকে।
- A meditation on unused human potential, the conditions of country life, and mortality, An Elegy Written in a Country Church Yard is one of the best-known elegies in the language.
- এখানে মূলত: কবরস্থানে বসে একজন বর্ণনাকারী অত্যন্ত করুন এবং স্পষ্ট ভাষায় তার চারপাশের বর্ণনা দিয়ে যাচ্ছে । 

• Thomas Gray: (1716-71): 
- He is called the Graveyard Poet. 
- he belongs to the Age of Sensibility of English Literature.

• Famous works:
- Elegy Written in a Country Churchyard (1751),
- Alexander's Feast,
- Ode to Adversity,
- The Bard
- Ode on a Distant Prospect of Eton College

• His famous quotations: 
- 'When Ignorance is bliss, it is folly to be wise.'
- 'Full many a flower is born to blush unseen,
And waste its sweetness on the desert air.'
- 'The paths of glory lead but to grave.'

Source: Britannica.com &  ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস: ড. শীতল ঘোষ।
৫৯.
Who has written the play 'Volpone'?
  1. John Webster
  2. Ben Jonson
  3. Christopher Marlowe
  4. William Shakespeare
ব্যাখ্যা
• ‘Volpone’ হলো Ben Jonson রচিত একটি বিখ্যাত কমেডি নাটক।
- এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম Beast Fable হিসেবেও পরিচিত। 
- Beast fable, মূলত একটি prose/verse fable or short story যাতে সচরাচর একটি moral থাকে।
- এগুলোতে animals characters গুলোকে মানুষ এর মত উপস্থাপন করা হয় এবং মানুষের এর সকল অনুভূতি এবং উদ্দেশ্যে গুলকেও উপস্থাপন করা হয়।
- Ben Jonson এর Volpone তে বিভিন্ন প্রানীকে মনুষ্য চরিত্র হিসেবে দেখান হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় চরিত্র Volpone মূলত একটি fox বা খেঁকশিয়াল।

• Volpone নাটকের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলো:
- Volpone,
- Mosca,
- Celia,
- Bonario,
- Corvino,
- Voltore,
- Corbaccio.

• Ben Jonson
- By name of Benjamin Jonson (1572 -1637), English Stuart dramatist, lyric poet, and literary critic.
- He is generally regarded as the second most important English dramatist, after William Shakespeare, during the reign of James I.
- Ben Jonson কে ইংরেজি কমেডি নাটকের জনকও বলা হয়।

• Best plays:
- Every Man in His Humour (1598),
- Volpone (1605),
- Epicoene; or, The Silent Woman (1609),
- The Alchemist (1610), and
- Bartholomew Fair (1614).

Source: Britannica
৬০.
Shakespeare composed much of his plays in what sort of verse?
  1. Alliterative verse
  2. Sonnet form
  3. lambic pentameter
  4. Daetylic Haxameter
ব্যাখ্যা
• Shakespeare composed much of his plays in Iambic pentameter.

• Iambic Pentameter:
- A rhythmic Pattern. Pentameter means a group or unit of five people or five things. 

• William Shakespeare:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন Stratford, Warwickshire, England.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 
- William Shakespeare composed much of his plays in the form of poetry. Often in a meter called iambic Pentameter. 

Source: Encyclopedia Britannica and Live MCQ Lecture.
৬১.
The repetition of beginning consonant sound is know as-
  1. personification
  2. onomatopoeia
  3. alliteration
  4. rhyme
ব্যাখ্যা
• Alliteration: (অনুপ্রাস)
- The Repetition of a consonant at the beginning of two or more words or stressed syllables is called Alliteration.
- যখন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত বা পাশাপাশি স্থাপিত শব্দের শুরুতে একই বর্ণ বা একই ধরনের উচ্চারণ থাকে তাকে অনুপ্রাস (Alliteration) বলে।

• Examples of Alliteration -
1.
'The fair breeze blew, the white foam flew,
The furrow followed free.'
- এখানে 'f' এবং 'b' দ্বারা শুরু হওয়া শব্দ পাশাপাশি বসেছে অর্থাৎ consonant sound এর repetition ঘটেছে।
2.
'Puffs, powders, patches, Bibles, billet-doux' is an example of Alleteration.
Here 'p' has been repeated thrice and 'b' twice.

• অন্যদিকে, 
• Personification: (ব্যক্তিরূপ দান)
- A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life.
- Giving human qualities to non-human entities or abstract concepts
- অর্থাৎ নির্জীব বা জড় বস্তুকে ব্যক্তিরূপে প্রয়োগ করার কৌশল।
- Personification এর মাধ্যমে কোন জড় বস্তুকে কাল্পনিক জীবন দান করে সেগুলোকে উপমা হিসাবে লেখায় ব্যবহার করা হয়।

• উদাহরণ - 
''There lies the port: the vessel puffs her sail:
(Tennyson: ''Ulysses'')
- এখানে vessel কে জীবন্ত সত্ত্বার সাথে তুলনা করা হয়েছে। 

• Rhyme, the correspondence of two or more words with similar-sounding final syllables placed so as to echo one another.
- Rhyme is used by poets and occasionally by prose writers to produce sounds appealing to the reader’s senses and to unify and establish a poem’s stanzaic form. 

• Onomatopoeia: 
- The act of creating or using words that include sounds that are similar to the noises the words refer to.
- আমরা বাংলায় বলি অনুকার অব্যয়। বৃষ্টির ঝমঝম শব্দ, ঘড়ির টিকটিক শব্দ, হাওয়ার শনশন শব্দ ইত্যাদি অনুকার অব্যয়ের উদাহরণ।
- এই ধরণের শব্দ ধ্বণির অণুকরণে গঠিত হয়।
- যেমন: ঘড়ির কাঁটা টিকটক শব্দ করে বলে ইংরেজিতে এটিকে ঘড়ির শব্দের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- তাই, এটি Onomatopoeia-এর উদাহরণ।

Source: An ABC of English Literature, Britannica, Dr M Mofizar Rahman and A Glossary of Literary Terms by M. H. Abrams.
৬২.
Which of the following is not a poetic tradition?
  1. The Epic
  2. The Comic
  3. The Occult
  4. The Tragic
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) The Epic - মহাকাব্য। 
খ) The Comic - হাস্যরসাত্মক 
গ) The Occult - অতিপ্রাকৃত; ঐন্দ্রজালিক,  গুপ্ত; গূঢ়; কেবল বিশেষ জ্ঞানপ্রাপ্তদের অধিকার আছে এমন।
ঘ) The Tragic - করুণরসাত্মক; বিয়োগান্ত।

• Occultism, various theories and practices involving a belief in and knowledge or use of supernatural forces or beings.
- Such beliefs and practices—principally magical or divinatory—have occurred in all human societies throughout recorded history, with considerable variations both in their nature and in the attitude of societies toward them.
- So, "The Occult" is not a poetic tradition.
- অর্থাৎ, The Occult কোন poetic tradition এ পরে না।

• On the other hand,
- The Epic, The Comic, and The Tragic are poetic traditions.

Source: Britannica
৬৩.
What is a funny poem of five lines called?
  1. Quartet
  2. Limerick
  3. Sixtet
  4. Haiku
ব্যাখ্যা
Limerick:
- পাঁচ লাইনের মজার ছড়া/ Funny poem consists of five lines. 
- It is a popular form of short, humorous verse that is often nonsensical and frequently ribald
- It consists of five lines, rhyming aabba. 
- ইংরেজি সাহিত্যে limericks এর প্রথম সংকলন হয় ১৮২০ সালে।  

• Example of Limerick:
"A wonderful bird is the pelican,
His bill holds more than his belican.
He can take in his beak,
Enough food for a week,
But I'm damned if I see how the helican."
---By poet Ogden Nash:

• অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 
• Haiku
- The haiku is a Japanese poetic form that consists of three lines, with five syllables in the first line, seven in the second, and five in the third.
• Quartet
- চারজন গায়কের দ্বারা গীত গান।
• Sixtet
- শব্দটি ভুল, তবে sextet, sextette বলে শব্দ রয়েছে যার অর্থ -ছয়টি কণ্ঠ; যন্ত্র বা বাদকের সমন্বয়ে ছয়টি কণ্ঠ বা যন্ত্রের জন্য রচিত সংগীত; ষড়ঙ্গক।

Source: Bangla Academy Dictionary and Britannica.
৬৪.
Who wrote "Biographia Literaria"?
  1. Lord Byron
  2. P.B. Shelley
  3. S.T. Coleridge
  4. Charles Lamb
ব্যাখ্যা
• Biographia Literaria, in full Biographia Literaria; or Biographical Sketches of My Literary Life and Opinions, হচ্ছে Romantic Period এর বিখ্যাত কবি  Samuel Taylor Coleridge এর অন্যতম সৃষ্টি।
- This is known as a critical autobiography.
- ১৮১৭ সালে এটি প্রকাশিত হয়।

• Biographia Literaria ছিল ইংরেজি রোমান্টিক যুগের সাহিত্য সমালোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ যা দর্শন ও সাহিত্য সমালোচনাকে এক নতুন উপায়ে একত্রিত করে literary criticism এর এক নতুন ধারার জন্ম দিয়েছিল। 
- সাহিত্য জগতে এর প্রভাব বেশ দীর্ঘস্থায়ী।
- Biographia Literaria is the most significant work of general literary criticism produced in the English Romantic period.

• S.T. Coleridge is an English lyrical poet, critic, and philosopher.
- His Lyrical Ballads, written with William Wordsworth, heralded the English Romantic movement.

• Other Notable works of S.T Coleridge:
- The Rime of the Ancient Mariner,
- Christabel,
- Kubla Khan,
- Frost at Midnight,
- Dejection: An Ode,
- On the Constitution of the Church and State.

Source: Britannica.com
৬৫.
Robert Browning was a _____ poet. Fill in the gap with appropriate word.
  1. Romantic
  2. Victorian
  3. Modern
  4. Elizathan
ব্যাখ্যা
• Robert Browning (1812-89):
- তাঁকে - Victorian age এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে তাকে গণ্য করা হয়। 
- তিনি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তার dramatic monologues বা স্বগতোক্তিমূলক কবিতার জন্য।
- So, he is often called the father of dramatic monologue. 
- এছাড়া মানব চরিত্রের বিভিন্ন মনস্তাত্বিক দিকও তিনি তার কবিতায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করতেন। তার কবিতায় ঈশ্বরের প্রতি অনুরাগ উপস্থাপিত হয়েছে। 
- His wife Elizabeth Barrett was also a poet of that time. 

• Notable Works:
• Poems:
- The Ring and the Book,
- Fra Lippo Lippi,
- My Last Duchess,
- The Patriot,
- A Grammarian’s Funeral,
- Andera del Sarto,
- Men and Women,
- Dramatic Lyrics,
- Paracelsus,
- Rabbi Ben Ezra,
- Dramatis Personae, etc.

• Plays: 
- Browning's first play, Strafford (1837), closed after only five performances.

Source: Britannica.com and Encyclopedia.com
৬৬.
Othello gave Desdemona ___ as a token of love:
  1. Ring
  2. Handkerchief
  3. Pendant
  4. Bangles
ব্যাখ্যা
• Othello gave Desdemona a Handkerchief as a token of love.

Othello, in full Othello, the Moor of Venice, tragedy in five acts by William Shakespeare.
- এই tragedy এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Othello এবং Othello's wife Desdemona is the heroine and she was Othello's wife and Brabantio's daughter.
- নাটকটির মূল বিষয়বস্তু: love and betrayal, intrigue and Jealousy.
- Iago রয়েছে Villan চরিত্রে।
- Iago চরিত্রটি সাহিত্য জগতে Machiavellian villain হিসেবে পরিচিত অর্থাৎ, ব্যাক্তিস্বার্থ উদ্ধারের জন্য ষড়যন্ত্রের অনুসরণ করেন যে ব্যক্তি।
- নাটকে দেখা যায়, Igao দ্বারা বিভিন্ন ভাবে প্রভাবিত হয়ে, Othello তাঁর স্ত্রী Desdemona কে হত্যা করে।

• Iago cunningly convinces Othello that Desdemona has been unfaithful to him with Cassio, Othello's lieutenant.
- Consumed by jealousy and driven to madness, Othello succumbs to Iago's machinations and ultimately kills Desdemona. Realizing his grave error, Othello takes his own life, and Iago's treachery is exposed.

• 'Othello' এর নামানুসারে এবং তার সঙ্গীর প্রতি অতিরিক্ত সন্দেহপরায়ণতার ভিত্তিতে একটি মানসিক ব্যাধির নামকরণ করা হয়েছে।
- চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই মানসিক ব্যাধিকে বলা হয় ‘Othello Syndrome’.

• The important characters of Othello are -
- Othello,
- Desdemona,
- Brabantio,
- lago,
- Cassio,
- Emilia etc.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৬৭.
P.B. Shelley's 'Adonais' is an elegy on the death of-
  1. John Milton
  2. S.T. Coleridge
  3. John Keats
  4. Lord Byron
ব্যাখ্যা
• P.B. Shelley's 'Adonais' is an elegy on the death of - John Keats.

• Adonais:
- এটি P. B. Shelley রচিত একটি কবিতা।
- এই কবিতাটি হলো একটি pastoral elegy.
- এই ধরনের কবিতাগুলোর মূল বৈশিষ্ট্য হলো মৃত্যু এবং গ্রামীণ পরিবেশের বর্ণনা।
- Shelley তার বন্ধু John Keats এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এই কবিতাটি লিখেছিলেন।
- গ্রীক পূরাণ কাহিনী অনুযায়ী Adonais একজন তরুণ বীরের নাম।
- এই কবিতাকে John Milton এর Lycidas কবিতার সাথে তুলনা দেয়া হয়।
- কবিতায় দেখা যায়, John Keats এর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছে প্রকৃতি, দেবতাদের আহবান করা হচ্ছে যেন তারাও শোক প্রকাশ করে।

• P.B. Shelley:
- English Romantic poet whose passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.
- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- তিনি রোমান্টিক যুগের অন্যতম একজন কবি।
- তার স্ত্রীর নাম Mary Shelley. 

• Some notable works:
- Adonais (poem),
- Mont Blanc (poem),
- Ode to the West Wind (poem),
- Ozymandias (poem),
- Peter Bell the Third (book),
- Prometheus Unbound (play),
- Queen Mab (poem),
- Rosalind and Helen (poem),
- The Cenci (play),
- The Cloud (poem),
- The Masque of Anarchy (poem). 

Source: Encyclopedia Britannica.
৬৮.
The comparison of unlike things using the words like on as is known to be-
  1. metaphor
  2. simile
  3. alliteration
  4. personification
ব্যাখ্যা
The comparison of unlike things using the words like on as is known to be a simile.

• Simile:
• An explicit comparison between two different things is called - Simile 
- Usually as and like are used in it. In simile the resemblance is explicitly indicated by the words.
- দুটি ভিন্নধর্মী জিনিসের মধ্যে As  ও Like দ্বারা তুলনা বোঝালে তাকে Simile বলে।
- উপমেয়ের সাথে উপমানের সাদৃশ্য কল্পনা করা।
Ex: 'The bride hath paced into the hall, Red as a rose is she'.
Love is like a battlefield.

• Metaphor:
• Metaphor is an implicit comparison between two different things.
- যখন কোনো বাক্যে দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা করা হয় তাকে বলা হয় Metaphor.
- সাধারণত Metaphor দ্বারা এমন দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা দেওয়া হয় যারা একই রকম বা সদৃশ নয় কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু সাধারণ মিল থাকে।
- উদাহরণ - 
- Life is but a walking shadow.
- "She's all states, and all princes, I"

• Explanation: 'I am a phoenix, rising from the ash' - উল্লেখ্য উক্তিটি কবি Sylvia Plath এর "Lady Lazarus" হতে উধৃত করা হয়েছে।
- এখানে কবি নিজেকে পাখির সাথে তুলনা করেছেন যার জন্ম হয়েছে ছাই থেকে।

• Difference Between Metaphor and Simile
- It can be difficult in some instances to distinguish between metaphor and simile as literary devices.
- উভয় figures of speech দ্বারাই দুটি ভিন্ন বা বিজাতীয় জিনিসের মাঝে পরোক্ষভাবে বা রূপকার্থে তুলনা নির্দেশ করে।
- বলা যেতে পারে,  simile is a subset of metaphor.
- দুটির মধ্যে পার্থক্য নিরূপনের একটি সহজ উপায় হচ্ছে - Simile তে তুলনার ক্ষেত্রে As  ও Like দ্বারা তুলনাটি বুঝানো হয়, কিন্তু Metaphor এর ক্ষেত্রে As or Like হয় উল্লেখ না করে সরাসরিই তুলনা নির্দেশ করা হয়।
- যেমন:
Simile: I wandered lonely as a cloud.
Metaphor: Revenge is a wild justice.

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে  -
• Alliteration: (অনুপ্রাস)
- The Repetition of a consonant at the beginning of two or more words or stressed syllables is called Alliteration.
- যখন পরস্পর সম্পর্কযুক্ত বা পাশাপাশি স্থাপিত শব্দের শুরুতে একই বর্ণ বা একই ধরনের উচ্চারণ থাকে তাকে অনুপ্রাস (Alliteration) বলে।

• Examples of Alliteration -
1.
'The fair breeze blew, the white foam flew,
The furrow followed free.'
- এখানে 'f' এবং 'b' দ্বারা শুরু হওয়া শব্দ পাশাপাশি বসেছে অর্থাৎ consonant sound এর repetition ঘটেছে।
2.
'Puffs, powders, patches, Bibles, billet-doux' is an example of Alleteration.
Here 'p' has been repeated thrice and 'b' twice.

• Personification: (ব্যক্তিরূপ দান)
- A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life.
- Giving human qualities to non-human entities or abstract concepts
- অর্থাৎ নির্জীব বা জড় বস্তুকে ব্যক্তিরূপে প্রয়োগ করার কৌশল।
- Personification এর মাধ্যমে কোন জড় বস্তুকে কাল্পনিক জীবন দান করে সেগুলোকে উপমা হিসাবে লেখায় ব্যবহার করা হয়।

• উদাহরণ - 
''There lies the port: the vessel puffs her sail:
(Tennyson: ''Ulysses'')
- এখানে vessel কে জীবন্ত সত্ত্বার সাথে তুলনা করা হয়েছে। 

Source: An ABC of English Literature, Britannica, Dr M Mofizar Rahman and A Glossary of Literary Terms by M. H. Abrams.
৬৯.
'Restoration period' in English literature refers to -
  1. 1560
  2. 1660
  3. 1760
  4. 1866
ব্যাখ্যা
• 'Restoration period' in English literature refers to - 1660.
- ১৬৬০ সালে এই যুগের শুরু এবং ১৭০০ সালে এর সমাপ্তি ঘটে।
- The Restoration Period মূলত The Neo- classical Period এর অন্তর্গত একটি ছোট যুগ।
- This period is called the Restoration Period because in this period, with the Restoration Monarchy, the English literary tradition was resorted. 
- John Dryden হচ্ছেন The Restoration Period  এর বিখ্যাত English poet, dramatist and literary critic, যিনি তাঁর সময়ের সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে এতটাই আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন যে এই যুগটিকে the Age of Dryden হিসেবেও ধরা হয়।

• Important Authors from the Restoration period are: 
- Samuel Butler,
- John Bunyan,
- John Dryden,
- William Wycherley,
- William Congreve,
- George Farquhar, etc.

• The Neoclassical Period তিনটি ছোট যুগ বা period নিয়ে গঠিত-
- The Restoration Period (1660-1700)
- The Augustan Age (1702-1745)
- The Age of Sensibility (1745-1785)

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
৭০.
'The Sun Also Rises' is a novel written by-
  1. Charles Dickens
  2. Herman Melville
  3. Earnest Hemingway
  4. Thomas Hardy
ব্যাখ্যা
• 'The Sun Also Rises' is a novel written by- Ernest Hemingway.

• The Sun Also Rises: 
- লেখক রচিত প্রথম সার্থক বা গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস। 
- প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২৬ সালে। উপন্যাসটির অপর নাম Fiesta. এই নামে এটি লন্ডনে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর পরবর্তী সময়ে ‘’Lost Generation’’ বা সেসময়ের তরুণ প্রজন্মের কাছে যুদ্ধের প্রভাব কেমন ছিল তা আঁচ করা যায় এই উপন্যাসটি থেকে। 
- কাহিনী স্পেন এবং প্যারিসের বিভিন্ন স্থানকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। 
প্রধান চরিত্রসমূহ: Lady Brett Ashley, Jake Barnes, Mike Campbell, Robert Cohn, Pedro Romero. 

• এই novel এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Jake Barnes,
- Lady Brett Ashley,
- Robert Cohn,
- Bill Gorton,
- Mike Campbell,
- Pedro Romero,
- Montoya,
- Frances Clyne, etc.

• Ernest Hemingway:
- তিনি জন্ম গ্রহন করেন ১৮৯৯ সালে আমেরিকার ইলিনয়তে। 
- তিনি মূলত: একজন ঔপন্যাসিক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। 
- তাঁর সংক্ষিপ্ত এবং সুস্পষ্ট গদ্যশৈলী ২0 শতকে American and British কথাসাহিত্যে একটি শক্তিশালী প্রভাব ফেলেছিল।
- The Sun Also Rises তার প্রথম novel যা Novelist হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে তাকে প্রতিষ্ঠিত হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

• তাঁর বিখ্যাত novel সমূহ -
- The Sun Also Rises,
- The Old Man and The Sea,
- A Farewell to Arms,
- Green Hills of Africa ইত্যাদি।

• উল্লেখ্য যে, The Sun is Rising শিরোনামে John Donne এর একটি কবিতা রয়েছে।

Source: Encyclopedia Britannica and An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
৭১.
পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন-
  1. লর্ড রিপন
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড মিন্টো
  4. লর্ড হার্ডিঞ্জ
ব্যাখ্যা
• পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন- 'লর্ড কার্জন'। 
----------------- 
• বঙ্গভঙ্গ:
- লর্ড কার্জন ছিলেন ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয়।
- হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল বাঙালি লর্ড কার্জনের বঙ্গভঙ্গ পরিকল্পনার বিরোধিতা করে। 
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করে দুটি প্রদেশ করা হয়।
- পূর্ব বঙ্গের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের সাথে জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা, মালদাহ ও আসামকে যুক্ত করে পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়।
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন।
- নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয় ঢাকা।
- অন্য দিকে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে আরেকটি প্রদেশ হয় ।
- এর নামকরণ করা হয় বাংলা প্রদেশ।
- বাংলা প্রদেশের রাজধানী করা হয় কলকাতা ।

অন্যদিকে -
- লর্ড রিপনকে ভারতীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক বলা হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন ।
- লর্ড মিন্টো ভারতবর্ষে মুসলমানদের পৃথক নির্বাচনের অধিকার দেন মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইনের মাধ্যমে ১৯০৯ সালে।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭২.
১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল-
  1. ধানের শীষ
  2. নৌকা
  3. লাঙল
  4. বাইসাইকেল
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট আসন:
- ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ পূর্ব বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি। এর মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন লাভ করে।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিলো নৌকা।
- নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেনি।
৭৩.
ঐতিহাসিক ৬-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. বিল অব রাইটস
  2. ম্যাগনাকার্টা
  3. পিটিশন অব রাইটস
  4. মুখ্য আইন
ব্যাখ্যা
• ৬ দফা:
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
-  ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব। পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার হয়।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনাকার্টা’ বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।

• ৬ দফার দাবিসমূহ নিম্নরূপ:
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৪. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক ক্ষমতা।
৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১, পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৭৪.
বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীন নবাব কে?
  1. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. মুর্শিদ কুলী খান
  3. ইলিয়াস শাহ
  4. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব ছিলেন-  নবাব মুর্শিদকুলি খান। 

• নবাব:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- বিশেষ করে মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে কর তলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুরশিদকুলি খান দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি ঢাকা বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন ১৭১৭ সালে।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন। 
- সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব।

অন্যদিকে -
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার-ওড়িশার শেষ স্বাধীন নবাব।
- আলীবর্দী খান (১৬৭৬-১৭৫৬) বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নওয়াব (১৭৪০-১৭৫৬)।
- ইলিয়াস শাহ বাংলাদেশে ইলিয়াস শাহী রাজবংশ-এর প্রথম শাসক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৭৫.
আলুর একটি জাত-
  1. ডায়মন্ড
  2. রূপালী
  3. ড্রামহেড
  4. ব্রিশাইল
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল আলুর কয়েকটি জাত:
- হীরা,
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক,
- সুন্দরী,
- কুফরী ইত্যাদি।


অন্যদিকে,
• 'রূপালী' - উন্নত জাতের তুলা শস্যের নাম।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব,
- ইরাটম,
- ব্রিশাইল,
- ময়না,
- চান্দিনা,
- হরিধান,
- নারিফা,
- প্রগতি ইত্যাদি।

- সফল : সরিষার জাত
- উত্তরণ : ভুট্টার জাত
- ‍শুকতারা : বেগুনের জাত।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
৭৬.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় -
  1. আউশ ধান
  2. আমন ধান
  3. বোরো ধান
  4. ইরি ধান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয় - বোরো ধান।

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩:

ধান-
মোট উৎপাদনের পরিমাণ — ৩৯০.৯৫ লক্ষ (মেট্রিক টন); আবাদকৃত জমি - ২৮৭.৫৪ লক্ষ (একর)।

• বোরো ধান (স্থানীয় + অন্যান্য):
উৎপাদনের পরিমাণ — ২০৭.৬৮ লক্ষ (মেট্রিক টন); আবাদকৃত জমি - ১১৯.৮৯ লক্ষ (একর)। 

• আউশ ধান (স্থানীয় + অন্যান্য):
উৎপাদনের পরিমাণ — ২৯.০১ লক্ষ (মেট্রিক টন); আবাদকৃত জমি - ২৬.২২ লক্ষ (একর)। 

• আমন ধান (স্থানীয় + অন্যান্য):
উৎপাদনের পরিমাণ — ১৫৪.২৬ লক্ষ (মেট্রিক টন); আবাদকৃত জমি - ১৪১.৪৩ লক্ষ (একর)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩।

৭৭.
প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান-
  1. BARI
  2. BRRI
  3. BADC
  4. BINA
ব্যাখ্যা
• BADC:
- BADC-এর কাজ হচ্ছে - কৃষি উন্নয়ন।
- BADC-এর পূর্ণরুপ - Bangladesh Agricultural Development Corporation.
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।

- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের একমাত্র প্রধান বহু শস্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান হলো BARI.
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (BINA) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান যার প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখা।

সূত্র: BADC ওয়েবসাইট, BARI, BRRI, BINA এর ওয়েবসাইট।
৭৮.
[তৎকালীন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে বর্তমান তথ্য দেখে নিন]
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে নারী-পুরুষের অনুপাত-
  1. ১০০ : ১০৬
  2. ১০০ : ১০০.৬
  3. ১০০ : ১০০.৩
  4. ১০০ : ১০০
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[তৎকালীন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে বর্তমান তথ্য দেখে নিন]

বাংলাদেশের সর্বশেষ (পঞ্চম) আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী,
- নারীর সংখ্যা ৭,৪৭,৯১,৯৭৮ জন এবং পুরুষের সংখ্যা ৭,৪৯,৮০,৩৮৬ জন।
- নারী ও পুরুষের অনুপাত ১০০ : ১০০.৩।
-------------------- 
৬ষ্ঠ আদমশুমারির তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশের:

মোট জনসংখ্যা (প্রাথমিক হিসাবে) : ১৬,৫১,৫৮,৬১৬
- পুরুষ জনসংখ্যা : ৮.১৭ কোটি
- নারী জনসংখ্যা : ৮.৩৩ কোটি।

চূড়ান্ত হিসাবে মোট জনসংখ্যা : ১৬,৯৮,২৮,৯১১)
- পুরুষ জনসংখ্যা : ৮.৪০ কোটি
- নারী জনসংখ্যা : ৮.৫৬ কোটি।
- পুরুষ-নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০।

(তথ্যসূত্র: ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রাথমিক প্রতিবেদন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার)।
৭৯.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন] সরকারি হিসাব মতে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু-
  1. ৬৫.৪ বছর
  2. ৬৭.৫ বছর
  3. ৭০.৮ বছর
  4. ৭৩.৭ বছর
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
------------------
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মোট রপ্তানি আয়: মিলিয়ন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: মিলিয়ন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮০.
যে জেলায় হাজংদের বসবাস নেই-
  1. শেরপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. সিলেট
  4. নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
• হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ — জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস। 
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। 
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

• নৃগোষ্ঠি সনদ সংক্রান্ত সরকারী ওয়েবসাইট অনুসারে, 
হাজং বাংলাদেশ ও ভারতের একটি আদিবাসী। বাংলাদেশে এদের বাস নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলায়। এছাড়া বাংলাদেশের আর কোথাও এদের কোন অস্তিত্বের প্রমান পাওয়া যায়নি। বর্তমানে এদের সংখ্যা ৩০০০ জনের মত।

প্রশ্নে একাধিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, nrigostisanad.gov.bd
৮১.
[তৎকালীন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে বর্তমান তথ্য দেখে নিন] ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে Household প্রতি জনসংখ্যা-
  1. ৪.৪ জন
  2. ৫.০ জন
  3. ৫.৪ জন
  4. ৫.৫ জন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[তৎকালীন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে বর্তমান তথ্য দেখে নিন]
২০১১ সালের পঞ্চম আদমশুমারী অনুযায়ী বাংলাদেশে Household প্রতি জনসংখ্যা ৪.৪ জন।

• জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুসারে,
- বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন।
- পুরুষ-নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৯ জন (প্রতি বর্গকিলোমিটারে)।
- সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬%। 
- প্রতিটি খানায় গড়ে  প্রায় ৪ জন বাস করেন।
- বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা মোট ৫০ টি। 

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মোট রপ্তানি আয়: মিলিয়ন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: মিলিয়ন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮২.
[তৎকালীন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। অনুগ্রহ করে বর্তমান তথ্য দেখে নিন]
যে বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক-
  1. ঢাকা বিভাগ
  2. রাজশাহী বিভাগ
  3. বরিশাল বিভাগ
  4. খুলনা বিভাগ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

যে বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক-

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%। 
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৮৩.
(তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে আর প্রযোজ্য নয়। সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য ব্যাখ্যা দেখুন।)
২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্জিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার-
  1. ৬.৮৫%
  2. ৬.৯৭%
  3. ৭.০০%
  4. ৭.০৫%
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মোট রপ্তানি আয়: মিলিয়ন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: মিলিয়ন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
----------------
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছে- ৬.৭৫ শতাংশ।
যেখানে,
২০২৩-২৪ অর্থবছরে অর্জিত সাময়িক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার- ৫.৮২ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮৪.
বাংলাদেশে তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানি হয়েছে-
  1. ফিনল্যান্ডে
  2. ডেনমার্কে
  3. নরওয়েতে
  4. সুইডেনে
ব্যাখ্যা
জাহাজ রপ্তানি:
-বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে।
- ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে  'স্টেলা মরিস‘ নামের ছোট আকারের জাহাজ রপ্তানি করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ “স্টেলা মেরিস” রপ্তানির মধ্য দিয়ে বংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে ও বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।
- জাহাজ নির্মাণশিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত।
- এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।
- তারা জার্মানির গ্রোনা শিপিং কোম্পানির কাছ থেকে ৮৫ মিলিয়ন ডলারের আটটি জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ পায়। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে এ যাবৎকালে নির্মিত জাহাজগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ও উচ্চ গতিসম্পন্ন জাহাজ ‘এনজিয়ান’ জার্মান ক্রেতা প্রতিষ্ঠান জার্মান কমরোসকি মারিটিম জিএমবিএইচ-এর প্রতিনিধির কাছে জাহাজটি হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: আনন্দ শিপইয়ার্ড ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৮৫.
বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর-
  1. পেট্রাপোল
  2. কৃষ্ণনগর
  3. ডাউকি
  4. মোহাদিপুর
ব্যাখ্যা
• বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থলবন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।
- যশোর জেলার বেনাপোল সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর পেট্রাপোল।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের — কৃষ্ণনগর স্থলবন্দর।
- সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের — ডাউকি স্থলবন্দর।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের — মোহাদিপুর স্থলবন্দর।
-----------------
বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৮৬.
বাংলাদেশে সরকারি EPZ সংখ্যা-
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি। 

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৮৭.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে-
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে — চীন থেকে।
অর্থ্যাৎ,
উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে চীন বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে,

দেশভিত্তিক আমদানির চিত্র:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।
চীন- ১২,৫৫৩ (মিলিয়ন ডলার)- ২৮.৪৬%, 
ভারত- ৫,৯১৮ (মিলিয়ন ডলার)- ১৩.৪২%, 
যুক্তরাষ্ট্র- ১,৯৯০ (মিলিয়ন ডলার)- ৪.৫১%। 

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
- EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

তথ্যসূত্র:- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪।
৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে-
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
  3. এবি ব্যাংক
  4. সোনালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে - ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক লিমিটেড।
- ২০১১ সালের ৩১ মার্চ সিটিসেল ও বাংলালিংকের মাধ্যমে ডাচ বাংলা ব্যাংক প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে।
- ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক এর মোবাইল ব্যাংকিং বর্তমানে রকেট নামে পরিচিত।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- পরে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- ২০১৯ সালের মার্চে চালু হয় ডাক বিভাগের সেবা নগদ। 
- বর্তমানে বিকাশ,রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ,উপায়,শিওর ক্যাশসহ ১৫টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার রিপোর্ট এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।
৮৯.
ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।

- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।

- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯০.
বাংলাদেশের কোন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের — সপ্তম জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়।

• জাতীয় সংসদ:
- ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে।
- এ সপ্তম জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সংসদ সদস্যগণ প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং তিনি তার জবাব দেন।
- প্রথম দিকে এ প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য সময় বরাদ্দ ছিল ১৫ মিনিট।
- পরে তা বাড়িয়ে ৩০ মিনিট করা হয়।
- সরকারি দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট এবং বিরোধী দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট ধার্য করা হয় ।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
৯১.
মাত্র ১টি সংসদীয় আসন-
  1. লক্ষ্মীপুর জেলায়
  2. মেহেরপুর জেলায়
  3. ঝালকাঠী জেলায়
  4. রাঙামাটি জেলায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি সংসদীয় আসনের মাত্র ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

জেলাগুলো হলো-
- রাঙ্গামাটি,
- বান্দরবান, 
- খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নির্মিত 'ধীরে বহে মেঘনা' চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
  1. আলমগীর কবির
  2. খান আতাউর রহমান
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4. সুভাষ দত্ত
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'ধীরে বহে মেঘনা' চলচ্চিত্রটির পরিচালক- 'আলমগীর কবির'।

ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩):
- এটির নির্মাতা আলমগীর কবির।
- ভারতীয় মেয়ে অনিতার প্রেমিক মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়।
- সে ঢাকায় এসে যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে আরও গভীরভাবে মর্মাহত হয়।
- অভিনয়ে বুলবুল আহমেদ, ববিতা, গোলাম মোস্তফা, আনোয়ার হোসেন, খলিল উল্লাহ প্রমুখ।
- হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান আছে এ ছবিতে।

অন্যদিকে -
- 'আবার তোরা মানুষ হ' চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান।
- 'আগুনের পরশমণি' হুমায়ূন আহমেদ এর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছায়াছবি।
-  'অরুনোদয়ের অগ্নিসাক্ষী' চলচ্চিত্রের পরিচালক সুভাষ দত্ত। 

উৎস: প্রথম আলো- তারিক মনজুর, শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
৯৩.
জাতীয় সংসদে 'কাউন্টিং' ভোট কি?
  1. সংসদ নেতার ভোট
  2. হুইপের ভোট
  3. স্পিকারের ভোট
  4. রাষ্ট্রপতির ভোট
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে “কাউন্টিং” শব্দের পরিবর্তে “কাস্টিং” হবে।
• জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো — স্পিকারের ভোট।

কাস্টিং ভোট (Casting Vote):
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৯৪.
NILG এর পূর্ণরূপ-
  1. National Information Legal Guide
  2. National Institute of Local Government
  3. National Identity Licence Guide
  4. National Industrial League Group
ব্যাখ্যা
• NILG:
- জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এনআইএলজি)
- NILG-এর পূর্ণরুপ - National Institute of Local Government 
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সম্পৃক্ত মানব সম্পদের উন্নয়নে নিয়োজিত একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৯ সালের ১ জুলাই “ইস্ট পাকিস্তান গভর্ণমেন্ট এডুকেশনাল এ- ট্রেনিং ইনস্টিটিউশনস অর্ডিন্যান্স” ১৯৬১ অনুসারে স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এনআইএলজি)।
- প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এনআইএলজি) আইন, ১৯৯২ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৯৫.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা-
  1. ২৬
  2. ২৭
  3. ২৮
  4. ৩১
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার সংখ্যা — ২৬ টি। 

- বাংলাদেশ গেজেটে ১৩ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে প্রকাশিত এস.আর.ও. নম্বর-৩৩৫-আইন/২০১৮ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকোনমিক) ক্যাডারকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের সাথে একীভূত করা হয়েছে।
- বর্তমানে ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি।
----------------- 
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।

বিসিএস-এর ২৬টি ক্যাডারের নাম:
১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন),
২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি),
৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (আনসার),
8. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (নিরীক্ষা ও হিসাব),
৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সমবায়),
৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারি),
৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিবার পরিকল্পনা),
৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (মৎস্য),
৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (খাদ্য),
১০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র),
১১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বন),
১২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা),
১৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য),
১৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (তথ্য),
১৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পশু সম্পদ),
১৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পুলিশ),
১৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ডাক),
১৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল),
১৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (গণপূর্ত),
২০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে প্রকৌশল),
২১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক),
২২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সড়ক ও জনপথ),
২৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিসংখ্যান),
২৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর),
২৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কারিগরি শিক্ষা),
২৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বাণিজ্য)।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (bpsc.gov.bd)।
৯৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের উল্লেখ আছে?
  1. ১৩০
  2. ১৩১
  3. ১৩৭
  4. ১৪০
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে 'সরকারি কর্ম কমিশন' গঠনের উল্লেখ করে বলা হয়েছে— ‘আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে’।

এছাড়াও-
- অনুচ্ছেদ- ১৩০: অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক।
- অনুচ্ছেদ- ১৩১: প্রজাতন্ত্রের হিসাব-রক্ষার আকার ও পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ- ১৪০: সরকারি কর্ম কমিশনের দ্বায়িত্ব।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯৭.
অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৪ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ৮ ভাগে
ব্যাখ্যা
• ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশকে — ৩টি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
- টারশিয়ারী যুগের পাহাড়সমূহ,
- প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
- সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- আজ থেকে প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বের সময়কে টারশিয়ারি যুগ বলা হয়।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের। এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং
মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।

• অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারী পাহাড়কে — দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা -
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়,
- উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়।

• বাংলাদেশের মোট ভূমির,
- ১২% টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ,
- ৮% প্লাইস্টোসিনকালের সোপান সমূহ এবং
- ৮০% সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৮.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. মালয়েশিয়া
  3. মালদ্বীপ
  4. পাকিস্তান
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম দেশ সেনেগাল। ১৯৭২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সেনেগাল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম অনারব এশীয় মুসলিম দেশ হিসেবে ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করেছিল।
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় ইরাক। ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।

এছাড়াও,
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

উৎস: i) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
ii) বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ওয়েবসাইট।
iii) বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)। 
iv) প্রথম আলো।

৯৯.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব-
  1. বীরপ্রতীক
  2. বীরশ্রেষ্ঠ
  3. বীরউত্তম
  4. বীরবিক্রম
ব্যাখ্যা
• ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে — সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

• মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
যথা-
- বীরশ্রেষ্ঠ (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর উত্তম (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
- বীর বিক্রম (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
- বীর প্রতীক (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
----------------
বিশেষ তথ্য- খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা:
• ১ম উপাধি: বীরশ্রেষ্ঠ, ৭ জন,
• ২য় উপাধি: বীর উত্তম, ৬৮ জন,
• ৩য় উপাধি: বীর বিক্রম, ১৭৫ জন এবং
• ৪র্থ উপাধি: বীর প্রতীক, ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।

- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০০.
ক্রিকেটে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পায়-
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
• টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- ক্রিকেটে বাংলাদেশ ২০০০ সালের ২৬ জুন টেস্ট মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায় ২০০৫ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪০০ রান করে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে জিম্বাবুয়ে।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

উৎস: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট, প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১০১.
'কালাপানি' কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখণ্ড?
  1. ভারত ও নেপাল
  2. পাকিস্তান ও চীন
  3. ভুটান ও ভারত
  4. বাংলাদেশ ও ভারত
ব্যাখ্যা
'কালাপানি' ভারত ও নেপালের মধ্যকার অমীমাংসিত ভূখণ্ড।

কালাপানি:
- কালাপানি অঞ্চল ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল।
- এটি উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম।
- নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত।
- যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন - তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

উৎস: ১৯ মে ২০২০, BBC।
১০২.
সলোমন-দ্বীপপুঞ্জ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?
  1. ভারত মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
সলোমন-দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।

গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ:
⇒ প্রশান্ত মহাসাগর:
- পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

⇒ আটলান্টিক মহাসাগর:
- যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি।

⇒ ভারত মহাসাগর:
- মাদাগাস্কার, সেইসিলিশ, মরিশাস, দিয়াগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি।

এছাড়াও,
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ:

- প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জকে ভৌগোলিকভাবে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
- যথা: মাইক্রোনেশিয়া; মেলানেশিয়া; পলিনেশিয়া।

• মাইক্রোনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- নাউরু; পালাউ; কিরিবাতি; মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ এবং মাইক্রোনেশিয়া।

• মেলানেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- সলোমান দ্বীপপুঞ্জ; ফিজি; ভানুয়াতু; ও পাপুয়া নিউগিনি।

• পলিনেশিয়া অঞ্চলের দেশসমূহ:
- টোঙ্গা; টুভ্যালু ও সামোয়া।

উৎস: World Atlas.
১০৩.
চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী প্রধান মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম কি?
  1. তুর্কমেন
  2. উইঘুর
  3. তাজিক
  4. কাজাখ
ব্যাখ্যা
চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী প্রধান মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম উইঘুর।

উইঘুর জাতি:
- চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম সম্প্রদায়।

এছাড়াও,
- কুর্দি জাতি পশ্চিম এশিয়ার কুর্দিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় একটি ইরানি জাতিগোষ্ঠী, যারা দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্ক, উত্তর-পশ্চিম ইরান, উত্তর ইরাক এবং উত্তর সিরিয়ায় বাস করে।
- মাউরি: নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী।
- তাতার: তাতার জাতি হল তুর্কি জাতিগোষ্ঠির অন্তর্ভুক্ত একটি উপজাতি, যারা প্রধানত ইউরোপ ও এশিয়ায় বসবাস করে।
- কারেন: স্বাধীনতাকামী মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী উপজাতি।
- গুর্খা: নেপালের যোদ্ধা জাতি।
- টোডা: বহুস্বামী বিবাহ ভিত্তিক পরিবার দক্ষিণ ভারতীয় এই উপজাতিদের।
- পশতুন: আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।
- এক্সিমো: সাইবেরিয়া রাশিয়া অঞ্চলে বসবাস (কুকুর চালিত স্লেজ গাড়ি ব্যবহার করে)।
- পিগমি: পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকার উপজাতি।
- জুলু: দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি।
- রেড ইন্ডিয়ান: আমেরিকার আদিবাসী।
- আফ্রিদি: বর্তমান পাকিস্তানের এক পশতুন নৃগোষ্ঠী, যাদের কিছু অংশ আফগানিস্তানেও বসবাস করে।

উৎস: i) Britannica.
         ii) History.com.
১০৪.
সম্প্রতি ভারত Google-কে নিচের কোন প্রোগ্রামের জন্য ছবি তোলা থেকে বিরত করে?
  1. Google Earth
  2. Street View
  3. Road Image
  4. Google Map
ব্যাখ্যা
ভারত Google-কে Street View প্রোগ্রামের জন্য ছবি তোলা থেকে বিরত করে।

উল্লেখ্য,
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
১০৫.
সংবিধান অনুযায়ী মিয়ানমারের সংসদে কত শতাংশ আসন অনির্বাচিত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে?
  1. ২৫%
  2. ৩৫%
  3. ৪৫%
  4. ৫৫%
ব্যাখ্যা
সংবিধান অনুযায়ী মিয়ানমারের সংসদে ২৫ শতাংশ আসন অনির্বাচিত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

মিয়ানমার:
- দেশটি বার্মা নামেও পরিচিত। 
- রাজধানী: নেপিদো।
- মুদ্রা: কিয়াট।
- প্রধান ভাষা: বার্মিজ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: মিন্ট সোয়ে।
- সীমান্তরক্ষী বাহিনী: বর্ডার গার্ড পুলিশ (BGP)।
- ১৯৬২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা দীর্ঘ ৪৭ বছর জান্তা সরকারের শাসনাধীন ছিল দেশটি।
- ২০১১ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে বেসামরিক সরকারের হাতে নামমাত্র ক্ষমতা হস্তান্তর করে সামরিক বাহিনী।
- ২০১৫ সালে অং সাং সু চি’র নেতৃত্বাধীন বিরোধীদল এনএলডি জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
- ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সু চি ও তার সরকারের পতন হয়।

উল্লেখ্য,
- সেনাবাহিনী রচিত ২০০৮ সালের সংবিধান অনুযায়ী, সংসদের ২৫ ভাগ আসন বরাদ্দ রাখা হয়েছে সেনা সদস্যদের জন্য।
- সে হিসাবে মিয়ানমার সংসদে সেনাসদস্যদের মোট সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ১৬৬টি।

উৎস: Britannica.
১০৬.
নিম্নের কোনটি গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়?
  1. নাইট্রাস অক্সাইড
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. অক্সিজেন
  4. মিথেন
ব্যাখ্যা
অক্সিজেন গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়।

গ্রিন হাউস:

- গ্রিন হাউস হচ্ছে এক ধরনের কাচের ঘর।
- নির্দিষ্ট মাত্রায় তাপ ধরে রেখে বা সৃষ্টি করে বিভিন্ন উদ্ভিদ ও শাকসবজি জন্মাবার জন্যেই এটা তৈরি করা হয়।
- প্রধানত শীতপ্রধান দেশে এবং ইদানিং মরুময় তেল প্রধান দেশে এ ধরনের ঘর তৈরি করা হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো: কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লরো কার্বন।
- ‘গ্রিন হাউস ইফেক্ট' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন সুইডিস রসায়নবিদ সোভানটে আরহেনিয়াস।

⇒ গ্রিন হাউস ইফেক্ট:
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাঁধা সৃষ্টি করে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস কর্তৃক বায়ুমণ্ডলের এইরূপ তাপ বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে গ্রিন হাউস ইফেক্ট বলে।
- গ্রিন হাউস ইফেক্ট কথাটি সর্বপ্রথম সোভানটে আরহেনিয়াস ব্যবহার করেন।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ হলো: কার্বন ডাই অক্সাইড, মিথেন নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরোফ্লোরোকার্বন।
- বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউস গ্যাসের ক্রমাগত বৃদ্ধি বৈশ্বিক পরিবেশের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করছে এবং বিশ্ব উষ্ণায়নকে ত্বরান্বিত করছে।
- বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে পরিবেশের যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তাকে গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়া বলে।
- গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ায় কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে।
- ফলশ্রুতিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যা ও তীব্রতা উভয়ই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- এছাড়াও গ্রিন হাউস প্রতিক্রিয়ায় কারণে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে পৃথিবী থেকে বহুপ্রজাতি বিলুপ্ত হয়েছে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৭.
জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP) ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা (WMO) এর মিলিত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা লাভ করে-
  1. IPCC
  2. COP 21
  3. Green Peace
  4. Sierra Club
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP) ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা (WMO) এর মিলিত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা লাভ করে IPCC।

IPCC:

- IPCC-এর পূর্ণরূপ: Intergovernmental Panel on Climate Change.
- এটি হলো জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিজ্ঞানের মূল্যায়নের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা।
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP)-এর মিলিত উদ্যোগে IPCC প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার সময়: ১৯৮৮ সাল।
- বর্তমানে সদস্য: ১৯৫টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- চেয়ারম্যান: জিম স্কেয়া।
- IPCC জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এর প্রভাব এবং ভবিষ্যতের ঝুঁকি এবং অভিযোজন ও প্রশমনের বিকল্পগুলির নিয়মিত মূল্যায়ন প্রদান করে।
- এর কাজ হলো মানুষের ক্রিয়াকলাপের কারণে জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে বৈজ্ঞানিক জ্ঞানকে এগিয়ে নেওয়া।

উৎস: IPCC ওয়েবসাইট।
১০৮.
World Development Report নিম্নের কোন সংস্থাটির বার্ষিক প্রকাশনা?
  1. UNDP
  2. World Bank
  3. IMF
  4. BRICS
ব্যাখ্যা
'World Development Report' World Bank-এর বার্ষিক প্রকাশনা।

বিশ্বব্যাংক:

- বিশ্বব্যাংক বলতে IBRD (International Bank for Reconstruction and Development) কে বুঝানো হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে জুন, ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য ১৮৯টি দেশ।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: অজয় বঙ্গ।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয় যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- প্রধান অঙ্গসংস্থা ৫টি।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংক এর উদ্দেশ্য মধ্য আয়ের দেশ গুলোকে ঋণ প্রদান ও উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করে।
- বিশ্বব্যাংক বলতে IBRD (International Bank for Reconstruction and Development) কে বুঝানো হয়।
- ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংক থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহার করে কিউবা।
- বিশ্বব্যাংকের প্রথম ঋণ গ্রহীতা দেশ ফ্রান্স।
- বিশ্বব্যাংক World development report (বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন) প্রকাশ করে।
- বিশ্বব্যাংক প্রতি বছর মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বিশ্বের প্রতিটি দেশের একটি তুলনামূলক প্রতিবেদনসহ বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এটি ১৯৭৮ সাল থেকে বার্ষিক প্রকাশিত হয়।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
১০৯.
IMF-এর সদর দপ্তর অবস্থিত-
  1. ওয়াশিংটন ডিসি
  2. নিউইয়র্ক
  3. জেনেভা
  4. রোম
ব্যাখ্যা
IMF-এর সদর দপ্তর অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে।

The International Monetary Fund (IMF):

- The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- ১৯৩০ সালের মহামন্দার পরে ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য: ১৯০টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF-এর সদস্যপদ লাভ করে।

⇒ Bretton Woods Conference:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৪৪ সালে জার্মানি ও জাপানের প্রত্যাশিত পরাজয়ের পর যুদ্ধোত্তর সময়ে যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশ সমূহের পুনর্গঠন ও আর্থিক সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক বানিজ্যের রূপরেখা নির্ধারণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বের ৪৪টি দেশের নেতারা এক সম্মেলনে অংশ নেন।
- এই সম্মেলনকে ব্রেটন উডস কনফারেন্স (Bretton Woods Conference) বলা হয়।
- সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ার শহরে ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই।
- এই সম্মেলনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের কর্মকর্তা Harry Dexter White এবং ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ John Maynard Keynes।
- তাদের দুই জনকে বিশ্বব্যাংক ও IMF - এর Founding Fathers বলা হয় ৷
- এই সম্মেলনের ফলে বিশ্বব্যাংক, IMF ও পরে GATT গঠিত হয়।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
১১০.
বিশ্বব্যাংক সংশ্লিষ্ট কোন সংস্থাটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও উপদেশ দিয়ে থাকে?
  1. IFC
  2. IBRD
  3. MIGA
  4. ICSID
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক সংশ্লিষ্ট সংস্থা IFC স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও উপদেশ দিয়ে থাকে।

বিশ্বব্যাংক গ্রুপ:

- IBRD সাধারণত বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত।
- IBRD এর পূর্ণরূপ হলো: International Bank for Reconstruction and Development.
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে IBRD এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- তবে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৬ সালের জুন মাসে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- Bretton Woods Institutions এর অন্তর্ভূক্ত প্রতিষ্ঠান দুটি।
- IMF ও World Bank ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে এ দুটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- তাই IMF ও IBRD এই দুটি প্রতিষ্ঠানকে ব্রেটন উডস জমজ বলা হয়।
- বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
5.International Development Association (IDA).

IFC:
- IFC ১৯৫৬ সালের ২০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৮৬টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- সংস্থাটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতে আর্থিক সহযোগীতা করে ও উপদেশ দিয়ে থাকে।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
১১১.
সামন্তবাদ কোন ইউরোপীয় দেশে প্রথম সূত্রপাত হয়?
  1. ইতালি
  2. ইংল্যান্ড
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
সামন্তবাদ ইউরোপীয় দেশ ইতালিতে প্রথম সূত্রপাত হয়।

সামন্তবাদ:
- মধ্যযুগে ইউরোপে জমি যার শাসন তার প্রথার সৃষ্টি হয়েছিলো।
- অর্থাৎ ভূমিভিত্তিক শাসনব্যবস্থা।
- একে সামন্তবাদ বলা হয়।
- ইউরোপীয় দেশ ইতালিতে সামন্তবাদের প্রথম সূত্রপাত হয়।
- মধ্যযুগে ইউরোপে রাষ্ট্র বলতে ছিল পবিত্র রোমান সাম্রাজ্য।
- রাজতন্ত্র এবং পোপতন্ত্র- এই দুই প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতো পবিত্র রোমান সাম্রাজ্য।
- পঞ্চদশ শতকে ইউরোপীয় রেনেসাঁসের পটভূমিতে পবিত্র রোমান সাম্রাজ্য ভেঙ্গে পড়তে শুরু করে।
- ইউরোপের পণ্য বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতো দক্ষিণ ইউরোপের তথা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের ফ্লোরেন্স, ভেনিস, জেনোয়া প্রভৃতি অঞ্চলের বণিকেরা।
- চতুর্দশ শতাব্দীতে ইউরোপে সামন্তবাদ দুর্বল হয়ে পড়তে শুরু করলে এই সকল বণিকা অনেকটা স্বাধীনভাবে বাণিজ্য পরিচালনা করতে থাকে।
- এর মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ ইতালিকে কেন্দ্র করে একটি স্বাধীন বাণিজ্যিক অর্থনীতির জন্ম নিতে।
- এইভাবে রেনেসাঁসের প্রভাবে ইউরোপে সামন্তবাদের স্থলে বাণিজ্যবাদে উদ্ভব ঘটে।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ শতকের ইউরোপের সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং মানুষের জীবন জিজ্ঞাসায় যে ব্যাপক পরিবর্তনের সূচনা ঘটে, এটাকে সাধারণভাবে ইউরোপের রেনেসাঁস বা নবজাগরণ বলা হয়ে থাকে।
- নবজাগরণ ইতালিতে শুরু হয়েছিল বলে ইউরোপের অনেক ঐতিহাসিক এটিকে ইতালির রেনেসাঁস হিসেবেও অভিহিত করে থাকেন।

[সামন্তবাদের সূত্রপাত নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। রোমানদের পেট্রোসিয়াম এবং জার্মানদের কমিটেটাসের সমন্বয়ে সামন্তবাদ গড়ে উঠে। আবার অন্যদিকে ফ্রান্সেও ভূস্বামী এবং প্রজার মধ্যে এরকমই এক প্রথা ছিল। তবে, শুরুর দিকে দেখলে মূলত রোমান সাম্রাজ্যের পতনের থেকেই সামন্তবাদের সূত্রপাত। এক্ষেত্রে তাই ইতালি উত্তর নেওয়া হয়েছে।] 

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) World History Encyclopedia.
১১২.
জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য:
  1. জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেন, ব্রাজিল, চীন, নাইজেরিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, ভারত, ইসলায়েল, চীন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য: ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন।

জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- কার্যকরী দাপ্তরিক ভাষা ২টি: ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন।

জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি:

• সাধারণ পরিষদ (the General Assembly),
• নিরাপত্তা পরিষদ (the Security Council),
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন (the Economic and Social Council),
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (the International Court of Justice),
• অছি পরিষদ (the Trusteeship Council),
• জাতিসংঘ সচিবালয় (the Secretariat)।

নিরাপত্তা পরিষদ (UN Security Council):
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভূক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।
- জাতিসংঘ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সম্পর্কে উল্লেখ আছে।

অন্যদিকে -
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় ২ বছরের জন্য।
- বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের দশটি অস্থায়ী সদস্য দেশ হলো: ইকুয়েডর (২০২৪), জাপান (২০২৪), মাল্টা (২০২৪), মোজাম্বিক (২০২৪), সুইজারল্যান্ড (২০২৪), আলজেরিয়া (২০২৫), গায়ানা (২০২৫), কোরিয়া (২০২৫), সিয়েরা লিওন (২০২৫), স্লোভেনিয়া (২০২৫)।

উৎস: UN Security Council ওয়েবসাইট।
১১৩.
'Law of the Sea Convention' অনুযায়ী উপকূল থেকে কত দূরত্ব পর্যন্ত Exclusive Economic Zone' হিসেবে গণ্য?
  1. ২২ নটিক্যাল মাইল
  2. ৪৪ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
UNCLOS:
- UNCLOS-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention on the Law of the Sea.
- UNCLOS জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সমুদ্র বিষয়ক আইন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসােপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলাে এ চুক্তির মূল বিষয়।

⇒ আঞ্চলিক সমুদ্র অঞ্চল (Territorial sea):
- তটরেখা হতে একটি নির্দিষ্ট দ রত্বে সমুদ্রের উপর উপকূলীয় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বজায় থাকে।
- এ সমুদ্র অঞ্চলকেই আঞ্চলিক সমুদ্র অঞ্চল বলে।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে এ দ রত্ব ১২ নটিক্যাল মাইল নির্ধারণ করা হয়।

⇒ সংরক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive economic zone):
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে উপকূলীয় রাষ্ট্র সমুহকে সংরক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার অধিকার প্রদান করা হয়।
- এখানে উপকূলীয় রাষ্ট্রের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অধিকার থাকে।
- এটি তটরেখা হতে সমুদ্রে সর্বোচ ২০০ নটিক্যাল মাইল বিস্তৃত হবে।

⇒ মহীসোপান (Continental shelf):
- মহাদেশের কিছু অংশে সমুদ্রের পানির মধ্যে বিস্তৃত থাকে।
- এখানে সমুদ্রের গভীরতা কম থাকে।
- মহাদেশের এ স্বল্প গভীর নিমজ্জিত অংশকে মহীসোপান বলে।
- ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশনে সাধারণভাবে কোন কোন দেশ তটরেখা হতে সমুদ্র বক্ষে ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ২৫০০ মিটার গভীর সমুদ্র তলদেশ হতে ১০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত তার মহীসোপান কি বিস্তৃত করতে পারবে।

উৎস: UNCLOS ওয়েবসাইট।
১১৪.
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি যা Joint Comprehensive Plan of Action নামে পরিচিত তা সই হয় -
  1. ২ এপ্রিল ২০১৫
  2. ১৪ জুলাই ২০১৫
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪
  4. ১০ ডিসেম্বর ২০১৩
ব্যাখ্যা
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি যা Joint Comprehensive Plan of Action নামে পরিচিত তা সই হয় ১৪ জুলাই ২০১৫ তারিখে।

Joint Comprehensive Plan of Action:

- এটি ইরান পরমাণু চুক্তি হিসেবে পরিচিত। 
- এটই সমঝোতা ‘ইরান ডিল’ নামেও পরিচিত। 
- চুক্তিটি হয়েছিল ইরান ও জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য দেশ তথা যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মধ্যে।
- এই চুক্তিতে স্থায়ী পাঁচ সদস্য দেশের সাথে জার্মানিও ছিল।
- এজন্য এই পক্ষকে ‘পি৫ + ১’ বলা হয়ে থাকে।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ জুলাই, ২০১৫ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৬ জানুয়ারি, ২০১৬ সালে।
- এই চুক্তিতে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ ও মজুদ করার ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
- চুক্তি অনুসারে তেহরান তাদের কিছু পরমাণু স্থাপনা বন্ধ করে দিতে অথবা পরিবর্তন করতে সম্মত হয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলে চুক্তিটি স্বাক্ষর ও কার্যকর হয়।

এছাড়া,
- ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের ব্যাপারে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের অনুমতিও দেয়া হয়।
- চুক্তির অধীনে ইরানের ওপর আরোপিত বেশ কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞাও প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে বের হয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২০ সালের শুরুর দিকে পরমাণু চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেয় ইরান।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
১১৫.
'গ্রিনপিস' যাত্রা শুরু করে -
  1. ১৯৪৫
  2. ২০১১
  3. ২০১৩
  4. ১৯৭১
ব্যাখ্যা
'গ্রিনপিস' যাত্রা শুরু করে ১৯৭১ সালে।

Greenpeace International:
- গ্রিনপিস আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭১ সালে, কানাডায়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা।
- এর সদর দপ্তর: আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ডস।

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা বন্ধে ১৯৬৯ সালে Don't make a wave Committee গঠিত হয়।
- পরে ১৯৭১ সালে এটি ‘গ্রিনপিস’ নামে রুপান্তরিত হয়।
- সংস্থাটির মূল উদ্দেশ্য পৃথিবী নামক এই গ্রহের সব ধরনের জীববৈচিত্রের প্রতিপালনের জন্য প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
- সংস্থাটির উদ্দেশ্য সারা বিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বানিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমানবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারনা চালানো।
- গ্রিনপিস ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়া এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে ৫৫টিরও বেশি দেশে ২৫টি স্বাধীন জাতীয়/আঞ্চলিক সংস্থার একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্কের পাশাপাশি একটি সমন্বয়কারী সংস্থা, গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের সমন্বয়ে গঠিত।

উৎস: Greenpeace International ওয়েবসাইট।
১১৬.
'Black Lives Matter' কি?
  1. একটি গ্রন্থের নাম
  2. একটি পানীয়
  3. বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
  4. একটি NGO
ব্যাখ্যা
'Black Lives Matter' একটি বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন।

Black Lives Matter:
- 'Black Lives Matter' একটি বর্ণবাদ বিরোধী অনলাইনভিত্তিক আন্দোলন।
- সামাজিক মাধ্যমে ২০১৩ সালে এর যাত্রা শুরু হয়।
- আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি শ্বেতাঙ্গদের সহিংস আচরণের প্রতিবাদ থেকেই আফ্রো-আমেরিকান সম্প্রদায়ের মাঝে এর উৎপত্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ২০১২ সালে ফ্লোরিডায় ট্রেভন মার্টিনের মৃত্যুর পরে এই স্লোগানটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- ১৭ বছর বয়সী নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গকে প্রতিবেশী ওয়াচ ভলান্টিয়ার জর্জ জিমারম্যান গুলি করে হত্যা করেছিল।
- আন্দোলনটি ২০১৩ সালে তিন কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা দ্বারা শুরু হয়েছিল।
- তারা হলেন: অ্যালিসিয়া গারজা, প্যাট্রিস কুলারস এবং ওপাল টোমেটি।
- এই আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্যগুলির মধ্যে ছিল পুলিশি বর্বরতা বন্ধ করা এবং কৃষ্ণাঙ্গদের সাথে সমান আচরণ করা।
- এর সমতার দাবির মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য, এলজিবিটি সম্প্রদায় এবং ভোটাধিকারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন সময় এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ১৩ জুব, ২০২১, BBC।
১১৭.
মাথাপিছু গ্রিনহাউজ গ্যাস উদগীরণে সবচেয়ে বেশি দায়ী নিচের কোন দেশটি?
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরান
  4. জার্মানি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মাথাপিছু গ্রিনহাউজ গ্যাস উদগীরণে সবচেয়ে বেশি দায়ী কাতার।

গ্রিন হাউস গ্যাস:

- গ্রিন হাউস ইফেক্টের জন্য দায়ী গ্যাসগুলোকে বলা হয় গ্রীন হাউস গ্যাস।
- গ্রিন হাউস গ্যাস সূর্য থেকে আগত অতিবেগুনী রশ্মি শোষণ করে এবং আবার মহাশুন্যে ফিরিয়ে দেয়, ফলে আমাদের দেহ বেগুনি রশ্মি গুলি থেকে রক্ষা পায়।
- গ্রিন হাউস গ্যাস পৃথিবীর তাপমাত্রা ধরে রাখে ফলে পৃথিবিতে সবসময় প্রায় একই তাপমাত্রা বিরাজ করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাস গুলি হচ্ছে জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, ওজোন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্লোরো ফ্লরো কার্বন ইত্যাদি।

⇒ মাথাপিছু গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে শীর্ষ দেশ -
১। কাতার,
২। বাহরাইন,
৩। ব্রুনাই,
৪। কুয়েত,
৫। ত্রিনিদাদ ও টোবাগো,
৬। সংযুক্ত আরব আমিরাত, 
৭। ওমান, 
৮। মঙ্গোলিয়া,
৯। সৌদি আরব,
১০। অস্ট্রেলিয়া।

উৎস: i) Our World in Data ওয়েবসাইট। [link]
        ii) UNEP ওয়েবসাইট।
১১৮.
কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়?
  1. NATO
  2. SALT
  3. NPT
  4. CTBT
ব্যাখ্যা
NATO নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।

SALT:
- SALT-এর পূর্ণরূপ: Strategic Arms Limitation Talks।
- আলোচ্য বিষয়: কৌশলগত অস্ত্র সীমাবদ্ধতা।
- এই আলোচনা শুরু হয়েছিল ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকিতে।
- আলোচনার সময়: ১৯৬৯ সাল।
- পক্ষ: যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দুইটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা SALT-I ও SALT-II নামে পরিচিত।
- SALT-I চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ২৬ মে, ১৯৭২ সালে।
- SALT-II চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল: ১৮ জুন, ১৯৭৯ সালে।
- এই আলোচনার সূত্র ধরেই Anti-Ballistii Missile Treaty স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- এই চুক্তি অনুযায়ী কৌশলগত যত পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ যন্ত্র আছে, তা 'ফ্রিজ' করা হয়।
- এতে করে কোনো পক্ষ আর তার সংখ্যা বাড়াতে পারে না।
- এর মাধ্যমে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি।
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া ও ইসরায়েল।

CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।

অন্যদিকে,
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

উৎস: i) Arms Control Association.
         ii) NATO ওয়েবসাইট।
১১৯.
BRICS এর সদর দপ্তর কোথায়?
  1. সাংহাই
  2. মস্কো
  3. প্রিটোরিয়া
  4. নয়াদিল্লী
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
BRICS-এর সদর দপ্তর নেই।

BRICS:

- ব্রিকস একটি অর্থনৈতিক জোট।
- ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা এই ৫টি উদীয়মান অর্থনীতির দেশ নিয়ে গঠিত হয় ব্রিকস।
- এর কোনো সদরদপ্তর নেই।
- এর বর্তমান সদস্য: ১০টি।
- সদস্যগুলো হলো: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, ও ইথিওপিয়া।

উল্লেখ্য,
- ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০২৩ সালে দক্ষিন আফ্রিকার জোহানেসবার্গে।
- উক্ত সম্মেলনের মাধ্যমে সৌদি আরব, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, ও ইথিওপিয়া জানুয়ারি, ২০২৪-এ ব্রিকসে যোগদান করেন।

অন্যদিকে,
⇒ New Development Bank:
- New Development Bank (NDB) ব্রিকস দেশসমূহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক।
- পূর্বে ব্যাংকটি 'ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক' নামে পরিচিত ছিল।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৪ সালে (ব্রিকস দ্বারা)।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- বর্তমান সদস্য: ৮টি।
- সদস্য দেশ: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন, দক্ষিণ আফ্রিকা, বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর।
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান সভাপতি: দিলমা রুসেফ।

উৎস: BRICS ওয়েবসাইট।
১২০.
SDR (Special Drawing Rights) সুবিধা প্রবর্তনের জন্য কত সালে IMF এর গঠনতন্ত্র (Articles) সংশোধন করা হয়েছিল?
  1. ১৯৬৯
  2. ১৯৭১
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৮
ব্যাখ্যা
SDR (Special Drawing Rights) সুবিধা প্রবর্তনের জন্য ১৯৬৯ সালে IMF এর গঠনতন্ত্র (Articles) সংশোধন করা হয়েছিল।

SDR:
- SDR এর পূর্ণরূপ: Special Drawing Rights.
- স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস বা এসডিআর হলো আইএমএফের একধরনের নিজস্ব অর্থব্যবস্থা।
- IMF-এর সম্পদ ও ঋণকে SDR এককে গণনা করা হয়।
- তবে এটি নিজে কোনো মুদ্রা নয়, একটি ধারণামাত্র।
- এসডিআরের মান ধরা হয় মার্কিন ডলার, ইউরো, চীনা রেনমিনবি, জাপানি ইয়েন ও পাউন্ড—এই পাঁচ মুদ্রার আনুপাতিক গড় হিসাব করে।
- তবে বিশ্বের সব কেন্দ্রীয় ব্যাংকই এর মূল্যমানকে সমর্থন করে।
- যেকোনো মুদ্রার সঙ্গে এই ভার্চ্যুয়াল সম্পদকে বিনিময় করা যায়।
- ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো আইএমএফের এসডিআরকে যেকোনো মুদ্রায় নিজেদের রিজার্ভে গণনা করতে পারে।
- এর মাধ্যমে একটি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে যায়।
- নিয়মিত এসডিআরের মূল্যমান হালনাগাদ করা হয়। 
- SDR-এর মান প্রতিদিন লন্ডনের সময় দুপুরের দিকে পর্যবেক্ষণ করা স্পট এক্সচেঞ্জ হারের উপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়।
- IMF ১৯৬৯ সালে SDR গঠনতন্ত্র সংশোধন করেছিল।

উল্লেখ্য,
- IMF SDR-কে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিনিময় মাধ্যম হিসাবে ব্যবহার করে।
- ১৯৭১ সালের ১৫ আগষ্ট যখন মার্কিন ডলারের সাথে স্বর্ণের সম্পর্ক সামরিয়কভাবে স্থগিত করা হয় তখন ব্রেটন উডস চুক্তি ভেঙ্গে পড়ে।
- যার ফলে ১৯৭৩ সালে SDR-কে পুনরায় সজ্ঞায়িত করা হয় এবং সংযুক্ত করা হয় একের অধিক মূদ্রার ঝুড়ির সাথে।
- মূলত তিনটি উৎস থেকে আইএমএফ তহবিল বা অর্থ সংগ্রহ করে।
- সদস্য চাঁদা, ঋণ গ্রহণ ও দ্বিপক্ষীয় ঋণচুক্তি।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
১২১.
বাংলাদেশের নিম্নলিখিত জেলাসমূহের মধ্যে কোন জেলায় নিচু ভূমির (Low land) পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. হবিগঞ্জ
  2. গোপালগঞ্জ
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিম্নলিখিত জেলাসমূহের মধ্যে কিশোরগঞ্জ জেলায় নিচু ভূমির (Low land) পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

নিচু ভূমি:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে নিচু ভূমিগুলো সাধারণত হাওর, বাওর, বিল এবং খাল এসব নিয়েই গঠিত।
- হাওর ও বিল সাধারণত বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে, বিশেষ করে সিলেট, ​​সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা জেলা জুড়ে অবস্থিত।
- তাই কিশোরগঞ্জে নিচু ভূমির (Low land) পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।

কিশোরগঞ্জ জেলা:
- হাওর-বাওর ও সমতলভূমির বৈচিত্র্যময় ভূ-প্রকৃতির একটি বিস্তীর্ন জনপদ হলো কিশোরগঞ্জ জেলা।
- ২৪ ডিগ্রী ০২ মিনিট থেকে ২৪ ডিগ্রী ৩৮ মিনিট উত্তর অক্ষাংশ নরসুন্দা নদী বিধৌত এ জেলার উত্তরে ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও সুনামগঞ্জ, দক্ষিণে নরসিংদী, পূর্বে হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মনবাড়ীয়া এবং পশ্চিমে গাজীপুর ও ময়মনসিংহ জেলা অবস্থিত।
- লোকজ সাহিত্য সংস্কৃতিতে এ জেলার রয়েছে বিশাল ঐতিহ্য।
- এ জেলার লোকজ সংগীত, পালা, কীর্তন, কিস্সা, জারী, বিয়ের প্রবাদ-প্রবচন, পুঁথি, টপ্পা, নৌকা বাইচের গান, হাস্য রসাত্মক ধাঁ ধাঁ ইত্যাদি আমাদের সুপ্রাচীন ঐতিহ্যকে আজও স্বাতন্ত্র্য ও স্বকীয়তায় উজ্জ্বল রেখেছে।
- কিশোরগঞ্জের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে নরসুন্দা নদী।

নদ-নদী: পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ, মেঘনা, কালনী, সুতী, নরসুন্দা, ঘোড়াউত্রা, ধনু, বৌলাই, আড়িয়াল খাঁ প্রভৃতি।
প্রশাসন: ১৮৬০ সালে কিশোরগঞ্জ বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার একটি মহকুমা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৮৪ সালে এটি জেলায় রূপান্তরিত হয়। কিশোরগঞ্জ পৌরসভা গঠিত হয় ১৮৬৯ সালে।
অর্থনীতি: কিশোরগঞ্জের অর্থনীতির চালিকাশক্তি অনেকটা হাওরের ওপর নির্ভরশীল। হাওরে প্রচুর মাছ পাওয়া যায় যা দেশের চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করতে সক্ষম। 
জলবায়ু: কিশোরগঞ্জের জলবায়ু উষ্ণ। কিশোরগঞ্জের গড় তাপমাত্রা ২৪.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। শীতকালের তুলনায় গ্রীষ্মকালে বেশি বৃষ্টিপাত হয়। গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত হয় ২২৫০ মি.মি.।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১২২.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. মেঘনা
  2. যমুনা
  3. পদ্মা
  4. কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।

পদ্মা নদী:
- পদ্মার অপর নাম কীর্তিনাশা।
- ভারতের মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে গঙ্গা নদীর উৎপত্তি।
- রাজশাহীর কাছে কুষ্টিয়ার উত্তর প্রান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- তারপর গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- অতঃপর তিন নদীর মিলিত স্রোত বঙ্গোপসাগরে ঢুকেছে।
- শাখা নদী: মধুমতী, আড়িয়াল খাঁ, ভৈরব, মাথাভাঙা, কুমার, কপোতাক্ষ, শিবসা, পশুর (বা পসুর) বড়াল প্রধান।
- উপনদী: মহানন্দা, ট্যাঙ্গন, পুনর্ভবা, নগর, কুলিক।

উল্লেখ্য,
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- দেশের তিন বিভাগের ১২টি জেলায় প্রবাহিত নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।

এছাড়াও,
- দেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী ইছামতী নদী (দৈর্ঘ্য ৩৩৪ কি.মি.)।
- দেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী সাঙ্গু বা শঙ্খ নদী (দৈর্ঘ্য ২৯৪ কি.মি.)।
- সবচেয়ে বেশি উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত নদী মেঘনা (৩৬টি উপজেলা)।
- সবচেয়ে বেশি নদ-নদী রয়েছে ঢাকা বিভাগে, ২২২টি।
- সবচেয়ে বেশি নদী রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়, ৯৭টি।
- দেশের ক্ষুদ্রতম নদী: গাঙ্গিনা নদী (দৈর্ঘ্য ০.০৩২ কি.মি.)।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) নদী রক্ষা কমিশন।
১২৩.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চল বেশি খরাপ্রবণ?
  1. উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
  2. উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
  4. দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তর - পশ্চিম অঞ্চল জেলাসমূহ খরাপ্রবণ।

খরা:

- সাধারণত খরা বলতে কোনো এলাকায় দীর্ঘসময় ধরে ভূমিতে পানির অনুপস্থিতিকে বুঝায়।
- অর্থাৎ কোনো এলাকা বৃষ্টিহীন অবস্থায় থাকলে বা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হলে মাটির স্বাভাবিক আর্দ্রতা কমে গিয়ে শুষ্ক হয়ে পড়ে।
- এর ফলে মাটি ফেটে চৌচির হয়ে যায় এবং পানির স্তর নিচে নেমে যায়।
- এরূপ অবস্থাকে খরা বলে।
- বাংলাদেশের উত্তর - পশ্চিম অঞ্চল জেলাসমূহ খরাপ্রবণ।
- বিগত অর্ধ শতকের ১৯৭৩, ১৯৭৫, ১৯৭৮, ১৯৭৯, ১৯৮১, ১৯৮২, ১৯৮৯, ১৯৯২, ১৯৯৪, ১৯৯৫ এবং ২০১৬ সালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অধিক মাত্রায় খরা দেখা দেয়।

⇒ বাংলাদেশের খরাপ্রবণ অঞ্চল:
- অতি তীব্র: রাজশাহী ও চাপাইনবাবগঞ্জ,
- তীব্র: দিনাজপুর, বগুড়া, কুষ্টিয়া, যশোর জেলা এবং টাঙ্গাইল জেলার অংশবিশেষ,
- মাঝারি: রংপুর ও বরিশাল জেলা এবং দিনাজপুর, কুষ্টিয়া ও যশোর জেলার অংশবিশেষ,
- সামান্য: তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র এবং মেঘনার পললভূমি এলাকা।

খরার কারণ:
১. সময়মতো বৃষ্টিপাতের অভাব;
২. পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা;
৩. অপরিকল্পিতভাবে বনভূমি উজাড়;
৪. নদীর উজানে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ;
৫. এল নিনো ও লা নিনোর প্রভাব প্রভৃতি।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের পরিবেশ বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচের (FCDI) কারণে খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে?
  1. বরেন্দ্র অঞ্চল
  2. মধুপুর গড় অঞ্চল
  3. উপকূলীয় অঞ্চল
  4. চলন বিল অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলের পরিবেশ বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচের (FCDI) কারণে খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প (Flood Control, Drainage and Irrigation Projects):
- অনুচ্চ ভূ-সংস্থানের কারণে একটি স্বাভাবিক বৎসরে বাংলাদেশের ভৌগোলিক এলাকার কমপক্ষে ২০% এলাকা বন্যা কবলিত হয়ে থাকে।
- ১৯৯৮ সালের মতো মারাত্মক পর্যায়ে গেলে বন্যা কবলিত এলাকার পরিমাণ প্রায় ৭০% এ গিয়ে পৌঁছতে পারে।
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পসমূহ বন্যার তীব্রতা হ্রাসকরণে অথবা বন্যা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে বন্যার পানি নিষ্কাশনের উপায় হিসেবে ব্যবহূত হয়, যেগুলো শস্য উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অনুকূল অবস্থার সৃষ্টি করে।

⇒ ১৯৬৪ সালে দেশজুড়ে ৫৮টি বন্যা প্রতিরোধ এবং নিষ্কাশন প্রকল্প সম্বলিত একটি মাস্টার প্ল্যান গৃহীত হয়েছিল যার আওতাভুক্ত এলাকা ছিল ৫.৮ মিলিয়ন হেক্টর।
- তিন ধরনের পোল্ডার বা উদ্ধারকৃত নিম্নভূমি এই বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন কর্মকান্ডের পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্ত ছিল: পোল্ডারসহ মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে পানি নিষ্কাশন; টাইডাল স্লুইস গেটের মাধ্যমে জোয়ারের পানি নিষ্কাশন; এবং পাম্পের মাধ্যমে বন্যার পানি নিষ্কাশন।
- ১৯৯৩ সালে সর্বমোট আর্দ্রভূমির পরিমাণ ছিল ৩.১৪ মিলিয়ন হেক্টর যার মধ্যে ১.৫৫ মিলিয়ন হেক্টরে চাষাবাদ হয়েছিল এবং ১.৩৮ মিলিয়ন হেক্টর ভূমি থেকে পানি নিষ্কাশিত হয়েছিল ভূ-পৃষ্ঠের উপরের নালীসমূহের মাধ্যমে।
- অধিকন্তু নিষ্কাশন ব্যবস্থা সম্বলিত সেচের আওতাধীন এলাকার পরিমাণ ১.১৭ মিলিয়ন হেক্টরে এসে দাঁড়ায়।
- ১৯৯৯ সালে বন্যা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে এমন এলাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ৪.৬২ মিলিয়ন হেক্টরে।
- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যার ক্ষয়ক্ষতি ও নেতিবাচক প্রভাব হ্রাস করণ এবং উদ্বৃত্ত পানি সেচকার্যে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বহু সংখ্যক ভেড়িবাঁধ, বাঁধ এবং খাল নির্মাণ ও খনন করেছে। 

তিস্তা বাঁধ প্রকল্প:
- (পর্ব ১) রংপুর, লালমনিরহাট এবং নীলফামারী জেলায় অবস্থিত।
- প্রকল্পটির আওতাভুক্ত সর্বমোট এলাকার পরিমাণ ১,৩২,০০০ হেক্টর, এর মধ্যে সেচযোগ্য এলাকার পরিমাণ ১,১১,৪০৬ হেক্টর।
- তিস্তা নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ করে প্রবাহের দিক পরিবর্তন করে নদীর পানিকে সেচ কার্যে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- খাল খনন করে শস্য ক্ষেত্র পর্যন্ত সেচের পানি নিয়ে যাওয়া হয়।
- প্রধানত বর্ষা মৌসুমে সম্পূরক সেচ হিসেবে এই প্রকল্পের আওতায় সেচকার্য পরিচালিত হয়।
- প্রকল্পটি সম্পাদিত হয় ১৯৯৩ সালে।

উত্তরাঞ্চলে নলকূপ প্রকল্প:
- দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও জেলায় এই প্রকল্পের অবস্থান।
- প্রাথমিক পর্যায়ে প্রকল্পের আওতাভুক্ত এলাকায় ২৫৪ মিমি ব্যাসের এবং ৯১.৪ মিটারের উপরে গড় গভীরতায় ৩৮০টি নলকূপ বসানো হয়।
- পিছনের বৎসরগুলিতে আরও অধিক সংখ্যক নলকূপ বসানো হয়েছে যার সর্বমোট সংখ্যা ১,২১৯ এ পৌঁছেছে।
- এসকল নলকূপের মাধ্যমে ৫৬,০৫২ হেক্টর জমি সেচের আওতায় এসেছে।

বরেন্দ্র অঞ্চল:
- দেশের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি এবং মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় অঞ্চল প্লাইস্টোসিন যুগের সোপান সমূহের অন্তর্গত।
- বরেন্দ্র অঞ্চল সোপান সমূহের গড় উচ্চতা ১৯ থেকে মিটারের মধ্যে অসংখ্য নদীনালা দ্বারা এ সোপান ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত।
- বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূ-গর্ভস্থ পানি দ্বারা বছরব্যাপি সেচ সবিধা চালু হওয়ায় এলাকার এক ফসলি জমি তিন ফসলি জমিতে রুপান্তরিত হয়েছে।
- বর্তমানে বিএমডিএ কর্তৃক পরিচালিত ১৫৭৯০ টি সেচযন্ত্র হতে সেচের মাধ্যমে প্র্রায় ৪৫ লক্ষ মে.টন খাদ্য শস্য উৎপাদিত হচ্ছে।
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচের ফলে বরেন্দ্র অঞ্চল খুব বেশি পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
- বরেন্দ্র অঞ্চল রাজশাহী বিভাগের প্রায় ৯,৩২০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এ অঞ্চলে গভীর নলকূপের মাধ্যমে অধিক পরিমাণ পানি উত্তোলনের কারণে পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসমূহে ঘূর্ণিঝড়, সুনামি ও অন্যদেশের ভূমিকম্পের প্রভাব প্রভৃতির দ্বারা মানুষের জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২৫.
বাংলাদেশে বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত নিম্নের কোন স্টেশনে রেকর্ড করা হয়?
  1. সিলেট
  2. টেকনাফ
  3. কক্সবাজার
  4. সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত সিলেটে রেকর্ড করা হয়।

বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রকৃতি:
- বাংলাদেশের জলবায়ুর প্রধান তিনটি প্রকৃতির স্বাতন্ত্র্য পরিলক্ষিত হয়।
- যথা শীতকাল, গ্রীষ্মকাল ও বর্ষাকাল।
- সাধারণত বাংলাদেশের জলবায়ু সমভাবাপন্ন।
- কর্কটক্রান্তি রেখা এ দেশের মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করায় ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজ করে।
- আবার মৌসুমী বায়ুর প্রভাব এ দেশের জলবায়ুর উপর এত বেশি যে বাংলাদেশের জলবায়ুকে ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুও বলা হয়।
- ক্রান্তীয় জলবায়ুর প্রধান প্রকৃতি হলো বছরের বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন ঋতু যথা গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্তের আবির্ভাব।
- শীতপ্রধান এবং গ্রীষ্মপ্রধান দেশের মতো বাংলাদেশের তাপমাত্রা কখনই চরমভাবাপন্ন হয় না।
- বাংলাদেশে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার।
- তবে সর্বনিম্ন গড় বৃষ্টিপাত রাজশাহী অঞ্চলের লালপুরে (১১৭.৫ সেন্টিমিটার) এবং সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত সিলেট অঞ্চলের লালখানে (৬৩৭.৫ সেন্টিমিটার) পরিলক্ষিত হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশের উষ্ণতম স্থান: লালপুর, নাটোর।
- শীতলতম স্থান: শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
- বাংলাদেশের শীতলতম জেলা: সিলেট।
- সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়: লালাখাল, সিলেট।
- সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়: লালপুর, নাটোর।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা: কক্সবাজার।
- সর্ব উত্তরের জেলা: পঞ্চগড়।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা: রাঙামাটি।
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা: নারায়নগঞ্জ।

উৎস: i) বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
          ii) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
          iii) ২৪ জুন, ২০২৪, বণিক বার্তা। 
১২৬.
নিম্নের কোন নিয়ামকটি একটি অঞ্চলের বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণ করে না?
  1. অক্ষরেখা
  2. দ্রাঘিমারেখা
  3. উচ্চতা
  4. সমুদ্রস্রোত
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমারেখা কোনো অঞ্চল বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণ করে না।

জলবায়ু নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ামক:
- যে সব উপাদান আবহাওয়া এবং জলবায়ুর নিয়ন্ত্রণ ও পরিবর্তন সাধন করে তাদেরকে জলবায়ুর নিয়ামক বলে।

⇒ জলবায়ুর নিয়ামক:
১. অক্ষাংশ:
- বায়ুমণ্ডলের তাদের উৎস সূর্য।
- অক্ষাংশ অনুযায়ী সর্যকিরণ কোথাও লম্বভাবে আবার কোথাও তীর্যকভাবে পতিত হয়।
- নিরক্ষরেখায় সূর্যরশ্মি সারা বছর প্রায় লম্বভাবে পড়ে এবং দিন রাত্রির দৈর্ঘ্য প্রায় সমান হয়।
- তাই নিরক্ষীয় অঞ্চলে অধিক উষ্ণতা বিরাজ করে।

২. সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা:
- সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে ভূপৃষ্ঠের উচ্চতাও জলবায়ুকে প্রভাবিত করে।
- ফলে উচ্চতার ভিত্তিতে বায়ুর তাপমাত্রায় পার্থক্য দেখা যায়।
- একই অক্ষাংশে অবস্থিত বিভিন্ন স্থানের উচ্চতানুযায়ী তাপমাত্রার তারতম্য হয়ে থাকে।

৩. জল ও স্থলভাগের অবস্থান:
- জলভাগ অপেক্ষা স্থলভাগ স্থিতিশীল।
- তাই জল ও স্থলভাগের অবস্থানজনিত কারণে তাপের ব্যাপক পার্থক্য দেখা যায়।
- জলভাগের ওপর পতিত সূর্য তাপের একটা অংশ বাষ্পীভবনে ব্যয় হয় কিন্তু স্থলভাগের ওপর পতিত সূর্য তাপের খুব একটা অপচয় হয় না।
- ফলে জলভাগের চেয়ে স্থলভাগ অপেক্ষাকৃত উষ্ণ থাকে।

৪. পাহাড়-পর্বতের অবস্থান:
- পাহাড়-পবর্তের অবস্থান জলবায়ুর ওপর প্রভাব বিস্তার করে।
- পাহাড়-পর্বত কোনো স্থানের তাপ ও বৃষ্টিপাত নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. বনভূমির অবস্থান:
- জলবায়ু নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হলো বনভূমি।
- গভীর বনাঞ্চলে সূর্যকিরণ প্রবেশ করতে না পারায় স্থলভাগ উত্তপ্ত হয় না বলে জলবায়ু আর্দ্র থাকে।

৬. সমুদ্র থেকে দূরত্ব:
- সমুদ্রের নিকটবর্তী অঞ্চল সামুদ্রিক আবহাওয়া দ্বারা প্রভাবিত হয়।
- কারণ জলভাগ অপেক্ষা সস্থলভাগ দ্রুত উষ্ণ ও শীতল হয়।
- পক্ষান্তরে, সমুদ্র থেকে দূরবর্তী অঞ্চলের জলবায়ু চরমভাবাপন্ন হয় অর্থাৎ গ্রীষ্মে অধিক গরম এবং শীতকালে ব্যাপক শীত পড়ে।

৭. সমুদ্র স্রোত:
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর সমুদ্র স্রোতের যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।
 শীতল স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু শীতল এবং উষ্ণ স্রোতের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ু উষ্ণ হয়।

৮. বায়ুপ্রবাহ:
- বায়ুপ্রবাহ জলবায়ুকে বহুলাংশে নিয়ন্ত্রণ করে।
 সমুদ্র হতে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু কোনো এলাকার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলে সে এলাকায় বৃষ্টিপাত হয় এবং উত্তাপ হ্রাস পায়।

৯. বৃষ্টিপাত:
- বৃষ্টিপাত আবহাওয়া ও জলবায়ুকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো স্থানে বৃষ্টিপাত হলে সেখানে উত্তাপ হ্রাস পায়।
- কিন্তু বৃষ্টিপাত না হলে সেখানকার তাপমাত্রা উত্তপ্ত হয়ে যায়।

১০. ভূমির ঢাল:
- কোনো স্থানের জলবায়ুর ওপর ঢালের প্রভাব রয়েছে।
- যে ভূমির ঢাল সূর্যের দিকে থাকে তাতে সূর্যরশ্মি লম্বাভাবে পড়ে।
- ফলে সে স্থান বেশি উত্তপ্ত হয়।
- আবার যে ভূমির ঢাল সূর্যের বিপরীতে থাকে, তাতে সূর্যরশ্মি তীর্যকভাবে পড়ে। ফলে সে স্থান বেশি উত্তপ্ত হতে পারে না।

১১. জলীয়বাষ্প:
- জলীয়বাষ্প বায়ুমণ্ডলের তাপ সংরক্ষণে সহায়তা করে।
- বেশি জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু পৃথিবী থেকে তাপ বিকিরণে বাধার সৃষ্টি করে।
- বায়ুতে জলীয়বাষ্প বেশি পরিমাণে থাকলে তা দিনে খুব উষ্ণ ও রাতে খুব শীতল হতে পারে না।

১২. দিবাভাগের দৈর্ঘ্য:
- দিবাভাগে সূর্যের আলোতে ভূপৃষ্ঠ ও বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হয় এবং রাতে তাপ বিকিরণ করে পৃথিবী শীতল হয়।
- দিন বড় হলে ভূপৃষ্ঠ বেশি উত্তপ্ত হয় এবং ছোট রাতে তাপ বিকিরণের পরিমাণ কম থাকায় বায়ুমণ্ডল ক্রমান্বয়ে উত্তপ্ত হতে থাকে।

১৩. বায়ুর আর্দ্রতা:
- যে বায়ুতে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি, সে বায়ু জলবায়ুকে অধিক প্রভাবিত করতে পারে।
- ফলে উক্ত এলাকায় দিনে খুবই গরম পড়ে এবং রাতে খুবই শীত পড়ে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৭.
নিম্নের কোন আপদটি (Hazard) পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ?
  1. সড়ক দুর্ঘটনা
  2. তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ
  3. বায়ু দূষণ
  4. ক্যান্সার
ব্যাখ্যা
বায়ু দূষণ আপদটি (Hazard) পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ।

বায়ু দূষণ:
- বায়ু দূষণের ফলে বিশ্বময় উষ্ণায়নের সৃষ্টি হয়েছে।
- বায়ুর দূষকগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোঅক্সাইড, ওজোন, নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ, এরোসল প্রভৃতি।
- বায়ু দূষণের অন্যতম কারণ হলো- জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, যানবাহন ও কল-কারখানার ধোঁয়া, তেজস্ক্রিয় পদার্থ, ইটভাটা, অগ্ন্যুৎপাত প্রভৃতি।
- দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে বায়ু দূষণ মাত্রা অধিক।
- বায়ু দূষণের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় মানব স্বাস্থ্য।
- দূষিত বায়ু গ্রহণের মাধ্যমে শুধুমাত্র শ্বাস-প্রশ্বাসই নয় এর মাধ্যমে জীবনও বিপন্ন হতে পারে।
- বায়ু দূষণের ফলে শ্বাসনালীতে জ্বালা, কাশি ও দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- বিশেষ করে সালফারের অক্সাইডগুলো ফুসফুসে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ।
- নাইট্রোজেনের অক্সাইডগুলোর বিষাক্ত প্রতিক্রিয়ায় ফুসফুস ফুলে যায় এবং ফুসফুসে পানি জমে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
- অতিমাত্রায় বায়ু দূষণ দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি, শ্বাসনালীর প্রদাহ ও কণ্ঠস্বর ভঙ্গের কারণ হতে পারে।
- মানুষের প্রায় প্রত্যেকটি অঙ্গতন্ত্রে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।
- ক্যান্সার , নিউমোনিয়া , জন্ডিসসহ নানা রোগ পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ।


⇒ ‘আপদ (Hazard):
- আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ক্রটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- এর ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে।
- দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।
- সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।

উল্লেখ্য,
- প্রাকৃতিক আপদ: ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বজ্রঝড়, টর্ণেডো, বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, নদী ভাঙ্গন ইত্যাদি।
- মানবসৃষ্ট আপদ: ভবনধ্বস, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
- কারিগরি আপদ: বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ড, শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা, পারমানবিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি।

উৎস: i) ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
১২৮.
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. নতুন দিল্লি
  2. কলম্বো
  3. ঢাকা
  4. কাঠমান্ডু
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের গুজরাটে অবস্থিত।

SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫, ঢাকায়।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।

উল্লেখ্য,
সার্কের কিছু আঞ্চলিক কেন্দ্র সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশে অবস্থিত।
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গুজরাত, গান্ধীনগর ভারত,
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলংকা,
- সার্ক কৃষিবিষয়ক কেন্দ্র ও আবহাওয়া গবেষণা কেন্দ্র: ঢাকা, বাংলাদেশ,
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইচআইভি/এইডস কেন্দ্র: কাঠমান্ডু, নেপাল,
- সার্ক শক্তি কেন্দ্র: পাকিস্তান,
- সার্ক বন গবেষণা কেন্দ্র: থিম্পু, ভুটান,
- সার্ক মানব সম্পদ উন্নয়ন কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান,
- সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: মালদ্বীপ,

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
১২৯.
কোন পর্যায়ে দুর্যোগের ক্ষতি মূল্যায়ন করা হয়?
  1. উদ্ধার পর্যায়ে
  2. প্রভাব পর্যায়ে
  3. সতর্কতা পর্যায়ে
  4. পুনর্বাসন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
পুনর্বাসন পর্যায়ে দুর্যোগের ক্ষতি মূল্যায়ন করা হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- সাধারণভাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করার জন্য দুর্যোগ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সময়ে যে কৌশল ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় সেগুলোর সমন্বিতরূপকে বুঝায়।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না বলে ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসের জন্য বিভিন্নমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
- নতুবা দুর্যোগে সবকিছু হারিয়ে মানবজীবন হয়ে উঠে দুর্বিষহ।
- দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি হ্রাসে বর্তমানে বিশ্বব্যাপী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত আলোচিত বিষয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য:
১. দুর্যোগকালীন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
২. দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ জনগণের জন্য স্বল্প সময়ে প্রয়োজনীয় ত্রাণ, চিকিৎসাসামগ্রী ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
৩. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র (Disaster Management Cycle):
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রকে দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়। যথা-
ক. দুর্যোগ পূর্ব ঝুঁকি হ্রাস পর্যায় এবং
খ. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার পর্যায়।

⇒ ‘‘পুনর্বাসন’’ অর্থ-
-  দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পূর্বাবস্থায় বা অধিকতর ভাল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা;
- ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর মানসিক, অর্থনৈতিক ও ভৌত কল্যাণ সাধনসহ তাদের সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আক্রান্ত এলাকায় স্বাভাবিক জীবন, জীবিকা ও কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনা;
- ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে, প্রয়োজনে, অন্যত্র স্থানান্তর করা;
- ক্ষতিগ্রস্ত গবাদি পশু, মৎস্য, ইত্যাদির সু-চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং, প্রযোজ্য ক্ষেত্রে, সংশ্লিষ্ট খামার পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা;
- পুকুর, নদী-নালা, খাল, বিল, জলাধারে মৃত মানুষ, গবাদি পশু, মৎস্য, ইত্যাদি অপসারণের ত্বড়িৎ ব্যবস্থা করা এবং এদের বিষাক্ত পানি শোধনের ব্যবস্থা করাসহ মানুষ ও জীব-জন্তুর জন্য বিশুদ্ধ ও নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা;
- ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বিষাক্ততা অপসারণের লক্ষ্যে বিষাক্ত জীবাণু ও ময়লা-আবর্জনা পরিস্কারের ব্যবস্থাসহ এটি হতে উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

উৎস: i) ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
১৩০.
নিম্নের কোন দুর্যোগটি বাংলাদেশের জনগণের জীবিকা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে?
  1. ভূমিকম্প
  2. সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি (Sea level rise)
  3. ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস
  4. খরা বা বন্যা
ব্যাখ্যা
সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি (Sea level rise) দুর্যোগটি বাংলাদেশের জনগণের জীবিকা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে।

সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি:
- বাংলাদেশের উপকূল (৭১৬ কি.মি.) অঞ্চল সমুদ্র সমতলের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, জলাবদ্ধতা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙন ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ দ্বারা অনবরত ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
- ফলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসরত অসংখ্য নিম্নআয়ের মানুষ প্রতিনিয়ত নানা ধরনের দুর্যোগ দ্বারা বিপদাপন্ন অবস্থায় পতিত হচ্ছে।

লবণাক্ততা বৃদ্ধি:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- লবণাক্ততার কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি অংশের কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা বদলে যাচ্ছে।
- বিগত তিন দশকে খুলনা জেলায় লবণাক্ততা বেড়েছে সবচেয়ে বেশি, ২১ শতাংশ।
- খুলনার পরেই বাগেরহাট।
- সেখানে লবণাক্ততা বেড়েছে ১৫.৮৮ শতাংশ।
- নড়াইল, যশোর ও গোপালগঞ্জে লবণাক্ততা একেবারেই ছিলনা।
- অথচ সেখানকার জমিতেও লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- উপকূল এবং তীরবর্তী এলাকায় ১৪ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকায় লবণাক্ত মাটি রয়েছে।
- এ অবস্থায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সেন্টিমিটার বাড়লে লবণাক্ততা আরো ভিতরের দিকে আসবে এবং কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হবে।
- লবণাক্ততা বর্ষা মৌসুমে ১০ শতাংশ থাকলেও শুষ্ক মৌসুমে তা বেড়ে ৪০ শতাংশ হয় (দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ, ২০২০)।
- লবণাক্ততা বাংলাদেশে ক্রমেই বাড়ছে।
- ১৯৭৩ সালে লবণাক্ততাপূর্ণ অঞ্চল ছিল ৮৩.৩ মিলিয়ন হেক্টর, ২০০০ সালে ১০২ মিলিয়ন হেক্টর এবং ২০০৯ সালে ১০৫.৬ মিলিয়ন হেক্টর এবং ২০১৯ সালে ১০৯.৮ মিলিয়ন হেক্টর (ইউএসবি এবং আইপিএস রিপোর্ট, ২০২০)।

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা এবং জোয়ারের উচ্চতা বৃদ্ধি:
- ধারণা করা হয় জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে।
- ফলশ্রুতিতে উপকূলীয় অঞ্চলে ভাঙনও বৃদ্ধি পেয়েছে।
- সমুদ্র ভাঙনের কবলে পড়ে কুতুবদিয়া ও সন্দ্বীপের বিস্তীর্ণ এলাকা সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
- পূর্ব হিমালয় অঞ্চলে বছরে যত পানি প্রবাহিত হয় তার ৯০ শতাংশের অধিক বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়ে।
- ইউএনডিপি ২০১৯ এর রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৮ সালে চরচঙ্গা স্টেশন হাতিয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়েছে ৫.৭৩ মিলিমিটার এবং একই সময়ে হিরণ পয়েন্টে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়েছে ৩.৩৮ মিলিমিটার।

উৎস: i) বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩১.
আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ-
  1. ধুলিকণা
  2. বায়ুস্তর
  3. বৃষ্টির কণা
  4. অতিবেগুনি রশ্মি
ব্যাখ্যা
- সূর্য থেকে যে আলোর রশ্মি পৃথিবীতে আসে তার রঙ মূলত সাদা। 
- এই সাদা রঙের ভেতরে বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি রং বিদ্যমান থাকে। 
- সাদা আলোর একটি বিশেষ ধর্ম আছে যা প্রিজমের মধ্য দিয়ে গমন করলে সাদা আলো সাতটি ভিন্ন রঙে বিশ্লেষিত হয়ে যায়। 
- আকাশে যখন বৃষ্টি পড়ে তখন বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ভাসমান প্রিজমের মতো কাজ করে। 
- সূর্য হতে আলো বৃষ্টির ফোঁটার একপাশ দিয়ে প্রবেশ করে বের হবার সময় সাত রঙের বর্ণালী সৃষ্টি করে। 
- বৃষ্টির ফোঁটা বা কণার প্রিজমসুলভ বৈশিষ্ট্যের কারণেই সৃষ্টি হয় রংধনু।  
- বৃষ্টির ফোঁটা হতে বের হওয়া সাত রঙের আলো আমাদের চোখে এসে পৌঁছায় বলেই আমরা রংধনুকে দেখতে পাই। 
- ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় আলোকরশ্মি যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে মাধ্যম দুটির সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়, তবে ওই আপতিত রশ্মি, দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হওয়ার পর ওর সবটুকুই প্রতিফলিত হয়ে আবার ঘন মাধ্যমেই ফিরে আসে, এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ  প্রতিফলন বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩২.
ইস্টের সংশ্লিষ্টতা নেই কোন শিল্পে?
  1. মদ্য শিল্পে (Wine industry)
  2. রুটি শিল্পে (Bakery)
  3. সাইট্রিক এসিড উৎপাদন
  4. এক কোষীয় প্রোটিন (Single-cell-protein) তৈরিতে
ব্যাখ্যা
- ইস্ট একটি ছত্রাক জাতীয় এককোষী অণুজীব। 
- বেকারি ও মদ্য শিল্পে ইথানল প্রস্তুতিতে ইস্ট ব্যবহৃত হয়। 
- এছাড়াও এক কোষীয় প্রোটিন তৈরীতে ঈস্ট ব্যবহৃত হয়। 
- ইস্ট ভিটামিনসমৃদ্ধ বলে ট্যাবলেট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- এছাড়া খাদ্যোপযোগী এককোষীয় প্রোটিন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। 
- সাইট্রিক এসিড বা ভিটামিন সি উৎপাদনে ইস্টের ব্যবহার নেই। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৩.
চন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের-
  1. দশ ভাগের একভাগ
  2. ছয় ভাগের একভাগ
  3. তিন ভাগের একভাগ
  4. চার ভাগের একভাগ
ব্যাখ্যা
- চন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ। 
- কোন বস্তুকে পৃথিবী তার কেন্দ্রের দিকে যে বলে আকর্ষণ করে, তাকে ঐ বস্তুর ওজন বলে। 
- পৃথিবী থেকে যতই উপরে উঠা যায় বস্তুর ওজন ততই কমতে থাকে। 
- চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে এ বস্তুর ওজনের ছয় ভাগের এক ভাগ (১/৬) হয়। 
অর্থাৎ, পৃথিবীতে কোন বস্তুর ওজন ৬০ নিউটন হলে চাঁদে এ জিনিসের ওজন ১০ নিউটন হবে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১৩৪.
মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তরের (First line of defence) অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. লাইসোজাইম (LYSOZYME)
  2. গ্যাসট্রিক জুস (GASTRIC JUICE)
  3. সিলিয়া (CILIA)
  4. লিম্ফোসাইট (LYMPHOCYTES)
ব্যাখ্যা
ইম্যুনাইজেশন: 
- মানুষের শরীরের সংক্রামক রোগের প্রতিরোধক তৈরি করার প্রক্রিয়াকে ইম্যুনাইজেশন বলে। 
- রোগ জীবাণু কিংবা পরজীবী আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য মানবদেহে সাধারণভাবে তিন ধরনের প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা লক্ষ করা যায়। 
যেমন- 
প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর: 
- প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রথম স্তর হলো প্যাথোজেনকে (রোগজীবাণুকে) দেহের অভ্যন্তরে প্রবেশে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা। 
- এ ব্যবস্থায় আছে ত্বক, সিলিয়া ও মিউকাস, লাইসোজাইম এনজাইম, এসিড ও রক্ত জমাট ইত্যাদি। 

দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর: 
- শ্বেত রক্তকণিকা থেকে উৎপন্ন বিভিন্ন ধরনের ফ্যাগোসাইটিক কোষ (ম্যাক্রোফেজ, নিউট্রোফিল ইত্যাদি), প্রদাহ সৃষ্টিকারী সাড়া ও দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রভৃতি দেহে দ্বিতীয় স্তরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলে। 
- এ ব্যবস্থায় আছে ব্যাথাদায়ক সাড়া, ফ্যাগোসাইটসমূহ, কমপ্লিমেন্ট, ইন্টারফেরন এবং ন্যাচারাল কিলার সেল।  

তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর: 
- ইমিউনিটি জনিত সাড়া (immune response) তৃতীয় স্তরীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অন্তর্গত এবং এটি নির্দিষ্টভাবে (In specific) প্রতিরক্ষা প্রদান করতে পারে। 
অর্থাৎ, বিশেষ বিশেষ জীবাণু বা পরজীবীর বিরুদ্ধে কিংবা বিশেষ কোনো অ্যান্টিজেন প্রতিরোধের জন্য এই ব্যবস্থায় ভিন্ন রকমের প্রতিহত পন্থা দেখা যায়। 
- এ ব্যবস্থায় আছে লিম্ফোসাইট, MHC অণু এবং ক্লোনাল সিলেকশন। 

উৎস: জীববিজ্ঞান-প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।
১৩৫.
নিচের কোনটি ভাইরাসের (VIRUS) জন্য সত্য নয়?
  1. ডিএনএ বা আরএনএ থাকে
  2. শুধুমাত্র জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে
  3. স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত (CRYSTALIZATION)
  4. রাইবোজোম (Ribosome) থাকে
ব্যাখ্যা
ভাইরাসে জীব বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাসে নিউক্লিক অ্যাসিড হিসেবে DNA বা RNA থাকে। 
- পোষক কোষের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে। 
- এদেরকে Crystal বা স্ফটিক দানায় রূপান্তর করা যায়। 
- এতে জেনেটিক রিকম্বিনেশন ঘটতে দেখা যায়। 
- ভাইরাস মিউটেশন ঘটাতে এবং প্রকরণ তৈরি করতে সক্ষম। 
- নতুন সৃষ্ট ভাইরাসে মূল ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য বজায় থাকে অর্থাৎ একটি ভাইরাস তার অনুরূপ ভাইরাস জন্ম দিতে পারে। 

ভাইরাসে জড় বৈশিষ্ট্য: 
- ভাইরাস অকোষীয়, এদের সাইটোপ্লাজম, কোষ ঝিল্লী, কোষ প্রাচীর, মাইটোকন্ড্রিয়া, নিউক্লিয়াস, রাইবোসোম ইত্যাদি থাকে না। 
- এদের বিপাকীয় এনজাইম এবং পুষ্টি প্রক্রিয়া অনুপস্থিত। 
- এদের কোন জৈবিক কার্যকলাপ যেমন প্রজনন অন্য সজীব কোষ ছাড়া ঘটতে পারে না। 
- ভাইরাসকে কেলাসিত করা যায়, সেন্ট্রিফিউজ করা যায়, ব্যাপন করা যায়, পানির সাথে মিশিয়ে সাসপেনশন তৈরি করা যায় এবং তলানিও করা যায়। 
- জীবকোষের বাইরে ভাইরাস রাসায়নিক কণার ন্যায় নিষ্ক্রিয় থাকে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৬.
তাপ ইঞ্জিনের কাজ- (Heat Engine)
  1. যান্ত্রিকশক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর
  2. তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর
  3. বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর
  4. তাপশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর
ব্যাখ্যা
তাপীয় ইঞ্জিন: 
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। 
যেমন- বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি। 
- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে। 
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে। 
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে। 
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে। 
- অর্থাৎ ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে। 
- ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?
  1. ২৮০ m/s
  2. ৩৩২ m/s
  3. ১১২০ m/s
ব্যাখ্যা
শব্দের মাধ্যম: 
- কঠিন পদার্থের মাধ্যমে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়। 
- শব্দ এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ। 
- তাই শব্দ চলার জন্য মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। 
- শব্দের বেগ কঠিন পদার্থে সবচেয়ে বেশি (যেমন- ইস্পাত, লোহা) হয়। 
- তরল পদার্থের গতি কঠিন পদার্থের চেয়ে কম (যেমন- পানি) হয়। 
- বায়োবীয় পদার্থে সবচেয়ে কম। 
- আর শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য (০)। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৮.
দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি, কোন রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে?
  1. হাইপো-থাইরয়ডিজম (HYPOTHYROIDISM)
  2. রাতকানা
  3. এনিমিয়া
  4. কোয়াশিয়রকর (KWASHIORKOR)
ব্যাখ্যা
- সামুদ্রিক মাছ/শৈবাল আয়োডিনের ভাল উৎস। 
- আয়োডিনের অভাবে হাইপো-থাইরয়ডিজম বা গলগণ্ড রোগ হয়। 
- ফলে দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি থাকলে আয়োডিনের অভাবজনিত হাইপো-থাইরয়ডিজম রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে। 
- থাইরয়েড গ্রন্থির অস্বাভাবিক বৃদ্ধিকেই গলগণ্ড (Goitre) বলে। 
- গলগন্ড (Goiter)  খাদ্য ও খাবার পানিতে আয়োডিনের অভাব, সংক্রমণজনিত প্রদাহ, টিউমার, অথবা গলগ্রন্থির কম কার্যকারিতার কারণে গলগ্রন্থির (thyroid) অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। 

- ''Severe and prolonged iodine deficiency, may lead to a deficient supply of thyroid hormones. This condition is referred to as hypothyroidism.'' 

উৎস: WHO and US National Library of Medicine National Institutes of Health এবং বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
১৩৯.
গ্রিনহাউজ কি?
  1. কাঁচের তৈরি ঘর
  2. সবুজ আলোর আলোকিত ঘর
  3. সবুজ ভবনের নাম
  4. সবুজ গাছপালা
ব্যাখ্যা
- গ্রিনহাউস অত্যধিক ঠান্ডা বা তাপের বিরুদ্ধে কোমল বা ঋতু-বহির্ভূত উদ্ভিদের সুরক্ষার জন্য ডিজাইন করা ভবন। 
- গ্রিনহাউসটি একটি ন্যূনতম কাঠের বা ধাতব কঙ্কাল সহ কাঁচের তৈরি একটি ছাদযুক্ত এবং প্রাচীরযুক্ত কাঠামোতে বিকশিত হয়। 
- আধুনিক গ্রিনহাউস সাধারণত একটি গ্লাস বা প্লাস্টিক-ঘেরা ফ্রেমযুক্ত কাঠামো যা ফল, শাকসবজি, ফুল এবং অন্য যেকোনো উদ্ভিদের উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং যার জন্য তাপমাত্রার বিশেষ প্রয়োজন হয়। 


উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
১৪০.
কোনটি জারক পদার্থ নয়?
  1. হাইড্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. ক্লোরিন
  4. ব্রোমিন
ব্যাখ্যা
জারক পদার্থ (Oxidant): 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক বলে অর্থাৎ জারক পদার্থ ইলেকট্রন গ্রহীতা। 
- জারক ইলেকট্রন গ্রহণের পর নিজে বিজারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন গ্রহণের প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি জারকধর্মী হয়। 
যেমন- SO2, O2, Cl2, Br2, HNO3, H2SO4, H2O2 ইত্যাদি জারক পদার্থ। 

বিজারক পদার্থ (Reductant): 
- জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন দান করে তাকে বিজারক বলে অর্থাৎ বিজারক পদার্থ ইলেকট্রন দাতা। 
- বিজারক ইলেকট্রন দান করার পর নিজে জারিত হয়। 
- যে পদার্থের ইলেকট্রন দান করার প্রবণতা যত বেশি, সে পদার্থ তত বেশি বিজারকধর্মী হয়। 
যেমন- H, Li, Na, K, Rb প্রত্যেকেই তীব্র বিজারক। 
- এছাড়াও Mg, Ca, SO2, H2S, H2O2 প্রভৃতি বিজারক পদার্থ। 

উল্লেখ্য যে, 
- SO2 একই সাথে জারক এবং বিজারক হিসেবে কাজ করে। 
- H2O2 সচরাচর জারকের মত ব্যবহার করলেও অম্লীয় বা ক্ষারীয় দ্রবণে বিজারক হিসেবে কাজ করে। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পশ্চিমবঙ্গ, ইন্ডিয়া।
১৪১.
নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে কি বলা হয়?
  1. ফিশন
  2. মেসন
  3. ফিউশন
  4. ফিউশন ও মেসন
ব্যাখ্যা
- নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে ফিশন বলা হয়। 

পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে শক্তি উৎপন্নের প্রক্রিয়া: 
- পরমাণুর নিউক্লিয়াস হতে দুটি প্রক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণ শক্তি উৎপন্ন করা যায়। 
যথা: 
১. নিউক্লিয়ার ফিশন বা নিউক্লীয় বিভাজন: 
- যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস শক্তিশালী কণিকার আঘাতের ফলে প্রায় সমান দুটি খন্ডে বিভক্ত হয় এবং বিপুল পরিমাণ শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিশন বলে। 

২. নিউক্লিয়ার ফিউশন বা নিউক্লীয় সংযোজন: 
- যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস যুক্ত হয়ে একটি ভারী নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং তাতে প্রচুর শক্তি নির্গত হয় তাকে নিউক্লিয়ার ফিউশন বলে। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪২.
ধরিত্রী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. আফ্রিকার জোহানেসবার্গে
  2. ব্রাজিলের রিওডিজেনিরোতে
  3. ইতালির রোমে
  4. যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে
ব্যাখ্যা
ধরিত্রী সম্মেলন: 
- ১৯৯২ সালে ৩-১৪ জুন পৃথিবীর জলবায়ু রক্ষার্থে ব্রাজিলের রিও ডিজেনিরিও-তে ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- এটি প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত। 

এছাড়াও, 
• ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ৫’ অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে। 
- এটি ১৯৯৭ সালে সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। 
- এটি বিশেষ ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত। 

• ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ১০’ অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ২০০২ সালে। 
- এটি দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন নামে পরিচিত। 

• ‘রিও বা ধরিত্রী সম্মেলন + ২০’ অনুষ্ঠিত হয় ব্রাজিলের রিও-ডিজেনিরোও-তে ২০১২ সালে। 
- এটি তৃতীয় সম্মেলন নামে পরিচিত। 

উৎস: Britannica.com & un website. [লিঙ্ক]।
১৪৩.
বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশি?
  1. মেরু অঞ্চলে
  2. বিষুব অঞ্চলে
  3. পাহাড়ের ওপর
  4. পৃথিবীর কেন্দ্রে
ব্যাখ্যা
- বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর উপর নির্ভরশীল। 
- অভিকর্ষজ ত্বরণ g এর আদর্শমান ৯.৮ মিটার/সেকেন্ড । 
- যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সেই স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। 
- বিষুবীয় অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে কম তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম হয়। 
- মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি তাই বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়। 
- পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
১৪৪.
প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন কি পরিমাণ থাকে?
  1. ৪০ - ৫০ ভাগ
  2. ৬০ - ৭০ ভাগ
  3. ৮০ - ৯০ ভাগ
  4. ৩০ - ২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস: 
- প্রাকৃতিক গ্যাস শক্তির একটি পরিচিত উৎস। 
- গ্যাসের সাহায্যে তাপশক্তি উৎপাদিত হয় এবং তা থেকে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত হয় বিদ্যুৎ। 
- ভূগর্ভ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচন্ড তাপ ও চাপ এ ধরনের গ্যাস সৃষ্টির মূল কারণ। 
- পেট্রোলিয়াম কূপ থেকে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন গ্যাস। 
- এই সকল শক্তিকে জীবাশ্ম শক্তিও বলা হয়। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসে সবচেয়ে বেশি পরিমানে থাকে মিথেন। 
- প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলাে হলাে- 
মিথেন- ৮০-৯০%, 
• ইথেন- ১৩%, 
• প্রােপেন- ৩%। 
- এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেনও কিছু পরিমাণ থাকে। 
- আমাদের বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫-৯৯%। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৫.
চা পাতায় কোন ভিটামিন থাকে?
  1. ভিটামিন 'ই'
  2. ভিটামিন 'কে'
  3. ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
  4. ভিটামিন 'এ'
ব্যাখ্যা
- চা পাতা, বৃষ্টির পানিতে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স থাকে। 
- শাকসবজি, তৈলবীজ এবং হাঙ্গর মাছের যকৃতের তেলে ভিটামিন-ই পাওয়া যায়। 
- সবুজ শাকসবজি, দুগ্ধজাত দ্রব্য ভিটামিন-কে এর প্রধান উৎস। 
- মাছের তেল, দুধ, মলা মাছ, মাছের মাথা এবং গাজরে সর্বাধিক ভিটামিন-এ রয়েছে। 
- স্নেহে দ্রবণীয় ভিটামিন হলো- ভিটামিন A, ভিটামিন D, ভিটামিন E ও ভিটামিন K . 
- পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন হলো ভিটামিন B কমপ্লেক্স এবং ভিটামিন C . 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবংবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪৬.
কম্পিউটার সিপিইউ (CPU)-এর কোন অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে?
  1. এ. এল. ইউ (ALU)
  2. কন্ট্রোল ইউনিট (control unit)
  3. রেজিস্টার সেট (Register set)
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার সিপিইউ এর Arithmetic Logic Unit (ALU) গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে।

• কম্পিউটার সিপিইউ:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmatic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)

• গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- আবার কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৭.
"একটি ২ (দুই) ইনপুট লজিক সেটের আউটপুট ০ হবে, যদি এর ইনপুটগুলো সমান হয়"- এই উক্তিটি কোন সেটের জন্য সত্য?
  1. AND
  2. NOR
  3. Ex-OR
  4. OR
ব্যাখ্যা
• যদি Ex-OR Gate (XOR) গেটের ক্ষেত্রে উভয় ইনপুট এর মান সমান হলে, তবে লজিক সেটের আউটপুটের মান ০ হয়।তবে ইনপুট এর মান ভিন্ন হলে আউটপুট ১ হয়।

- AND, OR এবং NOR গেটের ক্ষেত্রে, উভয় ইনপুটের মান একই হলে আউটপুট 0 অথবা 1 দুইটিই হতে পারে।[ইনপুট দুইটি 0 হলে আউটপুট 0, ইনপুট দুইটি 1 হলে আউটপুট 1]
১৪৮.
কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. C
  2. DOS
  3. CP/M
  4. XENIX
ব্যাখ্যা
• C একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। সি নির্মাণ করেন ডেনিস রিচি।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
• বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
- XENIX হলো UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪৯.
ক্লাউড সার্ভার নিচের কোনটিতে সবচেয়ে ভালো বর্ণনা করা সম্ভব?
  1. নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার
  2. একটি বিশাল ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার সার্ভার
  3. ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
  4. উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করাকে ক্লাউড কম্পিউটিং বলে।
- ১৯৬০ সালে জন ম্যাকর্থি সর্বপ্রথম ক্লাউড কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা দেন।
- ২০০৫ সাল থেকে আমাজন ডট কম ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড বা EC2 ব্যবহার শুরু করে।
- ২০০৬ সালে আমাজন ওয়েব সার্ভিস সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST) অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে। যথা-
১. Resource Flexibility/Scalability:
-ক্রেতা যত চাইবে, সেবাদাতা ততই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. On Demand:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা যখন খুশি তার ইচ্ছায় তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. Pay as you go:
- ক্রেতাকে আগে থেকে কোনো সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না।
- ক্রেতা যা ব্যবহার করবে, কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের বৈশিষ্ট থেকে বলা যায় সঠিক উত্তর হবে- 'ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া'।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৫০.
IP-V6 এড্রেস কত বিটের?
  1. ১২৮
  2. ৩২
  3. ১২
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হলো এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত।
- এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট ।

• IPV6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৮ টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে ১৬ বিটের বাইনারি সংখ্যা।- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট ১২৮ বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৫১.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. OMR
  2. COM
  3. Plotter
  4. Monitor
ব্যাখ্যা
• OMR একটি ইনপুট ডিভাইস এবং বাকিগুলো আউটপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- উদাহরণ: কী-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
- উদাহরণ: পেনড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

- COM (Communication Port) হলো একটি সিরিয়াল পোর্ট যা কম্পিউটার এবং অন্যান্য ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত RS-232 স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫২.
ইউনিকোডের মাধ্যমে সম্ভাব্য কতগুলো চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ২৫৬টি
  2. ৪০৯৬টি
  3. ৬৫৫৩৬টি
  4. ৪২৯৪৯৬৭২৯৬টি
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোডের মাধ্যমে ৬৫৫৩৬টি চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code।
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোডের Standard এ প্রত্যেকটা বর্ণের জন্য 000016 থেকে শুরু করে 10FFFF16 এর ভেতর একটি সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে।
- ফলে ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- অর্থাৎ, এখানে প্রতিটি ভাষার জন্য 4 বাইট পর্যন্ত স্থান সংরক্ষণ করা আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৫৩.
এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এটির নির্মাতা গুগল
  2. এটি লিনাক্স (Linux) কার্নেল নির্ভর
  3. এটি প্রধানত টাচস্ক্রিন মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি
  4. উপরের সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
• এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্স কার্নেলের উপর নির্ভর করে টাচস্ক্রিন স্মার্টফোনের জন্য নির্মিত এবং এর নির্মাতা গুগল।

• Android:
- Android হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- Open Handset Alliance এই অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করে এবং পরে গুগল এটি কিনে নেয়।
- এটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার।
- Android হলো একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
১৫৪.
আইওএস (IOS) মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
  1. অ্যাপেল
  2. গুগল
  3. মাইক্রোসফট
  4. আইবিএম
ব্যাখ্যা
• অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যেটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের কুপারটিনোতে অবস্থিত।
- ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল অ্যাপল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- IOS মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি বাজারপজাত করে অ্যাপল।
- Founders: Steve Jobs, Steve Wozniak, Ronald Wayne.
- Headquarters: Cupertino, California, United States.
- CEO: Tim Cook

উৎস: apple.com
১৫৫.
EDSAC কম্পিউটার-এ ডাটা সংরক্ষণের জন্য কি ধরনের মেমরী ব্যবহার হতো?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Mercury Delay Lines
  4. Registors
ব্যাখ্যা
- EDSAC -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Electronic Delay Storage Automatic Calculator।
- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক Maurice Wilkes এর নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালে EDSAC কম্পিউটারটির নির্মাণ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালে এতে প্রথম প্রোগ্রাম run করে।
- ইনপুট যন্ত্র হিসাবে punched tape ব্যবহৃত হতো।
- এই কম্পিউটারের মেমরি হিসাবে Mercury Delay Line tubes ব্যবহৃত হতো।
- EDSAC একটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৫৬.
ই-কমার্স সাইট amazon.com কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
• আমাজন:
- বিশ্বের সর্ববৃহৎ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হলো আমাজন।
- আমাজন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ই-কর্মার্স সাইট।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে।
- আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছে জেফ বেজোস (Jeff Bezos)।
- আমাজনের বর্তমান সিইও Andy Jassy ।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

উৎস:
১. অ্যামাজন ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
১৫৭.
ই-মেইল আদান প্রদানে ব্যবহৃত SMTP-এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Simple Message Transmission Protocol
  2. Strategic Mail Transfer Protocol
  3. Strategic Mail Transmission Protocol
  4. Simple Mail Transfer Protocol
ব্যাখ্যা
• ইমেইল সংক্রান্ত প্রোটোকলসমূহ:
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• SMTP:
- STMP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.

- যে সকল মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কেউ বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়।
- আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
- SMTP প্রোটোকল পোর্ট 25 এর মাধ্যমে সংযোগ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৫৮.
TCP দিয়ে কোনটি বোঝানো হয়?
  1. প্রোগ্রাম
  2. প্রোটোকল
  3. প্রোগ্রামিং
  4. ফ্লোচার্ট
ব্যাখ্যা
• TCP:
- TCP এর পূর্ণরূপ: Transmission Control Protocol.
- ইন্টারনেটে তথ্য আদান-প্রদান প্রক্রিয়া বা ট্রান্সমিশন কন্ট্রোল প্রটোকলের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে টিসিপি।
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের সঙ্গে নিরাপদে সংযোগ স্থাপন অনেকটা টিসিপির ওপর নির্ভর করে।
- ই-মেইলের মতো ইন্টারনেটের বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনেও টিসিপি ব্যবহার করা হয়।
- টিসিপির প্রধান কাজ তিনটি:
১. 'বাইট স্ট্রিম' সরবরাহ করা।
২. সংযোগবিষয়ক।
৩. আস্থা স্থাপন।
- কয়েকটি ছোট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি ফাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- এ কারণেই প্রেরণ করার সময় ফাইলগুলো অন্য লিঙ্কে প্রবেশ করা থেকে এবং হারিয়ে যাওয়া থেকে বিরত থাকে।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫৯.
Push এবং Pop নিচের কার সাথে সম্পর্কিত?
  1. Queue
  2. Stack
  3. Union
  4. Array
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, স্ট্যাকের (Stack) দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা- Push এবং Pop.
- Stack কে বলা হয় LIFO (Last In First Out) ডেটা স্ট্রাকচার।
- এ যে ডেটা শেষে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় LIFO।
- প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, স্ট্যাকের (Stack) দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা Push এবং Pop.
- স্ট্যাকের উপরে একটি আইটেম রাখাকে পুশ (Push) বলা হয়।
- স্ট্যাকের উপর থেকে একটি আইটেম অপসারণ করাকে পপ (Pop) বলা হয়।
- Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় FIFO (First In First Out)।
- FIFO- Queue এর সাথে সম্পর্কিত।
- একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে (Array) বলা হয়।

উৎস:
1. Computerhope Website.
2. geeksforgeeks website.
১৬০.
ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) নেটওয়ার্কে সংযোগের জন্য সংশ্লিষ্ট ডিভাইসটির সংযোগ মাধ্যম কোনটি?
  1. তামার তার
  2. অপটিক্যাল ফাইবার
  3. তারহীন সংযোগ
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• Wi-Fi:
- Wi-Fi শব্দের পূর্ণ অর্থ হলো Wireless Fidelity (ওয়্যারলেস ফিডেলিটি)।
- Wi-Fi শব্দটি Wi-Fi Alliance নামীয় স্বত্বাধিকারী সংস্থার নির্ধারিত ট্রেডমার্ক।
- ওয়াই-ফাই হলো জনপ্রিয় একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি, যেটি তারবিহীন উচ্চগতির ইন্টারনেট ও নেটওয়ার্ক সংযোগে বেতার তরঙ্গকে ব্যবহার করে থাকে।
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়ারল্যাস তারবিহীন LAN স্ট্যান্ডার্ড, যা প্রযুক্তিগতভাবে IEEE 802.11 নামে পরিচিত।
- ইন্টারনেট অ্যাকসেসের জন্য Wi-Fi নেটওয়ার্কযুক্ত এলাকাকে Hotspot বলা হয়।
- ওয়াই-ফাই এর কভারেজ এরিয়া 50 থেকে 200 মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ওয়াই-ফাই এর জনক ভিক্টর ভিক হেইয়েস।
- ওয়াই-ফাই এর ফ্রিকুয়েন্সি 2.4 GHz - 5 GHz.
- ওয়াই-ফাই এর ওয়্যারলেস অ্যকসেস পয়েন্ট হলো রাউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১৬১.
261 টি আম তিন ভাইয়ের মধ্যে (1/3) : (1/5) : (1/9)  অনুপাতে ভাগ করে দিলে প্রথম ভাই কতটি আম পাবে?
  1. 45
  2. 81
  3. 90
  4. 135
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 261টি আম তিন ভাইয়ের মধ্যে 1/3 : 1/5 : 1/9 অনুপাতে ভাগ করে দিলে প্রথম ভাই কতটি আম পাবে?

সমাধান:
আম পাওয়ার অনুপাত = 1/3 : 1/5 :1/9
= (1/3) × 45 : (1/5) × 45 : (1/9) × 45 
= 15 : 9 : 5 

 অনুপাতের রাশিগুলোর যোগফল = (15 + 9 + 5) = 29

অতএব, প্রথম ভাই পাবে, = 261 × (15/29) = 135
১৬২.
10% মুনাফায় 3000 টাকা এবং ৪% মুনাফায় 2000 টাকা বিনিয়োগ করলে মোট মূলধনের উপর গড়ে শতকরা কত হারে মুনাফা পাওয়া যাবে?
  1. 9%
  2. 9.2%
  3. ৪%
  4. 8.2%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 10% মুনাফায় 3000 টাকা এবং ৪% মুনাফায় 2000 টাকা বিনিয়োগ করলে মোট মূলধনের উপর গড়ে শতকরা কত হারে মুনাফা পাওয়া যাবে?

সমাধান:
10% হারে মুনাফা = (3000 × 1 × 10)/100= 300 টাকা
8% হারে মুনাফা = (2000 × 1 × 8)/100 = 160 টাকা

মোট মুনাফা = 300 + 160 = 460 টাকা
মোট আসল =(3000 + 2000 ) = 5000 টাকা

5000 টাকায় সুদ হয় 460 টাকা
1 টাকায় সুদ হয় 460/5000 টাকা
100 টাকায় সুদ হয় (460 × 100)/5000 টাকা
= 9.2%
১৬৩.
100 টাকায় 10টি ডিম কিনে 100 টাকায় ৪টি ডিম বিক্রয় করলে শতকরা লাভ কত হবে?
  1. 16%
  2. 20%
  3. 25%
  4. 28%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 100 টাকায় 10টি ডিম কিনে 100 টাকায় ৪টি ডিম বিক্রয় করলে শতকরা লাভ কত হবে?

সমাধান:
10 টি ডিমের ক্রয়মূল্য 100 টাকা
1টি ডিমের ক্রয়মূল্য 100/10 টাকা
= 10 টাকা

8 টি ডিমের বিক্রয়মূল্য 100 টাকা
1টি ডিমের বিক্রয়মূল্য 100/8 টাকা
= 25/2 টাকা

লাভ = (25/2) - 10
= (25 - 20)/2
= 5/2 টাকা

শতকরা লাভ = [{(5/2)/10} × 100]%
= (5/20) × 100%
= 25%
১৬৪.
x2 - 3x + 1 = 0 হলে (x2 - 1/x2) এর মান -
  1. 5√3
  2. 3√5
  3. 4√5
  4. 6√5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - 3x + 1 = 0 হলে (x2 - 1/x2) এর মান-

সমাধান:
x2 - 3x + 1 = 0
⇒ x2 + 1 = 3x
⇒ (x2 + 1)/x = (3x)/x
∴ x + 1/x = 3

আমরা জানি,
(x - 1/x)2 = (x + 1/x)2 - 4.x.(1/x)
⇒ (x - 1/x)2 = (3)2 - 4
⇒ (x - 1/x)2 = 9 - 4
⇒ (x - 1/x)2 = 5
∴ x - 1/x = √5

x2 - 1/x2 = (x)2 - (1/x)2
= (x + 1/x)(x - 1/x)
= 3√5
১৬৫.
x2 - 5x + 6 < 0 হলে-
  1. 2 < x <3
  2. - 3 < x < - 2
  3. x < 2
  4. x < 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:  x2 - 5x + 6 < 0 হলে-

সমাধান:
x2 - 5x + 6 < 0
বা, x2 - 2x - 3x + 6 < 0
বা, x(x - 2) - 3(x - 6) < 0
∴ (x - 2)(x - 3) < 0

x2 - 5x + 6 < 0 সত্য হবে যদি x - 2 < 0 এবং x - 3 > 0 হয়।
এখন, x - 2 < 0 এবং x - 3 > 0
অর্থাৎ,  x < 2 এবং x > 3
2 এর চেয়ে ছোট এবং 3 এর চেয়ে বড় x এর কোন মান নাই।
এক্ষেত্রে অসমতাটির কোন সমাধান পাওয়া যাবে না।

আবার,
x- 5x + 6 < 0 সত্য হবে যদি x - 2 > 0 এবং x - 3 < 0 হয়।
এখন,  x - 2 > 0 এবং x - 3 < 0
অর্থাৎ x > 2 এবং x < 3
x এর মান 2 এর চেয়ে বড় এবং 3 এর চেয়ে ছোট।
সুতরাং অসমতাটির সমাধান পাওয়া যাবে.  

সুতরাং নির্ণেয় সমাধানঃ 2 < x < 3
১৬৬.
দুই অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যা, অংকদ্বয়ের স্থান বিনিময়ের ফলে 54 বৃদ্ধি পায়। অংক দুটির যোগফল 12 হলে সংখ্যাটি কত?
  1. 57
  2. 75
  3. 39
  4. 93
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুই অংক বিশিষ্ট একটি সংখ্যা, অংকদ্বয়ের স্থান বিনিময়ের ফলে 54 বৃদ্ধি পায়। অংক দুইটির যোগফল 12 হলে সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
মনে করি,
একক স্থানীয় অংক = x
এবং দশক স্থানীয় অংক = (12 - x)
∴ সংখ্যাটি = {x + 10(12 - x)}
= 120 - 9x
আবার,
অংকদ্বয়ের স্থান বিনিময়ের পর সংখ্যাটি = {10x + (12 - x)}
= 9x + 12

প্রশ্নমতে,
(9x + 12) - (120 - 9x) = 54
বা, 9x + 12 - 120 + 9x = 54
বা, 18x - 108 = 54
বা, 18x = 54 + 108
বা, 18x = 162
বা, x = 162/18
∴ x = 9

∴ নির্ণেয় সংখ্যাটি = 120 - (9 × 9)
= 120 - 81
= 39
১৬৭.
logx(3/2) = - 1/2 হলে, x এর মান-
  1. 4/9
  2. 9/4
  3. √3/2
  4. √2/3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: logx(3/2) = - 1/2 হলে, x এর মান-

সমাধান:
logx(3/2) = - 1/2
বা, x- 1/2 = 3/2
বা, 1/x1/2 = 3/2
বা, x1/2 = 2/3
বা, (x1/2)2 = (2/3)2
∴ x = 4/9
১৬৮.
একটি সমান্তর অনুক্রমে সাধারণ অন্তর 10 এবং 6 তম পদটি 52 হলে 15 তম পদটি-
  1. 140
  2. 142
  3. 148
  4. 150
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমান্তর অনুক্রমে সাধারণ অন্তর 10 এবং 6 তম পদটি 52 হলে 15 তম পদটি-

সমাধান:
প্রথম পদ a
সাধারণ অন্তর d  = 10
n তম পদ = a + (n - 1)d

∴ 6 তম পদ = a + (n - 1)d
বা, 52 = a + (6 - 1)10
বা, a = 52 - 50
∴ a = 2

∴ 15 তম পদ =  a + (n - 1)d
= 2 + (15 - 1)10
= 2 + (14 × 10)
= 2 + 140
= 142
১৬৯.
একটি গুণোত্তর অনুক্রমে তৃতীয় পদটি ২০ এবং ষষ্ঠ (6-তম) পদটি 160 হলে প্রথম পদটি-
  1. 5
  2. 10
  3. 12
  4. 8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি গুণোত্তর অনুক্রমে তৃতীয় পদটি ২০ এবং ষষ্ঠ (6-তম) পদটি 160 হলে প্রথম পদটি-

সমাধান:
গুণোত্তর অনুক্রমে ১ম পদ a 
সাধারণ অনুপাত r

তৃতীয় পদ = 20
ar2 = 20 ............ (1)

ষষ্ঠ পদ = 160
ar5 = 160 ............ (2)

(2) নং কে (1) দ্বারা ভাগ করে পাই,
ar5/ar2 = 160/20
বা, r3 = 8
∴ r = 2

(1) নং হতে পাই,
a (2)2 = 20
বা, 4a = 20
∴ a = 5
১৭০.
17 সে.মি., 15 সে.মি, ৪ সে.মি. বাহু বিশিষ্ট ত্রিভুজটি হবে-
  1. সমবাহু
  2. সমদ্বিবাহু
  3. সমকোণী
  4. স্থুলকোণী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 17 সে.মি., 15 সে.মি, ৪ সে.মি. বাহু বিশিষ্ট ত্রিভুজটি হবে-

সমাধান:
ত্রিভুজের বাহু তিনটির দৈর্ঘ্য, 17 সে.মি. 15 সে.মি. এবং 8 সে.মি.

এখানে
(17)2 = 289

আবার
(15)2 + 82 = 225 + 64 = 289

কোন ত্রিভুজের বৃহত্তম বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের যোগফলের সমান হলে ত্রিভুজটি সমকোণী ত্রিভুজ হয়।
সুতরাং ত্রিভুজটি সমকোণী 
১৭১.
একটি আয়তক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 15 মি. এবং প্রস্থ 10 মি. হলে আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?
  1. 35√5
  2. 40√5
  3. 45√5
  4. 50√5
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য 15 মি. এবং প্রস্থ 10 মি. হলে আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গমিটার?

সমাধান:
ধরি,

আয়তক্ষেত্র ABCD এর কর্ণের দৈর্ঘ্য AC = 15 মি. এবং প্রস্থ AB = 10 মি.
∴ দৈর্ঘ্য, BC = √(152 - 102) মি.
=√125 মি.
= 5√5 মি.

আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = 5√5 × 10
= 50√5 বর্গমিটার
১৭২.
13 সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের একটি জ্যা এর দৈর্ঘ্য 24 সে.মি. হলে কেন্দ্র থেকে উক্ত জ্যা এর লম্ব দূরত্ব কত সে.মি.?
  1. 3
  2. 4
  3. 5
  4. 6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 13 সে.মি. ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের একটি জ্যা এর দৈর্ঘ্য 24 সে.মি. হলে কেন্দ্র থেকে উক্ত জ্যা এর লম্ব দূরত্ব কত সে.মি.?
 
সমাধান: 

O কেন্দ্রবিশিষ্ট বৃত্তে জ্যা, AB = 24 সে.মি., ‍AD = 24/2 = 12 সে.মি.
ব্যাসার্ধ, OA = 13 সে.মি.
এখন,
AB জ্যা এর উপর লম্বের দৈর্ঘ্য = OD
 
OA2 = OD2 + AD2
⇒ OD2 = OA2 - AD2
⇒ OD= (13)2 - (12)2
⇒ OD2 = 25
⇒ OD = √25
∴ OD = 5
 
জ্যা এর উপর লম্বের দৈর্ঘ্য = 5 সে.মি.
১৭৩.
A = {x | x ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা এবং x2 < 25},
B = {x | x মৌলিক সংখ্যা এবং x2 < 25},
C = {x | x মৌলিক পূর্ণ সংখ্যা এবং x2 = 25},
হলে, A ∩ B ∩ C=
  1. {1, 2, 3, 4}
  2. {2, 3, 4}
  3. {2, 3, 4, 5}
  4. Ø
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x | x ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা এবং x2 < 25},
B = {x | x মৌলিক সংখ্যা এবং x2 < 25},
C = {x | x মৌলিক পূর্ণ সংখ্যা এবং x2 = 25},
হলে, A ∩ B ∩ C=

সমাধান:
A = {x | x ধনাত্মক সংখ্যা এবং x< 25}
∴ A = {1, 2, 3, 4}
B = {x | x মৌলিক সংখ্যা এবং x< 25}
∴ B = {2, 3}
C = {x | x মৌলিক পূর্ণ সংখ্যা এবং x2 = 25}
∴ C = {5}

∴ A ∩ B ∩ C = {1, 2, 3, 4} ∩ {2, 3} ∩ {5}
= Ø
১৭৪.
10 টি জিনিসের মধ্যে 2 টি এক জাতীয় এবং বাকিগুলো ভিন্ন ভিন্ন জিনিস। ঐ জিনিসগুলো থেকে প্রতিবারে 5 টি নিয়ে কত প্রকারে বাছাই করা যায়?
  1. 170
  2. 182
  3. 190
  4. 192
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 10 টি জিনিসের মধ্যে 2 টি এক জাতীয় এবং বাকিগুলো ভিন্ন ভিন্ন জিনিস। ঐ জিনিসগুলো থেকে প্রতিবারে 5 টি নিয়ে কত প্রকারে বাছাই করা যায়?

সমাধান:
১৭৫.
একটি থলিতে 6 টি নীল বল, ৪ টি সাদা বল এবং 10 টি কালো বল আছে। দৈবভাবে একটি বল তুললে সেটি সাদা না হবার সম্ভাবনা কত?
  1. 2/3
  2. 1/3
  3. 3/4
  4. 1/4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি থলিতে 6 টি নীল বল, ৪ টি সাদা বল এবং 10 টি কালো বল আছে। দৈবভাবে একটি বল তুললে সেটি সাদা না হবার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
বলটি সাদা হওয়ার সম্ভাবনা = 8/(6 + 8 + 10)
= 8/ 24
= 1/3

∴ বলটি সাদা না হওয়ার সম্ভাবনা = {1 - (1/3)}
= (3 - 1)/3
= 2/3
১৭৬.
কোনটি 'অগ্নি'র সমার্থক শব্দ নয়?
  1. পাবক
  2. বহ্নি
  3. হুতাশন
  4. প্রজ্বলিত
ব্যাখ্যা
অগ্নি শব্দের সমার্থক শব্দ অনল, আগুন, পাবক, বহ্নি, হুতাশন, দহন, বৈশ্বানর, সর্বভূক, সর্বশুচি।

- প্রজ্বলিত এর অর্থ- জ্বলছে এমন, জ্বলন্ত, প্রদীপ্ত।
১৭৭.
ভোর বেলায় আপনি বেড়াতে বের হয়েছেন। বের হওয়ার সময় সূর্য আপনার সামনে ছিল। কিছুক্ষণ পরে আপনি বামদিকে ঘুরলেন, কয়েক মিনিট পরে আপনি ডানদিকে ঘুরলেন। এখন আপনার মুখ কোনদিকে?
  1. পূর্ব
  2. পশ্চিম
  3. উত্তর
  4. দক্ষিণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ভোর বেলায় আপনি বেড়াতে বের হয়েছেন। বের হওয়ার সময় সূর্য আপনার সামনে ছিল। কিছুক্ষণ পরে আপনি বামদিকে ঘুরলেন, কয়েক মিনিট পরে আপনি ডানদিকে ঘুরলেন। এখন আপনার মুখ কোনদিকে?

সমাধান:
ভোর বেলায় আপনি বেড়াতে বের হয়েছেন। বের হওয়ার সময় সূর্য আপনার সামনে ছিল। অর্থাৎ আপনি পূর্ব দিকে মুখ করে ছিলেন।
কিছুক্ষণ পরে আপনি বামদিকে ঘুরলেন অর্থাৎ আপনি উত্তর দিকে মুখ ফিরালেন।
এরপর আবার ডানদিকে ঘুরলেন অর্থাৎ আবার পূর্ব দিকে আপনার মুখ ফিরালেন। তাই আপনার মুখ এখন পূর্বদিকে আছে।
১৭৮.
একটি মোটা ও একটি চিকন হাতলওয়ালা স্ক্রু-ড্রাইভার দিয়ে একই মাপের দুটি স্ক্রু কে কাঠবোর্ডের ভিতরে সমান গভীরতায় প্রবেশ করাতে চাইলে কোনটি ঘটবে?
  1. মোটা হাতলের ড্রাইভারকে বেশিবার ঘুরাতে হবে
  2. চিকন হাতলের ড্রাইভারকে বেশি বার ঘুরাতে হবে
  3. দু'টিকে একই সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি মোটা ও একটি চিকন হাতলওয়ালা স্ক্রু-ড্রাইভার দিয়ে একই মাপের দুটি স্ক্রু কে কাঠবোর্ডের ভিতরে সমান গভীরতায় প্রবেশ করাতে চাইলে কোনটি ঘটবে?

সমাধান:
দুইটিকে স্ক্রু-ড্রাইভারকেই সমান সংখ্যকবার ঘুরাতে হবে।
কারণ হাতলের ব্যাস যা-ই হোক না কেন সেটা একবার ঘুরলে ৩৬০ ডিগ্রি ঘোরে এবং সেই সাথে স্ক্রুটিও ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরবে।
কিন্তু A স্ক্রু এর হাতল মোটা হওয়ায় এটিতে কম বল প্রয়োগ করতে হবে।
১৭৯.
৫-এর কত শতাংশ ৭ হবে-
  1. ৪০
  2. ১২৫
  3. ৯০
  4. ১৪০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৫-এর কত শতাংশ ৭ হবে-

সমধান:
ধরি,
৫ এর ক শতাংশ ৭ হবে।

প্রশ্নানুসারে,
৫ক/১০০ = ৭
⇒ ক = (৭ × ১০০)/৫
∴ ক = ১৪০
১৮০.
০.৪ × ০.০২ × ০.০৮ = ?
  1. ০.৬৪
  2. ০.০৬৪
  3. .০০০৬৪
  4. ৬.৪০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০.৪ × ০.০২ × ০.০৮ = ?

সমাধান:
০.৪ × ০.০২ × ০.০৮ = ০.০০০৬৪
১৮১.
কোনো নৌকাকে বেশি গতিতে চালাতে হলে, বৈঠা ব্যবহার করতে হবে-
  1. পিছনে
  2. সামনে
  3. ডান পার্শ্বে
  4. বাম পার্শ্বে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো নৌকাকে বেশি গতিতে চালাতে হলে, বৈঠা ব্যবহার করতে হবে-

সমাধান:
• কোনো নৌকাকে বেশি গতিতে চালাতে হলে, বৈঠা ব্যবহার করতে হবে পিছনে।
একজন মাঝি যখন নৌকা চালানোর সময় নৌকার পেছন থেকে বৈঠা দিয়ে পানিতে বা লগি দিয়ে ভূমিতে ধাক্কা দেন তখন পানি বা ভূমি যথাক্রমে বৈঠা ও লগির ওপর সমান ও বিপরীত বল প্রয়োগ করে। এই প্রতিক্রিয়া বলের অনুভূমিক উপাংশই নৌকাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
১৮২.
Telephone : Cable : : Radio:?
  1. Microphone
  2. Wireless
  3. Electricity
  4. Wire
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Telephone : Cable : : Radio :?

সমাধান:
Telephone সাধারণত তারযুক্ত (Cable) প্রযুক্তি ছিল।
Radio হলো তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি।
১৮৩.
২০০৯ সালের ২৮ আগস্ট শুক্রবার ছিল। ঐ বছরের ১ অক্টোবর কি বার ছিল?
  1. বুধবার
  2. বৃহস্পতিবার
  3. শুক্রবার
  4. শনিবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০০৯ সালের ২৮ আগস্ট শুক্রবার ছিল। ঐ বছরের ১ অক্টোবর কি বার ছিল?

সমাধান:
আগস্ট মাসে বাকি থাকে = ৩১ - ২৮ = ৩ দিন
সেপ্টেম্বর মাসে = ৩০ দিন
অক্টোবর মাসে = ১ দিন

মোট দিন সংখ্যা = ৩৪ দিন
৩৪ ÷ ৭ = ভাগফল ৪, ভাগশেষ ৬

∴ ১ অক্টোবর হবে শুক্রবার + ৬ দিন = বৃহস্পতিবার
১৮৪.
কোনো বৃত্তের ব্যাসার্ধ যদি ২০% কমে, তবে উক্ত বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত % কমবে-
  1. ১০%
  2. ২০%
  3. ৩৬%
  4. ৪০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো বৃত্তের ব্যাসার্ধ যদি ২০% কমে, তবে উক্ত বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত % কমবে-

সমাধান:
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ, r
∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল, πr

২০% কমলে নতুন ব্যাসার্ধ হবে = r - r এর ২০%
= r - ০.২r
= ০.৮r

ক্ষেত্রফল হবে = π(০.৮r)
= ০.৬৪πr

∴ ক্ষেত্রফল কমে = πr - ০.৬৪πr
= ০.৩৬πr

∴ ক্ষেত্রফল ৩৬% কমে।
১৮৫.
Find out the correct synonym of 'TENUOUS' -
  1. Vital
  2. Thin
  3. Careful
  4. Dangerous
ব্যাখ্যা
♦ Tenuous (adjective):
Meaning: Very weak or slight.
Bangla meaning: ক্ষীণ; সরু।

Options,
- careful: সতর্ক/হুঁশিয়ার/সাবধান/মনোযোগী/যত্নবান হওয়া
- dangerous: বিপজ্জনক; বিপৎসংকুল।
- vital: জীবনসম্পৃক্ত; জীবনসম্বন্ধীয়; জীবনের জন্য অপরিহার্য; জৈবনিক; জীবনীয়; জীবনসাধক।
- thin: পাতলা; সরু।

অপশন নিবেচনা করে দেখা যায়, the correct synonym of 'Tenuous' - thin.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
১৮৬.
২য় বৃত্তের মধ্যে সঠিক সংখ্যাটি কত হবে?
  1. ৩৬
  2. ২৭
  3. ৬৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২য় বৃত্তের মধ্যে সঠিক সংখ্যাটি কত হবে?


সমাধান:
১ম চিত্রে,
৮১ ÷ ৯ = ৯
৫৬ ÷ ৭ = ৮
∴ ৯ - ৮ = ১

৩য় চিত্রে,
৩৬ ÷ ৯ = ৪
২৭ ÷ ৯ = ৩
∴ ৪ - ৩ = ১

২য় চিত্রে,
৩৬ ÷ ৩ = ১২
২৭ ÷ ৯ = ৩
∴ ১২ - ৩ = ৯
১৮৭.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. Achievment
  2. Acheivment
  3. Achievement
  4. Acheivement
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন বানানটি শুদ্ধ?

সমাধান:
সঠিক উত্তরটি হচ্ছে - Achievement.
Achievement : অর্জন করা; সম্পন্ন/সমাধা করা/ নিষ্পন্ন করা; সফল হওয়া।
Example sentence : His achievements are well-known.

Source : Merriam-Webster Dictionary, Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৮৮.
If LOYAL is coded as 'JOWAJ', then PRONE is coded as-
  1. QRPNF
  2. NRMND
  3. ORNMG
  4. NRMNC
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: If LOYAL is coded as 'JOWAJ', then PRONE is coded as-

সমাধান:
L - J  (পার্থক্য ২)
O - O (অপরিবর্তিত)
Y - W(পার্থক্য ২)
A - A (অপরিবর্তিত)
L - J (পার্থক্য ২) হলে,

P - N (পার্থক্য ২)
R - R (অপরিবর্তিত)
O - M (পার্থক্য ২)
N - N (অপরিবর্তিত)
E - C (পার্থক্য ২)

Therefore, if LOYAL is coded as JOWAJ, then PRONE is coded as NRMNC
১৮৯.
একটি লন রোলারকে যদি দুইজন ব্যক্তির একজন টেনে নেয় ও একজন ঠেলে নেয় তবে কার বেশি কষ্ট হবে?
  1. টেনে নেয়া ব্যক্তির
  2. ঠেলে নেয়া ব্যক্তির
  3. দু'জনের সমান কষ্ট হবে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি লন রোলারকে যদি দুইজন ব্যক্তির একজন টেনে নেয় ও একজন ঠেলে নেয় তবে কার বেশি কষ্ট হবে?

সমাধান:
টানলে রোলারের ওজন কম অনুভূত হওয়ায় রোলার ঠেলা অপেক্ষা টেনে নেওয়া সহজ।
একটি লন রোলারকে যদি দুইজন ব্যক্তির একজন টেনে নেয় ও অন্যজন ঠেলে নেয়, তবে টেনে নেওয়া ব্যক্তির কষ্ট কম হবে। এবং ঠেলে নেওয়া ব্যক্তির কষ্ট বেশি।
১৯০.
বিভা : কিরণ : : সুবলিত : ?
  1. সুবিদিত
  2. সুগঠিত
  3. সুবিনীত
  4. বিধিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বিভা : কিরণ : : সুবলিত : ?

সমাধান:
এখানে,
'বিভা' শব্দের প্রতিশব্দ: 'কিরণ'।
'সুবলিত' শব্দের প্রতিশব্দ: 'সুগঠিত'।

অন্যদিকে,
'সুবিদিত' শব্দের অর্থ- উত্তমরূপে জ্ঞাত।
'সুবিনীত' শব্দের অর্থ- 'অত্যন্ত বিনীত'।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৯১.
একজন যোগ্য প্রশাসক ও ব্যবস্থাপকের অত্যাবশ্যকীয় মৌলিক গুণাবলীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ গুণ কোনটি?
  1. দায়িত্বশীলতা
  2. নৈতিকতা
  3. দক্ষতা
  4. সরলতা
ব্যাখ্যা
একজন যোগ্য প্রশাসক ও ব্যবস্থাপকের অত্যাবশ্যকীয় মৌলিক গুণাবলীর মধ্যে শ্রেষ্ঠ গুণ নৈতিকতা।

নৈতিকতা:
- নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি।
- নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ মানসিক বিষয়।
- নৈতিকতা বিবেক ও মূল্যবোধ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত।
- নৈতিকতা মানুষের মানসিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- নৈতিকতা মূলত ব্যক্তিগত ও সামাজিক ব্যাপার।
- নৈতিকতাকে বলা হয় মানবজীবনের নৈতিক আদর্শ।

⇒ উল্লেখ্য,
- সক্রেটিস বলেছেন, 'সৎ গুণই জ্ঞান' (Virtue is knowledge)।
- জোনাথান হেইট (Jonathan Haidr) মনে করেন, ধর্ম, ঐতিহ্য এবং মানব আচরণ- তিনটি থেকেই নৈতিকতার উদ্ভব হয়েছে।
- নীতিবিদ ম্যুর বলেছেন, শুভর প্রতি অনুরাগ ও অশুভর প্রতি বিরাগই হচ্ছে নৈতিকতা।
- Collins English Dictionary- তে বলা হয়েছে যে, 'Morality is concerned with on negating to human behaviour, esp. the distinction between good and bad and right and wrong behaviour.

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯২.
আমাদের চিরন্তন মূল্যবোধ কোনটি?
  1. সত্য ও ন্যায়
  2. সার্থকতা
  3. শঠতা
  4. অসহিষ্ণুতা
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Value.
- যেসকল চিন্তা ভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, সংকল্প ও আদর্শ মানুষের সামগ্রিক আচার-আচরণ ও কর্মকান্ডকে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত করে, তাদের সমষ্টিকেই মূল্যবোধ বলে।
- মূল্যবোধ দ্বারা ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায়, নৈতিকতা- অনৈতিকতা,সততা, সৌজন্যবোধ, শিষ্টাচার, সহনশীলতা, সহমর্মিতা ইত্যাদি মূল্যায়িত হয়।
- আমাদের চিরন্তন মূল্যবোধ হলো সত্য ও ন্যায়।
- সার্থকতা, শঠতা, অসহিষ্ণুতা ইত্যাদি হলো চিরন্তন মূল্যবোধের পরিপন্থী।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৯৩.
রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ কাকে বলা হয়?
  1. রাজনীতি
  2. বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায়
  3. সংবাদ মাধ্যম
  4. যুবশক্তি
ব্যাখ্যা
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় সংবাদমাধ্যমকে।

স্বাধীন সংবাদমাধ্যম:
- স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।
- সংবাদপত্রের স্বাধীনতা যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা না হয় অথবা সংবাদমাধ্যম যদি কোনো দুরভিসন্ধি নিয়ে অসত্য বা অর্ধসত্য সংবাদ প্রচার করে, তা দেশ, জাতি ও সমাজের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

উল্লেখ্য,
- থমাস জেফারসন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন।
- থমাস জেফারসন একবার বলেছিলেন, ‘আমাকে যদি এই বিকল্পটি দেওয়া হয় যে তুমি কি সংবাদপত্রবিহীন সরকার চাও, না সরকারবিহীন সংবাদপত্র চাও? তখন আমি পরেরটা বেছে নেব।’
- ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট সংবাদপত্র সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিলেন, চারটি আক্রমণাত্মক সংবাদপত্র হাজারটা বেয়নেটের চেয়েও ক্ষতিকর।’
- অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মতে, কোনো দেশে স্বাধীন গণমাধ্যম থাকলে সে দেশে দুর্ভিক্ষ হানা দিতে পারে না।

অন্যদিকে -
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা মূলত তিনটি স্তম্ভ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে পরিচালিত হয়।
- এই মূল ভিত্তিগুলো গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায়, ক্ষমতার সুষম বন্টন নিশ্চিত করার মাধ্যমে শাসনকার্যকে পরিচালনা করতে সার্বিক সহায়তা করে।
- স্তম্ভগুলো হলো:
১. আইন বিভাগ,
২. শাসন বিভাগ,
৩. বিচার বিভাগ।

উৎস: i) ১০ জানুয়ারি, ২০১৮, কালের কন্ঠ।
          ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯৪.
সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে কোন মূল্যবোধটি গুরুত্বপূর্ণ নয়?
  1. বিশ্বস্ততা
  2. সৃজনশীলতা
  3. নিরপেক্ষতা
  4. জবাবদিহিতা
ব্যাখ্যা
সরকারি সিদ্ধান্ত প্রণয়নে সৃজনশীলতা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

সুশাসন:
- সু-শাসন হচ্ছে এক ধরণের শাসন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ক্ষমতা সুষ্ঠুভাবে চর্চা করা হয়।
- এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণ স্বাধীনভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে, সরকারের নীতি ও কর্মকান্ড সম্পর্কে অবগত থাকে এবং নারী-পুরুষ স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারে।
- এটি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করে।
- আর্থ-রাজনৈতিক অগ্রগতিকে প্রাধান্য দেয়।
- বাংলাদেশে পুঁজিবাদের সুষ্ঠু বিকাশ ঘটেনি।
- দাঙ্গা-হাঙ্গামা, হরতাল-অবরোধ রাজনীতির নিত্য সঙ্গী।
- আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে দুর্নীতির হার অত্যন্ত উচ্চ।
- সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে কিছুটা উন্নয়ন হলেও বাংলাদেশে সুশাসনের মাত্রা সন্তোষজনক নয়।
- সাধারণ অর্থে সুশাসন হল এমন এক প্রক্রিয়া যা একটি দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
- এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
- সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার সঙ্গে নিশ্চিত হয় সামাজিক ন্যায় বিচার ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ।
- সুশাসনের ধারণাটি বহুমাত্রিক।
- এটি ৪ ধরণের ধারণা নির্মাণ করে: রাজনৈতিক সুশাসন, সামাজিক সুশাসন, অর্থনৈতিক সুশাসন এবং সাংস্কৃতিক সুশাসন।

⇒ সুশাসনের প্রধান ক্ষেত্রসমূহ হল-
(ক) রাজনৈতিক: গণতন্ত্র ও সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ,
(খ) অর্থনৈতিক: মুক্তবাজার অর্থনীতি ও বেসরকারিকরণ,
(গ) সামাজিক-সংস্কৃতিক: পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রসার এবং,
(ঘ) তথ্য ও প্রযুক্তি: বিশ্বজুড়ে তথ্য-প্রযুক্তির প্রসার।

⊕ সুশাসনের প্রধান উপদান -
১. স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা,
২. অংশগ্রহণ,
৩. আইনের শাসন,
8. নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা,
৫. জনপ্রশাসনের উৎকর্ষতা ও বিকেন্দ্রীকরণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৯৫.
UNDP সুশাসন নিশ্চিতকরণে কয়টি উপাদান উল্লেখ করেছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
UNDP ও সুশাসন:
- জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ১৯৯৭ সালে উন্নয়নশীল দেশগুলোর শাসনতান্ত্রিক পলিসির উপর গুরুত্ব আরোপ করতে গিয়ে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে।
- UNDP-এর মতে, “একটি দেশের সার্বিক স্তরের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক কর্তৃত্বের চর্চার বা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো সুশাসন” (Good Governance is the exercise of economic, Political and administrative authority to manage a country's affairs at all levels)।

• UNDP এর মতে সুশাসনের উপাদান ৯টি।
- স্বচ্ছতা,
- আইনের শাসন,
- সকলের অংশগ্রহণ,
- সংবেদনশীলতা,
- সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের প্রাধান্য,
- সমতা,
- ন্যায্যতা,
- জবাবদিহিতা
- কৌশলগত লক্ষ্য।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।
১৯৬.
কোনটি ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়?
  1. পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ
  2. আইনের শাসন
  3. সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ
  4. অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ
ব্যাখ্যা
সুশাসনের জন্য উচ্চ শিক্ষিত কর্মকর্তা নিয়োগ ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়।

নৈতিক মূল্যবোধ:

- নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
- নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।
- নৈতিক মূল্যবোধের প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- শিশু প্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায় পরিবার থেকে।
- অন্যায় থেকে বিরত থাকা, সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, দুঃস্থকে সহায়তা করা প্রভৃতি নৈতিক মূল্যবোধ।

⇒ ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি হলো:
- পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ।
- আইনের শাসন।
- অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
         ii) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৭.
সরকারি চাকরিতে সততার মাপকাঠি কি?
  1. যথা সময়ে অফিসে আগমন ও অফিস ত্যাগ করা
  2. দাপ্তরিক কাজে কোনো অবৈধ সুবিধা গ্রহণ না করা
  3. নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অর্পিত দায়িত্ব যথাবিধি সম্পন্ন করা
  4. ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের যে কোনো নির্দেশ প্রতিপালন করা
ব্যাখ্যা
সরকারি চাকরিতে সততার মাপকাঠি হলো নির্মোহ ও নিরপেক্ষভাবে অর্পিত দায়িত্ব যথাবিধি সম্পন্ন করা।

নৈতিকতা:
- নৈতিকতার ইংরেজি শব্দ 'Ethics' যা গ্রিক শব্দ 'ইথস' (Ethos) হতে এসেছে, যার অর্থ হলো 'চরিত্র' বা রীতিনীতি (Character or Custom)।
- প্রতিটি মানুষই নৈতিকতার সাথে সংশ্লিষ্ট।
- নৈতিকতা হলো আচরণগত মান এবং নৈতিক বিচার যা সঠিক ও ভুলের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করে।
- ওয়েবস্টার ডিকশনারিতে বলা হয়েছে, "নৈতিকতা হলো এমন এক শৃঙ্খলা, বা নৈতিক কর্তব্য ও জবাবদিহিতার সাথে কী ভালো ও কী মন্দ তার মাত্রা নির্ধারণ করে।"
- Godiwalla & Faramarz এর মতে, " নৈতিকতা হলো ভুল ও খারাপ থেকে সঠিক ও ভালোর পার্থক্য নির্ণয় করার প্রক্রিয়া এবং এটার ভালো ও সঠিক কাজটি করার জন্য নৈতিকভাবে প্রয়োগ করা যায়।"
- Kreitner Eliason foundations of Management- এর মতে ভুল বনাম সঠিক এর সংশ্লিষ্টতার সাথে নৈতিক দায়বদ্ধতা নিয়ে পর্যালোচনা করাই হলো নৈতিকতা।

⇒ নৈতিকতা এমন কিছু মৌলিক রীতিনীতি বা মাপকাঠি নির্ধারণ করে দেয়, যেন প্রতিটি কাজ গ্রহণযোগ্য পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়।
- নৈতিকতার কতিপয় বৈশিষ্ট্য:
(i) নৈতিকতা হলো ভুল ও সঠিক এর মধ্যে তুলনাকরণ;
ii) এটি নৈতিক দায়বদ্ধতা সৃষ্টি করে; (
(iii) এটি প্রতিষ্ঠান ও সমাজের প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে; এবং
(iv) এটি ভালো ও মন্দের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করে।

সততা (Honesty):
- নীতিশাস্ত্রে সততা বলতে বুঝায় মানুষের চরিত্রের স্থায়ী প্রবণতা।
- সততা মানুষের স্বভাবজাত প্রবণতা নয়, অর্জিত প্রবণতা।
- কর্তব্য করার অভ্যাসের ফলেই সততা জন্মে।
- সততার স্বরূপ সম্পর্কে এরিষ্টটল বলেন, সততা মনের স্থায়ী অবস্থা যা ইচ্ছার দ্বারা গঠিত এবং যার ভিত্তি বাস্তব জীবনের সর্বোৎকৃষ্ট আদর্শ-যে আদর্শটি বিচারবুদ্ধি স্থির করে দিয়েছে।
- তাই দেখা যায় নৈতিক আদর্শ অনুসারে ভাল কাজ নির্বাচন ও সম্পাদনের মাধ্যমেই যে অভ্যাস গড়ে উঠে তাই সততা।
- কোন মানুষ জন্মগতভাবে সৎ হতে পারে না, মানুষ ভাল কাজ করতে যখন সৎ অভ্যাস গঠন করে, তখন তাকে সৎলোক বলা হয়।
- মানুষ যখন তার প্রবৃত্তি, কামনা ও বাসনাকে বিচার-বুদ্ধির দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করে জীবনযাপন করে তখন সে চরিত্রবান বলে বিবেচিত হয়।
- তাই ম্যাকেনজী বলেন, সততা বলতে বুঝায় চরিত্রের সৎ অভ্যাস এবং তা কর্তব্য থেকে পৃথক।
- কর্তব্য বলতে বুঝায় এক বিশেষ ধরনের কাজ যা আমাদের করা উচিত।

উৎস: i) সিভিক এডুকেশন-১, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) কৌশলগত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নৈতিকতার বিষয়সমূহ, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৮.
নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান কি?
  1. সততা ও নিষ্ঠা
  2. কর্তব্যপরায়ণতা
  3. মায়া ও মমতা
  4. উদারতা
ব্যাখ্যা
নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান সততা ও নিষ্ঠা।

নৈতিকতা (Morality):
- Morality শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Moralitas থেকে।
- নৈতিকতা হলো মানুষের অন্তর্নিহিত ধ্যান-ধারণার সমষ্টি যা মানুষকে সুকুমার বৃত্তি অনুশীলনে অনুপ্রাণিত করে।
- নৈতিক অনুশাসনের প্রভাবে মানুষ আইন মানে, শৃঙ্খলা পরিপন্থী কাজ করে না এবং রাষ্ট্রের অনুশাসনকে শ্রদ্ধা করে।
- বিবেক, চিন্তা, বুদ্ধি ও ন্যায়পরায়ণতা হচ্ছে নৈতিকতার উৎস।
- নৈতিকতা বিকাশের লালন ক্ষেত্র সমাজ।
- নৈতিকতার মানকে আদর্শ করে উপযুক্ত শিক্ষা।
- নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান হলো সততা ও নিষ্ঠা।
- নৈতিকতা বলতে আমরা বুঝি মানুষের সদাচরণ, সচ্চরিত্র, সততা ও নিষ্ঠার বহিঃপ্রকাশ।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
         ii) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৯.
"সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সঙ্গে সুশীল সমাজের, সরকারের সঙ্গে শাসিত জনগণের, শাসকের সঙ্গে শাসিতের সম্পর্ক বোঝায়"- উক্তিটি কার?
  1. এরিস্টটল
  2. জন স্টুয়ার্ট মিল
  3. ম্যাককরনী
  4. মেকিয়াভেলি
ব্যাখ্যা
সুশাসন (GOOD GOVERNANCE):
- ম্যাককরনী (Mac' Corney) বলেছেন যে, ‘সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বোঝায়।'
- মোটকথা, প্রশাসনের যদি জবাবদিহিতা (Accountability), বৈধতা (Legilimacy), স্বচ্ছতা (Transparency) থাকে, এতে যদি অংশগ্রহণের সুযোগ উন্মুক্ত থাকে, বাকস্বাধীনতাসহ সকল রাজনৈতিক স্বাধীনতা সুরক্ষার ব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইনের অনুশাসন (Rule of law), আইনসভার নিকট শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা বা দায়িত্বশীলতার নীতি কার্যকর থাকে তাহলে সে শাসনকে ‘সুশাসন' (Good Governance) বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২০০.
জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয় হলো-
  1. সুশাসন
  2. আইনের শাসন
  3. রাজনীতি
  4. মানবাধিকার
ব্যাখ্যা
সুশাসন:
- জনগণ, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ঠ প্রত্যয় হলো সুশাসন।
- সুশাসন হলো যৌক্তিক এবং দক্ষভাবে শাসন পরিচালনা।
- সুশাসন অবশ্যই আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জবাবদিহিতার নিশ্চিত করে।
- জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ, সরকারের দক্ষতা ও সাড়া প্রদানের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে সুশাসন প্রক্রিয়া।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।