ব্যাখ্যা
• ভাইরাস জিন স্থানান্তরের বাহক (Vector) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
• ভাইরাসের উপকারিতা:
- বিজ্ঞানীরা অনেক গবেষণা ও পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাসকে মানবকল্যাণে বিভিন্নভাবে ব্যবহারযোগ্য উপাদানে রূপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। ভাইরাসের উল্লেখযোগ্য উপকারিতাগুলো হলো—
- বসন্ত, পোলিও এবং জলাতঙ্ক রোগের প্রতিরোধক টিকা (Vaccine) ভাইরাস ব্যবহার করেই তৈরি করা হয়।
- ভাইরাসের মাধ্যমে উদ্ভিদের রোগ প্রতিরোধক টিকা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
- ভাইরাসকে কখনো কখনো অ্যালার্জি, জিনতত্ত্ব ও আধুনিক জীববিদ্যা গবেষণায় বাহক (Vector) হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে ভাইরাস ব্যবহৃত হয়। যেমন— ফাজ ভাইরাস ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে ব্যাকটেরিয়াজনিত বিভিন্ন রোগ থেকে মানুষকে রক্ষা করে।
- কিছু ভাইরাস ব্যবহার করে ক্ষতিকর পোকামাকড় ও কীটপতঙ্গ দমন করা সম্ভব হয়েছে।
- কোষীয় প্রক্রিয়া, অভিব্যক্তি ও জেনেটিক নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে জ্ঞান অর্জনে ভাইরাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ভাইরাস জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে, যা জীববিজ্ঞানের মৌলিক ধারণা বোঝার ক্ষেত্রে সহায়ক।
• ভাইরাসের কৃষিক্ষেত্রে প্রভাব (উদাহরণ):
- লাল টিউলিপ ফুলে ভাইরাস আক্রমণের ফলে লম্বা লম্বা সাদা দাগ সৃষ্টি হয়।
- এর ফলে ফুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং বাজারে ফুলের মূল্য বেড়ে যায়।
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।