পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
৪১তম বিসিএস সাবজেক্ট ফাইনাল - বাংলাদেশ বিষয়াবলী - টপিকগুলোর বিস্তারিত সিলেবাস বাটনে বা পিএসসির সিলেবাসেই পাবেন। ১) বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি ২) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ ৩) বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য [১০০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
‘ইলবার্ট বিল’ এর বিষয়বস্তু কী ছিলো?
  1. ক) সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণ
  2. খ) গর্ভনরের উপদেষ্টা কাউন্সিলে ভারতীয়দের অন্তর্ভুক্তি
  3. গ) জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ করা
  4. ঘ) ইউরোপীয় ও ভারতীয় বিচারকদের সমমর্যাদা প্রদান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরোপীয় ও ভারতীয় বিচারকদের সমমর্যাদা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরোপীয় ও ভারতীয় বিচারকদের সমমর্যাদা প্রদান
ব্যাখ্যা
লর্ড রিপনের সময়ে ১৮৮৩ সালে তার আইন পরিষদের সদস্য সি. পি. ইলবার্ট উত্থাপিত বিল ‘ইলবার্ট বিল’ নামে পরিচিত। এই বিলে ব্রিটিশ ভারতে কর্মরত ইউরোপীয় ও দেশীয় বিচারকদের সমমর্যাদা প্রদান করা হয়।
১৮৭২ সালে ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করে বিধান করা হয় কলকাতা ব্যতীত অন্যত্র দেশীয় বিচারকগণ ইউরোপীয় অপরাধীদের অপরাধের বিচার করতে পারবেন না।
লর্ড রিপন এই আইন সংশোধন করে সমমর্যাদা প্রদান করতে ইলবার্ট বিল প্রণয়ন করেন। কিন্তু ইউরোপীয়দের বিরোধিতায় তা করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে ইলবার্ট বিল সংশোধন করে দেশীয় বিচারক কর্তৃক ইউরোপীয় অপরাধীদের বিচার করার ক্ষেত্রে জুরিবোর্ড গঠনের বিধান করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
.
আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় বাংলায় কোন জনপদের উপস্থিতির উল্লেখ করা হয়?
  1. ক) রাঢ়
  2. খ) বরেন্দ্র
  3. গ) গঙ্গারিডি
  4. ঘ) হরিকেল
সঠিক উত্তর:
গ) গঙ্গারিডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গঙ্গারিডি
ব্যাখ্যা
গ্রিকবীর আলেকজান্ডার খ্রিস্টপূর্ব ৩২৬-২৭ অব্দে ভারতবর্ষে আক্রমণ করেন। তার সময়ে বাংলায় ‘গঙ্গারিডি’ নামে একটি শক্তিশালী জনপদের উপস্থিতির উল্লেখ করা হয়।
পদ্মা ও ভাগীরথী নদীর মধ্যবর্তী স্থানে ‘গঙ্গারিডি’ রাজ্যের অবস্থান ছিলো।
আলেকজান্ডার কর্তৃক ভারত আক্রমণের সময় ‘প্রাসিয়র’ নামে আরেকটি রাজ্যেরও অস্তিত্ব ছিলো।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের নির্মাতা কে?
  1. ক) গোপাল
  2. খ) ধর্মপাল
  3. গ) দেবপাল
  4. ঘ) রামপাল
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) বৌদ্ধধর্মের প্রসারের লক্ষ্যে নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
এখনো পর্যন্ত সোমপুর বিহার ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার হিসেবে স্বীকৃত। এটিকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐহিত্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
এছাড়া ভাগলপুরের বিক্রমশীল বিহারের নির্মাতাও ধর্মপাল।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
প্রাচীন বাংলার স্বাধীন গৌড় রাজ্যের স্থপতি কে?
  1. ক) হর্ষবর্ধন
  2. খ) শশাঙ্ক
  3. গ) রাজা গণেশ
  4. ঘ) অশোক
সঠিক উত্তর:
খ) শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতকে উত্তর বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ এবং মগধ গৌড় জনপদ রূপে পরিচিতি লাভ করে।
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন পরবর্তী বিশৃঙ্খল অবস্থার সুযোগ গ্রহণ করে শশাঙ্ক ৫৯৪ খ্রিস্টাব্দে গৌড় অঞ্চল অধিকার করে ‘স্বাধীন গৌড় রাজ্য’ স্থাপন করেন।
তার রাজধানী ছিলো কর্ণসুবর্ণ। ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুর পূর্বপর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড় রাজ্যের অধিপতি ছিলেন।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ –পুস্তিকার রচয়িতা নন কে?
  1. ক) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দিন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ প্রকাশিত হয়।
এই পুস্তিকার নিবন্ধন সমূহের লেখক ছিলেন,
- কাজী মোতাহার হোসেন
- অধ্যাপক আবুল কাশেম এবং
- আবুল মনসুর আহমদ।
পুস্তিকাটি সম্পাদনা করেন অধ্যাপক আবুল কাশেম।
এই পুস্তিকায় বাংলা ভাষাকে পূর্ব বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা এবং পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলে ধরা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) জর্জ ওয়াকার বুশ
  2. খ) হেনরি কিসিঞ্জার
  3. গ) উইলিয়াম পি. রজার্স
  4. ঘ) জোসেফ এস. ফারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম পি. রজার্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উইলিয়াম পি. রজার্স
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের,
- প্রেসিডেন্ট : রিচার্ড নিক্সন
- পররাষ্ট্রমন্ত্রী : উইলিয়াম পিয়ার্স রজার্স
- জাতিসংঘে মার্কিন প্রতিনিধি : জর্জ এইচ. ডব্লিউ. ‍বুশ
- জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা : হেনরি কিসিঞ্জার
- পাকিস্তানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত : জোসেফ এস. ফারল্যান্ড
- ঢাকায় নিযুক্ত কনসাল জেনারেল : আর্চার কে. ব্লাড
- ভারতে নিযুক্ত রাষ্টদূত : কেনেথ বি. কিটিং।
(সূত্র: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট)
.
‘অপারেশন জ্যাকপট’ পরিচালিত হয় কবে?
  1. ক) ১ আগস্ট ১৯৭১
  2. খ) ১০ আগস্ট ১৯৭১
  3. গ) ১৫ আগস্ট ১৯৭১
  4. ঘ) ২৫ আগস্ট ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ আগস্ট ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫ আগস্ট ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
এদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়।
মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এ অপারেশনে অংশ নেয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
.
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার খবর বহির্বিশ্বে প্রথম তুলে ধরেন কে?
  1. ক) মার্ক টালি
  2. খ) সাইমন ড্রিং
  3. গ) অ্যান্থনি মাসকারেনহাস
  4. ঘ) ডেভিট ফ্রস্ট
সঠিক উত্তর:
খ) সাইমন ড্রিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাইমন ড্রিং
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ ‘অপারেশন সার্চলাইটে’র সময় ব্রিটেনের ‘ডেইলি টেলিগ্রাফ’ পত্রিকার সাংবাদিক সাইমন ড্রিং ঢাকা ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে গোপনে অবস্থান করে পাকবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন।
পরবর্তীতে ৩০শে মার্চ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় তিনি ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ড ইন পাকিস্তান’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে সর্বপ্রথম পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের খবর বহির্বিশ্বে প্রচার করেন।
এই ঘটনার পর তাকে ঢাকা ছাড়তে হয়। পরবর্তীতে ১৬ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর ট্যাংকে চড়ে তিনি ঢাকায় প্রবেশ করেন।
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
.
নিচের কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) একুশ দফা
  2. খ) ছয়দফা
  3. গ) এগারো দফা
  4. ঘ) উনিশ দফা
সঠিক উত্তর:
খ) ছয়দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ছয়দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১০.
পাকিস্তান গণপরিষদে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দানের বিল উত্থাপন করেন কে?
  1. ক) আতাউর রহমান খান
  2. খ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদ
  4. ঘ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
খ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান সৃষ্টির পর উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্ররা তার প্রতিবাদ করে। এরই অংশ হিসেবে ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারীর রক্তাক্ত ঘটনা ঘটে।
এর ফলে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। আওয়ামীলীগ দলীয় জাতীয় পরিষদ সদস্য ‘আদেলউদ্দিন আহমেদ’ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয় এবং ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৪৮সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান প্রথমগণপরিষদ অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। কিন্তু মুসলিম লীগের সদস্যদের ভোটে তা অগ্রাহ্য হয়।

(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১১.
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন জোট গঠিত হয়?
  1. ক) ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট
  2. খ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
  3. গ) ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি
  4. ঘ) ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স
সঠিক উত্তর:
খ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের ২রা জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিপক্ষে একক প্রার্থী দাড় করানোর উদ্দেশ্যে তৎকালীন বিরোধীদলগুলো কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি (কপ) গঠন করে।
কপে অন্তর্ভুক্ত দলসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- আওয়ামী লীগ
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)
- কাউন্সিল মুসলিম লীগ
- নেজামে ইসলাম প্রভৃতি।
এই জোট থেকে প্রেসিডেন্ট পদে ‘কপ’ এর প্রার্থী হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন ফাতেমা জিন্নাহ কে আইয়ুব খানের বিপরীতে প্রার্থী করা হয়।
কিন্তু মৌলিক গণতন্ত্রীদের সমর্থন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের কারসাজিতে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সহজেই জয় লাভ করেন।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২.
নিচের কোন রাজনৈতিক দলটি যুক্তফ্রন্টের অংশ ছিলো না?
  1. ক) আওয়ামী মুসলিম লীগ
  2. খ) নেজামে ইসলাম
  3. গ) কৃষক প্রজা পার্টি
  4. ঘ) গণতন্ত্রী দল
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষক প্রজা পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষক প্রজা পার্টি
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলার চারটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
যুক্তফ্রন্টের অন্তর্ভুক্ত রাজনৈতিক দলগুলো হলো:
- আওয়ামী মুসলিম লীগ
- নেজামে ইসলাম
- কৃষক শ্রমিক পার্টি এবং
- গণতন্ত্রী দল।
১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো নৌকা।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৩.
মেজর সি. আর দত্ত মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) ৪ নং সেক্টর
  2. খ) ৫ নং সেক্টর
  3. গ) ৬ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৩ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে। এর মধ্যে বৃহত্তর সিলেট জেলার দক্ষিণ-পূর্বাংশ নিয়ে ৪ নং সেক্টর গঠিত হয়।
৪ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত বা সি আর দত্ত।
গত ২৫শে আগস্ট ২০২০ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)
১৪.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য কোনটি?
  1. ক) সংশপ্তক
  2. খ) জাগ্রত চৌরঙ্গী
  3. গ) অপরাজেয় বাংলা
  4. ঘ) স্বাধীনতা সংগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) জাগ্রত চৌরঙ্গী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জাগ্রত চৌরঙ্গী
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য হলো গাজীপুর চৌরাস্তায় নির্মিত ‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’।
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধ সংঘটিত হয় গাজীপুরে ১৯শে মার্চ ১৯৭১। এ চেতনার অংশ হিসেবে ১৯৭৩ সালে এটি স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক। এটির উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং গাজীপুর জেলা ওয়েবসাইট)
১৫.
'একাত্তরের বর্ণমালা' বইটির রচয়িতা কে?
  1. ক) এম আর আখতার মুকুল
  2. খ) সুফিয়া কামাল
  3. গ) রাবেয়া খাতুন
  4. ঘ) মেজর রফিকুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ক) এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘একাত্তরের বর্ণমালা’ বইটির রচয়িতা এম আর আখতার মুকুল।
তার রচিত অন্যান্য বইয়ের মধ্যে রয়েছে:
- আমি বিজয় দেখেছি
- মুজিবের রক্ত লাল প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- সুফিয়া কামাল রচিত বই: একাত্তরের ডায়েরি
- রাবেয়া খাতুন রচিত বই:
- একাত্তরের নিশান
- ফেরারি সূর্য
- বাগানের নাম মালিনীছড়া
- মেজর রফিকুল ইসলাম রচিত বই:
- একাত্তরের বিজয় গাথা
- শেখ মুজিব ও স্বাধীনতা সংগ্রাম
- প্রতিরোধের প্রথম প্রহর প্রভৃতি।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – ড. সৌমিত্র শেখর)
১৬.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে খেতাবপ্রাপ্ত উইলিয়ম এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) অস্ট্রিয়া
  3. গ) ইতালি
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক হলেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
তিনি ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৭.
চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) সপ্তম
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
FAO এর তথ্যানুসারে মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- চাষকৃত মাছ উৎপাদনে : পঞ্চম।
- অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে : তৃতীয়।
- ইলিশ মাছ উৎপাদনে : প্রথম।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট মাছ উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ৪৩.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন।
এর মধ্যে চাষকৃত মাছের পরিমাণ প্রায় ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
১৮.
অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ মৎস্য পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের তথ্যানুযায়ী ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে দেশে মাছ উৎপাদনের পরিমাণ:
- মোট মাছ উৎপাদন : ৪৩.৮৪ লক্ষ মে. টন
- অভ্যন্তরীণ উৎসের মাছ : ৩৭.২৪ লক্ষ মে. টন
- সামুদ্রিক মাছ : ৬.৬ লক্ষ মেট্রিক টন।
অভ্যন্তরীণ উৎসের মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ময়মনসিংহ (৩.৮৯ লক্ষ টন)
- দ্বিতীয় : কুমিল্লা (২.৫৭ লক্ষ টন)
- তৃতীয় : যশোর (২.২৩ লক্ষ টন)।
(সূত্র: মৎস্য পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৮-২০১৯)
১৯.
নিচের কোন জেলায় সুন্দরবনের বিস্তৃতি নেই?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) বাগেরহাট
  3. গ) সাতক্ষীরা
  4. ঘ) বরগুনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরগুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরগুনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা জুড়ে সুন্দরবন বিস্তৃত।
এর আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কি.মি. যা বনবিভাগ নিয়ন্ত্রিত মোট বনভূমির প্রায় ৩৮.১২ শতাংশ।
এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী থেকেই বনের নাম সুন্দরবন হয়েছে। এটি বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত একটি বিশ্ব ঐতিহ্য এবং রামসার সাইট।
(সূত্র: বনবিভাগ ওয়েবসাইট)
২০.
নিচের কোনটি রবিশস্য?
  1. ক) কাঁঠাল
  2. খ) আমন ধান
  3. গ) পাট
  4. ঘ) বোরো ধান
সঠিক উত্তর:
ঘ) বোরো ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বোরো ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম বা শীতকালীন শস্য ধরা হয়।
রবি মৌসুমে উৎপন্ন ফসলের মধ্যে রয়েছে:
- বোরো ধান
- গম
- মসুর ডাল
- যব
- সরিষা
- পেঁয়াজ
- মটরশুঁটি প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- পাট ও কাঁঠাল : খরিপ-১ মৌসুম ফসল
- আমন ধান : খরিপ-২ মৌসুম ফসল।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
২১.
‘অগ্নিশ্বর’ কিসের জাত?
  1. ক) পেঁপে
  2. খ) কলা
  3. গ) টমেটো
  4. ঘ) আম
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কলা
ব্যাখ্যা
অগ্নিশ্বর হলো কলার একটি জাত।
কলার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- অমৃতসাগর
- মোহনবাঁশী
- কানাইবাঁশী
- বীটজবা
- চাম্পা
- মেহেরসাগর
- কবরি ইত্যাদি।
(সূত্রঃ কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
২২.
ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমির আধিক্য রয়েছে কোথায়?
  1. ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. খ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  3. গ) বরেন্দ্র্রভূমি
  4. ঘ) উপকূলীয় চরাঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
যে বনভূমির বৃক্ষের পাতা শীতকালে ঝড়ে যায় না তাকে চিরহরিৎ বনভূমি বলা হয়। সাধারণত অধিক বৃষ্টিবহুল এলাকায় চিরহরিৎ বনভূমির আধিক্য দেখা যায়।
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বৃষ্টিবহুল পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি রয়েছে।
এই বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ১৩.৭৭ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৯.৩৩ শতাংশ।
এ বনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, চাপালিশ ও তেলসুর উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
২৩.
বাংলাদেশে ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাতীয় সঞ্চয়ের পরিমাণ জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ক) ২৩.৬৩ ভাগ
  2. খ) ২৫.৩১ ভাগ
  3. গ) ৩০.১১ ভাগ
  4. ঘ) ৩১.৭৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০.১১ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০.১১ ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছর শেষে দেশের,
- মোট জাতীয় সঞ্চয় : জিডিপির ৩০.১১ শতাংশ
- মোট দেশজ সঞ্চয় : ২৫.৩১ শতাংশ
- মোট জাতীয় বিনিয়োগ : ৩১.৭৫ শতাংশ
- বেসরকারি বিনিয়োগ : ২৩.৬৩ শতাংশ
- সরকারি বিনিয়োগ : ৮.১২ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
২৪.
দেশের একমাত্র সরকারি গাড়ি সংযোজন প্রতিষ্ঠান ‘প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) টঙ্গি
  2. খ) সীতাকুণ্ড
  3. গ) জয়দেবপুর
  4. ঘ) তেজগাঁও
সঠিক উত্তর:
খ) সীতাকুণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সীতাকুণ্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের অধীন দেশের একমাত্র সরকারি গাড়ি সংযোজন কারখানা হলো প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
এটি ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ডে ‘গান্ধারা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালে ‘প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ নামে এটি জাতীয়করণ করে বিএসইসি এর অধীনে ন্যস্ত করা হয়।
প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড বর্তমানে জাপানের মিৎসুবিসি মোটরস করপোরেশনের পাজেরো স্পোর্ট(কিউএক্স) জীপ, চীনের ফোর্ডে অটোমোবাইলস কোং লিঃ এর ল্যান্ডফোর্ট এসইউভি জীপ এর সিকেডি আমদানী ও সংযোজনপূর্বক স্থানীয়ভাবে বাজারজাত করছে।
(সূত্র: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
২৫.
বর্তমানে বেজার অনুমোদনপ্রাপ্ত মোট অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৭৫টি
  2. খ) ৮২টি
  3. গ) ৯১টি
  4. ঘ) ৯৮টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৯৮টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বেজা বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অনুমোদনপ্রাপ্ত অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংখ্যা ৯৮টি।
এর মধ্যে,
- সরকারি : ৬৯টি
- বেসরকারি : ২৯টি।
সর্ববৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলায় নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরী।
(সূত্র: বেজা ওয়েবসাইট)
২৬.
নিচের কোন ব্যাংকটি সর্বশেষ বাংলাদেশ ব্যাংকের চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে?
  1. ক) কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
খ) সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
গত ৭ ডিসেম্বর ২০২০ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ব্যংকের বোর্ড সভায় ‘সিটিজেন ব্যাংক লিমিটেড’ কে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
এর ফলে দেশে তফসিল ব্যাংকের সংখ্যা দাড়ায় ৬১টিতে।
অন্যদিকে,
- ৬০তম তফসিলি ব্যাংক : বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
- ৫৯তম তফসিলি ব্যাংক : কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং ডেইলি স্টার রিপোর্ট)
২৭.
BEPZA গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
BEPZA (Bangladesh Export Processing Zones Authority) ১৯৮০ সালে গঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
এটির কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা প্রতিষ্ঠা, ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা।
বেপজার অধীনে বর্তমানে দেশে ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
(সূত্রঃ বেপজা ওয়েবসাইট)
২৮.
উৎপাদন ক্ষমতায় দেশের সবচেয়ে বড় সার কারখানা কোনটি?
  1. ক) যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.
  2. খ) ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা লি.
  3. গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.
  4. ঘ) কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লি.
ব্যাখ্যা
শিল্প মন্ত্রণালয়াধীন বিসিআইসি (বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থা) এর নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৮টি সার কারখানা রয়েছে।
এর মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতায় সবচেয়ে বড় সার কারখানা হলো সিলেটের ‘শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড’। এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন।
অন্যদিকে, জামালপুরে অবস্থিত ‘যমুনা সার কারখানা’র বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫.৬১ লক্ষ মোট্রক টন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থা ওয়েবসাইট)
২৯.
বাংলাদেশ ব্যাংক কবে প্রথম ‘এক হাজার টাকা’র নোট প্রচলন করে?
  1. ক) ২০০৬ সালে
  2. খ) ২০০৭ সালে
  3. গ) ২০০৮ সালে
  4. ঘ) ২০০৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা
২০০৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম ১০০০ টাকার নোট প্রচলন করে।
- ১৯৭২ সালে ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট প্রচলন হয়।
- ১৯৭৫ সালে : ৫০ টাকার নোট
- ১৯৭৭ সালে : ৫০০ টাকার নোট
- ১৯৮০ সালে : ২০ টাকার নোট
- ১৯৮৯ সালে : ২ টাকার নোট
- ২০২০ সালে : ২০০ টাকার নোট।
(সূত্র: প্রথম আলো)
৩০.
ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে সরকার কত শতাংশ হারে বোনাস প্রদান করে থাকে?
  1. ক) ১ শতাংশ
  2. খ) ২ শতাংশ
  3. গ) ২.৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বিদেশ থেকে অবৈধপথে অর্থ প্রেরণ বন্ধ করা এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণে ২ শতাংশ প্রণোদনা বা বোনাস প্রদান চালু করে।
এ উদ্যোগের ফলে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের রেমিট্যান্স আহরণ ১৮.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌছায় যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
(সূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং দৈনিক প্রথম আলো)
৩১.
বাংলাদেশের সাথে কতটি দেশ/সংস্থার যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন রয়েছে?
  1. ক) ১৭ টি
  2. খ) ১৮ টি
  3. গ) ২৫ টি
  4. ঘ) ৩৮ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে ১৮টি দেশ ও সংস্থার যৌথ অর্থনৈতিক কমিশন রয়েছে।
এগুলো হলোঃ
- ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন
- সৌদি আরব
- নেপাল
- তুরস্ক
- ইরান
- ভারত
- চীন
- কুয়েত
- সংযুক্ত আরব আমিরাত
- রোমানিয়া
- পাকিস্তান
- শ্রীলঙ্কা
- মালয়েশিয়া
- ইন্দোনেশিয়া
- ভিয়েতনাম
- থাইল্যান্ড
- দক্ষিণ কোরিয়া এবং
- ফিলিপাইন।
(সূত্রঃ অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ওয়েবসাইট)
৩২.
দেশে প্রথম কাগজকল স্থাপিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫১ সালে
  2. খ) ১৯৫২ সালে
  3. গ) ১৯৫৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম কাগজকল হলো রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিল। এটি ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
এটির বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মে. টন। এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৩৩.
বৈদেশিক বাণিজ্যে কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বিদ্যমান?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) কানাডা
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
গ) জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সার্বিক বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি বিদ্যমান।
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাণিজ্য ভারসাম্যে ঘাটতি ছিলো ১৭.৮৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তবে কয়েকটি দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈদেশিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের উদ্বৃত্ত রয়েছে। এগুলোর মধ্যে:
- প্রথম : জার্মানি (৪.২৩ বি. ড.)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৩.৭ বি. ড.)
- তৃতীয় : যুক্তরাজ্য (২.৯ বি. ড.)।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান চীনের সাথে। দ্বিতীয় সর্বাধিক ভারতের সাথে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৩৪.
নিচের কোনটি প্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. ক) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
  2. খ) চামড়াজাত পণ্য
  3. গ) বাইসাইকেল
  4. ঘ) হোম টেক্সটাইল
সঠিক উত্তর:
খ) চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
যেসব রপ্তানি পণ্যের কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস থেকে অথবা যেসব পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি সেগুলো হলো প্রচলিত রপ্তানি পণ্য।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- পাট ও পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- ফল
- চিংড়ি প্রভৃতি।
অন্যদিকে, যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- বাইসাইকেল
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- হোম টেক্সটাইল
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস প্রভৃতি।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৩৫.
চলতি অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দের পরিমাণ মোট বাজেটের কত শতাংশ?
  1. ক) ১৯.৯ শতাংশ
  2. খ) ১৫.১ শতাংশ
  3. গ) ১১.৪ শতাংশ
  4. ঘ) ১১.১ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫.১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৫.১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে খাত ভিত্তিক অনুন্নয়ন ও উন্নয়ন বরাদ্দের শতকরা পরিমাণ:
- প্রথম : জনপ্রশাসন (১৯.৯ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : শিক্ষা ও প্রযুক্তি (১৫.১ শতাংশ)
- তৃতীয় : যোগাযোগ ও পরিবহন (১১.৪ শতাংশ)
- চতুর্থ : সুদ (১১.১ শতাংশ)
- পঞ্চম : স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন (৭ শতাংশ)
- ষষ্ঠ : প্রতিরক্ষা (৬.১ শতাংশ)
- সপ্তম : সামাজিক নিরাপত্তা (৫.৬ শতাংশ)
- অষ্টম : কৃষি (৫.৩ শতাংশ)
- নবম : স্বাস্থ্য (৫.১ শতাংশ)
- দশম : জননিরাপত্তা (৫ শতাংশ)
- একাদশ : জ্বালানি ও শক্তি (৪.৭ শতাংশ)
- দ্বাদশ : গৃহায়ণ (১.২ শতাংশ)
- ত্রয়োদশ : বিনোদন ও সংস্কৃতি (০.৯ শতাংশ)
- চতুর্দশ : অন্যান্য (০.৮ শতাংশ)
- পঞ্চদশ : শিল্প ও আর্থিক সেবা (০.৭ শতাংশ)।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৩৬.
মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) পটুয়াখালী
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) লক্ষ্মীপুর
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে।
সমুদ্রবন্দরটি নির্মাণে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা করছে জাপান সরকার।
প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ১৭,৭৭৫ কোটি টাকা যার অধিকাংশ জাপানি সংস্থা জাইকা সরবরাহ করবে।
২০২৫ সাল নাগাদ এটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হবে। এ বন্দরে বার্ষিক প্রায় ৮ লক্ষ কন্টেইনার উঠানামা করবে।
তবে এটি স্বতন্ত্র বন্দর না হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল বন্দর হিসেবে কাজ করবে।
(সূত্র: অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
৩৭.
বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে কত সালে জাতিসংঘের LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে?
  1. ক) ২০২১ সালে
  2. খ) ২০২৪ সালে
  3. গ) ২০২৫ সালে
  4. ঘ) ২০২৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
LDC (Least Developed Countries) হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন কর্তৃক ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৬টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ন থাকলে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৩৮.
ADP প্রণীত হয় কত সময়ের জন্যে?
  1. ক) ১ বছর
  2. খ) ২ বছর
  3. গ) ৪ বছর
  4. ঘ) ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ বছর
ব্যাখ্যা
ADP (Annual Development Programme) হলো বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা উন্নয়ন বাজেট যা ১ বছরের জন্যে ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে ADP এর আকার ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা।
(সূত্রঃ অর্থনীতি : নবম-দশম শ্রেণী এবং অর্থবিভাগ)