পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক [ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স] ও ইন্টারনেটের ধারণা ও বিবর্তন। ৪. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW), নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদি; ৫. দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বাইনারি রিলেশনশিপে কয়টি টেবিল/এনটিটি অংশগ্রহন করে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
রিলেশনশিপ (Relationship)
- ডেটাবেজের মধ্যে একটি ডেটা টেবিলের ডেটার সাথে অন্য এক বা একাধিক ডেটা টেবিলের ডেটার সম্পর্কই হলো রিলেশনশিপ।

- রিলেশনশিপের ডিগ্রি (Degree of Relationship) ডেটাবেজে রিলেশনশিপ তৈরি করার জন্য যে কয়টি এনটিটি বা টেবিল অংশগ্রহন করে তার সংখ্যাকেই রিলেশনশিপের ডিগ্রি বলা হয়। রিলেশনশিপের ডিগ্রি সাধারণত তিন ধরনের হতে পারে। যথা-

- ডিগ্রি ১ বা ইউনারি (Unary) রিলেশনশিপ: ইউনারি রিলেশনশিপে শুধুমাত্র একটি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- মানুষ একটি এনটিটি। 

- ডিগ্রি ২ বা বাইনারি (Binary) রিলেশনশিপ: বাইনারি রিলেশনশিপে দু'টি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- ছাত্র ও শিক্ষক দু'টি পৃথক এনটিটি বা টেবিল।

- ডিগ্রি ৩ বা টারনারি (Ternary) রিলেশনশিপ: টারনারি রিলেশনশিপে তিনটি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- বিক্রেতা, পণ্য ও ওয়্যারহাউজ তিনটি পৃথক এনটিটি বা টেবিল।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
ডাটাবেজে Yes/No ডাটার সাইজ কত বিট?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- Short Text/Text ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত। সাধারণত বর্ণভিত্তিক ডেটার ক্ষেত্রে এ ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়। এ ফিল্ডে বর্ণের সাথে সাথে সংখ্যাও লেখা যায়।
- Long Text/Memo ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৬৪০০০ ক্যারেক্টার পর্যন্ত, কিন্তু ১ গিগা বাইট পর্যন্ত লেখা যায়।  এটি একটি Conditional Data টাইপ। এটি ডেটাবেজের সবচেয়ে বড় ডেটা টাইপ।
- তারিখ/সময় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- মুদ্রা জাতীয় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- লজিকাল/বুলিয়ান (Yes/No) ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ১ বিট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
.
ইন্টারনেট সংযোগ নিতে হলে কোনটির দরকার হয়?
  1. কম্পিউটার
  2. মডেম
  3. আইএসপি
  4. সবোগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবোগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবোগুলোই
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট সংযোগ:
ইন্টারনেটের সংযোগ নিতে হলে অনেক জিনিসের দরকার হয়। যথা-
কম্পিউটার,
মডেম,
• টেলিফোন বা অন্য কোন লাইন,
• সফ্টওয়্যার,
আইএসপি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ভাইরাসযুক্ত ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে গ্রাহকের ডেটা চুরি করাকে কি বলে?
  1. Phishing
  2. Spamming
  3. Sneaking
  4. Spoofing
সঠিক উত্তর:
Phishing
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phishing
ব্যাখ্যা
ফিশিং (Phishing): 
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।

স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে। 

স্ফুফিং (Spoofing): 
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে। 

স্নিকিং (Sneaking): 
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে কী বলা হয়?
  1. ডিবাগিং
  2. সর্টিং
  3. ফাইন্ডিং
  4. সার্চিং
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্টিং
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে সর্টিং বলা হয়। 

• ডেটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়। ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজে পেতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  2. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  3. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
  4. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ সফটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাটাবেজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
•অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটির সাহায্যে ডোমেইন নেইমের বিভিন্ন অংশ পৃথক করে রাখা হয়?
  1. কমা
  2. কোলন
  3. পিরিয়ড
  4. হাইফেন
সঠিক উত্তর:
পিরিয়ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিরিয়ড
ব্যাখ্যা
ডোমেইন নেইম: 
- ডোমেইন নেইম এর বিভিন্ন অংশ থাকে। 
যথা- রুট লেভেল (root level), সেকেন্ড লেভেল (second level) ইত্যাদি । 

- ডোমেইন নেইমের রুট লেভেল অংশ থেকে ডোমেইনের ধরন বুঝা যায়। 
যেমন- .com থাকলে কমার্শিয়াল প্রতিষ্ঠান, .edu থাকলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, .net থাকলে নেটওয়ার্ক, .org থাকলে প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি। 

- ডোমেইন নেইমের দ্বিতীয় অংশে ঐ ডোমেইনের পরিচিতিমূলক নিজস্ব নাম থাকে। 
যেমন-শিক্ষা (shikkha), মাইক্রোসফট্ (microsoft), ওরাকল (oracle), ইন্টেল (intel) ইত্যাদি। 
- পিরিয়ড(.) দিয়ে ডোমেইন নেইমের বিভিন্ন অংশ পৃথক করে রাখা হয়। 
- নিচে ডোমেইন নেইমের বিভিন্ন অংশ দেখানো হলো-
http://www.shikkha.org 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
.
নিচের কোনটি strong password এ বিদ্যমান?
  1. Only alphabets
  2. Only alphanumeric characters
  3. Only special characters
  4. alphanumeric characters and special characters
সঠিক উত্তর:
alphanumeric characters and special characters
উত্তর
সঠিক উত্তর:
alphanumeric characters and special characters
ব্যাখ্যা
Strong Password এর জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত:
- ১২ থেকে ১৪ টি ক্যারেক্টার বা তার বেশি থাকবে।
- বড় হাতের অক্ষর, ছোট হাতের অক্ষর, নম্বর, সংকেত থাকবে।
এমন পাসওয়ার্ড হতে হবে যাতে কোনো অভিধান, কোন প্রতিষ্ঠান, কোন ব্লগ এর কোথাও খুজে পাওয়া না যায়।
- পূর্বের পাসওয়ার্ডের সাথে যাতে না মিলে।
- নিজের জন্য মনে রাখা সহজ কিন্তু অপরের জন্য ধারণা করাই কঠিন হবে।

উৎস: Microsoft.
.
এক লাইন ফাঁকা করার জন্য টেক্সট ফরম্যাটিং এর কোন ট্যাগ ব্যবহৃত হয়?
  1. <br>
  2. <hr>
  3. <b>
  4. <i>
সঠিক উত্তর:
<br>
উত্তর
সঠিক উত্তর:
<br>
ব্যাখ্যা
টেক্সট ফরম্যাটিং (Text formatting): 
- ওয়েব ব্রাউজারে উপাত্ত ও তথ্যকে সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দনভাবে উপস্থাপনার জন্য টেক্সটকে বিভিন্নভাবে ফরমেটিং করার প্রয়োজন হয়। 
- টেক্সটকে ছোট, বড়, আন্ডারলাইন করা বা হাইলাইট ইত্যাদি করার জন্য HTML এ বিভিন্ন ট্যাগ ব্যবহার করা যায়। 
- HTML টেক্সট ফরম্যাটিং ট্যাগের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি- 

ট্যাগ ⇒ কাজ- 
• <b>..,</b> ⇒ টেক্সটকে বোল্ড (bold) করার জন্য। উদাহরণ- <b>This is text is bold</b> 
• <i>...</i> ⇒ টেক্সটকে italic করার জন্য। উদাহরণ- <i> This text is italid</i> 
<br> ⇒ এক লাইন ফাঁকা করার জন্য। উদাহরণ- <br> 
• <hr> ⇒ সমান্তরাল লাইন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ- <hr> 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 

১০.
নিম্নের কোনটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের উদাহরণ?
  1. Microsoft Access
  2. MySQL
  3. Oracle
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম থাকে।
- ডিবিএমএস ডাটাবেজ তৈরি, এ্যাকসেস করা এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- ডিবিএমএস ব্যবহারকারী এবং ডাটাবেজের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে।
- বর্তমানে বিভিন্ন ধরুনের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
যেমন- ওরাকল (Oracle), মাইএসকিউএল (MySQL), মাইক্রোসফ্ট এ্যাকসেস (Microsoft Access) ইত্যাদি।

ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রাথমিক কাজগুলো হলো—
১. প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটাবেজ তৈরি করা
২. নতুন ডাটা/ রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা
৩. ডাটার বানান ও সংখ্যার ভুল অনুসন্ধান ও সংশোধন করা
৪. নির্দিষ্ট রেকর্ড অনুসন্ধান ও সংশোধন করা এবং অপ্রয়োজনীয় ডাটা/ রেকর্ড বাদ দেয়া
৫.  ডাটা কুয়েরি করা
৬. রিপোর্ট তৈরি ও প্রিন্ট করা
৭. প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ডাটাবেজকে যে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে সাজানো (sorting
৮. প্রয়োজনে সম্পূর্ণ ডাটাবেজ বা ডাটাবেজের অংশবিশেষ প্রিন্ট করা
৯. ডাটাবেজ হালনাগাদ (update) করা ও যথাসম্ভব ডাটা ডুপ্লিকেশন কমানো ।
১০. ডাটা সংরক্ষণ করা; ইত্যাদি ।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
পাবলিক নেটওয়ার্কের অন্তর্ভুক্ত কোনটি?
  1. WAN
  2. PAN
  3. LAN
  4. CAN
সঠিক উত্তর:
WAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WAN
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের মালিকানা: 
- নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলোর মালিকানা বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network) এবং 
২। প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network)। 

পাবলিক নেটওয়ার্ক (Public Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত নয় এবং যেকোনো সময় যেকোনো কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হতে পারে, তাকে পাবলিক নেটওয়ার্ক বলে। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় অনেক প্রতিষ্ঠানের তত্ত্বাবধানে, অর্থাৎ এর একক মালিকানা থাকে না। 
- এর ব্যবহারকারীকে সাধারণত ফিস্ বা মূল্য পরিশোধ করতে হয় না। 
- WAN বা ইন্টারনেট হলো পাবলিক নেটওয়ার্কের উদাহরণ। 

প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (Private Network): 
- যে নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত এবং কোনো কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কে যুক্ত করতে কর্তৃপক্ষের অনুমতির প্রয়োজন হয়, তাকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বলে। 
- কেউ ইচ্ছা করলেই এই নেটওয়ার্কে অ্যাকসেস করতে পারে না। 
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয় একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানায় ও তত্ত্বাবধানে। 
- এর সিকিউরিটি সিস্টেম মজবুত এবং এতে ট্রাফিক নেই বললেই চলে। 
- ডেটা আদান-প্রদানে ডিলে (Delay) কম হয়। 
- PAN, LAN বা CAN এ ধরনের নেটওয়ার্ক। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১২.
প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা যাবে কোন ফিল্ডটিকে?
  1. Name
  2. Date of birth
  3. Student ID
  4. Father's name
সঠিক উত্তর:
Student ID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Student ID
ব্যাখ্যা
কী-ফিল্ড: যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।

কী ৩ ধরনের হয়:
১) প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
যেমন: ID, Phone No. হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না ৷
- একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত। তেমনি Phone No. এর ক্ষেত্রেও একজনের ডাটা আরেকজনের সাথে মিলে না।

২) কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।
যেমন: একই ডাটা টেবিলে যদি ID এবং Phone No. উভয় থাকে তাহলে তারা কম্পোজিট প্রাইমারি কী হবে।

৩) ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩.
জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ডেটা ট্রান্সমিশন হার কত?
  1. ৫০ kbit/s
  2. ১০০ kbit/s
  3. ২০০ kbit/s
  4. ২৫০ kbit/s
সঠিক উত্তর:
২৫০ kbit/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫০ kbit/s
ব্যাখ্যা
জিগবি (Zigbee): 
- জিগবি (Zigbee) হলো একটি তারবিহীন পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN) তৈরি করার IEEE ৮০২.১৫.৪-ভিত্তিক আদর্শমানের প্রযুক্তি। 
- এটি কম বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে ডিজিটাল রেডিও যোগাযোগের সাহায্যে উচ্চ-স্তরের যোগাযোগের প্রোটোকলগুলির জন্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান তৈরি করে। 
- জিগবি একটি কম বিদ্যুৎ শক্তির, স্বল্প তথ্য হার বা ডেটারেট এবং ব্যক্তিগত এলাকার বেতার অ্যাড-হক নেটওয়ার্ক। 
- এটি অন্যান্য বেতার বা ওয়ারলেস পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WPAN) যেমন ব্লুটুথ বা ওয়াই-ফাই থেকে সহজ এবং কম ব্যয়বহুল। 
- পাওয়ার আউটপুট এবং পরিবেশগত বৈশিষ্ট্যগুলির উপর নির্ভর করে এই প্রযুক্তির প্যানের সীমা দৃষ্টি রেখায় ১০০ মিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। 

- জিগবি ডিভাইসগুলি আরও দূরবর্তী স্থানে পৌঁছানোর জন্য মধ্যবর্তী ডিভাইসের একটি মেশ নেটের মাধ্যমে তথ্য প্রেরণ করে দীর্ঘ দূরত্বের তথ্য প্রেরণ করতে পারে। 
- এটি সাধারণত কম ডেটা রেট অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয় যা দীর্ঘ ব্যাটারীর জীবন এবং নিরাপদ নেটওয়ার্কিং নিশ্চিত করে। 
- এই নেটওয়ার্কগুলি ১২৮ বিট সিমেট্রিক এনক্রিপশন কী দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। 
- জিগবি নেটওয়ার্ক থেকে বিরতিহীন ২৫০ kbit/s ডেটা ট্রান্সমিশন হতে পারে। 
- জিগবি ১৯৯৮ সালে প্রণীত, ২০০৩ সালে প্রমীতকরণ, এবং ২০০৬ সালে সংশোধিত হয়েছিল। 
- জিগবি নামটি মৌচাকে মৌমাছি ফিরে যাওয়ার পরে মধু মৌমাছির waggle নাচকে বোঝায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১৪.
তারবিহীন ইন্টারনেট প্রযুক্তি সেবা প্রদান করে কোনটি?
  1. WAN
  2. Wi-fi
  3. MAN
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Wi-fi
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Wi-fi
ব্যাখ্যা
 ওয়াই-ফাই: 
- ওয়াই-ফাই হল তারবিহীন ইন্টারনেট প্রযুক্তি। 
- Wi-Fi এর পূর্ণরুপ Wireless Fidelity. 
- ওয়াই-ফাই একটি ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি যা কম্পিউটার, মোবাইল ডিভাইস এবং অন্যান্য প্রযুক্তির সাথে ইন্টারনেট সংযোগের সুযোগ দেয়। 
- এই প্রযুক্তিতে একে অপরের সাথে তথ্য সরবরাহ করতে তারের পরিবর্তে একটি রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি সংকেত ব্যবহার করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
১৫.
ইংরেজি কোন শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ 'Fax'?
  1. Faximile
  2. Faximili
  3. Facsimile
  4. Fascimili
সঠিক উত্তর:
Facsimile
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Facsimile
ব্যাখ্যা
ফ্যাক্স (Fax): 
- বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার বেইন ১৮৪২ সালে ফ্যাক্স মেশিন আবিস্কার করেন। 
- ফ্যাক্সের পুরো নাম হলো ফ্যাক্সিমিল (Facsimile)। 
- কোনো ডকুমেন্টকে হুবহু কপি করে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে প্রাপকের কাছে পাঠাতে ফ্যাক্স ব্যবহার করা হয়। 
- প্রেরক যে ডকুমেন্ট যেমন দলিল, সার্টিফিকেট, ছবি, ডায়াগ্রাম ইত্যাদি প্রাপকের কাছে পাঠাতে চান সে ডকুমেন্ট তার ফ্যাক্স মেশিনের সাহায্যে হুবহু কপি তৎক্ষণাৎ প্রাপকের ফ্যাক্স মেশিনে পাঠাতে পারেন এবং প্রাপক তার মেশিন থেকে সেই ডকুমেন্টের প্রিন্ট কপি পেয়ে যান। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৬.
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. হার্ডওয়ার রিসোর্স শেয়ার করা
  2. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা
  3. তথ্য সংরক্ষণ করা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলতে বুঝায় দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ। যে বিশেষ ব্যবস্থায় মডেম, ক্যাবল বা স্যাটেলাইটের মাধ্যমে এক কম্পিউটারের সাথে অন্য এক বা একাধিক কম্পিউটারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে তাদের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করাই হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ।

কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ফলে একটি কম্পিউটারের যাবতীয় তথ্য একাধিক ব্যবহারকারীর স্ব স্ব কম্পিউটারের মাধ্যমে ব্যবহার করতে পারে । কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যোগাযোগ, তথ্যের আদান প্রদান, ই-কমার্স, ইলেক্ট্রনিক মেইল, ইলেকট্রনিক লাইব্রেরি, বুলেটিন বোর্ড ইত্যাদির প্রচলন ও প্রসার ক্রমেই বেড়েই চলেছে।

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির উদ্দেশ্যগুলো নিম্নরূপ :
- ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা।
- হার্ডওয়্যার রিসোর্স শেয়ার করা।
- সফটওয়্যার রিসোর্স শোয়ার করা।
- তথ্য সংরক্ষণ করা ।
- ই-কমার্স ব্যবহার করা ।
- তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
- মেসেস বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Broad network access
  2. On-demand self service
  3. Physical ownership of servers
  4. Limited customization
সঠিক উত্তর:
Physical ownership of servers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Physical ownership of servers
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity, 
- measured service.

- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে 'Physical ownership of servers' বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৮.
ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম কোনটি?
  1. রেকর্ড > ফিল্ড > তথ্য > ডেটাবেজ
  2. রেকর্ড > ফিল্ড > বর্ণ > ডেটাবেজ
  3. বর্ণ > ফিল্ড > রেকর্ড > ডেটাবেজ
  4. ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ
ব্যাখ্যা
• ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম- ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ।

• ফিল্ড:
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়। ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।

• রেকর্ড:
সম্পর্কযযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়। অনেকগুলো ফিল্ডের ডেটার সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

• ডেটা টেবিল:
সমজাতীয় সকল ডেটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত হয়।

• ডেটাবেজ:
ফিল্ড, রেকর্ড, ডেটা টেবিল নিয়ে ডেটাবেজ গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৯.
ইন্টারনেট উপযোগী বিশেষ ধরনের লিংককে বলা হয় -
  1. Rel Link
  2. Hyperlink
  3. JavaScript Link
  4. Nofollow Link
সঠিক উত্তর:
Hyperlink
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hyperlink
ব্যাখ্যা
ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ (WWW): 
- ডব্লিউডব্লিউডব্লিউ এর পুরো অর্থ হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW - World Wide Web)। 
- এটিকে সংক্ষেপে ওয়েব নামেও অভিহিত করা হয়। 
- ওয়েব বলতে একটি বৃহৎ সিস্টেমকে বুঝানো হয় যা অনেকগুলো সার্ভার (যা ওয়েব সার্ভার হিসেবে বিবেচিত হয়) সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়। 
- এসব ওয়েব সার্ভার ইন্টারনেট ইউজারদের যেকোনো ধরনের তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম। 
- এ তথ্য হতে পারে প্রচলিত টেক্সট ফাইল, ছবি, শব্দ বা অন্য কোনো ফরমেটের ডেটা। 

- এ সকল তথ্য ব্যবহার করতে হলে ইউজারকে একটি ক্লায়েন্ট বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহার করতে হয় যা ব্রাউজার (Browser) নামে পরিচিত। 
- ওয়েবে তথ্য মূলত সংরক্ষিত হয়ে থাকে পেইজ (Page) বা পৃষ্ঠার আকারে। 
- প্রতিটি পেইজে শুধু তথ্যই থাকে না, বরং এখান থেকে অন্য পেইজে যাবার জন্য থাকে বিশেষ ধরনের লিংক (Link) প্রদান করা হয়। 
- ইন্টারনেট উপযোগী বিশেষ ধরনের এই লিংককে বলা হয় হাইপারলিংক (Hyperlink)। 
- ওয়েবে হাইপারলিংক ব্যবহার করে খুব সহজেই এক পৃষ্ঠা থেকে অন্য পৃষ্ঠায় চলাচল করতে পারা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
২০.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত নয়?
  1. Phreaking
  2. Worms
  3. Avast
  4. Plagiarism
সঠিক উত্তর:
Avast
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Avast
ব্যাখ্যা
- Avast এক ধরনের অ্যান্টিভাইরাস।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং (Hacking),
- ফ্রেকিং (Phreaking),
- হ্যাকিং (Hacking),
- ফিশিং (Phishing),
- ভিশিং (Vishing),
- স্প্যামিং (Spamming),
- স্পুফিং (Spoofing),
- স্নিফিং (Sniffing)
- স্নিকিং (Sneaking),
- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (Worms),
- রুটকিটস (Rootkits),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware),
- ব্যাকডোর (Backdoor) প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২১.
যোগাযোগ প্রক্রিয়ায় প্রাপক যন্ত্র হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. হাব
  2. সুইচ
  3. মডেম
  4. রাউটার
সঠিক উত্তর:
মডেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মডেম
ব্যাখ্যা
ডেটা কমিউনিকেশনের উপাদান: 
- কমিউনিকেশন বা যোগাযোগ এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একস্থান হতে অন্যস্থানে নির্ভরযোগ্যভাবে ডেটা বা তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব। 
- এই যোগাযোগ প্রক্রিয়ার পাঁচটি মৌলিক উপাদান হলো- 
১। উৎস (Source), 
২। প্রেরক (Transmitter / Sender), 
৩। কমিউনিকেশন চ্যানেল বা মাধ্যম (Medium), 
৪। গ্রাহক বা প্রাপক (Receiver) ও 
৫। গন্তব্য (Destination)। 

গ্রাহক বা প্রাপক (Receiver): 
- কমিউনিকেশনের মাধ্যমে ডেটা যার কাছে পাঠানো হয় তাকে গ্রাহক বা প্রাপক বলে। 
যেমন-মডেম প্রাপক যন্ত্র হিসেবে কাজ করে। 
- গ্রাহক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২২.
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তা-
  1. Many to Many
  2. Many to One
  3. One to Many
  4. One to One
সঠিক উত্তর:
One to One
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One to One
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ রিলেশনের প্রকারভেদ:
একাধিক ডেটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়। ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন:

♦ One to One রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন। 

♦ One to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের কোনো একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব। 

♦  Many to One রিলেশন:
যদি কোনো একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

♦  Many to Many রিলেশন:
যদি কোনো ডেটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডেটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোনো ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সাধারণত হিসাব করা হয় -
  1. bit/s
  2. Hz
  3. m/s
  4. Cycle/s
সঠিক উত্তর:
bit/s
উত্তর
সঠিক উত্তর:
bit/s
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইড্থ- ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড: 
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় Bandwidth বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ্ সাধারণত Bit per Second (bps) এ হিসাব করা হয়
- একে Band Speed ও বলা হয়।
অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা Bandwidth বলে।

- এই ডেটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিনভাগে ভাগ করা হয়।
যথা-
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band), 
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band), 
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
২৪.
DDoS Attack এক ধরণের-
  1. সাইবার সিকিউরিটি
  2. সাইবার অপরাধ
  3. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  4. ভাইরাস
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার অপরাধ
ব্যাখ্যা
সাইবার অপরাধ:
• ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
• বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ:
- হ্যাকিং,
- স্প্যামিং,
- সাইবার বুলি,
- স্পুফিং,
- ফিশিং,
- স্নিকিং,
- Cyberstalking,
- DDoS Attacks প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
২৫.
কোনটি ডাটাবেজ মডেল?
  1. XML
  2. Object-Oriented
  3. Hierarchical
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- স্প্রেডশীট এক ধরনের ডাটাবেস মডেল নয়। স্প্রেডশীটগুলি সাধারণত একটি ট্যাবুলার বিন্যাসে ডেটা সংগঠিত এবং বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

বিভিন্ন ধরণের ডাটাবেজ মডেল: 
- Relational Database Model

- NoSQL Database Model

- Hierarchical Database Model

- Network Database Model

- Object-Oriented Database Model

- Entity-Relationship Model (ER Model)

- XML Database Model

- Columnar Database Model

- Time-Series Database Model

- NewSQL Database Model.

উৎস: ব্রিটানিকা।
২৬.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়?
  1. Java
  2. Python
  3. PROLOG
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: 
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানত Java, MATLAB, Python, SHRDLU, PROLOG LISP, CLISP, R ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে ডেভেলপারগণ তাঁদের পছন্দসই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র হিসেবে মেশিন লার্নিং-এর কথা বলা যায়।
- মেশিন লার্নিং-কে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
১। সুপারভাইজড লার্নিং,
২। আনসুপারভাইজড লার্নিং এবং
৩। রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি। 
২৭.
এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে বলে -
  1. এট্রিবিউট
  2. এনটিটি সেট
  3. ভ্যালু
  4. কী
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এট্রিবিউট
ব্যাখ্যা
এনটিটি:
এনটিটি হচ্ছে সত্তা যা দিয়ে অবজেক্টকে চিহ্নিত করা যায়। কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডাটার এনটিটি। যেমন- একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়। এনটিটির বাস্তব উপস্থিতি থাকতে পারে অথবা এটি শুধুমাত্র ধারণার উপর ভিত্তি করে হতে পারে।

এনটিটি সেট:
একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়। একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।

এট্রিবিউট:
প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে। অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভুক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

ভ্যালু:
প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।

কী:
সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।

সূত্র- কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
দুই কম্পিউটারের মধ্যে যোগাযোগের সময় অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকে কী বলে?
  1. র‍্যানসমওয়্যার
  2. ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল
  3. ম্যালওয়্যার
  4. ফিশিং
সঠিক উত্তর:
ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল
ব্যাখ্যা
- Man-in-the-Middle:
দুই কম্পিউটারের মাঝের যোগাযোগে অন্য কম্পিউটার থেকে হ্যাকারের অনুপ্রবেশকেই ‘ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক’ বলা হয়। ম্যান-ইন-দ্যা-মিডল অ্যাটাক করা হয় টার্গেটের গোপনীয়/একান্ত এবং আর্থিক তথ্য ইত্যাদি জানা ও সংগ্রহ করার জন্য।

- ম্যালওয়্যার:
ইহা হলো কম্পিউটারের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনুমতি ছাড়া পরিকল্পিত কোনো নেটওয়ার্কে আক্রমণ করে তথ্য বা ডেটা হাতিয়ে নেওয়া কিংবা কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা।
 
- র‍্যানসমওয়্যার:
ইহা হচ্ছে এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটারের দখল নেয় যাতে ব্যবহারকারীকে অর্থ পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঢুকতে দেয় না।
র‍্যানসমওয়্যার নামটিই প্রকাশ করে যে, কম্পিউটারের ফাইল আটকে অর্থ নেওয়ার জন্য এটা করা হয়। 
কম্পিউটারে যত ফাইল পায় সব এনক্রিপ্ট করে ফেলে একটি বার্তা দেখানো শুরু করে। যদি ওই ফাইল উদ্ধার করে চান তবে অর্থ পরিশোধ করতে হবে। সাধারণত একটি এনক্রিপশন কি বা প্রোগ্রাম চাবি ব্যবহার করে ফাইল আটকানো হয়। 
ওই চাবি সম্পর্কে তথ্য কেবল আক্রমণকারীর জানা থাকে। যদি অর্থ পরিশোধ করা না হয় তখন তথ্য পুরোপুরি মুছে ফেলার ঘটনা ঘটতে দেখা যায়।
 
- DoS (Denial of Service):
ইহা হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে হ্যাকার ডিভাইসের স্বাভাবিক কার্যকারিতা বাধাগ্রস্ত করে একটি কম্পিউটার বা অন্য ডিভাইসকে তার উদ্দেশ্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে দূরে রাখে। কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা ইন্টারনেট ওয়েবসাইটে এই আক্রমণ চালানোর মাধ্যমে ঐ সিস্টেম বা সাইটের যথাযথ কার্যক্রমকে ধীর গতির, বা অনেক ক্ষেত্রে পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়া হয়।
 
- ফিশিং (Phishing):
ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।
 
উৎস: প্রথম আলো, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৯.
কোনো ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে বলে ঐ ডাটাবেজের -
  1. ইন্সট্যান্স (Instance)
  2. স্কিমা (Schema)
  3. এনটিটি (Entity)
  4. এট্রিবিউট (Attribute)
সঠিক উত্তর:
স্কিমা (Schema)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্কিমা (Schema)
ব্যাখ্যা
একটি ডাটাবেজে চলকের মানসমূহ (values) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পরিবর্ধন, সংরক্ষণ, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায়ই পরিবর্তিত হয়।

একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের ইন্সট্যান্স (Instance) বলে

আর ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।