পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ২১: বিষয়: আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী সিলেবাস ১. বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি। ২. আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও আন্তরাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সম্পর্ক। উৎস: বিভিন্ন শ্রেণির বোর্ড বই, বিভিন্ন অথেনটিক ওয়েবসাইট, সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
ইনকা সভ্যতার রাজধানী ছিল-
  1. ভিলকাবাম্বা
  2. কুজকো 
  3. মাচু পিচু
  4. লিমা
ব্যাখ্যা

• ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
- প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার রাজধানী ছিল কুজকো।
- এই সভ্যতার স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ভাষা: কেচুয়া
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
- তাদের স্থাপত্য, সেচ ব্যবস্থা, প্রাসাদ, মন্দির ও দুর্গের অবশেষ আজও আন্দিজে দেখা যায়।
- ১৫৩২ সালে স্প্যানিশ বিজয়ীদের দ্বারা ইনকা সাম্রাজ্যের পতন ঘটে

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
'Eisenhower Doctrine' কোন অঞ্চলের সাথে সম্পর্কিত? 
  1. ইউরোপ 
  2. মধ্যপ্রাচ্য 
  3. দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া 
  4. আফ্রিকা 
ব্যাখ্যা

• আইজেনহাওয়ার মতবাদ:
- আইজেনহাওয়ার মতবাদ (Eisenhower Doctrine) ১৯৫৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডুইট ডি. আইজেনহাওয়ার ঘোষণা করেন।
- এর মূল লক্ষ্য ছিল মধ্যপ্রাচ্যে কমিউনিজমের প্রভাব ঠেকানো এবং সোভিয়েত প্রভাব বিস্তার রোধ করা।
- এই মতবাদের অধীনে, যে কোনো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ যদি কমিউনিস্ট আগ্রাসনের মুখে পড়ে, তবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সহায়তা দেবে।
- এ টি ছিল শীতল যুদ্ধকালীন মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

উৎস: Office of the Historian (.gov)। 

.
'পিচ অফ ওয়েস্টফেলিয়া ' কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. ইংল্যান্ড 
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

• ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি বা পিচ অফ ওয়েস্টফেলিয়া:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে জার্মানির ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে।
- ইউরোপে দীর্ঘ সময় ধরে চলা দুটি বড় যুদ্ধ শেষ করতে ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

- দুটি যুদ্ধ শেষ হয় এই চুক্তিতে:
i) আশি বছরের যুদ্ধ (Eighty Years’ War) – স্পেন এবং নেদারল্যান্ডসের মধ্যে।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ৩০ জানুয়ারি ১৬৪৮

ii) তিরিশ বছরের যুদ্ধ (Thirty Years’ War) – মূলত জার্মান অঞ্চল, ফ্রান্স, সুইডেন এবং পবিত্র রোমান সাম্রাজ্যের মধ্যে।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ২৪ অক্টোবর ১৬৪৮

- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: Britannica ও আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
M23 কোন দেশের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. ইথোপিয়া
  2. ডি আর কঙ্গো
  3. সুদান
  4. ইয়েমেন
ব্যাখ্যা

March 23 Movement (M23):
- March 23 Movement (M23) হলো ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো (DRC)-এর একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
- M23 বিদ্রোহের উৎপত্তি হয় ২৩ মার্চ ২০০৯ সালে স্বাক্ষরিত এক শান্তিচুক্তির ব্যর্থতা থেকে।
- পরবর্তীতে ২০১২ সালে সংগঠনটি দেশটির পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় হয়ে ওঠে।
- M23 বর্তমানে DRC-র পূর্বাঞ্চলে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
- তারা বিভিন্ন এলাকায় সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত।
- কঙ্গোর সরকার ও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী তাদের দমনের চেষ্টা করছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ রয়েছে যে দুটি দেশের মাঝে -
  1. রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া
  2. রাশিয়া ও জাপান
  3. চীন ও তাইওয়ান
  4. ভিয়েতনাম ও তাইওয়ান
ব্যাখ্যা

• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে বিরোধ রয়েছে রাশিয়া ও জাপানের মাঝে।

• কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ:
- রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপের ঠিক উত্তরে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানের কাছ থেকে এই দ্বীপগুলো সোভিয়েত ইউনিয়ন দখল করে নেয়।
- প্রশান্ত মহাসাগরের যে চারটি দ্বীপ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ এটি তার মধ্যে একটি হলো এই কুড়িল দ্বীপপুঞ্জ।
- বিতর্কিত কুড়িল দ্বীপপুঞ্জের চারটির মধ্যে দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় দ্বীপ কুনাশির।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
NATO এর বর্তমান মহাপরিচালক কে?(জানুয়ারি,২০২৬)
  1. জেনস স্টলটেনবার্গ
  2. মার্কো রুবিও
  3. মার্ক রুটে
  4. উরসুলা ভ্যান ডার লেন
ব্যাখ্যা

• ন্যাটো:
- পূর্ণরূপ - North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- ন্যাটো ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ১২টি দেশ।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩২টি দেশ। (জানুয়ারি, ২০২৬)
- NATO এর মহাপরিচালক Mark Rutte. 

উৎস: ন্যাটো ওয়েবসাইট।

.
“An eye for an eye” কোন আইনের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. রোমান আইন
  2. হাম্মুরাবি আইন
  3. ম্যাগনা কার্টা
  4. ট্রিটি অফ ওয়েস্টফেলিয়া
ব্যাখ্যা

• কোড অব হাম্মুরাবি:
- নগররাষ্ট্র ব্যাবিলন ছিল মেসোপটেমিয়ার কেন্দ্রবিন্দু।
- ১৭৬০ খ্রিষ্টপূর্ব বেশ কয়টি ধারাবাহিক যুদ্ধের পর ব্যাবিলনের শক্তিমান রাজা হাম্মুরাবি অন্য সব বিপক্ষ নগররাষ্ট্রগুলো গুঁড়িয়ে দেন।

⇒ ২৮২টি আইনের সমন্বয়ে তৈরি, পাথরে খোদাই করা এই কোডটি ব্যাবিলনের রাজা হাম্মুরাবি প্রাচীন মেসোপটেমিয়া শাসনের জন্য তৈরি করেছিলেন।
- তাঁর আইনগুলো ‘কোড অব হাম্মুরাবি’ নামে পরিচিত।
- এটি সবচেয়ে পুরোনো লিখিত আইন।
- আইনগুলো শতাব্দীর পর শতাব্দী কাদামাটিতে লিখে আগুনে পুড়িয়ে সংরক্ষণ করা হতো।
- বিষয় অনুসারে আইনগুলো নানা শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল। যেমন পারিবারিক বিষয়, বাণিজ্য, ধর্ম ও দাসপ্রথা।
- জনসাধারণ যদিও পড়তে জানত না, তবু আইনভঙ্গকারীদের দাঁত উপড়ে নেওয়া বা শূলে চড়ানোর মতো শাস্তি ভোগ করতে হতো।
- এই আইনের মুলকথা ছিল - “An eye for an eye”।

উৎস: i) History.com
ii) প্রথম আলো।

.
আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল কী নামে পরিচিত?
  1. গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল
  2. গোল্ডেন ক্রিসেন্ট
  3. গোল্ডেন ওয়েজ
  4. গোল্ডেন ভিলেজ
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন ক্রিসেন্ট:
- আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও ইরান সীমান্তে অবস্থিত আফিম মাদক উৎপাদনকারী অঞ্চল।

অন্যদিকে -
- গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল: গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গেল হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার তিনটি (মায়ানমার ,থাইল্যান্ড ,লাওস) দেশের সীমান্তে অবস্থিত আফিম উৎপাদনকারী অঞ্চল।
- গোল্ডেন ওয়েজ: বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল সীমান্ত যা মাদক পাচার ও চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত ।
- গোল্ডেন ভিলেজ: বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬ টি গ্রামকে গাঁজা উৎপাদনের জন্য 'গোল্ডেন ভিলেজ' বলা হয়।

উৎস: Britannica.

.
নিচের কোনটি পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ?
  1. ক্যাস্পিয়ান সাগর
  2. বৈকাল হ্রদ 
  3. ডেড সী 
  4. টাঙ্গানিকা হ্রদ
ব্যাখ্যা

বৈকাল হ্রদ:
- বৈকাল হ্রদ রাশিয়ায় অবস্থিত।
- এটি হলো পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ।
- এর গভীরতা প্রায় ১৬৪২ মিটার।
- এটি পৃথিবীর প্রাচীনতম হ্রদ।

বিশ্বের ১০টি গভীরতম হ্রদ -
1. বৈকাল হ্রদ - ১৬৪২ মিটার।
2. টাঙ্গানিকা হ্রদ - ১৪৭০ মিটার।
3. ক্যাস্পিয়ান সাগর - ১০২৫ মিটার।
4. ভোস্টক হ্রদ - ১০০০ মিটার।
5. ও'হিগিন্স-সান মার্টিন লেক - ৮৩৬ মিটার।
6. মালাউই হ্রদ - ৭০৬ মিটার।
7. ইসিক কুল - ৬৬৮ মিটার।
8. গ্রেট স্লেভ লেক - ৬১৪ মিটার।
9. ক্রেটার লেক - ৫৯৪ মিটার।
10. মাতানো হ্রদ - ৫৯০ মিটার।

উৎস: World Atlas.

১০.
ইংল্যান্ডের 'গৌরবময় বিপ্লব' (Glorious Revolution) এর ফলাফল কী ছিল?
  1. ক্যাথলিক ধর্মের পুনঃপ্রতিষ্ঠা
  2. ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে যুদ্ধ অবসান
  3. রাজা দ্বিতীয় জেমসের পতন
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

- ১৬৮৮ সালের গৌরবময় বিপ্লবের ফলে ইংল্যান্ডে রাজা দ্বিতীয় জেমসের পতন ঘটে এবং উইলিয়াম ও মেরি সিংহাসনে বসেন। এই বিপ্লবের ফলে ইংল্যান্ডে সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। 

গৌরবময় বিপ্লব (Glorious Revolution):
- গৌরবময় বিপ্লব (Glorious Revolution) ছিল ইংল্যান্ডের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তন।
- ১৬৮৮ সালে রাজা দ্বিতীয় জেমসের স্বেচ্ছাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভে উইলিয়াম অব অরেঞ্জকে সিংহাসনে আহ্বান করা হয়। এই বিপ্লব রক্তপাতহীনভাবে সম্পন্ন হয়, তাই একে ‘গৌরবময়’ বলা হয়।
- উইলিয়াম ও মেরির অভিষেকের মাধ্যমে প্রোটেস্ট্যান্ট শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ক্যাথলিক প্রভাব কমে যায়। ১৬৮৯ সালে গৃহীত Bill of Rights রাজতন্ত্রের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করে এবং সংসদের অধিকার সুনিশ্চিত করে। এর ফলে সংবিধানিক রাজতন্ত্রের ভিত্তি রচিত হয় এবং গণতান্ত্রিক ধারার প্রসার ঘটে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের ধারণা সমাজে প্রতিষ্ঠা পায়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও World History Online Textbook.

১১.
গোলান মালভূমি কোন দুই দেশের মধ্যে সংঘাতের কারণ?
  1. মিশর ও ইসরায়েল
  2. জর্ডান ও ইসরায়েল
  3. ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল
  4. সিরিয়া ও ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

• গোলান মালভূমি:
- ১১৫০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের একটি মালভূমি যা গোলান পর্বতমালার অংশ।
- এটি সিরিয়া-ইসরায়েল সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিরিয়ার একটি অংশ ছিল।
- সেই বছর, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী গোলান মালভূমিতে প্রবেশ করে।
- ১৯৮১ সালে ইসরায়েলি সরকার গোলান হাইটসকে সংযুক্ত করে, বা ঘোষণা করে যে এলাকাটি ইসরায়েলের একটি অংশ।
- এর উত্তরে লেবানন এবং দক্ষিণে জর্ডান অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল গোলান মালভূমির দুই-তৃতীয়াংশ দখল করে নেয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৭৩ সালে চতুর্থ আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল এটি ফেরত দেয়।
- গোলান মালভূমিতে সিরিয়া-ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি রেখা ‘পার্পল লাইন' নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২.
‘লিটল রেড বুক’ বইটির রচয়িতা কোন বিশ্বনেতা?
  1. ফিদেল কাস্ত্রো
  2. অ্যাডলফ হিটলার
  3. মাও সেতুং
  4. নেলসন মেন্ডেলা
ব্যাখ্যা

• Little Red Book:
- লিটল রেড বুক (Little Red Book) বইটির রচয়িতা মাও সেতুং।
- বইটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- মাও সেতুং-এর নির্বাচিত উক্তি ও রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে প্রকাশিত এই বইটি। 
- লিটল রেড বুকের ভেতর, মোটা লাল হরফে লেখা  জুড়ে দেওয়া হয়, কমিউনিষ্ট ম্যানিফেষ্টো-এর সেই বিখ্যাত সেই স্লোগান  "দুনিয়ার মজদুর, এক হও" (Workers of the world, unite)"। 

• মাও সেতুং:
- চীনা কমিউনিষ্ট আন্দোলনের অন্যতম নেতা মাও সেতুং ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রধান স্থপতি।
- ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর, এক বিপ্লবের মাধ্যমে কমিউনিস্ট বিপ্লবী মাও-সেতুং এর নেতৃত্বে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন গণচীন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মাও-সেতুং কে গণচীনের জনক বলা হয়।
- চীন বর্তমানে পৃথিবীর দ্বিতীয় প্রধান অর্থনীতির দেশ।

উৎস: Britannica.

১৩.
দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লবে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছিল-
  1. বাষ্পীয় ইঞ্জিন
  2. বিদ্যুৎ
  3. রেলগাড়ি
  4. ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লব:
- দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লব মূলত ১৮৭০-এর দিকে উদ্ভূত হয় এবং এটি প্রথম শিল্পবিপ্লবের পরের ধাপ ছিল, যেখানে বিদ্যুৎ শক্তি, ইস্পাত, পেট্রোলিয়াম এবং অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন-এর ব্যবহার শিল্প ও উৎপাদনে বিপ্লবী পরিবর্তন আনে।
- এই সময়ে বিদ্যুৎ শক্তি-কে বড় পরিসরে কাজে লাগানো হয়।
- যেমন বৈদ্যুতিক মেশিন, আলো, ট্রান্সমিশন এবং উৎপাদন লাইনে বিদ্যুৎ-চালিত যন্ত্রাদি যা শিল্পায়নে ভীষণ দ্রুত বৃদ্ধি আনতে সাহায্য করে।
এতে উৎপাদন আরও কার্যকর, দ্রুত ও বড় পরিসরে সম্ভব হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা

১৪.
আমেরিকা স্বাধীনতা ঘোষণা করে-
  1. ১৭৭২ সালে
  2. ১৭৭৩ সালে
  3. ১৭৭৬ সালে
  4. ১৭৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র একটি ঐতিহাসিক দলিল।
- এটি ৪ জুলাই , ১৭৭৬ সালে পেনসিলভানিয়া প্রাদেশিক আইনসভায় অনুষ্ঠিত কংগ্রেসের সভায় গৃহীত হয়।
- এটি গ্রেট ব্রিটেন থেকে উত্তর আমেরিকার ১৩টি ব্রিটিশ উপনিবেশকে পৃথক করার ঘোষণা করেছিল।
- কংগ্রেস ২ জুলাই সর্বসম্মতভাবে ১২টি উপনিবেশের ভোটে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে 'এই ইউনাইটেড কলোনিগুলি স্বাধীন এবং স্বাধীন রাজ্য হওয়া উচিত।'
- সেই অনুসারে, যেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট দেওয়া হয়েছিল সেটি ছিল ২ জুলাই।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়েছে- ৪র্থ জুলাই বা স্বাধীনতা দিবস।

উৎস: Declaration of Independence: A Transcription, National Archives (.gov).

১৫.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. এডওয়ার্ড হিথ
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. নেভিল চেম্বারলেন
  4. মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নেভিল চেম্বারলেন।
- নেভিল চেম্বারলেন ১৯৩৭ থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৩৮ সালে তিনি মিউনিখ চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে জার্মানির নেতা আডল্ফ হিটলারের সঙ্গে সান্ত্বনামূলক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছিল। তবে ১৯৪০ সালের মে মাসে নরওয়েজিয় সংকটের কারণে জাতীয় সংসদে তার প্রতি আস্থা কমে যায়। এর ফলে, ১৯৪০ সালের ১০ মে রাজা ষষ্ঠ জর্জ উইনস্টন চার্চিলকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চার্চিলের নেতৃত্বে ব্রিটেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যুদ্ধকালীন সময়ে তার অসাধারণ নেতৃত্ব ও অবদানের জন্য তিনি ইতিহাসে চিরস্মরণীয়। ১৯৫৩ সালে সাহিত্যে তার অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।

উৎস: Britannica.

১৬.
বিখ্যাত ধর্মপ্রবর্তক জরথুষ্ট্র কোন সভ্যতার সাথে সম্পর্কিত?
  1. পারস্য সভ্যতা
  2. মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ্রিক সভ্যতা
  4. ক্যালডীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা

জরথুষ্ট্র :
• জরথুষ্ট্র একজন ধার্মিক ও দার্শনিক।
• তিনি পারসীয়দের ধর্মের(পারসিক) সন্ধান দেন।
- জরথুষ্ট্র নামক একজন ধার্মিক ও দার্শনিক পারসীয়দের নতুন ধর্মের সন্ধান দেন।
- তার প্রচারিত এ ধর্মকে বলা হয় জরথুষ্ট্রবাদ।
- জরথুষ্ট্রবাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হচ্ছে 'জেন্দআবেস্তা'।
- জরথুষ্ট্রবাদের মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের মধ্যে প্রচলিত বহু দেবতা ও যাদুবিদ্যার অবসান এবং ধর্মে নৈতিকতা ও দার্শনিক আদর্শ প্রতিষ্ঠা করা।

পারস্য সভ্যতা:

- আজকের ইরান দেশটি প্রাচীনকালে পারস্য নামে পরিচিত ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ৫৫৯ অব্দ থেকে ৩০০ অব্দের মধ্যে এখানে পারস্য সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
- সভ্যতার ইতিহাসে দুটি ক্ষেত্রে পারসীয়দের অবদান ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- প্রথমটি সুষ্ঠু ও দক্ষ প্রশাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দ্বিতীয় ধর্মীয় ক্ষেত্রে একটি নতুন ধারণা নিয়ে আসা।
- সুন্দরভাবে সাম্রাজ্য পরিচালনা করার জন্য সম্রাট দারিয়ুস একটি দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন।
- সম্রাট দারিয়ুস চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেন।
- জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়নেরও সম্রাটের দৃষ্টি ছিল।
- সম্রাট দারিয়ুস ১২ মাসে বছর ও ৩০ দিনে মাস গণনার রীতি চালু করে পারসীয় দিনপঞ্জি তৈরি করেন।
- পারসীয়গণ লিখার জন্য ৩৯টি কিউনিফর্ম চিহ্ন ব্যবহার করত।
- পারস্য স্থাপত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো পিরামিডের আকৃতিতে তৈরি সম্রাট কাইরাসের সমাধি।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭.
Track-II ডিপ্লমেসি বলতে কী বোঝায়? 
  1. সরকারি পর্যায়ে কূটনৈতিক আলোচনা
  2. বেসরকারি পর্যায়ে বা অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক উদ্যোগ
  3. গোপন সামরিক চুক্তি
  4. বাণিজ্যিক আলোচনার মাধ্যমে কূটনীতি
ব্যাখ্যা

• Track-II diplomacy হলো বেসরকারি পর্যায়ে বা অনানুষ্ঠানিক কূটনৈতিক উদ্যোগ। 

• Track-II diplomacy:
- Track-II diplomacy হলো এমন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা যেখানে সরকারি প্রতিনিধিদের পরিবর্তে বেসরকারি ব্যক্তি, শিক্ষাবিদ, গবেষক, অবসরপ্রাপ্ত কূটনীতিক, এবং সিভিল সোসাইটি অংশ নেন।
লক্ষ্য হলো সংঘাত নিরসন, পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি, এবং শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
এটি Track-I diplomacy (সরকারি পর্যায়ের আলোচনা)-এর পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

• Track-I diplomacy:
রাষ্ট্রের সরকারিভাবে নিযুক্ত প্রতিনিধি—যেমন রাষ্ট্রপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, কূটনীতিকদের মাধ্যমে পরিচালিত আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক কার্যক্রমকে Track-I Diplomacy বলা হয়।

• Track-III diplomacy:
সাধারণ জনগণ, এনজিও, মিডিয়া, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে জনগণ-থেকে-জনগণের সম্পর্ক গড়ে তোলার কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে Track-III Diplomacy বলা হয়।

উৎস: Stanford University Press ও Civilsdaily.com

১৮.
কত সালে 'ট্রুম্যান ডকট্রিন' ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৪৭ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা

ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- 'ট্রুম্যান ডকট্রিন' ১৯৪৭ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি এস ট্রুম্যান দ্বারা ঘোষণা করা হয়।
- এটি ছিল একটি পররাষ্ট্রনীতি যার লক্ষ্য ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূ-রাজনৈতিক বিস্তার প্রতিরোধ করা।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্কে চলমান কমিউনিস্ট বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্কের সামরিক বাহিনীকে আর্থিক সহায়তা দিতে শুরু করে। 

উৎস: National Archives (.gov).

১৯.
আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক কে?
  1. লি লিয়েন লুং
  2. লি শিয়েন লুং
  3. লি কুয়ান ইউ
  4. লরেন্স ওং
ব্যাখ্যা

• আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক লি কুয়ান ইউ।

সিঙ্গাপুর:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ধনী নগররাষ্ট্র সিঙ্গাপুর। 
- রাজধানী: সিঙ্গাপুর সিটি।
- মুদ্রা: সিঙ্গাপুরীয় ডলার।
- দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: লরেন্স ওং।
- দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট: থারমান শানমুগারাতনাম।

উল্লেখ্য,
- আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক হলেন লি কুয়ান ইউ।
- লি কুয়ান ইউ ১৯৫৯ সালের জুন মাসে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী হন।
- তিনি ১৯৫৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তাঁর দীর্ঘ শাসনামলে , সিঙ্গাপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ হয়ে ওঠে।

এছাড়াও,
- সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল।

উৎস: Britannica.

২০.
ফরাসি বিপ্লব(French Revolution) এর সময় বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে-
  1. ১৭৮০ সালে
  2. ১৭৭৯ সালে
  3. ১৭৮৯ সালে
  4. ১৭৯০ সালে
ব্যাখ্যা

 ফরাসি বিপ্লব:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু হলে ফরাসি রাজা ষোড়শ লুই যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন করে। বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেন। ফলে ফরাসি কোষাগার শূন্য হয়ে পড়ে। তাই রাজা ধনীদের নিকট ঋণ ও উচ্চ কর আরোপ করেন। এছাড়া ও  বুর্জোয়ারা - ব্যবসায়ী, উৎপাদনকারী, পেশাদার - আর্থিক ক্ষমতা অর্জন করেছিল কিন্তু রাজনৈতিক ক্ষমতা থেকে বঞ্চিত ছিল। ধনীরা রাজার  নিকট রাজ্যের অংশ দাবি করে। রাজা অস্বীকৃতি জানালে ধনীরা গরিবদের নিয়ে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটায় এর মধ্য দিয়ে ফরাসি বিপ্লবের সূত্রপাত ঘটে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বিপ্লবের সময়কাল- ১৭৮৯-১৭৯৯
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান-স্বাধীনতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব।
- এ বিপ্লবের শিশু বলা হয়- নেপোলিয়নকে।
- বিপ্লবের পথিকৃৎ- জ্যাঁ জ্যাক রুশো।
- ধনীদের দ্বারা সংঘটিত হওয়া  ফরাসি বিপ্লবের অপর নাম -বুর্জোয়া বিপ্লব
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্রান্সের সামান্তবাদের অবসান হয়।
- ফ্রান্সের প্রজাতন্ত্র শুরু হয়
- বাস্তিল দুর্গের পতন হয়- ১৪ জুলাই ১৭৮৯ সালে।
- এ বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ষোড়শ লুই এর পতন হয়।
- নেপোলিয়নের ক্ষমতা গ্রহণের মাধ্যমে এ বিপ্লবের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: britannica.

২১.
'ডেল্টা ফোর্স' কত সালে প্রতিষ্ঠালাভ করে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা

• ডেল্টা ফোর্স: 
- ডেল্টা ফোর্স যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর একটি অত্যন্ত গোপন ও শক্তিশালী বিশেষ অভিযান ইউনিট।
- সদর দপ্তর: ফোর্ট ব্র্যাগ, নর্থ ক্যারোলাইনা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯ নভেম্বর ১৯৭৭ সালে বেকউইথ এবং কর্নেল থমাস হেনরি কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ডেল্টা ফোর্স গঠনের ধারণাটি আসে কর্নেল চার্লস বেকউইথের কাছ থেকে।
- তিনি ছিলেন একজন গ্রিন বেরেট (একটি বিশেষায়িত ফোর্স) এর সদস্য এবং ভিয়েতনাম যুদ্ধের অভিজ্ঞ সৈনিক।
- এটি Combat Applications Group (CAG), Army Compartmented Elements (ACE), Task Force Green এবং সংক্ষেপে “the Unit” নামেও পরিচিত, পাশাপাশি বিভিন্ন গোপন কভার নামও রয়েছে।
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট স্পেশাল অপারেশনস কমান্ডের (জেএসওসি) সরাসরি অধীনে কাজ করে।

• দায়িত্ব: 
- এ ইউনিট মূলত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান, জিম্মি উদ্ধার, সরাসরি সামরিক হামলা ও বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি-সংক্রান্ত কাজের জন্য প্রশিক্ষিত।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশে এ ইউনিটকে সবচেয়ে জটিল, গোপন ও ঝুঁকিপূর্ণ অভিযানে পাঠানো হয়।

প্রসঙ্গত, 
- ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে তুলে নেওয়ার অভিযানে নিজেদের বিশেষায়িত বাহিনী ‘ডেল্টা ফোর্স’ ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও প্রথম আলো।

২২.
কোন দেশগুলোতে 'ডমিনো তত্ত্ব' প্রয়োগ করা হয়েছে?
  1. সোমালিয়া, ইরিত্রিয়া, ও দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. মালি, ঘানা ও দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. চীন, মঙ্গোলিয়া ও লাইবেরিয়া
  4. ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওস
ব্যাখ্যা

• ডমিনো তত্ত্ব:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।

২৩.
ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে 'তাসখন্দ চুক্তি' কত সালে স্বাক্ষরিত হয়? 
  1. ১৯৬৩ সালে 
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

২৪.
'গডস আর্মি' কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. মিয়ানমার
  4. ফিলিপাইন
ব্যাখ্যা

মিয়ানমারের গেরিলা সংগঠন:
- গডস আর্মি মিয়ানমারের কারেন রাজ্যের একটি গেরিলা সংগঠন।
- এরা খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন থেকে গডস আর্মির জন্ম হয়েছে।
- লুথার ও জনি নামের দুই কিশোর গডস আর্মি গড়ে তোলে।

অন্যদিকে,
- রেড আর্মি: জাপানের কমিউনিস্ট গেরিলা।
- ব্ল্যাক ক্যাট: ভারতের কমান্ডো বাহিনী।
- ফিলিপাইনের গেরিলা সংগঠন MNLF. 

উৎস: নিউইয়র্ক টাইমস ও ব্রিটানিকা।

২৫.
কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ প্রধানত কোন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে?
  1. ইরাক যুদ্ধ
  2. সিরিয়া গৃহযুদ্ধ
  3. সুদান গৃহযুদ্ধ
  4. রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধ 
ব্যাখ্যা

কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং (Coalition of the willing):
- ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’ হলো রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের নেতৃত্বে গঠিত একটি জোট।
- এটি ইউক্রেনকে শক্তিশালী সমর্থন, শান্তি চুক্তি রক্ষা এবং নিরাপত্তা গ্যারান্টি প্রদানের জন্য কাজ করে।
-  ২ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ‘Coalition of the Willing’ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন।
- এর লক্ষ্য যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তির পর ইউক্রেনে শান্তি বজায় রাখা এবং রাশিয়ার ভবিষ্যৎ আক্রমণ প্রতিরোধ করা।
- সদস্য: ৩৫টি দেশ (ইউরোপীয় দেশগুলো ছাড়াও কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, তুরস্ক ইত্যাদি)।

• ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত হয়েছে।  
- NATO মহাসচিব মার্ক রুটে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) শীর্ষ কর্মকর্তারা, এবং জোটভুক্ত ৩৫টি দেশের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
- উদ্দেশ্য: ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে আলোচনা।

উৎস: i) The Guardian.
ii) NATO ওয়েবসাইট।

২৬.
'ভিয়েনা কনভেনশন - ১৯৬১' কী সংক্রান্ত?
  1. কূটনীতি 
  2. মানবাধিকার 
  3. যুদ্ধাপরাধ 
  4. জলবায়ু পরিবর্তন
ব্যাখ্যা

• ভিয়েনা কনভেনশন -১৯৬১:
- চুক্তির নাম: Vienna Convention on Diplomatic Relations.
- চুক্তি অনুযায়ী, কূটনীতিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয় স্বাগতিক দেশকে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল ১৯৬১,
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল ১৯৬৪,
- স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া,
- ভিয়েনা কনভেনশনে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।
- কোনো দেশ ওইসব ধারার পরিপন্থী কাজ করলে সেটাকে ‘চুক্তির বরখেলাপ’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৯৬৫ সালে ভারত ‘ভিয়েনা কনভেনশন অন ডিপ্লোম্যাটিক রিলেশনস’ চুক্তিতে সাক্ষর করে।
- বাংলাদেশ ওই চুক্তিতে সই করে ১৯৭৮ সালে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৭.
'শাত-ইল-আরব' জলপথকে কেন্দ্র করে কোন দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল?
  1. সৌদি আরব ও ইয়েমেন
  2. ইরান ও ইরাক
  3. কুয়েত ও ইরাক
  4. ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

শাত-ইল-আরব:
- 'শাত-ইল-আরব' দক্ষিণ-পূর্ব ইরাকের নদী।
- আল-কুরনাহ শহরে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।

২৮.
বিশ্বের বৃহত্তম মরুভূমি কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
  2. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে
  3. আফ্রিকা মহাদেশে
  4. এশিয়া মহাদেশে
ব্যাখ্যা

• সাহারা মরুভূমি:
- সাহারা মরুভূমির নামটি এসেছে আরবি শব্দ ‘সাহরা’ থেকে যার অর্থ ‘মরুভূমি’।
- এটি আফ্রিকার প্রায় এক তৃতীয়াংশ জুড়ে রয়েছে।
- সাহারা হল বিশ্বের বৃহত্তম মরুভূমি, যার আয়তন ৩.৫ মিলিয়ন বর্গ মাইল (৯ মিলিয়ন বর্গ কিমি)।
- মরুভূমিটি আলজেরিয়া, মিশর, মালি, মরক্কো, পশ্চিম সাহারা, তিউনিসিয়া, চাদ, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, নাইজার এবং সুদান সহ ১১টি উত্তর আফ্রিকার দেশের বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে।
- সাহারা পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর দ্বারা , উত্তরে আটলাস পর্বতমালা এবং ভূমধ্যসাগর দ্বারা , পূর্বে লোহিত সাগর দ্বারা এবং দক্ষিণে সাহেল দ্বারা সীমাবদ্ধ। 

উৎস: Worldatlas.com

২৯.
ভেনেজুয়েলার বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে? (জানুয়ারি,২০২৬)
  1. দিয়োসদাদো কাবেয়ো
  2. দেলসি রদ্রিগেজ
  3. হুয়ান গুয়াইদো
  4. ফেডরিখ কারাকাস
ব্যাখ্যা

• দেলসি রদ্রিগেজ:
- দেলসি রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
- ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে এক সংসদীয় অধিবেশনে ৫৬ বছর বয়সী দেলসি শপথ গ্রহণ করেন।
- ২০১৮ সাল থেকে তিনি ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

উল্লেখ্য,
৩রা জানুয়ারি ২০২৬ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে ‘বড় পরিসরে’ হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। এর সাত ঘণ্টা পরে আটক মাদুরোর ছবি প্রকাশ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবিতে তাঁর চোখ বাঁধা, হাতে হাতকড়া আর পরনে ধূসর রঙের নরম কাপড়ের তৈরি ট্রাউজার দেখা যায়।

উৎস: প্রথম আলো।

৩০.
লস্কর-ই-তাইয়্যেবা কোন দেশের জঙ্গি সংগঠন? 
  1. পাকিস্তান
  2. আফগানিস্তান 
  3. জর্ডান 
  4. লেবানন 
ব্যাখ্যা

 • লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা:
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর একটি জঙ্গি সংগঠন।
- এটি কাশ্মীর উপত্যকায় তৎপর হলেও পরিচালিত হয় পাকিস্তান থেকে।
- ইসলামী সংগঠনটি যা সুন্নি ইসলামের ওয়াহাবি সম্প্রদায়ের দ্বারা প্রভাবিত ।
- প্রতিষ্ঠাতা: হাফিজ সাঈদ।
- হাফিজ সাঈদ ১৯৮০ সালের দিকে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লস্কর-ই-তৈইয়্যেবা ১৯৯৩ সালে জম্মু ও কাশ্মীরে প্রথম অনুপ্রবেশ করেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা

৩১.
ইসরাইল রাষ্ট্রের স্বপ্নদ্রষ্টা কে?
  1. থিওডর হার্জেল
  2. ব্যারন এডমন্ড রথচাইল্ড
  3. ভেভিড বেনগুরিয়ন
  4. আর্থার বেলফার
ব্যাখ্যা

• ইসরায়েলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।

ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- রাজধানী: জেরুজালেম।
- মুদ্রা: শেকেল।
- ইসরাইলের ভাষা হিব্রু।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন ডেভিড বেন গুরিয়েন।
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ১৪ নভেম্বর, ২০২৩, Al Jazeera.

৩২.
যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানে তালেবানদের মধ্যে সর্বশেষ শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ২০১৮ সালে
  2. ২০১৯ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা

• যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের ঐতিহাসিক চুক্তি সই:
- আফগানিস্তানে তালেবানদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে দুপক্ষের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
- কাতারের রাজধানী দোহায় ২০২০ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানের মধ্যে দ্বিতীয় শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যেখানে তালেবান চুক্তিটির শর্তাবলী মেনে চললে ১৪ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।
- এ চুক্তির মাধ্যমে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের সৈন্যবাহিনী তুলে নেয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের আগে এ দু’পক্ষের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

উৎস: US State Department Website. 

৩৩.
স্বাধীনতা লাভের পূর্বে চিলি কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?
  1. পর্তুগাল
  2. স্পেন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

• স্বাধীনতা লাভের পূর্বে চিলি স্পেনের উপনিবেশ ছিল।

চিলি:
- লাতিন আমেরিকার দেশ চিলি।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের একটি দেশ।
- চিলি স্পেনের একটি উপনিবেশ ছিল।
- ১৮১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশটি স্পেনের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন হয়।
- এর মধ্য দিয়ে চিলিতে প্রায় ৩০০ বছরের ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটে।
- চিলির রাজধানী সান্তিয়াগো।
- চিলিকে 'কবিদের দেশ' বা 'land of poets' বলা হয়।

উৎস: Britannica.

৩৪.
ভ্যাটিকান সিটি প্রতিষ্ঠিত হয় কোন চুক্তির মাধ্যমে?
  1. লিসবন চুক্তি
  2. প্যারিস চুক্তি
  3. ভার্সাই চুক্তি
  4. লাতেরান চুক্তি
ব্যাখ্যা

• লাতেরান চুক্তির অধীনে ভ্যাটিকান সিটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

• লাতেরান চুক্তি:
- ১৯২৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি লাতেরান চুক্তি সই হয়।
- এই চুক্তির মধ্য দিয়ে পৃথক দেশ হিসেবে যাত্রা করে ভ্যাটিকান সিটি।

• ভ্যাটিকান সিটি:
- পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ ভ্যাটিকান সিটি।
- ভ্যাটিকান সিটির আয়তন ০.৪৯ বর্গকিলোমিটার।
- ভ্যাটিকান সিটির নিজস্ব কূটনৈতিক মিশন, সংবাদপত্র, পোস্ট অফিস, রেডিও স্টেশন,ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ১০০ সুইস গার্ডের সেনাবাহিনী এবং প্রকাশনা সংস্থা রয়েছে।
- ভ্যাটিকান সিটির স্বাধীন সার্বভৌমত্ব ১৯২৯ সালের লেটারান চুক্তিতে স্বীকৃত হয়েছিল।

​​অন্যদিকে, 
-  লিসবন চুক্তি – ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাঠামোগত পরিবর্তনের জন্য ২০০৭ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি।
- প্যারিস চুক্তি – ২০১৫ সালের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার জন্য গ্লোবাল চুক্তি।
- ভার্সাই চুক্তি – ১৯১৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর জার্মানির আত্মসমর্পণের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার চুক্তি।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩৫.
যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে Electoral College ভোটের সংখ্যা কতটি?
  1. ৫৭০টি
  2. ৫৩৮টি
  3. ৫৪৫টি
  4. ৫৪৮টি
ব্যাখ্যা

• যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে Electoral College ভোটের সংখ্যা ৫৩৮টি।

• ইলেকটোরাল কলেজ:
- ইলেকটোরাল কলেজ হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরোক্ষভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজের মোট ভোটসংখ্যা ৫৩৮টি।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে একজন প্রার্থীকে ২৭০টি ইলেকটোরাল কলেজের ভোট পেতে হয়।
-প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের জন্য নির্দিষ্টসংখ্যক ইলেকটোরাল ভোট রয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- আবিষ্কারক: ১৪৯২ সালে ইতালিয়ান নাবিক কলম্বাস।
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস: ৪ জুলাই।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য: হাওয়াই।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।

উৎস: Britannica.