পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৯৩
সিলেবাস
Exam - 23 Full Model Test-4 Topic: • BAR Council Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৩ প্রশ্ন

.
আদেশ ৩৫, বিধি ২ অনুযায়ী, দাবিকৃত বস্তু কখন আদালতে প্রদান করার নির্দেশ দেয়া যেতে পারে?
  1. মামলার আপিল চলাকালীন
  2. বিবাদীর আপত্তি শুনার পরে
  3. মামলার রায় দেওয়ার পরে
  4. বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে
সঠিক উত্তর:
বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে
ব্যাখ্যা
আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান-
যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে।

Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit.
.
শুনানির দিন যদি শুধু বিবাদী হাজির হন এবং বাদী না হন, আদালত কী করবে?
  1. মামলার শুনানি বন্ধ করবে
  2. মোকদ্দমাটি খারিজ করবেন
  3. বিচারের জন্য অপেক্ষা করবে
  4. পুনরায় বাদীকে তলব করবেন
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমাটি খারিজ করবেন
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি ৮: শুধু বিবাদি হাজির হলে, সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে বিবাদী হাজির হয়, কিন্তু বাদী হাজির না হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদী বাদীর দাবী বা উহার অংশ স্বীকার না করলে আদালত মোকদ্দমা খারিজের আদেশ প্রদান করবেন; কিন্তু বিবাদী যদি বাদীর দাবী কিংবা উহার অংশ স্বীকার করে, তাহলে আদালত ঐ অনুপাতে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি দান করবেন, এবং বাদীর অবশিষ্ট দাবী সম্পর্কে মোকদ্দমা খারিজ করবে।
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩১ অনুসারে, সাক্ষীদের সমনের ক্ষেত্রে কোন কোন ধারার বিধান প্রযোজ্য?
  1. ২০, ২১, ২২ ধারা
  2. ২৫, ২৬, ২৭ ধারা
  3. ২৭, ২৮, ২৯ ধারা
  4. ৩০, ৩১, ৩২ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৭, ২৮, ২৯ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭, ২৮, ২৯ ধারা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ধারা- ৩১ অনুযায়ী,
সাক্ষ্য দান বা দলিল পেশ অথবা অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় দাখিল করার জন্য সমনের ক্ষেত্রে ২৭, ২৮ ও ২৯নং ধারার বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ, বিবাদীর ক্ষেত্রে সমনের যে বিধানসমূহ প্রযোজ্য, সাক্ষীদের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য হবে।

Sec-31: Summons to witness
The provisions in sections 27, 28 and 29 shall apply to summonses to give evidence or to produce documents or other material objects.
.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৫ মূলত কোন আদালতের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. শ্রম আদালত
  2. ফৌজদারি আদালত
  3. রাজস্ব আদালত
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।

২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।
.
সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত কোনো মোকদ্দমায় বিবাদী হিসেবে কী নাম উল্লেখ করতে হবে?
  1. রাষ্ট্র
  2. সরকার
  3. বাংলাদেশ
  4. প্রজাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৭৯ ধারার বিধান-সরকার কর্তৃক বা তার বিরুদ্ধে মোকদ্দমা: 
সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মোকদ্দমায় বাদী বা বিবাদী হিসাবে যে কর্তৃত্বের নাম উল্লেখ করতে হবে, তা হচ্ছে 'বাংলাদেশ'।

Section 79. Suits by or against the Government:
In a suit by or against the Government the authority to 79. In a suit by or against the Government the authority to be named as plaintiff or defendant, as the case may be, shall be Bangladesh.
.
কোন পরিস্থিতিতে আদালত কোনো আরজি বা জবাবের অংশ কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারে?
  1. আরজি ভুল বানানে লেখা হলে
  2. কোন আইনি অনুচ্ছেদ না থাকলে
  3. আরজিতে সাক্ষী তালিকা না থাকলে
  4. আরজিতে অপ্রয়োজনীয় বা বিভ্রান্তিকর বিষয় থাকলে
সঠিক উত্তর:
আরজিতে অপ্রয়োজনীয় বা বিভ্রান্তিকর বিষয় থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরজিতে অপ্রয়োজনীয় বা বিভ্রান্তিকর বিষয় থাকলে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-৬ বিধি-১৬: আরজি জবাবে কর্তন:
মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন আরজি জবাবে উল্লিখিত কোন বিষয় অপ্রয়োজনীয় বা কুৎসাজনক হলে অথবা উহার দ্বারা সুষ্ঠু বিচার ক্ষতিগ্রস্ত, বিভ্রান্ত বা বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, আদালত তা কর্তন করার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারেন।

Order-6 Rule-16. Striking out pleadings:
The Court may at any stage of the proceedings order to be struck out or amended any matter in any pleading which may be unnecessary or scandalous or which may tend to prejudice, embarrass or delay the fair trial of the suit.
.
সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি করবেন কে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• The Civil Courts Act,1887 আইনের ২০ এবং ২১ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আপিল এখতিয়ার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ২০ ধারা অনুযায়ী, জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে। 

২১(১) ধারা- যুগ্ম জেলা জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে যেক্ষেত্রে মূল মামলার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার অধিক না সেক্ষেত্রে জেলা জজের নিকট আপিল করতে হবে এবং মোকদ্দমার মূল্যমান ৫০০০০০০০ (পাঁচ কোটি) টাকার বেশি হলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

২১(২) ধারা- সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল জেলা জজের নিকট করতে হবে।
.
নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্যান্য ডিক্রি জারির আবেদন কত বছরের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৬ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারার বিধান- কতিপয় ক্ষেত্রে ডিক্রি জারি বারিত:
 নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোন ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে আবেদন করা হয়ে থাকলে ঐ একই ডিক্রি জারির জন্য নিম্নলিখিত তারিখ থেকে বার বৎসর পর প্রদত্ত কোন আবেদন অনুযায়ী একই ডিক্রি জারির জন্য আদেশ দেয়া যাবে না-
ক) যে ডিক্রি জারির আবেদন করা হয়েছে, তার তারিখ; বা
খ) কোন ডিক্রি বা পরবর্তীকালীন আদেশে আবেদনকারীর প্রার্থনামতে কোন নির্ধারিত তারিখে বা কিস্তিতে টাকা পরিশোধ অথবা সম্পত্তি প্রদানের নির্দেশ প্রদান করা হলে, তা লঙ্ঘনের তারিখ।

২) এই ধারার কোন বিধানই-
ক) আবেদনের তারিখের অব্যাবহিত পূর্ববর্তী বার বৎসরের মধ্যে ডিক্রি জারি দেওয়ার ব্যাপারে রায়সিদ্ধ দেনাদার প্রতারণা বা শক্তি প্রয়োগের দ্বারা ডিক্রি জারিতে বাধা সৃষ্টি করে থাকলে উক্ত বার বৎসর অতিক্রান্ত হওয়ার পর উপস্থাপিত আবেদন মোতাবেক ডিক্রি জারির আদেশদানে আদালতকে বিরত করবে না; বা
খ) ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের ১৮৩ অনুচ্ছেদের কার্যকারীতাকে সীমাবদ্ধ বা অন্যভাবে প্রভাবিত করবে না।
.
Order 7 Rule 6 অনুযায়ী, তামাদি আইনে নির্ধারিত সময়ের পর মামলার দায়ের করা হলে -
  1. মামলাটি অগ্রাহ্য করা হবে
  2. আদালত দায়ী পক্ষকে জরিমানা করবে
  3. অব্যাহতির কারণ আরজিতে উল্লেখ করতে হবে
  4. মামলার জন্য নতুন সময় নির্ধারণ করা হবে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতির কারণ আরজিতে উল্লেখ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতির কারণ আরজিতে উল্লেখ করতে হবে
ব্যাখ্যা
• আদেশ ৭ বিধি-৬ (তামাদি আইন হতে অব্যাহতি লাভের কারণসমূহ) 
"যদি তামাদি আইনে বিধৃত সময়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর মোকদ্দমা দাখিল করা হয়, তাহলে উক্ত তামাদী আইনের বিধান হতে যে কারণে অব্যাহতি দাবী করা হয়, তা আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।"

Grounds of exemption from limitation law-
Where the suit is instituted after the expiration of the period prescribed by the law of limitation, the plaint shall show the ground upon which exemption from such law is claimed.
১০.
আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর অধীনে অস্থাবর সম্পত্তি নিলাম বিক্রয়ের আগে সর্বনিম্ন কতদিনের নোটিশ দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৮ এর বিধান- বিক্রয়ের সময়:
বিক্রয়ের আদেশদানকারী বিচারকের আদালত ভবনে ইশতেহারের নকল লটকিয়ে দেয়ার তারিখ থেকে স্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে অন্ততপক্ষে ৩০ দিন এবং অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষেত্রে ১৫ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ডিক্রি দায়িকের লিখিত সম্মতি ব্যতীত নিলাম বিক্রয় অনুষ্ঠিত হতে পারবে না।

⇒ Order-21 Rule-68. Time of sale:
Save in the case of property of the kind described in the proviso to rule 43, no sale hereunder shall, without the consent in writing of the judgment-debtor, take place until after the expiration of at least thirty days in the case of immovable property, and of at least fifteen days in the case of movable property, calculated from the date on which the copy of the proclamation has been affixed on the court-house of the Judge ordering the sale.
১১.
আদেশ ৩৩ বিধি-৪ এর অধীন আদালত কমিশন দ্বারা কার জবানবন্দি গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. প্রতিনিধির
  2. আবেদনকারীর
  3. প্রতিপক্ষের
  4. আবেদনকারীর সাক্ষীর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবেদনকারীর
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৩ বিধি-৪: আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ:
১) যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র সঠিকভাবে এবং যথারীতি উপস্থাপন করা হয়েছে সেক্ষেত্রে আদালত উপযুক্ত মনে করলে আবেদনকারীর বা প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনকারীকে হাজিরার অনুমতি দেয়া হলে, তার প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনকারীকে হাজিরার অনুমতি দেয়া হলে, তার প্রতিনিধির দাবীর গুণগত বৈশিষ্ট্যের গুণাগুণ এবং আবেদনকারীর সম্পত্তি সম্পর্কে জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে।

২) প্রতিনিধি কর্তৃক উপস্থাপন করা হলে আদালত কমিশন দ্বারা আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করতে আদেশ দিতে পারেঃ যেক্ষেত্রে আবেদনপত্র প্রতিনিধি দ্বারা উপস্থাপিত হয় সেক্ষেত্রে আদালত, যদি সঙ্গত মনে করেন, তবে অনুপস্থিত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের মতই কমিশন কর্তৃক আবেদনকারীর জবানবন্দি গ্রহণ করার নির্দেশ দিতে পারে।
১২.
মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য ৫০ টাকার নিচে হলে, আদেশ ৩৮ বিধি ৪ অনুযায়ী বিবাদীকে সর্বোচ্চ কতদিন জেলে রাখা যেতে পারে?
  1. ৬ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ১ মাস
  4. ৬ সপ্তাহ
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ সপ্তাহ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৩৮ বিধি ৪: যেক্ষেত্রে বিবাদী জামানত দিতে বা নতুন জামানত দিতে ব্যর্থ হয় সেক্ষেত্রে কার্যপদ্ধতি:
যেক্ষেত্রে বিবাদী ২ বা ৩ বিধির অধীনে কোন আদেশ পালন করতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমায় সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত বা যেক্ষেত্রে বিবাদীর বিরুদ্ধে ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে,সেক্ষেত্রে ডিক্রি না মিটানো অবধি তাকে দেওয়ানি জেলে সোপর্দ করতে পারেঃ 
তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধির অধীনে কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক মেয়াদের জন্য জেলে আটক রাখা চলবে না, অথবা মোকদ্দমার বিষয়বস্তুর মূল্য পঞ্চাশ টাকার অনূর্ধ্ব হলে সেক্ষেত্রে ছয় সপ্তাহের অধিক মেয়াদের জন্যঃ তবে আরো শর্ত থাকে যে, কোন ব্যক্তি অনুরূপ আদেশ পালন করার পর তাকে এই বিধির অধীনে জেলে আটক রাখা যাবে না।
১৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪ তে কোন ধরনের সম্পত্তি ক্রোকের বিধান রয়েছে?
  1. স্থাবর সম্পত্তি
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. উভয় ধরনের
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থাবর সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৫৪: স্থাবর সম্পত্তি ক্রোক:
(১) যখন সম্পত্তি অস্থাবর হয়, তখন ক্রোক করার আদেশটি এমন একটি আদেশ দ্বারা করা হবে যা ডিক্রি-দেনাদারকে সম্পত্তি স্থানান্তর বা চার্জ করার যে কোন উপায় থেকে নিষিদ্ধ করবে এবং সকল ব্যক্তিকে সেই স্থানান্তর বা চার্জ থেকে কোন সুবিধা গ্রহণ করতে নিষেধ করবে।

(২) আদেশটি ঐ সম্পত্তিতে বা সম্পত্তির সংলগ্ন কোন স্থানে ঢোল পেটানো বা অন্য প্রচলিত পদ্ধতিতে ঘোষণা করতে হবে, এবং আদেশটির একটি অনুলিপি সম্পত্তির সুস্পষ্ট অংশে এবং আদালত ভবনের সুস্পষ্ট অংশে টানিয়ে দিতে হবে, এবং যদি সম্পত্তিটি সরকারের রাজস্ব প্রদানকারী জমি হয়, তবে সেই জমি যে জেলার কালেক্টরের কার্যালয়ে অবস্থিত সেখানে ও আদেশটির একটি অনুলিপি টানিয়ে দিতে হবে।
১৪.
কোন পরিস্থিতিতে দেওয়ানি আদালত প্রথম শুনানির দিনই রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. উভয় পক্ষ সাক্ষী পেশে ব্যর্থ হলে
  2. আদালত মনে করলে যে, মামলাটি গুরুতর নয়
  3. একমাত্র বিবাদী আদালতে উপস্থিত না থাকলে
  4. আইনগত বা ঘটনা সম্পর্কিত বিচার্য বিষয় না থাকলে
সঠিক উত্তর:
আইনগত বা ঘটনা সম্পর্কিত বিচার্য বিষয় না থাকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত বা ঘটনা সম্পর্কিত বিচার্য বিষয় না থাকলে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে-

যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
১৫.
আদেশ ৪৬ বিধি-৬ কোন বিষয়ের এখতিয়ার নির্ধারণে সহায়তা করে?
  1. ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার
  2. হাইকোর্ট বিভাগের আপিল এখতিয়ার
  3. দেওয়ানী আদালতের মূল এখতিয়ার
  4. জেলা জজ আদালতের আপিল এখতিয়ার
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতের এখতিয়ার
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৬ বিধি-৬: ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার ক্ষমতা:
১) যেক্ষেত্রে রায় প্রদানের পূর্বে যে কোন সময় যে আদালতে মোকদ্দমা রুজু হয়েছে, সে আদালত, মোকদ্দমা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সন্দেহ করে, সেক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।

২) হাইকোর্ট বিভাগ নথি এবং বিবৃতি গ্রহণ করার পর উক্ত আদালতকে মোকদ্দমায় অগ্রসর হতে অথবা উক্ত মোকদ্দমা বিচারার্থে গ্রহণের উপযুক্ত ঘোষিত কোন আদালতে উহার আদেশ মতে পেশ করার জন্য আরজি ফেরত পাঠানোর আদেশ দিতে পারে।
১৬.
মোকদ্দমার শুনানির দিন কোন পক্ষই হাজির না হলে আদালত কী করবে?
  1. নোটিশ পাঠাবে
  2. শুনানি স্থগিত করবে
  3. একতরফা রায় দিতে পারবে
  4. মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারবে
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোকদ্দমা খারিজের আদেশ দিতে পারবে
ব্যাখ্যা
আদেশ ৯ বিধি-৩: কোন পক্ষই হাজির না হলে মোকদ্দমা খারিজ হবে:
মোকদ্দমার শুনানির জন্য ডাক পড়লে যদি কোন পক্ষই উপস্থিত না হয়, তবে আদালত মোকদ্দমা খারিজের নিমিত্তে আদেশ দান করতে পারবে।

Order 9 Rule 3: Where neither party appears, suit to be dismissed:
Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed.
১৭.
আদালত পুনর্বিবেচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে, আদেশ ৪৭ বিধি-৭ অনুসারে-
  1. আপিল করা যাবে
  2. আপত্তি তোলা যাবে
  3. আপিল করা যাবে না
  4. উচ্চ আদালতে পুনঃআবেদন করা যাবে
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল করা যাবে না
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৭ বিধি-৭: প্রত্যাখ্যাত আদেশ আপিলযোগ্য নয়, আবেদন মঞ্জুর আদেশের বিরুদ্ধে আপত্তি:

১) আদালত পুনর্বিবেচনার প্রার্থনা অগ্রাহ্যের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল চলবে না; কিন্তু প্রার্থনা কবুলের আদেশ প্রদান করলে তার বিরুদ্ধে নিম্নোক্ত কারণে আপত্তি পেশ করা যাবে-
ক) বিধি-২ তে বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
খ) বিধি-৪ এ বর্ণিত বিধানের পরিপন্থী;
গ) আবেদনের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ অতীত হওয়ার পর এবং যথেষ্ট কারণ ব্যতীত সেটি করা হয়েছিল বলে আপত্তি উত্থাপন করা যেতে পারে; আবেদন মঞ্জুর করে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে, বা সংশ্লিষ্ট মোকদ্দমায় প্রদত্ত চূড়ান্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দাখিল করে ঐরূপ আপত্তি উত্থাপন করা চলবে।
১৮.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ১৩৫(১) কাদেরকে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি দিয়েছে?
  1. সাক্ষী
  2. বাদী ও বিবাদী
  3. পুলিশ কর্মকর্তা
  4. বিচারক
সঠিক উত্তর:
বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারক
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৩৫ ধারা: দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হতে অব্যাহতি:
১) কোনো জজ, ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্যান্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাকে আদালতে গমনের সময়, আদালতে মোকদ্দমা পরিচালনা করতে বা তার আদালত থেকে প্রত্যাবর্তন করার সময় কোন দেওয়ানি পরোয়ানার অধীনে গ্রেফতার হবে না।

২) এখতিয়ারসম্পন্ন কিংবা এরূপ এতিয়ার আছে হিসাবে সরলভাবে বিশ্বাস করেন, এরূপ কোন ট্রাইব্যুনালে কোন বিষয় বিচারাধীন থাকলে তৎবিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ তাদের উকিলগণ, মোক্তারগণ, রেভিনিউ এজেন্ট, অনুমোদিত এজেন্ট এবং সমনপ্রাপ্ত সাক্ষীগণ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে ট্রাইব্যুনালের সমীপে গমনকালে, উপস্থিত থাকাকালীন সময়ে বা ঐ স্থল থেকে প্রত্যাবর্তনের প্রাক্কালে আদালত অবমাননার দোষে উক্ত ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক জারিকৃত পরওয়ানা ব্যতীত অন্য কোন দেওয়ানি পরোয়ানাধীনে গ্রেফতার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

৩) যদি কোন রায়সিদ্ধ দেনাদারকে অবিলম্বে গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করা হয়ে থাকে বা ডিক্রি জারির জন্য তাকে কেন জেলে সোপর্দ করা হবে না, তার কারণ দর্শাতে বলা হয়ে থাকে, তখন ঐ ব্যক্তি (২) উপ-ধারানুসারে অব্যাহতি দাবি করতে সমর্থ হবে না।
১৯.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২ এর অধীনে কোন ক্রোক সর্বোচ্চ কতদিন বলবৎ থাকবে?
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. যতদিন আদালত চায়
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ৩৯ বিধি-২: লংঘনের পুনরাবৃত্তি বা ধারাবাহিকতা রোধক্রমে নিষেধাজ্ঞা-
১) বিবাদিকে চুক্তি লঙ্ঘন বা অন্য কোন প্রকার অনিষ্ট করা থেকে বিরত রাখার মোকদ্দমায় ক্ষতিপূরণ দাবী করা হয়ে থাকুক বা না থাকুক, মোকদ্দমা শুরু হওয়ার পর যে কোন সময় এবং রায়ের পূর্বে বা পরে বাদি অভিযোগে আনীত চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে কিংবা একই চুক্তি থেকে উদ্ভূত অথবা একই সম্পত্তি বা অধিকারের সাথে সম্পর্কিত কোন চুক্তি লঙ্ঘন বা অনিষ্ট করা থেকে বিবাদিকে বিরত রাখার জন্য আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারে।

২) নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ, হিসাব রক্ষণ, জামানত প্রদান অথবা অন্য প্রকারে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ শর্ত সাপেক্ষে অনুরূপ নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করে আদেশ প্রদান করতে পারে।

৩) যদি অমান্য করা হয় কিংবা অনুরূপ কোন শর্ত লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরকারী আদালত অনুরূপ অমান্য করা বা লঙ্ঘন করার জন্য দোষী ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোক করার নির্দেশ দিতে পারে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে অনধিক ছয় মাস মেয়াদের জন্য দেওয়ানি জেলে আটক রাখতেও নির্দেশ দিতে পারে, যদি না আদালত ইতোমধ্যে তার মুক্তির আদেশ প্রদান করে থাকে।

৪) এই বিধির অধীনে কোন ক্রোক এক বৎসরের অধিক বলবৎ থাকবে না এবং উক্ত সময়ের পরও যদি অমান্য বা লঙ্ঘন অব্যাহত থাকে তবে ক্রোকী সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ হতে আদালত উপযুক্ত মনে করে এরূপ খেসারতের আদেশ প্রদান করতে পারে এবং অবশিষ্ট অর্থ, যদি থাকে, তাতে অধিকারী পক্ষকে প্রদান করবে।
২০.
মামলার গুনাগুণের উপর ভিত্তি করে ডিক্রি দানের মাধ্যমে যে নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা হয় তা হলো-
  1. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. অন্তবর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয় যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।

Section 53: Perpetual injunctions:
A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের মোট কয়টি ধারা আছে?
  1. ৫৬টি
  2. ৫৭টি
  3. ৫৯টি
  4. ৬০টি
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭টি
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কিছু তথ্য:

⇒ প্রকাশকাল: ৭ই ফেব্রুয়ারী ১৮৭৭;
⇒ কার্যকর: ১লা মে, ১৮৭৭ (১নং আইন);
⇒ সর্বশেষ সংশোধন: ১লা মে ২০০৪;
⇒ সর্বশেষ সংশোধন কার্যকর: ১লা জুলাই ২০০৫;
⇒ প্রকৃতি: দেওয়ানী প্রকৃতির;
⇒ আইনের ধরণ: মূল আইন;
⇒ প্রস্তাবনা: ১টি;
⇒ খন্ড: ৩টি;
⇒ অধ্যায়: ১০টি;
⇒ ধারা: ৫৭টি।
২২.
আইন দ্বারা কার্যকরীকরণযোগ্য প্রতিটি কর্তব্যকে বলে -
  1. যোগ্যতা
  2. অনুশাসন
  3. বাধ্যবাধকতা
  4. অধিকার
সঠিক উত্তর:
বাধ্যবাধকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যবাধকতা
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩- ব্যাখ্যামূলক অনুচ্ছেদ:

'বাধ্যবাধকতা’ বলতে আইন দ্বারা কার্যকরীকরণযোগ্য প্রতিটি কর্তব্য অন্তর্ভুক্ত হবে।

"obligation" includes every duty enforceable by law.
২৩.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারায় আদালত কার থেকে প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার (equity) দাবি করতে পারেন?
  1. ক্ষতিগ্রস্থ পক্ষ
  2. চুক্তির যেকোনো পক্ষ
  3. চুক্তির সুফল ভোগকারী
  4. চুক্তি রদকারী পক্ষ
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদকারী পক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি রদকারী পক্ষ
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৮ ধারা অনুযায়ী: রদকারী পক্ষের পক্ষ থেকে আদালত প্রয়োজন অনুসারে ন্যায়পরতার দাবি করতে পারেন:
চুক্তি রদের রায় প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত যে পক্ষকে প্রতিকার মঞ্জুর করেছেন, সেই পক্ষের থেকে অপর পক্ষকে ন্যায়বিচারের প্রয়োজন অনুসারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section 38- Court may require party rescinding to do equity:
On adjudging the rescission of a contract, the Court may require the party to whom such relief is granted to make any compensation to the other which justice may require.
২৪.
‘ট্রেডমার্ক’ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের দৃষ্টিতে কী হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. পণ্য
  2. লাইসেন্স
  3. সম্পত্তি
  4. দায়বদ্ধতা
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারার বিধান: চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুরের সময়:
এই অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত বা এই অধ্যায়ে বর্ণিত অন্যান্য বিধানের অধীন আবেদনকারীর স্বপক্ষে বিরাজমান বাধ্যবাধকতা, তা প্রকাশ্য হোক বা অনুমিত হোক ভঙ্গ করাকে নিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী ইনজাংশন মঞ্জুর করা যেতে পারে।
যেক্ষেত্রে তেমন বাধ্যবাধকতা চুক্তির ফলে উদ্ভূত হয়, সেক্ষেত্রে আদালত এই আইনের দ্বিতীয় অধ্যায়ের বিধানসমূহ ও নিয়মাবলি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবেন।
 
যেক্ষেত্রে প্রতিবাদী বাদীর সম্পত্তির অধিকারে বা সম্ভোগে অনধিকার হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপের হুমকি দেয়, সেক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত ক্ষেত্রসমূহে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করতে পারেন:
(ক) যেক্ষেত্রে প্রতিবাদীর জন্য সম্পত্তির জিম্মাদার;
(খ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘনের ফলে কৃত বাস্তব ক্ষতি অথবা সম্ভাব্য ক্ষতি নিরূপণের কোন মানদণ্ড নেই;
(গ) যেক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন এমন ধরনের যে, আর্থিক ক্ষতিপূরণ দ্বারা তার পর্যাপ্ত প্রতিকার করা যাবে না;
(ঘ) যেক্ষেত্রে এমন সম্ভাবনা থাকে যে, অধিকার লঙ্ঘনের জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাওয়া যাবে না;
(ঙ) যেক্ষেত্রে বিচার বিভাগীয় কার্যধারার জটিলতা নিবারণের জন্য ইনজাংশন প্রয়োজনীয়।
 
ব্যাখ্যা: এই ধারার লক্ষ্য অনুযায়ী ট্রেডমার্ক 'সম্পত্তি' মর্মে পরিগণিত হবে।
২৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারায় চুক্তির কোন অংশটির জন্য সাধারণত আর্থিক ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত হয়?
  1. বৃহত্তর অংশ
  2. ক্ষুদ্রতর অংশ
  3. উভয় অংশ
  4. কোন অংশের জন্য নয়
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রতর অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুদ্রতর অংশ
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান:
কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।
২৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের  ২১ক ধারা অনুসারে, কোন ধরণের চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করা যায় না?
  1. যেকোনো মৌখিক চুক্তি
  2. রেজিস্ট্রি‑কৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
  3. অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
  4. অরেজিস্ট্রিকৃত অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
সঠিক উত্তর:
অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অরেজিস্ট্রিকৃত স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়‑চুক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২১ক ধারার বিধান- অরেজিস্ট্রিকৃত বিক্রয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে অকার্যকরযোগ্য:
এই আইন কিংবা বিদ্যমান অন্য কোন আইন বিপরীত কোন বিধান থাকলেও কোন স্থাবর সম্পত্তি বিক্রিয় চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরযোগ্য হবে না, যদি না-
(ক) চুক্তিটি লিখিত এবং ১৯০৮ সালের চুক্তি আইনের অধীন রেজিস্ট্রেশন হয়, হস্তান্তর গ্রহীতা ঐ সম্পত্তির কিংবা তার কোন অংশ দখল গ্রহণ করুক বা না করুক; এবং
(খ) চুক্তিটি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করার নিমিত্ত চুক্তির অবশিষ্ট মূল্য মোকদ্দমাটি রুজুর কালে আদালতে জমা দেয়া হয়।
২৭.
'ম' চুক্তির সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য আদালতে মামলা করেন, কিন্তু আদালত মামলাটি খারিজ করে দেয়। এই পরিস্থিতিতে, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুযায়ী 'ম' পরবর্তীতে-
  1. ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন
  2. ফৌজদারি মামলা করতে পারবেন
  3. ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
  4. পুনরায় সুনির্দিষ্ট বাস্তবায়নের জন্য মামলা করতে পারবেন
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২৯ অনুসারে,
একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে, তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে

Section 29- Bar of suit for breach after dismissal:
The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
২৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন কোন ক্ষেত্র অন্তর্ভুক্ত করে না?
  1. চুক্তিভুক্ত অঙ্গীকার
  2. সুনির্দিষ্ট  কার্যসম্পাদন
  3. চুক্তি‑বহির্ভূত অঙ্গীকার
  4. লিখিত দলিলের কার্যকারিতা
সঠিক উত্তর:
চুক্তি‑বহির্ভূত অঙ্গীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি‑বহির্ভূত অঙ্গীকার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের অপ্রযোজ্যতা:
যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে-
(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;
(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধুমাত্র নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা
(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
২৯.
কোন পরিস্থিতিতে একটি দলিল বাতিলের জন্য মামলা দায়েরযোগ্য?
  1. যখন দলিল নিবন্ধিত নয়
  2. যখন দলিলের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে
  3. যখন দলিল একপক্ষীয় হয়
  4. যখন দলিল গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে
সঠিক উত্তর:
যখন দলিল গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন দলিল গুরুতর ক্ষতির কারণ হতে পারে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৯: যখন বাতিলের আদেশ প্রদানযোগ্য:
যেকোন ব্যক্তি যার বিরুদ্ধে লিখিত চুক্তি অবৈধ বা বাতিলযোগ্য, যার যুক্তিসঙ্গত আশঙ্কা রয়েছে যে, তেমন দলিল নিষ্পন্ন অবস্থায় ছেড়ে দিলে তা তার গুরুতর ক্ষতির কারণ হবে, তবে সে তা বাতিল বা বাতিলযোগ্য ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে; এবং আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে তেমন রায় প্রদান করতে এবং চুক্তি বিলুপ্তি হিসাবে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।
যদি দলিল নিবন্ধন আইন অনুসারে নিবন্ধিকৃত হয়ে থাকে, তবে আদালত তার ডিক্রির একটি কপি সে কর্মকর্তার বরাবরে প্রেরণ করবেন, যার কার্যালয়ে উক্ত দলিল নিবন্ধন করা হয়েছে এবং তেমন কর্মকর্তা তার বইতে দলিলের নকলে তার বিলুপ্তির বিষয়াবলী লিপিবদ্ধ করবেন।

(ক) একটি জাহাজের মালিক প্রতারণামূলকভাবে জাহাজটিকে সমুদ্র যাত্রার উপযুক্তমর্মে উল্লেখপূর্বক একজন দায়গ্রাহক 'খ' কে উক্ত জাহাজের বীমা করতে প্রবৃত্ত করে। 'খ' বীমা পলিসির বিলুপ্তি পেতে পারে।

(খ) 'ক', 'খ' কে জমি প্রদান করে। 'খ' তা 'গ'-এর নামে উইল করে মারা যায়। এর পর 'ঘ' জমির দখল গ্রহণ করে এবং এ মর্মে একটি জাল দলিল দাখিল করে যে, তার পক্ষে জিম্মাদার হিসাবেই 'খ' কে হস্তান্তর প্রদান করা হয়েছিল। 'গ' এই জাল দলিলের বাতিলের আদেশ পেতে পারে।

(গ) 'ক' তার জমির, সকল প্রজা উচ্ছেদযোগ্য, এ বিবরণ প্রদান পূর্বক 'খ' এর নিকট জমি বিক্রয় করে। ১৮৭৭ সালের ১লা জানুয়ারী তারিখে একটি দলিলের মাধ্যমে 'খ' এর নিকট তা হস্তান্তর করে। এই তারিখের পরপরই ১৮৭৬ সালের পহেলা অক্টোবরের তারিখ দিয়ে 'ক' প্রতারণামূলকভাবে 'গ' কে উক্ত জমির অংশবিশেষ ইজারা প্রদান করে এবং নিবন্ধন আইন অনুসারে ইজারা নিবন্ধন করা হয়। 'খ' এ ইজারার বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
 
(ঘ) 'ক' একটি জাহাজ 'খ' এর নিকট অর্পণে সম্মত হল। যার জন্য 'খ' কে ৪টি হুণ্ডির মারফত ৩০,০০০ টাকা প্রদান করতে হবে, যা 'ক' গ্রহণ করবে। হুণ্ডিসমূহ প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হল, কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী জাহাজ প্রদান করা হল না। 'ক', 'খ' এর বিরুদ্ধে একটি হণ্ডি প্রসঙ্গে মামলা দায়ের করল। 'খ' সকল হুণ্ডির বিলুপ্তি লাভ করতে পারে।
৩০.
যদি যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদে কারাদণ্ড দেন, তাহলে আপিল করতে হবে-
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. দায়রা জজ আদালতে
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০৭, ৪০৮ এবং ৪১০ ধারায় দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান আলোচনা করা হয়েছে। 

ধারা ৪০৭-
দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল করতে হবে। 

ধারা ৪০৮-
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা যুগ্ম দায়রা জজ (৫ বা ৫ বছরের কম মেয়াদে কারাদণ্ড দিলে) প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপিল করতে হবে।
তবে যুগ্ম দায়রা জজ ৫ বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ড দিলে অথবা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহিতা অপরাধের শাস্তি দিলে আপিল করতে হবে হাইকোর্ট বিভাগে।

ধারা ৪১০-
দায়রা আদালত প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে হবে।
৩১.
সাধারণ নাগরিক কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন?
  1. জামিনঅযোগ্য ও আমলঅযোগ্য
  2. জামিনযোগ্য ও আমলঅযোগ্য
  3. জামিনঅযোগ্য ও আমলযোগ্য
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
জামিনঅযোগ্য ও আমলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামিনঅযোগ্য ও আমলযোগ্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৯ ধারার বিধান- সাধারণ নাগরিক কর্তৃক গ্রেফতার এবং গ্রেফতারের পরবর্তী কার্যপ্রণালীঃ
(১) যে কোন সাধারণ নাগরিক তাঁর মতে জামিন অযোগ্য ও আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনকারীকে অথবা অপরাধী মর্মে ঘোষিত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারেন এবং অনাবশ্যক বিলম্ব না করে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে পুলিশ অফিসারের কাছে হস্তান্তর করবেন অথবা পুলিশ অফিসারের অনুপস্থিতিতে তাকে নিকটস্থ থানায় হেফাজতে নিয়ে যাবেন বা নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করবেন।

(২) এ ধরণের ব্যক্তি ৫৪ ধারার বিধানসাপেক্ষ বলে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে কোন পুলিশ অফিসার পুনরায় তাকে গ্রেফতার করবেন।

(৩) সে আমল-অযোগ্য অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করার কারণ থাকলে এবং পুলিশ অফিসারের দাবীকে সে নিজের নাম ও বাসস্থান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে অথবা যদি এরূপ নাম ও বাসস্থান দেয় যা উক্ত অফিসারের মিথ্যা রূপে বিশ্বাস করবার কারণ ঘটে, সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারার বিধান সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সে কোন অপরাধ করেছে মর্মে বিশ্বাস করবার মত পর্যাপ্ত কারণ না থাকলে, তাকে সাথে সাথে ছেড়ে দিতে হবে।
৩২.
দায়রা জজবৃন্দ যেসব দণ্ড দিতে পারেন, তা ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩০ ধারায়
  2. ৩১ ধারায়
  3. ৩২ ধারায়
  4. ৩৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩১- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
৩৩.
হাইকোর্ট বিভাগে দণ্ড অনুমোদন বা নতুন দণ্ড প্রদানের ক্ষেত্রে কমপক্ষে কতজন বিচারকের স্বাক্ষর আবশ্যক?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৭- নতুন দণ্ড অনুমোদনের ক্ষেত্রে দুইজন বিচারকের স্বাক্ষর আবশ্যক:
যেসব মামলায় দণ্ড অনুমোদনের জন্য হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করা হয়, এবং হাইকোর্ট বিভাগ যদি দুইজন বা ততোধিক বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত হয়, তাহলে সেই আদালতের প্রদত্ত দণ্ড অনুমোদন, অথবা যে কোন নতুন দণ্ড বা আদেশ অবশ্যই কমপক্ষে দুইজন বিচারক কর্তৃক প্রদান, গৃহীত ও স্বাক্ষরিত হতে হবে।

Section 377- Confirmation of new sentence to be signed by two Judges-
In every case so submitted, the confirmation of the sentence, or any new sentence or order passed by the High Court Division, shall, when such Court consists of two or more judges, be made, passed and signed by at least two of them.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারা কোন বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. তল্লাশি
  2. দণ্ডাদেশ
  3. জামিন
  4. সাক্ষ্যগ্রহণ
সঠিক উত্তর:
তল্লাশি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তল্লাশি
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৭ ধারার বিধান- যাহাকে গ্রেফতার করা হইবে, তিনি যেস্থানে প্রবেশ করিয়াছেন, সেই স্থান তল্লাশি:
গ্রেফতারী পরোয়ানা মোতাবেক কার্যরত ব্যক্তি অথবা গ্রেফতারের অধিকারী পুলিশ অফিসারের যদি বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হইবে তিনি কোন স্থানে প্রবেশ করিয়াছেন বা কোন স্থানের মধ্যে আছেন, তাহা হইলে উক্ত স্থানে বসবাসকারী বা উক্ত স্থানের ভারপ্রাপ্ত ব্যক্তি উপরোক্তরূপে কার্যরত ব্যক্তি বা উক্ত পুলিশ অফিসারের দাবিক্রমে তাহাকে অবাধে উক্ত স্থানে প্রবেশ করিতে দিবেন এবং উক্ত স্থানে তল্লাশির জন্য সকল প্রকার যুক্তিসঙ্গত সুযোগ-সুবিধা দিবেন।
৩৫.
চার্জ গঠনে গুরুতর ভুলের ফলে যদি আসামি আত্মপক্ষ সমর্থনে বিভ্রান্ত হন, তাহলে আদালত-
  1. দণ্ড বৃদ্ধি করতে পারে
  2. মামলা খারিজ করে দিতে পারে
  3. পুনর্বিচারের নির্দেশ দিতে পারে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচারের নির্দেশ দিতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনর্বিচারের নির্দেশ দিতে পারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে-
১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তা হলে উক্ত আদালত যেইরূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন।

২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলী এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলীর ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন।
৩৬.
ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকার মেয়াদ অনধিক কত বছর হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিধান:  ভবঘুরে ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিবর্গের কাছ থেকে সদাচরণের মুচলেকা:
যেক্ষেত্রে কোন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ মর্মে সংবাদ প্রাপ্ত হন যে-

ক) তাঁর স্থানীয় অধিক্ষেত্রের মধ্যে কোন ব্যক্তি তাঁর উপস্থিতি গোপন রাখার নিমিত্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থাসমূহ পরিগ্রহণ করতেছেন এবং এরূপ বিশ্বাস করার হেতু বিদ্যমান যে তিনি কোন অপরাধ সম্পাদনের লক্ষ্যে এরূপ করতেছেন, বা

খ) উক্ত সীমার মধ্যে এরূপ কোন ব্যক্তি রয়েছে যার জীবিকা নির্বাহের কোন প্রকাশ্য পন্থা নেই বা যে ব্যক্তি নিজের সম্পর্কে কোন সন্তোষজনক বিবরণ দিতে পারে না, সেক্ষেত্রে উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট, অতঃপর উল্লিখিত পদ্ধতিতে, এরূপ ব্যক্তিকে, তিনি যেরূপ সমীচীন মনে করেন সেই প্রকার অনূর্ধ্ব এক বৎসর সময়সীমার জন্য, তার সদাচরণের জন্য, জামিনদারসহ বা জামিনদার ব্যতিরেকে, একটি মুচলেকা সম্পাদন করে দিবার জন্য কেন তাকে আদেশ দেয়া হবে না তার কারণ দর্শাতে নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
৩৭.
'দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধসমূহ কোন আদালতে বিচারযোগ্য' - তা ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. ধারা ২৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৮
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৮: দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধসমূহ:
এই বিধির অন্যান্য বিধানের অধীন থেকে, দণ্ডবিধির অধীনে কোনো অপরাধ বিচারযোগ্য হবে—
(ক) হাইকোর্ট বিভাগ দ্বারা, বা
(খ) দায়রা আদালত দ্বারা, বা
(গ) দ্বিতীয় তফসিলের অষ্টম কলামে উল্লিখিত যেকোনো অন্য আদালত দ্বারা, যেখানে উক্ত অপরাধ বিচারযোগ্য বলে উল্লেখ রয়েছে।

উদাহরণ:
কোনো ব্যক্তি (ক) যদি দায়রা আদালতে অপরাধমূলক হত্যার অভিযোগে বিচারাধীন থাকে, তবে সে স্বেচ্ছায় আঘাত করার অপরাধে দণ্ডিত হতে পারে, যা একজন ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা বিচারযোগ্য অপরাধ।
৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৩ অনুযায়ী, আসামিকে তার জ্ঞাত তথ্য প্রকাশে প্ররোচিত করার জন্য নিম্নলিখিত কোনটি নিষিদ্ধ?
  1. উপহার প্রদান
  2. আইনগত পরামর্শ
  3. সাক্ষী প্রদান
  4. প্রভাব প্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
প্রভাব প্রয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রভাব প্রয়োগ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৩ - প্রকাশে প্ররোচিত করার জন্য কোনো প্রভাব প্রয়োগ নিষিদ্ধ:
ধারা ৩৩৭ ও ৩৩৮-এ যেভাবে বলা হয়েছে, তা ব্যতীত অন্য কোনোভাবে- বলা দিয়েই হোক বা ভয় দেখিয়েই হোক কিংবা অন্য কোনো পন্থায়—কোনো আসামির ওপর এমন কোনো প্রভাব প্রয়োগ করা যাবে না, যার ফলে সে তার জানা কোনো তথ্য প্রকাশ বা গোপন করতে প্ররোচিত হয়।
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১১৮ অনুযায়ী শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা দিতে আদিষ্ট ব্যক্তি আপিল করতে পারে-
  1. হাইকোর্টে
  2. দায়রা আদালতে
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৪০৬- শান্তি রক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে ধারা-১১৮ অনুসারে শান্তি বা সদাচরণের জন্য জামানত দেয়ার আদেশ দিলে সেই ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপিল দায়ের করতে পারবে-
শর্ত থাকে যে, সরকার সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দেশ দিতে পারেন যে, প্রজ্ঞাপনে বর্ণিত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোন ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশের বিরুদ্ধে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট,যেখানে যা প্রযোজ্য, আপিল চলবে; দায়রা আদালতে নয়।

আরও শর্ত থাকে যে,
যাদের বিরুদ্ধে ধারা-১২৩ এর উপ-ধারা (২) বা (৩ক) এর বিধানানুসারে দায়রা জজ বরাবর মামলা করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এই ধারার কোন কিছু প্রযোজ্য হবে না।
৪০.
পূর্বে দণ্ডিত অপরাধী যদি পুনরায় কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন, তবে কোন আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে তার ঠিকানা জানানোর আদেশ দিতে পারে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা আদালত
  3. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৫৬৫: পূর্বে কোন অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীদের ঠিকানা জানানোর আদেশ (Order for notifying address of previously convicted offender)
কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের কোন আদালত কর্তৃক দন্ডবিধির ২১৫, ৪৮৯ক, ৪৮৯খ, ৪৮৯গ বা ৪৮৯ঘ ধারা অথবা দ্বাদশ অধ্যায় বা সপ্তদশ অধ্যায়ের অধীনে তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের জন্য সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের জন্য দণ্ডিত হওয়ার পর, উক্ত ব্যক্তি পুনরায় যদি হাইকোর্ট বিভাগ, দায়রা আদালত, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক উপর্যুক্ত ধারাসমূহ বা অধ্যায়গুলির যে কোনো একটির অধীন তিন বৎসর বা ততোধিক সময়ের কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত হয়,

তাহলে উক্ত আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে উক্ত ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অন্য কোন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করার সময় আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, এই দণ্ডের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার তারিখ হতে অনধিক পাঁচ বৎসর পর্যন্ত নির্ধারিত পদ্ধতিতে তার বাসস্থান ও বাসস্থানের পরিবর্তন বা বাসস্থান হতে অনুপস্থিতি বিজ্ঞাপিত করতে হবে। তবে আপিলে বা অন্য কোন ভাবে উক্ত দণ্ড নাকচ হলে উক্ত আদেশও বাতিল হয়ে যাবে।
৪১.
ক্রোককৃত সম্পত্তির ওপর অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ কত দিনের মধ্যে আপত্তি জানাতে পারবে?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৮(৬ক) ধারা মতে,
যদি কারো সম্পত্তি ক্রোক করা হয় এবং সেই সম্পত্তির ওপর কারো দাবি বা আপত্তি থাকে (যিনি অভিযুক্ত ব্যক্তি নন), তাহলে তিনি সেই দাবি বা আপত্তি ক্রোকের ছয় মাসের মধ্যে জানাতে পারবেন। যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তার সম্পত্তির ওপর অধিকার আছে এবং সেটি ক্রোক করা উচিত নয়, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে। তদন্তের পর দাবি বা আপত্তি পুরোপুরি বা আংশিকভাবে গ্রহণ বা বাতিল করা যেতে পারে।

শর্ত: যদি দাবিকারী বা আপত্তিকারী মারা যান, তাহলে তার উত্তরাধিকারী সেই দাবি বা আপত্তি চালিয়ে যেতে পারবেন।
৪২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ অনুসারে, কোন অবস্থায় মামলার কার্যক্রম বন্ধ করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে
  2. রায় ঘোষণার পরে
  3. কেবল চার্জ গঠনের পরে
  4. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৯ মামলার যে কোন পর্যায়ে কোন রায় ঘোষণা না করে, কার্যক্রম বন্ধের ক্ষমতা দিয়েছে।

উল্লেখ আছে,
নালিশ ব্যতিরেকে অন্যভাবে দায়ের করা যে কোন মোকদ্দমায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এর অনুমতি পূর্বে নিয়ে অন্য যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মামলার যে কোন পর্যায়ে বেকসুর খালাস অথবা দণ্ডের কোন রায় ঘোষণা না করে,কার্যক্রম বন্ধ করে দিতে পারেন এবং অতঃপর অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মুক্তি (Release) দিতে পারবেন।
৪৩.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ৩৪৪ ধারার অধীন হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য কোনো আদালতের আদেশ কেমন হতে হবে?
  1. মৌখিক
  2. লিখিত
  3. বিচারক কর্তৃক স্বাক্ষরিত
  4. খ এবং গ
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ এবং গ
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
৪৪.
ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত ফৌজদারি কার্যধারার কারণে কোনো আদেশ বাতিল হবে না যদি-
  1. বিচারক ভুল স্বীকার করেন
  2. আপিলকারী লিখিত আপত্তি তোলে
  3. ন্যায়বিচারকে প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত না করে
  4. বিচার প্রক্রিয়া ন্যায়সঙ্গত না হয়
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারকে প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত না করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারকে প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত না করে
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩১: ভুল স্থানে অনুষ্ঠিত কার্যধারা-
কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারায় কোন ফৌজদারী আদালতের অভিমত, দণ্ড বা আদেশ শুধুমাত্র উক্ত তদন্ত, বিচার বা অন্য কোন কার্যধারা ভুল দায়রা বিভাগে, জেলায় বা অন্য স্থানীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলেই বাতিল হবে না যদি না প্রতীয়মান হয় যে, এ ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হচ্ছে।

ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮‑এর ধারা ৫৩১ বলছে—
মামলা ভুল দায়রা বিভাগ, জেলা বা অন্য স্থানীয় এলাকায় চললেও কেবল সেই কারণেই রায়, আদেশ বা তদন্ত বাতিল হবে না, যতক্ষণ না দেখা যায় যে এই ভুলের ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত (failure of justice) হয়েছে। অর্থাৎ বিচার প্রক্রিয়া ন্যায়সঙ্গত ও পক্ষসমূহ পর্যাপ্ত সুযোগ পেয়েছে—এটা নিশ্চিত হলে শুধুমাত্র স্থানের ত্রুটি রায় বাতিল করে না।
৪৫.
কত বয়সের নিচে হলে একজন ব্যক্তিকে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯খ ধারার অধীনে বিচার করা যাবে?
  1. ১৫ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ২৯খ ধারা-
কোন ব্যক্তি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডনীয় অপরাধ ব্যতিরেকে অপর যে কোন অপরাধ করলে এবং তাকে আদালতে উপস্থিত হবার বা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ (পনের) বৎসরের নীচে হলে তার বিচার যে কোন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা তরুণ অপরাধীদের হেফাজত, বিচার এবং শাস্তি দেবার জন্য বলবৎ আইন কর্তৃক বা অধীনে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিষ্ট্রেট, এবং এরূপ আইনের দ্বারা আরোপিত সকল বা যেকোন ক্ষমতা প্রয়োগ করবার জন্য উহার দ্বারা বা অধীন ক্ষমতাপ্রাপ্ত যেকোন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন।
৪৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুসারে, কে আদালতের কার্যধারার নকল নেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারে?
  1. সরকারি কৌঁসুলি
  2. বাদী পক্ষ
  3. যে কোনো সাধারণ নাগরিক
  4. রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল:
কোন ফৌজদারী আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবেঃ শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশতঃ বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

Section 548: Copies of proceedings
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
৪৭.
What kind of imprisonment is prescribed for failure to give security for keeping the peace?
  1. Life imprisonment
  2. Simple imprisonment
  3. Rigorous imprisonment
  4. No imprisonment is given
সঠিক উত্তর:
Simple imprisonment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Simple imprisonment
ব্যাখ্যা
Section 123(5)- Kind of imprisonment
Imprisonment for failure to give security for keeping the peace shall be simple. 


ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১২৩(৫)- কারাদণ্ডের প্রকারঃ
শান্তিরক্ষার মুচলেকা প্রদান করতে না পারার দরুণ যে কারাদণ্ড হবে তা বিনাশ্রম হবে।
৪৮.
দণ্ডবিধি অনুসারে কয় ধরনের ফলাফল বা পরিণতিকে আঘাতের সংজ্ঞাভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৬ ধরনের
  4. ৮ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরনের
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩১৯ ধারা: আঘাত:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা ঘটায়, তবে উক্ত ব্যক্তি আঘাত করেছে বলে পরিগণিত হবে।

Section 319- Hurt:
Whoever causes bodily pain, disease or infirmity to any person is said to cause hurt.

⇒ পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৩১৯ ধারা অনুযায়ী, আঘাত বলতে বোঝায়- শরীরের যেকোনো দৈহিক যন্ত্রণা, ব্যাধি বা অপরাগতা। এই ৩টি হচ্ছে আঘাতের সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত ফলাফল:
- ব্যথা (Pain);
- রোগ (Disease);
- শারীরিক অক্ষমতা (Infirmity)।
৪৯.
দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় কোন অপরাধের সাজা বর্ণিত আছে?
  1. খুন
  2. অবহেলাজনিত মৃত্যু
  3. খুন নয়, এমন অপরাধমূলক নরহত্যা
  4. যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তের দ্বারা খুন
সঠিক উত্তর:
খুন নয়, এমন অপরাধমূলক নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুন নয়, এমন অপরাধমূলক নরহত্যা
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩০৪ ধারা- খুন নয়, এমন অপরাধমূলক নরহত্যা শাস্তি:
যে ব্যক্তি এমন একটি কাজ করেন, যা অপরাধমূলক নরহত্যা (culpable homicide) হলেও তা হত্যা (murder) হিসেবে গণ্য হয় না, তিনি নিম্নরূপে শাস্তিযোগ্য হবেন:

(১) যদি কাজটি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয় যাতে কারো মৃত্যু ঘটে, অথবা এমন শারীরিক আঘাতের উদ্দেশ্যে যা মৃত্যুর সম্ভাবনা তৈরি করে—
তাহলে শাস্তি হবে:
- আজীবন কারাদণ্ড, অথবা
- যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড, যা সর্বোচ্চ দশ বছর পর্যন্ত হতে পারে,
- এবং অর্থদণ্ড হতে পারে।

(২) কিন্তু যদি কাজটি এমন জ্ঞানে করা হয় যে এটি মৃত্যু ঘটাতে পারে, তবে:
- সর্বোচ্চ দশ বছর পর্যন্ত যেকোনো ধরণের কারাদণ্ড, অথবা
- শুধু অর্থদণ্ড, অথবা
- দুইটিই একসাথে হতে পারে,

যদি এতে মৃত্যুর উদ্দেশ্য না থাকে, বা এমন আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্য না থাকে যা মৃত্যু ঘটাতে পারে।
৫০.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারানুযায়ী, নিচের কোনটি আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. কারো গায়ে ধাক্কা দেওয়া
  2. শুধুমাত্র মৌখিক গালিগালাজ করা
  3. কারো দিকে মুষ্টি উত্তোলন করে তাকানো
  4. হঠাৎ করে আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করা
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মৌখিক গালিগালাজ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধুমাত্র মৌখিক গালিগালাজ করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান- আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা:
কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না।
কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

⇒ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার ব্যাখ্যায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে—
"কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না।"
অর্থাৎ, যদি কেউ শুধুমাত্র গালিগালাজ করে বা মৌখিকভাবে হুমকি দেয় কিন্তু কোনো শারীরিক অঙ্গভঙ্গি বা আক্রমণাত্মক প্রস্তুতি না নেয়, তবে তা "আক্রমণ" হিসাবে গণ্য হবে না। তবে যদি ঐ কথাগুলোর সাথে এমন অঙ্গভঙ্গি থাকে যা অপরের মনে ভয় সৃষ্টি করে (যেমন: ঘুষি মারার ভঙ্গি, অস্ত্র প্রদর্শন), তাহলে সেটি আক্রমণ হিসেবে পরিগণিত হতে পারে।
৫১.
বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচারে অভিযুক্ত ব্যক্তির সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৬ মাস কারাদণ্ড
  2. ১ বছর কারাদণ্ড
  3. ২ বছর কারাদণ্ড
  4. ৩ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ১৫৩(ক) ধারা: শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা প্রচার করা:
যে কেউ, কথার মাধ্যমে, মৌখিক বা লিখিত, অথবা সংকেতের মাধ্যমে, দৃশ্যমান উপস্থাপনা দ্বারা বা অন্য যেকোনো উপায়ে, বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা প্রচার করে বা প্রচারের চেষ্টা করে, তাকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা: যদি কোনো ব্যক্তি বিদ্বেষপূর্ণ উদ্দেশ্য ছাড়াই এবং প্রকৃতপক্ষে সেই সমস্যাগুলি তুলে ধরে, যা বাংলাদেশি নাগরিকদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে শত্রুতা বা ঘৃণা সৃষ্টি করছে বা সৃষ্টি করার প্রবণতা রাখে, তাহলে এটি এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না।
৫২.
দণ্ডবিধির ৩০৩ ধারা কোন ধরনের অপরাধীদের জন্য প্রযোজ্য?
  1. শিশু অপরাধী
  2. যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত
  3. প্রথমবারের মত অপরাধ সংঘটনকারী
  4. যেকোন ধরনের কারাদণ্ড প্রাপ্ত
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৩০৩ ধারার বিধান- যাবজ্জীবন কারাবাসে দণ্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুনের শাস্তি:
কোন ব্যক্তি যদি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অবস্থায় খুন করে, তবে সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

Section 303- Punishment for murder by life-convict:
Whoever, being under sentence of imprisonment for life, commits murder, shall be punished with death.
৫৩.
“Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence”- দণ্ডবিধির কোন ধারায় এই বিধান উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৯০
  2. ধারা ৯৩
  3. ধারা ৯৫
  4. ধারা ৯৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৬
ব্যাখ্যা
 • দণ্ডবিধির ৯৬ ধারায় বলা আছে,

ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার জন্য কোনো অধিকার প্রয়োগ করে থাকলে তা আইনে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে না।
"Nothing is an offence which is done in the exercise of the right of private defence."
৫৪.
মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তার ফলে যদি অপরাধ সংঘটিত না হয়, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  2. ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  3. ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ১১৫ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে সহায়তাকরণ, অপরাধ অনুষ্ঠিত না হইলে:
কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করে কিন্তু সহায়তা করার ফলে উক্ত অপরাধটি অনুষ্ঠিত না হয় এবং অনুরূপ সহায়তার দণ্ডদানের জন্য এই বিধিতে কোন স্পষ্ট বিধান না থেকে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তাকে অর্থদণ্ডে ও দণ্ডিত করা যাবে।

সহায়তার ফলে অপরাধ অনুষ্ঠিত হলে: এবং যদি এমন কোন কাজ সম্পাদিত হয় যাতে সহায়তার জন্য সহায়তাকারী দায়ী হয় এবং যাতে কোন ব্যক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তবে যোগসাজশকারী সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারবে, এবং সহায়তাকারীকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যাবে।
৫৫.
দণ্ডবিধির ১৯১ ধারার আওতায় কোন ধরনের বক্তব্য বা বিবৃতি মিথ্যা সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. কেবল মৌখিক বক্তব্য
  2. কেবল লিখিত বিবৃতি
  3. মৌখিক বা লিখিত যেকোনো ধরনের
  4. কেবল ভুক্তভোগী হিসাবে আদালতে প্রদত্ত বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বা লিখিত যেকোনো ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক বা লিখিত যেকোনো ধরনের
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯১ ধারার বিধান- মিথ্যা সাক্ষ্যদান:
কোন ব্যক্তি যদি কোন শপথক্রমে বা আইনে কোন প্রকাশ্য বিধান অনুযায়ী সত্য বলতে আইনত: বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, অথবা কোন বিষয়ে একটি ঘোষণা প্রদান করতে আইনানুসারে বাধ্য হওয়া সত্ত্বেও, এমন কোন উক্তি করে বা বিবৃতি দান করে যা মিথ্যা, এবং যা হয় সে মিথ্যা বলে জানে, না হয় সে মিথ্যা বলে বিশ্বাস করে অথবা যা সে সত্য বলে বিশ্বাস করে না, তবে উক্ত ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দান করে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ১:- কোন উক্তি বা বিবৃতি মৌখিকভাবে অথবা অপর যেভাবেই করা হোক না কেন, এই ধারার অর্থানুসারে তা উক্তি বা বিবৃতি বলে বিবেচিত।
ব্যাখ্যা ২:- সত্যতা নিরূপণকারী ব্যক্তির বিশ্বাস বিষয়ক মিথ্যা উক্তি এই ধারার অর্থে অন্ত র্ভুক্ত। কোন ব্যক্তি যা বিশ্বাস করে না, তা সে বিশ্বাস করে বলে এবং যা সে জানে বলে উক্তি করলে সে ব্যক্তি মিথ্যা সাক্ষ্য দানের জন্য অপরাধী হবে।
৫৬.
“অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ” (Criminal Trespass) এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হতে পারে-
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধি ৪৪৭ ধারা: অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের শাস্তি-
যে কেউ অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করে, সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে, বা সর্বোচ্চ পাঁচ শত টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

Section 447- Punishment for criminal trespass:
Whoever commits criminal trespass shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৫৭.
দণ্ডবিধির ৩৮ ধারা মতে, একই ঘটনার জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি-
  1. একই অপরাধে অভিযুক্ত হবেন
  2. সমান শাস্তি পাবে
  3. ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিন্ন ভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮ ধারার বিধান- অপরাধমূলক কার্যে জড়িত ব্যক্তিগণ বিভিন্ন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন:
 কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটনে কতিপয় ব্যক্তি ব্যাপৃত থাকলে অথবা উহা সংঘটনের সাথে তারা জড়িত থাকলে, উক্ত কাজের জন্য তারা বিভিন্ন অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হতে পারে।

উদাহরণ-
ক এমন উগ্র প্ররোচনায় ক্ষিপ্ত হয়ে চ-কে আক্রমণ করে যে, তার এই আক্রমণে চ নিহত হলে তা কেবল অপরাধমূলক প্রাণনাশ হবে, যা খুন বলে পরিগণিত হবে না। চ-এর প্রতি খ-এর বিদ্বেষ থাকায় এবং চ-কে হত্যা করার জন্য খ-এর অভিপ্রায় থাকায়, খ বিনা প্ররোচনায় চ-কে হত্যার কার্যে ক কে সহায়তা করে। এই দৃষ্টান্তে ক ও খ উভয়েই চ-কে হত্যার কার্যে ব্যাপৃত থাকলেও, খ খুনের অপরাধে অপরাধী সাব্যস্ত হবে এবং ক শুধু অপরাধমূলক প্রাণনাশের অপরাধে অপরাধী হবে।
৫৮.
দণ্ডবিধির ১০৩ ধারায় বর্ণিত ‘অপথে গৃহে প্রবেশ’ কোন ক্ষেত্রে অপরাধকারীর মৃত্যু ঘটানোর অধিকার দেয়?
  1. যখন তা দিনের বেলা ঘটে
  2. যখন তা রাত্রিকালীন হয়
  3. যখন তা জনসম্মুখে ঘটে
  4. যখন তা সরকারী ভবনে ঘটে
সঠিক উত্তর:
যখন তা রাত্রিকালীন হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন তা রাত্রিকালীন হয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১০৩: যেক্ষেত্রে সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত আত্নরক্ষার অধিকার মৃত্যু ঘটাইবার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হয়:
 সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার ৯৯ ধারায় আরোপিত নিয়ন্ত্রণ সাপেক্ষে স্বেচ্ছাকৃতভাবে অপরাধকারীর মৃত্যু সংঘটন বা তার অপর কোনরূপ ক্ষতিসাধন পর্যন্ত প্রয়োগযোগ্য হবে, যদি যে অপরাধটি করার বা করার চেষ্টার বিরুদ্ধে এই অধিকার প্রয়োগ আবশ্যকীয় হয়ে পড়েছে সে অপরাধটি নিম্নবর্ণিত বিভিন্ন প্রকৃতির মধ্যে যে কোন এক ধরনের হয়, যথা:-
প্রথমত (First): দস্যুতা;
দ্বিতীয়ত (Secondly): রাত্রিবেলা অপথে গৃহে প্রবেশ করা:
তৃতীয়ত (Thirdly): কোন গৃহ, তাবু বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতি সাধন, যদি গৃহটি, তাবুটি বা যানবাহনটি মানুষের বাসস্থান হিসেবে অথবা সম্পত্তি রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়;
চতুর্থত (Fourthly): চুরি, অনিষ্টকারিতা, অথবা গৃহে অনধিকার প্রবেশ, যদি পরিস্থিতি এমন হয় যে, সংশ্লিষ্ট আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকারটি প্রয়োগ না করলে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত অনিবার্য বলে ন্যায়সঙ্গতভাবেই আশঙ্কার উদ্ভব হয়।
৫৯.
স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করলে দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারায় সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ধারা: ৩২৩ - স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দানের শাস্তি:
যদি কেউ ৩৩৪ ধারায় উল্লেখিত ক্ষেত্র ছাড়াই অপর কোন ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা এক হাজার টাকা পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

Punishment for voluntarily causing hurt-
Whoever, except in the case provided for by section 334, voluntarily causes hurt, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine which may extend to one thousand taka, or with both.
৬০.
স্কুলে যাওয়ার পথে 'ক' একজন মেয়েকে ইভটিজিং করে। Penal code এর কোন ধারায় ‘ক’ শাস্তি পাবে?
  1. ৫০৮ ধারায়
  2. ৫০৯ ধারায়
  3. ৫১০ ধারায়
  4. ৫১১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা- কোন নারীর শালীনতার অমর্যাদার অভিপ্রায়ে কোন মন্তব্য, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কার্য:
কোন ব্যক্তি যদি কোন নারীর শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে সে নারী যাতে শুনতে পায় এমন কোন কথা বলে বা শব্দ করে অথবা সে নারী যাতে দেখতে পায় এমন ভাবে কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন বস্তু প্রদর্শন করে অথবা অনুরূপ নারীর গোপনীয়তা অনধিকার লঙ্ঘন করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

অর্থাৎ, পেনাল কোড এর ৫০৯ ধারায় ইভটিজিং এর শাস্তির বিধান আছে।
৬১.
"বেআইনী সমাবেশ" বলতে কমপক্ষে কতজনের সমাবেশ বোঝায়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান- বেআইনী সমাবেশ:
পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনী সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়-

প্রথম:
 বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারী কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা 

দ্বিতীয়:
 কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরীকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা

তৃতীয়:
 কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা

চতুর্থ:
 কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্টা করা; কিংবা

পঞ্চম:
 অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনতঃ বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।

ব্যাখ্যা:
যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনী ছিল না তা পরে বেআইনী সমাবেশ হতে পারে।
৬২.
যদি দস্যুতা রাতে রাজপথে সংঘটিত হয়, তাহলে সর্বোচ্চ কত বছরের সাজা হতে পারে?
  1. ৭ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯২ ধারার বিধান- দস্যুতার সাজা:
কোন ব্যক্তি যদি দস্যুতা সংঘটন করে তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে। এবং যদি সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয়, তবে কারাদণ্ডের মেয়াদ চৌদ্দ বৎসর পর্যন্ত হতে পারে।
৬৩.
The Penal Code, 1860 এর কত ধারায়  “উইল (will)” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২৭ ধারায়
  2. ২৯ ধারায়
  3. ৩১ ধারায়
  4. ৩৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860- ধারা ৩১: “উইল”:
"উইল" শব্দটি দ্বারা কোনো টেস্টামেন্টারি ডকুমেন্ট বোঝানো হয়।
Section- 31: “A will” The words "a will" denote any testamentary document.

এই ধারার অধীনে,
“উইল” বলতে এমন কোনো লিখিত দলিলকে বোঝায় যা একজন ব্যক্তি তার মৃত্যুর পর সম্পত্তি কাকে কিভাবে দেওয়া হবে—এই মর্মে করে যান। এটা একটি বৈধ ইচ্ছাপত্র।
৬৪.
দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায় কী ধরনের অপরাধের উল্লেখ আছে?
  1. আত্মহত্যা
  2. আত্মরক্ষা
  3. শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
  4. দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তিযোগ্য নরহত্যা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:
কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
৬৫.
এক ব্যক্তি ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত ও ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে। দণ্ডাদেশ দানের কত বছরের মধ্যে অর্থদণ্ড আদায়যোগ্য?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৭০ ধারার বিধান- অর্থদও ছয় বৎসরের মধ্যে বা কারাদণ্ড চলতে থাকাকালে আদায়যোগ্য: মৃত্যুর ফলে সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না:
অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ দণ্ডাদেশ দানের পরবর্তী ছয় বৎসরের মধ্যে যে কোন সময়ে আদায় করা যাবে, এবং উক্ত দণ্ডাদেশবলে অপরাধী যদি ছয় বৎসর হতেও দীর্ঘতর মেয়াদের জন্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়, তবে অর্থদণ্ড বা উহার কোন অপরিশোধিত অংশ উক্ত কারাদণ্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোন সময়ে আদায় করা হবে; অপরাধীর মৃত্যুর পর তার যে সম্পত্তি তার দায় পরিশোধ আইনতঃ দায়গ্রস্ত হতে পারে, অপরাধীর মৃত্যুর ফলে অনুরূপ সম্পত্তি দায়মুক্ত হবে না।
৬৬.
জবানবন্দি অথবা পুনঃজবানবন্দির সময় আদালত কোন ক্ষেত্রে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করার অনুমতি দেবেন?
  1. পরিচয়মূলক বিষয়
  2. অবিসংবাদিত বিষয়
  3. ইতিমধ্যেই প্রমাণিত বিষয়
  4. বর্ণিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সকল ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ধারা ১৪২- কখন ইঙ্গিতপূর্ণপ্রশ্ন (Leading Questions) জিজ্ঞাসা করা যাবে না-
যদি বিপক্ষ পক্ষ (adverse party) আপত্তি করে, তাহলে জবানবন্দি (examination-in-chief) অথবা পুনঃজবানবন্দিতে (re-examination) ইঙ্গিতপূর্ণপ্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা যাবে না, যদি না আদালতের অনুমতি থাকে।

আদালত ইঙ্গিতপূর্ণপ্রশ্ন জিজ্ঞাসা করার অনুমতি দিতে পারে, যদি সেগুলো হয়—
- পরিচিতিমূলক তথ্য (introductory matters),
- অবিসংবাদিত (undisputed) বিষয়, অথবা
- যে বিষয়গুলি ইতোমধ্যে যথেষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে আদালতের ধারণা হয়।
৬৭.
নিচের কোনটি সাক্ষ্য আইনের প্রথম খণ্ড (ধারা  ১‑৫৫)‑এর বিষয়বস্তু?
  1. ঘটনার প্রমাণ
  2. ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা
  3. সাক্ষ্য উপস্থাপন
  4. সাক্ষ্যগ্রহণ‑পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর প্রাথমিক তথ্য:
আইন নং: ১৮৭২ সালের ১নং আইন।
প্রকাশিত : ১৫ মার্চ, ১৮৭২।
কার্যকর : ১ লা সেপ্টেম্বর, ১৮৭২।
ধারা : ১৬৭ টি।
 
খণ্ড : ৩টি
১ম খণ্ড : ১ - ৫৫ ধারা - ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা,
২য় খণ্ড : ৫৬ - ১০০ ধারা - ঘটনার প্রমাণ,
৩য় খণ্ড : ১০১ - ১৬৭ ধারা - সাক্ষ্য উপস্থাপন ও ইহার ফলাফল।
৬৮.
ড্রোন ডেটাকে কোন ধরনের সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য করা হবে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. ফরেনসিক সাক্ষ্য
  3. ডিজিটাল রেকর্ড
  4. মাধ্যমিক সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল রেকর্ড
ব্যাখ্যা
The Evidence Act (Amendment ), 2022 এর সংশোধন অনুসারে ডিজিটাল রেকর্ড বা ইলেকট্রিক রেকর্ড বলতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যুক্ত হবে-
ম্যাগনেটিক বা ইলেক্ট্রো-ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল, কম্পিউটার মেমরি, মাইক্রোফিল্ম, অডিও, ভিডিও, ডিজিটাল বহুমুখী ডিস্ক বা ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক (ডিভিডি), কম্পিউটার উদ্ভূত মাইক্রোফিচ ইত্যাদিতে প্রস্তুতকৃত, প্রেরিত, গৃহীত বা ধারণকৃত কোন রেকর্ড, ডাটা বা তথ্য; ড্রোন ডেটা বা ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশনের রেকর্ড (সিসিটিভি); সেল ফোন, হার্ডওয়্যার, সফ্টওয়্যার বা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ তে সংজ্ঞায়িত অন্য কোন ডিজিটাল ডিভাইসের কোন রেকর্ডস।
৬৯.
দখলকারীকে মালিক নয় বলে দাবী করলে প্রমাণ‑দায়িত্ব (burden of proof) কার উপর বর্তায়?
  1. দখলকারীর
  2. আদালতের
  3. যে ব্যক্তি মালিকানা অস্বীকার করছে
  4. উল্লিখিত সকলের
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি মালিকানা অস্বীকার করছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে ব্যক্তি মালিকানা অস্বীকার করছে
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১১০ ধারার বিধান: মালিকানা প্রমানের দায়িত্ব:
যে ব্যক্তির কর্তৃত্বাধীনে কিছু আছে বলে দেখানো হয়, সে ব্যক্তি ঐটার মালিক কিনা এই প্রশ্ন উত্থিত হলে যে ব্যক্তি দাবি করে যে, দখলকারী ব্যক্তি সে জিনিসের মালিক নয়, তবে এটা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপরই ন্যস্ত হয়।

Section-110- Burden of proof as to ownership:
When the question is whether any person is owner of anything of which he is shown to be in possession, the burden of proving that he is not the owner is on the person who affirms that he is not the owner.
৭০.
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান মতে, কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের -
  1. চূড়ান্ত প্রমাণ
  2. চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
  3. অপরিবর্তনীয় নথি
  4. একমাত্র সাক্ষ্য
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত প্রমাণ নয়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
 
Section 31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৭১.
সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারায় কোন ধরনের বার্তার গোপনীয়তার বিধান রয়েছে? 
  1. মক্কেল-আইনজীবীর বার্তা
  2. বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা
  3. পেশা সম্পর্কিত বার্তা
  4. আইন উপদেষ্টার সঙ্গে গোপন বার্তা
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২২ ধারার বিধান: বিবাহ বজায় থাকাকালীন বার্তা:
কোন ব্যক্তি যিনি বিবাহিত বা যাহার সহিত বিবাহ হইয়াছে, বিবাহ বজায় থাকাকালে সেই ব্যক্তির সহিত তাহার স্ত্রী বা স্বামীর বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিতে সেই ব্যক্তিকে বাধ্য করা যাইবে না;বার্তা প্রদানকারীর বা তাহার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধির সম্মতি ব্যতীত বার্তার বিষয়বস্তু প্রকাশ করিবার অনুমতিও তাহাকে দেওয়া যাইবে না, তবে বিবাহিত ব্যক্তিদ্বয়ের মধ্যে কোন দেওয়ানী মামলায় অথবা তাহাদের একজনের বিরুদ্ধে কোন অপরাধ করিবার দায়ে অপরজন ফৌজদারীতে সোর্পদ থাকিলে সেইক্ষেত্রে বার্তার বিষয় প্রকাশ করিতে দেওয়া যাইবে। 
৭২.
কোন ধরনের মামলায় অভিযুক্তের ভাল চরিত্র প্রাসঙ্গিক?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. ফৌজদারি মামলা
  3. উভয় ধরনের মামলায়
  4. কোন মামলায় প্রাসঙ্গিক নয়
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।

⇒ The Evidence Act, 1872-Section-53: In criminal cases, previous good character relevant:
 In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.
৭৩.
সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩ অনুসারে, দুষ্কর্মের সহযোগী (accomplice) কোন ধরনের সাক্ষী?
  1. অযোগ্য সাক্ষী
  2. উপযুক্ত সাক্ষী
  3. আংশিক‑যোগ্য সাক্ষী
  4. বাদী পক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে যোগ্য সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত সাক্ষী
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
৭৪.
ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ সাক্ষ্য দিতে চাইলে প্রথমে কী প্রয়োজন?
  1. পুলিশের অনুমতি
  2. আদালতের অনুমতি
  3. তদন্ত কর্মকর্তার লিখিত আবেদন
  4. পক্ষদ্বয়ের অনুমতি
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের অনুমতি
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার বিধান: শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞদের মতামত:
(১) আদালতের অনুমতি ব্যতীত একজন সাক্ষী শারীরিক বা ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ হিসাবে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না যদি না তার রিপোর্টের একটি অনুলিপি, উপ-ধারা (২) অনুসারে সমস্ত পক্ষকে দেওয়া না হয়।
(২) একজন বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদন আদালতের কাছে পাঠানো হবে এবং সেই পক্ষের কাছে নয় যার পক্ষে তাকে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং আদালতকে সাহায্য করাই তার কর্তব্য হবে।
৭৫.
কেবল দলিল উপস্থাপনের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি কখন জেরার সম্মুখীন হতে পারে?
  1. উচ্চ আদালতের অনুমতি পেলে
  2. শুধুমাত্র মামলার রায়ের পর
  3. আদালত চাইলে যেকোন সময়
  4. সাক্ষী হিসেবে ডাকা হলে
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হিসেবে ডাকা হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী হিসেবে ডাকা হলে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৩৯: দলিল উপস্থাপনের জন্য ডাকা ব্যক্তির জেরা:
কেবলমাত্র দলিল উপস্থাপনের জন্য সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বয়ং সাক্ষী হয়ে যান না। তিনি তখনই জেরার (cross-examination) সম্মুখীন হতে পারেন, যখন তাকে সাক্ষী হিসেবে ডাকা হয়।

[A person summoned to produce a document does not become a witness by the mere fact that he produces it and cannot be cross-examined unless and until he is called as a witness.]
৭৬.
সাক্ষ্য আইনের ৯৯ ধারায় কে দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ দিতে পারে?
  1. আদালত
  2. দলিলের পক্ষগণ
  3. দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
  4. উল্লিখিত সবাই
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের পক্ষ নন এমন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৯৯- দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী চুক্তির প্রমাণ কে দিতে পারবে:
যে ব্যক্তিরা দলিলের পক্ষ নন বা তাদের স্বার্থের প্রতিনিধিরা, তারা এমন যে কোনো তথ্যের প্রমাণ দিতে পারেন যা দলিলের শর্তাবলী পরিবর্তনকারী সমসাময়িক চুক্তির অস্তিত্ব প্রদর্শন করে।

[Persons who are not parties to a document, or their representatives in interest, may give evidence of any facts tending to show a contemporaneous agreement varying the terms of the document.]
৭৭.
যদি কোনো পক্ষকে দলিল পেশ করার নোটিশ দেওয়া হয় এবং সেই পক্ষ তা উপস্থাপনা করতে অস্বীকার করে, তবে ঐ পক্ষ পরবর্তীতে উক্ত দলিল প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে-
  1. প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
  2. দলিল রেজিস্ট্রি‑কৃত হলে
  3. সরকারি দলিল হলে
  4. ব্যক্তিগত দলিল হলে
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিপক্ষের সম্মতিতে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৬৪ – নোটিশ দেওয়া সত্ত্বেও না‑উপস্থাপিত দলিল‑প্রমাণ পরে ব্যবহার‑নিষেধ:
যদি কোনো পক্ষকে দলিল পেশ করার নোটিশ দেওয়া হয় এবং সেই পক্ষ তা উপস্থাপনা করতে অস্বীকার করে, তবে ঐ পক্ষ পরবর্তীতে ওই দলিলকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না- যতক্ষণ না
(‌i) প্রতিপক্ষের সম্মতি অথবা
(ii) আদালতের আদেশ পাওয়া যায়।

[When a party refuses to produce a document which he has had notice to produce, he cannot afterwards use the document as evidence without the consent of the other party or the order of the Court.]
৭৮.
'Hearsay evidence is not admissible' এই নীতির ব্যতিক্রম দেখা যায় সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায়?
  1. ২৭ ধারায়
  2. ৩২ ধারায়
  3. ৪৫ ধারায়
  4. ৫৭ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৩২ “hearsay” প্রমাণকে বিশেষ পরিস্থিতিতে গ্রহণযোগ্য করে, ফলে এটি hearsay নিষিদ্ধ নীতির প্রধান ব্যতিক্রম হিসেবে বিবেচিত হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি মৃত, নিখোঁজ বা সাক্ষ্য প্রদানে অযোগ্য হলে অথবা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির হাজিরা সময় ও ব্যয় সাপেক্ষ হলে আদালতে উপস্থিতি ছাড়াও তাদের মৌখিক বা লিখিত বিবৃতি ৮টি ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হয়। যথা-

ⅰ) ৩২(১) ধারার অধীন মৃত্যুর কারন সংবলিত বিবৃতি অর্থাৎ মৃত্যু কালীন ঘোষনা (dying delaration);
ii) ৩২(২) ধারার অধীন দৈনন্দিন বা স্বাভাবিক কাজ কর্মের বিবৃতি (statement made in course of business);
iii) ৩২(৩) ধারার অধীন আর্থিক অথবা স্বত্ব সম্বন্ধীয় (as to title) স্বার্থের পরিপন্থীমূলক বিবৃতি যা ফৌজদারি বা ক্ষতিপূরনের মামলার উদ্ভব করতে পারে (statement against interest of maker);
iv) সর্বসাধারনের অধিকার বা প্রথা বিষয়ক মতামত (opinion as to public right or custom, or matters of general interest);
v) পারিবারিক দলিল বা উইল (statement made in will or deed relating to family affairs);
vi) আত্মীয়তার অস্তিত্ব সম্বন্ধে বিবৃতি (relates to existence of relationship);
vii) ১৩(ক) ধারায় উল্লিখিত কার্য সংক্রান্ত; অথবা
viii) কয়েকজন কর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতি (Statement made by several persons, and expresses feelings relevant to matter in question).
৭৯.
The Evidence Act, 1872 এর ধারা ৬৪‑এর মৌলিক নীতি কী?
  1. সব দলিল মৌখিক সাক্ষ্যে প্রমাণিত হবে
  2. প্রত্যেক দলিল শুধু সার্টিফায়েড কপি দ্বারা প্রমাণ করতে হবে
  3. ইলেকট্রনিক রেকর্ডে প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রযোজ্য নয়
  4. দলিল প্রাথমিক  সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে
সঠিক উত্তর:
দলিল প্রাথমিক  সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিল প্রাথমিক  সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করতে হবে
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ৬৪ ধারা- প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ: 
এই আইনে অতঃপর যে সকল ব্যতিক্রমের উল্লেখ করা হইয়াছে উহা ভিন্ন অন্য সকল ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করিতে হইবে।

Section 64- Proof of documents by primary evidence:
Documents must be proved by primary evidence except in the cases hereinafter mentioned.
৮০.
যদি কোনো ব্যক্তি আদালতকে কোনো বিষয়ের অস্তিত্বে বিশ্বাস করাতে চায়, তাহলে প্রমাণের দায়িত্ব -
  1. আদালতের
  2. আসামির
  3. ঐ ব্যক্তির নিজের
  4. বাদী পক্ষের
সঠিক উত্তর:
ঐ ব্যক্তির নিজের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐ ব্যক্তির নিজের
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারার বিধান: কোন নির্ধারিত বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব:
কোন বিষয়ের অস্তিত্ব যে ব্যক্তি আদালতকে বিশ্বাস করতে চায়, সে প্রসঙ্গের অস্তিত্বে প্রমাণ করার দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যস্ত, যদি না কোন আইন অনুসারে সে বিষয় প্রমাণের দায়িত্ব কোন ব্যক্তিবিশেষের উপর আরোপিত হয়ে থাকে।

উদাহরণ:
খ'-কে 'ক' চুরির দায়ে ফৌজদারীতে সোপর্দ করে। আদালতকে 'ক' বিশ্বাস করাতে চায় যে, 'গ'-এর নিকট 'খ' চুরির কথা স্বীকার করেছে। অবশ্যই স্বীকৃতি 'ক'-কে প্রমাণ করতে হবে। অন্যদিকে, যদি আদালতকে 'খ' বিশ্বাস করাতে চায় যে, সংশ্লিষ্ট সময়কালে সে অন্যত্র ছিল। অবশ্যই এটা 'খ' কে প্রমাণ করতে হবে।
৮১.
তামাদি আইনের ১৩ ধারায়, যদি বিবাদী বিদেশে থাকে, তবে কী ঘটবে?
  1. তামাদি গণনা শুরু হবে
  2. তামাদি চলতে থাকে
  3. তামাদি বাতিল হয়ে যায়
  4. তামাদির মেয়াদ স্থগিত থাকবে
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ স্থগিত থাকবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদির মেয়াদ স্থগিত থাকবে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী,
বাদীর যখন মামলা করার অধিকার জন্মায় তখন যদি বিবাদী উক্ত সময়ে সরকারের কার্যের অংশ হিসাবে দেশের বাইরে থাকে, বিবাদী যতদিন বিদেশে থাকবে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে। তাই বলা যায় যে, বিবাদীর বিদেশে অবস্থানের সময়টুকু তামাদি থেকে বাদ যাবে।

Section 13: Exclusion of time of defendant’s absence from Bangladesh and certain other territories-
In computing the period of limitation prescribed for any suit, the time during which the defendant has been absent from Bangladesh and from the territories beyond Bangladesh under the administration of the Government shall be excluded.
৮২.
তামাদি আইনের কত ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' নীতির কথা বলা হয়েছে?
  1. ৫ ধারায়
  2. ৬ ধারায়
  3. ৮ ধারায়
  4. ৯ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৯ ধারায় 'সময়ের অবিরাম চলন' নীতির কথা বলা হয়েছে। এর অর্থ হলো, একবার কোন দাবির জন্য তামাদির মেয়াদ (Limitation Period) গণনা শুরু হয়ে গেলে, পরবর্তীতে কোন অক্ষমতা বা প্রতিবন্ধকতার কারণে মামলা দায়ের করতে না পারলেও সেই মেয়াদ থেমে যাবে না। অর্থাৎ মামলা দায়েরে অক্ষমতা দেখা দিলেও সময় অবিরাম চলতে থাকবে এবং নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আর মামলা করা যাবে না।
তবে একটি ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম আছে- যদি পাওনাদারের সম্পত্তির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেনাদারের উপর ন্যস্ত হয়, তখন ঐ দায়িত্ব পালনের সময়কালে দেনা আদায়ের মামলা দায়েরের সময়সীমা স্থগিত থাকবে।

Section 9: Continuous running of time:
Where once time has begun to run, no subsequent disability or inability to sue stops it:
Provided that where letters of administration to the estate of a creditor have been granted to his debtor, the running of the time prescribed for a suit to recover the debt shall be suspended while the administration continues.
৮৩.
তামাদি আইনের ধারা ২২ এর অধীনে, নতুন পক্ষের জন্য মামলার তামাদি গণনা কিভাবে হবে?
  1. মামলার প্রথম দিন থেকে
  2. নতুন পক্ষের পক্ষভুক্তির তারিখ থেকে
  3. মামলার শুনানির তারিখ থেকে
  4. আদালতের রায়ের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
নতুন পক্ষের পক্ষভুক্তির তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন পক্ষের পক্ষভুক্তির তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এ নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল সম্পর্কে বলা আছে। যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোন বাদী বা বিবাদীকে পক্ষভুক্ত করা হয় বা কারও স্থলাভিষিক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তির জন্য পক্ষভুক্তির তারিখেই মামলাটি করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তবে, যেক্ষেত্রে মামলা স্থগিত থাকার সময় স্বত্বাপণ কিংবা কোন স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত কিংবা স্থলাভিষিক্ত করা হয় বা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদীতে কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয় সেক্ষেত্রে ১ উপধারার কোন কিছুই প্রয়োগযোগ্য হবে না।

Section 22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party. 

(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.
৮৪.
হারানো বা আত্মসাৎ করা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের মামলা দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা
তামাদি আইন, ১৯০৮- অনুচ্ছেদ ৪৮- হারানো, চুরি বা অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা অস্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার বা ক্ষতিপূরণের মামলা:

প্রযোজ্য ক্ষেত্র: এমন অস্থাবর সম্পত্তি যেটি-
▸ হারিয়ে গেছে,
▸ চুরি হয়েছে,
▸ অসাধুভাবে আত্মসাৎ (dishonest misappropriation) করা হয়েছে,
▸ অন্যায়ভাবে নেওয়া বা আটক রাখা হয়েছে।

মামলার ধরন: উক্ত সম্পত্তি ফেরত পাওয়া বা ক্ষতিপূরণ দাবিতে মামলা।
তামাদির মেয়াদ: ৩ বছর;
সময় গণনার শুরু: যেদিন সম্পত্তির অধিকারী প্রথমবার জানতে পারেন যে, ওই সম্পত্তি বর্তমানে কার নিকট আছে।
৮৫.
যদি তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার সময় শেষ হয়, তবে মামলাটি কবে দায়ের করা যাবে?
  1. যেকোনো তারিখে
  2. আদালত পুনরায় খোলার দিন
  3. তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ৭ দিনের মধ্যে
  4. তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
আদালত পুনরায় খোলার দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত পুনরায় খোলার দিন
ব্যাখ্যা
তামাদি আইনের ৪ ধারা: আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় যখন তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়:
যেইক্ষেত্রে কোন মামলা, আপিল দরখাস্তের জন্য নির্দিষ্ট তামাদির মেয়াদ আদালত বন্ধ থাকার দিন উত্তীর্ণ হয় সেক্ষেত্রে আদালত পুনরায় খুলিবার দিন উক্ত মামলা, আপিল বা দরখাস্ত রুজু দায়ের বা রুজু করা যাইবে।
৮৬.
তামাদি আইনের ৮ ধারা কোন ধারা দুটির ব্যতিক্রম?
  1. ধারা ৩ ও ৪
  2. ধারা ৪ ও ৫
  3. ধারা ৫ ও ৬
  4. ধারা ৬ ও ৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬ ও ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৬ ও ৭
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রম-
৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

Section 8- Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.
৮৭.
স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মামলার সময় গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. সম্পত্তি বিক্রির সময় থেকে
  2. সম্পত্তি দখল করার সময় থেকে
  3. মামলার রায়ের সময় থেকে
  4. সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ১ম তফসিল: অনুচ্ছেদ-৩:
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় স্থাবর সম্পত্তির দখল উদ্ধারের মোকদ্দমা;
তামাদি- ৬ মাস;
সময় গণনা শুরু- সম্পত্তি হতে বেদখলের সময় থেকে।
৮৮.
এক ব্যক্তি মিথ্যা অভিযোগের ভিত্তিতে কারাদণ্ড ভোগ করেন। তিনি এই অন্যায় কারাদণ্ডের কারণে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করতে চান। তামাদি আইন অনুযায়ী, তিনি কতদিনের মধ্যে মামলা করতে পারবেন?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৯- মিথ্যা বা অন্যায় কারাদণ্ড [False Imprisonment] ভোগের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের মামলা।
তামাদি- ১ বৎসর।
সময় গণনা শুরু- কারাদণ্ড যখন সমাপ্ত হয়।
৮৯.
তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ অনুযায়ী, দরখাস্ত দাখিলের তামাদি মেয়াদ কখন থেকে গণনা হবে?
  1. দরখাস্ত দাখিলের তারিখ থেকে
  2. অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
  3. আদালতের রায়ের তারিখ থেকে
  4. দরখাস্ত গ্রহণের তারিখ থেকে
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ-১৮১ অনুযায়ী,
যদি কোনো দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের তফসিলে উল্লেখ না থাকে, তাহলে সেই দরখাস্ত দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩ বছর ধরা হয়।
এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় অধিকার উদ্ভবের তারিখ থেকে।

অর্থাৎ, যখন থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অধিকার বা দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়, সেই তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে দরখাস্ত আদালতে দাখিল করতে হবে।
৯০.
এডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তির আবেদনপত্রে কোনো প্রার্থী মিথ্যা তথ্য দাখিল করলে, তিনি কত সময়ের জন্য তালিকাভুক্তি হওয়ার অযোগ্য ঘোষিত হবেন?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 বিধি-৬০ এর বিধান:

- শিক্ষানবিশ: অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্তি হওয়ার পূর্বে কমপক্ষে ১০ বছর নিয়মিত উকালতি করেন এমন একজন অ্যাডভোকেটের অধীনে দরখাস্তকারীকে নিয়মিত কমপক্ষে ৬ মাস শিক্ষানবিশ থাকতে হবে।
- আবেদনপত্রের সাথে ৫টি দেওয়ানি এবং ৫টি ফৌজদারি মোট ১০ টি মামলার লিখিত নোটবুক দাখিল করতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট বার কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া একসাথে ৪ জনের বেশি শিক্ষানবিশ গ্রহণ করবেন না।
- অ্যাডভোকেটের সাথে শিক্ষানবিশ এর যে চুক্তি হবে তা অ্যাফিডেভিট সহ বার কাউন্সিলের সেক্রেটারির নিকট ৩০ দিনের মধ্যে জমা দিতে হবে।
- কোন অ্যাডভোকেট চুক্তি পত্রে মিথ্যা বিবৃতি বা মিথ্যা সার্টিফিকেট দিলে পেশাগত অসদাচরণের জন্য দায়ী হবেন।
- শিক্ষানবিশ তালিকাভুক্তির আবেদনে মিথ্যা তথ্য দিলে উক্ত শিক্ষানবিশ ৫ বছরের জন্য অযোগ্য হবেন।
- হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতির এবং রেজিস্ট্রেশন ৫ বছর পর্যন্ত বৈধ থাকবে। ৫ বছরের মধ্যে লিখিত পরীক্ষায় পাশ করতে ব্যর্থ হলে রেজিস্ট্রেশন বাতিল হয়ে যাবে।
৯১.
বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলটি কোথায় দাখিল করতে হয়?
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে
  3. হাইকোর্ট বিভাগে
  4. বার কাউন্সিল আপিল বোর্ডে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগে
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৩৬-এ ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, যদি কোনো ব্যক্তি ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হন, তাহলে তিনি ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে পারেন। এবং এই আপিলটি হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হবে এবং ডিভিশন বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে।

The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council order 1972: Article-36.
(1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৯২.
'মামলা ডাকার সময় আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।'- Canons of Professional Conduct and Etiquette এর কোন অধ্যায়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. মক্কেলদের প্রতি কর্তব্য
  2. আদালতের প্রতি কর্তব্য
  3. অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ
  4. জনসাধারণের প্রতি কর্তব্য
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের প্রতি কর্তব্য
ব্যাখ্যা
Canons of Professional Conduct and Etiquette- এর ৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি আইনজীবীদের কর্তব্যের সারমর্ম:

১. মর্যাদা ও সুরক্ষা:
- আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা উচিত।
- বিচারকদের বিরুদ্ধে অন্যায় সমালোচনা বা কুৎসা থেকে সুরক্ষা প্রদান করা আইনজীবীদের কর্তব্য। তবে, সঠিক অভিযোগ থাকলে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।

২. সাক্ষীর পরিচয়:
- মামলার জন্য সহায়ক ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহে আইনজীবীকে কোন প্রকার অস্বাভাবিক কার্যকলাপ বা পরামর্শ প্রদান করা উচিত নয়।

৩. সত্যতার প্রতি প্রতিশ্রুতি:
- বিচারক, বিচারিক কর্মকর্তার কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন বা ভুল উদ্ধৃতি দেওয়ার বিরুদ্ধে থাকা উচিত।
- বাতিল হয়ে যাওয়া নজির বা আইন আদালতে উপস্থাপন করা উচিত নয়।

৪. বিচারকের সাথে আচরণ:
- বিচারকের সাথে ব্যক্তিগতভাবে বা গোপনে মামলার বিষয় আলোচনা থেকে বিরত থাকা উচিত।
- বিচারকের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ প্রদর্শন করা এবং বিশেষ সুবিধার জন্য প্রচেষ্টা করা উচিত নয়।

৫. সরকারি আইনজীবীর দায়িত্ব:
- আসামীর শাস্তি নিশ্চিত করার চেয়ে ন্যায়বিচার পর্যবেক্ষণ করা প্রধান দায়িত্ব।
- সত্য গোপন করা বা নির্দোষ সাক্ষীকে না আনা গুরুতর তিরস্কারযোগ্য।

৬. মামলা সংক্রান্ত তথ্যের গোপনীয়তা:
- বিচারাধীন মামলা পত্রিকায় প্রকাশ করা উচিত নয়।
- মামলার বিষয়বস্তু সম্পর্কে একতরফা মন্তব্য করা উচিত নয়।

৭. বিচারক নিয়োগ:
- রাজনৈতিক বিবেচনার ভিত্তিতে বিচারক নিয়োগের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।
- বিচারক হিসেবে নিয়োগের জন্য যোগ্যতা এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা উচিত।

৮. মামলা ডাকার সময় উপস্থিতি:
- আদালতে উপস্থিত থাকা আইনজীবীর দায়িত্ব।
- উপস্থিত থাকতে না পারলে সন্তোষজনক বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত।

৯. মতামত প্রদান:
- নিজে জড়িত না থাকলে স্বেচ্ছায় মতামত দেওয়া উচিত নয়।
- প্রকাশ্য আদালতে বিজ্ঞ বিচারকের আহ্বানে মতামত প্রদান করা যেতে পারে, তবে নিরপেক্ষভাবে।
৯৩.
পদাধিকারবলে বার কাউন্সিলের সদস্য থাকবেন কে?
  1. আইনমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জন। এর মধ্যে:
→ ১ জন পদাধিকারবলে (অ্যাটর্নি জেনারেল)।
→ ৭ জন অ্যাডভোকেটদের ভোটে নির্বাচিত।
→ ৭ জন স্থানীয় বার সমিতি থেকে নির্বাচিত।