পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩১
সিলেবাস
Exam - 36 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-9 Topic: Section 539-565, Schedule 2-5 • Miscellaneous • Schedule
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩১ প্রশ্ন

.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুযায়ী, দোভাষীর প্রধান দায়িত্ব কী?
  1. সাক্ষীর বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করা
  2. আদালতের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলা
  3. সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা
  4. নিজ মত অনুযায়ী তথ্য উপস্থাপন করা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ বলছে, যখন কোনো ফৌজদারি আদালত সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখ্যা করার জন্য দোভাষীর সেবা গ্রহণ করেন, তখন সেই দোভাষী বাধ্য থাকেন সত্য ও সঠিক ব্যাখ্যা দিতে। আদালতের বিচার সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য, দোভাষীর নিরপেক্ষ ও প্রকৃত অনুবাদ দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারা দোভাষীকে সত্য ব্যাখ্যা দেওয়ার আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৩ অনুসারে দোভাষীর প্রধান দায়িত্ব হলো, সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা। তাই সঠিক উত্তর: গ) সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখ্যা প্রদান করা। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৩ ধারার বিধান- অনুসারে দোভাষী অবশ্যই সঠিকভাবে ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন-
কোন সাক্ষ্য বা বিবৃতি ব্যাখা করার জন্য যেক্ষেত্রে কোন ফৌজদারি আদালত কর্তৃক একজন দোভাষীর সেবা দেয়া প্রয়োজন, সেক্ষেত্রে দোভাষী উক্ত সাক্ষ্য বা বিবৃতির প্রকৃত ব্যাখা দিতে বাধ্য থাকবেন।
--------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 543- Interpreter to be bound to interpret truthfully:
When the services of an interpreter are required by any Criminal Court for the interpretation of any evidence or statement, he shall be bound to state the true interpretation of such evidence or statement.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কোন কলামে পুলিশকে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করার ক্ষমতা রয়েছে তা নির্দেশ করা হয়?
  1. ১ম কলাম
  2. ৩য় কলাম
  3. ৪র্থ কলাম
  4. ৬ষ্ঠ কলাম
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় কলাম
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৩য় কলাম-এ পুলিশকে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করার ক্ষমতা (অর্থাৎ, কোন অপরাধে পুলিশ আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য) নির্দেশ করা হয়।
- দ্বিতীয় তফসিল মূলত পেনাল কোডের বিভিন্ন ধারাসমূহ, সংশ্লিষ্ট অপরাধ, এবং তাদের বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য সংবলিত। এর মধ্যে ৩য় কলামটি স্পষ্ট করে দেয় পুলিশ কোন অপরাধের ক্ষেত্রে পরোয়ানা ছাড়া (বিনা ওয়ারেন্টে) গ্রেফতার করতে পারবে এবং কোন ক্ষেত্রে পারবে না।
- অর্থাৎ, এই কলামটি “অমলযোগ্য” (cognizable) এবং “অমল-অযোগ্য” (non-cognizable) অপরাধের পার্থক্য নির্ধারণ করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের ৮টি কলাম নিম্নরূপ:
১. প্রথম কলাম: পেনাল কোডের ধারাসমূহ।
২. দ্বিতীয় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. তৃতীয় কলাম: পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেফতার করতে পারবে কি না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য বা আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. চতুর্থ কলাম: প্রথমে সমন ইস্যু করা হবে নাকি ওয়ারেন্ট।
৫. পঞ্চম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ষষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. সপ্তম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন নির্ধারিত শাস্তি।
৮. অষ্টম কলাম: যে আদালত ওই অপরাধের বিচার করবে।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির পঞ্চম তফসিলে কী উল্লেখ আছে?
  1. হাইকোর্টের ক্ষমতা
  2. ফরম সমূহ
  3. দণ্ডবিধির অপরাধসমূহ
  4. ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ফরম সমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরম সমূহ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির পঞ্চম তফসিল (Fifth Schedule)-এ বিভিন্ন ফরম (Forms) সংক্রান্ত বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে।
- এই ফরমগুলো বিভিন্ন ফৌজদারি কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়, যেমন: সমন (Summons), ওয়ারেন্ট (Warrant), জামিন বন্ড (Bail Bond), হাজিরা আদেশ, তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণের ফরম ইত্যাদি।
- এগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রমকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামো ও মান অনুসরণে সহায়তা করে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল থাকলেও ১ম তফসিল বাতিল হয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
- ২য় তফসিল: আমলযোগ্যতা, জামিনযোগ্যতা, আদালতের বিচারিক ক্ষমতা ইত্যাদি।
- ৩য় তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা।
- ৪র্থ তফসিল: ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা।
- ৫ম তফসিল: ফরমসমূহ।

→ তাই, পঞ্চম তফসিলের বিষয়বস্তু হলো- ফরমসমূহ।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুযায়ী, কার্যধারার নকল পাওয়ার জন্য সাধারণত কী করতে হয়?
  1. নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হয়
  2. পুলিশের অনুমতি নিতে হয়
  3. আদালতের বিচারকের সম্মতি নিতে হয়
  4. পাবলিক প্রসিকিউটরের অনুমতি নিতে হয়
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুসারে, যদি কোন ব্যক্তি ফৌজদারি আদালতের রায় বা আদেশ দ্বারা প্রভাবিত হন এবং তিনি আদেশ, সাক্ষ্য বা নথির নকল পেতে চান, তাহলে তিনি আবেদন করে তা পেতে পারেন। তবে তিনি উক্ত নকল পাওয়ার জন্য নির্ধারিত খরচ প্রদান করতে বাধ্য, যদি না আদালত কোন বিশেষ কারণে তা বিনামূল্যে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- তাই, সাধারণ নিয়ম হলো: কার্যধারার নকল পাওয়ার জন্য খরচ প্রদান করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল:
কোন ফৌজদারি আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবে,
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশত বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 548: Copies of proceedings:
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী, অ্যাফিডেভিট গ্রহণের জন্য কে নিযুক্ত হতে পারেন?
  1. পুলিশ সার্কেল অফিসার
  2. স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান
  3. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা
  4. হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী, যে অ্যাফিডেভিট বা হলফনামা হাইকোর্ট ডিভিশনে বা এর কোনো অফিসারের সামনে ব্যবহৃত হবে, তা শপথ সহকারে ঘোষণা করা যায়,
- হাইকোর্ট ডিভিশনের সামনে,
- হাইকোর্ট ডিভিশনের অফিসারের সামনে,
- রাষ্ট্রের করণিকের (Clerk of the State) সামনে,
- হাইকোর্ট কর্তৃক এই উদ্দেশ্যে নিযুক্ত কোনো কমিশনার বা অন্য কোনো ব্যক্তির সামনে,
- কোনো জজের সামনে,
- বাংলাদেশের Court of Record-এ অ্যাফিডেভিট গ্রহণকারী কমিশনারের সামনে।
→ এখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, হাইকোর্ট ডিভিশন নিজে কোনো কমিশনার বা অন্য কোনো ব্যক্তি (যেমন—আইনজীবী, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ইত্যাদি) নিযুক্ত করতে পারে এই উদ্দেশ্যে।
- অন্যদিকে, পুলিশ সার্কেল অফিসার, স্থানীয় সরকারের চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা  এরা ধারা ৫৩৯-এর আওতায় অ্যাফিডেভিট গ্রহণ করার জন্য নিযুক্ত ব্যক্তিদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত নয়।
⇒ সুতরাং, "ঘ) হাইকোর্ট কর্তৃক বিশেষ কমিশনার" হল সঠিক উত্তর, কারণ একমাত্র হাইকোর্ট ডিভিশনই ধারা ৫৩৯ অনুযায়ী কাউকে এই দায়িত্ব পালনের জন্য নিযুক্ত করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯- যে-সব আদালত ও ব্যক্তির সম্মুখে হলফনামা করা যায়:
হাইকোর্ট ডিভিশন বা হাইকোর্ট ডিভিশনের কোন অফিসারের নিকট ব্যবহার্য অ্যাফিডেভিট ও প্রতিজ্ঞা সম্পর্কে উক্ত হাইকোর্ট বিভাগে বা রাষ্ট্রের করণিকের সামনে কিংবা উক্ত আদালতের দ্বারা এ উদ্দেশ্যে নিযুক্ত কোন কমিশনার বা অন্য কোন ব্যক্তির সামনে কিংবা কোন জজের সামনে বা বাংলাদেশে কোন কোর্ট অব রেকর্ডে অ্যাফিডেভিট গ্রহণকারী কোন কমিশনারের সামনে শপথ করা যাবে এবং এর সত্যতা ঘোষণা করা যাবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 539- Courts and persons before whom affidavits may be sworn:
Affidavits and affirmations to be used before High Court Division or any officer of such Court may be swom and affirmed before such Court or the Clerk of the State or any Commissioner or other person appointed by such Court for that purpose, or any Judge, or any Commissioner for taking affidavits in any Court of Record in Bangladesh.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, কোন ম্যাজিস্ট্রেট অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  2. মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
  3. প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, যদি কোনো নারী বা ১৬ বছরের নিচে কোনো বালিকাকে অপহরণ বা অবৈধভাবে আটক করার অভিযোগ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট শপথপূর্বক অভিযোগ আকারে আনা হয়, তাহলে তারা ঐ নারীকে তার স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে অথবা ঐ বালিকাকে তার স্বামী, মাতা-পিতা বা আইনগত অভিভাবকের নিকট ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দিতে পারেন।
এছাড়া, প্রয়োজনে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আদেশ কার্যকর করার ক্ষমতাও এই ম্যাজিস্ট্রেটদের রয়েছে।
- সুতরাং, ধারা ৫৫২ অনুযায়ী উল্লিখিত সকল ম্যাজিস্ট্রেট (জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট) এই আদেশ প্রদানের ক্ষমতা রাখেন। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুসারে, ফরিয়াদী বা সাক্ষীর ব্যয় প্রদানের জন্য কোন তহবিল ব্যবহৃত হয়?
  1. সরকারি তহবিল
  2. আদালতের নিজস্ব তহবিল
  3. অভিযুক্তের ব্যক্তিগত তহবিল
  4. ফরিয়াদীর জমাকৃত অর্থ তহবিল
সঠিক উত্তর:
সরকারি তহবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি তহবিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী: ফৌজদারি আদালত, সরকার কর্তৃক প্রণীত বিধির অধীনে, যদি উপযুক্ত মনে করেন, তাহলে ফরিয়াদী বা সাক্ষীর আদালতে হাজিরা বাবদ যুক্তিসংগত ব্যয় সরকারি তহবিল থেকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন। এটি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের অংশ, যাতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায় এবং সাক্ষী বা ফরিয়াদীদের আর্থিক কষ্ট লাঘব হয়।
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফরিয়াদী বা সাক্ষীর খরচ সরকারি তহবিল থেকে প্রদান করা হয়, আদালতের আদেশ সাপেক্ষে। তাই সঠিক উত্তর: ক) সরকারি তহবিল।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:-
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় পুলিশ কর্মকর্তাকে চোরাই সম্পত্তি জব্দের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৫৫১
  2. ধারা ৫৪৮
  3. ধারা ৫৫০
  4. ধারা ৫৪৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৫০
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫০ পুলিশ কর্মকর্তাকে নিম্নোক্ত পরিস্থিতিতে চোরাই বা অপরাধ সংশ্লিষ্ট সন্দেহভাজন সম্পত্তি জব্দ করার আইনি ক্ষমতা প্রদান করে।
- কোনো পুলিশ কর্মকর্তা যদি সন্দেহ করেন যে কোনো সম্পত্তি চুরি হয়েছে বা কোনো অপরাধের সাথে যুক্ত, তাহলে তিনি সেই সম্পত্তি জব্দ করতে পারেন।
- তবে যদি তিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধীনস্থ হন, তাহলে জব্দের বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে রিপোর্ট করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫০: সন্দেহযুক্ত চোরাইমাল জব্দ করার ব্যাপারে পুলিশের ক্ষমতা:
চোরাই মর্মে কথিত বা সন্দেহযুক্ত কিংবা কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহযুক্ত অবস্থায় প্রাপ্ত কোন সম্পত্তি কোন পুলিশ কর্মকর্তা আটক করতে পারবেন। এরূপ পুলিশ কর্মকর্তা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অধস্তন হলে তিনি সাথে সাথে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে জব্দ করার ব্যাপারে রিপোর্ট করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 550: Powers to police to seize property suspected to be stolen:
Any police officer may seize any property which may be alleged or suspected to have been stolen, or which may be found under circumstances which create suspicion of the commission of any offence. Such police-officer, if subordinate to the officer in charge of a police-station, shall forthwith report the seizure to that officer.
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক অনুসারে, যদি কোনো আবেদনপত্রে কোনো সরকারি কর্মচারীর আচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়, তবে প্রমাণ হিসাবে কী উপস্থাপন করা যেতে পারে?
  1. মৌখিক সাক্ষ্য
  2. অ্যাফিডেভিট
  3. পুলিশের প্রতিবেদন
  4. সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদন
সঠিক উত্তর:
অ্যাফিডেভিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাফিডেভিট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক (৫৩৯A) অনুযায়ী যখন কোনো আদালতে কোনো বিচার, তদন্ত বা কার্যধারার সময় এমন কোনো আবেদন দাখিল করা হয়, যেখানে কোনো সরকারি কর্মচারীর আচরণের বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপিত হয়, তখন আবেদনকারী তার অভিযোগের প্রমাণ হিসাবে হলফনামা (Affidavit) দ্বারা সেই অভিযোগে উল্লিখিত তথ্য উপস্থাপন করতে পারেন। আদালত যদি মনে করে, তবে সে আদেশ দিতে পারে যে, উক্ত বিষয়ে প্রমাণ হলফনামার মাধ্যমেই প্রদান করতে হবে।
- এছাড়াও অ্যাফিডেভিটে যে তথ্য উল্লেখ করা হবে, তা আবেদনকারীর নিজস্ব জ্ঞান থেকে প্রমাণযোগ্য তথ্য, এবং যা সে যুক্তিসঙ্গতভাবে সত্য বলে বিশ্বাস করে, সেই তথ্য আলাদাভাবে এবং যুক্তিসহ উপস্থাপন করতে হবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯ক - সরকারি কর্মচারীর আচরণের প্রমাণে অ্যাফিডেভিট:
(১) এই আইনের অধীনে কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কার্যধারা প্রসঙ্গে কোন আদালতে যদি দরখাস্ত করা হয় এবং উহাতে কোন সরকারি কর্মচারী সম্পর্কে অভিযোগ করা হয় তাহলে দরখাস্তকারী দরখাস্তে বর্ণিত ঘটনাবলি সম্পর্কে উক্তরূপে সাক্ষ্য দেওয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
এই ধারার অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালত ব্যবহার্য অ্যাফিডেভিট সম্পর্কে ৫৩০ ধারায় বর্ণিত পদ্ধতিতে বা কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের সামনে শপথ করা যাবে বা উহার সত্যতা ঘোষণা করা যাবে।
এই ধারা অনুসারে অ্যাফিডেভিট সেই সকল ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে ও সেই সকল ঘটনা পৃথকভাবে বর্ণনা করবে যে সকল ঘটনা তার সত্য বলে বিশ্বাস করার যুক্তিসংগত কারণ আছে এবং শেষোক্ত ক্ষেত্রে সাক্ষীকে সেরূপ বিশ্বাসের কারণ স্পষ্টরূপে উল্লেখ করতে হবে।
(২) আদালত অ্যাফিডেভিটের কোন কুৎসাজনক ও অপ্রাসঙ্গিক বিষয় কেটে দেওয়ার বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 539A. Affidavit in proof of conduct of public servant:
(1) When any application is made to any Court in the course of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, and allegations are made therein respecting any public servant, the applicant may give evidence of the facts alleged in the application by affidavit, and the Court may, if it thinks fit, order that evidence relating to such facts be so given.
An affidavit to be used before any Court other than High Court Division under this section may be sworn or affirmed in the manner prescribed in section 539, or before any Magistrate. 
Affidavits under this section shall be confined to, and shall state separately, such facts as the deponent is able to prove from his own knowledge and such facts as he has reasonable ground to believe to be true, and, in the latter case, the deponent shall clearly state the grounds of such belief. 
(2) The Court may order any scandalous and irrelevant matter in an affidavit to be struck out or amended.
১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৯ এর অধীনে সামরিক বিচার কোন আইনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হয়?
  1. আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২
  2. এয়ার ফোর্স অ্যাক্ট, ১৯৫৩
  3. নেভি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৯ অনুযায়ী সামরিক বিচার নিম্নলিখিত আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পরিচালিত হয়:
১) আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২
২) এয়ার ফোর্স অ্যাক্ট, ১৯৫৩
৩) নেভি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১
অর্থাৎ, সামরিক, নৌ এবং বিমান বাহিনীর আইন অনুসারে যারা সামরিক বিচারাধীন, তাদের বিচার এই আইনের অধীনে পরিচালিত হয়।
তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে: ঘ) উল্লিখিত সবগুলো।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৯ অনুসারে: সামরিক কর্তৃপক্ষের কাছে সামরিক বিচারের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিদের হস্তান্তর:
(১) সরকার এই কোড এবং আর্মি অ্যাক্ট, ১৯৫২, এয়ার ফোর্স অ্যাক্ট, ১৯৫৩, নেভি অর্ডিন্যান্স, ১৯৬১ এবং অন্যান্য প্রযোজ্য সামরিক আইন অনুযায়ী নিয়ম তৈরি করতে পারে, যেখানে সামরিক, নৌ বা বিমান বাহিনী আইনভুক্ত ব্যক্তিদের বিচার এই কোড প্রযোজ্য আদালত অথবা কোর্ট মার্শালে করা হয়।
যখন কোনো ব্যক্তি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে এমন অপরাধে অভিযোগ আনা হয় যা কোর্ট মার্শালে বিচারাধীন, তখন সেই ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অপরাধের বিবরণসহ তার নিজ দলের কমান্ডিং অফিসার অথবা নিকটস্থ সামরিক, নৌ বা বিমান বাহিনী স্টেশনের কমান্ডিং অফিসারের কাছে কোর্ট মার্শালে বিচার হওয়ার জন্য হস্তান্তর করবেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেফতার:
(২) সৈনিক, নাবিক বা বিমানসেনার যেকোনো কমান্ডিং অফিসারের লিখিত আবেদন পেলে, সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার ও নিরাপদে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section 549- Delivery to military authorities of persons liable to the tried by Court-martial:
(1) The Government may make rules consistent with this Code and the Army Act, 1952 (XXXIX of 1952), the Air Force Act, 1953 (VI of 1953), and the Navy Ordinance, 1961 (XXXV of 1961), and any similar law for the time being in force as to the cases in which persons subject to military, naval or air force law, shall be tried by a Court to which the Code applies, or by Court martial, and when any person is brought before a Magistrate and charged with an offence for which he is liable to be tried either by a Court to which this Code applies or by a Court-martial such Magistrate shall have regard to such rules, and shall in proper cases deliver him, together with a statement of the offence of which he is accused, to the commanding officer of the regiment, corps, ship or detachment, to which he belongs, or to the commanding officer of the nearest military, naval or air-force station, as the case may be, for the purpose of being tried by Court-martial.

Apprehension of such persons-
(2) Every Magistrate shall, on receiving a written application for that purpose by the commanding officer of any body of soldiers, sailors or airman stationed or employed at any such place, use his utmost endeavours to apprehend and secure any person accused of such offence.
১১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৫ অনুসারে কোন তফসিলে উল্লিখিত ফর্মগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. প্রথম তফসিলে
  2. পঞ্চম তফসিলে
  3. সপ্তম তফসিল
  4. তৃতীয় তফসিল
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম তফসিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম তফসিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৫ অনুযায়ী, “...the forms set forth in the fifth schedule, with such variation as the circumstances of each case require, may be used for the respective purposes therein mentioned, and if used shall be sufficient.”
অর্থাৎ, এই ধারায় বলা হয়েছে যে, পঞ্চম তফসিলে যেসব ফর্ম নির্ধারিত আছে, সেগুলো প্রয়োজন অনুসারে কিছুটা পরিবর্তন করে ব্যবহার করা যেতে পারে এবং সেগুলো ব্যবহৃত হলে তা যথেষ্ট বিবেচিত হবে। এই ধারা ধারা ৫৫৪ এবং বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৭ এর ক্ষমতা অনুসারে কার্যকর হয়।
-  এই ধারা ফৌজদারি মামলার বিভিন্ন কার্যধারা সহজতর করতে নির্ধারিত ফর্ম ব্যবহারের বৈধতা দেয়।
সুতরাং, পঞ্চম তফসিলে উল্লিখিত ফর্মগুলো ব্যবহারের কথা ধারা ৫৫৫-এ বলা হয়েছে।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 555. Forms:
Subject to the power conferred by section 554, and by 549[article 107 of the Constitution of the People's Republic of Bangladesh], the forms set forth in the fifth schedule, with such variation as the circumstances of each case require, may be used for the respective purposes therein mentioned, and if used shall be sufficient.
১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৭ অনুযায়ী আদালত কর্তৃক আদেশকৃত জরিমানা ছাড়া অন্য অর্থ কীভাবে আদায়যোগ্য?
  1. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে
  2. দেওয়ানি মামলা দায়ের করে
  3. জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য
  4. পুলিশি হেফাজতের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৭ অনুযায়ী, আদালত যদি জরিমানা ব্যতীত কোনো অর্থ প্রদানের আদেশ দেন এবং তার জন্য অন্য কোনো নির্দিষ্ট আদায়ের পদ্ধতি উল্লেখ না থাকে, তবে সেই অর্থ জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য হবে। অর্থাৎ, সাধারণ জরিমানার আদায়ের নিয়ম অনুযায়ীই সেই টাকা আদায় করা যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৭ ধারার বিধান:- টাকা প্রদানের আদেশ প্রদত্ত হলে তা জরিমানা হিসেবে আদায়যোগ্য:
এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ অনুসারে কোন অর্থ জরিমানা ছাড়া দেয়া হলে এবং তা আদায়ের পন্থা সম্পর্কে অন্য কোন বিধান না থাকলে উক্ত অর্থ জরিমানা বলে ধরে নিয়ে আদায় করতে হবে।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section-547: Moneys ordered to be paid recoverable as fines:
Any money (other than a fine) payable by virtue of any order made under this code, and the method of recovery of which is not otherwise expressly provided for shall be recoverable as if it were a fine.

১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট কতটি কলাম রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
দ্বিতীয় তফসিল (Second Schedule) এর ৮টি কলাম:
১. ১ম কলাম: পেনাল কোডের অধীন ধারাসমূহ।
২. ২য় কলাম: অপরাধের বিবরণ।
৩. ৩য় কলাম: পরোয়ানা ছাড়া পুলিশ গ্রেফতার করতে পারবে কি পারবে না (অর্থাৎ, আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ)।
৪. ৪র্থ কলাম: প্রথমেই সমন বা ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হবে কিনা।
৫. ৫ম কলাম: অপরাধটি জামিনযোগ্য নাকি জামিন-অযোগ্য।
৬. ৬ষ্ঠ কলাম: অপরাধটি মীমাংসাযোগ্য (Compoundable) কিনা।
৭. ৭ম কলাম: দণ্ডবিধির অধীন উল্লেখিত শাস্তি।
৮. ৮ম কলাম: যে আদালত কর্তৃক অপরাধটি বিচারযোগ্য।
১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুযায়ী, কার্যধারার নকল পাওয়ার অধিকার কাকে দেওয়া আছে?
  1. শুধুমাত্র সরকারকে
  2. পুলিশ কর্মকর্তাকে
  3. রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে
  4. কেবলমাত্র আদালতের কর্মচারীদেরকে
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮ অনুযায়ী, যিনি আদালতের রায় বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি আবেদন করে রেকর্ডের নকল পেতে পারেন। সাধারণত তার জন্য খরচ দিতে হয়, তবে আদালত চাইলে বিনামূল্যেও দিতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৮- কার্যধারার নকল:
কোন ফৌজদারি আদালত দ্বারা প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশ কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত কোন ব্যক্তি কোন আদেশ বা সাক্ষ্য বা নথির অন্য অংশের নকল নিতে ইচ্ছা করলে তার আবেদনের ভিত্তিতে তাকে তা সরবরাহ করতে হবে,
শর্ত থাকে যে, আদালত কোন বিশেষ কারণবশত বিনামূল্যে তা প্রদান উপযুক্ত মনে না করলে তাকে উহার জন্য খরচ দিতে হবে।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898- Section 548: Copies of proceedings:
If any person affected by a judgment or order passed by a Criminal Court desires to have a copy of any order or deposition or other part of the record be shall, on applying for such copy, be furnished therewith:
Provided that he pays for the same, unless the Court, for some special reason, thinks fit to furnish it free of cost.
১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুসারে, কে ফরিয়াদী বা সাক্ষীর ব্যয় প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. স্থানীয় প্রশাসন
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. ফৌজদারি আদালত
  4. পাবলিক প্রসিকিউটর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদারি আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, সরকার কর্তৃক প্রণীত কোনো বিধির অধীন, ফৌজদারি আদালত যদি উপযুক্ত মনে করেন, তবে তিনি ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় প্রদানের আদেশ দিতে পারেন। এটি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা, যাতে আর্থিক অসুবিধা সাক্ষ্য প্রদানে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৪ অনুযায়ী, ফৌজদারি আদালতই ফরিয়াদী বা সাক্ষীর ব্যয় প্রদানের আদেশ দিতে পারেন। সঠিক উত্তর: গ) ফৌজদারি আদালত। 

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৪ ধারার বিধান ফরিয়াদী ও সাক্ষীর ব্যয়:-
সরকার কর্তৃক প্রণীত কোন বিধি সাপেক্ষে ফৌজদারী আদালত উপযুক্ত মনে করলে এই কার্যবিধির অধীনে কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কান কার্যধারার উদ্দেশ্যে আদালতে হাজির হওয়া কোন ফরিয়াদী বা সাক্ষীকে সরকারী তহবিল থেকে যুক্তিসংগত ব্যয় দেয়ার আদেশ দিতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-544: Expenses of complainants and witnesses:
Subject to any rules made by the Government, any Criminal Court may, if it thinks fit, order payment, on the part of Goverment, of the reasonable expenses of any complainant or witness attending for the purposes of any inquiry, trial or other proceeding before such Court under this Code.
১৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. আইনগত সহায়তা সেবা সম্প্রসারণ
  2. মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা
  3. বিচার ব্যবস্থায় স্বার্থের সংঘাত এড়ানো
  4. অভিজ্ঞ আইনজীবীদের ম্যাজিস্ট্রেট করার সুযোগ বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থায় স্বার্থের সংঘাত এড়ানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার ব্যবস্থায় স্বার্থের সংঘাত এড়ানো
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭ অনুযায়ী “কোনো আইনজীবী (pleader) যদি কোনো জেলার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্র্যাকটিস করেন, তবে তিনি ঐ জেলার ঐ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ঐ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এখতিয়ারাধীন অন্য কোনো আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না।”
- অর্থাৎ, এর উদ্দেশ্য হলো  বিচার ব্যবস্থায় পক্ষপাত বা স্বার্থের সংঘাত (conflict of interest) এড়ানো এবং বিচারপ্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা রক্ষা করা।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৭: একজন আইনজীবী কখন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আসন গ্রহণ করতে পারবেন না
যে আইনজীবী কোন জেলায় কোন ম্যাজিষ্ট্রেটের আদালতে আইন ব্যবসা করেন, তিনি উক্ত আদালতে অথবা উক্ত আদালতের এখতিয়ারের মধ্যে অন্য কোন আদালতে ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে আসন গ্রহণ করবেন না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 557- Practicing pleader not to sit as Magistrate in certain Courts:
No pleader who practices in the Court of any Magistrate in a district shall sit as a Magistrate in such Court or in any Court within the jurisdiction of such Court.

১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ অনুসারে, কে সরেজমিনে পরিদর্শন করতে পারেন?
  1. পুলিশ কর্মকর্তা
  2. পাবলিক প্রসিকিউটর
  3. যে কোনো জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. শুধুমাত্র হাইকোর্টের বিচারক
সঠিক উত্তর:
যে কোনো জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোনো জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) যে কোনো জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ (Section 539B of the CrPC, 1898) অনুযায়ী যে কোনো জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত, বিচার বা অন্য কোনো কার্যধারার যেকোনো পর্যায়ে, পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে, অপরাধ সংঘটিত স্থান বা প্রাসঙ্গিক কোনো স্থান যথাযথভাবে সাক্ষ্য উপলব্ধি করার স্বার্থে পরিদর্শন করতে পারেন। তাঁরা পরিদর্শনের সময় দেখা প্রাসঙ্গিক তথ্যসমূহ স্মারকলিপি আকারে লিপিবদ্ধ করবেন, যা মামলার রেকর্ডের অংশ হয়ে যাবে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৩৯খ- সরেজমিনে পরিদর্শন:-
১) কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন পর্যায়ে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট পক্ষসমূহকে নোটিশ দিয়ে যে স্থানে কোন অপরাধ করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ আনীত হয়েছে সে স্থান কিংবা উক্ত তদন্ত বা বিচারে প্রদত্ত কোন সাক্ষ্য যথাযথভাবে উপলব্ধি করার জন্য প্রয়োজন বলে মনে করলে অন্য কোন স্থান সফর ও পরিদর্শন করতে পারবেন, ও অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই উক্ত পরিদর্শন বা সফরে দৃষ্ট কোন প্রাসঙ্গিক ঘটনা সম্পর্কে একটি স্মারকলিপি তৈরি করবেন।
২) উক্ত স্মারকলিপি মামলার নথির অংশ হবে। পাবলিক প্রসিকিউটর বা ফরিয়াদি কিংবা অভিযুক্ত চাইলে উহার একটি নকল তাকে বিনা মূল্যে সরবরাহ করতে হবে।
------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 539B: Local inspection:-
(1) Any Judge or Magistrate may at any stage of any inquiry, trial or other proceeding, after due notice to the parties, visit and inspect any place in which an offence is alleged to have been committed, or any other place which it is in his opinion necessary to view for the purpose of property appreciating the evidence given at such inquiry or trial, and shall without unnecessary delay record a memorandum of any relevant facts observed at such inspection.
(2) Such memorandum shall form part of the record of the If the Public Prosecutor, complainant or accused so desires, a copy of the memorandum shall be furnished to him free of cost:

১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮ কোন বিষয়ে সরকারকে ক্ষমতা প্রদান করে?
  1. আইনজীবী নিয়োগের ক্ষমতা
  2. আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা
  3. আদালতের এখতিয়ার নির্ধারণের ক্ষমতা
  4. মামলার বিচারের নিয়ম নির্ধারণের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৮ অনুযায়ী, সরকারকে ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে আদালতের ভাষা নির্ধারণ করার জন্য। অর্থাৎ, যে অঞ্চলে এই বিধি প্রযোজ্য, সেই অঞ্চলের প্রতিটি আদালতে কোন ভাষা ব্যবহার হবে তা সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৫৮ ধারার বিধান আদালতের ভাষা নির্ধারণের ক্ষমতা:-
- এই বিধির উদ্দেশ্যে ইহার দ্বারা শাসিত অঞ্চলে অবস্থিত প্রত্যেকটি আদালতের ভাষা কি হবে সরকার তা নির্ধারণ করতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 558- Power to decide language of Courts:
- The Government may determine what, for the purposes of this Code, shall be deemed to be the language of each Court within the territories administered by it.
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক অনুসারে ফরিয়াদির কোন ফি আসামিকে প্রদানের নির্দেশ দেওয়া যায়?
  1. ফরিয়াদির ব্যক্তিগত খরচ
  2. মামলার আইনজীবীর ফি
  3. নালিশ বা জবানবন্দির ফি
  4. আদালতের রক্ষণাবেক্ষণ ফি
সঠিক উত্তর:
নালিশ বা জবানবন্দির ফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশ বা জবানবন্দির ফি
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক অনুযায়ী, যদি কোনো আমল অযোগ্য মামলায় আসামি দোষী সাব্যস্ত হন, তাহলে আদালত আসামিকে ফরিয়াদিকে নির্দিষ্ট কিছু ফি পরিশোধের আদেশ দিতে পারেন।
এই ফিগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
(ক) নালিশের দরখাস্তে বা ফরিয়াদির জবানবন্দি গ্রহণের জন্য প্রদত্ত ফি।
(খ) ফরিয়াদির সাক্ষী হাজিরা বা আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির জন্য প্রদত্ত ফি।
এইসব ফি সরকারি খরচ নয়, বরং ফরিয়াদির ব্যক্তিগতভাবে প্রদানকৃত মামলা-সংক্রান্ত খরচ। তাই এগুলো আসামিকে ফেরত দিতে হয়, যদি তিনি দোষী প্রমাণিত হন।
অতএব, ‘নালিশ বা জবানবন্দির ফি’ আসামিকে প্রদানের নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৬ক ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদি কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ:
(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামি সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থদানের জন্য আসামিকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদির জবানবন্দির জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং
(খ) ফরিয়াদি কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।
(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
--------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 546A: Order of payment of certain fees paid by the complainant in non-cognizable cases:
(1) Whenever any complaint of a non-cognizable offence is made to a Court, the Court, if it convicts the accused, may in addition to the penalty imposed upon him, order him to pay to the complainant–
(a) the fee (if any) paid on the petition of complaint or for the examination of the complainant, and
(b) any fees paid by the complainant for serving processes on his witnesses or on the accused,
and may further order that, in default of payment, the accused shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days.
(2) An order under this section may also be made by an Appellate Court, or by the High Court Division, when exercising its powers of revision.
২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৯ অনুসারে কোন ম্যাজিস্ট্রেটের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন তা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হলে কে তা নির্ধারণ করবেন?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৯ (২) অনুযায়ী, যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন তা নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তা নির্ধারণ করবেন। তিনি লিখিত আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করবেন যে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের স্থলাভিষিক্ত বলে গণ্য হবেন এবং এই বিধি বা সংশ্লিষ্ট কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৯- জজ ও ম্যাজিস্ট্রেটগণের ক্ষমতা তাদের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তিগণ কর্তৃক প্রয়োগের বিধান:
(১) এই বিধির অন্য বিধানাবলি সাপেক্ষে কোন জজ বা ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা ও কর্তব্য তার স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তি প্রয়োগ বা সম্পাদন করতে পারবেন।
(২) কোন ম্যাজিস্ট্রেটের (চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট) স্থলাভিষিক্ত কে সে সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে এই বিধি, বা এই বিধির কোন কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে যে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত স্থলাভিষিক্ত বলে গণ্য হবেন, তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, যেখানে যেমন, লিখিত আদেশ কর্তৃক নির্ধারণ করবেন।
(৩) কোন অতিরিক্ত বা সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারীকে সে সম্পর্কে সন্দেহ সৃষ্টি হলে, এই বিধি বা এই বিধির কোন কার্যধারা বা আদেশের উদ্দেশ্যে যে জজ উক্ত অতিরিক্ত বা সহকারী দায়রা জজের পদের উত্তরাধিকারী বলে অভিহিত হবেন তাহা দায়রা জজ লিখিত আদেশ কর্তৃক নির্ধারণ করবেন।

⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 559- Provision for powers of Judges and Magistrates being exercised by their successors in office:
(1) Subject to the other provisions of this Code, the powers and duties of a Judge or Magistrate may be exercised or performed by his successor in office.
(2) When there is any doubt as to who is the successor in office of any Magistrate, the Chief Metropolitan Magistrate or, the Chief Judicial Magistrate or the District Magistrate, the District Magistrate shall determine by order in writing the Magistrate who shall, for the purposes of this Code or of any proceedings or order thereunder, be deemed to be the successor in office of such Magistrate.
(3) When there is any doubt as to who is the successor in office of any Additional or Assistant Sessions Judge, the Sessions Judge shall determine by order in writing the Judge who shall, for the purposes of this Code or of any proceedings or order thereunder, be deemed to be the successor in office of such Additional or Assistant Sessions Judge.
২১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী, একই বিষয়ে পরবর্তী দেওয়ানি মামলায় পূর্বে প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ বিবেচনায় নেওয়া হবে?
  1. ধারা ৫৪৭
  2. ধারা ৫৪৬
  3. ধারা ৫৪৪
  4. ধারা ৫৪৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৪৬
ব্যাখ্যা
⇒  ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ অনুযায়ী, যদি কোনো অপরাধসংক্রান্ত বিষয়ে পূর্বে ধারা ৫৪৫-এর অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদান বা আদায় করা হয়ে থাকে, তবে সেই একই বিষয়ে পরবর্তী কোনো দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের সময় আদালত অবশ্যই পূর্বের সেই অর্থপ্রদানকে বিবেচনায় নেবে।
 অর্থাৎ, একবার ক্ষতিপূরণ প্রদান হয়ে গেলে, ভবিষ্যতে দেওয়ানি আদালত যাতে একই ক্ষতির জন্য আবার অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ না দেয় – তা নিশ্চিত করতেই এই বিধান।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬- টাকা প্রদান পরবর্তী দেওয়ানি মামলায় বিবেচনা করতে হবে:
- একই বিষয়ে পরবর্তী কোন দেওয়ানি মামলায় ক্ষতিপূরণ দানের সময় ৫৪৫ ধারার অধীন ক্ষতিপূরণ স্বরূপ কোন পরিমাণ অর্থ দেয়া বা আদায় হয়ে থাকলে আদালত তা হিসাবে ধরবেন।
---------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898:-Section 546-payments to be taken into account in subsequent suit:
At the time of awarding compensation in any subsequent civil suit relating to the same matter, the Court shall take into account any sum paid or recovered as compensation under section 545.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে কী উল্লেখ আছে?
  1. দায়রা আদালতের বিশেষ ক্ষমতা
  2. ম্যাজিস্ট্রেটগণের অতিরিক্ত ক্ষমতা
  3. ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
  4. হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতা সংক্রান্ত বিধানসমূহ উল্লেখ থাকে।
অর্থাৎ, ম্যাজিস্ট্রেটগণ কী ধরনের ক্ষমতা ও কর্তব্য পালন করবেন, তা এই তফসিলে বর্ণিত।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফসিল।
i) ১ম তফসিল (First Schedule) - বাতিল।
ii) ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দন্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।
iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করা বা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ৫৩৯ ধারা
  2. ৫৩৯খ ধারা
  3. ৫৪০ ধারা
  4. ৫৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ অনুযায়ী কোনো তদন্ত, বিচার বা কার্যধারার যেকোনো পর্যায়ে, আদালত যেকোনো ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারেন, এমনকি যদি তিনি পূর্বে সমন না-ও হয়ে থাকেন, তবুও আদালত উপস্থিত ব্যক্তিকে জবানবন্দি দিতে বলতে পারেন, এবং যে ব্যক্তির সাক্ষ্য ইতিমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে, তাকে পুনরায় তলব করে জেরা করা যেতে পারে, যদি আদালতের মতে, সেই সাক্ষ্য ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০: গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর সমন করার কিংবা উপস্থিত ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করার ক্ষমতা:
এই বিধির অধীন কোন তদন্ত, বিচার বা অন্য কার্যধারার যে কোন ধাপে কোন আদালত যেকোনোো ব্যক্তিকে সাক্ষী রূপে সমন করতে পারবেন বা সাক্ষী রূপে সমন করা না হলে উপস্থিত যেকোনো ব্যক্তির জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন, বা ইতোমধ্যে যার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে তাকে পুনরায় তলব করে পুনরায় জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন এবং এরূপ কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য আদালতের ন্যায়বিচারের জন্য অত্যাবশ্যক মর্মে প্রতীয়মান হলে, আদালত তাকে সমন করে তার জবানবন্দি গ্রহণ করবেন কিংবা পুনরায় তলব করে পুনরায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারবেন। 

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, -Section 540: Power to summon material witness or examine person present:
Any Court may, at any stage of any inquiry, trial or other proceeding under this Code, summon any person as a witness, or examine any person in attendance, though not summoned as a witness, or recall and re-examine any person already examined; and the Court shall summon and examine or recall and re-examine any such person if his evidence appears to it essential to the just decision of the case.
২৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১(১) অনুযায়ী কোন কর্তৃপক্ষ কারাবাসের স্থান নির্ধারণ করতে পারে?
  1. সরকার
  2. আদালত
  3. পুলিশ সুপার
  4. জেল সুপারিনটেনডেন্ট
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১(১) অনুযায়ী, যদি বর্তমানে কার্যরত কোনো আইনে ভিন্নরূপ কিছু না বলা থাকে, তাহলে "সরকার" এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজতবাসের নির্দেশপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে কোন স্থানে আটক রাখা হবে, সে বিষয়ে নির্দেশ প্রদান করার অধিকার রাখে। এটি সরকারের নির্বাহী ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত এবং কারা ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ - কারাবাসের স্থান নির্ণয়ের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী অথবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই বিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতে রাখার আদেশপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যদি দেওয়ানী জেলে আটক থাকেন, তবে যিনি তার কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশ দিয়েছেন সেই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে, তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত করা হবে।
(৩) কোন ব্যক্তি (২) উপধারার অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা হতে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না
ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে দেওয়ানী জেল হতে অব্যাহতি পেয়েছে বলে গণ্য করতে হবে, অথবা
খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়াছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে অব্যাতি পাবার অধিকারী।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 541.Power to appoint place of imprisonment:
(1) Unless when otherwise provided by any law for the time being in force, the Government may direct in what place any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code shall be confined.
Removal to criminal jail of accused or convicted persons who are in confinement in civil jail, and their return to the civil jail:
(2) If any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code is in confinement in a civil jail, the Court or Magistrate ordering the imprisonment or committal may direct that the person be removed to a criminal jail. 
(3) When a person is removed to a criminal jail under sub-section (2), he shall, on being released therefrom, be sent back to the civil jail, unless either– 
(a) three years have lapsed since he was removed to the criminal jail, in which case he shall be deemed to have been discharged from the civil jail under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908; or
(b) the Court which ordered his imprisonment in the civil jail has certified to the officer in charge of the criminal jail that he is entitled to be discharged under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908.
২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর অতিরিক্ত ক্ষমতা আরোপের বিধান কোন তফসিলে রয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) চতুর্থ তফসিল। 
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফসিল থাকে, যার মধ্যে প্রথম তফসিল বাতিল।
→ দ্বিতীয় তফসিলে অপরাধসমূহের শ্রেণীবিভাগ এবং বিচারযোগ্যতা উল্লেখ থাকে।
→ তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের সাধারণ ক্ষমতার বর্ণনা আছে।
→ চতুর্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা নির্ধারিত হয়েছে।
→ পঞ্চম তফসিলে বিভিন্ন ফরমের বিষয় থাকে।
→ অতএব, ম্যাজিস্ট্রেটদের অতিরিক্ত ক্ষমতা আরোপের বিধান চতুর্থ তফসিলে রয়েছে।
২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক অনুযায়ী  অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যাওয়ার জন্য আদালতকে কী করতে হয়?
  1. সাক্ষীদের পুনরায় ডাকা হয়
  2. পুলিশকে অনুমতি নিতে হয়
  3. উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হয়
  4. অভিযুক্তের পরিবারকে জানাতে হয়
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হয়
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক(১) অনুসারে, যদি একাধিক অভিযুক্তের মধ্যে কোনো একজন আদালতে উপস্থিত থাকতে অক্ষম হন, এবং তিনি আইনজীবী দ্বারা প্রতিনিধিত্ব হন, তবে আদালত তার অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যেতে পারে, শর্ত থাকে যে আদালতকে এই সিদ্ধান্তের উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হবে। এছাড়া, আদালত প্রয়োজনে পরে ওই অভিযুক্তকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির করার নির্দেশও দিতে পারে।
অর্থাৎ আদালত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার চালিয়ে যেতে পারেন শুধুমাত্র তখনই, যদি তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করেন এবং আদালত উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করে।
- তাই সঠিক উত্তর: গ) উপযুক্ত কারণ রেকর্ড করতে হয়।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪০ক - কতিপয় ক্ষেত্রে আসামীর অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান ও বিচারের বিধান:
(১) দুই বা ততোধিক আসামি হাজির থাকলে এই বিধির অধীন অনুসন্ধান বা বিচারের কোন পর্যাপ্ত জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোন কারণ বশত: সন্তুষ্ট হন, আসামিদের এক বা একাধিক জজ আদালতে হাজির থাকতে অসমর্থ, তাহলে উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করে আসামীর কৌঁসুলি হাজির থাকলে আসামিকে হাজির হতে রেহাই দিতে এবং তার অনুপস্থিতিতে অনুসন্ধান বা বিচার চালিয়ে যেতে পারবেন, এবং কার্যধারার পরবর্তী পর্যায়ে উক্ত আসামিকে ব্যক্তিগতভাবে হাজির থাকার নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) এরূপ কোন মামলায় আসামীর কৌঁসুলি না থাকলে অথবা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট যদি আসামীর হাজিরা প্রয়োজন মনে করেন তাহলে তিনি উপযুক্ত মনে করলে এবং কারণ লিপিবদ্ধ করে অনুসন্ধান বা বিচার মুলতবি রাখতে পারবেন, অথবা উক্ত আসামীর মামলা পৃথকভাবে গ্রহণ করার বা বিচারের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898, -Section 540A. Provision for inquiries and trial being held in the absence of accused in certain cases
(1) At any stage of an inquiry or trial under this Code, where two or more accused are before the Court, if the Judge or Magistrate is satisfied, for reasons to be recorded, that any one or more of such accused is or are incapable of remaining before the Court, he may, if such accused is represented by an advocate, dispense with his attendance and proceed with such inquiry or trial in his absence, and may, at any subsequent stage of the proceedings, direct the personal attendance of such accused. 
(2) If the accused in any such case is not represented by an advocate, or if the Judge or Magistrate considers his personal attendance necessary, he may, if he thinks fit, and for reasons to be recorded by him, either adjourn such inquiry or trial, or order that the case of such accused be taken up or tried separately.
২৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, কত বছর বয়সের নিচে কোন বালিকা অপহৃত হলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারেন?
  1. ১৮ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৫ বছর
  4. ১৪ বছর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২ অনুযায়ী, যদি ১৬ বছর বয়সের নিচে কোনো বালিকাকে অপহরণ বা অবৈধভাবে আটক করার অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, ঐ বালিকাকে তার স্বামী, মাতা-পিতা বা আইনগত অভিভাবকের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য আদেশ দিতে পারেন। প্রয়োজনে জবরদস্তি বা বলপ্রয়োগ করেও আদেশ কার্যকর করতে পারেন।
- এই ধারা ১৬ বছরের কম বয়সী বালিকার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাই সঠিক উত্তর: খ) ১৬ বছর।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫২- অপহৃতা নারী প্রত্যর্পণে বাধ্য করার ক্ষমতা:
মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট কোন স্ত্রীলোক অথবা ১৬ বছরের নিম্ন বয়স্ক কোন বালিকাকে অপহরণ বা বে-আইনীভাবে আটক রাখার নালিশ করা হলে, উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সেই স্ত্রীলোককে বা গ্রাহককে অবিলম্বে তার স্বামী, মাতা-পিতা, অথবা তার আইন সংগত অভিভাবকের নিকট প্রত্যর্পণের আদেশ দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Criminal Procedure,1898-Section 552- Power to compel restoration of abducted females
Upon complaint made to a Metropolitan Magistrate or a Magistrate of the first class or District Magistrate on oath of the abduction or unlawful detention of woman, or of a female child under the age of sixteen years, for any unlawful purpose, he may make an order for the immediate restoration of such woman to her liberty, or of such female child to her husband, parent, guardian or other person having the lawful charge of such child, and may compel compliance with such order, using such force as may be necessary.
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ক কোন বিষয়ে বিধান দেয়?
  1. আদালতের ভাষা নির্ধারণ
  2. ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা নির্ধারণ
  3. পুলিশের তদন্তের নিয়ম নির্ধারণ
  4. হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৬১ক হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ সম্পর্কিত। অর্থাৎ, এই ধারা অনুযায়ী ফৌজদারি কার্যবিধির অন্যান্য বিধান হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ বা ক্ষুণ্ন করতে পারবে না।
হাইকোর্ট বিভাগ যেসব আদেশ দেয়, যেমন কোনো আদেশ কার্যকর করা, আদালতের প্রক্রিয়ার অপব্যবহার রোধ করা বা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করা, সে ক্ষেত্রে তার সহজাত ক্ষমতা অব্যাহত থাকবে।
- সুতরাং, এই ধারা হাইকোর্ট বিভাগের বিচারিক ক্ষমতা এবং তার কার্যকারিতাকে সুরক্ষিত রাখে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১ক ধারার বিধান হাইকোর্ট বিভাগের সহজাত ক্ষমতার সংরক্ষণ: এই বিধির অধীন প্রদত্ত কোন আদেশ কার্যকর করার জন্য, বা কোন আদালতের কার্যক্রমের অপব্যবহার রোধ করার জন্য বা অন্য কোন ভাবে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় যে কোন আদেশ প্রদানের নিমিত্ত হাইকোর্ট বিভাগের যে সহজাত ক্ষমতা আছে এই বিধির কোন কিছু তা সীমাবদ্ধ বা ক্ষুণ্ন বা প্রভাবিত করবে বলে অভিহিত করা যাবে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- section 561A. Saving of inherent power of High Court Division: Nothing in this Code shall be deemed to limit or affect the inherent power of the High Court Division to make such orders as may be necessary to give effect to any order under this Code, or to prevent abuse of the process of any Court or otherwise to secure the ends of justice.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ অনুযায়ী কোন পরিস্থিতিতে একজন ব্যক্তিকে সিভিল জেল (দেওয়ানী কারাগার) থেকে ক্রিমিনাল জেলে (ফৌজদারী কারাগার) স্থানান্তর করা যাবে?
  1. পরিবারের অনুরোধে
  2. জেল কর্তৃপক্ষ স্বপ্রণোদিত হয়ে
  3. যখন তিনি স্বেচ্ছায় স্থানান্তর চাইবেন
  4. আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
সঠিক উত্তর:
আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১(২) অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি দেওয়ানী জেলে বন্দী থাকেন এবং তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতের যোগ্য হন, তাহলে সেই কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশদাতা আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরের নির্দেশ দিতে পারেন।
- এটি সাধারণত তখনই হয় যখন একজন ব্যক্তি দেওয়ানী মামলা অনুসারে জেলে ছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে ফৌজদারি অপরাধে দণ্ডিত হন বা হেফাজতের প্রয়োজন হয়।
অর্থাৎ শুধু আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশে একজন বন্দীকে সিভিল জেল থেকে ক্রিমিনাল জেলে স্থানান্তর করা যাবে।
তাই সঠিক উত্তর: ঘ) আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ দিলে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪১ - কারাবাসের স্থান নির্ণয়ের ক্ষমতা:
(১) বর্তমানে বলবৎ কোন আইনে ভিন্নরূপ ব্যবস্থা করা না হলে এই বিধির অধীন কারাদণ্ড বা হাজত বাসের নির্দেশ প্রাপ্ত কোন ব্যক্তিকে কোথায় আটক রাখা হবে সরকার সে সম্পর্কে নির্দেশ দিতে পারবেন।
(২) দেওয়ানী কারাগারে আটক আসামী অথবা দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ফৌজদারী কারাগারে অপসারণ এবং তাদের দেওয়ানী কারাগারে প্রত্যাবর্তন:
এই বিধির অধীনে কারাদণ্ড বা হেফাজতে রাখার আদেশপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি যদি দেওয়ানী জেলে আটক থাকেন, তবে যিনি তার কারাদণ্ড বা হেফাজতের আদেশ দিয়েছেন সেই আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারেন যে, তাকে ফৌজদারি জেলে স্থানান্তরিত করা হবে।
(৩) কোন ব্যক্তি (২) উপধারার অধীন ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হলে তা হতে মুক্ত হবার পর তাকে পুনরায় দেওয়ানী জেলে প্রেরণ করতে হবে, যদি না
ক) ফৌজদারী জেলে স্থানান্তরিত হবার পর তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকে, তিন বৎসর অতিবাহিত হয়ে থাকলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে দেওয়ানী জেল হতে অব্যাহতি পেয়েছে বলে গণ্য করতে হবে, অথবা
খ) যে আদালত তাকে দেওয়ানী জেলে আটকের আদেশ দিয়াছিলেন সেই আদালত ফৌজদারী জেলের ভারপ্রাপ্ত অফিসারকে সার্টিফিকেট দেন যে দেওয়ানী কার্যবিধির ৫৮ ধারার অধীন সে অব্যাতি পাবার অধিকারী।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898:- Section 541.Power to appoint place of imprisonment:
(1) Unless when otherwise provided by any law for the time being in force, the Government may direct in what place any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code shall be confined.
Removal to criminal jail of accused or convicted persons who are in confinement in civil jail, and their return to the civil jail:
(2) If any person liable to be imprisoned or committed to custody under this Code is in confinement in a civil jail, the Court or Magistrate ordering the imprisonment or committal may direct that the person be removed to a criminal jail. 
(3) When a person is removed to a criminal jail under sub-section (2), he shall, on being released therefrom, be sent back to the civil jail, unless either– 
(a) three years have lapsed since he was removed to the criminal jail, in which case he shall be deemed to have been discharged from the civil jail under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908; or
(b) the Court which ordered his imprisonment in the civil jail has certified to the officer in charge of the criminal jail that he is entitled to be discharged under section 58 of the Code of Civil Procedure, 1908.
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৪(১) অনুযায়ী অধস্তন আদালতের রেকর্ড পরিদর্শনের জন্য বিধি তৈরির ক্ষমতা কাকে দেওয়া হয়েছে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৫৪(১) অনুযায়ী, সরকারের পূর্ব অনুমোদনক্রমে সুপ্রিম কোর্ট অধস্তন ফৌজদারি আদালতসমূহের রেকর্ড পরিদর্শনের জন্য বিধি তৈরি করতে পারে। অর্থাৎ, এই ক্ষমতা শুধুমাত্র সুপ্রিম কোর্টের চার্টার্ড হাইকোর্ট বিভাগকে দেওয়া হয়েছে এবং এর উদ্দেশ্য হলো বিচারকার্য পর্যবেক্ষণ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
অন্য অপশন গুলো যেমন জাতীয় সংসদ, আইন মন্ত্রণালয় বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট - এ ধরনের নিয়ম তৈরির ক্ষমতা রাখে না।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 554.Power of chartered High Court Division to make rules for inspection of records of subordinate Courts:
(1) With the previous sanction of the Government, the Supreme Court may, from time to time, make rules for the inspection of the records of subordinate Courts.
Power of other High Court Division to make rules for other purposes.
(2) The Supreme Court] may, from time to time, and with the previous sanction of the Government– 
(a) make rules for keeping all books, entries and accounts to be kept in all Criminal Courts subordinate to it, and for the preparation and transmission of any returns or statements to be prepared and submitted by such Courts; 
(b) frame forms for every proceeding in the said Courts for which it thinks that a form should be provided; 
(c) make rules for regulating its own practice and proceedings and the practice and proceedings of all Criminal Courts subordinate to it; and 
(d) make rules for regulating the execution of warrants issued under this Code for the levy of fines: 
Provided that the rules and forms made and framed under this section shall not be inconsistent with this Code or any other law in force for the time being. 
(3) All rules made under this section shall be published in the official Gazette.
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক অনুসারে কোন মামলায় ফরিয়াদির ফি প্রদানের আদেশ দেওয়া যায়?
  1. দেওয়ানি মামলা
  2. আমলযোগ্য মামলা
  3. আমল অযোগ্য মামলা
  4. পুলিশি তদন্ত মামলা
সঠিক উত্তর:
আমল অযোগ্য মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমল অযোগ্য মামলা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৫৪৬ক (Section 546A) অনুযায়ী, যদি কোনো আমল অযোগ্য (non-cognizable) অপরাধে অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং আদালত অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করে, তাহলে আদালত আসামিকে আদেশ দিতে পারেন যে, তিনি ফরিয়াদির প্রদত্ত কিছু ফি পরিশোধ করবেন। এই ফিগুলো হতে পারে:
- অভিযোগপত্র বা জবানবন্দির জন্য প্রদত্ত আদালত ফি,
- সাক্ষী বা আসামির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারির জন্য প্রদত্ত ফি।
এটি দেওয়ানি মামলা নয় বরং ফৌজদারি মামলা এবং শুধুমাত্র "আমল অযোগ্য" মামলার ক্ষেত্রেই এই ধারা প্রযোজ্য। আদালত চাইলে অর্থ না পরিশোধ করলে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিতে পারেন।
- অতএব, ধারা ৫৪৬ক শুধুমাত্র "আমল অযোগ্য মামলা"র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪৬ক ধারার বিধান আমল অযোগ্য মামলার ফরিয়াদি কর্তৃক প্রদত্ত কতিপয় ফিস প্রদানের আদেশ:
(১) কোন আদালতে আমল অযোগ্য অপরাধের কোন অভিযোগ করা হলে এবং আসামি সাজাপ্রাপ্ত হলে আদালত উক্ত সাজা ব্যতীতও ফরিয়াদীকে নিম্নে বর্ণিত অর্থদানের জন্য আসামিকে আদেশ দিতে পারবেন-
(ক) নালিশের দরখাস্তে অথবা ফরিয়াদির জবানবন্দির জন্য প্রদত্ত ফি (যদি থাকে ) এবং
(খ) ফরিয়াদি কর্তৃক তার সাক্ষী কিংবা আসামীর উপর পরোয়ানা জারীর জন্য প্রদত্ত ফি এবং আরও আদেশ দিতে পারবেন যে, উক্ত অর্থ পরিশোধ না করিলে অনধিক ত্রিশ দিন বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করবে।
(২) রিভিশন ক্ষমতা প্রয়োগের সময় কোন আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগও এই ধারার অধীন আদেশ দিতে পারবেন।
--------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898: Section 546A: Order of payment of certain fees paid by the complainant in non-cognizable cases:
(1) Whenever any complaint of a non-cognizable offence is made to a Court, the Court, if it convicts the accused, may in addition to the penalty imposed upon him, order him to pay to the complainant–
(a) the fee (if any) paid on the petition of complaint or for the examination of the complainant, and
(b) any fees paid by the complainant for serving processes on his witnesses or on the accused,
and may further order that, in default of payment, the accused shall suffer simple imprisonment for a period not exceeding thirty days.
(2) An order under this section may also be made by an Appellate Court, or by the High Court Division, when exercising its powers of revision.