পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
বাংলাদেশ বিষয়াবলি: টপিকসমূহ: বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি: [বাংলাদেশের ইতিহাস, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সম্পর্কিত] i) পাকিস্তানে সামরিক শাসন ও শাসন বিরোধী আন্দোলন ii) ৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন iii) ছয়দফা উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
পাকিস্তানে ইস্কান্দার মির্জা সামরিক শাসন জারি করে -
  1. ক) ১৯৫৭ সালের ৭ অক্টোবর
  2. খ) ১৯৫৭ সালের ৮ অক্টোবর
  3. গ) ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৯৫৮ সালের ৮ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান (১৯৫৬) মোতাবেক গভর্নর জেনারেলের পদকে প্রেসিডেন্ট পদে রূপান্তর করা হয় এবং সৈয়দ ইস্কান্দার আলী মির্জা জাতীয় পরিষদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- দেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তিনি ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর সামরিক আইন জারি করেন এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত করেন।
- তিন সপ্তাহের মধ্যে আইয়ূব খান এক রক্তপাতহীন সামরিক ক্যুর মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- তিনি ইস্কান্দার মির্জাকে প্রথমে কোয়েটা এবং পরে লন্ডনে নির্বাসনে পাঠান।
- ১৯৬৯ সালের ১২ নভেম্বর মির্জা লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন। জেনারেল ইয়াহিয়া খানের সামরিক সরকার তাঁর মরদেহ পাকিস্তানে সমাহিত করতে অনুমতি দেয়নি।
- সে কারণে তাঁর মৃতদেহ সমাহিত করার জন্য তেহরানে (ইরান) নিয়ে যাওয়া হয়।
- ইরানের শাহ একজন রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদায় তাঁর মৃতদেহ রাষ্ট্রীয়ভাবে সমাহিত করার ব্যবস্থা করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থায় বেসিক ডেমোক্র্যাট (বি.ডি. মেম্বার) ছিল -
  1. ক) মোট ৪০ হাজার
  2. খ) মোট ৬০ হাজার
  3. গ) মোট ৭০ হাজার
  4. ঘ) মোট ৮০ হাজার
ব্যাখ্যা
• মৌলিক গণতন্ত্রের বর্ণনা:
- ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর আইয়ুব খান তাঁর বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে গণতন্ত্র সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব চিন্তাধারা ও পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। 
- তাঁর উদ্ভাবিত পরিকল্পনা মৌলিক গণতন্ত্র নামে পরিচিত। 
- এর মাধ্যমে দেশে একটি চার স্তর বিশিষ্ট পিরামিড আকৃতির কাঠামো সৃষ্টি করা হয়।

• স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

 •  ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আওয়ামী লীগের ৬ দফা দাবি পেশ করা হয়েছিল -
  1. ক) ১৯৬৫ সালে
  2. খ) ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ১৯৬৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো।
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ঐতিহাসিক ৬ দফাকে তুলনা করা হয় কিসের সাথে?
  1. ক) ম্যাগনাকার্টা
  2. খ) বিল অব রাইটস
  3. গ) পিটিশন অব রাইটস
  4. ঘ) মুখ্য আইন
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো। 
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
EBDO এবং PODO নামে পরিচিত দুটি আদেশ জারি করেন -
  1. ক) আইয়ুব খান
  2. খ) লিয়াকত আলী
  3. গ) ইস্কাদার মির্জা
  4. ঘ) টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
• আইয়ুব খান ১৯৫৯ সালে 'নির্বাচিত সংস্থাসমূহ (অযোগ্যতা) আদেশ, ১৯৫৯' (Elective Bodies Disqualification Order 1959) এবং 'সরকারি পদ লাভের অযোগ্যতা সংক্রান্ত আদেশ' (Public Office Disqualification Order) নামে দুটি আদেশ জারি করেন।
- এ দুটি আদেশ সংক্ষেপে EBDO এবং PODO নামে পরিচিত হয়।
- 'পোডো' (PODO- Public Office Disqualification Order)-তে বলা হয় যে, যারা দুর্নীতির কারণে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন তারা ১৫ বছরের মধ্যে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক পদে নির্বাচন করতে পারবেন না। 
- অপরদিকে 'এবডো' (EBDO- Elective Bodies Disqualification Order ) তে বলা হয় যে, বিশেষ আদালতে অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তি বা রাজনীতিবিদ ইলেকটিভ বডির নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না বলে সম্মত হলে শুধুমাত্র তখন বিচার এড়াতে পারবেন। 'এবডো' নামক কালাকানুন বা আদেশ জারি করে আওয়ামী লীগ নেতা হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী, আতাউর রহমান খান, শেখ মুজিবুর রহমান, সীমান্ত গান্ধী খান আব্দুল গফফার খান, মিঞা মমতাজ দৌলতানা, সিন্ধুর নেতা এম. এ. খুরোসহ অসংখ্য রাজনৈতিক নেতাকে অভিযুক্ত করা হয়। সোহ্রাওয়ার্দীসহ অনেক রাজবন্দী নেতার বিরুদ্ধে 'হেবিয়াস কর্পাস' রীট মামলা দায়ের করা হয় ।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজ্জামেল হক। 
.
'প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক (CMLA)' হিসাবে রাষ্ট্রপতি ইস্কান্দার মীর্জা কাকে নিয়োগ করেন -
  1. ক) টিক্কা খান
  2. খ) নূর খান
  3. গ) ইয়াহিয়া খান
  4. ঘ) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর রাত ১০.৩০ মিনিটে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মেজুর জেনারেল (অব.) ইস্কান্দার মীর্জা সামরিক বাহিনীর সহায়তায় তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী মালিক ফিরোজ খান নুনের সংসদীয় সরকারকে উৎখাত করে সমগ্র দেশে সামরিক আইন (Martial Law) জারি করেন ২৪ ক্ষমতা গ্রহণের ক্ষণে ইস্কান্দার মীর্জা দেশে বিরাজমান দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহারকে পাকিস্তানের অপশাসনের অন্যতম প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করেন ।
- সামরিক শাসন জারির ফরমানে ১৯৫৬ সালের সংবিধান, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা বাতিল এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
- এছাড়াও এ ফরমানবলে রাষ্ট্রপতি জেনারেল (অব.) ইস্কান্দার মীর্জা পরদিন ৮ অক্টোবর পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব খানকে 'প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক' (CMLA) নিযুক্ত করেন।
- রাষ্ট্রপতি ইস্কান্দার মীর্জা ঘোষণা করেন যে, পাকিস্তান রাষ্ট্র এবং ইসলামকে রক্ষা, দুর্নীতি দূর করা এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্যই তিনি সামরিক শাসন জারি করতে বাধ্য হয়েছেন।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজ্জামেল হক। 
.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণা করেন কোথায়?
  1. ক) লাহোরে
  2. খ) করাচিতে
  3. গ) ইসলামাবাদে
  4. ঘ) ঢাকায়
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো। 
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
পাকিস্তানের প্রথম রাষ্ট্রপতি ইস্কান্দার মীর্জার ক্ষমতার মেয়াদকাল -
  1. ক) ২ বছর
  2. খ) ২০ মাস
  3. গ) ২০ দিন
  4. ঘ) ১০ দিন
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তানে সৈয়দ ইস্কান্দার আলী মির্যা সামরিক শাসন জারি করে ১৯৫৭ সালের ৭ অক্টোবর।
- ১৯৫৮ সনের ২৭ অক্টোবর মাত্র ২০ দিনের মাথায় জেনারেল আইয়ুব খান ৪ জন জেনারেলকে পাঠান প্রেসিডেন্ট জেনারেল (অব.) ইস্কান্দার মীর্জার কছে।
- সশস্ত্র ৪ জেনারেল প্রেসিডেন্ট মীর্জাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেন। আইয়ুব খান এ কুচক্রীকে পাকিস্তানে রাখতে সাহস পেলেন না। এজন্যই পরদিন তাঁকে দেশত্যাগ করতে বাধ্য করা হলাে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজ্জামেল হক। 
.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দাবি কোনটি?
  1. ক) ফেডারেল সরকার
  2. খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  3. গ) মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
  4. ঘ) ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো। 
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
ঐতিহাসিক ৬ দফার কয়টি দাবি অর্থনীতি বিষয়ক?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো। 
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ধারণার প্রবর্তক কে ছিলেন?
  1. ক) ইস্কাদার মির্জা
  2. খ) টিক্কা খান
  3. গ) ইয়াহিয়া খান
  4. ঘ) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্রের বর্ণনা:
- ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর আইয়ুব খান তাঁর বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে গণতন্ত্র সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব চিন্তাধারা ও পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। 
- তাঁর উদ্ভাবিত পরিকল্পনা মৌলিক গণতন্ত্র নামে পরিচিত। 
- এর মাধ্যমে দেশে একটি চার স্তর বিশিষ্ট পিরামিড আকৃতির কাঠামো সৃষ্টি করা হয়।

• স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

 •  ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২.
আইয়ুব বিরোধী ও গণতন্ত্রের সপক্ষ শক্তিসমূহের জোট -
  1. ক) Liberal Democratic Front
  2. খ) National Democratic Party
  3. গ) Liberal Democratic Party
  4. ঘ) National Democratic Front
ব্যাখ্যা
NDP গঠন:
- ১৯৬২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে আইয়ুব বিরোধী ও গণতন্ত্রের সপক্ষ শক্তিসমূহের একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট গঠিত হয়।
- এ ফ্রন্টের নামকরণ করা হয় National Democratic Front, যা সংক্ষেপে NDF নামেই সমধিক পরিচিতি অর্জন করে।
- NDF-এর সরকার বিরোধী তথা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ড রাজনীতি সচেতন মানুষকে আগ্রহী ও আশাবাদী করে তোলে।
- NDF-এর স্বপ্নদ্রষ্টা ও মূল নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী।
- NDF গঠিত হলে প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান ভীত ও বিচলিত হয়ে পড়েন।
- এজন্যই NDF গঠনের মাত্র এক সপ্তাহ পর করাচিতে সোহ্রাওয়ার্দীকে 'জননিরাপত্তা আইনে' গ্রেপ্তার করা হয়।
- সোহরাওয়ার্দী এ সময় ছিলেন খুবই জনপ্রিয় নেতা।
- তাঁকে গ্রেপ্তার করায় সমগ্র পাকিস্তানে বিশেষ করে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
- এ সময় প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান ঢাকা সফরে এলে বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতা তার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে।
- আইয়ুব খান 'জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স' জারি করে নির্মমভাবে এ আন্দোলন দমনের চেষ্টা চালান।
- শেখ মুজিবুর রহমান, আবুল মনসুর আহমদ, কফিলউদ্দিন চৌধুরী, সৈয়দ আলতাফ হোসেন, তাজউদ্দিন আহমদ, কোরবান আলী প্রমুখ প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রখ্যাত সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন (মানিক মিয়া), প্রখ্যাত ছাত্রনেতা কাজী জাফর আহমেদ প্রমুখ আইয়ুব খানের দমননীতির শিকার হন এবং বিনা বিচারে কারারুদ্ধ হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজ্জামেল হক।
১৩.
ঐতিহাসিক 'ছয় দফায়' যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না -
  1. ক) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. খ) ফেডারেল সরকার
  3. গ) মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
  4. ঘ) বিচারিক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো। 
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ধারণায় কয় স্তর বিশিষ্ট পিরামিড আকৃতির কাঠামো সৃষ্টি করা হয়েছে?
  1. ক) তিন স্তর বিশিষ্ট
  2. খ) চার স্তর বিশিষ্ট
  3. গ) পাঁচ স্তর বিশিষ্ট
  4. ঘ) ছয় স্তর বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
• মৌলিক গণতন্ত্রের বর্ণনা:
- ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর আইয়ুব খান তাঁর বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে গণতন্ত্র সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব চিন্তাধারা ও পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। 
- তাঁর উদ্ভাবিত পরিকল্পনা মৌলিক গণতন্ত্র নামে পরিচিত। 
- এর মাধ্যমে দেশে একটি চার স্তর বিশিষ্ট পিরামিড আকৃতির কাঠামো সৃষ্টি করা হয়।

• স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

 •  ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
NDF-এর স্বপ্নদ্রষ্টা ও মূল নেতা ছিলেন -
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদ
  4. ঘ) কফিলউদ্দিন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• NDP গঠন:
- ১৯৬২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে আইয়ুব বিরোধী ও গণতন্ত্রের সপক্ষ শক্তিসমূহের একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট গঠিত হয়।
- এ ফ্রন্টের নামকরণ করা হয় National Democratic Front, যা সংক্ষেপে NDF নামেই সমধিক পরিচিতি অর্জন করে।
- NDF-এর সরকার বিরোধী তথা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ড রাজনীতি সচেতন মানুষকে আগ্রহী ও আশাবাদী করে তোলে। 
- NDF-এর স্বপ্নদ্রষ্টা ও মূল নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী। 
- NDF গঠিত হলে প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান ভীত ও বিচলিত হয়ে পড়েন। 
- এজন্যই NDF গঠনের মাত্র এক সপ্তাহ পর করাচিতে সোহ্রাওয়ার্দীকে 'জননিরাপত্তা আইনে' গ্রেপ্তার করা হয়। 
- সোহরাওয়ার্দী এ সময় ছিলেন খুবই জনপ্রিয় নেতা।
- তাঁকে গ্রেপ্তার করায় সমগ্র পাকিস্তানে বিশেষ করে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। 
- এ সময় প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান ঢাকা সফরে এলে বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতা তার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে।
- আইয়ুব খান 'জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স' জারি করে নির্মমভাবে এ আন্দোলন দমনের চেষ্টা চালান। 
- শেখ মুজিবুর রহমান, আবুল মনসুর আহমদ, কফিলউদ্দিন চৌধুরী, সৈয়দ আলতাফ হোসেন, তাজউদ্দিন আহমদ, কোরবান আলী প্রমুখ প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রখ্যাত সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন (মানিক মিয়া), প্রখ্যাত ছাত্রনেতা কাজী জাফর আহমেদ প্রমুখ আইয়ুব খানের দমননীতির শিকার হন এবং বিনা বিচারে কারারুদ্ধ হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজ্জামেল হক।
১৬.
ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস পালিত হয় -
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারিতে
  2. খ) ৬ ফেব্রুয়ারিতে
  3. গ) ৬ জুনে
  4. ঘ) ৭ জুনে
ব্যাখ্যা
• ৬ দফাভিত্তিক আন্দোলন জোরদার হতে দেখে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ১৯৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান সফরে আসেন এবং বিভিন্ন জনসভায় ৬ দফাকে ষড়যন্ত্রমূলক রাষ্ট্রদ্রোহী ও পাকিস্তান ভাঙ্গার দলিল বলে আখ্যা দিতে থাকেন।
- সরকার এবং প্রতিক্রিয়াশীল দলগুলোর কটূক্তি সত্ত্বেও পূর্ব পাকিস্তানে ৬ দফা আন্দোলন ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে থাকলে পাকিস্তান সরকার আন্দোলনকারীদের ওপর কঠোর নির্যাতন চালাতে থাকে।
- আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবসহ আরো অনেক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে।
- নির্যাতন ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন দেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়।
- ঐদিকে মিছিলে পুলিশের গুলিতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের অন্যান্য স্থানে বহু লোক প্রাণ হারায়।
- ১৯৬৬ সালে ৭ জুনের রক্তস্নাত আন্দোলনের মধ্যদিয়েই ছয় দফার প্রতি পূর্ববাংলার জনগণের তুলনাহীন সমর্থন প্রমাণিত
হয়। সরকারের প্রতি জনগণের ঘৃণা তীব্রতর হয়।
-  ১৯৬৬ সালে ৭ জুনের রক্তস্নাত আন্দোলনকে স্মরণ করতে প্রতিবছর ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস পালিত হয়।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও যুগান্তর।
১৭.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থায় সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. ক) ইউনিয়ন কাউন্সিল
  2. খ) থানা কাউন্সিল
  3. গ) জেলা কাউন্সিল
  4. ঘ) বিভাগীয় কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
• মৌলিক গণতন্ত্রের বর্ণনা:
- ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর আইয়ুব খান তাঁর বিপ্লবের প্রথম বার্ষিকী উপলক্ষে গণতন্ত্র সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব চিন্তাধারা ও পরিকল্পনা প্রকাশ করেন। 
- তাঁর উদ্ভাবিত পরিকল্পনা মৌলিক গণতন্ত্র নামে পরিচিত। 
- এর মাধ্যমে দেশে একটি চার স্তর বিশিষ্ট পিরামিড আকৃতির কাঠামো সৃষ্টি করা হয়।

• স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

 •  ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা গৃহীত হয় -
  1. ক) ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ১৯৬৬ সালের ১৩ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক, প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রেক্ষাপটে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার ও স্বায়ত্তশাসনের দাবি সম্বলিত ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি প্রণয়ন করেন এবং ১৯৬৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি লাহোরে পাকিস্তান জাতীয় কনফারেন্সে উত্থাপনের চেষ্টা করেন।
- ঐদিন ৬ দফা দাবি উত্থাপনে ব্যর্থ হয়ে শেখ মুজিবুর রহমান সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁর ৬ দফা প্রচার করেন এবং দেশে ফিরে আসেন।
- ১৩ মার্চ আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপিত হলে সঙ্গে সঙ্গে তা গৃহীত হয়।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।