পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
[ATEO - নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা - ৪] সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ২ টপিক: ১. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের ইতিহাস [উপমহাদেশে ইউরোপীয়দের আগমন, ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তানি শাসন - ১৯৭০ এর নির্বাচন পর্যন্ত], ২. জাতীয় অর্জন।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
'ভারতীয় স্বাধীনতা আইন' প্রণীত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট
  2. খ) ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই
  3. গ) ১৯৪৭ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৯৪৮ সালের ১৪ আগস্ট
ব্যাখ্যা
ভারতীয় স্বাধীনতা আইন:

- ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে 'ভারতীয় স্বাধীনতা আইন' পাস হয়।
- এই আইন বলে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটিয়ে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামক দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- পাকিস্তান ছিল এক অস্বাভাবিক রাষ্ট্র।
- বিশাল ভারতবর্ষের পূর্ব ও পশ্চিম দুই প্রান্তে প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার ব্যবধানে দুই ভিন্ন ভূখন্ড নিয়ে পাকিস্তান গঠিত হয়।
- স্বাধীনতা লাভের সময় পাকিস্তানকে ৫টি প্রদেশে বিভক্ত করা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ফিরিঙ্গি' কাদের বলা হয়?
  1. ক) ফরাসিদের
  2. খ) মগদের
  3. গ) পর্তুগিজদের
  4. ঘ) দিনেমারদের
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজদের আগমন:

- 'ফিরিঙ্গি' বলা হয় পর্তুগিজদের।
- ভাস্কো-ডা-গামা একজন পর্তুগিজ নাবিক যে ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- পর্তুগিজরা ভারতীয় উপমহাদেশে আগত প্রথম ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল।

অন্যদিকে,
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ডেনমার্কের অধিবাসীদের দিনেমার বলা হয়।

তথ্যসূত্র - এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) খিলাফতে ই মুহম্মদীয়া
  2. খ) তরীকায়ে মোহাম্মদীয়া
  3. গ) তেভেগা আন্দোলন
  4. ঘ) ফকির বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
তিতুমীর:

- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তরীকায়ে মোহাম্মদীয়া।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে যখন ওয়াহাবি আন্দোলনের (তাহরিক ই মুহম্মদীয়া) জোয়ার চলছে, তখন পশ্চিম বঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে।
- ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তিতুমীর হজ করার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।এই যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দল কততম আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয়?
  1. ক) ১০ম
  2. খ) ১৪তম
  3. গ) ১২তম
  4. ঘ) ১৩তম
ব্যাখ্যা
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ-২০২০:

- ১৭ জানুয়ারী ২০২০ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০ পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হয় ১৩তম আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ-২০২০।
- এতে ফাইনালে ভারতকে ৩ উইকেটে পরাজিত করে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ জাতীয় ক্রিকেট দল প্রথম বারের মতো শিরোপা লাভ করে।
- ম্যান অব দ্য ফাইনাল হন বাংলাদেশের অধিনায়ক আকবর আলী।
- ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হন ভারতের যশস্বী জয়সওয়াল।
- ১৮ জানুয়ারী ২০২০ বাংলাদেশ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের মোকাবেলা করে।

তথ্যসূত্র - ক্রিকইনফো ডটকম।
.
ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন কোন শতকে সংঘটিত হয়?
  1. ক) ষোল শতকে
  2. খ) সতের শতকে
  3. গ) আঠারো শতকে
  4. ঘ) উনিশ শতকে
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন:

- আঠারো শতকে ১৭৬০ সাল থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলনে সন্ন্যাসীদের নেতৃত্ব দেন ভবানী পাঠক।
- অন্যদিকে ফকিরদের নেতৃত্বে ছিলেন মজনু শাহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ভারত বিভক্তির সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) পল ব্যারন
  2. খ) মাউন্টব্যাটন
  3. গ) ক্লিমেন এ্যাটলি
  4. ঘ) ডেভিট লোডে
ব্যাখ্যা
ব্রটিশ শাসন:

- ক্লিমেন এ্যাটলি ভারত বিভক্তির সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- ব্রটিশ শাসন অবসানের পূর্ব মুহূর্তে শুধু বাংলা না সারা ভারত জুড়ে ক্ষোভের আগুন জ্বলছিল। 
- ভারতবাসী স্বাধীনতা ছাড়া আর কোন কিছু মেনে নিতে প্রস্তুত ছিল না।
- ইংল্যান্ডের নব নির্বাচিত লেবার পার্টি সরকার বুঝতে পারে এই অবস্থায় বেশি দিন ভারত শাসন করা যাবে না।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এ্যাটলি ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয়দের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেন ।
- এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের বড় লাট ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে 'ভারত স্বাধীনতা আইন' প্রণয়ন করেন এবং ঐ বছর ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- বিভক্ত হয় ভারতীয় উপমহাদেশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
'আওয়ামী মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি কে ছিলেন?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) শামছুল হক
  3. গ) আতাউর রহমান
  4. ঘ) আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
আওয়ামী মুসলিম লীগ:

- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- আওয়ামী মুসলীম লীগ থেকে মুসলীম শব্দটি বাদ দেওয়া হয় ১৯৫৫ সালে।
- আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটি নিম্নরুপ,
• প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি - মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
• প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক সামছুল হক।
• প্রতিষ্ঠাকালীন সহ সভাপতি আতাউর রহমান ও আব্দুস সালাম খান।
• প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
.
পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন কে?
  1. ক) ইস্কান্দার মির্জা
  2. খ) মালিক ফিরোজ খান
  3. গ) জেনারেল আইয়ুব খান
  4. ঘ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:

- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. ক) অর্থনৈতিক
  2. খ) ধর্মীয়
  3. গ) প্রশাসনিক
  4. ঘ) রাজনৈতিক
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:

- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রধান কারণ প্রশাসনিক।
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এ বিভক্তির মাধ্যমে সমগ্র বাংলাকে 'পূর্ববাংলা ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ' নামে দুটি প্রদেশে পরিণত করা হয়।
- ১৯০৫ সালের পূর্বে ব্রিটিশ ভারতে অবিভক্ত বঙ্গ প্রদেশই ছিল আয়তনে এবং জনসংখ্যায় সর্বাপেক্ষা বড় প্রদেশ।
- একজন গভর্নরের পক্ষে এতবড় প্রদেশ শাসন করা ছিল খুবই কষ্টকর।
- লর্ড কার্জন ভারত সচিবকে লিখেছিলেন, 'একটিমাত্র কেন্দ্র থেকে এত বড় ও বিশাল জনবহুল এলাকা শাসন করা সম্ভব নয়। এর আলোকেই ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ হয়।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১০.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে নিচের কোন দলটি যুক্তফ্রন্টের অংশ ছিল না?
  1. ক) গণতন্ত্রী দল
  2. খ) কৃষক শ্রমিক পার্টি
  3. গ) পিপলস পার্টি
  4. ঘ) নেজামে ইসলাম
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:

- ৪টি দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- এ চারটি দল হলো আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল।
- ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং এটিকে নির্বাচনী ইশতেহারের অর্ন্তভুক্ত করে।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- প্রাদেশিক পরিষদে মোট ৩০৯টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন পেয়ে জয়লাভ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

বি.দ্র : বোর্ড বইয়ে ৫টি দল উল্লেখ রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের দলিলে যুক্তফ্রন্ট ৪টি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল। তাই অপশনে ৪ এবং ৫ থাকলে ৪টি অধিক গ্রহনযোগ্য।
১১.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কত সালে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ে সর্বোচ্চ সম্মাননা 'চ্যাম্পিয়ন অফ দ্যা আর্থ' খেতাবে ভূষিত হন?
  1. ক) ২০১৭ সালে
  2. খ) ২০১৫ সালে
  3. গ) ২০১৮ সালে
  4. ঘ) ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
চ্যাম্পিয়র অব দ্য আর্থ অ্যাওয়ার্ড:

- জাতিসংঘ প্রদত্ত পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মাননা বা পুরস্কার হলো 'চ্যাম্পিয়র অব দ্য আর্থ অ্যাওয়ার্ড'।
- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) ২০০৫ সাল থেকে পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চারটি ক্যাটাগরিতে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
- ২০১৫ সালে পলিসি লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার লাভ করেন।

অন্যদিকে,
- ইদান পুরস্কার দেওয়া হয় শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্যে। 

তথ্যসূত্র - UNEP ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
১২.
“১১ দফা” প্রণীত হয় কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে?
  1. ক) ১৯৫২ এর আন্দোলন
  2. খ) ১৯৫৪ এর আন্দোলন
  3. গ) ১৯৬৯ এর আন্দোলন
  4. ঘ) ১৯৭১ এর আন্দোলন
ব্যাখ্যা
গণ অভ্যুত্থান:

- ১১ দফা প্রণীত হয় ১৯৬৯ সালে গণ অভ্যুত্থান আন্দোলন এর প্রেক্ষাপটে।
- ১৯৬৯ সালে জানুয়ারী মাসে 'ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' এর পক্ষ থেকে “এগারো দফা” দাবী ঘোষণা করা হয়।
- এই ‘এগারো দফা'পূর্ব বাংলার সকল স্তরের জনসাধারণের সমর্থন লাভ করে কারণ, এই এগারো দফার মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া, ছয় দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তভুক্ত ছিলো।
- বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত তৎকালীণ পূর্ব বাংলায় (বর্তমান বাংলাদেশে) সংঘটিত একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন।
- মৌলিক অধিকার রক্ষা কল্পে বাংলা ভাষাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলনের মাধ্যমে তদানীন্তন পাকিস্তান অধিরাজ্যের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবির বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
- ১৯৫৪ সালের মার্চের ৮ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান পরিষদের নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের (সর্বমোট আসন ছিল ৩০৯ টি) মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২১৫ টি (পরে স্বতন্ত্র থেকে ৮ জন যোগ দিলে আসন সংখ্যা হয় ২২৩টি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।