পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১ টপিক: বৈশ্বিক ইতিহাস (প্রাচীন যুগ) প্রস্তর যুগ · ধাতুরযুগ, নৃগোষ্ঠী - ককেশীয়, মঙ্গোলীয়, নিগোয়েড ও অস্ট্রেলীয় । সভ্যতা, মেসোপটেমিয়া সভ্যতা (সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, অ্যাসেরীয় ও ক্যালডীয়) এবং মিশরীয় সভ্যতা, সিন্ধু সভ্যতা ফিনিশীয় সভ্যতা, পারস্য সভ্যতা, হিব্রু সভ্যতা। প্রাচীন যুগ (বাকী অংশ) চৈনিক সভ্যতা, ইজিয়ান সভ্যতা, গ্রীক সভ্যতা, রোমান সভ্যতা, মধ্যযুগ রাশিদুন খিলাফত, উমাইয়া খিলাফাত, আব্বাসীয় খিলাফাত, বাইজেনটাইন সাম্রাজ্য, মঙ্গোল সাম্রাজ্য, ইনকা সভ্যতা, মায়া সভ্যতা, আজটেক সভ্যতা, ধর্মযুদ্ধ।। [Live Class - 1, 2 & 3]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
ফার্টাইল ক্রিসেন্টের বিস্তার-
  1. ইরাক , সিরিয়া ও লেবানন
  2. টাইগ্রিস-ইউফ্রেতিস নদী
  3. ফিলিস্তিন, জর্ডান, সিরিয়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমিয়া সভ্যতা: 
- 'মেসোপটেমিয়া' এসেছে গ্রিক শব্দ মেসোস (Mesos) তথা 'মধ্যবর্তী' এবং পটামোস (Potamos) অর্থাৎ 'নদী' থেকে।
- 'মেসোপটেমিয়া' অর্থ 'দুই নদীর মধ্যবর্তী ভূমি' দজলা ফোরাত কিংবা টাইগ্রিস-ইউফ্রেতিস যাই বলা হোক,
- মেসোপটেমিয়া সভ্যতার বিস্তার দুটি নদীর মাঝখানে অবস্থিত।
-  মানচিত্রের মাঝে এই উর্বর ভূমিরূপকে দেখাতো অনেকটাই অর্ধচন্দ্র তথা বাঁকানো চাঁদের মতো।
- তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে 'ফার্টাইল ক্রিসেন্ট'।
- মূলত ইরাক, সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন আর জর্দান মিলেই এই ফার্টাইল ক্রিসেন্টের বিস্তার।
- অনেকে কুয়েতের উত্তরাংশ এবং তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাংশের পাশাপাশি ইরানের পশ্চিম দিকের একাংশকে এই উর্বর অর্ধচন্দ্রাকৃতির ভূমিরূপ তথা ফার্টাইল ক্রিসেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
মহেঞ্জোদারো পাকিস্তানের কোন জেলায় অবস্থিত ছিল?
  1. পাঞ্জাব
  2. হরপ্পা
  3. লারকানা
  4. মন্টোগোমারি
ব্যাখ্যা
• সিন্ধু সভ্যতা: 
-  সিন্ধু নদের অববাহিকায় গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম রাখা হয় সিন্ধুসভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারো শহরে উঁচু উঁচু মাটির ঢিবি ছিল।
- স্থানীয় লোকেরা বলত মরা মানুষের ঢিবি (মহেঞ্জোদারো কথাটির মানেও তাই)।
- বাঙালি পুরাতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপধ্যায়ের নেতৃত্বে পুরাতত্ত্ব বিভাগের লোকেরা ঐ স্থানে বৌদ্ধস্তূপের ধ্বংসাবশেষ আছে ভেবে মাটি খুঁড়তে থাকেন।
- অপ্রত্যাশিতভাবে বেরিয়ে আসে তাম্রযুগের নিদর্শন।
- একই সময়ে ১৯২২-২৩ খ্রিষ্টাব্দে দয়ারাম সাহানীর প্রচেষ্টায় পাঞ্জাবের পশ্চিম দিকে মন্টোগোমারি জেলার হরপ্পা নামক স্থানেও প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়।
- জন মার্শালের নেতৃত্বে পুরাতত্ত্ব বিভাগ অনুসন্ধান চালিয়ে আরও বহু নিদর্শন আবিষ্কার করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
প্রাচীন মিশরীয়দের লিখন পদ্ধতির নাম-
  1. কিউনিফর্ম
  2. হায়ারোগ্লিফিক
  3. ব্রাহ্মী লিপি
  4. আরামাইক
ব্যাখ্যা
মিশরীয় লিখন পদ্ধতি: 
- মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগরসভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখনপদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় 'হায়ারোগ্লিফিক' বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের কাণ্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- সেই কাগজের ওপর তারা লিখত।
- গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় 'প্যাপিরাস'।
- এই শব্দ থেকে ইংরেজি পেপার শব্দের উৎপত্তি।

উল্লেখ্য,
- নেপোলিয়ান বোনাপার্টের মিশর জয়ের সময় একটি পাথর আবিষ্কৃত হয় যা রসেটা স্টোন নামে পরিচিত।
- যাতে গ্রিক এবং 'হায়ারোগ্লিফিক' ভাষায় অনেক লেখা ছিল। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা কয়টি অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল?
ব্যাখ্যা
চৈনিক সভ্যতা: 
- প্রাচীন চীনে তিনটি অঞ্চল ঘিরে সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল।
- যার কেন্দ্র ছিল পশ্চিমের উচ্চভূমি হতে উৎপন্ন নদীসমূহ।
- প্রথম সভ্যতা গড়ে ওঠে হোয়াং হো তীরবর্তী অঞ্চলে,
- দ্বিতীয়টি ইয়াংজেকিয়াং তীরবর্তী অঞ্চলে।
- এবং তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের সুবিস্তৃত ভূখণ্ডে।
- হোয়াংহো নদীর ধীর প্রবাহ এর দুতীরে বিস্তীর্ণ পলল ভূমির সৃষ্টি করেছে।
- তবে বর্ষায় দু-কূল ছাপিয়ে আসা বন্যায় জীবন ও ফসল অনেক সময় ধ্বংস হতো।
- আর এজন্যই ইতিহাসে হোয়াংহো পরিচয় তৈরি করেছে 'চীনের দুঃখ'।
- চীনের দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত ইয়াংজেকিয়াং বিশ্বের অন্যতম বড় নদী।
- দক্ষিণ চীনের পাহাড়ি অঞ্চল ছিল খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
উপমহাদেশে কোন সভ্যতা বিসতৃত ছিল?
  1. মেসোপটেমীয় সভ্যতা
  2. সিন্ধু সভ্যতা
  3. মিশরীয় সভ্যতা
  4. চৌ সভ্যতা
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিক অবস্থান:
- উপমহাদেশের প্রাচীনতম সিন্ধুসভ্যতার বিস্তৃতি বিশাল এলাকাজুড়ে।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পাতে এই সভ্যতার নিদর্শন সবচেয়ে বেশি আবিষ্কৃত হয়েছে।
- তা সত্ত্বেও ঐ সভ্যতা শুধু সিন্ধু অববাহিকা বা ঐ দুটি শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না।
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধু প্রদেশ, ভারতের পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাটের বিভিন্ন অংশে এই সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- ঐতিহাসিকরা মনে করেন, পাঞ্জাব থেকে আরব সাগর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ ভৌগোলিক এলাকা জুড়ে সিন্ধুসভ্যতা গড়ে উঠেছিল।
 
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
প্রাচীন গ্রিসের প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয়-
  1. আঙ্কারা
  2. এথেন্স
  3. স্পার্টা
  4. থিবস
ব্যাখ্যা
গ্রিক সভ্যতা: 
- প্রাচীন গ্রিসে প্রথম গণতন্ত্রের সূচনা হয় এথেন্সে।
- তবে প্রথম দিকে এথেন্সে ছিল রাজতন্ত্র।
- খ্রিষ্টপূর্ব সপ্তম শতকে রাজতন্ত্রের পরিবর্তে এক ধরনের অভিজাততন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ক্ষমতা চলে আসে অভিজাতদের হাতে।
- দেশ শাসনের নামে তারা শুধু নিজের স্বার্থই দেখত।
- তাদের বলা হতো 'টাইরান্ট'।
- ফলে সপ্তম খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মাঝামাঝি সময়ে রাষ্ট্রব্যবস্থায় এক পরিবর্তন আসে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
রোম নগরী প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. সিজার
  2. অক্টাভিয়ান
  3. রোমিউলাস
  4. নিরো
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা: 
-  টাইবার নদীর উৎসমুখ থেকে প্রায় বারো-তেরো মাইল
- দূরে সাতটি পর্বতশ্রেণির ওপর রোম অবস্থিত।
- এজন্য একে সাতটি পর্বতের নগরীও বলা হয়।
- ২০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীর একদল মানুষ ইতালিতে বসবাস শুরু করে।
- তাদেরকেই লাতিন বলা হতো।
- তাঁদের নাম অনুসারে ভাষার নামও হয় লাতিন ভাষা।
- লাতিন রাজা রোমিউলাস রোম নগরীর প্রতিষ্ঠা করেন।
- তাঁর নাম অনুযায়ী নগরের নাম হয় রোম।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা। 

.
মঙ্গোলীয়দের আদি ভূমি কোথায় ছিল?
  1. চীনের দক্ষিণাঞ্চল
  2. সাইবেরিয়া
  3. তিব্বত
  4. হিমালয়ের পাদদেশে
ব্যাখ্যা
মঙ্গোলীয়: 
- মঙ্গোলীয় গোত্রের মানুষ আকারে বেঁটে, দেহ সুগঠিত, শক্ত চিবুক, দাঁড়ি-গোঁফ নেই বললেই চলে, মুখাকৃতি গোলাকার এবং গায়ের বর্ণ হলদেটে।
- তিব্বতীয়, চিনা, জাপানি এবং বর্মিদের সমগোত্রীয় এরা।
- তিব্বত এবং মঙ্গোলিয়া হচ্ছে- মঙ্গোলীয়দের আদি ভূমি।
- এরা উত্তর পূর্বের পাহাড়ি পথ ধরে ভারতে প্রবেশ করে।
- এক সময় এরা আর্যদের সাথে মিশে যায়।
- বর্তমানে এই গোষ্ঠীর লোকেরা হিমালয়ের পাদদেশে সিকিম, আলমোরা, গারওয়াল, ভুটান এবং আসামের পাহাড়ে বসবাস করছে।
- ভারতে মঙ্গোলীয় জাতির লোক হিসাবে গুর্খা, ভুটিয়া এবং খাসিয়াদের নির্দেশ করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
গ্রিক সভ্যতার অন্তর্গত ছিল-
  1. মিনিয়ন ও ইজিয়ান সভ্যতা
  2. সিন্ধু ও হরপ্পা সভ্যতা
  3. ব্যাবিলনীয় ও হরপ্পা সভ্যতা
  4. মহেঞ্জাদারো ও ইজিয়ান সভ্যতা
ব্যাখ্যা
গ্রিকসভ্যতা: 
- ইজিয়ান সাগরের দ্বীপপুঞ্জে এবং এশিয়া মাইনরের পশ্চিম উপকূলে আবিষ্কৃত এ সভ্যতা।
- সন্ধান মেলে মহাকাব্যের ট্রয় নগরীসহ একশ নগরীর ধ্বংসস্তূপের।
- যাকে বলা হয় ইজিয়ান সভ্যতা বা প্রাক-ক্লাসিক্যাল গ্রিকসভ্যতা।
- ক্রিট দ্বীপ, গ্রিস উপদ্বীপের মূল ভূখণ্ড, এশিয়া মাইনরের পশ্চিম উপকূলে এবং ইজিয়ান সাগরের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপ নিয়ে গড়ে ওঠে এই সভ্যতা।
- এই সভ্যতার অধিবাসীরা ছিল সমৃদ্ধশালী সংস্কৃতি-ঐতিহ্যের অধিকারী।
- এই সভ্যতাকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
• ১. মিনিয়ন সভ্যতা:
- ক্রিট দ্বীপে যে সভ্যতার উদ্ভব এর স্থায়িত্ব ধরা হয়েছে ৩০০০ থেকে ১৪০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত।
• ২. মাইসিনীয় বা ইজিয়ান সভ্যতা:
- গ্রিসের মূল ভূখণ্ডে দক্ষিণ অঞ্চলে অবস্থিত মাইসিনি নগরের নাম অনুসারে এর নামকরণ হয়।
- এই সভ্যতার স্থায়িত্ব ছিল ১৬০০ থেকে ১১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত।
- ধারণা করা হয় বন্যা অথবা বিদেশি আক্রমণের ফলে এই সভ্যতার অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
মিশরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন হয়েছিল কার নেতৃত্বে?
  1. তুতেনখামেন
  2. মেনেস
  3. হামুরাবি
  4. রামেসেস-২
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা: 
- মিশরীয় সভ্যতা ২৫০০ বছরেরও বেশি সময়ব্যাপী স্থায়ী হয়েছিল।
- প্রাচীন মিশরের নিরবচ্ছিন্ন ও দীর্ঘ ইতিহাসের সূচনা হয় ৫০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে।
- বিশেষ করে নবোপলীয় যুগে।
- মিশরীয় সভ্যতার গোড়াপত্তন হয় মেনেসের নেতৃত্বে।
- যা প্রায় তিন হাজার বছর ধরে স্বমহিমায় উজ্জ্বল ছিল।
- খ্রিষ্টপূর্ব দশম শতকে লিবিয়ার এক যোদ্ধা জাতি ফারাওদের সিংহাসন দখল করে নেয়।
- ৬৭০-৬৬২ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে অ্যাসিরীয়রা মিশরে আধিপত্য বিস্তার করে।
- ৫২৫ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে পারস্য মিশর দখল করে নিলে প্রাচীন মিশরের সভ্যতার সূর্য অস্তমিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
মায়া সভ্যতা প্রধানত কোথায় বিস্তৃত ছিল?
  1. মেসোপটেমিয়া অঞ্চল
  2. উত্তর আফ্রিকা অঞ্চল
  3. গুয়েতেমালা ও মেক্সিকোর পূর্বাঞ্চলে
  4. সিন্ধু ও হরপ্পা অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
মায়া সভ্যতা: 
- আমেরিকার তিনটি সভ্যতা হচ্ছে যথাক্রমে মায়া, আজটেক ও ইনকা।
- গুয়েতেমালা ও মেক্সিকোর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সমৃদ্ধ জনপদ ছিল মায়া সভ্যতা।
- তাদের ভাষার লিখিত রূপটি ছবি বা চিহ্ন ব্যবহার করায় অনেকটা হায়ারোগ্লিফিক ধাঁচের ছিল।
- প্রায় ৮০০টির বেশি ছবি ব্যবহার করে তারা এই লিপির প্রচলন ঘটিয়েছিল।
- তারা গাছের বাকল দিয়ে তৈরি করা কাগজ থেকে বানাতো কোডেক্স নামের বই।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২.
রিদ্দা কীসের নাম?
  1. এক ধরনের ক্রীড়া
  2. প্রাচীন সভ্যতা
  3. ধর্মযুদ্ধ
  4. রোবটের নাম
ব্যাখ্যা
রিদ্দা যুদ্ধ: 
- আবু বকরের (রা) স্বল্পকালীন খিলাফতের বেশীর ভাগ সময় রিদ্দার (স্বধর্ম ত্যাগের) যুদ্ধে ব্যাপৃত ছিল।
- বস্তুত মহানবী (স) এর মৃত্যুর পর হেজাজ প্রদেশ ছাড়া প্রায় সমগ্র আরব দেশ নব প্রতিষ্ঠিত মুসলিম রাষ্ট্র ও ইসলাম ধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
- এসময় কতিপয় ভণ্ড নবীর উদ্ভব ঘটে।
- মুসলমানদের একদল যাকাত দানে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে।
- সমগ্র আরবে অন্তর্বিপ্লব দেখা দেয়।
- ইসলামের বিরুদ্ধে আরব গোত্রগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠে।
- ইহুদি-খ্রিস্টানগণ মাথা চাড়া দিয়ে উঠে।
- মূলত মহানবীর (স) মৃত্যুর পর ইসলাম বিরোধী শক্তিসমূহ এবং ভণ্ড নবীদের পরিচালিত আন্দোলন ইসলামের ইতিহাসে 'রিদ্দা বা স্বধর্মত্যাগী আন্দোলন'
- এবং এ আন্দোলন দমনে হযরত আবু বকর (রা) ঘোষিত যুদ্ধ 'রিদ্দা যুদ্ধ' নামে পরিচিত।
- এটি একটি ধর্মযুদ্ধ। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
মিশরের সবচেয়ে বড় পিরামিড হচ্ছে-
  1. রেড পিরামিড
  2. ফারাও খুফুর পিরামিড
  3. পিরামিড অব স্নোফ্
  4. পিরামিড অব জোসার
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা: 
- ভাস্কর্য শিল্পে মিশরীয়দের মতো প্রতিভার ছাপ আর কেউ রাখতে সক্ষম হয়নি।
- প্রতিটি শিল্পই ছিল আসলে ধর্মীয় শিল্পকলা।
- সর্বশ্রেষ্ঠ ভাস্কর্য হচ্ছে গিজার অতুলনীয় স্ফিংক্স।
- স্ফিংক্স হচ্ছে এমন একটি মূর্তি, যার দেহ সিংহের মতো, কিন্তু মুখ মানুষের মতো।
- মিশরের সবচেয়ে বড় পিরামিড হচ্ছে ফারাও খুফুর পিরামিড।
- মন্দিরগুলোতে মিশরীয় ভাস্কর্য স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন প্রতিফলিত হয়েছে।

উৎস:  বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা,  নবম দশম শ্রেণি। 
১৪.
বৃত্তকে প্রথম ৩৬০ ডিগ্রিতে ভাগ করেন কারা?
  1. ব্যাবিলনীয়রা
  2. গ্রিকরা
  3. মিশরীয়রা
  4. এ্যাসিরীয়রা
ব্যাখ্যা
• এ্যাসিরীয় সভ্যতা: 
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ১০০০-৯০০ অব্দের মধ্যে এ্যাসিরীয় সভ্যতার পত্তন ঘটে।
- ব্যাবিলন থেকে প্রায় দু'শ মাইল উত্তরে টাইগ্রিস নদীর তীরে একটি শহর গড়ে ওঠে।
- সমৃদ্ধ এ শহরের নাম এ্যাসুর।
- এ শহরের অধিবাসীরা এ্যাসিরীয় নামে পরিচিত ছিল।
- তারা গোলন্দাজ বাহিনী গঠন করে এবং যুদ্ধরথের ব্যবহার করে।
- এ্যাসিরীয় সম্রাট বিশ্বাস করতেন তিনি দেবতা অসুরের প্রতিনিধি। 
- তারাই প্রথম বৃত্তকে ৩৬০° তে ভাগ করে।
- পৃথিবীকে সর্বপ্রথম তারা অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশে ভাগ করেছিল। 

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৫.
প্রাচীন রোমান সভ্যতা কত বছর স্থায়ী ছিল?
  1. ৫শ বছর
  2. ৪শ বছর
  3. ৩শ বছর
  4. ৬শ বছর
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা: 
- গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সাম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রোমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রোমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- প্রথম দিকে রোম একজন রাজার শাসনাধীন ছিল।
- এ সময় একটি সভা ও সিনেট ছিল।
- রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে রোমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রোমান সভ্যতা প্রায় ছয়'শ বছর স্থায়ী হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি।
১৬.
প্রথম সপ্তাহকে সাত দিনে বিভক্ত করে কোন সভ্যতায়?
  1. ক্যালডীয়
  2. গ্রিক
  3. রোমান
  4. মিশরীয়
ব্যাখ্যা
ক্যালডীয় সভ্যতা: 
- ক্যালডীয়দের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মেসোপটেমীয় সভ্যতা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়।
- মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ক্যালডীয় সভ্যতা নামে পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা নেবোপালেসার।
- এ্যাসিরীয়দের সমৃদ্ধ রাজধানী নিনেভা ধ্বংস করে।
- পুনরায় ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরী ব্যাবিলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ও তাদের সভ্যতা গড়ে তোলে বলে এ সভ্যতা নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা নামেও পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের  শাসক ছিলেন সম্রাট নেবুচাঁদ নেজার।
- ক্যালডীয়রাই প্রথম সপ্তাহকে সাত দিনে বিভক্ত করে।
- আবার প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে।
- বছরের দৈর্ঘ্যও তারা বের করে।
- এ যুগের জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৭.
বাইজানটাইন সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিল-
  1. সিরিয়া
  2. জর্ডান
  3. ফিলিস্তিন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাইজানটাইন সাম্রাজ্য: 
- সিরিয়া, জর্ডান, ফিলিস্তিন ও মিশরের বিস্তীর্ণ সাম্রাজ্য বাইজানটাইন সাম্রাজ্য নামে পরিচিত ছিল।
- রোমানরা এ সাম্রাজ্যের শাসক ছিল।
- প্রথমদিকে বাইজান্টাইন সম্রাট হিরাক্লিয়াসের সাথে মহানবী (স)-এর সম্পর্ক ভাল ছিল,
- কিন্তু পরবর্তীকালে নানা কারণে রোমান সাম্রাজ্যে অভিযান মুসলমানদের জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়ে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৮.
কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয় কোন সভ্যতায়?
  1. মিশরীয় সভ্যতা
  2. রোমান সভ্যতা
  3. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  4. গ্রিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা: 
- রোমান স্থাপত্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এর বিশালতা।
- সম্রাট হার্ডিয়ানের তৈরি ধর্মমন্দির প্যানথিয়ন রোমানদের স্থাপত্যের এক অসাধারণ নিদর্শন।
- ৮০ খ্রিষ্টাব্দে রোমান সম্রাট টিটাস কর্তৃক নির্মিত কলোসিয়াম নাট্যশালা নির্মিত হয়,
- যেখানে একসঙ্গে ৫৬০০ দর্শক বসতে পারত।
- স্থাপত্যকলার পাশাপাশি রোমান ভাস্কর্যেরও উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল।
- রোমান ভাস্করগণ দেব-দেবী, সম্রাট, দৈত্য, পুরাণের বিভিন্ন চরিত্রের মূর্তি তৈরি করতেন মার্বেল পাথরের।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা,  নবম- দশম শ্রেণি।
১৯.
আব্বাসীয় বংশের পতন ঘটে কখন?
  1. ১২৫৮খ্রি.
  2. ১২০০খ্রি.
  3. ১৫৩০খ্রি.
  4. ১৪২৬খ্রি.
ব্যাখ্যা
আব্বাসীয় শাসনামাল: 
- ইসলামের ইতিহাসের গৌরবদীপ্ত অধ্যায়ের সূচনা অংশ হচ্ছে আব্বাসীয় বংশের শাসন।
- উমাইয়া খিলাফতের পতনের পর ৭৫০ খ্রি. আব্বাসীয় রাজবংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- আব্বাসীয়দের সুদীর্ঘ পাঁচশ বছরের রাজত্বকাল ।
- উমাইয়া যুগ ছিল আরবদের একক আধিপত্যের যুগ।
- আব্বাসীয়রা আরব-অনারব সকল শ্রেণীর মুসলমানদের সমান অধিকার দান করেন।
- তাই আব্বাসীয় খিলাফত ছিল সর্বজনীন।
- আব্বাসীয় রাজবংশে মোট ৩৭ জন খলিফা শাসন পরিচালনা করেছেন।
- তাঁরা ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ হতে ১২৫৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শাসনকার্য পরিচালনা করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
ইনকা সভ্যতার নিদর্শন মাচুপিচু আবিষ্কার করেন কে?
  1. জেমস ব্রুস
  2. হেনরি রলিনসন
  3. আলবার্ট শ্লায়মান
  4. হিরাম বিংহ্যাম
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা: 
- পেরুর সুউচ্চ সবুজ পাহাড় থেকে নেমে এসেছে উরুবামবা নদী।
- এই পাহাড়ি এলাকাতেই প্রাচীন ইনকাদের শহর।
- ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২৪০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত লাতিন আমেরিকায় ইনকাদের হারানো শহর মাচুপিচু।
- ১৯১১ সালে মার্কিন ঐতিহাসিক হিরাম বিংহ্যাম এই সভ্যতার নিদর্শন আবিষ্কার করেন।
- তিনি শুরুতে মাচুপিচুকে ভিলকা বাম্বা বলে মনে করেন।
- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উপরে অবস্থিত ইনকা শহর মাচুপিচুর নির্মাণ শেষ হয় ১৪৫০ সালে।
- ধারণা করা হয় ইনকা সম্রাট পাচাকুটির নির্দেশে হয়েছিল এই নির্মাণ।
- কেউ কেউ দাবি করেন- ইউরোপীয়দের আগ্রাসনের সময় মহামারির কবলে পড়েছিল মাচুপিচু।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা,  নবম- দশম শ্রেণি।
২১.
সভ্যতার ইতিহাসে রোমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান-
  1. পিরামিড নির্মাণ
  2. বর্ণমালার আবিষ্কার
  3. আইন প্রণয়ন
  4. দার্শনিক চিন্তা
ব্যাখ্যা
• রোমান সভ্যতা: 
- বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে রোমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান হচ্ছে আইন প্রণয়ন।

- খ্রিষ্টপূর্ব পাঁচ শতকের মাঝামাঝি সময়ে রোমানরা ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনগুলো সুষ্ঠুভাবে একসঙ্গে সাজাতে সক্ষম হন।
- ৫৪০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে ১২টি ব্রোঞ্জ পাতে সর্বপ্রথম আইনগুলো খোদাই করে লিখিত হয়।
- রোমান আইনের দৃষ্টিতে সকল মানুষ সমান।
- রোমান আইনকে তিনটি শাখায় ভাগ করা হয়েছে। যেমন-
• বেসামরিক আইন:
- এই আইন পালন করা রোমান নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল।
- এই আইন লিখিত অলিখিত দুই রকম ছিল।
• জনগণের আইন: 
- জনগণের আইন এ আইন সকল নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- তাছাড়া ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার বিষয়টি এই আইনে ছিল।
- তবে এর মাধ্যমে দাসপ্রথাও স্বীকৃতি লাভ করে।
- সিসেরো এ আইনের প্রণেতা।
• প্রাকৃতিক আইন:
- এ আইনে মূলত নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে।
- খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতকে সম্রাট জাস্টিনিয়ান প্রথম সমস্ত রোমান আইনের সংগ্রহ ও সংকলন প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা,  নবম- দশম শ্রেণি।
২২.
নিচের কোনটি মেসোপটেমীয় সভ্যতার অংশ নয়?
  1. ব্যাবিলনীয়
  2. এসেরীয়
  3. ক্যালডীয়
  4. গ্রীক
ব্যাখ্যা
- গ্রীক সভ্যতা মেসোপটেমীয় সভ্যতার অংশ নয়। 

• মেসোপটেমীয় সভ্যতা: 

- মূলত সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয়, এসেরীয় এবং ক্যালডীয় সভ্যতার সম্মিলিত রূপকেই আমরা জেনে থাকি মেসোপটেমীয় সভ্যতা হিসেবে।
- এই সভ্যতা শুরু হয়েছিল খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ অব্দের দিকে।
- বর্তমান ইরাক থেকে শুরু করে ফার্টাইল ক্রিসেটের প্রায় পুরোটা ছিল এই সভ্যতার বিস্তার।
- এই সভ্যতার বিকাশ যে অঞ্চলে ঘটেছিল তার উত্তরে আর্মেনিয়ার পার্বত্যাঞ্চল, পশ্চিম ও দক্ষিণে আরব মরুভূমি, দক্ষিণ-পূর্বে পারস্য উপসাগর,
- পূর্বে এলাম পার্বত্যাঞ্চল এবং পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর অবস্থিত।
- উত্তর ও পূর্বদিকে উচ্চ পার্বত্যাঞ্চল মেসোপটেমিয়াকে প্রাকৃতিক প্রাচীরের সুবিধা দিয়েছে।
- আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সুমেরীয়, আক্কাদীয়, আমোরাইট, ক্যাসাইট, এসেরীয় এবং ক্যালডীয় জাতিগোষ্ঠী মিলে প্রাচীনকালে এই ভূখণ্ডে একটি উন্নত সভ্যতা গড়ে তুলেছিল।
- কৃষির জন্য সেচ আর যাতায়াতের ক্ষেত্রে চাকার আবিষ্কার ছিল এই সভ্যতার জন্য যুগান্তকারী অর্জন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।