পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
[৯ম - ১৩তম গ্রেড নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা] বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি পরীক্ষা টপিক: ১. ডাটাবেজ সিস্টেম, ২. ডাটা কমিউনিকেশন, ৩. তথ্য প্রযুক্তির গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, ৪. দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]। [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
কী নিয়ে রিপোর্ট তৈরি করা যায়?
  1. স্কিমা
  2. এনটিটি
  3. অ্যাট্রিবিউট
  4. ফিল্ডের রেকর্ড
ব্যাখ্যা
রিপোর্ট: 
- এক্সেস প্রোগ্রামের সাহায্যে বিপুল পরিমান ডাটা থেকে কোন টেবিলের ডাটা প্রিন্ট করতে চাইলে রিপোর্ট আকারে প্রিন্ট করা হয়। 
- রিপোর্ট শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো প্রতিবেদন। 
- ডাটা টেবিলে বিভিন্ন রকম ডাটা বিভিন্নভাবে সাজানো থাকে। 
- ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ বা ফিল্ডের রেকর্ডসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রর্দশনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে। 
- সাধারণত কোন তথ্য সরবরাহ বা বিতরণ করার জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়। 
- ডাটা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি কলাম ও রো অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়। 
- ডাটাবেজে রিপোর্টের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ডেটা টেবিলের ভিত্তিতে নয়, কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য দিয়েও রিপোর্ট তৈরি করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
তারের মাধ্যমে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত ডাটা ট্রান্সমিশন মিডিয়া কোনটি? 
  1. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
  2. ইনফ্রারেড
  3. রেডিও ওয়েভ
  4. মাইক্রো ওয়েভ
ব্যাখ্যা

ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম: 
- কম্পিউটার এবং অন্যান্য আইসিটি ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডাটা আদান প্রদানের ক্ষেত্রে সিগন্যাল ব্যবহার করা হয় অর্থাৎ, সিগন্যাল ডাটাকে উপস্থাপন করে থাকে। 
- এই সিগন্যালকে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে পাঠানোর জন্য ট্রান্সমিশন মিডিয়া দরকার হয়। 
- প্রেরক এবং দূরবর্তী প্রাপকের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের জন্য প্রয়োজন উভয় প্রান্তের মধ্যে সংযোগ, এই সংযোগ ব্যবস্থাকে বলা হয় মাধ্যম। 
- যে মাধ্যমে কোন একটি নেটওয়ার্কের সকল ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে তাকে ডাটা ট্রান্সমিশন মিডিয়া বা মাধ্যম বলে। 
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া দুই ধরনের। 
যথা- 
ক। তার মাধ্যম (Guided/Wired Media): 
- ডাটা কমিউনিকেশনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল তার মাধ্যম। 
- ধাতব পদার্থ দিয়ে তৈরি এই মাধ্যম ডাটাকে গাইড করে প্রেরক যন্ত্র থেকে গ্রাহক যন্ত্রে নিয়ে যায় বলে এ মাধ্যমকে গাইডেড মাধ্যম বলা হয়। 
- তার মাধ্যম মিডিয়াকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়- 
১। টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
২। কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও 
৩। অপটিকাল ফাইবার । 

খ। তারবিহীন মাধ্যম (Unguided/Wireless Media): 
- ওয়‍্যারলেস কথাটির অর্থ তার বিহীন বা তারহীন। 
- তার বিহীন যোগাযোগ বা ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশন হলো এমন ধরণের যোগাযোগ যেখানে কোন তার বা ক্যাবলের প্রয়োজন হয় না। 
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনে সাধারণত রেডিও ওয়েভব্যবহার করা হয়। 
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশনের মিডিয়াকে কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়- 
১। রেডিও ওয়েভ (Radio wave), 
২। মাইক্রো ওয়েভ (Micro wave) ও 
৩। ইনফ্রারেড (Infrared) । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
SQL কোন সালে তৈরি করা হয়?
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা

SQL: 
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language। 
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার। 
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো। 
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে। 
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়। 
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে। 
- SQL কুয়েরি প্রয়োগ করার জন্য SQL উইন্ডো ওপেন করে নিতে হয়। 
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়। 

SQL ফিচার সুবিধা: 
- SQL ইংরেজি ভাষার কাছাকাছি একটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ। এতে SELECT, INSERT, DELETE এ রকম শব্দ দ্বারা কমান্ডসেট তৈরি করা হয়েছে। 
- SQL একটি non-procedural ল্যাংগুয়েজ। যে তথ্যাবলি দরকার কেবল তা বলে দিলেই হয়, কিভাবে কুয়েরি করা যাবে তা বলার দরকার হয় না। 
- SQL একই সময়ে এক একটি রেকর্ডকে প্রসেস না করে বরং এক সেট রেকর্ড প্রসেস করে। 
- SQL বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। যেমন- ডাটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর, প্রোগ্রামার, ম্যানেজমেন্ট বা বিভিন্ন প্রান্তিক ব্যবহারকারী (End User) ইউজারগণ। 
- SQL বিভিন্ন শ্রেণির কার্যসম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা যায়। 
যেমন- 
• ডাটা কুয়েরি করা। 
• ডাটা সন্নিবেশ, আপডেট বা মুছে ফেলা। 
• ডাটাবেজ অবজেক্ট তৈরি, সংশোধন বা মুছে ফেলা। 
• ডাটাবেজ অবজেক্ট এ্যাকসেস নিয়ন্ত্রণ। 
• ডাটাবেজ Consistency-এর নিশ্চয়তা প্রদান। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বর্তমান সময়ে পণ্য ডিজাইন তৈরি করার জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. CAD
  2. TQM
  3. ERP
  4. BIM
ব্যাখ্যা
কর্মসংস্থান: 
- বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। 
- কর্মসংস্থানের জন্য কম্পিউটার অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। 
- পণ্য ডিজাইন থেকে শুরু করে ঝুঁকিপূর্ণ কার্যাদি সম্পাদনের জন্য কল-কারখানায় দক্ষতা ও সফলতার সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- আজকের পৃথিবীতে শিল্পোৎপাদনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। 

- বর্তমানকালে CAD (Computer Aided Design) ব্যবহার করে অল্প সময়ে পণ্যের চমৎকার সব ডিজাইন তৈরি করা যায়। 
- আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং বাজার ঠিক রাখা ও বাজার বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থাপনা উৎপাদন ক্ষেত্রে Total Quality Management (TQM) প্রয়োগ করছে। 
- TQM প্রয়োগের বড় সহায়ক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। 
- যন্ত্রপাতির সঠিক কার্যক্রম ও প্রয়োগেই কেবল মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম। 
- কারখানায় কিছু কাজ থাকে যেগুলো খুবই সূক্ষ্ম, আবার কিছু কাজ আছে যেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ ও শ্রমসাধ্য। 
যেমন- কম্পিউটার কিংবা ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশ তৈরি, খনিতে উত্তোলনের কাজ অথবা ভারী শিল্পের বড় বড় স্থানান্তর করার কাজ রোবটের মাধ্যমে করানো হয়। তাছাড়া প্রতিকূল পরিবেশ যেখানে মানুষের পক্ষে কাজ করা দুষ্কর সেখানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রিত রোবট দিয়ে কাজ করাতে দেখা যায়। 
- এছাড়াও শ্রমিক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের হিসাব, বার্ষিক রিপোর্ট ও বার্ষিক বাজেট তৈরির কাজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে করা সম্ভব হচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি ডাটাবেজের উপাদান নয়? 
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. প্রসেসর
  4. ডাটা টেবিল
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ: 
- ডাটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ সমাবেশ। 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হলো ডাটাবেজ। 
- একটি ডাটাবেজের এক বা একাধিক টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট মডিউল ইত্যাদি ফাইল থাকতে পারে। 
- ডাটাবেজকে তথ্যভাণ্ডার বলা হয়, চারপাশে অজস্র তথ্য ও উপাত্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- তবে এ সমস্ত তথ্যের সমাবেশকে ডাটাবেজ বলা যাবে না, কারণ ডাটাবেজ হল সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক আছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি। 

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান: 
- ডাটাবেজের অনেকগুলো উপাদান আছে। 
যেমন- ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল ইত্যাদি। 
- সমজাতীয় অনেকগুলো ডাটাকে একটি টেবিলে রাখা হয়। 
- একটি টেবিলে অনেকগুলো কলাম ও সারি থাকে। 
- প্রত্যেকটি কলামের একটি করে শিরোনাম থাকে। 
- শিরোনামগুলো ফিল্ড নামে পরিচিত। 
- আর পাশাপাশি কয়েকটি কলামের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সারি। 
- প্রতিটি সারিকে বলা হয় রেকর্ড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশন কয় ধরনের?
  1. ২ ধরনের
  2. ৪ ধরনের
  3. ৩ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা

ওয়্যারলেস কমিউনিকেশনের ধরন: 
- ওয়‍্যারলেস কমিউনিকেশন মূলত ৪ ধরনের। 
যথা- 
১। ওয়‍্যারলেস প্যান (Wireless Personal Area Network-WPAN): 
- অপেক্ষাকৃত কম দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত বিভিন্ন আইসিটি ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ স্থাপন করা হলে তাকে ওয়‍্যারলেস পার্সোনাল এরিয়া বা WPAN বলে। 
যেমন- মোবাইল ফোন, পিডিএ, ল্যাপটপ, মাউস, প্রজেক্টর ইত্যাদি ডিভাইস নিয়ে গঠিত কমিউনিকেশন ব্যবস্থাই হল ওয়‍্যারলেস প্যান। 

২। ওয়‍্যারলেস ল্যান (Wireless Local Area Network-WLAN): 
- একটি নির্দিষ্ট বিল্ডিং বা স্কুলের মধ্যে অবস্থিত দুই বা ততোধিক ডিভাইসের মধ্যে স্থাপিত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাকে ওয়‍্যারলেস লোকাল এরিয়া বা WLAN বলে। 
- WLAN সংযোগের জন্য সংযোগকারী ডিভাইসের মধ্যে ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। 

৩। ওয়‍্যারলেস ম্যান (Wireless Metropoliton Area Network-WMAN): 
- সাধারণত একটি শহর এলাকার বিভিন্ন আইসিটি ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ স্থাপন করা হলে তাকে ওয়‍্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া বা WMAN বলে। 

৪। ওয়‍্যারলেস ওয়ান (Wireless Wide Area Network-WWAN): 
- সাধারণত অনেকগুলো শহর এলাকার বিভিন্ন আইসিটি ডিভাইসের মধ্যে তারবিহীন যোগাযোগ স্থাপন করা হলে তাকে ওয়‍্যারলেস ওয়াইড এরিয়া বা WMAN বলে। 
যেমন- ইন্টারনেটের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে কী বলে?
  1. ডাটা এনক্রিপশন
  2. ডাটা ডিক্রিপশন
  3. সাইফার টেক্সট
  4. প্লেইন টেক্সট
ব্যাখ্যা
ডাটা এনক্রিপশন: 
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়। 
- ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না। 
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে। 
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপ্ট করার নিয়ম বা প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপ্ট করার নিয়ম দেয়া থাকে। 
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়। 
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম নিম্নে দেয়া হলো- 
১। সিজার কোড (Caesar Code) ও 
২। ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard-DES)। 

- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। 
যথা: 
প্লেইন টেক্সট: যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়। 
সাইফার টেক্সট: মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়। 
এনক্রিপশন এলগরিদম: গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 
কী: গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের মিডিয়া নয় কোনটি?
  1. টেলিভিশন
  2. স্বরযন্ত্র
  3. স্যাটেলাইট
  4. ফাইবার অপটিকস
ব্যাখ্যা

কমিউনিকেশন সিস্টেম: 
বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে কমিউনিকেশন সিস্টেম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 
- বর্তমান কমিউনিকেশন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হচ্ছে ইন্টারনেট। 
- ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে একাধারে যেমন ব্যয় হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে তেমনি কার্য সম্পাদনের গতিও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা সম্ভব হয়েছে। 
- গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত উন্নত কমিউনিকেশন সিস্টেম সহজ করেছে দূরবর্তী অবস্থানের সাথে দ্রুত ও নির্ভুল তথ্যের আদান-প্রদান। 
- দুইটি পক্ষের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে মাধ্যম ব্যবহার করা হয় তাকে কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে। 
- কমিউনিকেশন সিস্টেমে তথ্য আদান প্রদানের জন্য নিচের কাজ গুলো করতে হয়- 
১. তথ্য আদান প্রদান ব্যবস্থাপনা করা। 
২. তথ্যের উৎস, গন্তব্য নির্ধারণ করা। 
৩. ডাটার নিরাপত্তা প্রদান। 
৪. হারানো তথ্য পুনরুদ্ধার। 
৫. সম্পূর্ন সিস্টেমের বিভিন্ন যন্ত্রপাতির ব্যবস্থাপনা করা। 

বিভিন্ন ধরনের কমিউনিকেশন সিস্টেম: 
- পৃথিবীতে অনেক ধরনের কমিউনিকেশন সিস্টেম রয়েছে। 
যেমন- 
বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম: শরীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে। যেমন- মস্তিষ্ক, স্বরযন্ত্র, কান, হাত ইত্যাদি অঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ করা হয়। 
গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেম: গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেমে সকল ধরনের যোগাযোগ ছবি ও চিহ্নের মাধ্যমে ভিজুয়ালী প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়। 
টেলিকমিউনিকেশন: দূরবর্তী স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থা। দূরবর্তী যোগাযোগের জন্য টেলিফোন ব্যবহার করার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে টেলিকমিউনিকেশন বলে। যেমন- মোবাইল ফোনে দুই জনের মধ্যে কথোপকথোন। 
ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন: বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় বা যে যোগাযোগ গড়ে উঠে তাকে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন বলে। ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের জন্য অনেক মিডিয়া ব্যবহার করা হয়। যেমন- রেডিও, টেলিভিশন, ফাইবার অপটিকস, ফ্যাক্স, স্যাটেলাইট ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব?
  1. প্রথম প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  2. দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  3. তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
  4. চতুর্থ প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমে
ব্যাখ্যা
মোবাইলের দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০): 
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়। 
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়। 
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো- 
১। দ্বিতীয় প্রজন্মে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয়। 
২। GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব। 
৩। সিগনাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। 
8। পেজিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। 
৫। SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়। 
৬। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
X কখন চালু হয়? 
  1. ২২ মার্চ, ২০০৬
  2. ১৫ জুলাই, ২০০৬
  3. ১০ আগস্ট, ২০০৭
  4. ১২ অক্টোবর, ২০০৮
ব্যাখ্যা
X (Twitter): 
- Twitter এর বর্তমান নাম হচ্ছে X. 
- X হচ্ছে সামাজিক আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা ও মাইক্রোব্লগিংয়ের ওয়েবসাইট। 
- X-এর বর্তমান মালিক ইলন মাস্ক। 
- X-এর বর্তমান CEO: Linda Yaccarino (Jun 5, 2023 – present). 
- X-এর Founders ছিলেন: Jack Dorsey, Evan Williams, Biz Stone, Noah Glass. 
- X চালু হয় ১৫ জুলাই, ২০০৬ সালে (তবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২১ মার্চ, ২০০৬ সালে)। 
- X-এর সদর দপ্তর: San Francisco, California, United States. 
- X-এ ফেসবুকের মতো পোস্টকে টুইট (Tweet) বলা হয়। 
- X-এ ব্যবহারকারীর টুইটের সীমাবদ্ধতা ২৮০ অক্ষর (পূর্বে ১৪০ অক্ষর ছিল)। 

উৎস: X-এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
১১.
ডাটা স্থানান্তরের কোন ব্যান্ডউইডথকে 'Sub Voice Band' নামে চিহ্নিত করা হয়?
  1. ন্যারো ব্যান্ড
  2. ব্রড ব্যান্ড
  3. ভয়েস ব্যান্ড
  4. অপটিক্যাল ব্যান্ড
ব্যাখ্যা
ব্যান্ডউইডথ: 
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের হারকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে। এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়। 
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত Bit Per Second (bps) এ হিসাব করা হয়। 
অর্থাৎ, প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bps বা ব্যান্ডউইডথ বলে। 
- এই ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। ন্যারো ব্যান্ড: 
- ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে, এই ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা Sub Voice Band বলে। 
- ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- টেলিগ্রাফিতে ন্যারো ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়। 

২। ভয়েস ব্যান্ড: 
- এই ব্যান্ডের ডাটা গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়। 
- তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়। 

৩। ব্রড ব্যান্ড: 
- ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইডথ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড (Mbps) হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। 
- তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
কোন কোম্পানিকে Big Blue বলা হয়?
  1. Meta
  2. IBM
  3. Google
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা
আইবিএম (IBM): 
- IBM হচ্ছে একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। 
- IBM এর পুরো নাম International Business Machines Corporation. 
- IBM ১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- প্রথমে নাম ছিল Computing - Tabulating - Recording Company (CTR), পরবর্তীতে ১৯২৪ সালে IBM নামকরণ করা হয় ৷ 
- IBM কোম্পানিকে Big Blue (বিগ ব্লু) বলা হয়। 
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত। 
- IBM এর তৈরিকৃত প্রথম কম্পিউটার হলো- IBM 5150. 
- IBM কোম্পানির বিশেষ উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার হলো- ATM, Hard Disk, Floppy disc. 
- Hyperledger হলো IBM এর একটি ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম। 
- হাইপারলেজার হলো একটি ওপেন সোর্স সহযোগিতামূলক ক্রস-ইন্ডাস্ট্রি ব্লকচেইন প্রযুক্তি। 

উৎস: IBM Website.
১৩.
কোন যন্ত্রে শুধু একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড থাকে?
  1. রেডিও
  2. ওয়াকিটকি
  3. টেলিফোন
  4. মোবাইল
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- ডাটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা পাঠানো হয়। 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex): 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex): 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। সিমপ্লেক্স (Simplex): 
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
ইনডেক্সিং বলতে কী বোঝায়? 
  1. ডাটাবেজ ব্যাকআপ তৈরির পদ্ধতি
  2. এলোমেলোভাবে ডাটা সংরক্ষণ করার পদ্ধতি
  3. ডাটাবেজ থেকে ডাটা মুছে ফেলার প্রক্রিয়া
  4. ডাটা ফাইলের রেকর্ডগুলো নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং। 
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো। 
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো- 
• ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে। 
• ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়। 
• ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
• একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়। 

ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে- 
• ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
• সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়। 
• ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
ডাটা কমিউনিকেশনের প্রথম উপাদান কী? 
  1. তথ্য
  2. মাধ্যম
  3. প্রাপক
  4. গন্তব্য
ব্যাখ্যা
ডাটা কমিউনিকেশন: 
- এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অথবা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডাটার আদান প্রদান বা তথ্য বিনিময়কে ডাটা কমিউনিকেশন বা ডাটা স্থানান্তর বলা হয়। 
- ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটার ও দূরবর্তী টার্মিনালের মধ্যে ডাটা স্থানান্তর প্রক্রিয়ার প্রচলন শুরু হয়। 
- পরবর্তীতে টার্মিনালের পরিবর্তে কম্পিউটার ব্যবহার করার মাধ্যমেই শুরু হয় ডাটা স্থানান্তরের প্রচলন। 

ডাটা কমিউনিকেশনের উপাদান: 
- ডাটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মূলত ৬ টি উপাদান থাকে। 
যথা- 
১। ডাটা বা তথ্য (Information): 
- ডাটা কমিউনিকেশনের প্রথম উপাদান হচ্ছে ডাটা বা তথ্য। কমিউনিকেশনের জন্য ডাটা হতে পারে শব্দ, অক্ষর, সংখ্যা, ছবি ইত্যাদি। 

২। ডাটার উৎস (Source): 
- যে ডিভাইস থেকে ডাটা সংগ্রহ করা হয় তাকে উৎস বলা হয়। উৎস ডাটা বা তথ্য তৈরি করে। ডাটার উৎসের উদাহরণ হলো কম্পিউটার, টেলিফোন। 

৩। প্রেরক (Sender): 
- প্রেরক 'উৎস' হতে ডাটা নিয়ে কমিউনিকেশনের বাহককে বা মাধ্যমকে পাঠায়। প্রেরক নির্দিষ্ট একটি যন্ত্র ব্যবহার করে ডাটাকে ট্রান্সফরম এবং এনকোড করে প্রেরণ উপযোগী সিগন্যাল তৈরী করে। যেমন-মডেম। 

৪। মাধ্যম (Medium): 
- যার মাধ্যমে ডাটাসমূহ একস্থান থেকে অন্যস্থানে অথবা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর করা হয় তাকে ডাটা প্রবাহের বাহক বা মাধ্যম বলা হয়। যেমন- ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট, অপটিক্যাল ফাইবার, টেলিফোন লাইন, মডেম ইত্যাদি। 

৫। প্রাপক (Receiver): 
- যে ডিভাইস ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম থেকে ডাটা গ্রহণ করে তাকে প্রাপক বলে। 

৬। গন্তব্য (Destination): 
- উপাত্তের উৎস বা প্রেরক ডাটা কমিউনিকেশন মাধ্যম ব্যবহার করে যার নিকট বা যে ডিভাইস ডাটা গ্রহণ করে তাকে উপাত্তের গন্তব্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। যেমন- কম্পিউটার, সার্ভার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।