পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes১৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১১ বিস্ময়: বাংলাদেশ বিষয়াবলী --------------- টপিক: i) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থা। ii) প্রাচীন জনপদ, বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, জাতীয় অর্জন। iii) ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গান ও চলচ্চিত্র। iv) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন ও সাম্প্রতিক বাংলাদেশ। [নম্বর কাভার - ৬]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
এ পর্যন্ত বাংলাদেশে কতটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৭টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১২টি
ব্যাখ্যা
এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
• প্রথম জাতীয় সংসদ

- বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। 
- সে সময় ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন হলেও ১৫টি আসন সংরক্ষিত ছিল নারীদের জন্য।
- মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ প্রথম নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৩টিতে জয়লাভ করেছিল। 
- স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্বাচিত হয়েছিলেন ঢাকা-৬ আসন থেকে।
- তেজগাঁওয়ে অবস্থিত তখনকার জাতীয় সংসদ ভবনে ওই সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল ৭ এপ্রিল।

• দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন 
- প্রথম সংসদ নির্বাচনের প্রায় ৮ বছর পর দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি।
- সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে ওই নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ৩০টি৷ 
- সেই নির্বাচনে মাস ছয়েক আগে প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি ২০৭টি এবং আওয়ামী লীগ ৫৪টি আসনে জয় পেয়েছিল৷
- দ্বিতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ওই বছরের ২ এপ্রিল৷

• তৃতীয় সংসদ নির্বাচন
- বিএনপির বর্জনের মধ্যে তৃতীয় সংসদ নির্বাচন হয় ১৯৮৬ সালের ৭ মে৷ সাবেক সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের দল জাতীয় পার্টি ১৫৩টি, আওয়ামী লীগ ৭৬টি এবং জামায়াতে ইসলামী ১০টি আসনে জয় পায়।

• চতুর্থ সংসদ নির্বাচন
- তৃতীয় সংসদের দুই বছরের মাথায় ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ চতুর্থ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় এরশাদের শাসনামলে৷
- আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ প্রায় সব দলের বর্জনের মধ্যে ওই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ২৫১টি আসনে জয় পেয়েছিল।
- সংরক্ষিত নারী আসন সংক্রান্ত আইনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ওই সংসদে মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০০টি৷

• পঞ্চম সংসদ নির্বাচন
- পঞ্চম সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনী ব্যবস্থায় নতুন ধারায় প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- গণআন্দোলনে এরশাদের বিদায়ের পর তখনকার প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে প্রধান করে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই নির্বাচন হয়।
- পঞ্চম সংসদে বিএনপি ১৪০টি, আওয়ামী লীগ ৮৮টি আর জাতীয় পার্টি ৩৫টি আসনে জয়লাভ করে৷
 - এছাড়া নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ৩০ জন নারী সাংসদ নির্বাচিত হন৷
- তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি সংবিধানের অংশ না থাকলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আন্দোলনের মুখে পরের সংসদে সেটির বিল পাস করা হয়েছিল৷

• ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন 
- আওয়ামী লীগসহ অধিকাংশ বিরোধী রাজনৈতিক দলের বর্জনের মধ্যে ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি৷
- সে সময় ৩০০ আসনের মধ্যে বিএনপি ২৭৮টিতে জয়লাভ করে৷ মাত্র চার কার্যদিবস সংসদ বসার পর তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। 
- তার আগে সেই সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস হয়।

• সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন হয় সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। 
- সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৪৬টি, বিএনপি ১১৬টি এবং জাতীয় পার্টি ৩২টি আসনে জয়লাভ করে৷
- পরে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে ২১ বছর পর সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ৷

• অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি ও চার দলীয় জোট সরকার। 
- ৩০০ আসনের ১৯৩টিতে বিএনপি আর ৬২টিতে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়৷

• নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে সবশেষ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর। 
- সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট সরকার ২৬৩টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে।
- দুই বছর সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পর আসা ওই নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৩টি আসন পায়।
- নবম সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী এনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

• দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- এরপর বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের বর্জনের মধ্যে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। 
- ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

• একাদশ সংসদ নির্বাচন
- ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ভোট হয়। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ ৩৯ দল অংশ নেয়। ৮০% ভোট পড়ে।
 - আওয়ামী লীগ ২৫৯টি আসন পেয়ে আবারও সরকার গঠন করে।  জাতীয় পার্টি পায় ২০টি আসন। ওয়ার্কার্স পার্টি ৩টি, জাসদ ২টি, বিকল্প ধারা ২টি, তরীকত ফেডারেশন ১টি, জাতীয় পার্টি (জেপি) ১টি আসন পায়।

• দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- ২০২৪ সালের ০৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। 
- ১১ জানুয়ারি ২০২৪ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন। 

উৎস- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, জাতীয় দৈনিক পত্রিকা।
.
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বর্তমান সভাপতি কে?
  1. শেখ রেহেনা
  2. ওবায়দুল কাদের
  3. শেখ হাসিনা
  4. সিমিন হোসেন রিমি
ব্যাখ্যা
‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’
- ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক সংগঠন।
- দলটি বর্তমানে সরকার পরিচালনার দায়িত্বে।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে দলটির গোড়াপত্তন।
- ১৯৫৫ সালে মওলানা ভাসানীর উদ্যোগে অসাম্প্রদায়িক চেতনা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠনটির নাম থেকে পরে 'মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে নাম রাখা হয় 'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ।
- পরবর্তীতে এটি ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ নাম ধারণ করে।  
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে দলটির সভাপতি।
- ওবায়দুল কাদের দলটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক।
- শেখ রেহেনা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহোদর বোন। 
- সিমিন হোসেন রিমি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের মেয়ে। 

উৎস: বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।  
.
‘১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড: প্রবাসে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার দুঃসহ দিন’ বইটির রচয়িতা কে?
  1. পীর হাবিবুর রহমান
  2. এম আর আখতার মুকুল
  3. সরাফ আহমেদ
  4. শেখ সাদী
ব্যাখ্যা
১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড: প্রবাসে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার দুঃসহ দিন
- ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যাকাণ্ডের সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছিলেন বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- বেলজিয়াম, জার্মানি, ভারত ও ব্রিটেনে কীভাবে কেটেছিল তাঁদের সেই সব দুঃসহ দিন সেই বর্ণনা রয়েছে বইটিতে।
- ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ সাড়া জাগানো এই বইটির লেখক সরাফ আহমেদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী এবং জার্মান প্রবাসী সাংবাদিক ও লেখক।
- ২০২১ সালে প্রথমা প্রকাশন থেকে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।

সূত্র- প্রথম আলো।
.
২০২৪ সালে স্বাধীনতা পুরষ্কার পেয়েছেন কত জন নাগরিক?
  1. ৮ জন
  2. ৯ জন
  3. ১০ জন
  4. ১১ জন
ব্যাখ্যা
 স্বাধীনতা পুরস্কার - ২০২৪
- 'স্বাধীনতা পুরস্কার' বাংলাদেশের জাতীয় এবং "সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার"। 
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ' থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা। 
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পাচ্ছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন—

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে
• কাজী আব্দুস সাত্তার
• বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মো. ফজলুল হক (মরণোত্তর)
• ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মো. নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর)।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে
• ড. মোবারক আহমদ খান।

চিকিৎসাবিদ্যায়
• ডা. হরিশংকর দাশ।

সংস্কৃতিতে
• মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।

ক্রীড়ায়
• ফিরোজা খাতুন

সমাজ বা জনসেবায়
• অরন্য চিরান
• বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী 
• এসএম আব্রাহাম লিংকন। 

উৎস:- মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইট।  
.
পাঙন সম্প্রদায় কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. চট্রগ্রাম
  2. নেত্রকোনা
  3. রাঙামাটি
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
পাঙন উপজাতি:
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় ।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

সূত্র - ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি। 
.
'ফেবো' কোন সম্প্রদায়ের উপন্যাস?
  1. সাঁওতাল
  2. ত্রিপুরা
  3. চাকমা
  4. গারো
ব্যাখ্যা
সম্পূর্ণ চাঙমা বর্ণমালা ও ভাষায় দেবাশীষ চাকমার উপন্যাস ফেবো প্রকাশ হয় ২০০৪ সালে।

বাংলাদেশের উপজাতি:

- বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি- চাকমা
- চাকমারা বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার অঞ্চলে বসবাস করে।
- তাদের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক । তারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- তাদের প্রধান ভাষা চাকমা বা চাঙমা। তারা গ্রামকে আদাম এবং গ্রামের প্রধানকে বলে কার্বরী।
- চাকমা সমাজের প্রধান হলো চাকমা রাজা।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা- ৫০ টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট উপজাতি বসবাস করে- ১১ টি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট। 
.
ধোলাই খাল কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. আত্রাই
  2. করতোয়া
  3. বুড়িগঙ্গা
  4. মেঘনা
ব্যাখ্যা
ধোলাই খাল
- ধোলাই খাল পুরানো ঢাকায়  বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক-আবাসিক এলাকা।
- অতীতে ধোলাই খাল শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং ঐতিহাসিক  লালবাগ দুর্গ,  আহসান মঞ্জিল ও  বড় কাটরা এবং  ছোট কাটরাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এর চারপাশে গড়ে ওঠে।
- ঢাকার প্রথম মুগল সুবাদার ইসলাম খান কর্তৃক ১৬০৮-১৬১০ খ্রিস্টাব্দে খননকৃত একটি খালের নামানুসারে এলাকাটির নামকরণ করা হয়।
- ১৮৩২ সালে মি. ওয়াল্টার নামে ঢাকার একজন কালেক্টর নারায়ণগঞ্জ যাতায়াতের সুবিধার্থে খালটির উপর একক স্প্যানের একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করেন।
- এটি ছিল সে সময়ের প্রকৌশল সাফল্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
- ১৮৬৭ সালে খালে চলাচলকারী যানবাহনের ওপর টোল আরোপ করা হয়।
- ঢাকা মিউনিসিপালিটির অংশ হিসেবে এখনকার ধোলাই খাল এলাকার আয়তন মাত্র ৫৫০ বর্গগজ।
- এর উত্তরে টিপু সুলতান রোড, দক্ষিণে ভিক্টোরিয়া পার্ক, পূর্বে নারিন্দা এবং পশ্চিমে ইংলিশ রোড। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া। 
.
একাদশ জাতীয় সংসদে কয়টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ২০টি
  2. ২৫টি
  3. ৩০টি
  4. ৩৫টি
ব্যাখ্যা
একাদশ জাতীয় সংসদ
 - একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ২২ অক্টোবর, ২০২৩।
- এটি একাদশ জাতীয় সংসদের ২৫তম এবং চলতি বছরের পঞ্চম অধিবেশন।
- একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি।
- একাদশ জাতীয় সংসদে ২৫টি অধিবেশনে মোট কার্যদিবস ছিল ২৭২ দিন।
- বিল পাস হয়েছে ১৬৫টি।
- একাদশ সংসদে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য মোট প্রশ্ন পাওয়া যায় ১ হাজার ৩৩৬টি।
- এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী জবাব দিয়েছেন ৫৬৬টি প্রশ্নের।
- অন্য মন্ত্রীদের জন্য প্রশ্ন পাওয়া যায় ৩০ হাজার ৬৪১টি। এর মধ্যে মন্ত্রীরা জবাব দিয়েছেন ১৭ হাজার ৭৬২টি প্রশ্নের।
- শেষ অধিবেশনে বিল পাসের রেকর্ড
- গত ২২ অক্টোবর একাদশ সংসদের ২৫তম অধিবেশন শুরু  হয়েছিল। 
- মোট ৯ কার্যদিবসের অধিবেশন হলেও প্রথম দিনের বৈঠক মুলতবি করা হয়েছিল। সে হিসাবে এই অধিবেশনের মাত্র ৮ দিনে ২৫টি বিল পাস হয়।
- এর আগে গত দশম সংসদের শেষ অধিবেশনে ১৯টি বিল পাস হয়েছিল। সংসদ অধিবেশনের সংখ্যার দিক থেকেও চলতি সংসদ রেকর্ড করেছে।
- গত ৪ বছর ৯ মাসে একাদশ সংসদের ২৫টি অধিবেশন হয়েছে।
- এর আগে সপ্তম, অষ্টম ও দশম সংসদে সর্বোচ্চ ২৩টি করে অধিবেশন হয়েছিল।
- এ ছাড়া নবম সংসদ ১৯টি ও পঞ্চম সংসদ ২২টি অধিবেশন হয়। ষষ্ঠ সংসদ শেষ হয় মাত্র একটি অধিবেশনের মধ্য দিয়ে।
- সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত অধিবেশনের রেকর্ডও হয়েছে এই সংসদে।
- করোনা মহামারির সময় এক দিনে মাত্র দেড় ঘণ্টার বৈঠকের মাধ্যমে সংসদের একটি বৈঠক শেষ হয়।
- ২০২০ সালের ১৮ এপ্রিল চলতি সংসদের সপ্তম অধিবেশন শুরুর পর তা দেড় ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
- করোনাকালে বেশ কয়েকটি অধিবেশন হয়েছিল বিশেষ ব্যবস্থায়। 

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট। 
.
বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বি.এস.পি) রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রতীক কী?
  1. উদীয়মান সূর্য
  2. সোনালী আঁশ
  3. আপেল
  4. একতারা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)
- নির্বাচন কমিশনে (ইসি) রাজনৈতিক দল হিসেবে চূড়ান্তভাবে সর্বশেষ নিবন্ধন পেয়েছে  বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)। 
- দলটির নির্বাচনী প্রতীক একতারা।
- দলটির নিবন্ধন নম্বর ৪৯। 
- এ নিয়ে ইসিতে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৪৪টি।

অপরদিকে,
• উদীয়মান সূর্য প্রতীক গণফোরামের।
• সোনালী আঁশ প্রতীক তৃণমূল বিএনপির।
• আপেল প্রতীক ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের। 

উৎস: নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট (লিংক)।
১০.
'বঙ্গবন্ধু হত্যা' মামলার চূড়ান্ত রায় প্রকাশ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
'বঙ্গবন্ধু হত্যা
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচারের দ্বার উন্মুক্ত হয়।
- ২ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তাঁর রিসেপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় ২৪ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
- ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ১২ আসামিকে মৃত্যদন্ড প্রদান করে আদালত রায় প্রদান করে।
- হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর ১৯ নভেম্বর ২০০৯ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে।
- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।
- ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোট ১২ আসামিরই মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে। 

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১১.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে কয়টি আসন ছিল?
  1. ১৬০টি
  2. ১৬৯ টি
  3. ১৬৭ টি
  4. ১৬২ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে মোট ১৬৯টি আসন ছিল।
- এর মধ্যে সংরক্ষিত আসন ছিল ৭টি।
- আওয়ামী লীগ ১৬০টি সাধারণ আসন ও ৭টি মহিলা সংরক্ষিত আসনসহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
- একটি ময়মনসিংহে ও অপরটি রাঙামাটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করে।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২.
'হোয়ো’ কোন ভাষার বর্ণমালার নাম?
  1. পাংখোয়া
  2. কন্দ
  3. খেয়াং
  4. মণিপুরি মৈতৈ
ব্যাখ্যা
'হোয়ো’ ভাষা: 
- বান্দরবানের খেয়াং জনগোষ্ঠীর নিজেদের ভাষার বর্ণমালা তৈরি করা হয়েছে।
- এই বর্ণমালার নাম দেওয়া হয়েছে 'হোয়ো'।
- এই বর্ণমালা দিয়ে কম্পিউটারেও লেখালেখি করা যাবে।
- গত কয়েক বছর ধরে রোমান হরফে এই ভাষা লেখা হচ্ছিল।
- ফ্রেন্ডস অব এন্ডেঞ্জার্ড এথনিক ল্যাংগুয়েজেস (ফিল) নামের একটি সংগঠন এই ভাষাটিকে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করতে কারিগরি সহায়তা করে। 
-  'হোয়ো' বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি আর ব্যঞ্জনবর্ণ ২১টি। 
- খেয়াং ভাষার বর্ণমালার উদ্ভাবকেরা হলেন- ঞো জাই উ খেয়াং, চিং হ্লা উ খেয়াং, ক্য উ প্রু খেয়াং, মং হ্লা প্রু খেয়াং এবং চিং সা থুই খেয়াং।

সূত্র: ডেইলি স্টার।
১৩.
নিচের কোনটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নয়?
  1. গারো
  2. খাসিয়া
  3. সাঁওতাল
  4. মুরং
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[সাঁওতাল ও মুরং পিতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]

মুরং/ম্রো:

- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, মু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে 'মারুচা' বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।

• অপরদিকে গারো, খাসিয়া, মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪.
পাল বংশে ধর্মপালের পরে রাজা হয়েছেন কে?
  1. দেবপাল
  2. গোপাল
  3. রামপাল
  4. দ্বিতীয় মহীপাল
ব্যাখ্যা
পাল রাজবংশ:
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে।
- এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সময় উত্তর ভারতের আধিপত্য নিয়ে গুর্জর প্রতিহার, রাষ্ট্রকুট ও পালবংশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ধর্মপালের পর রাজা হলেন তাঁর পুত্র দেবপাল।
- তাঁর শাসনামলে পাল সাম্রাজ্য সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত হয়।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে।
- প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
- রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন।
- তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।  
১৫.
শহীদ নূর হোসেন দিবস কবে?
  1. ৮ নভেম্বর
  2. ১০ নভেম্বর
  3. ১৪ নভেম্বর
  4. ১৭ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন:
- নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর পুলিশের গুলিতে ঢাকার জিরো পয়েন্টে নূর হোসেন মারা যান।
- এ সময় তার গায়ে সাদা রঙ দিয়ে লেখা ছিলো 'স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।
- এ আন্দোলনে প্রাণ হারান নূর হোসেন, সেলিম, দেলোয়ার, তাজুল, ডা. মিলন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহসহ অনেকে।
- ১০ নভেম্বর শহীদ নূর হোসেন দিবস হিসেবে পালিত হয়। 
- নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালে ছাত্র-জনতা-পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের আন্দোলনের ফলে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ। 
১৬.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কয়টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করেছে?
  1. ২৫টি
  2. ২৭টি
  3. ২৮টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন
- দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটে অংশগ্রহণ করেছেন ২৮টি দল। 
- সবচেয়ে বেশি ২৬৬ জন প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এরপরই রয়েছে জাতীয় পার্টি, তাদের প্রার্থী রয়েছেন ২৬৫ জন।
-  তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩৫ জন প্রার্থী রয়েছেন ‘সোনালী আঁশ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে আসা তৃণমূল বিএনপির।

• ২৮ রাজনৈতিক দল থেকে যত প্রার্থী
- আওয়ামী লীগ (নৌকা): ২৬৬ জন
- জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল): ২৬৫ জন
- জাকের পার্টি (গোলাপ ফুল): ২১ জন
- তৃণমূল বিএনপি (সোনালী আঁশ) : ১৩৫ জন
- ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (আম): ১২২ জন
- বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব): ৯৬জন
- জাসদ (মশাল): ৬৬ জন
- বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (একতারা): ৭৯ জন
- বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (ছড়ি): ৬৩ জন
- বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ (টেলিভিশন):  ৪৫ জন
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম (নোঙ্গর): ৫৬জন
- বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন (ফুলের মালা): ৩৮ জন
- ইসলামী ঐক্যজোট (মিনার): ৪২ জন
- ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ (চেয়ার): ৩৯ জন
- বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট (মোমবাতি): ৩৭ জন
- কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ (গামছা): ৩০ জন
- বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি (হাতুড়ি): ২৬ জন
- গণফ্রন্ট (মাছ): ২১ জন
- জাতীয় পার্টি-জেপি (বাই সাইকেল): ১৩ জন
- বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (হাতঘড়ি): ১৬ জন
- বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন (বটগাছ): ১১ জন
- বিকল্প ধারা বাংলাদেশ (কুলা): ১০ জন
- বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (কাঁঠাল): ৫ জন
- গণতন্ত্রী পার্টি কবুতর): ১০ জন
- গণফোরাম (উদীয়মান সূর্য): ৯ জন
- বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল (চাকা): ৪ জন
- বাংলাদেশ ন্যশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (কুঁড়েঘর): ৫ জন
- বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল (হাত পাঞ্জা): ৪ জন
- স্বতন্ত্র ৪৩৬ জন।

উৎস: বিডি নিউজ।
১৭.
‘বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম’ বইটির রচয়িতা কে?
  1. মোঃ শাহাবুদ্দিন
  2. ড. মোহাম্মদ ইউনুস
  3. শেখ হাসিনা
  4. সোহরাব হোসেন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কেবল সফলভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন না; রান্না, সংগীত ও বই পড়ার প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। এছাড়াও তিনি রাষ্ট্রপরিচালনার ফাঁকে উল্লেখযোগ্য ১০টি গ্রন্থও লিখেছেন।

তার লিখিত গ্রন্থগুলো হলো-
• শেখ মুজিব আমার পিতা
• ওরা টোকাই কেন?
বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম
• দারিদ্র্য বিমোচন, কিছু ভাবনা
• আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম
• আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি
• সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র
• সাদা কালো
• সবুজ মাঠ পেরিয়ে
• ‘Miles to Go, The Quest for Vision-2021’ (two volumes)।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আরও বেশ কয়েকটি রচিত গ্রন্থ রয়েছে।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও রকমারি ডট কম।  
১৮.
মারমাদের গ্রাম প্রধানকে কী বলে?
  1. মান্দি
  2. রোয়াজা
  3. কারবারি
  4. দোইনাক
ব্যাখ্যা
মারমা:
- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে মারমাদের অবস্থান দ্বিতীয়।
- মারমা নৃগোষ্ঠীর অধিকাংশই রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বাস করে।
- 'মারমা' শব্দটি 'ম্রাইমা' শব্দ থেকে উদ্ভূত। পাবর্ত্য অঞ্চলে বোমাং সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত মারমা সমাজের প্রধান হলেন বোমাং চিফ বা বোমাং রাজা।
- প্রত্যেক মৌজায় কতগুলো গ্রাম রয়েছে। গ্রামবাসী গ্রামের প্রধান মনোনীত করে।
- মারমারা গ্রামকে তাদের ভাষায় 'রোয়া' এবং গ্রামের প্রধানকে 'রোয়াজা' বলে।
- মারমা পরিবারে পিতার স্থান সর্বোচ্চ হলেও পারিবারিক কাজকর্মে মাতা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।

অপরদিকে, 
• চাকমা পরিবার নিয়ে একটি গ্রাম বা আদাম। প্রতিটি আদামের বা গ্রামের একজন প্রধান থাকে যাকে তারা 'কারবারি' বলে।
• মায়ানমারের আরাকান এবং ছিন রাজ্যের এবং ইয়াংগুন শহরেও তনচংগ্যা রয়েছে। সেখানে তারা ‘দোইনাক’ নামে পরিচিত।
• জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন। গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১৯.
দেশের প্রথম কোন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল সনদ প্রদানের উদ্যোগ নেয়?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

- দেশের প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিজিটাল সনদের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
- স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল সনদপত্র প্রদানের এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
- ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এ নিয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে ।
- দেশের একমাত্র ডিজিটাল সনদ প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষ ‘রিলিফ ভ্যালিডেশন লিমিটেড সার্টিফায়িং অথরিটির (আরভিএল সিএ)’ সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়।
- এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ডিজিটাল সনদের জন্য অনলাইনে আবেদন, উত্তোলন, ডিজিটাল স্বাক্ষরিত অনন্য পরিচয় বহনকারী সনদ পাবেন
- আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা এই ই-সাইন সনদের আওতায় আসবে।

উৎস:- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।