পরীক্ষা আর্কাইভ

১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

পরীক্ষাPSCতারিখ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৫সময়45 minutes৯৮ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মূল প্রশ্ন ও সমাধান
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৭তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা

PSC · ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৫ · ১০০ প্রশ্ন

.
বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য সংকলন 'চর্যাপদ' -এর আবিষ্কারক-
  1. ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. ডক্টর সুকুমার সেন
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।
- সুকুমার সেন মনে করেন যে, চর্যাপদের পদসংখ্যা - ৫১টি; তবে তিনি তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন। আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন।
- আবার ড. শহীদুল্লাহ চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি বলে মনে করেন।

• চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
• ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
• সংস্কৃত ভাষায় মুনিদত্ত চর্যাপদের ব্যাখ্যা করেন। তিনি ১১নং পদের ব্যাখ্যা করেননি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলাপিডিয়া।
.
হিন্দী 'পদুমাবৎ' -এর অবলম্বনে 'পদ্মাবতী' কাব্যের রচয়িতা-
  1. দৌলত উজীর বাহরাম খান
  2. সৈয়দ সুলতান
  3. আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ
  4. আলাওল
ব্যাখ্যা
• ‘পদ্মাবতী’ কাব্য:
• পদ্মাবতী কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য। এটি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় প্রণয়কাব্য।
• কাব্যটি প্রখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মুহাম্মদ জায়সির ‘পদুমাবৎ’ কাব্যের অনুবাদ।
• আলাওল ১৬৫১ সালে আরাকান রাজ সাদ থদোমিন্তারের রাজত্বকালে মন্ত্রী মাগন ঠাকুরের আদেশে ‘পদ্মাবতী’ কাব্য রচনা করেন।
• কাব্যটিতে দুইটি পর্ব রয়েছে। প্রথম পর্বে সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য চিতোররাজ রত্নসেনের সফল অভিযান এবং দ্বিতীয় পর্বে রানি পদ্মাবতীকে লাভ করার জন্য দিল্লির সুলতান আলাউদ্দিন খিলজির ব্যর্থ সামরিক অভিযানের বিবরণ আছে।

উল্লেখ্য,
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পদ্মাবতী একটি নাটক।

--------------
• আলাওল:
- মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি।
- 'পদ্মাবতী' কবি আলাওলের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য।
- 'পদ্মাবতী' কবি মালিক মুহাম্মদ জয়সীর 'পদুমাবত' কাব্যের অনুবাদ।

• আলাওল রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- পদ্মাবতী,
- তোহফা,
- সপ্তপয়কার,
- সিকান্দারনামা,
- সয়ফুল্মুলুক বদিউজ্জামাল
- সতীময়না,
- রাগতালনামা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা' প্রথম প্রকাশিত হয়-
  1. ১৮৪১ সালে
  2. ১৮৪২ সালে
  3. ১৮৫০ সালে
  4. ১৮৪৩ সালে
ব্যাখ্যা
• 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা:
- ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় ও অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা।
- অক্ষয়কুমার দত্ত এ পত্রিকায় ১৮৫৫ সাল পর্যন্ত সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- তৎকালীন উদার, বিজ্ঞানমনস্ক ও দেশসচেতন পত্রিকা ছিলো 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকা।
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত।
- অক্ষয়কুমার অবসর নিলে পত্রিকার সম্পাদক হন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তবে অক্ষয়কুমারের সম্পাদনাকাল ছিল পত্রিকার স্বর্ণযুগ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য-
  1. অব্যয় ও শব্দাংশে
  2. নতুন শব্দ গঠনে
  3. উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পেছনে
  4. ভিন্ন অর্থ প্রকাশে
ব্যাখ্যা
• উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের প্রধান পার্থক্য হলো: প্রত্যয় শব্দের পরে বসে এবং উপসর্গ শব্দের সামনে বসে।

উপসর্গ:
- যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলােকে উপসর্গ বলে।
- অজানা (অ+জানা), অভিযােগ (অভিযােগ), বেতার (বে+তার) প্রভৃতি শব্দের ‘অ’, ‘অভি’, ‘বে’ হলাে উপসর্গ।
- উপসর্গের কাজ নতুন শব্দ তৈরি করা।
- উপসর্গের নিজের অর্থ নেই; কিন্তু নতুন নতুন অর্থবােধক শব্দ তৈরিতে উপসর্গ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এজন্য বলা হয় "উপসর্গের অর্থ নেই, কিন্তু অর্থের দ্যোতনা তৈরি করার ক্ষমতা আছে"।
- বাংলা ভাষায় অর্ধশতাধিক উপসর্গ রয়েছে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. খাটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

-----------------------
• প্রত্যয়:
- শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।
যেমন -
 বাঘ + আ = বাঘা,
 দিন + ইক = দৈনিক।

• প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার। যথা:
১. কৃৎ প্রত্যয় এবং
২.তদ্ধিত প্রত্যয়।

কৃৎ প্রত্যয়:
ক্রিয়া প্রকুৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ প্রত্যয়।
- যেমন: চল (ধাতু) + অন্ত = চলন্ত, কৃ (ধাতু) + তব্য = কর্তব্য
- বাংলা ভাষায় দু ধরনের কৃৎ প্রত্যয়ের ব্যবহার আছে। যথা : বাংলা কৃৎ প্রত্যয় ও সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়।

তদ্ধিত প্রত্যয়:
শব্দের সঙ্গে বা শেষে যেসব প্রত্যয় যোগ হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হয় সেগুলোকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
- যেমন: চোর + আ = চোরা, কেষ্ট + আ = কেষ্টা, ডিঙি + আ = ডিঙা, বাঘ্ + আ = বাঘা, হাত্ + আ = হাতা

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
যে ছন্দের মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা চার, তাকে বলা হয়-
  1. স্বরবৃত্ত
  2. পয়ার
  3. মাত্রাবৃত্ত
  4. অক্ষরবৃত্ত
ব্যাখ্যা
• স্বরবৃত্ত ছন্দ:
বাংলা ভাষা ও বাঙালির ধ্বনি উচ্চারণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ছন্দ হচ্ছে স্বরবৃত্ত ছন্দ। এর কারণ, বাংলা শব্দ স্বভাবগতভাবেই হলন্ত বা ব্যঞ্জনান্ত উচ্চারণ প্রক্রিয়াবিশিষ্ট, যাকে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন ‘হসন্তের ছাঁচ’। এ বৈশিষ্ট্য স্বরবৃত্ত ছন্দে রক্ষিত হয়েছে। চলিত বা প্রাকৃত বাংলার স্বভাব রক্ষা করে এ ছন্দের উদ্ভব ও বিকাশ ঘটেছে। ফলে এ ছন্দকে সাধু বাংলার বাইরে বাউল গানে, লোককথায় ও ছড়ায় খুঁজে পাওয়া যায়।

উচ্চারণে দ্রুততা ও সবলতা স্বরবৃত্ত ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য। প্রতি পর্বের প্রথমে প্রবল শ্বাসাঘাত যেমন এ ছন্দের দ্রুততার প্রধান কারণ, তেমনি শ্বাসাঘাতের শক্তিই একে করে তুলেছে সবল ও প্রাণবান। আবার স্বরবৃত্ত ছন্দের প্রধান পর্ব যেহেতু চার মাত্রার এবং তার পরেই থাকে একটি ক্ষুদ্র পর্ব, সেজন্যও এ ছন্দ দ্রুত উচ্চারিত হয়।

স্বরবৃত্ত ছন্দের বহুল প্রচলিত নাম ছড়ার ছন্দ, লৌকিক ছন্দ, লোকছন্দ, মেয়েলি ছন্দ। এটাকে প্রাকৃত বাংলা ছন্দও বলা হয়। প্রাচীন ছড়গুলো স্বরবৃত্তে রচিত। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একে ছড়া ছন্দ বা লোকছন্দ বলেছেন। এর ভাব লঘু ও চপল।

স্বরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য
- দ্রুত লয়ের ছন্দ।
- এই ছন্দের মূল পর্ব বা পূর্ণ পর্ব চার মাত্রাবিশিষ্ট।
- মুক্তাক্ষর এবং বদ্ধাক্ষর উভয়ই একমাত্র বিশিষ্ট,পর্বগুলো ছোট ৪ মাত্রা বিশিষ্ট।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে-ভাতে' লাইনটি নিম্নোক্ত একজনের কাব্যে পাওয়া যায়-
  1. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  2. ভারতচন্দ্র রায়
  3. মদনমোহন তর্কালঙ্কার
  4. কামিনী রায়
ব্যাখ্যা
• 'প্রণমিয়া পাটুনী কহিছে জোড় হাতে
আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।।'

- আলোচ্য পঙক্তিটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্যের 'আমার সন্তান' কবিতার অন্তর্গত। 
- এখানে লেখক 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'- কথাটি ঈশ্বরী পাটনীর মুখ দিয়ে বলিয়েছেন।

----------------------
• অন্নদামঙ্গল কাব্য:
- অন্নদামঙ্গল কাব্যের রচয়িতা ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তাকে মধ্যযুগের প্রথম নাগরিক কবি বলা হয়।
- এই কাব্যের প্রধান চরিত্র: মানসিংহ, ভবানন্দ, বিদ্যাসুন্দর, মালিনী, ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।
- অন্নদামঙ্গল কাব্য তিনখণ্ডে বিভক্ত: শিবনারায়ণ, কালিকামঙ্গল ও মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।

- অন্নদামঙ্গল কাব্যের চরিত্র ঈশ্বরী পাটনীর উক্তি:
'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে'।

• অন্নদামঙ্গল কাব্যের কিছু বিখ্যাত পঙক্তি হলো-
- 'মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।’
- 'নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?'
- 'আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।’

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
পর্তুগিজ ভাষা থেকে নিম্নোক্ত একটি শব্দ বাংলা ভাষায় আত্তীকরণ করা হয়েছে-
  1. টেবিল
  2. চেয়ার
  3. বালতি
  4. শরবত
ব্যাখ্যা
• 'বালতি' পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
- 'বালতি' অর্থ: হাতলযুক্ত জল পাত্র। 

•পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত কিছু গুরুত্বপূর্ণ শব্দ হলো:

আনারস, গির্জা, পেয়ারা, পেঁপে, সালোয়ার, চাবি, বালতি, গুদাম, পাউরুটি, পাদরি, কামরা, বোতল, জানালা, বোতাম, তোয়ালে।

অন্যদিকে,
• টেবিল, চেয়ার ইংরেজি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
• ‘শরবত’ আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
'লাঠালাঠি' শব্দটির সমাস -
  1. দ্বন্দ্ব
  2. বহুব্রীহি
  3. কর্মধারায়
  4. তৎপুরুষ
ব্যাখ্যা
• বহুব্রীহি সমাস:
যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনােটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কিছু বােঝায়, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।

• ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস:
যে বহুব্রীহি সমাসে দুটি একরূপ বিশেষ্য দিয়ে এক জাতীয় কাজ বোঝায়, তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি।
- কানে কানে যে কথা = কানাকানি।
- কোলে কোলে যে মিলন = কোলাকুলি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ৷
.
বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে নিম্নোক্ত একটি ভাষা থেকে-
  1. সংস্কৃত
  2. পালি
  3. প্রাকৃত
  4. অপ্রভ্রংশ
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ:
- বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা।
- পৃথিবীর ভাষাগুলোকে ইন্দো-ইউরোপীয়, চীনা-তিব্বতীয়, সেমীয়-হেমীয়, দ্রাবিড়ীয়, অস্ট্রো-এশীয় প্রভৃতি ভাষা-পরিবারে ভাগ করা হয়ে থাকে। ইংরেজি, জার্মান,ফরাসি, হিস্পানি, রুশ, পর্তুগিজ, ফারসি, হিন্দি, উর্দু, নেপালি, সিংহলি প্রভৃতি ভাষার মতো  বাংলা ভাষায় ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের সদস্য।
- বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় অহমিয়া ও ওড়িয়া।
- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের আদি ভাষা বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষায় পরিণত হয়েছে। এই বিবর্তনে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্তর বাংলা ভাষাকে অতিক্রম করতে হয়েছে, সেগুলো হলো: ইন্দো-ইউরোপীয় - ইন্দো-ইরানীয়-  ভারতীয় আর্য - প্রাকৃত - বাংলা।
- আনুমানিক এক হাজার বছর আগে পূর্ব ভারতীয় প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।
- বাংলা ভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন ‘চর্যাপদ’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১০.
শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ সমষ্টিকে ভাগ করা যায়-
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• শব্দার্থ অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দ সমষ্টিকে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১. যৌগিক শব্দ:
যেসব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থ অনুযায়ী হয়ে থাকে, তাকে বলা হয় যৌগিক শব্দ। যেমন: 
কৃ + তব্য = কর্তব্য, অর্থ- যা করা উচিত।
বাবু + আনা = বাবুয়ানা, অর্থ- যিনি বাবুর ভাব নিয়ে চলেন। 

২. রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ:
যে সব শব্দের অর্থ তাদের প্রকৃতি ও প্রত্যয়ের অর্থের অনুগামী না হয়ে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় রূঢ় বা রূঢ়ী শব্দ। উদাহরণ:
'সন্দেশ' শব্দের মূল অর্থ 'সংবাদ' পরিবর্তিত হয়ে 'মিষ্টান্ন' অর্থ ব্যবহার হয়। 
'চিকন' শব্দের মূল অর্থ 'চকচকে' পরিবর্তিত হয়ে 'সরু' অর্থ ব্যবহার হয়। 

৩. যোগরূঢ় শব্দ:
সমাসনিষ্পন্ন যেসব শব্দ তার ব্যাসবাক্যের কোনো অর্থ প্রকাশ না করে, তৃতীয় কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেসব শব্দকে বলা হয় যোগরূঢ় শব্দ। যেমন:
জলদ: মূল অর্থ যে জল দেয়, ব্যবহারিক অর্থ হলো মেঘ,
পঙ্কজ: শব্দের অর্থ যা পঙ্কে জন্মে, কিন্তু ব্যবহারিক অর্থ পদ্ম।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
‘মানবজীবন', 'মহৎজীবন', 'উন্নতজীবন' -প্রভৃতি গ্রন্থের রচয়িতা-
  1. এস ওয়াজেদ আলী
  2. এয়াকুব আলী চৌধুরী
  3. মোঃ লুৎফর রহমান
  4. মোঃ ওয়াজেদ আলী
ব্যাখ্যা
•  ‘মানবজীবন', 'মহৎজীবন', 'উন্নতজীবন' -মোহাম্মদ লুৎফর রহমান রচিত গ্রন্থ।

----------------------
• মোহাম্মদ লুৎফর রহমান:
- ১৮৮৯ সালে মাগুরা জেলার অন্তর্গত পারনান্দুয়ালি গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ‘ডাক্তার মোহাম্মদ লুৎফর রহমান’ হিসেবে পরিচিত।
- কলকাতায় মোহাম্মদ লুৎফর রহমান পতিতা নারীদের সামাজিক পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ‘নারীতীর্থ’ (১৯২২) নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন।
- এ সংগঠনের কার্যনির্বাহক কমিটির সভাপতি ছিলেন বেগম রোকেয়া (১৮৮০-১৯৩৬)। লুৎফর রহমান ছিলেন এর সম্পাদক।
- ‘নারীতীর্থ’-এর মুখপত্র নারীশক্তি তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩২৯ সনে। এ মাসিক পত্রিকাটির মোট ছয়টি সংখ্যা বেরিয়েছিল।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
- মহৎ জীবন,
- মানবজীবন,
- সত্য জীবন,
- উচ্চ জীবন,
- ধর্ম জীবন,
- মহাজীবন,
- যুবকজীবন,
- সরলা,
- পথহারা,
- রায়হান,
- প্রীতি-উপহার,
- বাসর-উপহার ।

শিশুকিশোর গ্রন্থ:
- ছেলেদের মহত্ত্বকথা,
- ছেলেদের কারবালা,
- রানী হেলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২.
'সিরাজুম মুনীরা' কাব্যের রচয়িতার নাম-
  1. তালিম হোসেন
  2. ফররুখ আহমদ
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. আবুল হোসেন
ব্যাখ্যা
• ‘সিরাজাম মুনীরা’ কাব্যটির রচয়িতা- 'ফররুখ আহমদ'।

-------------------------
• ফররুখ আহমদ:
- তিনি ১৯১৮ সাল মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- হাতেমতায়ী একটি ফররুখ আহমদ এর কাহিনিকাব্য।
- নৌফেল ও হাতেম ফররুখ আহমদ এর কাব্যনাট্য।
- সাত সাগরের মাঝি ফররুখ আহমদ এর প্রথম প্রকাশিত কাব্য।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্য:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনিরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- হাতেমতায়ী,
- হাবেদা মরুর কাহিনী ইত্যাদি।

• তাঁর শিশুতোষ রচনা:
- পাখির বাসা,
- হরফের ছড়া,
- ছড়ার আসর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
ষড়ঋতু শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ-
  1. ষড় + ঋতু
  2. ষড়ু + ঋতু
  3. ষট + ঋতু
  4. ষট্‌ + ঋতু
ব্যাখ্যা
• ‘ষড়ঋতু’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ: ষট্ + ঋতু = ষড়ঋতু।
- এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।

ব্যঞ্জন ও স্বরধ্বনি যোগে গঠিত ব্যঞ্জনসন্ধির কিছু উদাহরণ হলো:
• প্রাক্ + উক্ত = প্রাগুক্ত।
• ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত।
• অচ্ + অন্ত = অজন্ত।
• ষট্ + অঙ্গ = ষড়ঙ্গ।
• ষট্ + ঋতু = ষড়ঋতু।
• ষট্ + ঐশ্বর্য = ষড়ৈশ্বর্য।
• ষট্ + আনন = ষড়ন।
• সৎ+ অর্থক = সদর্থক।
• সৎ + ইচ্ছা = সদিচ্ছা।
• মৃৎ + অঙ্গ = মৃদঙ্গ।
• অপ্ + অগ্নি = অবগ্নি।
• অপ্ + ইন্ধন = অবিন্ধন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৪.
‘বীরবল' নিম্নোক্ত একজন লেখকের ছদ্মনাম-
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. ধূর্জটি প্রসাদ মুখোপাধ্যায়
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. নবীনচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ। 

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫.
'লাপাত্তা' শব্দের 'লা' উপসর্গটি বাংলা ভাষায় এসেছে-
  1. আরবি ভাষা থেকে
  2. ফরাসি ভাষা থেকে
  3. হিন্দি ভাষা থেকে
  4. উর্দু ভাষা থেকে
ব্যাখ্যা
• না বা অভাব অর্থে ‘লা’ আরবি উপসর্গযোগে গঠিত শব্দ- লাপাত্তা, লাজওয়াব, লাখেরাজ, লাওয়ারিশ।

---------------------
• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।
১৬.
১৯৯৪ সালে যে প্রবন্ধকার বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছেন-
  1. হুমায়ুন আজাদ
  2. আহমদ শরীফ
  3. ওয়াকিল আহমদ
  4. আব্দুল মতিন খান
ব্যাখ্যা
• ওয়াকিল আহমদ:
অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদের জন্ম ৫ এপ্রিল ১৯৪১ সালে।

• তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ:
১. উনিশ শতকে বাঙালি মুসলমানের চিন্তা ও চেতনার ধারা (১৯৮৩),
২. বাংলার লোক-সংস্কৃতি (১৯৭৪, ৩য় সং ২০০৪),
৩. বাংলা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান (১৯৯৫, ৩য় সং),
৪. বাংলা সাহিত্যের পরাবৃত্ত (অখণ্ড, ১৯৯৭),
৫. মধ্যযুগে বাংলা কাব্যের রূপ ও ভাষা (১৯৯৪),
৬. বাংলার মুসলিম বুদ্ধিজীবী (১৯৮৫, ২০০২ ২য় সং),
৭. বাংলায় বিদেশী পর্যটক (১৯৯১, ২য় সং),
৮. প্রবাদ ও প্রবচন (১৯৯৪),
৯. ধাঁধা (১৯৯৫),
১০. মন্ত্র (১৯৯৫),
১১. ভাওয়াইয়া (১৯৯৫),
১২. ভাটিয়ালি গান (১৯৯৭),
১৩. সারিগান (১৯৯৮),
১৪. বাংলা লোকসাহিত্য: ছড়া (১৯৯৮),
১৫. বাউল গান (২০০০),
১৬. লোককলা প্রবন্ধাবলী (২০০১, ২য় সং ২০০৫)
১৭. লালন গীতি সমগ্র (২০০২, ২য় সং ২০০৫) ১
৮. বাংলার রেনেসাঁ ও অন্যান্য প্রসঙ্গ (২০০৪),
১৯. বাংলা লোকসংগীতের ধারা (২০০৬),
২০. বাংলা লোকসাহিত্যের ধারা (২০০৭)। 

• সম্পাদক:
১. সাহিত্য পত্রিকা, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়;
২. বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি পত্রিকা;
৩. ইতিহাস, বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ;
৪. লৌকিক বাংলা, বাংলাদেশ ফোকলোর পরিষদ, ঢাকা।

• পুরস্কার:
১. মনিরুদ্দিন রৌপ্যপদক (১৯৬২), কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়;
২. আবদুর রব চৌধুরী স্বর্ণপদক (১৯৮০), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়;
৩. ইতিহাস পরিষদ পুরস্কার (১৯৮৬), বাংলাদেশ ইতিহাস পরিষদ;
৪. সাহিত্য পুরস্কার (১৯৯৪), বাংলা একাডেমি;
৫. দীনেশচন্দ্র সেন স্মৃতি স্বর্ণপদক (২০০২) কলকাতা;
৬. একুশে পদক (২০০৪) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।


উৎস:‘লোককলা তত্ত্ব ও মতবাদ’ গ্রন্থ এবং বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৭.
'কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়' এই পংক্তিটি নিচের একজনের লেখা-
  1. লালন শাহ
  2. সিরাজ সাঁই
  3. মদন বাউল
  4. পাগলা কানাই
ব্যাখ্যা
•  ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ -গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ্।

--------------------
• লালন শাহ্:
- লালন শাহ্ (১৭৭২-১৮৯০) বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা ও গায়ক।
- ১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক (১৭৭২) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রণ করেন।
- লালন কোনো জাতিভেদ মানতেন না।
- তাই তিনি গেয়েছেন: ‘সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে/ লালন কয় জাতির কি রূপ দেখলাম না এ নজরে।’

• তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর।’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে।’
- ‘মিলন হবে কত দিনে।’
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়।’
- ‘তিন পাগলের মেলা।’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৮.
'অক্ষির সমীপে'র সংক্ষেপ হলো-
  1. সমক্ষ
  2. পরোক্ষ
  3. প্রত্যক্ষ
  4. নিরপেক্ষ
ব্যাখ্যা
• ‘অক্ষির সমীপে’ বাক্য সংকোচন - সমক্ষ।

অন্যদিকে,
• অক্ষির অভিমুখে - প্রত্যক্ষ।
• অক্ষির অগোচরে - পরোক্ষ।
• পক্ষপাতদুষ্ট নয় এমন - নিরপেক্ষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
'হজরত মুহম্মদ (স) ছিলেন একজন আদর্শ মানব' বাক্যটি নিম্নোক্ত একটি শ্রেণির-
  1. মিশ্র
  2. জটিল
  3. যৌগিক
  4. সরল
ব্যাখ্যা
• সরল বাক্য:
বাক্যে একটি মাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে সরল বাক্য বলে।
যেমন:
- গণ্ডির বাইরে গেলেই বিষম বিপদ।
- শোনামাত্র তারা আনন্দে চিৎকার করে উঠল।
- পুকুরে পদ্মফুল জন্মে।
- তোমরা বাড়ি যাও।
- সত্যের পূজারি বলে তিনি জগতের সর্বত্র আদৃত।

তেমনিভাবে,
- হজরত মুহম্মদ (স) ছিলেন একজন আদর্শ মানব।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
'মধুর চেয়েও আছে মধুর সে আমার এই দেশের মাটি খাঁটি সোনার চেয়ে খাঁটি'। - কবিতায় এই অংশ বিশেষের রচয়িতা-
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
  3. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যা
• 'মধুর চেয়ে আছে মধুর
সে এই আমার দেশের মাটি
আমার দেশের পথের ধূলা
খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি।'-  কবিতাংশটুকুর রচয়িতা - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত। 

------------------------
• সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত: 
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত কবি ও ছান্দসিক।
- কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
-  সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা সাহিত্য 'ছন্দের জাদুকর' বা 'ছন্দের রাজা' হিসেবে খ্যাত।
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কিছু ছদ্মনাম হলো: নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- তুলির লিখন,
- হোমশিখা,
- অভ্র-আবীর,
- হসন্তিকা,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায় আরতি ইত্যাদি।‌

• তাঁর রচিত অনুবাদকাব্য:
- তীর্থ রেণু,
- মণি মঞ্জুষা।

----------------------
কবিতা: খাঁটি সোনা, 
কবি: সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।

"মধুর চেয়ে আছে মধুর
সে এই আমার দেশের মাটি
আমার দেশের পথের ধূলা
খাঁটি সোনার চাইতে খাঁটি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
২১.
The sentence with correct punctuations-
  1. Maria, my student, is on leave to-day
  2. Maria my student, is on leave to-day
  3. Maria my student is on leave to-day
  4. Maria my student is, on leave to-day
ব্যাখ্যা
নামের পরে যদি অতিরিক্ত তথ্য থাকে, তবে নাম ও অতিরিক্ত তথ্য দুটোর পরেই কমা ব্যবহৃত হয়।

• তাই punctuations এর নিয়মানুসারে,
ক) Maria, my student, is on leave to-day. বাক্যটি সঠিক।
- Bangla Meaning: মারিয়া, আমার ছাত্রী, আজ ছুটিতে আছে।

• Punctuation বা বিরাম চিহ্ন:
- Sentence বা বাক্যের অংশটুকুর উচ্চারণ ও সঠিক অর্থ সহজভাবে বুঝার জন্যে যেসব চিহ্ন বা ছেদ চিহ্নের ব্যবহার করা হয়, তাদেরকে Punctuation বা বিরাম চিহ্ন বলে।

• According to major dictionaries like the Oxford English Dictionary (OED), Cambridge English Dictionary, and Merriam-Webster Dictionary, the main punctuation marks typically recognized are 14:
1. Period (.)
2. Comma (,)
3. Question Mark (?)
4. Exclamation Mark (!)
5. Colon (:)
6. Semicolon (;)
7. Apostrophe (')
8. Quotation Marks (" ")
9. Parentheses (())
10. Hyphen (-)
11. Dash (—)
12. Ellipsis (…)
13. Brackets ([ ])
14. Slash (/)
২২.
The antonym for 'Inimical'-
  1. Hostile
  2. Friendly
  3. Indifferent
  4. Angry
ব্যাখ্যা
• Inimical (adjective)
- বৈরী; প্রতিকূল; অননুকূল; অহিতকর; অপরকারী; ক্ষতিকর।

•  প্রশ্ন প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে - 
ক) Hostile (adjective) 
- শত্রুপক্ষীয়; বৈরী।

খ) Friendly (adjective) 
- বন্ধুত্বপূর্ণ; বন্ধুভাবাপন্ন; সহৃদয়, বন্ধুসুলভ; প্রীতিপূর্ণ।

গ) Indifferent (adjective) 
- নিঃস্পৃহ; অনীহ; উদাসীন; নিরুৎসুক।

ঘ) Angry (adjective) 
- ক্রুদ্ধ; রুষ্ট।

• সুতরাং অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে, প্রশ্ন প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে কেবল মাত্র Friendly শব্দটি Inimical এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
- তাই সঠিক উত্তর হবে -  Friendly.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৩.
The synonym for 'efface'-
  1. Improve
  2. Exhaust
  3. Rub out
  4. Cut out
ব্যাখ্যা
• The synonym for 'efface'- Rub out.

• Efface (Verb):

English Meaning:
1. Erase (a mark) from a surface.
2. Cause (a memory or emotion) to disappear completely.
Bangla Meaning: 
1. উপরিভাগ নষ্ট করা।
2. নিশ্চিহ্ন করা।

• Synonyms - Erase (মুছে ফেলা), Eradicate (সমূলে উৎপাটন করা), Expunge (মুছে ফেলা), Rub out (ঘষে তুলে ফেলা)।
• Antonyms - Preserve (সংরক্ষণ করা)। 

• Other options, 
ক) Improve (Verb)
 - উন্নতিসাধন করা।

খ) Exhaust (verb)
- সম্পূর্ণরূপে ব্যয় করে ফেলা;।

ঘ) Cut out (verb)
- বন্ধ হওয়া।

Source:
1. Merriam-Webster dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৪.
The best passive form of the sentence: 'We don't like idle people'-
  1. We are not liked by idle people
  2. Idle people are not liked by us
  3. Idle people are not of our liking
  4. Idle people are not like us
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত বাক্যটি Present indefinite tense এ রয়েছে।
- Present indefinite tense যুক্ত negative বাক্যের Passive voice এর গঠন করার নিয়ম - 
- Object টি subject রূপে বসে।
- এরপর  subject ও tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
-  not + verb এর past participle form হয়।
- by + object.

• তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক Passive form টি হবে - Idle people are not liked by us.
২৫.
The correct sentence of the followings-
  1. The Nile is longest river in Africa
  2. The Nile is Longest river in the Africa
  3. Nile is longest river in Africa
  4. The Nile is the longest river in Africa
ব্যাখ্যা
• সঠিক বাক্যটি হবে - The Nile is the longest river in Africa.
• Nile দ্বারা এখানে নীলনদকে বুঝাচ্ছে।
- bangla Meaning of the sentence: নীল নদ আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী।

• Article এর নিয়মানুযায়ী, 
• নদী, সাগর, উপসাগর, মহাসাগর, পর্বতশ্রেণী, দ্বীপ, জাহাজ ইত্যাদি নামের পূর্বে The বসে।
- যেমন: The Andamans, The Himalayas, The Pacific.

- তাই, The Nile সঠিক উত্তর হবে। 
• এছাড়াও,  longest superlative degree তে আছে বলে এর পূর্বে  the বসবে।
২৬.
Browning was the composer of any of the following poems-
  1. Two Voices
  2. The Scholar Gipsy
  3. Andreadel Sarto
  4. Oneone
ব্যাখ্যা
• Of the following Browning was the composer of the poem: Andrea del Sarto.

• "Andrea del Sarto" কবিতাটি Victorian Period এ Robert Browning এর রচিত কবিতা।
- কবিতাটি Italian painter, Andrea del Sarto এবং তার Wife Lucrezia এর বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে রচিত।
- এখানে Andrea del Sarto নিজেই Speaker এর ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি তার স্ত্রীকে ডেকে পাশে বসান এবং কিছু নিরুপদ্রব ভালো সময় দুইজন একসাথে কাটাতে চান এমন মনোভাব ব্যক্ত করেন।
- এরপর কবি তার ফেলে আসা জীবনের কিছু হতাশার দিক তুলে ধরেন এবং তার জন্য আফসোস করেন। পরিশেষে স্ত্রীর সব আব্দার তিনি মেনে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বিনিময়ে তিনি শুধু শান্তি চান।

• Robert Browning
- Victorian age এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে তাকে গণ্য করা হয়।
- তিনি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন তার dramatic monologues বা স্বগতোক্তিমূলক কবিতার জন্য।
- So, he is often called the father of dramatic monologue.
- এছাড়া মানব চরিত্রের বিভিন্ন মনস্তাত্বিক দিকও তিনি তার কবিতায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করতেন।

• Best Works:
- The Ring and the Book,
- Fra Lippo Lippi,
- My Last Duchess,
- Paracelsus,
- Rabbi Ben Ezra,
- Sordello,
- Pauline,
- The Patriot,
- A Grammarian’s Funeral,
- Men and Women,
- Dramatic Lyrics,
- Dramatis Personae,
- Bishop Blougram’s Apology,
- Christmas Eve and Easter-Day,
- Porphyria's Lover, etc.

• অন্যদিকে, 
ক) Two Voices: Alfred Tennyson রচিত কবিতা।
খ) The Scholar Gipsy: Mathew Arnold রচিত কবিতা।
ঘ) Oneone: Alfred Tennyson রচিত কবিতা।

Source: Britannica.com
২৭.
The right word to fill in the gap of the following sentence- 'Give her a telephone number to ring ____ she gets lost'-
  1. whether
  2. in case
  3. unless
  4. perhaps
ব্যাখ্যা
• In case:
English Meaning - If something happens, or in preparation for when something happens
Bangla Meaning - ঘটনাচক্রে।
- কোন ঘটনার সম্ভাবনা বুঝাতে in case ব্যবহার হয়।
- এখানে শূন্যস্থানে In case বসালে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হবে।

• Complete Sentence - Give her a telephone number to ring in case she gets lost.
- বাক্যের অর্থ - সে হারিয়ে গেলে রিং করার জন্য তাকে একটি টেলিফোন নম্বর দিন।

• অপশনে উল্লিখিত অন্য শব্দগুলোর অর্থ - 
ক) Whether - এতে কোনোকিছু ঘটার সম্ভাবনা বা সম্ভাব্যতা প্রকাশ পায়।
গ) Unless -যদি না।
ঘ) Perhaps - হয়তো; সম্ভবত।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
২৮.
The synonym of 'Franchise' -
  1. Privilege
  2. Utility
  3. French
  4. Frankness
ব্যাখ্যা
• Franchise (noun)
English Meaning:  the right to vote in an election, especially in order to elect a parliament or similar law-making organization:
Bangla Meaning: কোনো দেশ বা নগরী কর্তৃক প্রদত্ত পূর্ণ নাগরিক অধিকার, বিশেষত ভোটাধিকার; জনাধিকার।

• Privilege (noun)
English Meaning: to give an advantage to one person or group of people and not to others.
Bangla Meaning: যে অধিকার বা সুবিধা কোনো বিশেষ ব্যক্তি; শ্রেণি পদমর্যাদা বা পদাধিকারীর পক্ষেই শুধু ভোগ্য; বিশেষাধিকার। 

অর্থাৎ, Franchise এর synonym হবে Privilege. 

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
খ) Utility: 
English Meaning: the usefulness of something, especially in a practical way. 
Bangla Meaning: উপযোগিতা; উপযোগ। 

গ) French: 
English Meaning: belonging to or relating to France, its people, or its language. 
Bangla Meaning: ফরাসি।

ঘ) Frankness: 
English Meaning: honest, sincere, and truthful, even if there is a risk of causing bad feelings. 
Bangla Meaning: অকপট; মনখোলা; নিষ্কপট; অমায়িক; নির্ব্যাজ; উদার। 

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy
2. Cambridge Dictionary.
২৯.
The opposite word of 'sluggish'-
  1. Heavy
  2. Animated
  3. Dull
  4. Slow
ব্যাখ্যা
• Sluggish - নিষ্ক্রিয়; মন্থরগতি।

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) Heavy
- ভারী; গুরু; গুরুভার; গরীয়ান।

খ) Animated
- প্রাণবন্ত, প্রাণচঞ্চল।

গ) Dull
- নিষ্প্রভ; অনুজ্জ্বল

ঘ) Slow
- ধীর; মন্থর.

• শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে, sluggish এর opposite word হচ্ছে animated.

Source: Accessible Dictionary By Bangla Academy.
৩০.
The correct spelling is-
  1. Humourous
  2. Humourious
  3. Humorous
  4. Humorious
ব্যাখ্যা
• Humorous (adjective)
English Meaning: Full of or characterized by that quality which appeals to a sense of the ludicrous or absurdly incongruous : full of or characterized by humor
Bangla Meaning: কৌতুকপূর্ণ; রসাত্মক
 
Example Sentence:
1. The comedian delivered a series of humorous anecdotes that had the audience in stitches.
2. Despite the serious topic, the author managed to infuse the book with humorous dialogue and witty remarks.
 
Source:
1. Merriam-Webster Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩১.
'Equivocation' means-
  1. A true statement
  2. Equal opportunity to get a job
  3. Free expression of opinions
  4. Two contrary things in the same statement
ব্যাখ্যা
• 'Equivocation' means - Two contrary things in the same statement.

• Equivocation (noun):

Meaning: The use of ambiguous language to conceal the truth or to avoid committing oneself; prevarication/To contrary things in the same statement.
Bengali meaning: কথার দুটি অর্থ হয় এমন ভাব; বাকচাতুরী।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
ক) A true statement  - একটি সত্য বক্তব্য।
খ) Equal opportunity to get a job -  সমানভাবে কাজ পাওয়ার সুযোগ।
গ) Free expression of opinions - মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা।

Source:
1. Oxford Learner's  Dictionary
Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩২.
When a person says he's 'all in', it means-
  1. he is very tired
  2. He has arrived
  3. He has finished packing
  4. He has got everything
ব্যাখ্যা
• When a person says he's 'all in', it means -he is very tired

• All in (Phrase):

English Meaning:- Exhausted, Very tired.
Bangla Meaning: - অত্যন্ত পরিশ্রান্ত, ক্লান্ত।

• Example sentence: He was all in by half-time of the game.
- Bangla Meaning: খেলার অর্ধেক সময়েই তিনি সম্পূর্ণ ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে -
খ) He has arrived-সে পৌঁছেছে।
গ) He has finished his packing সে তার গোছানো শেষ করেছেন।
ঘ) He has got everything- সে সব কিছু পেয়েছে।

Source: Applied English Grammar and Composition by P. C. Das
৩৩.
'Bill of fare' is-
  1. A chart of bus fare
  2. A price list
  3. A valuable document
  4. A list of dishes at a restaurant
ব্যাখ্যা
• 'Bill of fare' is - A list of dishes at a restaurant

• Bill of fare (phrase)

English Meaning: A menu.
Bengali meaning: খাবারতালিকা; মেনু।

Example Sentence: Most hotels and restaurants in the town have put on show their Christmas bill of fare.
বাক্যের অর্থঃ শহরের বেশিরভাগ হোটেল এবং রেস্তোঁরাগুলি বড়দিনে তাদের খাবারের তালিকা প্রদর্শন করেছে।

Source:
1. Oxford Learner's Dictionary
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৪.
A 'bull market' means that share prices are-
  1. Falling
  2. Rising
  3. Moving
  4. Static
ব্যাখ্যা
• Bull market (Noun)
English Meaning: A market in which share prices are rising, encouraging buying.
Bangla Meaning: শেয়ার বাজার যেখন মূল্যবৃদ্ধি হতে থাকে বা মূল্যবৃদ্ধির পরিস্থিতির তৈরি হয়।

• সুতরাং, A 'bull market' means that share prices are Rising. 

• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) Falling - পড়া; পড়ে যাওয়া; পতিত হওয়া।
খ) Declining - মাত্রা অথবা বেগ বৃদ্ধি পাওয়া; মাজের উচ্চ অবস্থানে ওঠা; (পেশার ক্ষেত্রে) উন্নতি করা।
গ) Moving - স্থান বা অবস্থানের পরিবর্তন; (দাবা ইত্যাদি খেলায়) চাল; দান।
ঘ) Static - স্থিত; স্থাণু; অনড়/স্থির অবস্থায়।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.
৩৫.
'Blue chips' are-
  1. Securities issued by the government
  2. Industrial shares considered to be a safe investment
  3. Industrial shares considered to be a risky investment
  4. A list of dishes at a restaurant
ব্যাখ্যা
• Blue chips (Adjective):
English Meaning:-
1. Denoting companies or their shares considered to be a reliable investment, though less secure than gilt-edged stock.
2. Of the highest quality.
Bangla Meaning:
1. নির্ভরযোগ্য ও মূল্যবান (ব্যক্তি)
2. (শিল্প শেয়ার)।

• Example Sentence:
1. Blue chips are often considered stable investments due to their established track record and strong financial performance.
2. Investors tend to favor blue chips during times of market uncertainty as they typically offer reliability and consistent dividends.

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৬.
'Razzmatazz' means-
  1. A musical instrument
  2. A well-planned programme
  3. A noisy activity
  4. A musical drama
ব্যাখ্যা
• Razzmatazz
English Meaning: noisy and noticeable activity, intended to attract attention.
Bangla Meaning: হৈচৈ পূর্ণ আচরণ বা কাজকর্ম; বিশেষত দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য।

Example: The new car was launched with great razzmatazz: champagne.
Bangla Meaning: নতুন গাড়িটি বড় আড়ম্বরে উদ্বোধন করা হয়েছিল।

• Options,
- A noisy activity: শোরগোলপূর্ণ কর্ম।
- A well-planned programme: একটি সুপরিকল্পিত কর্মসূচি।
- A musical activity: সঙ্গীতানুষ্ঠান।
- A musical instrument: বাদ্যযন্ত্র।

• Correct answer: 'Razzmatazz' means- A noisy activity.

Source: Cambridge Dictionary.
৩৭.
'Blockbuster' means-
  1. A large solid piece of store
  2. A device to cut off a person's head as a punishment
  3. Something that makes movement difficult
  4. A powerful explosive to demolish buildings
ব্যাখ্যা
• Blockbuster (Noun):
English Meaning: 
1. a very large high-explosive bomb
2. one that is notably expensive, effective, successful, large, or extravagant
3. one who engages in blockbusting
Bangla Meaning: 
1. শক্তিশালী বিস্ফোরক বা বোমা যা একসঙ্গে অনেক দালানকোঠা ধ্বংস করতে পারে;
2. (লাক্ষণিক) কোনো ঘটনার ফল আকস্মিকভাবে প্রভাবিত করতে পারে এমন প্রবল কোনো বস্তু; (বিশেষত America(n))
3. এমন ব্যক্তি যে ভয় দেখিয়ে বা প্রতারণার মাধ্যমে কোনো এলাকার লোকজনকে তাদের বাড়িঘর বিক্রি করে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য করে।

Source:
1. Merriam-Webster Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩৮.
Any one of the following pairs are literary collaborators-
  1. Eliot and Pound
  2. Yeats and Eliot
  3. Pope and Dryden
  4. Shelly and Keats
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হবে - ক) Eliot and Pound, যা সঠিক।

• Collaborator
English Meaning: A person who works jointly on an activity or project; an associate.
Bangla Meaning:  সহযোগী।

• মূলত Eliot and Pound,  T. S Eliot রচিত কবিতা The Waste Land এ Collaborator ছিলেন।
- Ezra Pond The Waste Land এর সম্পাদনা, পরিমার্জনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে Eliot কে বিভিন্নভাবে সাহায্য করেছিলেন।
- এর পাশাপাশি Eliot এই কবিতাটি Ezra Pound কেও উৎসর্গ করেছিলেন।
- অনেক সমালোচকের মতে, টি. এস. এলিয়টের বিখ্যাত কবিতা The Waste Land-এর পাণ্ডুলিপি সম্পাদনায় এজরা পাউন্ডের অবদানই এই রচনাটিকে আধুনিক কবিতার শ্রেষ্ঠত্বে পরিণত করেছে। তাদের এই সহযোগিতাই ছিল তাদের গভীর সাহিত্যের সম্পর্কের শীর্ষ বিন্দু, যা বিশ শতকের ইংরেজি ও আমেরিকান কবিতায় আধুনিকতাবাদের বিকাশে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

Source: The Gurdian report and British Library website.
৩৯.
The correct sentence of the followings-
  1. A new cabinet has been sworn in in Dhaka
  2. A new cabinet has been sworn in Dhaka
  3. A new cabinet has been sworn by in Dhaka
  4. A new cabinet has sworn in Dhaka
ব্যাখ্যা
• Swear in শপথ গ্রহন করা এবং স্থানের নামের পূর্বে in হবে।
- আবার শপথ কাজটি প্রধান বিচারপতি করান, cabinet নিজে করে না।
- তাই বাক্যটি passive voice হবে।

• Swear in (verb):
English Meaning: to induct into office by administration of an oath.
বাংলা অর্থ:- শপথ গ্রহণ করা।

• প্রশ্নের বাক্যটির সঠিক অর্থ - ঢাকায় নতুন একটি মন্ত্রিপরিষদ শপথ নিয়েছে।
- লক্ষণীয়, আনুষ্ঠানিক শপথ নিজে নিজে গ্রহণ করা হয় না, অন্য আরেকজনের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ করতে হয়।
- যেমন: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের রাষ্ট্রপতি শপথবাক্য পাঠ করান।

• তাই এখানে বাক্যেটি active voice এ না হয়ে passive voice এ হবে।
- সঠিক উত্তর - A new cabinet has been sworn in in Dhaka.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy and Cambridge Dictionary.
৪০.
'To read between the lines' means-
  1. To read carefully
  2. To read only some lines
  3. To read quickly to save time
  4. To read carefully to find out any hidden meaning
ব্যাখ্যা
• To read between the lines- ঘ) To read carefully to find out any hidden meaning.

• To read between the lines (Phrase)
English Meaning: Look for or discover a meaning that is implied rather than explicitly stated.
Bangla Meaning: ভাল করে পড়ে অন্তর্নিহিত অর্থ বুঝে নেওয়া। 

Example Sentence- Read between the lines, so that you won't miss anything important. 
বাংলা অনুবাদ- মনোযোগের সাথে অধ্যয়ন করে অন্তর্নিহিত অর্থ বোঝবার চেষ্টা করো, যেন গুরুত্বপূর্ণ কিছু তোমার কাছ থেকে ছুটে না যায়। 
 
Source: Live MCQ Lecture
৪১.
The last word of the proverb, 'Handsome is that handsome'-
  1. works
  2. thinks
  3. says
  4. does
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - does.
Complete peoverb: Handsome is that handsome does.

• Handsome is that handsome does (Phrase/Proverb):
English Meaning: Character and behaviour are more important than appearance.
Bangla Meaning: আসল সৌন্দর্য কাজের মধ্যেই প্রকাশ পায় অথবা কাজেই ব্যক্তির প্রকৃত গুণ প্রকাশ পায়।
- এটি বোঝায় যে মানুষের প্রকৃত সৌন্দর্য তার আচরণ বা কর্মের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়, বাহ্যিক চেহারা নয়।

Ex. sentence: It’s a very handsome looking camera but, as the saying goes, handsome is as handsome does.
Bangla Meaning: "এটি দেখতে খুব সুন্দর একটি ক্যামেরা, তবে প্রবাদে যেমন বলা হয়, আসল সৌন্দর্য কাজের মধ্যেই প্রকাশ পায়।"
- অর্থাৎ, দেখতে সুন্দর হলেও কার্যকারিতার দিক থেকে কেমন, সেটিই আসল বিষয়।
৪২.
'ল্যাপটপ' হলো এক ধরনের-
  1. পর্বতারোহণ সামগ্রী
  2. ছোট কুকুর
  3. বাদ্যযন্ত্র
  4. ছোট কম্পিটার
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ হলো এক ধরনের ছোট কম্পিউটার।

• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড (টেশিস)।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. dw.com
৪৩.
Natural protein এর কোড নাম-
  1. Protein-P 53
  2. Protein-P 51
  3. Protein-P 49
  4. Protein-P 54
ব্যাখ্যা
প্রোটিন হলো অ্যামিনো অ্যাসিডের পলিমার, যা উচ্চ ভর বিশিষ্ট নাইট্রোজেনযুক্ত জটিল জৈব যৌগ। প্রোটিনকে সাধারণত আমিষও বলা হয়। এটি মূলত পেপটাইড বন্ধনে সংযুক্ত অ্যামিনো অ্যাসিডের একটি শৃঙ্খল, যা জীবদেহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিনের বিশেষ একটি প্রাকৃতিক ধরনের কোড নাম P-49 নামে পরিচিত, যা দেহের জটিল জৈবিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে। এটি দেহের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ এবং কোষের গঠন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
৪৪.
'অ্যাকোয়া রেজিয়া' বলতে বুঝায়-
  1. কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এসিড
  2. কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিড
  3. কনসেনট্রেটেড সালফিউরিক এবং কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক এসিডের মিশ্রণ
  4. কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণ
ব্যাখ্যা
• 'অ্যাকোয়া রেজিয়া' বলতে বুঝায় কনসেনট্রেটেড নাইট্রিক ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের মিশ্রণ।

- এক মোল গাঢ় নাইট্রিক এসিড (HNO3) এবং তিন মোল গাঢ় হাইডোক্লোরিক এসিডের (HCl) মিশ্রণকে অ্যাকোয়া রেজিয়া বা রাজঅম্ল বলে।
- অভিজাত ধাতুসমূহ (যেমন- স্বর্ণ, প্লাটিনাম) যে কোনো গাঢ়তার হাইড্রোক্লোরিক এসিড বা নাইট্রিক এসিডে দ্রবীভূত হয় না, কিন্তু এরা অ্যাকোয়া রেজিয়া বা রাজ অম্লে দ্রবীভূত হয়।
- সোনার গহনা তৈরির সময় স্বর্ণকাররা নাইট্রিক এসিড ব্যবহার করেন।
- সার কারখানায়, বিস্ফোরক প্রস্তুতি, খনি থেকে মূল্যবান ধাতু যেমন- সোনা আহরণে ও রকেটে জ্বালানির ক্ষেত্রে নাইট্রিক এসিড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি এবং Massachusetts Institute of Technology.
৪৫.
বায়ুমণ্ডলের চাপের ফলে ভূগর্ভস্থ পানি লিফট পাম্পের সাহায্যে সর্বোচ্চ যে গভীরতা থেকে উঠানো যায়-
  1. ১ মিটার
  2. ১০ মিটার
  3. ১৫ মিটার
  4. ৩০ মিটার
ব্যাখ্যা
[Under ideal conditions the pressure of the air at sea level is enough to raise a column of water 10.3 m (34 ft) in a vertical pipe in which a perfect vacuum has been made. -WHO Document on Pumps.]

• বায়ুমণ্ডলীয় চাপের কারণে সাধারণ লিফট পাম্প দিয়ে পানি সর্বোচ্চ ১০ মিটার উঁচুতে তোলা সম্ভব।
• কারণ:
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ = ১.০১৩ × ১০ প্যাসকেল (1 atmosphere)
এই চাপ পানির স্তম্ভের উচ্চতার সমান = ১০.৩৩ মিটার (তাত্ত্বিকভাবে)
বাস্তবে ঘর্ষণ ও অন্যান্য কারণে এই উচ্চতা প্রায় ১০ মিটার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে

টরিচেলির শূন্যতার নীতি অনুযায়ী:
বায়ুমণ্ডলীয় চাপ = ρgh
যেখানে, ρ = পানির ঘনত্ব (১০০০ কেজি/মি)
g = অভিকর্ষীয় ত্বরণ (৯.৮ মি/সে)
h = পানির স্তম্ভের উচ্চতা

১০ মিটারের বেশি উচ্চতায় পানি তুলতে হলে সাবমার্সিবল পাম্প ব্যবহার করতে হয় অথবা বুস্টার পাম্প ব্যবহার করতে হয়।
সুতরাং, বায়ুমণ্ডলীয় চাপের ফলে লিফট পাম্প দিয়ে সর্বোচ্চ ১০ মিটার গভীরতা থেকে পানি তোলা সম্ভব।
৪৬.
টুথপেস্টের প্রধান উপাদান-
  1. জেলী ও মশলা
  2. ভোজ্য তেল ও সোডা
  3. সাবান ও পাউডার
  4. ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল
ব্যাখ্যা
• টুথপেস্ট:
- টুথপেস্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত উপাদানগুলির উপাদানের পরিমাণের তালিকা নিচে দেওয়া হল। 

এখানে, সোডিয়াম লরেল সালফেট হচ্ছে সাবান যা দাত ব্রাশ করার সময় ফেনা তৈরি করে।

• অন্যদিকে,
জেলী ও মশলা: এগুলি টুথপেস্টের প্রধান উপাদান নয়।
ভোজ্য তেল ও সোডা: এগুলি টুথপেস্টে ব্যবহৃত হয় না।
ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল: এগুলি সহায়ক উপাদান, প্রধান উপাদান নয়।
৪৭.
পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতি হয়-
  1. সান্দ্রতা
  2. স্থিতিস্থাপকতা
  3. প্লবতা
  4. পৃষ্ঠটান
ব্যাখ্যা
• তলটান বা পৃষ্ঠটান:
- তরলের একক দৈর্ঘ্যের উপর যে পরিমাণ আকর্ষণ থাকে তাকে এ তরলের পৃষ্ঠটান বলে।
- পৃষ্ঠটান এর কারণে যেসব ঘর্টনা ঘটে তা হলো:
১. নদীর তীরে ভেজা বালুর উপর দিয়ে হেঁটে যাবার সাথে সাথে বালু নিজ স্থানে চলে আসা।
২. বৃষ্টির পানি গোলাকার বা কাঁচের উপর ছড়ানো একটু পারদ গোলাকার আকার ধারন করা।
৩. সুঁচ পানিতে ভাসা।
৪. পানির উপর তেল ছড়িয়ে পড়া।

• পানির ছোট ফোটা পানির যে গুণের জন্য গোলাকৃতির হয় পৃষ্ঠটানের কারণে।
- পানির ফোঁটাগুলি পৃষ্ঠ স্তরের সমন্বিত শক্তি দ্বারা একটি গোলাকার আকৃতি হয়।
- মাধ্যাকর্ষণ সহ অন্যান্য শক্তির অনুপস্থিতিতে, কার্যত সমস্ত তরলের ফোঁটাগুলি প্রায় গোলাকার হবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৮.
মুক্তা হলো ঝিনুকের -
  1. খোলসের টুকরা
  2. চোখের মণি
  3. প্রদাহের ফল
  4. জমাট হরমোন
ব্যাখ্যা
• মুক্তা হলো ঝিনুকের প্রদাহের ফল।

• মুক্তা:
- মুক্তা (Pearl) বা মতি এক ধরনের মূল্যবান রত্ন, যা শম্বুক জাতীয় প্রাণী ঝিনুকের অভ্যন্তরে তৈরি হয়।
- মাসেল শ্রেণির ঝিনুকের পেটে মুক্তা তৈরি হয়।
- মুক্তার রাসায়নিক উপাদান হলো কনকায়োলিন, ক্যালসাইট, এবং ক্যালসিয়াম কার্বোনেট।
- যখন ঝিনুক খোলস ফাঁক করে খাবার গ্রহণ করে, তখন যদি বালুকণা বা অন্য কোনো কঠিন বস্তু তার দেহে প্রবেশ করে এবং তা ঝিনুকের পক্ষে বের করা সম্ভব না হয়, তখন ঝিনুকের শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি হয়।
- ঝিনুকের দেহ থেকে ক্ষরিত সাদা ঘন আঠালো রস কণাটিকে বেষ্টন করে স্তরে স্তরে জমাট বাঁধে।
- এই জমাট বাঁধা পদার্থ ধীরে ধীরে মুক্তায় পরিণত হয়।
- ক্যালসিয়াম কার্বনেট (CaCO₃) হলো একটি রাসায়নিক যৌগ, যা মূলত কার্বন, অক্সিজেন এবং ক্যালসিয়াম দ্বারা গঠিত।
- এটি মুক্তা, সামুদ্রিক প্রাণীর খোলস, শামুক এবং ডিমের খোসার প্রধান উপাদান, এবং শিলার মধ্যেও প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বোর্ড বই এবং রসায়ন বিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪৯.
দুটি লম্বালম্বি শক্তির পরিমাণ ৫ N এবং ৪ N, তাদের লদ্ধি পরিমাণ কত?
  1. ৩ N
  2. √১১ N
  3. √৪১ N
  4. ১ N
ব্যাখ্যা
দেওয়া আছে,
দুটি লম্বালম্বি শক্তির পরিমাণ ৫ N এবং ৪ N
∴ তাদের লব্ধি পরিমাণ = √(৫ + ৪)
= √(২৫ + ১৬)
= √৪১ N
৫০.
লালবাগ দুর্গের অভ্যন্তরের সমাধিতে সমাহিত শায়েস্তা খানের এক কন্যার আসল নাম-
  1. পরীবিবি
  2. ইরান দুখ্‌ত
  3. জাহানারা
  4. মরিয়ম
ব্যাখ্যা
• লালবাগ কেল্লা:
লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ। এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম। মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।

- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পরী বিবির আসল নাম ইরান দুখত রেহমত বানু। 

১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে। এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে। ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়। এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

উৎস:
i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
iii) বাংলাপিডিয়া।
৫১.
বাংলাদেশের পাহাড়শ্রেণি ভূ-তাত্ত্বিক যুগের ভূমিরূপ হচ্ছে-
  1. প্লাইস্টোসিন যুগের
  2. টারশিয়ারী যুগের
  3. মায়োসিন যুগের
  4. ডেবোনিয়াস যুগের
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী বাংলাদেশের ভূতত্ত্ব তিন ধরণের।
যথা- 
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ।
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এ পাহাড়গুলো গঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের পাহাড়শ্রেণী ভূতাত্ত্বিকভাবে টারশিয়ারি যুগের। এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে মনে করা হয়।

বাংলাদেশে অবস্থিত টারশিয়ারি যুগের পাহাড়গুলোকে আবার দুইটি ভাগে বিভক্ত।
যথা- 
i) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।

ii) বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ছোট-বড় পাহাড়গুলো নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত স্থানের নাম-
  1. তেঁতুলিয়া
  2. পঞ্চগড়
  3. বাংলাবান্ধা
  4. নকশালবাড়ি
ব্যাখ্যা
• হিমালয়ের কোলঘেঁষে বাংলাদেশের সর্বোত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া। এই উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত বাংলাদেশ মানচিত্রের সর্বোত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা জিরো (০) পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর।

• বাংলাবান্ধা:

- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর বাংলাদেশের তেঁতুলিয়া উপজেলার ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়নে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র স্থল বন্দর যার মাধ্যমে চারটি দেশের (বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভূটান)মধ্যে পণ্য আদান-প্রদানের সুবিধা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার মহানন্দা নদীর তীরে এ বন্দরটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত সংলগ্ন প্রায় ১০ একর জায়গার উপর স্থলবন্দরটি অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত স্থান বাংলাবান্ধা।

উৎস: পঞ্চগড় জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫৩.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' এর মানে-
  1. একটি খেলার মাঠ
  2. একটি প্লাবন ভূমির নাম
  3. বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
  4. ঢাকা সেনানিবাসের পোলা গ্রাউন্ডের নাম
ব্যাখ্যা
• সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড (Swatch of No Ground):
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে। এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত। গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।

পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের আরও কিছু বদ্বীপমুখী খাদ দেখতে পাওয়া যায়, যেমন সিন্ধু নদীর মোহনার অদূরে সিন্ধু খাদ, মিসিসিপি বদ্বীপের পশ্চিম পাশে মিসিসিপি খাদ। 

- সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ডটি বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিলোমিটার প্রশস্ত গভীর সমুদ্রের উপত্যকা। এই উপত্যকার গভীরতম রেকর্ড করা অঞ্চলটি প্রায় ১৩৫০ মি।
- সাবমেরিন উপত্যকাটি বেঙ্গল ফ্যান বা বঙ্গ পাখার অংশ, বিশ্বের বৃহত্তম সাবমেরিন পাখা।
- 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫৪.
ব্রিটিশ বণিকদের বিরুদ্ধে একজন চাকমা জুমিয়া নেতা বিদ্রোহের পতাকা উড়িয়েছিলেন, তার নাম-
  1. রাজা ত্রিদিব রায়
  2. রাজা ত্রিভুবন চাকমা
  3. জুম্মা খান
  4. জান বখশ খাঁ
ব্যাখ্যা
• ব্রিটিশ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে চাকমাদের স্বাধীনতা রক্ষার এই প্রতিরোধ সংগ্রাম সংঘটিত হয়েছিল ১৭৭২ থেকে।

১৭৭২-১৭৭৩ সালে ইংরেজরা চাকমাদের কে মুদ্রার মাধ্যমে রাজস্ব প্রদান করতে বাধ্য করে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে মুদ্রা ভিত্তিক অর্থনীতি প্রচলনের জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এর ফলে চাকমাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবনে নানারকম সমস্যা ও বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

• ক্রমে ইংরেজ শাসনের প্রতি চাকমারা বীতশুদ্ধ হয়ে ওঠে এবং তাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে।  ১৭৮২ খ্রিষ্টাব্দে জান বক্স খা ব্রিটিশের দাবী অগ্রাহ্য করার জন্যে মহাপ্রুমে একটা শক্তিশালী দুর্গ বানায়।

ফলে কোম্পানির সাথে একটি দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের সূত্রপাত হয়, যা ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত চলেছিল। - চাকমা রাজের পক্ষে রাজা জান বখশ খান, শের দৌলত খানের পুত্র অংশ নেন। কোম্পানী চাকমা রাজের বিরুদ্ধে চারটি যুদ্ধ পরিচালনা করেছিল। সেগুলো হল - ১৭৭০, ১৭৮০, ১৭৮২ এবং ১৭৮৫ সালের যুদ্ধ।
- যুদ্ধে কোম্পানী বিশেষ সুবিধে করতে না পারায় এবং চাকমা রাজ্যে বাণিজ্য অবরোধের ফলে সৃষ্ট সমস্যায় - দুই পক্ষই ১৭৮৫ সালে একটি শান্তি আলোচনা চালায়।

চুক্তি অনুযায়ী চাকমা রাজা কোম্পানীর আধিপত্য মেনে নেওয়ার পাশাপাশি বছরে ৫০০ মণ তুলা দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেন, বিনিময়ে কোম্পানী চাকমা রাজার আঞ্চলিক আধিপত্য মেনে নিয়ে বাণিজ্য অবরোধ তুলে নেয়।

সুতরাং, তখন চাকমাদের নেতা ছিলেন জান বকস খাঁর বা জুয়ান বক্স খাঁ বা জোয়ান বখশ খাঁ।

উৎস: চাকমা - বাংলাপিডিয়া, কালের কন্ঠ কলাম, জুমজার্নাল Government of Bangladesh - District Gazetteer of Chittagong Hill Tracts, James Minahan এর Encyclopedia of the Stateless Nations: Ethnic and National Groups Around the World ইত্যাদি।
৫৫.
বাংলাদেশে ঢোকার পর গঙ্গা নদী, ব্রহ্মপুত্র-যমুনার সাথে নিম্নোক্ত একটা জায়গায় মেশে-
  1. গোয়ালন্দ
  2. বাহাদুরাবাদ
  3. ভৈরববাজার
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• পদ্মা (Padma) নদী:
বাংলাদেশের প্রধান নদী পদ্মা। এ নদী গঙ্গা নামে মধ্য হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে উৎপন্ন হয়েছে।

- পদ্মা নদী রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে। এই মিলিত ধারা পদ্মা নামে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়ে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিশেছে।

- অত:পর তিন নদীর মিলিত স্রোত মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে গঙ্গা-পদ্মা বিধৌত অঞ্চলের আয়তন প্রায় ৩৪,১৮৮ বর্গকিলোমিটার।

• পদ্মার শাখানদীগুলোর মধ্যে-
- কুমার, ভৈরব, গড়াই, মাথাভাঙ্গা, ইছামতি, আড়িয়াল খাঁ উল্লেখযোগ্য।

• পদ্মার উপনদীগুলোর মধ্যে — মহানন্দা প্রধান।

• আর মহানন্দার উপনদীগুলোর মধ্যে রয়েছে — পুনর্ভবা, নাগর, কুলিক, ট্যাংগন,  পাগলা প্রভৃতি। 

তথ্যসূত্র:
- ভূগোল (১ম পত্র), নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
১৮৭৪ সালে ঢাকা শহরে পানি সরবরাহ করার জন্য প্রথম পানি সরবরাহ কার্যক্রম স্থাপিত হয়-
  1. সদরঘাটে
  2. চাঁদনীঘাটে
  3. পোস্তাগোলায়
  4. শ্যামবাজারে
ব্যাখ্যা
• পানি সরবরাহ প্রকল্প:
- ১৮৭৪ সালে ঢাকা শহরে পানি সরবরাহ হয় — চাঁদনীঘাট প্রকল্পের মাধ্যমে।
- চাঁদনীঘাটের এই প্রকল্পটি ছিলো ঢাকায় পানি সরবরাহের প্রথম প্রকল্প।
- ঢাকায় পানি সরবরাহের দ্বিতীয় প্রকল্প স্থাপিত হয় সায়েদাবাদে।

উৎস: পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা - বাংলাপিডিয়া ও যুগান্তর রিপোর্ট।
৫৭.
ঢাকার বড় কাটরা ও ছোট কাটরা শহরের নিম্নোক্ত একটি এলাকায় অবস্থিত?
  1. চকবাজার
  2. সদরঘাট
  3. লালবাগ
  4. ইসলামপুর
ব্যাখ্যা
• বড় কাটরা ও ছোট কাটরা:
বড় কাটরা ও ছোট কাটরা ঢাকা শহরের — চকবাজার এলাকায় অবস্থিত।

বড় কাটরা:
- মুগল রাজধানী ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুজা বাংলাদেশে অন্যতম মুঘল স্থাপত্য ‘বড় কাটরা’ নির্মাণ করেন।
- ১৬৪৪ সালে শাহ সুজা বড় কাটরা নির্মাণ করেন।

ছোট কাটরা:
- পুরাতন ঢাকার একটি মুঘল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে পুরান ঢাকার চকবাজারের হাকিম হাবিবুর রহমান লেনে অবস্থিত।
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৪ সালের দিকে এটি নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৮.
বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দানকারী দ্বিতীয় দেশের নাম-
  1. ভারত
  2. রাশিয়া
  3. ভুটান
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ও দ্বিতীয় দেশ:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- একইদিন অর্থাৎ ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ দ্বিতীয় দেশ হিসেবে — ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ ভারত।
----------------
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৫৯.
কক্সবাজার ছাড়া বাংলাদেশের আর একটি আকর্ষণীয় ও পর্যটন অনুকূল সমুদ্র সৈকত-
  1. নোয়াখালীর ছাগলনাইয়া
  2. চট্টগ্রামের বাঁশখালি
  3. খুলনার মংলা
  4. পটুয়াখালীর কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
• কক্সবাজার ছাড়া বাংলাদেশের আর একটি আকর্ষণীয় ও পর্যটন অনুকূল সমুদ্র সৈকত- পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত।

• কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত:
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত।

অবস্থান: 
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত।
- ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ৩৮০ কিলোমিটার, বরিশাল থেকে ১০৮ কিলোমিটার।
- পূর্বে গজমতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল, পশ্চিমে কুয়াকাটার বনভূমি, উত্তরে কলাপাড়া জনপদ ও দক্ষিণে বিশাল বঙ্গোপসাগর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, কুয়াকাটা।
৬০.
বাংলাদেশে বাস নেই এমন উপজাতির নাম-
  1. সাঁওতাল
  2. মাওরি
  3. মুরং
  4. গারো
ব্যাখ্যা
• মাওরি — নিউজিল্যান্ডের উপজাতি সম্প্রদায়ের নাম।
- বাংলাদেশে এদের অবস্থান নেই।
- বাংলাদেশে মোট ৫০ টি উপজাতি রয়ছে।
- বাংলাদেশ সরকার ৫০ টি উপজাতির নাম উল্লখে করে গেজেট প্রকাশ করে।

• অন্যদিকে,
 সাঁওতাল, মুরং, গারো সম্প্রদায় বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। 

উল্লেখ্য, 
- সাঁওতাল জনগোষ্ঠী রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া প্রভৃতি জেলায় বসবাস করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলায় মুরং উপজাতি বাস করে।
- গারোদের বসবাস ময়মনসিংহ অঞ্চলে।
 
সুত্র: বাংলাপিডিয়া, ব্রিটানিকা, সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৬১.
বাংলাদেশের অতি পরিচিত খাদ্য গোলআলু। এ খাদ্য আমাদের দেশে আনা হয়েছিল-
  1. ইউরোপের হল্যান্ড থেকে
  2. এশিয়ার থাইল্যান্ড
  3. আফ্রিকার মিশর থেকে
  4. দক্ষিণ আমেরিকার পেরু-চিলি থেকে
ব্যাখ্যা
• ব্রিটিশ গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস-এর মাধ্যমে উপমহাদেশে হল্যান্ড থেকে আলু চাষের বিস্তার হয়।

• সপ্তদশ শতকের শেষ দিকে অর্থাৎ ব্রিটিশ আমলে ভারতবর্ষ তথা বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস।
তিনি ১৭৭২ থেকে ১৭৮৫ সাল পর্যন্ত টানা ১৩ বছর দায়িত্বে থাকাকালে নিজ উদ্যোগে আলুর চাষ করেছিলেন।

• ১৮৪৭ সালে ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত ‘দ্য গার্ডেনিং মান্থলি’ ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায় ভারতে আলু চাষ সম্পর্কে প্রথম তথ্য পাওয়া যায়।

উচ্চফলনশীল জনপ্রিয় জাতসমূহের মধ্যে নিচের জাতগুলি উল্লেখযোগ্য-
(ক) কার্ডিনাল- আয়তাকার, লালচে কন্দ, অগভীর চোখ, চামড়া মসৃণ। জাতটি হল্যান্ড থেকে আনা হয়েছে। ফলনক্ষমতা হেক্টর প্রতি ২০-৩০ মে টন।
(খ) ডায়ামেন্ট- হল্যান্ডের অন্য একটি জাত, ডিম্বাকার থেকে আয়তাকার, ফ্যাকাসে হলুদ কন্দ, চামড়া মৃসণ ও চোখ অগভীর। এটি মোটামুটি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
৬২.
কাপ্তাই থেকে প্লাবিত পার্বত্য চট্টগ্রামের উপত্যকা এলাকা -
  1. মারিস্যা ভ্যালি
  2. খাগড়া ভ্যালি
  3. জাবরী ভ্যালি
  4. ভেঙ্গি ভ্যালি
ব্যাখ্যা
• কাপ্তাই থেকে প্লাবিত পার্বত্য চট্টগ্রামের উপত্যকা এলাকা — ভেঙ্গি ভ্যালি।
- এটি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে অবস্থিত। 

• উল্লেখযোগ্য ভ্যালি বা উপত্যকা এবং এদের অবস্থানসমূহ: 
- বালিশিরা ভ্যালি: মৌলভীবাজার,
- হালদা ভ্যালি: খাগড়াছড়ি, 
- সাজেক ভ্যালি: রাঙামাটি,
- সাঙ্গু ভ্যালি: চট্টগ্রাম,
- মাইনমুখী ভ্যালি: রাঙামাটি, 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৩.
বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষ আরম্ভ হয়-
  1. সিলেটের মালনীছড়ায়
  2. সিলেটের তামাবিলে
  3. পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়িতে
  4. সিলেটের জাফলং-এ
ব্যাখ্যা

চা শিল্প:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো।
- একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করেন।
- বর্তমানে তা বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

৬৪.
'স্টেপস' ভাস্কর্যটি সিউল অলিম্পিকের পার্কে স্থান পেয়েছিল। এর ভাস্করের নাম-
  1. নভেরা আহমেদ
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. আবদুল্লাহ খালেদ
  4. সুলতানুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের হামিদুজ্জামান খান ভাস্করের শিল্পকর্ম 'স্টেপস' ভাস্কর্যটি প্রদর্শনীতে স্থান পায়। 

--------------------- 
• হামিদুজ্জামান খান:
- একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন- হামিদুজ্জামান খান।
- "His piece titled ‘Steps’ has found a permanent place in the Seoul Olympic Park in Korea."

• অলিম্পিকে বাংলাদেশ:
- ১৯৮০ সালেই মস্কো অলিম্পিকে অংশ নেওয়ার কথা ছিল বাংলাদেশের।
- কিন্তু শেষ মুহূর্তে গেমস বয়কট করে।
- ১৯৮৪ সালে লস্ অ্যাঞ্জেলস অলিম্পিক গেমসে মার্চ পাস্টে জাতীয় পতাকা হাতে নিয়ে মাঠে নামে।
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা অংশ নেন।
- এরপর নিয়মিত অলিম্পিক গেমসে লাল-সবুজের পতাকা উড়ছে। 
- এখন পর্যন্ত কোনো আসরেই পদক জেতা হয়নি বাংলাদেশের।

উৎস: Bengal Foundation, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ২৮ অক্টোবর, ২০১৯।
৬৫.
বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় -
  1. ৫ মে, ১৯৯৪
  2. ৬ এপ্রিল, ১৯৯৪
  3. ৫ মে, ১৯৯৫
  4. ৭ মে, ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গবাদিপশুতে প্রথম ভ্রূণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।

- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৬৬.
বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম-
  1. রাজ কাঁকড়া
  2. গণ্ডার
  3. পিপীলিকাতুক ম্যানিস
  4. স্নো লোরিস
ব্যাখ্যা
• রাজ কাঁকড়া:
- বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম রাজ কাঁকড়া।
- রাজ কাঁকড়া (অশ্বখুরাকৃতির কাকড়া বা সাগর কাঁকড়া) প্রকৃত পক্ষে কাঁকড়া নয় তবে কাঁকড়ার সহিত সাদৃশ্যযুক্ত সামুদ্রিক অ্যারাকনিড।
- এরা Xiphosura (গ্রীক, xiphos, তলোয়ার এবং uros, লেজ) বর্গের অর্ন্তভুক্ত।
- পৃথিবীব্যাপী ৩টি গনের অধীনে এদের ৪টি জীবিত প্রজাতি রয়েছে।
- প্রাগৈতিহাসিক এই প্রাণীকে "জীবন্ত জীবাশ্ম" বলা হয় যা প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন বা ৫৫ কোটি বছর পূর্বে ট্রাইলোবাইট থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৭.
পোলিও টীকা আবিস্কারক জোনাস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের এক শহরে মারা যান, শহরটির নাম-
  1. La Martini
  2. La Zola
  3. San Antonio
  4. San Hose
ব্যাখ্যা
পোলিও:
- পোলিও (পোলিওমাইলাইটিস) হল পোলিওভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি পঙ্গু করে দেওয়া এবং প্রাণ-সংশয়কারী রোগ, যা একজন ব্যক্তির মেরুদন্ডকে সংক্রামিত করতে পারে, যার ফলে পক্ষাঘাত হতে পারে।
- পোলিও টিকা পোলিও প্রতিরোধ করতে পারে।
- OPV-এর পূর্ণরূপ: Oral Polio Vaccine যা পোলিও রোগের টীকা।
- ১৮৪০ সালে জ্যাকব হেইনার প্রথম এই রোগ শনাক্ত করেন এবং ১৯০৯ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার পোলিও ভাইরাস শনাক্ত করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ জোনাস সাল্ক:
- ১৯১৪ সালে নিউইয়র্কে জন্ম নেওয়া জোনাস সাল্ক ভাইরাস নিয়ে গবেষণা শুরু করেন ১৯৩০-এর দশকে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্লুর প্রতিষেধকের উন্নয়নে ভূমিকা রাখেন। 
- ১৯৪৮ সালে পোলিও ভাইরাস নিয়ে গবেষণা এবং প্রতিষেধক তৈরির চেষ্টার জন্য বৃত্তি পান।
- ১৯৫০ সালের দিকে পোলিও ভ্যাকসিনের প্রাথমিক একটি সংস্করণ তৈরিতে সফল হোন।
- ১৯৫২ সালে সাল্কের নেতৃত্বে একটি দল প্রথম পোলিও টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করে।
- ১৯৫৪ সালে এই টিকার পরীক্ষাগার প্রয়োগ শুরু হয়।
- ১৯৫৫ সালে এই টিকা কার্যকর এবং নিরাপদ বলে ঘোষণা করা হয়।
-  ১৯৯৫ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার লা জোলা নামক শহরে মারা যান জোনাস সাল্ক। 

উৎস: Britannica.
৬৮.
নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রস্তাব জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কোন বিশেষ অধিবেশন গৃহীত হয়?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা (NIEO):
- নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা (New International Economic Order) ১৯৭০-এর দশকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক বৈষম্য কমানোর লক্ষ্যে গঠিত একটি ধারণা।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্য বৈশ্বিক বাণিজ্য, সম্পদ, এবং প্রযুক্তি স্থানান্তরে ন্যায্য সুযোগ তৈরি করা।
- এটি আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংস্থাগুলোর সংস্কার, বৈশ্বিক বাজারে উন্নয়নশীল দেশগুলির পণ্যের জন্য সুবিধা দেওয়া, এবং ঋণ ও সাহায্যের শর্ত উন্নত করা নিয়ে কাজ করেছিল।
- তবে, উন্নত দেশগুলোর প্রতিরোধ এবং আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক শক্তির মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে এটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি।

⇒ নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা (NIEO)-এর প্রস্তাব জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬নং বিশেষ অধিবেশনে গৃহীত হয়।
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এই অধিবেশনটি ছিল উন্নয়নশীল দেশগুলির অর্থনৈতিক সমস্যা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় তাদের অবস্থান উন্নত করার জন্য একটি বৃহৎ উদ্যোগের অংশ।
- এই অধিবেশনেই জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলো NIEO প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রহণ করে, যার মাধ্যমে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ন্যায্যতা এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আরও সমতাভিত্তিক সুযোগ তৈরির প্রচেষ্টা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- নয়া আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা (NIEO) এখন কার্যকর বা চালু নেই, যদিও এর ধারণা ও উদ্দেশ্যগুলো এখনও বৈশ্বিক আলোচনায় গুরুত্ব রাখে।
- ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬ষ্ঠ বিশেষ অধিবেশনে প্রস্তাবিত হলেও, এটি পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত হয়নি।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৬৯.
মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত আয়তনে সর্ববৃহৎ প্রজাতন্ত্রের নাম -
  1. তাজিকিস্তান
  2. কাজাখস্তান
  3. উজবেকিস্তান
  4. কিরগিজস্তান
ব্যাখ্যা
কাজাখস্তান:
- কাজাখস্তান মধ্য এশিয়ার একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্থলবেষ্টিত দেশ। 
- এটি বিশ্বের নবম বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- দেশটির উত্তরে রাশিয়া, পূর্বে চীন, দক্ষিণে কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তান এবং পশ্চিমে ক্যাস্পিয়ান সাগর ও রাশিয়া।
- কাজাখস্তান প্রায় সম্পূর্ণভাবে এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
- তবে দেশটির কিয়দংশ উরাল নদীর পশ্চিমে ইউরোপ মহাদেশে পড়েছে। 
- রাজধানী: নূর সুলতান।
- মুদ্রার নাম: টেঙ্গি।

উল্লেখ্য,
- ১৯২২ থেকে ১৯৯১ পর্যন্ত কাজাখস্তান সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ ছিল।
- ১৯৯১ সালে এটি স্বাধীনতা লাভ করে।
- স্বাধীনতার পর থেকে দেশটিতে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- ১৯৯৫ সালে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা হয়, যাতে রাষ্ট্রপতিকে একচ্ছত্র ক্ষমতা দেওয়া হয়।

উৎস: Worldatlas.
৭০.
জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. হারারে, ১৯৮৯ সালে
  2. বেলগ্রেডে, ১৯৬১ সালে
  3. হাভানা, ১৯৭৩ সালে
  4. কায়রো, ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন.
- এটি তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: উগান্ডা- ইওয়েরি মুসেভেনি (২০২৪-২৭)।

উল্লেখ্য,
⇒ এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল ইন্দোনেশিয়ার বান্দুং-এ এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি দেশের অংশগ্রহণে বান্দুং সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- বান্দুং সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ জোট নিরপেক্ষ অবস্থা অবলম্বনের নীতি গ্রহণ করে।
- ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর ২৫টি দেশের অংশগ্রহণে সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে প্রথম NAM শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়াও,
- ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।

উল্লেখ্য,
- NAM-এর ১৯তম শীর্ষ সম্মেলন ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে উগান্ডায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
৭১.
১৭২৫ সালে বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরাঁ চালু হয়েছিল ইউরোপের একটি শহরে, তার নাম এবং রেস্তোরাঁর নাম-
  1. ইতালির মিলান শহর, মালদিনীয়ানি
  2. জার্মানির হামবুর্গ শহর, ক্যাসানোভা
  3. স্পেনের মাদ্রিদ শহর, কাসা বোতিল
  4. ফ্রান্সের টুলোন শহর, লাফ্রাসে
ব্যাখ্যা
বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরা:
- বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরা কাসা বোতিল স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ শহরে অবস্থিত।
- রেস্তোরাটির নাম সোব্রিনো দে বোতিন।
- গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুক অনুসারে, এটিই বিশ্বের প্রাচীনতম রেস্তোরাঁ।
- প্রাচীন রেস্তোরাঁটির পুরনো সব মেন্যু এখনও চালু রয়েছে।
- স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের বিখ্যাত প্লাসা মাইয়র স্কয়ার প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো।
- চারদিকে রেস্তোরাঁ, ক্যাফে ও সুভেনিরের দোকান।

উল্লেখ্য,
- ফরাসি জিন বোতিন ও তার স্ত্রী ১৭২৫ সালে এ রেস্তোরাঁ প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রথমে এটি ছিল সরাইখানা।
- যার নাম ছিল ‘কাসা বোতিল’।
- কিছুদিন পর তার ভাইপো রেস্তোরাঁর মালিক হন।
- নাম দেন ‘সোব্রিনো দে বোতিন’।

⇒ স্পেন:
- স্পেন ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি আইবেরিয়ান উপদ্বীপের প্রায় ৮৫% অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত।
- শাসনব্যবস্থার ধরন অনুযায়ী দেশটি একটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজতন্ত্র।
- রাজধানী: মাদ্রিদ।
- ভাষা: স্পানিশ।
- মুদ্রা: ইউরো।
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা ফেলিপ ষষ্ঠ।

উৎস: i) Restaurante Botín ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.
৭২.
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস প্রতিপালিত হয় প্রতি বছরের-
  1. ৩১ জানুয়ারি
  2. ৩১ মার্চ
  3. ৩০ এপ্রিল
  4. ৩১ মে
ব্যাখ্যা
বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস:
- ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিএইচও) সদস্য রাষ্ট্রসমূহ ১৯৮৭ সালে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস চালু করে।
- বিশ্বজুড়ে ২৪ ঘণ্টা সময়সীমা ধরে তামাক সেবনের সব প্রক্রিয়া থেকে বিরত থাকাতে উৎসাহিত করার জন্য দিবসটি পালন করা হয়।
- এছাড়া দিবসটির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো মানুষকে তামাক ব্যবহারে ব্যাপক নিরুৎসাহিতকরণ এবং স্বাস্থ্যের ওপর তামকের নেতিবাচক প্রভাবের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করানো।

অন্যদিকে,
- ৩১ জানুয়ারি: রাস্তার শিশু দিবস।
- ৩১ মার্চ: জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলা দিবস।

উৎস: Britannica.
৭৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে 'স্ট্যাচু অব লিবার্টি' উপহার দেয় যে রাষ্ট্র -
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ফ্রান্স
  3. জাপান
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
স্ট্যাচু অব লিবার্টি:
- যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে খ্যাত স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে 'স্ট্যাচু অব লিবার্টি' উপহার দেয় ফ্রান্স।

⇒ নিউইয়র্কের লিবার্টি দ্বীপে সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’।
- মূর্তিটি একজন নারীর রূপে স্বাধীনতার মূর্তি।
- সে তার উত্থিত ডান হাতে একটি টর্চ ধরেছে এবং তার বাম হাতে একটি ট্যাবলেট ধরেছে।
- বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ ফ্রান্সের পক্ষ থেকে ভাস্কর্যটি যুক্তরাষ্ট্রকে উপহার দেওয়া হয়।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫১ ফুট।
- বেদিসহ এর উচ্চতা ৩০৫ ফুট (৯৩ মিটার)।
- ভাস্কর্যটি রোমান দেবী লিবার্টাসের আদলে গড়া।
- ভাস্কর্যটির নকশা করেন ফরাসি স্থপতি ফ্রেডেরিক বার্থোলডি।

উল্লেখ্য,
- স্ট্যাচু অব লিবার্টি ১৮৭৫ এবং ১৮৮৪ সালের মধ্যে ফ্রান্সে নির্মিত হয়েছিল।
- ভাস্কর্যটি তৈরির জন্য পৃথকভাবে ৩৫০টি অংশ বানানো হয়।
- স্টাচু অব লিবার্টির সেই অংশগুলো নিয়ে ফ্রান্স থেকে একটি জাহাজ ১৮৮৫ সালের ১৭ জুন নিউইয়র্কে পৌঁছায়।
- পরে পৃথক অংশগুলো একে একে যুক্ত করে পুরো ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়।
- ১৮৮৬ সালের ২৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গ্রোভার ক্লিভল্যান্ড ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করেন।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১৯২৪ সালে একে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করে।

উৎস: Britannica.
৭৪.
নিচের যে দেশটি জাতিসংঘের সদস্য নয় -
  1. নামিবিয়া
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. কিউবা
  4. পানামা
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

জাতিসংঘ:
- বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সংস্থা হলো জাতিসংঘ (United Nations Organization).
- এটি জাতিপুঞ্জের (League of Nations) উত্তরসূরী।
- জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়: ২৬ জুন, ১৯৪৫।
- জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫।
- স্বাক্ষরের স্থান: যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫১টি।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান।
- বর্তমান মহাসচিব: আন্তোনিও গুতেরেস।
- সদর দপ্তর: ম্যানহাটন, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি: ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, চীনা, রুশ, স্প্যানিশ এবং আরবি।
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি: ভ্যাটিকান সিটি, ফিলিস্তিন। 

অন্যদিকে,
- কিউবা ১৯৮৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- নামিবিয়া ১৯৯০ সালের ২৩ এপ্রিল জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- সুইজারল্যান্ড ১৯৯০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- পানামা ১৯৪৫ সালের ১৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭৫.
আধুনিক অলিম্পিকের প্রবর্তক বা জনক-
  1. বেডেন পাওয়েল
  2. ব্যারন পিয়ারে দ্য কুবার্তা
  3. প্যারেজ দ্য কুয়েলার
  4. জুয়ান এন্টনিও সামারাঞ্চ
ব্যাখ্যা
অলিম্পিক গেমস:
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে প্রাচীন গ্রিস শুরু হওয়া প্রাচীন অলিম্পিক গেমস থেকেই মূলত আধুনিক অলিম্পিক গেমসের জন্ম।
- আধুনিক অলিম্পিক গেমস শুরু হয় গ্রিসের এথেন্সে।
- এটি ১৮৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর জনক ফ্রান্সের নাগরিক ব্যরন দ্য কুবার্তো।
- ১৯১৪ সালে কুবার্তো দ্বারা উপস্থাপিত অলিম্পিক পতাকাটি হল প্রোটোটাইপ: এটির সাদা জমিনের কেন্দ্রে পাঁচটি আন্তঃসংলগ্ন রিং রয়েছে - নীল, হলুদ, কালো, সবুজ এবং লাল।
- এই রিংগুলি অলিম্পিকে একসাথে যোগদানকারী 'বিশ্বের পাঁচটি অংশ' প্রতিনিধিত্ব করে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।

উৎস: i) Olympics.
ii) Britannica.
৭৬.
স্বাধীনতার আগে পাপুয়া নিউগিনি কোন দেশের অধীন ছিল?
  1. ব্রিটেন
  2. ফ্রান্স
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
পাপুয়া নিউ গিনি:
- দক্ষিণ প্রশান্ত সাগরীয় দেশ পাপুয়া নিউ গিনি।
- এটি প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। 
- এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ।
- রাজধানী: পোর্ট মোর্সবি। 
- ১৯৭৫ সালে পাপুয়া নিউ গিনি স্বাধীনতা অর্জন করে। 
- স্বাধীনতার আগে পাপুয়া নিউগিনি অস্ট্রেলিয়ার অধীন ছিল।

উল্লেখ্য,
- একসময় দেশটি শাসন করেছে হল্যান্ড, জার্মানি ও ব্রিটেন।
- ১৮২৮ সালে পাপুয়া নিউ গিনি ডাচ ইস্ট ইন্ডিজের অধীনে আসে।
- ১৮৮৪ সালে ব্রিটেন পাপুয়া নিউ গিনির দক্ষিণ-পূর্ব অংশের অধিকার দাবি করে।
- আর জার্মানি দেশটির উত্তর-পূর্ব অংশের অধিকার দাবি করে।
- পাপুয়া নিউ গিনির ব্রিটেনের অংশ ১৯০৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে চলে যায়।
- আর প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তা জার্মানি অধিকার করে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানীর নিকট থেকে অস্ট্রেলিয়া জার্মান নিউ গিনি অধিকার করে।
- ১৯৭৫ সালে এটি অস্ট্রেলিয়ার নিকট থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

উৎস: Britannica.
৭৭.
আরব দেশসমূহ পাশ্চাত্যের ওপর তেল অবরোধ করে -
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা
আরব-ইসরাইল যুদ্ধ:
- এটি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘটিত ৪র্থ যুদ্ধ।
- সংঘটিত হয় ১৯৭৩ সালে।

• তেল অস্ত্র:
- ১৯৭৩ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা তখন তেলের উৎপাদন কমিয়ে দেয় এবং তেলের দাম বাড়িয়ে দেয়।
- তারা ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দেয়।
- ১৯৭৩ সালে ইরাকের তেল সংক্রান্ত ফেডারেল আন্ডার সেক্রেটারি ছিলেন ড. ফাদিল চালাবি।
- তিনি বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলো একতরফাভাবে তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- এতে তেল কোম্পানিগুলোর কোন ভুমিকাই থাকবে না।

⇒ তেল অবরোধ:
- বড় বড় তেলক্ষেত্রগুলো ছিল সৌদি আরব, ইরাক, ইরান, কুয়েত এসব মধ্যপ্রাচ্যের দেশে।
- কিন্তু সেই তেল উত্তোলন করছিল সেই বড় পশ্চিমা কোম্পানিগুলো, তেলের দামও নির্ধারণ করছিল তারাই।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে যখন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সমর্থনে বিমানযোগে অস্ত্র পাঠাতে শুরু করলো তখন মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো পাল্টা অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছিল তেলকেই।
- তারা কমিয়ে দিল তেলের উৎপাদন, বাড়িয়ে দিল তেলের দাম, আর ইসরায়েলকে সামরিক সহায়তাদানকারী সব দেশে তেল সরবরাহ কমিয়ে দিল।
- ১৯৭৩ সালে তেল রপ্তানিকারী আরব দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কিছু শিল্পোন্নত দেশের বিরুদ্ধে তেল নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
- তারা ঠিক করলো, তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোই তেলের দাম নির্ধারণ করবে।
- আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়ায় তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।
- এর পরিণামে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছিল কয়েকগুণ।
- এর সুদুরপ্রসারী প্রভাব পড়েছিল বিশ্ব রাজনীতি এবং অর্থনীতিতে।
- এভাবেই আরবরা তেল অবরোধ করে।

উৎস: i) World Atlas.
ii) BBC.
৭৮.
বেনেলাক্স (BENELUX) বলতে যে দেশগুলোকে বোঝায়-
  1. সুইডেন, নরওয়ে, ফিনল্যান্ড
  2. চেক প্রজাতন্ত্র, পোল্যান্ড, জার্মানি
  3. বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ
  4. ইংল্যান্ড, আইরিশ প্রজাতন্ত্র, ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
BENELUX:
- BENELUX-এর পূর্ণনাম: ‘Benelux Economic Union’।
- পশ্চিম ইউরোপের ৩টি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক সংগঠন বেনেলাক্স।
- এর পূর্ণনাম: ‘Benelux Economic Union’।
- ১৯৪৪ সালে ‘BENELUX’ একটি ‘কাস্টমস ইউনিয়ন’ হিসেবে আত্নপ্রকাশ করে যা ১৯৪৮ সালের ১ জানুয়ারি বাস্তবায়ন করা হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮ সাল।
- চুক্তি কার্যকর: ১৯৬০ সাল।
- সদস্য সংখ্যা: ৩টি দেশ (বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড ও লুক্সেমবার্গ)।
- সদরদপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- BENELUX-এর দেশগুলোর ব্যবহৃত মুদ্রা ইউরো।

উল্লেখ্য,
- ১৭ জুন, ২০০৮ সালে একটি নতুন ‘BENELUX’ চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।
- এটি ১ জানুয়ারি, ২০১২ সালে কার্যকর করা হয়।

উৎস: BENELUX ওয়েবসাইট।
৭৯.
'কর্নারস্টোন অব পিস'-এই স্মৃতিসৌধটি সম্প্রতি স্থাপিত হয়েছে -
  1. মাকাও
  2. হাইতি
  3. ওকিনাওয়া
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
কর্নারস্টোন অব পিস (The Cornerstone of Peace):
- 'কর্নারস্টোন অব পিস'-এই স্মৃতিসৌধটি ওকিনাওয়া , জাপান-এ অবস্থিত।

⇒ এটি বিশ্ব শান্তি এবং সহাবস্থানের একটি শক্তিশালী প্রতীক।
- স্মৃতিসৌধটি বিশেষভাবে ওকিনাওয়া যুদ্ধ (১৯৪৫) এবং তার পরবর্তী বিশ্ব শান্তির জন্য একটি স্মরণচিহ্ন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- স্মৃতিসৌধটি ১৯৯৫ সালে নির্মিত হয়।

উৎস: Rozenberg Quarterly।
৮০.
উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা গঠিত হয়েছিল-
  1. ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯
  2. ৩ জানুয়ারি, ১৯৫৪
  3. ২৬ মে ১৯৫৫
  4. ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
ব্যাখ্যা
NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ:North Atlantic Treaty Organisation.
- এটি একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।

⇒ উত্তর আটলান্টিক চুক্তির উপর ভিত্তি করে স্বাক্ষরিত একটি আন্তঃসরকারি সামরিক জোট।
- পশ্চিম ইউরোপে সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি উপায় হিসেবে সংগঠনটি গঠিত হয়েছিল।
- এই সংগঠনের মূলমন্ত্র হল "A mind unfettered in deliberation".

⇒ ইউরোপের বাইরে প্রথম মিশন: আফগানিস্তান, ২০০৩।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
৮১.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো]
ওপেকভুক্ত একমাত্র অ-আরব এশীয় দেশ -
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. মালয়েশিয়া
  3. থাইল্যান্ড
  4. ফিলিপাইন
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন। অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।

OPEC:

- OPEC-এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- এটি পেট্রোলিয়াম রপ্তানিকারক দেশগুলির সংস্থা।
- OPEC তেল রপ্তানীকারক দেশসমূহের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: সদস্য দেশসমূহের পেট্রোলিয়ামের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় এবং বৈশ্বিক তেলের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রন করা।

উল্লেখ্য,
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবক দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: বাগদাদ, ইরাক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১২টি।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

⇒ ১৯৬৫ সালের পূর্বে এর সদর দপ্তর ছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।
- সদস্য দেশগুলো হলো: আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা।

উল্লেখ্য,
- ইন্দোনেশিয়া ২০০৮ সালে ওপেক থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেয়।
- এ ছাড়া ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি কাতার এবং ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি ইকুয়েডর সদস্যপদ ছেড়ে দেয়।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী অ্যাঙ্গোলা OPEC থেকে বেরিয়ে এসেছে।

উৎস: OPEC ওয়েবসাইট।
৮২.
Persona-non-grata শব্দসমষ্টি যে বিশেষ ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য-
  1. রাজনীতিবিদ
  2. ক্রীড়াবিদ
  3. ব্যবসায়ী
  4. কূটনীবিদ
ব্যাখ্যা
Persona-non-grata:
- অর্থাৎ, এটি হলো একটি ল্যাটিন ভাষার expression.
- এটি একটি বিখ্যাত কূটনৈতিক পরিভাষা।
- Persona-non-grata বলতে অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে বোঝায়।

⇒ দেশে দেশে প্রেরিত ব্যক্তি বা নিযুক্ত দূত যদি সে দেশের আস্থাভাজন না হয়, তবে তাকে অবাঞ্ছিত ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- শব্দটি সাধারণত কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং এটি কূটনীতিক শ্রেনির ব্যক্তির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। অগ্রহণযোগ্য কূটনৈতিক প্রতিনিধি বা Persona-non-grata হলো এমন একজন কূটনীতিক প্রতিনিধি যিনি আমন্ত্রণকারী রাষ্ট্রের নিকট অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধি এবং এই ক্ষেত্রে প্রেরক রাষ্ট্র উক্ত অগ্রহণযোগ্য কূটনীতিক প্রতিনিধিকে ফেরত নেওয়া উচিত।
- যদি না করে, তাহলে আমন্ত্রণকারী রাষ্ট্র উক্ত কূটনীতিক প্রতিনিধিকে অগ্রাহ্য করতে বা বহিষ্কার করতে পারে।

উৎস: The National Museum of American Diplomacy (.gov).
৮৩.
যে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে সাধারণ পরিষদে 'Uniting for peace resolution' গৃহীত হয়েছিল-
  1. সুয়েজ যুদ্ধ
  2. কোরীয়া যুদ্ধ
  3. পাক-ভারত যুদ্ধ ১৯৬৫
  4. ফকল্যান্ড যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
কোরীয় যুদ্ধ:
- ১৯১০ সাল থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত কোরিয়া উপদ্বীপ জাপানের অধীনে ছিল।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপান পরাজিত হওয়ার ফলে ১৯৪৫ সালে মার্কিন প্রশাসন কোরীয় উপদ্বীপকে ভাগ করে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘উত্তর কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক অধিকৃত অঞ্চল নিয়ে ‘দক্ষিণ কোরিয়া’ গঠিত হয়।
- ৩৮° সমান্তরাল রেখা বরাবর দুটি দেশের সীমান্ত নির্ধারিত হয়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।
- শুরু থেকেই দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে উত্তপ্ত সম্পর্ক বিরাজ করে।
- এই যুদ্ধকে 'the Forgotten War' বলে অভিহিত করেছেন।

⇒ যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
- যুদ্ধ সংঘটনকাল: ১৯৫০-১৯৫৩ সাল।
▪ বিবাদমান পক্ষসমূহ: সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের সমর্থিত - উত্তর কোরিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সমর্থিত - দক্ষিণ কোরিয়া।
▪ যুদ্ধের ফলাফল: কোরিয়া সংকটকালীন সময়ে ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ শান্তির জন্য ঐক্য” (Uniting for Peace) প্রস্তাব পাশ করে এবং উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা চালায়।
- এ যুদ্ধের প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ ৩ নভেম্বর, ১৯৫০ সালে 'Uniting for peace resolution' পাশ করে।
- অবশেষে ২৭ জুলাই, ১৯৫৩ সালে কোরীয় যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৮৪.
কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা -
  1. ৪৮
  2. ৫০
  3. ৫২
  4. ৫৬
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ (Commonwealth):
- কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- এক সময় যে সকল অঞ্চল বা জনপদগুলো ব্রিটিশ উপনিবেশ হিসেবে শাসিত হয়ে পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসন ও শোষণের হাত থেকে মুক্ত হয়ে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেসব রাষ্টের প্রতিষ্ঠান হচ্ছে কমনওয়েলথ।
- স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য ব্রিটেনের নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে কমনওয়েলথ।
- ব্রিটেনের রাজা বা রানী হলেন এ সংস্থার প্রধান।
- এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।

⇒ প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৪৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
- এ সংস্থার মূল লক্ষ্য হল কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সমৃদ্ধি করা।

উৎস: Commonwealth ওয়েবসাইট।
৮৫.
সার্ক-এর ষষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল -
  1. মালেতে
  2. কলম্বোতে
  3. বাঙ্গালোরে
  4. কাঠমান্ডুতে
ব্যাখ্যা
SAARC:
- SAARC-এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সদরদপ্তর: কাঠমান্ডু, নেপাল।

⇒ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ৭টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- সদস্য দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভুটান, মালদ্বীপ, আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান ২০০৭ সালের ৩ এপ্রিল সার্কে যোগ দেয়।

⇒ সার্কের ৬ষ্ঠ শীর্ষ সম্মেলন হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে।

⇒ প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ ১৮তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন ২০১৪ সালে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।
৮৬.
রাশিয়ার যে শহরে হাসপাতালে আক্রমণ করার পর বাধ্য হয়ে রাশিয়া চেচনিয়ার সাথে শান্তি বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে তার নাম -
  1. Budennovsk
  2. Keldavisk
  3. Dasanova
  4. Gariev
ব্যাখ্যা
এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

রাশিয়ার যে শহরে হাসপাতালে আক্রমণ করার পর বাধ্য হয়ে রাশিয়া চেচনিয়ার সাথে শান্তি বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে তার নাম Budennovsk। 

উৎস: Refworld- Human Rights Watch World Report 1996.
৮৭.
কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যাকে ৩, ৫ ও ৬ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ হবে ১?
  1. ৭১
  2. ৪১
  3. ৩১
  4. ৩৯
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যাকে ৩, ৫ এবং ৬ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ ১ হবে?

সমাধান:
নির্ণেয় সংখ্যাটি হবে ৩, ৫, ৬ এর ল.সা.গু অপেক্ষা ১ বেশি

∴ ৩, ৫, ৬ এর ল.সা.গু = ৩০
∴নির্ণেয় সংখ্যা ৩০ + ১ = ৩১
৮৮.
একটি কাঠের টুকরোর দৈর্ঘ্য আরেকটি টুকরোর দৈর্ঘ্যর ৩ গুণ। টুকরো দুটো সংযুক্ত করা হলে সংযুক্ত টুকরোটির দৈর্ঘ্য ছোট টুকরোর চেয়ে কতগুণ বড় হবে?
  1. ৩ গুণ
  2. ৪ গুণ
  3. ৫ গুণ
  4. ৮ গুণ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কাঠের টুকরোর দৈর্ঘ্য আরেকটি টুকরোর দৈর্ঘ্যর ৩ গুণ। টুকরো দুটো সংযুক্ত করা হলে সংযুক্ত টুকরোটির দৈর্ঘ্য ছোট টুকরোর চেয়ে কতগুণ বড় হবে?

 সমাধান:
ধরি,
ছোট টুকরার দৈর্ঘ্য ক ফুট
‌বড় টুকরার দৈর্ঘ্য = ৩ক
সংযুক্ত টুকরার দৈর্ঘ্য = (৩ক + ক) = ৪ক ফুট

অতএব
সংযুক্ত টুকরোটির দৈর্ঘ্য ছোট টুকরোর চেয়ে ৪গুণ বড় হবে।
৮৯.
একটি ত্রিভুজাকৃতি ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৮৪ বর্গগজ। ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দু হতে ভূমির ওপর অংকতি লম্বের দৈর্ঘ্য ১২ গজ হলে ভূমির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১০ গজ
  2. ১২ গজ
  3. ১৪ গজ
  4. ৭ গজ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ত্রিভুজাকৃতি ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল ৮৪ বর্গগজ। ত্রিভুজটির শীর্ষবিন্দু হতে ভূমির ওপর অংকতি লম্বের দৈর্ঘ্য ১২ গজ হলে ভূমির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সমান = (১/২) × ভূমি × উচ্চতা
৮৪ = (১/২) × ভূমি × ১২
বা, ৮৪ = ভূমি × ৬
∴ ভূমি = ১৪ গজ
৯০.
x - [x - {x - (x + 1)}] এর মান কত?
  1. x + 1
  2. - 1
  3. 1
  4. x - 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x - [x - {x - (x + 1)}] এর মান কত?

সমাধান:
x - [x - {x - (x + 1)}]
= x - [x - {x - x - 1}]
= x - [x - {- 1}]
=  x - [x + 1]
=x - x - 1
=  - 1
৯১.
AB ও CD সরলরেখাদ্বয় 'O' বিন্দুতে ছেদ করলে নিচের কোন গাণিতিক বাক্যটি সঠিক হবে?
  1. ∠AOD = ∠BOC
  2. ∠AOD = ∠BOD
  3. ∠BOC = ∠AOC
  4. ∠AOD > ∠BOC
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: AB ও CD সরলরেখাদ্বয় 'O' বিন্দুতে ছেদ করলে নিচের কোন গাণিতিক বাক্যটি সঠিক হবে?

সমাধান: 
দুইটি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে বিপ্রতীপ কোণদ্বয় পরস্পর সমান হয়।
∠AOD = ∠BOC এবং ∠AOC = ∠BOD
৯২.
ঢাকা ও চট্টগ্রাম এই দুই রেল স্টেশন থেকে প্রতি ঘণ্টায় একটা ট্রেন এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনের দিকে যাত্রা করে। সব ট্রেনেই সমান গতিতে চলে এবং গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে প্রত্যেক ট্রেনের ৫ ঘণ্টা সময় লাগে। এক স্টেশন থেকে যাত্রা করে অন্য স্টেশনে পৌঁছানো পর্যন্ত একটা ট্রেন কয়টা ট্রেনের দেখা পাবে?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ঢাকা ও চট্টগ্রাম এই দুই রেল স্টেশন থেকে প্রতি ঘণ্টায় একটা ট্রেন এক স্টেশন থেকে অন্য স্টেশনের দিকে যাত্রা করে। সব ট্রেনেই সমান গতিতে চলে এবং গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে প্রত্যেক ট্রেনের ৫ ঘণ্টা সময় লাগে। এক স্টেশন থেকে যাত্রা করে অন্য স্টেশনে পৌঁছানো পর্যন্ত একটা ট্রেন কয়টা ট্রেনের দেখা পাবে?

সমাধান:
প্রত্যেক ট্রেন সমান গতিতে চলে এবং গন্তব্যস্থলে পৌঁছতে ৫ ঘণ্টা সময় লাগে। 
যেহেতু ট্রেনটি পৌঁছাতে ৫ ঘণ্টা লাগে এবং প্রতি ঘণ্টায় এই পথে উভয় দিক থেকে ১টি করে নতুন ট্রেন যাত্রা করে।
সুতরাং ৫ ঘণ্টায় ৫টি ট্রেনের দেখা পাবে।
আবার, ৫ ঘণ্টা সময় ধরে পথে আগে থেকেই ৫টি ট্রেন ছিল।
সুতরাং, মোট (৫ + ৫) = ১০টি ট্রেনের সাথে দেখা হবে।
৯৩.
লুপ্ত সংখ্যাটি কত? ৮১, ২৭, __, ৩, ১।
  1. ১২
  2. ১৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: লুপ্ত সংখ্যাটি কত? ৮১, ২৭,_____, ৩, ১

সমাধান:
প্রথম পদ = ৮১ ÷ ৩ = ২৭
দ্বিতীয় পদ = ২৭ ÷ ৩ = ৯
তৃতীয় পদ = ৯ ÷ ৩ = ৩
চতুর্থ পদ = ৩ ÷ ৩ = ১

∴ লুপ্ত সংখ্যা = ৯
৯৪.
দুটি সংখ্যার গ.সা.গু, বিয়োগফল এবং ল.সা.গু যথাক্রমে ১২, ৬০ এবং ২৪৪৮ । সংখ্যা দুটি কত?
  1. ১০৮, ১৪৪
  2. ১১২, ১৪৮
  3. ১৪৪, ২০৮
  4. ১৪৪, ২০৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার গ.সা.গু, বিয়োগফল এবং ল.সা.গু যথাক্রমে ১২, ৬০ এবং ২৪৪৮ । সংখ্যা দুটি কত?

সমাধান:
ধরি,
সংখ্যা দুটি = ১২x ও ১২y
১২x - ১২y = ৬০
∴ x - y = ৫ .............. (1)

এবং ১২xy = ২৪৪৮
xy = ২০৪

(x + y) = √[(x - y)2+ ৪xy]
(x + y) = √[৫ + ৪ × ২০৪]
x + y = √৮৪১
x + y = ২৯ ......... (2)

x = ১৭, y = ১২

∴ সংখ্যা দুটি ১৪৪ ও ২০৪
৯৫.
একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম । এতে সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১ । এতে কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৪ : ১ হবে।
  1. ৮ গ্রাম
  2. ৬ গ্রাম
  3. ৩ গ্রাম
  4. ৪ গ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম । এতে সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১ । এতে কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৪ : ১ হবে।

সমাধান: 
গহনার ওজন = ১৬ গ্রাম
অনুপাতের যোগফল = ৩ + ১ = ৪
∴ সোনার পরিমাণ = (১৬ × ৩)/৪ = ১২ গ্রাম
∴ তামার পরিমাণ = (১৬ × ১)/৪ = ৪ গ্রাম

ধরি,
ক পরিমাণ সোনা মিশাতে হবে

প্রশ্নমতে,
ক + ১২ : ৪ = ৪ : ১
(ক + ১২)/৪ = ৪/১
ক + ১২ = ১৬
ক = ১৬ - ১২
ক = ৪

∴ অতিরিক্ত সোনা মেশাতে হবে ৪ গ্রাম
৯৬.
(১২৫/২৭) -২/৩ এর সহজ প্রকাশ-
  1. ১/২৫
  2. ৫/২০
  3. ৯/২৫
  4. ৩/২০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (১২৫/২৭) - ২/৩ এর সহজ প্রকাশ-

সমাধান:
(১২৫/২৭) - ২/৩
= ১/{(১২৫/২৭)}২/৩
= (২৭/১২৫)২/৩
= {(৩/৫))২/৩
= (৩/৫)
= ৯/২৫
৯৭.
১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার হলে, ১৯৯৫ সালের ঐ একই তারিখে হবে-
  1. বৃহস্পতিবার
  2. শুক্রবার
  3. রবিবার
  4. শনিবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার হলে, ১৯৯৫ সালের ঐ একই তারিখে হবে-

সমাধান:
১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার
∴ ১৯৯৪ সালের ৮ ডিসেম্বর, ১৫ ডিসেম্বর, ২২ ডিসেম্বর, ২৯ ডিসেম্বর ⇒ বৃহস্পতিবার
∴ ১৯৯৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ⇒ শনিবার

১৯৯৫ সালের ১ জানুয়ারি ⇒ রবিবার
১৯৯৫ সাল অধিবর্ষ নয়। সুতরাং, ১৯৯৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর ⇒ রবিবার
∴ ১৯৯৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর, ১৭ ডিসেম্বর, ১০ ডিসেম্বর, ৩ ডিসেম্বর ⇒ রবিবার
∴ ১৯৯৫ সালের ২ ডিসেম্বর ⇒ শনিবার
∴ ১৯৯৫ সালের ১ ডিসেম্বর ⇒ শুক্রবার
৯৮.
x + y = 0 এবং 2x - y + 3 = 0 সরলরেখা দুটি কোন বিন্দুতে ছেদ করে?
  1. (1/3,1/3)
  2. (1, 1)
  3. (- 3, 3)
  4. (- 1, 1)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y = 0 এবং 2x - y + 3 = 0 সরলরেখা দুটি কোন বিন্দুতে ছেদ করে?

সমাধান:
দেওয়া আছে
x + y = 0 ......................(1)
2x - y + 3 = 0..................(2)

(1) এবং (2) সমীকরণ দুটি যোগ করে পাই,
x + y + 2x - y + 3 = 0
⇒ 3x + 3 = 0
⇒  3x = - 3
⇒ x = - 1

x- এর মান (1)  সমীকরণে বসিয়ে পাই,
- 1 + y = 0
∴ y = 1
সরলরেখা দুটি (- 1, 1) বিন্দুতে ছেদ করে।
৯৯.
f(x) = x2 + (1/x) + 1 এর অনুরূপ কোনটি?
  1. f(1) = 1
  2. f(0) = 1
  3. f( -1) = 3
  4. f(1) = 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: f(x) = x2 + (1/x) + 1 এর অনুরূপ কোনটি?

সমাধান:
f(x) = x2 + (1/x) + 1)
∴ f(1) = 12 + 1/1 + 1= 3

f(0) = (0² + 1/0 + 1) = ∞

f(-1) = {(- 1)² + 1/(-1) + 1 = 1

সুতরাং f(1) = 3 হচ্ছে f(x) = (x2 + 1)/(x + 1) এর অনুরুপ।
১০০.
যদি x2 + px + 6 = 0 এর মূল দুটি সমান হয় এবং p > 0, তবে p এর মান কত?
  1. √48
  2. 0
  3. √6
  4. √24
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি x2 + px + 6 = 0 এর মূল দুটি সমান হয় এবং p > 0. তবে p এর মান কত?

সমাধান:
x2 + px + 6 = 0 প্রদত্ত সমীকরণটির নিশ্চায়ক,
p2 - 4 × 1 × 6
= p2 - 24

যেহেতু সমীকরণের মূল দুটি সমান, তাই নিশ্চায়কের মান শূন্য
p2 - 24 = 0
⇒ p2 = 24
∴ p = √24