পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

পরীক্ষাব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়06 minutes১৪ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
Exam - 77 Daily Quiz: General Knowledge: Topic: Science (Important and Basics) (বিগত সালের ব্যাংক ও বিসিএসের প্রশ্ন দেখুন)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
The voltage ratio in a transformer is proportional to:
  1. Frequency of AC
  2. Number of turns in coils 
  3. Resistance of wire
  4. Current ratio
সঠিক উত্তর:
Number of turns in coils 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Number of turns in coils 
ব্যাখ্যা

• একটি ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ অনুপাত (voltage ratio) মূলত কুণ্ডলীর (coil) টার্নের সংখ্যার উপর নির্ভর করে। ট্রান্সফরমার দুটি কুণ্ডলী নিয়ে গঠিত: প্রাইমারি (primary) এবং সেকেন্ডারি (secondary)। প্রাইমারি কুণ্ডলীর ভোল্টেজ এবং সেকেন্ডারি কুণ্ডলীর ভোল্টেজের অনুপাত প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি কুণ্ডলীর টার্নের সংখ্যার অনুপাতের সমান। অর্থাৎ, যদি সেকেন্ডারি কুণ্ডলীর টার্ন বেশি হয়, তাহলে আউটপুট ভোল্টেজও বেশি হবে। অন্য দিকে, ভোল্টেজ অনুপাত কোনোভাবে AC ফ্রিকোয়েন্সি, তারের রোধ বা কারেন্ট অনুপাতের উপর সরাসরি proportional নয়। তাই ট্রান্সফরমারের ভোল্টেজ অনুপাত বোঝার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কুণ্ডলীর টার্নের সংখ্যা। সঠিক উত্তর: খ) Number of turns in coils.
 
ট্রান্সফরমার: 
- চৌম্বক ক্ষেত্রের পরিবর্তন হলে বিদ্যুৎ তৈরি হয়-এই নীতি ব্যবহার করে ট্রান্সফরমার তৈরি করা হয়। 
- তড়িচ্চালক শক্তি বা EMF পদ্ধতিতে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়াই একটি কয়েল থেকে অন্য কয়েলে বিদ্যুৎ পাঠানোর প্রক্রিয়াকে ট্রান্সফরমার বলে। 
- তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ ব্যবহার করে AC বা পরিবর্তী তড়িৎ বিভব বৃদ্ধি বা কমানো হয়। 
- যে যন্ত্রের মাধ্যমে এই কাজ করা হয় তাকে ট্রান্সফরমার বলে। এই ট্রান্সফরমার দিয়ে অত্যন্ত চমকপ্রদ কিছু বিষয় করা যায়। 
- ট্রান্সফরমারের দুই পাশে কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা যদি সমান হয়, তাহলে বাম দিকে যে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হবে ডান দিকে ঠিক সেই এসি ভোল্টেজ ফেরত পাওয়া যাবে। 
- ডান দিকে প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ বেশি হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ বেশি হবে। প্যাঁচের সংখ্যা যদি দশ গুণ কম হয় তাহলে ভোল্টেজ দশ গুণ কম হবে। আবার, বাম দিকের কয়েল যেখানে এসি ভোল্টেজ প্রয়োগ করা হয়, তার নাম প্রাইমারি কয়েল বা মুখ্য কুণ্ডলী এবং ডান দিকে যেখানে ভোল্টেজ আবিষ্ট হয় তার নাম সেকেন্ডারি কয়েল বা গৌণ কুণ্ডলী। 

স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা বেশি হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে বেড়ে যায়, তাকে স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার বলে। 
- বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য স্টেপ আপ ট্রান্সফরমার ব্যবহার করে ভোল্টেজকে অনেক গুণ বাড়ানো হয়। 

স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার: 
- যে ট্রান্সফরমারে প্রাইমারি কয়েলের তুলনায় সেকেন্ডারি কয়েলের প্যাঁচসংখ্যা কম হয় এবং সে কারণে প্রাইমারি কয়েলে প্রয়োগ করা এসি ভোল্টেজ সেকেন্ডারি কয়েলে কমে যায় তাকে স্টেপ ডাউন ট্রান্সফরমার বলে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
Which particle is identical to an electron but emitted from a nucleus?
  1. Alpha particle
  2. Beta particle 
  3. Gamma ray
  4. Neutron
সঠিক উত্তর:
Beta particle 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Beta particle 
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - খ) Beta particle.
বিটা কণা মূলত একটি ইলেকট্রনের সমতুল্য কণা যা নিউক্লিয়াস থেকে নির্গত হয়। নিউক্লিয়াসে যদি কোনো অতিরিক্ত নিউট্রন থাকে, তবে তা প্রোটন এবং ইলেকট্রনে বিভক্ত হতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রনটি নিউক্লিয়াস থেকে বাইরে যায় এবং এটিকে বিটা কণা বলা হয়। বেটা কণার চার্জ –১ এবং ভর ইলেকট্রনের সমান, তাই এটি ইলেকট্রনের সাথে অভিন্ন। এটি সাধারণত রেডিওঅ্যাকটিভ ক্ষয় প্রক্রিয়ায় দেখা যায় এবং এটি অ্যাটমের পরমাণু সংখ্যা পরিবর্তন করতে সক্ষম। অন্যদিকে, আলফা কণা হেলিয়াম নিউক্লিয়াস, গামা রশ্মি কোনো কণা নয় বরং তরঙ্গ, এবং নিউট্রন কোন চার্জ বহন করে না। তাই, ইলেকট্রনের সমতুল্য কণা হলো বিটা কণাই।
 
• তেজস্ক্রিয়তা (Radioactivity):
- পরমাণুর কেন্দ্রে নিউক্লিয়াস থাকে, যেখানে প্রোটন ও নিউট্রন অবস্থান করে।
- কিছু পরমাণুর নিউক্লিয়াস স্বাভাবিকভাবে অস্থিতিশীল হয়।
- অস্থিতিশীল নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কণা বা বিকিরণ নির্গত হওয়ার ঘটনাকে তেজস্ক্রিয়তা বলা হয়।
- নিউক্লিয়াসের ভেতরে প্রোটন ও নিউট্রনের বিন্যাসের ভারসাম্য নষ্ট হলে তেজস্ক্রিয়তা দেখা দেয়।
- নিউক্লিয়াস অত্যন্ত ছোট হলেও এতে পরমাণুর প্রায় সমগ্র ভর কেন্দ্রীভূত থাকে।
- নিউক্লিয়াসের স্থায়িত্ব মূলত প্রোটন ও নিউট্রনের সংখ্যাগত সম্পর্কের উপর নির্ভর করে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

.
Length contraction occurs when:
  1. An object is under gravity
  2. An object is accelerating
  3. An object is at rest
  4. An object moves at a speed close to light
সঠিক উত্তর:
An object moves at a speed close to light
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An object moves at a speed close to light
ব্যাখ্যা

• Length contraction ঘটে যখন একটি বস্তু আলোর গতির কাছাকাছি একটি উচ্চ গতিতে চলে (An object moves at a speed close to light)। বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব অনুযায়ী, একটি চলমান পর্যবেক্ষক বস্তুটির দৈর্ঘ্য তার গতির দিকে ছোট দেখবে। এটি শুধুমাত্র বস্তুর চলমান অংশের জন্য প্রযোজ্য, বিশ্রাম অবস্থায় থাকা পর্যবেক্ষকের জন্য নয়। দৈর্ঘ্য সংকোচন মূলত Lorentz সংকোচন ফ্যাক্টরের কারণে ঘটে, যা L = L0√(1 - v2/c2) দ্বারা প্রকাশ করা যায়, যেখানে L0 হলো বিশ্রাম দৈর্ঘ্য, v হলো বস্তুর গতি, এবং c হলো আলোর গতি। তাই দৈর্ঘ্য সংকোচন ঘটে না কোনো গতি ছাড়া, গতি বা মাধ্যাকর্ষণ দ্বারা নয়। সঠিক উত্তর হলো: ঘ) আলোর গতির কাছাকাছি গতিতে চলা বস্তু।

আপেক্ষিকতার নীতি: 
- যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করা হয় তখন কোনো স্থির বিন্দুকে প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা হয়। 
- ঐ প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দূরত্বকে তার অবস্থান বলা হয় এবং প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দ্রতিকে বেগ বলা হয়, কিন্তু এই মহাবিশ্বে কোনো কিছুই স্থির নয়। 
- সুতরাং পরম স্থির বলে কোনো অবস্থান পাওয়া সম্ভব নয় যাকে স্থির প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা যায়। তাই প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে যা পরিমাপ করা হয় তা পরম নয়। 
অর্থাৎ, সব সময় অবস্থান বা বেগকে আপেক্ষিকভাবে পরিমাপ করা হয়। 
- চিরায়ত বল বিদ্যার মতে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি।
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান। তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়, এগুলো সকলই আপেক্ষিক। 
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ। 
- উচ্চ গতিশীল (আলোর কাছাকাছি বেগে) বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধমানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়, আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক বলা হয়। 
- পরমাণবিক ও নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে এই তত্ত্বের গুরত্ব অপরিসীম। 
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বে বলেন প্রাকৃতিক নিয়মাবলীর গাণিতিক সূত্রসমূহ সকল জড় কাঠামোতে অভিন্ন, এটাই আপেক্ষিকতার নীতি। 
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। 
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 

বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্বের স্বীকার্য: 
- আইনস্টাইনের বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব দুটি মৌলিক স্বীকার্যের উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই দুটি স্বীকার্য প্রদান করেন। 
প্রথম স্বীকার্য: স্থির বা গতিশীল সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রসমূহ অপরিবর্তিত থাকে। 
দ্বিতীয় স্বীকার্য: শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোর পর্যবেক্ষকের জন্য একই এবং তা আলোর উৎস বা পর্যবেক্ষকের গতির উপর নির্ভরশীল নয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which of the following is an example of total internal reflection in real life?
  1. Light in optical fibers
  2. Refraction in a prism
  3. Mirage formation
  4. Rainbow formation
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ক) Light in optical fibers ও গ) Mirage formation.
অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

মোট অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) ঘটে তখন, যখন একটি অপটিক্যাল মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে আলো যায় এবং অন্তর্বর্তী কোণ (critical angle) অতিক্রম করলে সমস্ত আলো প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে। এটি বাস্তব জীবনে সবচেয়ে সহজে দেখা যায় অপটিক্যাল ফাইবারে। অপটিক্যাল ফাইবারে আলোর সংকেত কোণ অনুযায়ী ফাইবারের ভেতরের প্রান্তের দিকে ধাপে ধাপে প্রতিফলিত হয় এবং কম ক্ষয় হয়। অন্য বিকল্পগুলোতে যেমন প্রিজমে আলোর প্রতিফলন বা রঙিন রেনবো দেখা যায়, সেখানে আলো আংশিকভাবে প্রতিফলিত ও ভেঙে যায়, মোট অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে না। তাই অপটিক্যাল ফাইবারে আলো সম্পূর্ণভাবে প্রতিফলিত হওয়া হলো বাস্তব জীবনের সবচেয়ে নিখুঁত উদাহরণ।
 
• মরীচিকা: 
- পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের কারণে মরুভূমিতে সৃষ্ট মরীচিকা অতি পরিচিত উদাহরণ।
- উত্তপ্ত মরুভূমিতে মরুচারী পথিক প্রায়শ মরীচিকা দেখতে পান এবং বিভ্রান্ত হন। মরীচিকা হল এক ধরণের দৃষ্টি ভ্রম।
- প্রচন্ড সূর্য তাপে মরুভূমির বালু খুব তাড়াতাড়ি গরম হয়। ফলে বালু সংলগ্ন বাতাসও খুব গরম হয়। এতে বালু সংলগ্ন স্তরের বায়ু খুব হালকা হয়।
- ভূ-পৃষ্ঠ থেকে যত উপরে ওঠা যায় বায়ু স্তরের তাপমাত্রা তত কম হয়। তাই ভূ সংলগ্ন বায়ু স্তর থেকে যতই ওপরে ওঠা যায় বায়ু স্তর তত ঘন হয়।
- এ অবস্থায় মরুভূমিতে দূরে কোন খেজুর গাছ থেকে পথিকের চোখে আসা আলোক রশ্মি ধাপে ধাপে ঘনতর মাধ্যম থেকে লঘুতর মাধ্যমে প্রবেশ করতে থাকে, ফলে প্রতিসরিত রশ্মি অভিলম্ব থেকে ক্রমশ দূরে সরে যেতে থাকে।
- এভাবে বাঁকতে বাঁকতে এমন কোন স্তরে পৌঁছায় যেখানে আপতন কোণ ক্রান্তি কোণের চেয়ে বড় হয়।
- ফলে আপতিত আলোক রশ্মির প্রতিসরণ না হয়ে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন হয়।

» পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন সংঘটিত হতে প্রধানত দুটি শর্ত রয়েছে।
(১) আলোকরশ্মিকে অবশ্যই ঘন মাধ্যম থেকে ঘন ও তুলনামূলক হালকা মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হতে হবে।
(২) আপতন কোণ ক্রান্তি বা সংকট কোণের চেয়ে বড় হতে হবে।

তথ্যসূত্র: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
What is a boson?
  1. A particle with negative mass
  2. A particle with integer spin
  3. A particle that obeys Fermi-Dirac statistics
  4. A particle with half-integer spin
সঠিক উত্তর:
A particle with integer spin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A particle with integer spin
ব্যাখ্যা

• বোসন হলো একটি ধরনের মৌলিক কণা যা পরমাণু ও কণার জগতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি পূর্ণসংখ্যা স্পিন (integer spin) যুক্ত কণাকে বোঝায়, যেমন ০, ১, ২ ইত্যাদি। বোসন ফার্মি-ডিরাক পরিসংখ্যা (Fermi-Dirac statistics) অনুসরণ করে না, বরং বোস-আইনস্টাইন পরিসংখ্যা (Bose-Einstein statistics) অনুযায়ী আচরণ করে। এর ফলে একাধিক বোসন একই কোয়ান্টাম অবস্থায় থাকতে পারে। উদাহরণ হিসেবে ফোটন, গ্লুয়ন এবং হিগস বোসন উল্লেখযোগ্য। বোসন বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় শক্তি স্থানান্তর এবং ক্ষেত্রের ত্বরণ ঘটায়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) A particle with integer spin.

• বোসন কণা:
- বোসন হল মৌলিক কণা যেগুলো পূর্ণসংখ্যার মান (0, 1, 2, ইত্যাদি) স্পিন করে।
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন।
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি।
- স্পিন হল কণার চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যের একটি পরিমাপ।
- স্পিন পূর্ণসংখ্যা থাকার কারণে, বোসনরা পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে না।
- পাউলির বর্জন নীতি অনুসারে, একই শক্তিস্তরে একই কোয়ান্টাম সংখ্যা বিশিষ্ট দুটি কণা একই স্থান দখল করতে পারে না।
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা।

- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দুই ধরনের। যথা:
১. গেজ বোসন ও
২. হিগস বোসন।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
Which of the following has the lowest pH?
  1. Baking soda solution
  2. Water
  3. Milk
  4. Lemon juice 
সঠিক উত্তর:
Lemon juice 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lemon juice 
ব্যাখ্যা

• উপরের অপশন গুলোর মধ্যে লেবুর রস (ঘ) সবচেয়ে কম pH সম্পন্ন। pH হলো দ্রাবণের অ্যাসিড বা ক্ষারিত্বের মাত্রা পরিমাপের একটি সূচক। pH স্কেলে ০ থেকে ১৪ পর্যন্ত মান থাকে, যেখানে ৭ নিউট্রাল, ৭-এর নিচে অ্যাসিডিক এবং ৭-এর উপরে ক্ষারীয়। বেকিং সোডার দ্রাবণ সাধারণত ক্ষারীয়, যার pH প্রায় ৮–৯; পানি প্রায় নিরপেক্ষ, pH ৭; দুধ হালকা অ্যাসিডিক, প্রায় pH ৬–৬.৫। কিন্তু লেবুর রস শক্তিশালী অ্যাসিডিক, সাইট্রিক অ্যাসিডের কারণে এর pH প্রায় ২–৩। তাই এই চারটির মধ্যে সবচেয়ে কম pH বা সবচেয়ে অ্যাসিডিক হলো লেবুর রস।
 
pH স্কেল: 
- কোনো এসিড দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। একইভাবে কোনো ক্ষার দ্রবণের শক্তি দ্রবণের হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-) এর গাঢ়ত্বের উপর নির্ভর করে। 
- এসিড দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়নের গাঢ়ত্ব যদি বেশি হয়, তবে তা সবল এসিড, আর যদি কম হয় তবে তা দুর্বল এসিড। 
- ক্ষারের ক্ষেত্রে একই বিষয় প্রযোজ্য, তবে সেটি হাইড্রোক্সিল আয়নের ঘনমাত্রার উপর। 
- কিন্তু এসিড যদি খুবই লঘু হয় অথবা ক্ষার দ্রবণটি যদি খুবই লঘু হয়, তবে সেক্ষেত্রে H+ আয়ন অথবা OH- আয়নের ঘনমাত্রা 10 এর ঋণাত্বক ঘাত দ্বারা প্রকাশ করতে হয়। 
- অম্লীয় মাটিতে pH 4.5 এর নিচে নেমে গেলে গাছপালা মারা যায়। pH 5.5 এর নিচে নেমে গেলে গাছপালা ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে।
- বিষয়টিকে আরো সহজ করার জন্য বিজ্ঞানী সোরেনসেখ দ্রবণের H+ আয়নের ঘনমাত্রা pH দ্বারা প্রকাশ করার পদ্ধতি প্রচলন করেন। 
- pH এর অর্থ হলো Potenz of hydrogen; potenz জার্মান শব্দ, এর অর্থ ক্ষমতা। 
- কোনো দ্রবণের হাইড্রোজেন আয়ন (H+) এর ঘনমাত্রার ঋণাত্মক লগারিদম মানকে ঐ দ্রবণের pH বলে। 
অর্থাৎ, pH = - log[H+

- pH মিটার দ্বারা দ্রবণের pH মানকে মাপা হয়। 
- pH মিটারের pH স্কেল থাকে। 
- দ্রবণের pH মান 0 থেকে 14 এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। 
- দ্রবণের pH মান যদি 7 অপেক্ষা কম হয় তবে দ্রবণটি হবে এসিড, 7 অপেক্ষা বেশী হলে দ্রবণটি ক্ষার এবং ঠিকঠিক 7 এর সমান হলে দ্রবণটি প্রশমন হয়। 
- দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা কম হলে ঐ দ্রবণে নীল লিটমাস লাল বর্ণ ধারণ করে। আর যদি দ্রবণের pH মান 7 অপেক্ষা বেশি হয় তবে ঐ দ্রবণে লাল লিটমাস নীলবর্ণে পরিবর্তিত হয়। এভাবে লিটমাস কাগজ অথবা লিটমাস দ্রবণ ব্যবহার করেও ঐ দ্রবণের pH মান 7 এর উপরে না নীচে তা নির্ধারণ করা যায়। 
- তবে দ্রবণের সঠিক pH মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে pH মিটারের সাহায্য নেয়া হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
What does BOD stand for in environmental chemistry?
  1. Biological Oxygen Demand 
  2. Bulk Oxidation Demand
  3. Biochemical Oxidation Degree
  4. Basic Oxygen Distribution
সঠিক উত্তর:
Biological Oxygen Demand 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Biological Oxygen Demand 
ব্যাখ্যা

• BOD এর পূর্ণরূপ হলো Biological Oxygen Demand (ক)। এটি একটি পরিবেশগত রসায়ন সংক্রান্ত পরিমাপ যা পানিতে উপস্থিত জৈব পদার্থগুলোর পরিমাণ নির্ধারণ করে। সহজভাবে বলা যায়, BOD হলো সেই পরিমাণ অক্সিজেন যা ব্যাকটেরিয়া বা অন্যান্য মাইক্রোবস পানিতে উপস্থিত জৈব পদার্থগুলো ভাঙতে ব্যবহারের সময় খরচ করে। এটি মূলত জলদূষণের মাত্রা নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। উচ্চ BOD মান নির্দেশ করে যে জলে বেশি জৈব পদার্থ আছে এবং তা দূষণ সৃষ্টি করতে পারে, কারণ অক্সিজেন দ্রুত খরচ হবে। তাই BOD পরিবেশগত মানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক যা জলের গুণমান মূল্যায়নে সাহায্য করে।
 
BOD: 
- BOD এর পূর্ণরূপ হলো Biological Oxygen Demand. 
অর্থাৎ, BOD এর বাংলা অর্থ হলো জৈব রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা। 
- এক লিটার পানিতে উপস্থিত পচনযোগ্য জৈব দূষককে ব্যাকটেরিয়ার মতো অণুজীব দ্বারা ভাঙতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির BOD বলে। 
- কোনো পানির BOD এর মান যত বেশি হয় সে পানি তত বেশি দূষিত হয়। 

COD: 
- COD এর পূর্ণরূপ হলো Chemical Oxygen Demand. 
অর্থাৎ, COD এর বাংলা অর্থ হলো রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা। 
- এক লিটার পানিতে উপস্থিত জৈব ও অজৈব দূষককে রাসায়নিক পদার্থ দ্বারা ভাঙতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির COD বলে। 
- কোনো পানির COD এর মান যত বেশি হয় সে পানি তত বেশি দূষিত হয়। 

- BOD ও COD উভয়ই পানির দূষণ মাত্রা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। 
- কোনো পানির COD এর মান BOD অপেক্ষা বেশি হয়। কেননা, পানিতে উপস্থিত শুধু জৈব বস্তুকে ভাঙতে প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ হলো BOD। অপরদিকে, সকল জৈব ও অজৈব দূষক তা অণুজীব দ্বারা পচনযোগ্য হোক বা না হোক তাদের রাসায়নিকভাবে সম্পূর্ণরূপে জারিত করতে যে পরিমাণ অক্সিজেনের প্রয়োজন হয় তাকে উক্ত পানির COD বলে। সুতরাং, একই পানির COD এর মান BOD অপেক্ষা বেশি হবে। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

.
Which monomer is used to produce PVC?
  1. Ethylene
  2. Vinyl Chloride
  3. Styrene
  4. Propylene
সঠিক উত্তর:
Vinyl Chloride
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vinyl Chloride
ব্যাখ্যা

• পিভিসি বা পলিভিনাইল ক্লোরাইড তৈরিতে মূলত যে মনোমার ব্যবহার করা হয় তা হলো ভিনাইল ক্লোরাইড। ভিনাইল ক্লোরাইড একটি ছোট আকারের অর্গানিক যৌগ, যার রাসায়নিক সূত্র হলো C2H3Cl, পলিমারাইজেশন প্রক্রিয়ায়, এই মনোমার একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে দীর্ঘ চেইন গঠন করে, যা শক্তিশালী, টেকসই এবং হালকা ওজনের প্লাস্টিক তৈরি করে। পিভিসি বিভিন্ন শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহার হয়, যেমন পাইপ, তারের আবরণ, জানালা, দরজার ফ্রেম, এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম। অন্য মনোমার যেমন এথিলিন, স্টাইরিন বা প্রোপিলিন পিভিসি তৈরিতে ব্যবহৃত হয় না; তারা আলাদা ধরনের পলিমার যেমন পিই, পিএস বা পিপি তৈরিতে ব্যবহার হয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ভিনাইল ক্লোরাইড।

- উত্তর: খ) Vinyl Chloride.
 
পলিমার (Polymer): 
- মেলামাইনের থালা-বাসন, বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড, কার্পেট, পিভিসি পাইপ, পলিথিনের ব্যাগ, পাটের ব্যাগ, সিল্কের কাপড়, উলের কাপড়, সুতি কাপড়, নাইলনের সুতা, রাবার- এসব জিনিস সবই হচ্ছে পলিমার। 
- পলিমার (Polymer) শব্দটি এসেছে দুটি গ্রিক শব্দ পলি (Poly) ও মেরোস (Meros) থেকে। পলি শব্দের অর্থ হলো অনেক (Many) এবং মেরোস শব্দের অর্থ অংশ (Part)। 
অর্থাৎ, অনেকগুলো ছোট অণু পরপর যুক্ত হয়ে বড় আকারের যে অণু তৈরি হয় তাকে পলিমার বলে। 
- যে ছোট অণু থেকে পলিমার তৈরি হয়, তাকে বলে মনোমার (Monomer)। 
- যে পলিথিনের ব্যাগ ব্যবহার করা হয় তা 'ইথিলিন' নামের মনোমার থেকে তৈরি এক ধরনের পলিমার। 
- একইভাবে, পিভিসি পাইপ (PVC) হলো ভিনাইল ক্লোরাইড নামের মনোমার থেকে তৈরি পলিমার। 
- তবে সব সময় একটি মনোমার থেকেই পলিমার তৈরি হবে এমন নয়, একের অধিক মনোমার থেকেও পলিমার তৈরি হতে পারে। 
যেমন- বৈদ্যুতিক সুইচ বোর্ড তৈরিতে ব্যবহৃত বস্তু। বৈদ্যুতিক সুইচে বাকেলাইট নামের একটি পলিমার ব্যবহার করা হয়। ব্যাকেলাইট তৈরি হয় ফেনল ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থেকে। আবার মেলামাইনের থালা-বাসন হলো মেলামাইন রেজিন নামের পলিমার, যা তৈরি হয় মেলামাইন ও ফরমালডিহাইড নামের দুটি মনোমার থাকে। 

প্রাকৃতিক পলিমার: 
- পাট, সিল্ক, সুতি কাপড়, রাবার প্রভৃতি হচ্ছে প্রাকৃতিক পলিমার। 

কৃত্রিম পলিমার: 
- মেলামাইন, রেজিন, ব্যাকেলাইট, পিভিসি, পলিথিন প্রভৃতি হলো কৃত্রিম পলিমার। এগুলো প্রকৃতিতে পাওয়া যায় না, শিল্পকারখানায় কৃত্রিমভাবে তৈরি করতে হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

.
What is the main pigment responsible for photosynthesis in plants?
  1. Anthocyanin
  2. Xanthophyll
  3. Carotene
  4. Chlorophyll
সঠিক উত্তর:
Chlorophyll
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chlorophyll
ব্যাখ্যা

• প্রধান পিগমেন্ট যা উদ্ভিদে ফটোসিন্থেসিসের জন্য দায়ী তা হলো ঘ) ক্লোরোফিল। ক্লোরোফিল মূলত সবুজ রঙের এবং এটি সূর্যের আলো থেকে শক্তি শোষণ করে। উদ্ভিদগুলো এই শক্তি ব্যবহার করে কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং পানি থেকে গ্লুকোজ এবং অক্সিজেন তৈরি করে, যা ফটোসিন্থেসিস প্রক্রিয়ার মূল কাজ। অন্য পিগমেন্ট যেমন অ্যানথোসায়ানিন, জ্যান্থোফিল এবং ক্যারোটিন প্রধানত রঙ এবং আলো শোষণের বিভিন্ন শিফটে সহায়ক হলেও তারা সরাসরি খাদ্য উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ নয়। ক্লোরোফিলের কারণে পাতাগুলো সবুজ দেখায় এবং এটি সূর্যের আলোকে রিঅ্যাকশনে রূপান্তর করে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় জৈব যৌগ তৈরি করতে সক্ষম।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Chlorophyll.
 
• সালোকসংশ্লেষণ:
- যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ শর্করা জাতীয় খাদ্য তৈরি করে তাকে বলা হয় সালোকসংশ্লেষণ।
- এটি একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।
- উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্লাস্টিডে ঘটে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ খাদ্য প্রস্তুত করে।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সংঘটিত হতে হলে অবশ্যই সূর্যালোক ও ক্লোরোফিল থাকতে হবে।
- পানি, আলো, কার্বন-ডাই-অক্সাইড, ক্লোরোফিল প্রধান উপকরণ।
- কার্বোহাইড্রেট, পানি ও অক্সিজেন তৈরি করে।
- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান।
- সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় পানি জারিত হয় এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড নিঃসৃত হয়। তাই একে একটি জারণ বিজারণ প্রক্রিয়া বলা হয়।
- জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি।
- সালোকসংশ্লেষণের সময় সবুজ উদ্ভিদ আলোর ফোটন কণা শোষণ করে আলোকশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
- আলো হলো এক প্রকার তড়িৎ-চুম্বকীয় বিকিরণ। এর উৎস হচ্ছে সূর্য।
- আলোর সাতটি রঙের মধ্যে লাল, নীল, কমলা ও বেগুনী আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভাল হয়।
- সবুজ ও হলুদ আলোতে সালোকসংশ্লেষণ ভাল হয় না।
- একক আলো হিসেবে লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ বেশি হয়।
- ইহা ছাড়া অন্যান্য উপাদানও সালোকসংশ্লেষণে অংশগ্রহণ করে।
- বিভিন্ন ধরনের পিগমেন্ট (যেমন- হলুদ রঙের জ্যান্থোফিল, কমলা রঙের ক্যারোটিন, নীল রঙের ফাইকোসায়ানিন, লাল রঙের ফাইকোইরেথ্রিন ইত্যাদি), বিভিন্ন প্রকারের এনজাইম এবং আয়নসমূহ এ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

উৎস:
১। জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২। উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১০.
Which of the following diseases is commonly associated with adenovirus infection?
  1. Measles
  2. Malaria
  3. Common cold 
  4. Tuberculosis
সঠিক উত্তর:
Common cold 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Common cold 
ব্যাখ্যা

• Adenoviruses সাধারণত শ্বাসতন্ত্র ও চোখের সংক্রমণের জন্য পরিচিত ভাইরাস। এগুলি নাক, গলা, ফুসফুসে সংক্রমণ ঘটাতে পারে এবং শিশুদের মধ্যে প্রায়ই সাধারণ ঠান্ডা (Common cold) এর জন্য দায়ী হয়। এছাড়া চোখে কনজunktিভাইটিস এবং পেটের সমস্যা (গ্যাস্ট্রোএনটেরাইটিস)ও ঘটাতে পারে। অন্যদিকে, মেজলস (Measles) একটি রুবেলা ভাইরাস দ্বারা, ম্যালেরিয়া (Malaria) প্রোটোজোয়া পরজীবী দ্বারা এবং টিউবারকুলোসিস (Tuberculosis) ব্যাকটেরিয়া মাইক্রোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস দ্বারা সংক্রমিত হয়। তাই প্রদত্ত অপশনের মধ্যে adenovirus সংক্রমণের সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে সাধারণ ঠান্ডা (Common cold) এর সঙ্গে।

ভাইরাসের অপকারিতা: 
১। প্রাণীর ন্যায় উদ্ভিদের প্রায় ৩০০ ধরনের রোগ ভাইরাস দিয়ে সংঘটিত হয়। 
- এতে ফসলের উৎপাদন বিপুল পরিমাণে হ্রাস পায়। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো- 
 

২। বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস মানুষসহ অন্যান্য প্রাণীর নানা রকমের রোগ উৎপন্ন করে। 
- ভাইরাস নানা রকম প্রাণীর মারাত্মক রোগের সৃষ্টি করে, ফলে প্রাণীর অকাল মৃত্যু সংঘটিত হয়। 
- এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু রোগের নাম, পোষকের নাম এবং ভাইরাসের নাম হলো- 
 

৩। ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস: মানুষের উপকারি কিছু ব্যাকটেরিয়াকে ফায ভাইরাস ধ্বংস করে।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
Which part of the neuron receives signals from other neurons?
  1. Dendrite
  2. Node of Ranvier
  3. Synaptic terminal
  4. Axon
সঠিক উত্তর:
Dendrite
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dendrite
ব্যাখ্যা

• নিউরনের মূল অংশ যা অন্য নিউরন থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করে তা হলো ডেন্ড্রাইট (Dendrite)। নিউরন একটি বিশেষ ধরনের কোষ যা স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে তথ্য পরিবহন করে। ডেন্ড্রাইট হলো ছোট, শাখার মতো প্রসারণ যা সেল বডির চারপাশে ছড়িয়ে থাকে। এগুলি অন্য নিউরনের অ্যাক্সন থেকে প্রেরিত রসায়নিক সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং সেগুলিকে সেল বডিতে প্রেরণ করে। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্নায়ুতন্ত্রের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব হয়। অন্য অংশগুলো যেমন Node of Ranvier, Synaptic terminal, এবং Axon নিউরনের সিগন্যাল প্রেরণ বা গতি বৃদ্ধির জন্য কাজ করে, কিন্তু সরাসরি সিগন্যাল গ্রহণের কাজ করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Dendrite.
 
• স্নায়ুকলা (Nervous tissue):
- যে কলা দেহের সব ধরনের সংবেদন ও উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং তা পরিবহণের মাধ্যমে উদ্দীপনা অনুসারে উপযুক্ত প্রতিবেদন সৃষ্টি করে, সেটাই স্নায়ুটিস্যু বা স্নায়ুকলা। 
- বহুসংখ্যক স্নায়ুকোষ বা নিউরনের সমন্বয়ে স্নায়ুটিস্যু গঠিত।
- নিউরনই স্নায়ুতন্ত্রের গঠন এবং কার্যক্রমের একক।

• নিউরনের গঠন:
- প্রতিটি নিউরন দুটি অংশ নিয়ে গঠিত-কোষদেহ এবং প্রলম্বিত অংশ।

কোষদেহ (Cell body):
- প্লাজমামেমব্রেন, সাইটোপ্লাজম আর নিউক্লিয়াস নিয়ে গঠিত নিউরনের গোলাকার, তারকাকার, অথবা ডিম্বাকার অংশ কোষদেহ নামে পরিচিত। এখানে সাইটোপ্লাজমে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজিবস্তু, লাইসোজোম, চর্বি, গ্লাইকোজেন, রঞ্জক কণাসহ অসংখ্য নিসল দানা থাকে।

প্রলম্বিত অংশ:
- কোষদেহ থেকে সৃষ্ট শাখা-প্রশাখাকেই প্রলম্বিত অংশ বলে। প্রলম্বিত অংশ দুধরনের:

(i) ডেনড্রন:
- কোষদেহের চারদিকের শাখাযুক্ত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রলম্বিত অংশকে ডেনড্রন বলে। ডেনড্রন থেকে যে শাখা বের হয় তাদের ডেনড্রাইট বলে। একটি নিউরনে ডেনড্রন সংখ্যা শূন্য থেকে শতাধিক পর্যন্ত হতে পারে। ডেনড্রাইট অন্য নিউরন থেকে স্নায়ু তাড়না গ্রহণ করে।

(ii) অ্যাক্সন (Axon):
- কোষদেহ থেকে উৎপন্ন বেশ লম্বা তন্তুর নাম অ্যাক্সন। এর চারদিকে পাতলা আবরণটিকে নিউরিলেমা বলে। নিউরিলেমা এবং অ্যাক্সনের মধ্যবর্তী অঞ্চলে স্নেহ পদার্থের একটি স্তর থাকে। একে মায়েলিন (Myelin) বলে।  

অপরদিকে,
- বৃক্কের গাঠনিক ও কার্যকারী একক হচ্ছে নেফ্রন।
- সাইন্যাপস হলো দুটি নিউরন বা একটি নিউরন ও অন্য কোনো কোষের (যেমন পেশী কোষ) সংযোগস্থল, যেখানে একটি নিউরন থেকে পরবর্তী কোষে স্নায়ু সংকেত বা তথ্য রাসায়নিক বা বৈদ্যুতিক উপায়ে প্রবাহিত হয়।
- নিউরোগ্লিয়া হলো স্নায়ুতন্ত্রের সহায়ক কোষ, যা নিউরনকে (স্নায়ুকোষ) ধরে রাখে, পুষ্টি যোগায়, সুরক্ষা দেয় এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতা নিশ্চিত করে।

উৎস: জীব বিজ্ঞান (নবম ও দশম শ্রেণি)।

১২.
Which organ in the human body primarily stores iodine?
  1. Thyroid gland 
  2. Pancreas
  3. Kidneys
  4. Liver
সঠিক উত্তর:
Thyroid gland 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Thyroid gland 
ব্যাখ্যা

• মানবদেহে আয়োডিন প্রধানত থাইরয়েড গ্রন্থিতে সঞ্চিত হয়। থাইরয়েড গ্রন্থি, যা গলায় অবস্থিত, শরীরের মেটাবলিজম নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি আয়োডিন গ্রহণ করে এবং হরমোন উৎপাদন করে, যেমন থাইরক্সিন (T4) এবং ট্রায়োডোথাইরনিন (T3)। এই হরমোনগুলো শরীরের বিভিন্ন প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন শক্তি উৎপাদন, বৃদ্ধির হার, এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ। আয়োডিন ছাড়া থাইরয়েড হরমোন তৈরি সম্ভব নয়। তাই আয়োডিনের অভাব থাকলে থাইরয়েডের কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং গোয়িটার বা হরমোনজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে। অন্যান্য অঙ্গ যেমন প্যানক্রিয়াস, কিডনি বা লিভার আয়োডিন প্রধানত সঞ্চয় করে না, বরং থাইরয়েডই এটির মূল কেন্দ্র।

- উত্তর: ক) Thyroid gland.
 
খনিজ লবণ (Mineral salts): 
- দেহকোষ ও দেহের তরল অংশের জন্য খনিজ লবণ অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- মানুষের শরীরে ক্যালসিয়াম, লৌহ, সালফার, দস্তা, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়োডিন ইত্যাদি থাকে। 
- এ উপাদানগুলো কখনো মৌলিক উপাদানরূপে মানবদেহে অবস্থান করে না, এগুলো খাদ্য ও মানবদেহে বিভিন্ন পরিমাণে অন্য পদার্থের সাথে মিলিত হয়ে নানা জৈব এবং অজৈব যৌগের লবণ তৈরি করে। 
- খনিজ লবণ দেহ গঠন ও দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হাড়, দাঁত, পেশি, এনজাইম এবং হরমোন গঠনের জন্য খনিজ লবণ একটি অপরিহার্য উপাদান। 
- স্নায়ুর উদ্দীপনা, পেশি সংকোচন, দেহকোষে পানির সাম্যতা বজায় রাখা, অম্ল ও ক্ষারের সমতাবিধান, এসব কাজে খনিজ লবণের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। 

- দুধ, দই, ছানা, পনির, ছোট মাছ (মলা-ঢেলা), নানা রকম ডাল, সবুজ শাকসবজি, ঢেঁড়স, লাল শাক, কচু শাক ইত্যাদি ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস। 
- কলিজা, সবুজ শাকসবজি, মাংস, ডিমের কুসুম, কচু শাক ইত্যাদিতে লৌহ থাকে। 
- দুধ, মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল থেকে ফসফরাস পাওয়া যায়। 
- খাবার লবণ, চিপস, নোনতা খাবার, পনির, বাদাম, আচার ইত্যাদিতে সোডিয়াম থাকে। 
- মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল, কলা, আলু, আপেল ইত্যাদিতে পটাশিয়াম থাকে। 
- আয়োডিনের ভালো উৎস হলো সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ, মাংস এবং শেওলা। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩.
What is the primary function of platelets in the blood?
  1. Aid in blood clotting 
  2. Carry nutrients
  3. Fight infections
  4. Transport oxygen
সঠিক উত্তর:
Aid in blood clotting 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Aid in blood clotting 
ব্যাখ্যা

• রক্তের প্লেটলেট বা থ্রোমবোসাইটের প্রধান কাজ হলো রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা। যখন শরীরে কোনো ক্ষত বা ছেদ হয়, প্লেটলেট দ্রুত সেই স্থানে জমে ক্ষতস্থলে একটি ক্ষুদ্র "প্লাগ" তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ায় রক্তপাত নিয়ন্ত্রণ করা হয় এবং শারীরিক ক্ষতি কমানো সম্ভব হয়। প্লেটলেটের মাধ্যমে রক্তের অন্যান্য প্রোটিনও সক্রিয় হয়ে ফাইব্রিনের জাল তৈরি করে, যা ক্ষতস্থলে আরও দৃঢ় রক্ত জমাট গঠন করে। ফলে শরীরের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক আঘাত থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত হয়। সুতরাং, প্লেটলেটের মূল কার্য হলো রক্তপাত বন্ধ করা এবং আঘাতের স্থানে দ্রুত সুরক্ষা প্রদান করা।

- সঠিক উত্তর: ক) Aid in blood clotting.

 অণুচক্রিকা: 
- ইংরেজিতে এদেরকে প্লাটিলেট (Platelet) বলে।
- অণুচিক্রকা আকারে ছোট, বর্তুলাকার ও বর্ণহীন, এরা গুচ্ছাকারে থাকে। 
- অস্থিমজ্জার মধ্যে অণুচক্রিকা উৎপন্ন হয়। 
- অণুচক্রিকাগুলোর গড় আয়ু ৫-১০ দিন। 
- পরিণত মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখ। 
- অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 
- কোন রক্তবাহী নালির ক্ষতি হলে এরা অনতিবিলম্বে থ্রোম্বোপ্লাষ্টিন নামক এক প্রকার রাসায়নিক দ্রব্য নিঃসরণ করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
HIV primarily targets which type of human cells?
  1. Platelets
  2. Neurons
  3. Helper T cells (CD4+)
  4. Red blood cells
সঠিক উত্তর:
Helper T cells (CD4+)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Helper T cells (CD4+)
ব্যাখ্যা

• HIV বা মানব ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস মূলত মানব দেহের ইমিউন সিস্টেমের বিশেষ ধরণের কোষকে আক্রান্ত করে। এই ভাইরাস প্রধানত গ) Helper T cells (CD4+) কে লক্ষ্য করে। এই কোষগুলো ইমিউন সিস্টেমের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, কারণ এগুলো অন্যান্য লিউকোসাইটকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সিগন্যাল দেয় এবং রোগ প্রতিরোধের জন্য অ্যান্টিবডি উৎপাদনকে উৎসাহিত করে। HIV এই কোষগুলোর মধ্যে প্রবেশ করে এবং তাদের ধ্বংস করে, ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যায়। ফলস্বরূপ, সংক্রমিত ব্যক্তি বিভিন্ন সংক্রমণ এবং রোগের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। তাই HIV-এর মূল লক্ষ্য হল Helper T cells.
 
এইচআইভি এবং এইডস-এর বিস্তার:
এইচআইভি একটি নীরব ঘাতক। এই নীরব ঘাতকের বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়ার আগে এইচআইভি ও এইডস কীভাবে বিস্তার লাভ করে তা জানবার জন্য প্রথমেই জানা প্রয়োজন এই ভাইরাস কীসে থাকে। মানুষের শরীরে উৎপন্ন বিভিন্ন তরল পদার্থ যেমন- রক্ত, বীর্য, যৌনিরস, লালা এগুলোতে HIV বাস করে। এ গুলোর মধ্যে মুখের লালায় HIV -র পরিমাণ কম থাকে বলে লালা ঝুঁকিপূর্ণ নয়। কিন্তু রক্ত, যোনিরস ও বীর্য কোনোভাবে আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে সুস্থ ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করলে এইচআইভি সংক্রমণ ঘটে। বিভিন্ন উপায়ে এইচআইভি ছড়াতে পারে।
যেমন-

১। অনিরাপদ দৈহিক সম্পর্ক:
এইচআইভি ছড়ানোর সবচেয়ে বড় কারণ অনিরাপদ যৌন সম্পর্ক। প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে সারা বিশ্বের এইচআইভি ব্যক্তিদের শতকরা আশি (৮০%) ভাগই অনিরাপদ দৈহিক মিলনে হয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তির বীর্য বা যোনিরসের মাধ্যমে যৌন সঙ্গীর দেহে এইডস-এর ভাইরাস প্রবেশ করে। আরও বিপদজনক হলো যৌনসঙ্গিনী যদি সন্তান ধারণ করে তবে ঐ সন্তানের দেহেও এইচআইভি প্রবেশ করে।

২। আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তগ্রহণ:
অনেক সময় বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হলে বা অপারেশনের সময় বা দুর্ঘটনায় পড়লে অন্যের রক্ত নিতে হয়। তাছাড়াও বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য একজনের শরীরের অঙ্গ যেমন- কর্নিয়া, হৃৎপিন্ড, কিডনী বা অন্য কোনো অঙ্গ এক ব্যক্তির দেহ থেকে অন্য ব্যক্তির দেহে প্রতিস্থাপন করা হয়। অসচেতনতা বা দায়িত্বহীনতার কারণে অনেক সময় অপারেশনের যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করা হয় না। এইচআইভি সংক্রমিত রক্ত বা এইচআইভি আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির অঙ্গ অন্য কোনো
ব্যক্তির দেহে প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এইচআইভি বিস্তার লাভ করে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা প্রায়ই এক সুচ ও সিরিঞ্জ ব্যবহার করে। এতে সুস্থ ব্যক্তির দেহে এইচআইভি ভাইরাসের সংক্রমণ হয়। এইচআইভি বা এইডস আক্রান্ত মায়ের নিকট থেকে তিনটি পর্যায়ে শিশুর শরীরে এর ভাইরাস সংক্রমিত হতে পারে। যেমন-
ক) গর্ভকালীন সময়ে, 
খ) প্রসবকালীন সময়ে, 
গ) মায়ের দুধ পানের মাধ্যমে।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
The primary force responsible for the rotation of a cyclone is:
  1. Tension
  2. Frictional force
  3. Gravitational force
  4. Coriolis force 
সঠিক উত্তর:
Coriolis force 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Coriolis force 
ব্যাখ্যা

• চক্রবাতের ঘূর্ণনের প্রধান কারণ হলো ঘূর্ণনবেগীয় বল বা কোরিওলিস বল (Coriolis force)। পৃথিবী নিজের অক্ষে ঘূর্ণমান হওয়ায় বায়ুমণ্ডলের গতিবেগের উপর একটি আপেক্ষিক বল প্রয়োগ হয়, যা বাতাসকে তার সরাসরি পথ থেকে বাঁকায়। উত্তরের গোলার্ধে এই বল বাতাসকে ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে এবং দক্ষিণে ঘড়ির দিকে বাঁকায়। ফলে সমুদ্রের তাপমাত্রা ও বায়ুর চাপের পার্থক্য থেকে সৃষ্টি হওয়া নিম্নচাপীয় অঞ্চলগুলি ঘূর্ণনশীল হয়ে ওঠে, যা আমরা চক্রবাত বা সাইক্লোন হিসেবে দেখি। কোরিওলিস বল ছাড়া বাতাস শুধু নিম্নচাপের দিকে সোজা প্রবাহিত হতো এবং এই ধরনের ঘূর্ণন সৃষ্টি হতো না। তাই চক্রবাতের ঘূর্ণনের মূল কারণ হলো ঘ) Coriolis force.
 
• ঘূর্ণিঝড় (Cyclone):
- ঘূর্ণিঝড় একটি শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- এটি সাধারণত সমুদ্রের উষ্ণ অঞ্চলে সৃষ্ট হয় এবং কেন্দ্রের দিকে প্রবল বায়ু প্রবাহ ঘূর্ণায়মান অবস্থায় প্রবেশ করে।
- ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রে নিম্নচাপ সৃষ্টি হয় এবং চারদিকে উচ্চচাপ থেকে বাতাস দ্রুত বেগে কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়।
- বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় সাধারণত বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়ে উপকূলীয় অঞ্চলে আঘাত হানে।
- ঘূর্ণিঝড়ের সাথে প্রবল বৃষ্টি, ঝড়ো বাতাস ও জলোচ্ছ্বাস ঘটে।
- এর ফলে মানুষের প্রাণহানি, ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ উপকূলীয় অঞ্চল ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ভূগোল, ৯ম-১০ম শ্রেণি।