পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন৯৮
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 4” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ৯৮ প্রশ্ন

.
'রক্তরাগ' কাব্যটি রচনা করেন কে?
  1. আসকার ইবনে শাইখ
  2. গোলাম মোস্তফা
  3. কায়কোবাদ
  4. ফররুখ আহমেদ
ব্যাখ্যা
• গোলাম মোস্তফা:
- গোলাম মোস্তফা কবি ও লেখক।
- যশোর (বর্তমান ঝিনাইদহ) জেলার শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা গোলাম রববানী এবং পিতামহ কাজী গোলাম সরোয়ার দুজনেই ছিলেন লোককবি।
- গোলাম মোস্তফা পাকিস্তানি আদর্শে বিশ্বাসী ছিলেন এবং ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় উর্দুর প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন।
- ১৯৪৯ সালে গঠিত পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা সংস্কার কমিটির সচিব হিসেবে তিনি কাজ করেন।
- তিনি গদ্য ও পদ্য রচনায় সমান দক্ষ ছিলেন, তবে কবি হিসেবেই তাঁর মুখ্য পরিচয় ছিল।

• তাঁর কাব্য:  
- রক্তরাগ,  
- খোশরোজ, 
- কাব্য-কাহিনী, 
- সাহারা,  
- হাসনেহেনা, 
- বুলবুলিস্তান,  
- তারানা-ই-পাকিস্তান, 
- বনিআদম,  
- গীতিসঞ্চালন ইত্যাদি ।

• তাঁর গদ্যরচনার মধ্যে  রয়েছে:
- বিশ্বনবী (১৯৪২),
- ইসলাম ও কমিউনিজম (১৯৪৬),
- ইসলাম ও জেহাদ (১৯৪৭),
- আমার চিন্তাধারা (১৯৫২),
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা ইত্যাদি।

- তাঁর বিশ্বনবী গ্রন্থখানি বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল।
- এতে তিনি হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে ঐতিহাসিক মহামানব হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন।
- গোলাম মোস্তফার কাব্যের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো সহজ ও শিল্পসম্মত প্রকাশভঙ্গি এবং ছন্দোলালিত্য।
- সাহিত্য-সংস্কৃতিতে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি যশোর সংঘ কর্তৃক ‘কাব্য সুধাকর’ (১৯৫২) এবং পাকিস্তান সরকার কর্তৃক ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’ (১৯৬০) উপাধি লাভ করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কোন শব্দযুগলটি সঠিক বিপরীতার্থক নয়?
  1. বিন্দু - রাশি
  2. তস্কর - লস্কর
  3. কৃপণ - বদান্য  
  4. দার - স্বামী
ব্যাখ্যা
• তস্কর - লস্কর শব্দযুগলটি সঠিক বিপরীতার্থক নয়। 
- 'তস্কর' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হচ্ছে- সাধু।
- তস্কর শব্দের অর্থ- (বিশেষ্য) চোর; অপহরণকারী। 

• আরো কিছু বিপরীতার্থক শব্দ- 
- 'আকুঞ্চন' শব্দের বিপরীত শব্দ - প্রসারণ।
- 'সংহত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - বিভক্ত।
- 'প্রসারিত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - সংকুচিত।
- 'সংযত' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - অসংযত।
- ‘শ্লথ’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ - ত্বরিত।
- 'আকর্ষণ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিকর্ষণ।
- 'আদান' এর বিপরীতার্থক শব্দ - প্রদান।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'যার কর্ম তারে সাজে অন্য লোকের লাঠি বাজে' - আলোচ্য উক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. আলাওল
  2. চণ্ডীদাস
  3. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  4. কবীন্দ্র পরমেশ্বর
ব্যাখ্যা
• ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:
- মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি, আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- ইন্দ্রনারায়ণ তাঁর বিশিষ্ট বন্ধু নবদ্বীপ-কৃষ্ণনগরের মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের সঙ্গে তাঁকে পরিচয় করিয়ে দেন। মহারাজা কবির পান্ডিত্য ও ব্যবহারে মুগ্ধ হন এবং তাঁকে ৪০ টাকা মাসোহারা দিয়ে আমত্য বা রাজসভাসদ পদে নিয়োগ দেন।
- মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে ‘গুণাকর’ অর্থাৎ ‘সকল গুণের আধার’ উপাধিতে সম্মানিত করেন। 

• তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাসমূহ:
- অন্নদামঙ্গল,
- গঙ্গাষ্টক,
- রসমঞ্জরী।

• তাঁর কিছু বিখ্যাত উক্তি:
- মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
- আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।
- নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়।
- যতন নহিলে নাহি মিলয়ে রতন।
- বড়র পিরীতি বালির বাঁধ।
- ক্ষণে হাতে দড়ি ক্ষণেকে চাঁদ।
- যার কর্ম তারে সাজে অন্য লোকের লাঠি বাজে।
-  ভাবিতে উচিত ছিল প্রতিজ্ঞা যখন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর,  বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
.
শুদ্ধ প্রয়োগ ঘটেছে কোন বাক্যে?
  1. তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল।
  2. লালালু খুব পুষ্টিকর।
  3. তিনি স্বস্ত্রীক রাজশাহী থাকেন।
  4. এর একটা ব্যাবস্থা করো। 
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বাক্য: তাহার অপরিসীম আনন্দ হইল। 

• বাক্যে যথার্থ শব্দ প্রয়োগ না করায় বাক্য গঠনে ভুল হয়। 
যেমন-
- অশুদ্ধ: তিনি স্বস্ত্রীক রাজশাহী থাকেন।
- শুদ্ধ বাক্য: তিনি সস্ত্রীক রাজশাহী থাকেন।

- অশুদ্ধ: লালালু খুব পুষ্টিকর। 
- শুদ্ধ: লাল আলু খুব পুষ্টিকর। 

- অশুদ্ধ: এর একটা ব্যাবস্থা করো। 
- শুদ্ধ: এর একটা ব্যবস্থা করো। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
আবু ইসহাক রচিত 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র কোনটি?
  1. জামিলা
  2. তাহেরা
  3. জয়গুন
  4. জোহরা
ব্যাখ্যা
• সূর্য দীঘল বাড়ী:
- 'সূর্য দীঘল বাড়ী' আবু ইসহাক রচিত একটি সামাজিক উপন্যাস। 
- ১৯৫৫সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। 
- বাংলাদেশের গ্রাম জীবনের বিশ্বস্ত দলিল এই গ্রন্থ। 
- বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি রচনা করেন 'সূর্য দীঘল বাড়ী' 
- জয়গুন এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র।

• উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র:
→ হাসু,
→ মায়মুন,
→ শাফি,
→  ডা. রমেশ চক্রবর্তী,
→ মোরল গদু ইত্যাদি। 
-------------------------- 
• আবু ইসহাক: 
- আবু ইসহাক কথাসাহিত্যিক, অভিধান-প্রণেতা।
- জন্ম শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে, ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর। 
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত নবযুগ পত্রিকায় আবু ইসহাকের ‘অভিশাপ’ নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
- পরে কলিকাতার সওগাত, আজাদ প্রভৃতি পত্রিকায় তাঁর বিভিন্ন রচনা প্রকাশিত হয়। 
- আবু ইসহাকের দ্বিতীয় উপন্যাস পদ্মার পলিদ্বীপ (১৯৮৬); এ উপন্যাসে পদ্মার বুকে জেগে-ওঠা চরের শ্রমজীবী মানুষের জীবন-সংগ্রামের কথা আছে।
- তাঁর তৃতীয় উপন্যাস জাল। এটি গোয়েন্দা জাতীয় উপন্যাস।
- ২০০৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়। 

• সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য আবু ইসহাকের  প্রাপ্ত পদক:
→ ‘বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার’ (১৯৬৩),
→ ‘সুন্দরবন সাহিত্য পদক’ (১৯৮১),
→ ‘বাংলাদেশ লেখিকা সংঘ সাহিত্য পদক’ (১৯৯০),
→ ‘একুশে পদক’ (১৯৯৭),
→ ‘স্বাধীনতা পদক’ এবং
→  ‘শিশু একাডেমী পদক’ (মরণোত্তর, ২০০৬) লাভ করেন।

• আবু ইসহাক রচিত অন্যান্য উপন্যাস: 
- পদ্মার পলিদ্বীপ,
- জাল।  

• তাঁর গল্পগ্রন্থ:
- হারেম, 
- মহাপতঙ্গ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'বাবরের প্রার্থনা' কাব্যগ্রন্থের লেখক কে?
  1. শঙ্খ ঘােষ
  2. আল মাহমুদ
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
ব্যাখ্যা
• শঙ্খ ঘোষ: 
- শঙ্খ ঘোষ পশ্চিমবঙ্গের সাহিত্যের একজন খ্যাতিমান কবি।
- সাহিত্য সমালোচক হিসেবেও তিনি বিশেষ গুরুত্বের অধিকারী।
- একজন রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ হিসেবে তাঁর কৃতিত্ব রয়েছে।
- তাঁর প্রকৃত নাম চিত্তপ্রিয় ঘোষ, কিন্তু শঙ্খ ঘোষ নামেই তিনি পরিচিত। 

• তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলো হল:
→ দিনগুলি রাতগুলি (১৯৫৬),
→ নিহিত পাতাল ছায়া (১৯৬৭),
→ এখন সময় নয় (১৯৬৭),
→ আদিম লতা গুন্যময় (১৯৭২),
→ মূর্খ বড়ো, সামাজিক নয় (১৯৭৫), 
→ মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে (১৯৮৪),
→ বন্ধুরা মাতি তরজায় (১৯৮৪),
→ বহুল দেবতা বহুল স্বর (১৯৮৬), 
→ বাবরের প্রার্থনা (১৯৭৬)
→ ধুম লেগেছে হৃদ কমলে (১৯৮৭) ইত্যাদি।

- তিনি 'বাবরের প্রার্থনা' নামক কাব্যগ্রন্থের জন্য ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন।

সূত্র: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস - মাহবুবুল আলম।
.
ষ-ত্ব বিধান অনুসারে কোনটি সঠিক নয়?
  1. বাংলা শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়।
  2. রেফ-এর পরে মূর্ধন্য-ষ হবে।
  3. ঋ বা ঋ-কারের পরে মূর্ধন্য-ষ হবে।
  4. ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে 'ষ' যুক্ত হয়।
ব্যাখ্যা
• "বাংলা শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়।"  বাক্যটি সঠিক নয়। 
- তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়।

• ষ-ত্ব বিধানের নিয়ম:
- ঋ বা ঋ-কারের পরে মূর্ধন্য-ষ হবে। যেমন- কৃষক, বৃষ্টি, ঋষি, কৃষ্ণ, দৃষ্টি ইত্যাদি। 
- তৎসম শব্দে 'র'-এর পর 'ষ' হয়। যেমন- বর্ষণ, ঘর্ষণ, বর্ষা ইত্যাদি।
- রেফ-এর পরে মূর্ধন্য-ষ হবে। যেমন- আকর্ষণ, বর্ষ, মুমূর্ষু, বার্ষিক, সপ্তর্ষি।
- র-ধ্বনির পরে যদি অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি থাকে তবে তার পরে ‘ষ’ হয়। যথা— পরিষ্কার। 
- ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে 'ষ' যুক্ত হয়, যথা- অনিষ্ট, চেষ্টা, নষ্ট, বৈশিষ্ট্য, অনুষ্ঠান, কনিষ্ঠ, প্রতিষ্ঠান, শ্রেষ্ঠ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
‘টানাপোড়েন’ – বাগধারাটির অর্থ কী?
  1. দেবতা বিমুখ
  2. একটানা খাটুনি
  3. বিরক্তকর যাতায়াত
  4. কষ্টকর কাজ
ব্যাখ্যা
• ‘টানাপোড়েন’ – বাগধারাটির অর্থ বিরক্তকর যাতায়াত। 

• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- 'অন্ধের যষ্টি' বাগধারাটির অর্থ- একমাত্র অবলম্বন।
- 'আঁধার ঘরের মানিক' বাগধারটির অর্থ অত্যন্ত প্রিয়জন।
- 'ইঁচড়ে পাকা' বাগধারাটির অর্থ- অকালপক্ব।
- অমাবস্যার চাঁদ বাগধারার অর্থ- দুর্লভ বস্তু বা বিরল বস্তু।
- আকাশ কুসুম বাগধারার অর্থ- অবাস্তব কল্পনা।
- আষাঢ়ে গল্প বাগধারার অর্থ- আজগুবি কাহিনি।
- 'অগ্নি পরীক্ষা' বাগধারাটির অর্থ-  কঠিন পরীক্ষা।
- 'অদৃষ্টের পরিহাস' বাগধারাটির অর্থ- ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (২০২১ ও ২০১৮ সংস্করণ)।
.
'চাকা' নাটকের রচয়িতা কে?
  1. মমতাজউদদীন আহমদ
  2. সেলিম আল দীন
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা
• সেলিম আল দীন: 
- সেলিম আল দীন বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
- তিনি ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট সীমান্তবর্তী ফেনি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- কর্মজীবনের শুরুতে তিনি বিজ্ঞাপন সংস্থা বিটপী’তে কপি রাইটারের পদে যোগদান করেন।
- ১৯৭৪ সালে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন।
- দীর্ঘদিন বাংলা বিভাগে শিক্ষকতা করার পর ১৯৮৬ সালে তিনি নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগে যোগদান এবং উক্ত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- শিক্ষকতার পাশাপাশি এ দেশের নাট্যশিল্পকে বিশ্বনাট্য ধারার সঙ্গে সমপংক্তিতে সমাসীন করার লক্ষ্যে ১৯৮১-৮২ সালে তিনি এবং নাট্য-নির্দেশক নাসির উদ্দিন ইউসুফ সারাদেশব্যাপী গড়ে তোলেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার।
- তাঁর রচিত হরগজ নাটকটি সুইডিশ ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং এ নাটকটি ভারতের রঙ্গকর্মী নাট্যদল কর্তৃক হিন্দি ভাষায় মঞ্চস্থ হয়েছে।
- সেলিম আল দীনের নাটক ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত।
- তাঁর প্রথম রেডিও নাটক বিপরীত তমসায় ১৯৬৯ সালে এবং প্রথম টেলিভিশন নাটক আতিকুল হক চৌধুরীর প্রযোজনায় লিব্রিয়াম (পরিবর্তিত নাম ঘুম নেই) প্রচারিত হয় ১৯৭০ সালে।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক ও নাট্যগ্রন্থ-
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, 
- বাসন, 
- কেরামতমঙ্গল, 
- প্রাচ্য, 
- কিত্তনখোলা, 
- হাতহদাই, 
- যৈবতী কন্যার মন, 
- চাকা, 
- হরগজ, 
- একটি মারমা রূপকথা, 
- বনপাংশুল, 
- নিমজ্জন ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
১০.
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের রচয়িতা কে?
  1. দ্বিজ চণ্ডীদাস
  2. বড়ু চণ্ডীদাস
  3. জ্ঞানদাস
  4. দীন চণ্ডীদাস
ব্যাখ্যা
• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত।
- ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামের শ্ৰী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- পুথির প্রথম দুটি এবং শেষপৃষ্ঠা পাওয়া যায় নি বলে এর নাম ও কবির নাম স্পষ্ট করে জানা যায় নি।
- কবির ভণিতায় 'চণ্ডীদাস' এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ‘বড়ু চণ্ডীদাস' পাওয়া যাওয়ায় এই গ্রন্থের কবি হিসেবে বড়ু চণ্ডীদাসকে গ্রহণ করা হয়।
-শ্রীকৃষ্ণকীর্তন গীতি-আলেখ্য। রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা এর বিষয়বস্তু।

- এটি মোট ১৩ খন্ডে ৪১৮টি পদে এটি বিন্যস্ত।
খন্ডগুলি হলো:
- জন্মখন্ড,
- তাম্বূল খন্ড,
- দানখন্ড,
- নৌকাখন্ড,
- ভারখন্ড,
- ছত্রখন্ড,
- বৃন্দাবন খন্ড,
- কালীয়দমন খন্ড,
- যমুনা খন্ড,
- হারখন্ড,
- বাণখন্ড,
- বংশীখন্ড ও
- বিরহখন্ড (রাধাবিরহ)।

- শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের মূল কাহিনী ভাগবত থেকে নেওয়া হলেও এতে বিভিন্ন পুরাণ এবং জয়দেবের গীতগোবিন্দের প্রভাব রয়েছে।
- কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই (দূতী)। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলাপিডিয়া।
১১.
'বারণ' কোন শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. হস্তী
  2. সিংহ
  3. হরি
  4. হর্ষক্ষ
ব্যাখ্যা
- 'বারণ' হস্তীর সমার্থক শব্দ।  
• ‘হাতি’ এর সমর্থক শব্দ - গজ, হস্তী, করী, দ্বিপ, বারণ, মাতঙ্গ, কুঞ্জর, দন্তী, দ্বিরদ, পিল।

অন্যদিকে:
- পশুরাজ, কেশরী, মৃগেন্দ্ৰ, মৃগরাজ, হরি, হর্ষক্ষ হচ্ছে সিংহ এর সমার্থক শব্দ।  

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
১২.
'আদর্শ হিন্দু হোটেল' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. বন্দে আলী মিয়া
  4. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা
• আদর্শ হিন্দু হোটেল:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস 'আদর্শ হিন্দু হোটেল'। 
- বিভূতিভূষণের বাস্তব অভিজ্ঞতার মানুষ, আদর্শ হিন্দু হোটেল উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হাজারি ঠাকুরের অপূর্ণ স্বাদ ও আকাঙ্খাকেই উপন্যাসে রূপদানের প্রয়াস করা হয়েছে।
- নিজের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলস্বরূপ নিজে যেমন প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তেমনিভাবে লাভ করেছেন মানুষের ভালোবাসা। 
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৪০ সালে।
-----------------------
• বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ সালে চব্বিশ পরগনায় মুরারিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা কথা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় শিল্পী।
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত শেষ উপন্যাস ‘ইছামতী’ প্রকাশিত হয় ১৯৫০ সালে।
- মানুষের জীবনের কথা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
- ‘ইছামতী’ উপন্যাসের জন্য তিনি রবীন্দ্র পুরস্কার (১৯৪৯) লাভ করেন।
- ১৯৫০ সালের ১লা সেপ্টেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

- তাঁর রচিত গ্রন্থ: 
• উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী, 
- অপরাজিত, 
- অশনি সংকেত, 
- আরণ্যক, 
- আদর্শ হিন্দু হোটেল, 
- দেবযান, 
- ইছামতী, 
- দৃষ্টি প্রদীপ,  
- চাঁদের পাহাড়।  

• ছোটগল্প:
- মেঘমল্লার,  
- মৌরীফুল,  
- যাত্রাবদল,  
- কিন্নরদল ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩.
'জন্মদিন' শব্দটি কোন ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে?
  1. হিন্দি
  2. সংস্কৃত
  3. আরবি
  4. ফার্সি
ব্যাখ্যা
- 'জন্মদিন' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। 

• জন্মদিন:
- উচ্চারণ: জনমোদিন্
- সংস্কৃত শব্দ। 

অর্থ: 
- জন্ম গ্রহণের দিন বা তারিখ;
- প্রতি বছর যে তারিখে জন্মোৎসব পালন করা হয়। 

সূত্র: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
১৪.
'দুনিয়া সাচ্চা নয়-মুই একা সাচ্চা হয়ে কি করবো?'- বিখ্যাত উক্তিটি কে করেছেন?
  1. মতিলাল
  2. ঠকচাচা
  3. শোভনলাল
  4. বাবুরামবাবু
ব্যাখ্যা
• আলালের ঘরের দুলাল:
- প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল'।
- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায়।
- তার আগে ১৮৫৪ সাল থেকে ‘মাসিক পত্রিকা’তে ধারাবাহিকভাবে এটি প্রকাশিত হতে থাকে।
- উপন্যাসটিতে দেশীয় শিক্ষা ব্যবস্থা, পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্ধ অনুকরণ, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশৃঙ্খলা নিয়ে লেখক তাঁর অভিমত প্রকাশ করেছেন।
- ধনী বাবুরামের পুত্র মতিলাল কুসঙ্গে পড়ে এবং শিক্ষার ব্যাপারে পিতার অবহেলা তাকে অধঃপতনে নিয়ে যায়।
- পিতার মৃত্যুর পর মতিলাল তার বাবার প্রাপ্ত সব সম্পত্তি নষ্ট করে ফেলে।
- উপন্যাসটিতে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো মোকাজান মিয়া বা ঠকচাচা।
- 'দুনিয়া সাচ্চা নয়-মুই একা সাচ্চা হয়ে কি করবো?' উপন্যাসে উক্তিটি বলেছেন ঠকচাচা।
- এছাড়াও চরিত্রে রয়েছে, বাবুরাম, বাবুরামের পুত্র মতিলাল, ধূর্ত উকিল বটলর, অর্থলোভী বাঞ্ছারাম, তোষামোদকারী বক্রেশ্বর ইত্যাদি।

উৎস: ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
১৫.
'দীপ্যমান' শব্দের প্রকতি ও প্রত্যয় কোনটি?
  1. √দীপ্য + মান
  2. √দিপ্য + মান
  3. √দীপ + শামচ্
  4. √দীপ্ + শানচ্
ব্যাখ্যা
• ক্রিয়ামূলকে বলা হয় ধাতু, আর ধাতুর সঙ্গে পুরুষ ও কালবাচক বিভক্তি যোগ করে গঠন করা হয় ক্রিয়াপদ।
- ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি;
- আর ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়।

যেমন-
- চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন (কৃৎ-প্রত্যয়) = চলন (বিশেষ্য পদ)।
- চল্ (ক্রিয়া প্রকৃতি) + অন্ত (কৃৎ-প্রত্যয়)=চলন্ত (বিশেষণ পদ)।

• শানচ্-প্রত্যয় ('শ' ও 'চ' ইৎ, 'আন' বিকল্পে 'মান' থাকে):
- √দীপ্ + শানচ্ = দীপ্যমান।
এরূপ – √চল্ + শানচ্ = চলমান। 

• ঘঞ-প্রত্যয় [(কৃদন্ত বিশেষ্য গঠনে), ঘৃ এবং ঞ ইৎ, ‘অ' থাকে]।
যেমন:
- √বস্ + ঘঞ্‌ = বাস,
- √যুজ্ + ঘঞ্‌ = যোগ, 
- √খুদ্ + ঘঞ্‌ = খেদ, 
- √ভিদ্ + ঘঞ্‌ = ভেদ। 

• বিশেষ নিয়ম:
- √পচ্ +ঘঞ্‌ = পাক,
- √শুচ্+ঘঞ্‌ = শোক। 

কিন্তু,
- √নন্দি + অন = নন্দন। এক্ষেত্রে আ যোগে ‘নন্দনা’ হয় না। 

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম - ১০ম শ্রেণি (২০১৯)।
১৬.
'কেয়াবন সঞ্চারিণী' নীলিমা ইব্রাহিমের কী ধরনের সাহিত্যকর্ম? 
  1. নাটক
  2. উপন্যাস
  3. ভ্রমণ কাহিনী
  4. কাব্যগ্রন্থ 
ব্যাখ্যা
• নীলিমা ইব্রাহিম: 
- নীলিমা ইব্রাহিম শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী নীলিমা ইব্রাহিমের ১৯২১ সালের ১১ অক্টোবর বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার মূলঘর গ্রামের এক জমিদার পরিবারে।
- নীলিমা ইব্রাহিম বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাজকল্যাণ ও নারী-উন্নয়সংস্থা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠনের সঙ্গে যু্ক্ত ছিলেন।
- তিনি আমৃত্যু মানুষের শুভ ও কল্যাণী চেতনায় আস্থাশীল ছিলেন। মুক্তবুদ্ধি, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও উদার মানবিকতাবোধই ছিল তাঁর জীবনদর্শন।

- নীলিমা ইব্রাহিম বেশকিছু উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনা করেছেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- বিশ শতকের মেয়ে,
- এক পথ দুই বাঁক,
- কেয়াবন সঞ্চারিণী,
- বহ্নিবলয়;

• নাটক:
- দুয়ে দুয়ে চার,
- যে অরণ্যে আলো নেই,
- রোদ জ্বলা বিকেল,
- সূর্যাস্তের পর;

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭.
'পিতৃদেব' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. দ্বিগু সমাস
  3. তৎপুরুষ সমাস
  4. কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা
• কর্মধারয় সমাস: 
- যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন:
- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
- শান্ত অথচ শিষ্ট = শান্তশিষ্ট।
- কাঁচা অথচ মিঠা = কাঁচামিঠা।

কর্মধারয় সমাস কয়েক প্রকারে সাধিত হয়:- 
→ দুটি বিশেষণ পদে একটি বিশেষ্যকে বোঝালে। যেমন- যে চালাক সেই চতুর = চালাক-চতুর।
→ দুটি বিশেষ্য পদে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝালে। যেমন- যিনি পিতা তিনিই দেব = পিতৃদেব।
→ কার্যে পরম্পরা বোঝাতে দুটি কৃতন্ত বিশেষণ পদেও কর্মধারয় সমাস হয়। যেমন – আগে ধোয়া পরে মোছা= ধোয়ামোছা।
→ পূর্বপদে স্ত্রীবাচক বিশেষণ থাকলে কর্মধারয় সমাসে সেটি পুরুষ বাচক হয়। যেমন- সুন্দরী যে লতা = সুন্দরলতা, মহতী যে কীর্তি = মহাকীর্তি।
→ বিশেষণবাচক মহান বা মহৎ শব্দ পূর্বপদ হলে, 'মহৎ' ও 'মহান' স্থানে 'মহা' হয়। যেমন- মহৎ যে জ্ঞান= মহাজ্ঞান। 

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম - ১০ম  শ্রেণি (২০১৯)। 
১৮.
সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. দিগ্‌ + অন্ত = দিগন্ত
  2. ণিজ্‌ + অন্ত = ণিজন্ত
  3. ষঠ্‌ + আনন = ষড়ানন
  4. সুপ্ + অন্ত = সুবন্ত
ব্যাখ্যা
• সন্ধি: 
- সন্নিহিত দুটি ধ্বনির মিলনের নাম সন্ধি।

যেমন –
- আশা + অতীত = আশাতীত।
- হিম + আলয় = হিমালয়।
- প্রথমটিতে আ + অ = আ (া) এবং দ্বিতীয়টিতে অ + আ = আ (া) হয়েছে।
- আবার, তৎ + মধ্যে =তন্মধ্যে, এখানে ত + ম = ন্ম হয়েছে।

• ব্যঞ্জনধ্বনি + স্বরধ্বনি: 

- ক, চ, ট, ত্, প্-এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ্‌, জ্, ড্ (ড়), দ্‌, ব্‌ হয়।
- পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন-
- ক্ + অ = গ ↔ দিক্ + অন্ত = দিগন্ত।
- চ্ + অ = জ ↔ ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত।
- ট্ + আ = ড় ↔ ষট্ + আনন = ষড়ানন।
- ত্ + অ = দ ↔ তৎ + অবধি = তদবধি।
- প্ + অ = ব ↔ সুপ্ + অন্ত = সুবন্ত।

এরূপ: 
- বাগীশ, তদন্ত, বাগাড়ম্বর, কৃদন্ত, সদানন্দ, সদুপায়, সদুপদেশ, জগদিন্দ্র ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, ৯ম - ১০ম  শ্রেণি (২০১৯)। 
১৯.
আনিসুজ্জামানের রচিত গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. বাঙালী মুসলমানের মন
  2. আঠারো শতকের বাংলা চিঠি
  3. স্বরূপের সন্ধানে
  4. বাঙালি নারী: সাহিত্য ও সমাজে
ব্যাখ্যা
- 'বাঙালী মুসলমানের মন' প্রবন্ধগ্রন্থটি আনিসুজ্জামানের রচিত গ্রন্থ নয়। 
- 'বাঙালী মুসলমানের মন' প্রবন্ধগ্রন্থটি রচনা করেন আহমদ ছফা। 
------------------------ 
• আনিসুজ্জামান:
- লেখক আনিসুজ্জামান এর প্রকৃত নাম এ.টি.এম. আনিসুজ্জামান।
- ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ইংরেজি আমলের বাংলা সাহিত্যে বাঙালি মুসলমানের চিন্তাধারা' শিরোনামে ডক্টরেট লাভ করেন। এই গবেষণাপত্রকে তিনি ‘মুসলিম মানস ও বাংলা সাহিত্য (১৯৬৪) নামে গ্রন্থরূপ দেন।
- তিনি রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৫ সালে সম্মানিক ডি.লিট. পদক লাভ করেন।
- এছাড়াও ভারত সরকারের পদ্মভূষণ লাভ করে ২০১৪ সালে।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম:
- স্বরূপের সন্ধানে, 
- আঠারো শতকের বাংলা চিঠি, 
- বাঙালি নারী: সাহিত্য ও সমাজে, 
- কাল নিরবধি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
জসীমউদ্‌দীন রচিত নক্সী কাঁথার মাঠ কাব্যটি কতটি সর্গে বর্ণিত হয়েছে?
  1. চোদ্দটি
  2. পনেরটি
  3. তেরটি
  4. বারটি
ব্যাখ্যা
• নক্সী কাঁথার মাঠ: 
- নক্সী কাঁথার মাঠ  একটি কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ।
- রচয়িতা কবি  জসীমউদ্দীন রচনাকাল ১৯২৯।
- নক্সী কাঁথার মাঠ একটি  শিল্পসফল কাহিনি কাব্য।
- কাব্যটি চোদ্দটি সর্গে বর্ণিত।
- কাব্যিকভাবে সবকটি দৃশ্য মিলে এতে একটি সামগ্রিক জীবনচিত্র ফুটে উঠেছে অসাধারণ শৈল্পিকতার সঙ্গে।
- এর প্রতিটি দৃশ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ, বাস্তবধর্মী ও কবিত্বময়।
- রূপা ও সাজুর এ কাহিনিকে কবি ‘করুণ গাথা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন কারণ মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে দুটি প্রাণ প্রেমের জন্যে প্রায়শ্চিত্ত করেছে। 
===============

জসীমউদ্‌দীন
- জসীমউদ্‌দীন ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- কবি তাঁর কবিতায় বাংলাদেশের পল্লিপ্রকৃতি ও মানুষের সহজ স্বাভাবিক রূপটি তুলে ধরেছেন।
- পল্লির মাটি ও মানুষের জীবনচিত্র তাঁর কবিতায় নতুন মাত্রা পেয়েছে।
- পল্লির মানুষের আশা-স্বপ্ন- আনন্দ-বেদনা ও বিরহ- মিলনের এমন আবেগ-মধুর চিত্র আর কোনো কবির কাব্যে খুঁজে পাওয়া ভার ।
- এ কারণে তিনি ‘পল্লিকবি' নামে খ্যাত কর্মজীবনের শুরুতে তিনি কিছুকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন।

• জসীমউদ্‌দীনের উল্লেখযোগ্য কাব্যের মধ্যে রয়েছে -
→ নক্সী- কাঁথার মাঠ,
→ সোজনবাদিয়ার ঘাট,
→ রাখালী,
→ বালুচর,
→ হাসু,
→ এক পয়সার বাঁশি,
→ মাটির কান্না ইত্যাদি।

- তাঁর নক্সী-কাঁথার মাঠ কাব্য বিভিন্ন বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- চলে মুসাফির তাঁর ভ্রমণকাহিনী।
- বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি প্রদান করে।
- এছাড়া সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি একুশে পদক লাভ করেন।
- ১৯৭৬ সালের ১৪ই মার্চ কবি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলা সাহিত্য - ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
২১.
উচ্চারণস্থান অনুযায়ী 'ট ও ঠ' হচ্ছে -
  1. ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
  2. মূর্ধন্য ব্যঞ্জন
  3. তালব্য ব্যঞ্জন
  4. কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণস্থান অনুযায়ী বিভাজন:
- বাকপ্রত্যঙ্গের ঠিক যে জায়গায় বায়ু বাধা পেয়ে ব্যঞ্জনধ্বনি সৃষ্টি করে সেই জায়গাটি হলাে ঐ ব্যঞ্জনের উচ্চারণস্থান।

• উচ্চারণস্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়:
→ ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন,
→ দন্ত্য ব্যঞ্জন,
→ দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন,
→ মূর্ধন্য ব্যঞ্জন,
→ তালব্য ব্যঞ্জন,
→ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন,
→ কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন।

• মূর্ধন্য ব্যঞ্জন: 
- দত্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা।
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্যার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢোল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• দন্ত্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
- তাল, থালা, দাদা, ধান প্রভৃতি শব্দের ত, থ, দ, ধ, দন্ত্যধ্বনির উদাহরণ।

• দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গোড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে দণ্ডমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
- নানা, রাত, লাল সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• তাবল্য ব্যঞ্জন: 
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে স্বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে।
- কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

• কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন:
- কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে।
- হাতি শব্দের হ কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ এবং ২০১৯ সংস্করণ)।
২২.
‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য কয়টি খণ্ডে বিভক্ত?
  1. তিন খণ্ডে
  2. চার খণ্ডে
  3. পাঁচ খণ্ডে
  4. ছয় খণ্ডে
ব্যাখ্যা
• অন্নদামঙ্গল কাব্য:
- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন। 
- অন্নদামঙ্গল কাব্যধারার প্রধান কবি ছিলেন- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। 
- অন্নদামঙ্গল কাব্য ৩টি খণ্ডে বিভক্ত। 

যথা: 
→ শিবনারায়ণ, 
→ কালিকামঙ্গল এবং 
→ মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড। 

- কালিকামঙ্গল নামে অভিহিত কাব্যধারাকে 'বিদ্যাসুন্দর' বা 'বিদ্যাসুন্দর কাহিনি' বলা হয়।
- দেবী কালির মাহাত্ম বর্ণনা করা হয়েছে এই মঙ্গল কাব্যে। 
- কালিকামঙ্গল কাব্যের আদি কবি- কবি কঙ্ক।
- এছাড়া সাবিরিদ খান ও রমাপদ সেন কালিকা মঙ্গল কাব্য রচনা করেছেন। 
=================== 
• ভারতচন্দ্র রায়: 
- ভারতচন্দ্র রায় মধ্যযুগের সর্বশেষ কবি, আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অগ্রদূত।
- তাঁর পিতা নরেন্দ্রনারায়ণ রায় (মুখার্জি) জমিদার ছিলেন।
- তিনি হাওড়া জেলার পেন্ড্রো গ্রামে বাস করতেন। 
- ধর্মমঙ্গলের রচয়িতা রামদাস তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে প্রতাপনারায়ণের কথা উল্লেখ করেন।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- এ কাব্যের জন্য মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দেন।
- ভারতচন্দ্রের প্রথম কাব্য ছিল বিমিশ্র দেবতা সত্যনারায়ণের সম্মানে রচিত একটি পাঁচালি।
- উনবিংশ শতাব্দীর কলকাতায় ভারতচন্দ্র অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন এবং ৪৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের শেষ বড় কবি বা নাগরিক কবিও বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর) এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম, বাংলাপিডিয়া।
২৩.
Despite the setbacks, she remained a true-blue optimist, always looking for the silver lining. The underlined part means -
  1. Half-hearted
  2. Lacking loyalty
  3. Completely loyal
  4. Indifferent
ব্যাখ্যা
♦ Despite the setbacks, she remained a true-blue optimist, always looking for the silver lining. The underlined part means - Completely loyal.

• True-blue
English meaning: completely loyal to a person or belief.
Bangla meaning: অনড়ভাবে নীতিবান (ব্যক্তি); একান্ত বিশ্বস্ত/খাঁটি (মানুষ)।

উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো এখানে অপ্রাসঙ্গিক।

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
২৪.
I like what I see. Here the underlined part is -
  1. Noun Clause
  2. Verbal clause
  3. Preposition clause
  4. Adverb clause
ব্যাখ্যা
♦ I like what I see. Here the underlined part is a - noun clause.

• A noun clause is a group of words that band together and act like a noun.
- Nouns clauses are used when a single word isn't enough.
- They're always dependent clauses.

একটি বাক্যের চারটি স্থানে Noun clause  বসতে পারে-
1. subject হিসাবে 
2. transitive verb এর object হিসেবে
3. Linking verb এর পরে complement হিসাবে 
4. Preposition এর Object হিসেবে।

• প্রদত্ত বাক্যে 'what I see' clause টি verb এর object হিসেবে এটি Noun clause.
- তাই এটি verb এর object হিসেবে Noun clause.

Source: A Passage to the English Language by S. M. Zakir Hussain.
২৫.
Change the voice: The window was closed.
  1. Someone close the window.
  2. Someone has close the window.
  3. Someone closed the window.
  4. The window was being closed.
ব্যাখ্যা
♦ অনির্দিষ্ট যে কারো দ্বারা কাজটি সম্পাদিত হলে Subject someone/somebody বসাতে হবে। 

• প্রথমে subject হিসেবে Someone বসাতে হবে।
- তারপর was বাদ দিতে হবে।
- মূল verb কে past tense এ বসাতে হবে।
- Subject টি Object হবে।

Passive: The window was closed.
Active: Someone closed the window.
২৬.
Which of the following is synonymous with 'Doctrine'?
  1. Hinder
  2. Principle
  3. Diminish
  4. Fault
ব্যাখ্যা
♦ Doctrine
English meaning: a principle or set of principles that are followed by a particular group or in a particular situation.
Bangla meaning: মতবাদ; রাজনৈতিক দলের তত্ত্বগত শিক্ষা; কোনো ধর্মসম্প্রদায়ের বিশ্বাস ও উপদেশাবলির সমাহার; বিজ্ঞানীদের বিশেষ মতধারা 

• Options,
- Hinder: ব্যাহত/বিঘ্নিত/বিলম্বিত করা
- Principle: মূলতত্ত্ব; মূলসূত্র; তত্ত্ব
- Diminish: হ্রাস করা; হ্রাসপ্রাপ্ত হওয়া
- Fault: ত্রুটি; দোষ।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, Doctrine এর synonym হলো - Principle.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
২৭.
I told Suhan that she was not studying sincerely. (Make it Direct)
  1. I said to Suhan, "She was not studying sincerely."
  2. I told to Suhan, "You are not studying sincerely."
  3. I said to Suhan, "You are not studying sincerely."
  4. I said, "You are not studying sincerely."
ব্যাখ্যা

♦ Indirect to direct narration:
- Indirect speech এ that clause টি past continuous tense এ হওয়ায় direct speech এ তা reported speech এ পরিণত হবে এবং তা present continuous tense এ হবে।
সুতরাং, সঠিক direct speech টি হবে - I said to Suhan, "You are not studying sincerely."

২৮.
Make it comparative:
Leonardo da Vinci is the most influential of all Renaissance artists.
  1. Leonardo da Vinci is influential than all other Renaissance artists.
  2. Leonardo da Vinci is more influential than all other Renaissance artists.
  3. Leonardo da Vinci is influential than most other Renaissance artists.
  4. Leonardo da Vinci is more influential than most other Renaissance artists.
ব্যাখ্যা
♦ Superlative to Comparative:

• Of all যুক্ত sentence কে comparative করার নিয়ম - 
- প্রথম subject প্রথমেই + verb + superlative এর comparative form + than all other + বাকি অংশ। 

Superlative sentence: Leonardo da Vinci is the most influential of all Renaissance artists.
Comparative sentence: Leonardo da Vinci is more influential than all other Renaissance artists.
২৯.
Life is but a mystery. Here 'but' is a/an -
  1. Noun
  2. Preposition
  3. Adverb
  4. Adjective
ব্যাখ্যা
♦ Life is but a mystery. Here 'but' is a/an - Adverb.

• সাধারণত But, কিন্তু অর্থে Conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এটি ভিন্ন ভিন্ন parts of speech হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে।

• বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়, 'জীবন কেবলই একটি রহস্য।'
- এখানে 'but' 'কেবল' অর্থে ব্যবহার হচ্ছে।
- 'but' 'কেবল' অর্থে ব্যবহার হলে তখন এটি Adverb হয়ে যাবে। 

আবার,
• But: ছাড়া: preposition
• But: কিন্তু: Conjunction
• But: কেবল: Adverb.
৩০.
Complete the sentence with the appropriate preposition:
In the eerie silence of the haunted house, she felt a pair of unseen eyes staring ______ her from the shadows.
  1. at
  2. upon
  3. with
  4. on
ব্যাখ্যা
♦ Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,

• Stare at:
Meaning: এক দৃষ্টিতে তাকানো।
Example: At the summit of the mountain, hikers were rewarded with a breathtaking view, causing them to sit and stare at the panoramic landscape.

• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- Stare এর সাথে 'এক দৃষ্টিতে তাকানো' অর্থ বুঝাতে at বসে।
- এই বাক্যটির ক্ষেত্রে at বসালে বাক্যটির অর্থ পরিপূর্ণ হয়।
- তাই এই বাক্যে preposition হিসেবে at বসবে।

Complete sentence: In the eerie silence of the haunted house, she felt a pair of unseen eyes staring at her from the shadows.

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.
৩১.
Choose the one-word substitution for the given line:
One who studies insect life -
  1. Geologist
  2. Zoologist
  3. Entomologist
  4. Botanist
ব্যাখ্যা
♦ Entomologist
English meaning: a person who studies insects.
Bangla meaning: পতঙ্গবিশারদ।

Options,
- Geologist: a person who studies geology.
- Zoologist: a person who scientifically studies animals.
- Botanist: a scientist who studies plants.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
৩২.
Make it complex: Having done this, she went away.
  1. She had done this, she went away.
  2. She went away so she had to do this.
  3. When she had done this, she went away.
  4. Therefore she done this she went away.
ব্যাখ্যা
♦ Simple Sentence to Complex Sentence: (Having + Verb এর past participle form যুক্ত)
• Structure: Having এর পরিবর্তে When বসে + Subject + had + Verb এর past participle form + বাকী অংশ।

- এ বাক্যে প্রথমেই Having এর পরিবর্তে When বসেছে।
- তারপর Subject - she বসেছে।
- এরপর had + Verb এর past participle form - done বসেছে।
- বাকী অংশ অপরিবর্তিত রয়েছে।

Simple: Having done this, she went away.
Complex: When she had done this she went away.

Source: Advanced Learners Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
৩৩.
What does the term "Acid test" mean?
  1. A chemical experiment
  2. A crucial examination
  3. A test involving corrosive substances
  4. A simple evaluation
ব্যাখ্যা
♦ Acid test
English Meaning: a severe or crucial test / the true test of the value of something.
Bangla Meaning: অগ্নিপরীক্ষা / মূল পরীক্ষা

Ex. Sentence: Last group stage match was an acid test for Bangladesh.
Bangla Meaning: গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ বাংলাদেশের জন্য অগ্নিপরীক্ষা।
৩৪.
"All things both great and small;
For the dear God who loveth us
He made and loveth all." From which poem does the quote originate?
  1. The Waste Land
  2. Kubla Khan
  3. The Love Song of J. Alfred Prufrock
  4. The Rime of the Ancient Mariner
ব্যাখ্যা
♦ "All things both great and small;
For the dear God who loveth us
He made and loveth all." -
এই লাইনটি Samuel Taylor Coleridge এর "The Rime of the Ancient Mariner" কবিতা থেকে উদ্ধৃত একটি লাইন।

 • The Rime of the Ancient Mariner:
- It's a terrific poem.
- এই কবিতায়, Albatross (a bird) এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
- It was composed during the autumn and winter of 1797–98.

- এই কবিতাটি Samuel Taylor Coleridge রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত এবং দীর্ঘ কবিতা।
- একজন বৃদ্ধ নাবিকের অনুশোচনার কাহিনী, যে একটি নৃশংস ভাবে একটা Albatross পাখি হত্যা করে এবং প্রকৃতি তখন প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে উঠে।
- সূর্য রক্তপিন্ডের আকার ধারন করে। শেষে জাহাজ ডুবে যায়, জাহাজে থাকা সকলে মারা যায়, কিন্তু অনুশোচনার গ্লানিতে ভুগতে থাকা বৃদ্ধ নাবিকটি বেঁচে যান। 
- বেঁচে গেলেও এই গল্প অন্যদের বলার জন্য তিনি মুখিয়ে থাকেন। 

• Famous quotes from this:
- “Water, water, everywhere,
Nor any drop to drink."
- "He prayeth best, who loveth best
All things both great and small"
- “Alone, alone, all, all alone,
Alone on a wide, wide sea!"

Samuel Taylor Coleridge
- তিনি একজন British poet.
- তিনি একজন English lyrical poet, critic এবং philosopher.
- His Lyrical Ballads, written with William Wordsworth, heralded the English Romantic movement, and his Biographia Literaria (1817) is the most significant work of general literary criticism produced in the English Romantic period.

• Some notable work: 
- Biographia Literaria,
- Christabel,
- Dejection: An Ode,
- Frost at Midnight,
- Kubla Khan,
- Lyrical Ballads,
- On the Constitution of the Church and State,
- The Rime of the Ancient Mariner.

অন্য অপশন,
- "The Love Song of J. Alfred Prufrock" by T.S. Eliot
- "Kubla Khan" by Samuel Taylor Coleridge
- "The Waste Land" by T.S. Eliot

Source: britannica.com.
৩৫.
Which historical tragedy by Shakespeare portrays the rise and fall of the Roman general?
  1. Antony and Cleopatra
  2. Julius Caesar
  3. Coriolanus
  4. Richard III
ব্যাখ্যা
♦ Julius Caesar:
- তিনি Rome এর ruler ছিলেন।
- Caesar এর betrayer এর নাম হলো Brutus.
- ১৫৯৯-১৬০০ সালের মধ্যে এই নাটকটি লিখা হয় এবং ১৬২৩ সালে Shakespeare এর First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- 'Julius Caesar' William Shakespeare এর একটি Historical Play এবং Tragedy.
- নাটকটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রকে ঘিরে আবর্তিত হয় যা Julius Caesar, একজন রোমান রাষ্ট্রনায়ক এবং সামরিক জেনারেলকে হত্যার দিকে নিয়ে যায়।
- ঈর্ষান্বিত ষড়যন্ত্রকারীরা সিজারের বন্ধু Brutus কে Caesar এর বিরুদ্ধে তাদের হত্যার ষড়যন্ত্রে যোগ দিতে রাজি করায়।
- Caesar কে অত্যধিক ক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখতে, Brutus এবং ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে March এর Ides এ হত্যা করে।
- Mark Antony ষড়যন্ত্রকারীদের রোম থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং একটি যুদ্ধে তাদের সাথে লড়াই করে।

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com
৩৬.
Which of the following literary works was written during the Victorian period?
  1. The Spanish Tragedy
  2. Thyrsis
  3. The White Devil
  4. All for Love
ব্যাখ্যা
♦ Thyrsis:
- এটি Mathew Arnold রচিত, তিনি একজন Victorian Poet তাই এটি একটি Victorian period এর রচনা।
- এটা একটা elegiac poem.
- এই কবিতাটি কবি, তার বন্ধু, অপর Victorian Poet, Arthur Hugh Clough এর স্মৃতিকে উদ্দেশ্য করে লিখা ।

- এটি একধরনের pastoral elegy।
- কবি তাঁর বন্ধু Arthur Hugh Clough এর মৃত্যুশোকে এই কবিতাটি রচনা করেছিলেন।
- Arnold portrays Clough as Thyrsis, a traditional Greek name for a shepherd-poet. 
- It is considered one of Arnold’s finest poems.

• Mathew Arnold was a poet and a critic. Mostly known for his strong moral voice.
- He was a professor of poetry at Oxford University.

Notable works: 
Poems: 
- Thyrsis,
- The Scholar-Gypsy,
- Dover Beach,
- Below the surface-stream, shallow and light,
- Shakespeare,
- The Buried Life.

Prose:
- The Study of Poetry.

Options,
- The Spanish Tragedy: Thomas Kyd: Elizabethan period
- The White Devil: John Webster: Jacobean period
- All for Love: John Dryden: Restoration period

Source: Britannica.
৩৭.
Identify the literary creation that Leo Tolstoy wrote from the choices provided.
  1. Just So Stories
  2. Typhoon
  3. Howards End
  4. Anna Karenina
ব্যাখ্যা
♦ Anna Karenina
- এটি Leo Tolstoy রচিত।

- ১৮৭৫ থেকে ১৮৭৭ এই সময়ে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- প্রধান চরিত্রসমূহ: Anna, Aleksey Karenin, Vronsky.

• Summary:
- Anna একজন বিবাহিত সম্ভ্রান্ত ঘরের মহিলা। তার স্বামী Aleksey Karenin, উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মকর্তা এবং অভিজাত বংশীয় সন্তান।
- তরুণ এবং চৌকষ সেনা অফিসার Vronsky এর সাথে অভিসারে লিপ্ত হয় Anna. প্রেম, অপ্রেম, হিংসা, বিশ্বাসঘাতকতা আর শোচনীয় পরিণতির গল্প পুরো উপন্যাস জুড়ে।
- Anna এর স্বামী Aleksey Karenin লোকলজ্জার ভয়ে পুরো বিষয়টি মেনে নিতে চাইলেও Anna পুনরায় বিশ্বাসঘাতকতা করে। পালিয়ে যায় প্রেমিক Vronsky এর সাথে। এক পর্যায়ে সে তার প্রেমিক Vronsky কেও বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগে অভিযুক্ত করে।
- উপন্যাসের শেষে দেখা যায় Anna ট্রেনের সামনে আত্মাহুতি দিচ্ছে।

• Leo Tolstoy এর পুরো নাম  Lev Nikolayevich, Graf (count) Tolstoy.
- তিনি ১৮২৮ সালে রাশিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
- He is considered a master of realistic fiction and one of the world’s greatest novelists.

• Notable works:
• Novels:
- War and Peace (1865–69),
- Anna Karenina (1875–77),
- The Death of Ivan Ilyich (1886).

Options,
- Howards End: EM Forster
- Typhoon: Joseph Conrad
- Just So Stories: Rudyard Kipling

Source: Live MCQ Lecture, sparknotes.com and britannica.com
৩৮.
Fyodor Dostoyevsky was a renowned literary figure hailing from which country?
  1. Germany
  2. France
  3. Russia
  4. England
ব্যাখ্যা
♦ Fyodor Dostoyevsky
- তিনি একজন Russian author.
- পুরো নাম Fyodor Mikhaylovich Dostoyevsky.
- তিনি ১৮২১ সালে রাশিয়ার মস্কোতে জন্মগ্রহণ করেন।
- Fyodor তার উপন্যাসের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত ছিলেন।

• Famous novels:
 - A Raw Youth
- Crime and Punishment,
- The Idiot,
- The Brothers Karamazov,
- Poor Folk,
- A Little Hero,
- The Eternal,
- Notes from Underground.

Source: Britannica.
৩৯.
G.B. Shaw was a co-founder of which London-based theater company that aimed to produce plays with a focus on social issues?
  1. Royal Shakespeare Company
  2. National Theatre
  3. The Old Vic
  4. The Fabian Society
ব্যাখ্যা
♦ Fabian Society was founded in 1883 to avoid violence in class struggle.
- G.B. Shaw was one of the members of the Fabian Society.
- Fabian Society, socialist society founded in 1884 in London, having as its goal the establishment of a democratic socialist state in Great Britain. 

==============================

• G. B. Shaw (1856-1950): 
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw. 
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক। 
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান। 
- তার কিছু বিখ্যাত নাটক হচ্ছে : Caeser and Cleopetra, Man and Superman, Arms and the Man, Candida etc. 

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion,
- Mrs. Warren's Profession,
- Arms and the Man,
- Heartbreak House,
- Caesar and Cleopatra,
- Man and Superman,
- The Doctor's Dilemma,
- St. Joan of Arc etc.

Source: Britannica and Enotes.com
৪০.
Which of Jane Austen's novels features the character Fanny Price, who is sent to live with her wealthy relatives?
  1. Emma
  2. Persuasion
  3. Mansfield Park
  4. Northanger Abbey
ব্যাখ্যা
♦ Mansfield Park:
- এটি Jane Austen রচিত।
- Fanny Price এই novel এর protagonist.
- এই novel টি ১৮১৪ সালে প্রকাশিত হয়। 
- In its tone and discussion of religion and religious duty, it is the most serious of Austen’s novels.
- এই novel এর প্রধান নারী চরিত্রে নাম হচ্ছে Fanny Price
 - The heroine, Fanny Price, is a self-effacing and unregarded cousin cared for by the Bertram family in their country house.

• Jane Austen (1775-1817) একজন English novelist ছিলেন।
- তিনি তার জীবদ্দশায় চারটি উপন্যাস প্রকাশ করেছিলেন।

• Notable works: 
• Novels: 
- Sense and Sensibility (1811),
- Pride and Prejudice (1813),
- Mansfield Park (1814),
- Emma (1815).
৪১.
In "The Rape of the Lock," what is the central event that serves as the mock-epic's focus?
  1. A battle between gods and mortals
  2. A grand journey to the underworld
  3. The cutting of a lock of hair
  4. A royal wedding
ব্যাখ্যা
♦ The Rape of the Lock: 
- এটি Alexander Pope রচিত।
- এটি একটি mock-heroic Epic.
- এটি একটি ৭৯৪ লাইনের একটি গুরুগম্ভীর কিন্তু হাস্যরসাত্মক কবিতা।
- Heroic couplets ব্যবহার করে এটি রচিত হয়।

- Belinda বা Arabella Fermor নামের এক মেয়ে এখানে প্রধান চরিত্র যার চুলের বেনি বা একগুচ্ছ চুল কেটে ফেলে অপর একজন যুবক Baron বা Lord Petre.
- দেবতা, যুদ্ধ বিগ্রহের বর্ণনাও আছে এতে।
- শেষ পর্যন্ত এই চুলের বেনী স্থান পায় নক্ষত্রলোকে ।
- সামান্যকে অসামান্য, ক্ষুদ্রকে বৃহৎ, সংকীর্ণকে ব্যাপক করে তুলবার এই ক্ষমতার জন্যই পৌপ বিখ্যাত Mock- Heroic Poet হিসেবে।

• Alexander Pope:
- তিনি একজন English author.
- তিনি English Augustan period এর একজন poet ও satirist.
-  He is one of the most epigrammatic of all English authors.

• Famous works:
- An Epistle to Dr. Arbuthnot,
- An Essay on Criticism,
- An Essay on Man,
- Eloisa to Abelard,
- The Dunciad,
- The New Dunciad,
- The Rape of the Lock,
- Windsor-Forest.

Source: Britannica, Live MCQ Lecture.
৪২.
"Thus I entered, and thus I go!" This line is an extract of Robert Browning's -
  1. My Last Duchess
  2. Men and Women
  3. Fra Lippo Lippi
  4. The patriot
ব্যাখ্যা
♦ "Thus I entered, and thus I go!" This line is an extract of Robert Browning's - The patriot.

• The patriot:
- এটি Robert Browning রচিত একটি কবিতা।
- এটি তার লিখিত the best dramatic monologues.
- এই কবিতায় যে ভাব প্রকাশ করা হয়েছে তা মূলত একধরনের Irony.
- এখানে একজন দেশপ্রেমিকের প্রতি সাধারণ জনগনের দ্বিমুখী আচরণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
- জনগণ কখনো উল্লাসে মাথায় করে নাচে আবার পাথর ছুড়ে রক্তাক্ত করতেও বাঁধেনা ।
- শেষে কবি ইহলোকে বিচার না পেলেও পরলোকে সুবিচার পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে কবিতা শেষে
করেছেন।

• এই কবিতার একটি বিখ্যাত লাইন "Thus I entered, and thus I go!" - The patriot.

• Robert Browning:
- তিনি একজন British poet.
- তিনি Victorian age এর।
- He is noted for his mastery of dramatic monologue.

• Notable works:
- Fra Lippo Lippi,
- Men and Women,
- My Last Duchess,
- Paracelsus,
- Pippa Passes,
- Rabbi Ben Ezra,
- Sordello,
- The Pied Piper of Hamelin,
- The Ring.

Source: Britannica.
৪৩.
একটি বাঁধ তৈরি করতে ২৫০ জন শ্রমিকের ২৪ দিন সময় লাগে। ২০ দিনে কাজটি শেষ করতে কত জন অতিরিক্ত শ্রমিক লাগবে?
  1. ৫০ জন
  2. ২০ জন
  3. ৭৫ জন
  4. ২৫ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বাঁধ তৈরি করতে ২৫০ জন শ্রমিকের ২৪ দিন সময় লাগে। ২০ দিনে কাজটি শেষ করতে কত জন অতিরিক্ত শ্রমিক লাগবে?

সমাধান:
২৪ দিনে কাজটি করে = ২৫০ জন লোক
∴ ১ দিনে কাজটি করে = ২৫০ × ২৪ জন লোক
∴ ২০ দিনে কাজটি করে = (২৫০ × ২৪)/২০ জন লোক
= ৩০০ জন লোক

∴ অতিরিক্ত শ্রমিক লাগবে = ৩০০ - ২৫০ জন
= ৫০ জন
 
৪৪.
xy - y, x3y - xy, x2 - 2x + 1 রাশিগুলোর গ.সা.গু নির্ণয় করুন।
  1. x + 1
  2. x - 1
  3. xy
  4. xy(x2 - 1)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: xy - y, x3y - xy, x2 - 2x + 1 রাশিগুলোর গ.সা.গু নির্ণয় করুন।

সমাধান: 
১ম রাশি = xy - y
= y(x - 1)

২য় রাশি = x3y - xy
= xy(x2 - 1)
= xy(x + 1)(x - 1)

৩য় রাশি = x2 - 2x + 1
= (x - 1)2
= (x - 1)(x - 1)

∴ নির্ণেয় গ.সা.গু = (x - 1)
৪৫.
সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য 5 সেন্টিমিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. 25 বর্গ সেন্টিমিটার
  2. (25√3)/2 বর্গ সেন্টিমিটার
  3. 25√3 বর্গ সেন্টিমিটার
  4. (25√3)/4 বর্গ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য 5 সেন্টিমিটার হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
ধরি,
প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য, a = 5 সে.মি.

আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√3/4) a2 
= (√3/4) (5)2
= (25√3)/4 বর্গ সে.মি.
৪৬.
8 জন ও 10 জন খেলোয়াড়ের দুইটি দল থেকে 11 জন খেলোয়াড়ের একটি ক্রিকেট টিম গঠন করতে হবে যাতে 8 জনের দল থেকে কমপক্ষে 7 জন খেলোয়াড় ঐ টিমে থাকবে। ক্রিকেট টিমটি কত উপায়ে গঠন করা যাবে? 
  1. 1800
  2. 1680
  3. 1350
  4. 1200
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 8 জন ও 10 জন খেলোয়াড়ের দুইটি দল থেকে 11 জন খেলোয়াড়ের একটি ক্রিকেট টিম গঠন করতে হবে যাতে 8 জনের দল থেকে কমপক্ষে 7 জন খেলোয়াড় ঐ টিমে থাকবে। ক্রিকেট টিমটি কত উপায়ে গঠন করা যাবে? 

সমাধান: 
১ম দল (8 জন)  ২য় দল(10জন)
১)     8                      3
২)    7                      4 

১নং ক্ষেত্রে টিম গঠনের উপায় = 8C8 × 10C3 = 1 × 120 = 120
২নং ক্ষেত্রে টিম গঠনের উপায় = 8C7 × 10C4 = 8 × 210 = 1680

টিম গঠনের উপায় = 120 + 1680  = 1800
৪৭.
বার্ষিক ১০% মুনাফায় ২০০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মুনাফা কত?
  1. ৪০০ টাকা
  2. ৪২০ টাকা
  3. ৪৪০ টাকা
  4. ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বার্ষিক ১০% মুনাফায় ২০০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মুনাফা কত?

সমাধান:
এখানে,
মূলধন, P = ২০০০ টাকা
মুনাফায় হার, r = ১০% = ১০/১০০
সময়, n = ২ বছর

∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C = P(১ + r)n
= ২০০০(১ + ১০/১০০)
= ২০০০ × (১১০/১০০)
= ২৪২০ টাকা

চক্রবৃদ্ধি মুনাফা = (২৪২০ - ২০০০)
= ৪২০ টাকা 
৪৮.
x + (1/x) = 1 হলে x2 + (1/x) =?
  1. - 1
  2. 1
  3. 0
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + (1/x) = 1 হলে x2 + (1/x) =?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
x + 1/x = 1
বা, x2 + 1 = x
∴ x2 = x - 1

আবার,
x + 1/x = 1
∴ 1/x = 1 - x

এখন,
x2 + 1/x
= x - 1 + 1 - x
= 0
৪৯.
একটি রম্বসের পরিসীমা ৫৬ মিটার এবং এর উচ্চতা ৫ মিটার হলে এর ক্ষেত্রফল কত?
  1. ৭০ বর্গ মিটার 
  2. ৮৪ বর্গ মিটার 
  3. ৬৪ বর্গ মিটার 
  4. ৩৫ বর্গ মিটার 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রম্বসের পরিসীমা ৫৬ মিটার এবং এর উচ্চতা ৫ মিটার হলে এর ক্ষেত্রফল কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
রম্বসের পরিসীমা ৫৬ মিটার
উচ্চতা ৫ মিটার 

∴ রম্বসের একবাহুর দৈর্ঘ্য = ৫৬/৪ মিটার = ১৪ মিটার

রম্বস এক ধরণের সামন্তরিক। তাই রম্বসের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ে নিম্নোক্ত সূত্র ব্যবহার করা যাবে।
রম্বসের ক্ষেত্রফল = ভূমি × উচ্চতা
= (১৪ × ৫) বর্গ মিটার 
= ৭০ বর্গ মিটার 
৫০.
একটি বক্সে ১০টি লাল ও ১৫ টি নীল মার্বেল আছে। ২টি মার্বেল তোলা হলে একই রংয়ের হওয়ার সম্ভবনা কত?
  1. ২/৩
  2. ১/২
  3. ১/৩
  4. ১/৪
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বক্সে ১০টি লাল ও ১৫ টি নীল মার্বেল আছে। ২টি মার্বেল তোলা হলে একই রংয়ের হওয়ার সম্ভবনা কত?

সমাধান:
লাল মার্বেল = ১০টি
নীল মার্বেল = ১৫টি
মোট মার্বেল = ১০ + ১৫ = ২৫ টি

২টি লাল মার্বেল হওয়ার সম্ভাবনা = (১০/২৫) × (৯/২৪) = ৩/২০
২টি নীল মার্বেল হওয়ার সম্ভাবনা = (১৫/২৫) × (১৪/২৪) = ৭/২০

∴ একই রংয়ের হওয়ার মোট সম্ভাবনা = (৩/২০) + (৭/২০)
= ১০/২০
= ১/২
৫১.
জব্বারের আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ২৪ : ১৮ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত ভাগ?
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৩০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: জব্বারের আয় ও ব্যয়ের অনুপাত ২৪ : ১৮ হলে তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা কত ভাগ?

সমাধান: 
ধরি,
জব্বারের আয় = ২৪x টাকা 
জব্বারের ব্যয় = ১৮x টাকা
∴ সঞ্চয় = (২৪x - ১৮x) টাকা 
= ৬x টাকা

∴ সঞ্চয় আয়ের শতকরা = {(৬x/২৪x) × ১০০}%
= ২৫% 

∴ তার মাসিক সঞ্চয় আয়ের শতকরা =  ২৫%।
৫২.
(1/3) + (1/9) + (1/27) + (1/81) + .......... অসীম গুণোত্তর ধারাটির অসীমতক সমষ্টি কত?
  1. 1/2
  2. 1/3
  3. 1/7
  4. 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (1/3) + (1/9) + (1/27) + (1/81) + .......... অসীম গুণোত্তর ধারাটির অসীমতক সমষ্টি কত?

সমাধান:
মনে করি,
১ম পদ, a = 1/3

সাধারণ অনুপাত, r = (1/9) ÷ (1/3)
= (1/9) × (3/1)
= 1/3 < 1

ধারাটির অসীমতক সমষ্টি
= a/(1 - r)
= (1/3) ÷ (1 - 1/3)
= (1/3) ÷ (2/3)
= (1/3) × (3/2)
= 1/2
৫৩.
৮, ১২, ৫, ৬, ৭, ১০, ৯, ১১, ১৫, ১৪, ১৩, ৮, ১৫ উপাত্তগুলোর মধ্যক কত?
  1. ১৫
  2. ১১
  3. ১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮, ১২, ৫, ৬, ৭, ১০, ৯, ১১, ১৫, ১৪, ১৩, ৮, ১৫ উপাত্তগুলোর মধ্যক কত?
 
সমাধান:
প্রদত্ত উপাত্তগুলোকে মানের ঊর্ধ্ব ক্রমানুসারে সাজিয়ে পাই,
৫, ৬, ৭, ৮, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৫।

যদি উপাত্তের সংখ্যা n হয় এবং n যদি বিজোড় সংখ্যা হয় 
আমরা জানি,
মধ্যক = (n + 1)/2 তম পদের মান।

এখানে উপাত্তের সংখ্যা ১৩টি, যা বিজোড়।

∴ মধ্যক = (১৩ + ১)/২ তম পদ = ৭ তম পদের মান = ১০

∴ উপাত্তগুলোর মধ্যক হবে = ১০।
৫৪.
দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য প্রাণী কোনটি?
  1. ভলভক্স
  2. অ্যান্থোজোয়া
  3. সমুদ্র তারা
  4. অ্যামিবা
ব্যাখ্যা
প্রতিসাম্য: 
- যে সকল প্রাণীর দেহকে কোনো না কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সমান অংশে ভাগ করা যায় তাদেরকে প্রতিসাম্য প্রাণী বলে। 
- প্রতিসাম্যতার উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 

ক. গোলীয় প্রতিসাম্য: 
- যখন কোনো প্রাণী দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে প্রাণিটিকে এর কেন্দ্র বিন্দু দিয়ে অতিক্রান্ত যেকোনো তলেই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন তাকে গোলীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- ভলভক্স (Volvox aureus)। 

খ. অরীয় প্রতিসাম্য: 
- যখন কোন প্রাণীর দেহকে অণুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন সে ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- সমুদ্র তারা (Astropecten auranciacus)। 

গ. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য: 
- কোনো প্রাণিদেহে যখন কোনো অঙ্গের সংখ্যা একটি বা এক জোড়া হওয়ায় অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর শুধু দুটি তল পরস্পরের সমকোণে অতিক্রম করতে পারে, ফলে ঐ প্রাণিদেহে চারটি সদৃশ অংশে বিভক্ত হতে পারে। এ ধরনের প্রতিসাম্যকে দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa)। 

ঘ. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য: 
- জীবদেহকে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর উলম্বভাবে দ্বিবিভক্ত করার ফলে যদি দুটি সমান ও সাদৃশ্যপূর্ণ অংশে বিভক্ত হয় তবে এ প্রতিসাম্যকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica)। 

ঙ. অপ্রতিসাম্য: 
- যখন জীবদেহকে উলম্বভাবে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর ছেদ করলে তা দুটি অসমান ও সাদৃশ্যবিহীন অংশে বিভক্ত হয় তখন তাকে অপ্রতিসাম্য বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫.
সক্রিয়তা সিরিজে কোন ধাতুটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয়?
  1. লিথিয়াম
  2. অ্যালুমিনিয়াম
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. ক্রোমিয়াম
ব্যাখ্যা
- সক্রিয়তা সিরিজে 'লিথিয়াম' ধাতুটি সবচেয়ে বেশি সক্রিয়। 

সক্রিয় ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া: 

- ধাতুর সাথে এসিডের বিক্রিয়া সক্রিয়তার সিরিজ অনুসারে সম্পন্ন হয়। 
- পর্যায় তালিকায় মৌল সমূহের ধর্মকে পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কোনো মৌল তড়িৎ ধনাত্মক, কোনো মৌল তড়িৎ ঋণাত্মক আবার কোনো কোনো মৌল রাসায়নিকভাবে নিষ্কিয়। 
- তড়িৎ ধনাত্মক মৌল রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় জারিত হয়ে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়। 
- হাইড্রোজেনসহ সকল ধাতু তড়িৎ ধনাত্মক মৌল। 
- যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো বেশি সে মৌল ততো বেশি সক্রিয়। 
- আর যে মৌলের ইলেকট্রন ত্যাগের প্রবণতা যতো কম সে মৌলটি ততো কম সক্রিয়। 
- মৌলের সক্রিয়তার নিম্ন ক্রমানুসারে সাজালো যে মৌল শ্রেণীর উদ্ভব ঘটে, তাকে সক্রিয়তা সিরিজ বলে। 


- কোনো ধাতুর অবস্থান সক্রিয়তার সিরিজে হাইড্রোজেনের উপরে হলে, তার সক্রিয়তা হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক। 
- এরা এসিডের লঘু দ্রবণ থেকে হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করবে। 
- অর্থাৎ, হাইড্রোজেন অপেক্ষা অধিক সক্রিয় ধাতু ও লঘু এসিডের বিক্রিয়ায় ধাতুর লবণ ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬.
কোনটির কারণে রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে নষ্ট হয়?
  1. জলীয় বাষ্প
  2. ওজোন
  3. লবণ
  4. দুর্বল এসিড
ব্যাখ্যা
রাবার: 
- বর্তমান দুনিয়ায় রাবার একটি অতি প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য দ্রব্য।
- পেন্সিলের লেখা মোছার ইরেজার থেকে শুরু করে সাইকেল, রিক্সা বা অন্যান্য গাড়ির টায়ার, টিউব, জন্মদিনে ব্যবহৃত বেলুন এসবই রাবার।
- এছাড়াও রাসায়নিক, বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক শিল্পে, পানির পাইপ, সার্জিকেল মোজা, কনভেয়ার বেল্ট, রাবার ব্যান্ড, বাচ্চাদের দুধ খাওয়ানোর নিপল ইত্যাদি প্রস্তুতিতে বিপুল পরিমাণ রাবার ব্যবহৃত হয়। 
- প্রাকৃতিক রাবার একটি অদানাদার, পানিতে অদ্রবণীয় কঠিন কিন্তু প্লাস্টিকের চেয়ে নরম পদার্থ। 
- রাবার জৈব দ্রাবক এসিটোন, মিথানল ইত্যাদিতে অদ্রবণীয় হলেও ইথার, টারপিন, পেট্রোল ইত্যাদিতে দ্রবণীয়।
- রাবার সাধারণত সাদা বা হালকা বাদামি রঙের হয়। 

- রাবার একটি তাপ সংবেদনশীল ও স্থিতিস্থাপক পদার্থ।
- বিশুদ্ধ রাবার বিদ্যুৎ ও তাপ কুপরিবাহী। তবে বিশেষভাবে তৈরি রাবার বিদ্যুৎ পরিবহণ করতে পারে।
- অন্যান্য পদার্থে তাপ দিলে আয়তন বাড়ে কিন্তু রাবারে তাপ দিলে আয়তন কমে। 
- রাবার পানি, এসিড, দুর্বল ক্ষার ইত্যাদির সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। তাই প্রলেপ দেয়ার কাজে রাবারকে ব্যবহার করা হয়। 
- রাবার এসিড, ক্ষারের সাথে বিক্রিয়া না করলেও বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা আক্রান্ত হয়।
-অনুরূপভাবে, প্রাকৃতিক রাবার ওজোনের (O3) সাথে বিক্রিয়া করে, ফলে রাবার ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ও একসময় নষ্ট হয়ে যায়। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭.
মানুষের দৈনন্দিন জীবনে কোন শিলার ব্যবহার সবচেয়ে বেশি?
  1. পাললিক শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. মিশ্র শিলা
  4. রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা: 
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে। 
যেমন: চুনাপাথর, বেলেপাথর, পাথুরিয়া কয়লা, সৈন্ধব লবণ, খড়িমাটি প্রভৃতি। 
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে। 
- এ শিলার পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। আর স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে এ শিলাকে স্তরীভূত শিলাও বলা হয়। 
- পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ। 
- তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত। 
- পাললিক শিলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা ইত্যাদি। 
- মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পাললিক শিলা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। 

- পাললিক শিলা প্রধানত তিন প্রকার। 
যথা - 
১। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বেলেপাথর। 
২। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- চুনাপাথর এবং 
৩। জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা ও গোপালগঞ্জের পিট কয়লা। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮.
অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার কোনটি? 
  1. ডিটারজেন্ট
  2. সাবান
  3. চর্বি
  4. তৈল
ব্যাখ্যা
তৈল ও চর্বি: 
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে। 
- তৈল ও চর্বি হল গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার। 
- উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের মধ্যে সম্পৃক্ত পামিটিক এসিড, স্টেয়ারিক এসিড এবং অসম্পৃক্ত অলিয়িক এসিড, লিনোলিক এসিড ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

তৈল ও চর্বির পার্থক্য: 
(১) সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল তৈল। 
(২) তৈলের গলনাঙ্ক 20°C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20°C এর অধিক হয়। 
(৩) তৈল উদ্ভিদদেহে কিন্তু চর্বি প্রাণিদেহে উৎপন্ন হয়। 

তৈল ও চর্বির গুরুত্ব: 
(১) খাদ্যরূপে তৈল ও চর্বি থেকে আমরা শক্তি থাকি। 
[1g তৈল বা চর্বি = 9 cal = 9 ×4.184 J খাদ্যমান] 
(২) তৈল ও চর্বির ক্ষারীয় বিশ্লেষণে সাবান ও উৎপন্ন হয়। 
(৩) রং- বার্নিশ ও প্রসাধনী তৈরিতে তৈল চর্বি ব্যবহূত হয়। 
(৪) তৈলকে নিকেল উপস্থিতিতে হাইড্রোজেনেশন বা হাইড্রোজেন সংযোজন দ্বারা চর্বিতে পরিণত করা যায়। 
যেমন- সয়াবিন তৈলকে হাইড্রোজেনেশন করে মার্জারিন নামক চর্বি তৈরি করা হয়। 
(৫) পরিপাকতন্ত্রে চর্বির তুলনায় তৈল সহজে হজম হয় এবং তৈলে কলেস্টেরল কম থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (হাজারী ও নাগ)।
৫৯.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. নরটন
  2. অ্যাভাস্ট
  3. এভিজি
  4. এজাক্স
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• Ajax অর্থ হলো Asynchronous JavaScript and XML. তবে এটি কোন Prgraming Lanuage না বরং কোন একটি ওয়েবসাইটের কিছু content কে কোন প্রকার Page Load ছাড়াই web server এ আদান প্রদান করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬০.
ঝড়, তুফান, বজ্রপাত ইত্যাদি কারণে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে কী বলে?
  1. Brown out
  2. Black Out
  3. Noise
  4. Transient
ব্যাখ্যা
• ঝড়, তুফান, বজ্রপাত ইত্যাদি কারণে হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট(Black Out) বলে। 
• ব্রাউন আউট (Brown out ): 
- অতিরিক্ত বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে সরবরাহ লাইনে ভোল্টেজের পরিমাণ কমে যায়, এই ঘটনাকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
- কম্পিউটারের ক্ষতি রোধে এসময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিৎ।
- ব্রাউন আউট পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত দুই কারণেই হতে পারে। 
• বিদ্যুত সরবরাহ লাইন থেকে সৃষ্ট ভোল্টেজ বা বিদ্যুতের বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট(Transient) বলে। 
• পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান, স্পীকারের উচ্চমাত্রার শব্দ বা প্রিন্টারের শব্দকে নয়েজ(Noise) বলে। 

 উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
contact@livemcq.com ইমেইল অ্যাড্রেসটির livemcq-অংশটি কি নির্দেশ করে?
  1. Domain name
  2. User name
  3. Domain type
  4. Protocol name
ব্যাখ্যা
• E-mail: 
- E-mail এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ১৯৭১ সালে Ray Tomlinson সর্বপ্রথম ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে ই-মেইল পাঠাতে সক্ষম হন। তাই তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়।
- ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP( Simple Mail Transfer Protocol) প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3(Post Office Protocol), IMAP(Internet Message Access Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
ব্যাংক সার্ভারে নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Spyware
  2. Malware
  3. Firmware
  4. Firewall
ব্যাখ্যা
• ই-ব্যাংকিং: 
- বর্তমানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যাংকিং এর যে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে তাকে ই-ব্যাংকিং বা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং বলে।
- ব্যাংকের সার্ভারে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার জন্য Firewall ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৬১ সালে সর্বপ্রথম যুক্তরাষ্ট্রের ‘The National City Bank of New York’ ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রবর্তন করে EFTS (Electronic Fund Transfer System) নামে।
- ১৯৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ‘Barclays bank’ প্রথম Cash Dispenser (CD) স্থাপন করে। 
- সুইডেন, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড প্রথম 'National Cash Dispenser Network' ব্যবহার শুরু করে।  
- জাপান ও আমেরিকা ১৯৬৯ সালে CD মেশিন ব্যবহার করা শুরু করে।
- Loyd’s Bank ১৯৭২ সালে প্রথম Cashpoint বসিয়ে আধুনিক অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ই-ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাহকগণ সাধারণ ব্যাংকিং এর পাশাপাশি ATM কার্ড, ডেভিড কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, Online Banking, SMS ব্যাংকিং, Home ব্যাংকিং ইত্যাদি সেবা গ্রহণ করে থাকে। 

উৎস: ফিনান্স, ব্যাংকিং ও বিমা, ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬৩.
নিচের কোন রোগের জন্য ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না?
  1. প্লাস্টিক সার্জারি
  2. প্রোস্টেট ক্যান্সার
  3. লিভার ক্যান্সার
  4. ছানি
ব্যাখ্যা
♦ ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- মাইনাস ৪১ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৪.
একটি ছেলেকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে একটি মেয়ে বলল, 'সে আমার মামার বাবার একমাত্র মেয়ের ছেলে।' মেয়েটি ছেলেটির কী হয়?
  1. মা
  2. বোন
  3. ফুফু
  4. খালা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ছেলেকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে একটি মেয়ে বলল, 'সে আমার মামার বাবার একমাত্র মেয়ের ছেলে।' মেয়েটি ছেলেটির কী হয়?

সমাধান: 
- মেয়েটির মামার বাবা হলো মেয়েটির নানা।
- মেয়েটির নানার একমাত্র মেয়ে হলো মেয়েটির মা।
- মেয়েটির মায়ের ছেলে হলো মেয়েটির ভাই।

∴ মেয়েটি ছেলেটির বোন হয়।
৬৫.
Architect : Building : : Sculptor :?
  1. Statue
  2. Museum
  3. Stone
  4. Chisel
ব্যাখ্যা
♦ Architect: স্থপতি; নির্মাতা; নির্মাণকারী। 
Building: অট্রালিকা। 
Sculptor: ভাস্কর। 

• Options,
- Statue: ভাস্করের সৃষ্ট ধাতু পাথর বা কাঠের মূর্তি। 
- Museum: জাদঘুর। 
- Stone: পাথর, শিলা; মূল্যবান পাথর বা মণিরত্ন। 
- Chisel: বাটালি। 

• সুতরাং, অপশনে উল্লেখিত শব্দ বিশ্লেষণ করলে বোঝা যাচ্ছে, Architect : Building : : Sculptor : Statue.
- Relation: Architect constructs Building and Sculptor constructs Statue.
- স্থপতি ভবন নির্মাণ করেন এবং ভাস্কর মূর্তি নির্মাণ করেন।
৬৬.
১৫ জন বালক বা ১০ জন পুরুষ একটি কাজ ৩০ দিনে করতে পারে। ১২ জন বালক এবং ৭ জন পুরুষ একত্রে ঐ কাজ কত দিনে শেষ করতে পারবে?
  1. ১৮ দিনে
  2. ২৫ দিনে
  3. ১৫ দিনে
  4. ২০ দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৫ জন বালক বা ১০ জন পুরুষ একটি কাজ ৩০ দিনে করতে পারে। ১২ জন বালক এবং ৭ জন পুরুষ একত্রে ঐ কাজ কত দিনে শেষ করতে পারবে? 
 
সমাধান:
১৫ জন বালক = ১০ জন পুরুষ
∴ ১ জন বালক = ১০/১৫ জন পুরুষ
∴ ১২ জন বালক = (১০ × ১২)/১৫ জন পুরুষ
= ৮ জন পুরুষ

১২ জন বালক এবং ৭ জন পুরুষ = (৮ + ৭) জন পুরুষ
= ১৫ জন পুরুষ

১০ জন পুরুষ একটি কাজ করতে পারে ৩০ দিনে 
∴ ১ জন পুরুষ একটি কাজ করতে পারে ৩০ × ১০ দিনে
∴ ১৫ জন পুরুষ একটি কাজ করতে পারে (৩০ × ১০)/১৫ দিনে
= ২০ দিনে
৬৭.
X অবস্থান থেকে Y অবস্থানে যেতে, রাকেশ ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার বেগে সাইকেল চালায় এবং রবিউল ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার বেগে দৌড়ায়। কে আগে Y অবস্থানে পৌছাবে?
  1. রবিউল
  2. রাকেশ
  3. দুইজনে সমান সময়ে পৌছাবে
  4. সিদ্ধান্ত দেয়া সম্ভব নয়
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: X অবস্থান থেকে Y অবস্থানে যেতে, রাকেশ ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার বেগে সাইকেল চালায় এবং রবিউল ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার বেগে দৌড়ায়। কে আগে Y অবস্থানে পৌছাবে?

সমাধান:
দুইজনের বেগ সমান তাই দুইজনে সমান সময়ে পৌছাবে।
৬৮.
১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারিতে রাকিবের জন্ম। ১৯৯৫ সালের ৩১ জানুয়ারি তার বয়স কত হবে?
  1. ৩৯৪ দিন
  2. ৩৯৫ দিন
  3. ৩৯৬ দিন
  4. ৩৯৭ দিন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারিতে রাকিবের জন্ম। ১৯৯৫ সালের ৩১ জানুয়ারি তার বয়স কত হবে?

সমাধান:
বছর       মাস         দিন       
১৯৯৫    ০১           ৩১
১৯৯৪     ০১           ০১ 
__________________________
       ১      ০০         ৩০
                           +  ১
_________________________
       ১      ০০         ৩১

∴ ১ বছর ৩১ দিন = (৩৬৫ + ৩১) দিন = ৩৯৬ দিন
৬৯.
CMA, EOB, GQC, ____, KUE, শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?
  1. GRR
  2. GSS
  3. ISD
  4. ITT
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: CMA, EOB, GQC, ____, KUE, শূন্যস্থানে কোনটি বসবে?

সমাধান:
এখানে,
প্রতিটি পদের প্রথম বর্ণ নিয়ে ধারা: C, E, G, I, K
প্রতিটি পদের ২য় বর্ণ নিয়ে ধারা: M, O, Q, S, U
প্রতিটি পদের ৩য় বর্ণ নিয়ে ধারা: A, B, C, D, E

∴ খালিঘরে বসবে ISD
৭০.
সঠিক বানান কোনটি?
  1. Liesure
  2. Leisiure
  3. Leasure
  4. Leisure
ব্যাখ্যা
• The correct spelling is Leisure.
• শব্দটির বাংলা অর্থ হলো অবসর সময়।
৭১.
৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে-
  1. ১২
  2. ১৮
  3. ২২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে -

সমাধান:
৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা = ৭৯
৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা = ৬১

৬০ থেকে ৮০ মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে,
৭৯ - ৬১
= ১৮
৭২.
4 টা 50 মিনিটের সময় ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত?
  1. 25°
  2. 155°
  3. 110°
  4. 125°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 4 টা 50 মিনিটের সময় ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণ কত?

সমাধান:
মধ্যবর্তী কোণ = │ (11m - 60h) / 2 │°
= │(11 × 50 - 60 × 4) / 2│°
= │(550 - 240) / 2│°
= │310/ 2│°
= 155° 
৭৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফার পঞ্চম দফা কী ছিল?
  1. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  2. রাজস্ব
  3. বৈদেশিক মুদ্রা
  4. প্রতিরক্ষা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৪.
সোনালী ব্যাংক পিএলসি এর বিদেশে কতটি শাখা রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
সোনালী ব্যাংক পিএলসি:

- সোনালী ব্যাংকের বর্তমান নাম সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

তথ্যসূত্র - সোনালী ব্যাংক পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭৫.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় কবে?
  1. ২১ অক্টোবর ২০০১ সালে
  2. ২২ অক্টোবর ২০০১ সালে
  3. ২৩ অক্টোবর ২০০১ সালে
  4. ২৪ অক্টোবর ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:

- ২০০১ সালের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- মন্ত্রণালয়ের কাজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বিঘ্নে সেবা প্রদানের সুবিধার্থে ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন,এলেনবাড়ী, তেজগাঁও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়।
- বর্তমান ঠিকানা সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকার সরকারি পরিবহন পুলভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায় গত ১০/১০/২০০৬ তারিখ হতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৭৬.
'সবুজ ছাতা' কিসের প্রতীক?
  1. প্রাথমিক শিক্ষা
  2. বৃক্ষরোপন
  3. বিশ্ব ভ্রমণ
  4. স্বাস্থ্য সেবা
ব্যাখ্যা
সবুজ ছাতা:

- সবুজ ছাতা  স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রের একটি প্রতীক।
- যেখানে বিশেষ করে পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদান করা হয়।
- যৌন সম্পর্কবাহিত রোগসহ অন্যান্য সাধারণ স্বাস্থ্য সেবারও ব্যবস্থা এখানে আছে।
- জনগণের স্বার্থসংশি­ষ্ট বার্তা বহনের জন্য প্রতীকসমূহ কখনও কখনও খুবই প্রয়োজনীয় মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- শিক্ষার নিম্নহারসম্পন্ন একটি দেশে জনগণের মাঝে স্বাস্থ্যবার্তা আগাম পৌঁছে দেওয়ার জন্য এর ব্যবহার খুবই ফলপ্রসূ।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৮ সালে সবুজ ছাতা প্রতীকের প্রচলন করে।
- স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর থেকে এটি শুরু হয়।
- সাধারণত বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে এ ধরনের প্রচেষ্টা নেওয়া হয় এবং এক্ষেত্রেও এনজিও-র অংশগ্রহণের ফলে এই প্রতীকটির জনপ্রিয়করণ সহজ হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭৭.
‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাসে
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. চট্টগ্রাম সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য:

- সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’।
- এর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থিত।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যের সামনে ‘ফোয়ারা’ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
- ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’, যা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্যসন্তান এবং তাঁরা সূর্যরশ্মির মতো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারি ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩।
৭৮.
সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।

দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৭৯.
দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
  1. নগদ
  2. বিকাশ
  3. বাংলালিংক
  4. টেলিটক
ব্যাখ্যা
'ইউনিকর্ন' স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩:

- একটি স্টার্টআপের সামগ্রিক মূল্যমান ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের সমান হলে তাকে ইউনিকর্ন কোম্পানি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া কোম্পানির মূল্যমান ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার পার হলে তাকে ডেকাকর্ন কোম্পানির মর্যাদা দেওয়া হয়।
- দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ বা ১০ হাজার কোটি টাকার কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান নগদ।
- ২৯ জুলাই ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩’ অনুষ্ঠানে নগদকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এ–বিষয়ক সরকারি স্বীকৃতি ‘ফাস্টেস্ট টু ইউনিকর্ন অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক।
- সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুলাই ২০২৩।
৮০.
নিম্নের কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার পতাকায় জলপাই গাছ দেখা যায়?
  1. জাতিসংঘ
  2. আইএমএফ
  3. কমনওয়েলথ
  4. রেডক্রস
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের পতাকা:
- জাতিসংঘের পতাকা সারা বিশ্বের মানুষের জন্য উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রতীক।
- জাতিসংঘের মূল প্রতীকটি ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সংস্থার সম্মেলনের সময় ডিজাইনারদের একটি দল দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল।
- জাতিসংঘ পতাকা গৃহীত হয়: ৭ ডিসেম্বর ১৯৪৬। 
- পতাকার জমিন নীল এবং মাঝখানে পৃথিবীর মানচিত্র।
- মানচিত্রের ২ পাশে সাদা রং-এর জলপাই গাছের দু'টি ডাল। 
- জলপাই পাতাকে শান্তির প্রতীক বলা হয়। 
- নীল ঢ়ং যুদ্ধের লাল রঙের বিপরীতে শান্তির প্রতীক হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করে।
- জাতিসংঘের পতাকার ডিজাইন দলের নেতৃত্বে ছিলেন অলিভার লিঙ্কন লুন্ডকুইস্ট।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।
৮১.
'Ballon d'Or 2023'-এর বর্ষসেরা নারী খেলোয়াড় -
  1. আইতানা বনমাতি
  2. পাত্রিসিয়া গিহারো
  3. ফ্রিদোলিনা রলফো
  4. অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস
ব্যাখ্যা
 Ballon d'Or 2023:
- বর্ষসেরা পুরুষ খেলোয়াড়: লিওনেল মেসি।
- বর্ষসেরা নারী খেলোয়াড়: আইতানা বনমাতি।
- কোপা শিরোপা: জুড বেলিংহাম।
- লেভ ইয়েশিন ট্রফি (সেরা গোলরক্ষক): এমিলিয়ানো মার্তিনেস।
- গার্ড মুলার ট্রফি(সেরা স্ট্রাইকার): আরলিং হোলান।
- সক্রেটিস অ্যাওয়ার্ড: ভিনিসিউস জুনিয়র।
- বর্ষসেরা পুরুষ ক্লাব: ম্যানচেস্টার সিটি।
- বর্ষসেরা নারী ক্লাব: বার্সেলোনা।

উলেখ্য,
- 'Ballon d'Or 2022'-এ বর্ষসেরা নারী খেলোয়াড় অ্যালেক্সিয়া পুতেয়াস।

উৎস: i) Goal.com.
         ii) Sporting News.
৮২.
আটলান্টিক সনদ স্বাক্ষরিত হয় -
  1. ১৪ আগস্ট, ১৯৪১
  2. ১২ আগস্ট, ১৯৪১
  3. ১৪ আগস্ট, ১৯৪৩
  4. ১২ আগস্ট, ১৯৪৩
ব্যাখ্যা
আটলান্টিক সনদ:
- ১৪ আগস্ট, ১৯৪১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- স্বাক্ষরের স্থান: আটলান্টিক মহাসাগর।
- পক্ষসমূহ: যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
- উদ্দেশ্য: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে পৃথিবীতে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা।
- এর ফলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাংকলিন ডি রুজভেল্ট ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী উইনস্টন চার্চিল কর্তৃক স্বাক্ষরিত হয় এই সনদ।
- ৮ দফার এই সনদ স্বাক্ষরিত হয় উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের বুকে প্রিন্স অব ওয়েলস নামক একটি যুদ্ধ জাহাজে।

উৎস: Britannica.
৮৩.
UNESCO-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা -
  1. ১৯২টি
  2. ১৯৩টি
  3. ১৯৪টি
  4. ১৯৫টি
ব্যাখ্যা
UNESCO:
- UNESCO-এর পূর্ণরূপ: The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- এটি হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা।
- এর সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর।
- কার্যকর হয়: ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর।
- সদরদপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- বর্তমান মহাপরিচালক: আদ্রে আজুলে (ফ্রান্স)।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- সর্বশেষ ১০ জুলাই, ২০২৩ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ইউনেস্কোর সদস্যপদ ফিরে পায়।
- বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা প্রকাশ করে ইউনেস্কো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোতে যোগ দেয়।
- বাংলাদেশের পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে ইউনেস্কো।
- বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ঘোষণা করে ইউনেস্কো।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।
৮৪.
ইনসেইন কারাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. মিয়ানমার
  2. থাইল্যান্ড
  3. লাওস
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
 ইনসেইন কারাগার:
- এটি নির্মাণ করে: ব্রিটিশরা (১৮৭১ সালে)।
- এটি মায়ানমারের সবচেয়ে বড় এবং কুখ্যাত কারাগার।
- এখানে রাজনৈতিক বন্দিদের আটকিয়ে রেখে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করা হতো।
- এর ধারণ ক্ষমতা প্রায় পাচঁ হাজার।
- এর অবস্থান ইয়াঙ্গুন (রেঙ্গুন), মায়ানমার।

উৎস: The New York Times.
৮৫.
জি-২০ জোটের ২১তম সদস্য হবে -
  1. সার্ক
  2. আসিয়ান
  3. আফ্রিকান ইউনিয়ন
  4. এপেক
ব্যাখ্যা
জি-২০:
- গ্রুপ অফ টুয়েন্টি (G20) হলো আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রধান ফোরাম।
- এটি সমস্ত প্রধান আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ইস্যুতে বৈশ্বিক স্থাপত্য এবং শাসন গঠন এবং শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৯৯ সালে এই অর্থনৈতিক জোট প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- জি-২০ জোটের বর্তমান সদস্য: আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, তুরস্ক, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।
- জি-২০ জোটের ২১তম সদস্য আফ্রিকান ইউনিয়ন। 
- বিশ্বের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৮৫ শতাংশই এই জোটের দখলে।
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৭৫ শতাংশের সঙ্গে জড়িত জি-২০ দেশগুলো।
- ২০২৪ সালে পরবর্তী ১৯তম সম্মেলন জি-২০ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে ভারতের নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় ১৮তম জি-২০ সম্মেলন।
- ভারতে প্রথমবারের মতো জি-২০ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

উৎস: i) ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) G-20 ওয়েবসাইট।
৮৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তি পক্ষ ছিল -
  1. রোমানিয়া
  2. ইতালি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (World War-II):
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৯৩৯ সাল - ১৯৪৫ সাল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পক্ষ ছিলো দুইটি: অক্ষ শক্তি, মিত্র শক্তি। 
- মিত্রশক্তি: সোভিয়েত ইউনিয়ন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন প্রজাতন্ত্র।
- অক্ষশক্তি: জার্মানি, জাপান, ইতালি, হাঙ্গেরি, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া।
- যুদ্ধের ফলাফল: মিত্রবাহিনী জয়লাভ করে। 
- জার্মানি মিত্রবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে ১৯৪৫ সালের ৮ মে। 
- এই দিনটিকে V-E (Victory in Europe) Day বলে।

উৎস: i) Britannica.
         ii) History.com 
৮৭.
২০২৩ সালে ৩০তম APEC শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. সান ফ্রান্সিসকো
  2. হেগ
  3. নয়াদিল্লী
  4. রোম
ব্যাখ্যা
APEC:
- APEC এর পূর্ণরূপ: Asia-Pacific Economic Cooperation.
- এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক জোট।
-  প্রতিষ্ঠিত হয়: ৬ নভেম্বর, ১৯৮৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়।
- সদর দপ্তর: সিঙ্গাপুর।
- সদস্য সংখ্যা: ২১টি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে ৩০তম APEC শীর্ষ সম্মেলন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকো শহরে ১১ নভেম্বর, ২০২৩ - ১৭ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: APEC ওয়েবসাইট।
৮৮.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট -
  1. WTO
  2. APEC
  3. NATO
  4. EU
ব্যাখ্যা
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU):
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট।
- এটি ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ নভেম্বর, ১৯৯৩ (মাস্ট্রিচ চুক্তি)।
- এটি তখন থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ: ২৭ টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।

অন্যদিকে -
- WTO বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- NATO একটি সামরিক সহযোগিতার জোট।
- APEC এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক জোট।

উৎস: EU ওয়েবসাইট।
৮৯.
BIMSTEC এর সর্বশেষ সদস্য দেশ -
  1. নেপাল ও ভুটান
  2. মিয়ানমার ও ভুটান
  3. নেপাল ও থাইল্যান্ড
  4. ভারত ও মিয়ানমার
ব্যাখ্যা
BIMSTEC:
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation.
- এটি বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৬ জুন, ১৯৯৭।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিল ৪টি।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৭টি।
- এগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল ও ভুটান।
- এর সদর দপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- বর্তমান মহাসচিব: ভুটানের তেনজিন লেকফিল।

উল্লেখ্য,
- BIMSTEC এর সর্বশেষ সদস্য দেশ নেপাল ও ভুটান।
- ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নেপাল ও ভুটান পূর্ণ সদস্য হয়।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
৯০.
World Resources Institute-এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট -
  1. লেস্টার ব্রাউন
  2. অনি দাসগুপ্ত
  3. রবার্ট এ সাইট্রন
  4. ওয়াঙ্গেরি মাথাই
ব্যাখ্যা
World Resources Institute: 
- এটি একটি বিশ্বব্যাপী গবেষণা অলাভজনক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাতা: জেমস গুস্তাভ স্পেথ।
- ম্যাকআর্থার ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ১৯৮২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- এর কার্যক্রম সাতটি ক্ষেত্রে কেন্দ্রীভূত: খাদ্য, বন, পানি, শক্তি, শহর, জলবায়ু এবং মহাসাগর।
- লক্ষ্য: মানব সমাজকে পৃথিবীর পরিবেশ রক্ষা করা এবং বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মের চাহিদা ও আকাঙ্ক্ষার চাহিদা পূরণ করা ।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: অনি দাসগুপ্ত।

অন্যদিকে -
- লেস্টার ব্রাউন Worldwatch Institute এর প্রতিষ্ঠাতা।
- রবার্ট এ সাইট্রন Earthwatch Institute এর প্রতিষ্ঠাতা।
- ওয়াঙ্গেরি মাথাই Greenbelt Movement এর প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: World Resources Institute ওয়েবসাইট।
৯১.
মহীভাবক আলোড়নের ফলে কী সৃষ্টি হয়?
  1. মরুভূমি
  2. সমুদ্র
  3. পাহাড়
  4. মালভূমি
ব্যাখ্যা
• মহীভাবক আন্দোলন (Epeirogenic Movement)):
- মহীভাবক আন্দোলন মহাদেশসমূহের ভূ-পৃষ্ঠে লম্বভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করে মালভূমি, চ্যুতি, চ্যুতি ভৃগু তট, স্রস্ত উপত্যকা, স্তূপ পর্বত প্রভৃতি ভূমিরূপ তৈরি করে।
যেমন-
→ পূর্ব আফ্রিকা ও জর্ডানের স্রস্ত উপত্যকাসমূহ,
→ রাইন নদীর স্রস্ত উপত্যকা।
→ এছাড়াও উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগরের দ্বীপসমূহ মহীভাবক আন্দোলনের ফলে ভূ-ভাগ নিমজ্জিত হয়ে গঠিত হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: ভূগোল (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯২.
'এলিফ্যান্ট পয়েন্ট' কোথায় অবস্থিত?
  1. সুন্দরবন
  2. কক্সবাজার
  3. ভোলা
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
• কক্সবাজার জেলা:
- কক্সবাজারের প্রাচীন নাম পালংকী।
- একসময় এটি প্যানোয়া নামে পরিচিত ছিল।
- প্যানোয়া শব্দটির অর্থ ‘হলুদ ফুল’।
- অতীতে কক্সবাজারের আশপাশের এলাকাগুলো হলুদ ফুলে ঝকমক করত।
- 'এলিফ্যান্ট পয়েন্ট' অবস্থিত এ জেলায়।

- এটি চট্টগ্রাম থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। 
- ইংরেজ অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স ১৭৯৯ খ্রিঃ এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন ।
- কক্স সাহেবের বাজার হতে কক্সবাজার নামের উৎপত্তি ।
- প্রধান নদনদী: মাতামুহুরী, বাঁকখালী, রেজু, কোহালিয়া ও নাফ ।
- প্রধান দ্বীপ: মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া, শাহ্পরীর দ্বীপ, ছেডাঁ দ্বীপ ও সেন্টমার্টিন।

তথ্যসূত্র: কক্সবাজার জেলার ওয়েবসাইট।
৯৩.
ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট বড় বড় ঢেউসমূহ কী নামে পরিচিত?
  1. বন্যা
  2. জোয়ার
  3. সুনামি
  4. জলোচ্ছাস
ব্যাখ্যা
• সুনামি:
- সুনামি এটি জাপানী শব্দ, যার আক্ষরিক অর্থ ‘পোতাশ্রয়ের ঢেউ’।
- সমুদ্র বা বৃহদাকার হ্রদের তলদেশে ভূমিকম্প, অগ্ন্যুৎপাত ইত্যাদি প্রাকৃতিক কারণ ও পারমানবিক বা অন্য কোনো কারণে বিস্ফোরণের ফলে উঁচু ও বিশালাকার ঢেউ উপকূলে আঘাত হানে। এই ঢেউগুলো সুনামি নামে পরিচিত।
ক্রমাগত একের পর এক ঢেউ আসতে থাকায় সুনামি-কে ওয়েভ ট্রেন বা ঢেউ-এর রেলগাড়ি নামেও অভিহিত করা হয়। ’

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৪.
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কত?
  1. ১০০০-২১০০ মি.মি.
  2. ১২০০-২৫০০ মি.মি.
  3. ১৭০০-২৫০০ মি.মি.
  4. ১৩০০-২৩০০ মি.মি.
ব্যাখ্যা
• নিরক্ষীয় অঞ্চল:
- নিরক্ষরেখার উভয় পাশে ৫° অক্ষাংশের মধ্যে নিরক্ষীয় অঞ্চল অবস্থিত।
- নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের দেশসমূহ সারা বছর সূর্যের তাপ পায় বলে এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সেই সাথে উর্বর মৃত্তিকা এবং জলবায়ুর প্রভাবে চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়।
- এখানে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে।

নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য :
- অধিক সূর্য তাপ ও জলভাগের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাষ্পীভবনের মাত্রাও বেশি। এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় এবং বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৭০০-২৫০০ মিলিমিটার।
- অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়। এই বনাঞ্চলে সেগুন, মেহগনি, রাবার ইত্যাদি গাছ জন্মে।
গভীর এই বনাঞ্চলে সহজে সূর্যালোক প্রবেশ করতে পারে না বলে গাছগুলো সূর্যালোক পাওয়ার জন্য উঁচু হয়।
- অধিক উত্তাপ এ অঞ্চলে স্থায়ী নিম্নচাপ তৈরি করে এবং উপক্রান্তীয় উষ্ণ চাপ বলয়ের অয়ন বায়ু এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। উত্তপ্ত বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায় এবং শান্ত বলয় বিরাজমান থাকে। ঊর্ধ্বগামী উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উপরে উঠে ঘনীভূত হয়ে পরবর্তীতে বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে।
- এ অঞ্চলের মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য খুব উপকারী হলেও এখানে মাটি ক্ষয় হয়। অতিরিক্ত তাপ ও বৃষ্টিপাতই এই মাটি ক্ষয়ের কারণ।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৫.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক স্বাধীনতা?
  1. অন্য দলকে কথা বলতে না দেওয়া
  2. নিজ ধর্ম পালনের অধিকার
  3. নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার অধিকার 
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক স্বাধীনতা:
- হ্যারল্ড জে. লাস্কির মতে, রাষ্ট্রীয় কার্যকলাপে ভূমিকা পালনের ক্ষমতাকে রাজনৈতিক স্বাধীনতা বলে।
- রাজনৈতিক স্বাধীনতা বলতে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সরকার গঠন ও নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার বোঝয়।

→ ভোটদানের অধিকার,
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বতিার অধিকার,
→ নিরপেক্ষভাবে রাজনৈতিক মতামত প্রকাশের অধিকার,
→ সরকারি চাকরি লাভের অধিকার ইত্যাদি হলো রাজনৈতিক স্বাধীনতা।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৯৬.
'নিয়মিত কর প্রদান করা' নাগরিকের কোন ধরনের কর্তব্য?
  1. সামাজিক
  2. রাজনৈতিক
  3. অর্থনৈতিক
  4. নৈতিক
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক কর্তব্য:
- নাগরিকের বেশকিছু অর্থনৈতিক দায়িত্বও রয়েছে।
যেমন:
 → কর্মক্ষম সকল নাগরিকের রাষ্ট্রীয় উৎপাদন ও উন্নয়নে অংশগ্রহণ করা,
 → নিয়মিত খাজনা ও কর প্রদান করা প্রভৃতি হলো একজন মানুষের অর্থনৈতিক কর্তব্য।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৯৭.
বৈষম্যযুক্ত সমাজে কি বিরাজ করে?
  1. স্থিতিশীলতা
  2. অস্থিতিশীলতা
  3. শান্তি
  4. সমৃদ্ধি 
ব্যাখ্যা
• সাম্য ও স্বাধীনতার সম্পর্ক:
→ পৌরনীতি ও সুশাসন আলোচনায় সাম্য ও স্বাধীনতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সমাজে বসবাস করতে হলে সাম্য ও স্বাধীনতা দুটিই প্রয়োজন।
→ বৈষম্যযুক্ত সমাজে অস্থিতিশীলতা বিরাজ করে। পক্ষান্তরে, স্বাধীনতাহীন ব্যক্তি বা জাতির বিকাশের সম্ভাবনা নস্যাৎ হয়।
→ সাম্য ও স্বাধীনতার মাঝে রাষ্ট্রবিজ্ঞানীগণ দু’ধরনের সম্পর্ক চিহ্নিত করেন। একটি ধারা সাম্য ও স্বাধীনতার মধ্যে সমধর্মীতার কথা বলে অন্য ধারাটি এই দুইয়ের মাঝে কিছু বৈপরীত্য দেখতে পায়। 

পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৮.
রুশো লিখিত বইয়ের নাম কি?
  1. General Will
  2. Leviathan
  3. The Social Contract
  4. The prince
ব্যাখ্যা
→ টি এইচ গ্রীন বলেন, “পাশবিক শক্তি নয়, ইচ্ছাই রাষ্ট্রের ভিত্তি”।
→ ফরাসি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী জাঁ জাঁক রুশো তার বিখ্যাত গ্রন্থ, The Social Contract গ্রন্থে জনমত শব্দটির রাজনৈতিক ব্যবহার করেন।
→ একে তিনি সাধারণ ইচ্ছা হিসেবে অভিহিত করেন।
→ এটি সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের কল্যাণের ইচ্ছা বা মতামতের প্রকাশ।
→ রুশোর আগে ইংরেজ দার্শনিক জন লক, পরবর্তীতে জন স্টুয়ার্ট মিল, লর্ড ব্রাইস, আর জে গেটেল, ইয়ুর্গেন হেবারমাসের
→ মতো রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা জনমত শব্দটির রাজনৈতিক উৎপত্তি ও প্রয়োগ বিশদভাবে বর্ণনা করেছেন। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।