পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সমাজকল্যাণ [৩৬১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ সমাজকল্যাণ [৩৬১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes৪৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪৪
সিলেবাস
Exam 12 Topic: • Importance of social legislation in social welfare/social work, some important social legislations in Bangladesh- the Workmen's Compensation Act of 1923, The Maternity Benefits Act of 1939, The Children Act of 1974, The Dowry Prohibition Act of 1980 Source: Class – 9, relevant books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ সমাজকল্যাণ [৩৬১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ সমাজকল্যাণ [৩৬১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৪ প্রশ্ন

.
Birth and Death registration Act was passed in  which year? (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন কতসালে পাস হয়?)
  1. 2005
  2. 2004
  3. 2003
  4. 2006
সঠিক উত্তর:
2004
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2004
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে ২০০৪ সালে 'জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন' পাস হয় এবং এটি ২০০৬ সালের ৩ জুলাই থেকে কার্যকর করা হয়। এই আইনটি পূর্বের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনের সংশোধন ও সংহতকরণের উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছিল।   
আইনের মূল তথ্য:  
আইনের নাম: জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪
পাসের সাল: ২০০৪
কার্যকরের তারিখ: ২০০৬ সালের ৩ জুলাই
উদ্দেশ্য: জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত বিদ্যমান আইনের সংশোধন ও সংহতকরণ।

.
Which of the following is not the feature of law? (নীচের কোনটি আইনের বৈশিষ্ট্য নয়?) 
  1. Socially approved ( সামাজিকভাবে স্বীকৃত) 
  2. Acknowledged by state ( রাষ্ট্র কতৃক স্বীকৃত) 
  3. Have no punishment ( শাস্তি নাই) 
  4. Universal ( সর্বজনীন) 
সঠিক উত্তর:
Have no punishment ( শাস্তি নাই) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Have no punishment ( শাস্তি নাই) 
ব্যাখ্যা

আইনের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে এটি একটি রাষ্ট্রীয় বিধান, যা মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে, ব্যক্তির স্বাধীনতা রক্ষা করে এবং সমাজে শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে। আইন অবশ্যই সর্বজনীন (সকলের জন্য সমান) এবং সুস্পষ্ট হতে হবে। আইন অমান্য করলে শাস্তির বিধান থাকে এবং এটি রাষ্ট্রীয় সংস্থা দ্বারা প্রয়োগ করা হয়।  
আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
রাষ্ট্রীয় অনুমোদন ও স্বীকৃতি: 
আইন হলো সেইসব নিয়ম যা রাষ্ট্র কর্তৃক অনুমোদিত ও স্বীকৃত হয়। রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্ব ছাড়া কোনো নিয়ম আইনে পরিণত হতে পারে না।  
মানুষের বাহ্যিক আচরণ নিয়ন্ত্রণ: 
আইন মানুষের বাহ্যিক কার্যকলাপ ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি অপরাধমূলক কাজ থেকে মানুষকে নিবৃত্ত রাখে এবং সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখে।  
ব্যক্তি স্বাধীনতার রক্ষক: 
আইন ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি ব্যক্তিকে তার অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে এবং অন্যায় থেকে রক্ষা করে।  
সর্বজনীনতা: 
আইন সমাজের সকল মানুষের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ বা আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে আইনের প্রয়োগে কোনো বৈষম্য থাকে না।  
সুস্পষ্টতা: 
একটি কার্যকর আইন অবশ্যই সুস্পষ্ট হতে হবে, যাতে সকলে সহজেই এর অর্থ ও প্রয়োগ বুঝতে পারে।  
শাস্তির বিধান: 
আইন অমান্য করলে শাস্তির বিধান থাকে। এই শাস্তির ভয় মানুষকে আইন মেনে চলতে উৎসাহিত করে।  
শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ: 
আইনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো সমাজে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।  
বাধ্যতামূলক: 
আইন রাষ্ট্রীয় সংস্থা কর্তৃক প্রয়োগ করা হয়, তাই এর পালন করা বাধ্যতামূলক। 

.
How many sections are there in 1974's Children Act?(১৯৭৪ সালের শিশু আইনে কতগুলো ধারা রয়েছে?) 
  1. ৭৫
  2. ৭৪
  3. ৭৬
  4. ৭৭
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ৭৮টি। 
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 
---------------------- 

শিশুদের সুরক্ষা ও সংশোধনের নিমিত্তে ১৯৭৪ সালে প্রথম শিশু আইন প্রণয়ন করা হয়।  আইনটি ১৯৭৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রথম ঢাকায় ও পরবর্তীতে ১৯৮০ সালের  ১লা জুন থেকে সারা বাংলাদেশে কার্যকর করা হয়। 
এ আইনে মোট ৭৮টি ধারা ও ১০টি অনুচ্ছেদ আছে। 
সূত্র :-( উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম: হুমায়ুন কবির) 

.
which section of Bangladesh Labour law 2006 says about the responsibility of owners to give compensation for Labour?
(বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬- এর  কততম ধারায় শ্রমিকদের ক্ষতিপূরনের ক্ষেত্রে মালিকদের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে?) 
  1. ধারা -১৫০
  2. ধারা -১৫১
  3. ধারা -১৫৩
  4. ধারা -১৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা -১৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা -১৫০
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ধারা ১৫০(১) এবং এই আইনের অধীনে নির্ধারিত ক্ষতিপূরণ সম্পর্কিত অন্যান্য ধারাগুলো শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে মালিকদের দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করে। বিশেষভাবে, ১৫০ ধারা "ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য মালিকের দায়িত্ব" নিয়ে আলোচনা করে।  
এখানে কিছু প্রাসঙ্গিক ধারার উল্লেখ করা হলো:
ধারা ১৫০: 
এই ধারায় মূলত কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত কারণে শ্রমিকের জখম বা মৃত্যুর জন্য মালিকের ক্ষতিপূরণ প্রদানের দায়িত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

.
Bangladesh Children Act was first  passed  in which year? (বাংলাদেশে  শিশু আইন প্রথম  কতসালে পাস হয়?
  1. 2012
  2. 2011
  3. 1973
  4. 1974
সঠিক উত্তর:
1974
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1974
ব্যাখ্যা

১৯৭৪ সালের শিশু আইন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন যা শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রণীত হয়েছিল, যদিও এটি বর্তমানে শিশু আইন, ২০১৩ দ্বারা রহিত।
এই আইনটি বাংলাদেশের প্রথম প্রণীত শিশু আইন। 
এই আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত সকল শিশুর যত্ন, সুরক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং শিশু অপরাধীদের প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে আলাদাভাবে বিচার নিশ্চিত করা। 

.
Method of distributing compensation is discussed in which section of Bangladesh labour law 2006?
(বাংলাদেশের শ্রম আইন ২০০৬ এর কততম ধারায় ক্ষতিপূরণ বন্টনের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?) 
  1. ধারা-১৫৩
  2. ধারা-১৫৪
  3. ধারা-১৫৫
  4. ধারা-১৫৬
সঠিক উত্তর:
ধারা-১৫৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-১৫৫
ব্যাখ্যা

দুর্ঘটনাজনিত কারণে জখমের জন্য ক্ষতিপূরণ
ক্ষতিপূরণ বন্টন:-
শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৫৫(১) ধারাতে বলা হয়েছে যে, 
১৫৫। (১) জখমের ফলে মৃত কোন শ্রমিক সম্পর্কে প্রদেয় কোন ৰতিপূরণ এবং আইনগত অৰমতার অধীন কোন ব্যক্তিকে ৰতিপূরণ বাবদ প্রদেয় থোক অর্থ শ্রম আদালতে জমা দেওয়া ব্যতীত ভিন্ন কোন পন্থায় পরিশোধ করা যাইবে না। 
(২) উপ-ধারা (১) এ উলিস্নখিত কোন ৰতিপূরণ যদি মালিক সরাসরিভাবে পরিশোধ করিয়া থাকেন, তাহা হইলে উহা ৰতিপূরণ পরিশোধ বলিয়া গণ্য হইবে না, যদি না সংশিস্নষ্ট শ্রমিক তাহার চাকুরীকালে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পন্থায় জখমজনিত কারণে তাহার মৃতু্যর ৰেত্রে ৰতিপূরণ গ্রহণের জন্য তাহার কোন উত্তরাধিকারীকে মনোনীত করিয়া থাকেন, এবং সেই মনোনীত উত্তরাধিকারীকে ৰতিপূরণ প্রদত্ত হইয়া থাকে। 
(৩) উপ-ধারা (১) এ যাহাই থাকুক না কেন, কোন মৃত শ্রমিকের ক্ষেত্রে তাহার কোন পোষ্যকে মালিক ক্ষতিপূরণ বাবদ অগ্রিম অর্থ প্রদান করিতে পারিবেন, এবং শ্রম আদালত উক্ত পোষ্যকে প্রদেয় ক্ষতিপূরণ হইতে উক্ত অগ্রিম কর্তন করিয়া উহা মালিককে ফেরত দিবে1[: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, কোন মৃত শ্রমিকের ক্ষেত্রে মৃতের দাফন-কাফন বা চিকিৎসা, মৃত দেহ পরিবহণ ইত্যাদি বাবদ কোন অর্থ প্রদান করা হইলে মালিক কর্তৃক অগ্রিম প্রদানকৃত কোন অর্থ কিংবা শ্রম আদালতের মাধ্যমে পোষ্যকে প্রদেয় ক্ষতিপূরণ হইতে উক্ত অর্থ কর্তন করা যাইবে না।]

.
According to the Labour law of Bangladesh 2006, if any worker dies around owner's house,  within how much time,  the owner must give a report about this event? ( বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী,  যদি কোনো শ্রমিক মালিকের বাড়ির উঠানে বা তার আশেপাশে দুর্ঘটনায় মারা যায়,  তাহলে মালিক এ ঘটনার রিপোর্ট কতদিনের মধ্যে দিতে বাধ্য থাকবে?)
  1. ১০ দিন 
  2. ৮ দিন
  3. ৭ দিন
  4. ৯দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৫৯ মারাত্মক দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর রিপোর্ট সংক্রান্ত বিষয় বর্ণনা করে, যেখানে মালিককে সাত দিনের মধ্যে শ্রম আদালতে মৃত্যুর কারণ ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা জানিয়ে একটি রিপোর্ট জমা দিতে হয়। এর আগে, ধারা ১৫৮-এ মারাত্মক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে মালিকের কাছ থেকে বিবৃতি তলব করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।   
ধারা ১৫৮ এবং ১৫৯-এর মূল বিষয়:
ধারা ১৫৮:
কোন শ্রমিক মারা গেলে, আদালত মালিককে নোটিশ জারি করে ৩০ দিনের মধ্যে একটি বিবৃতি জমা দিতে নির্দেশ দিতে পারে। এই বিবৃতিতে মৃত্যুর কারণ, পারিপার্শ্বিক অবস্থা এবং ক্ষতিপূরণ জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে বর্ণনা থাকতে হবে।  
ধারা ১৫৯:
যদি কোনো মালিকের বাড়ি বা আঙিনায় কোনো দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়, তবে মালিককে সাত দিনের মধ্যে শ্রম আদালতে মৃত্যুর কারণ ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা উল্লেখ করে একটি রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

.
In a child correctional system,  a juvenile delinquent is assigned to whom? (কিশোর সংশোধনী ব্যবস্থায় একজন কিশোর অপরাধীকে কার কাছে ন্যাস্ত করা হয়?) 
  1. প্যারোল অফিসার 
  2. সংশোধনী অফিসার 
  3. প্রবেশন অফিসার 
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন অফিসার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবেশন অফিসার 
ব্যাখ্যা

কিশোর অপরাধী হলো সেই সকল কিশোর কিশোরী যারা সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ায় সামাজিক রীতিনীতি ও প্রথা অনুকরণ করতে না শিখে সমাজ বিরোধী চিন্তা ও কাজে অংশ নেয়। বয়সের দিক থেকে সাধার ১৮ বছর বা তার কম বছর বয়সী কিশোর কিশোরী দ্বারা সংঘটিত অপরাধই কিশোর অপরাধ। 

কিশোর অপরাধীদের সংশোধনের জন্য কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়। তারা ১৯৭৪ এর শিশু আইন অনুযায়ী,  একজন প্রবেশন অফিসারের অধীন সংযুক্ত থাকে। 

.
At present, A female govt. employee enjoys maternal leave in how many days? (বর্তমানে,  একজন নারী সরকারি কর্মজীবী কতদিন মাতৃত্বকালীন ছুটি ভোগ করেন?)
  1. ১২০ দিন
  2. ১৮০ দিন 
  3. ১৬০ দিন
  4. ১৪০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিন 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শ্রম আইন -২০০৬ অনুযায়ী,  বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি সাধারণত ছয় মাস এবং এই ছুটি সর্বোচ্চ দুবার ভোগ করা যায়। অন্যদিকে, বেসরকারি খাতের শ্রমিকরা বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী সন্তান প্রসবের আগে ও পরে মোট ১৬ সপ্তাহের (৮ সপ্তাহ করে) বেতনসহ ছুটি পান, যা সর্বোচ্চ দুবার পাওয়া যেতে পারে, তবে এর জন্য সন্তান প্রসবের আগে কমপক্ষে ছয় মাস ওই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে হবে। 

২০১১ সালে সংশোধনের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তাদের মাতৃত্বকালীন ছুটি চার মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করা হয়। 

১০.
According to the Children Act 1974,  if anyone instigates children to do beggary,  what will be the punishment? (১৯৭৪ সালের শিশু আইন অনুযায়ী,  যদি কেউ শিশুদের ভিক্ষাবৃত্তির জন্য উৎসাহিত করে,  তাহলে শাস্তি কী হবে?) 
  1. ২ বছরের জেল
  2. ৩ বছরের জেল
  3. ১ বছরের জেল
  4. ৫ বছরের জেল
সঠিক উত্তর:
১ বছরের জেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছরের জেল
ব্যাখ্যা

১৯৭৪ সালের শিশু আইন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন যা শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রণীত হয়েছিল, যদিও এটি বর্তমানে শিশু আইন, ২০১৩ দ্বারা রহিত।
এই আইনটি বাংলাদেশের প্রথম প্রণীত শিশু আইন। 
এই আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত সকল শিশুর যত্ন, সুরক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং শিশু অপরাধীদের প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে আলাদাভাবে বিচার নিশ্চিত করা। 
উক্ত আইন অনুযায়ী,  কেউ তার অধীন শিশুকে ভিক্ষাবৃত্তিতে উৎসাহিত করলে তার এক বছরের কারাদণ্ড বা তিনশ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হতে পারে। 
উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম; হুমায়ুন কবির 

১১.
which section of Bangladesh Labour law 2006 says about the amount of compensation  owners to give compensation for Labour? (বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬- এর  কততম ধারায় শ্রমিকদের ক্ষতিপূরনের পরিমাণ সম্পর্কে বলা হয়েছে?) 
  1. ধারা-১৫০
  2. ধারা-১৫১
  3. ধারা-১৫৩
  4. ধারা-১৫২
সঠিক উত্তর:
ধারা-১৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-১৫১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ১৫১ ধারায় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
১৫১। (১) এই অধ্যায়ের বিধান সাপেক্ষে, ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হইবে নিম্নরূপ, যথাঃ- 
(ক) যে ক্ষেত্রে জখমের ফলে মৃত্যু হয়, সে ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকটি পঞ্চম তফসিলের দ্বিতীয় কলামে যে অর্থ উল্লেখ করা হইয়াছে সে অর্থ 1[ : 
তবে শর্ত থাকে যে, এই ক্ষতিপুরণের পরিমাণ তার চাকুরির স্বাভাবিক ছাঁটাই, বরখাস্ত, অবসান, পদত্যাগজনিত ক্ষতিপূরণের অতিরিক্ত হইবে;] 
2[ (খ) যে ক্ষেত্রে যখমের ফলে স্থায়ী সম্পূর্ণ অক্ষমতা ঘটে সেই ক্ষেত্রে পঞ্চম তফসিলের তৃতীয় কলামে যে অর্থ উল্লেখ করা হইয়াছে সেই অর্থ;] 
(গ) যে ক্ষেত্রে জখমের ফলে স্থায়ী আংশিক অক্ষমতা ঘটে সে ক্ষেত্রে- 
(১) জখমটি প্রথম তফসিলে বর্ণিত হইলে, স্থায়ী সম্পূর্ণ অক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রদেয় ক্ষতিপূরণ এর ঐ শতকরা হার, যাহা উহাতে উল্লিখিত উক্ত জখমের কারণে উপার্জন ক্ষমতা হানির শতকরা হারের সমান; 
(২) জখমটি প্রথম তফসিলে বর্ণিত না হইলে, স্থায়ী সম্পূর্ণ অক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রদেয় ক্ষতিপূরণের ঐ শতকরা হার যাহা উক্ত জখমের কারণে স্থায়ীভাবে উপার্জন ক্ষমতা হানির অনুপাতের সমান; এবং 
(ঘ) যে ক্ষেত্রে জখমের ফলে সম্পূর্ণ বা আংশিক অস্থায়ী অক্ষমতা ঘটে সে ক্ষেত্রে মাসিক ক্ষতিপূরণ যাহা অক্ষমতার তারিখ হইতে চার দিন অপেক্ষাকাল অতিবাহিত হইবার পর যে মাসে প্রদেয় হইবে উহার পরবর্তী মাসের প্রথম দিনে প্রদেয় হইবে এবং তৎপর অক্ষমতার সময়কালে অথবা পঞ্চম তফসিলের শেষ কলামে উল্লিখিত সময়ের জন্য, যাহা স্বল্প হইবে, মাসিক ভিত্তিতে প্রদেয় হইবে।

১২.
According to the Children Act 1974, if any child is wounded physically or mentally remaining under anyone,  the punishment will be_____.
( শিশু আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী, যদি কোনো শিশু কারও অধীনে থেকে কোনো হয়রানির দরুন  শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তাহলে তার কী শাস্তি হবে?) 
  1. ১ বছরের কারাদণ্ড 
  2. ৪ বছরের কারাদণ্ড 
  3. ২ বছরের কারাদণ্ড 
  4. ৩ বছরের কারাদণ্ড 
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

শিশু আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী, যদি কোনো শিশু কারও অধীনে থেকে কোনো হয়রানির দরুন  শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা হয়রানির কারণে স্বাস্থ্যের হানি ঘটে,  তাহলে তাকে দুই বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে, বা ১ হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত হবে বা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।
(উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম: হুমায়ূন কবির) 

১৩.
Maternal benefit act was passed in which year? (মাতৃত্বকালীন সুবিধা আইন কতসালে পাস হয়?) 
  1. ১৯৩৮
  2. ১৯৩৯
  3. ১৯২৯
  4. ১৯৩৭
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৯
ব্যাখ্যা

মাতৃত্বকালীন সুবিধা আইন ১৯৩৯ (Maternity Benefit Act, 1939) ছিল একটি প্রসূতি কল্যাণ আইন যা ভারতীয় উপমহাদেশে (বাংলাদেশ ও ভারত সহ) কর্মজীবী নারীদের প্রসবকালীন সুরক্ষা প্রদান করত। এই আইনের অধীনে, নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নিয়োগ নিষিদ্ধ ছিল এবং মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় কোনো কর্মীকে বরখাস্ত করা যেত না। তবে, এই আইনটি এখন বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইন দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে, যেখানে মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ ও শর্তাবলী আরও বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা আছে। 

১৪.
When maternity leave was extended to 6 months from 4 months for government women  employees? (নারী সরকারি কর্মজীবীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি ৪ মাস ৬ মাসে কত সালে পরিবর্তন করা হয়?)
  1. ২০০৬
  2. ২০০৯
  3. ২০১১
  4. ২০১২
সঠিক উত্তর:
২০১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শ্রম আইন -২০০৬ অনুযায়ী,  বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মাতৃত্বকালীন ছুটি সাধারণত ছয় মাস এবং এই ছুটি সর্বোচ্চ দুবার ভোগ করা যায়। অন্যদিকে, বেসরকারি খাতের শ্রমিকরা বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী সন্তান প্রসবের আগে ও পরে মোট ১৬ সপ্তাহের (৮ সপ্তাহ করে) বেতনসহ ছুটি পান, যা সর্বোচ্চ দুবার পাওয়া যেতে পারে, তবে এর জন্য সন্তান প্রসবের আগে কমপক্ষে ছয় মাস ওই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে হবে। 

২০১১ সালে সংশোধনের মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তাদের মাতৃত্বকালীন ছুটি চার মাস থেকে বাড়িয়ে ছয় মাস করা হয়। 

১৫.
The 1974's Children Act was repealed by which act?(কোন আইনের মাধ্যমে ১৯৭৪ সালের শিশু আইন রহিত হয়?)
  1. Children Act -2012(শিশু আইন -২০১২)
  2. Children Act -2013 (শিশু আইন -২০১৩)
  3. Children Act -2014(শিশু আইন -২০১৪)
  4. Children Act -2011(শিশু আইন -২০১১)
সঠিক উত্তর:
Children Act -2013 (শিশু আইন -২০১৩)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Children Act -2013 (শিশু আইন -২০১৩)
ব্যাখ্যা

১৯৭৪ সালের শিশু আইন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন যা শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রণীত হয়েছিল, যদিও এটি বর্তমানে শিশু আইন, ২০১৩ দ্বারা রহিত। 
এই আইনটি বাংলাদেশের প্রথম প্রণীত শিশু আইন। 
এই আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত সকল শিশুর যত্ন, সুরক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং শিশু অপরাধীদের প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে আলাদাভাবে বিচার নিশ্চিত করা। 

১৬.
In how many times,  A female worker will get maternal leave in career life.? (কর্মজীবনে  একজন নারী কর্মজীবী মোট কতবার মাতৃত্বকালীন ছুটি ভোগ করতে পারবে?)
  1. দুইবার
  2. তিনবার
  3. চারবার
  4. একবার
সঠিক উত্তর:
দুইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুইবার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (ধারা ৪৬, ৪৭ এবং বিধি ৩৮) অনুযায়ী, একজন নারী শ্রমিক প্রসবের আগে এবং পরে মোট ১৬ সপ্তাহ (১১২ দিন) মাতৃত্বকালীন সবেতন ছুটি পাওয়ার অধিকারী। এই ছুটির মধ্যে ৮ সপ্তাহ প্রসবের আগে এবং ৮ সপ্তাহ প্রসবের পরে দেওয়া হয়, এবং এই সময়ে শ্রমিক পূর্ণ মজুরি পাওয়ার অধিকার রাখেন।   
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
(১)ছুটির সময়কাল:
মোট ১৬ সপ্তাহ বা ১১২ দিন।  
(২)ছুটি বণ্টনের নিয়ম:
প্রসবের আগে ৮ সপ্তাহ এবং প্রসবের পরে ৮ সপ্তাহ ছুটি দিতে হবে।  
(৩)বেতন:
এই ছুটির সময়কালে শ্রমিক পূর্ণ মজুরি পাওয়ার অধিকারী।  
(৪)অন্যান্য বিধান:
শ্রম আইন ২০০৬ এর ৪৬ ও ৪৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী এই ছুটি দেওয়া হয়।  
(৫) প্রসূতি সুবিধা পাওয়ার জন্য শ্রমিককে প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সময় (সাধারণত ৬ মাস) কাজ করতে হবে।  
এই ছুটি সর্বোচ্চ দুইবার পাওয়া যায়।  
এই সময়ে শ্রমিককে কোনো দীর্ঘ বা ভারী কাজ করানো যাবে না। 

১৭.
What is the distinct feature of Social Legislation? (সামাজিক আইনের কোন বৈশিষ্ট্যটি স্বতন্ত্র?) 
  1.  Socially approved ( সামাজিকভাবে অনুমোদিত) 
  2. State acknowledged ( রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত) 
  3. Universal ( সর্বজনীন) 
  4. Protection for weak (দুর্বল অংশের সুরক্ষা) 
সঠিক উত্তর:
Protection for weak (দুর্বল অংশের সুরক্ষা) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Protection for weak (দুর্বল অংশের সুরক্ষা) 
ব্যাখ্যা

সামাজিক আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো এটি সমাজ থেকে অবাঞ্ছিত অবস্থা দূর করে সুন্দর, সুষ্ঠু ও উন্নত সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রণীত হয়, যা সামাজিক নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখে এবং সমাজের দুর্বল অংশের স্বার্থ রক্ষা করে। এটি সমাজসংস্কার ও সামাজিক আন্দোলনের ফল এবং জনমত দ্বারা প্রভাবিত হয়।  
সামাজিক আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
(০১)জনকল্যাণমূলক লক্ষ্য: 
এই আইনগুলো মূলত জনগণের কল্যাণ এবং সমাজের সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করে।  
০২)সামাজিক নিয়ন্ত্রণ: 
এটি সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।  
০৩)দুর্বল অংশের সুরক্ষা: 
সামাজিক আইন প্রায়শই সমাজের দুর্বল, পশ্চাৎপদ ও সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়।  
০৪)পরিবর্তনশীলতা: 
সামাজিক আইনের কাঠামো ও বিষয়বস্তু সময়ের সাথে সাথে সমাজের চাহিদা ও পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।  
০৫)সমাজসংস্কারের প্রতিফলন: 
সামাজিক আইন সাধারণত সমাজসংস্কারের প্রয়োজনীয়তা থেকে উদ্ভূত হয় এবং জনমতের ভিত্তিতে এর পরিধি বিস্তৃত হয়।  
০৬)আইনি প্রয়োগ: 
এটি রাষ্ট্র কর্তৃক প্রণীত এবং প্রয়োগ করা হয়, যা নাগরিকের আচরণকে একটি নির্দিষ্ট কাঠামোর মধ্যে রাখে।  
০৭)সামাজিক সংহতি বৃদ্ধি: 
এই আইনের মাধ্যমে সমাজে সংহতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়। 

১৮.
Which of the following is not a feature of social Legislation? ( নীচের কোনটি সামাজিক আইনের বৈশিষ্ট্য নয়?) 
  1.  Protect the weak class( দুর্বল শ্রেণির সুরক্ষা) 
  2. Punishment system ( শাস্তির বিধান) 
  3. Volatile ( অস্থায়ী) 
  4. Means of social control (সামাজিক নিয়ন্ত্রণের উপায়) 
সঠিক উত্তর:
Volatile ( অস্থায়ী) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Volatile ( অস্থায়ী) 
ব্যাখ্যা

সামাজিক আইনের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে, এটি সামাজিক সমস্যা ও কুপ্রথা দূর করে সমাজে শৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও দুর্বলদের স্বার্থ রক্ষা করে, এবং সমাজের সুস্থ বিকাশে ভূমিকা রাখে। এই আইন মূলত জনমত ও সামাজিক আন্দোলনের ফল এবং এটি সমাজকে নিয়ন্ত্রণে রেখে তার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।  
সামাজিক আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:
(০১)সামাজিক সমস্যা সমাধান ও প্রতিরোধ:
বাল্যবিবাহ, যৌতুক, নারী নির্যাতন, ও কিশোর অপরাধের মতো সামাজিক সমস্যাগুলো দূর করার জন্য সামাজিক আইন প্রণয়ন করা হয়।  
(০২)কুপ্রথা দূরীকরণ:
সমাজের মধ্যে প্রচলিত বিভিন্ন কুপ্রথা ও কুসংস্কার যা সমাজের স্বাভাবিক উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করে, তা দূর করা সামাজিক আইনের অন্যতম উদ্দেশ্য।  
(০৩)সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা:
এই আইনের মাধ্যমে সমাজে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং দুর্বল ও শক্তিশালী সবার জন্য সমান অধিকার নিশ্চিত করা হয়।  
(০৪)দুর্বলদের স্বার্থ রক্ষা:
সমাজের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বার্থ রক্ষা করা এবং তাদের অধিকার নিশ্চিত করা সামাজিক আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।  
(০৫)সামাজিক নিয়ন্ত্রণ:
সামাজিক আইন সমাজের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও সামাজিক সংহতি বাড়াতে সাহায্য করে। এটি সমাজে একটি ইতিবাচক নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়া বজায় রাখে।  
(০৬)জনমত ও সমাজসংস্কারের প্রতিফলন:
সামাজিক আইন সমাজের সংস্কার ও সামাজিক আন্দোলনের মাধ্যমে সৃষ্ট জনমতের ভিত্তিতে প্রণীত হয়।  
(০৭)ভারসাম্য রক্ষা:
এটি একটি পরিবর্তনশীল সমাজের ভারসাম্য রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  
(০৮)সমষ্টিগত কল্যাণ:
সামাজিক আইনের মূল লক্ষ্য হলো সমষ্টিগত কল্যাণ সাধন করা এবং একটি সুস্থ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তোলা।  

 সার্বিক বিবেচনায় অস্থায়ী আচরণ কোনো সময় আইনের বৈশিষ্ট্য নয়। 

১৯.
According to Bangladesh child act- 1974, the age of children  is- ( বাংলাদেশ শিশু আইন -১৯৭৪ অনুযায়ী, শিশুদের বয়স কতো?)
  1. ১৪
  2. ১৮
  3. ১৬
  4. ১৫
সঠিক উত্তর:
১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬
ব্যাখ্যা

১৯৭৪ সালের শিশু আইন ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন যা শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রণীত হয়েছিল, যদিও এটি বর্তমানে শিশু আইন, ২০১৩ দ্বারা রহিত। এই আইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত সকল শিশুর যত্ন, সুরক্ষা ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং শিশু অপরাধীদের প্রাপ্তবয়স্কদের থেকে আলাদাভাবে বিচার নিশ্চিত করা। 
উল্লেখ্য, উক্ত আইনে শিশুদের বয়স ১৬ বছর বা তার নীচের বয়সকে বোঝায়।

২০.
Which section of Bangladesh labour law 2006 discusses about the report of dangerous Accident? ( বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর কততম ধারা মারাত্মক দূর্ঘটনার রিপোর্ট সম্পর্কে বর্ণনা করেছে?)
  1. ধারা -১৫৬
  2. ধারা -১৫৫
  3. ধারা -১৫৯
  4. ধারা -১৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা -১৫৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা -১৫৯
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৫৯ মারাত্মক দুর্ঘটনা বা মৃত্যুর রিপোর্ট সংক্রান্ত বিষয় বর্ণনা করে, যেখানে মালিককে সাত দিনের মধ্যে শ্রম আদালতে মৃত্যুর কারণ ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা জানিয়ে একটি রিপোর্ট জমা দিতে হয়। এর আগে, ধারা ১৫৮-এ মারাত্মক দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে মালিকের কাছ থেকে বিবৃতি তলব করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।   
ধারা ১৫৮ এবং ১৫৯-এর মূল বিষয়:
ধারা ১৫৮:
কোন শ্রমিক মারা গেলে, আদালত মালিককে নোটিশ জারি করে ৩০ দিনের মধ্যে একটি বিবৃতি জমা দিতে নির্দেশ দিতে পারে। এই বিবৃতিতে মৃত্যুর কারণ, পারিপার্শ্বিক অবস্থা এবং ক্ষতিপূরণ জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা সম্পর্কে বর্ণনা থাকতে হবে।  
ধারা ১৫৯:
যদি কোনো মালিকের বাড়ি বা আঙিনায় কোনো দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়, তবে মালিককে সাত দিনের মধ্যে শ্রম আদালতে মৃত্যুর কারণ ও পারিপার্শ্বিক অবস্থা উল্লেখ করে একটি রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

২১.
What is safe custody? (নিরাপদ হাজতবাস কী?)
  1. Rehabilitation centre(পূনর্বাসন কেন্দ্র) 
  2. Correctional service ( সংশোধনমূলক সেবা)
  3. Social service ( সমাজসেবা)
  4. None of them.( কোনোটাই নয়)
সঠিক উত্তর:
Correctional service ( সংশোধনমূলক সেবা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Correctional service ( সংশোধনমূলক সেবা)
ব্যাখ্যা

সংশোধনমূলক কার্যক্রম হলো কোনো একটি সমস্যা বা অসঙ্গতির মূল কারণ চিহ্নিত করে তা দূর করার জন্য গৃহীত পদক্ষেপ, যাতে ভবিষ্যতে একই সমস্যা আর না ঘটে। এই কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য হলো ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির ধারাবাহিক উন্নতি ঘটানো, যেখানে অসঙ্গতি পুনরায় হওয়া রোধ করা হয়।  
সংশোধনমূলক কার্যক্রমের মূল উদ্দেশ্য:
অসঙ্গতি দূর করা:
কোনো সমস্যা বা ত্রুটির মূল কারণ খুঁজে বের করে তা সমাধান করা।  
পুনরাবৃত্তি রোধ:
ভবিষ্যতে যাতে একই ধরনের সমস্যা বা অসঙ্গতি আর না ঘটে, তা নিশ্চিত করা।  
ধারাবাহিক উন্নতি:
প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বা কার্যপ্রণালীর মান ও কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। 

উদাহরণ :-( প্রবেশন, প্যারোল, নিরাপদ হাজতবাস,কিশোর আদালত) 

২২.
When was 1974's Child act firstly enforced in Dhaka as a pilot project?(১৯৭৪ সালের শিশু আইনটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে প্রথম ঢাকায় কতসালে কার্যকর করা হয়?) 
  1. ১৯৭৫
  2. ১৯৭৬
  3. ১৯৭৭
  4. ১৯৭৮
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬
ব্যাখ্যা

শিশুদের সুরক্ষা ও সংশোধনের নিমিত্তে ১৯৭৪ সালে প্রথম শিশু আইন প্রণয়ন করা হয়।  আইনটি ১৯৭৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রথম ঢাকায় ও পরবর্তীতে ১৯৮০ সালের  ১লা জুন থেকে সারা বাংলাদেশে কার্যকর করা হয়। 
সূত্র :-( উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম: হুমায়ুন কবির) 

২৩.
First child act was initiated in British Bangla in which year? (ব্রিটিশ - বাংলায় প্রথম শিশু আইন কতসালে পাস হয়?) 
  1. ১৯২১
  2. ১৯২২
  3. ১৯২৩
  4. ১৯২৪
সঠিক উত্তর:
১৯২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২২
ব্যাখ্যা

বঙ্গীয় শিশু আইন ১৯২৩ (The Bengal Children Act, 1923) হলো একটি ব্রিটিশ-যুগের আইন যা শিশু অপরাধীদের সংশোধন ও সুরক্ষার উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছিল, এবং এটি পরবর্তীকালে বাংলাদেশের শিশু অধিকার ও সুরক্ষায় প্রণীত বিভিন্ন আইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। এই আইনে শিশুদের অপরাধমূলক কাজে জড়িত হওয়া থেকে নিবৃত্ত করা এবং তাদের পুনর্বাসন ও যত্নের জন্য ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল।  
আইনের উদ্দেশ্য ও কার্যকারিতা
শিশু অপরাধী সংশোধন: 
এই আইনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল শিশু অপরাধীদের ক্ষেত্রে প্রচলিত শাস্তি বা দণ্ডবিধি প্রয়োগ না করে তাদের সংশোধনের মাধ্যমে সমাজে ফিরিয়ে আনা।  
সুরক্ষা ও তত্ত্বাবধান: 
শিশুদের সুরক্ষা প্রদান, তাদের প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ রোধ এবং তাদের তত্ত্বাবধানে রাখা এই আইনের অন্যতম লক্ষ্য ছিল। 

২৪.
In order to get maternal benefit,  A worker must work minimum how much time? (মাতৃত্বকালীন সুবিধা পেতে একজন শ্রমিককে সর্বনিম্ন কতদিন ঐ প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে হবে?) 
  1. ৬ মাস
  2. এক বছর 
  3. ৪ মাস
  4. ১৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (ধারা ৪৬, ৪৭ এবং বিধি ৩৮) অনুযায়ী, একজন নারী শ্রমিক প্রসবের আগে এবং পরে মোট ১৬ সপ্তাহ (১১২ দিন) মাতৃত্বকালীন সবেতন ছুটি পাওয়ার অধিকারী। এই ছুটির মধ্যে ৮ সপ্তাহ প্রসবের আগে এবং ৮ সপ্তাহ প্রসবের পরে দেওয়া হয়, এবং এই সময়ে শ্রমিক পূর্ণ মজুরি পাওয়ার অধিকার রাখেন।   
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
(১)ছুটির সময়কাল:
মোট ১৬ সপ্তাহ বা ১১২ দিন।  
(২)ছুটি বণ্টনের নিয়ম:
প্রসবের আগে ৮ সপ্তাহ এবং প্রসবের পরে ৮ সপ্তাহ ছুটি দিতে হবে।  
(৩)বেতন:
এই ছুটির সময়কালে শ্রমিক পূর্ণ মজুরি পাওয়ার অধিকারী।  
(৪)অন্যান্য বিধান:
শ্রম আইন ২০০৬ এর ৪৬ ও ৪৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী এই ছুটি দেওয়া হয়।  
(৫) প্রসূতি সুবিধা পাওয়ার জন্য শ্রমিককে প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সময় (সাধারণত ৬ মাস) কাজ করতে হবে।  
এই ছুটি সর্বোচ্চ দুইবার পাওয়া যায়।  
এই সময়ে শ্রমিককে কোনো দীর্ঘ বা ভারী কাজ করানো যাবে না। 

২৫.
Which correctional service is not applicable for children? (কোন সংশোধনী সেবাটি শিশুদের সাথে জড়িত নয়?) 
  1. Child development centre ( শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র) 
  2. Safe custody ( নিরাপদ আটকাবাস)
  3. Parole ( প্যারোল)
  4. Juvenile court ( কিশোর আদালত) 
সঠিক উত্তর:
Parole ( প্যারোল)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Parole ( প্যারোল)
ব্যাখ্যা

প্যারোল (Parole) হলো একটি আইনি ব্যবস্থা, যেখানে একজন কারাবন্দী তার শাস্তির একটি নির্দিষ্ট অংশ ভোগ করার পর কিছু শর্ত মেনে চলার অঙ্গীকার করে সাময়িকভাবে মুক্তি পান। এই শর্তাবলীর মধ্যে নির্দিষ্ট প্যারোল অফিসারের কাছে হাজিরা দেওয়া এবং অন্যান্য আচরণগত নিয়ম পালন করা অন্তর্ভুক্ত থাকে। শর্ত ভঙ্গ করলে বন্দীকে আবার কারাগারে ফেরত পাঠানো হতে পারে।  
প্যারোলের মূল বিষয়গুলো:
শর্তাধীন মুক্তি: 
এটি সম্পূর্ণ মুক্তি নয়, বরং নির্দিষ্ট শর্তের অধীনে অস্থায়ী মুক্তি।  
চারিত্রিক সংশোধন: 
বন্দীর মধ্যে অপরাধের জন্য অনুশোচনা এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য।  
প্যারোল কর্মকর্তা: 
মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে একজন প্যারোল অফিসারের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়, যার কাছে তাকে নিয়মিত রিপোর্ট করতে হয়। 

এখানে স্পষ্ট যে, প্যারোল শুধু প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীদের জন্য সংশোধনী কার্যক্রম। 

২৬.
The main purpose of labour law 2006 is- (২০০৬ সালের শ্রম আইনের মূল লক্ষ্য কী?)
  1. To give punishment for labourer( শ্রমিকদের জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করা) 
  2. To reform society ( সমাজ সংস্কার করা)
  3. To ensure labourers rights  ( শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা) 
  4. To educate the labourer( শ্রমিকদের শিক্ষিত করা) 
সঠিক উত্তর:
To ensure labourers rights  ( শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To ensure labourers rights  ( শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা) 
ব্যাখ্যা

২০০৬ সালের বাংলাদেশ শ্রম আইনের মূল লক্ষ্য হলো শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও সুরক্ষার জন্য একটি সামগ্রিক আইন তৈরি করা, যা শ্রমিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা, কাজের পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং শিশুশ্রম নিষিদ্ধকরণ। এই আইনের মাধ্যমে মালিক-শ্রমিকের সম্পর্ক, মজুরি, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, ট্রেড ইউনিয়ন গঠন এবং শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিষয়গুলো সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে।   
আইনের প্রধান উদ্দেশ্যগুলো:
শ্রমিকের অধিকার ও সুরক্ষা:
শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে সুরক্ষা প্রদান এবং তাদের মৌলিক অধিকারগুলো নিশ্চিত করা।  
শ্রম পরিস্থিতির উন্নয়ন:
কাজের পরিবেশ উন্নত করা এবং শোষনমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা।  
শিশুশ্রম নিষিদ্ধকরণ:
১৪ বছরের নিচে কোনো শিশুকে কাজে নিয়োগ দেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছে।  
মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক:

২৭.
which of the following  is a social legislation? (নীচের  কোনটি সামাজিক আইন?)
  1. পেনাল কোড, ১৮৬০
  2. ফৌজদারি কার্যবিধি,  ১৮৯৮
  3. পুলিশ আইন,  ১৯৪৩
  4. বাংলাদেশ শ্রম আইন,  ২০০৬
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ শ্রম আইন,  ২০০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ শ্রম আইন,  ২০০৬
ব্যাখ্যা

সামাজিক আইন হলো সেসব রাষ্ট্রীয় ও সরকারি বিধিবিধান, যা সমাজ থেকে কুপ্রথা ও কুসংস্কার দূর করে, সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের অধিকার রক্ষা করে এবং সমাজে শৃঙ্খলা ও ভারসাম্য বজায় রেখে জনকল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণীত হয়। এই আইনগুলো সমাজের স্বাভাবিক গতিধারা বজায় রাখে এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দিকে সমাজকে পরিচালিত করে।  
সামাজিক আইনের মূল উদ্দেশ্য  ও বৈশিষ্ট্্য হলো জনকল্যাণ নিশ্চিত করা, সমাজের সকল মানুষের সুবিধা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা সামাজিক আইনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। 
উদাহরণ :- বাংলাদেশ শিশু আইন -১৯৭৪

২৮.
which section of Bangladesh Labour law 2006 says about the method  of the calculation of wages for labour?
(বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬- এর  কততম ধারায় শ্রমিকদের মজুরি হিসাবের পদ্ধতি   সম্পর্কে বলা হয়েছে?) 
  1. ধারা ১৫০
  2. ধারা ১৫১
  3. ধারা ১৫২
  4. ধারা ১৫৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৫২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১৫২ ধারায় (অধ্যায় ১৬: ক্ষতিপূরণ) শ্রমিকদের মজুরি হিসাব করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত বলা হয়েছে।
এই ধারায় মাসিক মজুরি কীভাবে হিসাব করতে হবে, তার নিয়মাবলী উল্লেখ করা আছে, যা বিশেষ করে ক্ষতিপূরণের মতো বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।  
মজুরি হিসাবের পদ্ধতি (১৫২ ধারার ১-২ উপধারা)
মাসিক মজুরির সংজ্ঞা: 
মজুরি বলতে এক মাসের কাজের জন্য প্রদেয় পরিমাণ বোঝানো হয়, যা মাসিক ভিত্তিতে, অন্য কোনো সময় ভিত্তিতে বা ঠিকা-হারে হতে পারে।  
হিসাবের নিয়ম:
ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য মজুরি হিসাব করার সময়, যে সময়কালে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, তার অব্যবহিত আগের ১২ মাসে শ্রমিক যে মূল মজুরি, মহার্ঘ ভাতা এবং এড-হক মজুরি (যদি থাকে) পেয়েছেন, তার গড় হিসাব করা হবে।  
এই গড় মজুরিই হবে মাসিক মজুরি। 

২৯.
Which of the following is not a juvenile delinquency? (নীচের কোনটি কিশোর অপরাধ নয়?)
  1. Eve teasing ( নারী উত্ত্যক্তকরন)
  2. Travelling without ticket ( টিকেটবিহীন ভ্রমণ) 
  3. Picketing ( পিকেটিং) 
  4. Social service ( সমাজসেবা)
সঠিক উত্তর:
Social service ( সমাজসেবা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Social service ( সমাজসেবা)
ব্যাখ্যা

কিশোর অপরাধ বলতে বোঝায় অপরিণত বয়সের (সাধারণত ১৪-১৮ বছর বয়সী) শিশু-কিশোরদের দ্বারা সংঘটিত সমাজের মূল্যবোধ, নিয়মকানুন ও আইনের পরিপন্থী কাজ। দারিদ্র্য, পারিবারিক সমস্যা, অসৎ সঙ্গ, সামাজিক অবক্ষয়, অশিক্ষা এবং বিনোদনের অভাব কিশোর অপরাধের অন্যতম কারণ। চুরি, ছিনতাই, মারামারি, পরীক্ষায় নকল করা, মাদক গ্রহণ ইত্যাদি কিশোর অপরাধের উদাহরণ। 

৩০.
Reformatory school act was passed in  which year? (রিফরম্যাটরি স্কুল আইন কতসালে পাস হয়?) 
  1. ১৮৯৮
  2. ১৮৯৭
  3. ১৮৮৯
  4. ১৮৯৬
সঠিক উত্তর:
১৮৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৯৭
ব্যাখ্যা

রিফরম্যাটরি স্কুল আইন ১৮৯৭ সালে পাস হয়। এই আইনের আওতায় ব্রিটিশ শাসনামলে প্রথম স্কুলগামী শিশুদের আচরণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা হয়। 
উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালের শিশু আইন হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা উত্তর সর্বশ্রেষ্ঠ সংযোজন। 

৩১.
Which section of Bangladesh Labour law discusses about maternal leave? (মাতৃত্বকালীন ছুটি নিয়ে বাংলাদেশ শ্রম আইনের কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?)
  1. ধারা-৫৪
  2. ধারা-৪১
  3. ধারা-৪৭
  4. ধারা-৪৪
সঠিক উত্তর:
ধারা-৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা-৪৭
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (ধারা ৪৬, ৪৭ এবং বিধি ৩৮) অনুযায়ী, একজন নারী শ্রমিক প্রসবের আগে এবং পরে মোট ১৬ সপ্তাহ (১১২ দিন) মাতৃত্বকালীন সবেতন ছুটি পাওয়ার অধিকারী। এই ছুটির মধ্যে ৮ সপ্তাহ প্রসবের আগে এবং ৮ সপ্তাহ প্রসবের পরে দেওয়া হয়, এবং এই সময়ে শ্রমিক পূর্ণ মজুরি পাওয়ার অধিকার রাখেন।   
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ:
(১)ছুটির সময়কাল:
মোট ১৬ সপ্তাহ বা ১১২ দিন।  
(২)ছুটি বণ্টনের নিয়ম:
প্রসবের আগে ৮ সপ্তাহ এবং প্রসবের পরে ৮ সপ্তাহ ছুটি দিতে হবে।  
(৩)বেতন:
এই ছুটির সময়কালে শ্রমিক পূর্ণ মজুরি পাওয়ার অধিকারী।  
(৪)অন্যান্য বিধান:
শ্রম আইন ২০০৬ এর ৪৬ ও ৪৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী এই ছুটি দেওয়া হয়।  
(৫) প্রসূতি সুবিধা পাওয়ার জন্য শ্রমিককে প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট সময় (সাধারণত ৬ মাস) কাজ করতে হবে।  
এই ছুটি সর্বোচ্চ দুইবার পাওয়া যায়।  
এই সময়ে শ্রমিককে কোনো দীর্ঘ বা ভারী কাজ করানো যাবে না। 

৩২.
Which day is observed as international workers day?(কোন দিনটিকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালন করা হয়?) 
  1. ১ মে
  2. ২ মে
  3. ৩ মে
  4. ৪ মে
সঠিক উত্তর:
১ মে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস প্রতি বছর ১ মে তারিখে পালিত হয়, যা মে দিবস বা শ্রমিক দিবস নামেও পরিচিত। এই দিনটি শ্রমিকদের ঐতিহাসিক সংগ্রাম, ত্যাগ এবং অধিকার আদায়ের প্রতীক হিসেবে বিশ্বজুড়ে শ্রমজীবী মানুষেরা উদযাপন করে।  

দিবসটির পটভূমি
শিল্প বিপ্লব ও আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবি: 
শিল্প বিপ্লবের সময়ে শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে এনে আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয়।  

শিকাগোর হে মার্কেট ঘটনা: 
১৮৮৬ সালের ১লা মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমিকেরা ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে আন্দোলন শুরু করলে পুলিশি বাধায় অনেক শ্রমিক নিহত হন।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: 
এই ঘটনার পর, ১৮৮৯ সালে প্যারিসে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে ১ মে দিনটিকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 

৩৩.
In 1980's dowry prohibition act,  the highest punishment was- (১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইন অনুযায়ী, যৌতুক দাবির সর্বোচ্চ শাস্তি কতো টাকা ছিলো?) 
  1. ৫০,০০০ টাকা
  2. ৫০০০ টাকা 
  3. ২৫০০০টাকা
  4. ১০,০০০ টাকা 
সঠিক উত্তর:
৫০০০ টাকা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০০০ টাকা 
ব্যাখ্যা

১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইনে (Dowry Prohibition Act, 1980) যৌতুক গ্রহণ ও প্রদানকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। এই আইনে যৌতুক চাওয়া বা গ্রহণ করলে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান ছিল। তবে বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ এর মাধ্যমে এই আইনের বিধানগুলো আরও কঠোর করেছে।  
আইনের মূল বিষয়বস্তু:
অপরাধ:
এই আইনের অধীনে যৌতুক গ্রহণ, প্রদান বা যৌতুকের জন্য প্ররোচনা দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ।  
শাস্তি:
১৯৮০ সালের আইনে যৌতুক গ্রহণ বা প্রদানকারীকে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান ছিল। 

৩৪.
From when, 1974's child act was enforced in whole Bangladesh? ( ১৯৭৪ সালের শিশু আইনটি সারা বাংলাদেশে কতসালে কার্যকর করা হয়?) 
  1. ১৯৮০
  2. ১৯৭৮
  3. ১৯৭৯
  4. ১৯৮১
সঠিক উত্তর:
১৯৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০
ব্যাখ্যা

শিশুদের সুরক্ষা ও সংশোধনের নিমিত্তে ১৯৭৪ সালে প্রথম শিশু আইন প্রণয়ন করা হয়।  আইনটি ১৯৭৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রথম ঢাকায় ও পরবর্তীতে ১৯৮০ সালের  ১লা জুন থেকে সারা বাংলাদেশে কার্যকর করা হয়। 
সূত্র :-( উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম: হুমায়ুন কবির) 

৩৫.
International mother day is observed in which day?(কোনদিন আন্তর্জাতিক মা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়?) 
  1. জুন মাসের প্রথম রবিবার 
  2. জুন মাসের দ্বিতীয় রবিবার। 
  3. মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার 
  4. মে মাসের প্রথম রবিবার 
সঠিক উত্তর:
মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার 
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর সবচেয়ে মধুরতম ডাক ‘মা’। ছোট্ট এ শব্দের অতলে লুকানো থাকে গভীর স্নেহ, মমতা আর অকৃত্রিম দরদ।

তাইতো বাংলাদেশসহ বিশ্বের বহু দেশে মে মাসের দ্বিতীয় রোববার এই দিনটি পালিত হয় মায়েদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য।

৩৬.
In which year 1st May was declared as the international workers day?  (কতসালে ১লা মে কে আন্তর্জাতিক  শ্রমিক দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়?) 
  1. 1888
  2. 1889
  3. 1886
  4. 1887
সঠিক উত্তর:
1889
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1889
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস প্রতি বছর ১ মে তারিখে পালিত হয়, যা মে দিবস বা শ্রমিক দিবস নামেও পরিচিত। এই দিনটি শ্রমিকদের ঐতিহাসিক সংগ্রাম, ত্যাগ এবং অধিকার আদায়ের প্রতীক হিসেবে বিশ্বজুড়ে শ্রমজীবী মানুষেরা উদযাপন করে।  

দিবসটির পটভূমি
শিল্প বিপ্লব ও আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবি: 
শিল্প বিপ্লবের সময়ে শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে এনে আট ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয়।  

শিকাগোর হে মার্কেট ঘটনা: 
১৮৮৬ সালের ১লা মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে শ্রমিকেরা ৮ ঘণ্টা কর্মদিবসের দাবিতে আন্দোলন শুরু করলে পুলিশি বাধায় অনেক শ্রমিক নিহত হন।

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: 
এই ঘটনার পর, ১৮৮৯ সালে প্যারিসে দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক শ্রমিক সম্মেলনে ১ মে দিনটিকে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 

৩৭.
Which of the following is not an example of social legislation? ( নীচের কোনটি সামাজিক আইনের উদাহরণ নয়?)
  1. (CRPC) ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮
  2. শিশু আইন, ১৯৭৪
  3. নারী নির্যাতন আইন ১৯৮৩
  4. যৌতুক নিরোধ আইন ১৯৮০
সঠিক উত্তর:
(CRPC) ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(CRPC) ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮
ব্যাখ্যা

সামাজিক আইন হলো সেসব রাষ্ট্রীয় ও সরকারি বিধিবিধান, যা সমাজ থেকে কুপ্রথা ও কুসংস্কার দূর করে, সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের অধিকার রক্ষা করে এবং সমাজে শৃঙ্খলা ও ভারসাম্য বজায় রেখে জনকল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণীত হয়। এই আইনগুলো সমাজের স্বাভাবিক গতিধারা বজায় রাখে এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের দিকে সমাজকে পরিচালিত করে। উদাহরণ : শিশু আইন ১৯৭৪

ফৌজদারি কার্যবিধি (Code of Criminal Procedure, ১৮৯৮) হলো বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার একটি মৌলিক আইন যা কোনো অপরাধের অভিযোগ দায়ের, তদন্ত, বিচার, এবং আপীল নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে। এটি একটি সংবিধি আইন যা ১৮৯৮ সালে প্রণীত হয়েছিল এবং এতে মোট ৫৬৫টি ধারা রয়েছে। এই আইনটি বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা ও বিচার ব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। 

৩৮.
International Children day is observed in which day?(কোন দিন  আন্তর্জাতিক শিশু দিবস পালন করা হয়?) 
  1. ২০ মার্চ 
  2. ২০ নভেম্বর 
  3. ২০ সেপ্টেম্বর 
  4. ২০ অক্টোবর 
সঠিক উত্তর:
২০ নভেম্বর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ নভেম্বর 
ব্যাখ্যা

আজ ২০ নভেম্বর বিশ্ব শিশু দিবস পালন করা হয়। বিশ্বজুড়ে শিশুর অধিকার সুরক্ষায় ১৯৮৯ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে শিশু অধিকার কনভেনশন বা সনদ (সিআরসি) গৃহীত হয়। সেই থেকে প্রতিবছর ২০ নভেম্বর বিশ্ব শিশু দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। 

প্রতি বছরই জাতিসংঘ কোনও না কোনও থিম ঠিক করে। জাতিসংঘের বিশেষ সংগঠন ইউনিসেফ বছরভর বিশ্ব জুড়ে শিশুদের জন্য নানা জায়গায় কাজ করে। তারাই এই বছরের থিম ঠিক করেছে।

৩৯.
Which section of Bangladesh Labour law 2006 discusses about medical report ? (মেডিকেল পরীক্ষা  নিয়ে বাংলাদেশ শ্রম ২০০৬ আইনের কত ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?)
  1. ধারা- ১৫৯
  2. ধারা- ১৬০
  3. ধারা- ১৬১
  4. ধারা- ১৬২
সঠিক উত্তর:
ধারা- ১৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা- ১৬০
ব্যাখ্যা

(০৬)চিকিৎসা পরীক্ষা :- শ্রম আইন ২০০৬ এর নিম্নোক্ত ধারায় বলা হয়েছে যে, 

১৬০। (১) যে ক্ষেত্রে কোন শ্রমিক কোন দুর্ঘটনার নোটিশ প্রদান করেন সে ক্ষেত্রে মালিক নোটিশ জারীর তিন দিনের মধ্যে [মালিকের নিজ খরচে] কোন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক দ্বারা শ্রমিককে পরীক্ষা করাইবেন এবং উক্ত শ্রমিক উক্তরূপ পরীক্ষার জন্য নিজেকে হাজির করিবেনঃ 
তবে শর্ত থাকে যে, শ্রমিকের দুর্ঘটনা বা অসুস্থতা গুরম্নতর হইলে, শ্রমিক যেখানে অবস্থান করিতেছেন মালিক সেখানে তাহাকে পরীৰা করাইবার ব্যবস্থা করিবেন।

৪০.
According to the latest dowry prohibition (revised) act- 2018, what will be the punishment if anyone tries to kill women due to dowry? (সাম্প্রতিক যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ অনুযায়ী,  যদি কেউ যৌতুকের জন্য কোনো নারীকে হত্যা করার চেষ্টা করে,  তাহলে তার শাস্তি কী হবে? 
  1. ১২ বছরের কারাদণ্ড 
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
  3. মৃত্যুদণ্ড
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন ১৯৮০ সালের প্রণীত একটি আইন। পরবর্তীতে এই আইনটিকে সংশোধন করে ২০১৮ সালে যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ নামে আরও কঠোর ও কার্যকর করা হয়। এই নতুন আইনটি অবিলম্বে কার্যকর হয়। 
সাম্প্রতিক যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ অনুযায়ী,  যদি কেউ যৌতুকের জন্য কোনো নারীকে হত্যা করার চেষ্টা করে,  তাহলে তার শাস্তি হবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। 

৪১.
Due to the enforcement of 1974's Child act,  which laws were abolished? (শিশু আইন ১৯৭৪ বলবৎ করার ফলে কোন কোন আইন রহিত হয়ে যায়?) 
  1. বঙ্গীয় শিশু আইন,  ১৯২৫
  2. রিফরমেটরি স্কুল আইন ১৮৯৭
  3. বঙ্গীয় শিশু আইন,  ১৯৪৩
  4. মাতৃত্বকল্যাণ আইন ১৯৩৯
সঠিক উত্তর:
রিফরমেটরি স্কুল আইন ১৮৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিফরমেটরি স্কুল আইন ১৮৯৭
ব্যাখ্যা

শিশু আইন ১৯৭৪ সাল  বলবৎের মাধ্যমে বঙ্গীয় শিশু আইন, ১৯২২ ও বেঙ্গল রিফরম্যাটরি স্কুল এক্ট ১৮৯৭ রহিত করা হয়। অপশনে উল্লিখিত বাকী আইনগুলোর প্রকৃতপক্ষে কোনো অস্তিত্ব নেই। 

৪২.
In which area, 1974's Child act was enforced at first? (১৯৭৪ সালের শিশু আইনটি প্রথম কোন এলাকায় কার্যকর করা হয়?) 
  1. Dhaka Division ( ঢাকা বিভাগ) 
  2. Dhaka District ( ঢাকা জেলা) 
  3. Chottogram ( চট্টগ্রাম) 
  4. Rajshahi( রাজশাহী) 
সঠিক উত্তর:
Dhaka District ( ঢাকা জেলা) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dhaka District ( ঢাকা জেলা) 
ব্যাখ্যা

শিশুদের সুরক্ষা ও সংশোধনের নিমিত্তে ১৯৭৪ সালে প্রথম শিশু আইন প্রণয়ন করা হয়।  আইনটি ১৯৭৬ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রথম ঢাকায় ও পরবর্তীতে ১৯৮০ সালের  ১লা জুন থেকে সারা বাংলাদেশে কার্যকর করা হয়। 
সূত্র :-( উচ্চ মাধ্যমিক সমাজকর্ম: হুমায়ুন কবির) 

৪৩.
The dowry Prohibition act was passed in Bangladesh in which year? (বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন কতসালে পাস হয়?) 
  1. ১৯৮০
  2. ১৯৮২
  3. ১৯৮৩
  4. ১৯৮১
সঠিক উত্তর:
১৯৮০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০
ব্যাখ্যা

১৯৮০ সালের যৌতুক নিরোধ আইনে (Dowry Prohibition Act, 1980) যৌতুক গ্রহণ ও প্রদানকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছিল। এই আইনে যৌতুক চাওয়া বা গ্রহণ করলে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান ছিল। তবে বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ এর মাধ্যমে এই আইনের বিধানগুলো আরও কঠোর করেছে।  
আইনের মূল বিষয়বস্তু:
অপরাধ:
এই আইনের অধীনে যৌতুক গ্রহণ, প্রদান বা যৌতুকের জন্য প্ররোচনা দেওয়া শাস্তিযোগ্য অপরাধ।  
শাস্তি:
১৯৮০ সালের আইনে যৌতুক গ্রহণ বা প্রদানকারীকে সর্বোচ্চ এক বছর কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান ছিল। 

৪৪.
Bangladesh  labour law of 2006 is which number of law in that year? (বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ ঐ বছরের কততম আইন ছিল?) 
  1. 41st
  2. 42nd
  3. 43rd
  4. 44th 
সঠিক উত্তর:
42nd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
42nd
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ হলো বাংলাদেশে শ্রম সম্পর্কিত আইনগুলোর একটি সংহত রূপ, যা শ্রমিকের অধিকার রক্ষা, কর্মক্ষেত্রের পরিবেশ উন্নত করা, এবং মালিক ও শ্রমিকের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে প্রণীত হয়েছে। এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো শ্রমিক নিয়োগ, মজুরি পরিশোধ, কাজের নিরাপত্তা, ট্রেড ইউনিয়ন গঠন ও শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, এবং শিশুশ্রম নিষিদ্ধকরণসহ শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করা। 

উল্লেখ্য,  বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ ছিলো ঐ সালের ৪২ তম আইন।