পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১২৬
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 8” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১২৬ প্রশ্ন

.
‘ঋ, র, ষ- এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়’ এই নিয়ম সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. অকুণ্ঠ
  2. প্রনষ্ট
  3. চন্দ্রায়ণ
  4. চূর্ণ
ব্যাখ্যা
• ণ-ত্ব বিধান:
যে রীতি অনুসারে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের বানানে ‘ন’ (দন্ত্য-ন) স্থানে ‘ণ’ (মূর্ধন্য-ণ) ব্যবহৃত হয়, তাকে ণ-ত্ববিধান বলে।
অর্থাৎ, তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।
যেমন- ঋণ, কারণ, মরণ, ভীষণ, ভাষণ ইত্যাদি।
- বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য-ণ ধ্বনির ব্যবহার নেই।
- সেজন্য বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য বর্ণ (ণ) লেখার প্রয়োজন হয় না।
- কিন্তু বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন -এর ব্যবহার আছে, তা বাংলায় অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।

• ণ-ত্ব-বিধানের নিয়ম:
১. ঋ, র, ষ- এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেমন- ঋণ, ঘৃণা, অরণ্য, বর্ণ, চূর্ণ, পাষাণ, কৃষাণ ইত্যাদি।
২. ট-বর্গীয় ধ্বনির সঙ্গে সংযুক্ত আকারে তৎসম শব্দে সব সময় মূর্ধন্য ‘ণ’ যুক্ত হয়। যেমন-কণ্টক, ঘণ্টা, অকুণ্ঠ, কাণ্ড, খণ্ড ইত্যাদি।

৩. ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, য়, ব, হ, ং, এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়।
যেমন- কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তারপরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ, অর্পণ (র্ + প্ + অ + ণ্), লক্ষণ (ক্ + ষ্ + অ + ন্)। এরূপ- তর্পণ, বর্ষণ, সমর্পণ, রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।

৪. পরি, প্র, নির-এ তিনটি উপসর্গের পর ণ-ত্ব বিধি অনুসারে ন-ধ্বনি লিখতে মূর্ধন্য ণ হয়। যেমন- পরিণত, পরিবহণ, প্রমাণ, প্রবণ, পরিণয়, প্রণত। ব্যতিক্রম: পরিনির্বাণ, নির্নিমেষ, প্রনষ্ট, পরিবহন বানানও শুদ্ধ।

৫. উত্তর, পর, পার, রবীন্দ্র, চন্দ্র, নার শব্দের পরে ‘অয়ন’/‘আয়ন’ প্রত্যয় হলে দন্ত্য ন পাল্টে মূর্ধন্য ণ হয়।
যেমন- উত্তর + অয়ন = উত্তরায়ণ, পর + অয়ন = পরায়ণ, রবীন্দ্র + অয়ন = রবীন্দ্রায়ণ, চন্দ্র + অয়ন = চন্দ্রায়ণ, নর + অয়ন = নারায়ণ ইত্যাদি।

• ণ-ত্ব বিধান প্রযোজ্য নয়:
• সমাসবদ্ধ শব্দে সাধারণত ণ-ত্ব বিধান খাটে না, এরূপ ক্ষেত্রে ‘ন' হয়।
যেমন- ত্রিনয়ন, সর্বনাম, দুর্নীতি, দুর্নাম, দুর্নিবার, পরনিন্দা, অগ্রনায়ক ইত্যাদি।

• ত-বর্গীয় বর্ণের সঙ্গে যুক্ত ন কখনো ণ হয় না, ন হয়।
যেমন- অন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন ইত্যাদি।

• বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ লেখার প্রয়োজন হয় না।

উৎস: বাংলা দ্বিতীয় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘বিপচ্ছায়া’ শব্দের শুদ্ধ সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. বিপ + চ্ছায়া
  2. বিপথ + ছায়া
  3. বিপত্তি + ছায়া
  4. বিপদ + ছায়া
ব্যাখ্যা
• ব্যঞ্জন সন্ধির নিয়ম: ত্ ও দ্-এর পর চ্ ও ছ্ থাকলে ত্ ও দ্ স্থানে চ হয়।
যেমন:
- দ্ + ছ = চ্ছ; বিপদ + ছায়া = বিপচ্ছায়া;
- ত্ + ছ = চ্ছ; উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ;
- ত্ + চ = চ্চ; সৎ + চিন্তা = সচ্চিন্তা;
- দ্ + চ = চ্চ; বিপদ + চয় = বিপচ্চয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘ক্ম’ যুক্তবর্ণটি কোন কোন বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. ক্ + ন
  2. ক্ + স
  3. ক্ + ম
  4. ক্ + ণ
ব্যাখ্যা
• ‘ক্ম’ যুক্তবর্ণটি ক্ ও ম বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত।

--------------------
• যুক্তবর্ণ:

একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না। এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।

• স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ক্ট, জ্জ, জ্ব, ঞ, ন্ড, ম্ফ, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, ঋ, ণ্ঠ, ড্ড, ন্স, প্ট, প্ত, প্প, ন্স, জ, ল্প, ল্ট, ল্ড, ল্প, ফ, শ্চ, শ্ছ, ষ্ট, ষ্ঠ, স্ফ, স্খ, স্ট, স্ক ইত্যাদি।

• অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ:
ব্ধ (ব্ +ধ),
ক্ত (ক্ + ত),
ক্ম (ক্ + ম),
ক্ষ (ক্ + ষ),
ক্ষ্ম (ক্ + ষ্ + ম),
ক্স (ক্ + স),
ণ্ড (ণ্ + ড),
গ্ধ (গ্ + ধ),
ঙ্গ (ঙ্ + গ),
জ্ঞ (জ্ + ঞ),
ঞ্চ (ঞ্ + চ),
ঞ্জ (ঞ্ + জ),
ষ্ণ (ষ্ + ণ),
হু (হ্ + উ),
হৃ (হ্ + ঋ),
হ্ন (হ্ + ন),
হ্ম (হ্ + ম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে চর্যাপদের রচনা শুরু হয়-
  1. ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে
  2. ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে
  3. ৮৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে
  4. ৯৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদের রচনাকাল সম্পর্কিত আলোচনা:
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌র মতে ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে চর্যাপদের রচনা কাল ধরেছেন।
- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে ৯৫০ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে পদগুলো রচিত। সুকুমার সেন সহ বাংলা সাহিত্যের প্রায় সব পণ্ডিতই সুনীতিকুমারকে সমর্থন করেন।

• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবার গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।

- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।
- সুকুমার সেন মনে করেন যে, চর্যাপদের পদসংখ্যা - ৫১টি; তবে তিনি তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন। আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন।
- আবার ড. শহীদুল্লাহ্ চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি বলে মনে করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘জারীগান’ ও ‘মুর্শীদা গান’ লোকসঙ্গীতের গ্রন্থদ্বয় সংকলন ও সম্পাদনা করেন কে?
  1. আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী
  2. দীনেশচন্দ্র সেন
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. জসীমউদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
‘জারীগান ও মুর্শীদা গান’ সংকলন:
• জসীমউদ্‌দীন জারীগান (১৯৬৮) ও মুর্শীদা গান (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন।
• ১৯৬৮ সালে তাঁর সম্পাদনায় কেন্দ্রীয় বাঙলা উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত হয় জারীগান। জারি গান একান্তভাবেই বাংলাদেশের নিজস্ব সৃষ্টি। এ গ্রন্থে জারি গানের মোট ২৩টি পালা সংকলিত হয়েছে। গ্রন্থের ভূমিকায় জসীমউদ্‌দীন জারি গানের উৎস এবং বিভিন্ন এলাকার জারি গানের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন।
• দ্বিতীয় গ্রন্থটি তাঁর মৃত্যুর পরে প্রকাশিত হয়।

--------------------------
• জসীমউদ্‌দীন:
- জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।
- ‘সুচয়নী’ জসীমউদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে।

• ভ্রমণকাহিনি: জার্মানীর শহরে বন্দরে।

• তাঁর রচিত স্মৃতিকথা:
- জীবনকথা (আত্মজীবনী),
- যাঁদের দেখেছি (স্মৃতিকথা),
- ঠাকুর বাড়ির আঙ্গিনায় (স্মৃতিকথা)।

• তাঁর রচিত শিশুতোষ:
- ডালিমকুমার,
- এক পয়সার বাঁশি,
- হাসু ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত নাটক:
- পদ্মাপার,
- বেদের মেয়ে,
- মধুমালা,
- পল্লীবধূ,
- গ্রামের মায়া ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি বিষ্ণু দে প্রকাশিত পত্রিকা?
  1. সাহিত্য
  2. কবিতা
  3. সাহিত্যপত্র
  4. প্রগতি
ব্যাখ্যা
• বিষ্ণু দে:
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক, চিত্রসমালোচক ও শিল্পানুরাগী।
- ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই কলকাতার পটলডাঙ্গায় তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা অবিনাশচন্দ্র দে ছিলেন অ্যাটর্নি।
- বিষ্ণু দে ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম ছিলেন।
- তিনি মার্কসবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ ছিলেন।
- তাঁর কবিতায় টি.এস এলিয়টের কবিতার প্রভাব রয়েছে।
- বিষ্ণু দে ‘পরিচয়’ পত্রিকায় (১৯৩১ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত) সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবং তাঁর প্রকাশিত অপর পত্রিকা হচ্ছে ‘সাহিত্যপত্র’।

• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- উর্বশী ও আর্টেমিস,
- চোরাবালি,
- সাত ভাই চম্পা,
- নাম রেখেছি কোমল গান্ধার,
- তুমি শুধু পঁচিশে বৈশাখ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- রুচি ও প্রগতি,
- সাহিত্যের ভবিষ্যৎ,
- রবীন্দ্রনাথ ও শিল্প সাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা।

• অনুবাদ সাহিত্য:
- এলিয়টের কবিতা।

অন্যদিকে:
• সুরেশচন্দ্র সমাজপতি সম্পাদিত পত্রিকা ‘সাহিত্য’।
• বুদ্ধদেব বসু, প্রেমেন্দ্র মিত্র, সমর সেন এই তিন কবি 'কবিতা' পত্রিকার সূচনা পর্বের সম্পাদনা সূত্রে সাথে যুক্ত ছিলেন।
• বুদ্ধদেব বসু ও অজিতকুমার দত্ত সম্পাদিত পত্রিকা 'প্রগতি'।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
‘সতী’ ছোটগল্পের রচয়িতা কে?
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
• ‘সতী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি ছোটগল্প।

গল্পের সার-সংক্ষেপ:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের "সতী" গল্পটি মূলত নারীর আত্মমর্যাদা, সমাজের অমানবিকতা এবং ত্যাগের করুণ চিত্র তুলে ধরে। গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র 'রামবউ' তার আত্মমর্যাদা রক্ষার জন্য নিজের জীবনকেও তুচ্ছভাবে গ্রহণ করে। এটি এক নারীর সাহসিকতা এবং তার জীবনসংগ্রামের কাহিনি।

------------------
• শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম উপন্যাস বড়দিদি (১৯০৭) ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম প্রকাশিত গল্পের নাম 'মন্দির'।
- তিনি 'মন্দির' গল্পের জন্য ১৯০৩ সালে কুন্তলীন সাহিত্য পুরষ্কার লাভ করেন।
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস হলো 'পথের দাবী' যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত ছোটগল্পগুলো হলো:
- মহেশ,
- বিলাসী,
- সতী,
- মামলার ফল ইত্যাদি।

- রামের সুমতি,
- মেজদিদি,
- বিন্দুর ছেলে,
- ছবি ইত্যাদি তারঁ সুখপাঠ্য বড়গল্প।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত উপন্যাস:
- দেনা-পাওনা,
- বড়দিদি,
- বিরাজ বৌ,
- পণ্ডিতমশাই,
- অরক্ষণীয়া,
- পরিণীতা,
- চন্দ্রনাথ,
- দেবদাস,
- নিষ্কৃতি,
- চরিত্রহীন,
- গৃহদাহ,
- পথের দাবী,
- শেষ প্রশ্ন,
- শেষের পরিচয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর; ‘সতী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘রামবোকা’ শব্দে ‘রাম’ খাঁটি বাংলা উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. নিন্দিত
  2. বড়
  3. অভাব
  4. কম
ব্যাখ্যা
• ‘রামবোকা’ শব্দে ‘রাম’ খাঁটি বাংলা উপসর্গটি ‘বড় বা উৎকৃষ্ট’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

-----------------------
• উপসর্গ:

বাংলা ভাষায় যেসব শব্দখণ্ড বা শব্দাংশ ধাতুর পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে বলে উপসর্গ।

• বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ,
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ এবং
৩. বিদেশি উপসর্গ।

• খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বলা হয়। খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি।
যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

[বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়।]

• সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় যেসকল সংস্কৃত উপসর্গ ব্যবহার করা হয় তাদের সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ বলে। সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
আরবি, ফারসি, ইংরেজি, হিন্দি এসব ভাষার বহু শব্দ দীর্ঘকাল ধরে বাংলা ভাষায় প্রচলিত আছে।
এছাড়া কিছু বিদেশি উপসর্গও বাংলায় চালু আছে।

• বিদেশি উপসর্গ অনির্দিষ্ট বা অনির্ণেয়।
যেমন:
- আরবি উপসর্গ: আম, খাস, লা, গর, বাজে এবং খয়ের।
- ফারসি উপসর্গ: কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম।
- উর্দু উপসর্গ: হর।
- ইংরেজি উপসর্গ: হেড, সাব, ফুল, হাফ।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
.
‘শাক > শাগ’ কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন?
  1. অন্তর্হতি
  2. ব্যঞ্জন বিকৃতি
  3. ধ্বনি বিপর্যয়
  4. ব্যঞ্জনচ্যুতি
ব্যাখ্যা
• ধ্বনি পরিবর্তন:
উচ্চারণের সময় সহজীকরণের প্রবণতায় শব্দের মূল ধ্বনির যেসব পরিবর্তন ঘটে তাকে বলা হয় ধ্বনি পরিবর্তন।

• ব্যঞ্জন বিকৃতি:
শব্দের মধ্যে কোনো কোনো সময় কোনো ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়। একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি । অর্থাৎ পদের অন্তর্গত কোনো বর্ণ পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করলে তাকে ব্যঞ্জন বিকৃতি বলে ।
যেমন:
- শাক > শাগ;
- ধোবা > ধোপা;
- কবাট > কপাট;
- ধাইমা > দাইমা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• ধ্বনি বিপর্যয়: শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
যেমন:
- পিশাচ > পিচাশ,
- লাফ > ফাল।

• ব্যঞ্জনচ্যুতি:
পাশাপাশি সমউচ্চারণের দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে তার একটি লোপ পায়। এরূপ লোপকে বলা হয় ধ্বনিচ্যুতি বা ব্যঞ্জনচ্যুতি।
যেমন:
- বড়দাদা > বড়দা;
- বউদিদি > বউদি ইত্যাদি।

• অন্তর্হতি:
পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে বলে অন্তর্হতি।
যেমন:
- ফলাহার > ফলার;
- আলাহিদা > আলাদা;
- ফাল্গুন > ফাগুন ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
‘ঘুমাইতে দাও শ্রান্ত রবিরে’ শোকসঙ্গীতটির রচয়িতা কে?
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. অতুলপ্রসাদ সেন
  3. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুতে শোকাহত নজরুল তাৎক্ষণিকভাবে রচনা করেন ‘রবিহারা’ ও ‘সালাম অস্তরবি’ কবিতা এবং ‘ঘুমাইতে দাও শ্রান্ত রবিরে’ শোকসঙ্গীত।
• ‘রবিহারা’ কবিতা নজরুল স্বকণ্ঠে আবৃত্তি করেন কলকাতা বেতারে, গ্রামোফোন এর রেকর্ডে।
• ‘ঘুমাইতে দাও’ গানটিও কয়েকজন শিল্পীকে নিয়ে স্বকণ্ঠে গেয়েছিলেন। 

-------------------------
• কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

• কাজী নজরুল ইসলামের সংগীত বিষয়ক গ্রন্থ:
- চোখের চাতক,
- নজরুল গীতিকা,
- সুর সাকী,
- বনগীতি প্রভৃতি।

• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা,
- মৃত্যুক্ষুধা,
- কুহেলিকা।

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- দুর্দিনের যাত্রী,
- যুগবাণী,
- রুদ্র মঙ্গল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
“দেশে বিদেশে” সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত কোন দেশের ভ্রমণ-কাহিনিভিত্তিক রচনা?
  1. জাপানের
  2. অস্ট্রেলিয়ার
  3. আফগানিস্তানের
  4. মস্কোর
ব্যাখ্যা
• 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনি:
- ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ।
- ভ্রমণ কাহিনিটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।
- নিজে বিভিন্ন দেশে বিশেষত কাবুলে অবস্থান ও ভ্রমণ করে যে বিচিত্র অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন, তার পরিচয় আছে এই গ্রন্থে।
- এর ভাষা সহজ, উপস্থাপনায় লেখকের সাবলীলতা ও আড্ডার মেজাজ প্রকাশ পেয়েছে।
- রাজনৈতিক ঝোড়ো হাওয়া, সাধারণ মানুষের জীবন, সাংস্কৃতিক জীবনের নানা পরিচয়, অপরিচিত দেশের নানা বৈশিষ্ট্য সব ফুটে  উঠেছে এক অপূর্ব আন্তরিক ভঙ্গিতে।
- গ্রন্থটির রচনাশৈলী অসাধারণ বলে প্রথম গ্রন্থেই মুজতবা আলী পাঠকহৃদয় জয় করেন।

--------------------
• সৈয়দ মুজতবা আলী:
- তিনি ছিলেন শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক।
- ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল মৌলভীবাজারের উত্তরসুর গ্রামে।
- তিনি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৬ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।
- সৈয়দ মুজতবা আলী 'দেশে-বিদেশে' গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যাঙ্গনে প্রথম প্রবেশ ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। কাবুলে অবস্থানের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও অন্তরঙ্গ উপলব্ধির ফসল এই গ্রন্থখানি।
- তাঁর একটি অনবদ্য গ্রন্থ 'পূর্ব-পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা'।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।
- ১৯৭৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম।

• তাঁর রচিত রম্য-রচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী।

• তাঁর রচিত ছোটগল্পগ্রন্থ:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

উৎস: 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনি; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১২.
‘ই’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ কোনটি?
  1. কাঙাল - কাঙালিনি
  2. জেলে - জেলেনি
  3. বেদে - বেদেনি
  4. দাদা - দাদি
ব্যাখ্যা
নরবাচক শব্দকে নারীবাচক শব্দে পরিবর্তন করতে সাধারণত কিছু প্রত্যয় যোগ করতে হয়।
যেমন-
‘ই’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ:
• দাদা - দাদি।

‘ইনি’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ:
• কাঙাল - কাঙালিনি;
• বাঘ - বাঘিনি।

‘আ’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ:
• প্রিয় - প্রিয়া;
• কনিষ্ঠ - কনিষ্ঠা।

‘ইনী’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ:
• বিজয়ী - বিজয়িনী;
• যোগী - যোগিনী;
• তেজস্বী - তেজস্বিনী।

‘নি’ প্রত্যয়যোগে লিঙ্গান্তরিত শব্দ:
• জেলে - জেলেনি;
• বেদে - বেদেনি;
• ধোপা - ধোপানি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১৩.
‘জনৈক’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. নিত্য সমাস
  2. বহুব্রীহি সমাস
  3. অলুক তৎপুরুষ সমাস
  4. প্রাদি সমাস
ব্যাখ্যা
• নিত্য সমাস:
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো সর্বদা সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না, সে সমাসকে নিত্য সমাস বলা হয়। এ সমাসের ব্যাসবাক্যের প্রারম্ভে 'অন্য' বা 'কেবল' প্রভৃতি শব্দ বসে।
যেমন:
- অন্য গ্রাম - গ্রামান্তর;
- অন্য দেশ - দেশান্তর;
- কেবল দর্শন - দর্শনমাত্র;
- কেবল যাওয়া - যাওয়ামাত্র;
- এক জন - জনৈক;
- প্রতিমাথা - মাথাপিছু;
- ঈষৎ ঘোলা - ঘোলাটে;
- কেবল বলা - বলামাত্র।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৪.
কোনটি সুকুমার রায় রচিত শিশুতোষ সাহিত্য?
  1. ওটেন সাহেবের বাংলো
  2. ইতল বিতল
  3. খাইখাই
  4. ডালিমকুমার
ব্যাখ্যা
• ‘খাইখাই' সুকুমার রায় রচিত শিশুতোষ সাহিত্য।

• সুকুমার রায়:
- শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় ১৮৮৭ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী হলো সুকুমার রায়ের পিতা।
- সুকুমার রায়ের পুত্র অস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল ময়মনসিংহ জেলার মসুয়ায়।

• তাঁর রচিত অন্যান্য শিশুতোষ সাহিত্য:
- আবোল-তাবোল।
- হ-য-ব-র-ল।
- পাগলা দাশু।
- বহুরূপী।
- খাইখাই।
- অবাক জলপান।
- ঝালাপালা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• শওকত ওসমান রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ ‘ওটেন সাহেবের বাংলো’।
• শিশুতোষ গ্রন্থ 'ইতল বিতল' এর রচয়িতা সুফিয়া কামাল।
• ‘ডালিমকুমার’ জসীমউদ্‌দীন রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিক স্টিভেনসনের 'প্রিন্স অটো' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসে?
  1. ঘরে-বাইরে
  2. গোরা
  3. চার-অধ্যায়
  4. প্রায়শ্চিত্ত
ব্যাখ্যা
• ‘ঘরে-বাইরে’ উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস।
- ১৯১৬ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত।
- ঘরে-বাইরে উপন্যাসের সাথে পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিক স্টিভেনসনের 'প্রিন্স অটো' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে।
- স্টিভেনসনের সেরাফিনা, অটো ও গোনড্রেমাক যথাক্রমে রবীন্দ্রনাথের বিমলা, নিখিলেশ ও সন্দীপ।
- তবে স্টিভেনসনের উপস্থাপনা ব্যঙ্গাত্মক, সমাপ্তি মিলনাত্মক কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কাহিনি সকরুণ, সিরিয়াস।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- বিমলা,
- নিখিলেশ ও
- সন্দীপ।

------------------
অন্যদিকে:
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গোরা’ উপন্যাসটি- ধর্মান্দোলন, স্বদেশপ্রেম, এবং নারীমুক্তি চিন্তার পটভূমিকায় লেখা হয়েছে।

• 'চার অধ্যায়' (১৯৩৪) একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। অসহযোগ আন্দোলনের পর বাংলায় নতুন করে যে হিংসাত্মক বিপ্লব-প্রচেষ্টা দেখা দিয়েছিলো, 'চার-অধ্যায়' উপন্যাসে তার তত্ত্ববিশ্লেষণ এবং নিরপেক্ষ মূল্য নির্ধারণের চেষ্টা আছে৷ সন্ত্রাসবাদের সমালোচনা করে এই উপন্যাসটি রচিত।

• 'প্রায়শ্চিত্ত' নাটককে বলা হয় রবীন্দ্রনাথের শেষ মানভূমিক নাটক। টলস্টয়ের নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধ নীতির প্রভাব ও গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের পূর্বাভাস পাওয়া যায় এ নাটকে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬.
মীর মশাররফ হোসেন কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. যশোর
  2. বরিশাল
  3. কুষ্টিয়া
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
• মীর মশাররফ হোসেন:
- মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- মশাররফ হোসেন ছাত্রাবস্থায় সংবাদ প্রভাকর ও কুমারখালির গ্রামবার্তা প্রকাশিকা-র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন। এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তা প্রকাশিকার সম্পাদক ‘কাঙাল হরিনাথ’ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।
- তিনি আজিজননেহার ও হিতকরী নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- মীর মশাররফ ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
• নাটক:
- বসন্তকুমারী,
- জমীদার দর্পণ,
- বেহুলা গীতাভিনয়।

• প্রহসন:
- টালা অভিনয়,
- এর উপায় কি,
- ফাঁস কাগজ,
- ভাই ভাই এইতো চাই।

• উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু।

• আত্মজীবনীমূলক রচনা:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা,
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী,
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭.
‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকের অন্তর্গত চরিত্র কোনটি?
  1. দেবযানী
  2. ধনদাস
  3. বিভীষণ
  4. প্রমীলা
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণকুমারী:
- 'কৃষ্ণকুমারী' (১৮৬১) নাটকের কাহিনি উইলিয়াম টডের ‘রাজস্থান' নামক গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত।
- এই নাটকে মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি রচনা করেন। এজন্য নাটকটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হলেও নাটকটি রচিত হয়েছিল ১৮৬০ সালে।
- রচনার প্রায় সাত বছর পর এ নাটক ‘শোভাবাজার থিয়েটারে' ১৮৬৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম অভিনীত হয়।

এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো:
- কৃষ্ণকুমারী,
- মদনিকা,
- ভীমসিংহ,
- জগৎসিংহ,
- ধনদাস প্রমুখ।

অন্যদিকে,
• ‘শর্মিষ্ঠা’ নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: যযাতি, দেবযানী, শর্মিষ্ঠা, মাধব্য, পূর্ণিমা, রাজমন্ত্রী প্রমুখ।
• ‘মেঘনাদবধ’ কাব্যের কয়েকটি প্রধান চরিত্র: রাবণ, মেঘনাদ, লক্ষ্মণ, রাম, প্রমীলা, বিভীষণ, সীতা ও সরমা ইত্যাদি।

----------------------------
• মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষায় সনেটের প্রবর্তক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দেরও প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন তাঁর ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি। এটি ইংরেজিতে রচিত।

তাঁর রচিত নাটক:
- শর্মিষ্ঠা,
- পদ্মাবতী,
- কৃষ্ণকুমারী।

তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব,
- মেঘনাদবধ,
- ব্রজাঙ্গনা,
- বীরাঙ্গনা,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের ‘প্রথম শিল্পী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন কে?
  1. বিহারীলাল চক্রবর্তী
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
- বিদ্যাসাগর গদ্যরীতির মধ্যে লালিত্যসঞ্চার ও নমনীয়তা আনয়নপূর্বক ভাষারীতি হিসেবে গদ্যের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে গৌরবময় অগ্রগতি সাধন করেন।
- তিনি বাংলা ভাষার অন্তর্নিহিত ধ্বনিপ্রবাহ অনুধাবন করে বাক্যে স্বাভাবিক শব্দানুবৃত্তির রূপ প্রদান পূর্বক গদ্যরীতিতে পরিমিতিবোধ সৃষ্টি করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের ‘প্রথম শিল্পী’ বলে অভিহিত করেছেন।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থের নাম হলো:
• 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (হিন্দি বৈতালপৈচ্চিসির বঙ্গানুবাদ ১৮৪৭)।
• 'শকুন্তলা' (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলম নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ, ১৮৫৪)।
• 'সীতার বনবাস’ (ভবভূতির উত্তররাম চরিত নাটকের প্রথম অঙ্কের ও রামায়ণের উত্তর কাণ্ডের বঙ্গানুবাদ, ১৮৬০)।
• ‘ভ্রান্তিবিলাস' (শেক্সপিয়ারের Comedy of Errors-এর বঙ্গানুবাদ, ১৮৬৯)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
১৯.
'অ' বর্ণের [ও] উচ্চারণ হয়েছে নিচের কোন শব্দে?
  1. অনাথ
  2. অতি
  3. কথা
  4. অনেক
ব্যাখ্যা
• 'অতি' শব্দে 'অ' বর্ণের [ও] উচ্চারণ হয়েছে।

-------------------------------------
• 'অ' বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [অ] এবং [ও]।
- সাধারণ উচ্চারণ [অ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে [অ] কখনো কখনো [ও]-এর মতো উচ্চারিত হয়।

• 'অ' বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: অনেক [অনেক্], কথা [কথা], অনাথ [অনাথ্]।
• 'অ' বর্ণের [ও] উচ্চারণ: অতি [ওতি], অণু [ওনু], পক্ষ [পোক্খো‌], অদ্য [ওদ্‌দো], মন [মোন্]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২০.
'Phonetics' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. ধ্বনিতত্ত্ব
  2. ধ্বনিমূল
  3. ধ্বনিবিজ্ঞান
  4. অভিধানতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• 'Phonetics' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - ধ্বনিবিজ্ঞান।

অন্যদিকে,
• ‘Phonology' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - ধ্বনিতত্ত্ব।
• ‘Phoneme’ শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - ধ্বনিমূল।
• ‘Lexicology’ এর পারিভাষিক শব্দ - অভিধানতত্ত্ব।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা; বাংলা একাডেমি, প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খণ্ড)।
২১.
‘নিষ্ক্রিয় দর্শক’ অর্থে কোন বাগ্‌ধারাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. সাক্ষী গোপাল
  2. কুমড়ো কাটা বটঠাকুর
  3. রামগরুড়ের ছানা
  4. গোঁয়ার গোবিন্দ
ব্যাখ্যা
• 'সাক্ষী গোপাল' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - নিষ্ক্রিয় দর্শক।

অন্যদিকে,
• 'কুমড়ো কাটা বটঠাকুর' অর্থ - অকর্মণ্য লোক।
• 'রামগরুড়ের ছানা' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - গোমড়ামুখো লোক।
• 'গোঁয়ার গোবিন্দ' অর্থ - কাণ্ডজ্ঞানহীন।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২.
শব্দের পরে বসে শব্দকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে কোনটি?
  1. প্রত্যয়
  2. অনুসর্গ
  3. উপসর্গ
  4. আবেগ
ব্যাখ্যা
• অনুসর্গ:
যেসব শব্দ কোনো শব্দের পরে বসে শব্দটিকে বাক্যের সঙ্গে সম্পর্কিত করে, সেসব শব্দকে অনুসর্গ বলে।
যেমন:
- রুনা অপেক্ষা পুতুলের পরীক্ষা ভালো হয়েছে।
- কোন পর্যন্ত পড়েছ?
[উপরের বাক্যে ব্যবহৃত ‘অপেক্ষা’ ও ‘পর্যন্ত’ অনুসর্গের উদাহরণ।]

• এরূপ আরো কয়েকটি অনুসর্গের উদাহরণ হলো:
অপেক্ষা, অবধি, অভিমুখে, আগে, উপরে, করে, কর্তৃক, কাছে, কারণে, ছাড়া, জন্য, তরে, থেকে, দিকে, দিয়ে, দ্বারা, ধরে, নাগাদ, নিচে, পর্যন্ত, পানে, পাশে, পিছনে, প্রতি, বদলে, বনাম, বরাবর, বাইরে, বাদে, বাবদ, বিনা, ব্যতীত, ভিতরে, মতো, মধ্যে, লেগে, সঙ্গে, সম্মুখে, সাথে, সামনে, হতে ইত্যাদি।

• যেসব শব্দের পরে অনুসর্গ বসে, সেসব শব্দের সঙ্গে ‘কে’ ‘রে’ ইত্যাদি বিভক্তিও যুক্ত হতে পারে।
যেমন:
- তোমাকে দিয়ে এ কাজ সম্ভব!

-----------------------
অন্যদিকে,
• উপসর্গ:
যেসব অর্থহীন শব্দাংশ অন্য শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে।
- অজানা (অ+জানা), অভিযোগ (অভি+যোগ), বেতার (বে+তার) প্রভৃতি শব্দের ‘অ', 'অভি', 'বে' হলো উপসর্গ।

• আবেগ:
মনের নানা ভাব প্রকাশ করা হয় যেসকল শব্দ দিয়ে সেগুলোকে আবেগ বলে।এই ধরনের শব্দ বাক্যের অন্য শব্দগুলোর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত না হয়ে আলগাভাবে বা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন- ছি ছি, আহা, বাহ্, শাবাশ, হায় হায় ইত্যাদি।

• প্রত্যয়:
যেসকল শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে সেগুলোকে প্রত্যয় বলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৩.
‘গোলাম’ শব্দের স্ত্রীবাচক শব্দ কোনটি?
  1. আয়া
  2. ঝি
  3. বাঁদি
  4. কামিন
ব্যাখ্যা
• কিছু শব্দে ভিন্ন শব্দ ব্যবহার করে লিঙ্গ পরিবর্তন করা হয়।
যেমন:
• গোলাম - বাঁদি,
• কুলি - কামিন,
• খানসামা - আয়া,
• চাকর - ঝি,
• শুক - শারি,
• সাধু - সাধবী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
২৪.
'The Shepheardes Calender' is written by -
  1. Poet of the Nature
  2. Poet of the poets
  3. Lake poet
  4. Metaphysical poet
ব্যাখ্যা
• The Shepheardes Calender:
- এটি Edmund Spenser রচিত, তিনি 'Poet of the poets' নামে পরিচিত। 
- 'The Shepherd's Calendar' is a series of poems by Edmund Spenser.
- ১৫৭৯ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- It is considered to mark the beginning of the English Renaissance in literature.

• Edmund Spenser:
- তিনি একজন English poet.
- তার long allegorical poem, 'The Faerie Queene' is one of the greatest in the English literature.
- Elizabethan যুগের কবি। 
- তিনি 'Poet of the poets' নামে পরিচিত। 
- তার কবিতা The Faerie Queene ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত কবিতা। 

• Notable work:
- A View of the Present State of Ireland,
- Amoretti,
- Colin Clouts Come Home Again,
- Complaints,
- The Faerie Queene,
- The Shepheard's Calender.

Source: Britannica.
২৫.
"Aureng Zebe" is written during -
  1. Post Modern period
  2. Restoration period
  3. Victorian period
  4. Augustan period
ব্যাখ্যা
• Aureng-Zebe: 
- এই নাটকটি রচনা করেন John Dryden, তিনি Restoration period এর একজন লেখক তাই এটি Restoration period এর রচনা।
- এটি একটি Heroic play.
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এবং তার সন্তানদের কাহিনি এই নাটকের উপজীব্য বিষয়।
- It is a tragic play set in the Mughal Empire, focusing on the themes of power, love, and betrayal.

• John Dryden:
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং literary critic.
- তিনি the Restoration Period এর একজন লেখক।

• John Dryden রচিত অন্যান্য সাহিত্যকর্ম সমূহ:
- Absalom and Achitophel,
- Annus Mirabilis,
- Astraea Redu,
- The Essay of Dramatic Poesy.

Source: Britannica.
২৬.
Which kind of literary work is Byron's "The Vision of Judgement"?
  1. Novel
  2. Play
  3. Autobiography
  4. Poem
ব্যাখ্যা
• The Vision of Judgement:
- এটি Lord Byron- রচিত একটি ব্যঙ্গাত্মক কবিতা।
- এই কবিতাটি Poet Laureate 'Robert Southey' রচিত 'A Vision of Judgement' এর জবাবে লেখা হয়েছিল।
- এখানে, কবি irony, hyperbole ও sarcasm-র মাধ্যমে তৎকালীন রাজতন্ত্র ও সমাজব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করেছেন।

• Lord Byron:
- Lord Byron-র পুরো নাম George Gordon Byron.
- George Gordon Byron একজন British Romantic Poet এবং Satirist ছিলেন।

• Best Works:
• Poetry:
- Childe Harold’s Pilgrimage,
- Don Juan,
- English Bards and Scotch Reviewers,
- Hours of Idleness,
- Heaven and Earth.
- She walks in Beauty,
- The Vision of Judgement.

• উল্লেখ্য যে, 'The Vision of Last Judgement' নামে William Blake এর একটি painting এবং একটি essay রয়েছে।

Source: Britannica.
২৭.
"He who has never hoped can never despair." - Who phrased this?
  1. Oscar Wilde
  2. Virginia Woolf
  3. George Bernard Shaw
  4. Jane Austen
ব্যাখ্যা
• "He who has never hoped can never despair." এই লাইনটি George Bernard Shaw রচিত Ceasar and Cleopatra থেকে নেওয়া হয়েছে।

• Ceasar and Cleopatra:
- এটি George Bernard Shaw রচিত। 
- এটি একটি four-act play
- ১৮৯৮ সালে এই নাটক টি লেখা হয়েছিল এবং ১৯০১ সালে এটি প্রকাশিত হয়। 
- It was first produced in 1906.
- এই play টিকে G.B Shaw এর first great play হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

• "He who has never hoped can never despair." - এটি এই নাটকের একটি লাইন।

• George Bernard Shaw (1856 – 1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw. 
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার। 
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক। 
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান। 

 • Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House;
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

Source: Britannica.
২৮.
'The Adventures of Sherlock Holmes' is written by -
  1. Arthur Conan Doyle
  2. Doris Lessing
  3. J.K. Rowling
  4. Milan Kundera
ব্যাখ্যা
The Adventures of Sherlock Holmes:
- এটি রচনা করেন Sir Arthur Conan Doyle.
- এটা মূলত একটা fictional detective বা গোয়েন্দা কাহিনি। মোট ১২ টি গল্পের সমষ্টি। পুস্তকাকারে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল ১৮৯২ তে।
- ১ম গল্পটির নাম: A Scandal in Bohemia.
- অন্যতম চরিত্র Dr. Watson এর বর্ণনায় সব গুলো কাহিনি এগিয়ে যায়। গোয়েন্দা কাহিনি হলেও এগুলোর মাধ্যমে সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। জীবনের শেষভাগে তিনি spiritualism এর প্রতি আকৃষ্ট হন।

• প্রধান চরিত্রসমূহ:
- Sherlock Holmes: পেশাদার গোয়েন্দা। বসবাস করেন 221b Baker Street, London এ।
- John H. Watson: তিনি হলেন Sherlock Holmes এর অন্তরঙ্গ বন্ধু এবং রুমমেট। তার বর্ণনায়ই কাহিনি উপস্থাপিত হয়।
- Mycroft Holmes,
- Scotland Yard Inspectors.

Sherlock Holmes সিরিজের কয়েকটি জনপ্রিয় উপন্যাসের নাম:
- The Sign of Four,
- The Valley of Fear,
- The White Company.

• Sir Arthur Conan Doyle (1859-1030)
- He was born in Edinburgh, Scotland in 1859.
- বিশ্বনন্দিত ফিকশন শার্লক হোমসের স্রষ্টা।
- স্কটল্যান্ডে জন্ম নেয়া এই লেখক পেশায় ডাক্তার ছিলেন।
- South African War এর যুদ্ধে দক্ষতা এবং অসামান্য মানবিকতার সাথে চিকিৎসকের দায়িত্ব পালন করার জন্য তাকে নাইট উপাধি দেয়া হয়।

Source: Live MCQ Lecture.
২৯.
Who wrote 'Moby Dick'?
  1. Herman Melville
  2. George Eliot
  3. Thomas Hardy
  4. William Makepeace Thackeray
ব্যাখ্যা
Moby Dick:
- Herman Melville রচিত একটি novel.
- The novel, 'Moby Dick' by Herman Melville depicts - the story of a whale.
- অর্থাৎ, Moby Dick' in the novel is A Giant Whale.
- উপন্যাসটির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে একটি তিমি শিকারকে কেন্দ্র করে।
- একটি whaling vessel বা শিকারকারি জাহাজে করে গল্পের চরিত্রগুলো সমুদ্রের উদ্দেশ্যে তাদের যাত্রা শুরু করে।
- এই জাহাজটি নাম হচ্ছে - 'Pequod'.
- Moby Dick নামক white gaint whale বা তিমিটিকে শিকারের কাহিনির উপ্যাখান দেখা যায় পুরো কাহিনি জুড়ে, যার সমাপ্তি ঘটে বর্ণনাকারী Ismael ব্যাতীত সকলের মৃত্যুর মধ্যে দিয়েই।
- But the irony is - The white whale does not die in Moby Dick at the end!

• Herman Melville
- তিনি হচ্ছেন একজন American Novelist, short-story writer and poet.
- Moby Dick, a novel by Herman Melville, published in London in October 1851 as "The Whale" and a month later in New York City as Moby-Dick; or, The Whale.
- It is dedicated to Nathaniel Hawthorne.
- Moby Dick is generally regarded as Melville’s magnum opus and one of the greatest American novels.

• Famous novels of Herman Melville are:
- Moby Dick,
- White Jacket,
- Bartleby, the Scrivener.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica and Sparksnotes.
৩০.
The manager promised the employees a bonus. (Passive)
  1. The employees were be promised a bonus by the manager.
  2. The employees were promised a bonus by the manager.
  3. The employees are promised a bonus by the manager.
  4. The employees were to promised a bonus by the manager.
ব্যাখ্যা
• Double object যুক্ত Active Voice কে Passive Voice এ রূপান্তরের নিয়ম: 
- দুটি object এর যেকোন একটিকে passive voice এর subject করতে হয় (তবে ব্যক্তিবাচক অর্থাৎ Indirect object- কে subject করাই শ্রেয়), 
- Tense অনুযায়ী Auxiliary verb বসে, 
- প্রদত্ত মূল verb এর Past Participle বসে,
- প্রদত্ত বাকি object টি বসে,
- by বসে,
- প্রদত্ত active voice এর subject টি object রূপে বসে।

Examples - 
Active: He won't give you any chance.
Passive: You won't be given any chance by him.

Active: The manager promised the employees a bonus.
Passive: The employees were promised a bonus by the manager.
৩১.
Had he followed the doctor's advice, he __________ sooner.
  1. recovered
  2. would recovered
  3. would recover
  4. would have recovered
ব্যাখ্যা
• Third conditional এর নিয়মানুযায়ী - 
- অনেকসময় conditional-এ subordinate conjunction if এর পরিবর্তে sentence এর শুরুতে Had ব্যবহার করা যায় এবং এর পর verb এর past participle form বসে।
- Conditional sentence- এ Had + Sub + V3 + Ext. এভাবে কোন Sentence শুরু হলে সেটিও Perfect conditional/ 3rd conditional হয়।
- তাই পরবর্তী clause এ would/could/might + have + V3 + extension ব্যবহৃত হয়।

Examples:
- Had I seen him, I would have told him the matter.
- If I had studied harder, I would have passed the exam.

Complete sentence: Had he followed the doctor's advice, he would have recovered sooner.
Bangla meaning: "যদি সে ডাক্তারের পরামর্শ অনুসরণ করত, তবে সে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠত।"

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition by Chowdhury & Hossain.
৩২.
Choose the correct sentence.
  1. He asked me for money but I told him to jog on.
  2. He asked me for money but I told him to jog out.
  3. He asked me for money but I told him to jog off.
  4. He asked me for money but I told him to jog in.
ব্যাখ্যা
• Jog on: [phrasal verb]
English meaning: used to tell someone forcefully and rather rudely to go away/ go away.
Bangla meaning: কাউকে অভদ্রভাবে চলে যেতে বলা।

Example: 
- This is me - accept it or jog on.
- If you don't like it - jog on.

Correct sentence: He asked me for money but I told him to jog on.
Bangla: সে আমার কাছে টাকা চাইল কিন্তু আমি তাকে চলে যেতে বললাম।

Source: Cambridge & Collins Dictionary.
৩৩.
Neither of the books ______ interesting enough to read.
  1. have
  2. were
  3. was
  4. are
ব্যাখ্যা
• সাধারণত Neither of এর পরে plural noun বা pronoun এবং singular verb বসে।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনটিই নয় বুঝানো হয়।

• 'Neither of' যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়মাবলী:
- Neither + of + plural noun + singular verb.
- Neither of এর পরে plural noun এবং singular verb বসে।

Example: 
- Neither of the two men was strong.
- Neither of the students has submitted the term paper to the teacher yet.

Complete Sentence: Neither of the books was interesting enough to read.
৩৪.
The word 'Analogous' is -
  1. Noun
  2. Adverb
  3. Adjective
  4. Verb
ব্যাখ্যা
• Analogous (adjective)

English Meaning: Having similar features to another thing and therefore able to be compared with it.
Bangla Meaning: (with) অনুরূপ; সদৃশ: They are analogous with each other.

Other Forms: Analogously (adverb).

Example Sentence: 
1. The emergency vehicle for the International Space Station is analogous to a lifeboat.
2. The wings of a bee and those of a hummingbird are analogous.

Source: Live MCQ Lecture.
৩৫.
Choose the synonym of 'Inherent'.
  1. Congenital
  2. Exorbitant
  3. Inapt
  4. Combative
ব্যাখ্যা
• Inherent (adjective)

English Meaning: Existing as a natural and permanent quality of something or someone.
Bangla Meaning: Inherent (in) স্বাভাবিক বা স্থায়ী অংশ বা গুণরূপে বিদ্যমান; সহজ; স্বাভাবিক; অন্তঃস্থায়ী; অন্তঃশায়ী; আনুষঙ্গিক: inherent nature, স্বভাব; অন্তঃপ্রকৃতি; an inherent quality, স্বাভাবিক গুণ: an inherent love, সহজাত ভালবাসা; the power inherent in the office of the President.

Synonyms: Innate (স্বভাবজ), Immanent (অন্তর্নিহিত), Congenital (জন্মগত), Built in, (স্বভাজাত) Inborn(জন্মগত)।
Antonyms: Acquired (অর্জিত), Alien (নিজস্ব নহে এমন), Extrinsic (বহি:স্থ), Alien (বেমানান), Inapt(অনুপযুক্ত)। 

Other Forms: Inherently (adverb).

Example Sentence: 
1. I have always been conscious of the inherent dangers to our natural world from our industry.
2. He has an inherent sense of fair play.

Options,
- Exorbitant (অতিশয়/ গলাকাটা মূল্য),
- Combative (শত্রুতামূলক)।

Source: Live MCQ Lecture.
৩৬.
The results of the survey are presented ________ page 130 of the report.
  1. on
  2. in
  3. at
  4. by
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - on.
Complete sentence: The results of the survey are presented on page 130 of the report.
Bangla meaning: সমীক্ষার ফলাফল প্রতিবেদনের 130 পৃষ্ঠায় উপস্থাপন করা হয়েছে।

• Preposition এর নিয়মানুযায়ী,
সাধারণত কোনো বই, বা ডকুমেন্ট বা যেকোনো কিছুর নির্দিষ্ট পৃষ্ঠা বুঝালে এর পূর্বে সবসময় at বসবে।
- যেমন: Open at the page 50.
- এখানে, নির্দিষ্ট করে ৫০ নাম্বার পৃষ্ঠা খুলতে বলা হয়েছে তাই at বসেছে।

কিন্তু, যদি সেই নির্দিষ্ট পৃষ্ঠাতে কোনো কিছুর উপস্থিতি নির্দেশ করে তাহলে at এর পরিবর্তে on বসে।
- যেমন: Please see the answer on page 50.
- এখানে, নির্দিষ্ট করে ৫০ নাম্বার পৃষ্ঠায় উত্তর দেখতে বলা হয়েছে তাই on বসেছে।

• প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে বুঝানো হয়েছে যে, সমীক্ষার ফলাফল প্রতিবেদনের 130 পৃষ্ঠায় উপস্থাপন করা হয়েছে।
- যেহেতু নির্দিষ্ট পৃষ্ঠায় কোন কিছুর অবস্থান নির্দেশ করা হচ্ছে, তাই এখানে উত্তর হবে on.
৩৭.
Choose the correct one.
  1. People at the top often seemed to be excused from responsibility for things that happened to their watch.
  2. People at the top often seemed to be excused from responsibility for things that happened by their watch.
  3. People at the top often seemed to be excused from responsibility for things that happened at their watch.
  4. People at the top often seemed to be excused from responsibility for things that happened on their watch.
ব্যাখ্যা
• On someone's watch: [phrase]
English meaning: at a time when someone is in charge of a particular situation and responsible for what happens.
Bangla meaning: এমন সময়ে যখন কেউ একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতির দায়িত্বে থাকে এবং যা ঘটে তার জন্য দায়ী।

Example:
- This happened on my watch. And I intend to resolve it.
- The President exaggerated the number of jobs that were created on his watch.
- You need to make sure that nobody gets hurt on your watch.
- A lot of difficult problems occurred on Sarah's watch.

Correct sentence: People at the top often seemed to be excused from responsibility for things that happened on their watch.
Bangla meaning: শীর্ষস্থানীয় লোকেরা প্রায়শই তাদের তত্ত্বাবধানে ঘটে যাওয়া বিষয়গুলোর দায়-দায়িত্ব থেকে রেহাই পেয়ে যায় বলে মনে হয়।

Source: Cambridge Dictionary.
৩৮.
He’s, like, really friendly – someone you can talk to. The underlined part is -
  1. Preposition
  2. Noun
  3. Adverb
  4. Adjective
ব্যাখ্যা
• He’s, like, really friendly – someone you can talk to. The underlined part is - Adverb.

• Like: [Adverb]
English meaning: used in conversation to emphasize what follows, or when you cannot express your exact meaning.
Bangla meaning: কথোপকথনে কোন কিছুর উপর জোর দিতে ব্যবহার করা হয়, বা যখন কোন কিছুর সঠিক অর্থ প্রকাশ করা যায় না।

Example:
- He’s, like, really friendly – someone you can talk to.
- It was, like, getting pretty late but I didn’t want to go home yet.

Source: Cambridge Dictionary.
৩৯.
Antonym of 'Condone' -
  1. Slink
  2. Aplomb
  3. Rebuke
  4. Disregard
ব্যাখ্যা
• Condone (Verb transitive)

English Meaning: To ignore or accept behavior that some people consider wrong.
Bangla Meaning: (১) (অপরাধ) ক্ষমা করা; না দেখার ভান করা।
(২) ক্ষতিপূরণ করা; পুষিয়ে যাওয়া: His honesty condones his many shortcomings.

Synonyms: Disregard (অগ্রাহ্য করা), Forgive (মার্জনা করা), Pardon (ক্ষমা করা), Excuse (মার্জনা করা), Ignore (উপেক্ষা করা)।
Antonyms: Condemn (দোষ দেওয়া), Punish (শাস্তি বা দণ্ড দেওয়া), Castigate (নিন্দা করা), Rebuke (তিরষ্কার করা), Criticize (সমালোচনা করা)।  

Options,
- Aplomb (আত্মবিশ্বাস, ঋজুতা),
- Slink (ধীর এবং সতর্ক পদক্ষেপে হাঁটা)।

Source: Live MCQ Lecture.
৪০.
Identify the correct sentence.
  1. My two-year-older nephew is starting to speak in full sentences.
  2. My two-year-olds nephew is starting to speak in full sentences.
  3. My two-years-old nephew is starting to speak in full sentences.
  4. My two-year-old nephew is starting to speak in full sentences.
ব্যাখ্যা
• Hyphenated Adjective:
- দুই বা ততোধিক Adjective Hyphen (-) দ্বারা যুক্ত হলে, এদেরকে Hyphenated Adjective বলা হয়।
- এরা কখনো Plural হয় না। 

For example:
Incorrect: Naim has a ten-months-old Baby. 
Correct: Naim has a ten-month-old Baby.

তাই, সঠিক sentence টি হবে - My two-year-old nephew is starting to speak in full sentences.
৪১.
The cake smells _________ and inviting.
  1. sweet
  2. sweetly
  3. sweets
  4. sweeten
ব্যাখ্যা
• Linking verb/ Copulative verb: 
- যে সকল verb সাধারণত subject ও Subjective complement এর মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করে তাদেরকে Linking verb/ Copulative verb বলে।
- Linking verb-এর complement হিসেবে সাধারণত adjective বসে। 
- Turn, be, become, look feel, seem, remain, appear, sound, get, grow, etc. সাধারণত Linking verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

• Sentence এ Linking Verb এর অবস্থান: 
→ Sub+ Linking verb+ adjective.
- She looks happy.

→ Sub+ linking verb+ preposition + adverb.
- She looks up happily.

→ Sub+ linking verb+ adverb+ adjective.
- Jolly is extraordinarily beautiful.

• প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যটির গঠন অনুযায়ী Linking verb (smells) এর পর adjective বসবে। 
- অপশনসমূহের মধ্যে শুধুমাত্র sweet হচ্ছে adjective. 

Complete Sentence - The cake smells sweet and inviting.
৪২.
They live at No. 17. - Here 'No.' is -
  1. Noun
  2. Verb
  3. Preposition
  4. Adverb
ব্যাখ্যা
• No. [noun] 
- Plural: Nos.
Bangla meaning: নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যার পূর্বে attributive(ly) ব্যবহার, যার সংক্ষেপ সাধারণত No, (plural Nos) নম্বর (সংক্ষেপ নং)।

Example:
- They live at No. 17.
- The answers to nos 13–20 are on page 21.

• They live at No. 17.
- এই বাক্যে "No." বলতে "Number" বোঝানো হয়েছে, যা একটি noun.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
৪৩.
Plural form of 'Vortex' -
  1. Vortiges
  2. Vortexes
  3. Vortexii
  4. Both A & B
ব্যাখ্যা
• Vortex: [singular form]
English meaning: a mass of air or water that spins around very fast and pulls objects into its empty centre.
Bangla meaning: (বায়ু বা তরল) আবর্ত; জলভ্রম; ভ্রমি; ঘূর্ণী; ঘূর্ণাবর্ত।

Plural form: vortices or vortexes.

Example:
- I was sucked into a vortex of despair.

Source: Merriam-Webster Dictionary.
৪৪.
The word 'Peer' can be related with -
  1. Eyes
  2. Hands
  3. Breath
  4. Smell
ব্যাখ্যা
• Peer: [verb]
English meaning: to look closely or carefully at something, especially when you cannot see it clearly.
Bangla meaning: (যেন পুরোপুরি চোখ খুলে তাকানো সম্ভব নয় তাই) অর্ধনিমীলিত চোখে তাকানো; কাছ থেকে উঁকি দেওয়া।

Example:
- He peered over his glasses at me.
- The judge peered over his glasses at the jury.

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, The word 'Peer' can be related with - Eyes.
- This is because "peer" involves looking closely or carefully at something, which primarily engages the eyes.

Source: Merriam-Webster & Accessible Dictionary.
৪৫.
Which of the following sentences is incorrect?
  1. The Golden Gate Park is a vast urban oasis in San Francisco, offering lush gardens and scenic walking paths.
  2. The Padma is known for its vibrant boat races, which draw crowds eager to witness the excitement.
  3. The Punjab has a diverse landscape that includes fertile plains, rivers, and beautiful hills.
  4. The Taj Mahal is surrounded by lush gardens and pathways that enhance its beauty and provide a serene atmosphere for visitors.
ব্যাখ্যা
• Article এর নিয়মানুযায়ী,
• Park বা Street (রাস্তা) নামের পূর্বে সাধারণত কোনো article বসে না।

• তাই এখানে 'The Golden Gate Park is a vast urban oasis in San Francisco, offering lush gardens and scenic walking paths.' ভুল, এর আগে কোনো article বসে না।

Correct sentence:
Golden Gate Park is a vast urban oasis in San Francisco, offering lush gardens and scenic walking paths.

Options,
• নদীর নামের আগে Article The হয়।
- তাই 'The Padma is known for its vibrant boat races, which draw crowds eager to witness the excitement.' সঠিক।

• ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান এর নামের পূর্বে The বসে।
- তাই, 'The Punjab has a diverse landscape that includes fertile plains, rivers, and beautiful hills.' ও 'The Taj Mahal is surrounded by lush gardens and pathways that enhance its beauty and provide a serene atmosphere for visitors.' সঠিক।
৪৬.
She enjoys baking cookies for her friends on the weekends. Here the underlined word is -
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Linking verb
  4. Model verb
ব্যাখ্যা
• She enjoys baking cookies for her friends on the weekends. Here the underlined word is - Gerund.

• Gerund:
- Verb+ing যদি একই সাথে Verb ও Noun এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলা হয়।
- Noun হলে সাধারণত বাংলা অর্থে আ-কার যোগ হয়।
- যেমন- Swimming = সাঁতার কাটা, Walking = হাঁটা ইত্যাদি।
- Gerunds don’t describe action, they act as nouns.
 
Functions of the Gerund: 
কোন বাক্যে Gerund ব্যবহৃত হয়: 
1. As subject: Rising early is a good habit. 
2. As object: I like playing Badminton.
3. As an object of a preposition: The old woman is tired of walking.
4. As a complement of a verb: Working is earning.

• Gerund (verb + ing) verb-এর object রূপে ব্যবহৃত হতে পারে৷
- The gerund "baking" is the direct object of the verb "enjoys."
- Gerunds are verbs that function as nouns. In this case, "baking" acts as the object of the verb "enjoys" and represents the activity that she enjoys doing.
৪৭.
Because of my illness, I could not attend the program. (complex)
  1. Even though I was ill, I could not attend the program.
  2. Though I was ill, I could not attend the program.
  3. I was ill, I could not attend the program.
  4. Since I was ill, I could not attend the program.
ব্যাখ্যা
 • Because of যুক্ত Simple Sentence কে Complex-এ পরিবর্তনের নিয়ম:
- প্রথমে Simple sentence এ because of থাকলে Complex sentence এ Since/ as ব্যবহৃত হয়,
- Subject বসে + Verb বসে,
- Adjective /Noun বসে,
- Comma বসে,
- অপর বাক্যটি বসে।

Simple: Because of my illness, I could not attend the program.
Complex: Since I was ill, I could not attend the program.
৪৮.
Which of the following can't be used as a verb?
  1. Mine
  2. Up
  3. Better
  4. None of these
ব্যাখ্যা
Correct answer: None of these.

• Mine: [verb]

English meaning: to dig coal or another substance out of the ground.
Bangla meaning: mine (for) (কয়লা, আকরিক ইত্যাদি) খুঁড়ে তোলা; খনি থেকে উত্তোলন করা, খনন করা, খনি খোঁড়া: mine (for) coal/gold; mine the earth for coal.

Example: They mine a lot of copper around these parts.

• Up: [verb]
English meaning: to increase the amount or level of something.
Bangla meaning: বাড়ানো।

Example: We won’t be able to make a profit unless we up our prices.

• Better: [verb]
English meaning: to improve a situation, condition, or person.
Bangla meaning: অধিকতর ভালো করা; অপেক্ষাকৃত উৎকর্ষসাধন করা।

Example: The organization was established to better conditions for the disabled.

Source: Cambridge, Oxford & Accessible Dictionary.
৪৯.
নিউটনের সাথে স্বাধীনভাবে ক্যালকুলাসের উন্নয়নের জন্য কাকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়?
  1. আইনস্টাইন
  2. ডেমোক্রিটাস
  3. প্যাসকেল
  4. লিবনিজ
ব্যাখ্যা
• ক্যালকুলাসে নিউটন ও লিবনিজের অবদান: 
- আইজ্যাক নিউটন (১৬৪২-১৭২৭) ছিলেন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন। 
- তিনি মহাকর্ষসূত্র, ব্যবকলন ক্যালকুলাসের নীতি প্রবর্তন করেন। 
- এছাড়া তিনি আলোর কণাতত্ত্ব আবিষ্কার করেন। 
- তিনি হচ্ছেন ক্ল্যাসিক্যাল মেকানিক্স এর জনক। 
- লিবনিজ এবং নিউটন উভয়ই ১৭শ শতাব্দীর শেষের দিকে ক্যালকুলাসের মৌলিক ধারণাগুলি বিকাশ করেছিলেন, কিন্তু তাদের পদ্ধতি এবং নোটেশন আলাদা ছিল।
- তাই, নিউটনের সাথে স্বাধীনভাবে ক্যালকুলাসের উন্নয়নের জন্য লিবনিজকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০.
একই আণবিক সংকেত থাকলেও গাঠনিক সংকেত ভিন্ন এমন যৌগগুলি একে অপরের —
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোটোন
  3. আইসোবার
  4. আইসোমার
ব্যাখ্যা
• আইসোমার:
- আণবিক সংকেত এক কিন্তু গাঠনিক সংকেত ভিন্ন এমন যৌগদ্বয়কে পরস্পরের আইসোমার বলা হয়।
- যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই, কিন্তু শক্তি অবস্থা ভিন্ন তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।
- প্রোটন + নিউট্রন =  ভরসংখ্যা, তাই , 'পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই' এই ক্ষেত্রে নিউট্রন সংখ্যাও সমান হবে। 

অপশন আলোচনা:
• আইসোবার:
- যেসব নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোবার বলে।
-  প্রোটন + নিউট্রন =  ভরসংখ্যা, তাই 'ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন ' এই ক্ষেত্রে নিউট্রন সংখ্যাও ভিন্ন হবে। 

• আইসোটোন:
- যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়।

• আইসোটোপ:
- যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা একই, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। 
- এইসব ক্ষেত্রে নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন।

উৎস: রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৫১.
কোন আবিষ্কারের জন্য ভিক্টর অ্যামব্রোস এবং গ্যারি রাভকুন ফিজিওলজি বা মেডিসিনে ২০২৪ সালের নোবেল পুরস্কার অর্জন করেছেন?
  1. মাইক্রো আরএনএ আবিষ্কার
  2. ডিএনএ রেপ্লিকেশন আবিষ্কার
  3. স্টেম কোষ আবিষ্কার
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• মেডিসিন বা ফিজিওলজিতে ২০২৪ সালের নোবেল পুরস্কার:

- মেডিসিন বা ফিজিওলজিতে ২০২৪ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন ভিক্টর অ্যামব্রোস এবং গ্যারি রুভকুন। মাইক্রোআরএনএর আবিষ্কার এবং এটি কিভাবে পোষ্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে তা নিয়ে - তাঁদের কাজের জন্য এই পুরস্কারটি প্রদান করা হয়েছে।
- পুরস্কারের উদ্দেশ্য: মাইক্রোআরএনএ এবং এর জিন নিয়ন্ত্রণে ভূমিকার জন্য পুরস্কৃত হয়েছেন।

বিজ্ঞানীর পরিচয়:
- ভিক্টর অ্যামব্রোস: তিনি ১৯৫৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বর্তমানে UMass Chan Medical School-এর সাথে যুক্ত আছেন।
- গ্যারি রুভকুন: তিনি হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের অধ্যাপক এবং ম্যাসাচুসেটস জেনারেল হাসপাতালে গবেষক।

- গবেষণার পটভূমি: তাঁদের গবেষণা একটি ছোট গোলাকার কৃমি, Caenorhabditis elegans (C. elegans), নিয়ে হয়েছিল, যা জিন উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- মাইক্রোআরএনএর আবিষ্কার: তাঁরা ১৯৯৩ সালে lin-4 এবং lin-14 জিনের মধ্যে সম্পর্ক আবিষ্কার করেন, যা মাইক্রোআরএনএর অস্তিত্ব নির্দেশ করে। এটি কীভাবে অন্যান্য জিনের উৎপাদন নিয়ন্ত্রণ করে তা তাঁরা দেখান।

- গবেষণার গুরুত্ব: এই আবিষ্কারটি প্রাণীজগতের জিন নিয়ন্ত্রণের একটি নতুন মৌলিক ধারণার উদ্ভাবন করেছে। বর্তমানে মানুষের জিনোমে ১,০০০ এর বেশি মাইক্রোআরএনএ কোড রয়েছে।

- স্বাস্থ্য ও চিকিৎসায় প্রভাব: যদিও এখনো এই আবিষ্কারের সরাসরি চিকিৎসার ব্যবহার নেই, কিন্তু মাইক্রোআরএনএ প্রযুক্তি ভবিষ্যতে ক্যান্সার, হৃদরোগ এবং অন্যান্য রোগের ভ্যাকসিনের জন্য ব্যবহার করা হতে পারে।

- অন্য পুরস্কার: ২০২৩ সালে কাতালিন কারিকো এবং ড্রু ওয়েইসম্যানকে মেসেঞ্জার আরএনএ প্রযুক্তির জন্য নোবেল মেডিসিন পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল, যা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের দ্রুত উন্নয়নে সহায়ক ছিল।

- এই আবিষ্কারগুলি জীববিজ্ঞানের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে এবং আমাদের শরীরের জিন নিয়ন্ত্রণের সিস্টেমের বিশাল জটিলতা সম্পর্কে নতুন ধারণা প্রদান করেছে​।

সূত্র: nobelprize.org/prizes/medicine [লিংক]
৫২.
যদি একটি খাবারের মধ্যে ২০ গ্রাম চর্বি থাকে, তাহলে এটি মোট ক্যালরিতে কতটুকু যুক্ত হবে?
  1. ১২০ ক্যালরি
  2. ১৬০ ক্যালরি
  3. ১৮০ ক্যালরি
  4. ২০০ ক্যালরি
ব্যাখ্যা
তৈল ও চর্বি: 
- তৈল ও চর্বিকে একত্রে লিপিড বলে। 
- তৈল ও চর্বি হল গ্লিসারল বা গ্লিসারিন এর উচ্চতর ফ্যাটি এসিডের এস্টার। 

তৈল ও চর্বির পার্থক্য: 
- সম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল কঠিন চর্বি এবং অসম্পৃক্ত কার্বক্সিলিক এসিডের গ্লিসারিন এস্টার হল তৈল। 
- তৈলের গলনাঙ্ক 20° C এর কম হয়, কিন্তু চর্বির গলনাঙ্ক 20° C এর অধিক হয়। 
- তৈল উদ্ভিদদেহে কিন্তু চর্বি প্রাণিদেহে উৎপন্ন হয়। 

তৈল ও চর্বির গুরুত্ব: 
(১) খাদ্যরূপে তৈল ও চর্বি থেকে আমরা শক্তি থাকি। 

১ গ্রাম তৈল বা চর্বি = ৯ ক্যালরি খাদ্যমান। 

∴ ২০ গ্রাম তৈল বা চর্বি = (৯ × ২০) ক্যালরি
= ১৮০ ক্যালরি

(২) তৈল ও চর্বির ক্ষারীয় বিশ্লেষণে সাবান ও উৎপন্ন হয়। 
(৩) রং, বার্নিশ ও প্রসাধনী তৈরিতে তৈল চর্বি ব্যবহৃত হয়। 

(৪) তৈলকে নিকেল উপস্থিতিতে হাইড্রোজেনেশন বা হাইড্রোজেন সংযোজন দ্বারা চর্বিতে পরিণত করা যায়। 
যেমন, সয়াবিন তৈলকে হাইড্রোজেনেশন করে মার্জারিন নামক চর্বি তৈরি করা হয়। 
(৫) পরিপাকতন্ত্রে চর্বির তুলনায় তৈল সহজে হজম হয় এবং তৈলে কলেস্টেরল কম থাকে। 

উৎস: রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, (হাজারী নাগ)।
৫৩.
চাঁদ, সূর্য এবং পৃথিবী কখন একে অপরের সাথে সমকোণে থাকে?
  1. ভরা কটালের সময়
  2. মরা কটালের সময়
  3. পূর্ণিমার সময়
  4. মুখ্য জোয়ারের সময়
ব্যাখ্যা
• জোয়ার-ভাঁটা: 
- সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। 
- এর কারণ মূলত দুটি যা চন্দ্র-সূর্যের আকর্ষণ শক্তি (যা মূলত মহাকর্ষ শক্তি) এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিগ শক্তি। 
- সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা বলে। 
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাঁটা সংঘটিত হয়। 

জোয়ার-ভাঁটার কারণ: 
- জোয়ার-ভাটার প্রধান দুটি কারণ হলো- 
(ক) মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব এবং 
(খ) কেন্দ্রাতিগ/বহির্মুখী শক্তি। 

জোয়ার-ভাঁটার শ্রেণিবিভাগ: 
- জোয়ার-ভাঁটাকে নিম্নলিখিত চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
১. মুখ্য জোয়ার, 
২. গৌণ জোয়ার, 
৩. ভরা কটাল এবং 
৪. মরা কটাল। 

মরা কটাল: 
- অষ্টমী ও একবিংশ তিথিতে চন্দ্র ও সূর্য সমান্তরাল না থেকে উভয়ই পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে।
- তখন চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে জোয়ার হয় সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাঁটা হয়।
- সূর্যের আকর্ষণের কারণে চন্দ্রের দিকে পানি অধিক স্ফীত হতে পারে না, এই ধরনের জোয়ারকে মরা জোয়ার বা মরা কটাল বলে। 
- অর্থাৎ, এই মরা কটালের সময় চন্দ্র, সূর্য ও পৃথিবী সমকোণে অবস্থান করে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪.
ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যখন প্লেটলেটের স্তর নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়, তখন সেটিকে কী বলা হয়?
  1. Thrombocytopenia
  2. Thrombocytosis
  3. Leukopenia
  4. Polycythemia
ব্যাখ্যা
• রক্ত: 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- মানুষের রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্য ঘটলে যে অস্থার সৃষ্টি হয়, তাকে রক্তের অস্বাভাবিক অবস্থা বলা হয়। 

যেমন- 
১। পলিসাইথিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বৃদ্ধি পায়। 

২। অ্যানিমিয়া: 
- লোহিত রক্ত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া অথবা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া। 

৩। পারপুরা: 
- ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে এ অবস্থা হতে পারে, এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যায়। 

৪। লিউকেমিয়া: 
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

৫। লিউকোসাইটোসিস: 
- শ্বেত কণিকার সংখ্যা স্বাভাবিক অবস্থার মান থেকে বেড়ে যদি ২০,০০০-৩০,০০০ হয়, তাকে লিউকোসাইটোসিস বলে। 
- নিউমোনিয়া, হুপিং কাশি ইত্যাদি রোগে এ অবস্থা হয়। 

৬। থ্রম্বোসাইটোসিস: 
- এ অবস্থায় অনুচক্রিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যায়। 
- রক্তনালীর অভ্যন্তরে রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়াকে থ্রম্বোসিস বলে। 
- হৃৎপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিষ্কের রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে।

৭।  থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া:
- ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে যখন প্লেটলেটের স্তর নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়, তখন সেটিকে বলা হয় - থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া।
- এটি সাধারণত ডেঙ্গু জ্বর, অটোইমিউন রোগ, বা কিছু চিকিৎসা পদ্ধতির কারণে ঘটে।
- প্লাটিলেটের অভাবের কারণে রক্তপাত এবং সহজে ফুলে যাওয়ার মত সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৫৫.
"Dead Star" বলা হয় কোনটিকে?
  1. Neutron star
  2. Brown dwarf
  3. White dwarf
  4. Red dwarf
ব্যাখ্যা
• (White dwarf) শ্বেত বামনকে মৃততারা ("Dead Star") বলা হয়।

শ্বেত বামন:
- মহাবিশ্বের অধিকাংশ তারারই শেষ দশা হচ্ছে শ্বেত বামন।
- কারণ অধিকাংশ তারার ভর সূর্যের সমান বা তার কাছাকাছি হয়।
- আর এই ভরের তারাদের মৃত্যু ঘটে শ্বেত বামন সৃষ্টির মাধ্যমে।
- শ্বেত বামনের জীবনকাল প্রায় ১,৫০০ কোটি বছর হয়, যা আমাদের মহাবিশ্বের বর্তমান বয়সের চেয়েও বেশি।
- শ্বেত বামন এর জীবনকাল শেষে কৃষ্ণ বামনে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হয়।

অপশন আলোচনা:
ক) Neutron star: নিউট্রন তারকা হল একটি অত্যন্ত ঘনস্তর বিশিষ্ট তারকা, যা একটি সুপারনোভা বিস্ফোরণের পর গঠন হয়।

খ) Brown dwarf: ব্রাউন ডোয়ার্ফ হল একটি ছোট ও ঠান্ডা তারকা, যার তেজস্ক্রিয়তা সাধারণত অন্যান্য তারকার তুলনায় কম।

ঘ) Red dwarf: লাল ডোয়ার্ফ হল একটি ছোট ও ঠান্ডা তারকা, যা দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ীভাবে ফিউশন প্রক্রিয়া চালিয়ে যায়।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট। [লিংক]
৫৬.
যে কোনো আন্দোলন দমনে ব্যবহৃত সাউন্ড গ্রেনেডের তীব্রতা সাধারণত কত ডেসিবেল হয়ে থাকে?
  1. 210 dB
  2. 250 dB
  3. 170 dB
  4. 100 dB
ব্যাখ্যা
• শব্দদূষণ (Sound Pollution):
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার উর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ।
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক হচ্ছে - ডেসিবল (dB)।

- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবল (dB) হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না।
- ৮৫ ডেসিবল (dB) শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে এবং মাত্রা ১২০ডেসিবল (dB) হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।

- শব্দ দূষণের কারণ হলো - বাস, ট্রাক, ট্রেন ও লঞ্চের হর্ণ, রেডিও, ক্যাসেট, টেলিভিশন ও মাইক উচ্চ শব্দে বাজানো।
- এছাড়া সাইরেন ও যুদ্ধসামগ্রীর শব্দ, বোমার বিস্ফোরণ, মেঘের গর্জন প্রভৃতি শব্দ দূষণের উৎস।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) - এর মতে সাধারণত ৬০ ডেসিবেল (dB) শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং ১০০ ডেসিবেল (dB) শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে।
- সুতরাং, ৬০ ডেসিবলের চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ শব্দদূষণ ঘটায়।

• শব্দের তীব্রতা:
- শব্দের তীব্রতা বলতে শব্দতরঙ্গ যে দিকে সঞ্চারিত হচ্ছে, তার সাথে লম্বভাবে প্রতি একক সময়ে প্রতি একক ক্ষেত্রফল এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত শক্তির পরিমাণকে বোঝায়।

- যে কোনো আন্দোলন দমনে ব্যবহৃত সাউন্ড গ্রেনেডের তীব্রতা সাধারণত ১৭০ ডেসিবেল হয়ে থাকে।
- কারখানার কোলাহলের শব্দের তীব্রতা : ৮০ ডেসিবেল।
- স্বাভাবিক কথাবার্তার শব্দের তীব্রতা: ৬০ ডেসিবেল।
- হাটবাজারের শব্দের তীব্রতা: ৭০ ডেসিবেল।
- মাইকে ব্যান্ড সংগীতের শব্দের তীব্রতা: ১২০ ডেসিবেল।

উৎস:
১) পদার্থ ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) La Salle University [লিংক]
৫৭.
এক হর্স পাওয়ার সমান কত ওয়াট?
  1. ৭৮৬
  2. ৭৪৬
  3. ৭৪৮
  4. ৭৬৪
ব্যাখ্যা
• ক্ষমতা (Power): 
- ক্ষমতা, কাজ ও সময়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ করে। 
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে কি পরিমাণ কাজ সম্পন্ন হয় তা দ্বারা ক্ষমতার পরিমাপ করা হয়।
- ক্ষমতা P দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 

ক্ষমতা, P = (সম্পন্ন কাজ/প্রয়োজনীয় সময়) 
বা, P = (বল × সরণ)/সময় 
বা, P = বল × বেগ 
∴ ক্ষমতা = বল × বেগ 
বা, P = Fv 

অর্থাৎ, কোন যন্ত্রে F পরিমাণ বল প্রয়োগের ফলে যন্ত্রটি যদি বলের দিকে v বেগ প্রাপ্ত হয় তবে বল এবং বেগের গুণফল হবে ঐ যন্ত্রের ক্ষমতা। 
- ক্ষমতার এস. আই একক ওয়াট। 
- হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (HP) নামে ক্ষমতার আর একটি একক ব্যবহার করা হয়। 
- এক হর্স পাওয়ার বা অশ্বক্ষমতা (H.P) = 746 W
- ক্ষমতার মাত্রা ML2T-3

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৮.
ইস্পাতে কার্বনের শতকরা পরিমাণ কত?
  1. ১.২৫ - ২.৫%
  2. ১০- ১২.৫%
  3. ৫.৫ - ৬.৪৫%
  4. ০.২৫ - ১.৫%
ব্যাখ্যা
• ইস্পাত বা স্টিল এর গুণাগুণ: 
- কার্বনের পরিমাণ: ০.২৫ - ১.৫%।
- গঠনাকৃতি : স্ফটিকাকার।
- নমনীয়তা ও ঘাতসহতা উভয় ধর্ম বিদ্যমান তবে পেটা লোহার থেকে কম।
- চুম্বক ধর্ম: চুম্বকে পরিণত করা যায়।
- গলনাংক: ১৩০০-১৪০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস.।
- কাঠিন্য: কঠিন, ভঙ্গুরও নয় আবার নরমও নয়।

ব্যবহার: 
কোনো দেশ কতটা উন্নত তা সে দেশের ইস্পাতের ব্যবহার দেখে আন্দাজ করা যায়। এর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ব্যবহার হলো-
- গৃহস্থালী সামগ্রী তৈরি করতে।
- শিল্পক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি নির্মাণে।
- যানবাহন, যেমন- গাড়ি, প্লেন, জাহাজ, রেললাইন, ইত্যাদি নির্মাণে।
- ডাক্তারী ও ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি তৈরিতে।

উল্লেখ্য, ঢালাই লোহায় কার্বনের পরিমাণ ২.৫% ও পেটা লোহায় কার্বনের পরিমাণ ০.১২ - ০.২৫%। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯.
NAND গেইট হলো একটি-
  1. মৌলিক গেইট
  2. বিশেষ লজিক গেইট
  3. সার্বজনীন গেইট
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬০.
কাউন্টার কোন ধরনের সার্কিট?
  1. কম্বিনেশনাল সার্কিট
  2. সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
  3. এনালগ সার্কিট
  4. বাইনারি সার্কিট
ব্যাখ্যা
• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n।
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।
- কাউন্টারের ব্যবহার

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
- ডিজিটাল ঘড়িতে
- ডিজিটাল কম্পিউটারে
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬১.
ISA বাস-এর "ISA" দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Integrated Service Application
  2. Internal Software Access
  3. Industry Standard Architecture
  4. International System Architecture
ব্যাখ্যা
• আইএসএ বাস (ISA BUS):
- ISA-এর পুরো নাম Industry Standard Architecture.
- এটি একটি ধীরগতিসম্পন্ন বাস।
- ১৯৮১ সালে আইবিএম ইন্টেলের 8088 প্রসেসরে ISA বাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- তখন এটি ছিল ৪ বিট ডেটা বাস। এর কাজের গতি ছিল ৪ মেগাহার্টজ।
- 16 বিট ISA বাস স্লটের পয়েন্টগুলো 2 ভাগে বিভক্ত থাকে। এর প্রথম ভাগে 62টি পয়েন্ট এবং দ্বিতীয় ভাগে 36 পয়েন্ট থাকে।
- ISA বাসের বৈশিষ্ট্য:

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২.
ডেটাবেজ সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. FoxPro
  2. Oracle
  3. WinRAR
  4. Redis
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

• WinRAR একটি ফাইল আর্কাইভিং সফটওয়্যার যা ফাইল সংকোচন এবং নিষ্ক্রিয়করণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতাভুক্ত ক্ষেত্র কোনটি?
  1. মেশিন লার্নিং
  2. ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং
  3. রোবটিক্স
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়। কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলিম শ্রেণি।
৬৪.
টেলিগ্রামের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. আমেরিকা
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. স্কটল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• টেলিগ্রাম:
- টেলিগ্রাম হলো রাশিয়ান উদ্যোক্তা পাভেল এবং নিকোলাই দুরভের মালিকানাধীন ক্লাউড-ভিত্তিক মেসেজিং অ্যাপ।
- টেলিগ্রাম ব্যবহারকারীরা টেক্সট আদান-প্রদান, ভয়েস কল, ফাইল শেয়ার ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে সর্বোচ্চ 200,000 সদস্যদের মধ্যে, তাছাড়াও বিভিন্ন পাবলিক ব্রডকাস্ট চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে ভিবিন্ন সেবা গ্রহন করতে পারে।
- সদরদপ্তর: Dubai, United Arab Emirates.
- 2006 সালে Pavel Durov, VKontakte বা VK নামে একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট প্রতিষ্ঠা করেন, একে প্রায়ই Facebook এর রাশিয়ান সংস্করণ হিসাবে বর্ণনা করা হয়।
- 2010-এর দিকে VK-এর ব্যবহারকারীর 100 মিলিয়নেরও বেশি হয়ে যায়।
- 2011 সালে তৎকালীন রাশিয়ার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পাভেল দুরভকে দেয়া প্রস্তাব (Censor সম্পর্কিত) নাকোচ করে দেয়ায় রাজনৈতিক চাপে পরে তাকে এটি বিক্রি করে দিতে হয়।
- 2013 সালে তিনি তৈরি করেন টেলিগ্রাম।
- টেলিগ্রাম হলো জনপ্রিয় মেসেজিং পরিষেবা হোয়াটসঅ্যাপের একটি প্রতিযোগী, যেটি (হোয়াটসঅ্যাপ) তার মূল কোম্পানি ফেসবুকের সাথে ব্যবহারকারীর ডেটা শেয়ার করার জন্য বিতর্কের সম্মুখীন হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬৫.
ওয়াই-ম্যাক্স এর প্রতিটি বেস স্টেশনের কাভারেজ এরিয়া কত?
  1. ২০ - ৩০ কিলোমিটার
  2. ৫০ - ৮০ কিলোমিটার
  3. ১০ - ৫০০ কিলোমিটার
  4. লিমিটেশন নেই
ব্যাখ্যা
• Wi-Max:
- Wi-Max এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access.
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16.
- Wi-Max ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা-

১. বেস স্টেশন:
- ইনডোর ডিভাইস এবং আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত।
- প্রতিটি বেস স্টেশনের কাভারেজ এরিয়া 50 থেকে 80 km পর্যন্ত হয়ে থাকে।

২. অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার:
- এটি কম্পিউটারে সংযুক্ত করা হয় এবং ওয়্যারলেস নির্ভর হওয়ায় পরিবহনযোগ্য।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, NCTB।
৬৬.
ই-মেইল সিস্টেম প্রথম চালু করেন কে?
  1. ভিনতন জি কার্ফ
  2. জন ম্যাকার্থি
  3. রেমন্ড টমলিনসন
  4. চার্লস ব্যবেজ
ব্যাখ্যা
• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ই-মেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, এনসিটিবি।
৬৭.
MICR প্রযুক্তি দ্বারা ডেটা পড়ার জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়?
  1. স্ক্যানার
  2. ওয়েবক্যাম
  3. MICR রিডার
  4. প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
- MICR হলো চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর পড়ার প্রযুক্তি, MICR রিডার এই চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর বা সংখ্যা পড়তে ব্যবহৃত হয়।

• অন্য যন্ত্রগুলির ব্যবহার:
- স্ক্যানার: কাগজের ডকুমেন্ট ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য।
- ওয়েবক্যাম: ভিডিও ক্যাপচার করার জন্য।
- প্রিন্টার: ডিজিটাল ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬৮.
আমতলী থেকে জামতলীর দূরত্ব ১৮০ কি.মি.। Royal Enfield-এর মাইলেজ ৩৬ কি.মি. প্রতি লিটার এবং Yamaha R15-এর মাইলেজ ৪৫ কি.মি. প্রতি লিটার। আমতলী থেকে জামতলী যেতে Royal Enfield এ, Yamaha R15 এর তুলনায় শতকরা কত শতাংশ তেল বেশি প্রয়োজন হবে?
  1. ২০%
  2. ২৫%
  3. ১৭%
  4. ২৭%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: আমতলী থেকে জামতলীর দূরত্ব ১৮০ কি.মি.। Royal Enfield-এর মাইলেজ ৩৬ কি.মি. প্রতি লিটার এবং Yamaha R15-এর মাইলেজ ৪৫ কি.মি. প্রতি লিটার। আমতলী থেকে জামতলী যেতে Royal Enfield এ, Yamaha R15 এর তুলনায় শতকরা কত শতাংশ তেল বেশি প্রয়োজন হবে?

সমাধান:
Royal Enfield-এর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি = ১৮০/৩৬ = ৫ লিটার
Yamaha R15-এর জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি = ১৮০/৪৫ = ৪ লিটার

Royal Enfield-এ তেল বেশি প্রয়োজন হবে = ৫ - ৪ = ১ লিটার
শতকরা হার = (তেলের পার্থক্য/Yamaha R15-এর জন্য প্রয়োজনীয় তেল) × ১০০
= (১/৪) × ১০০
= ২৫%

∴ Royal Enfield-এ Yamaha R15-এর তুলনায় ২৫% বেশি তেল প্রয়োজন হবে।
৬৯.
a + (1/a) = 2 হলে, 1/(a6 - a3 + 1) এর মান কত?
  1. 1
  2. 3
  3. 5
  4. 8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + (1/a) = 2 হলে, 1/(a6 - a3 + 1) এর মান কত?

সমাধান:
a + (1/a) = 2 
⇒ (a2 + 1)/a = 2
⇒ a2 + 1 = 2a
⇒ a2 - 2a + 1 = 0
⇒ (a - 1)2 = 0
⇒ a - 1= 0
∴ a = 1

এখন, 
1/(a6 - a3 + 1) = 1/(16 - 13 + 1)
= 1/(1 - 1 + 1)
= 1/1
= 1
৭০.
COMMITTEE শব্দটির অক্ষরগুলো হতে প্রতিবার চারটি করে অক্ষর নিয়ে কতভাবে সাজানো যায়?
  1. 558
  2. 678
  3. 628
  4. 738
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: COMMITTEE শব্দটির অক্ষরগুলো হতে প্রতিবার চারটি করে অক্ষর নিয়ে কতভাবে সাজানো যায়?

সমাধান:
COMMITTEE শব্দটিতে 9টি বর্ণ এবং 3টি জোড়া (MM, TT, EE) বিদ্যমান

4টি ভিন্ন বর্ণ নিয়ে বাছাই করার উপায় = 6C4 = 15
এবং সাজানো যায় 6C4 × 4! = 15 × 24 = 360
3টি জোড়া থেকে 1টি (2টি একই) 2টি ভিন্ন নিয়ে বাছাই করার উপায় = 3C1 × 5C2 = 30
এবং সাজানো যায় 3C1 × 5C2 × (4!/2!) = 30 × 12 = 360
3টি জোড়া থেকে 2টি (2টি একই, 2টি একই) = 3C2 = 3
এবং সাজানো যায় 3C2 × (4!/2!2!) = 3 × 6 = 18

বাছাই করার উপায় = 360 + 360 + 18 = 738
৭১.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল ১৬√৩ বর্গ সে.মি.। ত্রিভুজের পরিসীমা কত?
  1. ১৮ সে.মি.
  2. ২৪ সে.মি.
  3. ২২ সে.মি.
  4. ২৭ সে.মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল ১৬√৩ বর্গ সে.মি.। ত্রিভুজের পরিসীমা কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (√৩/৪)(বাহু)
এখন, (√৩/৪)(বাহু) = ১৬√৩
⇒ (১/৪)(বাহু) = ১৬
⇒ (বাহু) = ১৬ × ৪
⇒ (বাহু) = ৬৪
⇒ বাহু = ৮

∴ ত্রিভুজের পরিসীমা = ৮ + ৮ + ৮
= ২৪ সে.মি.
৭২.
টিটু ও নিবিড়ের বিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বরের অনুপাত ৩ : ১। টিটু ৫ নম্বর কম ও নিবিড় ১০ নম্বর বেশি পেলে তাদের প্রাপ্ত নম্বরের অনুপাত হবে ২ : ১। তাদের মোট প্রাপ্ত নম্বর কত?
  1. ৯০
  2. ১০০
  3. ১১০
  4. ১২০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: টিটু ও নিবিড়ের বিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বরের অনুপাত ৩ : ১। টিটু ৫ নম্বর কম ও নিবিড় ১০ নম্বর বেশি পেলে তাদের প্রাপ্ত নম্বরের অনুপাত হবে ২ : ১। তাদের মোট প্রাপ্ত নম্বর কত?

সমাধান:
ধরি,
টিটুর প্রাপ্ত নম্বর = ৩ক
এবং, নিবিড়ের প্রাপ্ত নম্বর = ক

প্রশ্নমতে,
(৩ক - ৫)/(ক + ১০) = ২/১
⇒ ৩ক - ৫ = ২ক + ২০
⇒ ৩ক - ২ক = ২০ + ৫
⇒ ক = ২৫

টিটুর প্রাপ্ত নম্বর = ৩ × ২৫ = ৭৫
এবং, নিবিড়ের প্রাপ্ত নম্বর = ২৫

∴ তাদের মোট প্রাপ্ত নম্বর = ৭৫ + ২৫ = ১০০
৭৩.
দুই অঙ্ক বিশিষ্ট কোনো সংখ্যার অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টি 12। সংখ্যাটি থেকে 54 বিয়োগ করলে অঙ্কদ্বয় স্থান বিনিময় করে সংখ্যাটি কত?
  1. 84
  2. 93
  3. 75
  4. 68
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুই অঙ্ক বিশিষ্ট কোনো সংখ্যার অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টি 12। সংখ্যাটি থেকে 54 বিয়োগ করলে অঙ্কদ্বয় স্থান বিনিময় করে সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
একক স্থানীয় অঙ্ক x
এবং দশক স্থানীয় অঙ্ক = 12 - x
∴ সংখ্যাটি = x + 10(12 - x) = 120 - 9x
স্থান বিনিময় করলে সংখ্যাটি হয় = (12 - x) + 10x = 12 + 9x

শর্তমতে,
(120 - 9x) - 54 = 12 + 9x
⇒ 66 - 9x = 12 + 9x
⇒ 9x + 9x = 66 - 12
⇒ 18x = 54
∴ x = 3
∴ নির্ণেয় সংখ্যা = 120 + 9(3) = 93
৭৪.
একটি তাসের প্যাকেট থেকে দৈবভাবে একটি তাস নিলে তা রুইতন বা রাজা না হওয়ার সম্ভাব্যতা কত?
  1. 4/13
  2. 7/13
  3. 9/13
  4. 3/4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি তাসের প্যাকেট থেকে দৈবভাবে একটি তাস নিলে তা রুইতন বা রাজা না হওয়ার সম্ভাব্যতা কত?

সমাধান:
একটি প্যাকেটে মোট তাসের সংখ্যা = 52 টি
রুইতন তাসের সংখ্যা = 13 টি
রাজার সংখ্যা = 4 টি
অনুকূল ঘটনা = 13 + (4 - 1) টি [1টি রাজা রুইতনে গণনা করা হয়েছে তাই]
= 16

∴ তাসটি রুইতন বা রাজা হওয়ার সম্ভাব্যতা = 16/52 = 4/13

∴ তাসটি রুইতন বা রাজা না হওয়ার সম্ভাব্যতা = 1 - (4/13)
= 9/13
৭৫.
কোনো সমান্তর ধারার প্রথম পদ 8 এবং দ্বিতীয় পদ 13 হলে, ধারাটির প্রথম 15টি পদের সমষ্টি কত?
  1. 615
  2. 725
  3. 645
  4. 715
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো সমান্তর ধারার প্রথম পদ 8 এবং দ্বিতীয় পদ 13 হলে, ধারাটির প্রথম 15টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
এখানে,
ধারাটির প্রথম পদ a = 8
সাধারণ অন্তর d = 13 - 8 = 5
পদসংখ্যা, n = 15

আমরা জানি,
ধারাটির প্রথম 15টি পদের সমষ্টি = (n/2){2a + (n - 1)d}
= (15/2){2a + (15 - 1)d}
= (15/2){2 × 8 + (14 × 5)}
= (15/2){16 + 70}
= (15/2){86}
= 15 × 43
= 645
৭৬.
একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ যদি ৫০% বাড়ে, তবে বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত শতাংশ বাড়ে?
  1. ৫০%
  2. ১০০%
  3. ১২৫%
  4. ১৫০%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ যদি ৫০% বাড়ে, তবে বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত শতাংশ বাড়ে?

সমাধান:
ধরি,
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = r
∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr
৫০% বাড়লে নতুন ব্যাসার্ধ হবে = r + r এর ৫০%
= r + ০.৫r
= ১.৫r

নতুন ক্ষেত্রফল হবে = π(১.৫r)
= ২.২৫πr

∴ ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি = ২.২৫πr - πr
= ১.২৫πr

∴ ক্ষেত্রফল বৃদ্ধির শতকরা হার = (১.২৫πr2/πr2) × ১০০
= ১.২৫ ×  ১০০
= ১২৫%
৭৭.
a4 - 3a3 + 6a2 - x বহুপদীর একটি উৎপাদক a - 3 হলে, x এর মান কত?
  1. 38
  2. 42
  3. 46
  4. 54
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a4 - 3a3 + 6a2 - x বহুপদীর একটি উৎপাদক a - 3 হলে, x এর মান কত?

সমাধান:
বহুপদীর একটি উৎপাদক a - 3 হলে p(a) = 0 হয়
∴ a - 3 = 0
⇒ a = 3

ধরি,
p(a) = a4 - 3a3 + 6a2 - x
∴ p(3) = 34 - 3 ⋅ 33 + 6 ⋅ 32 - x
⇒ 0 = 81 - 81 + 54 - x
⇒ 0 = 54 - x
∴ x = 54
৭৮.
এর মান কত?
  1. 1/2
  2. 3
  3. 1
  4. 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:  এর মান কত?

সমাধান:
৭৯.
একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমার সমান। আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য, প্রস্থের তিন গুণ এবং ক্ষেত্রফল 300 বর্গমিটার। বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত?
  1. 40 মিটার
  2. 60 মিটার
  3. 80 মিটার
  4. 90 মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা একটি আয়তক্ষেত্রের পরিসীমার সমান। আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য, প্রস্থের তিন গুণ এবং ক্ষেত্রফল 300 বর্গমিটার। বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত?

সমাধান:
ধরি,
আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = x মিটার
তাহলে, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = 3x মিটার
∴ আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = x × 3x = 3x2

প্রশ্নমতে,
3x2 = 300
⇒ x2 = 100
⇒ x = 10 মিটার

এখন, আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = 3 × 10 = 30 মিটার
∴ আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = 2(30 + 10) মিটার = 2 × 40 = 80 মিটার
আবার, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা
অতএব, বর্গক্ষেত্রটির পরিসীমা = 80 মিটার।
৮০.
নিচের কোনটি অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়?
  1. শেষের কবিতা
  2. মালঞ্চ
  3. রুদ্র মঙ্গল
  4. গোরা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি অন্যগুলোর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়?

সমাধান:
• শেষের কবিতা, মালঞ্চ ও গোরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস।

• রুদ্র মঙ্গল কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
৮১.
324, 225, 144, 81, ..... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. 64
  2. 49
  3. 36
  4. 25
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 324, 225, 144, 81, ..... ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
এখানে,
18 × 18 = 324
15 × 15 = 225
12 × 12 = 144
9 × 9 = 81
6 × 6 = 36

∴ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি = 36
৮২.
যদি √{(১৬/৩৬) + (১/ক)} = ৫/৬ হলে, ক এর মান কত?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি √{(১৬/৩৬) + (১/ক)} = ৫/৬ হলে, ক এর মান কত?

সমাধান:
√{(১৬/৩৬) + (১/ক)} = ৫/৬
⇒ (১৬/৩৬) + (১/ক) = ২৫/৩৬
⇒ (১/ক) = (২৫/৩৬) - (১৬/৩৬)
⇒ ১/ক = (২৫ - ১৬)/৩৬
⇒ ১/ক = ৯/৩৬
⇒ ক = ৩৬/৯
∴ ক = ৪
৮৩.
  1. a
  2. b
  3. c
  4. d
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 

সমাধান:
আয়নায় সঠিক প্রতিবিম্ব হবে-
৮৪.
Black-out শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. বিদ্যুৎহীন
  2. নিষ্প্রদীপ করা
  3. ঋণ সংকট
  4. বাণিজ্য স্থগিত করা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Black-out শব্দটির বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?

সমাধান:
• black-out [ব্ল্যাক আউট] শব্দটির অর্থ:
-  নিষ্প্রদীপ করা; একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আলো না থাকা (বিদ্যুতের বিপর্যয়), সাময়িকভাবে জ্ঞান বা স্মৃতিশক্তি হারানো, সংবাদ, টেলিভিশন প্রোগ্রাম সম্প্রচার বন্ধ করা ইত্যাদি।
৮৫.
একটি ১৫০ মি. দীর্ঘ ট্রেন ঘণ্টায় ৭২ কি.মি. বেগে চলছে। ট্রেনটি একটি প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করতে ২৫ সেকেন্ড সময় নেয়। প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ২৫০ মিটার
  2. ৩০০ মিটার
  3. ৩৫০ মিটার
  4. ২০০ মিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ১৫০ মি. দীর্ঘ ট্রেন ঘণ্টায় ৭২ কি.মি. বেগে চলছে। ট্রেনটি একটি প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করতে ২৫ সেকেন্ড সময় নেয়। প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
১ ঘণ্টা বা ৩৬০০ সেকেন্ডে অতিক্রম করে ৭২ কি.মি. বা ৭২০০০ মিটার
∴ ২৫ সেকেন্ডে অতিক্রম করে (৭২০০০ × ২৫)/৩৬০০ = ৫০০ মিটার

প্রশ্নমতে,
ট্রেন + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ৫০০
⇒ ১৫০ + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ৫০০
∴ প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ৫০০ - ১৫০ = ৩৫০ মিটার
৮৬.
২০২১ সালের ১৫ আগস্ট রবিবার হলে, ২০২২ সালের ১৬ আগস্ট কী বার ছিল?
  1. রবিবার
  2. সোমবার
  3. মঙ্গলবার
  4. বুধবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২০২১ সালের ১৫ আগস্ট রবিবার হলে, ২০২২ সালের ১৬ আগস্ট কী বার ছিল?

সমাধান:
- ২০২১ সাল লিপ ইয়ার নয়, তাই = ৩৬৫ দিন
- ১৫ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট = ১ দিন যোগ করতে হবে
- তাহলে মোট দিন = ৩৬৫ + ১ = ৩৬৬ দিন
- এখন, ৩৬৬ ÷ ৭ = ৫২ সপ্তাহ + ২ দিন
- রবিবার থেকে ২ দিন পরে = মঙ্গলবার
∴ ২০২২ সালের ১৬ আগস্ট ছিল মঙ্গলবার।
৮৭.
নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?
  1. অহোরাত্র
  2. বাল্মীকি
  3. অগ্ন্যুৎপাত
  4. প্রতিধন্দ্বীতা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি অশুদ্ধ?

সমাধান:
প্রশ্নে উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে প্রতিধন্দ্বীতা বানানটি ভুল।
প্রতিধন্দ্বীতা বানানটির শুদ্ধ বানান প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
৮৮.
বাম থেকে ডানদিকে পরবর্তী চিত্রটি কত নং চিত্রের অনুরূপ হবে?
  1. 1 নং
  2. 2 নং
  3. 3 নং
  4. 4 নং
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাম থেকে ডানদিকে পরবর্তী চিত্রটি কত নং চিত্রের অনুরূপ হবে?


সমাধান:
এখানে দুইটি প্যাটার্ণে পরিবর্তন হচ্ছে।
প্রথম প্যাটার্ণ: ছায়াঘেরা অংশটি ক্লক ওয়াইজ পরিবর্তন চচ্ছে। অর্থাৎ প্রতি চিত্রে যেই ঘরটি প্রথমে ছায়া দিয়ে ঘেরা পরবর্তী চিত্রের তার পরবর্তী ঘরটি ছায়া দায়া ঘিরে দিচ্ছে।

দ্বিতীয় প্যাটার্ণ: ছায়াঘেরা অংশ ছাড়া বাকি যেই চারটি ঘর আছে, সেই চারটি ঘরে চারটি সাইনের চিত্র আছে এবং প্রতি চিত্রে এই সাইনগুলো এন্টিপরিবর্তন চচ্ছে।

এই দুইটি প্যাটার্ণ অনুযায়ী পরবর্তী চিত্রটি হবে 4 নং চিত্রের অনুরূপ।
৮৯.
সাংকেতিক কোড 257 মানে যদি হয় Eat Good Food, সাংকেতিক কোড 583 মানে যদি হয় Good Health Matters এবং সাংকেতিক কোড 263 মানে যদি হয় Eat Fresh Matters তাহলে Fresh শব্দটির সাংকেতিক কোড কী?
  1. 3
  2. 5
  3. 6
  4. 7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: সাংকেতিক কোড 257 মানে যদি হয় Eat Good Food, সাংকেতিক কোড 583 মানে যদি হয় Good Health Matters এবং সাংকেতিক কোড 263 মানে যদি হয় Eat Fresh Matters তাহলে Fresh শব্দটির সাংকেতিক কোড কী?

সমাধান:
257 ⇒ Eat Good Food
583 ⇒ Good Health Matters
বামপাশে 5 কমন এবং ডান পাশে Good কমন; Good = 5

257 ⇒ Eat Good Food
263 ⇒ Eat Fresh Matters
বামপাশে 2 কমন এবং ডান পাশে Eat কমন; Eat = 2

583 ⇒ Good Health Matters
263 ⇒ Eat Fresh Matters
বামপাশে 3 কমন এবং ডান পাশে Matters কমন; Matters = 3

263 ⇒ Eat Fresh Matters এ 2 = Eat, 3 = Matters এবং বাকি 6 = Fresh
∴ Fresh শব্দটির সাংকেতিক কোড 6।
৯০.
একজন লোক উত্তর দিকে ২০ মিটার হাঁটার পর ডান দিকে মোড় নিয়ে ১০ মিটার হাঁটালো তারপর সে বাম দিকে ঘুরে ১৫ মিটার হাঁটে এবং ডান দিকে ঘুরে ১০ মিটার হাঁটে । এখন সে কোন দিকে মুখ করে আছে?
  1. পূর্ব দিকে
  2. পশ্চিম দিকে
  3. উত্তর দিকে
  4. দক্ষিণ দিকে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন লোক উত্তর দিকে ২০ মিটার হাঁটার পর ডান দিকে মোড় নিয়ে ১০ মিটার হাঁটালো তারপর সে বাম দিকে ঘুরে ১৫ মিটার হাঁটে এবং ডান দিকে ঘুরে ১০ মিটার হাঁটে । এখন সে কোন দিকে মুখ করে আছে?

সমাধান:

প্রদত্ত চিত্র অনুসারে শুভ্র এখন পূর্বদিকে মুখ করে আছে।
৯১.
কৃষিজাত কোন পণ্যটি ‘হোয়াইট গোল্ড’ হিসেবে পরিচিত?
  1. চা
  2. পাট
  3. চিংড়ি
  4. ইলিশ
ব্যাখ্যা
কৃষিজাত পণ্য চিংড়ি ‘হোয়াইট গোল্ড’ হিসেবে পরিচিত।

White gold:

- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৯২.
নিম্নের কোন স্থাপত্যটির সাথে এহসান খান যুক্ত ছিলেন?
  1. মোদের গরব
  2. বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ
  3. কমলাপুর রেলস্টেশন
  4. হাতির ঝিল
ব্যাখ্যা
হাতির ঝিল:
- 'হাতির ঝিল‘- এর নকশার পরিকল্পনা করেন স্থপতি এহসান খান।
- তিনি ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে গ্র্যাজুয়েশন করেন।
- তিনি ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ লিমিটেড-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

অন্যদিকে,
⇒ মোদের গরব:
- এর অবস্থান বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে।
- মোদের গরব স্থাপত্য'র নকশা করেন শিল্পী অখিল পাল।
- এটি উদ্বোধন হয় ২০০৭ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দাবি জানানোর আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহিদদের সম্মানে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

⇒ বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ:
- বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ ঢাকার রায়ের বাজার ইটখোলায় নির্মিত।
- বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এবং ইনস্টিটিউট অব আর্কিটেকটস্ যৌথভাবে স্মৃতিসৌধের নকশা প্রণয়নের জন্য জাতীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতা আহবান করে।
- ২২টি নকশার মধ্যে স্থপতি ফরিদউদ্দীন আহমেদ ও স্থপতি জামি-আল-শফি প্রণীত নকশাটি নির্বাচিত হয়।

⇒ কমলাপুর রেলস্টেশন:
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক।
- তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯৩.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে কোন প্রতিষ্ঠান শীর্ষে রয়েছে?
  1. হা-মীম গ্রুপ
  2. মণ্ডল গ্রুপ
  3. অনন্ত গ্রুপ
  4. ইয়াংওয়ান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ প্রতিষ্ঠান:

- দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি ইয়াংওয়ান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান ইয়াংওয়ান।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ইয়াংওয়ান ৮০ কোটি ৬৪ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে।
- তৈরি পোশাকের বাইরে ব্যাগ, জুতা ও পোশাকশিল্পের কাঁচামালসহ নানা পণ্য রপ্তানি করে ইয়াংওয়ান।

উল্লেখ্য,
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক রপ্তানি আয় ৩ হাজার ৬৮৮ কোটি ডলার।
- বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানির শীর্ষ স্থানটি বিদেশি উদ্যোক্তার দখলেই আছে।

⇒ পোশাক রপ্তানিতে বর্তমানে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান:
- ১ম: ইয়াংওয়ান।
- ২য়: হা-মীম গ্রুপ।
- ৩য়: মণ্ডল গ্রুপ।
- ৪র্থ: অনন্ত গ্রুপ।
- ৫ম: ডিবিএল গ্রুপ।

উৎস: ২ সেপ্টেম্বর ২০২৪, প্রথম আলো।
৯৪.
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে দুইজন বিদেশি নাগরিক বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, তারা হলেন -
  1. মার্শাল জুকুভ ও উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড
  2. আন্দ্রে মালরাক্স ও উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড
  3. জেমস হিলটন ও উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড
  4. এসই ফিনার ও উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে বিদেশি নাগরিকের অবদান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ফরাসী ঔপন্যাসিক Andre Malraux ও অস্ট্রেলিয় নাগরিক William AS Ouderland বিশেষ অবদান রেখেছিলেন।

⇒ আন্দ্রে মালরাক্স:
- আন্দ্রে মালরাক্স বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভিনদেশী এক সহযোদ্ধা।
- ফ্রান্সের খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও লেখক।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে ফ্রান্সের প্রতিরোধ যোদ্ধা হিসেবেও অংশ নেন।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য আন্দ্রে মালরাক্স ফ্রান্সে সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।
- ফ্রান্স সরকারকে উদ্দেশ্য করে তাঁর আকুতি ছিল: আমাকে একটি যুদ্ধ বিমান দাও, আমি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য শেষ লড়াইটা করতে চাই।
- তাঁর এই আন্দোলন বক্তৃতা, বিবৃতি আন্তর্জাতিক প্রেরণা হয়ে সেসময় বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হলে, ১৯৭৩ সালে তাঁকে বাংলাদেশে এনে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

⇒ উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'বীরপ্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক ডব্লিও এ এস ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক, তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ১৯৭০ সালে তিনি বাটা সু কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশে আসেন।
- মুক্তিযুদ্ধে তিনি ২নং সেক্টরে কাজ করেন।
- তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ, আর্থিক সহায়তা এবং সকল সম্ভাব্য উপায়ে সাহায্য করতেন।
- দেশ স্বাধীন হলে ১৯৭৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ফেরত যান।
- ওই বছরই বাংলাদেশ সরকার তাঁকে চতুর্থ সামরিক খেতাব 'বীরপ্রতীক' প্রদান করে।
- ১৮ মে, ২০০১ সালে তিনি মারা যান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৯৫.
'জন্ম আমার ধন্য হলো' গানটির সুরকার -
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আব্দুল লতিফ
  3. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  4. আজাদ রহমান
ব্যাখ্যা
জন্ম আমার ধন্য হলো:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেরণা দেওয়া গান ‘জন্ম আমার ধন্য হলো মাগো’।
- গানটির গীতিকবি নয়ীম গহর।
- গানটির সুরকার আজাদ রহমান

উল্লেখ্য,
- আজাদ রহমান ১৯৬৪ সালে কলকাতার রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতে (খেয়াল) প্রথম স্থান অর্জন করেন এবং স্বর্ণপদকে ভূষিত হন।
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম শিশুদের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান ‘নতুন কুঁড়ি’র সূচনা সঙ্গীত ‘আমরা নতুন আমরা কুঁড়ি’ গানটির সুরকার আজাদ রহমান।
- আজাদ রহমান শ্রেষ্ঠকণ্ঠশিল্পী, শ্রেষ্ঠসুরকার, শ্রেষ্ঠসঙ্গীত পরিচালক হিসেবে জাতীয় পুরস্কার লাভ করেছেন।
- ১৬ মে ২০২০ এ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯৬.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩ চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে, দেশে প্রতি বর্গ কি.মি.-এ জনসংখ্যার ঘনত্ব -
  1. ১,১১৯ জন
  2. ১,১২৩ জন
  3. ১,১৫৬ জন
  4. ১,১৭১ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩
:
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।

এছাড়াও,
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯.৪।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল মৃত্যুহার ৬.১।
- পুরুষদের প্রথম বিবাহের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ১৮.৪ বছর।
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় অভ্যন্তরীণ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে পল্লিতে আগমনের হার ২০.৪ এবং শহরে আগমনের হার ৪৩.৪।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৯৭.
মুক্তিযুদ্ধে কতজন বেসামরিক ব্যক্তিকে 'বীর উত্তম' খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ৬৮ জন
  2. ৬৭ জন
  3. ৭ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে ৫ জন বেসামরিক ব্যক্তিকে 'বীর উত্তম' খেতাব প্রদান করা হয়।

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- এই প্রস্তাব উপস্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী।
- মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে তিনি এই প্রস্তাব করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

⇒ মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।

উল্লেখ্য,
- কোন বেসামরিক মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ খেতাব 'বীর শ্রেষ্ঠ' দেয়া হয়নি।
- বীর উত্তম খেতাব দেয়া হয় ৬৮ জন মুক্তিযোদ্ধাকে, যার মধ্যে ৫ জন ছিলেন বেসামরিক।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, BBC.
৯৮.
সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদে নিম্নের কোনটি বর্ণিত হয়েছে?
  1. জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন
  2. জাতীয় সংস্কৃতি
  3. আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন
  4. নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন বর্ণিত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন,

- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
- অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা,
এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র -

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি।
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৯৯.
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত তারিখে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  2. ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  4. ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
-সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের সভাপতি ফিলেমন ইয়াং।
- ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
⇒ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।
- নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে ভাষণ প্রদান করেন তিনি।
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- এই সফরে তিনি বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সাথে বৈঠকও করেছেন।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
১০০.
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর কোন স্বাধীন রাজ্যের উদ্ভব ঘটে?
  1. বঙ্গ
  2. রাঢ়
  3. গৌড়
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর বঙ্গ ও গৌড় স্বাধীন রাজ্যের উদ্ভব ঘটে।

গুপ্ত সাম্রাজ্য:

- ভারতে সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।
- শ্রীগুপ্ত হচ্ছেন গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ।
- এল্যানের মতে, পাটলীপুত্র (মগধের অভ্যন্তরে) নগরের অদূরে শ্রীগুপ্তের রাজত্ব ছিল।
- তখন বাংলায় কিছু স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে ।
- এগুলোর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার সমতট রাজ্য ও পশ্চিম বাংলার পুষ্করণ রাজ্য উল্লেখযোগ্য।

⇒ প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রথম কুমারগুপ্তের সময় (৪৩২-৪৪৮ খ্রি.) থেকে উত্তর বাংলা গুপ্ত সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে গড়ে ওঠে।
- এটির নাম ছিল তখন ‘পুন্ড্রবর্ধন ভুক্তি’।
- গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।

⇒ সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি ‘প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবে পরিগণিত হতো।

⇒ মৌর্যদের মতো গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর।
- হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

উল্লেখ্য,
⇒ বঙ্গ ও গৌড়:
- ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বিশাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- সেই অস্থিতিশীল পরিবেশে বাংলাদেশে দুটো স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে।
- এর একটি হচ্ছে স্বাধীন ‘বঙ্গ রাজ্য’, অপরটি ‘গৌড় রাজ্য।
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সমগ্র দক্ষিণ ও পূর্ব বঙ্গে একটি স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে।
- স্বাধীন বঙ্গ রাষ্ট্রের রাজারা তামার পাতে খোদাই করা রাজ নির্দেশ জারি করতেন।
- এগুলোকে তাম্রশাসন বলা হতো।
- এ রকম ৭টি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে।
- স্বাধীন বঙ্গরাজ্যে চন্দ্রগুপ্ত, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব নামের তিনজন রাজার নাম জানা যায়।
- তারা ৫২৫ থেকে ৬০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোট ৭৫ বছর রাজত্ব করেন।
- সম্ভবত চন্দ্ৰগুপ্ত একাই ৩৩ বছর শাসন করেছেন বলে জানা যায়।
- বঙ্গের রাজাগণ ‘মহাধিরাজ’ উপাধি ধারণ করতেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
১০১.
BRTA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Rural Transport Authority
  2. Bangladesh Road Transport Authority
  3. Bangladesh Rural Telecommunication Agency
  4. Bangladesh Road Telecommunication Agency
ব্যাখ্যা
BRTA:
- BRTA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Road Transport Authority.
- BRTA বা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ।
- মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ (সংশোধিত ১৯৮৭) এর ধারা ২এ অনুযায়ী ২০ ডিসেম্বর ১৯৮৭ তারিখে এসআরও নং ৩০৩/আইন/৮৭/এমভিআরটি/১ই-৭/৮৪(অংশ) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি(বিআরটিএ) গঠিত হয়।
- ১৯৮৮ সালের জানুয়ারি থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
- সুষ্ঠু সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা, সড়ক পরিবহন সেক্টরে শৃঙ্খলা এবং সড়ক নিরাপত্তা বিধান কল্পে বিআরটিএ গঠন করা হয়।
- মোটরযান অধ্যাদেশ ১৯৮৩ বাস্তবায়নের উদ্দ্যেশ্যে তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রণালয় (বর্তমানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়)-এর অধীন বিআরটিএ গঠন করা হয়।
- সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ আইন ২০১৭ এর অধীনে বিআরটিএ কাজ করছে।
- চেয়ারম্যান বিআরটিএ’র সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
- সরকার কর্তৃক সময় সময় জারীকৃত কার্যসম্পাদন করাও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব।
- সংশোধিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী বর্তমানে বিআরটিএ’র মোট বিভাগীয় অফিস ৮টি এবং সার্কেল অফিস ৬৪টি।
- এর মধ্যে জেলা সার্কেল ৬৪টি এবং মেট্রো সার্কেল ৬টি।

⇒ ড্রাইভিং লাইসেন্স:
- BRTA বা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করে।
- ড্রাইভিং লাইসেন্সের পূর্বশর্ত হলো লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স।
- ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীর ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ৮ম শ্রেণী পাশ।
- অপেশাদার এর জন্য ন্যূনতম ১৮ বছর এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হতে হবে।
- মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে।

উৎস: BRTA ওয়েবসাইট।
১০২.
২০২৪ সালের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১০৯তম
  2. ১১১তম
  3. ১১৬তম
  4. ১১৯তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৪ সালের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১১৬তম।

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক ২০২৪:

- যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ ফাউন্ডেশন অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক-২০২৪ প্রকাশ করেছে।

⇒ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে শীর্ষদেশ:
১. সিঙ্গাপুর।
২. সুইজারল্যান্ড।
৩. আয়ারল্যান্ড।
৪. তাইওয়ান।

উল্লেখ্য
- ২০২৪ সালের সূচকে ৫৪.৪ পয়েন্ট স্কোর পেয়ে ১৭৬টি দেশের মধ্যে ১১৬তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে,
- সর্বনিম্ন দেশ উত্তর কোরিয়া (পয়েন্ট ২.৯)।

উৎস: The Heritage Foundation ওয়েবসাইট।
১০৩.
বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল লোকসভায় কবে পাশ হয়?
  1. ৫ মে, ২০১১
  2. ৭ মে, ২০১১
  3. ৫ মে, ২০১৫
  4. ৭ মে, ২০১৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল লোকসভায় ৭ মে, ২০১৫ পাশ হয়।

স্থলসীমান্ত চুক্তি:

⇒ ১৯৭৪ সাল:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অপদখলীয় ভূমি ও ছিটমহল সমস্যা সমাধানে স্থলসীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী স্বাক্ষরিত ওই চুক্তিটি ঐতিহাসিক 'মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি' নামে পরিচিত।
- চুক্তি অনুযায়ী, দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলে যাওয়ার জন্য ভারত বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডর শর্তসাপেক্ষে ব্যবহার করতে দিতে রাজি হয়।

⇒ ১৯৯২ সাল:
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাওয়ের সরকার বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডর ব্যবহারের সুযোগ দেয়।
- প্রাথমিকভাবে, দৈনিক ১২ ঘণ্টা করে ব্যবহারের সুযোগ পায় বাংলাদেশিরা।

⇒ ২০১১ সাল:
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং ঢাকা সফরের সময় তিন বিঘা করিডর বাংলাদেশিদের সার্বক্ষণিক ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার ও তাৎক্ষণিকভাবে তা কার্যকরের ঘোষণা দেন।
- ওই সফরেই ১৯৭৪ সালের স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে একটি প্রটোকল স্বাক্ষর করে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ড. মনমোহন সিংয়ের উপস্থিতিতে প্রটোকলে স্বাক্ষর করেন উভয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদ্বয় যথাক্রমে ডা. দীপু মনি ও এস এম কৃষ্ণা।

⇒ ২০১৫ সাল:
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের মন্ত্রিসভা ৫ মে, ২০১৫ স্থলসীমান্ত চুক্তি ও এর প্রটোকল বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন বিল অনুমোদন করে।
- ৬ মে ২০১৫ তা ভারতের রাজ্য সভায় এবং ৭ মে, ২০১৫ লোকসভায় পাশ হয়।

উৎস: i) ৮ জুন ২০১৫, প্রথম আলো।
ii) ৩১ জুলাই, ২০১৫, বিবিসি বাংলা।
iii) ৭ মে ২০১৫, প্রথম আলো।
১০৪.
'রায়বেশে নৃত্য' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. এম এস সুলতান
  4. হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
'রায়বেশে নৃত্য' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসান
:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।

⇒ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- ব্রতচারী আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ রায়বেঁশে নৃত্য।
- ব্রিটিশ শাসনামলে রাজার সেনাবাহিনী রায়বেঁশে পদ্ধতিতে শরীরচর্চা করত বাঙালি সংস্কৃতি, শুদ্ধ জাতীয়তাবাদ এবং প্রত্যেকে বাঙালির জীবনগঠনে স্বকীয়তা রক্ষা করতে, এ মূলনীতি কামরুল হাসান তার পরবর্তী জীবনে প্রতিফলিত করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
১০৫.
পাকিস্তানের দু'অংশের জন্য 'দুই অর্থনীতি তত্ত্ব' কে ঘোষণা করেন?
  1. অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক
  2. অর্থনীতিবিদ এম.এল. কোরেশী
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের দু'অংশের জন্য 'দুই অর্থনীতি তত্ত্ব' অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক ঘোষণা করেন।

দুই অর্থনীতি তত্ত্ব:

- পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার তত্ত্ব দেয় যে, রাষ্ট্রের এক এলাকায় যে খরচ বা বিনিয়োগ হবে, অর্থনীতিটি অবিচ্ছেদ্য হওয়ায় তার সুফল দুইটি এলাকাতেই উপভোগ করা যাবে।
- এ তত্ত্বের প্রথম প্রতিবাদ গড়ে উঠে ১৯৫৬ সালে চট্টগ্রামে একটি নিখিল পাকিস্তান অর্থনীতি সম্মেলনে।
- বাঙালি অর্থনীতিবিদ ড. মাজহারুল হক, ড. আবু সাদেক এবং ড. মির্জা নূরুল হুদা-এ তত্ত্বের অসারতা প্রমাণ করেন।
- অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক উক্ত তত্ত্বের প্রতিবাদে দুই অর্থনীতি তত্ত্ব ঘোষণা করেন।

⇒ অর্থনৈতিক শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক অঙ্গনেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া গড়ে ওঠে।
- ১৯৬০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে পার্লামেন্টের এমন কোন অধিবেশনই চলেনি যেখানে বৈষম্য বিষয়টি প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল না।
- ১৯৬২ সালে আইয়ুবের সামরিক শাসন প্রত্যাহারের পর ছাত্র ও রাজনৈতিক নেতারা বাঙালি অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে যোগ দিয়ে বৈষম্যের পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করেন।
- ১৯৬৬ সালের গ্রীষ্মে লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের গোলটেবিল বৈঠকে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষ থেকে উত্থাপিত ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচী মূলত: আঞ্চলিক অসমতাকে ভিত্তি করেই রচিত হয়।
- ছয়দফার তিনটি দফা অর্থ, রাজস্ব ও বৈদেশিক বাণিজ্য নীতি নির্ধারণের ক্ষমতা অঞ্চলগুলোর হাতে অর্পণের দাবি জানানো হয়।
- এতে আঞ্চলিক বৈষম্য রোধ ও সম্পদ পাচার রহিত করার লক্ষে পাকিস্তানের দু'অঞ্চলের মধ্যে পৃথক মুদ্রা চালুর প্রস্তাব করা হয়।

উৎস: ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৬.
ভারতের কোন গভর্নর জেনারেল সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেছিলেন?
  1. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
ব্যাখ্যা
ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেছিলেন।

লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক:

- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৮ -৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- বেন্টিংক মাদ্রাজের গভর্নর হিসেবে ১৮০৩ সালে প্রথম ভারতে আসেন।
- ১৮৩৩ সালের সনদ আইন দ্বারা পরে তাঁর পদবিকে ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে পুনরাখ্যায়িত করা হয়।

⇒ ১৮৩৩ সালের সনদ আইন দ্বারা বাংলার গভর্নর জেনারেলকে ভারতের গভর্নর জেনারেলে উন্নীত করা হয়।
- ফলে বাংলার তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক সাধারণত হস্তক্ষেপ না করা এবং অনাক্রমণের নীতি অনুসরণ করেছিলেন।
- ১৮৩১ সালে মহিশূরে অনেকদিন যাবৎ চলতে থাকা কুশাসন ঐ রাজ্যটিকে ব্রিটিশ প্রশাসনে আনতে তাঁকে বাধ্য করে।
- বেন্টিঙ্ক উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন এবং সেখানে রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন।
- সতীদাহ নিবারণ ও ঠগী দমন হলো বেন্টিঙ্কের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- তিনি সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেন

অন্যদিকে,
- ওয়ারেন হেস্টিংস ছিলেন বাংলার প্রথম গভর্নর-জেনারেল, প্রথমে ফোর্ট উইলিয়মএর গভর্নর এবং পরে গভর্নর জেনারেল।
- ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড ক্যানিং।
- স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৭.
বাড়িতে অতিথি এলে পান-সুপারি ও চা দিয়ে আপ্যায়ন করে কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. গারো
  2. রাখাইন
  3. খাসিয়া
  4. মারমা
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।

⇒ খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
- এক কালে এ উপজাতিরা ছিল যাযাবর। 
- তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত। 

⇒ খাসিয়া জনগোষ্ঠী কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে।
- তারা প্রচুর পান ও মধুর চাষ করে।
- ভাত, মাংস, শুঁটকি মাছ ও মধু খাসিয়াদের প্রধান খাদ্য।
- তারা পান-সুপারিকে খুবই পবিত্র মনে করে।
- বাড়িতে অতিথি এলে পান-সুপারি ও চা দিয়ে আপ্যায়ন করায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
১০৮.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে 'সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল' গঠন করা হয়?
  1. ৩য় সংশোধনী
  2. ৪র্থ সংশোধনী
  3. ৫ম সংশোধনী
  4. ৬ষ্ঠ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৫ম সংশোধনীতে 'সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল' গঠন করা হয়।

পঞ্চম সংশোধনী:

- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সরাসরি সংবিধানের কোনো বিধান পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করা হয়নি।
- সামরিক শাসনামলে বিভিন্ন ফরমান ও আদেশবলে সংবিধানের যেসব পরিবর্তন করা হয়েছে, পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সেগুলোর বৈধতা দেওয়া হয়।
- তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শাহ আজিজুর রহমান পঞ্চম সংশোধনী বিলটি উত্থাপন করেছিলেন।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত চারটি সামরিক ফরমান (ফার্স্ট মার্শাল ল প্রক্লেমেশন) জারি করা হয়েছিল। 
- বিচারক অপসারণের বিষয় নিষ্পত্তির ভার দিতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী:
- উত্থাপনকারী: এটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
- ৭২-এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে।
- তবে আপীল বিভাগ ষোড়শ সংশোধনীকে বাতিল ঘোষণা করে অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে ফিরিয়ে নিয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে রাখা হয়েছিল।
- এরপর ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর পর বিচারক অপসারণের ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত হয়।
- ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে বিচারক অপসারণের বিষয় নিষ্পত্তির ভার দিতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী আদালত অবৈধ ঘোষণার পর সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আনলেও তাতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
- এরপর ২০১৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়, যাতে বিচারক অপসারণের ক্ষমতা ফিরে পায় সংসদ।

⇒ পরবর্তীতে আদালত পর্যন্ত গড়ালে প্রথমে হাইকোর্ট এবং পরে আপিল বিভাগ এ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেয়।
- রায়ে সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭ উপ-অনুচ্ছেদ পুনবর্হাল করা হয়।
- ফলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল ফিরে এসেছে।
- এই কাউন্সিল গঠিত হয় প্রধান বিচারপতি ও পরবর্তী জ্যেষ্ঠ দুজন বিচারপতিকে নিয়ে।

⇒ ২০ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা বহাল রেখে আপিল বিভাগের রায় পুনর্বিবেচনা (রিভিউ) চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে এই আদেশ দিয়েছেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণ করা যাবে।
- সংবিধানের এ-সংক্রান্ত ৯৬ অনুচ্ছেদ পুরোটাই পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ।
- সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের ২ থেকে ৮ পর্যন্ত বিধান ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যম বাতিল করা হয়েছিল, এগুলো পুনর্বহাল করেছেন আপিল বিভাগ।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
১০৯.
মেসোপটেমীয় সভ্যতার প্রথম পর্যায় কোনটি?
  1. ব্যাবিলনীয় সভ্যতা
  2. ক্যালেডীয় সভ্যতা
  3. সুমেরীয় সভ্যতা
  4. অ্যাসেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
মেসোপটেমীয় সভ্যতা:
- এ সভ্যতাকে চারটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়-
• সুমেরীয়।
• ব্যাবিলনীয়।
• অ্যাসেরীয়।
• ক্যালেডীয়।
- Mesopotamia মানে হলো দুই নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চল।
- পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা 'মেসোপটেমীয় সভ্যতা'।
- ফোরাত ও দজলা নদীর মাঝখানে গড়ে ওঠা এই সভ্যতার নামকরণ হয়েছে গ্রিক শব্দে।
- ওই সময় উরুক নামে গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর ছিল। এ শব্দ থেকেই ইরাকের নাম রাখা হয়।
- বর্তমান ইরাকের বেশির ভাগ অংশ এবং সিরিয়ার কিছু অংশ একসময় মেসোপটেমীয় সভ্যতারই
অংশ ছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব ১৫০ সালের দিকে এ অঞ্চল পার্সিয়ানদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। পরে রোমানদের দখলে যায়। মুসলিম শাসনামলে এ অঞ্চল ইরাক নামে পরিচিতি পায়।

সুমেরীয় সভ্যতা:
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার প্রথম পর্যায় ও সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা সুমেরীয়।
- ৫০০০ খ্রিস্টপূর্বে সুমেরীয় জাতি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণাংশে এবং পারস্য উপকূল অঞ্চলে বসবাস শুরু করে।
- এরা অ-সেমিটিক জাতিগোষ্ঠি এবং মধ্য এশিয়া থেকে স্থানান্তরিত হয়ে মেসোপটেমিয়া অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে।
- লিখন পদ্ধতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা, আইন কানুন প্রণয়ন, ধর্মীয় অনুশাসন ইত্যাদি সুমেরীয়রাই প্রথম শুরু করে।
- সুমেরীয় সভ্যতায় ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় নেতাদের পদবী ছিল 'পাতেজী'।
- সুমেরীয়দের পরবর্তী বিখ্যাত শাসক ছিলেন সম্রাট 'ডুঙি'।
- সম্রাট ডুঙির নেতৃত্বে সুমেরীয়গণ খ্রিস্টপূর্ব ২১০০ অব্দে একটি ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য গড়ে তুলেন।
- ডুঙি সুমের জাতির জন্য সর্বপ্রথম একটি বিধিবদ্ধ আইন (Code) প্রচলন করেন।
- সুমেরীয় সমাজে শিল্প ও ব্যবসা পরিচালনায় নারীদের অধিকার দেওয়া হয়েছিল।
- মেসোপটেমীয় সভ্যতার বিকাশ এবং নিত্য নতুন আবিষ্কারের মূলে সুমেরীয়দের অবদানই অধিক ছিল।
- সুমেরীয় শ্রেষ্ঠ স্থাপত্যকীর্তি ‘জিগগুরাট' নামক ধর্মমন্দির।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১০.
'A Promised Land' বইটির লেখক কে?
  1. কেনেডি
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. বারাক ওবামা
  4. আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা
⇒ - 'A Promised Land' ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বারাক ওবামার আত্মজীবনী ও রাজনৈতিক স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ।

বারাক ওবামা:

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
- ২০০৮ সালে মাত্র ৪৭ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেন।
- ২০০৯ সালের ২০ জানুয়ারি শপথ নেন তিনি।
- তিনি ছিলেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সদস্য।
- বারাক ওবামা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৪তম প্রেসিডেন্ট।
- এর আগে আইনজীবী ও সামাজিক সংগঠক হিসেবে কাজ করেন তিনি।
- দুই মেয়াদে টানা আট বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ছিলেন ওবামা।
- ২০০৯ সালে শান্তিতে নোবেল পান মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১১১.
জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয় কোন শহরে?
  1. সানফ্রান্সিসকো
  2. নিউ ইয়র্ক
  3. পেনসিলভেনিয়া
  4. জর্জিয়া
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ:
- ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
- এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
- জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
- দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
- এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
- জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (অক্টোবর, ২০২৪)
- তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
- জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
- এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (অক্টোবর, ২০২৪)
- জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২ টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
- জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
- ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

তথ্যসূত্র- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১১২.
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (TI) কর্তৃক প্রকাশিত দুর্নীতি সূচক অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির দেশ কোনটি? (অক্টোবর, ২০২৪)
  1. ভেনেজুয়েলা
  2. দক্ষিণ সুদান
  3. সিরিয়া
  4. সোমালিয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দুর্নীতি সূচক ২০২৪:
- ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে জার্মানির বার্লিনভিত্তিক দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (TI) কর্তৃক প্রকাশিত দুর্নীতি সূচক প্রকাশ করে।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯ তম।

কম দুর্নীতির দেশ:
• প্রথম - ডেনমার্ক।
• দ্বিতীয় - ফিনল্যান্ড।
• তৃতীয় - নিউজিল্যান্ড।

সবচেয়ে বেশি দুর্নীতির দেশ:
• প্রথম - সোমালিয়া।
• দ্বিতীয় - ভেনেজুয়েলা, সিরিয়া ও দক্ষিণ সুদান।
• তৃতীয় - ইয়েমেন।

তথ্যসূত্র - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট।
১১৩.
নিচের কোন দেশটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মিত্রশক্তির পক্ষ ছিল না?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. ইতালি
  3. ফ্রান্স
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ:
- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• জার্মানি,
• জাপান,
• ইতালি।

- মিত্রশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিল,
• ব্রিটেন,
• ফ্রান্স,
• যুক্তরাষ্ট্র,
• সোভিয়েত ইউনিয়ন,
• চীন,
• পোল্যান্ড,
• নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।

- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন তথা রাশিয়ার নেতা বা প্রেসিডেন্ট ছিলেন জোসেফ স্ট্যালিন।
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ও হ্যারি এস. ট্রুম্যান।

তথ্যসূত্র - হিস্টোরি ও ব্রিটানিকা কম।
১১৪.
মন্ট্রিল প্রটোকলের বিষয়বস্তু নিচের কোনটি?
  1. ওজোন স্তরের সুরক্ষা বিষয়ক আন্তর্জাতিক চুক্তি
  2. গ্রীনহাউজ নির্গমন হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  3. টেকসই বন ব্যবস্থাপনা চুক্তি
  4. টেকসই নদী ব্যবস্থাপনা চুক্তি
ব্যাখ্যা
মন্ট্রিল প্রটোকল:
- মন্ট্রিল প্রটোকল ওজোনস্তর সংরক্ষণ বিষয়ক একটি বৈশ্বিক চুক্তি।
- পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ারে অবস্থিত ওজোনস্তরের ক্ষয় সাধনকারী পদার্থের নির্গমন হ্রাস করে ওজোনস্তরকে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এই প্রটোকল কানাডার মন্ট্রিল শহরে গৃহীত হয়।
- ১৯৮৯ সালের ১ জানুয়ারি মন্ট্রিল প্রটোকল কার্যকর হয়।
- মন্ট্রিল প্রটোকল গৃহীত হওয়ার দিন ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবছর আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সংরক্ষণ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১১৫.
২০২৪ সালে রসায়নে কে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ডেভিড বেকার
  2. সাইমন জনসন
  3. জেমস এ. রবিনসন
  4. গ্যারি রাভকান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

নোবেল পুরস্কার ২০২৪:

• সাহিত্য:
- ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন হান কাং।
- অবদান: নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

• শান্তি:
- ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।
- অবদান: হিবাকুশা নামেও পরিচিত জাপানি সংস্থা হিদানকিওকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পারমাণবিক অস্ত্র যে আর কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়, তা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
- অবদান: ‘মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকার জন্য’ তাদের এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

• পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
- অবদান: ‘কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাথে মেশিন লার্নিং সক্ষম করে তোলোর বুনিয়াদি আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য’ তাদেরকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• রসায়ন:
- ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
- অবদান: মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড বেকারকে কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইনের জন্য’ এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডেমিস হ্যাসাবিস ও জন এম. জাম্পারকে ‘প্রোটিন গঠন পূর্বাভাসের জন্য’ যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

• অর্থনীতি:
- ২০২৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
- অবদান: গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখে তা নিয়ে কার্যকরী গবেষণা করার জন্য।

তথ্যসূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট।
১১৬.
রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তি (CWC) কার্যকর হয় কবে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
Chemical Weapons Convention (CWC):
- রাসায়নিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ বিষয়ক চুক্তির নাম - Chemical Weapons Convention (CWC)।
- এটি জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে স্বাক্ষরিত একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি।
- এই চুক্তি অনুসারে রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।
- যে সকল দেশের হাতে রাসায়নিক অস্ত্র রয়েছে তাদেরকে এই অস্ত্র ধ্বংস করার কথাও বলা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালের ৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের দপ্তরে নিরস্ত্রীকরণ বিষয়ক সম্মেলন (Conference on Disarmament) অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন বন্ধের চুক্তির খসড়া প্রস্তুত করা হয়।
- চুক্তিটি স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত ও স্বাক্ষরিত হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে।
- কার্যকর হয় - ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৯৩টি।
- ইসরায়েল স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ও OPCW ওয়েবসাইট।
১১৭.
বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় কত সালে?
  1. ২১ মার্চ, ১৯৮৯
  2. ২২ মার্চ, ১৯৮৯
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৮৯
  4. ২৪ মার্চ, ১৯৮৯
ব্যাখ্যা
বাসেল কনভেনশন:
- 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
- বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
- বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
- এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
- 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
- বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।
১১৮.
বেনেলাক্স এর সদস্য নয় -
  1. বেলজিয়াম
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. চেক প্রজাতন্ত্র
  4. লুক্সেমবার্গ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• চেক প্রজাতন্ত্র বেনেলাক্স এর সদস্য নয়।

BENELUX:
- BENELUX -এর পূর্ণরূপ Belgium, Netherlands and Luxemberg.
- পশ্চিম ইউরোপের ৩টি দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগী সংগঠন বেনেলাক্স।
- চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৮ সালে।
- চুক্তি কার্যকর হয় ১৯৬০ সালে।
- বেনেলাক্স প্রথম সম্পূর্ণ বিনামূল্যে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে পরিণত হয়।
- সদস্য দেশ তিনটি বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, ও লুক্সেমবার্গ।
- এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বেনেলাক্স ওয়েবসাইট।
১১৯.
ডেটন শান্তি চুক্তির পক্ষ সমূহ -
  1. আলবেনিয়া, জাম্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া
  2. সার্বিয়া, জাম্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়া
  3. বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া
  4. বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও জর্জিয়া
ব্যাখ্যা
ডেটন শান্তি চুক্তি (Dayton Peace Agreement):
- ডেটন শান্তি চুক্তির পূর্ণনাম - General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina।
- বসনিয়া সংকট সমাধানের উদ্দেশ্যে ডেটন শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়ো অঙ্গরাজ্যের ডেটনে অবস্থিত বিমানঘাটিতে এই চুক্তির খসড়া প্রণীত হয়। এই জন্য এই চুক্তিকে ডেটন শান্তি চুক্তি বলা হয়।
- ডেটন চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট - বিল ক্লিন্টন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী - ওয়ারেন ক্রিস্টোফার।
- চুক্তিটির প্রধান শান্তি আলোচক - রিচার্ড হলব্রোক।
- চুক্তির খসড়া প্রস্তুত - ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের তারিখ - ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সাল
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান - প্যারিস, ফ্রান্স
- চুক্তির পক্ষ সমূহ - বসনিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী -
১. বসনিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট আলিজা ইজটবেগোভিচ।
২. ক্রোয়েশিয়ার পক্ষে - প্রেসিডেন্ট ফ্রাঞ্জো টুডম্যান।
৩. সার্বিয়ার পক্ষে - স্লোভাদান মিলোসোভিচ।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম ও ব্রিটানিকা।
১২০.
অলিভ পর্বত কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগদাদ
  2. জেরুজালেম
  3. ইস্তাম্বুল
  4. ইসলামাবাদ
ব্যাখ্যা
অলিভ পর্বত: 
- অলিভ পর্বত জেরুজালেমের ওল্ড সিটির ঠিক পূর্বে অবস্থিত একটি মাল্টি-সমিট চুনাপাথর পর্বত।
- এটি কিড্রন উপত্যকা দ্বারা শহর থেকে বিচ্ছিন্ন।
- ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের কাছে এটি একটি পবিত্র স্থান।
- অলিভ পর্বতের তিনটি প্রধান শৃঙ্গ রয়েছে। 

কিছু গুরত্বপূর্ণ পর্বত: 
- কারাকোরাম পর্বত অবস্থিত দক্ষিণ এশিয়ায়।
- পিরেনিজ পর্বত অবস্থিত স্পেন-ফ্রান্স সীমান্তে.
- এটলাস পর্বতমালা মরক্কো ,আলজেরিয়া , এবং তিউনিসিয়ায় অবস্থিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১২১.
প্রাকৃতিক দুর্যোগের পূর্বাভাস পাবার জন্য টোল ফ্রি নম্বর কোনটি?
  1. ৯৯৯
  2. ৩৩৩
  3. ১০৬
  4. ১০৯০
ব্যাখ্যা
- দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দুর্যোগের আগাম বার্তা জানার টোল ফ্রি নম্বর হচ্ছে ১০৯০। 

এছাড়াও, 
- মানবাধিকার কল সেন্টার টোল ফ্রি নম্বর - ১৬১০৮।
- ন্যাশনাল ইর্মাজেন্সি সার্ভিস ৯৯৯। 
- সরকারি তথ্য ও সেবা টোল ফ্রি নম্বর - ৩৩৩।
- দুর্নীতি দমন কমিশন টোল ফ্রি নম্বর - ১০৬।
- নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ টোল ফ্রি নম্বর - ১০৯।

সূত্র - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১২২.
ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বত থেকে কোন নদী উৎপত্তি লাভ করে?
  1. নীলনদ
  2. দানিয়ুব নদী
  3. ওডার নদী
  4. ভলগা নদী
ব্যাখ্যা
ব্ল‍্যাক ফরেস্ট:
- ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বত জার্মানিতে অবস্থিত।
- জার্মানির দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত পাহাড়ি বনভূমি 'ব্ল্যাক ফরেস্ট।
- এটি পশ্চিম এবং দক্ষিণে রাইন উপত্যকা দ্বারা আবদ্ধ।
- ব্ল্যাক ফরেস্ট পর্বত থেকে দানিয়ুব নদীর উৎপত্তি ঘটেছে।
- দানিয়ুব ইউরোপের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী (২,৮৫০ কি.মি.)।
- ইউরোপের দশটি দেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দানিয়ুব নদী কৃষ্ণসাগরে পতিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ভলগা নদীর উৎপত্তিস্থল রাশিয়ার ভলদাই পাহাড়।
- ওডার নদীর উৎপত্তিস্থল চেক প্রজাতন্ত্রের রুক্ষ পাহাড়ে উৎপন্ন হয়।
- নীলনদ উৎপত্তি লাভ করে ভিক্টোরিয়া হ্রদ থেকে। 

উৎস: Worldatlas ও ভূগোল ১ম পত্র ,এইচএসসি পোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৩.
নীতিবিদ্যাকে "নৈতিকতার প্রকৃতি এবং ভিত্তি সম্পর্কে দার্শনিক অনুসন্ধান" বলেছেন কে?
  1. জে.এস. ম্যাকেনজি
  2. পি. ডব্লিও. টেইলার
  3. উইলিয়াম লিলি
  4. উইলিয়াম. কে. ফ্রাংকেনার
ব্যাখ্যা
নীতিবিদ্যার কিছু প্রচলিত সংজ্ঞা:
- উইলিয়াম. কে. ফ্রাংকেনার মতে নীতিবিদ্যা হচ্ছে, “নৈতিকতা, নৈতিক সমস্যা এবং নৈতিক অবধারণ সম্পর্কিত দার্শনিক চিন্তা”।
- পি. ডব্লিও. টেইলার নীতিবিদ্যাকে বলেছেন,নৈতিকতার প্রকৃতি এবং ভিত্তি সম্পর্কে দার্শনিক অনুসন্ধান।
- ডি.ডি. রাফায়েলের মতে, "আদর্শ বা মূল্য সম্পর্কে, যথোচিত-অযথোচিত এবং শুভ-অশুভের ধারণা সম্পর্কে অথবা কি করা উচিত এবং কি করা উচিত নয় সে সম্পর্কে দার্শনিক অনুসন্ধান হচ্ছে নীতিদর্শন"।
- জে.এস. ম্যাকেনজি নীতিবিদ্যাকে এমন একটি বিদ্যা হিসেবে গণ্য করেছেন যা মানুষের আচরণের যথোচিত্য বা ভালত্ব নিয়ে আলোচনা করে।

উৎস: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৪.
প্লেটো কোন সদ্গুণকে রাষ্ট্র ও ব্যক্তি উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ অত্যাবশ্যকীয় সদ্গুণরূপে অভিহিত করেন?
  1. ন্যায়
  2. মিতাচার
  3. সাহস
  4. প্রজ্ঞা
ব্যাখ্যা
- প্লেটো ৪টি প্রধান সদ্গুণের (Cardinal Virtues) কথা উল্লেখ করেছেন।
- এগুলো হচ্ছে: প্রজ্ঞা, সাহস, মিতাচার ও ন্যায়।
- এদের মধ্যে ন্যায়কেই তিনি রাষ্ট্র ও ব্যক্তি উভয়ের ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ অত্যাবশ্যকীয় সদ্গুণরূপে অভিহিত করেন।
- তবে ব্যক্তি বা রাষ্ট্রের মধ্যে যখন অন্য তিনটি সদ্গুণের অস্তিত্ব থাকে তখনই ন্যায়রূপ সদ্গুণের অভ্যুদয় ঘটে।
- অ্যারিস্টটল তাঁর বিখ্যাত পুস্তক 'নিকোমেকীয়ান এথিক্স' এ সদ্গুণ উদ্ভবের কারণ হিসেবে জীবনে মধ্যপথ অবলম্বনের ওপর জোর দেন।

সূত্র: নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২৫.
'Marriage and Morals' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ম্যাক্স ওয়েবার
  2. বার্ট্রান্ড রাসেল
  3. ম্যাকিয়াভেলি
  4. জন স্টুয়ার্ট মিল
ব্যাখ্যা
বার্ট্রান্ড রাসেল: 
- বার্ট্রান্ড রাসেল (১৮ মে, ১৮৭২ – ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০) ছিলেন একজন বিশিষ্ট ব্রিটিশ দার্শনিক, গণিতবিদ, এবং সমাজ চিন্তাবিদ।
- তাঁর সমাজসচেতন লেখনী এবং কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫০ সালে তিনি নোবেল পুরস্কার পান। 

তার গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:
- The Problem of Philosophy,
- The Conquest of Happiness,
- Religion and Science,
- The Principles of Mathematics,
- The Analysis of Mind,
- Marriage and Morals,
- Philosophical Essays,
- Political Ideals,
- Principles of Social Reconstruction,
- The Analysis of Matter and
- Logic and knowledge.

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১২৬.
'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক -
  1. ইমানুয়েল কান্ট
  2. জেরেমি বেন্থাম
  3. হার্বার্ট স্পেন্সার
  4. বার্ট্রান্ড রাসেল
ব্যাখ্যা
ইমানুয়েল কান্ট:
- ইমানুয়েল কান্ট জার্মান নীতিবিজ্ঞানী।
- ‘কর্তব্যের জন্য কর্তব্য’-ধারণাটির প্রবর্তক - ইমানুয়েল কান্ট।
- তাঁর নীতিবিদ্যার মূলকথা তিনটি যথা: সৎ ইচ্ছা, কর্তব্যের জন্য কর্তব্য এবং শর্তহীন আদেশ।
- ইমানুয়েল কান্টকে 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতার' প্রবর্তক বলা হয়। 
- 'কর্তব্যমুখী নৈতিকতা' বা 'কর্তব্যের নৈতিকতার' দর্শন যে কোনো কর্মের ফল বা পরিণতির বদলে কর্মের ধরনকে গুরুত্ব দেয়।
- 'সততার জন্য সদিচ্ছা'র কথা বলেছেন ইমানুয়েল কান্ট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও Britannica.