পরীক্ষা আর্কাইভ

সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা

পরীক্ষাPSCতারিখ২০ জানুয়ারি, ২০২৬সময়50 minutes
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় পদের নাম: সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ২০.০১.২০২৬ Exam Taker: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (PSC)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা

PSC · ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ · ১০০ প্রশ্ন

.
মানুষের করোটিক স্নায়ু কয় জোড়া?
  1. ৮ জোড়া
  2. ১০ জোড়া
  3. ১২ জোড়া
  4. ১৫ জোড়া
ব্যাখ্যা

- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া।

• করোটিক স্নায়ু:
- যে সব স্নায়ু মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ থেকে উৎপত্তি লাভ করে করোটিকার বিভিন্ন ছিদ্রপথে বের হয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গে বিস্তৃত হয় তাদের করোটিক স্নায়ু বলে।
- মানুষের করোটিক স্নায়ু ১২ জোড়া।
- করোটিক স্নায়ুসমূহ সেনসরি বা সংবেদী, মটর বা আজ্ঞাবাহী/চেষ্টীয় এবং মিশ্র প্রকৃতির হয়ে থাকে।
- যে সকল স্নায়ু কোন সংবেদী অঙ্গ থেকে উদ্দীপনা বহন করে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে বা মস্তিষ্কে পৌঁছে দেয় তাদের সংবেদী স্নায়ু বলে।
যেমন- অলফ্যাক্টরি ও অপটিক স্নায়ু।
- আবার যে সব স্নায়ু কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের কোন নির্দেশ বহন করে নির্দিষ্ট অঙ্গে পৌঁছে দেয় তাদের চেষ্টীয় বা আজ্ঞাবাহী বা মোটর স্নায়ু বলে।
যেমন- অকুলোমোটর ও ট্রকলিয়ার স্নায়ু।
- কিছু স্নায়ু সংবেদী ও আজ্ঞাবাহী উভয় ধরনের কাজ করে, এদের মিশ্র স্নায়ু বলে।
যেমন- ফ্যাসিয়াল বা ট্রাইজেমিনাল স্নায়ু।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সর্বপ্রথম Genetics শব্দটি ব্যবহার করেন কে?
  1. Bateson
  2. Mendel
  3. Karl Correns
  4. de Vries
ব্যাখ্যা

Genetics শব্দের উৎপত্তি:
- Genetics শব্দটি জীববিজ্ঞানের একটি শাখা, যা বংশগতি ও বৈচিত্র্য নিয়ে আলোচনা করে।
- এই শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী William Bateson।
- তিনি 1905 সালে প্রথম “Genetics” শব্দটি প্রবর্তন করেন।
- Genetics শব্দটি গ্রিক শব্দ “Genesis” থেকে এসেছে, যার অর্থ উৎপত্তি বা জন্ম।
- Bateson মূলত Mendel-এর কাজকে ভিত্তি করে Genetics শাস্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- যদিও Gregor Mendel বংশগতির সূত্র আবিষ্কার করেন, তিনি “Genetics” শব্দটি ব্যবহার করেননি।
- Karl Correns এবং de Vries Mendel-এর কাজ পুনরাবিষ্কার করেন, কিন্তু শব্দটির প্রবর্তক নন।

সুতরাং, সর্বপ্রথম Genetics শব্দটি ব্যবহার করেন William Bateson.
সঠিক উত্তর: ক) Bateson.

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 

.
কোন পর্বের সকল প্রাণি সামুদ্রিক?
  1. Mollusca
  2. Cnidaria
  3. Echinodermata
  4. Chordata
ব্যাখ্যা

• Mollusca (মলাস্কা):
- এই পর্বের প্রাণীরা স্থলজ, মিঠাপানির ও সামুদ্রিক-তিন পরিবেশেই বাস করে।
- যেমন: শামুক (স্থলজ ও মিঠাপানির), ঝিনুক ও অক্টোপাস (সামুদ্রিক)।
- তাই Mollusca পর্বের সকল প্রাণি সামুদ্রিক নয়।

• Cnidaria (নাইডেরিয়া):
- এরা প্রধানত জলজ প্রাণি এবং অধিকাংশই সামুদ্রিক।
- যেমন: জেলিফিশ, প্রবাল, সি অ্যানিমোন।
- তবে কিছু প্রজাতি মিঠাপানিতেও বাস করে (যেমন: Hydra)।
- তাই এই পর্বের সকল প্রাণি সামুদ্রিক নয়।

• Echinodermata (ইকাইনোডারমাটা):
- এই পর্বের সকল প্রাণিই সম্পূর্ণভাবে সামুদ্রিক।
- এরা শুধু লবণাক্ত পানিতে বসবাস করে।
- যেমন: তারামাছ (Starfish), সি আর্চিন, সি কুকুম্বার।
- এদের দেহে কাঁটাযুক্ত ত্বক এবং জলবাহী তন্ত্র (Water vascular system) থাকে।
- এই পর্বের কোনো প্রাণিই স্থলজ বা মিঠাপানির নয়।

• Chordata (কর্ডাটা):
- এই পর্বের প্রাণীরা স্থলজ, জলজ ও উভচর- সব পরিবেশেই বাস করে।
- যেমন: মাছ (জলজ), ব্যাঙ (উভচর), পাখি ও মানুষ (স্থলজ)।
- তাই Chordata পর্বের সকল প্রাণি সামুদ্রিক নয়।

সুতরাং, যে পর্বের সকল প্রাণি সামুদ্রিক তা হলো - Echinodermata.
সঠিক উত্তর: গ) Echinodermata.

সূত্র: The University of Edinburgh. [link]

.
স্তন্যপ্রায়ী প্রাণিতে বক্ষ ও উদর পৃথককারী অনুপ্রস্থ পেশীর ব্যবধায়ক পর্দকে কি বলে?
  1. ডায়াফ্রাম
  2. অ্যালভিওলাস
  3. ইন্টারকোস্টাল পেশী 
  4. স্বরযন্ত্র
ব্যাখ্যা

• স্তন্যপ্রায়ী প্রাণীতে বক্ষ ও উদর পৃথককারী অনুপ্রস্থ পেশী (ডায়াফ্রাম):

- স্তন্যপ্রায়ী প্রাণীর দেহে বক্ষগহ্বর (Thoracic cavity) ও উদরগহ্বর (Abdominal cavity) কে পৃথক করে যে অনুপ্রস্থ পেশীযুক্ত পর্দা থাকে, তাকে ডায়াফ্রাম বলা হয়।
- ডায়াফ্রাম শ্বাস-প্রশ্বাস প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- শ্বাস নেওয়ার সময় ডায়াফ্রাম সংকুচিত হয়ে নিচের দিকে নামে, ফলে বক্ষগহ্বরের আয়তন বৃদ্ধি পায় এবং ফুসফুসে বাতাস প্রবেশ করে।
- শ্বাস ছাড়ার সময় ডায়াফ্রাম শিথিল হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়, ফলে বক্ষগহ্বরের আয়তন কমে যায় এবং ফুসফুস থেকে বাতাস বের হয়ে যায়।
- এটি একটি শক্তিশালী অনুপ্রস্থ পেশী যা শুধুমাত্র স্তন্যপ্রায়ী প্রাণীদের মধ্যেই সুস্পষ্টভাবে দেখা যায়।
- অ্যালভিওলাস হলো ফুসফুসের ভেতরের বায়ুথলি, ইন্টারকোস্টাল পেশী পাঁজরের মাঝখানে থাকে এবং স্বরযন্ত্র শব্দ উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত—এগুলো বক্ষ ও উদর পৃথক করে না।

সুতরাং, স্তন্যপ্রায়ী প্রাণীতে বক্ষ ও উদর পৃথককারী অনুপ্রস্থ পেশীর ব্যবধায়ক পর্দার নাম হলো ডায়াফ্রাম।

সঠিক উত্তর: ক) ডায়াফ্রাম। 

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
সূর্য এর প্রতিশব্দ কী?
  1. সুধাংশু
  2. গগণ
  3. নক্ষত্র
  4. আদিত্য
ব্যাখ্যা

'সূর্য' এর প্রতিশব্দ:
- রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, আদিত্য, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, দিনপতি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
'চাঁদ' এর প্রতিশব্দ: সুধাংশু, শশাঙ্ক, বিধু।
'গগন' এর প্রতিশব্দ: আকাশ, অম্বর, খ, নভঃ।
'নক্ষত্র' এর প্রতিশব্দ: তারা, তারকা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
স্থায়ী সালিসী আদালত কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভায়
  2. লন্ডনে
  3. প্যারিসে
  4. হেগে
ব্যাখ্যা

স্থায়ী সালিশি আদালত (Permanent Court of Arbitration - PCA) নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।

Permanent Court of Arbitration (PCA):
- স্থায়ী সালিশি আদালত একটি আন্তঃসরকারী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৯ জুলাই, ১৮৯৯ সালে।
- সদরদপ্তর: হেগ, নেদারল্যান্ডস।
- স্বাক্ষরকারী: ১২৭টি।
- বর্তমান মহাসচিব: ড. হাব. মার্সিন চেপেলাক।

⇒ আদালতের সদস্যরা ছয় বছরের মেয়াদের জন্য নিযুক্ত হন।
- কাজ: রাষ্ট্র, রাষ্ট্রীয় সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি করা। 

উৎস: International Criminal Court ওয়েবসাইট।

.
NATO কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৪ আগষ্ট ১৯৪৭
  2. ৪ এপ্রিল ১৯৪৯
  3. ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭
  4. ৪ মে ১৯৪৭
ব্যাখ্যা

ন্যাটো (NATO - North Atlantic Treaty Organization) ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।

NATO:
- NATO-এর পূর্ণরূপ: North Atlantic Treaty Organisation অথবা উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- ন্যাটো মূলত সামরিক সহযোগিতার জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- মুসলিম দেশ: আলবেনিয়া ও তুরস্ক।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হলো সুইডেন।
- ন্যাটোর মূলনীতি হলো- ‘ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় জোটের এক বা একাধিক সদস্যের বিরুদ্ধে যেকোনো সশস্ত্র আক্রমণকে জোটের সকল সদস্যের বিরুদ্ধে আক্রমণ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।’

উল্লেখ্য,
- ন্যাটোর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- যুক্তরাষ্ট্রে নাইন-ইলেভেনের সন্ত্রাসী হামলার পর ন্যাটো তাদের রক্ষায় মাঠে নামে।
- এর প্রত্যেকটি সদস্য রাষ্ট্র তাদের সামরিক বাহিনীকে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখতে বদ্ধপরিকর।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।

.
'তাহরির স্কয়ার' কোথায় অবস্থিত?
  1. সিউল
  2. আম্মান
  3. কায়রো
  4. তেহরান
ব্যাখ্যা

তাহরির স্কয়ার:
- তাহরির স্কয়ার মিশরের কায়রোতে অবস্থিত।
- এটিই কায়রোর গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল।

• মিশরের বিপ্লব: তাহরির স্কোয়ারে ১৮ দিন
- মিশরের তাহরির স্কোয়ারে ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি বিপ্লব শুরু হয়।
- মিশরে দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে ক্ষমতাসীন ছিলেন হোসনি মুবারক, যিনি একদিকে দেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার দাবি করলেও, তার শাসনামলে রাজনৈতিক স্বাধীনতা, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং দুর্নীতির অভিযোগ বেড়ে যায়।
- ২৫ জানুয়ারি, ২০১১, মিশরের পুলিশ দিবসে, বিরোধী আন্দোলনকারীরা তীব্র প্রতিবাদ শুরু করে। তাদের দাবী ছিল মুবারকের সরকারের পতন এবং গণতান্ত্রিক সংস্কার।
- এই প্রতিবাদ মিশরের রাজধানী কায়রোর তাহরির স্কোয়ারে কেন্দ্রীভূত হয়ে ওঠে, যা বিপ্লবের প্রধান স্থান হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- ১৮ দিনের প্রতিরোধ এবং চাপের পর, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১১-এ হোসনি মুবারক পদত্যাগ করেন।

উৎস: BBC.

.
Nobody ever goes to see her. What kind of pronoun is 'nobody' in the sentence?
  1. distributive
  2. indefinite
  3. possessive
  4. relative
ব্যাখ্যা

Nobody ever goes to see her. Here, 'Nobody' is - Indefinite pronoun.
- ‘Nobody’ একটি indefinite pronoun.
- এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা জিনিসকে বোঝায় না, বরং অজানা বা অস্পষ্ট কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে।

Indefinite pronoun:
- যে noun দ্বারা কোন নির্দিষ্ট জিনিস না বুঝিয়ে অনির্দিষ্ট ভাবে বোঝানো হয় তাকে Indefinite pronoun বলে।
- অনির্দিষ্ট অর্থজ্ঞাপক Pronoun হলো: One, someone, everyone, nobody.
- এগুলো দ্বারা নির্দিষ্ট ভাবে কাউকে না বুঝিয়ে সাধারণ ভাবে বোঝানো হয়।

• Pronoun ৮ প্রকার। যেমন: 
1. Personal pronoun: (I, we, me, it)
2. Demonstrative pronoun: (this, that)
3. Interrogative pronoun: (what, who)
4. Relative pronoun: (what, who, that)
5. Indefinite pronoun: (one, some, any, all, many)
6. Distributive pronoun: (each, every)
7. Reflexive pronoun: (myself, themself)
8. Reciprocal pronoun: (each other, one another)

১০.
বাংলার প্রাচীনতম স্থান কোনটি?
  1. সোনারগাঁও
  2. বিক্রমপুর
  3. পুন্ড্র
  4. চন্দ্রদ্বীপ
ব্যাখ্যা

পুন্ড্র:
- বাংলার প্রাচীনতম স্থান বা নগরকেন্দ্র হলো বগুড়া জেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড় যা প্রাচীনকালে 'পুণ্ড্রনগর' বা 'পুন্ড্রবর্ধন' নামে পরিচিত ছিল। 

• খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের (আনুমানিক) মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপিতে উল্লিখিত পুদনগল (পুণ্ড্র নগর) এবং বগুড়া যে অভিন্ন তা একাধিক উৎস থেকে প্রমাণ করা যায়।
- প্রাচীন এই জনপদের সীমানা চিহ্নিত করে ড. নীহাররঞ্জন রায় লিখেছেন, "পুণ্ড্রবর্ধনের কেন্দ্র বা হৃদয়স্থানের একটি নতুন নাম পাইতেছি দশম শতক হইতে; এ নাম বরেন্দ্র অথবা বরেন্দ্রী।"
- অর্থাৎ এই প্রাচীন জনপদটি ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে দুটো ভিন্ন নামে পরিচিতি লাভ করেছিল।
- কতিপয় লিপি প্রমাণে এ কথা বলা যায় যে, বরেন্দ্র পুণ্ড্রবর্ধনেরই অংশবিশেষ। মধ্যযুগের মুসলিম ঐতিহাসিকরা বরেন্দ্রিকে বলতেন বরীন্দ্র।

• প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তীকালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল। পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- গুপ্ত যুগে পুন্ড্রনগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।

উল্লেখ্য,
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১.
Find out the correct spelling.
  1. liaison
  2. liyasion
  3. lyasion
  4. liason
ব্যাখ্যা

সঠিক বানান হলো— ক) liaison.

• Liaison (noun)
- English Meaning: Communication or cooperation that facilitates a close working relationship between people or organizations.
- Bangla Meaning: দুই পক্ষের সংযোগ বা যোগাযোগ।

• Ex. Sentence: She acts as a liaison between the police department and city schools.
- Bangla Meaning: তিনি পুলিশ বিভাগ এবং শহরের স্কুলগুলির মধ্যে যোগাযোগকারী হিসেবে কাজ করেন।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১২.
মাংসাশী মাছ কোনটি? 
  1. Channa
  2. Catla
  3. Labeo
  4. Cirhina
ব্যাখ্যা

মাংসাশী মাছ (Carnivorous Fish):

- মাংসাশী মাছ হলো সেই সকল মাছ যারা প্রধানত অন্যান্য ছোট মাছ, পোকামাকড় বা জলজ প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে।
- এদের দাঁত ও মুখের গঠন শিকার ধরার উপযোগী হয়।
- এরা সাধারণত শিকারি স্বভাবের হয় এবং দ্রুত আক্রমণ করতে পারে।

• Channa:
- Channa সাধারণভাবে শোল বা টাকি মাছ নামে পরিচিত।
- এটি একটি সুপরিচিত মাংসাশী মাছ।
- ছোট মাছ, ব্যাঙ, পোকামাকড় ইত্যাদি খেয়ে থাকে।
- এদের শিকারি স্বভাব খুব স্পষ্ট।

• Catla:
- Catla একটি নিরামিষভোজী/অর্ধ-নিরামিষভোজী মাছ।
- এটি মূলত প্ল্যাঙ্কটন ও জলজ উদ্ভিদ খায়।
- মাংসাশী মাছ নয়।

• Labeo:
- Labeo জাতের মাছ (যেমন: রুই) সাধারণত উদ্ভিদভোজী।
- শৈবাল ও জলজ উদ্ভিদ এদের প্রধান খাদ্য।
- এরা মাংসাশী নয়।

• Cirhina:
- Cirhina (মৃগেল) মাছও মূলত উদ্ভিদভোজী।
- কাদা ও জলজ উদ্ভিদ থেকে খাদ্য গ্রহণ করে।
- মাংসাশী বৈশিষ্ট্য নেই।

সুতরাং, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে একমাত্র মাংসাশী মাছ হলো Channa.
সঠিক উত্তর: ক) Channa.

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩.
ভেনাস হার্ট পাওয়া যায়-
  1. মাছে
  2. উভচরে
  3. সরীসৃপে
  4. পাখিতে
ব্যাখ্যা

• ভেনাস হার্ট (Venous Heart):
- ভেনাস হার্ট বলতে এমন হৃদপিণ্ডকে বোঝায় যেখানে কেবলমাত্র অক্সিজেনবিহীন (deoxygenated) রক্ত প্রবাহিত হয়।
- এই ধরনের হৃদপিণ্ডে শরীর থেকে আসা রক্ত সরাসরি ফুলকায় (gills) পাঠানো হয় অক্সিজেন গ্রহণের জন্য।
- এখানে হৃদপিণ্ড অক্সিজেনযুক্ত রক্ত গ্রহণ বা পাম্প করে না।
- ফলে হৃদপিণ্ডটিকে সম্পূর্ণভাবে “ভেনাস” বা শিরাযুক্ত রক্তবাহী হৃদপিণ্ড বলা হয়।

• মাছের হৃদপিণ্ড:
- মাছের হৃদপিণ্ডে সাধারণত দুইটি প্রকোষ্ঠ থাকে-একটি অলিন্দ (atrium) ও একটি নিলয় (ventricle)।
- মাছের হৃদপিণ্ডে কেবলমাত্র অক্সিজেনবিহীন রক্ত প্রবাহিত হয়।
- এই রক্ত ফুলকায় গিয়ে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- তাই মাছের হৃদপিণ্ডকে ভেনাস হার্ট বলা হয়।

• উভচর, সরীসৃপ ও পাখির ক্ষেত্রে:
- উভচরের হৃদপিণ্ডে অক্সিজেনযুক্ত ও অক্সিজেনবিহীন উভয় ধরনের রক্ত প্রবাহিত হয়।
- সরীসৃপ ও পাখির হৃদপিণ্ডে রক্ত সঞ্চালন আরও উন্নত ও পৃথকভাবে সংগঠিত।
- তাই এদের হৃদপিণ্ড ভেনাস হার্ট নয়।

সুতরাং, ভেনাস হার্ট পাওয়া যায় মাছে।
- সঠিক উত্তর: ক) মাছে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
শ্রেণিবিন্যাসের জনক কে?
  1. Carolus Linnaeus
  2. Theophrastus
  3. George Benthum 
  4. De Candolle
ব্যাখ্যা

শ্রেণিবিন্যাসের জনক (Father of Classification):
- জীবজগতের বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীকে সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো ও চিহ্নিত করার পদ্ধতিকে শ্রেণিবিন্যাস বলা হয়।
- আধুনিক জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাসের ভিত্তি স্থাপন করেন ক্যারোলাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus)।
- তিনি জীবদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের জন্য দ্বিপদ নামকরণ পদ্ধতি (Binomial Nomenclature) প্রবর্তন করেন।
- এই পদ্ধতিতে প্রতিটি জীবের নাম দুটি অংশে গঠিত হয়—গণ (Genus) ও প্রজাতি (Species)।
- তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ “Systema Naturae” জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- Theophrastus উদ্ভিদবিদ্যার জনক হিসেবে পরিচিত, কিন্তু শ্রেণিবিন্যাসের জনক নন।
- George Bentham ও De Candolle উদ্ভিদের শ্রেণিবিন্যাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলেও আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসের জনক নন।

সুতরাং, জীবজগতের শ্রেণিবিন্যাসের জনক হলেন Carolus Linnaeus.
সঠিক উত্তর: ক) Carolus Linnaeus.

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫.
'Pedagogy' -এর পরিভাষা কী?
  1. শিক্ষানীতি
  2. শিক্ষাতত্ত্ব
  3. নারীশিক্ষা
  4. সহশিক্ষা
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমির অভিগম্য অভিধান অনুসারে, 'Pedagogy' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ- 'শিক্ষণবিজ্ঞান'।
Cambridge Dictionary অনুসারে,

'pedagogy' means - the study of the methods and activities of teaching.
অপশন বিবেচনায়, 'pedagogy' শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসাবে সঠিক উত্তর হবে- শিক্ষাতত্ত্ব।

অন্যান্য অপশনের পারিভাষিক শব্দ:
'Coeducation' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ ছেলেমেয়েদের একত্র শিক্ষা; সহশিক্ষা
'Education policy' শব্দের বাংলা পারিভাষিক শব্দ - শিক্ষানীতি।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি; Cambridge Dictionary এবং অভিগম্য অভিধান, বাংলা একাডেমি।

১৬.
নিচের কোন শব্দটি সমাসবদ্ধ নয়?
  1. গাছপাকা
  2. বিদ্যালয়
  3. সিংহাসন
  4. দিলদরিয়া
ব্যাখ্যা

• সমাসবদ্ধ শব্দ নয় - বিদ্যালয়
- এর সন্ধিবিচ্ছেদ - বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়।
- এটি স্বর সন্ধির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
- সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস - গাছে পাকা = গাছপাকা।
- মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস - সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৭.
We wear warm................ in winter.
  1. clothe
  2. cloth
  3. clothing
  4. clothes
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) clothes.

Complete sentence: We wear warm clothes in winter.

• Clothes হলো plural noun যা পোশাক-পরিচ্ছদ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সবসময় plural form-এ থাকে এবং পোশাকের সেট বা বিভিন্ন ধরনের পোশাক বোঝায়।
- যেমন: warm clothes, winter clothes, new clothes, old clothes ইত্যাদি।
- অর্থাৎ, পোশাক বোঝাতে সবসময় "clothes" ব্যবহার হয়। 

অন্যান্য অপশন ভুল:
ক: "clothe" - এটি verb, noun নয়। এখানে noun প্রয়োজন।

খ: "cloth" - এটি কাপড়ের উপাদান বোঝায়, পোশাক নয়।[(সুতা,পশম,রেশম প্রভৃতিতে তৈরি) কাপড়; বস্ত্র।]

গ: "clothing" - এটিও সঠিক হতে পারে, কিন্তু খুবই কম ব্যবহৃত, তবে "clothes" বেশি প্রচলিত এবং স্বাভাবিক।

১৮.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়নগঞ্জ
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কারখানা ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।

• খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড:
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটী বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- এটি রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে খুলনায় অবস্থিত।
- ইয়ার্ডটিতে ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭০০ টন লাইটওয়েট পর্যন্ত স্টিল/অ্যালুমিনিয়াম জাহাজ নির্মাণের ক্ষমতা রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র গর্বিত যুদ্ধজাহাজ নির্মাতা।
- এটি পশ্চিম জার্মান সহায়তায় ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- এটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিএনএস পদ্মা’।

উৎস: i) খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৯.
'গৃহী' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. প্রবাসী
  2. পরবাসী
  3. সন্ন্যাসী
  4. গৃহহীন
ব্যাখ্যা

• 'গৃহী' শব্দের বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ:
উত্তম - অধম,
উত্তমর্ণ - অধমর্ণ,
উত্তরণ - অবতরন,
উত্তরায়ণ - দক্ষিণায়ন,
উত্তাপ - শৈত্য,
উত্তীর্ণ - অনুত্তীর্ণ,
কৃষ্ণাঙ্গ - শ্বেতাঙ্গ,
উত্থান - পতন,
কৃশ - স্কুল,
কৃপণ - বদান্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২০.
Why did you end up........in forestry?
  1. having major
  2. majoring
  3. have majored
  4. to have majored
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) majoring.
Complete sentence: Why did you end up majoring in forestry?

• ইংরেজিতে end up একটি খুবই কমন phrasal verb.
- এর অর্থ হয়—কোনো প্রক্রিয়া বা ঘটনার পরিণতিতে শেষ পর্যন্ত কোনো অবস্থায়/জায়গায়/কাজে পৌঁছে যাওয়া (সাধারণত অপ্রত্যাশিত বা পরিকল্পনা বহির্ভূত ফলাফল)।

• end up এর পরে যদি কোনো verb আসে, তাহলে সেটি gerund (-ing form) হিসেবে আসতে হবে।
- Infinitive (to + verb) আসে না।

end up + doing something:
অর্থ: শেষ পর্যন্ত কিছু করা/হওয়া (যা হয়তো পরিকল্পিত ছিল না)।

Example: 
- I ended up studying medicine. 
- They ended up moving to Dhaka.

অন্য অপশনগুলো কেন ভুল:

ক) having major:
- ভুল। “having major” বলে কোনো সঠিক গঠন নেই। “having majored” হতে পারত কিন্তু তাও এখানে ফিট করে না।

গ) have majored:
- ভুল। এটা present perfect tense, কিন্তু “end up” এর পরে infinitive বা finite verb এভাবে আসে না।

ঘ) to have majored:
- ভুল। “end up” এর পরে to + verb বা perfect infinitive সাধারণত ব্যবহার হয় না।

২১.
Passive form of the sentence- "His performance surprised me."
  1. I was surprised by his performance.
  2. I had been surprised with his performance.
  3. I was surprised for his performance.
  4. I was surprised at his performance.
ব্যাখ্যা

• প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি past indefinite tense এ আছে।
- Past indefinite যুক্ত বাক্যকে passive করার নিয়ম - 
- Active এর object প্রথমে
- Tense অনুযায়ী auxiliary verb
- মূল verb এর past participle form
- by
- Active এর subject + extension.

• সাধারণত Passive voice এর verb এর past participle এর পর by বসলেও  active voice এ surprise verb হিসাবে থাকলে এবং verb টির পর বস্তু বুঝালে at বসে; ব্যক্তি বুঝালে with বসে।

Active:  His performance surprised me.
Passive: I was surprised at his performance.

২২.
হিমোগ্লোবিন কোন জাতীয় পদার্থ?
  1. আমিষ
  2. স্নেহ
  3. আয়োডিন
  4. লৌহ
ব্যাখ্যা

হিমোগ্লোবিন:
- হিমোগ্লোবিন এক ধরনের আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় পদার্থ।
- হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির জন্য রক্তের রং লাল হয়।
- এর প্রধান কাজ হলো ধমনি থেকে দেহের সব স্থানে অক্সিজেন ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করা।
- হিমোগ্লোবিনের প্রতিটি অণুতে চারটি আয়রন পরমাণু থাকে। আর প্রতিটি আয়রন পরমাণু একটি করে অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- রক্তে ৯৭-৯৮% অক্সিজেন পরিবাহিত হয় লোহত কণিকার অক্সিজেনের মাধ্যমে।
- একটি হিমোগ্লোবিন অণু একই সাথে ৪টি অক্সিজেন অণুর সাথে যুক্ত হতে পারে।
 
- অক্সিজেনের সাথে হিমোগ্লোবিনের রাসায়নিক বিক্রিয়া উভমুখী।

উৎস: জীববিজ্ঞান, দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. গাজী আজমল) এবং প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৩.
আমেরিকাকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?
  1. ফ্লোরিডা
  2. পক
  3. জিব্রাল্টার
  4. বেরিং
ব্যাখ্যা

আমেরিকাকে এশিয়া থেকে পৃথক করেছে বেরিং প্রণালী।

বেরিং প্রণালি:
- 'বেরিং প্রণালি' এশিয়া ও উত্তর আমেরিকাকে পৃথক করেছে।
- এটি রাশিয়া (এশিয়া) এবং আলাস্কা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (উত্তর আমেরিকা)-কে পৃথক করেছে।
- এটি আর্কটিক মহাসাগরের চুকচি সাগর এবং প্রশান্ত মহাসাগরের বেরিং সাগরকে যুক্ত করে।
- প্রণালিটি এশিয়া (চুকচি উপদ্বীপ) ও উত্তর আমেরিকা (আলাস্কা)-এর মধ্যে অবস্থিত।
- এটি প্রায় ৮৫ কিলোমিটার (৫৩ মাইল) চওড়া এবং এর গড় গভীরতা ৩০ থেকে ৫০ মিটার (৯৮ থেকে ১৬৪ ফুট)।

অন্যদিকে -
- ফ্লোরিডা কোনো প্রণালী নয়, এটি একটি রাজ্য।
- পক প্রণালী: ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করে।
- জিব্রাল্টার প্রণালী: ইউরোপ (স্পেন) ও আফ্রিকা (মরক্কো) পৃথক করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

২৪.
The dress does not fit me. I will have to have it _____.
  1. altered
  2. loosened
  3. tightened
  4. tailored
ব্যাখ্যা

The correct answer is ক) altered.

Complete sentence: The dress does not fit me. I will have to have it altered.

• যখন কোনো পোশাক (dress, shirt, trousers ইত্যাদি) ঠিকমতো ফিট করে না (খুব বড়, ছোট, আলগা, টাইট বা অন্য কোনো সমস্যা আছে), তখন সাধারণত সেলাই করে পরিবর্তন/সংশোধন করা হয়।
- Altered মানে পরিবর্তন করা, সংশোধন করা।
- ইংরেজিতে এই কাজকে "have something altered" বলা হয়। "Altered" - changed / adjusted / modified to make it fit better.

"Have something done" এর গঠন:
- Subject + have/get + object + past participle (V3).
- এই structure দিয়ে বোঝায় অন্য কেউ কাজটি করবে
Example: I will have it altered. (আমি এটি পরিবর্তন করিয়ে নেব।)

অন্যান্য অপশন ভুল:
খ: "loosened" - শুধু ঢিলা করা বোঝায়, কিন্তু পোশাক ছোটও হতে পারে।

গ: "tightened" - শুধু আঁটসাঁট করা বোঝায়, কিন্তু পোশাক বড়ও হতে পারে।

ঘ: "tailored" - নতুন পোশাক তৈরি করা বোঝায়, পুরনো পোশাক সংশোধন নয়।

২৫.
রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম কি?
  1. Catla catla
  2. Tenualosa Ilisha
  3. Arius gagora
  4. Labeo rohita
ব্যাখ্যা

রুই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম:
- রুই মাছ বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত পরিচিত ও জনপ্রিয় স্বাদুপানির মাছ।
- এটি মূলত নদী, খাল, বিল ও পুকুরে পাওয়া যায়।
- রুই মাছ কার্প (Carp) জাতীয় মাছের অন্তর্ভুক্ত।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম নির্ধারণ করা হয়েছে মাছটির গঠন, প্রজাতি ও বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে।
- রুই মাছের স্বীকৃত বৈজ্ঞানিক নাম হলো Labeo rohita.

অন্যান্য অপশন গুলোর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- Catla catla → এটি কাতলা মাছের বৈজ্ঞানিক নাম।
- Tenualosa ilisha → এটি ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম।
- Arius gagora → এটি একটি সামুদ্রিক/লবণাক্ত পানির মাছের প্রজাতি।

সুতরাং, রুই মাছের সঠিক বৈজ্ঞানিক নাম হলো Labeo rohita.
সঠিক উত্তর: ঘ) Labeo rohitu.

উৎস: জীববিজ্ঞান (প্রাণিবিজ্ঞান) দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন কোনটি?
  1. A
  2. C
  3. B6
  4. B12
ব্যাখ্যা

• ভিটামিনের শ্রেণিবিভাগ:
- এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত ভিটামিনসমূহকে তাদের দ্রবণ ক্ষমতার উপর নির্ভর করে ২টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:

১. চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন:
- যে ভিটামিনসমূহ তেল/চর্বিতে দ্রবীভূত হয় কিন্তু পানিতে অদ্রবণীয় থাকে তাদেরকে চর্বিতে দ্রবণীয় (fat soluble) ভিটামিন বলা হয়।
- এরা তেল এবং চর্বির সাথে মিশে দেহে শোষিত হয়।
- তেল/চর্বি বা স্নেহে দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো হলো: ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই এবং ভিটামিন কে।

২. পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন:
- যে ভিটামিনগুলো পানিতে দ্রবীভূত হয় কিন্তু তেল বা চর্বিতে অদ্রবীভূত থাকে তাদের পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন (Water soluble vitamin) বলে।
- এ ভিটামিনগুলো হলো বিভিন্ন প্রকারের বি ভিটামিন ও ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড।
- বি ভিটামিনগুলোকে একত্রে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বলে।
- ভিটামিন বি১ বা থায়ামিন, ভিটামিন বি২ বা রিবোফ্লাভিন, ভিটামিন বি৫ বা নায়াসিন, ভিটামিন বি৬ বা পিরিডক্সিন, ভিটামিন বি১২ বা কোবালামিন, ফলিক এসিড, পেন্টোথেনিক এসিড, বায়োটিন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বি ভিটামিন। এগুলো মানবদেহের জন্য আবশ্যক।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৭.
'কৈ মাছের প্রান' বাগধারার সঠিক অর্থ কোনটি?
  1. সংকীর্ণমনা লোক
  2. খুব অলস
  3. খুব চালাক
  4. যা সহজে মরে না 
ব্যাখ্যা

• 'কৈ মাছের প্রাণ' বাগ্‌ধারার অর্থ - যা সহজে মরে না।

অন্যদিকে,
- 'কুয়োর ব্যাঙ' বাগ্‌ধারার অর্থ - সংকীর্ণমনা লোক।
- 'গভীর জলের মাছ' বাগ্‌ধারার অর্থ - খুব চালাক।
- 'গোঁফ খেজুরে' বাগ্‌ধারার অর্থ - খুব অলস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৮.
জুলাই সনদ কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
  2. ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
  3. ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  4. ১৯ অক্টোবর, ২০১৫
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫:
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।

১৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদী শাসনের জাঁতাকলে পিষ্ট বাংলাদেশের ছাত্র-জনতার অংশগ্রহণে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে এক অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা হয়।
- এর ফলে ৫ই আগস্ট, ২০২৪ তারিখে তৎকালীন ক্ষমতাসীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার কিছু দোসর দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান এবং দীর্ঘকালীন দমনমূলক ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে।
- জনগণের বিজয়ের ফল হিসেবে অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়।

⇒ জুলাই জাতীয় সনদে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব উপস্থাপিত হয়েছে।
- এরই মধ্যে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের ১৭টি বিষয়ে ৩২টি রাজনৈতিক দল ও জোটের পূর্ণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে ৮৪ দফার জুলাই জাতীয় সনদ চূড়ান্ত করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন; বাকি ৬৭টি বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কেউ কেউ বিরোধিতা করেছে এবং দিয়েছে নোট অব ডিসেন্ট।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।

২৯.
কোনটি অগ্রমস্তিষ্কের অংশ?
  1. সেরেব্রাম
  2. সেরেবেলাম
  3. পনম
  4. কর্পোরা
ব্যাখ্যা

• সেরেব্রাম-  অগ্রমস্তিষ্কের অংশ।

অগ্রমস্তিষ্ক:
- অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান অংশ গঠন করে।
- এটি তিন অংশে বিভক্ত। যথা-
(ক) সেরেব্রাম,
(খ) থ্যালামাস ও
(গ) হাইপোথ্যালামাস।

• সেরেব্রাম:
- মস্তিষ্কের সবচেয়ে বড় অংশ (মস্তিষ্কের প্রায় ৮০% গঠন করে)।
- প্রতিটি সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ার ৫টি খণ্ডে বিভক্ত। যথা- ফ্রন্টাল লোব, প্যারাইটাল লোব, অক্সিপিটাল লোব, টেম্পোরাল লোব ও লিম্বিক লোব।
- সেরেব্রাম বাকশক্তি, স্মৃতি শক্তি, চিন্তা, বুদ্ধি-বৃত্তি, সৃজনশীলতা, ইচ্ছা শক্তি, সহজাত প্রবৃত্তি, কর্মপ্রেরণা প্রভৃতির সাথে সংশ্লিষ্ট।
- সর্বোপরি মানুষের ঐচ্ছিক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।

• থ্যালামাস:
- সেরেব্রাল হেমিস্ফিয়ারের নিচে দুটি ক্ষুদ্র ও ডিম্বাকৃতির থ্যালামাস থাকে যা ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- থ্যালামাস সংবেদী-উদ্দীপনা গ্রহণ করে এবং রিলে করে সেরেব্রামে পাঠায়।

• হাইপোথ্যালামাস:
- এটি থ্যালামাসের ঠিক নিচে ধূসর পদার্থ দিয়ে গঠিত।
- এটি অন্ততঃ এক ডজন পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত থাকে।
- স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্রের সকল কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ক্ষুধা, তৃষ্ণা, রাগ, ভাল লাগা, ভীতি, আবেগ প্রভৃতির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- পিটুইটারী গ্রন্থিও বিভিন্ন হরমোন নিঃসরণ করে।

অপশন আলোচনা:
ক) সেরেব্রাম — এটি অগ্রমস্তিষ্কের প্রধান ও সবচেয়ে বড় অংশ, তাই সঠিক উত্তর।
খ) সেরেবেলাম — এটি পশ্চাৎমস্তিষ্কের অংশ, অগ্রমস্তিষ্কের নয়।
গ) পনস (পনম) — এটি মধ্যমস্তিষ্ক/পশ্চাৎমস্তিষ্কের সংযোগকারী অংশ, অগ্রমস্তিষ্কের অংশ নয়।
ঘ) কর্পোরা (কর্পাস ক্যালোসাম বোঝালে) — এটি অগ্রমস্তিষ্কের ভেতরে সেরেব্রামের দুই অর্ধকে যুক্ত করে, তবে সাধারণ MCQ-তে একে সরাসরি অগ্রমস্তিষ্কের অংশ হিসেবে ধরা হয় না।
 
তথ্যসূত্র - প্রাণি বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
নিচের কোনটি কৃদন্ত শব্দের উদাহরণ?
  1. ভাজি
  2. বিবাহিত
  3. দৈনিক
  4. পাগলামি
ব্যাখ্যা

কৃৎ-প্রত্যয়:
- ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলোকে কৃৎ-প্রত্যয় বলে।
- কৃৎপ্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলে।
যেমন:
- দুল্+অনা= দোলনা,
- কৃ+তব্য= কর্তব্য,

'অনা' ও 'তব্য' হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং 'দোলনা' ও 'কর্তব্য' হলো কৃদন্ত শব্দ।
- ভাজ + ই= ভাজি,
এখানে 'ই' হলো কৃৎপ্রত্যয় এবং 'ভাজি' হলো কৃদন্ত শব্দ।

অন্যদিকে,
- 'পাগলামি = পাগল+ আমি' তদ্ধিতান্ত শব্দের উদাহরণ।
- 'দিন + ইক = দৈনিক' হলো তদ্ধিতান্ত শব্দ।
- বিবাহ (বিশেষ্য) + ইত (তদ্ধিত প্রত্যয়) = বিবাহিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ ২০২১ ও ২০১৯)।

৩১.
We look at a thing, but look. ......a matter.
  1. up
  2. in
  3. into
  4. to
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ) into.
Full sentence: We look at a thing, but look into a matter.

"Look at" এবং "Look into" - এই দুটি phrasal verb-এর ব্যবহার ভিন্ন।

look into something:
English meaning: To examine carefully or investigate.
Bangla meaning: (ক) তদন্ত করা; পরীক্ষা করা; (খ) মগ্ন হওয়া; ডুব দেওয়া (বই ইত্যাদিতে); (গ) গভীরে প্রবেশ করা।

look …… a matter:
- এখানে “matter” বলতে কোনো বিষয়, সমস্যা বা পরিস্থিতির কথা বোঝানো হয়েছে। 
- এই ক্ষেত্রে সঠিক phrasal verb হলো look into.
- look into - কোনো বিষয়/সমস্যা গভীরভাবে তদন্ত করা, খতিয়ে দেখা, বিবেচনা করা।
---------

We look at a thing:
- look at - কোনো কিছুর দিকে চোখ দিয়ে তাকানো / পর্যবেক্ষণ করা (physical দেখা)।

উদাহরণ:
Look at that beautiful bird!
She looked at the painting for a long time.

৩২.
'চন্দ্রাবতী' কী?
  1. কাব্য
  2. পদাবলী
  3. পালাগান
  4. নাটক
ব্যাখ্যা

'চন্দ্রাবতী' কাব্য:
- 'চন্দ্রাবতী' কাব্যের রচয়িতা কোরেশী মাগন ঠাকুর।
- মধ্যযুগে আরাকান রাজ সভায় বাংলা সাহিত্যচর্চা শুরু হয়।
- কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার প্রধান উজির ছিলেন।
- তার পৃষ্ঠাপােষকতায় আরাকান বা রােসাঙ্গ রাজসভায় বাংলা সাহিত্য চর্চা শুরু হয়েছিল।
- তিনি আলাওলকে দুটি কাব্য ‘পদ্মাবতী’ ও ‘সয়ফুলমুলক বদিউজ্জামান' লিখতে পৃষ্ঠপােষকতা করেছিলেন।
- আলাওল, দৌলত কাজী, কোরেশী মাগন ঠাকুর আরাকান রাজসভার উল্লেখযােগ্য কবি।

-----------------------------------
- উল্লেখ্য, চন্দ্রাবতী নামে ময়মনসিংহ গীতিকার একজন মহিলা কবি রয়েছেন যিনি প্রথম রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন।
- আরও উল্লেখ্য, চন্দ্রাবতীকে নিয়ে মৈমনসিংহ-গীতিকায় নয়ানচাঁদ ঘোষ নামে একজন কবির পালা রয়েছে। এই পালাটি বিভিন্ন নামে পরিচিত - ‘জয়-চন্দ্রাবতী’, 'চন্দ্রাবতী চরিত', 'চন্দ্রাবতী উপাখ্যান'।
- এছাড়াও, ১৯৩২ সালে দীনেশচন্দ্র সেন চন্দ্রাবতীর রামায়ণ প্রকাশ করেন। পূর্ববঙ্গ-গীতিকার চতুর্থ খণ্ডের ২য় ভাগে এ রামায়ণ স্থান পেয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলার পুরনারী - দীনেশচন্দ্র সেন, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩৩.
অরীয় প্রতিসামোর উদাহরণ কোনটি?
  1. Hydra
  2. Taenia
  3. Astropecten
  4. Labeo
ব্যাখ্যা

• এই প্রশ্নটি অরীয় প্রতিসাম্য (Radial Symmetry) সম্পর্কিত।
সঠিক উত্তর: গ) Astropecten.
- Hydra এবং Astropecten উভয়ই অরীয় প্রতিসাম্য প্রদর্শন করে, তবে Astropecten (তারামাছ) অরীয় প্রতিসাম্যের সবচেয়ে আদর্শ ও সুস্পষ্ট উদাহরণ।

অরীয় প্রতিসাম্য হলো এমন একটি দেহ গঠন যেখানে কেন্দ্রীয় অক্ষের চারদিকে দেহ অংশগুলো সুষমভাবে বিন্যস্ত থাকে। কেন্দ্র দিয়ে যেকোনো উল্লম্ব তলে দেহকে কাটলে সমান দুটি অংশ পাওয়া যায়।

প্রতিটি অপশন বিশ্লেষণ:
ক) Hydra - এটি অরীয় প্রতিসাম্য প্রদর্শন করে (Cnidaria পর্বের অন্তর্গত)
খ) Taenia - এটি দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য প্রদর্শন করে (ফিতাকৃমি)
গ) Astropecten - এটি একটি তারামাছ (Starfish/Sea star), যা স্পষ্ট অরীয় প্রতিসাম্য প্রদর্শন করে (Echinodermata পর্বের অন্তর্গত)
ঘ) Labeo - এটি একটি মাছ যা দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য প্রদর্শন করে

• প্রতিসাম্য:
- যে সকল প্রাণীর দেহকে কোনো না কোনো অক্ষ বা তল বরাবর সমান অংশে ভাগ করা যায় তাদেরকে প্রতিসাম্য প্রাণী বলে।
- প্রতিসাম্যতার উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. গোলীয় প্রতিসাম্য:
- যখন কোনো প্রাণী দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোর বিন্যাস এমন হয় যে প্রাণিটিকে এর কেন্দ্র বিন্দু দিয়ে অতিক্রান্ত যেকোনো তলেই সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন তাকে গোলীয় প্রতিসাম্য বলে।
যেমন- ভলভক্স (Volvox aureus)।

২. অরীয় প্রতিসাম্য:
- যখন কোন প্রাণীর দেহকে অণুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর দুয়ের অধিক তলে সমদ্বিখণ্ডিত করা যায় তখন সে ধরনের প্রতিসাম্যকে অরীয় প্রতিসাম্য বলে।
যেমন- সমুদ্র তারা (Astropecten auranciacus)।

৩. দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য:
- কোনো প্রাণিদেহে যখন কোনো অঙ্গের সংখ্যা একটি বা এক জোড়া হওয়ায় অনুদৈর্ঘ্য অক্ষ বরাবর শুধু দুটি তল পরস্পরের সমকোণে অতিক্রম করতে পারে, ফলে ঐ প্রাণিদেহে চারটি সদৃশ অংশে বিভক্ত হতে পারে। এ ধরনের প্রতিসাম্যকে দ্বি-অরীয় প্রতিসাম্য বলে।
যেমন- অ্যান্থোজোয়া (Anthozoa)।

৪. দ্বি-পার্শ্বীয় প্রতিসাম্য:
- জীবদেহকে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর উলম্বভাবে দ্বিবিভক্ত করার ফলে যদি দুটি সমান ও সাদৃশ্যপূর্ণ অংশে বিভক্ত হয় তবে এ প্রতিসাম্যকে দ্বিপার্শ্বীয় প্রতিসাম্য বলে।
যেমন- যকৃত কৃমি (Fasciola hepatica)।

৫. অপ্রতিসাম্য:
- যখন জীবদেহকে উলম্বভাবে কেন্দ্রের মধ্যরেখা বরাবর ছেদ করলে তা দুটি অসমান ও সাদৃশ্যবিহীন অংশে বিভক্ত হয় তখন তাকে অপ্রতিসাম্য বলে।
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)।

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৪.
কোনটি জসীম উদ্দীনের কাব্য?
  1. চলে মুসাফির
  2. রাখালী
  3. বিষের বাঁশি
  4. সোনালি কাবিন
ব্যাখ্যা

'রাখালী' কাব্যগ্রন্থ:
- জসীমউদ্দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ - রাখালী।
- এই কাব্যে ১৯টি কবিতা আছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।
- এই কাব্যের প্রথম কবিতা হচ্ছে 'রাখালী'।

অন্যদিকে,
- চলে মুসাফির - জসীম উদ্দীনের উল্লেখযোগ্য ভ্রমণকাহিনীগুলোর মধ্যে একটি।
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ - বিষের বাঁশি।
- 'সোনালী কাবিন' কাব্যগ্রন্থের রচিয়তা আল মাহমুদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৩৫.
Who is known as the 'Lady of the Lamp?"
  1. Sorojini Naidu
  2. Hellen Killer
  3. Florence Nightingale
  4. Mother Teresa
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ) Florence Nightingale.

'Lady of the Lamp' নামে পরিচিত হলেন Florence Nightingale.

• Florence Nightingale:
- ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ছিলেন আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত।
- তিনি ছিলেন ইতালিয়ান নাগরিক।
- ১৮২০ সালের ১২ মে ইতালির ফ্লোরেন্সে জন্মগ্রহণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল। 
- তিনি Lady with the Lamp নামে পরিচিত।
- ১৯১০ সালের ১৩ আগস্ট লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল।

⇒ ইংল্যান্ডের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নেও তিনি বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। 
- লন্ডনের সেন্ট থমাস হাসপাতালে নার্সিংকে সম্পূর্ণ পেশারূপে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ১৮৬০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ‘নাইটিঙ্গেল ট্রেনিং স্কুল’ যার বর্তমান নাম ‘ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল স্কুল অব নার্সিং।

উল্লেখ্য,
- তিনি ক্রিমিয়ার যুদ্ধে যুদ্ধরত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবায় এগিয়ে আসেন।
- যুদ্ধটি ১৮৫৩-১৮৫৬ সময়কালে সংঘটিত হয়।
- তিনি দিনের বেলায় কাজ করে রাতের বেলায় আহত সৈন্যদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করতেন।
- এ যুদ্ধে চিকিৎসা সেবায় অসামান্য অবদানের জন্য তাকে বলা হয় ‘লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প‘।

⇒ ১৮৮৩ সালে রানি ভিক্টোরিয়া তাকে ‘রয়েল রেডক্রস’ পদক প্রদান করেন।
- প্রথম নারী হিসেবে ‘অর্ডার অব মেরিট’ খেতাব লাভ করেন ১৯০৭ সালে।
- ১৯০৮ সালে লাভ করেন লন্ডন নগরীর ‘অনারারি ফ্রিডম’ উপাধি।

উৎস: Britannica.

৩৬.
.............are activities which a heart patient must forego
  1. Heavy smoking and to overeat
  2. Smoking heavily and to overeat
  3. To smoke heavily and overeating
  4. Heavy smoking and overeating
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) Heavy smoking and overeating.
Complete sentence: Heavy smoking and overeating are activities which a heart patient must forego.

এই বাক্যে Parallelism বা সমান্তরাল গঠন মেনে চলতে হবে।

• Parallelism:
- Parallelism in grammar is defined as two or more phrases or clauses in a sentence that have the same grammatical structure.

• Parallelism এর নিয়ম অনুসারে শব্দের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হয়।
- এই নিয়মানুসারে and এর পূর্বে gerund থাকলে and এর পরেও gerund বসে।

বিকল্পগুলো বিশ্লেষণ:
ক) Heavy smoking and to overeat:
-  ভুল: "smoking" (gerund) + "to overeat" (infinitive) - ভিন্ন গঠন। Parallelism বা সমান্তরাল গঠন মেনে চলেনি।

খ) Smoking heavily and to overeat:
-  ভুল: "smoking" (gerund) + "to overeat" (infinitive) - ভিন্ন গঠন। Parallelism বা সমান্তরাল গঠন মেনে চলেনি।

গ) To smoke heavily and overeating:
- ভুল: "to smoke" (infinitive) + "overeating" (gerund) - ভিন্ন গঠন। Parallelism বা সমান্তরাল গঠন মেনে চলেনি।

৩৭.
পরিণত মানুষের কঙ্কালতন্ত্র কয়টি অস্থি নিয়ে গঠিত?
  1. ২৯০টি
  2. ২০৬টি
  3. ৩০০টি
  4. ৩০৬টি
ব্যাখ্যা

• মানুষের দেহের কঙ্কালতন্ত্র প্রধানত অস্থি বা হাড় নিয়ে গঠিত। এটি দেহকে একটি দৃঢ় কাঠামো প্রদান করে, বিভিন্ন অঙ্গকে রক্ষা করে এবং মাংসপেশীর সংযুক্তির মাধ্যমে আন্দোলন সম্ভব করে। পূর্ণ বয়স্ক মানুষের দেহে সাধারণত ২০৬টি অস্থি থাকে। এই অস্থিগুলি শরীরের বিভিন্ন অংশে বিভক্ত, যেমন খুলি, হাত ও পায়ের হাড়, কাঁধ ও পিঠের হাড়। শিশুরা জন্মের সময় অনেক বেশি অস্থি নিয়ে জন্মায়, কিন্তু বড় হওয়ার সাথে সাথে কিছু অস্থি একত্রিত হয়ে সংখ্যা কমে ২০৬ হয়। তাই, মানুষের কঙ্কালতন্ত্র মূলত ২০৬টি অস্থি নিয়ে গঠিত।

- সঠিক উত্তর: খ) ২০৬ টি।

মানব কঙ্কাল: 
- মানব দেহের গঠন কাঠামো হলো কঙ্কাল।
- অস্থি (Bone) ও তরুণাস্থি (Cartilage) দ্বারা গঠিত যে তন্ত্র দেহের মূল কাঠামো গঠন করে এবং অভ্যন্তরীণ নরম অঙ্গগুলোকে রক্ষা করে দেহের ভার বহন করে এবং পেশি সংযোজনের জন্য উপযুক্ত স্থান সৃষ্টি করে তাকে কঙ্কালতন্ত্র বলে।
- মানবদেহের কঙ্কালতন্ত্র মোট ২০৬ টি অস্থি নিয়ে গঠিত।
- হৃদপিন্ড, ফুসফুস, পাকস্থলী, যকৃত, মগজ ইত্যাদি দেহের কোমল অঙ্গসমূহকে অস্থির আবরণে সুরক্ষিত রাখে।
- অস্থিগুলো ঐচ্ছিক মাংসপেশি দ্বারা পরস্পর যুক্ত থাকায় ইচ্ছাকৃত অঙ্গ সঞ্চালন ও চলাফেরা করা সম্ভব হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
Dr. Jamal Nazrul Islam is a noted physicist
  1. as well as an effective teacher
  2. and too a very efficient teacher
  3. but he teaches very good in addition
  4. however he teaches very good also
ব্যাখ্যা

The correct answer is ক) as well as an effective teacher.

Complete sentence: Dr. Jamal Nazrul Islam is a noted physicist as well as an effective teacher.

• যখন একই ব্যক্তি বা বিষয়ের দুটি ইতিবাচক গুণ বা বৈশিষ্ট্য একসঙ্গে দেখাতে হয়, তখন as well as ব্যবহার করা হয়।
- অর্থ: এবং সেই সঙ্গে / সেইসাথে / এছাড়াও।
- as well as এর পরে যে phrase আসে, সেটা noun phrase বা adjective phrase হয় (এখানে "an effective teacher" হচ্ছে noun phrase). Verb-এর পুরো clause আসে না।
- Subject-এর সঙ্গে verb-এর agreement as well as-এর পরের অংশের ওপর নির্ভর করে না — শুধু প্রথম subject-এর ওপর নির্ভর করে।

অন্যান্য অপশন ভুল:
খ: "and too a very efficient teacher" - ভুল গঠন। "Too" এভাবে ব্যবহার করা যায় না। সঠিক রূপ: "and also a very efficient teacher"

গ: "but he teaches very good in addition" - "but" মানে বিপরীতমুখী (contrast), এখানে কোনো contrast নেই, দুটোই positive quality, "teaches very good" ভুল, adverb হবে very well (teaches very well), তাছাড়া বাক্যের গঠন অস্বাভাবিক ও অপ্রাকৃতিক।

ঘ: "however he teaches very good also" - "however" মানে "তবে" / "কিন্তু", contrast দেখায়, যা এখানে দরকার নেই। "Good" এর জায়গায় "well" হবে।

৩৯.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা কত?
  1. ৪৬.৫ মি.
  2. ৪৬ মি.
  3. ৪৫.৫ মি.
  4. ৪৫ মি.
ব্যাখ্যা

ঢাকার সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৬ মিটার।

জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৬ মিটার)।

⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ। ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল। ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪০.
খোলস নির্মচন কিসে ভূমিকা রাখে?
  1. শ্বসনে
  2. রেচনে
  3. পরিপাকে
  4. রক্ত সংবহনে
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) রেচনে। 

- খোলস নির্মোচন (Moulting) হলো আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের (যেমন: চিংড়ি, কাঁকড়া, পতঙ্গ ইত্যাদি) পুরাতন খোলস বা কিউটিকল ত্যাগ করে নতুন খোলস তৈরির প্রক্রিয়া।

• খোলস নির্মোচনের ভূমিকা:
- রেচনে (Excretion): খোলস নির্মোচনের সময় পুরাতন খোলসের সাথে দেহের বিপাকীয় বর্জ্য পদার্থ বেরিয়ে যায়। এটি রেচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।
- বৃদ্ধি: পুরাতন শক্ত খোলস ফেলে দিয়ে প্রাণী আকারে বৃদ্ধি পায়।
- ক্ষতিগ্রস্ত অংশ প্রতিস্থাপন: ক্ষতিগ্রস্ত বা হারানো অঙ্গ পুনরুৎপাদনে সাহায্য করে।
- সুতরাং, খোলস নির্মোচন প্রধানত রেচন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, কারণ এর মাধ্যমে বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নির্গত হয়।
 
উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
পেনিসিলিন কে আবিস্কার করেন?
  1. হর গোবিন্দ খোরানা
  2. লুই পাস্তুর
  3. অ্যারিস্টটল
  4. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
ব্যাখ্যা

পেনিসিলিন:
- আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
- Penicillium notatum থেকে পেনিসিলিন আবিষ্কার করা হয়।
- বর্তমানে Penicillium chrysogenum থেকে বানিজ্যিক ভিত্তিতে পেনিসিলিন তৈরি করা হয়।
- পেনিসিলিনটি কান, নাক এবং গলার ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া এটি সাইনাস, ত্বক, নিম্ন শ্বাস নালীর, পেট, অন্ধ্র, কিডনি এবং মূত্রাশয়ের ব্যাকটেরিয়াল
সংক্রমণের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

৪২.
এক অনু গ্লুকোজ জারণের ফলে কত অনু ATP উৎপন্ন হয়?
  1. ৩২ অনু
  2. ৩৪ অনু
  3. ৩৬ অনু
  4. ৩৮ অনু
ব্যাখ্যা

• গ্লুকোজের জারণ (Glucose Respiration):
- গ্লুকোজ জারণ হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোষ খাদ্য থেকে শক্তি (ATP) উৎপন্ন করে।
- এটি প্রধানত তিনটি ধাপে ঘটে: গ্লাইকোলাইসিস, ক্রেবস সাইকেল, এবং ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন।
- প্রতিটি ধাপে ATP উৎপাদনের পরিমাণ ভিন্ন হয়, এবং সর্বমোট ATP উৎপাদন গ্লুকোজের একটি অণু থেকে নির্ধারিত হয়।

• গ্লাইকোলাইসিস (Glycolysis):
- গ্লাইকোলাইসিস হলো গ্লুকোজের প্রথম ধাপ, যা সাইটোপ্লাজমে ঘটে।
- এখানে ১ অণু গ্লুকোজ থেকে মোট ২ অণু ATP উৎপন্ন হয় (নেট লাভ)।
- পাশাপাশি ২ অণু NADH তৈরি হয়, যা পরবর্তী ধাপে আরও ATP উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।

• ক্রেবস সাইকেল (Krebs Cycle):
- ক্রেবস সাইকেল মাইটোকন্ড্রিয়ার ম্যাট্রিক্সে ঘটে।
- একটি গ্লুকোজের অণু থেকে ২ অণু পাইরুভেট আসে, যা ক্রেবস সাইকেলে প্রবেশ করে।
- প্রতিটি গ্লুকোজের জন্য এখানে ২ অণু ATP, ৬ অণু NADH এবং ২ অণু FADH2 তৈরি হয়।

• ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন (Electron Transport Chain):
- ইলেকট্রন ট্রান্সপোর্ট চেইন মাইটোকন্ড্রিয়ার ইনার মেমব্রেনে ঘটে।
- NADH এবং FADH2 থেকে ATP উৎপাদনের মাধ্যমে মোট প্রায় ৩২–৩৪ ATP উৎপন্ন হয়।
- গ্লুকোজের একটি অণু সম্পূর্ণ অক্সিডেশনের পর সর্বমোট প্রায় ৩৮ ATP উৎপন্ন হয়।

সুতরাং, একটি গ্লুকোজ অণু জারণের ফলে উৎপন্ন মোট ATP সংখ্যা হলো ৩৮।  
সঠিক উত্তর: ঘ) ৩৮ অনু।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
মূত্রের রং হলুদ হওয়ার জন্য দায়ী কোনটি?
  1. অ্যামোনিয়া
  2. বিলিরুবিন
  3. ইউরোক্রোম
  4. ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

• মূত্রের রং হলুদ হওয়ার জন্য দায়ী - ইউরোক্রোম। 

• মূত্র:
- নেফ্রনের রেনাল টিউবিউলসে গ্লোমেরুলার ফিলট্রেটের নির্বাচিত পুনঃশোষণের পর যে খড় বর্ণের, তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধযুক্ত ও অম্লধর্মী তরল রেচন বর্জ্য মূত্রথলিতে জমা হয় তাকে মূত্র বলে।

• একজন সুস্থ মানুষ দৈনিক গড়ে ১.৫ লিটার মূত্র ত্যাগ করে।
- মূত্রের রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে ৯৫% (৯৫-৯৭%) পানি এবং ৫% (৩-৫%) কঠিন পদার্থ। কঠিন পদার্থের মধ্যে জৈব ও অজৈব উপাদান রয়েছে।
- খাদ্যে তরল পদার্থের পরিমাণ বেশি থাকলে মূত্রের মাত্রা বৃদ্ধি পায় ও শরীরে ঘাম বেশি হলে মূত্রের পরিমাণ কমে যায়।
- খাদ্যের প্রকৃতিও অনেক সময় মূত্রের পরিমাণের পার্থক্য ঘটায়। লবণাক্ত খাবার সাধারণত মূত্রের পরিমাণ বাড়ায়।

• দেহে দৈনিক স্বাভাবিকের চেয়ে অতিরিক্ত মূত্র (> ২.৫ লিটার) উৎপাদিত হলে তাকে পলিউরিয়া (polyuria),
- মূত্রের পরিমাণ <৪০০ মি.লি. হলে অলিগোরিয়া (oliguria) এবং
- মূত্রের পরিমাণ<১০০ মি.লি. হলে অ্যানুরিয়া (anuria) বলে।
• কিছু দ্রব্য মূত্রের স্বাভাবিক প্রবাহকে বাড়িয়ে দেয়। এসব দ্রব্য ডাইইউরেটিকস (diuretics) বা মূত্রবর্ধক নামে পরিচিত। পানি, লবণাক্ত পানি, চা ও কফি এ ধরনের দ্রব্য।

• মূত্রের বৈশিষ্ট্য:
→ বর্ণ: স্বাভাবিক মূত্র হালকা হলুদ বা খড় বর্ণের (straw colour)। মূত্রে ইউরোক্রোম (urochrome) নামক রঞ্জক পদার্থ থাকায় মূত্রের রং হালকা হলুদ হয়। 
→ পরিমাণ: প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের মূত্রের পরিমাণ ৫০০-২৫০০ মিলিলিটার। পানি পানের মাত্রা, খাদ্যের ধরন ইত্যাদির ওপর মূত্রের উৎপাদন নির্ভর করে।
→ আপেক্ষিক গুরুত্ব: মূত্রের স্বাভাবিক আপেক্ষিক গুরুত্ব ১.০১- ১.৫০।
→ বিক্রিয়া: তাজা মূত্র স্বচ্ছ ও হালকা অম্লধর্মী। মূত্রের গড় pH মান হচ্ছে প্রায় ৬.৫। 
→ গন্ধ: মূত্রের গন্ধ অনেকটা অ্যারোমেটিক (aromatic)। মূত্রে জৈবপদার্থ থাকার জন্য এমন গন্ধ হয়। এছাড়া দুর্গন্ধযুক্ত পদার্থ ইউরিনোড এর উপস্থিতির জন্য মূত্রে গন্ধ হয়।
- স্বাভাবিক মূত্রকে ফেলে রাখলে অ্যামোনিয়ার গন্ধ হয়। মূত্রের ইউরিয়া জীবাণুর সংস্পর্শে এসে অ্যামোনিয়ায় রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক জীববিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি। 
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।

৪৪.
পদাবলীর প্রথম কবি কে?
  1. গোবিন্দ দাস
  2. বিদ্যাপতি
  3. চন্ডিদাস
  4. লুইপা
ব্যাখ্যা

 বাঙালি কবি জয়দেবকে বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বলা হয়।
- রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত ‘গীতগোবিন্দম্’ কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন।
- তবে এটি বাংলা ভাষায় নয়, সংস্কৃত ভাষায়।

পরবর্তীতে,
- বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদ রচনা করেন।
- বাংলা ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদাবলীর রচনা করেন চণ্ডীদাস।
- বৈষ্ণব পদাবলী মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল।

উল্লেখ্য,
- যদি প্রশ্ন হয় “বৈষ্ণব পদাবলির আদি পদকর্তা/প্রথম পদকর্তা/আদিকবি কে?” এবং অপশনে "জয়দেব" থাকে; তাহলে উত্তর নিঃসন্দেহে - জয়দেব। কেননা তিনি সবচেয়ে প্রাচীন কবি যিনি বৈষ্ণব পদ রচনা করেছেন।

- যদি একই প্রশ্নের অপশনে জয়দেব না থাকে এবং "বিদ্যাপতি" থাকে তাহলে বিদ্যাপতি উত্তর হবে। কেননা, জয়দেবের পর তিনিই বৈষ্ণব পদ রচনা করেন এবং বৈষ্ণব পদের উৎকর্ষ তার মাধ্যমে শুরু হয়। উল্লেখ্য, রেফারেন্স বইগুলােতে দুইজনকেই বৈষ্ণব পদের প্রথম রচয়িতা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

- যদি প্রশ্ন হয় "বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা কে?" তাহলে অপশনে যাই থাকুক না কেন, উত্তর হবে - চন্ডীদাস।

তথ্যসূত্র:- (তথ্যকল্পদ্রুম) , লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ , বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম , বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৪৫.
আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ-
  1. ধূলিকণা
  2. বায়ুস্তর
  3. বৃষ্টির কণা
  4. অতি বেগুনী রশ্মি
ব্যাখ্যা

- আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ- বৃষ্টির কণা। 
- সূর্য থেকে যে আলোর রশ্মি পৃথিবীতে আসে তার রঙ মূলত সাদা। 
- এই সাদা রঙের ভেতরে বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি রং বিদ্যমান থাকে। 
- সাদা আলোর একটি বিশেষ ধর্ম আছে যা প্রিজমের মধ্য দিয়ে গমন করলে সাদা আলো সাতটি ভিন্ন রঙে বিশ্লেষিত হয়ে যায়। 
- আকাশে যখন বৃষ্টি পড়ে তখন বৃষ্টির ফোঁটাগুলো ভাসমান প্রিজমের মতো কাজ করে। 
- সূর্য হতে আলো বৃষ্টির ফোঁটার একপাশ দিয়ে প্রবেশ করে বের হবার সময় সাত রঙের বর্ণালী সৃষ্টি করে। 
- বৃষ্টির ফোঁটা বা কণার প্রিজমসুলভ বৈশিষ্ট্যের কারণেই সৃষ্টি হয় রংধনু।  
- বৃষ্টির ফোঁটা হতে বের হওয়া সাত রঙের আলো আমাদের চোখে এসে পৌঁছায় বলেই আমরা রংধনুকে দেখতে পাই। 
- ঘন মাধ্যম থেকে লঘু মাধ্যমে যাওয়ার সময় আলোকরশ্মি যদি দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে মাধ্যম দুটির সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয়, তবে ওই আপতিত রশ্মি, দুই মাধ্যমের বিভেদ তলে আপতিত হওয়ার পর ওর সবটুকুই প্রতিফলিত হয়ে আবার ঘন মাধ্যমেই ফিরে আসে, এই ঘটনাকে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ  প্রতিফলন বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৪৬.
"Sweet are the uses of adversity."- This sentence is an example of -
  1. hyperbole
  2. climax
  3. anti-climax
  4. paradox
ব্যাখ্যা

• 'Sweet are the uses of adversity' is an - Example of - Paradox.

• A self-contradictory statement that hides a rational meaning is called Paradox.
- Paradox হচ্ছে আপাত বিরোধী কিন্তু সত্য।
-'Sweet are the uses of adversity' যেখানে surface meaning কিংবা আপাত দৃষ্টিতে লাইনটির অর্থ contradictory মনে হয় যে adversity is bitter।
- কিন্তু এর deeper meaning এ বোঝা যায় যে adversity carries within itself the sweetness of achievement.
- যেখানে surface meaning কিংবা আপাত দৃষ্টিতে লাইনটির অর্থ contradictory.

• More Examples of paradox:
-  I must be cruel to be kind
- The world will be saved by failure.
- Cowards die many times before their deaths.
- There is no one so poor as a wealthy miser.
- The world will be saved by failure.
- Ignorance is strength.

Other options,
Climax:
- Climax হলো কোনো গল্প, নাটক বা উপন্যাসের সবচেয়ে নাটকীয় ও আবেগঘন মুহূর্ত, যখন কাহিনী সর্বোচ্চ উত্তেজনায় পৌঁছে যায়।
- এটিই মূল টার্নিং পয়েন্ট, যেখানে Rising Action শেষ হয়ে Falling Action শুরু হয়।
- অলঙ্কারশাস্ত্রে Climax বলতে বোঝায়-শব্দ বা বাক্যগুলোকে এমনভাবে সাজানো, যাতে প্রতিটি ধাপ আগের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বা শক্তিশালী হয়।

• Hyperbole: 
- An exaggerated statement or an extreme overstatement.
- অতিশয়োক্তি; অত্যুক্তি; অতিরঞ্জন।
- কমেডিতে ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরঞ্জিত ভাব প্রকাশের জন্য Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Love poetry তে প্রিয়জনের প্রতি তীব্র প্রশংসা জানাতে Hyperbole ব্যবহৃত হয়। 
- Hyperbole হাসির উদ্রেক অথবা কঠিন সমালোচনা প্রকাশ করতে পারে।

Anticlimax:
- an event or experience that causes disappointment because it is less exciting than was expected or because it happens immediately after a much more interesting or exciting event.

Source:  An ABC of English Literature - Dr. M Mofizar Rahman.

৪৭.
চর্যাপদ প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ১৯০৭
  2. ১৯০৯
  3. ১৯১৭
  4. ১৯১৬
ব্যাখ্যা

• ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।

• চর্যাপদ:
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

৪৮.
প্রাণি জগতের বৃহত্তম পর্ব কোনটি?
  1. Arthropoda
  2. Porifera
  3. Annelida
  4. Mollusca
ব্যাখ্যা

• প্রাণিজগতের বৃহত্তম পর্ব হলো Arthropoda (আর্থ্রোপোডা)। 

প্রাণী জগতের শ্রেণীবিন্যাস:
- সম্পূর্ণ প্রানী জগতকে ৯ টি প্রধান পর্বে ভাগ করা হয়েছে যার মধ্যে প্রথম আটটি অমেরুদন্ডী প্রাণীদের এবং শুধুমাত্র কর্ডাটা পর্ব মেরুদন্ডী প্রাণীদের নিয়ে গঠিত।

- প্রাণীজগৎ এ মুুুখ্য পর্ব মোট ৯টি।এগুলো হল:

১.পরিফেরা - (Porifera)
২. নিডারিয়া - (Nidaria)
৩. প্লাটিহেলমিনথেস - (Platyhelminthes)
৪. নেমাটোডা - (Nematoda)
৫. অ্যানেলিডা - (Annelida)
৬. আর্থ্রোপোডা - (Arthropoda)
৭. মলাস্কা - (Mollusca)
৮. একাইনোডারমাটা - (Echinodermata)
৯. কর্ডাটা - (Chordata)    

উৎস: জীববিজ্ঞান-২য় পত্র, গাজী আজমল, গাজী আসমত।

৪৯.
'গায়ক' এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. গো + অক
  2. গা + অক
  3. গা + য়ক
  4. গৈ + অক
ব্যাখ্যা

সন্ধির নিয়ম:
• এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়।

যেমন:
- শে + অন = শয়ন,
- নৈ + অক = নায়ক,
- গৈ + অক = গায়ক,
- পো + অন = পবন,
- পো + ইত্র = পবিত্র।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৫০.
কোনটি কাব্যনাট্য?
  1. কৃষ্ণকুমারী
  2. বীরাঙ্গনা
  3. বিসর্জন
  4. নীলদর্পণ
ব্যাখ্যা

'বিসর্জন' নাটক:
- 'বিসর্জন' (১৮৯১) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি নাটক।
- 'রাজর্ষি' উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে 'বিসর্জন' নাটকটি রচিত হয়।
- রবীন্দ্রনাথ রচিত বিসর্জন নাটকে গোমতী নদীর কথা উল্লেখ আছে।
- এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: জয়সিংহ, রঘুপতি, অর্পনা।
- নাটকটি অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বিসর্জন' একটি সার্থক কাব্যনাট্য।
--------------
• কৃষ্ণকুমারী:

- 'কৃষ্ণকুমারী' নাটকের কাহিনি উইলিয়াম টডের ‘রাজস্থান' নামক গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত।
- এই নাটকে মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক রচনা করেন।

- এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো:
→ কৃষ্ণকুমারী,
→ মদনিকা,
→ ভীম- সিংহ,
→ জগৎসিংহ,
→ ধনদাস প্রমুখ।

• বীরাঙ্গনা কাব্য:
- 'বীরাঙ্গনা কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত পত্রকাব্য। এটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- পত্রাকারে এ ধরনের কাব্য বাংলা সাহিত্যে এটাই প্রথম।
- রোমান কাব্য 'হেরোইদাইদস্স' কাব্যের অনুসরণে 'বীরাঙ্গনা' কাব্যগ্রন্থটি বাংলায় রচিত। এই কাব্যে মোট ১১টি পত্র আছে।
- পৌরাণিক নারীরা মধুসূদনের হাতে যেন আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত হয়ে নিজেদের প্রণয় কামনা ইত্যাদি প্রকাশ করতেও কুণ্ঠিত নয়।

• 'নীলদর্পণ' নাটক:
- দীনবন্ধু মিত্রের প্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ নাটক — নীলদর্পণ।
- এটি বাংলা সাহিত্যে একটি বিখ্যাত নাটক।
- ১৮৬০ সালে নাটকটি প্রথম ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম এবং নাটকটি ঢাকায় প্রথম মঞ্চস্থ হয়।
- A Native ছদ্মনামে মাইকেল মধুসূদন দত্ত এর ইংরেজি অনুবাদ করেন।
- অনুবাদটি ১৮৬১ সালে Nil Darpan or The Indigo Planting Mirror নামে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৫১.
কোন জাতীয় বিপাকের বিপাকের ফলে নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য সৃষ্টি হয়?
  1. প্রোটিন
  2. কার্বোহাইড্রেট
  3. লিপিড
  4. ভিটামিন
ব্যাখ্যা

• প্রোটিন - জাতীয় খাদ্যের বিপাকের ফলে মানবদেহে নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য সৃষ্টি হয়। 

• রেচন:
- বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্যপদার্থ যে প্রক্রিয়ায় দেহ থেকে দ্রুত ও নিয়মিত নিষ্কাশিত হয় তাকে রেচন বলা হয়। 

• বৃক্ক:
- মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গকে বলা হয় বৃক্ক। 

• বৃক্কের কাজ:
- রক্ত থেকে নাইট্রোজেনযুক্ত বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করা।
- দেহে ও রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করা।
- রক্তে বিভিন্ন লবণ, অম্ল ও ক্ষারের ভারসাম্য রক্ষা করা।
- হরমোন ও এনজাইম নিঃসরণ করা।
- দেহের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা।
- ভিটামিন ডি ও লোহিত রক্ত কণিকা উৎপাদনে অংশগ্রহণ করা।

• রেচনে বৃক্কের ভূমিকা:
- বৃক্ক প্রধানত নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশন করে।
- আমিষ জাতীয় খাদ্য বিপাকের ফলে দেহে অ্যামোনিয়া, ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, ক্রিয়েটিনিন ইত্যাদি নাইট্রোজেনঘটিত বর্জ্য সৃষ্টি হয়।
- এগুলো বিষাক্ত ও দেহের জন্য ক্ষতিকর। তাই এসব রেচন পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশন করা অত্যাবশ্যক।
- বৃক্ক এসব রেচন পদার্থ দেহ থেকে অপসারণ করে দেহকে সুস্থ রাখে। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

৫২.
Which of the following words cannot be used as a verb?
  1. eye
  2. host
  3. accolade
  4. holiday
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) accolade.
eye, host, holiday — এই তিনটি শব্দই verb হিসেবে ব্যবহার করা যায়। কিন্তু accolade শুধু noun, কখনো verb হয় না।

ক) eye → Noun (চোখ) এবং Verb (তাকানো, লক্ষ্য করা)।

eye: [noun]
English meaning: either of the two organs on the face that you see with.
Bangla meaning: চোখ; চক্ষু; নেত্র; অক্ষি।
Example: She rolled her eyes in disgust. 

eye: [verb]
English meaning: to look at someone or something with interest.
Bangla meaning: লক্ষ করা।
Example: I eye the cake suspiciously.

খ) host → Noun (আয়োজক, স্বাগতকারী) এবং Verb (আয়োজন করা, হোস্ট করা)।

host: [noun]
English meaning: a person who invites guests to a meal, a party, etc. or who has people staying at their house
Bangla meaning: আয়োজক, স্বাগতকারী।
Example: Sonja stayed with an Argentine host family.

host: [verb]
English meaning: to organize an event to which others are invited and make all the arrangements for them
Bangla meaning: আয়োজন করা, হোস্ট করা।
Example: Qatar hosted the 2022 World Cup finals.

গ) accolade → Noun (প্রশংসা, পুরস্কার, সম্মান)।

accolade: [noun]
English meaning: praise or an award for an achievement that people admire.
Bangla meaning: প্রশংসা; সমাদর; অনুমোদন।
Example: Four restaurants have been awarded the highest accolade of a three-star rating.

ঘ) holiday → Noun (ছুটি, উৎসব) এবং Verb (ছুটি কাটানো)।

holiday: [noun]
English meaning: a period of time when you are not at work or school.
Bangla meaning: ছুটির দিন। 
Example: She spent her holiday decorating the flat.

holiday: [verb]
English meaning: to spend a holiday somewhere.
Bangla meaning: ছুটি কাটানো; অবকাশ যাপন করা।
Example: We often holidayed together.

Source: Oxford Dictionary.

৫৩.
Which of the following sentences is correct?
  1. The speaker made the audience to listen to him.
  2. The speaker made the audience listen to him.
  3. The speaker made the audiences to listen to him.
  4. The speaker made the audience listening to him.
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খ) The speaker made the audience listen to him.
- ইংরেজিতে make verb-টি causative verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়, এবং এর পরে bare infinitive (to ছাড়া infinitive) ব্যবহার করতে হয়।

• Causative Verb
- বাক্যের Subject যে Verb গুলোর সাহায্যে নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করায় সেই Verb গুলোকে বলা হয় causative verb.
- Have, Get, Help, Let, Make ইত্যাদি হলো বহুল প্রচলিত causative verb.
- এগুলোর সাহায্যে অনেক verb- কে causative verb -এ পরিণত করা যায়।

• Causative Verb হিসাবে 'Make' -এর ব্যবহার:
- Make এরপরে কোনো ব্যক্তি বা বস্তু (Action doer) থাকলে এরপরে verb -এর base form বসে।
- কাউকে কোনো কিছু করতে বাধ্য করা অর্থে Causative Verb হিসাবে Make ব্যবহার করা হয়।

• Structure: Subject + make (any tense) + action doer + verb -এর base form + ext.

• More examples:
- She made me wait for an hour.
- My friend made me try the new restaurant.

৫৪.
Which word of the following sentence must be changed to make the sentence correct?
The value of the dollar declines as the rate of inflation raises.
  1. value
  2. declines
  3. as
  4. raises
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘ) raises.

এখানে ভুল আছে "raises" শব্দে। সঠিক শব্দ হবে "rises".

Raise vs Rise-এর পার্থক্য:

• Raise [transitive verb]
- এর পরে object লাগে।
- অর্থ: কোনো কিছু উঠানো/বাড়ানো।
- Raise - কোনো কিছুকে (অন্য কিছু) বাড়ানো বা উঠানো (transitive verb) → এর জন্য object লাগে।
উদাহরণ:The government raises taxes. (সরকার কর বাড়ায়)
He raised his hand. (সে হাত তুলল)
কিন্তু "rate of inflation raises" বললে অর্থ হয় না, কারণ এখানে কোনো object নেই এবং inflation rate নিজে থেকে বাড়ছে।

• Rise [intransitive verb]
- এর পরে object লাগে না।
- অর্থ: ওঠা/বৃদ্ধি পাওয়া (নিজে নিজে)।
- Rise - নিজে নিজে বাড়া বা উঠা (intransitive verb) → কোনো কিছু বাড়লে আমরা বলি "it rises".
- এখানে inflation rate নিজেই বাড়ছে, কেউ এটাকে বাড়াচ্ছে না। তাই: the rate of inflation rises (ঠিক।)

এই বাক্যে:
"The rate of inflation" নিজে নিজে বৃদ্ধি পায়, কেউ এটাকে বাড়ায় না। তাই intransitive verb "rises" ব্যবহার হবে।

Correct sentence: The value of the dollar declines as the rate of inflation rises.

অর্থ: মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেলে ডলারের মূল্য হ্রাস পায়।

৫৫.
পরীবিবি কে ছিলেন?
  1. আওরঙ্গজেবের কন্যা 
  2. শায়েস্তা খানের কন্যা
  3. মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
  4. আজিমুসশানের মাতা
ব্যাখ্যা

পরী বিবি:
- পরী বিবি বাংলার মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান এর কন্যা।
- বাদশাহ আওরঙ্গজেব এর পুত্র মুহম্মদ আজম এর স্ত্রী।
- তাঁর আসল নাম ইরান দুখত।

উল্লেখ্য,
- ঢাকাকে বহিঃশত্রুর হাত থেকে রক্ষা করতে ১৬১৮ সালে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় ছেলে আজম শাহ নির্মাণ করেন লালবাগ দুর্গ। 
- লালবাগ কেল্লা ১৭শ শতকে নির্মিত একটি অসমাপ্ত মুঘল দুর্গ স্থাপনা।
- এটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ১৬৭৮ সালে, মুঘল সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ কর্তৃক।
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করেন। কিন্তু ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে কন্যা বিবি পরীর অকাল মুত্যৃতে তিনি দুর্গ নির্মাণ একটি অশুভ লক্ষণ ভেবে বন্ধ করে দেন। দুর্গের অভ্যন্তরে মসজিদের পূর্ব দিকে বিবি পরীকে সমাহিত করা হয়। শায়েস্তা খান কন্যার সমাধির উপর একটি সুদৃশ্য সৌধ নির্মাণ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

৫৬.
সাপ কোন বর্গের প্রাণি?
  1. Crocodillia
  2. Squamata
  3. Rhyncocepalia
  4. Chelonia
ব্যাখ্যা

• সাপের বর্গ (Snake Classification):
- সাপ হলো Reptilia (সাপ, ছিপোকা, কুমির ইত্যাদি) প্রাণীর অন্তর্ভুক্ত, তবে আরও বিশেষভাবে এটি Squamata বর্গের অন্তর্গত।
- Squamata বর্গের প্রাণীর মধ্যে সাপ এবং ছিপোকা থাকে।
- এই বর্গের প্রাণীর লাঠির মতো শক্তি ও নমনীয় ত্বক থাকে, যা তাদের চামড়ার আকার পরিবর্তনে সাহায্য করে।
- Crocodillia বর্গের প্রাণীর মধ্যে কুমির অন্তর্ভুক্ত, Rhyncocepalia প্রায় বিলুপ্ত প্রজাতির ছিপোকা, আর Chelonia বর্গের মধ্যে কচ্ছপ অন্তর্ভুক্ত।
- সাপের শারীরিক গঠন, চলাচল পদ্ধতি এবং দাঁতের ধরন অনুযায়ী এটি Squamata বর্গের সঠিক উদাহরণ।  

সুতরাং, সাপের সঠিক বর্গ হলো - খ) Squamata.

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

৫৭.
Brood pouch কোন মাছে থাকে?
  1. Sea horse
  2. তিমি
  3. হাঙ্গর
  4. ম্যাকারেল
ব্যাখ্যা

• ব্রুড পাউচ (Brood Pouch):
- ব্রুড পাউচ হলো একটি বিশেষ ধরনের গর্ভধারণের পাউচ যা কিছু মাছের মধ্যে থাকে, যেখানে পুরুষ মাছ তার ডিম বা বাচ্চাদের নিরাপদে রাখে।
- এটি মূলত প্রজননের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বাচ্চাদের নিরাপত্তা ও পুষ্টি দেয়।
- ব্রুড পাউচের মাধ্যমে ডিমগুলি পরিপক্ব হয়ে মাছের দেহ থেকে বের হয়।

• কোন মাছে থাকে? 
- ব্রুড পাউচ মূলত সি হর্সে (Sea Horse) দেখা যায়।
- সি হর্সের পুরুষ মাছই ডিমের যত্ন নেয় এবং তাদের ব্রুড পাউচে ডিম রাখে যতক্ষণ না তারা ফেটে বের হয়।
- অন্য মাছ যেমন তিমি, হাঙ্গর, বা ম্যাকারেল এ ধরনের ব্রুড পাউচ নেই।

- সুতরাং, ব্রুড পাউচ থাকা মাছ হলো -সি হর্স (Sea Horse). 
- সঠিক উত্তর: ক) Sea horse.

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

৫৮.
কোনটি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ?
  1. ভিখারি
  2. প্রবীন
  3. বাবুয়ানা
  4. সেলাই
ব্যাখ্যা

অপশন বিশ্লেষণ:

ক) ভিখারি-
ভিক্ষা + আরি (প্রত্যয়) = ভিখারি।
এটি প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ, উপসর্গ নয়।

খ) প্রবীন-
প্র (উপসর্গ) + বীণ = প্রবীণ।
অর্থ: অভিজ্ঞ, বয়োজ্যেষ্ঠ।
এটি উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ।

গ) বাবুয়ানা-
বাবু + আনা (প্রত্যয়) = বাবুয়ানা।
এটি প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ, উপসর্গ নয়।

ঘ) সেলাই-
- মৌলিক শব্দ।
এটি উপসর্গ বা প্রত্যয় ছাড়া গঠিত।

সঠিক উত্তর: খ) প্রবীন।
- 'প্র' উপসর্গ যোগে 'প্রবীণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৮-সংস্করণ)।

৫৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটা?
  1. ক্রীতদাসের হাসি
  2. মাটি আর অশ্রু
  3. হাঙর নদী গ্রেনেড 
  4. সারেং বউ
ব্যাখ্যা

• 'হাঙর নদী গ্রেনেড' উপন্যাস:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু উপন্যাস লিখেছেন সেলিনা হোসেন। তার মধ্যে ভীষণ আলোচিত উপন্যাস 'হাঙর নদী গ্রেনেড'।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এ উপন্যাসটি ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত হয়।

- মুক্তিযুদ্ধের এক আবেগী ও প্রতিবাদী উপন্যাস এটি।
- হলদী গ্রামের এক বয়স্ক নারীর জীবন এই উপন্যাসে মূর্ত হয়ে ওঠে।
- এই নারী তাঁর নিজের ছেলেদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে যেমন উদ্বুদ্ধ করেন, তেমনি মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচাতে নিজের মানসিক প্রতিবন্ধী ছেলেকে তুলে দেন পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে।
- উপন্যাসে এই মায়ের আত্মসংগ্রাম, দেশের জন্য ত্যাগের অপার মহিমা ভাস্বর হয়ে ওঠে।
- আর উপন্যাসে বর্ণিত গ্রামটিও যেন মুক্তিযুদ্ধের প্রতীকী এক বাংলাদেশ।
---------------
• ক্রীতদাসের হাসি:
- শওকত ওসমানের কালােত্তীর্ণ উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি।
- এটি একটি প্রতিকাশ্রয়ী উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসে তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খানের সমালােচনা করা হয়েছিল রূপক-প্রতীকের আশ্রয়ে।
- বাগদাদের বাদশা হারুন অর রশিদ অত্যাচারী। সে ক্রীতদাস তাতারি ও বাঁদি মেহেরজানের প্রণয়ে বাধা সৃষ্টি এবং তাতারিকে গৃহবন্দি ও অত্যাচার করে।
- তাতারি আমৃত্যু বাদশা হারুনের নির্যাতনের প্রতিবাদ করে যায়।
- এখানে তাতারি বাঙালি জনতার এবং বাদশা হারুন আইয়ুব খানের প্রতীক তাতারির হাসি উপন্যাসে বাঙালির স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
- এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত। এই গ্রন্থ রচনার জন্য তাঁকে আদমজি পুরস্কার দেয়া হয় ১৯৬৬ সালে।

• ‘মাটি আর অশ্রু’ সিকান্দার আবু জাফর রচিত উপন্যাস।
- গ্রন্থটি ১৯৪২ সালে প্রকাশিত হয়।

'সারেং বউ' উপন্যাস:
- শহীদুল্লা কায়সার রচিত উপন্যাস সারেং বউ। তাঁর 'সারেং বউ' উপন্যাসের চরিত্র কদম সারেং ও তাঁর স্ত্রী নবিতুন।
- এ উপন্যাসে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী জনপদের বিশ্বস্ত চিত্র আছে।
- এছাড়াও পুরো উপন্যাস জুড়ে রয়েছে নবিতুনের সংগ্রামী জীবন কাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

৬০.
স্নায়ুকোষের অবস্থান কোথায়?
  1. বহিঃত্বকে
  2. পেশী আবরনী কোষে
  3. মেসোগ্নিয়া ঘেঁষে
  4. মুখছিদ্রের চারপাশে 
ব্যাখ্যা

• স্নায়ুকোষের অবস্থান (Neuron Position):
- স্নায়ুকোষ হলো স্নায়ুতন্ত্রের মৌলিক একক, যা সংকেত গ্রহণ ও প্রেরণ করতে সক্ষম।
- এটি সাধারণত মেসোগ্নিয়া ঘেঁষে অবস্থান করে, যা গ্যাস্ট্রুলেশন পর্যায়ের মধ্যস্তর হিসেবে পরিচিত।
- স্নায়ুকোষের অবস্থান পেশী বা বহিঃত্বক কোষের মধ্যে নয়।
- মুখছিদ্রের চারপাশে কিছু স্নায়ু গঠন থাকতে পারে, কিন্তু প্রধান স্নায়ুকোষের কেন্দ্র নয়।
- স্নায়ুকোষের এই অবস্থান ভ্রূণের স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক গঠন নিশ্চিত করে।  

সুতরাং, স্নায়ুকোষের অবস্থান হলো - গ) মেসোগ্নিয়া ঘেঁষে।  

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

৬১.
খাদ্যাভাসের উপর ভিত্তি করে মাছ কয় প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
ব্যাখ্যা

খাদ্যাভাসের উপর ভিত্তি করে মাছের প্রকারভেদ:
- খাদ্যাভাসের উপর ভিত্তি করে মাছকে প্রধানত তিন প্রকারে ভাগ করা যায়।  
- যথা:
- শাকাশী (Herbivorous),
- মাংসাশী (Carnivorous) এবং
- সর্বভুক (Omnivorous)।  

শাকাশী মাছ:
- শাকাশী মাছ হলো যারা উদ্ভিদজাত খাবার খেয়ে জীবনধারণ করে।  
- তারা প্রচুর পরিমাণে ফাইটোপ্লাঙ্কটন, জলজ উদ্ভিদ বা শেওলা খায়।  
- যেমন: রুই, কাতলা ইত্যাদি।  

মাংসাশী মাছ:
- মাংসাশী মাছ হলো যারা পুকুরের বা নদীর ছোট ছোট মাছ, পোকামাকড়, জুপ্লাঙ্কটন ও অন্যান্য জলজ প্রাণী খেয়ে বেঁচে থাকে।  
- যেমন: চিতল, বোয়াল ইত্যাদি।  

সর্বভুক মাছ:
- সর্বভুক মাছ হলো যারা উদ্ভিদজাত খাবার এবং প্রাণিজ খাবার দুটোই খায়।  
- যেমন: পাঙ্গাস, তেলাপিয়া ইত্যাদি।  

- সুতরাং, খাদ্যাভাসের উপর ভিত্তি করে মাছের সংখ্যা হলো তিন।  
- সঠিক উত্তর: ক) ৩ প্রকার। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

৬২.
গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়া কোষের কোথায় ঘটে?
  1. সাইটোপ্লাজম
  2. মাইটোকন্ডিয়া
  3. নিউক্লিয়াস
  4. ক্রোমোজোম
ব্যাখ্যা

• গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়া (Glycolysis Process):
- গ্লাইকোলাইসিস হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে গ্লুকোজ অণু ভেঙে দুইটি পাইরুভেট (Pyruvate) অণুতে রূপান্তরিত হয়।
- এটি কোষে শক্তি উৎপাদনের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে কাজ করে।
- গ্লাইকোলাইসিসে ATP এবং NADH উৎপাদিত হয়, যা পরে মাইটোকন্ড্রিয়ায় আরও শক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
- এই প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের প্রয়োজন নেই, তাই এটি অ্যানারোবিক প্রক্রিয়া হিসেবেও পরিচিত।
- গ্লাইকোলাইসিস ঘটে সাইটোপ্লাজমে, মাইটোকন্ড্রিয়ায় নয়, নিউক্লিয়াস বা ক্রোমোজোমে নয়।  

- সুতরাং, গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়া কোষের কোথায় ঘটে তা হলো - সাইটোপ্লাজম।  
- সঠিক উত্তর: ক) সাইটোপ্লাজম। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল। 

৬৩.
সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স নয় কোনটি? 
  1. বর্ণান্ধতা
  2. হিমোফিলিয়া
  3. জন্ডিস
  4. মায়োপিয়া
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: গ) জন্ডিস এবং ঘ) মায়োপিয়া। 
তবে যদি একটি উত্তর বেছে নিতে হয়, তাহলে গ) জন্ডিস বেশি স্পষ্ট উত্তর।

• সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স (Sex-linked Inheritance):
- সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স হলো সেই জেনেটিক প্যাটার্ন যেখানে জিন কোনো ক্রোমোজোমের মাধ্যমে পিতামাতা থেকে সন্তানদের কাছে যায়, বিশেষ করে X বা Y ক্রোমোজোমের মাধ্যমে।
- সাধারণত পুরুষ এবং মহিলা ভিন্নভাবে প্রভাবিত হয়, কারণ পুরুষের একটি একক X ক্রোমোজোম থাকে এবং মহিলার দুটি X ক্রোমোজোম থাকে।
- উদাহরণস্বরূপ, বর্ণান্ধতা এবং হিমোফিলিয়া প্রায়শই X-linked রেসেসিভ রোগ হিসেবে দেখা যায়।  

• বর্ণান্ধতা (Color Blindness):
- বর্ণান্ধতা হলো X-linked রেসেসিভ জিন দ্বারা প্রভাবিত রোগ।
- এটি চোখের রঙ শনাক্ত করার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে।  
- পুরুষরা সাধারণত বেশি প্রভাবিত হন কারণ তাদের একটি একক X ক্রোমোজোম থাকে।  

• হিমোফিলিয়া (Hemophilia):
- হিমোফিলিয়া হলো রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা, যা X-linked রেসেসিভ জিন দ্বারা ঘটে।  
- পুরুষরা এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, মহিলারা সাধারণত ক্যারিয়ার।  

• জন্ডিস (Jaundice):
- জন্ডিস হলো লিভারের রোগ বা বাইল সমস্যা সম্পর্কিত অবস্থা।  
- এটি কোনো সেক্স-লিংকড জেনেটিক রোগ নয়, বরং অ্যানিমিয়া, লিভার ইনফেকশন বা গলব্লাডারের সমস্যা থেকে হতে পারে।  

• মায়োপিয়া (Myopia):
- মায়োপিয়া বা নিকটদৃষ্টি হলো চক্ষু সমস্যা।  
- এটি সাধারণত জেনেটিক এবং পরিবেশগত কারণে হয়, কিন্তু X বা Y ক্রোমোজোমের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।  

সুতরাং, সেক্স-লিংকড ইনহেরিটেন্স নয় এমন রোগ হলো - গ) জন্ডিস।  
সঠিক উত্তর: গ) জন্ডিস। 

সূত্র: NIH.

৬৪.
দ্বিস্তরী প্রাণি কোনটি?
  1. Fasciola
  2. Ascaris
  3. Aurelia
  4. Pila
ব্যাখ্যা

• দ্বিস্তরী প্রাণি (Diploblastic Animal):
- দ্বিস্তরী প্রাণি হলো সেই প্রাণি যার দেহ দুটি প্রধান কোষ স্তর দ্বারা গঠিত – এন্ডোডার্ম (Endoderm) এবং এক্টোডার্ম (Ectoderm)।
- এই প্রাণিগুলির মধ্যে মধ্যস্তর বা মেসোডার্ম (Mesoderm) থাকে না।
- দ্বিস্তরী প্রাণিরা সাধারণত জলজ এবং তাদের দেহ গঠন সহজ হয়।
- উদাহরণ হিসেবে জেলিফিশ (Jellyfish) এবং হাইড্রা (Hydra) দ্বিস্তরী প্রাণি।

• বিভিন্ন প্রাণির স্তরসংক্রান্ত শ্রেণীবিভাগ:
- Fasciola: ত্রিস্তরী (Triploblastic) প্রাণি, যা পরজীবী এবং মেসোডার্ম উপস্থিত।
- Ascaris: ত্রিস্তরী (Triploblastic) প্রাণি, একটি roundworm।
- Aurelia: দ্বিস্তরী (Diploblastic) প্রাণি, একটি jellyfish প্রজাতি।
- Pila: ত্রিস্তরী (Triploblastic) প্রাণি, একটি শেলযুক্ত mollusk। 

- সুতরাং, দ্বিস্তরী প্রাণি হলো Aurelia. 
- সঠিক উত্তর: গ) Aurelia.

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৬৫.
ভিটামিন 'সি' এর অভাবজনিত রোগ কোনটি?
  1. স্কার্ভি
  2. অ্যানিমিয়া
  3. পেলাগ্রা
  4. রাতকানা
ব্যাখ্যা

• ভিটামিন সি-এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়।
• স্কার্ভি রোগে দাঁতের মাড়ি ফুলে স্পঞ্জের মতো হয়ে যায়, রক্তক্ষরণ হয়, গোড়া আলগা ও নরম হয়ে যায়, অনেক সময় দাঁত পড়ে যায়।

• ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিড (Vitamin C):
- ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম এসকরবিক এসিড (Ascorbic acid)।
- এটি তাপ, আলো, বাতাস ও ক্ষারে খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।

• ভিটামিন সি-এর উৎস: 
টাটকা শাক-সবজি ও ফল-মূল ভিটামিন সি এর উত্তম উৎস। টক জাতীয় ফল যেমন- কমলা, পেয়ারা, লেবু, আমলকী, বাতাবি-লেবু, আমড়া, কামরাঙা, আঙুর, আনারস ইত্যাদিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়। 

• ভিটামিন সি বা এসকরবিক এসিডের অভাবজনিত সমস্যা:
১. ভিটামিন সি এর দীর্ঘদিনের অভাবে স্কার্ভি রোগ হয়।
২. ত্বক খসখসে হয়, ফুসকুড়ি ওঠে এবং ত্বক চুলকায়।
৩. অস্থি দুর্বল হয় ও অস্থি সন্ধিতে বা গাঁটে ব্যথা হয়, অস্থি দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়।
৪. লৌহের পরিশোষণ ব্যহত হয় ও রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়।
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায় এবং সহজেই সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়।

এছাড়াও,
• ভিটামিন বি-১ এর অভাবে বেরিবেরি নামক রোগ হয়।
• ভিটামিন ডি এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়ে থাকে।
• ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬.
নিচের কোন এনজাইম দুগ্ধ জাতীয় খাদ্য পরিপাক ঘাটায়?
  1. ম্যাল্টেজ
  2. সুক্রোজ
  3. ল্যাকটোজ
  4. লাইপেজ
ব্যাখ্যা

দুগ্ধজাত খাদ্য পরিপাকে ভূমিকা রাখা এনজাইম (Lactase):

- দুগ্ধজাত খাদ্যের প্রধান শর্করা হলো ল্যাকটোজ (Lactose)।
- এই ল্যাকটোজকে ভাঙার জন্য বিশেষভাবে যে এনজাইমটি কাজ করে তা হলো ল্যাক্টেজ।
- ল্যাক্টেজ ল্যাকটোজকে গ্লুকোজ ও গ্যালাক্টোজে ভেঙে ফেলে, যাতে শরীর সহজে শোষণ করতে পারে।
- ল্যাক্টেজের ঘাটতি থাকলে ল্যাকটোজ সঠিকভাবে পরিপাক হয় না।
- এর ফলে গ্যাস, ডায়রিয়া, পেট ফাঁপা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়, যাকে ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স বলা হয়।

অন্যান্য এনজাইম কেন সঠিক নয়:

- ম্যাল্টেজ: মল্টোজ নামক শর্করা পরিপাকে সাহায্য করে, দুগ্ধজাত খাদ্যে নয়।
- সুক্রোজ: এটি একটি শর্করা, এনজাইম নয়।
- লাইপেজ: চর্বি বা ফ্যাট পরিপাকে সাহায্য করে, ল্যাকটোজ নয়।

সুতরাং, দুগ্ধজাত খাদ্য পরিপাকে ঘাটতি ঘটায় যে এনজাইমটির অভাব, তা হলো ল্যাকটোজ।
সঠিক উত্তর: গ) ল্যাকটোজ। 

সূত্র - ব্রিটানিকা। 

৬৭.
'WIPO' এর সদর দপ্তর -
  1. ব্রাসেলস
  2. লন্ডন
  3. জেনেভা
  4. প্যারিস
ব্যাখ্যা

WIPO:
- জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা WIPO-এর পূর্ণরূপ: World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ জুলাই, ১৯৬৭।
- কার্যকর হয়: ১৯৭০ সালে।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৭৪ সালে।
- সংশোধিত হয়: ১৯৭৯ সালে। 
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড্যারেন ট্যাং (সিঙ্গাপুর)।
- মূল উদ্দেশ্য: বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ১১ মে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: WIPO ওয়েবসাইট।

৬৮.
নিপোর্ট (NIPORT) কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. জনসংখ্যা গবেষণা
  2. নদী গবেষণা
  3. মিঠাপানি গবেষণা
  4. বন্দর গবেষণা
ব্যাখ্যা

NIPORT:
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।

• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়নধর্মী অপারেশনাল গবেষণা ও সার্ভে পরিচালনা করা এবং কর্মসূচি উন্নয়নের জন্য গবেষণার ফলাফল কার্যকরভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করা।
- নিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ সুবিধা ছাড়াও বিভাগীয় ও জেলা শহরেরয়েছে ১২টি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI), উপজেলা পর্যায়ে রয়েছে ২০টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)। এছাড়া, ১২টি এফডব্লিউভিটিআই-এর সাথে আরো ৩১টি মাঠ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (FTC) সংযুক্ত রয়েছে।

• রূপকল্প:  ২০৩০ সালের মধ্যে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টরে মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান ও গবেষণা পরিচালনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি নেতৃস্থানীয় প্রতিষ্ঠান (Centre of excellence) হিসেবে নিপোর্টকে গড়ে তোলা।
- অভিলক্ষ্য: গুণগতমানে উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলে ও চাহিদাভিত্তিক গবেষণা পরিচালনা করে স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচির উন্নয়ন ঘটিয়ে দেশের জনসংখ্যাকে সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা।

• নিপোর্টের ৩টি পরিচালনা ইউনিট রয়েছে- প্রশাসন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা।
- মহাপরিচালক নিপোর্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা। 

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট।

৬৯.
মায়োটম পেশী থাকে কোথায়? 
  1. Urochordata
  2. Cephalochordata
  3. Vertebrata
  4. Cyclostomata
ব্যাখ্যা

মায়োটম পেশী (Myotome):
- মায়োটম হলো ভ্রূণীয় মেসোডার্ম থেকে উৎপন্ন খণ্ডিত পেশী।
- এটি দেহের পার্শ্বদেশে V বা W আকৃতির পেশীখণ্ড হিসেবে সাজানো থাকে।
- মায়োটম মূলত দেহের চলন ও সাঁতারে সাহায্য করে। - এই পেশী সাধারণত কর্ডেট প্রাণীদের দেহে খণ্ডিত আকারে দেখা যায়।
- মায়োটম পেশী নটোকর্ডের দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে।

Cephalochordata-তে মায়োটম পেশী:
- Cephalochordata পর্বের প্রাণী যেমন Amphioxus (Branchiostoma)-এ মায়োটম পেশী অত্যন্ত সুস্পষ্ট।
- এদের দেহে সারাজীবন খণ্ডিত মায়োটম পেশী বিদ্যমান থাকে।
- মায়োটম পেশীর সাহায্যে এরা দক্ষভাবে সাঁতার কাটতে পারে।
- Cephalochordata-কে মায়োটম পেশীর আদর্শ উদাহরণ হিসেবে ধরা হয়।

অন্যান্য অপশনের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ:
- Urochordata-তে লার্ভা অবস্থায় কিছু পেশী দেখা গেলেও পূর্ণাঙ্গ মায়োটম সুস্পষ্ট নয়।
- Vertebrata-তে মায়োটম ভ্রূণীয় অবস্থায় থাকলেও পরিণত অবস্থায় তা পরিবর্তিত হয়।
- Cyclostomata-তে মায়োটম আংশিকভাবে দেখা গেলেও Cephalochordata-এর মতো স্পষ্ট নয়।

সুতরাং, মায়োটম পেশী প্রধানত ও স্পষ্টভাবে পাওয়া যায় Cephalochordata পর্বে।

সঠিক উত্তর: খ) Cephalochordata.

সূত্র - sciencedirect journal.

৭০.
বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ 'অ্যাডাম স্মিথ' কোন দেশে জন্মগ্রহন করেছিলেন?
  1. স্কটল্যান্ড
  2. ফ্রান্স
  3. জার্মানী
  4. ইতালী
ব্যাখ্যা

অ্যাডাম স্মিথ: 
- অ্যাডাম স্মিথ ছিলেন একজন বিখ্যাত স্কটিশ দার্শনিক, নীতিবিদ এবং রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ।
- তিনি স্কটল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক হিসেবে পরিচিত।

• প্রধান বই:
- এডাম স্মিথ ১৭৭৬ সালে Wealth of Nations গ্রন্থটি রচনা করেন। তাঁর লেখা 'Wealth of nations' বইটি তাঁকে আধুনিক অর্থশাস্ত্রের জনক হিসেবে পরিচিত করেছে। এই বইয়ে তিনি অর্থনীতির মূল বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেন। বইটিতে স্মিথ শ্রমের বিভাজন, উৎপাদনশীলতা এবং মুক্ত বাজারের মতো বিষয়গুলিকে সম্বোধন করেন।
- এডাম স্মিথ ১৭৫৯ সালে তাঁর  ‘Theory of Moral Sentiment’ গ্রন্থটি রচনা করেন। বইটিতে তিনি বুঝাতে চেয়েছিলেন মানুষ কীভাবে সঠিক এবং ভুল নির্ধারণ করে। কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষ কিছু জিনিসকে নৈতিকভাবে প্রয়োজনীয়, বাকিগুলো নৈতিকভাবে নিষিদ্ধ, আবার কিছু কিছু জিনিসকে নৈতিকভাবে উদাসীন খুঁজে পায়।

• তাঁর প্রধান মতবাদসমূহ:
- অদৃশ্য হাত (Invisible Hand): তাঁর মতে, মানুষের স্ব-স্বার্থ বা নিজেদের স্বার্থ পূরণের আকাঙ্ক্ষা সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির মূল চালিকাশক্তি।
- মুক্ত বাজার ও সীমিত রাষ্ট্র: অবাধ বাণিজ্য এবং অর্থনীতিতে সরকারের কম হস্তক্ষেপের পক্ষে ছিলেন।
- শ্রম বিভাগ: উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষীকরণের কথা বলেন। 
এছাড়াও,
- 'Economics is the science of wealth'- উক্তিটি অ্যাডাম স্মিথের। 

উৎস: i) Investopedia ওয়েবসাইট।
ii) Britannica.

৭১.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. কৃষিজিবি
  2. কৃষিজিবী
  3. কৃষিজীবী
  4. কৃষিজীবি
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
 • শুদ্ধ বানান - 'কৃষিজীবী'।
--------------
বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী কতিপয় শুদ্ধ বানান হলো-
• বিকিরণ,
• মুমূর্ষু,
• কৃষিজীবী,
• মরীচিকা,
• দধীচি,
• মন্ত্রিসভা,
• মন্ত্রিপরিষদ,
• শিরশ্ছেদ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা একাডেমির প্রমিত বাংলা বানান রীতি।

৭২.
'সওগাত' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. এস, ওয়াজেদ আলী
  3. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
  4. লুৎফর রহমান 
ব্যাখ্যা

'সওগাত' পত্রিকা:
- 'সওগাত' প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল কলকাতার ১৯১৮ সালে। সম্পাদক ছিলেন- মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
- পরবর্তীকালে পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়।
- কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন সওগাতের প্রধান লেখকদের অন্যতম।
- তিনি যখন করাচিতে বেঙ্গল রেজিমেন্টে কর্মরত, তখন 'বাউন্ডেলের আত্মকাহিনী' নামে একটি ছোট গল্প পাঠান। এটিই ছিল তাঁর সওগাতে প্রকাশিত প্রথম লেখা।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম, বাংলাপিডিয়া।

৭৩.
তেলাপোকার রক্ত সংবহনতন্ত্র কোন ধরণের?
  1. উন্মুক্ত
  2. বন্ধ
  3. উভয়
  4. কোনটাই না
ব্যাখ্যা

• তেলাপোকার রক্ত সংবহনতন্ত্র (Circulatory System of Cockroach):
- তেলাপোকার রক্ত সংবহনতন্ত্র - উন্মুক্ত (Open type)।
- এদের দেহে রক্ত সম্পূর্ণভাবে রক্তনালীর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।
- রক্ত (হিমোলিম্ফ) দেহগহ্বরের মধ্যে অবস্থিত অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে সরাসরি স্নান করায়।
- তেলাপোকার হৃদপিণ্ড একটি দীর্ঘ নলাকার গঠনবিশিষ্ট এবং দেহের পৃষ্ঠদেশে অবস্থিত।
- রক্ত পরিবহনের সময় অক্সিজেন বহন করে না, কারণ তেলাপোকা ট্র্যাকিয়াল শ্বাসপ্রণালীর মাধ্যমে শ্বাস গ্রহণ করে।
- তাই তেলাপোকার রক্ত সংবহনতন্ত্রকে বন্ধ (Closed) বলা যায় না।

সুতরাং, তেলাপোকার রক্ত সংবহনতন্ত্রের ধরণ হলো - উন্মুক্ত।
সঠিক উত্তর: ক) উন্মুক্ত। 

সূত্র - sciencedirect journal.

৭৪.
বাংলা একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৮
  2. ১৯৫৫
  3. ১৯৬১
  4. ১৮৫৫
ব্যাখ্যা

• ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। 

• বাংলা একাডেমি: 
- বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩রা ডিসেম্বর।
- এদিন ‘বর্ধমান হাউস’-এর সম্মুখস্থ বটতলায় উদ্বোধন-অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
- পূর্ববাংলার তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রী জনাব আবু হোসেন সরকার ‘উদ্বোধনী ভাষণ’ পাঠ করেন।
- পূর্ববাংলার তদানীন্তন শিক্ষামন্ত্রী জনাব আশরাফ উদ্দীন আহমদ চৌধুরীও অনুষ্ঠানে ভাষণ প্রদান করেন।

সূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েভসাইট। 

৭৫.
Theocracy is the rule by the...........
  1. nobility
  2. wealthy class
  3. church authorities
  4. philosophers
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) church authorities.

Theocracy শব্দটির অর্থ হলো ধর্মীয় শাসন বা ঈশ্বরের শাসনের নামে শাসন।
- এই শাসনব্যবস্থায় ধর্মীয় নেতা, পুরোহিত বা চার্চের কর্তৃপক্ষ (church authorities) রাষ্ট্রের শাসনক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে।
- আইন-কানুন, শাসনব্যবস্থা সবকিছুই ধর্মগ্রন্থ বা ধর্মীয় নির্দেশ অনুসারে পরিচালিত হয়।

• Theocracy:
English meaning: a country that is ruled by religious leaders.
Bangla meaning: ধর্মরাষ্ট্র; এমন রাষ্ট্র যেখানে সব আইনকে ঈশ্বরের আইন বলে ধরে নেওয়া হয়; পুরোহিতশাসিত; মোল্লাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।

Source: Cambridge Dictionary.

৭৬.
'বাঙালি মুসলমানের মন' কার লেখা?
  1. আহমেদ শরীফ
  2. আহমদ ছফা
  3. আনিসুজ্জামান
  4. আবুল ফজল
ব্যাখ্যা

আহমদ ছফা:
- আহমদ ছফা ছিলেন একজন প্রতিবাদী লেখক, প্রগতিপন্থি সাহিত্যকর্মী ও সংগঠক।
- আহমদ ছফা ৩০শে জুন, ১৯৪৩ সালে গাছবাড়িয়া, চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত ছিলেন চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক।
- তিনি স্বদেশ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। ১৯৭০ সালের গোড়ার দিকে আহমদ ছফার সম্পাদনায় সাহিত্য পত্রিকা ‘স্বদেশ’ প্রকাশিত হয়েছিল। মাত্র তিন সংখ্যা প্রকাশের পর পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।

• বাঙালি মুসলমানের মন:
- রচয়িতা: আহমদ ছফা।
- প্রথম প্রকাশ: ১৯৮১ সাল।

• আহমদ ছফা রচিত উপন্যাস:
- গাভী বিত্তান্ত,
- ওঙ্কার,
- অর্ধেক নারী অর্ধেক ঈশ্বরী।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- বাঙালি মুসলমানের মন,
- সাম্প্রতিক বিবেচনা: বুদ্ধিবৃত্তির নতুন বিন্যাস,
- সিপাহী যুদ্ধের ইতিহাস।

কবিতা গ্রন্থ:
- জল্লাদ সময়,
- দুঃখের দিনের দোহা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং বাংলাপিডিয়া।

৭৭.
বাক্যের মধ্যে একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে যা ব্যবহৃত হয়
  1. কমা
  2. কোলন
  3. হাইফেন
  4. ড্যাশ
ব্যাখ্যা

• বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন (-) যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

যতিচিহ্ন:
- মুখের কথা লিখিত রূপ দেওয়ার সময় কম-বেশি থামা বোঝাতে যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- বক্তব্যকে স্পষ্ট করতেও যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।
- যতিচিহ্নকে বিরামচিহ্ন বা বিরতি চিহ্নও বলা হয়।

হাইফেন:
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়েই গড়ে উঠেছে এই ক্লাব।

• অন্যদিকে: 
- বাক্যের প্রথম অংশের কোনো উক্তিকে দ্বিতীয় অংশে ব্যাখ্যা করা এবং উদাহরণ উপস্থাপনের কাজে কোলন ব্যবহৃত হয়। 
- সাধারণত দুটি বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে এবং ব্যাখ্যাযোগ্য বাক্যাংশের আগে-পরে ড্যাশ ব্যবহৃত হয়। 
- কমা (,)- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে। শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
 যেমন - গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত ও বসন্ত বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

৭৮.
পাইরিডক্সিন নিম্নের কোনটি?
  1. B1
  2. B2
  3. B6
  4. B12
ব্যাখ্যা

পাইরিডক্সিন (Pyridoxine):
- পাইরিডক্সিন হলো ভিটামিন বি-কমপ্লেক্সের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।
- এটি মূলত ভিটামিন B6 নামে পরিচিত।
- এই ভিটামিন শরীরের প্রোটিন বিপাক, অ্যামিনো অ্যাসিডের রূপান্তর এবং স্নায়ুতন্ত্রের সঠিক কার্যকারিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- হিমোগ্লোবিন তৈরি এবং লোহিত রক্তকণিকার কার্যক্রমে পাইরিডক্সিনের ভূমিকা রয়েছে।
- পাইরিডক্সিনের অভাবে রক্তস্বল্পতা, ত্বকের সমস্যা এবং স্নায়বিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।

ভিটামিন B1 (থায়ামিন):
- ভিটামিন B1 শক্তি উৎপাদন এবং স্নায়ুর কার্যকারিতার জন্য প্রয়োজনীয়।
- এটি কার্বোহাইড্রেট বিপাকে সহায়তা করে।
- তবে এটি পাইরিডক্সিন নয়।

ভিটামিন B2 (রাইবোফ্লাভিন):
- ভিটামিন B2 কোষের বৃদ্ধি এবং শক্তি উৎপাদনে ভূমিকা রাখে।
- চোখ ও ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ।
- এটিও পাইরিডক্সিন নয়।

ভিটামিন B12 (কোবালামিন):
- ভিটামিন B12 স্নায়ুকোষ ও রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়ক।
- এটি ডিএনএ সংশ্লেষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- কিন্তু পাইরিডক্সিন ভিটামিন B12 নয়।

- সুতরাং, পাইরিডক্সিন হলো ভিটামিন B6.
- সঠিক উত্তর: গ) B6.

সূত্র - sciencedirect journal.

৭৯.
Placoid আঁইশ কোন মাছে দেখা যায়?
  1. Labeо
  2. Catla
  3. Channa
  4. Scoliodon
ব্যাখ্যা

• Placoid আঁইশ (Placoid scale):
- Placoid আঁইশ সাধারণত কার্টিলাজিনাস মাছের (Chondrichthyes) দেহে দেখা যায়।
- এই আঁইশগুলো দাঁতের মতো গঠনযুক্ত এবং এগুলোকে ডার্মাল ডেন্টিকল (Dermal denticles) বলা হয়।
- Placoid আঁইশ মাছের দেহকে রক্ষা করে এবং পানিতে চলাচলের সময় ঘর্ষণ কমাতে সাহায্য করে।
- এই ধরনের আঁইশ হাঙর ও শাপলাপাতা মাছের মধ্যে দেখা যায়।
- অস্থিময় মাছ (Bony fish) যেমন Labeo, Catla বা Channa-তে এই আঁইশ থাকে না।

• Labeo:
- Labeo একটি অস্থিময় মাছ।
- এর দেহে Cycloid আঁইশ পাওয়া যায়।
- তাই এতে Placoid আঁইশ দেখা যায় না।

• Catla:
- Catla-ও একটি অস্থিময় মাছ।
- এর দেহে Cycloid আঁইশ থাকে।
- Placoid আঁইশ Catla-তে অনুপস্থিত।

• Channa:
- Channa একটি অস্থিময় মাছ।
- এর দেহে Cycloid আঁইশ দেখা যায়।
- Placoid আঁইশ এতে পাওয়া যায় না।

• Scoliodon:
- Scoliodon হলো একটি হাঙরজাতীয় কার্টিলাজিনাস মাছ।
- এর দেহে Placoid আঁইশ উপস্থিত।
- এটি Placoid আঁইশের একটি আদর্শ উদাহরণ।

- সুতরাং, Placoid আঁইশ যে মাছে দেখা যায় তা হলো Scoliodon.
- সঠিক উত্তর: ঘ) Scoliodon.

সূত্র - sciencedirect journal.

৮০.
জাপান কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  4. ১৫ আগস্ট ১৯৭৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে জাপানের স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করার পর প্রথম যে কয়টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে, জাপান তার মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমপর্ণের মাধ্যমে নয় মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। বাংলাদেশের বিজয় অর্জনে জাপানিপত্র-পত্রিকায় শিরোনাম করল 'Pakistanis Ink Surrender Papers'.
- ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জাপান এয়ার লাইন্সের একটি বিরাট বিমান নানা সাহায্য সামগ্রী নিয়ে ঢাকা পৌঁছায়। জাপানের জনগণ ও স্কুলের ছেলেমেয়েরা জাপান রেডক্রসের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য এই সাহায্য দান করেন। জাপানি স্কুল শিশুরা তাদের টিফিনের অর্থ বাঁচিয়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
-  স্বীকৃতি দান প্রসঙ্গে হায়াকাওয়া বলেন, জাপান স্বাধীন বাংলাদেশকে দ্রুত স্বীকৃতি দিয়েছিল। সিদ্ধান্তটি ছিল অতি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর জাপান কূটনীতির ক্ষেত্রে এই প্রথম স্বতস্ফূর্তভাবে একটা উদ্যোগ নিল।
- ১৯৭২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি: জাপান বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। জাপান বাংলাদেশে দূতাবাসের কার্যক্রম চালু করে। তাকাশি ওয়ামাদা বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রথম জাপানি রাষ্টদূত। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে। 
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম ভুটান স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল। 
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে।
 
উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৮১.
বিশ্বখ্যাত মোনালিসা চিত্রটির চিত্রকর কে?
  1. মাইকেল অ্যাঞ্জেলো
  2. লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি
  3. পাবলো পিকাসো
  4. ভ্যানগগ
ব্যাখ্যা

মোনালিসা:
- বিশ্ববিখ্যাত 'মোনালিসা' চিত্রটির চিত্রকর লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি।

• ধারণা করা হয় ১৫০৩ থেকে ১৫০৬ সালের মধ্যে তিনি এ ছবিটি এঁকেছিলেন।
- শিল্পকর্মটি ফ্রান্সের ল্যুভর জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ল্যুভর জাদুঘরের তথ্যমতে প্রায় ৮০% পর্যটক শুধু মোনালিসার চিত্র টি দেখার জন্য আসে।
- ছবিটি আঁকতে তার প্রায় চারবছর সময় লাগে।
- মোনালিসার এই ছবিটির মূল্য নির্ধারণ করা হয় প্রায় ৮৩০ মিলিয়ন ডলার।
- অনেক শিল্প গবেষক পোর্ট্রেটের এই বিখ্যাত নারীকে ফ্লোরেন্টাইনের বণিক ফ্রান্সিসকো দ্য গিওকন্ডোর (Gioconda) স্ত্রী লিসা গেরাদিনি বলে সনাক্ত করেছেন।
- আবার অনেকে প্রায় লোমহীন মুখটায় অনেকে দাড়ি লাগিয়ে স্বয়ং লিওনার্দোকেই আবিষ্কার করে ফেলেন, অর্থাৎ তারা দাবি করেন, মোনা লিসা চরিত্রটি লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির নারীসত্ত্বা (এক্ষেত্রে ড্যান ব্রাউন এর দ্য ভিঞ্চি কোড বইটিতেও কিছুটা বলা হয়েছে)।

উল্লেখ্য,
- লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি একজন ইতালীয় রেনেসাঁ পলিমাথ, চিত্রশিল্পী, ভাস্কর, স্থপতি, সংগীতশিল্পী, বিজ্ঞানী, গণিতবিদ, প্রকৌশলী, উদ্ভাবক, অ্যান্টোনিস্ট, ভূতত্ত্ববিদ, ম্যাগাজিনর, উদ্ভিদবিদ এবং লেখক।
- তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানবতার একজন।
- লিওনার্দো ফ্লোরেন্স কাছাকাছি Tuscany, ছোট শহরে ভ্যানি মধ্যে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বিখ্যাত শিল্পকর্ম: The Last Supper, Mona Lisa, The Vitruvian Man, The Portrait of a Lady with an Ermine, The Virgin of the Rocks, The Baptism of Christ, The Adoration of the Magi (1481), The Virgin and Child with St Anne (1510), The Madonna and Child with St. Anne, The Madonna and Child with a Cat, Portrait of Ginevra de' Benci (1474-1476)।

উৎস: Britannica.

৮২.
মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি কোনটি?
  1. যকৃত
  2. অগ্ন্যাশয়
  3. পিটুইটারী
  4. শুক্রাশয়
ব্যাখ্যা

• যকৃত বা লিভার হলো মানবদেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি।

• যকৃত:
- যকৃত আমাদের শরীরের একটি অভ্যন্তরীণ অঙ্গ। এটিকে বলা হয় মানবদেহের জৈব রসায়নাগার। 
- মানবদেহে বৃহত্তম গ্রন্থি হলো যকৃত।

• অবস্থান:
- যকৃত উদর-গহ্বরের উপরভাগে ডানদিকে বেশিরভাগ অংশ জুড়ে মধ্যচ্ছদা বা ডায়াফ্রামের ঠিক নিচে ডিওডেনাম ও ডান বৃক্কের উপরদিকে পাকস্থলির ডান পাশে অবস্থিত
- এটি দেখতে লালচে-বাদামি রঙের।
- এটি একটি বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে কাজ করে।

• যকৃত-এর কাজ:
- যকৃত অতিরিক্ত গ্লুকোজ ও গ্লাইকোজেনকে চর্বিরূপে জমা রাখে।
- যকৃত অতিরিক্ত এমাইনো এসিডকে ইউরিয়ায় পরিণত করে।
-যকৃত ভিটামিন A, D, E, K ও ফলিক এসিড সঞ্চয় করে।
- যকৃতের হেপাটোসাইট কোষ অনবরত পিত্তরস তৈরি করে পিত্তথলিতে জমা করে।
- যকৃত কোলেস্টেরল উৎপাদন করে।
- যকৃত দেহ থেকে বিভিন্ন রোগজীবাণু অপসারিত করে।
- এছাড়াও যকৃত চর্বি ও কোলেস্টেরল পরিপাক ও শোষণে সহায়তা করে।

অন্যদিকে,
• পিটুইটারি গ্রন্থি হলো সবচেয়ে ক্ষুদ্র গ্রন্থি।
-  মানবদেহের বৃহত্তম অঙ্গ হলো ত্বক।

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল।

৮৩.
Master gland বলা যা কোনটিকে?
  1. অগ্ন্যাশয়
  2. যকৃত
  3. অ্যাড্রিনাল
  4. পিটুইটারী
ব্যাখ্যা

• Master gland (মাস্টার গ্রন্থি):
- মানবদেহের যে গ্রন্থিটি শরীরের অন্যান্য অন্তঃস্রাবী গ্রন্থিগুলোর কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে Master gland বলা হয়।
- এটি বিভিন্ন হরমোন নিঃসরণ করে অন্যান্য গ্রন্থিকে উদ্দীপিত বা নিয়ন্ত্রিত করে।
- দেহের বৃদ্ধি, বিপাক, প্রজনন ও হরমোনীয় সমন্বয়ে এই গ্রন্থিটির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
- এজন্য একে অন্তঃস্রাবী তন্ত্রের “নিয়ন্ত্রক গ্রন্থি” বলা হয়।

• অগ্ন্যাশয় (Pancreas):
- অগ্ন্যাশয় ইনসুলিন ও গ্লুকাগন হরমোন নিঃসরণ করে।
- এটি মূলত রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি Master gland নয়।

• যকৃত (Liver):
- যকৃত দেহের বিপাকীয় কাজ, পিত্তরস উৎপাদন ও বিষাক্ত পদার্থ নিষ্কাশনে সাহায্য করে।
- এটি হরমোন নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান গ্রন্থি নয়।
- তাই একে Master gland বলা হয় না।

• অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি (Adrenal gland):
- অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি অ্যাড্রিনালিন, কর্টিসল ইত্যাদি হরমোন নিঃসরণ করে।
- এটি দেহের স্ট্রেস ও জরুরি অবস্থায় কাজ করে।
- কিন্তু এটি অন্য গ্রন্থিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে না।

• পিটুইটারী গ্রন্থি (Pituitary gland):
- পিটুইটারী গ্রন্থি শরীরের প্রায় সব অন্তঃস্রাবী গ্রন্থির কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি থাইরয়েড, অ্যাড্রিনাল, গনাড ইত্যাদি গ্রন্থিকে উদ্দীপিত করে।
- এই কারণেই একে Master gland বলা হয়।

সঠিক উত্তর: ঘ) পিটুইটারী। 

সূত্র - sciencedirect journal.

৮৪.
Plasmodium vivax এর জীবনচক্রেমানবদেহে সংঘটিত চক্রটি হলো-
  1. অযৌন চক্র
  2. যৌন চক্র
  3. সুস্থাবস্থা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

• Plasmodium vivax এর জীবনচক্রেমানবদেহে সংঘটিত চক্রটি হলো- অযৌন চক্র। 

Plasmodium vivax এর জীবনচক্রে মানবদেহে সংঘটিত চক্র:
- Plasmodium vivax নামক ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্র দুটি পোষকে সম্পন্ন হয়—মানবদেহ ও স্ত্রী এনোফিলিস মশা।
- মানবদেহে এই পরজীবী কেবল অযৌনভাবে বংশবিস্তার করে।
- মানবদেহে প্রবেশের পর স্পোরোজয়াইট প্রথমে যকৃতে (লিভার) প্রবেশ করে এবং সেখানে অযৌন বিভাজনের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায়।
- পরে এটি রক্তের লোহিত কণিকায় (RBC) প্রবেশ করে এবং পুনরায় অযৌন বিভাজনের মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধি করে।
- এই অযৌন বিভাজনের ফলেই ম্যালেরিয়ার উপসর্গ যেমন—জ্বর, কাঁপুনি, ঘাম ইত্যাদি দেখা যায়।

যৌন চক্র (Sexual Cycle):
- Plasmodium vivax এর যৌন চক্র মানবদেহে সংঘটিত হয় না।
- যৌন চক্র সম্পন্ন হয় স্ত্রী এনোফিলিস মশার দেহে।
- মানবদেহে তৈরি হওয়া গ্যামেটোসাইট মশার দেহে প্রবেশ করার পর সেখানে যৌন প্রজনন ঘটে।

সুস্থাবস্থা:
- সুস্থাবস্থা মানবদেহে Plasmodium vivax এর জীবনচক্রের কোনো ধাপ নয়।
- এটি পরজীবীর জীবনচক্রের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

- সুতরাং, Plasmodium vivax এর জীবনচক্রে মানবদেহে যে চক্রটি সংঘটিত হয় তা হলো অযৌন চক্র।
- সঠিক উত্তর: ক) অযৌন চক্র। 

সূত্র - sciencedirect journal.

৮৫.
Sadman is all but ruined. Here "all but" means
  1. in fact
  2. nearly
  3. truly
  4. seldom
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) nearly.
"Sadman is all but ruined." বাক্যে "all but" এর অর্থ হলো nearly বা almost.

• All but
- English Meaning: very nearly; almost.
- Bangla Meaning: প্রায়।

• Ex. Sentence: The villagers are all but ruined.
- Bangla Meaning: গ্রামবাসী প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছে৷

Source: Live MCQ Lecture.

৮৬.
Which of the following is not a synonym of "spurious"?
  1. false
  2. counterfeit
  3. spurn
  4. forged
ব্যাখ্যা

Spurious:
English meaning: false, although seeming to be real or true.
Bangla meaning: মেকি; মিথ্যা; জাল; ভেজাল।

Options,
ক) false:
- ভ্রান্ত; মিথ্যা।

খ) counterfeit:
- জাল; নকল; কৃত্রিম; জাল টাকা; নকল হীরা; কৃত্রিম শোক।

গ) spurn:
- অবজ্ঞাভরে প্রত্যাখ্যান করা; ঘৃণাভরে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া।

ঘ) forged:
- নকল; জাল; কৃত্রিম; অচল; জাল-করা।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, “spurn” শব্দটি spurious-এর synonym নয়।
 
 Source: Accessible Dictionary.

৮৭.
লিথাল জিনের কারণে কোন রোগ হয়?
  1. হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া
  2. থ্যালাসেমিয়া ও বর্ণান্ধতা
  3. বর্ণান্ধতা ও রাতকানা
  4. রাতকানা ও হিমোফিলিয়া
ব্যাখ্যা

লিথাল জিন (Lethal gene):
- লিথাল জিন হলো এমন জিন, যার প্রভাবে জীবের মৃত্যু ঘটে বা স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকা সম্ভব হয় না।
- সাধারণত এই জিন হোমোজাইগাস অবস্থায় মারাত্মক প্রভাব সৃষ্টি করে।
- এর ফলে ভ্রূণ অবস্থাতেই বা অল্প বয়সে জীবের মৃত্যু হতে পারে।
- তাই লিথাল জিন দ্বারা সৃষ্ট রোগগুলো অত্যন্ত গুরুতর প্রকৃতির হয়।

থ্যালাসেমিয়া (Thalassemia):
- থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তজনিত রোগ।
- হোমোজাইগাস অবস্থায় (থ্যালাসেমিয়া মেজর) এটি লিথাল হিসেবে বিবেচিত।
- রোগীর শরীরে স্বাভাবিক হিমোগ্লোবিন তৈরি হয় না।
- চিকিৎসা না হলে অল্প বয়সেই রোগীর মৃত্যু হতে পারে।
- তাই থ্যালাসেমিয়া লিথাল জিন দ্বারা সৃষ্ট রোগ।

হিমোফিলিয়া (Hemophilia):
- হিমোফিলিয়া একটি এক্স-লিঙ্কড বংশগত রোগ।
- এতে রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যায়।
- এটি গুরুতর হলেও সাধারণভাবে লিথাল জিন দ্বারা সৃষ্ট নয়।
- যথাযথ চিকিৎসায় রোগী দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে পারে।

বর্ণান্ধতা ও রাতকানা:
- বর্ণান্ধতা এবং রাতকানা উভয়ই দৃষ্টিজনিত বংশগত সমস্যা।
- এ রোগগুলোতে মৃত্যুর ঝুঁকি থাকে না।
- তাই এগুলো লিথাল জিনের উদাহরণ নয়।

সুতরাং, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে লিথাল জিনের কারণে সৃষ্ট রোগ হিসেবে পাঠ্যবই অনুযায়ী গ্রহণযোগ্য উত্তর হলো —
সঠিক উত্তর: ক) হিমোফিলিয়া ও থ্যালাসেমিয়া। 

সূত্র - sciencedirect journal.

৮৮.
Find out the correct sentence. 
  1. Do you know where does he live?
  2. Do you know where did he live? 
  3. Do you know where he lives?
  4. Do you know where is his living place?
ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্যটি - Do you know where he lives? 
- Do you know where he lives?
- এর অর্থ: আপনি কি জানেন তিনি কোথায় থাকেন?

• An embedded question is a question that is included inside another question or statement. 
- অর্থাৎ, Embedded Question হলো এমন একটি প্রশ্ন, যা আরেকটি বাক্যের ভেতরে সংযুক্ত থাকে এবং এটি সাধারণত indirect question হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত statement বা indirect question আকারে থাকে, যেখানে স্বাভাবিক প্রশ্নবোধক কাঠামো পরিবর্তিত হয়।
- এতে সরাসরি প্রশ্নের মতো auxiliary verb (do, does, did) ব্যবহৃত হয় না।

Embedded Question-এর বৈশিষ্ট্য:
- Subject-verb এর স্বাভাবিক বিন্যাস বজায় থাকে (অর্থাৎ, উল্টে যায় না)

উদাহরণ:
• Direct Question: Where does he live? (সে কোথায় থাকে?)
• Embedded Question: Do you know where he lives? (তুমি কি জানো, সে কোথায় থাকে?)

- তাই, Do you know where he lives? - সঠিক। এখানে "where he lives" – statement-এর মতো word order (he lives) ব্যবহার করা হয়েছে। এটিই সবচেয়ে স্বাভাবিক ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বাক্য।

Options,

ক) Do you know where does he live?
- ভুল। কারণ পরোক্ষ প্রশ্নে "does" ব্যবহার করে inversion করা যায় না।

খ) Do you know where did he live?
- ভুল। "did" ব্যবহার করা হয়েছে, যা past tense-এর জন্য। কিন্তু বাক্যটি present-এর কথা বলছে। তাছাড়া inversionও ভুল।

ঘ) Do you know where is his living place?
- ভুল। "where is his living place" – এখানে inversion (is his) করা হয়েছে, যা indirect question-এ হওয়া উচিত নয়। তাছাড়া "his living place" বলার চেয়ে "where he lives" অনেক বেশি স্বাভাবিক।

৮৯.
কোনটি প্রাণির আচরণবিদ্যা?
  1. Ecology
  2. Ethology
  3. Entomology
  4. Toxicology
ব্যাখ্যা

Ecology (ইকোলজি):
- ইকোলজি হলো জীব ও তাদের পরিবেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের অধ্যয়ন।
- এখানে প্রাণী, উদ্ভিদ ও পরিবেশ একে অপরের উপর কীভাবে প্রভাব ফেলে তা বিশ্লেষণ করা হয়।
- এটি প্রাণীর আচরণ নিয়ে সরাসরি আলোচনা করে না, বরং পরিবেশগত সম্পর্কের উপর জোর দেয়।

• Ethology (ইথোলজি):
- ইথোলজি হলো প্রাণীর আচরণবিদ্যা।
- এতে প্রাণীদের স্বাভাবিক আচরণ, অভ্যাস, প্রতিক্রিয়া ও সামাজিক আচরণ নিয়ে বৈজ্ঞানিকভাবে গবেষণা করা হয়।
- প্রাণীরা কীভাবে খাদ্য সংগ্রহ করে, শত্রুর হাত থেকে বাঁচে বা দলবদ্ধভাবে বসবাস করে—এসব বিষয় ইথোলজির অন্তর্ভুক্ত।
- তাই প্রাণীর আচরণ অধ্যয়নের জন্য ইথোলজিই সঠিক বিজ্ঞান।

• Entomology (এনটোমোলজি):
- এনটোমোলজি হলো কীটপতঙ্গবিদ্যা।
- এতে পোকামাকড়ের গঠন, জীবনচক্র ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এটি শুধুমাত্র কীটপতঙ্গ সম্পর্কিত বিজ্ঞান, সব প্রাণীর আচরণ নয়।

• Toxicology (টক্সিকোলজি):
- টক্সিকোলজি হলো বিষবিদ্যা।
- এতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ জীবদেহে কী প্রভাব ফেলে তা নিয়ে গবেষণা করা হয়।
- এটি প্রাণীর আচরণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

- সুতরাং, প্রাণীর আচরণ নিয়ে যে বিজ্ঞান আলোচনা করে তা হলো - Ethology (ইথোলজি)।

সূত্র - sciencedirect journal.

৯০.
'মুহূর্তের কবিতা' লিখেছেন-
  1. সিকান্দার আবু জাফর
  2. সুফিয়া কামাল
  3. আহসান হাবীব
  4. ফররুখ আহমদ
ব্যাখ্যা

কবি ফররুখ আহমদের সনেট সংকলন - মুহূর্তের কবিতা।
 -------------
• মুহূর্তের কবিতা:
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ গ্রন্থটি ১৯৬৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এতে মোট ৯৩টি সনেট কবিতা রয়েছে যা শেক্সপিয়ারিয়-পেত্রার্কীয় রীতিতে ৬৮ অক্ষর চরণ মাত্রায় রচিত।
- উল্লেখযোগ্য কবিতা: মুহূর্তের কবিতা, অশান্ত পৃথিবী, পরিচিতি, ধানের কবিতা ইত্যাদি।

• ফররুখ আহমদ: 
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ। 
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনি কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।
 
• ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৯১.
'বাগযন্ত্র' ব্যাকরণেরকোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
  1. ধ্বনিতত্ত্ব
  2. রূপতত্ত্ব
  3. অর্থতত্ত্ব
  4. বাক্যতত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• 'বাগযন্ত্র' ব্যাকরণের 'ধ্বনিতত্ত্ব' অংশের আলোচ্য বিষয়। 

• ধ্বনিতত্ত্ব:
- ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয়, তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য বাগযন্ত্র, বাগযন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল, ষ-ত্ব ও ণ-ত্ব বিধান,
সন্ধি প্রভৃতি।

• ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় অন্তত চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
- ধ্বনিতত্ত্ব।
- রূপতত্ত্ব।
- বাক্যতত্ত্ব।
- অর্থতত্ত্ব।

বাকি অপশনগুলো:

• অর্থতত্ত্ব
- ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
- একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগ্‌ধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলোচনা থাকে ।

• রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়।
- বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দনির্মাণ ও পদনির্মাণ প্রক্রিয়া ।

• বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বাক্যের নির্মাণ এবং এর গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়।
- এছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচিত হয়ে থাকে ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।

৯২.
যকৃতের রোগ কোনটি?
  1. জন্ডিস
  2. টাইফয়েড
  3. হাম
  4. কলেরা
ব্যাখ্যা

• যকৃতের রোগ হচ্ছে - জন্ডিস। 

জন্ডিস: 

- জন্ডিস হলো ভাইরাস জনিত রোগ। 
- জন্ডিস হলে রক্তে বিলরুবিনের মাত্রা বেড়ে যায় ফলে ত্বক, চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায়। 
- বিলিরুবিন তৈরি হয় যকৃতে এবং অস্থিমজ্জায়। জমা হয় প্লীহাতে। 
- যকৃতের মধ্যে অবস্থিত প্লীহা বিলিরুবিন উৎপন্ন হওয়ার প্রধান স্থান হিসেবে স্বীকৃত। 
- যা কনজুগেশনের মাধ্যমে যকৃতে পৌঁছায়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৩.
Budding কোন প্রাণিতে ঘটে?
  1. Euglena
  2. Hydra
  3. তেলাপোকা
  4. পরিফেরা
ব্যাখ্যা

Budding (কুঁড়ি দ্বারা প্রজনন):
- Budding হলো এক ধরনের অযৌন প্রজনন পদ্ধতি, যেখানে মূল দেহের গায়ে একটি ছোট কুঁড়ি (bud) তৈরি হয়।
- এই কুঁড়িটি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ নতুন জীব হিসেবে পরিণত হয়।
- পরিপক্ব হলে কুঁড়িটি মূল দেহ থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করে।
- Budding প্রক্রিয়ায় জিনগত বৈচিত্র্য থাকে না, কারণ এটি অযৌন প্রজনন।
- এই প্রক্রিয়া সাধারণত সরল গঠনের প্রাণীদের মধ্যে দেখা যায়।

Hydra-তে Budding:
- Hydra একটি সরল জলজ প্রাণী।
- Hydra-র দেহপ্রাচীরের কোষ বিভাজনের মাধ্যমে কুঁড়ি সৃষ্টি হয়।
- কুঁড়িটি ধীরে ধীরে মুখ ও শুঁড় (tentacle) গঠন করে।
- পরিপক্ব হলে এটি মূল Hydra থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
- তাই Hydra-তে Budding প্রক্রিয়া স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
- Euglena প্রধানত দ্বিখণ্ডন (Binary fission) প্রক্রিয়ায় বংশবিস্তার করে।
- তেলাপোকা যৌন প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে।
- পরিফেরা (স্পঞ্জ) তে কুঁড়ি সদৃশ প্রক্রিয়া থাকলেও পাঠ্যবই অনুযায়ী আদর্শ উদাহরণ নয়।

সুতরাং, Budding প্রক্রিয়াটি ঘটে Hydra-তে।
সঠিক উত্তর: খ) Hydra.

সূত্র - sciencedirect journal.

৯৪.
Find out the complex sentence.
  1. That she will reciprocate my passion for her is certain.
  2. He did his work and I, mine.
  3. In case of your failure to move, you will die.
  4. Because of his playing well, he won the game
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক) That she will reciprocate my passion for her is certain.

এটি একটি complex sentence, কারণ এতে -
- Main clause: is certain.
- Subordinate (noun) clause: 'That she will reciprocate my passion for her',
- এখানে “that” দিয়ে শুরু হওয়া noun clause-টি পুরো বাক্যের subject হিসেবে কাজ করছে।

• Complex sentence: 
- যে sentence এ একটি Principal clause এবং এক বা একাধিক Subordinate clause থাকে, তাকে Complex sentence বলে। 
- Complex sentence এর subordinate clause এর শুরুতে সাধারণত if, though, although, as, because, since, so that, that, until, till, unless, when, why, who, which, where, how, before, after, whether, while বসে।

Other options,

খ) He did his work and I, mine.
- Compound Sentence. 
- দুটো independent clause: "He did his work" এবং "I [did], mine"
- "and" দিয়ে যুক্ত (coordinating conjunction) → দুটো clause সমান গুরুত্বপূর্ণ। এটা compound.

গ) In case of your failure to move, you will die.
- এখানে "In case of your failure to move" = prepositional phrase (একটি clause নয়, শুধু phrase)।
- পুরো বাক্যে শুধু একটি independent clause ("you will die") আছে।
- এটি simple sentence (শুধু একটি independent clause + phrase)।

ঘ) Because of his playing well, he won the game.
- "Because of his playing well" = prepositional phrase (gerund phrase), clause নয়।
- শুধু একটি independent clause ("he won the game").
- এটিও simple sentence

৯৫.
সামাজিক আচরণ প্রদর্শনকারী প্রাণি কোনটি?
  1. কুকুর
  2. বাবুই পাখি
  3. ব্যাঙ
  4. মৌমাছি
ব্যাখ্যা

• সামাজিক আচরণ প্রদর্শনকারী প্রাণী হলো এমন প্রাণী যারা দলবদ্ধভাবে বসবাস করে, নিজেদের মধ্যে সংযোগ ও সহযোগিতা করে এবং দলগত কাজ করে। এই ধরনের প্রাণীর মধ্যে একে অপরের সাথে যোগাযোগ, খাদ্য সংগ্রহ, শিকার করা বা শত্রু থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সাধারণ। উপরের উদাহরণগুলোতে ব্যাঙ মূলত একা থাকে এবং সামাজিকতা খুব কম দেখায়। বাবুই পাখি কিছুটা দলবদ্ধ হয়, কিন্তু সামাজিক আচরণ সীমিত। কুকুর মানুষের সাথে এবং নিজেদের মধ্যে সামাজিক আচরণ দেখায়, তবে মৌমাছি সম্পূর্ণ সামাজিক প্রাণী হিসেবে পরিচিত। মৌমাছি ছত্রাকের মতো কাঠামো তৈরি, খাদ্য সংগ্রহ, সন্তান পালন এবং রানী মৌমাছির নেতৃত্বের মাধ্যমে সম্পূর্ণ সামাজিক জীবন পরিচালনা করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) মৌমাছি।

 
• মৌমাছির সামাজিক আচরণ (Social Behavior of Honey Bee):
- মৌমাছি সামাজিক প্রাণী। একেকটি বড় পরিবার গড়ে বা বসতবদ্ধ হয়ে মৌচাকে বাস করে।
- প্রত্যেকটি কলোনিতে মৌমাছির ৩টি সম্প্রদায়ভুক্ত সদস্যরা সম্মিলিতভাবে সামাজিক উন্নয়নে নিরলস কাজ করে চলে।
- একটি মাত্র রাণীর নেতৃত্বে কয়েকশ ড্রোন (পুরুষ মৌমাছি) এবং ৬০-৮০ হাজার কর্মী মৌমাছি (বন্ধ্যা স্ত্রী মৌমাছি) সুশৃঙ্খলভাবে সামাজিক দায়িত্ব পালন করে।
- এই মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা মৌমাছি গোষ্ঠীর সকল মৌলিক চাহিদা মিটিয়ে প্রাণিজগতে অনন্য নজির স্থাপন করেছে।
- মৌমাছিরা দৃঢ় সমাজবদ্ধ জীব হিসেবে বাস করে এবং একে সমাজবদ্ধ প্রাণীর আদর্শ উদাহরণ বলা হয়।

সুতরাং, সামাজিক আচরণ প্রদর্শনকারী প্রাণী হল মৌমাছি।  
সঠিক উত্তর: ঘ) মৌমাছি। 

সূত্র: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গাজী আজমল এবং গাজী আসমত। 

৯৬.
বৃক্কের গাঠনিক বা কার্যিক একককে কী বলে?
  1. নেফ্রন
  2. নিউরন
  3. রেচন
  4. কিডনী
ব্যাখ্যা

মানুষের বৃক্ক:
- যে প্রক্রিয়ায় কোষীয় বিপাকের ফলে সৃষ্ট নাইট্রোজেন ঘটিত বর্জ্য পদার্থ দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয় তাকে রেচন বলে।
- যে তন্ত্রের মাধ্যমে রেচনকার্য সম্পন্ন হয় তাকে রেচনতন্ত্র বলে।
- বৃক্ক মানবদেহের প্রধান রেচন অঙ্গ।
- বৃক্কের গাঠনিক বা কার্যিক একককে নেফ্রন বলে।
- মানুষের প্রতিটি বৃক্কে ১০-১২ লাখ নেফ্রন থাকে।
- বৃক্ক মানুষের দেহে এবং রক্তে পানির ভারসাম্য রক্ষা করে।
- রক্তে লবণের পরিমান নিয়ন্ত্রণ করে।
- রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে।
- একটি পরিণত বৃক্কের দৈর্ঘ্য ১০-১২ সেন্টিমিটার,প্রস্থ ৫-৬ সেন্টিমিটার এবং স্থুলত্ব ৩ সেন্টিমিটার।
- পুরুষ মানুষের প্রতিটি বৃক্কের ওজন ১৫০-১৭০ গ্রাম এবং প্রতিটি মহিলা মানুষের বৃক্কের ওজন ১৩০-১৫০ গ্রাম।

তথ্যসূত্র - জীববিজ্ঞান,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি,গাজী আজমল ও প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৭.
The disgruntled man grumbled........his fate.
  1.  ‍at
  2. on
  3. against
  4. over
ব্যাখ্যা

Complete sentence: The disgruntled man grumbled at his fate.

• Grumble (verb)
English Meaning: to mutter in discontent.
Bangla Meaning: বিড়বিড়িয়ে ক্ষোভ বা অসন্তোষ প্রকাশ করা।

- "অসন্তোষ প্রকাশ" বোঝাতে grumble এরপর 'at' বসে।

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৯৮.
ইলিশ মাছ কোন বর্গের অন্তর্ভুক্ত?
  1. Cypriniformes
  2. Chupiformes
  3. Perciformes
  4. Channiformes
ব্যাখ্যা

• ইলিশ মাছের শ্রেণিবিন্যাস (Order of Hilsa Fish):
- ইলিশ মাছ (Tenualosa ilisha) হলো একটি প্রজাতির মাছ যা প্রধানত নদী ও সমুদ্র অঞ্চলে পাওয়া যায়।
- এটি Actinopterygii শ্রেণীর অন্তর্গত, অর্থাৎ কাঁটাপাখি বিশিষ্ট মাছের মধ্যে পড়ে।
- ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, এর অন্তর্গত বর্গ হলো Clupeiformes.
- Clupeiformes বর্গের মাছ সাধারণত লম্বা, দেহ চ্যাপ্টা এবং ছোট দাঁতের অধিকারী হয়।
- এই বর্গের অন্যান্য মাছের মধ্যে রয়েছে শ্যাড, মেইলা এবং কিলি জাতীয় মাছ।

সঠিক উত্তর: খ) Chupiformes.

সূত্র - sciencedirect journal.

৯৯.
নিচের কোনটি 'output device' নয়?
  1. monitor
  2. microphone
  3. printer
  4. speaker
ব্যাখ্যা

• microphone - 'output device' নয়। 

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০০.
They gave me a form and told me to............
  1. fill in it
  2. fill it in
  3. fill on it
  4. none of these
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: fill it in.
• Complete sentence: They gave me a form and told me to fill it in.
অর্থ: তারা আমাকে একটি ফর্ম দিল এবং বলল এটি পূরণ করতে।

• ইংরেজিতে fill in একটি phrasal verb যার অর্থ হলো কোনো ফর্ম, ফাঁকা জায়গা বা খালি স্থান পূরণ করা।

এখন এই phrasal verb-এর ক্ষেত্রে খুব গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম হলো:

• যখন object টা noun হয় (যেমন: the form, a form), তখন আমরা বলতে পারি দুইভাবে:
- fill in the form.
- fill the form in. (দুটোই ঠিক।)

কিন্তু যখন object টা pronoun হয় (যেমন: it, him, them), তখন শুধু particle (in) টাকে object-এর পরে বসাতে হয়। অর্থাৎ:fill it in → ঠিক।
fill in it → ভুল।

অপশনগুলো:
ক) fill in it → ভুল (pronoun-এর ক্ষেত্রে in আগে বসে না।)

গ) fill on it → ভুল ("on" এখানে একদমই ব্যবহার হয় না।)