পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১১ বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১,৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ, স্বাধীনতা ঘোষণা এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-মুজিবনগর সরকারের গঠন ও কার্যাবলী, মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল, মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তিবর্গের ভূমিকা, পাকিস্তানী বাহিনীর আত্মসমর্পন এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয় [Live Class – 15 & 16]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন কে?
  1. তোফায়েল আহমদ
  2. আ স ম আবদুর রব
  3. শাহজাহান সিরাজ
  4. আবদুল কুদ্দুস মাখন
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন।
- ২রা মার্চ ঢাকা শহর এবং ৩রা মার্চ থেকে সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
- ২৫ মার্চ স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে অসহযোগ আন্দোলন সমাপ্ত হয়।
- ২রা মার্চ ছাত্র নেতাদের পক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় প্রথম মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন ডাকসু সহ-সভাপতি আ. স. ম. আব্দুর রব।
-  এজন্য ২রা মার্চ জাতীয় পতাকা দিবস।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রথম আলো।
.
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কয় দফা দাবি পেশ করেন?
  1. ৪ দফা
  2. ৬ দফা
  3. ৭ দফা
  4. ৮ দফা
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। ভাষণটি ইতিহাসে ‘বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ’ নামে অভিহিত হয়েছে। 

তাঁর বক্তব্যে মূল বিষয় ছিল ৪টি।
যথা-
ক) চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার,
খ) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া,
গ) গণহত্যার তদন্ত করা এবং
ঘ) নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশে প্রথম অস্থায়ী সরকার কখন গঠিত হয়?
  1. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১৬ মে, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
২৬ মার্চ, ১৯৭১ সালে চট্রগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র কে প্রথম পাঠ করেন?
  1. শেখ মুজিবর রহমান
  2. এম এ হান্নান
  3. জিয়াউর রহমান
  4. আখতা্র মুকুল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা:
- বঙ্গবন্ধু বন্দি হওয়ার পূর্বেই চট্টগ্রামস্থ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব এম. এ. হান্নানের নিকট স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী প্রেরণ করেন। বাণীটি স্বাধীনতার দলিলপত্র তৃতীয় খন্ডে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- এম.এ. হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচার করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রিণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ২ নং সেক্টরে
  2. ৬ নং সেক্টরে
  3. ৮ নং সেক্টরে
  4. ১১ নং সেক্টরে
ব্যাখ্যা
• তারামন বিবি:
- বাংলাদেশের দুইজন বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি।
- তারামন বিবির আসল নাম ছিল তারাবানু।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন।
- তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন যার সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু তাহের (বীর উত্তম)।
- মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
- মৃত্যুবরণ করেন - ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার।
.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় সদস্য কতজন ছিলেন?
  1. ৪ জন
  2. ৬ জন
  3. ৮ জন
  4. ১২ জন
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি ছিলেন - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থমন্ত্রী ছিলেন - এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন - এএইচএম কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী -  খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
.
১৯৭১ সালে ঢাকা শহরে 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন -
  1. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  2. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  3. জেনারেল টিক্কা খান
  4. মো. আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে।
- এই অপারেশনে ঢাকা শহর জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালানো হয়।
- ১৮ মার্চ, ১৯৭১ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
.
বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় কোন বিদেশি মিশনে?
  1. কলকাতা
  2. টোকিও
  3. ওয়াশিংটন
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
- বিদেশি কোন দুতাবাস হিসেবে ভারতের কলকাতা মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়। 
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল, রবিবার কলকাতার পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশন অফিসের সব বাঙালি কর্মকর্তা–কর্মচারী একযোগে আনুগত্য প্রকাশ করল বাংলাদেশ সরকারের প্রতি।
- কার্যালয়ের নাম পাল্টে হয়ে গেল ‘গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক মিশন।
- মিশনের ছাদে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলীর নেতৃত্বে ওড়ানো হলো স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা।
- প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে শুরু করল।

সূত্র: প্রথম আলো।
.
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন -
  1. জেনারেল জ্যাকব
  2. জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী
  3. লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
  4. জেনারেল স্যাম মানেকশ
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ: 
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনী গঠিত হয় কখন?
  1. ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
  2. ২২ নভেম্বর, ১৯৭১
  3. ২৩ নভেম্বর, ১৯৭১
  4. ২৪ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ: 
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করে।
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে।
- যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন কে?
  1. ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ
  2. ড. মোশাররফ হোসেন
  3. ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
  4. ড. এস. আর. বোস
ব্যাখ্যা
• পরিকল্পনা কমিশন গঠন:
- দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না, তাই স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী এবং
সদস্য ছিলেন - 
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ,
(২) ড. মোশাররফ হোসেন,
(৩) ড. এস. আর. বোস এবং
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  2. খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।

এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী - এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী।
১৩.
বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৪ জন
  3. ৬৭৬ জন
  4. ৬৭৮ জন
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা- বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।

- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।