পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

পরীক্ষাব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়06 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
Exam - 45 Daily Quiz General Knowledge: Topic: Global History (বৈশ্বিক ইতিহাস,মানব সমাজের বিবর্তন,বিশ্ব সভ্যতা); International Issues (রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ইত্যাদি);
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ]

ব্যাংক ডেইলি কুইজ [লং কোর্সের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
Who is considered as the first emperor of the Roman Empire?
  1. King Romulus
  2. Romulus Augustus
  3. Jupiter
  4. Augustus Caesar
ব্যাখ্যা
অগাস্টাস সিজার:
- অগাস্টাস সিজার (Augustus Caesar) প্রাচীন রোমের প্রথম সম্রাট ছিলেন।
- তিনি ৬৩ খ্রিষ্টপূর্বে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৪ খ্রিষ্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
- অগাস্টাস সিজার রোমের সিজারের (Julius Caesar) ভাগ্নে এবং উত্তরাধিকারী ছিলেন।
- তিনি সিজারের মৃত্যুর পর গৃহযুদ্ধের মাধ্যমে রোমের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং শেষ পর্যন্ত রোমের প্রথম সম্রাট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।

উল্লেখ্য,
- কিন্তু সম্রাট অক্টাভিয়ান অগাস্টাস রোমের ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা বিখ্যাত শাসক ছিলেন।
- তাঁর শাসনামলে রোমীয় সভ্যতায় স্বর্ণযুগের সূচনা হয়।
- তিনি একজন বিচক্ষণ রাজনীতিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন শাসক ছিলেন।
- তাঁর সময়ে রোমীয় ইতিহাস, সাহিত্য-সংস্কৃতি, শিল্পকলা, বিজ্ঞানচর্চা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে।
- এই জন্য ইতিহাসে তাঁর সময়কালকে 'অগাস্টান যুগ' (Augustan Age) বলা হয়।

উৎস: Britannica. [link]
.
Which waterway is the source of conflict between Iran and Iraq?
  1. Persian Gulf
  2. Gulf of Oman
  3. Shatt Al-Arab
  4. Strait of Hormuz
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- শাত-ইল-আরব পারস্য উপসাগরে অবস্থিত।
- এটি ইরাক এবং ইরানের মধ্যে অবস্থিত।
- শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকারকে কেন্দ্র করেই মূলত ইরাক-ইরান বিরোধ শুরু হয়।
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ হয়েছিল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।

উৎস: Britannica.
.
Which city is considered the birthplace of the Renaissance?
  1. Constantinople
  2. Athens
  3. Patras
  4. Florence
ব্যাখ্যা
'রেনেসাঁ' (Renaissance):
- ইংরেজি Renaissance শব্দের অর্থ নবজাগরণ বা পুনর্জন্ম। 
- এটি ছিল প্রাচীন ইউরোপেরএকটি সাংস্কৃতিক, শিল্প, সাহিত্য এবং বৈজ্ঞানিক আন্দোলন। 
- ধর্মভাবনা নিয়ন্ত্রিত ও সামন্ততান্ত্রিক মধ্যযুগীয় দীর্ঘ বদ্ধ দশা থেকে মুক্ত হয়ে নতুনভাবে জীবনের সবকিছুকে জানার জন্য মানব মনের যে আগ্রহ তারই পরিণতি স্বরূপ যে নবজীবনবাদের সূচনা, তাকেই সাধারণভাবে রেনেসাঁ বা নবজাগরণ নামে আখ্যায়িত করা হয়।

⇒ চতুর্দশ শতাব্দীতে ইউরোপীয় রেনেসাঁ শুরু হয়।
- ইতালির ফ্লোরেন্স শহরে রেনেসাঁস এর গোড়াপত্তন ঘটে।
- ফ্লোরেন্স ছিল ইতালির একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর এবং ১৪শ ও ১৫শ শতাব্দীতে এটি শিল্প, সাহিত্য, বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
- এটি ছিল রেনেসাঁ আন্দোলনের সূচনার প্রধান স্থান।
- পরবর্তী সময়ে জার্মানিতে রিফরমেশন, ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব, ইংল্যান্ডে শিল্পবিপ্লব এবং সোভিয়েত ইউনিয়নে রুশ বিপ্লব ও চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব ঘটে।
- তবে ইতালিতেকেই রেনেসাঁসের প্রথম পর্ব হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Hundred years War was fought between -
  1. China and Japan
  2. America and England
  3. America and Soviet Union
  4. England and France
ব্যাখ্যা
শতবর্ষ যুদ্ধ (Hundred years War):
- ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে শতবর্ষব্যাপী যুদ্ধ হয়েছিল।
- এই যুদ্ধের স্থায়িত্বকাল ছিল ১৩৩৭ সাল থেকে ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত।
- 'জোয়ান অব আর্ক' ছিল ফ্রান্সের সেনাপতি।
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় এডওয়ার্ড এই যুদ্ধ শুরু করেন ফ্রান্সের সিংহাসনের দাবিতে।

⇒ এই যুদ্ধে বিজয়ী হয় ফ্রান্স।

উৎস: Britannica.
.
When was the Camp David Accords signed between Egypt and Israel?
  1. in 1978
  2. in 1979
  3. in 1976
  4. in 1977
ব্যাখ্যা
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords):
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords) ১৯৭৮ সালে মিশর এবং ইসরায়েলের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তি।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের মধ্যস্থতায় হয়েছিল।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরায়েলের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।

⇒ মিশর প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয় এবং ইসরায়েল মিশরের সিনাই উপদ্বীপ ফেরত দেয় যা ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের যুদ্ধে ইসরায়েল দখল করেছিল।
- চুক্তিটির জন্য মিশরকে আরব লীগ ও ওআইসি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।
- চুক্তিটির জন্য তৎকালীন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ১৯৭৮ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান।

উৎস: Britannica.
.
The Great Depression was caused by what major event?
  1. President Hoover announcing a war
  2. Automobile workers going on strike
  3. The stock market crash
  4. Pandemic flu occur
ব্যাখ্যা
Great Depression:
- গ্রেট ডিপ্রেশন বা বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা।
- শুরু হয়েছিল ১৯২৯ সালে এবং প্রায় ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়েছিল।
- ১৯২৯ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে নেমেছিল ভয়াবহ ধ্বস যার কারণে মন্দা দেখা দিয়েছিল। 
- আমেরিকা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী অঞ্চল ও ইউরোপেও ছড়িয়ে পড়েছিল এর প্রভাব।
- এই মন্দায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হয়ে যায় এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা মেক্সিকান শরণার্থীদের একাংশ নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য হন।
- প্রায় এক দশক ধরে চলা অর্থনৈতিক মহামন্দায় সোভিয়েত ইউনিয়ন ছাড়া সারা বিশ্ব সম্মুখীন হয়েছিল অর্থনৈতিক ক্ষতির।

উৎস: Britannica.
.
The earliest form of writing in Sumerians was known as -
  1. Cuneiform
  2. Stylus
  3. Hieratic script
  4. Hieroglyphics
ব্যাখ্যা
কিউনিফর্ম:
- কিউনিফর্ম সুমেরীয়দের তৈরি প্রাচীন লিপি। 
- এই লিপির আকৃতি কীলক বা ছোট্ট তীরের মতো হওয়ার কারণে এদের কিউনিফর্ম বা কীলক লিপি বলা হয়।
- এটি আনুমানিক ৩২০০ খ্রিস্ট-পূর্বে ব্যবহৃত লিপি।
- এটি প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতায় ব্যবহার করা হতো।
- হামুরাবীর আইনবিধি এই লিখন পদ্ধতিতে লিপিবদ্ধ করা হয়।

⇒ কিউনিফর্ম বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন ও চিত্রের সমন্বয়ে লেখার পদ্ধতি।
- এটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত কোনো বর্ণমালা নয় এবং এতে নির্দিষ্ট বা ধরাবাঁধা কোনো অক্ষরও নেই।
- সুমেরীয়দের পর আক্কাদিয়ানরা যখন এই সভ্যতার উত্তরাধিকার লাভ করে তারাও তাদের ভাষা লেখার জন্য এই লিখন পদ্ধতি গ্রহণ করে। 

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ষষ্ঠ শ্রেণি।
.
Japanese military launched a surprise attack on the US Naval base at Pearl Harbor on -
  1. December 7, 1940
  2. December 7, 1941
  3. December 8, 1940
  4. December 8, 1941
ব্যাখ্যা
পার্ল হারবার আক্রমণ:
- ১৯৪১ সালের ৭ ডিসেম্বর পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটিতে আক্রমণ করে বসে জাপানের সামরিক বাহিনী।
- জাপানের এই আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সব হিসাব নিকাশ পাল্টে যায়।
- জাপানের এই অতর্কিত ও ধ্বংসাত্মক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বযুদ্ধে উদাসীন থাকা যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে অংশ নেয় সক্রিয়ভাবে।

উল্লেখ্য,
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ পার্ল হারবার ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় নৌঘাঁটি।
- ঘাঁটিটি বানানো হয় ১৯০৮ সালে।
- এরপর ১৯৪০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান নৌঘাঁটি ক্যালিফোর্নিয়া থেকে হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের পার্ল হারবারে স্থানান্তর করা হয়।
- কৌশলগত দিক দিয়ে এই ঘাঁটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক এলাকা।
- যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় দুই হাজার মাইল এবং জাপান থেকে প্রায় চার হাজার মাইলে দূরে অবস্থিত ছিল এই নৌঘাঁটি।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে জাপান ছিল আগ্রাসি একটা দেশ।
- চীনের সঙ্গে পরপর দুটি যুদ্ধজয়ের পর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধজয়ে জাপান আরও বেশি আগ্রাসি হয়ে ওঠে।
- এরপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জয়লাভ করায় জাপান আরও সাম্রাজ্যবাদী হয়ে ওঠে।
- ১৯৩১ সালে চীনের মাঞ্চুরিয়া আক্রমণের মধ্য দিয়ে জাপান তাদের আধিপত্য বিস্তার শুরু করে।

উৎস: Britannica.
.
The Great Wall of China, was built primarily during the reign of which dynasty?
  1. Qin Dynasty
  2. Ming Dynasty
  3. Tang Dynasty
  4. Han Dynasty
ব্যাখ্যা
চীনের মহাপ্রাচীর (The Great Wall of China):
- চীনের মহাপ্রাচীর পৃথিবীর প্রাচীন সপ্তাশ্চর্যগুলোর মধ্যে একটি।
- এটি চীনের উত্তর সীমান্তের সাথে দীর্ঘ একটি প্রাচীর যা প্রাচীন চীনকে বিদেশি আক্রমণ থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছিল।
- এটি পাথর ও ইট দিয়ে তৈরি দীর্ঘ নিরাপত্তাবেষ্টনী।
- চীনের মহাপ্রাচীরের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল কিউং (Qin) রাজবংশের সময়ে, চীনের প্রথম সম্রাট কিন শি হুয়াং নির্মাণ করেছিলেন।
- এর নির্মাণ প্রকল্পটি পরবর্তী বিভিন্ন রাজবংশ, বিশেষত হান (Han), তাং (Tang) এবং মিং (Ming) রাজবংশে আরও সম্প্রসারিত হয়েছিল।
- এটি ১৯৮৭ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃত হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- এই প্রাচীরের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮৮৫০ কিলোমিটার।
- প্রশস্ত প্রাচীরের ওপর চলাচলের জন্য রাস্তা করা আছে।
- বর্তমান প্রাচীরটি মিং রাজবংশের শাসনামলে নির্মিত হয়।
- চীনের মহাপ্রাচীর মানুষের হাতে তৈরি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় স্থাপত্য।

উৎস: i) Britannica.
ii) National Geographic.
১০.
Mohenjodaro is a part of which civilization?
  1. Indus
  2. Egypt
  3. Mesopotamia
  4. Roman
ব্যাখ্যা
মহেঞ্জোদারো:
- মহেঞ্জোদারো সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন।
 
উল্লেখ্য, 
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মহেঞ্জোদারোতে এবং পাঞ্জাবের হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত।
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
Which among the following is not a civilization in ancient America?
  1. Incan
  2. Aztec
  3. Harappa
  4. none of above
ব্যাখ্যা
ইনকা সভ্যতা:
- ইনকা সভ্যতা দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা। পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিলো ইনকা সভ্যতা। ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় মাচু পিচুতে। ইনকা সভ্যতার স্থপতি মানকো কাপেন।

অ্যাজটেক সভ্যতা:
- অ্যাজটেক সভ্যতা (Aztec civilization) ছিল মেসোআমেরিকার একটি প্রাচীন এবং শক্তিশালী সভ্যতা, যা ১৫০০ শতাব্দীর আগে আধিকারিকভাবে মধ্য মেক্সিকো অঞ্চলে বিস্তৃত ছিল। অ্যাজটেকদের অর্থনীতি কৃষির ওপর নির্ভরশীল ছিল। খ্রিস্টীয় ১২ শতকে এ সভ্যতার উৎপত্তি হয়েছিল। আজটেকের রাজধানী ছিল টেনোচিটিলান। টিনোচ ছিলেন আজটেকদের প্রথম রাজা।

অন্যদিকে,
হরপ্পা সভ্যতা:
- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা। সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে। পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের মহেঞ্জোদারোতে এবং পাঞ্জাবের হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়। মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত। সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।

উৎস: Britannica.
১২.
Which country dropped the first atomic bomb?
  1. USA
  2. Russia
  3. Japan
  4. China
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমা:
- পারমাণবিক বোমা তৈরি করতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। এই প্রকল্পের নাম ছিল 'ম্যানহাটান প্রজেক্ট'। সেই বোমা তৈরির প্রধান বিজ্ঞানী ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার।

⇒ জাপানে পৃথিবীর প্রথম পারমাণবিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।
- যুক্তরাষ্ট্র সেই পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণ করায়।
- জাপানের দুটি শহরে এই বোমা ফেলার পর বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসলীলা ঘটেছিল।
- ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ জাপানের হিরোশিমা শহরে যুক্তরাষ্ট্র প্রথম লিটলবয় নামের পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ ফ্যাটম্যান নামের বোমা নিক্ষেপ করা হয় নাগাসাকি শহরে।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: BBC.
১৩.
Glasnost policy is related to -
  1. Germany
  2. Soviet Union
  3. USA
  4. China
ব্যাখ্যা
গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্তবস্থা বা খোলা হাওয়া।
- ১৯৮৫ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ মানবধিকার ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকারকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য যে নীতি গ্রহণ করেছিলেন তাই হচ্ছে গ্লাসনস্ত।

⇒ মিখাইল গর্বাচেভ:
- মিখাইল গর্বাচেভ ছিলেন একজন সোভিয়েত রাজনীতিবিদ এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- স্নায়ুযুদ্ধের অবসান এবং যুক্তরাষ্ট্র-সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার দীর্ঘ শীতল সম্পর্ক উষ্ণ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ।

উৎস: Britannica.
১৪.
What is the Egyptian script known as?
  1. The Odyssey
  2. Papyrus
  3. Calligraphies
  4. Hieroglyphics
ব্যাখ্যা
হায়ারোগ্লিফিক্স:
- সভ্যতায় মিশরীয়দের অন্যতম অবদান হলো বর্ণমালার আবিষ্কার।
- প্রথমদিকে মিশরীয়রা চিত্রলিপির মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করতো যাকে বলা হতো হায়ারোগ্লিফিক্স বা পবিত্র অক্ষর।
- আনুমানিক ৫০০০ বছর পূর্বে মিশরীয়রা ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- বর্ণমালা ব্যতীত মিশরীয়রা নলখাগড়া থেকে প্যাপিরাস নামক কাগজ উদ্ভাবন করে যা থেকে পেপার শব্দের উৎপত্তি হয়।

উল্লেখ্য,
মিশরীয় সভ্যতা:
- মিশরীয় সভ্যতা ছিল কৃষিনির্ভর।
- সে কারণে নীল নদের প্লাবন, নাব্যতা, পানি প্রবাহের মাপ জোয়ারভাটা ইত্যাদি ছাড়াও জমির মাপ তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল।
- এসবের সঙ্গে জ্যোতিষশাস্ত্র ও অংক শাস্ত্রের ছিল গভীর যোগাযোগ।
- ফলে এ দুটি বিদ্যা তারা আয়ত্ত করেছিল প্রয়োজনের তাগিদে।
- তারা অংক শাস্ত্রের দুটি শাখা- জ্যামিতি এবং পাটিগণিতের প্রচলন করে।
- খ্রিস্টপূর্ব ৪২০০ অব্দে তারা পৃথিবীতে প্রথম সৌর পঞ্জিকা আবিষ্কার করে।
- ৩৬৫ দিনে বছর এ হিসাবের আবিষ্কারকও তারা।
- প্রাচীন মিশরের অধিবাসীরা সময় নির্ধারণের জন্য সূর্য ঘড়ি, ছায়াঘড়ি, জলঘড়ি আবিষ্কার করে।
- ধর্মের কারণে মিশরীয়রা বিজ্ঞানচর্চায় আগ্রহী ছিল ।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।