পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৩৬
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [টপিক: বিগত তিনটি পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা] ------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৬ প্রশ্ন

.
They are leaders to look up to. The underlined part is a/an -
  1. Adjective phrase
  2. Prepositional phrase
  3. Adverb phrase
  4. Both খ + গ
সঠিক উত্তর:
Adjective phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective phrase
ব্যাখ্যা
• They are leaders to look up to.
- The underlined part is a/an - Adjective phrase.
- এখানে underlined phrase টি ‘leaders’- Noun কে Modify করার কারণে এটি Adjective phrase.

• এখানে - to হচ্ছে infinitive marker, Preposition নয়। তাই, Underlined Phrase কে prepositional phrase বলা যাবে না।
- In English grammar, the "infinitive marker" is the word "to" that is used before a verb to form the infinitive form of that verb.

• Adjective phrase:
- সংক্ষেপে, Noun এর পর যদি কোন clause/Phrase বসে Noun টিকে modify করে তাহলে সেটি Adjective clause/Phrase হবে।
- এখানে underlined phrased টি ‘leaders’ - Noun কে Modify করার কারণে এটি Adjective phrase.

More Examples:
- He is a role model to look up to.
- She is a mentor to look up to.

- In the above sentences "to look up to" is - Adjective phrase.
.
The teacher stood in front of the chalkboard to explain the lesson.
Here the underlined part is -
  1. Adjective phrase
  2. Prepositional clause
  3. Prepositional Phrase
  4. Phrase preposition
সঠিক উত্তর:
Phrase preposition
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Phrase preposition
ব্যাখ্যা
• The teacher stood in front of the chalkboard to explain the lesson.
- Here the underlined part is - Phrase preposition.

• Phrase preposition: 
- কয়েকটি word গুচ্ছগতভাবে Preposition এর কাজ করে।
- Phrase preposition এর শুরুতে এবং শেষে preposition থাকে।
- যেমন - in front of, because of, according to ইত্যাদি।

- সে অনুসারে, in front of হচ্ছে Phrase preposition.

• অন্যদিকে, 
• Prepositional Phrase:
- যে Phrase – Preposition দিয়ে শুরু হয়, কিন্তু Adjective বা Adverb এর কাজ করে, তাকে Prepositional Phrase বলে।
- They came in a body.
- এখানে 'in a body' preposition দিয়ে শুরু হয়ে এটি adverb এর কাজ করছে।
------------------------
• Clause ও phrase এর পার্থক্য:
- Clause এর মধ্যে অবশ্যই একটি Finite Verb বা সমাপিকা ক্রিয়া থাকবে; কিন্তু Verb Phrase ব্যতিত অন্যান্য Phrase এর মধ্যে কোন Finite Verb বা সমাপিকা ক্রিয়া থাকবে না।
- অন্য কথায় Clause এর মধ্যে Verb - Tense এর Structure অনুযায়ী থাকবে, কিন্তু Phrase এর মধ্যে Verb নাও থাকতে পারে, আর যদি থাকে তাহলে Tense এর Structure অনুযায়ী থাকবে না।

More Examples:
- The dog sat in front of the fireplace to stay warm.
- এখানে, "in front of" হচ্ছে - Phrase preposition.

- He stood in front of the audience to deliver his speech.
- এখানে, "in front of" হচ্ছে - Phrase preposition.
.
Which one of these is a common salutation used at the beginning of a letter?
  1. Dear Sir/Madam
  2. Best wishes
  3. With love
  4. Have a good day
সঠিক উত্তর:
Dear Sir/Madam
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Dear Sir/Madam
ব্যাখ্যা
• The required answer is - Dear Sir/Madam.

•  যে সাদর সম্ভাষণ দ্বারা পত্র শুরু করা হয়, তাকে salutation বা Greeting বলে।

• Salutation এর গঠন:
- সাধারণত, সেলুটেশন গঠন দুটি অংশে বিভক্ত: ১. সম্বোধন শব্দ (যেমন, Dear, Hello, To Whom It May Concern, etc.)
- ২. প্রাপক বা ব্যক্তি নাম (যেমন, Sir, Madam, Mr. Rahman, etc.)

• কিছু সাধারণ Salutation:

1. Formal (আনুষ্ঠানিক):
- "Dear Sir/Madam,"
- "Respectfully yours,"
- "Sincerely,"
- "Yours faithfully,"

2. Informal (অফিশিয়াল নয়):
- "Hi [Name]!"
- "Hello [Name]!"
- "Hey [Name]!"

• একটি Formal Letter/ Official Letter/ Application এর 6টি অংশ থাকে -
1. Heading: Date, Designation (পদবী) & Address of the Recipient.
2. Salutation (সম্বোধন) : যেমন- Dear Sir/Madam.
3. Body (মূল বক্তব্য).
4. The Subscription: যেমন- Yours faithfully/ I remain, Sir.
5. Signature of the Writer.
6. Superscription: Detailed Designation & Address on the Envelope.
- অর্থাৎ, ‘salutation’ এর পরে Body বা মূল বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়।

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition.
.
What does the idiom "Deadbeat" mean?
  1. A person who is always on time
  2. A person who is wealthy and successful
  3. A person who is extremely tired or exhausted
  4. A person who is energetic and always busy
সঠিক উত্তর:
A person who is extremely tired or exhausted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A person who is extremely tired or exhausted
ব্যাখ্যা
• The required answer is - A person who is extremely tired or exhausted.

• Deadbeat
English Meaning: completely exhausted / a person who is not willing to work, does not behave in a responsible way.
Bangla Meaning: খুব ক্লান্ত / যে কাজ করতে ইচ্ছুক নয়, দায়িত্বশীল আচরণ করে না।

Ex. Sentence: He's a real deadbeat and he never had a proper job.
Bangla Meaning: তার কাজের প্রতি কোনো দায়িত্বই নেই এবং কখনো ভালো কোনো কাজও তার ছিলো না৷

Source: Live MCQ Lecture.
.
If someone "steals your thunder," what are they doing?
  1. Offering to help you with your project
  2. Giving you a surprise gift
  3. Praising you for your work
  4. Taking attention away from your accomplishments
সঠিক উত্তর:
Taking attention away from your accomplishments
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Taking attention away from your accomplishments
ব্যাখ্যা
• The required answer is - Taking attention away from your accomplishments.

• Steal someone's thunder
English Meaning: win praise for oneself by pre-empting someone else's attempt to impress.
Bangla Meaning: একজনের গুরুত্ব অন্যজন পাওয়া / মনোযোগ কেড়ে নেওয়া।

Ex. Sentence: Rachel stole Monica’s thunder by announcing her pregnancy on the day she got married.
Bangla Meaning: মনিকার বিয়ের দিনে র‍্যাচেল তার গর্ভধারণের ঘোষণা দিয়ে সকল মনোযোগ কেড়ে নিয়েছিল।

Source: Live MCQ Lecture.
.
She always works late into the evening. Here the underlined part is an -
  1. Adjective phrase
  2. Adverbial phrase
  3. Infinitive phrase
  4. Noun phrase
সঠিক উত্তর:
Adverbial phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverbial phrase
ব্যাখ্যা
• She always works late into the evening.
- Here the underlined part is an - Adverbial phrase.
- এই বাক্যে "into the evening" শব্দটি সময়কে নির্দেশ করছে।
- এটি adverb-এর কাজ করছে। তাই, এটি adverbial phrase.

• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে ৷
- সাধারণত বাক্যকে কখন (when), কোথায় (where), কেন (why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটি Adverbial phrase.

• She always works late into the evening.
- এই বাক্যে কখন (when) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যাবে।
- এর উত্তর পাওয়া যায় "into the evening".
- তাই এটি Adverbial Phrase.

More Examples:
- He takes a nap in the middle of the afternoon.
- এখানে, "in the middle of the afternoon" হচ্ছে - Adverbial Phrase.

- They like to travel by train during the summer.
- - এখানে, "during the summer" হচ্ছে - Adverbial Phrase.
.
In a formal letter, where is the date typically located?
  1. In the heading
  2. In the subject line
  3. In the conclusion
  4. In the recipient's address
সঠিক উত্তর:
In the heading
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In the heading
ব্যাখ্যা
• একটি Formal Letter- এ তারিখ সাধারণত চিঠির হেডিং-এ থাকে, যা চিঠির শুরুতে লেখার জায়গায় থাকে।
- এখানে আপনি তারিখ, মাস এবং বছর উল্লেখ করেন, এবং এটি চিঠির উপরের অংশে প্রাথমিকভাবে লেখা হয়।
- অন্যদিকে, বিষয়বস্তু, প্রাপকের ঠিকানা বা চিঠির শেষে সাধারণত তারিখের স্থান থাকে না।

• একটি Formal Letter/ Official Letter/ Application এ 6টি অংশ থাকে -

1. Heading: Date, Designation (পদবী) & Address of the Recipient;
2. Salutation (সম্বোধন): যেমন- Dear Sir/Madam;
3. Body (মূল বক্তব্য): চিঠির মূল বিষয়বস্তু এখানে লেখা হয়।
4. The Subscription (বিনীত সমাপ্তি): যেমন- Yours faithfully/ I remain, Sir;
5. Signature of the Writer (স্বাক্ষর): লেখকের নাম ও স্বাক্ষর এখানে উল্লেখ থাকে;
6. Superscription (খামের উপর বিবরণ): Detailed Designation & Address on the Envelope.

Source: A passage to English Language by SM Zakir Hossain.
.
In which writing format do cohesion and coherence play a key role in ensuring the flow of ideas?
  1. In a title
  2. In a poem
  3. In a headline
  4. In a paragraph
সঠিক উত্তর:
In a paragraph
উত্তর
সঠিক উত্তর:
In a paragraph
ব্যাখ্যা
• কোহেশন (Cohesion) এবং কোহেরেন্স (Coherence) প্রধানত প্যারাগ্রাফ লেখায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, কারণ এগুলি লেখার মধ্যে ভাবনার প্রবাহ এবং সম্পর্ক স্থাপন করতে সাহায্য করে।

- Cohesion মানে হল বিভিন্ন বাক্যের মধ্যে ভাষাগত সংযোগ বা সম্পর্ক তৈরি করা, যেমন সংযোগী শব্দ (conjunctions), সম্পর্কিত একক শব্দ, বা পূর্ববর্তী তথ্যের পুনরাবৃত্তি।

- Coherence হল লেখার মধ্যে আইডিয়ার স্পষ্টতা এবং একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হওয়া। এটি নিশ্চিত করে যে পাঠক সহজেই বুঝতে পারে লেখার মূল উদ্দেশ্য এবং তার মধ্যে থাকা ভিন্ন ভিন্ন আইডিয়া কিভাবে একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত।

- Paragraph লেখার সময় এই দুটি উপাদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ধারণাগুলি সঠিকভাবে উপস্থাপন না করলে, লেখার মধ্যে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে পারে, যা পাঠকের বুঝতে অসুবিধা সৃষ্টি করবে।
.
Which situation best represents an "Acid test"?
  1. Taking a regular safety check in a factory
  2. Running a marathon to prove physical endurance
  3. Testing whether a product will be successful in the market
  4. Deciding whether to move to a new city
সঠিক উত্তর:
Testing whether a product will be successful in the market
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Testing whether a product will be successful in the market
ব্যাখ্যা
• The required answer is - Testing whether a product will be successful in the market.

- "Acid Test" বলতে - একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা বোঝায়, যা কোনো কিছুর আসল মূল্য বা কার্যকারিতা নির্ধারণ করে।
এই শব্দটি মূলত স্বর্ণের বিশুদ্ধতা পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ রসায়নিক পরীক্ষার ধারণা থেকে এসেছে, যেখানে অ্যাসিড দিয়ে স্বর্ণের সত্যতা যাচাই করা হতো।

- আধুনিক ব্যবহারে, এটি এমন একটি কঠিন ও চূড়ান্ত পরীক্ষা বোঝায় যা কোনো কিছু আসলেই কার্যকর কিনা তা নির্ধারণ করে।

- প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে, Testing whether a product will be successful in the market (পণ্য বাজারে সফল হবে কিনা তা পরীক্ষা করা) সবচেয়ে ভালোভাবে "Acid Test"-এর ধারণাকে উপস্থাপন করে, কারণ এটি একটি নির্ণায়ক পরীক্ষা যা পণ্যের ভবিষ্যত সাফল্য নির্ধারণ করে।

• Acid test
English Meaning: a severe or crucial test / the true test of the value of something.
Bangla Meaning: অগ্নিপরীক্ষা / মূল পরীক্ষা।

Ex. Sentence: Last group stage match was an acid test for Bangladesh.
Bangla Meaning: গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ বাংলাদেশের জন্য অগ্নিপরীক্ষা।

Source: Live MCQ Lecture.
১০.
নিচের কোন দুটি দেশে 'ভূমধ্যসাগরের জলসীমা' নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে?
  1. গ্রিস ও জর্ডান
  2. তুরস্ক ও লেবানন
  3. গ্রিস ও তুরস্ক
  4. ইরান ও আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
গ্রিস ও তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিস ও তুরস্ক
ব্যাখ্যা
বিরোধপূর্ণ অঞ্চল:
- ভূমধ্যসাগরে জলসীমা নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে গ্রিস ও তুরস্কের মধ্যে।
- তুরস্কের সঙ্গে গ্রিসের ২০০ কিলোমিটারের সীমান্ত আছে।
- ভূমধ্যসাগরে প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন নিয়েও দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিরোধ চলে।
- তুরস্ক ও গ্রিস দুটি দেশই ন্যাটোর সদস্য। কিন্তু পূর্ব ভূমধ্যসাগর এলাকা থেকে জ্বালানি আহরণের প্রতিযোগিতায় তারা হয়ে উঠেছে পরস্পরের প্রতিপক্ষ।

অন্যদিকে,
- ইরানের পূর্বনাম ছিল পারস্য।
- ইরান ও আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে আবু মুসা দ্বীপ নিয়ে।

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
১১.
নিচের কোনটি ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ?
  1. আলজেরিয়া
  2. আজারবাইজান
  3. আলবেনিয়া
  4. আর্মেনিয়া
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলবেনিয়া
ব্যাখ্যা
• NATO:
- পূর্ণরূপ -The North Atlantic Treaty Organization.
- এটি একটি সামরিক ও রাজনৈতিক জোট।
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- NATO প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে।
- বর্তমান সদস্য ৩২টি। (ফেব্রুয়ারি ২০২৫)
- সর্বশেষ সদস্য দেশ - সুইডেন।
- এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাপরিচালক- মার্ক রুট।
তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।
১২.
আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থার বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
  1. ১৯৪টি
  2. ১৯৫টি
  3. ১৯৬টি
  4. ১৯৭টি
সঠিক উত্তর:
১৯৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬টি
ব্যাখ্যা
Interpol:
- Interpol-এর পূর্ণরূপ International Criminal Police Organization.
- অপরাধীদের সনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তার করতে বিশ্বের দেশগুলো পরস্পরকে সহযোগিতা লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)। 
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি।

উৎস: Interpol ওয়েবসাইট।
১৩.
'Central Intelligence Agency' আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে-
  1. ১৯৪৩ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৭ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
CIA:
- Central Intelligence Agency মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থা।
- আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে-১৯৪৭ সালে।
- CIA এর সদর দপ্তর- ভার্জিনিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।
- CIA মূলত বহির্বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় নিয়োজিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করা এই সংস্থার দায়িত্ব।

সূত্র: Britannica.com
১৪.
নিচের কোন ব্যক্তি মোসাদ (MOSSAD) প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. দাভিদ বেন পাবরিয়ন
  2. আনাসুই বেন প্রিয়ালা
  3. দাভিদ বেন গুরিয়ন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
দাভিদ বেন গুরিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাভিদ বেন গুরিয়ন
ব্যাখ্যা

মোসাদ (MOSSAD):
- বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে তৎপর গোয়েন্দা সংস্থার নাম মোসাদ (MOSSAD)।
- এটি ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা, যা দেশটির প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে সরাসরি পরিচালিত হয়ে থাকে।
- মোসাদ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর।
- প্রতিষ্ঠাতা- দাভিদ বেন গুরিয়ন।
- সদর দপ্তর- তেল আবিব, ইসরাইল।
- পরিচালক - David Barnea.
- মোসাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এমএসএস, এফএসবি, হিজবুল্লাহ এবং হামাস।

উৎস: মোসাদ ওয়েবসাইট।

১৫.
IRA কোন দেশের সশ্বস্ত্র সংগঠন?
  1. পেরু
  2. কোস্টারিকা
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়ারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
আইরিশ রিপাবলিকান আর্মি (IRA):
- 'Irish Republican Army' (IRA) যাকে 'Provisional Irish Republican Army' ও বলা হয়। 
- IRA (The Irish Republican Army) হলো আয়ারল্যান্ডের সশ্বস্ত্র সংগঠন।
- IRA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে।
- ২০০৫ সালে সংগঠনটি অস্ত্র ত্যাগ করে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমস্যা সমাধানের অঙ্গিকার ব্যক্ত করে।
- আইআরএর উদ্দেশ্য ছিল আয়ারল্যান্ডে ব্রিটিশ শাসনকে অকার্যকর করার জন্য সশস্ত্র শক্তি ব্যবহার করা এবং একটি স্বাধীন প্রজাতন্ত্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য অর্জনে সহায়তা করা।

অন্যদিকে,
- শাইনিং পাথ পেরুর সশ্বস্ত্র সংগঠন হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৬.
'MI6' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯০৭ সালে
  2. ১৯০৮ সালে
  3. ১৯০৯ সালে
  4. ১৯১০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৯ সালে
ব্যাখ্যা
MI6:
-  MI6 যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক গোয়েন্দা সংস্থা।
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস বা এমআই ৬ বিদেশী গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং যথাযথ প্রচারের জন্য ব্রিটিশ সরকারী সংস্থা।
- এটি ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সদর দপ্তর: লন্ডন, যুক্তরাজ্য। 
- সিক্রেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস-এর ছয়টি সেকশনের জন্যে এটি MI6 নামে পরিচিত।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১৭.
কোনটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে পড়ে না?
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. সুনামি
  3. তুষারপাত
  4. অগ্নিকাণ্ড
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকাণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নিকাণ্ড
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ (Disaster):
- একটি বিপর্যয় যখন কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের বেশির ভাগ মানুষকে বিপদাপন্ন করে তুলে এবং তাদের নিজস্ব মোকাবিলা ক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তখন তাকে দুর্যোগ বলে।
- দুর্যোগ একটি এলাকার স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রচণ্ডভাবে বিঘ্ন ঘটায় এবং জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।
- দুর্যোগ কোনো স্থানের জনবসতিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়, যার ফলে ঐ জনবসতি সহজে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না।

বিশ্বব্যাপী দুর্যোগের প্রকারভেদ: পৃথিবীতে সাধারণত দুই ধরনের দুর্যোগ ঘটে:
১. প্রাকৃতিক দুর্যোগ: এ ধরনের দুর্যোগ প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত হয়, যেমন:
- বন্যা
- ভূমিকম্প
- ঘূর্ণিঝড়
- সুনামি
- তুষারপাত ইত্যাদি।

২. মানবসৃষ্ট দুর্যোগ: এই ধরনের দুর্যোগ মানব কর্মকাণ্ডের কারণে সংঘটিত হয়, যেমন:
- জলাবদ্ধতা
- অগ্নিকাণ্ড
- রাসায়নিক দূষণ
- যুদ্ধ
- পারমাণবিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি।

তথ্যসুত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৮.
গ্রীষ্মকালীন বা খরিফ শস্যের জন্য উপযোগী তাপমাত্রা কত?
  1. ১৫°-২০° সেলসিয়াস
  2. ২০°-২৫° সেলসিয়াস
  3. ৩০°-৩৫° সেলসিয়াস
  4. ৩৫°-৪০° সেলসিয়াস
সঠিক উত্তর:
৩০°-৩৫° সেলসিয়াস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০°-৩৫° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
→ উদ্যান ও মাঠ ফসলের উপর তাপমাত্রার প্রভাব:
- ফলের উৎপাদন তাপমাত্রার উপর নির্ভরশীল।
- ফুল ও ফল ধারণের সময় সঠিক তাপমাত্রা না থাকলে ফলন কমে যায়।
- তাপমাত্রার উপর ভিত্তি করে শস্য দুই ভাগে বিভক্ত:
১) গ্রীষ্মকালীন বা খরিফ শস্য
২) শীতকালীন বা রবি শস্য

→ গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালীন (খরিফ) ফসল:
- উপযোগী তাপমাত্রা: ৩০°-৩৫° সেলসিয়াস
- উদাহরণ: আউশ ধান, পাট, সয়াবিন, জোয়ার ইত্যাদি গ্রীষ্মকালীন শস্য।

→ শীতকালীন (রবি) ফসল:
- উপযোগী তাপমাত্রা: ২০°-৩০° সেলসিয়াস
- উদাহরণ: আমন ধান, বোরো ধান, গম, যব, সরিষা, ছোলা, মটর, মসুর, তামাক।

→ উভয় মৌসুমের ফসল:
- তিল, চীনাবাদাম, তুলা, ভুট্টা— উভয় মৌসুমে চাষ করা যায়।
- আখ— রবি ও খরিফ উভয় মৌসুমের অন্তর্ভুক্ত।

তথ্যসুত্র: কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  [লিঙ্ক]
১৯.
ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে আবহাওয়া বিভাগ কোনটির সম্পর্কে পূর্বাভাস দেয়?
  1. বন্যার
  2. সুনামির
  3. ভূমিকম্পের
  4. জলোচ্ছ্বাসের
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলোচ্ছ্বাসের
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস:
- বঙ্গোপসাগরে প্রখর সূর্যতাপের কারণে পানি বাষ্পীভূত হয়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। এই নিম্নচাপ শক্তি সঞ্চয় করে ধীরে ধীরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়।
- গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। আবহাওয়া বিভাগ এই নিম্নচাপের গভীরতা ও শক্তি পর্যবেক্ষণ করে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দেয়।
- সমুদ্র ও নদী বন্দরের জন্য পৃথক সংকেত প্রচার করা হয়:
- সমুদ্র বন্দরের জন্য: ১ থেকে ১০ নম্বর সংকেত।
- নদী বন্দরের জন্য: ১ থেকে ৪ নম্বর সংকেত।

জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস:
- ঘূর্ণিঝড়ের সময় বাতাসের গতিবেগ, জোয়ার-ভাঁটার সময়কাল এবং এলাকার প্রাকৃতিক গঠন বিবেচনা করে জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস দেওয়া হয়।
- স্পারসো ও আবহাওয়া বিভাগ রাডার ও উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা, গতিবেগ, গতিপথ এবং জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কে সঠিক তথ্য প্রদান করে।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (CPP):
- সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম (CPP) এর আঞ্চলিক দপ্তরগুলো স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে মোবাইল ও জনসংযোগের মাধ্যমে ঝড়ের পূর্বাভাস ও সতর্কতা প্রচার করে।
- ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জনগণকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করা হয়।
- এছাড়াও, পতাকা উত্তোলন, মাইক, মেগাফোন ইত্যাদির মাধ্যমে জনগণকে সতর্ক করা হয়।
- আবহাওয়া বিভাগ, সিপিপি এবং বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার জনগণকে সতর্ক করে এবং নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করে।
- এছাড়াও, সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে জরুরি সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

তথ্যসুত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
২০.
নিচের কোনটি বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব হিসেবে ধরা হয়?
  1. জীববৈচিত্র্য ধ্বংস
  2. রোগব্যাধি বৃদ্ধি
  3. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাব:
→ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন জলবায়ুর ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলে।
- জলবায়ু পরিবর্তন ঘটে, যা মৌসুমী বৈচিত্র্য ও আবহাওয়ার চরম অবস্থা সৃষ্টি করে।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন—ঘূর্ণিঝড়, খরা, বন্যা ও অতিবৃষ্টি বৃদ্ধি পায়।
- মেরু অঞ্চলের বরফ গলতে থাকে, ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয়।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, যা উপকূলীয় অঞ্চল ও দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।
- জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হয়, কারণ বিভিন্ন প্রাণী ও উদ্ভিদ তাদের স্বাভাবিক আবাসস্থল হারায়।
- রোগব্যাধি বৃদ্ধি পায়, বিশেষ করে তাপমাত্রার পরিবর্তনের ফলে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ে।

→ বৈশ্বিক উষ্ণায়ন প্রতিরোধের উপায়:
- কার্বন উৎপাদনের হার কমানো এবং পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার নিয়ন্ত্রণ করা।
- যানবাহন ও কল-কারখানার দূষিত গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করা।
- জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার হ্রাস করে পরিবেশবান্ধব জ্বালানির ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করা, যেমন—সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ও জৈব গ্যাস।
- প্রাকৃতিক বন সংরক্ষণ এবং নতুন বন সৃজন করা, যাতে কার্বন শোষণের হার বৃদ্ধি পায়।
- পরিবেশবান্ধব শিল্পায়ন নিশ্চিত করা, যা পরিবেশের উপর নেতিবাচক প্রভাব কমাবে।
- জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রীয় ও বৈশ্বিক পদক্ষেপ গ্রহণ, যাতে সবাই জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

তথ্যসুত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় কোন সমস্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে?
  1. বৃষ্টিপাত কমে যাচ্ছে
  2. বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাচ্ছে
  3. মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে
  4. হিমবাহ গলার কারণে পাহাড় ধস হচ্ছে
সঠিক উত্তর:
মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন ও উপকূলীয় এলাকায় প্রভাব:
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার ফলে সমুদ্রের উচ্চতা বাড়ছে।
- এর ফলে উপকূলীয় এলাকাগুলোর ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়ছে।
- বিশেষ করে, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে উপকূলীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের ঘটনা বেড়ে যাচ্ছে।
- যখন সমুদ্রের পানি উপকূলের দিকে চলে আসে, তখন এটি মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি করে, যা কৃষিজমি এবং অন্যান্য ভূমির জন্য ক্ষতিকর।
- এই লবণাক্ততা কৃষির উৎপাদনশীলতা কমিয়ে দেয় এবং জমির উর্বরা শক্তি নষ্ট করে।
- এছাড়া, ঘূর্ণিঝড় এবং অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আরও বাড়ছে, যার ফলে মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায়।

অর্থাৎ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
২২.
বায়ু দূষণের মানবসৃষ্ট কারণ কোনটি?
  1. অগ্ন্যুৎপাত
  2. শিল্পকারখানার ধোঁয়া
  3. দাবানল ও ধূলিঝড়
  4. গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ
সঠিক উত্তর:
শিল্পকারখানার ধোঁয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্পকারখানার ধোঁয়া
ব্যাখ্যা
বায়ু দূষণের কারণ:
বায়ু দূষণের কারণ দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে: ১. প্রাকৃতিক কারণ এবং ২. মানবসৃষ্ট কারণ। 

১.প্রাকৃতিক কারণ:
- অগ্ন্যুৎপাত: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সালফার ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোঅক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস নির্গত হয়, যা বায়ু দূষণ ঘটায়।
- জৈব ও অজৈব পদার্থ: প্রাকৃতিক পচন প্রক্রিয়ায় নির্গত গ্যাস বায়ুকে দূষিত করে।
- দাবানল ও ধূলিঝড়: বনাঞ্চলে দাবানল বা মরু অঞ্চলে ধূলিঝড় বায়ু দূষণ সৃষ্টি করে।
- গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ: গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে নির্গত গ্যাস বায়ু দূষিত করে।

২.মানবসৃষ্ট কারণ:
- তেজস্ক্রিয় পদার্থ: যুদ্ধ বা পারমাণবিক দুর্ঘটনা থেকে তেজস্ক্রিয় পদার্থের বিকিরণ বায়ু দূষিত করে (যেমন ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকির পারমাণবিক বিস্ফোরণ)।
- জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো: জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কয়লা, তেল ইত্যাদি পোড়ানোর ফলে বায়ু দূষণ ঘটে।
- শিল্পকারখানার ধোঁয়া: শিল্প কারখানাগুলো থেকে নির্গত ধোঁয়া বায়ু দূষণ সৃষ্টি করে।
- পরিত্যক্ত বর্জ্য পদার্থের দহন: পরিত্যক্ত বর্জ্য পোড়ানোও বায়ু দূষণ করে।
- বন উজাড়: বনভূমি ধ্বংসের ফলে বায়ু দূষণ বৃদ্ধি পায়।
- ইটভাটা ও কীটনাশক: ইটভাটার ধোঁয়া ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে বায়ু দূষিত হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
বাংলাদেশের কোন সংস্থার মাধ্যমে ভূ-উপগ্রহের চিত্র ও রাডার চিত্র ব্যবহার করে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়?
  1. সিপিপি
  2. স্পারসো
  3. ডিজাস্টার ফোরাম
  4. বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পারসো
ব্যাখ্যা
উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি:
উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এগুলো হলো—
→ আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ:
- সময়মতো আবহাওয়ার তথ্য প্রচার করা।
- বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও স্পারসো (SPARSO) স্যাটেলাইট ও রাডারের মাধ্যমে ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস প্রদান করে।
→ বন্যা পূর্বাভাস:
- পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র থেকে বন্যা সংক্রান্ত তথ্য প্রচার করা।
→ সরকারি সংস্থা:
- ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (CPP) সংকেত প্রদান, সতর্কীকরণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসনের কাজ করে।
- সামরিক বাহিনী জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসা, উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণে সহায়তা করে।
→ গণমাধ্যমের ভূমিকা:
- বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন (BTV) দুর্যোগ সংক্রান্ত সংকেত প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
→ বেসরকারি সংস্থার ভূমিকা:
- অক্সফাম, ডিজাস্টার ফোরাম, কেয়ার বাংলাদেশ, কারিতাস, প্রশিকা, সিসিডিবি, বিডিপিসি এবং রেড ক্রিসেন্ট দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কাজ করে।
→ এছাড়া রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসুত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
২৪.
যে পদার্থগুলো রাসায়নিক বিক্রিয়া শেষে তৈরি হয়, সেগুলোকে কী বলা হয়? 
  1. বিক্রিয়ক
  2. উৎপাদ
  3. প্রতিক্রিয়া
  4. সমীকরণ
সঠিক উত্তর:
উৎপাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎপাদ
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক বিক্রিয়া: 
- যদি কোনো পরিবর্তনের ফলে কোনো পদার্থ তার নিজের ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য হারিয়ে নতুন ধর্ম লাভ করে সেই পরিবর্তনকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। 
- যে প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে সেই প্রক্রিয়াকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বলে। 
- রাসায়নিক বিক্রিয়াকে সংক্ষেপে উপস্থাপন করার জন্য যে সমীকরণ ব্যবহার করা হয় সেই সমীকরণকে রাসায়নিক সমীকরণ বলা হয়। 
- রাসায়নিক সমীকরণকে প্রকাশ করার জন্য প্রতীক, সংকেত এবং নানা রকম চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। 
- যে সকল পদার্থ নিয়ে রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু করা হয় সেই সকল পদার্থকে বলা হয় বিক্রিয়ক। 
- বিক্রিয়ার ফলে নতুন ধর্মবিশিষ্ট যে সকল পদার্থ উৎপন্ন হয় সেই সকল পদার্থকে উৎপাদ বলা হয়। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
২৫.
হাজী শরীয়তউল্লাহর ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের নাম কী ছিল?
  1. ওয়াহাবি আন্দোলন
  2. তারিখ-ই-মুহাম্মদিয়া
  3. ফরায়েজি আন্দোলন
  4. নীলবিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
ফরায়েজি আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরায়েজি আন্দোলন
ব্যাখ্যা
হাজী শরীয়তউল্লাহ:
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ এক ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহর এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের নামই 'ফরায়েজি আন্দোলন'। 
- 'ফরায়েজি' শব্দটি আরবি 'ফরজ' (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে।
- যারা ফরজ পালন করেন তাঁরাই ফরায়েজি। 
- বাংলায় যাঁরা হাজী শরীয়তউল্লাহর অনুসারী ছিলেন, ইতিহাসে শুধু তাদেরকেই ফরায়েজি বলা হয়ে থাকে।
- ইসলাম অননুমোদিত সব বিশ্বাস, আচার-আচরণ ও অনুষ্ঠান ত্যাগ করে ইসলাম ধর্মে যা অবশ্যকরণীয়, তা পালন করার জন্য তিনি মুসলমান সমাজকে আহ্বান জানান।
- তিনি বাংলা তথা ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসন মেনে নিতে পারেননি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৬.
জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) কোন রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল?
  1. বিএনপি
  2. জাতীয় পার্টি
  3. বাসদ
  4. ন্যাপ
সঠিক উত্তর:
বিএনপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিএনপি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি): 
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের অন্যতম  শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক দল।
- বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল)। 
- ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠিত হয়।
- জিয়াউর রহমান তাঁর শাসনকে অসামরিকীকরণের অভিপ্রায়ে ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) নামে একটি দল গঠন করেন।
- উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুল সাত্তার ছিলেন এর আহবায়ক।
- জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে, বিশেষ করে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দলের কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিবেচনায় রেখে ঢাকার রমনা ময়দানে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠনের ঘোষণা দেন।
- অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রথম মহাসচিব। জিয়াউর রহমান ছিলেন এর আহবায়ক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২৭.
১৯৯০ সালে প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন কে?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
  3. আবদুস সাত্তার
  4. খোন্দকার মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ: 
- লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (১৯৩০-২০১৯) বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি (১৯৮৩-১৯৯০)।
- ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকান্ডের অব্যবহিত পর থেকেই সংবাদপত্রে বিবৃতি ও কভারেজের মাধ্যমে রাজনীতিতে এরশাদের আগ্রহ প্রকাশ হতে থাকে।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে জেনারেল এরশাদ রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন।
- তিনি দেশের সংবিধানকে রহিত করেন, জাতীয় সংসদ বাতিল করেন, এবং সাত্তারের মন্ত্রিসভাকে বরখাস্ত করেন।
- তিনি নিজেকে দেশের সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ঘোষণা করেন। 
- প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
২৮.
'The Spirit of Islam' বইটি কে লিখেছেন?
  1. সৈয়দ আমির আলি
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমির আলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমির আলি
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আমির আলি
- উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমির আলি।
- তিনি ১৮৭৭সালে কোলকাতায় 'সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' নামে একটি সমিতি গঠন করেন।
- তিনি পত্র-পত্রিকায় শিক্ষা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুসলমানদের পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি করেন।
- ফলে ১৮৮৫ সালে সরকার মুসলমানদের শিক্ষার অগ্রগতির জন্য কতকগুলো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
- এ কারণে তিনি ১৮৮৪ সালে কোলকাতায় মাদ্রাসায় কলেজ পর্যায়ে ইংরেজি শিক্ষা এবং করাচিতে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করেন।
- তাঁর বিখ্যাত দুইটি গ্রন্থ 'The Spirit of Islam' এবং 'A Short History of the Saracens'-এ ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও ইসলামের অতীত গৌরবের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
- তিনি বিশ্বাস করতেন, আধুনিক ভারতের উন্নতির জন্য হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের একযোগে কাজ করা প্রয়োজন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২৯.
সম্প্রতি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি'র প্রতীক কী? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ফুলকপি
  2. মাথাল
  3. কেটলি
  4. ট্রাক
সঠিক উত্তর:
ফুলকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুলকপি
ব্যাখ্যা
নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: 
- বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৪৯টি। [৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
- সর্বশেষ দল: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি
- প্রতীক: ফুলকপি
- নিবন্ধন তারিখ: ০২/০২/২০২৫

উৎস: Bangladesh Election Commission.
৩০.
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. দিনাজপুর
  2. বরিশাল
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন: 
- বিশ শতকের শুরুতে যখন ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো জ্বলছে, বাঙালি মুসলমান মেয়েরা তখনও পিছিয়ে ছিল।
- মুসলমান সমাজের মেয়েরা সব অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল।
- লেখাপড়া শেখা তাদের জন্য একরকম নিষিদ্ধই ছিল।
- সমাজ ধর্মের নামে তাদের রাখা হতো পর্দার আড়ালে গৃহবন্দি করে।
- মুসলমান মেয়েদের এই বন্দিদশা থেকে যিনি মুক্তির ডাক দিলেন, তাঁর নাম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন যাকে সবাই বেগম রোকেয়া নামে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।
- ১৮৮০ সালে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে তাঁর জন্ম।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩১.
সামাজিক মনোবিজ্ঞানী মিল্টন রকিচ (Milton Rokeach) এর মতে টার্মিনাল মূল্যবোধ (Terminal Values) কী?
  1. ধর্মীয় বিশ্বাস থেকে উদ্ভূত মূল্যবোধ
  2. ব্যক্তির স্বপ্ন ও লক্ষ্য অর্জনের জন্য গৃহীত আচরণ
  3. ব্যক্তির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে গঠিত মূল্যবোধ
  4. সমাজে শিষ্টাচার বজায় রাখার জন্য মূল্যবোধ
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে গঠিত মূল্যবোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে গঠিত মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধের ধরন:
- সামাজিক মনোবিজ্ঞানী মিল্টন রকিচ (Milton Rokeach) এর মতে, মানুষের মধ্যে প্রধানত দুই ধরনের মূল্যবোধ বিদ্যমান।
- একটি হচ্ছে টার্মিনাল মূল্যবোধ (Terminal Values) এবং অপরটি ইন্সট্রুমেন্টাল মূল্যবোধ (Instrumental Values) ।

→ টার্মিনাল মূল্যবোধ (Terminal Values):
- এটি মানুষের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য গঠিত মূল্যবোধ।
- অর্থাৎ, ব্যক্তি তার জীবনে যে চূড়ান্ত লক্ষ্য বা আদর্শ অনুসরণ করতে চায়, সেটিই তার টার্মিনাল মূল্যবোধ।

→ ইন্সট্রুমেন্টাল মূল্যবোধ (Instrumental Values):
- এটি টার্মিনাল মূল্যবোধ অর্জনের জন্য গৃহীত আচরণগত মূল্যবোধ।
- অর্থাৎ, মানুষ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে নীতিগত ও আচরণগত দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, সেটিই ইন্সট্রুমেন্টাল মূল্যবোধ।

→ এছাড়া, সমাজ জীবনে মানুষ চার ধরনের মূল্যবোধের মুখোমুখি হয়:
- ব্যক্তিগত মূল্যবোধ: ব্যক্তির নিজস্ব চিন্তা, নীতি-নৈতিকতা, বিশ্বাস ও আচরণের মাধ্যমে গঠিত মূল্যবোধ।
- সামাজিক মূল্যবোধ: সমাজে বসবাসের জন্য প্রয়োজনীয় মূল্যবোধ, যেমন—সততা, ন্যায়পরায়ণতা, সহনশীলতা ও শিষ্টাচার।
- ধর্মীয় মূল্যবোধ: ধর্মীয় অনুশীলন, বিশ্বাস ও ঐতিহ্য থেকে গড়ে ওঠা মূল্যবোধ।
- পেশাগত মূল্যবোধ: কর্মক্ষেত্রে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও পেশাগত দক্ষতার উপর ভিত্তি করে গঠিত মূল্যবোধ।

তথ্যসূত্র: মূল্যবোধ, মনোভাব,কর্মসন্তষ্টি, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]

৩২.
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করা
  2. আইনের শাসন এড়িয়ে চলা
  3. জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করা
  4. সরকারের নির্দিষ্ট মেয়াদে কাজ করার সুযোগ দেওয়া
সঠিক উত্তর:
সরকারের নির্দিষ্ট মেয়াদে কাজ করার সুযোগ দেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের নির্দিষ্ট মেয়াদে কাজ করার সুযোগ দেওয়া
ব্যাখ্যা
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ:
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ হলো মূল্যবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক, যা গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি তৈরি করে।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নাগরিকদের চিন্তাভাবনা, আচার-ব্যবহার ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড যে নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হয়, তাকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বলে।

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বৈশিষ্ট্য:
- নির্বাচনি রায় মেনে নেওয়া: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ জনগণের রায়কে শ্রদ্ধা করতে শেখায়।
- সরকারের নির্দিষ্ট মেয়াদ: নির্বাচিত সরকার নির্ধারিত মেয়াদ পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ পায়।
- শান্তিপূর্ণ সরকার গঠন ও পরিবর্তন: সহিংসতা ছাড়াই নতুন সরকার গঠন ও ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করা হয়।
- ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে বৃহত্তর স্বার্থ: ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থের চেয়ে রাষ্ট্র ও জাতির কল্যাণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
- পরমতসহিষ্ণুতা: ভিন্ন মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া এবং গণতান্ত্রিক বিতর্কের মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।

উল্লেখ্য, 
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সরকারের নির্দিষ্ট মেয়াদে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করা, যা নির্বাচন ও সাংবিধানিক কাঠামোর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
গণতন্ত্রে জনগণের মত প্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের গুরুত্ব রয়েছে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন – প্রফেসর মো. ইউনুস আলী দেওয়ান ও পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩৩.
নিচের কোনটি পেশাগত মূল্যবোধের একটি উপাদান?
  1. ধর্মীয় বিশ্বাস
  2. পারিবারিক ঐতিহ্য
  3. ব্যক্তিগত চিন্তাধারা
  4. শৃঙ্খলা ও কর্মনিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা ও কর্মনিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৃঙ্খলা ও কর্মনিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধের প্রকারভেদ:
- সামাজিক জীব হিসেবে মানুষ চার ধরনের মূল্যবোধের মুখোমুখি হয়:
১. ব্যক্তিগত মূল্যবোধ: ব্যক্তির নিজস্ব বিশ্বাস, রুচি, নীতি-নৈতিকতা থেকে সৃষ্ট মূল্যবোধ। এটি ব্যক্তির আচরণ ও জীবনকে প্রভাবিত করে। পরিবার থেকে এর শিক্ষা শুরু হয়।
২. সামাজিক মূল্যবোধ: সমাজের কল্যাণে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে। ন্যায়পরায়ণতা, সততা, শিষ্টাচার, বড়দের সম্মান করা, সহনশীলতা ইত্যাদি এর উদাহরণ।
৩. ধর্মীয় মূল্যবোধ: ধর্মীয় বিশ্বাস, ঐতিহ্য ও নির্দেশনা থেকে গড়ে ওঠা মূল্যবোধ। এটি ব্যক্তির আদর্শ ও সমাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি নির্ধারণ করে।
৪. পেশাগত মূল্যবোধ: পেশায় নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, কর্মনিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধকে গুরুত্ব দেয়। এটি ব্যক্তির পেশা বাছাই ও কাজের মান নির্ধারণে ভূমিকা রাখে।

উল্লেখ্য, 
- পেশাগত মূল্যবোধ বলতে পেশায় সঠিক ও নৈতিক আচরণ, দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা, কর্মনিষ্ঠা এবং পেশাদারিত্বকে বোঝায়। এর মধ্যে শৃঙ্খলা ও কর্মনিষ্ঠা একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, কারণ এটি একজন পেশাদার ব্যক্তির কাজের প্রতি নিষ্ঠা এবং নির্দিষ্ট নিয়মকানুন মেনে চলার মানসিকতাকে প্রতিফলিত করে।

অন্যদিকে,
ক) ধর্মীয় বিশ্বাস: এটি ব্যক্তিগত বিশ্বাসের অংশ, যা পেশাগত মূল্যবোধের সরাসরি উপাদান নয়।
খ) পারিবারিক ঐতিহ্য: এটি ব্যক্তির পারিবারিক বা সামাজিক মূল্যবোধের অংশ, পেশাগত নয়।
গ) ব্যক্তিগত চিন্তাধারা: এটি ব্যক্তির নিজস্ব মতামত বা দর্শন, যা পেশাগত মূল্যবোধের অংশ নয়।
সুতরাং, উল্লিখিত প্রশ্নে শৃঙ্খলা ও কর্মনিষ্ঠা পেশাগত মূল্যবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। 

তথ্যসূত্র: মূল্যবোধ, মনোভাব,কর্মসন্তষ্টি, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]

৩৪.
মূল্যবোধ ও সুশাসনের পারস্পরিক সম্পর্ক কেমন?
  1. সুশাসন ছাড়া মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
  2. মূল্যবোধ সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য।
  3. মূল্যবোধ ও সুশাসন একে অপরের জন্য নিরপেক্ষ।
  4. সুশাসনের জন্য আইনই যথেষ্ট, মূল্যবোধের প্রয়োজন নেই।
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্যবোধ সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য।
ব্যাখ্যা
সুশাসন ও মূল্যবোধ:
- সুশাসন হলো একটি সুশৃঙ্খল ও ন্যায্য শাসন ব্যবস্থা, যা নীতি, ন্যায়বিচার এবং জনকল্যাণের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।
- মূল্যবোধ হলো সমাজের নৈতিক আদর্শ এবং নীতি, যা মানুষের আচরণ ও সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে।
- সুশাসন ও মূল্যবোধের সম্পর্ক অত্যন্ত ইতিবাচক এবং পরস্পরকে সমর্থন করে।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য মূল্যবোধ অপরিহার্য, কারণ এটি শাসক ও জনগণের আচরণকে নৈতিকতার দিকে পরিচালিত করে।
- সুশাসন তখনই কার্যকরী হতে পারে, যখন শাসক ও জনগণ উভয়েই নৈতিকতা, সততা, এবং ন্যায়ের মূল্যবোধে বিশ্বাসী হয়।
- সুশাসন এবং মূল্যবোধ একে অপরকে শক্তিশালী করে, যা সমাজের সার্বিক উন্নতি নিশ্চিত করে।
- নৈতিক মূল্যবোধ মানুষকে সৎ ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে উদ্বুদ্ধ করে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
৩৫.
বর্তমান সমাজে মূল্যবোধের অভাব ও নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে কী সমস্যা তৈরি হচ্ছে?
  1. শিক্ষার উন্নতি
  2. অর্থনৈতিক উন্নয়ন
  3. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
  4. নতুন প্রজন্মের নৈতিক সংকট
সঠিক উত্তর:
নতুন প্রজন্মের নৈতিক সংকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুন প্রজন্মের নৈতিক সংকট
ব্যাখ্যা
মূল্যবোধের অভাব ও নৈতিক অবক্ষয়:
- বর্তমান সমাজে নৈতিক অবক্ষয় ও মূল্যবোধের অভাব একটি গভীর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
- পিতা-মাতা, শিক্ষক, রাজনীতিবিদ ও সমাজের অন্যান্য স্তরের মানুষের মধ্যে এই সমস্যা পরিলক্ষিত হচ্ছে, যা নতুন প্রজন্মের সামনে নৈতিক সংকট তৈরি করছে।
- পরিবারে শিশুরা তাদের পিতামাতার আচরণ থেকে শিক্ষা নেয়, তাই পিতা-মাতাদের উচিত নৈতিক আদর্শ অনুসরণ করা।
- শিক্ষকদেরও নিজেদের নৈতিক মান উন্নত করতে হবে, যাতে তারা শিক্ষার্থীদের সঠিক পথ দেখাতে পারেন।
- রাজনীতিবিদদের মধ্যে সৎ নেতৃত্বের অভাব সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
- এই অবক্ষয় থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের সকলের দায়িত্ব হচ্ছে নৈতিকতার মূল্য দেওয়া এবং সমাজে সৎ জীবনযাত্রার মান প্রতিষ্ঠা করা।
- মূল্যবোধের অভাব সামাজিক অবক্ষয়ের দিকে নিয়ে যায়, তবে আমরা যদি নৈতিকতার পথে চলি, তবে একটি উন্নত, ন্যায্য সমাজ গঠন সম্ভব।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
৩৬.
ফ্রান্সিস ই. মেরিল (Francis E. Meril) এর মতে সামাজিক মূল্যবোধ কী?
  1. ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য গৃহীত নীতি
  2. শুধুমাত্র পরিবারভিত্তিক মূল্যবোধ
  3. ধর্মীয় অনুশীলনের জন্য প্রয়োজনীয় মূল্যবোধ
  4. মানুষের দলীয় কল্যাণের জন্য গৃহীত আচরণ সংরক্ষণ
সঠিক উত্তর:
মানুষের দলীয় কল্যাণের জন্য গৃহীত আচরণ সংরক্ষণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষের দলীয় কল্যাণের জন্য গৃহীত আচরণ সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধের প্রকারভেদ ও সামাজিক মূল্যবোধ:
সামাজিক জীব হিসেবে সাধারণভাবে সমাজ জীবনে মানুষ চার ধরনের মূল্যবোধের মুখোমুখি হয়।
যথা-ব্যক্তিগত মূল্যবোধ, সামাজিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও পেশাগত মূল্যবোধ।
সামাজিক মূল্যবোধ:
- যে চিন্তা-ভাবনা, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মানুষের সামাজিক আচার-আচরণ ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত করে তাই সামাজিক মূল্যবোধ।
- সমাজবিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ই.মেরিল (Francises E. Meril) এর মতে, "সামাজিক মূল্যবোধ হলো মানুষের দলীয় কল্যাণের জন্য আচরণ সংরক্ষণ করা, যা মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করে।"
- ন্যায়পরায়ণতা, সততা ও শিষ্টাচার সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। বড়দের সম্মান করা, সহনশীলতা, দানশীল হওয়া, আতিথেয়তা ইত্যাদি হচ্ছে সামাজিক মূল্যবোধ।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে ফ্রান্সিস ই. মেরিল (Francis E. Meril) এর মতে সামাজিক মূল্যবোধ হলো-মানুষের দলীয় কল্যাণের জন্য গৃহীত আচরণ সংরক্ষণ।

তথ্যসূত্র: মূল্যবোধ, মনোভাব,কর্মসন্তষ্টি, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]