পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৪০ Full Model Test - 4
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১০০ প্রশ্ন

.
Choose the correct spelling.
  1. Connoisseur
  2. Conoisseur
  3. Connoiseur
  4. Conoiseur
সঠিক উত্তর:
Connoisseur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Connoisseur
ব্যাখ্যা

Correct answer: Connoisseur.

Connoisseur (noun)
- English meaning: expert, especially one who understands the details, technique, or principles of an art and is competent to act as a critical judge.
- Bangla meaning: প্রধানত চারুকলা (আর্ট) বিষয়ে রসজ্ঞ; পণ্ডিত বিচারক; সমঝদার।

Example sentence:
1. You should consult an art connoisseur about your painting.
2. She is a connoisseur of African art. 

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary

.
What does the idiom 'keep one's chin up' mean?
  1. to be frustrated
  2. to stay cheerful
  3. to feel proud
  4. to praise someone
সঠিক উত্তর:
to stay cheerful
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to stay cheerful
ব্যাখ্যা

Correct answer: to stay cheerful.

• Keep one's chin up (Idiom)

- English Meaning: To stay cheerful and hopeful during difficult times.
- Bangla Meaning: হাসিখুশি থাকা; নির্ভয়ে বিপদ-আপদ ঝামেলার মুখোমুখি হওয়ার মতো দৃঢ়তা দেখানো।

• Example Sentence:
1. Despite all her health problems, she always manages to keep her chin up. 
2. Keep your chin up, and don't let the critics get to you.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
Who said, 'History repeats itself, first as a tragedy, second as a farce'?
  1. G Bernard Shaw
  2. John Keats 
  3. Percy Bysshe Shelly
  4. Karl Marx
সঠিক উত্তর:
Karl Marx
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Karl Marx
ব্যাখ্যা

Correct answer: Karl Marx.
- Karl Marx এটি তার রচনা "The Eighteenth Brumaire of Louis Bonaparte" (1852)-এ লিখেছিলেন। 

• Karl Marx: 
- তিনি একাধারে একজন German philosopher, revolutionary, sociologist, historian এবং economist.
- Victorian Period এর অন্যতম এই লেখকের পুরো নাম Karl Heinrich Marx.
- Karl Marx কে “ Socialism and modern scientific communism” বলা হয়।
- তিনি "The Communist Manifesto" প্রকাশ করেন, যা সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত বা সমাদৃত পুস্তিকা।
- Marx’s early writings are dominated by an understanding of alienation, a distinct type of social illness whose diagnosis looks to rest on a controversial account of human nature and its flourishing. 

• His famous books:
- Das Kapital,
- Communist Manifesto,
- Holy Family,
- The Eighteenth Brumaire of Louis Bonaparte,
- The Poverty of Philosophy.

• Famous quotes:
- Men make their own history.
- Religion is opium to the people.
- History repeats itself, first as a tragedy, second as a farce.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature, Dr.M. Mofizar Rahman.

.
Which is the last published book of the Harry Potter series?
  1. Harry Potter and the Philosopher’s Stone
  2. Harry Potter and the Order of the Phoenix
  3. Harry Potter and the Half-Blood Prince
  4. Harry Potter and the Deathly Hallows
সঠিক উত্তর:
Harry Potter and the Deathly Hallows
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harry Potter and the Deathly Hallows
ব্যাখ্যা

Correct answer: Harry Potter and the Deathly Hallows.
- সাতটি বইয়ের এই জনপ্রিয় হ্যারি পটার এই সিরিজের লেখক হলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ লেখিকা J. K. Rowling.

• J.K. Rowling
- J.K. Rowling, in full Joanne Kathleen Rowling, pen name of Joanne Rowling, is a British author, creator of the popular and critically acclaimed Harry Potter series.
- Harry Potter series এ মোট ৭টি খন্ড রয়েছে যা সারাবিশ্বে অত্যধিক জনপ্রিয়। 
- Harry Potter and the Philosopher's Stone is the first novel in the Harry Potter series.
- Harry Potter and the Deathly Hallows is the last novel of the series of 7 books.  
 
Harry Potter books - 
- Harry Potter and the Philosopher’s Stone.
- Harry Potter and the Chamber of Secrets.
- Harry Potter and the Prisoner of Azkaban.
- Harry Potter and the Goblet of Fire.
- Harry Potter and the Half-Blood Prince.
- Harry Potter and the Order of the Phoenix.
- Harry Potter and the Deathly Hallows.
 
Source: Britannica.

.
Choose the correct sentence-
  1. You, he, and I are responsible for the loss.
  2. I, you, and he are responsible for the loss.
  3. You, I and he are responsible for the loss.
  4. He, I, and You are responsible for the loss.
সঠিক উত্তর:
I, you, and he are responsible for the loss.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I, you, and he are responsible for the loss.
ব্যাখ্যা

Correct answer: I, you, and he are responsible for the loss.

• I, You and He হলো Personal Pronoun এর উদাহরণ।
- সাধারণত First person, Second person, Third person এর Pronoun বা Noun সব যদি একই বাক্যেতে ব্যবহার থাকে তাহলে প্রথমে 2nd person, পরে 3rd person এবং অবশেষে 1st person বসে। অর্থ্যাৎ (123 order)
- কিন্তু দোষ স্বীকারের ব্যাপার হলে তখন ব্যবহার করতে হবে (123- order).
- প্রদত্ত Sentence এ "responsible for the loss" দ্বারা দোষ স্বীকারের ব্যাপারে বলা হয়েছে তাই এখানে I, You and He অথবা 123- order অনুসারে বসেছে।

• অন্যান্য অপশনগুলোতে এই Order অর্থ্যাৎ  (123- order) অনুস্মরণ করা হয়নি তাই এরা সঠিক নয়।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

.
In literature, the term "Epigram" refers to-
  1. A comparison between two similar objects
  2. A humorous element in a tragedy
  3. A brief and self-contradictory witty statement
  4. A devotional song of praise
সঠিক উত্তর:
A brief and self-contradictory witty statement
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A brief and self-contradictory witty statement
ব্যাখ্যা

Correct answer: A brief and self-contradictory witty statement.

• Epigram:

- A brief and witty statement which is apparently self-contradictory.
- It leads the reader to think and discover the meaning of the paradox in a statement.
- Basically, it is a short saying or poem that expresses an idea in a clever, funny way.
- Epigram এমন একটি ছোট বাক্য বা কবিতা যা সংক্ষিপ্ত হলেও বুদ্ধিদীপ্ত এবং মজাদার বা তীক্ষ্ণ বক্তব্য প্রকাশ করে।
- এতে প্রায়ই বিদ্রুপ, রসিকতা বা কোনো গভীর সত্য লুকিয়ে থাকে।
- It sometimes offer humour, attack the target subject and create lasting impression on the readers.
- Example:
- 'Our sweetest songs are those that tell the saddest thought.' (Shelley: ''To a Skylark'')

Source:
1. Britannica
2. An ABC of English Literature, Dr. M. Mofizar Rahman.

.
I have been very busy ______ I came back from holiday. 
  1. while
  2. as if
  3. unless
  4. since
সঠিক উত্তর:
since
উত্তর
সঠিক উত্তর:
since
ব্যাখ্যা

Correct answer: since.
Complete sentence: I have been very busy since I came back from holiday. 
Bangla meaning: ছুটি হতে পর ফিরে আসার পর থেকে আমি অনেক ব্যস্ত আছি।

• এখানে ঘটনার প্রেক্ষাপট ও সময় বোঝাতে Conjunction হিসেবে 'since' ব্যবহার করা হয়েছে।
• Since যুক্ত sentence এ,
- প্রথম অংশ Present Indefinite বা Present Perfect হলে, 'since'-এর পরের অংশ Past Indefinite হয়।
- Present indefinite/ present perfect + since (সময় বুঝাতে) + Past Indefinite
-  I have been very busy since I came back from holiday. 
 -প্রথম অংশ Past Indefinite হলে, 'since'-এর পরের অংশ Past Perfect হয়।
- Past + since + Past Perfect
- I was very busy since I had come back from holiday.
- প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশে Past Indefinite এবং শেষ অংশে Past Perfect Tense আছে। 
- তাই, শূণ্যস্থানে 'since' বসবে। 

Other options:
ক) While
- whereas" (বৈপরীত্য বুঝাতে) পক্ষান্তরে; তুলনায় অর্থে 'While' ব্যবহৃত হয়।
- আবার, despite the fact that; although (যদিও), - During the time that, or at the same time as (একই সময়ে), অর্থে Conjunction হিসেবে 'While' ব্যবহৃত হয়।
- Example: The phone rang while I was taking a shower.

খ) As if
- এটি সাধারণত অবাস্তব কোনো পরিস্থিতি বা এমন কোনো তুলনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা সত্যি হতে পারে আবার না-ও হতে পারে।
- Example: He acts as if he were a king.

গ) Unless
- "Except if" বা 'যদি না' অর্থে এটি শর্ত বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি নিজেই Negative অর্থ প্রদান করে।
- এজন্যে unless দ্বারা যে clause শুরু হয় তাতে no বা not বসে না।
- Example: I will not go unless you come with me.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

.
Select the word that doesn't remain the same in plural form.
  1. Deer
  2. Swine
  3. Roof
  4. Salmon
সঠিক উত্তর:
Roof
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Roof
ব্যাখ্যা

Correct answer: Roof.

Roof (noun)

- English meaning: the cover of a building.
- Bangla meaning: ছাদ; চাল।
- এর Plural form হচ্ছে "Roofs".

• কতগুলো শব্দ আছে যাদের singular এবং plural form একই রকম থাকে। যেমন-
- Deer,
- Species,
- Swine,
- Spacecraft,
- Sheep,
- Moose,
- Salmon,
- Stone,
- Troop
 
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

.
Who quoted "Grow old along with me! The best is yet to be"?
  1. Robert Browning
  2. Robert Frost
  3. Thomas Kyd
  4. John Webster
সঠিক উত্তর:
Robert Browning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Robert Browning
ব্যাখ্যা

Correct answer: Robert Browning.
- এটি Robert Browning রচিত 'Rabbi Ben Ezra' নামক কবিতার প্রথম দুই লাইন।

• Rabbi Ben Ezra:
- এটি হচ্ছে একটি dramatic monologue.
- ১৮৬৪ সালে কবিতাটি তাঁর Dramatis Personae সংকলনের অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল।
- Robert Browning নিজের আধ্যাত্মিক বিশ্বাস এবং জীবনদর্শন এই চরিত্রের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।
- The poem’s final metaphor describes life as a pot that is fashioned by the Master’s hand and argues that the value of a person should be measured not by the work done but by the character that has been molded.

• Robert Browning:
- তিনি একজন British poet.
- He is celebrated for his expert use of the dramatic monologue.
- His most noted work was The Ring and the Book.
- He was married to the renowned English poet Elizabeth Barrett.

Source:
1. Britannica
2. An ABC of English Literature, Dr. M. Mofizar Rahman.

১০.
The famous novel 'Life of Pi' was written by -
  1. Arthur Miller
  2. Doris Lessing
  3. Arundhati Roy
  4. Yann Martel
সঠিক উত্তর:
Yann Martel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Yann Martel
ব্যাখ্যা

Correct answer: Yann Martel.

• Life of Pi:
- ২০০২ সালে বুকার পুরস্কার বিজয়ী একটি ফ্যান্টাসি উপন্যাস "Life of Pi".
- এটি রচনা করেন Yann Martel.
- এটি প্রকাশিত হয় 2001 সালে। 
- এটি এক যুবক ভারতীয় ছেলের কাহিনী, যিনি একটি জাহাজডুবির পর সমুদ্রে হারিয়ে যান এবং একটি বড় লঞ্চে আটকা পড়েন। 
- তার সঙ্গী চারটি বন্য প্রাণী: একটি Orangutan, একটি Zebra, একটি Hyena এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, Richard Parker, একটি Bengal tiger.

• Yann Martel:
- Born June 25, 1963, in Salamanca, Spain, is a Canadian author best known for Life of Pi.
- His father was a diplomat as well as an accomplished poet.
- In 2001, Martel received international acclaim for Life of Pi, which features elements of fable, fantasy, and magic realism. 
- বইটি মর্যাদাপূর্ণ Booker Prize-এ ভূষিত হয় এবং ৩০টিরও বেশি ভাষায় প্রকাশিত হয়।

Source: Britannica.

১১.
'হাতে-কলমে' কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. একশেষ দ্বন্দ্ব
  2. সমার্থক দ্বন্দ্ব
  3. সাধারণ দ্বন্দ্ব
  4. অলুক দ্বন্দ্ব
সঠিক উত্তর:
অলুক দ্বন্দ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অলুক দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা

অলুক দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদগুলোর বিভক্তি সমস্ত পদেও যুক্ত থাকে বা বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- অর্থাৎ কিছু দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি সমাসবদ্ধ হলেও বিদ্যমান থাকে। এই ধরনের দ্বন্দ্ব সমাসের নাম অলুক দ্বন্দ্ব সমাস।

যেমন:
- দুধে ও ভাতে = দুধে-ভাতে,
- চোখে ও মুখে = চোখেমুখে,
- হাতে ও কলমে = হাতে-কলমে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১২.
'হ্ন' যুক্তবর্ণটি কীভাবে গঠিত হয়েছে?
  1. হ্ + ম
  2. ঞ্ + হ
  3. হ্ + ন
  4. ন্ + হ
সঠিক উত্তর:
হ্ + ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্ + ন
ব্যাখ্যা

• 'হ্ন' যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে - হ্ + ন = হ্ন

গুরুত্বপূর্ণ কিছু যুক্তবর্ণ:
- হ্ + ম = হ্ম,
- হ্ + উ = হু,
- হ্ + ঋ = হৃ,
- হ্ + ন = হ্ন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ-২০২১)।

১৩.
নিত্য পুরুষবাচক শব্দ কোনটি?
  1. কৃতদার
  2. শিষ্যা
  3. অসূর্যম্পশ্যা
  4. শূদ্রা
সঠিক উত্তর:
কৃতদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃতদার
ব্যাখ্যা

নিত্য পুরুষবাচক শব্দ:
- কবিরাজ,
- কৃতদার,
- অকৃতদার,
- ঢাকী,
- সেনাপতি ইত্যাদি।

নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ: 
- কুলটা,
- সতীন,
- অর্ধাঙ্গিনী,
- বিধবা,
- অসূর্যম্পশ্যা,
- অরক্ষণীয়া ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
- শিষ্য-শিষ্যা,
-  শূদ্র-শূদ্রা

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪.
'মাল্যবান' ও 'সুতীর্থ'—এই দুটি জীবনানন্দ দাশের কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. নাটক
  3. উপন্যাস
  4. প্রবন্ধগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা

• জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস - মাল্যবান, সুতীর্থ

জীবনানন্দ দাশ:
- তিনি কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।
- ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ অক্টোবর জীবনানন্দ দাশ কলকাতায় এক ট্রাম-দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ২২ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক (এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য গ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কবিতার কথা।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 
২) বাংলাপিডিয়া।

১৫.
নিচের কোনটি 'দ্বিত্ব ব্যঞ্জন' এর উদাহরণ?
  1. স্কুল > ইস্কুল
  2. রিক্সা > রিসকা
  3. সত্য > সইত্য
  4. বড় > বড্ড
সঠিক উত্তর:
বড় > বড্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড় > বড্ড
ব্যাখ্যা

দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব:
- কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, একে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে।
যেমন:
- পাকা > পাক্কা,
- সকাল > সক্কাল,
- বড় > বড্ড,
- কিছু > কিচ্ছু  ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
আদি স্বরাগম - স্কুল > ইস্কুল।
ধ্বনি বিপর্যয় - রিক্সা > রিসকা
অপিনিহিতি - 'সত্য > সইত্য'।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৬.
'অপহরণ' শব্দে 'অপ' উপসর্গটি কোন অর্থ ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. বিপরীত
  2. স্থানান্তর
  3. বিকৃত
  4. নিন্দনীয়
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর
ব্যাখ্যা

'অপ' উপসর্গের ব্যবহার:
- বিপরীত অর্থে = অপমান, অপকার, অপচয়, অপবাদ।
- নিকৃষ্ট অর্থে = অপসংস্কৃতি, অপকর্ম, অপসৃষ্টি, অপযশ।
- স্থানান্তর অর্থে = অপসারণ, অপহরণ, অপনোধন।
- বিকৃত অর্থে = অপমৃত্যু।

তৎসম:
- তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ ২০টি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।

১৭.
সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থের নাম কী?
  1. চাচা-কাহিনী
  2. শবনম
  3. দেশে বিদেশে
  4. অবিশ্বাস্য
সঠিক উত্তর:
দেশে বিদেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যা

- 'দেশে বিদেশে' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা - সৈয়দ মুজতবা আলী।
- এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ।
- ভ্রমণ কাহিনীটি আফগানিস্তানের কাবুল শহর নিয়ে লেখা।

সৈয়দ মুজতবা আলী: 
১৯০৪ সালে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ- ই- ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।
- ১৯৭৪ সালে ঢাকায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য, 
- শবনম।

তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৮.
অশুদ্ধ বানান -
  1. অনাবশ্যক
  2. অভিভুত
  3. ভ্রাতুষ্পুত্র
  4. ভদ্রোচিত
সঠিক উত্তর:
অভিভুত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিভুত
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - অভিভুত
- শুদ্ধ বানান - অভিভূত।
- বিশেষণ পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।

অর্থ: 
- বিহ্বল।
- ভাবাবিষ্ট।
- পরাভূত।

অন্যদিকে,
- অনাবশ্যক, ভ্রাতুষ্পুত্র এবং ভদ্রোচিত - শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৯.
'Song Offerings' কাব্যগ্রন্থটির ভূমিকা লিখেছিলেন কোন বিখ্যাত ইংরেজ কবি? 
  1. টি. এস. এলিয়ট
  2. উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ
  3. জন কিটস
  4. ডব্লিউ. বি. ইয়েটস
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ. বি. ইয়েটস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডব্লিউ. বি. ইয়েটস
ব্যাখ্যা

'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থ:
- 'গীতাঞ্জলি' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৭টি গানের সংকলন (কাব্যগ্রন্থ)।
- গানগুলি ১৯০৮ ও ১৯০৯ সালে রচিত এবং ১৯১০।  গীতাঞ্জলির গানগুলো মূলত কবিতা। 
- গীতাঞ্জলি এর ইংরেজি অনুবাদ Song Offerings (১৯১২)।
- Song Offerings এর ভূমিকা লেখেন ইংরেজ কবি W.B. Yeats। 
- Song Offerings এর জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে নোবেল পুরষ্কার পান।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ: 
- মানসী, 
- সোনার তরী, 
- চিত্রা, 
- কল্পনা, 
- ক্ষণিকা, 
- গীতাঞ্জলি, 
- বলাকা, 
- পূরবী, 
- পুনশ্চ, 
- পত্রপূট, 
- সেঁজুতি, 
- শেষলেখা,
- কবি-কাহিনী ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২০.
'বজ্জাত' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. বজ্‌ + জাত
  2. বজ্ + জত
  3. বত্‌ + জাত
  4. বদ্ + জাত
সঠিক উত্তর:
বদ্ + জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদ্ + জাত
ব্যাখ্যা

সন্ধির নিয়ম:
- চ-বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি ত-বর্গীয় ধ্বনি আসে তাহলে, ত-বর্গীয় ধ্বনি লোপ হয় এবং চ-বর্গীয় ধ্বনির দ্বিত্ব হয়।
- অর্থাৎ ত-বর্গীয় ধ্বনি ও চ-বর্গীয় ধ্বনি পাশাপাশি এলে প্রথমটি লুপ্ত হয়ে পরবর্তী ধ্বনিটি দ্বিত্ব হয়।
যেমন-
- নাত + জামাই = নাজ্জামাই (ত্ + জ=জ্জ),
- বদ্ + জাত = বজ্জাত,
- হাত + ছানি = হাচ্ছানি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২১.
তারেক রহমান ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশের কততম প্রধানমন্ত্রী?
  1. ১১তম
  2. ১৩তম
  3. ১২তম
  4. ১০ম
সঠিক উত্তর:
১১তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১তম
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান:
- তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী।
- ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) হয়ে সরকারপ্রধান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার পর ছেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

• বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। এর পর একে একে শেখ মুজিবুর রহমান, মুহাম্মদ মনসুর আলী, শাহ আজিজুর রহমান, আতাউর রহমান খান, মিজানুর রহমান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, কাজী জাফর আহমেদ, বেগম খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, এর মধ্যে বেগম খালেদা জিয়া দু’বার এবং শেখ হাসিনা ৫ বার প্রধানমন্ত্রী হন।

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে বিজয়ী হয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। 
- ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

২২.
যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরবের মধ্যে পেট্রো ডলার চুক্তি সাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1.  ১৯৭২ সালে
  2.  ১৯৭৪ সালে
  3.  ১৯৭৩ সালে
  4.  ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
 ১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্র এবং সৌদি আরবের মধ্যে পেট্রো ডলার চুক্তি ১৯৭৪ সালের ৮ জুন স্বাক্ষরিত।
- ৮০ বছর মেয়াদি এ চুক্তি ৯ জুন ২০২৬ সালে শেষ হয়।
- এ চুক্তি স্বাক্ষরের পর একটি দুটি যৌথ কমিশন গঠন করা হয়—একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতার ভিত্তিতে, অপরটি সৌদি আরবের সামরিক চাহিদার ভিত্তিতে। 
-  ১৯৭৩ সালে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একমাত্র ডলারেই তেল বিক্রি করতে সম্মত হয়, যা ১৯৭৫ সালের মধ্যে অন্যান্য ওপেক দেশও মেনে নেয়। ফলে বৈশ্বিক তেল আমদানি রপ্তানি হয়ে পড়ে পেট্রোডলারনির্ভর।

উৎস: বিবিসি।

২৩.
২০২৬ সালে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী পরিচালিত অভিযানের নাম কী?
  1. অপারেশান ডেজার্ট স্টর্ম
  2. অপারেশান রেড স্টর্ম
  3. অপারেশান এপিক ফিউরি 
  4. অপারেশান ব্লু থান্ডার
সঠিক উত্তর:
অপারেশান এপিক ফিউরি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশান এপিক ফিউরি 
ব্যাখ্যা

- ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফা হামলা করে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
- যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী এই অভিযানের নাম দিয়েছে ‘এপিক ফিউরি’ (EPIC FURY)।
- ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারকে লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে।
- মূলত পারমানবিক ইস্যু এবং গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার করার লক্ষে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এর সাথে ইরানের দীর্ঘ দিনের বিরোধ রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্র সব সময় অভিযোগ করে আসছিলো যে, ইরানে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচী চালিয়ে নিচ্ছে।
- অপর দিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রে অভিযোগ বরাবরের মত প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

- প্রথম হামলাটি ছিল জুন মাসে। তখন ওয়াশিংটন ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে ধারাবাহিক আক্রমণ চালায়।

উৎস: বিবিসি।

২৪.
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত?
  1. গার্ডিয়ান কাউন্সিল
  2. প্রেসিডেন্ট
  3. অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস
  4. মজলিশে শুরা
সঠিক উত্তর:
অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস
ব্যাখ্যা

- ইরানের নতুন সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচনের দায়িত্ব ”অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস” এর ওপর ন্যস্ত।
-  নির্বাচিত সংস্থা—‘অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ ৮৮ জন জ্যেষ্ঠ আলেমের সমন্বয়ে গঠিত।
- ১৯৭৯ সালে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই ধর্মীয় পরিষদ মাত্র একবারই এ দায়িত্ব পালন করেছে।
- সংস্থাটি তাদের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে,  আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনিকে নির্বাচিত করে।

উল্লেখ্য,
দ্বিতীয় দফা ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি মৃত্যু বরণ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।

২৫.
বর্তমানে একনেকের বিকল্প চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করবেন কে? (মার্চ-২০২৬)
  1. আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী
  2. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর 
  3. খলিলুর রহমান
  4. মো. সাখাওয়াত হোসেন
সঠিক উত্তর:
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর 
ব্যাখ্যা

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) পুনর্গঠন:
• একনেকের চেয়ারম্যান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
• বিকল্প চেয়ারম্যান: স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
• সদস্যরা:
- অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী : আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী : সালাহউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র মন্ত্রী : খলিলুর রহমান।
- বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
- আইন মন্ত্রী : আসাদুজ্জামান।
- স্বাস্থ্যমন্ত্রী : সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
- সড়ক পরিবহন, সেতু, রেল, নৌপথ মন্ত্রী : শেখ রবিউল ।
- সংশ্লিষ্ট এজেন্ডাভুক্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীরাও সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

২৬.
বর্তমান বিশ্বে খেজুর উৎপাদনে শীর্ষ দেশ কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. মিশর
  2. সৌদি আরব
  3. কুয়েত
  4. কাতার
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা

- আফ্রিকার দেশ মিসর বিশ্বের খেজুর উৎপাদনকারী সবচেয়ে বড় রাষ্ট্র।
- ২০২৩ সালে মিসরে ১৮ লাখ ৭০ হাজার টন খেজুর উৎপাদিত হয়।
- নীল নদের উপত্যকাজুড়ে বিস্তৃত খেজুরবাগানগুলো দেশটির অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখে।

- মরুর দেশ সৌদি আরব বৈশ্বিক খেজুর উৎপাদনে দ্বিতীয়। 
- দেশটির আল-কাসিম, আল-মদিনা ও আল-আহসা অঞ্চল খেজুর উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে বছরে প্রায় ৯৫ লাখ টনের বেশি খেজুর উৎপাদিত হয়। এর বেশির ভাগই উৎপাদিত হয় মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার কিছু দেশে।

উৎস: জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এবং প্রথম আলো।

২৭.
বর্তমান বৃহত্তর রংপুর প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অংশ ছিল?
  1. সমতট
  2. পুন্ড্র
  3. চন্দ্ৰদ্বীপ
  4. তাম্রলিপ্ত
সঠিক উত্তর:
পুন্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুন্ড্র
ব্যাখ্যা

পুন্ড্র: 
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান জনপদ ছিল পুন্ড্র।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত পুন্ড্রদের রাজধানী ছিল পুন্ড্রনগর যা পরবর্তীকালে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত হয়।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের মধ্যে পুন্ড্রই ছিল সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ। 
- পাথরের চাকতিতে খােদাই করা প্রাপ্ত লিপিগুলােকেই মনে করা হয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম শিলালিপি।

প্রাচীন বাংলার অন্যান্য জনপদ:
• বঙ্গ:

- বৃহত্তর ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বাখেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি নিয়ে ‘বঙ্গ’ জনপদ গঠিত হয়েছিল।
- এই অঞ্চলে বসবাসকারী ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠী থেকে ‘বঙ্গ' নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয় ৷

•  রাঢ়:

- রাঢ় জনপদের অবস্থান ছিলো বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে।

• সমতট:
- বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল।

•  বরেন্দ্র:
- বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিল।

•  চন্দ্ৰদ্বীপ:
- বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

•  তাম্রলিপ্ত:
- বর্তমান ভারতের মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তাম্রলিপ্তের প্রাণকেন্দ্র। সপ্তম শতক থেকে এটি দণ্ডভুক্তি নামে পরিচিত হতে থাকে।

উৎস:
i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

২৮.
সংস্কার কমিশন নতুন সংস্কার প্রস্তাবে বাংলাদেশ সংসদের উচ্চকক্ষের ১০০ জন সদস্যকে কোন পদ্ধতির ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলগুলো মনোনীত করবে?
  1. ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট (FPTP)
  2. সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা
  3. সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR)
  4. প্রত্যক্ষ নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR)
ব্যাখ্যা

• সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- বিদ্যমান সংবিধান পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করার জন্য বাংলাদেশের সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছিল।
- কমিশন গঠনের পেছনের প্রেক্ষাপট ছিল ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
- অতীতের সাংবিধানিক ব্যর্থতার কারণগুলো চিহ্নিত করে একটি নতুন, শক্তিশালী এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত সংবিধান প্রণয়নের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এর পরিপ্রেক্ষিতেই ৬ অক্টোবর, ২০২৪ সালে সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ।
• নিম্নকক্ষ (জাতীয় সংসদ) এবং
• উচ্চকক্ষের (সিনেট)।

• নিম্নকক্ষ:
- মোট ৪০০ আসন নিয়ে নিম্নকক্ষ গঠিত হবে।
- ৩০০ জন সদস্য একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি নির্বাচিত হবেন।
- আরো ১০০ জন নারী সদস্য সারা দেশের নির্ধারিত ১০০টি নির্বাচনী এলাকা থেকে কেবল নারী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচিত হবেন।

•  উচ্চকক্ষ:
- মোট ১০৫ জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে।
- রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation - PR) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের নির্বাচনের জন্য ১০০ জন প্রার্থী মনোনীত করবে।
- অবশিষ্ট ৫টি আসন পূরণের জন্য রাষ্ট্রপতি নাগরিকদের মধ্য থেকে (যারা কোনো কক্ষেরই সদস্য নন) ৫ জন প্রার্থী মনোনীত করবেন।

•  উল্লেখ্য:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন -
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২৯.
নিচের কোনটি  চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ?
  1. ইতালির ভিসুভিয়াস
  2. উত্তর আমেরিকার রকি 
  3. জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট
  4. যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত
সঠিক উত্তর:
জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট
ব্যাখ্যা

• ভঙ্গিল পর্বত:
- পাললিক শিলাস্তর আনুভূমিক আলোড়ন বা মহাদেশীয় পর্বতের সংকোচনের ফলে কুঞ্চিত হয়ে ঢেউয়ের আকারে যে পর্বত সৃষ্টি হয় তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
-যেমন: এশিয়ার হিমালয়, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ, উত্তর আমেরিকার রকি এবং ইউরোপের আল্পস পর্বতমালা।

• আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- আগ্নেয় পর্বত আগ্নেয়গিরি থেকে উদগিরিত পদার্থ সঞ্চিত ও জমাট বেঁধে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি হয়। একে সঞ্চয়জাত পর্বতও বলে। এই পর্বত সাধারণত মোচাকৃতির (Conical) হয়ে থাকে। 
​- আগ্নেয় পর্বতের উদাহরণ হলো- ইতালির ভিসুভিয়াস, কেনিয়ার কিলিমানজারো, জাপানের ফুজিয়ামা এবং ফিলিপাইনের পিনাটুবো পর্বত।

• চ্যুতি-স্তূপ পর্বত: 
- ভূআলোড়নের সময় ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে প্রসারণ এবং সংকোচনের সৃষ্টি হয়। এই প্রসারণ এবং সংকোচনের জন্য ভূত্বকে ফাটলের সৃষ্টি হয়। কালক্রমে এ ফাটল বরাবর ভূত্বক ক্রমে স্থানচ্যুত হয়। ভূগোলের ভাষায় একে চ্যুতি বলে। ভূত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কোথাও নিচের দিকে হয়। চ্যুতির ফলে উঁচু হওয়া অংশকে স্তুপ পর্বত বলে।
- ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।

• ল্যাকোলিথ পর্বত:
- পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা বিভিন্ন গ্যাসের দ্বারা স্থানান্তরিত হয়ে ভূপৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো কোনো সময় বাধা পেয়ে এগুলো ভূপৃষ্ঠের উপরে না এসে ভূত্বকের নিচে একস্থানে জমাট বাঁধে। ঊর্ধ্বমুখী চাপের কারণে সস্ফীত হয়ে ভূত্বকের অংশবিশেষ গম্বুজ আকার ধারণ করে। এভাবে সৃষ্ট পর্বতকে ল্যাকোলিথ পর্বত বলে । 
যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত এর উদাহরণ।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম দশম শ্রেণি।

৩০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদবলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার সংসদ সদস্যদের শপত বাক্য পাঠ করাতে পারেন?
  1. ১৪৮(২ক)
  2. ১১২
  3. ১৪৮(১)
  4. ১৪৭
সঠিক উত্তর:
১৪৮(২ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৮(২ক)
ব্যাখ্যা

- ১৪৮ এর ২(ক)  অনুসারে-১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার অধীন অনুষ্ঠিত সংসদ সদস্যদের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপিত হইবার তারিখ হইতে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে এই সংবিধানের অধীন এতদুদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা তদুদ্দেশ্যে অনুরূপ ব্যক্তি কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন ব্যক্তি যে কোন কারণে নির্বাচিত সদস্যদের শপথ পাঠ পরিচালনা করিতে ব্যর্থ হইলে বা না করিলে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার উহার পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে উক্ত শপথ পাঠ পরিচালনা করিবেন, যেন এই সংবিধানের অধীন তিনিই ইহার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তি।

অন্যদিকে,
- ১১২অনুচ্ছেদ, সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা সম্পর্কিত।
- ১৪৭অনুচ্ছেদ, কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি সম্পর্কিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩১.
৫% হার মুনাফায় ৪,০০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত? 
  1. ৩১০০ টাকা
  2. ৩৩১০ টাকা
  3. ৪৪১০ টাকা
  4. ৪৫৫০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৪৪১০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪১০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫% হার মুনাফায় ৪,০০০ টাকার ২ বছরের চক্রবৃদ্ধি মূলধন কত? 

সমাধান: 
এখানে,
মূলধন, P = ৪০০০ টাকা
মুনাফায় হার, r = ৫% = ৫/১০০ = ১/২০ 
সময়, n = ২ বছর

∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন, C = P(১ + r)n
= ৪০০০(১ + ১/২০)
= ৪০০০ × (২১/২০)
= ৪০০০ × (২১/২০) × (২১/২০) 
= ৪,৪১০ টাকা 

∴ চক্রবৃদ্ধি মূলধন = ৪,৪১০ টাকা।

৩২.
কোষকে কী বলা হয়?
  1. শুধু প্রাণকেন্দ্র
  2. জীবদেহের গঠন ও কাজের একক
  3. প্রোটোপ্লাজমের অংশ 
  4. কেবল প্রজননযোগ্য অংশ
সঠিক উত্তর:
জীবদেহের গঠন ও কাজের একক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবদেহের গঠন ও কাজের একক
ব্যাখ্যা

- কোষ (Cell) হলো সকল জীবিত প্রাণীর ক্ষুদ্রতম এবং মৌলিক একক যা স্বাধীনভাবে জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাজ সম্পন্ন করতে পারে। ১৮৩৯ সালে বিজ্ঞানী স্লাইডেন এবং সোয়ান প্রদত্ত 'কোষ তত্ত্ব' (Cell Theory) অনুযায়ী, প্রতিটি জীব এক বা একাধিক কোষ দিয়ে গঠিত এবং কোষই হলো জীবের গঠনগত ও কার্যগত প্রধান মাধ্যম। 

কোষ: 
- প্রতিটি জীবদেহ এক বা একাধিক কোষ দিয়ে গঠিত অর্থাৎ কোষ ই জীবদেহ গঠনের একক। কোষের ভেতরে জীবের জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় জৈবিক কার্যকলাপ সম্পন্ন হয়। 
অর্থাৎ, জীবদেহের গঠন ও কাজের একককে কোষ বলে। 
- কোষ হচ্ছে জীবদেহের গাঠনিক ও কার্যকরী একক যা নির্দিষ্ট পরিমাণ প্রোটোপ্লাজম নিয়ে গঠিত, বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লি দিয়ে আবৃত, স্বনির্ভর ও আত্ম প্রজননশীল। 

কোষের সাধারণ বৈশিষ্ট্য: 
- জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল গাঠনিক ও আণবিক উপাদান কোষে থাকে। 
- প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ভেতরে গ্রহণ করতে পারে এবং এই কাঁচামাল ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় শক্তি সংগ্রহ করতে পারে। 
- সুনিয়ন্ত্রিত ভাবে বেড়ে উঠতে পারে। 
- চারপাশে যেকোনো উত্তেজনার প্রতি সাড়া দিতে পারে। 
- একটি Homeostatic অবস্থা বজায় রাখতে পারে। 
- কাল পরিক্রমায় অভিযোজিত হতে পারে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান) এবং জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।

৩৩.
7(x - 1) - 3 = 4x + 5 হলে, x এর মান কত? 
  1. 5
  2. 3
  3. 4
  4. 2
সঠিক উত্তর:
5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 7(x - 1) - 3 = 4x + 5 হলে, x এর মান কত? 

সমাধান: 
7(x - 1) - 3 = 4x + 5
বা, 7x - 7 - 3 = 4x + 5
বা, 7x - 10 = 4x + 5
বা, 7x - 4x = 5 + 10
বা, 3x = 15
বা, x = 15/3
∴ x = 5

৩৪.
নিম্নের কোনটি অজৈব এসিড?
  1. ল্যাকটিক এসিড
  2. সাইট্রিক এসিড
  3. অ্যাসিটিক এসিড
  4. সালফিউরিক এসিড
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালফিউরিক এসিড
ব্যাখ্যা

- অজৈব এসিড বা খনিজ এসিড হলো সেই সকল এসিড যা সাধারণত খনিজ পদার্থ থেকে তৈরি হয় এবং এদের অণুতে কার্বন পরমাণুর উপস্থিতি থাকে না (ব্যতিক্রম কিছু ক্ষেত্রে)। সালফিউরিক এসিড (H2SO4) একটি শক্তিশালী অজৈব এসিড যা শিল্পকারখানায় বহুল ব্যবহৃত হয়। 

জৈব এসিড: 
- জলপাই, করমচা, আমলকি ও কাঁচা আমড়া ও লেবুতে সাইট্রিক এসিড থাকে। 
- তেঁতুলে টারটারিক এসিড থাকে। 
- টকদই এর মধ্যে থাকে ল্যাকটিক এসিড। 
- বাজারে কাঁচের বোতলে যে ভিনেগার পাওয়া যায় তা মূলত ইথানোয়িক এসিড (CH3-COOH)-এর ৬-১০% জলীয় দ্রবণ। 
- বাজারে বিভিন্ন রকমের সফট ড্রিংকস পাওয়া যায় যেগুলো প্রকৃত অর্থে কার্বনিক এসিডের দ্রবন। 
- পাকস্থলির দেয়াল হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl) উৎপন্ন করে। এ হাইড্রোক্লোরিক এসিড খাবারের সাথে বিভিন্ন ক্ষতিকারক অণুজীবকে মেরে ফেলে এবং খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। আবার পাকস্থলি থেকে অতিরিক্ত এসিড উৎপন্ন হলে বুক জ্বালা ও গলায় জ্বালাপোড়া অনুভব করে থাকি। তখন আবার অতিরিক্ত এসিডকে প্রশমিত করতে সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট (NaHCO3) অথবা এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ সেবন করে থাকি। 

অজৈব এসিড: 
- হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HCl), নাইট্রিক এসিড (HNO3) ও সালফিউরিক এসিড (H2SO4) হলো অজৈব এসিড।
- পানিতে বিভিন্ন অনুপাতে যোগ করে তাদের দ্রবণ প্রস্তুত করা হয়েছে। 
- জলীয় দ্রবণে থেকেই এরা তাদের এসিড ধর্ম প্রদর্শন করে। 
- হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাসের কোনো এসিড ধর্ম থাকে না। হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস পানিতে দ্রবীভূত হয়ে হাইড্রোক্লোরিক এসিড উৎপন্ন করে থাকে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
একটি রম্বসের কর্ণ যথাক্রমে ১০ সেন্টিমিটার ও ২০ সেন্টিমিটার হলে রম্বসের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার? 
  1. ১০০ বর্গ সেন্টিমিটার
  2. ১৫০ বর্গ সেন্টিমিটার
  3. ১৮০ বর্গ সেন্টিমিটার
  4. ২০০ বর্গ সেন্টিমিটার
সঠিক উত্তর:
১০০ বর্গ সেন্টিমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ বর্গ সেন্টিমিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণ যথাক্রমে ১০ সেন্টিমিটার ও ২০ সেন্টিমিটার হলে রম্বসের ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেন্টিমিটার? 

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
রম্বসের একটি কর্ণ = ১০ সেন্টিমিটার 
এবং অপর কর্ণটি = ২০ সেন্টিমিটার 

∴ রম্বসের ক্ষেত্রফল = (১/২) × কর্ণদ্বয়ের গুণফল 
= (১/২) × ১০ × ২০
= ১০০ বর্গ সেন্টিমিটার।

৩৬.
মানবদেহের ভেতরের অঙ্গ দেখার জন্য ব্যবহৃত এন্ডোস্কোপে মূলত কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. রেডিও তরঙ্গ
  2. এক্স-রে
  3. অপটিক্যাল ফাইবার
  4. আল্ট্রাসাউন্ড
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল ফাইবার
ব্যাখ্যা

- মানবদেহের ভেতরের অঙ্গ দেখার জন্য ব্যবহৃত এন্ডোস্কোপে অপটিক্যাল ফাইবার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়, যা আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন নীতিতে কাজ করে, যার মাধ্যমে আলো এবং ছবি শরীরের অভ্যন্তর থেকে বাইরে পরিবাহিত হয়, কারণ এতে আলো এবং ক্যামেরাযুক্ত একটি নমনীয় টিউব ব্যবহৃত হয়। 

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- অপটিক্যাল ফাইবার হলো একটি খুব সরু কাঁচতন্তু, এটা মানুষের চুলের মতো চিকন এবং নমনীয়। 
- আলোক রশ্মিকে বহনের কাজে এটি ব্যবহৃত হয়। 
- আলোক রশ্মি যখন এই কাঁচতন্তুর মধ্যে প্রবেশ করে তখন এর দেয়ালে বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটতে থাকে। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকে আলোক রশ্মি কাঁচতন্তু অপর প্রান্ত দিয়ে বের না হওয়া পর্যন্ত। 
- সাধারণত চিকিৎসকেরা মানবদেহের ভিতরের কোনো অংশ (যেমন পাকস্থলী, কোলন ইত্যাদি দেখার জন্য) যে আলোক নলটি ব্যবহার করে এটি একগুচ্ছ অপটিক্যাল ফাইবারের সমন্বয়ে গঠিত। 
- এছাড়া অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের আরেকটি ক্ষেত্র হলো টেলিযোগাযোগ। এতে অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহার করার ফলে একই সাথে অনেকগুলো সংকেত প্রেরণ করা যায়। 
- এই সংকেত অনেক দূর পর্যন্ত যেতে পারে না। 

অন্যদিকে, 
- রেডিও তরঙ্গ (রেডিওলজি), এক্স-রে এবং আল্ট্রাসাউন্ড (আল্ট্রাসোনোগ্রাফি) ভিন্ন ভিন্ন ইমেজিং কৌশল, যা এন্ডোস্কোপির মূল নীতির অংশ নয়, যদিও আল্ট্রাসাউন্ড এন্ডোস্কোপির সাথে ব্যবহার করা যেতে পারে। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।

৩৭.
একটি খুঁটির ১/৪ অংশ মাটির নিচে, ১/২ অংশ পানির মধ্যে এবং বাকি ৩ মিটার পানির উপরে আছে। খুঁটিটির দৈর্ঘ্য কত? 
  1. ৬ মিটার
  2. ৯ মিটার
  3. ১০ মিটার
  4. ১২ মিটার
সঠিক উত্তর:
১২ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি খুঁটির ১/৪ অংশ মাটির নিচে, ১/২ অংশ পানির মধ্যে এবং বাকি ৩ মিটার পানির উপরে আছে। খুঁটিটির দৈর্ঘ্য কত? 

সমাধান: 
ধরি, 
খুটির দৈর্ঘ্য = x মিটার 

তাহলে,
মাটির নিচে ও পানির মধ্যে আছে = (১/৪ + ১/২ ) × x অংশ = (৩x/৪) অংশ 
এবং পানির উপরে আছে = (১ - ৩x/৪) = (x/৪) অংশ 

প্রশ্নমতে,
x/৪ = ৩
∴ x = ১২ 

∴ খুটির দৈর্ঘ্য = ১২ মিটার।

৩৮.
রক্তরসের প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. প্রোটিন
  2. পানি 
  3. লোহিত রক্তকণিকা
  4. গ্লুকোজ
সঠিক উত্তর:
পানি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানি 
ব্যাখ্যা

- রক্তরস বা প্লাজমা হলো রক্তের বর্ণহীন তরল অংশ, এর গঠন বিশ্লেষণে দেখা যায় যে, এর প্রধান উপাদান হলো পানি। রক্তরসের প্রায় ৯০% থেকে ৯২% অংশই পানি দ্বারা গঠিত। এই বিপুল পরিমাণ পানির উপস্থিতির কারণেই রক্ত তার তরল অবস্থা বজায় রাখে এবং শরীরে বিভিন্ন উপাদান পরিবহনে সক্ষম হয়। 

রক্তরস (Plasma): 
- রক্তের বর্ণহীন তরল অংশকে রক্তরস বলে। 
- সাধারণত রক্তের শতকরা প্রায় ৫৫ ভাগ রক্তরস। 
- রক্তরসের প্রধান উপাদান পানি। 
- এছাড়া বাকি অংশে কিছু প্রোটিন, জৈবযৌগ ও সামান্য অজৈব লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে। 
যেমন- প্রোটিন (যথা-অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন ও ফাইব্রিনোজেন), গ্লুকোজ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চর্বিকণা, খনিজ লবণ, ভিটামিন, হরমোন, এন্টিবডি, বর্জ্য পদার্থ (যেমন: কার্বন ডাই-অক্সাইড, ইউরিয়া, ইউরিক এসিড) ইত্যাদি। 
- এছাড়া রক্তরসে সামান্য পরিমাণে সোডিয়াম ক্লোরাইড, সোডিয়াম বাইকার্বোনেট ও অ্যামাইনো এসিড থাকে। 
- খাদ্য হিসেবে যা গ্রহণ করা হয় তা পরিপাক হয়ে অন্ত্রের গাত্রে শোষিত হয় এবং রক্তরসে মিশে দেহের সর্বত্র সঞ্চালিত হয়। এভাবে দেহকোষগুলো পুষ্টিকর দ্রব্যাদি গ্রহণ করে দেহের পুষ্টির সাধন এবং ক্ষয়পূরণ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৯.
একটি সংখ্যার 4/5 অংশ তার 2/3 অংশের চেয়ে 12 বেশি হলে সংখ্যাটি কত? 
  1. 88
  2. 72
  3. 90
  4. 78
সঠিক উত্তর:
90
উত্তর
সঠিক উত্তর:
90
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সংখ্যার 4/5 অংশ তার 2/3 অংশের চেয়ে 12 বেশি হলে সংখ্যাটি কত? 

সমাধান: 
ধরি, 
সংখ্যাটি = x 

শর্তমতে, 
(4x/5) - (2x/3) = 12 
বা, (12x - 10x)/15 = 12 
বা, 12x - 10x = 180 
বা, 2x = 180 
বা, x= 180/2 
∴ x = 90 

∴ সংখ্যাটি = 90

৪০.
গামা রশ্মির বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে কোনটি সত্য নয়?
  1. দৃশ্যমান আলোর চেয়ে শক্তি কম
  2. তরঙ্গদৈর্ঘ্য খুব ছোট
  3. এটি কম্পাঙ্ক বেশি রাখে
  4. এটি জীবনের জন্য ক্ষতিকর
সঠিক উত্তর:
দৃশ্যমান আলোর চেয়ে শক্তি কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৃশ্যমান আলোর চেয়ে শক্তি কম
ব্যাখ্যা

- গামা রশ্মি হলো তড়িৎচৌম্বকীয় বর্ণালীর সবচেয়ে শক্তিশালী অংশ। এর শক্তি দৃশ্যমান আলোর শক্তির তুলনায় কয়েক হাজার গুণ বেশি হতে পারে। পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রানুসারে, বিকিরণের শক্তি তার কম্পাঙ্কের সমানুপাতিক এবং তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ব্যস্তানুপাতিক। যেহেতু গামা রশ্মির কম্পাঙ্ক অনেক বেশি, তাই এর শক্তিও অনেক বেশি। 

গামা রশ্মি: 
- 10-11 m থেকে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সকল বিকিরণ গামা রশ্মি বা γ-ray । 
- গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ক্ষুদ্র হওয়ায় কম্পাঙ্ক সবচেয়ে বেশি, তাই শক্তিও বেশি। 
- দৃশ্যমান আলোর চেয়ে গামা রশ্মির শক্তি পঞ্চাশ হাজার গুণ বেশি। 
- তেজষ্ক্রিয় মৌলসমূহ থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গামা রশ্মি নির্গত হয়। 
- পারমাণবিক বিস্ফোরণের ফলে যে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নির্গত হয় তার বেশির ভাগই গামা রশ্মি। 
- প্রাণী দেহের জন্য গামা রশ্মিটি অত্যন্ত ক্ষতিকর। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “No one should be condemned unheard” নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৩৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ১৩৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ১৩৫(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)
ব্যাখ্যা

⇒ "No one should be condemned unheard" নীতিটি Natural Justice এর একটি মৌলিক বিধান, যা Audi alteram partem (অন্য পক্ষকে শোনার সুযোগ দান) নামেও পরিচিত। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)-এ এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে, যা সিভিল সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত, অপসারণ বা পদাবনমনের ক্ষেত্রে কারণ দর্শানোর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদানের বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করে।
- অর্থাৎ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৩৫(২)–এ অসামরিক সরকারি কর্মচারীকে বরখাস্ত বা অপসারণ করার আগে কারণ দেখানোর সুযোগ দেওয়ার বিধান রয়েছে, যা এই নীতির সরাসরি প্রতিফলন।

অনুচ্ছেদ ১৩৫-এর অন্যান্য দফার বিষয়:
ক) ১৩৫(১): নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের চেয়ে অধস্তন কর্তৃপক্ষ দ্বারা শাস্তি প্রদান নিষিদ্ধ।
গ) ১৩৫(৩): কারণ দর্শানো সুযোগ দেয়া যুক্তিসঙ্গত কিনা, সে বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
ঘ) ১৩৫(৪): চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের ক্ষেত্রে নোটিশ দিয়ে চুক্তি সমাপ্তির বিধান।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৫ অনুচ্ছেদের বিধান হলো: অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি:
(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে অসামরিক পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি তাঁহার নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ-অপেক্ষা অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষের দ্বারা বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত হইবেন না।
(২) অনুরূপ পদে নিযুক্ত কোন ব্যক্তিকে তাঁহার সম্পর্কে প্রস্তাবিত ব্যবস্থাগ্রহণের বিরুদ্ধে কারণ দর্শাইবার যুক্তিসঙ্গত সুযোগদান না করা পর্যন্ত তাঁহাকে বরখাস্ত বা অপসারিত বা পদাবনমিত করা যাইবে না:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফা সেই সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(অ) কোন ব্যক্তি যে আচরণের ফলে ফৌজদারী অপরাধে দণ্ডিত হইয়াছেন, সেই আচরণের জন্য তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করা হইয়াছে; অথবা
(আ) কোন ব্যক্তিকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, কোন কারণে- যাহা উক্ত কর্তৃপক্ষ লিপিবদ্ধ করিবেন- উক্ত ব্যক্তিকে কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব নহে; অথবা
(ই) রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, রাষ্ট্রের নিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত ব্যক্তিকে অনুরূপ সুযোগদান সমীচীন নহে।
(৩) অনুরূপ কোন ব্যক্তিকে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত কারণ দর্শাইবার সুযোগদান করা যুক্তিসঙ্গতভাবে সম্ভব কি না, এইরূপ প্রশ্ন উত্থাপিত হইলে সেই সম্পর্কে তাঁহাকে বরখাস্ত, অপসারিত বা পদাবনমিত করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে।
(৪) যে ক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন লিখিত চুক্তির অধীন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত হইয়াছেন এবং উক্ত চুক্তির শর্তাবলী-অনুযায়ী যথাযথ নোটিশের দ্বারা চুক্তিটির অবসান ঘটান হইয়াছে, সেই ক্ষেত্রে চুক্তিটির অনুরূপ অবসানের জন্য তিনি এই অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে পদ হইতে অপসারিত হইয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে না

৪২.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি কে ছিলেন?
  1. কামরুল হাসান
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. কামাল হোসেন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। 
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৪-১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।

৪৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪(৩) অনুসারে অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে কী ধরনের অধিকার রয়েছে?
  1. রায় দেওয়ার অধিকার
  2. বক্তব্য পেশ করার অধিকার
  3. মামলা দায়ের করার অধিকার
  4. বিচারকদের নিয়োগ দেওয়ার অধিকার
সঠিক উত্তর:
বক্তব্য পেশ করার অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বক্তব্য পেশ করার অধিকার
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪(৩)-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: "অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।"
- এটি Right of Audience হিসেবে পরিচিত। অর্থাৎ, অ্যাটর্নি-জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালনের প্রয়োজনে বাংলাদেশের যেকোনো আদালতে সরাসরি বক্তব্য পেশ করতে পারেন। এটি শুধুমাত্র বক্তব্য পেশের অধিকার—মামলা দায়ের করা বা রায় দেওয়ার ক্ষমতা নয়।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল: 
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

⇒ Article 64: The Attorney-General:
(1) The President shall appoint a person who is qualified to be appointed as a Judge of the Supreme Court to be Attorney-General for Bangladesh.
(2) The Attorney-General shall perform such duties as may be assigned to him by the President.
(3) In the performance of his duties, the Attorney-General shall have the right of audience in all courts of Bangladesh.
(4) The Attorney-General shall hold office during the pleasure of the President, and shall receive such remuneration as the President may determine.

৪৪.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে কোন রিটের জন্য যে কোনো ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন?
  1. Writ of Mandamus
  2. Writ of Quo Warranto
  3. Writ of Certiorari
  4. Writ of Prohibition
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Writ of Quo Warranto
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (২)(খ) ধারায় উল্লিখিত Writ of Quo Warranto (কারণ দর্শাও রিট) এবং Writ of Habeas Corpus-এর জন্য যে কোনো ব্যক্তি (কোনো সংক্ষুদ্ধতা ছাড়াই) আবেদন করতে পারেন। এটি পাবলিক অফিসারের অধিকার বা যোগ্যতার বৈধতা যাচাইয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্যান্য অপশনগুলো (Certiorari, Prohibition, Mandamus) ১০২(২)(ক) ধারার অধীনে পড়ে, যেখানে শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ বা প্রভাবিত ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন।

• রিট [Writ]:
আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বা প্রচারিত বিধান বা আদেশ। এমন আদেশের মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে। রিট এর উৎপত্তি হলো ব্রিটিশ আইন ব্যবস্থায়। প্রাথমিকভাবে রিট মূলত রাজকীয় অধিকার [prerogrative writ or royal writ] নামে পরিচিত ছিল কারণ একমাত্র রাজা বা রাণী রিট জারি করার অধিকারী ছিল।

রিটের প্রকারভেদ: সংবিধানে ৫ প্রকার রিট উল্লেখ করা হয়েছে-
⇒ ১০২ এর ২(ক) তে ৩টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (শুধুমাত্র সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (ক) (অ) প্রতিষেধক বা নিষেধাজ্ঞামূলক রিট [Writ of Prohibition];
• ১০২(২) (ক) (অ) পরমাদেশ বা হুকুম জারী রিট [Writ of Mandamus];
• ১০২(২) (ক) (আ) উৎপ্রেষণ রীট [Writ of Certiorari]।

⇒ ১০২ এর ২(খ) তে ২টি রিট উল্লেখ করা হয়েছে, (যে কোন ব্যক্তি আবেদন করতে পারে)-
• ১০২(২) (খ) (অ) বন্দী হাজির রিট [Writ of Habeas Corpus] এবং
• ১০২(২) (খ) (আ) কারণ দর্শাও রিট [Writ of Quo Warranto]।

৪৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, প্রধান বিচারপতি ছাড়া সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারকদের নিয়োগ কীভাবে দেওয়া হয়?
  1. সংসদ কর্তৃক নির্বাচনের মাধ্যমে
  2. প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
  3. প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
  4. বিচার বিভাগীয় কমিশনের সুপারিশে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে বলা আছে: "প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।"

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ:
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।
(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।

⇒ Article 95: Appointment of Judges: 
(1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.

৪৬.
“অর্ডিন্যান্সকেও আইন বলিয়া গণ্য করা হইবে” – এই বিধান General Clauses Act এর কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ২৩
  2. ধারা ২৫
  3. ধারা ৩০
  4. ধারা ৩২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩০
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897-এর ৩০ নং ধারাতে "Application of Act to Ordinances" বা "অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ" সম্পর্কে বিস্তারিত বিধান রয়েছে। 
- এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো এই বিষয়টি নিশ্চিত করা যে, যখনই The General Clauses Act-এর কোনো বিধানে "সংসদে গৃহীত আইন" (Act of Parliament) বা নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে "আইন" (Act) শব্দটি ব্যবহৃত হবে, তখন তার অর্ন্তভুক্ত হবে সংবিধানের অধীনে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত ও প্রচলিত অর্ডিন্যান্সও।
- অর্থাৎ এই ধারাটি অর্ডিন্যান্সকে সাধারণ আইনের (Act) সমতুল্য আইনি মর্যাদা প্রদান করে এবং এর প্রয়োগ ও ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে The General Clauses Act-এর বিধানগুলো অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে বলে স্পষ্ট করে।
তাই, আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে অর্ডিন্যান্সকে ‘আইন’ হিসেবে গণ্য করার বিধানটি ধারা ৩০-এ রয়েছে।

The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ৩০: অর্ডিন্যান্সের ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ:
এই আইনের মধ্যে ‘সংসদে গৃহীত আইন’ শব্দগুচ্ছ, যেখানে-যেখানে এটি ব্যবহার করা হয়েছে (ধারা ৫ ব্যতীত), এবং ‘আইন’ শব্দটি ধারা ৩-এর উপধারা (৯), (১২), (৩৮), (৪৮) ও (৫০) এবং ধারা ২৫-এ ব্যবহৃত হয়েছে, তা এমনভাবে গণ্য হবে যে এটি অর্ডিন্যান্সকেও অন্তর্ভুক্ত করে, যা প্রণীত ও প্রচলিত হয়েছে যে কেউ সংবিধানের কোনো বিধানের অধীনে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে অথবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির দ্বারা সংবিধানের অধীনে।

The General Clauses Act, 1897 Section-30. Application of Act to Ordinances:
In this Act the expression Act of Parliament wherever it occurs, except in section 5, and the word "Act" in clauses (9), (12), (38), (48) and (50) of section 3 and in section 25 shall be deemed to include an Ordinance made and promulgated by any person having authority to legislate under any constitutional provision or by the President of Bangladesh under the Constitution.

৪৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘Nemo est supra leges’ নীতি প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৭
  3. অনুচ্ছেদ ২৮ 
  4. অনুচ্ছেদ ৩১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা

⇒ ‘Nemo est supra leges’ এই ল্যাটিন নীতিটির অর্থ হলো “কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়”। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২৭-এ “আইনের দৃষ্টিতে সমতা” (Equality before law) উল্লেখ আছে, যা এই নীতির সাংবিধানিক প্রতিফলন।
- এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।”
এর অর্থ হলো রাষ্ট্রের সব নাগরিক—অবস্থান বা পদমর্যাদা নির্বিশেষে—আইনের কাছে সমান এবং আইন কারো জন্য বিশেষ সুবিধা বা অব্যাহতি দেয় না।
সুতরাং, ‘Nemo est supra leges’ নীতিটি সরাসরি অনুচ্ছেদ ২৭-এ প্রতিফলিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদের বিধান: আইনের দৃষ্টিতে সমতা:- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
---------------
⇒ Article 27. Equality before law:  All citizens are equal before law and are entitled to equal protection of law.

৪৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৬ অনুসারে কোন বিভাগ বাধ্যতামূলকভাবে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করবে?
  1. আইন বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. উল্লিখিত সবগুলাই 
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান:  নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।
- এখানে "নির্বাহী কর্তৃপক্ষ" বলতে নির্বাহী বিভাগ (Executive Authorities)-কে বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, সরকারের সকল নির্বাহী বিভাগ, মন্ত্রণালয়, বিভাগ, জেলা ও স্থানীয় প্রশাসন নির্বাচন কমিশনের কাজে সহায়তা করতে সাংবিধানিকভাবে বাধ্য।
- সুতরাং, নির্বাহী বিভাগ-ই সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে বাধ্য।
------------
⇒ The Constitution of the People‌‌‍’s Republic of Bangladesh -Article 126. Executive authorities to assist Election Commission:
 It shall be the duty of all executive authorities to assist the Election Commission in the discharge of its functions.  

৪৯.
বাংলাদেশ সংবিধানে “প্রচলিত আইনের হেফাজত” (Saving for existing laws) এর বিধান কোন অনুচ্ছেদে আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫২
  2. অনুচ্ছেদ ১৪৭
  3. অনুচ্ছেদ ১৫১
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৪৯
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৯-এ "প্রচলিত আইনের হেফাজত" (Saving for existing laws) এর বিধান রয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকারিতা অব্যাহত থাকবে, তবে সেগুলো সংবিধানের অধীন প্রণীত আইন দ্বারা সংশোধিত বা রহিত করা যাবে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৯ অনুচ্ছেদের বিধান: প্রচলিত আইনের হেফাজত:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সকল প্রচলিত আইনের কার্যকরতা অব্যাহত থাকিবে, তবে অনুরূপ আইন এই সংবিধানের অধীন প্রণীত আইনের দ্বারা সংশোধিত বা রহিত হইতে পারিবে।
-----------
⇒ Article 149. Saving for existing laws:
Subject to the provisions of this Constitution all existing laws shall continue to have effect but may be amended or repealed by law made under this Constitution.

৫০.
The General Clauses Act, 1897 এর কোন ধারায় “একই অপরাধের জন্য দুইবার শাস্তি দেওয়া যাবে না” বিধান আছে?
  1. ধারা ১৬
  2. ধারা ১৮
  3. ধারা ২৬
  4. ধারা ২৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৬
ব্যাখ্যা

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ধারা ২৬–এ বলা হয়েছে, যদি কোনো কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীনে শাস্তিযোগ্য হয়, তবে অপরাধীকে যে কোনো এক আইনের অধীনে অভিযুক্ত করা যাবে।
- একই অপরাধের জন্য দুইবার শাস্তি দেওয়া যাবে না, যা Doctrine of Double Jeopardy–এর প্রতিফলন।

⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ২৬ ধারার বিধান: দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে বিধান:
যেক্ষেত্রে কোন কার্য বা বিচ্যুতি দুই বা ততোধিক আইনের অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হয়, সেই ক্ষেত্রে অপরাধীকে ঐ আইন সমূহের সকল বা যে কোন একটির অধীন অভিযুক্ত এবং শান্তি প্রদান করা যাবে, কিন্তু একই অপরাধের জন্য দুইবার শান্তি প্রদান করা যাবে না।
দোবারা সাজা নীতিটি আরো কয়েকটি আইনে বর্ণিত আছে। যথা:
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩৫(২);
- ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৪০৩;
- দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ১১;
- সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৪০; এবং
- ফৌজদারি আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর ধারা ৮।
----------------
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 26. Provision as to offences punishable under two or more enactments:
- Where an act or omission constitutes an offence under two or more enactments, then the offender shall be liable to be prosecuted and punished under either or any of those enactments, but shall not be liable to be punished twice for the same offence.

৫১.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এ লাইসেন্স বা পারমিট একাদিক্রমে কত বছর নবায়ন না করলে পুনরায় নবায়নের যোগ্য হবে না?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ১৩(২)-এর শর্তাংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।"
অর্থাৎ, যদি কোনো লাইসেন্স বা পারমিট ধারাবাহিকভাবে তিন বছর নবায়ন না করা হয়, তবে তা আর নবায়নের যোগ্য থাকবে না। এরপর নতুন করে আবেদন করতে হতে পারে।

⇒ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ১৩ ধারার বিধান লাইসেন্স, ইত্যাদি: 
(১) লাইসেন্স, পারমিট ও পাস বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, ফরমে, শর্তে এবং ফিস প্রদান সাপেক্ষে মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার কর্তৃক প্রদান করা যাইবে।
(২) লাইসেন্স, পারমিট অথবা পাসের মেয়াদ উহাতে উল্লিখিত শর্তে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত অথবা উহার প্রদানের তারিখ হইতে সংশ্লিষ্ট অর্থ বৎসর সমাপ্ত হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে: 
তবে শর্ত থাকে, কোনো লাইসেন্স অথবা পারমিট একাদিক্রমে ৩ (তিন) বৎসর নবায়ন না করা হইলে উহা পুনরায় নবায়নের যোগ্য হইবে না।

৫২.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে দুদক কেমন প্রকৃতির কমিশন?
  1. সরকারের অধীনস্থ
  2. স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন
  3. বিচার বিভাগের অধীন সংস্থা
  4. আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন
ব্যাখ্যা

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩(২) অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন।
⇒ দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।

- ধারা ৩- কমিশন প্রতিষ্ঠা, ইত্যাদি
(১) এই আইন, বলবৎ হইবার পর যতশীঘ্র সম্ভব, সরকার, সরকারী গেজেটে, প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে দুর্নীতি দমন কমিশন নামে একটি কমিশন প্রতিষ্ঠা করিবে।
(২) এই কমিশন একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ কমিশন হইবে। 
(৩) কমিশন একটি স্বশাসিত সংস্থা হইবে এবং উহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং এই আইন ও বিধি সাপেক্ষে, উহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং উহা হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং উহার নামে উহা মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে।

৫৩.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুযায়ী সাইবার সুরক্ষা ট্রাইব্যুনালকে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে কত কার্যদিবসের মধ্যে?
  1. ৯০ কার্যদিবস
  2. ১২০ কার্যদিবস
  3. ১৮০ কার্যদিবস
  4. ৩৬৫ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ৪৫(১) অনুসারে: ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
সুতরাং, সাইবার সুরক্ষা ট্রাইব্যুনালকে মামলা নিষ্পত্তি করতে হবে ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে।

⇒ সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ৪৫: মামলা নিষ্পত্তির জন্য নির্ধারিত সময়সীমা:
(১) ট্রাইব্যুনালের বিচারক এই অধ্যাদেশের অধীন কোনো মামলার অভিযোগ গঠনের তারিখ হইতে ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করিবেন।
(২) ট্রাইব্যুনালের বিচারক উপ-ধারা (১) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া উক্ত সময়সীমা সর্বোচ্চ ৯০ (নব্বই) কার্যদিবস পর্যন্ত বৃদ্ধি করিতে পারিবেন।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের বিচারক কোনো মামলা নিষ্পত্তি করিতে ব্যর্থ হইলে, তিনি উহার কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া বিষয়টি প্রতিবেদন আকারে হাইকোর্ট বিভাগকে অবহিত করিয়া মামলার কার্যক্রম পরিচালনা অব্যাহত রাখিতে পারিবেন।

৫৪.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী, ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণের ব্যয় সাধারণত কত বয়স পর্যন্ত প্রদান করা হয়?
  1. ১৪ বছর পর্যন্ত
  2. ১৮ বছর পর্যন্ত
  3. ২১ বছর পর্যন্ত
  4. ২৫ বছর পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
২১ বছর পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ১৩(১)(ঘ) অনুসারে, ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর ভরণপোষণের ব্যয় সাধারণত বয়স একুশ (২১) বছর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হয়। তবে দুটি বিশেষ ক্ষেত্রে এই সময়সীমা আরও বর্ধিত হতে পারে:
১. একুশ বছরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে – তার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত।
২. পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে – তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত।
- সুতরাং, সাধারণ নিয়মে ভরণপোষণ ২১ বছর বয়স পর্যন্ত প্রদান করা হয়।

⇒ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ১৩ ধারার বিধান: ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্মলাভকারী শিশু সংক্রান্ত বিধান:
(১) অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ধর্ষণের কারণে কোন সন্তান জন্মলাভ করিলে-
(ক) উক্ত সন্তানকে তাহার মাতা কিংবা তাহার মাতৃকুলীয় আত্মীয় স্বজনের তত্ত্বাবধানে রাখা যাইবে;
(খ) উক্ত সন্তান তাহার পিতা বা মাতা, কিংবা উভয়ের পরিচয়ে পরিচিত হইবার অধিকারী হইবে;
(গ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় রাষ্ট্র বহণ করিবে;
(ঘ) উক্ত সন্তানের ভরণপোষণের ব্যয় তাহার বয়স একুশ বৎসর পূর্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রদেয় হইবে, তবে একুশ বত্সরের অধিক বয়স্ক কন্যা সন্তানের ক্ষেত্রে তাহার বিবাহ না হওয়া পর্যন্ত এবং পঙ্গু সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি স্বীয় ভরণপোষণের যোগ্যতা অর্জন না করা পর্যন্ত প্রদেয় হইবে।
(২) সরকার বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সন্তানের ভরণপোষণ বাবদ প্রদেয় অর্থের পরিমাণ নির্ধারণ করিবে।
(৩) এই ধারার অধীন কোন সন্তানকে ভরণপোষণের জন্য প্রদেয় অর্থ সরকার ধর্ষকের নিকট হইতে আদায় করিতে পারিবে এবং ধর্ষকের বিদ্যমান সম্পদ হইতে উক্ত অর্থ আদায় করা সম্ভব না হইলে, ভবিষ্যতে তিনি যে সম্পদের মালিক বা অধিকারী হইবেন সেই সম্পদ হইতে উহা আদায়যোগ্য হইবে।

৫৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ অনুযায়ী, নিচের কোনটি 'আইনগত সহায়তা'-এর অন্তর্ভুক্ত ?
  1. আইনজীবীর সম্মানী প্রদান।
  2. মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদান।
  3. মামলা দায়েরের জন্য আইনগত পরামর্শ।
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ (ধারা ২(ক)) অনুযায়ী, আইনগত সহায়তা অন্তর্ভুক্ত করে: 
- কোনও আদালতে দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান (ধারা ২(ক)(অ))
- মধ্যস্থতা বা সালিশ কার্য পরিচালনার জন্য সম্মানী প্রদান (ধারা ২(ক)(আ))
- মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্যান্য সহায়তা (ধারা ২(ক)(ই))
- উপরের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য আইনজীবীকে নির্ধারিত হারে সম্মানী প্রদান (ধারা ২(ক)(ঈ))
তাই এই তিনটি কার্যই আইনগত সহায়তার অংশ।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর প্রস্তাবনায় এই আইনের উদ্দেশ্য দেয়া আছে। বলা আছে যে 'আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদানকল্পে প্রণীত আইন।'
-যেহেতু আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায়-সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে আইনগত সহায়তা প্রদান সমীচীন ও প্রয়োজনীয়।

⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর ২(ক) ধারার বিধান: “আইনগত সহায়তা” অর্থ আর্থিকভাবে অসচ্ছল, সহায় সম্বলহীন এবং নানাবিধ আর্থ-সামাজিক কারণে বিচার প্রাপ্তিতে অসমর্থ বিচারপ্রার্থীকে-
(অ) কোন আদালতে দায়েরযোগ্য, দায়েরকৃত বা বিচারাধীন মামলায় আইনগত পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
(আ) Code of Civil Procedure, 1908 (Act No. V of 1908) এবং প্রচলিত অন্যান্য আইনের বিধান অনুসারে মধ্যস্থতা বা সালিশের মাধ্যমে কোন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে নিযুক্ত মধ্যস্থতাকারী বা সালিশকারীকে সম্মানী প্রদান;
(ই) মামলার প্রাসঙ্গিক খরচ প্রদানসহ অন্য যে কোন সহায়তা প্রদান; এবং
(ঈ) উপ-ধারা (অ) হইতে (ই) এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হারে আইনজীবীকে সম্মানী প্রদান।

৫৬.
শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১ অনুযায়ী, শিশু-আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কোথায়?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. জেলা জজ আদালত 
  3. দায়রা জজ আদালত
  4. শিশু আপিল আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১(১) স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, শিশু-আদালতের আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাবে। এটি ফৌজদারি কার্যবিধির সাধারণ বিধানকে অগ্রাহ্য করে সরাসরি হাইকোর্ট বিভাগে আপিলের সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ধারা ৪১- আপিল ও পুনর্বিবেচনা:
(১) ফৌজদারী কার্যবিধিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন শিশু-আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ বা রায়ের বিরুদ্ধে উক্ত আদেশ বা রায় প্রদানের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করা যাইবে। 
(২) শিশু-আদালতের কোনো আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে পুনর্বিবেচনা (Revision) করা যাইবে।
(৩) এই ধারার অধীন আপিল বা, ক্ষেত্রমত, পুনর্বিবেচনার আবেদন দাখিল করা হইলে উক্ত আবেদনটি দায়েরের তারিখ হইতে অনধিক ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।

৫৭.
হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারা অনুযায়ী, আপিলের পূর্বে চেকের টাকার কত শতাংশ বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ২৫%
  2. ৫০%
  3. ৬০%
  4. ৭৫%
সঠিক উত্তর:
৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০%
ব্যাখ্যা

⇒  হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮ক ধারার বিধান আপিলের ক্ষেত্রে বাধা-নিষেধ:- ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের (Order of Sentence) বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।

⇒ আপীল দায়েরের পূর্বশর্ত:
চেক ডিজঅনারের মামলায় চেকে উল্লেখিত অর্থের সর্বনিম্ন ৫০% জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
চেক ডিজঅনারকৃত চেকের টাকার ৫০% টাকা যে আদালত শাস্তি দিয়েছে সে আদালতে জমা দিয়ে আপীল দায়ের করতে হবে।
তার মানে ৫০% টাকাটা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে,আপীল আদালতে নয়।
--------------------
⇒ Negotiable Instruments Act, 1881- Section-138A. Restriction in respect of appeal:
-Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

৫৮.
'মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬' কবে জারি করা হয়?
  1. ১ জানুয়ারি, ২০২৬
  2. ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  3. ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
  4. ১০ জানুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
৬ জানুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) ৬ জানুয়ারি, ২০২৬
⇒ ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ (২০২৬ সনের ০৫ নং অধ্যাদেশ) ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে জারি করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশ সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রণীত হয় এবং সরকারি গেজেট (Extraordinary Gazette) এ প্রকাশিত হয়েছে।
- এই অধ্যাদেশ প্রণয়নের মাধ্যমে পূর্বে প্রচলিত 'মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ (২০১২ সনের ৩ নং আইন)' সম্পূর্ণরূপে রহিত করা হয়েছে।
- 'মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন অধ্যাদেশ, ২০২৬' এ মোট ৯টি অধ্যায় এবং ৬৫টি ধারা রয়েছে।

৫৯.
“দ্রুত বিচার আদালত গঠন” সংক্রান্ত বিধান আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ৭
  3. ধারা ৮
  4. ধারা ৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৮
ব্যাখ্যা

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮-এর শিরোনামই হল "দ্রুত বিচার আদালত গঠন"। এই ধারায় সরকার কর্তৃক গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জেলায় ও মেট্রোপলিটন এলাকায় দ্রুত বিচার আদালত গঠন, বিচারক নিয়োগ এবং অধিক্ষেত্র নির্ধারণের বিধান রয়েছে।

⇒ আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা ৮- দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷
(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।

৬০.
বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর কোন ধারায় “নতুন করে বিচার (trial de-novo)” এর উপর বাধা আরোপ করা হয়েছে?
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৮
  3. ধারা ৩০
  4. ধারা ৩১
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩১
ব্যাখ্যা

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ধারা ৩১ "নতুন বিচারে বাধা" (Bar on trial de-novo) এর বিধান দেয়। এটি ট্রাইব্যুনালকে এই ক্ষমতা দেয় যে, যদি কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য ইতোমধ্যে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকে বা কোনো কার্যক্রম হয়ে থাকে, তবে ট্রাইব্যুনাল সেগুলো পুনরায় শুনানি বা পুনরায় শুরু করতে বাধ্য নয়। ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করে মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেখান থেকে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে। এটি দ্বিবার সাজা নীতি (Principle of double jeopardy)-এর প্রতিফলন হিসেবে কাজ করে, কারণ এটি একই বিষয়ে বারবার বিচারের সম্ভাবনা সীমিত করে।

⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর ৩১ ধারার বিধান: নতুন বিচারে বাধা: যার সাক্ষ্য একবার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে, ট্রাইব্যুনাল এমন কোন সাক্ষীকে পুনরায় ডাকতে বা তার বক্তব্য শ্রবণ করতে বাধ্য নয় অথবা যে কার্যক্রম একবার অনুষ্ঠিত হয়েছে তা পুনরায় আরম্ভ করতে বাধ্য নয়।
এক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে দাখিলকৃত বা লিপিবদ্ধ সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে কাজ করতে পারে এবং মামলা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে সেই পর্যায় হতে বিচার অব্যাহত রাখতে পারে।
--------------
⇒ The Special Powers Act, 1974, - Section 31: Bar on trial de-novo:
- A Special Tribunal, unless it otherwise decides, shall not be bound to recall or re-hear any witness whose evidence has already been recorded, or to re-open proceedings already held, but may act on the evidence already produced or recorded and continue the trial from the stage which the case has reached.

৬১.
নিবন্ধনের অবৈধতা সম্পর্কে সর্বপ্রথম অবগত হওয়ার পর পুনঃনিবন্ধনের জন্য দলিল দাখিল করতে হবে কত মাসের মধ্যে?
  1. ৩ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ২ মাস
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মাস
ব্যাখ্যা

⇒নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান মতে: দলিল নিবন্ধন করার ক্ষমতাসম্পন্ন নয় এমন ব্যক্তি রেজিস্ট্রার বা সাব রেজিস্ট্রারের নিকট কোন দলিল দাখিল করে নিবন্ধন করলে তা অবৈধ বলে গণ্য হবে।
- উক্ত দলিলের নিবন্ধন অবৈধ হয়েছে জানার দিন থেকে ৪ মাসের মধ্যে পুনরায় রেজিস্ট্রারের নিকট নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।

⇒ নিবন্ধন আইনের ২৩ক ধারার বিধান: কতিপয় দলিলের পুনঃনিবন্ধন (Re-registration of certain documents):
- যদি কোন ক্ষেত্রে দলিল দাখিল করার ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক নিবন্ধনযোগ্য কোন দলিল নিবন্ধনের জন্য রেজিস্ট্রার বা সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট পেশ করে এবং উক্ত দলিল নিবন্ধিত হয়, তবে উক্ত দলিলের দাবিদার এমন কোন ব্যক্তি উক্ত দলিল নিবন্ধনের অবৈধতা সম্পর্কে সর্বপ্রথম অবগত হওয়ার পর ৪ মাসের মধ্যে জেলার যেই রেজিস্ট্রারের অফিসে দলিলটি প্রথম নিবন্ধিত হয়েছিল ঐ রেজিস্ট্রারের অফিসে পুনরায় নিবন্ধনের জন্যে দাখিল করতে বা দাখিল করাতে পারেন এবং রেজিস্ট্রার যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে-
- দলিলটি দাখিল করার প্রকৃত ক্ষমতা প্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তির নিকট হতে দলিলটি নিবন্ধনের জন্য গৃহীত হয়েছিল, তবে তিনি দলিলটি পুনঃনিবন্ধনের বিষয়ে এরূপভাবে অগ্রসর হবেন যেন তা পূর্বে কোন সময় নিবন্ধিত হয়নি এবং যেন পুনঃনিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন প্রদত্ত সময়ের মধ্যে দলিল নিবন্ধনের জন্য দাখিল করার অনুমোদিত সময়ের মধ্যেই হয়েছে;
- দলিল নিবন্ধন বিষয়ক এই আইনের সকল শর্ত উক্ত পুনঃনিবন্ধনে প্রযোজ্য হবে;
- উক্ত দলিল যদি এই ধারার শর্তাবলি অনুযায়ী যথেষ্টরূপে পুনরায় নিবন্ধিত হয় সেক্ষেত্রে তার প্রথম নিবন্ধনের তারিখেই সঠিকরূপে নিবন্ধিত হয়েছে বলে গণ্য হবে।
----------------------
Section-23A. Re-registration of certain documents:
-Notwithstanding anything to the contrary contained in this Act, if in any case a document requiring registration has been accepted for registration by a Registrar or Sub-Registrar from a person not duly empowered to present the same, and has been registered, any person claiming under such document may, within four months from this first becoming aware that the registration of such document is invalid, present such document or cause the same to be presented, in accordance with the provisions of Part VI for re-registration in the office of the Registrar of the district in which the document was originally registered; and upon the Registrar being satisfied that the document was so accepted for registration from a person not duly empowered to present the same, he shall proceed to the re-registration of the document as if it had not been previously registered, and as if such presentation for re-registration was a presentation for registration made within the time allowed therefor under Part IV, and all the provisions of this Act, as to registration of documents, shall apply to such re-registration; and such document, if duly re-registered in accordance with the provisions of this section, shall be deemed to have been duly registered for all purposes from the date of its original registration:
 
Provided that, within three months from the twelfth day of September, 1917, any person claiming under a document to which this section applies may present the same or cause the same to be presented for re-registration in accordance with this section, whatever may have been the time when he first became aware that the registration of the document was invalid.

৬২.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা অনুযায়ী, স্থানান্তরিত জমিতে স্থাপনা নির্মাণের জন্য ব্যয় করা অর্থের উপর বার্ষিক কত হারে সুদ প্রদানের বিধান আছে?
  1. ৫%
  2. ৬%
  3. ৬.২৫%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
৬.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.২৫%
ব্যাখ্যা

⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় যে সকল বিষয় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে তার বিধান আছে:
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]। 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ।
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
-----------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, Section 24: Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
- (1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be.
- (2) The application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant at the time of making it deposits in Court the amount of the consideration money or the value of the portion or share of the property transferred as stated in the notice served on the applicant under section 23 together with compensation at the rate of five per centum of such amount.
-(3) If such deposit is made, the Court shall give notice to the transferee to appear within such period as it may fix and to state what other sums he has paid in respect of rent for the period after the date of transfer or in annulling encumbrances on the property and also what other amounts, if any, have been spent by him, between the date of the transfer and the date of service of the notice of the application, in erecting any building or structure or in making any other improvement in the portion or share of the property transferred. The Court shall then direct the applicant, including any person whose application under sub-section (4) is granted, to deposit within such period as the Court thinks reasonable such amount as the transferee has paid or spent on these accounts together with interest at the rate of six and a quarter per centum per annum with effect from the date on which the transferee made such payments or spent such amounts.

৬৩.
'লিসপেনডেন্স নীতি' (Lis Pendens) সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কোন ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে? 
  1. ধারা ৫১
  2. ধারা ৫২
  3. ধারা ৫৩
  4. ধারা ৫৪
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
ব্যাখ্যা

⇒ "লিসপেনডেন্স নীতি (The doctrine of lis pendens)" এর মূল কথা হলো- Pendente lite nihil invatur অর্থাৎ মামলা রুজু অবস্থায় নতুন কোনো অবস্থার সৃষ্টি করা উচিত হবে না। এই নীতি সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারায় প্রতিফলিত হয়েছে।

-  সম্পত্তি হস্তান্তর আইন,১৮৮২ এর ৫২ ধারা  অনুযায়ী, কোন স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও সুনির্দিষ্টভাবে ঐ সম্পত্তি সংক্রান্ত কোন অধিকারের প্রশ্ন উত্থাপিত হলে, মামলার কোন পক্ষই আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারবে না। তবে আদালত অনুমতি দিলে তা হস্তান্তর করা যাবে। মামলা চলাকালীন হস্তান্তর মামলার ফলাফলকে কোনোভাবে প্রভাবিত করবে না বা মামলার কোনো পক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।
 
- Section 52: Transfer of property pending suit relating thereto:
During the pendency in any Court in Bangladesh, of any suit or proceeding which is not collusive and in which any right to immoveable property is directly and specifically in question, the property cannot be transferred or otherwise dealt with by any party to the suit or proceeding so as to affect the rights of any other party thereto under any decree or order which may be made therein, except under the authority of the Court and on such terms as it may impose. 
 
Explanation.-For the purposes of this section, the pendency of a suit or proceeding shall be deemed to commence from the date of the presentation of the plaint or the institution of the proceeding in a Court of competent jurisdiction, and to continue until the suit or proceeding has been disposed of by a final decree or order and complete satisfaction or discharge of such decree or order has been obtained, or has become unobtainable by reason of the expiration of any period of limitation prescribed for the execution thereof by any law for the time being in force.

৬৪.
নিচের কোন পদধারী রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(৩) ধারা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে 'কালেক্টর' হিসেবে গণ্য হন না?
  1. জেলার কালেক্টর
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. সার্কেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্ড অফিসার
  4. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সঠিক উত্তর:
সার্কেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্ড অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্কেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্ড অফিসার
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ২(৩) অনুসারে "কালেক্টর" বলতে নিম্নোক্ত তিন প্রকার কর্মকর্তাকে বোঝায়:
১. জেলার কালেক্টর 
২. ডেপুটি কমিশনার 
৩. এই আইনের অধীনে কালেক্টরের সকল বা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্যান্য কর্মকর্তা। 
- কিন্তু সার্কেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্ড অফিসার এই আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে "কালেক্টর" হিসেবে গণ্য হবেন না।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(৩) ধারায় কালেক্টরের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কালেক্টর বলতে জেলার কালেক্টর এবং ডেপুটি কমিশনার এবং এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কেন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত হবে।

সুতরাং, কালেক্টর বলতে-
i. জেলার কালেক্টর; এবং
ii. ডেপুটি কমিশনার; এবং
III. এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা; অন্তর্ভুক্ত হবে।

৬৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারা মূলত কোন বিষয়টি নিশ্চিত করে?
  1. প্রকৃত মালিক কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের বৈধতা।
  2. প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলী।
  3. সরকার কর্তৃক সম্পত্তি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া।
  4. কোনো ব্যক্তি কর্তৃক জোর করে সম্পত্তি দখলের অধিকার।
সঠিক উত্তর:
প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলী।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলী।
ব্যাখ্যা

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৪১ মূলত প্রতীয়মান মালিক (ostensible owner) কর্তৃক সম্পত্তি হস্তান্তরের শর্তাবলী নির্ধারণ করে। এটি নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নিশ্চিত করে:
১. প্রতীয়মান মালিকের ধারণা: যদি কোনো ব্যক্তি প্রকৃত স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিতে প্রকাশ্যে মালিক হিসেবে পরিচিত হন এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করেন।
২. হস্তান্তরের বৈধতা: এমন হস্তান্তর শুধুমাত্র তখনই অবৈধ বলে বিবেচিত হবে না, যদি হস্তান্তরগ্রহীতা যুক্তিসঙ্গত সাবধানতা নিয়ে হস্তান্তরকারীর ক্ষমতা যাচাই করে এবং সরল বিশ্বাসে (good faith) কাজ করে।
৩. সুরক্ষা: এই ধারা সরল বিশ্বাসী ক্রেতাকে সুরক্ষা দেয় এবং ব্যবসায়িক লেনদেনের নিশ্চয়তা বৃদ্ধি করে।

⇒ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৪১ ধারার বিধান: প্রতীয়মান মালিক কর্তৃক হস্তান্তর: যখন কোন ব্যক্তি, স্থাবর সম্পত্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগণের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সম্মতিক্রমে, ঐ সম্পত্তির প্রতীয়মান মালিক বলে পরিগণিত হয় এবং মূল্যের বিনিময়ে সে তা হস্তান্তর করে, তখন তার হস্তান্তরের ক্ষমতা নির্ধারণের জন্য গৃহীত যুক্তিসংগত সাবধানতা গ্রহণ করে থাকলে এবং সরল বিশ্বাসে কার্য করে থাকলে, দাতার হস্তান্তরের ক্ষমতা ছিল না, এই যুক্তিতে হস্তান্তর বাতিলযোগ্য হবে না।
---------------- 
- The Transfer of Property Act, 1882 Section 41. Transfer by ostensible owner:
 - Where, with consent, express or implied, of the persons interested in immoveable property, a person is the ostensible owner of such property and transfers the same for consideration, the transfer shall not be voidable on the ground that the transferor was not authorised to make it: provided that the transferee, after taking reasonable care to ascertain that the transferor had power to make the transfer, has acted in good faith.

৬৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা অনুযায়ী, কোন সম্পদের উপর কোনো মালিককে অধিকার প্রদান করা হয় না? 
  1. জমির উপরিভাগের ফসল
  2. জমিতে নির্মিত স্থাপনা
  3. জমির ভাড়া আদায়ের অধিকার
  4. খনিজ সম্পদ বা ভূ-অভ্যন্তরীণ সম্পদ
সঠিক উত্তর:
খনিজ সম্পদ বা ভূ-অভ্যন্তরীণ সম্পদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খনিজ সম্পদ বা ভূ-অভ্যন্তরীণ সম্পদ
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ৮১-এর প্রথম শর্তাংশে (প্রথম প্রভাইজো) স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না।"
অর্থাৎ, এই আইন মালিককে খনিজ সম্পদ (যেমন: কয়লা, গ্যাস, তেল, অন্যান্য খনিজ) এবং ভূ-অভ্যন্তরীণ অন্যান্য সম্পদের অধিকার প্রদান করে না। এই অধিকার রাষ্ট্র সংরক্ষণ করে।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- Section 81- Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities:
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 
Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:
Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.

৬৭.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৫ক ধারায় কোন ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. দখলদারের বিরুদ্ধে আদেশ
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
  3. জমি বায়না সংক্রান্ত আদেশ
  4. ইজারা নির্ধারণের আদেশ
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ধারা ৯(১) বা ধারা ২০ এর অধীনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যায়। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিষয়ে উল্লেখ করে।
- সুতরাং, ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনারের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949-Section 85A.  Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

৬৮.
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুযায়ী, চুক্তি সম্পাদনের জন্য নিম্নের কোন শর্তটি প্রয়োজনীয় নয়?
  1. শিক্ষিত হওয়া
  2. সাবালক হওয়া
  3. সুস্থ মনের অধিকারী হওয়া
  4. আইন দ্বারা অযোগ্য না হওয়া
সঠিক উত্তর:
শিক্ষিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষিত হওয়া
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ১১ অনুযায়ী চুক্তি সম্পাদনের জন্য যে শর্তগুলো আবশ্যক, সেগুলো হলো—
- ব্যক্তি সাবালক হতে হবে
- ব্যক্তি সুস্থ মনের অধিকারী হতে হবে
- ব্যক্তি কোনো আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য ঘোষিত হওয়া যাবে না
→  শিক্ষিত হওয়া (educated) — এই শর্তটি ধারা ১১–তে কোথাও উল্লেখ নেই।
অতএব, শিক্ষিত না হলেও একজন ব্যক্তি আইনত চুক্তি করার যোগ্য হতে পারেন।

⇒ কারা চুক্তি সম্পাদনে যোগ্যতা চুক্তি আইনের ১১ ধারায় বলা হয়েছে। এ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক ব্যক্তিই চুক্তি করার যোগ্য যদি সে নিজ আইনে সাবালক, এবং সুস্থ মনের অধিকারীএবং নিজ আইনে চুক্তি করার জন্য অযোগ্য না হন। [Every person is competent to contract who is age of majority according to the law to which he is subject, and sound mind and is not disqualified from contracting by any law to which he is subject.]
 
• চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তি:
চুক্তি আইনের ১১ ধারা অনুসারে বলা যায় তিন ধরনের ব্যক্তি চুক্তি করা জন্য অযোগ্য। এ ব্যক্তিরা হলেন:
১। নাবালক,
২। অসুস্থ মনের অধিকারী বা মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি এবং
৩। নিজ আইনে অযোগ্য ব্যক্তি।
পূর্বে বলা হয়েছে ব্যক্তি বলতে প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ব্যক্তি উভয়কে বোঝানো হয়েছে। কৃত্রিম ব্যক্তি যদি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হয় তাহলে চুক্তি সম্পাদনে অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

৬৯.
যদি একটি স্থাবর সম্পত্তির মূল্য ২৫ লক্ষ টাকা হয়, তবে বণ্টননামা দলিল নিবন্ধনের ফি কত হবে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৭০০ টাকা
  3. ১,২০০ টাকা
  4. ১,৮০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১,২০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,২০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ নিবন্ধন আইনের ধারা ৭৮খ এর বিধান বণ্টননামা দলিলের জন্য নিবন্ধন ফিস:- ধারা ৭৮ বা আপাতত বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন; স্থাবর সম্পত্তি বিষয়ক বণ্টননামা দলিলের নিবন্ধন ফিস হইবে নিম্নরূপ, যথা:
(১) সম্পত্তির মূল্য অনূর্ধ্ব তিন লক্ষ টাকা হইলে, পাঁচশত টাকা;
(২) সম্পত্তির মূল্য তিন লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব দশ লক্ষ টাকা হইলে, সাতশত টাকা:
(৩) সম্পত্তির মূল্য দশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব ত্রিশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার দুইশত টাকা:
(৪) সম্পত্তির মূল্য ত্রিশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে এবং অনূর্ধ্ব পঞ্চাশ লক্ষ টাকা হইলে, এক হাজার আটশত টাকা:
(৫) সম্পত্তির মূল্য পঞ্চাশ লক্ষ টাকার ঊর্ধ্বে হইলে, দুই হাজার টাকা।
-----------------------------------------------------
⇒ Section-78B. Registration fee for instrument of partition:
-Notwithstanding anything contained in section 78 or any other law for the time being in force, fee payable for registration of an instrument of partition of immovable property shall be-
(i) five hundred taka, where valuation of the property is not more than three lakh taka;
(ii) seven hundred taka, where valuation of the property is above three lakh taka and not more than ten lakh taka;
(iii) twelve hundred taka, where valuation of the property is above ten lakh taka and not more than thirty lakh taka;
(iv) eighteen hundred taka, where valuation of the property is above thirty lakh taka and not more than fifty lakh taka;
(v) two thousand taka, where valuation of the property is above fifty lakh taka.

৭০.
চুক্তি আইন, ১৮৭২-এ প্রতিনিধিত্ব (Agency) পরিসমাপ্তির বিধান কোন ধারায় আছে?
  1. ধারা ১৮২
  2. ধারা ২০১
  3. ধারা ২১০
  4. ধারা ২২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২০১
ব্যাখ্যা

⇒ চুক্তি আইন, ১৮৭২-এর ধারা ২০১ অনুসারে, প্রতিনিধিত্বের (Agency) পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে প্রিন্সিপালের ক্ষমতা প্রত্যাহার, এজেন্টের পরিত্যাগ, এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হওয়া, প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মৃত্যু বা অপ্রকৃতিস্থ হওয়া, বা প্রিন্সিপালের দেউলিয়া হওয়ার মাধ্যমে।

⇒ চুক্তি আইনের ২০১ ধারার বিধান প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি (Termination of agency):
প্রতিনিধিত্বের পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে-
- প্রিন্সিপাল তার ক্ষমতা প্রত্যাহার করলে; অথবা
- এজেন্ট তার এজেন্সির কাজ পরিহার করলে; অথবা
- এজেন্সির কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে; অথবা
- প্রিন্সিপাল বা এজেন্টের মধ্যে কারও মৃত্যু হলে বা অপ্রকৃতিস্থ হলে; অথবা 
- দেনাদারদের প্রতিকারের জন্য প্রিন্সিপাল দেউলিয়া হলে।
-------------
⇒ The Contract Act, 1872, Section 201. Termination of agency:
 An agency is terminated by the principal revoking his authority; or by the agent renouncing the business of the agency; or by the business of the agency being completed; or by either the principal or agent dying or becoming of unsound mind; or by the principal being adjudicated an insolvent under the provisions of any Act for the time being in force for the relief of insolvent debtors.

৭১.
'সাইপ্রেস' (Cy-pres) শব্দটির আক্ষরিক অর্থ কী?
  1. vested interest 
  2. easement right
  3. as close as possible
  4. as soon as possible 
সঠিক উত্তর:
as close as possible
উত্তর
সঠিক উত্তর:
as close as possible
ব্যাখ্যা

⇒ Cy-pres শব্দটি এসেছে পুরোনো ফরাসি বাক্য “cy pres comme possible” থেকে।
এর অর্থ হলো “যতদূর সম্ভব কাছাকাছি”।
আইনগতভাবে এটি এমন একটি নীতি, যেখানে ওয়াক্ফ/দাতব্য উদ্দেশ্য ব্যর্থ হলে, সেই সম্পত্তি নিকটতম সমজাতীয় দাতব্য উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়, যাতে দাতার সদিচ্ছা যতদূর সম্ভব বাস্তবায়িত হয়।
অর্থাৎ Cy-pres = As close as possible = যতদূর সম্ভব নিকটতম উদ্দেশ্যে ব্যবহার।

⇒ The term ‘cy pres’ comes from the old French phrase ‘cy pres comme possible’, which means “as near as possible.”
- Cy pres is French for "as close" and is short for cy pres comme possible, or "as close as possible."
The term cy pres doctrine refers to a legal concept that gives courts the power to interpret the terms of a will, gift, estate, or charitable trust. 
- In the legal sphere, the phrase refers to ensuring that a donor’s or testator’s desires are followed out as nearly as possible, whether in a will or as part of a charitable trust or estate. 

⇒ "সাইপ্রেস" অর্থ- যতদূর সম্ভব। সাইপ্রেস নীতিটি ন্যায়পরায়নতার নীতি। যার ব্যবহারিক অর্থ হচ্ছে যতদূর সম্ভব কাছাকাছি। যেখানে ওয়াফ্ফনামায় একটি সুস্পষ্ট দাতব্য মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে তা ব্যর্থ হবেনা।

 ⇒ ওয়াক্ত সৃষ্টির উদ্দেশ্য সুনির্দিষ্ট থাকতে হবে। অন্যথায় এটা অবৈধ বলে গণ্য হবে। ওয়াফ্ফনামায় দান করার সদিচ্ছা সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত হলে, যে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ওয়াক্ত করা হয়েছে তা যদি কোন কারণে ব্যর্থ হয় তবে, ওয়াফ্ফের সম্পত্তি দরিদ্রের উপকারের জন্য অথবা যে উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে তার নিকটতম অপর কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে। ওয়াফ্ফের এই নীতি কে "সাইপ্রেস (Cy-press) মতবাদ বলা হয়।

৭২.
বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন কোন মতবাদ অনুসারে হয়?
  1. দায়ভাগ মতবাদ
  2. মিতাক্ষরা মতবাদ
  3. মায়ূখ মতবাদ
  4. ব্যক্তিগত আইন
সঠিক উত্তর:
দায়ভাগ মতবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়ভাগ মতবাদ
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে হয়। এই মতবাদে মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণ ও আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ) অনুসরণ করে উত্তরাধিকার নির্ধারণ করা হয়।
- অর্থাৎ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের অখণ্ড হিন্দু পরিবার বা যৌথ পরিবারের সম্পত্তি বণ্টন দায়ভাগ মতবাদ (Dayabhaga School) অনুসারে হয়ে থাকে। এই মতবাদের উদ্ভব ঘটেছিল বাংলা অঞ্চলে এবং এটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত।

মতবাদের বৈশিষ্ট্য:
- উত্তরাধিকার সৃষ্টি হয় মালিকের মৃত্যুর পর (জন্মসূত্রে নয়)।
- মৃত ব্যক্তির সপিণ্ডরা (যারা পিণ্ডদানের অধিকারী) প্রধান উত্তরাধিকারী।
- এটি আধ্যাত্মিক নীতি (Doctrine of Spiritual Benefit) এর উপর ভিত্তি করে গঠিত।

- সুতরাং, বাংলাদেশে হিন্দু সম্পত্তি বণ্টন দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে হয়।

৭৩.
নিম্নলিখিত কোন বিবাহটি মুসলিম আইনে অনিয়মিত বিবাহ নয়?
  1. সাক্ষী ছাড়া বিবাহ
  2. প্রথম স্ত্রী থাকতে দ্বিতীয় বিবাহ
  3. ইদ্দত পালনকারী মহিলাকে বিবাহ
  4. একই সাথে দুই বোনেকে বিবাহ করা 
সঠিক উত্তর:
প্রথম স্ত্রী থাকতে দ্বিতীয় বিবাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম স্ত্রী থাকতে দ্বিতীয় বিবাহ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে বিবাহকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
- সহিহ বিবাহ – যাবতীয় শর্ত পূরণসহ সম্পন্ন বিবাহ।
- ফাসিদ বিবাহ – অনিয়মিত বিবাহ, যাতে কিছু শর্তের অভাব বা লঙ্ঘন আছে কিন্তু বিবাহটি মূলত বে-আইনি নয়। এ ধরনের বিবাহ সংশোধনযোগ্য।
- বাতিল বিবাহ – সম্পূর্ণ অবৈধ বিবাহ, যা কোনোভাবেই বৈধ হয় না।

⇒ অনিয়মিত বিবাহের সংজ্ঞা (Definition of irregular marriage):
যে বিবাহ মূলত বে-আইনী নয়, কিন্তু এতে বৈধ বিবাহের কোনো নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তবে ঐ বিবাহকে অনিয়মিত বিবাহ বা ফাসিদ বিবাহ বলে। অর্থাৎ যে বিবাহ ত্রুটিপূর্ণ, কিন্তু বাতিল নয় এটিই অনিয়মিত বিবাহ।
যেমন: সাক্ষী ছাড়া বিবাহ, ইদ্দতের মধ্যে বিবাহ, স্ত্রীর বোন বিবাহ করা ইত্যাদি।

মুসলিম আইনে "অনিয়মিত বিবাহ" (ফাসিদ) বলতে এমন বিবাহকে বোঝায় যাতে বিবাহের কিছু আনুষ্ঠানিক শর্ত লঙ্ঘন করা হয়েছে, কিন্তু বিবাহটি সম্পূর্ণ বাতিল নয় (সংশোধনযোগ্য)।
ক) সাক্ষী ছাড়া বিবাহ: এটি ফাসিদ, কারণ মুসলিম বিবাহের জন্য কমপক্ষে দুইজন সাক্ষী বাধ্যতামূলক।
গ) ইদ্দত পালনরত মহিলাকে বিবাহ: এটি ফাসিদ, কারণ ইদ্দতকালীন (প্রতীক্ষার সময়) মহিলাকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ।
ঘ) একই সাথে দুই বোনকে বিবাহ: এটি ফাসিদ, কারণ ইসলামে একই সময়ে দুই বোনকে বিবাহ করা হারাম।

খ) প্রথম স্ত্রী থাকতে দ্বিতীয় বিবাহ: এটি ফাসিদ নয়, অর্থাৎ এটি অনিয়মিত বিবাহ নয়। ইসলামী আইন পুরুষকে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে সর্বোচ্চ চারটি বিবাহ করার অনুমতি দেয়। তাই প্রথম স্ত্রীর অনুমতি না নিয়ে বা তার অজান্তে দ্বিতীয় বিবাহ করলেও বিবাহটি সহিহ (বৈধ) হিসেবে গণ্য হয়, তবে এটি নৈতিক ও সামাজিক দিক থেকে অপ্রশংসনীয় এবং স্ত্রীর হক নষ্ট করার দায়িত্ব বহন করে। এটি ফাসিদ নয়, কারণ এটি মূল নিয়মের পরিপন্থী নয়।

- সুতরাং, প্রথম স্ত্রী থাকতে দ্বিতীয় বিবাহ অনিয়মিত বিবাহ নয়, বরং শরীয়তের সীমার মধ্যে একটি বৈধ বিবাহ।

৭৪.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১৯ ধারা অনুযায়ী, দেনমোহরের ক্ষেত্রে আপিল দায়েরের জন্য ন্যূনতম কত টাকার ডিক্রি থাকা প্রয়োজন?
  1. ৪০ হাজার
  2. ৫০ হাজার
  3. ৭৫ হাজার
  4. ১ লক্ষ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ হাজার
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১৯ ধারার বিধান: আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি: 
(১) পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে পারিবারিক আপিল আদালতে আপিল দায়ের করা যাইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো ডিক্রির বিরুদ্ধে নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাইবে না, যথা:-
(ক) Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 (Act No. VIII of 1939) এর section 2 এর clause (viii) এর sub-clause (d) তে বর্ণিত কারণে বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য কোনো বিবাহ বিচ্ছেদ; এবং
(খ) দেনমোহরের ক্ষেত্রে অনধিক ৫০ (পঞ্চাশ) হাজার টাকার ডিক্রি ।
(২) কোনো আপিল সংশ্লিষ্ট রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে উহার নকল সংগ্রহের জন্য প্রয়োজনীয় সময় বাদ দিয়া অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে আপিল দায়ের করিতে হইবে :
তবে শর্ত থাকে যে, পারিবারিক আপিল আদালত উপযুক্ত কারণে উক্ত মেয়াদ বৃদ্ধি করিতে পারিবে।
(৩) যেকোনো আপিল-
(ক) লিখিত আকারে হইবে;
(খ) আপিলকারী যে কারণে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরোধিতা করিতেছেন তাহার কারণ উল্লেখ করিতে হইবে;
(গ) পক্ষগণের নাম, বর্ণনা ও ঠিকানা উল্লেখ করিতে হইবে; এবং
(ঘ) আপিলকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হইতে হইবে।
(৪) আদালতের যে রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা হইয়াছে উহার একটি প্রত্যয়িত অনুলিপি আপিলের সহিত সংযুক্ত করিতে হইবে।
(৫) পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক প্রদত্ত কোনো আদেশ, যথাশীঘ্র সম্ভব, পারিবারিক আদালতকে অবহিত করিতে হইবে এবং উক্ত আদালত তদনুসারে রায়, ডিক্রি বা আদেশ পরিবর্তন বা সংশোধন করিবে এবং ডিক্রি রেজিস্টারের যথাযথ কলামে সেই মর্মে প্রয়োজনীয় অন্তর্ভুক্তির কার্য সম্পাদন করিবে।
(৬) ধারা ১৮ অধীন জেলা জজ আদালত পারিবারিক আপিল আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালনকালীন কোনো আপিল অতিরিক্ত জেলা জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতে শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিতে পারিবে এবং উক্তরূপ আদালত হইতে স্থানান্তরকৃত কোনো আপিল প্রত্যাহার করিতে পারিবে।

৭৫.
মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে, তাহলে পিতা কত অংশ পাবেন?
  1. ১/২ অংশ
  2. ১/৪ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. ১/৮ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, পিতা-এর উত্তরাধিকার অংশ নির্ভর করে মৃত ব্যক্তির (মুরিথের) অবশিষ্ট উত্তরাধিকারীদের উপর।
- যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান (পুত্র বা কন্যা) থাকে, তবে পিতা ১/৬ (ছয় ভাগের এক ভাগ) অংশ পাবেন।
- এক্ষেত্রে পিতা একজন "কুরআনিক শরিক" (Quranic heir) হিসেবে ১/৬ অংশ পান, কারণ সন্তান থাকার কারণে তিনি অবশিষ্টাংশের অধিকারী (আসাবা) হন না।

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মৃত ব্যক্তির পিতা (বাবা) একজন নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud)। 
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে পিতা (Father) হলেন একজন প্রাথমিক উত্তরাধিকারী, যার অংশ কোরআনে নির্ধারিত রয়েছে এবং তাকে কখনই সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত করা যায় না।
পিতা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সম্পত্তির অংশ পেতে পারেন।

⇒ পিতার তিনটি অবস্থা:
(ক) ১/৬ অংশ:
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে, তাহলে পিতা ১/৬ অংশ পাবেন।

(খ) ১/৬ + অবশিষ্টাংশ:
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান না থাকে, তবে পিতা প্রথমে ১/৬ অংশ পাবেন এবং বাকি অবশিষ্ট সম্পত্তি তিনি আসাবা (Asaba) হিসেবে পাবেন।
কারণ: পিতা আংশিক অংশীদার হলেও, বাকি সম্পত্তি আসাবা হিসেবে পাওয়ার অধিকারী হন। অর্থাৎ, তিনি সম্পত্তির বাকী অংশ ভোগ করবেন।

(গ) অবশিষ্টাংশ:
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান ও অন্য কোনো আসাবা না থাকে, তবে পিতা সম্পূর্ণ সম্পত্তি পাবেন।
কারণ: কোনো অংশীদার বা আসাবা না থাকলে, পিতা আসাবা হিসেবে পুরো সম্পত্তি পেয়ে যাবেন।

৭৬.
মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী, স্বামী কত বছর অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ চাইতে পারেন?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর ধারা ২(৬) অনুসারে, যদি স্বামী অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল হয়ে যায় অথবা কুষ্ঠরোগ বা মারাত্মক যৌন রোগে আক্রান্ত হয় এবং এই অবস্থা ২ বছর ধরে চলতে থাকে, তাহলে স্ত্রী আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের ডিক্রি চাইতে পারেন।

⇒ ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, স্ত্রী যে-সব কারণে আদালতে তালাক চাইতে পারেন সেগুলো হলো-
- চার বছর পর্যন্ত স্বামী নিরুদ্দেশ থাকলে;
- দুই বছর স্বামী তার স্ত্রীর ভরণপোষণ দিতে ব্যর্থ হলে;
- স্বামীর সাত বছর কিংবা তার চেয়ে বেশি কারাদণ্ড হলে;
- স্বামী কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া তিন বছর যাবত দাম্পত্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে;
- বিয়ের সময় পুরুষত্বহীন থাকলে এবং তা মামলা দায়ের করা পর্যন্ত বহাল থাকে;
- স্বামী দুই বছর ধরে অপ্রকৃতিস্থ বা পাগল থাকলে অথবা কুষ্ঠরোগে বা মারাত্মক যৌন ব্যাধিতে আক্রান্ত থাকলে;
- বিয়ে অস্বীকার করলে। অর্থাৎ যদি কোনো মেয়ের বাবা বা অভিভাবক মেয়েকে ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগে বিয়ে দেন এবং সেই মেয়েটি ১৯ বছর হওয়ার আগে বিয়ে অস্বীকার করে বিয়ে ভেঙে দিতে পারে। তবে শর্ত হলো, মেয়েটির সঙ্গে স্বামীর দাম্পত্য সম্পর্ক (সহবাস) যদি স্থাপিত না হয়ে থাকে, তখনই কেবল বিয়ে অস্বীকার করে আদালতে বিচ্ছেদের ডিক্রি চাওয়া যাবে;
- স্বামী ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধান লঙ্ঘন করে একাধিক স্ত্রী গ্রহণ করলে;
- স্বামীর নিষ্ঠুরতার কারণে। নিম্নলিখিত আচরণগুলো ‘নিষ্ঠুরতা’ হিসেবে গণ্য হবে-
(ক) অভ্যাসগত আচরণে স্ত্রীকে আঘাত করা (দৈহিক আঘাত ছাড়াও মানসিক আঘাতও এর অন্তর্ভুক্ত, যা তার জীবন শোচনীয় বা দুর্বিষহ করে তুলেছে);
(খ) অন্য কোনো খারাপ নারীর সঙ্গে জীবনযাপন বা মেলামেশা;
(গ) স্ত্রীকে অনৈতিক জীবনযাপনে বাধ্য করা;
(ঘ) স্ত্রীর সম্পত্তি নষ্ট করা;
(ঙ) স্ত্রীকে নিজস্ব ধর্মপালনে বাধা দেয়া;
(চ) যদি স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকে, তাদের সঙ্গে পবিত্র কোরআনের নির্দেশ অনুসারে সমান ব্যবহার না করা;
(ছ) এছাড়া মুসলিম আইনে বিয়ে বিচ্ছেদের জন্য বৈধ বলে স্বীকৃত অন্য যে কোনো কারণে স্ত্রী পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের দাবি করতে পারবে।

৭৭.
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, সন্তান যদি পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ দিতে ব্যর্থ হন, তবে অর্থদণ্ড অনাদায়ে সর্বাধিক কারাদণ্ড কী হতে পারে?
  1. ২ মাসের কারাদণ্ড
  2. ৩ মাসের কারাদণ্ড
  3. ৪ মাসের কারাদণ্ড
  4. ৬ মাসের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাসের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ এর ধারা ৫(১) অনুসারে, যদি কোনো সন্তান এই আইনের অধীন পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ দিতে ব্যর্থ হয়, তবে সে অনূর্ধ্ব ১ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে। অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ড হতে পারে।

অর্থাৎ: প্রথম শাস্তি: অর্থদণ্ড (সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা)।
অর্থদণ্ড না দিলে বিকল্প শাস্তি: কারাদণ্ড (সর্বোচ্চ ৩ মাস)।
সুতরাং, এই আইনে সর্বাধিক কারাদণ্ডের মেয়াদ ৩ মাস।

⇒ পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ এর ধারা-৫: পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ না করিবার দণ্ড:
(১) কোন সন্তান কর্তৃক ধারা ৩ এর যে কোন উপ-ধারার বিধান কিংবা ধারা ৪ এর বিধান লংঘন অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য অনূর্ধ্ব ১ (এক) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবে; বা উক্ত অর্থদণ্ড অনাদায়ের ক্ষেত্রে অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) মাস কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবে। 
(২) কোন সন্তানের স্ত্রী, বা ক্ষেত্রমত, স্বামী কিংবা পুত্র-কন্যা বা অন্য কোন নিকট আত্নীয় ব্যক্তি— 
 (ক) পিতা-মাতার বা দাদা-দাদীর বা নানা-নানীর ভরণ-পোষণ প্রদানে বাধা প্রদান করিলে; বা 
(খ) পিতা-মাতার বা দাদা-দাদীর বা নানা-নানীর ভরণ-পোষণ প্রদানে অসহযোগিতা করিলে— 
 তিনি উক্তরূপ অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করিয়াছে গণ্যে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

৭৮.
উইল কার্যকর হওয়ার আগে কোন খরচগুলো আগে মেটানো হয়?
  1. দান-খয়রাত
  2. আদালতের ফি
  3. উত্তরাধিকারীদের ভরণ-পোষণ
  4. দাফন-কাফনের খরচ ও ঋণ পরিশোধ
সঠিক উত্তর:
দাফন-কাফনের খরচ ও ঋণ পরিশোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাফন-কাফনের খরচ ও ঋণ পরিশোধ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, উইল (অসিয়ত) কার্যকর হওয়ার আগে নিম্নলিখিত খরচগুলো পরিশোধ করতে হয় অগ্রাধিকারভিত্তিক ক্রমে:
১. দাফন-কাফনের যাবতীয় খরচ (মৃত্যু পরবর্তী দাফন, কাফন, জানাজার ব্যবস্থা ইত্যাদি)
২. মৃত ব্যক্তির বৈধ ঋণ পরিশোধ (যদি কোনো ঋণ থাকে)
৩. উইল কার্যকর (শুধুমাত্র অবশিষ্ট সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত)
৪. অবশিষ্ট সম্পত্তি উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী বণ্টন
- অর্থাৎ, উইল কার্যকর করার আগে প্রথমেই দাফন-কাফনের খরচ ও ঋণ পরিশোধ করতে হয়। এরপরই উইলের বিষয়টি বিবেচনা করা হয়।
- সুতরাং, উইল কার্যকর হওয়ার আগে দাফন-কাফনের খরচ ও ঋণ পরিশোধ প্রথমেই করতে হয়।

৭৯.
জনাব "A" ৪০ বছর বয়সে মারা গেলেন। রেখে গেলেন তাঁর পিতা, স্ত্রী, দুই ভাই এবং একমাত্র কন্যা। মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুসারে, তাঁর সম্পত্তিতে পিতা কত অংশ পাবেন?
  1. ১২/২৪ অংশ
  2. ৯/২৪ অংশ
  3. ৪/২৪ অংশ
  4. ৩/২৪ অংশ
সঠিক উত্তর:
৯/২৪ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯/২৪ অংশ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম আইনে উত্তরাধিকার:
স্ত্রী: বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রী রেখে মারা গেলে তার স্ত্রী নির্ধারিত হারে সম্পত্তির উত্তরাধিকার হবেন। যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে তবে স্ত্রী পাবেন (১/৮) এক অষ্টমাংশ। আর সন্তান না থাকলে স্ত্রী পাবেন (১/৪) এক চতুর্থাংশ। একাধিক স্ত্রী থাকলেও এ অংশ বাড়বে না বরং স্ত্রীরা সবাই মিলে তাদের অংশ সমভাবে ভাগ করে নেবেন।

কন্যা: যদি মৃত ব্যক্তির শুধু এক কন্যা থাকে তবে তিনি মোট সম্পত্তির (১/২) অর্ধেক পাবে। আর যদি একাধিক কন্যা থাকে তবে সবাই মিলে (২/৩) দুই তৃতীয়াংশ পাবে।

পিতার অংশ: বাবা তাঁর মৃত সন্তানের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী ৩ ভাবে হয়ে থাকে। যদি মৃত সন্তানের পুত্র, পুত্রের পুত্র বা পুত্রের পুত্রের পুত্র এভাবে যতই নিচের হোক না কেন যদি থাকে, তবে মৃত সন্তানের পিতা পাবেন সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ।

যদি মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান বা তাঁর পুত্রের কন্যা সন্তান থাকলে তবে পিতা সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ পাবেন। এই ক্ষেত্রে কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর অবশিষ্ট যে সম্পত্তি থাকবে তাও পিতা পাবেন। আর যদি মৃত সন্তানের কোন পুত্র-কন্যা বা পুত্রের সন্তান কিছুই না থাকে তাবে বাকী অংশীদারদের তাঁদের অংশ অনুযায়ী দেয়ার পর অবশিষ্ট যা থাকবে তার সবটুকুই বাবা পাবেন।

⇒ উল্লিখিত প্রশ্নে, মুসলিম উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী:
→ স্ত্রী পাবেন ১/৮ অংশ = ৩/২৪ (যেহেতু মৃতের সন্তান আছে)।
→ একমাত্র কন্যা পাবেন ১/২ অংশ = ১২/২৪।
→ পিতা পাবেন ১/৬ অংশ = ৪/২৪ (যেহেতু মৃতের কন্যা সন্তান আছে)।
→ মোট বণ্টিত অংশ = (৩/২৪ + ১২/২৪ + ৪/২৪) = ১৯/২৪।
→ অবশিষ্ট অংশ = ১ – ১৯/২৪ = ৫/২৪।

যেহেতু পিতা জীবিত এবং তিনিই একমাত্র অবশিষ্টাংশভোগী (আসাবা), তাই অবশিষ্ট ৫/২৪ অংশও তিনি পাবেন।
সুতরাং, পিতার মোট অংশ = (৪/২৪ + ৫/২৪) = ৯/২৪ অংশ।
- পিতা জীবিত থাকায় ভাইদের কোন অংশ নেই।

৮০.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কোন ধারা রুদ্ধদ্বার কক্ষে (in camera) বিচার সংক্রান্ত বিধান করে?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৪
  4. ধারা ১১ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
ব্যাখ্যা

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ১২ রুদ্ধদ্বার কক্ষে (in camera) বিচার পরিচালনার বিধান করে। আদালত স্বেচ্ছায় বা উভয়পক্ষের অনুরোধে মামলার সম্পূর্ণ বা আংশিক কার্যধারা রুদ্ধদ্বার কক্ষে পরিচালনা করতে পারে।

⇒ পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারার বিধান: রুদ্ধদ্বার কক্ষে  বিচার:
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।

৮১.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে, মধ্যস্থতার আদেশ পাওয়ার পর কত দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয়কে আদালতকে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগের বিষয়ে জানাতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯ক ধারায় মধ্যস্থতার বিধান মতে মধ্যস্থতার আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় আদালতকে জানাবে যে, তারা কাউকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিয়োগ করেছে কিনা। যদি তারা নিয়োগ করতে ব্যর্থ হয় তবে আদালত ৭ দিনের মধ্যে একজন মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ করবে।
- যদি তারা ব্যর্থ হন তবে আদালত তা নির্ধারণ করে দিবেন এবং সেটা পক্ষগণের উপর বাধ্যকর হবে।
⇒ সমঝােতা সম্পন্ন হলে, তার প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত আদেশ বা ডিক্রি জারি করবে। উক্ত আদেশ বা ডিক্রি জারি করলে তার বিরুদ্ধে কোন আপিল বা রিভিশন চলবে না।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন মধ্যস্থতার এই বিধান অর্থ ঋণ আদালত আইন,২০০৩ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।
⇒মধ্যস্থতাকারী ৬০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করবে। তবে আদালত স্বেচ্ছায় বা পক্ষদ্বয়ের যৌথ আবেদনের প্রেক্ষাপটে অতিরিক্ত ৩০দিন বাড়াতে পারবে। অর্থাৎ মোট ৯০ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতা সম্পন্ন করতে হবে।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Section-89A(4) Within ten days from the date of reference under sub-section (1), the parties shall inform the Court in writing whom they have appointed as mediator, and if the parties fail to appoint the mediator during this time, the Court shall, within seven days, appoint a mediator from the panel as mentioned in sub-section (10) and the mediation under this section shall be concluded within 60 (sixty) days from the day on which the Court is so informed, or the dispute or disputes are referred to Legal Aid Officer, or a mediator is appointed by the Court, as the case may be, unless the Court of its own motion or upon a joint prayer of the parties, extends the time for a further period of not exceeding 30 (thirty) days.

৮২.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী নিম্নের কোনটি “ডিক্রি (Decree)” হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ
  2. ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
  3. ১৪৪ ধারার অধীনে কোন প্রশ্ন নির্ধারণ
  4. মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে-
ডিক্রি বলতে কোন আদালত কর্তৃক  আনুষ্ঠানিকভাবে ভাবে প্রকাশিত এমন বক্তব্য বুঝায়, যা মোকদ্দমার বিতর্কিত সমগ্র বা যেকোন বিষয় সম্পর্কে পক্ষগণের অধিকার চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করে এবং এই “ডিক্রি” প্রাথমিক বা চূড়ান্ত হতে পারে। নিম্নলিখিত বিষয় ডিক্রি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে-
- আদেশ ৭ বিধি ১১ এর অধীন আরজি প্রত্যাখ্যান এবং
- ১৪৪ ধারায় বর্ণিত কোন প্রশ্ন নির্ধারণও ডিক্রি বলে গণ্য হবে।

• তবে নিম্নলিখিত বিষয় এর অন্তর্ভুক্ত হবে না-
- যে বিচারকৃত রায়ের বিরুদ্ধে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মত আপিল করা যায়; অথবা
- কোন ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২) অনুসারে "ডিক্রি (Decree)" এর সংজ্ঞা ও এর অন্তর্ভুক্তি-বহির্ভূত বিষয়গুলো স্পষ্ট করা হয়েছে:
ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে:
ক) আরজি প্রত্যাখ্যানের আদেশ (অর্ডার ৭, বিধি ১১ অনুসারে) → ডিক্রি।
গ) ১৪৪ ধারার অধীনে কোনো প্রশ্ন নির্ধারণ → ডিক্রি।
ঘ) মোকদ্দমার বিতর্কিত বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত → ডিক্রি।
ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে না:
খ) ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ (Order of dismissal for default) → ডিক্রি নয়। এটি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২(২)-এর দ্বিতীয় ব্যতিক্রম (proviso) অনুযায়ী ডিক্রির সংজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে।
কারণ: "ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ" (যেমন: উপস্থিত না হওয়া, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নেওয়া ইত্যাদির কারণে মামলা খারিজ) মামলার মেরিট (বিতর্কিত বিষয়ের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত) সম্পর্কিত নয়, বরং পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে দেওয়া হয়। তাই এটি ডিক্রি নয়।

সুতরাং, প্রদত্ত অপশগুলোর মধ্যে "ত্রুটির জন্য খারিজের আদেশ" ডিক্রি হিসেবে গণ্য হবে না।

৮৩.
'A' তার নির্মাণাধীন বাড়িটি এমনভাবে বাড়ায় যে এর ছাদের অংশ 'B'-এর জমির উপর প্রসারিত হয়। 'B' কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে সেই অংশ অপসারণে আদেশ দিতে পারে?
  1. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  2. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  3. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
  4. ক্ষতিপূরণমূলক নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা (Mandatory Injunction)
- প্রশ্নে উল্লিখিত, এই ক্ষেত্রে 'B' এর সম্পত্তির উপর 'A' এর অবৈধ স্থাপনা (ছাদের অংশ) তৈরি হয়েছে। এটি শুধুমাত্র ভবিষ্যতে স্থাপনা তৈরি বন্ধ করা নয়, বরং ইতিমধ্যে তৈরি অবৈধ স্থাপনা অপসারণের প্রয়োজন। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৫ "আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা" (Mandatory Injunction) এর বিধান দেয়, যা আদালতকে কোনো কাজ সম্পাদনের নির্দেশ দিতে ক্ষমতা দেয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার (Mandatory injunction) বিধান রয়েছে। ৫৫ ধারামতে বাধ্যতামূলক বা আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞা হল কোন প্রত্যক্ষ কাজ (Positive act) অথবা আইনসংগত বাধ্যবাধকতা (legal obligation) পরিপূর্ণ করার আদেশ যার মাধ্যমে ইতিপূর্বে যা করা হয়েছিল তা নষ্ট করা অথবা কোন জিনিসকে পূর্ববর্তী অবস্থায় স্থাপন (Restore) করার নির্দেশ থাকে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারার বিধান: বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা:
- যেক্ষেত্রে একটি বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ করান রোধের লক্ষ্যে এমন নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে বাধ্য করা আবশ্যক হয় এবং আদালতে তা কার্যকরীযোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে আদালত তার ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী যে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করা হয়েছে তা রোধ করা এবং সেই সঙ্গে প্রয়োজনীয় কার্য সম্পাদনে বাধ্য করার জন্য ইনজাংশন মঞ্জুর করতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877: Section- 55.  Mandatory injunctions
When, to prevent the breach of an obligation, it is necessary to compel the performance of certain acts which the Court is capable of enforcing, the Court may in its discretion grant an injunction to prevent the breach complained of, and also to compel performance of the requisite acts. 
Illustrations 
(a) A, by new buildings, obstructs lights to the access and use of which B has acquired a right under the [Limitation Act, 1908] Part IV. B may obtain an injunction, not only to restrain A from going on with the buildings, but also to pull down so much of them as obstructs B's lights. 
(b) A builds a house with eaves projecting over B's land. B may sue for an injunction to pull down so much of the eaves as so project. 
(c) In the case put as illustration (i) to section 54, the Court may also order all written communications made by B, as patient, to A, as medical adviser, to be destroyed. 
(d) In the case put as illustration (y) to section 54, the Court may also order A's letters to be destroyed. 
(e) A threaten to publish statement concerning B which would be punishable under Chapter XXI of the 11[Penal Code]. The Court may grant an injunction to restrain the publication, even though it may be shown not to be injurious to B's property. 
(f) A, being B's medical adviser, threatens to publish B's written communications with him, showing that B has led an immoral life. B may obtain an injunction to restrain the publication. 
(g) In the cases put as illustrations (v) and (w) to section 54 and in illustrations (e) and (f) to this section, the Court may also order the copies produced by piracy, and the trade-marks, statements and communications, therein respectively mentioned, to be given up or destroyed.

৮৪.
মৃত বাদী বা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার আবেদন কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৭৬ অনুসারে, মৃত বাদী বা আপিলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে (Legal representative) মামলার পক্ষভুক্ত করার জন্য আবেদন করতে হবে মৃত্যুর তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর অনুচ্ছেদ ১৭৬:
দেওয়ানি কার্যবিধির (Code of Civil Procedure) মৃত বাদী অথবা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার
করার জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন আবেদন করার তামাদির মেয়াদ ৯০ দিন। এমন সময় গণনার শুরু হয় যেদিন বিবাদী বা আপিলকারী মারা যান, সেদিন থেকে।
---------------
⇒ The Limitation Act 1908, Article 176: Under the same Code to have the legal representative of a deceased plaintiff or of a deceased appellant made a party the period of limitation is 90 days. The period begins from the date of the death of the deceased plaintiff or appellant.

৮৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুযায়ী প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালত অনুমতি দিলে এবং আদেশে কোনো সময় নির্ধারণ না থাকলে, কত দিনের মধ্যে সংশোধন দাখিল করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৮ অনুযায়ী: যদি কোনো পক্ষ প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের অনুমতি (order for leave to amend) পায়, এবং আদালত সংশোধনের জন্য কোনো সময় নির্ধারণ না করে, তাহলে আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধিত প্লিডিংস আদালতে দাখিল করতে হবে।
- যদি নির্ধারিত এই ১৪ দিনের মধ্যে সংশোধন না করা হয়, তাহলে সংশোধনের অনুমতি বাতিল হয়ে যাবে যদি না আদালত সময় বৃদ্ধি করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ৬, বিধি ১৮: আদেশ প্রাপ্তির পর সংশোধনে ব্যর্থতা:
যদি কোন পক্ষ তার প্লিডিংস সংশোধনের জন্য আদালতের অনুমতি আদেশের মাধ্যমে পায় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধন না করে, অথবা আদেশে যদি কোন নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা না থাকে, তবে আদেশ প্রদানের তারিখ হইতে চৌদ্দ দিনের মধ্যে সংশোধন না করে, তাহা হইলে উক্ত নির্ধারিত সময় বা উক্ত চৌদ্দ দিন অতিবাহিত হইলে সংশোধনের অনুমতি দেওয়া হইবে না; যদি না আদালত সময় বৃদ্ধি করিয়া দেয়।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order VI, Rule 18: Failure to Amend After Order: 
If a party who has obtained an order for leave to amend does not amend accordingly within the time limited for that purpose by the order, or if no time is thereby limited, then within fourteen days from the date of the order, he shall not be permitted to amend after the expiration of such limited time as aforesaid or of such fourteen days, as the case may be, unless the time is extended by the Court.

৮৬.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর কোন ধারা জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত বিধান করে?
  1. ধারা ৭
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১০ 
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর ধারা ৯ অনুযায়ী, জেলা জজ তার অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখেন। তবে, এটি হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে থাকবে।
অর্থাৎ, হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজ তার স্থানীয় অধিক্ষেত্রের সকল দেওয়ানি আদালতের উপর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ রাখবেন।

⇒ The Civil Courts Act,1887- Section 9: Administrative control of Courts:-
Subject to the superintendence of the High Court Division, the District Judge shall have administrative control over all the Civil Courts under this Act within the local limits of his jurisdiction.

৮৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১ বিধি ১৭ অনুসারে, দলিল পরিদর্শনের নোটিশ প্রাপ্তির পর জবাবের নোটিশ কোন ফর্মে হতে হবে? 
  1. Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৭
  2. Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮
  3. Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৯
  4. কোনো নির্দিষ্ট ফর্ম নেই
সঠিক উত্তর:
Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ১৭-এর শেষাংশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "Such notice shall be in Form No. 8 in Appendix C, with such variations as circumstances may require."
অর্থাৎ, দলিল পরিদর্শনের জন্য প্রাপ্ত নোটিশের জবাব Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮ অনুযায়ী দিতে হবে (পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে)।
সুতরাং, আদেশ ১১, বিধি ১৭ অনুসারে দলিল পরিদর্শনের নোটিশ প্রাপ্তির পর জবাবের নোটিশ Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮-এ হতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১১ বিধি ১৭: পরিদর্শনের সময় যখন নোটিশ দেওয়া হয়: যে পক্ষকে এরূপ নোটিশ দেওয়া হয়েছে, সে নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দশ দিনের মধ্যে নোটিশ প্রদানকারী পক্ষকে একটি নোটিশ প্রদান করবে। এই নোটিশে একটি সময় উল্লেখ করতে হবে (নোটিশ প্রদানের তারিখ থেকে তিন দিনের মধ্যে), যে সময়ে দলিলগুলি তার উকিলের অফিসে পরিদর্শনের জন্য উপলব্ধ হবে। তবে ব্যাংকের বই, হিসাবের অন্যান্য বই বা ব্যবসায়িক কাজে নিয়মিত ব্যবহার্য বইগুলির ক্ষেত্রে সেগুলি তাদের সাধারণ সংরক্ষণস্থলে পরিদর্শন করতে হবে। এছাড়া, নোটিশে উল্লেখ করতে হবে যে কোন দলিলগুলি (যদি থাকে) উপস্থাপনে তিনি আপত্তি করছেন এবং কী কারণে আপত্তি করছেন। এই নোটিশ Appendix C-এর ফর্ম নম্বর ৮ অনুযায়ী হবে, তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরিবর্তন সাপেক্ষে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 11 Rule-17. Time for inspection when notice given: 
The party to whom such notice is given shall, within ten days from the receipt of such notice, deliver to the party giving the same a notice stating a time within three days from the delivery thereof at which the documents, or such of them as he does not object to produce, may be inspected at the office of his pleader, or in the case of bankers' books or other books of account or books in constant use for the purposes of any trade or business, at their usual place of custody, and stating which (if any) of the documents he objects to produce, and on what ground. Such notice shall be in Form No. 8 in Appendix C, with such variations as circumstances may require.

৮৮.
একজন ব্যক্তি নাবালক অবস্থায় উন্মাদে পরিণত হলে, তামাদি আইন অনুযায়ী মামলা দায়েরের মেয়াদ কখন থেকে গণনা শুরু হবে?
  1. অধিকার সৃষ্টির সময় থেকেই
  2. যখন সে উন্মাদ অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে
  3. যখন সে নাবালক অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে
  4. যখন সে উভয় অবস্থা (নাবালক ও উন্মাদ) থেকেই মুক্তি পাবে
সঠিক উত্তর:
যখন সে উভয় অবস্থা (নাবালক ও উন্মাদ) থেকেই মুক্তি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন সে উভয় অবস্থা (নাবালক ও উন্মাদ) থেকেই মুক্তি পাবে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৬(২) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি তামাদির মেয়াদ গণনা শুরুর সময় একাধিক বৈধ অপারগতা (যেমন: নাবালকত্ব ও উন্মাদত্ব) এর অধীন থাকে, বা এক অপারগতা চলাকালে আরেক অপারগতায় পতিত হয়, তবে সমস্ত অপারগতা শেষ হওয়ার পর থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।
- সুতরাং, উভয় অপারগতা (নাবালকত্ব ও উন্মাদত্ব) শেষ হওয়ার পর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ৬ ধারা বিধান- বৈধ অপারগতা:
(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।
(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।
(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

৮৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারা অনুযায়ী আদালত কর্তৃক সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের আবেদন খারিজ করা হলে, চুক্তি রদ করার নির্দেশ দেওয়া-
  1. আদালতের পক্ষে অসম্ভব
  2. আদালতের বিবেচনাধীন
  3. আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক
  4. বাদীর সম্মতির উপর নির্ভরশীল
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিবেচনাধীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের বিবেচনাধীন
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৭ অনুযায়ী, আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করতে অস্বীকার করলে চুক্তি রদ (rescission) করার নির্দেশ দিতে পারেন — অর্থাৎ এটি আদালতের বিবেচনাধীন (discretionary) বিষয়, বাধ্যতামূলক নয়।
- সুতরাং, চুক্তি রদের নির্দেশ আদালতের বিবেচনাধীন।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৭ ধারার বিধান- সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মোকদ্দমার বিকল্প হিসাবে রদের আর্জি:
লিখিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মোকদ্দমা রুজুকারী বাদী বিকল্প হিসাবে আবেদন অবহিত করতে পারেন যে, চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে বলবৎ করা না গেলে তা রদ করা হোক এবং বিলুপ্ত হিসাবে ত্যাগ করা হোক; এবং আদালত চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকরী করতে অস্বীকার করলে তা রদ করা এবং সে অনুসারে ত্যাগের নির্দেশ দিতে পারেন।

⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section 37- Alternative prayer for rescission in suit for specific performance:
A plaintiff instituting a suit for the specific performance of a contract in writing may pray in the alternative that, if the contract cannot be specifically enforced, it may be rescinded and delivered up to be cancelled; and the Court, if it refuses to enforce the contract specifically, may direct it to be rescinded and delivered up accordingly.

৯০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১, বিধি-৩০ কোন ধরনের ডিক্রি জারির বিধান বর্ণনা করে?
  1. নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি
  2. অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
  3. সম্পত্তি দখলের ডিক্রি
  4. সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ডিক্রি
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের ডিক্রি
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২১, বিধি ৩০-এ অর্থ পরিশোধের ডিক্রি (Decree for payment of money) জারির বিধান বর্ণিত হয়েছে। এই বিধি অনুসারে, টাকা আদায়ের ডিক্রি জারির তিনটি পদ্ধতি রয়েছে:
১. দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করা
২. দায়িকের সম্পত্তি ক্রোক ও নিলাম বিক্রয় করা
৩. উভয় পদ্ধতি একসাথে প্রয়োগ করা
- সুতরাং, আদেশ ২১, বিধি ৩০ শুধুমাত্র অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির বিধান বর্ণনা করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৩০ এর বিধান: অর্থ পরিশোধের ডিক্রি: বিকল্প প্রতিকার হিসেবে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে প্রত্যেকটি ডিক্রি দায়িককে দেওয়ানি কারাগারে আটক করে অথবা তার সম্পত্তি ক্রোক এবং নিলাম বিক্রয় করে অথবা উভয় প্রকারেই জারি করা যাবে।
---------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-21 Rule-30- Decree for payment of money:
Every decree for the payment of money, including a decree for the payment of money as the alternative to some other relief, may be executed by the detention in the civil prison of the judgment-debtor, or by the attachment and sale of his property, or by both.

৯১.
সাক্ষ্য আইনের ৬৩(৪) ধারার আওতায় "counterparts of documents"  গৌণ সাক্ষ্য হিসেবে কাদের বিরুদ্ধে প্রাসঙ্গিক? 
  1. যারা দলিলটি লিখেছে।
  2. যারা দলিলটির সাক্ষী।
  3. যারা দলিলটি সম্পাদন করেছে।
  4. যারা দলিলটি সম্পাদন করেনি।
সঠিক উত্তর:
যারা দলিলটি সম্পাদন করেনি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যারা দলিলটি সম্পাদন করেনি।
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬৩(৪) অনুসারে, "counterparts of documents" (দলিলের প্রতিলিপি বা প্রতিরূপ) গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence) হিসেবে গণ্য হবে শুধুমাত্র সেই পক্ষের বিরুদ্ধে যারা দলিলটি সম্পাদন (execute) করেনি।
- সুতরাং, ধারা ৬৩(৪) বিশেষভাবে দলিলটি সম্পাদন করেনি এমন পক্ষের বিরুদ্ধে প্রয়োগ হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী গৌণ সাক্ষ্য (Secondary Evidence) বলতে বোঝায় এমনসব তথ্য বা কপি, যা মূল দলিল উপস্থিত না থাকলে তার বিকল্প হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।
- সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) বিধান রয়েছে।
-সাক্ষ আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করার মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।
⇒ গৌণ সাক্ষ্য বলিতে নিম্নলিখিতগুলি বুঝায়-
১) এই আইনে অতঃপর বর্ণিত পরবর্তী ৭৬ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে প্রদত্ত সহিমোহরকৃত নকল।
২) মূল দলিল হইতে এইরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়, এবং এইরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল।
৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহার ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
৫) যে ব্যক্তি কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া ঐ দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ। 
-------------
⇒The Evidence Act, 1872, Section 63. Secondary evidence:
- Secondary evidence means and includes-
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained;
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies;
(3) copies made from or compared with the original;
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them;
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.

৯২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারা অনুযায়ী, দায়রা আদালতে কয় প্রকারের বিচারক থাকে?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা

⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণিবিভাগ- ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরনের বিচারক থাকে। যথা-
ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
- অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।
 
- ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
---------------
- The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
(3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct.
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.

৯৩.
দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ অনুযায়ী, সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শনের জন্য সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি ১৮৯ ধারা অনুযায়ী, যে কেউ সরকারী কর্মচারীকে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনে প্রভাবিত করার জন্য বা তাকে কোনো কাজ করতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে ক্ষতিসাধনের হুমকি দেখায়, তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দ্বারা দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ১৮৯ ধারার বিধান- সরকারী কর্মচারীকে ক্ষতিসাধনের হুমকি:
কোন সরকারী কর্মচারী হিসেবে তার সরকারী কর্তব্য সম্পাদনের সাথে সংশ্লিষ্ট কোন কাজ করতে প্রবৃত্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন কাজ করা হতে বিরত হওয়ার বা করতে বিলম্ব করার জন্য বাধ্য করার উদ্দেশ্যে, কোন ব্যক্তি যদি উক্ত সরকারী কর্মচারীকে অথবা অন্য যে কোন ব্যক্তির সাথে উক্ত সরকারী কর্মচারীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট, সে অন্য ব্যক্তিকে ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code-Section 189- Threat of injury to public servant:
Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.

৯৪.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা ডিজিটাল স্বাক্ষর (Digital Signature) এর সত্যতা যাচাইয়ের বিধান করে?
  1. ধারা ৭২ক 
  2. ধারা ৭৩ক 
  3. ধারা ৭৪ক 
  4. ধারা ৭৬ক 
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৩ক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৭৩ক 
ব্যাখ্যা

⇒ The Evidence Act, 1872-এর ৭৩এ (Section 73A) ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাইয়ের বিধান রয়েছে।
- এই ধারায় বলা হয়েছে যে, আদালত নির্ধারণ করতে পারে কোনো ডিজিটাল স্বাক্ষর প্রকৃতপক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির দ্বারা সংযুক্ত হয়েছে কি না। এর জন্য আদালত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, কন্ট্রোলার বা সার্টিফাইং অথরিটিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সার্টিফিকেট দাখিল করতে নির্দেশ দিতে পারে অথবা পাবলিক কি (Public Key) প্রয়োগ করে যাচাই করতে পারে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872- section-73A. Proof as to verification of digital signature:
- In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).]

৯৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা স্থাবর সম্পত্তির দখল সংক্রান্ত বিরোধ ও শান্তিভঙ্গের আশংকা নিষ্পত্তির বিধান করে?
  1. ধারা ১৪৩
  2. ধারা ১৪৫
  3. ধারা ১৪৪
  4. ধারা ১৪৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৪৫
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারার অধীন স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার করা যায় এবং প্রকৃত দখলকারী নির্ধারণ করা হয়, কোন মালিকানা নির্ধারণ করা হয় না।

⇒ ১৪৫ ধারার আওতায় প্রাথমিক আদেশের পূর্ববর্তী ২ মাসের মধ্যে কোন ব্যক্তি অবৈধভাবে বেদখল হলে উক্ত দখলচ্যুত ব্যক্তি প্রকৃত দখলদার বলে বিবেচিত হবে। অন্যথায় ১৪৫ ধারার আদেশের তারিখে যে ব্যক্তি প্রকৃত দখলে আছেন তার অনুকূলেই ম্যাজিস্ট্রেট দখলের ঘোষণা দিবেন।
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৪৫: স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তিভঙ্গের আশংকা:
(১) যখন কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট, বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোের্ট বা অন্য কোনভাবে সংবাদ পাইয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হল যে, তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে জমি বা পানি বা তার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে, যা শান্তিভঙ্গ ঘটাতে পারে। তখন তিনি তার এরূপ সম্ভষ্ট হবার কারণ উল্লেখ করে তার দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা কৌসুলীর মাধ্যমে তার আদালতে হাজির হবার এবং বিরোধের বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের নিজ নিজ দাবী সম্পর্কে বিবৃতি পেশ করার নির্দেশ দিয়া একটি লিখিত আদেশ দিবেন।
-------------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 145: Procedure where dispute concerning land, etc., is likely to cause breach of peace.
(1) Whenever a District Magistrate, or an Executive Magistrate specially empowered by the Government in this behalf] is satisfied from a police-report or other information that a dispute likely to cause a breach of the peace exists concerning any land or water of the boundaries thereof, within the local limits of his jurisdiction, he shall make an order in writing, stating the grounds of his being so satisfied, and requiring the parties concerned in such dispute to attend his Court in person or by pleader, within a time to be fixed by such Magistrate, and to put in written statements of their respective claims as respects the fact of actual possession of the subject of dispute.

৯৬.
একজন পরিবহনকারী (carrier) তার কাছে গ্রাহকের জমা দেওয়া মালামাল বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করলে। তার বিরুদ্ধে কোন ধারায় মামলা দায়ের করা যেতে পারে?
  1. দণ্ডবিধির ৪০৬ ধারা
  2. দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারা
  3. দণ্ডবিধির ৪০৮ ধারা
  4. দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারা
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারা
ব্যাখ্যা

⇒  পরিবহনকারী (carrier), গুদামদার (warehouse-keeper) বা ঘাটের মালিক (wharfinger) হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি যদি তার কাছে জমা দেওয়া মালামাল/সম্পত্তি আত্মসাৎ বা অপব্যবহার করে, তবে তা দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭-এর অধীন বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ (Criminal breach of trust by carrier, etc.) হিসেবে গণ্য হবে।
সুতরাং, পরিবহনকারীর এই কাজের জন্য দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭-এ মামলা দায়ের করা যাবে।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।

⇒ The Penal Code- Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc.
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

৯৭.
একজন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যদি কোনো ব্যক্তির জামিনের আবেদন নাকচ করেন, তবে ঐ ব্যক্তি কোথায় আপিল করতে পারবেন? 
  1. দায়রা আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. জেলা জজের আদালতে
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালতে
ব্যাখ্যা

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক অনুযায়ী, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (CJM) কর্তৃক জামিন আবেদন নাকচ বা জামিন গ্রহণে অস্বীকৃতির আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়রা আদালতে (Court of Session) করতে হবে।
- ধারা ৪০৬ক(ক)-এ স্পষ্ট বলা হয়েছে: "যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে।"
সুতরাং, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের জামিন নাকচের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়রা আদালতে করতে হবে।

⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ৪০৬ক: জামানত গ্রহণে অস্বীকৃতি বা নাকচ করার আদেশের বিরুদ্ধে আপীল:
- ধারা ১২২ এর অধীনে জামানত গ্রহণ করতে অস্বীকার বা জামানত নাকচ করার যে কোনো আদেশে যে ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করতে পারবেন—
(ক) যদি আদেশটি প্রদান করে থাকেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে দায়রা আদালতে (Court of Session) আপীল করা যাবে;
(খ) যদি আদেশটি প্রদান করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ব্যতীত অন্য কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, তাহলে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে;
(গ) যদি আদেশটি যেকোনো অন্য নির্বাহী বা বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট প্রদান করেন, তাহলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট আপীল করা যাবে।
----------
⇒The Code of Criminal Procedure, 1898 Section- 406A. Appeal from order refusing to accept or rejecting a surety:
Any person aggrieved by an order refusing to accept or rejecting a surety under section 122 may appeal against such order,- 
 (a) if made by the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate or a District Magistrate, to the Court of Session; 
(b) if made by a Metropolitan Magistrate other than the Chief Metropolitan Magistrate, to the Chief Metropolitan Magistrate; or 
(c) if made by any other Magistrate, whether Executive or Judicial, to the District Magistrate or the Chief Judicial Magistrate.

৯৮.
২০ বছর বয়সী A, ১৭ বছর বয়সী B-কে প্ররোচনা দিয়ে আত্মহত্যা করালে, দণ্ডবিধি অনুসারে A-এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
  4. দশ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা

⇒ উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে B-এর বয়স ১৭ বছর (১৮ বছরের কম), অর্থাৎ এটি একটি শিশুর আত্মহত্যায় প্ররোচনা-এর ঘটনা। দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫ অনুযায়ী, ১৮ বছরের কম বয়সী কোনো ব্যক্তি-এর আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দানকারী মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছরের কারাদণ্ড-এ দণ্ডিত হতে পারেন, এবং অতিরিক্ত অর্থদণ্ডও হতে পারে।
সুতরাং, দণ্ডবিধির ধারা ৩০৫ অনুযায়ী A-এর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত শাস্তির ব্যবস্থা রয়েছে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারার বিধান- শিশুর বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:
 যদি আঠারো বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তি, কোন  ব্যক্তি, প্রলাপগ্রস্ত ব্যক্তি, নির্বোধ ব্যক্তি, বা কোন ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত অবস্থায় আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি এই আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করে, সে ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা অনধিক দশ বৎসর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860: Section 305: Abetment of suicide of child or insane person:
If any person under eighteen years of age, any insane person, any delirious person, any idiot, or any person in a state of intoxication commits suicide, whoever abets the commission of such suicide shall be punished with death or imprisonment for life, or imprisonment for a term not exceeding ten years, and shall also be liable to fine.

৯৯.
দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারা অনুযায়ী, কোন কাজটি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারের প্রতি ঘৃণা ছড়িয়ে বিদ্রোহের ডাক দেওয়া।
  2. আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা।
  3. সরকারি কর্মচারীদের উপর আক্রমণের জন্য উস্কানি দেওয়া।
  4. সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করা বা করার চেষ্টা করা।
সঠিক উত্তর:
আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা।
ব্যাখ্যা

⇒  দণ্ডবিধির ধারা ১২৪ক-এ রাষ্ট্রদ্রোহিতার সংজ্ঞা এবং এর ব্যতিক্রম স্পষ্ট করা হয়েছে: রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের উপাদান:
- সরকারের প্রতি ঘৃণা (hatred), বিদ্বেষ (contempt) বা বৈরিতা (disaffection) সৃষ্টি করা বা করার চেষ্টা করা।
- এজন্য উচ্চারিত/লিখিত বক্তব্য, চিহ্ন, দৃশ্যমান প্রতীক বা অন্য কোনো উপায় ব্যবহার করা।
অপরাধ নয় (Explanation 2 ও 3 অনুযায়ী):
আইনসম্মত উপায়ে সরকারের নীতি বা কার্যক্রমের সমালোচনা বা অসন্তোষ প্রকাশ, যদি তা ঘৃণা/বিদ্বেষ/বৈরিতা সৃষ্টি না করে।
অর্থাৎ, শান্তিপূর্ণ ও আইনানুগ সমালোচনা রাষ্ট্রদ্রোহিতা নয়।
সুতরাং, আইনসম্মতভাবে সরকারের নীতির সমালোচনা করা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ নয়, বরং ধারা ১২৪ক-এর Explanation 2 ও 3 দ্বারা সুরক্ষিত একটি আইনানুগ অধিকার।

⇒ দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারার বিধান রাষ্ট্রদ্রোহিতা:
- কোন ব্যক্তি যদি উচ্চারিত বা লিখিত কথা বা উক্তি দ্বারা, অথবা চিহ্নাদি দ্বারা, অথবা দৃশ্যমান প্রতীকের সহায়তায় অথবা অপর কোনভাবে বাংলাদেশে আইনানুসারে প্রতিষ্ঠিত সরকারের প্রতি ঘৃণা বা বিদ্বেষ সৃষ্টি করে বা করার চেষ্টা করে অথবা বৈরিতা উদ্রেক করে বা করার চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন অথবা যে কোন কম মেয়াদের কারাদণ্ডে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে অথবা তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার সাথে অর্থদণ্ড যোগ করা যাবে, অথবা তাকে অর্থ দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

ব্যাখ্যা-১: ‘বৈরিতা' বলতে রাজানুগত্যহীনতা এবং সর্বপ্রকার শত্রুতার ভাব বুঝায়।
ব্যাখ্যা-২: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করা বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই আইনসম্মত উপায়ে পরিবর্তন বা সংশোধনের উদ্দেশ্যে সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাসমূহের প্রতি অসমর্থন প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
ব্যাখ্যা-৩: ঘৃণা, বিদ্বেষ বা বৈরিতা সৃষ্টি করার বা সৃষ্টি করার চেষ্টা করা ছাড়াই সরকারের কোন শাসন পরিচালন বিষয়ক বা অন্যরূপ কার্য সম্পর্কে অসমর্থনমূলক অভিমত বা মন্তব্য প্রকাশ এই ধারামতে অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না।
-----------
⇒ The Penal Code Section 124A. Sedition:
- Whoever by words, either spoken or written, or by signs, or by visible representation, or otherwise, brings or attempts to bring into hatred or contempt, or excites or attempts to excite disaffection towards, the Government established by law shall be punished with imprisonment for life or any shorter term, to which fine may be added, or with imprisonment which may extend to three years, to which fine may be added, or with fine.

Explanation 1.-The expression "disaffection" includes disloyalty and all feelings of enmity. 
Explanation 2.-Comments expressing disapprobation of the measures of the Government with a view to obtain their alteration by lawful means, without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section. 
Explanation 3.-Comments expressing disapprobation of the administrative or other action of the Government without exciting or attempting to excite hatred, contempt or disaffection, do not constitute an offence under this section.

১০০.
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান প্রয়োগ করার পূর্বে আদালতকে কোন মৌলিক বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে? 
  1. ষড়যন্ত্রকারীরা একটি লিখিত চুক্তি করেছে কিনা
  2. সকল ষড়যন্ত্রকারীকে শনাক্ত করা হয়েছে কিনা
  3. অপরাধটি সফলভাবে সংঘটিত হয়েছে কিনা
  4. ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব আছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে কিনা
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব আছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে কিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব আছে বলে যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে কিনা
ব্যাখ্যা

⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা ১০ প্রয়োগের জন্য আদালতকে প্রথমে এই মৌলিক বিষয়টি নিশ্চিত হতে হবে যে, "যুক্তিসঙ্গত কারণে বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে যে দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো অপরাধ বা নালিশযোগ্য অন্যায় সংঘটনের জন্য ষড়যন্ত্র করেছে"। এটি একটি প্রাক-শর্ত (pre-condition) যা পূরণ না হলে ধারা ১০-এর অধীনে ষড়যন্ত্রকারীদের কথা, কাজ বা লেখা প্রাসঙ্গিক হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না। অর্থাৎ, "যুক্তিসঙ্গত কারণ" (reasonable ground) থাকলেই কেবল এই ধারা প্রয়োগ করা যাবে।
সুতরাং, ধারা ১০ প্রয়োগের পূর্বে আদালতকে ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব সম্পর্কে যুক্তিসঙ্গত কারণ নিশ্চিত হতে হবে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারার বিধান: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ (Things said or done by conspirator in reference to common design): দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।

⇒ যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
----------
⇒ The Evidence Act, 1872-Section 10. Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.