পরীক্ষা আর্কাইভ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

পরীক্ষাসহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
[ATEO - নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা - ১৫] সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা - ৪ টপিক: ১. মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী ইতিহাস, ২. বাংলাদেশের অর্থনীতি ও শিল্প-বাণিজ্য, ৩. সরকার ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা। ৪. সুশাসন। উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, আমদানি রপ্তানি রিপোর্ট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO) · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে সামাজিক অবকাঠামো খাতে বরাদ্দের পরিমাণ-
  1. ৫,৪৪,৩৯১ কোটি
  2. ২,০৭,৬২৯ কোটি
  3. ২,৪৫,৬০৯ কোটি
  4. ২,৩৭,৬২৯ কোটি
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা এবং পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
.
১৯৮৩ সালে কত দল নিয়ে বিএনপির নেতৃত্বে জোট গঠিত হয়েছিল?
  1. ৯টি
  2. ১৩টি
  3. ৮টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান – 
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করে দ্বিতীয়বার সামরিক শাসনের সূচনা করেন।
- এই সামরিক শাসন দীর্ঘ নয় বছর স্থায়ী হয় এবং এরশাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের ফলে দেশে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে চরম দুরবস্থা সৃষ্টি হয়।
- জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে এবং ধীরে ধীরে সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

- ১৯৮২ সালের শেষ দিক থেকেই ছাত্র সমাজ এরশাদের প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন।
- বুদ্ধিজীবী মহলও এই আন্দোলনে সক্রিয় সমর্থন প্রদান করেন।
- এর প্রেক্ষিতে ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দলীয় এবং একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট গঠিত হয়।
- এর মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে।

- ১৯৮৭ সাল নাগাদ আন্দোলনের প্রধান দাবি হয়ে দাঁড়ায় সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা।
- যদিও এরশাদ সরকার তখনও ক্ষমতায় টিকে থাকতে সক্ষম হয়, তবে আন্দোলনের গতি শ্লথ হয়নি।
- ১৯৯০ সালের শুরু থেকেই রাজনৈতিক দলগুলো হরতাল, মিছিল, মিটিংসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যেতে থাকে।
- ছাত্র সমাজ, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠনগুলো এই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের মধ্য দিয়ে আন্দোলন আরও ব্যাপক রূপ ধারণ করে।

- শেষ পর্যন্ত ১৯৯০ সালের ১৯ নভেম্বর ‘৮.৭ দল’ এবং ‘৫ দলীয়’ জোট যৌথ ঘোষণা দেয় সামরিক শাসনের পতনের লক্ষ্যে।
- এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলেই ডিসেম্বর ১৯৯০-এ সফল গণঅভ্যুত্থান ঘটে এবং এরশাদের সামরিক শাসনের অবসান হয়।
- ফলে দেশের জনগণ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
৫ কোটি টাকার উর্ধ্বে ব্যয়সাপেক্ষ সকল প্রকল্প যাচাই ও অনুমোদন করে-
  1. অর্থমন্ত্রনালয়
  2. একনেক
  3. স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি (একনেক):
- ১৯৮২ সালে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির গঠন কাঠামো ও কার্যাবলি নিরূপণ করা হয়।
- ওই  প্রস্তাবের ফলে এ সম্পর্কিত পূর্ববর্তী সকল আদেশ বাতিল হয়ে যায়।
- ১৯৮২ সালে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীকে আহবায়ক করে এ কমিটি গঠিত হয়।
- ২০০০ সালের জানুয়ারিতে জারিকৃত সর্বশেষ প্রজ্ঞাপনে একনেকের সদস্য তালিকা থেকে পরিকল্পনা মন্ত্রী/ প্রতিমন্ত্রীকে বাদ দেওয়া হয়।
- সর্বশেষ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী একনেকের সভাপতি এবং অর্থমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি। 

• একনেকের বর্তমান বিবেচ্য বিষয়াবলি হচ্ছে:
- সকল প্রকল্প পরিকল্পনাপত্র যাচাই ও অনুমোদন;
- প্রকল্প মূল্যায়ন সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত ৫ কোটি টাকার উর্ধ্বে ব্যয়সাপেক্ষ সকল প্রকল্প যাচাই ও অনুমোদন;
- উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা;
- বেসরকারি ও যৌথ উদ্যোগের বিনিয়োগ প্রকল্পসমূহ যাচাই;
- দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড তত্ত্বাবধান ও নীতিমালা পর্যালোচনা;
- সরকারি বিধিবদ্ধ কর্পোরেশনসমূহের আর্থিক কর্মসূচি পর্যালোচনা;
- সরকারি প্রতিষ্ঠানের উৎপন্ন পণ্যাদির মূল্য এবং সরকারি সেবা খাতের রেট, ফি ইত্যাদি নির্ধারণ; এবং
- বৈদেশিক সাহায্য ও ব্যবসা বাণিজ্য সম্প্রসারণ ইত্যাদি।

উৎস: মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ এবং বাংলাপিডিয়া।
.
এরশাদ প্রস্তাবিত কোন নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন গড়ে ওঠে?
  1. শিক্ষানীতি
  2. স্বাস্থ্যনীতি
  3. শিল্পনীতি
  4. কৃষিনীতি
ব্যাখ্যা
• ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান – 
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করে দ্বিতীয়বার সামরিক শাসনের সূচনা করেন।
- এই সামরিক শাসন দীর্ঘ নয় বছর স্থায়ী হয় এবং এরশাদের একনায়কতান্ত্রিক শাসনের ফলে দেশে আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে চরম দুরবস্থা সৃষ্টি হয়।
- জনগণের মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে থাকে এবং ধীরে ধীরে সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।

- ১৯৮২ সালের শেষ দিক থেকেই ছাত্র সমাজ এরশাদের প্রস্তাবিত শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন।
- বুদ্ধিজীবী মহলও এই আন্দোলনে সক্রিয় সমর্থন প্রদান করেন।
- এর প্রেক্ষিতে ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দলীয় এবং একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট গঠিত হয়।
- এর মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে।

- ১৯৮৭ সাল নাগাদ আন্দোলনের প্রধান দাবি হয়ে দাঁড়ায় সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা।
- যদিও এরশাদ সরকার তখনও ক্ষমতায় টিকে থাকতে সক্ষম হয়, তবে আন্দোলনের গতি শ্লথ হয়নি।
- ১৯৯০ সালের শুরু থেকেই রাজনৈতিক দলগুলো হরতাল, মিছিল, মিটিংসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে যেতে থাকে।
- ছাত্র সমাজ, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠনগুলো এই আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখে। সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের মধ্য দিয়ে আন্দোলন আরও ব্যাপক রূপ ধারণ করে।

- শেষ পর্যন্ত ১৯৯০ সালের ১৯ নভেম্বর ‘৮.৭ দল’ এবং ‘৫ দলীয়’ জোট যৌথ ঘোষণা দেয় সামরিক শাসনের পতনের লক্ষ্যে।
- এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলেই ডিসেম্বর ১৯৯০-এ সফল গণঅভ্যুত্থান ঘটে এবং এরশাদের সামরিক শাসনের অবসান হয়।
- ফলে দেশের জনগণ পুনরায় গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৩.৯৭%
  2. ৪.২২%
  3. ৩.৭৫%
  4. ৪.৩২%
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দেশের জনসংখ্যা, কৃষি, শিল্প, জনমিতি, অর্থনীতি, আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ, ইত্যাদি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে।
- তন্মধ্যে স্থূল দেশজ উৎপাদ (GDP)- সহ গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক নির্দেশক প্রাক্কলন অন্যতম।
- সাময়িকভাবে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) লিংক
.
কোটাব্যবস্থা বাতিলে সংগঠিত ছাত্র আন্দোলন প্রথম শুরু হয়-
  1.  ২০২৪ সালে
  2.  ২০১৮ সালে
  3.  ২০২৩ সালে
  4.  ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
• বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পটভূমি:
- ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সাধারণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল ঘোষণায় পরিপত্র জারি করে।
- তখন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করেছিলেন, সরকার সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়।
- কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ জুন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের কোটা বাতিল–সংক্রান্ত পরিপত্রটি অবৈধ ঘোষণা করেন।
- হাইকোর্টের এ ঘোষণার ফলে নতুনভাবে আবার এই আন্দোলন শুরু হয়।
- আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল, কোটার যৌক্তিক সংস্কার।

উৎস: প্রথম আলো ৪ মার্চ ২০১৮।
.
বাংলাদেশে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কোনটি?
  1. ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
  2. সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
  3. মিশ্র অর্থব্যবস্থা
  4. ইসলামিক অর্থব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
• মিশ্র অর্থব্যবস্থা (Mixed Economic System):
- ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার সংমিশ্রণই হচ্ছে মিশ্র অর্থব্যবস্থা।
- অর্থাৎ মিশ্র অর্থব্যবস্থা এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদন, ভোগ, বণ্টন ইত্যাদি অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে স্বয়ংক্রিয় বাজার ব্যবস্থার সাথে সাথে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সংমিশ্রণ ঘটে।
- এ ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অনেক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত ব্যক্তি বা ফার্ম বাজার ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ে থাকে।
- আবার সরকারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বর্তমান সময়ে কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই বিশুদ্ধ ধনতান্ত্রিক বা বিশুদ্ধ সমাজতান্ত্রিক নয়।
- অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশসমূহে এ দু'ধরনের অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহ দেখা যায়। অর্থাৎ এসব দেশে মিশ্র অর্থনীতি বিদ্যমান।
- যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, ভারত, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে প্রথম নিহত হন কে?
  1. মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ
  2. আবু সাঈদ
  3. ফয়সাল আহমেদ শান্ত
  4. আবরার ফায়াজ
ব্যাখ্যা
• আবু সাঈদ (২০০১ – ১৬ জুলাই ২০২৪)
- আবু সাঈদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি ছিলেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের সক্রিয়কর্মী।
- তিনি এই আন্দোলনের রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ই জুলাই আন্দোলন চলাকালে একজন পুলিশ সদস্যের গুলিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
----------------------------------------------------

• বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি আন্দোলন।
- কোটা সংস্কারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলনটিই পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হিসেবে রূপ লাভ করে।
- নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে তখনকার সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে ছাত্র আন্দোলনটি চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে।
- বাংলাদেশে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট তিনবার কোটা সংস্কারের জন্য বড় ধরনের আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ৬ জুলাই সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে পরীক্ষা বর্জন, ছাত্র ধর্মঘট ও সড়ক–মহাসড়ক অবরোধের ডাক দেন।
-  ১৬ জুলাই রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরস্ত্র শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে পুলিশ গুলিতে হত্যা করে। 

উৎস: প্রথম আলো।
.
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান-২০২৪-এ গেজেটভুক্ত শহীদের সংখ্যা কত?
  1. ৮৩৮জন
  2. ৮৪৪জন
  3. ৮৫৪জন
  4. ৮৩৭জন
ব্যাখ্যা
• জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে সরকার।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এটি প্রকাশ করেছে।
- সরকারি এ গেজেট অনুযায়ী, ওই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৪৪। লিংক
- গেজেটে ‘মেডিকেল কেস আইডি’, শহীদদের নাম, বাবার নাম, বর্তমান ঠিকানা, স্থায়ী ঠিকানা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে কে কোথায় এবং কোন তারিখে শহীদ হন, তা গেজেটে উল্লেখ করা হয়নি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় লিংক
১০.
বাংলাদেশ ইনসুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (বিআইএসএফএল) কোথায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
• বিআইএসএফএল পরিচিতি:
- বাংলাদেশ ইনসুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (বিআইএসএফএল) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)-এর  নিয়ন্ত্রণাধীন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- এটি ইনসুলেটর ও স্যানিটারীওয়্যার উৎপাদনকারী দেশের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত শাহ আলী থানার অধীন মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডে ৩০.৩৭ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত।
- এখানে ১৯৮১ সনে ৪০০০ মে. টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন স্যানিটারীওয়্যার প্লান্ট এবং ২৪০০ মে. টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইনসুলেটর প্লান্টের উৎপাদন শুরু হয়।
- পরবর্তীতে বাজার চাহিদার আলোকে হালকা ওজনের পণ্য উৎপাদন প্রবর্তন করায় সংখ্যা ভিত্তিক উৎপাদন কিছুটা বৃদ্ধি করা সত্ত্বেও টন ভিত্তিক উৎপাদন যথাক্রমে ৩৪০০ মে. টন ও ১৪০০ মে. টন নির্ধারণ হয়। - ১৯৮৬-১৯৮৭ অর্থ বছরে ১১০০ মে. টন উৎপাদন ক্ষমতার গ্লেজড টাইলস প্লান্ট সংযোজন করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯১-১৯৯২ অর্থ বছরে বিভিন্ন প্রকার রিফ্র্যক্টরীজ ব্রিকস্ উৎপাদন শুরু হয়।
- ২০০১ সাল হতে টাইল উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ আছে। 

উৎস: বিআইএসএফএল ওয়েবসাইট।
১১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশ সরকারের অংশ নয়?
  1. রাজনৈতিক বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:

সেগুলো হচ্ছে:
- নির্বাহীবিভাগ
- আইনবিভাগ ও
- বিচারবিভাগ।

• নির্বাহী বিভাগ
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে।
এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১২.
প্রধানমন্ত্রী কার নিকট জবাবদিহি করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জাতীয় সংসদ
  3. সুপ্রিমকোর্ট
  4. বিচারপতি
ব্যাখ্যা
 প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ:
 যেমন
• সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।

• প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যেদপ্তর বণ্টন করেন। 
• প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা। তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। 

• সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। এভাবে তিনি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

• পররাষ্ট্র বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন।
- প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না।
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।
• দেশের জরুরি অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত ছাড়া যেকোনো নির্দেশ দিতে পারেন।
• তবে প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে জবাবদিহি করবেন। সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জবাবদিহি চালু রাখতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
১৩.
দেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ১,৫৯,৩৩,০০০ হেক্টর
  2. ২,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৭৯,০৩,০০০ হেক্টর
  4. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস।
১৪.
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঘোড়াশাল
  2. কাপ্তাই
  3. আশুগঞ্জ
  4. বাখরাবাদ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত চট্টগ্রামের কাপ্তাইয়ে ৷
- ১৯৬২ সালে কর্ণফুলী নদীর তীরে ৪৬ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট নিয়ে কেন্দ্রটির যাত্রা শুরু হয়৷
- বর্তমানে এই কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট৷
- কর্ণফুলি নদীর নির্ধারিত স্থানে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলাধার সৃষ্টি এবং পানির এই শক্তিকে গতিশক্তিতে রুপান্তর করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এজন্য ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উঁচু বাঁধ তৈরি করা হয়। এই বাধেঁর পাশে ১৬ টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট একটি জল নির্গমনপথ বা স্পীলওয়ে রয়েছ।

উৎস: রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ওয়েবসাইট।
১৫.
বিশ্বব্যাংক সুশাসনের কয়টি স্তম্ভ ঘোষণা করে?
  1. চারটি
  2. পাঁচটি
  3. ছয়টি
  4. তিনটি
ব্যাখ্যা
• সুশাসন (Good Governance.):
 - সুশাসন  অর্থ নির্ভুল, দক্ষ, কার্যকারী শাসন।
- সুশাসনের ধারণা সর্বপ্রথম দেয় বিশ্বব্যাংক।
- বর্তমান বিশ্বে একটি জনপ্রিয় ধারণা হল সুশাসন। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে সুশাসন।
- ১৯৮৯ সালে বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদন সর্বপ্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।

২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক সুশাসনের চারটি স্তম্ভ ঘোষণা করে।
এ চারটি স্তম্ভ হল-
(i) দায়িত্বশীলতা
(ii) স্বচ্ছতা
(iii) আইনী কাঠামো ও
(iv) অংশগ্রহণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৬.
বাংলাদেশে বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোঃ লিমিটেড
  2. টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড
  3. ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি
  4. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ
ব্যাখ্যা
• ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি:
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) নরসিংদী জেলাস্থ পলাশ উপজেলায় ঘোড়াশাল পৌরসভার অন্তর্গত খানেপুর মৌজায় অবস্থিত।
- পূর্বেকার ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (ইউএফএফএল) এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (পিইউএফএফএল) একীভূত করে গত ০১-০৭-২০২১ খ্রি. তারিখ থেকে ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) গঠিত হয়।
----------------------------------------------------------
• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন এর অধিনে সারকারখানা সমূহ:
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী।
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোঃ লিমিটেড।
- চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড।
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড।
- ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ।

উৎস: BCIC.
১৭.
জাতিসংঘের কোন সংস্থা সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান করে?
  1. UNEP
  2. UNESCO
  3. UNDP
  4. UNICEF
ব্যাখ্যা
• বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম 'সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
- এতে উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয় এবং বলা হয় যে, সুশাসনের অভাবেই এরূপ অনুন্নয়ন ঘটেছে।
- বিশ্বব্যাংক ও UNDP-এর মতে, সুশাসনের মাধ্যমেই একটি রাষ্ট্রের নাগরিকগণ তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক আশা-আকাঙক্ষাসমূহকে প্রকাশ করতে পারে এবং তাদের অধিকার ভোগ করতে পারে।
- এছাড়াও একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, 'সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক
- সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৮.
সুশাসনের জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা দরকার?
  1. রাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  2. ধনিতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  3. গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  4. ধর্মীয় ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
সুশাসনের উপাদান:
- সাধারণ অর্থে সুশাসন হলো এমন এক প্রক্রিয়া যা একটি দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
- এই শাসন প্রক্রিয়ায় জনগণের আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
সরকারের স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতার সঙ্গে নিশ্চিত হয় সামাজিক ন্যায় বিচার ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদ।
- সুশাসনের মূল ভিত্তি হলো মূল্যবোধ।

• সুশাসনের উপাদানসমূহ:
- গণতন্ত্র,- গণতন্ত্র সুশাসনের প্রাণ। সুশাসনের জন্যে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার বিকল্প নাই।
- নৈতিক মূল্যবোধ,
- স্বচ্ছতা,
- বৈধতা,
- দায়িত্বশীলতা,
- জবাবদিহিতা,
- জনগণের নিকট গ্রহণযোগ্যতা,
- স্বাধীন প্রচার মাধ্যম,
- অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া,
- আইনের শাসন,
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা,
- জনবান্ধব প্রশাসন,
- সততা,
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা,
- সুশীল সমাজ
- দক্ষতা,
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা,
- বিকেন্দ্রীকরণ,

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৯.
বাংলাদেশে মোট কতটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ২টি
  2. ১টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
• গণভোট, ১৯৭৭:
সামরিক শাসনকে বৈধ করার লক্ষ্যে ৩০ মে, ১৯৭৭ বাংলাদেশে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
নির্বাচনে ৮৭ শতাংশ ভোটার অংশ এবং জিয়াউর রহমানের পক্ষে ৯৯ শতাংশ ভোট পরে বলে সরকারিভাবে জানানো হয়।

• গণভোট ১৯৮৫:
প্রশাসনিক গণভোট ১৯৮৫ সালে ।
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সমর্থন যাচাইয়ের লক্ষ্যে হ্যাঁ-না ভোট।

• তৃতীয় গণভোট
সাংবিধানিক গণভোট অনুষ্ঠিত হয়- ১৯৯১ সালে।
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
National Citizen Party (NCP) এর আহ্বায়ক কে?
  1. আখতার হোসেন
  2. নাহিদ ইসলাম
  3. হাসনাত আব্দুল্লাহ
  4. তাসনিম জারা
ব্যাখ্যা
• National Citizen Party (NCP):
- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল।
- এটি  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে গঠিত হয়েছে।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
 - নাহিদ ইসলামকে দলটির  আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- এটি দেশের প্রথম রাজনৈতিক দল, যা সম্পূর্ণভাবে ছাত্র নেতৃত্বের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
- দলটির সৃষ্টি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের একটি সফল পরিণতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: NCP ওয়েবসাইট।
২১.
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাধা হচ্ছে -
  1. আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা
  2. বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ
  3. রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সহিংসতা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বাধা হচ্ছে -
- রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সহিংসতা।
- সরকারের অদক্ষতা এবং অব্যবস্থাপনা
- আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা।
- আইনের শাসনের অভাব।
- সরকারের জবাবদিহিতার অভাব।
- বাক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ।
- দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা।
- স্বজনপ্রীতি।
- দারিদ্র্য।
- জনসচেতনতার অভাব।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।