পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
বাংলাদেশের ইতিহাসঃ ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৯। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) ছয়দফা
  2. খ) এগারো দফা
  3. গ) একুশ দফা
  4. ঘ) উনিশ দফা
সঠিক উত্তর:
ক) ছয়দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ছয়দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয়দফা দিবস পালিত হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুক্তফ্রন্ট সরকারের কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. ক) অর্থ ও পরিকল্পনা
  2. খ) স্বরাষ্ট্র ও ত্রাণ
  3. গ) কৃষি ও সমবায়
  4. ঘ) শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষি ও সমবায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কৃষি ও সমবায়
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং ৪ এপ্রিল এ কে ফজলুল হককে মুখ্যমন্ত্রী করে ৫ সদস্যের মন্ত্রীসভা গঠন করা হয়।
১৪ মে এ মন্ত্রিসভায় আওয়ামীলীগ যোগদান করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন, সমবায় এবং পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হন। তবে ৩০শে মে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় এ মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করা হয় কবে?
  1. ক) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
  2. খ) ০৩ জানুয়ারি ১৯৬৮
  3. গ) ১৯ জুন ১৯৬৮
  4. ঘ) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
খ) ০৩ জানুয়ারি ১৯৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ০৩ জানুয়ারি ১৯৬৮
ব্যাখ্যা
১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করে। ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। বিচারের জন্যে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি এস এ রহমান। অপর দুই সদস্য হলেন এম আর খান এবং মুকসুমুল হাকিম।
বঙ্গবন্ধুর পক্ষে কৌশুলী ছিলেন ব্রিটিশ আইনজীবী টমাস উইলিয়াম, আব্দুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ। সরকার পক্ষে প্রধান কৌশুলী ছিলেন মঞ্জুর কাদের এবং অ্যাডভোকেট জেনারেল টি এইচ খান।
এই মামলার ১৭ নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়। এতে প্রবল আন্দোলনের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া)
.
নিচের কোন জন ভাষা শহীদ নন?
  1. ক) আবুল বরকত
  2. খ) মতিউর রহমান
  3. গ) আব্দুস সালাম
  4. ঘ) আব্দুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
খ) মতিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্ররা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে মিছিল বের করলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আবুল বরকত, রফিকউদ্দিন আহমেদ, শফিউর রহমান এবং আব্দুল জব্বার সহ আরো অনেকে শহিদ হন।
অন্যদিকে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গ করেন। এছাড়া ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে মতিউর নামে নবম শ্রেণীর একছাত্র শহিদ হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
কার উদ্যোগে তমুদ্দিন মজলিস প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) অধ্যাপক রমেশচন্দ্র সেন
  2. খ) আব্দুর রাজ্জাক
  3. গ) সৈয়দ আমির আলি
  4. ঘ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
ঘ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
.
আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দ বাদ দেওয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৫ সালের ২১শে অক্টোবর আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দ বাদ দেওয়া হয়। অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তা করা হয়। একই কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয়বারের মতো আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
(সূত্রঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
.
পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দানের বিল উত্থাপন করেন-
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদ
  4. ঘ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
খ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান সৃষ্টির পর উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্ররা তার প্রতিবাদ করে। এরই অংশ হিসেবে ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারীর রক্তাক্ত ঘটনা ঘটে।
এর ফলে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয় এবং ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য - ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন কে?
  1. ক) লিয়াকত আলী খান
  2. খ) ফিরোজ খান নূন
  3. গ) আইয়ুব খান
  4. ঘ) গোলাম মুহাম্মাদ
সঠিক উত্তর:
গ) আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৫৯ সালের ২৭ অক্টোবর মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ জারি করেন। এ ব্যবস্থায় স্থানীয় শাসন ব্যবস্থায় পুরো পাকিস্তানে ৮০,০০০ মৌলিক গণতন্ত্রী ছিলো যারা প্রথমে নিবার্চিত ও মনোনীত এবং ১৯৬২ সাল থেকে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতো। এসব মৌলিক গণতন্ত্রীরা পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি, জাতীয় পরিষদ এবং প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের নির্বাচিত করতেন।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
.
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় কাকে গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. ক) কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন
  2. খ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
  3. গ) ফ্লাইট সার্জেন্ট মফিজুল্লাহ
  4. ঘ) সার্জেন্ট আব্দুল জলিল
সঠিক উত্তর:
খ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করে। ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন। ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
এই মামলার ১৭ নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়। এতে প্রবল আন্দোলনের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
১০.
কোন পত্রিকাটি ভাষা আন্দোলনের বিরোধিতা করে?
  1. ক) সৈনিক
  2. খ) আজাদ
  3. গ) মর্নিং নিউজ
  4. ঘ) ইত্তেফাক
সঠিক উত্তর:
গ) মর্নিং নিউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মর্নিং নিউজ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে সংবাদপত্রের ভূমিকা ছিলো অসামান্য। সৈনিক, ইত্তেফাক, আজাদ, সংবাদ, অগত্যা, পাকিস্তান অবজারভার প্রভৃতি পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের সমর্থনে জোরালো ভূমিকা পালন করে।
অন্যদিকে মর্নিং নিউজ পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের শুরু থেকেই তথ্য বিকৃতি করে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক ইনকিলাব)
১১.
২১শে ফেব্রুয়ারির হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আইন পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন কে?
  1. ক) আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
  2. খ) আবুল কালাম শামসুদ্দিন
  3. গ) আতাউর রহমান খান
  4. ঘ) ফজলুল কাদের চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল কালাম শামসুদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল কালাম শামসুদ্দিন
ব্যাখ্যা

দৈনিক আজাদ পত্রিকার কিংবদন্তীতূল্য সম্পাদক ও মুসলীম লীগের তৎকালীন আইন পরিষদের সদস্য আবুল কালাম শামসুদ্দীন ১৯৪৯ সালে পূর্ববঙ্গ সরকারের ভাষা-কমিটির সদস্য হন। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে তিনি আইন পরিষদের সদস্যপদ ও মুসলিম লীগ সংসদীয় পার্টি ত্যাগ করেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে প্রথমবার যে শহীদ মিনার নির্মিত হয়, আবুল কালাম শামসুদ্দীন তার উদ্বোধন করেন। তিনি পাকিস্তান সরকারের শোষণ ও দুর্নীতির বিরোধিতা করলেও পাকিস্তানের অখন্ডতায় বিশ্বাসী ছিলেন।
অন্যদিকে, মওলানা তর্কবাগীশ ১৯৩৬ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন এবং ১৯৩৭ সালে বঙ্গীয় আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচার গুলিবর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে তিনি পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করেন এবং পরে মুসলিম লীগ পার্লামেন্টারি পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৫৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং ঐ বছর ১ জুন তিনি মুক্তিলাভ করেন। এরপর তিনি আওয়ামী মুসলিম লীগে যোগ দেন। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হিসেবে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
উল্লেখ্য, মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচার গুলিবর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে তিনি পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করেন এবং পরে মুসলিম লীগ পার্লামেন্টারি পার্টি থেকে পদত্যাগ করেন। তিনি আইন পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন কিনা এটা নিশ্চিত হওয়া যায় নি। আপনাদের কোন রেফারেন্স থাকলে জানাবেন। আমরা তথ্যগুলো সামনে এনে আবুল কালাম শামসুদ্দিনকে সঠিক উত্তর হিসেবে নিচ্ছি।

১২.
বঙ্গবন্ধু কবে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন কবে?
  1. ক) ১ মার্চ ১৯৬৪
  2. খ) ২ সেপ্টেম্বর ১৯৬২
  3. গ) ১৯ মার্চ ১৯৬৬
  4. ঘ) ৩ জানুয়ারি ১৯৬৮
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯ মার্চ ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯ মার্চ ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামী লীগের ৬ষ্ঠ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এই কাউন্সিলেই বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৪ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে ১৯৫৩ সালের ৫ জুলাই তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের প্রথম কমিটিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে বন্দি অবস্থায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
(সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক এবং বাংলাপিডিয়া)
১৩.
কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১১ দফা প্রণীত হয়?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
  4. ঘ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
ঘ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবী ঘোষণা করা হয়।
এই এগারো দফার মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া, ছয়দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত ছিলো। যার কারণে এগারো দফা পূর্ব বাংলার আপামর জনসাধারণের সমর্থন লাভ করে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)