পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলা সাহিত্য টপিক - বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের লেখকগণ [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] ১. গুরুত্বপূর্ণ লেখকগণ: সুফিয়া কামাল, সেলিনা হোসেন, সেলিম আল দীন, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, সৈয়দ মুজতবা আলী, সৈয়দ শামসুল হক। ২. অন্যান্য লেখকগণ: সোমেন চন্দ, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, সুকান্ত ভট্টাচার্য, সুকুমার রায়, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, সৈয়দ আলী আহসান, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী, রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ও সম-সাময়িক গুরুত্বপূর্ণ লেখক। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি সুফিয়া কামালের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. মায়া কাজল
  2. সাঁঝের মায়া
  3. উদাত্ত পৃথিবী
  4. মন ও জীবন
ব্যাখ্যা
'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতা:
- 'তাহারেই পড়ে মনে' কবিতাটি সুফিয়া কামালের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সাঁঝের মায়া' থেকে সংকলিত হয়েছে।
- এই কবিতাটি প্রথম ১৯৩৫ খ্রিষ্টাব্দে 'মাসিক মোহাম্মদী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- কবিতাটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দে লেখা।

-----------------
সুফিয়া কামাল রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- মন ও জীবন,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- সাঁঝের মায়া,
- অভিযাত্রিক,
- মোর যাদুদের সমাধি পরে,
- মায়া কাজল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং  'সাঁঝের মায়া' কাব্যগ্রন্থ।
.
'তরঙ্গভঙ্গ' সৈয়দ ওয়ালীওল্লাহ রচিত কোন ধরনের সাহিত্য?
  1. উপন্যাস
  2. গল্প
  3. কাব্যনাট্য
  4. নাটক
ব্যাখ্যা
'তরঙ্গভঙ্গ' নাটক:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর পাশ্চাত্যরীতি অনুসারী এবসার্ডধর্মী অস্তিত্ববাদী একটি নাটক 'তরঙ্গভঙ্গ'।
- অভাব-দারিদ্র্যের পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রাম, ঘাত-প্রতিঘাত এ নাটকে প্রতিফলিত হয়েছে।
- এ নাটকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলো হচ্ছে- বাদী মৌলবি আব্দুস সাত্তার, সাক্ষী মতলুব আলী।
- এ নাটকের একটি সংলাপ 'ভেবেছিলেন জজ সাহেব ঘুমিয়েছিল? না, জজ কখনো ঘুমান না।'

নাটকের কাহিনি সংক্ষেপ-
মৌলবি আবদুল সাত্তার নেওলাপুরী বিচারকের কাছে দরিদ্র চব্বিশ-পঁচিশ বছর বয়সী গৃহবধূ আমেনার বিরুদ্ধে শিশু স্বামী হত্যার অভিযোগ আমেনা অভাবের তাড়নায় অসুস্থ স্বামী কুতুব শেখকে চিকিৎসা করাতে না পেরে সে ধুতরার বিষ পান করিয়ে স্বামী হত্যা করে। আর চারটি শিশুর আহার সংস্থান করতে না পেরে ছোটটিকেও সে মেরে ফেলে। বিচারক এর বিচার করতে বসেন।

-----------
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত অন্যান্য নাটক:
- বহিপীর,
- সুড়ঙ্গ,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজানে মৃত্যু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং 'তরঙ্গভঙ্গ' নাটক।
.
সৈয়দ মুজতবা আলী ব্যবহৃত ছদ্মনাম কোনটি?
  1. সত্যপীর
  2. কলমগীর
  3. কবিরত্ন
  4. নবকুমার
ব্যাখ্যা
সৈয়দ মুজতবা আলী:
- সৈয়দ মুজতবা আলী শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল হবিগঞ্জের উত্তরসুর গ্রামে।
- তিনি কাজী নজরুল ইসলামের 'রুবাইয়াৎ-ই-ওমর খৈয়াম' গ্রন্থের ভূমিকা লিখেন।
- 'দেশে বিদেশে' সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম গ্রন্থ।

- সৈয়দ মুজতবা আলী ব্যবহৃত ছদ্মনাম- প্রিয়দর্শী; ওমর খৈয়াম; মুসাফির; সত্য পীর।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম।

তাঁর রচিত ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

অন্যদিকে, 
• সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত একাধিক ছদ্মনামে কাব্যচর্চা করতেন। যেমন- নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
মার্কসবাদী রাজনীতি ও সাহিত্যচর্চার সাথে যুক্ত ছিলেন কে?
  1. সুকুমার রায়
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. সোমেন চন্দ
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• সোমেন চন্দ:
- সোমেন চন্দ ছিলেন একজন রাজনৈতিক কর্মী ও সাহিত্যিক। পূর্ণ নাম সোমেন্দ্রকুমার চন্দ। ১৯২০ সালের ২৪ মে নরসিংদিতে তাঁর জন্ম।

- তিনি ঢাকার পোগোজ স্কুল থেকে এন্ট্রান্স (১৯৩৬) পাস করে ঢাকা মিটফোর্ড মেডিক্যাল স্কুলে ভর্তি হন, কিন্তু অসুস্থতার কারণে লেখাপড়া ছেড়ে দেন। তারপর তিনি ঢাকার প্রগতি লেখক সংঘ-এর সঙ্গে যুক্ত হন এবং মার্কসবাদী রাজনীতি ও সাহিত্যচর্চা শুরু করেন।

- ১৯৩৯ থেকে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত সোমেন চন্দের সাহিত্যজীবনের পরিধি। তাঁর জীবদ্দশায় গ্রন্থাকারে কোনো রচনা প্রকাশিত হয়নি; অধিকাংশ রচনাই প্রগতি লেখক সংঘের সাপ্তাহিক ও পাক্ষিক বৈঠকে পঠিত হতো।

- সংঘের ক্রান্তি (১৯৪০) নামক সংকলনে তাঁর ‘বনস্পতি’ গল্পটি প্রকাশিত হয়। মৃত্যুর পর ঢাকা থেকে সংকেত ও অন্যান্য গল্প (১৯৪৩) এবং কলকাতা থেকে বনস্পতি ও অন্যান্য গল্প (১৯৪৪) প্রকাশিত হয়।

- রণেশ দাশগুপ্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় তাঁর সমগ্র রচনা সোমেন চন্দের গল্পগুচ্ছ (১৯৭৩)।
- তাঁর বিখ্যাত গল্প ‘ইঁদুর’ পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কোন বিশ্ববিদ্যালয় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীকে ডি.লিট উপাধি প্রদান করেন?
  1. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• হরপ্রসাদ শাস্ত্রী:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন প্রাচ্যবিদ্যা বিশারদ এবং সংস্কৃতের পণ্ডিত।
- হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য (শাস্ত্রী)-র জন্ম ৬ ডিসেম্বর, ১৮৫৩ সালে নৈহাটি, পশ্চিমবঙ্গে। এ পরিবারের আদি নিবাস ছিল খুলনা জেলার কুমিরা গ্রামে।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন।
- তিনি বাংলা ভাষার প্রথমগ্রন্থ 'চর্যাপদ' নেপালের রাজদরবার গ্রন্থাগার থেকে উদ্ধার করেন।
- তিনি ১৮৯৮-তে 'মহামহোপাধ্যায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডি.লিট (১৯২৭) উপাধি লাভকরেন।
- ১৯৩১ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- বাল্মীকির জয়,
- মেঘদূত,
- কাঞ্চন মালা (উপন্যাস),
- হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষার বৌদ্ধগান ও দোহা,
- বেণের মেয়ে (উপন্যাস),
- প্রাচীন বাংলার গৌরব,
- বৌদ্ধধর্ম।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য কোনটি?
  1. নিষিদ্ধ লোবান
  2. নূরলদীনের সারা জীবন
  3. নীল দংশন
  4. হৃৎকলমের টানে
ব্যাখ্যা
'নূরলদীনের সারা জীবন' কাব্যনাট্য:
- "নূরলদীনের সারা জীবন" সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাট্য।
- রংপুরের কৃষক বিদ্রোহের নেতা নূরলদীন যার আসল নাম নূরুলউদ্দিন, তাঁর সামন্তবাদ বিরোধী সংগ্রাম অবলম্বনে নাটকটি রচনা করা হয়েছে।
- ১৪টি দৃশ্যে কাব্যনাটকটি রচিত।
- নূরলদীনের বিখ্যাত আহবান- 'জাগো বাহে, কোনঠে সবাই'।
- কাব্যনাট্যটির বিখ্যাত লাইন- "এক নূরলদীন যদি চলি যায়, হাজার নূরলদীন আসিবে বাংলায়।"

-----------------
সৈয়দ শামসুল হকের সাহিত্যকর্মগুলো হলো:
• কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক),
- নুরুলদীনের সারাজীবন,
- এখানে এখন।

• উপন্যাস:
- এক মহিলার ছবি,
- অনুপম দিন,
- নিষিদ্ধ লোবান (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক),
- সীমানা ছাড়িয়ে,
- খেলারাম খেলে যা,
- নীল দংশন,
- স্তব্ধতার অনুবাদ,
- বৃষ্টি ও বিদ্রোহীগণ,
- ত্রাহি,
- তুমি সেই তরবারী,
- অন্য এক আলিখান,
- এক মুঠো জন্মভূমি,
- আলোর জন্য,
- রাজার সুন্দরী।

• প্রবন্ধ:
- হৃৎকলমের টানে।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
সুকুমার রায় রচিত কবিতার বই কোনটি?
  1. চলচ্চিত্তচঞ্চরী
  2. পাগলা দাশু
  3. হযবরল
  4. আবোল তাবোল
ব্যাখ্যা
• সুকুমার রায়:
- শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় ১৮৮৭ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী হলো সুকুমার রায়ের পিতা।
- সুকুমার রায়ের পুত্র অস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল ময়মনসিংহ জেলার মসুয়ায়।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মগলো হলো:
• কবিতার বই:
- আবোল তাবোল,
- খাই খাই।

• গল্প: হযবরল।
• গল্প সংকলন: পাগলা দাশু।
• নাটক: চলচ্চিত্তচঞ্চরী।

এছাড়া তার অন্যান্য রচনার মধ্যে রয়েছে-
- অবাক জলপান,
- লক্ষণের শক্তিশেল',
- হেশোরাম হুশিয়ারের ডায়েরী,
- ঝালাপালা ও অন্যান্য নাটক এবং
- বহুরূপী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; 'হ-য-ব-র-ল' গ্রন্থের ভূমিকা এবং 'পাগলা দাশু' গল্পগ্রন্থের ভূমিকা।
.
সুফিয়া কামাল রচিত প্রথম গল্প কোনটি?
  1. কেয়ার কাঁটা
  2. অভিযাত্রিক
  3. সৈনিক বধূ
  4. মৃত্তিকার ঘ্রাণ
ব্যাখ্যা
• সুফিয়া কামাল:
- কবি, বুদ্ধিজীবী, সমাজনেত্রী সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন।
- সওগাত সম্পাদক মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন (১৮৮৮-১৯৯৪) ১৯২৬ সালে তাঁর প্রথম কবিতা 'বাসন্তী' প্রকাশ করেন।
- বেগম রোকেয়ার সামাজিক আদর্শ সুফিয়াকে আজীবন প্রভাবিত করেছে। তিনি রোকেয়ার ওপর অনেক কবিতা রচনা করেন এবং তাঁর নামে মৃত্তিকার ঘ্রাণ (১৯৭০) শীর্ষক একটি সঙ্কলন উৎসর্গ করেন।

তাঁর প্রথম রচনাগুলো-
- প্রথম কবিতা বাসন্তী; এটি সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয় ১৯২৬ সালে।
- প্রথম কাব্যগ্রন্থ- সাঁঝের মায়া; এটি প্রকাশিত হয় ১৯৩৮ সালে এবং এর মুখবন্ধ লিখেছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
- প্রথম গল্প- সৈনিক বধূ; এটি বরিশালের 'তরুণ' পত্রিকায় ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়।

• এছাড়াও, তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- সাঁঝের মায়া, 
- মায়া কাজল, 
- মন ও জীবন, 
- প্রশস্তি ও প্রার্থনা, 
- উদাত্ত পৃথিবী, 
- দিওয়ান,
- অভিযাত্রিক,
- মৃত্তিকার ঘ্রাণ,
- মোর জাদুদের সমাধি পরে। 

• গল্পগ্রন্থ:
- কেয়ার কাঁটা। 

• ভ্রমনকাহিনি:
- সোভিয়েতে দিনগুলি। 

• স্মৃতিকথা:
- একাত্তরের ডায়েরি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত কোন পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে অমর হয়ে আছেন?
  1. প্রগতি
  2. পরিচয়
  3. কবিতা
  4. পূর্বাশা
ব্যাখ্যা
• 'পরিচয়' পত্রিকা:
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত 'পরিচয়' পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি একাধারে ১২ বছর এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- আধুনিক বাংলা সাহিত্য চর্চায় পত্রিকাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
- বাংলা সাহিত্যে তিরিশের আধুনিকতা আন্দোলনে 'পরিচয়' পত্রিকার অবদান অনস্বীকার্য।
- ১৯৩১ সালে ত্রৈমাসিক পত্রিকাটি কলকাতা থেকে আত্মপ্রকাশ করে।

অন্যদিকে,
'কবিতা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- বুদ্ধদেব বসু।
'প্রগতি' পত্রিকার সম্পাদক বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্ত।
'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক সঞ্জয় ভট্টাচার্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ রচিত কবিতা কোনটি?
  1. বাতাসে লাশের গন্ধ
  2. স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো
  3. স্বাধীনতা তুমি
  4. গেরিলা
ব্যাখ্যা
'বাতাসে লাশের গন্ধ' রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ একটি বিখ্যাত কবিতা। রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ ইতিহাস-সচেতন কবি।
- এই কবিতায় তাঁর সংগ্রামী চেতনা ধরা পড়ে। তাঁর এ সংগ্রামী চেতনা পাঠককে বর্তমানের নৈরাশ্য থেকে আশান্বিত করে তোলে ভবিষ্যতের দিকে।

'বাতাসে লাশের গন্ধ' কবিতায় তিনি বলেন:

আজো আমি বাতাসে লাশের গন্ধ পাই,
আজো আমি মাটিতে মৃত্যুর নগ্ননৃত্য দেখি,
ধর্ষিতার কাতর চিৎকার শুনি আজো আমি তন্দ্রার ভেতরে-
এ-দেশ কি ভুলে গেছে সেই দুঃস্বপ্নের রাত, সেই রক্তাক্ত সময়?

অন্যদিকে, 
• 'স্বাধীনতা, এই শব্দটি কীভাবে আমাদের হলো' কবিতার রচয়িতা নির্মলেন্দু গুণ। 
• 'স্বাধীনতা তুমি' শামসুর রাহমান রচিত কবিতা। 
• সৈয়দ শামসুল হক ‘গেরিলা’ শিরোনামে কবিতা লিখেছেন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১১.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে কোন উপাধিতে ভূষিত করেছেন?
  1. ব্যাকরণচার্য
  2. ভাষাচার্য
  3. ধ্বনিচার্য
  4. জ্ঞানচার্য
ব্যাখ্যা
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়:
- তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী। ১৮৯০ সালের ২৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার শিবপুরে তাঁর জন্ম।
- ভাষা বিষয়ে সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো 'অরিজিন এণ্ড ডেভেলপমেন্ট অফ বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ'।
- শেষের কবিতা উপন্যাসে সুনীতিকুমারের স্বীকৃতি আছে।
- ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়কে 'ভাষাচার্য' উপাধি দেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ:
- বেঙ্গলি ফোনেটিক রিডার্স,
- বাংলা ভাষাতত্ত্বের ভূমিকা,
- সরল ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ,
- ল্যাঙ্গুয়েজ এণ্ড লিটারেচর অফ মডার্ন ইন্ডিয়া।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১২.
'জলে ডাঙায়' ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা কে?
  1. সুকুমার রায়
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী
ব্যাখ্যা
'জলে ডাঙায়':
- 'জলে ডাঙায়' সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি ভ্রমণকাহিনি। 
-  'জলে ডাঙায়' মোটামুটিভাবে ছোটদের জন্যে লেখা, কিন্তু লেখার প্রসাদগুণে পাঠকও অনায়াসে লেখকের সঙ্গী হয়ে যান সিংহল থেকে মালদ্বীপ, ভূমধ্যসাগর থেকে আফ্রিকা, সুয়েজ খাল থেকে পিরামিডের রহস্যময়তায়। আর এভাবেই উপভোগ্য হয়ে ওঠে 'জলে ডাঙায়'।

------------------------
• সৈয়দ মুজতবা আলী:

- সৈয়দ মুজতবা আলীশিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর পিতার কর্মস্থল শ্রীহট্ট (সিলেট) জেলার করিমগঞ্জে তিনি জন্মগ্রহণ করেন, কিন্তু তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল হবিগঞ্জের উত্তরসুর গ্রামে।
গ্রন্থাকারে তাঁর মোট ত্রিশটি উপন্যাস, গল্প, প্রবন্ধ ও ভ্রমণকাহিনী প্রকাশিত হয়েছে।

সেগুলির মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো:
• উপন্যাস:
- অবিশ্বাস্য,
- শবনম,
- শহর-ইয়ার।

• ভ্রমণকাহিনি:
- দেশে-বিদেশে,
- জলে-ডাঙায়।

• রম্যরচনা:
- পঞ্চতন্ত্র,
- ময়ূরকণ্ঠী।

• ছোটগল্প:
- চাচা-কাহিনী,
- টুনি মেম।

উৎস: 'জলে ডাঙায়' ভ্রমণকাহিনি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩.
'এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি / নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার'- পঙ্‌ক্তিদ্বয় কার রচনা?
  1. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  4. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা
• 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থ:
- 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থটি লিখেছেন কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য।
- 'ছাড়পত্র' কাব্যগ্রন্থ (১৯৪৭) কবির মৃত্যুর তিনমাস পর প্রকাশিত হয়। এটি বাংলা রাজনৈতিক কবিতার ইতিহাসে একটি স্মরণীয় গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থের অনেক কবিত বলিষ্ঠ উচ্চারণে এবং মৌলিক চিত্রকল্প সৃষ্টিতে অসামান্য।
- 'এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাবো আমি / নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার'- এই পঙ্‌ক্তিগুলো কাব্যটিকে মহিমান্বিত করেছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪.
কোনটি সৈয়দ আলী আহসান রচিত আত্মজীবনী?
  1. আমার প্রতিদিনের শব্দ
  2. অনেক আকাশ
  3. আমার সাক্ষ্য
  4. একক সন্ধ্যায় বসন্ত
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আলী আহসান:
- ১৯২০ সালে মাগুরা জেলার আলোকদিয়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা সৈয়দ আলী হামেদ ছিলেন একজন স্কুল ইন্সপেক্টর।
- তিনি কর্মজীবনে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন।
- রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনেক আকাশ।
- একক সন্ধ্যায় বসন্ত।
- সহসা সচকিত।
- উচ্চারণ।
- আমার প্রতিদিনের শব্দ।
- সমুদ্রেই যাবো।

তাঁর রচিত প্রবন্ধ-গবেষণাগ্রন্থ:
- কবিতার কথা।
- নজরুল ইসলাম।
- রবীন্দ্র কাব্যবিচারের ভূমিকা।
- কবিতার কথা ও অন্যান্য বিবেচনা।

তাঁর রচিত আত্মজীবনী:
- আমার সাক্ষ্য।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫.
সুকুমার রায় রচিত শিশুতোষ সাহিত্য কোনটি?
  1. অবাক জলপান
  2. ইতল বিতল
  3. পাখির বাসা
  4. নওল কিশোরের দরবারে
ব্যাখ্যা
• সুকুমার রায়:
- শিশুসাহিত্যিক সুকুমার রায় ১৮৮৭ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন।
- বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ ও যন্ত্রকুশলী উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী হলো সুকুমার রায়ের পিতা।
- সুকুমার রায়ের পুত্র অস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল ময়মনসিংহ জেলার মসুয়ায়।

তাঁর রচিত অন্যান্য শিশুতোষ সাহিত্য:
- আবোল-তাবোল;
- হ-য-ব-র-ল;
- পাগলা দাশু;
- শব্দকল্পদ্রুম;
- বহুরূপী;
- খাই খাই;
- অবাক জলপান;
- ঝালাপালা ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
• ইতল বিতল, নওল কিশোরের দরবারে সুফিয়া কামালের শিশুতোষ গ্রন্থ।
• 'পাখির বাসা' ফররুখ আহমদ রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ এর প্রকৃত নাম কী?
  1. সৈয়দ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. আবু মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. মুহম্মদ শহিদুল্লাহ শেখ
ব্যাখ্যা
• রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ:
- রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ প্রতিবাদী কবি হিসেবে খ্যাত। তিনি ১৯৫৬ সালের ১৬ অক্টোবর বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস বাগেরহাট জেলার মংলা থানার অন্তর্গত সাহেবের মেঠ গ্রাম।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ; 'রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ' নামটি তিনি নিজে গ্রহণ করেন।
- ছাত্রজীবনেই তাঁর দুটি কাব্য- উপদ্রুত উপকূল (১৯৭৯) ও ফিরে চাই স্বর্ণগ্রাম (১৯৮১) প্রকাশিত হয়।
- তাঁর কবিতায় মুক্তিযুদ্ধ, দেশাত্মবোধ, গণআন্দোলন, ধর্মনিরপেক্ষতা ও অসাম্প্রদায়িকতা বলিষ্ঠভাবে উপস্থাপিত।
- সাহিত্য-সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮০ সালে তিনি 'মুনীর চৌধুরী স্মৃতিপুরস্কার' লাভ করেন।
- ১৯৯১ সালের ২১ জুন ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- ছোবল,
- দিয়েছিলে সকল আকাশ,
- মৌলিক মুখোশ,
- একগ্লাস অন্ধকার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭.
"লালসালু" উপন্যাসের ধর্মব্যবসায়ী কূট চরিত্র কোনটি?
  1. তাহের
  2. খালেক
  3. মজিদ
  4. আক্কাস
ব্যাখ্যা
• "লালসালু" উপন্যাস:
- 'লালসালু' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালে। প্রথম উপন্যাস হলেও আমরা একজন প্রতিভাবান লেখকের দুঃসাহসী প্রচেষ্টার সার্থক ফসল বলে বিবেচনা করতে পারি।

- লালসালু' একটি সামাজিক সমস্যামূলক উপন্যাস। নিরক্ষর দরিদ্র ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন গ্রামবাসীর সরলতা ও ধর্ম বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে এক ভণ্ড ধর্মব্যবসায়ী তার জটিল, কুটিল ছলনাজাল বিস্তার করে কীভাবে নিজের শাসন ও শোষণের ভিত প্রতিষ্ঠিত করেছে, তারই চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে 'লালসালু' উপন্যাসে।

- নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে।

- ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে। তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।

- ১৯৬০ সালে পাকিস্তান লেখক সংঘ কর্তৃক করাচি থেকে উপন্যাসটির উর্দু অনুবাদ প্রকাশিত হয়। একই বছর প্যারিস থেকে ফরাসি অনুবাদ প্রকাশিত হয়। ১৯৬৭ সালে লন্ডন থেকে ইংরেজি অনুবাদ (Tree Without Roots) প্রকাশিত হয়। পরে চেক ও জার্মান ভাষাও এর অনুবাদ হয়।

- উপন্যাসটি অবলম্বনে ঢাকায় প্রথম শ্রেণির একটি চলচ্চিত্রও নির্মিত হয়েছে। ১৯৬১ সালে এই উপন্যাসের জন্য লেখক বাংলা একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হন।

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্রগুলো হলো:
- মজিদ,
- খালেক ব্যাপারি,
- জমিলা,
- রহিমা,
- আমেনা,
- আক্কাস,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৮.
'স্পেনবিজয় কাব্য' এর রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা
• 'স্পেনবিজয় কাব্য':
- ইসমাইল হোসেন সিরাজী মহাকাব্য লিখতে চেয়েছিলেন। এই প্রচেষ্টার ফসল 'স্পেনবিজয় কাব্যে'। তবে বৈশিষ্ট্যের বিচারে এটি পরিপূর্ণ মহাকাব্য হয়নি।
- 'স্পেনবিজয় কাব্যে' (১৯১৪) মুসলিম বীর তারেক ও স্পেনের সম্রাট রডারিকের সংগ্রামের কাহিনি বর্ণনায় মুসলিমদের অতীত বীরত্বপূর্ণ অধ্যায় নতুন করে তুলে ধরা হয়েছে।

----------------
উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ, 
- উচ্ছ্বাস, 
- উদ্বোধন, 
- স্পেনবিজয় কাব্য। 

উপন্যাস:
- তারা-বাঈ, 
- রায়নন্দিনী, 
- ফিরোজা বেগম। 

• প্রবন্ধ:
- স্বজাতি প্রেম,
- তুর্কিনারি জীবন,
- স্পেনীয় মুসলমান সভ্যতা। 

• ভ্রমন কাহিনি:
- তুরস্ক ভ্রমণ। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৯.
বাংলা কবিতায় 'ধ্রুপদী রীতির প্রবর্তক' বলা হয় কাকে?
  1. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
• সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা ভাষার একজন প্রধান আধুনিক কবি।
- বিংশ শতকের ত্রিশ দশকের যে পাঁচ জন কবি বাংলা কবিতায় রবীন্দ্র প্রভাব কাটিয়ে আধুনিকতার সূচনা ঘটান তাদের মধ্যে সুধীন্দ্রনাথ অন্যতম।
- তাকে বাংলা কবিতায় 'ধ্রুপদী রীতির প্রবর্তক' বলা হয়।

• সুধীন্দ্রনাথের কাব্যগ্রন্থগুলো হলো-
- তন্বী,
- অর্কেস্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- দশমী।

• এছাড়াও তাঁর দুটি প্রবন্ধ গ্রন্থ আছে -
- স্বগত,
- কুলায় ও কালপুরুষ।

• তাঁর অনুবাদগ্রন্থ- প্রতিধ্বনি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী' উপন্যাসটি কার রচনা?
  1. সৈয়দ আলী আহসান
  2. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা
• 'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী' উপন্যাস:
- লেখক সৈয়দ শামসুল হকের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আরেকটি উপন্যাস 'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী' (১৯৮৪)।

- মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতাকে চমৎকারভাবে চিহ্নিত করেছেন তিনি। বাঙালি জাতিসত্তার আত্মপরিচয়, সংগ্রাম, স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষার কথা পরম মমতায় তুলে ধরেছেন এ উপন্যাসে।

- একজন প্রধান শিক্ষক তাহের উদ্দীন খন্দকারের আত্মোপলব্ধি, অন্বেষণ ও স্মৃতিচারণার মধ্য দিয়ে উঠে আসে মুক্তিযুদ্ধে জলেশ্বরীর দুর্বার ভূমিকার কথা। বিভিন্ন জায়গা ছড়িয়ে থাকা জলেশ্বরীর সন্তানদের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার বিষয়টিও উঠে আসে তাহেরের স্মৃতিচারণায়।

উৎস: 'দ্বিতীয় দিনের কাহিনী' উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।