পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন৩৫
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৬ পার্ট-১) প্রাচীন সভ্যতাসমূহ, সাম্রাজ্যসমূহ, গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী (যুদ্ধ ও বিপ্লব ইত্যাদি), ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না। তাই শুধু বেসিক তথ্যগুলো পড়ুন] পার্ট-২) English Literature: Topics 1. Literary Terms: With Genres [Poetry, Drama, Fiction, Non-fiction, Criticism] 2. Literary Terms: (Mix) 3. Famous Quotation and Characters (All Ages). পার্ট–১ সোর্স: যেকোনো গাইড বই এবং বোর্ড বইগুলোই যথেষ্ট। পার্ট–২ সোর্স: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ইংরেজি সাহিত্যের উপর যেকোনো স্কলারের লেখা বই (যেমন - ইংরাজি সাহিত্যের ইতিহাস: শীতল ঘোষ), যেকোনো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৫ প্রশ্ন

.
হযরত মুহাম্মদ (স) নবুয়ত লাভ করেন কোন শতাব্দীতে?
  1. পঞ্চম
  2. সপ্তম
  3. অষ্টম
  4. নবম
ব্যাখ্যা
হযরত মুহাম্মদ (স)
- মানবতার মুক্তিদূত হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৫৭০ খ্রিস্টাব্দের ১২ রবিউল আউয়াল জন্মগ্রহণ করেন।
-  ৪০ বছর বয়সে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সপ্তম  শতাব্দীতে নবুয়তপ্রাপ্ত হন (৬১০ খ্রি.)।
- এবং হেরা পর্বতের গুহায় তার কাছে প্রথম অহি নাজেল হয়। 
- প্রথম প্রত্যাদেশ প্রাপ্তির পর তিনি গভীরভাবে বিচলিত হয়ে পড়লেন।
- কম্পিত ও ভীত-সন্ত্রস্ত হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার স্ত্রী বিবি খাদিজাকে (রা.) সব ঘটনা বর্ণনা করলেন।
- ঘটনা শ্রবণের পর পবিত্রতা রমণী খাদিজা (রা.) বুঝতে পারলেন যে, তার স্বামীর ওপর মহান সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ বর্ষিত হয়েছে।
- তিনি তাকে সাহস ও উৎসাহ দান করলেন।
- অতঃপর তিনি তার চাচাতো ভাই ওয়ারাকা-বিন-নওফেলের কাছে এ সংবাদ পেঁৗছালেন।
- ওয়ারাকা ছিলেন তৎকালীন আরব বিশ্বের প্রখ্যাত পণ্ডিত।
- ইহুদি ও খ্রিস্টধর্ম সম্বন্ধে তাকে বিশেষজ্ঞ বলে ভাবা হতো। এ ঘটনা শ্রবণে তিনি অভিমত ব্যক্ত করলেন যে, মুসা (আ.) ও ঈসা (আ.) অনুরূপ ঐশীবাণী লাভ করেছিলেন।
- তাঁর এ উৎসাহসূচক কথাবার্তা ও আশ্বাসের বাণীতে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বস্তির নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন।

উৎস: History.com.
.
'মিশরকে নীল নদের দান' বলে অভিহিত করেছেন কে?
  1. এরিস্টটল
  2. হেরোডোটাস
  3. ফারাও খুফু
  4. রাজা নেবুচাঁদনেজার
ব্যাখ্যা
নীল নদ
- নীল নদের উৎপত্তিস্থল  নীলনদ আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী।
প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা নীল নদের তীরে গড়ে উঠেছিল।
- নীলনদের পলির কারনে কৃষকদের ফসল চাষ, জেলেদের মাছ ধরা এবং জীবিকা নির্ভর করত নীলনদের উপর।
- আফ্রিকা এবং মিশরের কয়েক কোটি মানুষ নীলনদ কে কেন্দ্র করে তাদের জীবন পরিচালিত করত৷ নীলনদের অনন্য বৈশিষ্ট্যের কারনে এটি পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্য একটি নদী৷
- হাজার বছরের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইতিহাসের স্বাক্ষি এই নীলনদ। 
- পৃথিবীতে মোট সাতটি মহাদেশ আছে যার মধ্যে আফ্রিকা একটি।
- আফ্রিকা মহাদেশ পৃথিবীর দীর্ঘতম নদ নীলনদ অবস্থিত। নীল নদের উৎপত্তিস্থল হলো – ভিক্টোরিয়া হ্রদ।

 নীলনদের দান মিশর 
- হেরোডোটাস মিসরকে নীলনদের দান বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- নীলনদের একটি অংশ পুরোটাই মিশরের মরুভূমির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তাই মিশরের সবাই নীলনদের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল ছিল।
- এমনকি নীলনদের যত গুরুত্বপূর্ণ ভাস্কর্য বা সাংস্কৃতিক ঐতিহাসিক যত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রয়েছে তার সবকিছুই নীলনদের মাধ্যমে তৈরী হয়েছে।
- মিশরের অর্থনীতিতেও নীলনদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর তাই নীলনদ কে মিশরের দান বলা হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।
.
সাত দিনে সপ্তাহ গণনা শুরু করেন কারা?
  1. মিশরীয়রা
  2. সুমেরীয়রা
  3. অ্যাশেরীয়রা
  4. ক্যালডীয়রা
ব্যাখ্যা
ক্যালডীয়
- খ্রিস্টপূর্বাব্দে এ্যাসিরীয়দের পতন এবং ক্যালডীয়দের সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মেসোপটেমীয় সভ্যতা চূড়ান্ত পর্বে উন্নীত হয়।
- মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় বসবাসকারী সেমিটিক জাতিভুক্ত ক্যালডীয়রা এ সভ্যতা গড়ে তোলে বলে ইতিহাসে এটি ক্যালডীয় সভ্যতা নামে পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা নেবোপালেসার এ্যাসিরীয়দের সমৃদ্ধ রাজধানী নিনেভা ধ্বংস করে পুনরায় ধ্বংসপ্রাপ্ত নগরী ব্যাবিলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ও তাদের সভ্যতা গড়ে তোলে বলে এ সভ্যতা নতুন ব্যাবিলনীয় সভ্যতা নামেও পরিচিত।
- এ সাম্রাজ্যের উল্লেখযোগ্য শাসক ছিলেন সম্রাট নেবুচাঁদ নেজার। তাঁর রাজত্বকাল ছিল খ্রিস্টপূর্ব ৬০৪ থেকে ৫৬১ অব্দ পর্যন্ত।
- হাম্মুরাবির পর থেকে প্রায় এক হাজার বছরব্যাপী যুদ্ধ বিগ্রহ আর হানাহানিতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল মেসোপটেমিয়া।
- নেবুচাঁদ নেজারের হাতে ব্যাবিলন আবার শক্তি ফিরে পায়। সিরিয়া অধিকার করে রাখা মিশরীয়দের তিনি তাড়িয়ে দেন।
- নেবুচাঁদ নেজার খুব কঠোর শাসক ছিলেন। তাঁর শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করায় তিনি জেরুজালেম নগরী খ্রিস্টপূর্ব ৫৮৬ অব্দে ধ্বংস করে দেন এবং ইহুদি অধিবাসীদের বন্দি করে খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৮ অব্দ পর্যন্ত ব্যাবিলনে আটকে রাখেন।
- ইতিহাসে এর নাম 'ব্যাবিলনীয় বন্দিদশা'। খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৮ অব্দে ক্যালডীয় সাম্রাজ্যের পতন ঘটিয়ে পারস্য সম্রাট কাইরাস ক্যালডীয়দের উপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে।

জ্যোতির্বিদ্যায় অবদান
- বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে বিশেষত জ্যোতির্বিদ্যায় তাদের যথেষ্ট অবদান লক্ষ্য করা যায়।
- ধর্মীয় কারণে তারা গ্রহ-নক্ষত্র নিয়ে অনেক গবেষণা করেছে। তাই জ্যোতির্বিদ্যায় তারা হয়ে উঠেছিল দক্ষ।
- ক্যালডীয়রাই প্রথম সপ্তাহকে সাত দিনে বিভক্ত করে।
- আবার প্রতিদিনকে ১২ জোড়া ঘণ্টায় ভাগ করার পদ্ধতি বের করে। বছরের দৈর্ঘ্যও তারা বের করে।
- এ যুগের জ্যোতির্বিজ্ঞানীগণ ১২টি নক্ষত্রপুঞ্জের সন্ধান পান। তা থেকে ১২টি রাশিচক্রের সৃষ্টি হয়।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র।
.
সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধে বিজয়ী পক্ষ কোন দেশ?
  1. ফ্রান্স
  2. পর্তুগাল
  3. রাশিয়া
  4. সুইডেন
ব্যাখ্যা
সপ্তবর্ষব্যাপী যুদ্ধ
- সাত বছরের যুদ্ধ (১৭৫৬ - ১৭৬৩) ইউরোপের সবগুলো বড় শক্তিকেই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য করেছিল।
- এই যুদ্ধে ৯০০,০০০ থেকে ১,৪০০,০০০ জন মানুষ মারা গিয়েছিল।
- উল্লেখিত সময়কালের মধ্যে ইউরোপের মূলভূমি এবং উপনিবেশ, সকল স্থানেই ছোটবড় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ১৭৫৪ থেকে ১৭৬৩ সালের মধ্যে সংঘটিত পমেরানীয় যুদ্ধ এবং ফরাসি ও ইন্ডিয়ান যুদ্ধকেও এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- প্রুশিয়া, Electorate Brunswick-Lüneburg এবং যুক্তরাজ্যের (আমেরিকায় ব্রিটিশ উপনিবেশ, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ও আয়ারল্যান্ড সহ) সাথে যুদ্ধ বেধেছিল অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স (আমেরিকায় ফরাসি উপনিবেশ এবং ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সহ), রুশ সম্রাজ্য, সুইডেন এবং স্যাক্সনির।
- পরবর্তীতে পর্তুগাল ব্রিটেনের পক্ষে এবং স্পেন ফ্রান্সের পক্ষে যুদ্ধ জড়িয়ে পড়ে।
- এছাড়া ভারতে নেদারল্যান্ডের একটি নিরপেক্ষ বাহিনী আক্রমণের শিকার হয়েছিল।
- এ যুদ্ধে বিজয়ী পক্ষ: প্রুশিয়া, গ্রেট ব্রিটেন, পর্তুগাল, হ্যানোভার। 
- বিপক্ষ শক্তি: ফ্রান্স, রাশিয়া, স্পেন, সুইডেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
.
'জিগুরাত' কাদের ধর্ম মন্দির?
  1. অ্যাশেরীয়
  2. সুমেরীয়
  3. ব্যাবিলনীয়
  4. মিশরীয়
ব্যাখ্যা
সুমেরীয় সভ্যতার অবস্থান ও সময়কাল
- মেসোপটেমীয় অঞ্চলে বসতি গড়ে তোলায় প্রথম নেতৃত্ব দেয় সুমেরীয়রা।
- সুমেরী একটি জাতির নাম। তাদের আদি বাসস্থান ছিল মেসোপটেমিয়ার (বর্তমান ইরাক) উত্তর-পূর্বে অবস্থিত এলামের পাহাড়ি অঞ্চলে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে এদের একটি শাখা মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণে বসতি গড়ে তোলে।
- তাদের নামানুসারে এ অঞ্চলটির নাম সুমেরীয় অঞ্চল। আর তাদের সভ্যতাকে বলা হয় সুমেরীয় সভ্যতা।
- সুমেরীয়রা খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দের পূর্বেই সুমেরু নগর গড়ে তোলে।

সুমেরীয়দের সামাজিক অবস্থা
- সুমেরীয় সমাজের মানুষ বিভিন্ন শ্রেণীতে বিভক্ত ছিল।
যেমন- অভিজাত সম্প্রদায়: উচ্চ শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিল শাসক, পুরোহিত, অভিজাত, সামন্ত প্রভু, বণিক, শিল্পমালিক এবং উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা।
মধ্য শ্রেণী: মধ্য শ্রেণীতে অবস্থান ছিল চিকিৎসক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বাধীন ভূমিমালিক (কৃষক) শ্রমিক।
নিম্ন শ্রেণী: নিম্ন শ্রেণীর অধিবাসী ছিল দাস, ভূমিদাস ও সাধারণ শ্রমিক তথা সর্বসাধারণ।

ধর্ম:
- সুমেরীয় ধর্মের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ছিল।
• প্রথমত, সুমেরীয়রা বহু দেবতায় বিশ্বাসী ছিল।
• দ্বিতীয়ত, সুমেরীয় ধর্ম ছিল ইহজাগতিক ধর্ম।
• তৃতীয়ত, সুমেরীয় ধর্মে নৈতিকতা অনুপস্থিত ছিল।
- তারা বৃষ্টি, বাতাস, পানি, উর্বরতা, প্লেগ রোগ ইত্যাদি প্রাকৃতিক শক্তিকে দেবতা মনে করত।
- তাদের কেন্দ্রীয় ধর্মমন্দিরকে বলত 'জিগুরাত' আর ধর্মগুরুকে বলত 'পাতেজি'।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র।
.
'পিকিং মানুষ' এর মাথার খুলি কত সালে পাওয়া যায়?
  1. ১৯২১ সালে
  2. ১৯২৫ সালে
  3. ১৯২৯ সালে
  4. ১৯৩৩ সালে
ব্যাখ্যা
 চীনা সভ্যতার অবস্থান ও পরিচয়
- পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র চীন। মিশর, মেসোপটেমীয় এবং সিন্ধু সভ্যতার পরে চীনেও গড়ে উঠেছিল উন্নত সভ্যতা।
- চীনের তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- প্রথমটি হোয়াং হো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াং জে কিয়াং নদীর তীরে আর তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে। চীনের এই প্রাচীন সভ্যতা সৃষ্টি হয় শাং রাজাদের ও চৌ রাজাদের যুগে।
- চীনের উত্তর দিকে গোবি মরুভূমি, পশ্চিমে তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চল এবং পূর্ব ও দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরের অবস্থান ছিল।
- প্রাচীন চীনের নদীসমূহের প্রভাবে একদিকে এখানে যেমন কৃষিভিত্তিক সভ্যতা গড়ে উঠেছিল অন্যদিকে তেমনি অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও যোগাযোগের পথ সহজ ও সুগম হয়েছিল, পাশাপাশি বহির্বাণিজ্যের পথও উন্মুক্ত হয়েছিল। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে এখানে সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।

 চীনের আদি মানুষ
- চীনা উপকথা অনুযায়ী প্রথম মানুষ হলো পাকু। কিন্তু বাস্তবে তা নয়।
- চীনে আদি মানুষের সন্ধান পাওয়া গেছে। ১৯২৯ সালে চীনের রাজধানী পিকিং এর নিকট (আধুনিক বেইজিং) আদিম মানুষের মাথার খুলি পাওয়া গেছে; যারা 'পিকিং মানুষ' নামে পরিচিত।
- এই তথ্য হতে মনে করা যায় যে, নবোপলীয় তথা নতুন পাথরের যুগে চীনে মানুষের বসবাস ছিল।
- অনুমান করা হয় যে, চীনবাসীরা হোয়াং-হো ও ইয়াংসি নদীর দুটি পাড়েই বসবাস করত।
- পরে তারা বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। এদের একটা অংশ চাষাবাদ করত এবং অন্য অংশটি যাযাবরের মতো ঘুরে বেড়াত।
- যারা চাষাবাদ করত, তারাই নদীর ধারে ঘরবাড়ি তৈরি করে সভ্য মানুষে পরিণত হয়। একই সাথে তারা পশুপালন করত।
- তারা মাটির তৈরি জিনিসপত্র, রেশমের কাপড়, চাকাযুক্ত গাড়ি, তামা ও ব্রোঞ্জের অস্ত্র-শস্ত্র তৈরি করতে জানত।
- চাষাবাদে তারা ব্যবহার করত লাঙ্গল, খাল কেটে নদী হতে পানি জমিতে সরবরাহ করত।
- চীনের আদি মানুষ নগর নির্মাণ করেছিল এবং নগরকে যাযাবরদের আক্রমণ হতে বাঁচানোর জন্য উঁচু দেয়াল তৈরি করেছিল।
- প্রাচীন চীনের লোকেরা এক প্রকার দিনপঞ্জি বা ক্যালেন্ডার তৈরি করেছিল।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র। 
.
কোন নদীর তীরে রোম নগরীর পত্তন ঘটে?
  1. টাইবার
  2. পিয়াভ
  3. আরনো
  4. দানিয়ুব
ব্যাখ্যা
রোমান সভ্যতা: 
- ইউরোপ মহাদেশের দক্ষিণ ভাগে ইতালী অবস্থিত।
- ইতালীর দক্ষিণে ভূমধ্যসাগর থেকে উত্তরে আল্পস পর্বত পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইতালীর তিন দিকে সাগর। ইতালীর একটি নদীর নাম হলো টাইবার। এই টাইবার নদীর দক্ষিণ তীরে প্রাচীন যুগে বিখ্যাত রোম নগরীর পত্তন ঘটে।
- সাতটি পর্বতের মধ্যবর্তী সমতলভূমি নিয়ে রোম নগরী গঠিত হয়।
- সে সময়ে ইতালীর ভৌগোলিক অবস্থা বসবাসের জন্য তেমন অনুকূল ছিল না।
- খনিজ সম্পদ বলতে ছিল মর্মর পাথর, সামান্য কিছু তামা, সোনা এবং লোহা।
- তবে উর্বর জমি থাকায় কৃষির বিকাশের সুযোগ ছিল যথেষ্ট।
- প্রাচীন রোম ছিল অরক্ষিত ও চারদিকে উন্মুক্ত। ফলে বাইরের শক্তি সহজেই প্রবেশ করার সুযোগ পেত।
- যে কারণে রোমের আদি অধিবাসীদের সাথে অনুপ্রবেশকারীদের প্রায়ই সংঘর্ষ হতো।
- রোম নগরীর উত্থান ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীর একদল মানুষ খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে উত্তর ইতালীতে বসবাস করত।
- এরা ল্যাটিন নামে পরিচিত ছিল। ক্রমে এদের ভাষা ল্যাটিন ভাষা নামে পরিচিতি লাভ করে।
- কিংবদন্তি আছে যে, ল্যাটিন রাজা রোমিউলাস একটি নগর পত্তন করে।
- তাঁর নামানুসারে নগরটির নামকরণ করেন রোম। রোমিউলাস এর পর ছয়জন রাজা রোমে পর পর রাজত্ব করনে।
- রোম নগরীর পত্তনের পর হতেই রোমে ক্রমশ লোকজনের বসতি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের দ্রুত প্রসার ঘটতে থাকে।
- ক্রমে রোমের শাসকরা সামরিক শক্তির সাহায্যে তাঁদের কর্তৃত্ব ইতালীর অন্যান্য অঞ্চলে বিস্তারের নীতি গ্রহণ করেন।
- ফলে ইটালীর সর্বত্র এবং ভূমধ্যসাগরের কোন কোন দ্বীপে রোমের আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তবে রোম নগরী একদিনে গড়ে ওঠেনি। বহু ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে এই নগরী শক্তিশালী হয়। সম্ভবত ব্যবসা-বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে রোমের পত্তন ঘটে।
- গ্রিসে সভ্যতা যখন তার গৌরবের চূড়ান্ত পর্যায় পৌঁছেছিল তখন ইউরোপের আরেকটি অঞ্চল প্রস্তুতি নিচ্ছে নতুন করে সভ্যতা গড়ার।
- গ্রিসের উত্তর-পশ্চিমে প্রাচীন রোম নগরী ঘিরে উত্থান ঘটে এ সভ্যতার।
- ৮ম খ্রিস্টপূর্বাব্দের মাঝামাঝি থেকে ৪৭৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রোমান সভ্যতা সগৌরবে টিকে ছিল।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
হিরোহিতো কোন দেশের সম্রাট ছিলেন?
  1. তাইওয়ান
  2. হংকং
  3. জাপান
  4. পেরু
ব্যাখ্যা
মিচিনোমিয়া হিরোহিতো
- মিচিনোমিয়া হিরোহিতোর জন্ম ১৯০১ সালের ২৯ এপ্রিল জাপানের টোকিওর আওয়ামা রাজপ্রাসাদে।
- সম্রাট মেইজি তখন জাপানের সাম্রাজ্য পরিচালনা করতেন, যিনি ছিলেন হিরোহিতোর দাদা। হিরোহিতোর বাবা ছিলেন তখনকার যুবরাজ ইওশিহিতো।
- যিনি ১৯১২ সালে সম্রাট মেইজি মারা যাওয়ার পর সম্রাট তাইশো হিসেবে রাজসিংহাসন গ্রহণ করেন।
- ১৯১৬ সালে হিরোহিতোকে জাপান সাম্রাজ্যের যুবরাজ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরই মধ্যে তিনি জাপানের সামরিক বাহিনী ও নৌবাহিনীতে সহকারী লেফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং গ্র্যান্ড কর্ডন অফ দ্য অর্ডার অফ ক্রাইস্যান্থেমাম হিসেবে সম্মানিত হন।
- ১৯১৪ সালের দিকে তিনি পদোন্নতি পেয়ে সামরিক বাহিনীতে লেফটেন্যান্ট ও নৌবাহিনীতে উপ-লেফটেন্যান্ট পদ পান এবং এরপর ১৯১৬ সালে তিনি সামরিক বাহিনীর ক্যাপ্টেন ও নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট পদে উন্নীত হন।
- ১৯২১ সালে, হিরোহিতো এবং ৩৪ জন সৈনিক ছয় মাস পশ্চিম ইউরোপে ভ্রমণ করেন; যেটি ছিল প্রথমবারের মতো জাপানি যুবরাজের বিদেশ ভ্রমণ।
- জাপানে ফিরে আসার পর তিনি দেখতে পেলেন, তার বাবা, সম্রাট তাইশো মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
- তাই হিরোহিতো জাপানের রাজতন্ত্রে রিজেন্ট পদ গ্রহণ করে সম্রাটের দায়িত্বগুলো পালন করা শুরু করলেন।
- সম্রাট তাইশোর মৃত্যুর পর ১৯২৬ সালের ২৫ ডিসেম্বর হিরোহিতো জাপানের ১২৪তম সম্রাট হন।
- তিনি যখন ক্ষমতায় আসেন তখন জাপান পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী দেশগুলোর একটি ছিল। অর্থনীতির দিক থেকে ৯ম, নৌবাহিনীর শক্তির দিক থেকে ৩য়।
- নিজের প্রণীত সংবিধান অনুসারে একজন স্বর্গীয় ও অতিশক্তিশালী ব্যক্তি থেকে খুব কম ক্ষমতাসম্পন্ন প্রতীকী ব্যক্তিতে পরিণত হন সম্রাট হিরোহিতো।
- ১৯৭১ সালে তিনি ইউরোপ ভ্রমণ করেন, যা জাপানের সম্রাটদের ইতিহাসে প্রথম।
- তার ছেলে আকিহিতো পরবর্তীতে সম্রাট হিসেবে আবির্ভূত হন।
- হিরোহিতো ১৯৮৯ সালের ৭ জানুয়ারি জাপানের রাজপ্রাসাদে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
.
ফকল্যান্ড যুদ্ধ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
ফকল্যান্ড যুদ্ধ
- ফকল্যান্ড ছিল দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরে ফক্‌ল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের নিয়ন্ত্রণের উপর আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে সংঘটিত অঘোষিত যুদ্ধ।
- ১৯৮২ সালের ২রা এপ্রিল থেকে ১৪ই জুন পর্যন্ত এই যুদ্ধ চলে।
- ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জকে কেন্দ্র করে  যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিলো ব্রিটেন ও আর্জেন্টিনা।
- দক্ষিণ আটলান্টিকের ফকল্যান্ড দখলের এই যুদ্ধে আর্জেন্টিনার ৬৫৫ জন সৈন্য নিহত হয়। নিহত হয় আড়াইশোরও বেশি ব্রিটিশ সেনা।
- তিনজন দ্বীপবাসীও এই যুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছিলেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১০.
তাসখন্দ চুক্তির মাধ্যমে কোন যুদ্ধের সমাধান হয়?
  1. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  2. পাক - ভারত যুদ্ধ
  3. ফকল্যান্ড যুদ্ধ
  4. ইরাক-ইরান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
কাশ্মীর যুদ্ধ
- ১৯৪৭-৪৮ সালে প্রথম ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ সংঘটিত হয়। একে কাশ্মীর যুদ্ধ বলা হয়ে থাকে।
- কারণ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘটিত প্রথম যুদ্ধ মূলত কাশ্মীর সমস্যাকে কেন্দ্র করে হয়েছিল।
- তখন জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। সে সময়ে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভক্ত করে।
- ভারত জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ লাভ করে, পাকিস্তান আজাদ কাশ্মীর ও গিলগিত-বালতিস্তান অঞ্চল দুটির ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভ করে।

তাসখন্দ চুক্তি
- তাসখন্দ চুক্তি হল ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান এর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তি।
- ঐতিহাসিক এই চুক্তির ফলে ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে রক্তক্ষয়ী ১৭ দিনের যুদ্ধের অবসান ঘটে।
- তাসখন্দ চুক্তি সম্পাদিত হয় ১০ জানুয়ারী, ১৯৬৬।
- চুক্তিটি সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিনের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হয়।
- সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রি পাকিস্তান ও ভারতকে উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দে যুদ্ধ বন্ধে আমন্ত্রণ জানান।
- উক্ত আলোচনায় উভয় দেশ তাদের সমস্ত সশস্ত্র বাহিনীকে প্রত্যাহার করতে, কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন, অর্থনৈতিক, উদ্বাস্তু এবং অন্যান্য প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে সম্মত হয়।

তাসখন্দ চুক্তি পটভূমি
- ১৯৪৭ - ১৯৪৯ সালে সংগঠিত হয় প্রথম ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ যা প্রথম কাশ্মীর যুদ্ধ নামেও পরিচিত।
- যুদ্ধটি ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতার ঠিক পরেই সংঘটিত হয়েছিল।
- যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী, কাশ্মীরে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ডি ফ্যাক্টো সীমান্ত হিসাবে নিয়ন্ত্রণ রেখা (Line of Control) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৫ সালের আগস্টে, কাশ্মীর অঞ্চলকে ঘিরে ভারত পাকিস্তানের মধ্যে একটি সর্বাত্মক যুদ্ধের সংগঠিত হয়। যুদ্ধটি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।
- শীতল যুদ্ধের অন্যতম দুই পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাস্ট্র উভয় যুদ্ধরত দেশকে আলোচনার টেবিলে আনতে প্রতিটি কূটনৈতিক উপায় ব্যবহার করে।
- শেষ পর্যন্ত, ২২শে সেপ্টেম্বর ১৯৬৫ সালে যুদ্ধ সমাপ্তির আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাব পাস হওয়ার পর, ভারত ও পাকিস্তান উভয়ই সমস্ত শত্রুতা বন্ধ করতে সম্মত হয়।

উৎস: হিস্টরি ডট কম।
১১.
পাবলো পিকাসো কোন দেশের চিত্রকর?
  1. স্পেন
  2. ইতালি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. বেলজিয়াম
ব্যাখ্যা
পাবলো পিকাসো
- বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী চিত্রশিল্পীদের একজন পাবলো পিকাসো।
- কেবল রং-তুলিই তাঁর শিল্পকলা প্রকাশের মাধ্যম ছিল না, তিনি একাধারে ছিলেন দক্ষ ভাস্কর, মৃৎশিল্পী, পোশাক পরিকল্পক ও মঞ্চসজ্জাশিল্পী। কবিতা ও নাটকও লিখেছেন।
- পাবলো রুইজ পিকাসোর জন্ম ১৮৮১ সালের ২৫ অক্টোবর দক্ষিণ স্পেনের ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী মালাগা শহরে। 
- পিকাসোর জীবনে ১৯০৭ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত সময়টা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- কারণ, এ সময়ে তিনি শিল্পী জর্জেস ব্রাকের সঙ্গে কাজ করে শিল্পে ‘কিউবিস্ট’ আন্দোলনের সূচনা করেন।
- জটিল জ্যামিতিক পদ্ধতিতে আঁকা ছবিতে বাস্তবতা উপস্থাপনের এক নতুন কৌশল ছিল এটি।
- একটানা ১৯১৯ সাল পর্যন্ত এই কিউবিজমের চর্চা চালিয়ে গেছেন। কোলাজশিল্পটির উদ্ভাবনেও তাঁর ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
- পিকাসোর আঁকা অসংখ্য বিখ্যাত ছবির একটি হলো ‘গোয়ের্নিকা’।
- ১৯৩৭ সালে স্পেনের স্বৈরশাসক ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর অনুরোধে জার্মানি ও ইতালি যৌথভাবে আক্রমণ চালায় স্পেনের প্রত্যন্ত গোয়ের্নিকা গ্রামে।
- এ ঘটনায় মর্মাহত পাবলো পিকাসো এঁকেছিলেন তাঁর জগদ্বিখ্যাত ছবি ‘গোয়ের্নিকা’।
- গোয়ের্নিকাকে বলা হয় পৃথিবীর সর্বকালের সেরা যুদ্ধবিরোধী চিত্রকর্ম।
- তাঁর আরও কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি হলো ‘দ্য ওল্ড গিটারিস্ট’, ‘গার্ল বিফোর আ মিরর’, ‘দ্য উইপিং ওমেন’, ‘উইমেন অব আলজিয়ার্স’, ‘সেলফ পোর্ট্রেট’, ‘থ্রি মিউজিশিয়ানস’, ‘সিটেড বাথার’ প্রভৃতি।
- ১৯৪৪ সাল থেকে ভাস্কর্যের দিকে মনোনিবেশ করেন পিকাসো। তাঁর একটি বিখ্যাত ভাস্কর্যের নাম ‘শিকাগো পিকাসো’।
- এ ছাড়া মৃৎশিল্পের কাজ, পোশাক পরিকল্পনা ও মঞ্চসজ্জার কাজও করেছেন তিনি।
- মুনশিয়ানা দেখিয়েছেন সাহিত্য রচনায়। কাব্যচর্চা চালিয়ে গেছেন ১৯৩৯ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত।
- এ সময় লিখেছেন ৩০০টির বেশি কবিতা। এ ছাড়া দুটি নাটকও লিখেছেন।
- পিকাসো মারা গেছেন ১৯৭৩ সালের ৮ এপ্রিল, ফ্রান্সের মুজাই শহরে।

উৎস: ব্রিটানিকা।  
 
১২.
সর্বপ্রথম একেশ্বরবাদের প্রচার করে কোন জাতি?
  1. এজিয়ান
  2. হিব্রু
  3. হিট্রাইট
  4. হেলেনেস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
 ধর্মীয় ক্ষেত্রে হিব্রুদের অবদান
- হিব্রুরা তাদের অবদানের প্রায় পুরোটাই রেখেছিল ধর্মীয় ক্ষেত্রে।
- হিব্রু জাতি সর্বপ্রথম একেশ্বরবাদের প্রচার করে।
- তাদের নবী হযরত মুসা (আ), হযরত দাউদ (আ) এবং হযরত সুলায়মান (আ) মানুষের ধর্মীয় চেতনায় নতুন আলোড়ন তোলে।
- তাদের ধর্মীয় চেতনা কতকগুলো পর্যায়ে পেরিয়ে চূড়ান্ত অবস্থায় পৌঁছেছিল।
- মুসা (আ) এর আগমনের পূর্বস্তর হযরত মূসা (আ) এর আগমনের পূর্বে হিব্রুরা বিভিন্ন জড়বস্তু এবং প্রাকৃতিক বিষয়গুলোর পূজা করত।
- এ সময় যাদুবিদ্যা ও কুসংস্কারে চারদিক ছেয়ে গিয়েছিল।
- জড়বস্তুর পূজা করতে গিয়ে এক সময় দেহধারী দেবতার আবির্ভাব হয়।
- তারা দেবতার বিভিন্ন নামকরণ করে। দেবতাদের প্রধান ছিল 'ঈল'।
- নির্দিষ্ট দেবতার স্তর হিব্রুরা দ্বাদশ থেকে নবম খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত 'ইয়াহওয়েহ' নামক নির্দিষ্ট দেবতার পূজা করত।
- অবশ্য 'ইয়াহওয়েহ' জেহোবা নামেই বেশি পরিচিত ছিল।
- জেহোবা ছিলেন আইন প্রণেতা ও বিশ্বে নৈতিক আদর্শের স্রষ্টা।
- নবীদের আগমনের স্তর ধর্ম সংস্কারের যুগে আমস, হোসিয়া, ঈসা (আ) এবং মিকাহ প্রমুখ নবীদের আবির্ভাব ঘটে হিব্রুদের মাঝে।
- অষ্টম ও সপ্তম খ্রিস্টপূর্বাব্দে নবীদের প্রত্যক্ষ প্রভাব ছিল হিব্রুদের উপর। তারা সর্বশক্তিমান একমাত্র আল্লাহর আরাধনা করার কথা প্রচার করেছিল।
- বিদেশী প্রভাবিত স্তর নবীদের যুগে হিব্রুধর্মের একটা নিজস্ব কাঠামো তৈরি হলেও তা বিদেশী প্রভাবে ধরে রাখা সম্ভব হয় নি। তখন নানা কারণে পুরোহিত বা যাজকদের ক্ষমতা বেড়ে যাওয়ায় হিব্রুদের জুগবাদ যাজকীয় ধর্মে রূপান্তরিত হয়। 

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র।
১৩.
ত্রিপিটক কাদের ধর্মগ্রন্থ?
  1. ইহুদীদের
  2. হিন্দুদের
  3. বৌদ্ধদের
  4. মুসমানদের
ব্যাখ্যা
ধর্ম:
• বৌদ্ধধর্ম বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মসমূহের অন্যতম। সিদ্ধার্থ গৌতম এর প্রবর্তক।
• উপাসনালয় - বৌদ্ধ ধর্মের উপাসনালয় মঠ নামে পরিচিত।
• পবিত্র স্থান - বুদ্ধ গয়া।
• বৌদ্ধধর্মের ধর্মগ্রন্থ - ত্রিপিটক।

অন্যদিকে,
• ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ - হিব্রু বাইবেল (তাওরাত)।
• হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ - বেদ।
• মুসমানদের ধর্মগ্রন্থ - আল কোরআন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, বিএ, বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪.
ব্যাবিলনীয় সভ্যতার পত্তন হয় কবে-
  1. খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে
  2. খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দে
  3. খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে
  4. ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
ব্যাবিলনীয় সভ্যতার অবস্থান ও সময়কাল
- সিরিয়ার মরুভূমি অঞ্চলে আমোরাইট নামক এক জাতি বসবাস করত। এরা এক সময় মেসোপটেমিয়ায় এসে নগর সভ্যতা গড়ে তোলে।
- এদের এই সভ্যতাকে বলে ব্যাবিলনীয় সভ্যতা।
- এ সভ্যতার পত্তন হয় খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে।
- আমোরাইট নেতা হাম্মুরাবী ছিলেন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- ব্যাবিলনীয় সমাজের মানুষ তিন শ্রেণীতে বিভক্ত ছিল:
উচ্চ শ্রেণী: উচ্চ শ্রেণীতে অবস্থান করত রাজা, পণ্ডিত, পুরোহিত ও সৈন্য। এদের নিজস্ব জমি ছিল।
মধ্য শ্রেণী: শিল্পী ও স্বাধীন ব্যবসায়ীদের মনে করা হতো মধ্যশ্রেণীর লোক।
নিম্ন শ্রেণী: নিম্ন শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত ছিল কৃষক, সাধারণ শ্রমিক ও দাস। সাধারণত যুদ্ধবন্দিদের দাস করা হতো।
- গ্রিস, রোম, এশিয়া মাইনর, পারস্য, সিন্ধুদেশসহ প্রতিবেশী অঞ্চলগুলোর সাথে ব্যাবিলনীয়দের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিল।
- পার্বত্য অঞ্চলের মানুষেরা ব্যাবিলনীয়দের কাছ থেকে শিল্পজাত দ্রব্য কিনত।
- ব্যাবিলনীয়রা আমদানি করত স্বর্ণ, রৌপ্য, তামা, কাঠ ও খনিজ লবণ।
- তারা ভারতবর্ষ থেকে হাতির দাঁত ও মরুভূমি অঞ্চল থেকে উট সংগ্রহ করত। ব্যাবিলনীয়রা ঘোড়ার ব্যবহার জানত।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র।
১৫.
নিগ্রোদের অধিকার আন্দোলনের অহিংসবাদী নেতা কে?
  1. মোস্তফা কামাল পাশা
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. উইনস্টন চার্চিল
  4. মার্টিন লুথার কিং
ব্যাখ্যা
- নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা ডঃ মার্টিন লুথার কিং।
- ১৯৬৪ সালে বর্ণবাদ বিরোধী অহিংস আন্দোলনের জন্য তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- তিনি একজন সফল বক্তা ও সফল এই রাজনীতিবিদ। তার মন্ত্রীমুদ্ধকর বক্তৃতা দ্বারা জনমনে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।
- “আই হ্যাভ এ ড্রিম” খ্যাত তাঁর বক্তৃতাটি ছিলো আমেরিকান নাগরিক অধিকার আন্দোলনের যুগসন্ধিক্ষণ। 
- ডঃ মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র অনেক উক্তি মানুষ অনুপ্রেরনা হিসাবে নেয়া তার মধ্যে একটি হচ্ছে- 'উড়তে না পারলে দৌড়াও। দৌড়াতে না পারলে হাঁটো। হাঁটতে না পারলে হামাগুড়ি দাও, কিন্তু যাই করো না কেন তোমাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।'
- কর্মজীবনের শুরুতে মার্টিন লুথার কিং, জুনিয়র মানবাধিকার কর্মী ছিলেন, নাগরিক অধিকার রক্ষাই তার উদ্দেশ্য ছিল।
- ১৯৬৩ সালে তিনি ওয়াশিংটন মাচ সুসংগঠিত করেন।
- খ্রীষ্টীয়মতানুসারে অহিংস উপায় নাগরিক অধিকার রক্ষায় অবদানের জন্য অধিক জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। 
- ৩রা এপ্রিল ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
- পরদিন ৪ এপ্রিল লরেইন হোটেলের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকাবস্থায় শ্বেতাঙ্গ উগ্রপন্থী যুবক জেমস আর্ল রে নামক আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মার্টিন মৃত্যুবরণ করেন। তখন তার বয়স মাত্র ৩৯ বছর।

অপরদিকে, 
• মোস্তফা কামাল পাশা আধুনিক তুরস্কের জনক।
• আব্রাহাম লিংকন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও তিনি ক্রীতদাস প্রথা বিলুপ্ত করেন।
• উইনস্টন চার্চিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১৬.
সম্রাট দারিয়ুস কোন সভ্যতার শাসক ছিলেন?
  1. হিব্রু
  2. সিন্ধু
  3. পারস্য
  4. ফিনিশীয়
ব্যাখ্যা
পারস্য প্রশাসন
- সুন্দরভাবে সাম্রাজ্য পরিচালনা করার জন্য সম্রাট দারিয়ুস একটি দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন।
- শক্তভাবে সাম্রাজ্য শাসনের জন্য সম্রাটের হাতে রাখা হয় অনেক ক্ষমতা।
- তিনি একাধারে সামরিক, বেসামরিক ও বিচার বিভাগের প্রধান ছিলেন।
- সম্রাট দারিয়ুস সুন্দরভাবে সাম্রাজ্য পরিচালনার জন্য পুরো সাম্রাজ্যকে চার ভাগে বিভক্ত করে চারটা রাজধানী গড়ে তোলেন।
- এগুলো হলো- সুসা, একবাটানা, ব্যাবিলন ও পার্সেপলিস।
- এছাড়া পারস্য সাম্রাজ্যকে ২১টি প্রদেশে ভাগ করা হয়। বিভিন্ন অঞ্চলের সাথে যোগাযোগের জন্য তৈরি করা হয় রাস্তাঘাট।
- দারিয়ুসের সময় একটি শক্তিশালী নৌবাহিনীও গঠিত হয়। 

বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে অবদান
- বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় পারসীয়দের বিরাট অবদান রয়েছে।
- সম্রাট দারিয়ুস চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নয়নের জন্য কাজ করেন।
- মিশরীয় চিকিৎসা বিদ্যালয়কে তিনি সংস্কার করেন।
- জ্যোতির্বিদ্যার উন্নয়নেরও সম্রাটের দৃষ্টি ছিল।
- বিখ্যাত ক্যালডীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী 'নেবুরিমানু'কে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা দেন।
- এছাড়া ক্যালডীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানী 'কিদিন'ও পারস্য সম্রাটের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন।
- সম্রাট দারিয়ুস ১২ মাসে বছর ও ৩০ দিনে মাস গণনার রীতি চালু করে পারসীয় দিনপঞ্জি তৈরি করেন।

লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার
- পারসীয়গণ দুটি ভাষায় লিখতে জানত।
- একটি হলো এ্যাসিরীয় আর অন্যটি প্রাচীন পারসীয়।
- প্রথম দিকে পারসীয়রা এ্যাসিরীয় কিউনিফর্ম লিপিতেই লিখত।
- এরা ৩৯টি কিউনিফর্ম চিহ্ন ব্যবহার করত। ধীরে ধীরে পারসীয়দের একটি নিজস্ব লিখন রীতি তৈরি হয়।

শিল্পকলা
- পারসীয়রা শিল্পকলার ক্ষেত্রে খুব বেশি ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয় নি। তবে 'পাসারগাদিয়া' ও 'পার্সেপালিসে' সম্রাট কাইরাস ও দারিয়ুস এর প্রাসাদ স্থাপত্যের ক্ষেত্রে তাদের দক্ষতার প্রমাণ বহন করছে।
- প্রাসাদের ছাদ ছিল কাঠের তৈরি। উজ্জ্বল রঙের ইট দিয়ে দেয়াল সাজানো হয়েছিল। রাজা ও ভৃত্যের ছবি আঁকা হতো দেয়ালে।
- পারস্য স্থাপত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হলো পিরামিডের আকৃতিতে তৈরি সম্রাট কাইরাসের সমাধি।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএসসি প্রোগ্রামের ইতিহাস প্রথম পত্র। 
১৭.
জৈনরা ধর্মগুরুকে কী বলতেন?
  1. জিন
  2. সম্রাট
  3. পোপ
  4. তীর্থঙ্কর
ব্যাখ্যা
জৈন ধর্ম:
- জৈনধর্ম হলো ভারতীয় উপমহাদেশের একটি প্রাচীন ধর্ম।
- এই ধর্ম বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মমতগুলোর অন্যতম। জৈন শব্দটি এসেছে সংস্কৃত জিন শব্দ থেকে। সংস্কৃতিতে জিন অর্থ জয়ী।
- যে মানুষ আসক্তি, আকাঙ্ক্ষা, ক্রোধ, অহংকার, লোভ ইত্যাদি জয়ের মাধ্যমে পবিত্র অনন্ত জ্ঞান লাভ করেছে, তাকে জিন বলা হয়।
- জিনদের আচরিত ও প্রচারিত পথের অনুগামীদের বলে জৈন।
- এরা তাদের প্রধান ধর্মগুরুকে বলতেন তীর্থঙ্কর।
- জৈনরা তাদের ইতিহাসে চব্বিশজন তীর্থঙ্করের কথা উল্লেখ করেছেন।
- এই ধর্ম মতে, নির্বাণ বা মোক্ষলাভ মানব জীবনের পরম লক্ষ্য। এর সাথে বৌদ্ধ ধর্মের কিছুটা মিল রয়েছে।
- যে ব্যক্তি বা আত্মা অন্তরের শত্রুকে জয় করে সর্বোচ্চ অবস্থা প্রাপ্ত হন তাঁকে জিন (জি- তেন্দ্রিয়) আখ্যা দেওয়া হয়।
- এই 'জিন' শব্দ থেকে 'জৈন' শব্দের উৎপত্তি।
- বর্ধমান মহাবীরের মৃত্যুর বেশ কিছু কাল পর জৈনদের মধ্যে বিভাজন হয় এবং দুটি মতের সৃষ্টি হয়।
১. দিগম্বর- যারা সম্পূর্ণ নিরাভরন থাকায় বিশ্বাসী
২. শ্বেতাম্বর- যারা অল্প বস্ত্র পরিধানে বিশ্বাসী।
- আচারগতভাবে উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও তারা জৈন দর্শনের মূল বিষয়ে (মহাব্রত) একমত।
- যেমন: অহিংসা, সুনূত (সত্য), মূলত (অচৌর্য), ব্রহ্মচর্য, অপরিগ্রহ ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।  
১৮.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করা হয় কোন আদালতে?
  1. ইউরোপীয় ন্যায়বিচার আদালত
  2. জার্মান ফেডারেল আদালত
  3. ন্যুরেমবার্গ আদালত
  4. ভারতের সুপ্রিম আদালত
ব্যাখ্যা
ন্যুরেমবার্গ  আদালত 
- ১৯৪৫ সালের নভেম্বর মাসে জার্মানির নুরেমবার্গ শহরে এক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজির করা হচ্ছে হিটলারের থার্ড রাইখের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলারের বাহিনী পরিকল্পিতভাবে যে ভয়ংকর গণহত্যা চালিয়েছিল, তার মূল নায়কদেরই মূলত নুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনালে বিচারের আওতায় আনা হয়।
- বিশ্বের ইতিহাসে এত বড় আকারে যুদ্ধাপরাধের বিচার এই প্রথম।
- এই ট্রাইব্যুনালের অন্যতম এক তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন বেনজামিন ফেরেনজ। 
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের  বিগ থ্রি হিসেবে পরিচিত যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে একমত পোষণ করলে জার্মানীর ন্যুরেমবার্গে একটি সামরিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয় যা ন্যুরেমবার্গ ট্রাইব্যুনাল নামে পরিচিত।
- এই ট্রাইব্যুনালে প্রায় ২০০ জার্মান যোদ্ধাপরাধীর বিচার করা হয়।
- মোট অভিযুক্ত হয় ২৪ জন আর মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয় ১২ জন আসামিকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৯.
বাবর ও ইব্রাহিম লোদীর মাঝে কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
  2. পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ
  3. পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
  4. ওয়ারটারলু যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ (১৫২৬)
- পানিপথের প্রথম যুদ্ধ (এপ্রিল ১৫২৬) পানিপথের কাছে সংঘটিত হয়েছিল।
- পানিপথ এমন একটি জায়গা যেখানে দ্বাদশ শতাব্দী থেকে উত্তর ভারতের নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেক গুলি নির্ণায়ক যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
- পানিপথের প্রথম যুদ্ধ ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে। 
- এই যুদ্ধে মুঘলরা গানপাউডার, আগ্নেয়াস্ত্র এবং কামান ব্যবহার করেছিল।
- পানিপথের প্রথম লড়াইটি দিল্লির লোদি রাজবংশের জাহির উদ্দিন বাবর এবং সুলতান ইব্রাহিম লোদির মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল। 
- এ যুদ্ধে জাহির উদ্দিন বাবর লোদীকে পরাজিত করেন।

পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ (১৫৫৬)
- ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর উত্তর ভারতের হিন্দু শাসক সম্রাট হেমচন্দ্র বিক্রমাদিত্য (হেমু নামে পরিচিত) এবং আকবরের সেনাবাহিনীর মধ্যে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এটি আকবরের সেনাপতি খান জামান এবং বৈরাম খানের জন্য একটি নির্ণায়ক বিজয় ছিল।
- এই যুদ্ধের ফলে দিল্লির উপর আধিপত্য বিস্তারের জন্য মুঘল ও আফগানদের মধ্যে যে লড়াই হয়, তাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়, যার ফলে পরবর্তী তিনশো বছর ক্ষমতা মুঘলদের কাছেই থেকে যায়।

পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১)
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধটি ১৭৬১ সালের ১৪ ই জানুয়ারী, দিল্লি থেকে প্রায় ৬০ মাইল (৯৫.৫ কিলোমিটার) উত্তরে পানিপথে মারাঠা সাম্রাজ্য এবং আফগানিস্তানের আহমদ শাহ আব্দালির মধ্যে সংঘটিত হয়, যে আহমদ শাহ দুরানি নামেও পরিচিত।
- এই যুদ্ধে, দোয়াবের রোহিলা, আফগান এবং আওয়াধের নবাব সুজাউদ্দৌলা আহমদ শাহ আবদালিকে সমর্থন করেছিলেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।  
২০.
'A Doctor in the house' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. অং সান সুচি
  2. ইয়াসির আরাফাত
  3. মাহাথির মোহাম্মদ
  4. মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যা
- ৯৯ বছর বয়সী মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।
- বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক রাজনীতিবিদ। 
- ১৯২৫ সালের ১০ জুলাই ব্রিটিশ কলোনিভুক্ত মালয়ের কেদাহ অঞ্চলের সেতার নামক গ্রামে সাধারণ এক স্কুলশিক্ষকের ঘরে জন্ম নেন মাহাথির। 
- এমবিবিএস পাসের পর মালয়েশিয়ার একটি সরকারি হাসপাতালে যোগ দেন মাহাথির।
- চিকিৎসক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান মাহাথির। বাড়তে থাকে তার গণসম্পৃক্ততা।
- ' A Doctor in the house' আত্নজীবনীমূলক গ্রন্থের রচয়িতা তিনি। 
 - ১৯৬৪ সালে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মাহাথির। পুনরায় নির্বাচিত হন ১৯৬৯ সালেও।
- নিজ দলের প্রধান এবং মালয়েশিয়ার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টেংকু আবদুর রহমানের সঙ্গে মতবিরোধের জেরে ৩ বছর রাজনীতি থেকে অবসরে ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালের ৩০ মে সংঘটিত চীনা ও মালয়ীদের মধ্যকার দাঙ্গার জন্য টেংকু আবদুর রহমানকে দায়ি করেছিলেন মাহাথির।
- অবশেষে ১৯৭২ সালে আবার রাজনীতিতে ফিরে আসেন মাহাথির।
- সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হন। ১৯৭৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভের পর শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।
- প্রধানমন্ত্রী তুন হোসেন শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়লে উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পান ১৯৭৬ সালে।
- ১৯৮১ সালের নির্বাচনে দেশটির চতুর্থ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন মাহাথির বিন মোহাম্মদ।
- দীর্ঘ ২২ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকার পর ২০০৩ সালে স্বেচ্ছায় ক্ষমতা থেকে সরে আসেন মাহাথির বিন মোহাম্মদ।
- তাকে বলা হয়, আধুনিক মালয়েশিয়ার জনক।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
২১.
মহাত্মা গান্ধী কে 'মহাত্মা' উপাধি কে দিয়েছিলেন?
  1. মাদার তেরেসা
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. অটল বিহারী বাজপেয়ী
  4. চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন
ব্যাখ্যা
মহাত্মা গান্ধী
- ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী (১৮৬৯-১৯৪৮)।
- অহিংস আন্দোলনেরও প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন তিনি।
- জন্ম ব্রিটিশ ভারতের গুজরাটে। গুজরাটের ভবনগরের সামালদাস কলেজ থেকে তিনি ম্যট্রিকুলেশন পাস করেন।
- ১৯৩০ সালে গান্ধী ভারতীয়দের লবণ করের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ৪০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ডান্ডি লবণ কুচকাওয়াজে নেতৃত্ব দেন।
- এসব কারণে তাঁকে বিভিন্ন সময় বেশ কয়েকবার কারাবরণ করতে হয়েছে। সাধারণ জীবনযাপন করতেন গান্ধীজি।
- তাঁর নিজের পরিধেয় কাপড় ছিল ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় ধুতি ও শাল, যা তিনি নিজেই চরকায় বুনতেন। খেতেন সাধারণ নিরামিষ খাবার।
- ১৯১৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান্ধীকে মহাত্মা উপাধি দিয়েছিলেন। 
- বিশ্বজুড়ে তিনি মহাত্মা ও বাপু নামে পরিচিত। ভারত সরকার স্বাধীনতার পর তাঁকে ভারতের জাতির জনক হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও আনন্দবাজার পত্রিকা।  
২২.
'Digression' occurs when -
  1. A parts of speech or writing expresses dual meaning
  2. A parts of speech or writing breaks the theme
  3. A parts of speech or writing expresses similar meaning.
  4. A parts of speech or writing expresses joins together
ব্যাখ্যা
• Digression: (অবান্তরতা)
- If a part of speech or writing breaks the theme it is called digression.
- The action of moving away from the main subject you are writing or talking about and writing or talking about something else.
- মূল প্রসঙ্গ থেকে বিচ্যুতি; অপ্রাসঙ্গিকতা অর্থাৎ মূল বিষয়বস্তু বা থিম থেকে সরে  যাওয়া।
- A temporary departure from one subject to another more or less distantly related topic before the discussion of the first subject is resumed.
- A valuable technique in the art of storytelling, digression is also employed in many kinds of non-fictional writing and oratory.

Source: Live MCQ Lecture and Oxford Referrence.
২৩.
Which of the following genres of comedy is related to a Medical theory?
  1. Comedy of manners
  2. Comedy of humours
  3. Comedy of Ideas
  4. Black Comedy
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Comedy of humours is related to a Medical theory.
- এই টার্ম টি ল্যাটিন শব্দ 'humor or umor' থেকে উদ্ভূত হয়েছে যারা মানে হচ্ছে “liquid,বা তরল”।
- মধ্যযুগীয় এবং রেনেসাঁ চিকিৎসা তত্ত্বে এর ব্যবহার দেখা যেতো যেখানে বলা হয় যে, মানুষের শরীর মূলত চারটি liquids বা humours এর সমন্বয়ে গঠিত।
- এগুলো হচ্ছে - blood, phlegm, yellow bile (choler), and black bile (melancholy).
- When properly balanced, these humours were thought to give the individual a healthy mind in a healthy body.

• Comedy of humours: 
- This dramatic genre is most closely associated with the English playwright Ben Jonson from the late 16th century. 
- এই ধরণের কমেডিগুলোতে সাধারণত চরিত্রগুলো নিজেদের হিউমার (temperaments) অনুযায়ী আচরণ করে থাকে।
- এই হিউমার গুলো হচ্ছে - Choleric (খিটখিটে; বদমেজাজি), melancholic (বিষাদবায়ুগ্রস্ত; বিষাদপূর্ণ), sanguine (আশাবাদী) and phelgmatic (স্বভাবত উদাসীন)।

• Example: Ben Jonson's Every man in His Humour and Every man Out of His Humour are two famous comedies of humours.

• অন্যদিকে, 
• Comedy of Ideas: 
- A form of comedy which presents certain ideas or theories in dramatic form.
- Example: Arms and the Man, Man and Superman, Apple cart by G. B Shaw - who was the pioneer of the comedy of ideas.

• Comedy of manners:
- A comedy which portrays the rediculous behavioure pattern of the individuals of an aristocratic society.
- Example: The way of the World by William Congreve in the best example of this type.

• Black Comedy or Dark Comedy:
- A kind of comedy which portrays the meaninglessness of human existence.
- Example: William Shakespeare's Measure for Measure is often considered as dark or black comedy.

Source: Britannica and An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
২৪.
Which character in "The Tempest" is a bad spirit enslaved by Prospero?
  1. Ariel
  2. Caliban
  3. Antony
  4. Gonzalo
ব্যাখ্যা
• Caliban, in "The Tempest" is a bad spirit enslaved by Prospero.

• The Tempest: 
- William Shakespeare এর last work বা Swan Song, 'The Tempest'
- এর  কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম হচ্ছে Prospero, who is a magician.
- এটি 5 act এ বিভক্ত একটি Romantic comedy, যা ১৬২৩ সালে First Foilo এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Tempest শব্দটির অর্থ হচ্ছে Violent Storm.

• এই কমেডিতে Duke Prospero এবং তাঁর কন্যা Miranda এর কথা বলা হয়েছে, যারা কিনা ডিউকের ছোট ভাইয়ের দ্বারা ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে এক দূরদ্বীপে নির্বাসিত হয়।
- এই নাটকে Propero কে supernatural powers এর অধিকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে যার আয়ত্ত্বে থাকে Ariel এবং Caliban নামক দুইটি supernatural creature.
-  Ariel হচ্ছে এমন একটি সুপার ন্যাচরাল ক্যারেক্টার যে জাদু ব্যবহার করে প্রসপেরোকে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সাহায্য করে।
- Ariel  is “an airy spirit, and stands for good.

• অন্যদিকে,
- Caliban, a feral, sullen, misshapen creature
- যে হচ্ছে অত্যধিক ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং বিদ্রোহী।
- Caliban represents the black magic of his mother and initially appears bad, especially when judged by conventional civilized standards.
- Caliban, তাকে ক্রীতদাস বানিয়ে রাখার কারণে Prospero কে জন্য ঘৃণা করে এবং সে তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা তৈরি করে।

• নাটকের শুরুতেই দেখা যায় Prospero তার জাদু শক্তির ব্যবহার করে সমুদ্রে এক ভয়াবহ ঝড়ের সৃষ্টি করেছেন, যার ফলে নাটকের অন্য চরিত্র গুলো তার নির্বাসিত স্বীপে এসে পৌঁছেছে।
- Prospero, using his knowledge of magic and sorcery, conjures a storm (the tempest) to shipwreck his brother Antonio, who had usurped his position and cast him out.

• Main Characters: 
- Prospero (Duke)
- Miranda(Heroine)
- Ariel (Supernatural creature - good character)
- Caliban (Supernatural creature - bad in character)
- Antony (Villain/ brother of Duke)
- Ferdinand (Hero)
- Gonzalo ইত্যাদি।

• Some quotations from The Tempest: 
- “Hell is empty and all the devils are here.”

- “We are such stuff as dreams are made on, and our little life is rounded with a sleep.”

- “This thing of darkness, I Acknowledge mine.”

- “Thought is free.”

- “O, brave new world, that has such people in't!”

- “Awake, dear heart, awake. Thou hast slept well. Awake.”

- “Misery acquaints a man with strange bedfellows.”

Source: Britannica.com, Sparksnotes, and Cliffsnotes.
২৫.
The literary terms 'Catharsis' refers to -
  1. A figure of speech where lifeless objects are given imaginary life.
  2. A brief and witty statement which is self-contradictory.
  3. The purgation or purification of pity and fear in tragedies.
  4. An inoffensive word or phrase substituted for one considered offensive or hurtful.
ব্যাখ্যা
• Catharsis.
- The purgation or purification of pity and fear in tragedies is known as Catharsis.
- অর্থাৎ, এটি সাধারণত Drama এবং Tragedy এর সাথে সম্পর্কিত।
- Catharsis - যার অর্থ আবেগমুক্তি।
- A dramatic presentation of suffering or death arouses pity and fear in the spectators to such an extent that, they after watching such scenes, feel relieved of those harmful emotions.
- Catharsis,  meaning “cleansing” in Greek, refers to a literary theory first developed by the philosopher Aristotle, who believed that cleansing our emotions was the purpose of a good story, especially a tragedy.

• অন্যদিকে, 
• A figure of speech where lifeless objects are given imaginary life is called Personification.
• A brief and witty statement which is self-contradictory is called Epigram.
An inoffensive word or phrase substituted for one considered offensive or hurtful, especially one concerned with religion, sex, death, or excreta is called Euphemism.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
২৬.
Which of the following is a character created by G. B Shaw?
  1. Catherine Earnshaw
  2. Ann Whitefield
  3. Rachel Vinrace
  4. Fanny Price
ব্যাখ্যা
• Ann Whitefield' is ta character created by G. B. Shaw.
- It is an important character in George Bernard Shaw's famous play Man and Superman.

• Man and Superman:
- 4 acts বিশিষ্ট এই play টি ১৯০৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- Basic to Man and Superman, which Shaw subtitled A Comedy and A Philosophy, is his belief in the conflict between man as spiritual creator and woman as guardian of the biological continuity of the human race. 
- The play incorporates Shaw’s concept of the “life force” and satirizes the relationship between the sexes

• Important characters of Man and Superman:
- John Tanner,
- Hector Malone,
- Ann Whitefield,
- Mendoza,
- Roebuck Ramsden,
- Octavius Robinson,
- Violet Robinson,
- Susan Ramsden, etc.

• George Bernard Shaw (1856-1950):
- Irish comic dramatist, literary critic, and socialist propagandist.
- George Bernard Shaw is considered to be the greatest modern English dramatist.
- The Nobel Prize in Literature 1925 was awarded to George Bernard Shaw.

Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play)***
- Major Barbara (Social satire)***
- Mrs. Warren's Profession;(play)
- Arms and the Man (Romantic comedy) ***
- Heartbreak House;
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy)***
- Man and Superman; (Comedy play)***
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue)***
- St. Joan of Arc etc.

[N. B *** refers to the most important]

Catherine Earnshaw - is a character created by Emily Bronte in her famous novel - Wuthering Heights.
Rachel Vinrace is the protagonist of Virginia Woolf's first novel - The Voyage Out.
Fanny Price হচ্ছে jane Austen রচিত Mansfeild Park এর কেন্দ্রীয় চরিত্র।

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman; Encyclopedia Britannica.
২৭.
'Solitude sometimes is the best society.' is a quotation from -
  1. Paradise Lost
  2. Doctor Faustus
  3. Frankenstein
  4. The Picture of Dorian Gray
ব্যাখ্যা
• “Solitude sometimes is the best society.” is a quotation from the epic Paradise Lost by John Milton.

• Paradise Lost:
- • Paradise Lost (1667):
- John Milton রচিত একটি epic.  
- The theme of Paradise Lost is to Justify the ways of God to men.
- তার লেখা Paradise lost  কে the great Epic in English হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি মোট বারো খন্ডে বিভক্ত।
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।

• এই Epic এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Adam
- Eve
- Satan
- Beelzebub
- Raphael 
- Michael
- Mamoon
- Belial
- Gabriel, etc.

 Other notable quotations of John Milton: 
- Better to reign in Hell than serve in Heaven. (Paradise Lost)
- Childhood shows the man, as morning shows the days. ( Paradise regained)
- Death is the golden key that opens the place of eternity. ( Paradise Lost)
- Awake, arise or be forever fallen.

• John Milton (1608-1674):
- He was born in London, England in 1608.
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- মূলত: কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও মিল্টন কিছু উচ্চমানের রাজনৈতিক প্রবন্ধও লিখেছিলেন। 
- তাকে বলা হয়  the Epic Poet.  এছাড়া great master of Blank Verse  ও বলা হয়।

• Some notable works of him:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- On Shakespeare (First published poem). 

Source: Live MCQ Lecture and Britannica.
২৮.
A doctrine of art and literature that involves high imagination, love of nature, subjectivity and individuality is -
  1. Romanticism
  2. Classicism
  3. Modernism
  4. Postmodernism
ব্যাখ্যা
• A doctrine of art and literature that involves high imagination, love of nature, subjectivity, and individuality is - Romanticism.
- It also involves simplicity, spontaneity, supernaturalism, strong revolutionary desires, etc. 
- It is the opposite to classicism or neoclassicism.
- The French Revolution influenced it.
- It is an attitude or intellectual orientation that characterized many works of literature, painting, music, architecture, criticism, and historiography in Western civilization over a period from the late 18th to the mid-19th century.

• অন্যদিকে, 
Modernism, in literature, in the late 19th to mid-20th century, a break with the past and the concurrent search for new forms of expression.

Postmodernism, in, a late 20th-century movement characterized by broad skepticism, subjectivism, or relativism; a general suspicion of reason; and an acute sensitivity to the role of ideology in asserting and maintaining political and economic power and  is a style of writing that came to prominence after World War II.

Classicism, the ancient doctrine of art and literature.
- Classicism হচ্ছে Romanticism এর বিপরীত।

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
২৯.
The character 'Isabella' features in William Shakespeare's which play?
  1. As You Like It
  2. Twelfth Night
  3. The Taming of the Shrew
  4. Measure for Measure
ব্যাখ্যা
• 'Isabella' is the heroine of Shakespeare's play Measure for Measure.
- Measure for Measure হচ্ছে Shakespeare এর 5 act সম্বলিত একটি Tragic-Comedy.
- The play examines the complex interplay of mercy and justice.

•  The play opens with Vincentio, the benevolent duke of Vienna, commissioning his deputy Angelo to govern the city while he travels to Poland.
- In actuality, the duke remains in Vienna disguised as a friar in order to watch what unfolds.
- Following the letter of the law, Angelo passes the death sentence on Claudio, a nobleman convicted for impregnating his betrothed, Juliet. Claudio’s sister Isabella, a novice in a nunnery, pleads his case to Angelo.

• এই comedy এর অন্যান্য চরিত্র সমূহ হচ্ছে - 
- Vincentio (প্রধান চরিত্র/ hero)
- Claudio
- Lord Angelo (Villian)
- Mistress Overdone
- Juliet, etc.

Source: Britannica.
৩০.
Who is the 'Mayor' in the novel 'The Mayor of Casterbridge' by Thomas Hardy?
  1. Clym Yeobright
  2. John Durbeyfield
  3. Michael Henchard
  4. Reverend Swancourt
ব্যাখ্যা
• Michael Henchard is the 'Mayor' in the novel 'The Mayor of Casterbridge' by Thomas Hardy.
- এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র Michael Henchard এর জীবনের উত্থান পতন এর কাহিনীই হচ্ছে এই উপন্যাসের মূল বিষয়। 
- উপন্যাসের Casterbridge হচ্ছে একটি কাল্পনিক শহর।
- The fictional city of Casterbridge provides a picture of Dorchester in the 19th century.
- The novel tells of the rise and fall of Michael Henchard, who, starting from nothing after abandoning his wife and daughter, gains prosperity and respect and is reunited with his family only to lose everything through his own wrong-headedness, his vengeful nature, and a spate of bad luck.

• এই উপন্যাসের অন্যান্য চরিত্র সমূহ হচ্ছে - 
- Susan Henchard
- Donald Farfrae
- Elizabeth-Jane Newson
- Lucetta Templeman
 
• Thomas Hardy is known as a Pessimistic Novelist.
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়। 
- তিনি Victorian age এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক এবং ছোট গল্পকার।

• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হল - 
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.

• অন্যদিকে, 
- Clym Yeobright is the protagonist of the novel - The Return of The Native.
-  John Durbeyfield is a character from the novel Tess of the d'Urbervilles.
- Reverend Swancourt is a character from A PAir of Blue Eyes.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৩১.
The supernatural characters 'The Nightmare, Death and Life in Death' are from -
  1. Frankenstein
  2. The Rime of the Ancient Mariner
  3. The Faerie Queene
  4. Ulyssess
ব্যাখ্যা
•The supernatural characters 'The Nightmare, Death and Life in Death' are from - The Rime of the Ancient Mariner.
- এই কবিতার তিনটি রক্ত হীম করে দেয়া অলৌকিক চরিত্র এরা।

• The Rime of the Ancient Mariner:
- The poem 'The Rime of the Ancient Mariner' is written by Samuel Taylor Coleridge.
- The Rime of the ancient Mariner কবিতায় Mariner Albatros নামক একটি পাখিকে কোনো কারণ ছাড়াই হত্যা করে।
- এবং সেই পাপের কারণে তাকে প্রায়াশ্চিত্ত করে যেতে হয়।
- এভাবেই কবিতার কাহিনী সামনের দিকে এগিয়ে যতে থাকে।
- One of the main themes of the poem 'The Rime of the Ancient Mariner' is - Sin and punishment.
- এটি একটি ৭ পার্টের কবিতা।
- এটি সর্বপ্রথম 'Lyrical Ballads; এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।

• The important character of this poem -
- The Mariner
- Wedding Guest
- Albatross
- The Nightmare
- Death
- Life in Death.

• এই কবিতার কিছু বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে - 
• 'Water, water everywhere,
  Not any drop to drink'.

• 'Alone, alone, all, all alone,
Alone on a wide wide sea!" 

• "He prayeth best, who loveth best
All things both great and small"

•  'A sadder and a wiser man,
 He rose the morrow morn.'

• "All things both great and small;
For the dear God who loveth us
He made and loveth all. 

• S.T Coleridge: 
- Born: October 21, 1772
- Death: July 25, 1834.
- His father was Ottery and headmaster of the local grammar school.
- He was one of the greatest English lyrical poets, critics, and philosophers of the Romantic Period. .
- His Lyrical Ballads, written with William Wordsworth, heralded the English Romantic movement.

• Best Works:
- Biographia Literaria (Literary criticism/ autobiographical)
- Christabel (long narrative ballad unfinished)
- Dejection: An Ode
- Frost at Midnight
- Kubla Khan (unfinished poem)
- Lyrical Ballads (collaboration with Wordsworth)
- On the Constitution of the Church and State
- The Rime of the Ancient Mariner

Source: Britannica and Live mCQ Lecture.
৩২.
Who said 'Wonder is the seed of knowledge'?
  1. Aristotle
  2. Plato
  3. Bacon
  4. Socrates
ব্যাখ্যা
• The famous essayist in English Literature Francis Bacon, said the famous line 'Wonder is the seed of knowledge'.
- এটি তার essay 'Of Studies' থেকে উদ্ধৃত।

• Francis Bacon:
- তাঁর পুরো নাম Francis Bacon, Viscount Saint Alban.
- তাকে Sir Francis Bacon ও বলা হয়।
- তিনি একজন lawyer, statesman, philosopher এবং master of the English tongue.
- He is remembered in literary terms for the sharp worldly wisdom of a few dozen essays.
 
• তাঁর বিখ্যাত কিছু quotes - 
- “Wives are young men’s mistresses; companions for middle age, and old men’s nurses.”
- “Reading maketh a full man; conference a ready man, and writing an exact man.”
- “It is impossible to love and to be wise.”
- “Some books are to be tasted, others to be swallowed, and some few to be chewed and digested.”
- "Wonder is the seed of knowledge."
- "A false friend is more dangerous than an open enemy."
- "Beauty itself is but the sensible image of the Infinite."
- "Silence is the sleep that nourishes wisdom."

Source: Enotes.com and Britannica.
৩৩.
The literary terms 'Ode' refers to -
  1. A short funny poem that mocks an individual.
  2. An exalted lyric poem that begins with an address to someone.
  3. A long narrative poem about Greek myths and mystry.
  4. A musical composition for the mass of a dead person.
ব্যাখ্যা
• The literary terms 'Ode' refers to -  An exalted lyric poem that begins with an address to someone.
- এই ধরনের কবিতার মধ্যবর্তী ভাগে তীব্র মনঃকষ্ট সঞ্চারিত হতে দেখা যায়, যেটি পাঠক এবং লেখক দুইপক্ষকেই  প্রাভাবিত করে।
- এর শেষ হয় consolation অর্থাৎ সান্ত্বনা; প্রবোধ ইত্যাদির মধ্য দিয়ে।
- এটি মূলত lofty style অনুসরন করে লেখা হয়।
- এই ধরনের কবিতা বিষয়বস্তু খুব গুরুগম্ভির হয় এবং it's tone is grave.

• Odes are three types - 
- The Pindaric ode regular ode
- The Horatian ode
- The irregular ode.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.
৩৪.
The Fictional character 'Adam Bede' was created by who of the following writers?
  1. Thomas Hardy
  2. Charles Dickens
  3. George Eliot
  4. Christopher Marlowe
ব্যাখ্যা
• The Fictional character 'Adam Bede' was created by George Eliot.
- এটি তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'Adam Bede' এর কেন্দ্রীয় চরিত্র।

• 'Adam Bede:
- উপন্যাসটি ১৮৫৯ সালে তিনটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়।
-  এর কেন্দ্রীয় চরিত্র, 'Adam Bede', একজন কাঠমিস্ত্রি,  যিনি একজন অবিবাহিত মহিলার প্রেমে পড়েন।
- সেই মহিলাটি ছিল যিনি একজন  বাচ্চার মা, যে তাঁর প্রেমিকের সন্তান জন্ম দিয়েছিল।
- Although Bede tries to help her, he eventually loses her but finds happiness with someone else.
- এটি ইলিয়ট রচিত first long novel.
- এই উপন্যাসটিকে Country story ও বলা হয়।
- Eliot described the work as “a country story—full of the breath of cows and the scent of hay.” 

• George Eliot:
- লেখিকার প্রকৃত নাম ছিল Mary Ann Evans. 
- তার জন্ম ১৮১৯ সালে। 
-তিনি ছিলেন ইংল্যান্ডের Warwickshire অঞ্চলের অধিবাসী।
- তার উপন্যাসে এই অঞ্চলের কৃষক, জমিদার এবং পাদ্রী সম্প্রদায়ের কথা ঘুরে ফিরে আসে।
- অর্থাৎ গ্রামীন জীবনের দৃশ্য ফুটিয়ে তুলতে তিনি সিদ্ধহস্ত ছিলেন। 
- বিভিন্ন চরিত্রের মনস্তাত্বিক বিশ্লেষণের জন্য তিনি বিখ্যাত।
- তিনি কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ রচনা করলেও মূলত: তার উপন্যাসের দ্বারাই তিনি বেশি স্মরণীয় হয়ে আছেন।

• উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম:
- Adam Bede: (Novel/ known as Country story),
- Silas Marner: (Novel/ Full name: Silas Marner: The Weaver of Raveloe),
- The Mill on the Floss: (Novel),
- Romola: (Novel),
- The Spanish Gypsy: Dramatic poem/ Tragi-comedy,
- Middlemarch,
- Scenes of Clerical life,
- Daniel Deronda: (Novel), etc. 

Source: Britannica.
 
৩৫.
Who qouted the line -
 "If I had a flower for every time I thought of you... I could walk through my garden forever."?
  1. Lord Byron
  2. Lord Alfred Tennyson
  3. P. B Shelley
  4. John Keats
ব্যাখ্যা
Famous Victorian poet Lord Alfred Tennyson in his poem 'The Lady of Shalott' quoted the line - 
 "If I had a flower for every time I thought of you... I could walk through my garden forever."

The Lady of Shalott: 
- Tennyson রচিত এটি মূলত একটি Lyrical Ballad এবং Narrative poem, যা কবির অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে বিবেচিত।
-চার খন্ডে বিভক্ত এই কবিতাটি ১৮৩২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- Typically Victorian in its exaltation of an imprisoned maiden who dies for a chaste love, the poem tells of Elaine of Arthurian legend, shut in her father’s coldly beautiful castle on the island of Shalott.
- Tennyson evokes his heroine’s dreamlike, monotonous life through incantatory rhyme and meter.

• Lord Alfred Tennyson
- তিনি একজনEnglish Poet.
- ১৮৫০ সালে তিনি England এর Poet Laurate হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- তাকে প্রায়শই  ভিক্টোরিয়ান যুগের প্রধান প্রতিনিধি বা Chief Representative  হিসেবে গণ্য করা হয়।

• তাঁর রচিত বিখ্যাত কবিতা সমূহ হচ্ছে -
- The Charge of the Light Brigade,
- The Lady of Shalott,
- Crossing the Bar,
- Oenone,
- Poems, Chiefly Lyrical,
- Locksley Hall,
- A Dream of Fair Women
- Mariana in the South
- St. Simeon Stylites
- Godiva
- The Princess
- Idylls of the King
- The Two Voices
- Enoch Arden
- Sir Galahad
- In Memoriam A.H.H.,
- The Lotos-Eaters,
- Tithonus,
- Ulysses,
- Break, Break, Break,
- Mariana,
- The Kraken,
- Tears, Idle Tears,
- The Eagle,
- The Higher Pantheis,
- Lady Clara Vere de Vere, etc.

• Famous Comedies: 
- Queen Marry
- The Falcon

Source: BBC. vom and Britannica.