পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৬২
সিলেবাস
Exam - 38 Final Model Test-12 topic: Full syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৬২ প্রশ্ন

.
'The Heart of Dixie' কোন শহরের ডাকনাম?
  1. হারারে, জিম্বাবুয়ে
  2. আলাবামা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. কিটো, ইকুয়েডর
  4. রোম, ইতালি
ব্যাখ্যা
ভিন্ন নাম:
- ১৮৯৯ সালে আলাবামা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২২ তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃত লাভ করে।
- আলাবামা উপজাতি থেকে আলাবামা  রাজ্যের নামকরণ করা হয়।
- গভর্নর: কে আইভে (রিপাবলিকান)
- 'The Heart of Dixie' মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা শহরের ডাকনাম।
 
অন্যদিকে,
- জিম্বাবুয়ের রাজধানী হারারে 'The City of Flowering Trees' নামে পরিচিত।
- ইকুয়েডরের রাজধানী কিটোকে চির বসন্তের শহর বা City of eternal spring  বলা হয়।
- ইতালির রাজধানী রোমকে সাত পাহাড়ের দেশ বলা হয়।

WHY’S IT CALLED THAT?
The state’s name comes from the Alabama tribe, one of the Native American groups from that area.
“Dixie” is a nickname for the southern states, especially the Confederate states, which left the Union during the Civil War.
Alabama is called the Heart of Dixie because Montgomery, Alabama, was the first Confederate capital.
 
উৎস: ব্রিটানিকা এবং kids.nationalgeographic.com।[লিঙ্ক]
.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামিকে গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. সার্জেন্ট শামসুল হককে
  2. সার্জেন্ট জহুরুল হককে
  3. মাহবুব উদ্দিন চৌধুরীকে
  4. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনকে
ব্যাখ্যা
⇒ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামি করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামি করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণ অভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
 
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
"মুজিব: একটি জাতির রূপকার" চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?
  1. শ্যাম বেনেগাল
  2. আশরাফ শিশির
  3. মুশফিকুর রহমান গুলজার
  4. মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
ব্যাখ্যা
মুজিব: একটি জাতির রূপকার:
- বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ প্রযোজনায় এবং ভারতের প্রখ্যাত নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল পরিচালিত বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিতব্য জীবনীচিত্রের নাম ‘মুজিব’, যার ট্যাগলাইন 'একটি জাতির রূপকার'। ইংরেজিতে MUJIB: THE MAKING OF A NATION. 
 
- প্রথমে এই জীবনীচিত্রের নাম ছিল ‘বঙ্গবন্ধু', পরে কয়েকটি নাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠালে তিনি 'মুজিব' নামটি পছন্দ করেন।
- চলচ্চিত্রটিতে শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রে অভিনয় করেন আরিফিন শুভ। কিশোর বয়সের চরিত্রে অভিনয় করে দিব্য জ্যোতি।
 
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
.
কোন শাসক সর্বপ্রথম বাংলায় মুদ্রা প্রচলন করেন?
  1. ঈশা খাঁ
  2. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  4. শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
ব্যাখ্যা
⇒ শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ:
→ ১২০০ হতে ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এ অঞ্চলে মুসলিম যুগের শাসনামল লক্ষ করা যায়।
→ ইতিহাসে এ সময়কে স্বর্ণযুগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
→ ১৩০১ খ্রিস্টাব্দে শামছুদ্দিন ফিরোজ শাহ বিনিময় প্রথা রহিত করে সোনারগাঁয়ে প্রথম মুদ্রার প্রচলন করেন।
 
→ মধ্যযুগে শেরশাহের আমলে সমগ্র রাজত্বকে কতগুলো সরকার এবং পরগণায় বিভক্ত করা হয়। তখন জমির উৎপাদিত ফসলের এক-চতুর্থাংশ খাজনা হিসাবে কৃষকরা দিত।
→ সম্রাট আকবরের আমলে ১৫৮২ খ্রিস্টাব্দে রাজা টোডরমল এ অঞ্চলের রাজস্ব বন্দোবস্তের তালিকা প্রস্তুত করেন।
 
তথ্যসূত্র: অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
‘ইহা’ এর পরোক্ষরূপ কোনটি?
  1. সেই
  2. তখন
  3. তাহা
  4. সে
ব্যাখ্যা
• উক্তি:
বক্তার কথা উপস্থাপনের ধরনকে উক্তি বলে। উক্তি দুই প্রকার: প্রত্যক্ষ উক্তি ও পরােক্ষ উক্তি। যেমন:
 
• প্রত্যক্ষ উক্তি:
যে উক্তিতে বক্তার কথা সরাসরি উদ্ধৃত করা হয়, তাকে বলে প্রত্যক্ষ উক্তি।
যেমন:
- ছেলেটি বলেছিল, “আজ আমি অনেক পড়েছি।”- এটি প্রত্যক্ষ উক্তি। 
 
• পরােক্ষ উক্তি:
যে উক্তিতে বক্তার কথা অন্যের দ্বারা বর্ণিত হয়, তাকে বলে পরােক্ষ উক্তি।
যেমন:
ছেলেটি বলেছিল যে, সেদিন সে অনেক পড়েছে।- এটি পরােক্ষ উক্তি।
 
প্রত্যক্ষ উক্তির বাক্যের সর্বনাম এবং কালসূচক শব্দের পরােক্ষ উক্তিতে নিম্নলিখিত পরিবর্তন সংঘটিত হয়।
• উক্তির প্রত্যক্ষ ও পরােক্ষরূপ:
- এই - সেই।
- ইহা - তাহা। 
- এ - সে
- এখন - তখন। 
- আগামীকাল - পরদিন । 
- গতকাল - আগেরদিন।
- আজ - সেদিন। 
- ওখানে - ঐখানে। 
- গতকল্য - পূর্বদিন। 
- এখানে - সেখানে।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম দশম শ্রেণি, (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)। 
.
প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন কত শতাব্দীতে?
  1. বিংশ শতাব্দী
  2. অষ্টাদশ শতাব্দী
  3. ঊনবিংশ শতাব্দী
  4. সপ্তদশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- চর্যাপদ বাংলা ভাষার প্রথম কাব্যগ্রন্থ/কবিতা সংকলন/ গানের সংকলন।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র।
- অপরদিকে, ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।
 
সালের ভিত্তিতে শতাব্দী হলো:
• ১৯০১-২০০০ সাল পর্যন্ত সময় হচ্ছে বিংশ শতাব্দী।
• ১৮০১-১৯০০ সাল পর্যন্ত সময়কে ঊনবিংশ শতাব্দী বলে।
• ১৭০১-১৮০০ সাল পর্যন্ত সময়কে অষ্টাদশ শতাব্দী বলে।
• ১৬০১-১৭০০ সাল পর্যন্ত সময়কে সপ্তদশ শতাব্দী বলে।
 
• অতএব, ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কতৃক চর্যাপদ উদ্ধারের এবং প্রবোধচন্দ্র বাগচী কর্তৃক চর্যাপদের তিব্বতি ভাষার অনুবাদ আবিষ্কারের সময়কাল হচ্ছে বিংশ শতাব্দী। 
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
‘কদাচার’ কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. বহুব্রীহি সমাস
  2. চতুর্থী তৎপুরুষ
  3. কর্মধারয় সমাস
  4. দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা
• কর্মধারয় সমাস:
কর্মধারয় শব্দটির ব্যুৎপত্তি হলাে- কর্ম + ধৃ+ ণিচ + আ = কর্মধারয়। এতে সমান বিভক্তিযুক্ত বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং পরপদে বিশেষ্যের অর্থ প্রধান থাকে। অর্থাৎ, যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণ ভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় তাকে বলা হয় কর্মধারয় সমাস।
যেমন:
- কাঁচা যে কলা = কাঁচাকলা।
- কু যে আচার = কদাচার।
- নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
- যে শান্ত সেই শিষ্ট = শান্তশিষ্ট।
- ঋষি যে কবি = ঋষিকবি  ইত্যাদি।
 
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
Section 2(6) of The Registration Act, 1908 states “immoveable property” shall not include-
  1. hereditary allowances
  2. rights to fisheries
  3. rights to ways
  4. growing crops
ব্যাখ্যা
• রেজিস্ট্রেশন আইনের ২(৬) ধারার বিধান-

"স্থাবর সম্পত্তি" অর্থে জমি, ইমারত, ভূমিজাত ও মাটিতে সংযুক্ত বা মাটি সংযুক্ত কোন কিছুতে স্থায়িভাবে আবদ্ধ কোন বস্তু হইতে লভ্য সুবিধাদি, বংশগত ভাতা, রাস্তা, আলো, খোয় ও মৎস্য খামার ইত্যাদির অধিকার অন্তর্ভূক্ত হইবে,
তবে উহার অন্তর্ভূক্ত হইবে না-
(ক) দণ্ডায়মান বৃক্ষ, বাড়ন্ত শষ্য বা ঘাস, তাৎক্ষণিকভাবে বিচ্ছিন্নকরণের অভিপ্রায় থাকুক বা না থাকুক;
(খ) বৃক্ষাদিতে বিদ্যমান বা ভবিষ্যতে উৎপন্ন হইতে পারে, এইরূপ ফল বা রস; এবং 
(গ) মাটিতে প্রোথিত বা সংযুক্ত যন্ত্রপাতি, যখন উহা ভূমি ব্যতিরেকে ব্যবহৃত হয়।
 
⇒ The Registration Act, 1908 Section 2(6) “immoveable property” includes land, buildings, benefits to arise out of land and things attached to the earth, or permanently fastened to anything attached to the earth, hereditary allowances, rights to ways, lights, ferries and fisheries.
but does not include-
(a) standing timber, growing crops or grass whether immediate severance thereof it intended or not;
(b) fruit upon and juice in trees whether in existence or to grow in future; and
(c) machinery embedded in or attached to the earth, when dealt with apart from the land:
.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কত ধারায় কালেক্টরের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২(৩) ধারায়
  2. ২(৫) ধারায়
  3. ২(৭) ধারায়
  4. ২(৯) ধারায়
ব্যাখ্যা
কালেক্টর [Collector]

রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(৩) ধারায় কালেক্টরের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কালেক্টর বলতে জেলার কালেক্টর এবং ডেপুটি কমিশনার এবং এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কেন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত হবে।

সুতরাং, কালেক্টর বলতে-
i. জেলার কালেক্টর; এবং
ii. ডেপুটি কমিশনার; এবং
III. এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা; অন্তর্ভুক্ত হবে।
১০.
'জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তরের বিধি-নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।'- সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের কত ধারায় বলা হয়েছে?
  1. ১৪ ধারায়
  2. ১৭ ধারায়
  3. ১৬ ধারায়
  4. ১৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
• চিরন্তন হস্তান্তর বিরুদ্ধ নীতি এমনভাবে হস্তান্তর করা যাবে না যা হস্তান্তরের তারিখে এক বা একাধিক ব্যক্তির জীবনকাল এবং জীবনকালের পর হতে অপর কোন ব্যক্তির নাবালক কাল অতিবাহিত হওয়ার পরে কার্যকর হবে। The Transfer of Property Act, 1882 এর ১৪ ধারায় এই নীতি প্রতিফলিত হয়েছে।
 
ধারা ১৮: জনসাধারণের কল্যাণে চিরন্তন হস্তান্তর-
ধর্ম, জ্ঞান, বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা বা মানব জাতির কল্যাণকর কাজের অগ্রগতির জন্য জনস্বার্থে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করলে ১৪, ১৬ ও ১৭ ধারার বিধি- নিষেধ প্রযোজ্য হবে না।
 
Section 18: Transfer in perpetuity for benefit of public-
The restrictions in sections 14, 16 and 17 shall not apply in the case of a transfer of property for the benefit of the public in the advancement of religion, knowledge, commerce, health, safety, or any other object beneficial to mankind.
১১.
'Delegatus non potest delegare' চুক্তি আইনে এই নীতির ব্যতিক্রম কে?
  1. Bailor
  2. Pledgee
  3. Sub-agent
  4. Principal
ব্যাখ্যা
• “Delegatus non potest delegare“ is a Latin legal maxim that translates to “a delegate cannot delegate.” It is a principle that generally applies to the delegation of powers or authority by one person or entity to another.

যার অর্থ হল "এক প্রতিনিধি অন্য কাউকে প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার রাখে না"।
 
যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অন্য কাউকে কোনো বিশেষ কাজের জন্য প্রতিনিধিত্ব করার অনুমতি দেয়, তখন সেই প্রতিনিধি ব্যক্তি তার নিজের ইচ্ছামত কাউকে তার পরিবর্তে প্রতিনিধিত্ব করার অধিকার রাখে না। অর্থাৎ একজন প্রতিনিধি ব্যক্তিকে দেওয়া ক্ষমতা বা কর্তৃত্বের কোনো অংশ সে নিজে থেকে অন্য কাউকে হস্তান্তর করতে পারবে না। এই নীতি নিশ্চিত করে যে, প্রতিনিধি ব্যক্তি কেবলমাত্র তাকে অর্পিত দায়িত্বগুলোই পালন করবে এবং সেই দায়িত্বগুলো অন্য কাউকে হস্তান্তর করতে পারবে না। এটি প্রতিনিধিত্বের প্রক্রিয়াটিকে স্বচ্ছ এবং নিয়ন্ত্রিত রাখতে সাহায্য করে।

'Delegatus non potest delegare' চুক্তি আইনে এই নীতির ব্যতিক্রম হচ্ছে সাব-এজেন্ট। এই আইনে 'এজেন্ট' শব্দটি একজন প্রতিনিধিকে বোঝায় যাকে অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ক্ষমতা প্রদান করা হয় তাদের হয়ে কাজ করার জন্য। একজন এজেন্ট কখনও কখনও নিজ দায়িত্ব অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষকে হস্তান্তর করতে পারেন। এই তৃতীয় পক্ষটিকেই বলা হয় 'সাব-এজেন্ট' বা উপ-প্রতিনিধি। এক্ষেত্রে, এজেন্ট প্রাপ্ত ক্ষমতা বা কর্তৃত্বের অংশ হিসেবে সাব-এজেন্টকে কিছু ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারে।

Section 191: "Sub-agent" defined-
A "sub-agent" is a person employed by, and acting under the control of, the original agent in the business of the agency. 

Section 192: Representation of principal by subagent properly appointed-
 
Where a sub-agent is properly appointed, the principal is, so far as regards third persons, represented by the subagent, and is bound by and responsible for his acts, as if he were an agent originally appointed by the principal.
 
Agent's responsibility for sub-agent-
The agent is responsible to the principal for the acts of the sub-agent.
 
Sub-agent's responsibility-
The sub-agent is responsible for his acts to the agent, but not to the principal, except in case of fraud or wilful wrong.
১২.
'ক', 'খ' এর ব্যাগ কুড়িয়ে পায় এবং তাকে অর্পণ করে। 'খ', 'ক' কে ৫০ টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে- এটা একটি বৈধ চুক্তি। উক্তিটি-
  1. সম্পূর্ণ মিথ্যা
  2. পুরোপুরি সত্য
  3. আংশিক সত্য
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২৫ ধারায় বলা হয়েছে, প্রতিদানবিহীন চুক্তি বাতিল। সেই সাথে কতিপয় ক্ষেত্রে প্রতিদান ছাড়াই চুক্তি বৈধ উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন-
 
১. স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহজনিত কারণে গঠিত কোন চুক্তি বৈধ। যেমন, স্বাভাবিক স্নেহ ভালোবাসা হেতু ক তার পুত্র খ-কে ১০০০ টাকা দিতে অঙ্গীকার করে। ক তার এই অঙ্গীকার লিখিত এবং নিবন্ধিত করে। এটা একটি বৈধ চুক্তি, যদিও কোন প্রতিদান নেই।
 
২. অতীত স্বেচ্ছামূলক সেবার জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের চুক্তি। যেমন- ক, খ-এর ব্যাগ কুড়িয়ে পায় এবং তাকে অর্পণ করে। খ, ক-কে ৫০ টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। এটা একটি বৈধ চুক্তি। অর্থাৎ উক্তিটি পুরোপুরি সত্য।
 
৩. তামাদি আইনে বাতিল কোনো ঋণ পরিশোধের অঙ্গীকার। যেমন, ক, খ-এর নিকট ১০০০ টাকা ঋণী কিন্তু ঋণটি তামাদিতে বারিত। উক্ত ঋণের মধ্যে ৫০০ টাকা পরিশোধ করার জন্য খ, ক-কে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিলো। এটা একটি চুক্তি।
 
৪. সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে;
৫. পাওনা আদায়ের দাবি ত্যাগ;
৬. বিনা পারিশ্রমিকে গচ্ছিত দান।

Section 25: Agreement without consideration void, unless it is in writing and registered, or is a promise to compensate for something done, or is a promise to pay a debt barred by limitation law: An agreement made without consideration is void, unless–

(1) it is expressed in writing and registered under the law for the time being in force for the registration of documents, and is made on account of natural love and affection between parties standing in a near relation to each other; or unless
 
(2) it is a promise to compensate, wholly or in part, a person who has already voluntarily done something for the promisor, or something which the promisor was legally compellable to do, or unless
 
(3) it is a promise, made in writing and signed by the person to be charged therewith, or by his agent generally or specially authorized in that behalf, to pay wholly or in part a debt of which the creditor might have enforced payment but for the law for the limitation of suits.

In any of these cases, such an agreement is a contract.
 
Explanation 1 – Nothing in this section shall affect the validity, as between the donor and donee, of any gift actually made.
 
Explanation 2 – An agreement to which the consent of the promisor is freely given is not void merely because the consideration is inadequate; but the inadequacy of the consideration may be taken into account by the Court in determining the question whether the consent of the promisor was freely given.
১৩.
'A' agrees to sell to 'B' "a hundred tons of oil". There is nothing whatever to show what kind of oil was intended. The agreement is ______.
  1. valid
  2. void
  3. voidable
  4. voidable at option of 'A'
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'A', 'B'-এর নিকট ১০০ টন তেল বিক্রয় করতে সম্মত হয়। কিন্তু কোন ধরণের তেল বিক্রয় করার অভিপ্রায় ছিলো, সেটা উল্লেখ ছিলো না। অনিশ্চয়তার কারণে সম্মতিটি বাতিল (void)। কিন্তু সম্মতিতে যদি তেলের সুনির্দিষ্ট বর্ণনা উল্লেখ থাকতো, তাহলে সেটা বাতিল হতো না।
 
চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ধারা ২৯:
যে সম্মতির অর্থ অনিশ্চিত বা সুনিশ্চিত করা সম্ভব নয় এমন সম্মতি বাতিল।
[Agreements, the meaning of which is not certain, or capable of being made certain, are void.]

অর্থাৎ ২৯ ধারার অধীন যেক্ষেত্রে সম্মতির অর্থ বা ভাষা অস্পষ্ট বা অনিশ্চিত এবং যেগুলো সুনির্দিষ্ট করা যায় না, সেক্ষেত্রে সম্মতি বাতিল হবে।
 
উদাহরণ-
৫০০ টাকায় বা ১০০০ টাকায় ক তার সাদা ঘোড়া বিক্রয় করার জন্য খ এর সাথে সম্মত হয়। কিন্তু দুইটি মূল্যের মধ্যে কোন মূল্য পরিশোধ করতে হবে সেটার কোন উল্লেখ না থাকায় অনিশ্চয়তার কারণে চুক্তিটি বাতিল।
১৪.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৩(খ) ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. Maintenance of the record-of-rights
  2. Correction of the Record of Rights upon inheritance
  3. Procedure for Correction of the Record-of-Rights
  4. Revision of the record-of-rights
ব্যাখ্যা
• Section 143B: Correction of the Record-of Rights upon inheritance:

(1) Person acquiring immovable property by inheritance according to their respective personal laws shall amicably effect partition of the property among them after the death propositus. After such partition, an instrument of partition shall be prepared and signed by all the concerned parties and shall be registered under the Registration Act, 1908.

(2) Upon presentation of the instrument of partition prepared, signed and registered under sub-section (1), the Revenue-officer shall revise the Khatian in accordance therewith.

ধারা ১৪৩(খ)- উত্তরাধিকারের উপর ভিত্তি করে খতিয়ান সংশোধন:
 
উত্তরাধিকারের উপর ভিত্তি করে খতিয়ান সংশোধনের বিধান ১৪৩খ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। কোন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর তার উত্তরাধিকারীরা তাদের ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী তাদের মধ্যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্ধুত্বপূর্ণভাবে বণ্টন করবে। এমন বণ্টনের পর, একটি বন্টননামা তৈরী করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর অধীন নিবন্ধন করতে হবে। এমন স্বাক্ষরিত এবং নিবন্ধিত বণ্টননামা উপস্থাপন করলে রাজস্ব কর্মকর্তা বন্টননামা অনুযায়ী খতিয়ান সংশোধন করবে।
১৫.
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসর বা তার অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে উক্ত অকৃষি ভূমিতে সে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-
  1. যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ করতে
  2. পুকুর খনন করতে
  3. মসজিদ, মন্দির বা অন্য যেকোন উপাসানালয়ের স্থান নির্মাণ করতে
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯: ধারা ৬- অকৃষি ভূমি ব্যবহারের পদ্ধতি:
 
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসর বা তার অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে উক্ত অকৃষি ভূমিতে সে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-

ক. পাকা অবকাঠামোসহ যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ করতে;
খ. মসজিদ, মন্দির বা অন্য যেকোন উপাসানালয়ের স্থান নির্মাণ করতে;
গ. যেকোন পুকুর খনন করতে; এবং
ঘ. এমন ভূমিতে গাছ রোপণ, উক্ত বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে এবং উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে;

অন্যদিকে, যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসরের কম কিন্তু ১ বৎসরের অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে সে উক্ত অকৃষি ভূমিতে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-

ক. পাকা অবকাঠামো ব্যতীত যেকোন অবকাঠামো নির্মাণে;
খ. যেকোন বৃক্ষ রোপন করতে, এবং এমন বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে।
গ. উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে।
১৬.
নিচের কোনটি 3a3 + 2a + 5 এর একটি উৎপাদক?
  1. a + 1
  2. a + 2
  3. a + 3
  4. a - 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি 3a3 + 2a + 5 এর একটি উৎপাদক?
 
সমাধান:
ধরি, f(a) = 3a3 + 2a + 5
 
এখন,
f(- 1) = 3 × (- 1)3 + 2 × (- 1) + 5
= - 3 - 2 + 5
= 0
 
∴ a - (- 1) বা, (a + 1), f(a) এর একটি উৎপাদক।
প্রদত্ত রাশি = 3a3 + 2a + 5
= 3a3 + 3a2 - 3a2 - 3a + 5a + 5 
= 3a2(a + 1) - 3a(a + 1) +5(a + 1)
= (a + 1)(3a2 - 3a + 5)
১৭.
ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ইরিডিয়াম আইসোটোপ
  2. কোবাল্ট আইসোটোপ
  3. ইউরেনিয়াম আইসোটোপ
  4. আয়োডিন আইসোটোপ
ব্যাখ্যা
- অস্থিতিশীল পরমাণুর নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে রশ্নি বিকিরণের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে।
- ১৮৯৬ সালে ফরাসী বিজ্ঞানী হেনরি বেকেরেল আকস্মিকভাবে এই রশ্নি আবিষ্কার করেন। তার নামানুসারে এই রশ্নির নাম দেয়া হয় বেকেরেল রশ্নি। 
- তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে গবেষনার জন্যে তেজস্ক্রিয়তার আবিষ্কারক হেনরী বেকেরেল এবং ম্যারি কুরী ও তার স্বামী পিয়েরে কুরী যৌথভাবে ১৯০৩ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরষ্কার পান। 
- তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক বেকেরেল।
- তেজস্ক্রিয়তা দুই প্রকার। যথা- প্রাকৃতিক ও কৃত্তিম তেজস্ক্রিয়তা।
- কিছু কিছু মৌলের আইসোটোপ রয়েছে যাদের নিউক্লিয়াস স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভেঙে আলফা, বিটা ও গামা রশ্নি নির্গত করে তাদেরকে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বলে।
- লিউকোমিয়া রোগের চিকিৎসায় ফসফরাস -32 তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
- ব্রেইন ক্যান্সার নিরাময়ে ইরিডিয়াম আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
- থাইরয়েড ক্যান্সার নিরাময়ে আয়োডিন আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়। 
 
উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
১৮.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. জলাতঙ্ক রোগের ভাইরাস - র‍্যাবিস ভাইরাস
  2. ডেঙ্গু রোগের ভাইরাস - ফ্ল্যাভি ভাইরাস
  3. গুটিবসন্ত রোগের ভাইরাস - রুবিওলা ভাইরাস
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস: 
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ।
- ভাইরাস হলো এক প্রকার অতিক্ষুদ্র অণুজীব যারা জীবিত কোষের ভিতরেই বংশবৃদ্ধি করতে পারে
- উদ্ভিদ, প্রাণী, ব্যাকটেরিয়া , সায়ানোব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক প্রভৃতি জীবদেহের সজীব কোষে ভাইরাস সক্রিয় অবস্থায় অবস্থান করতে পারে। আবার নিষ্ক্রিয় অবস্থায় বাতাস, মাটি, জল  ইত্যাদি প্রায় সব জড় মাধ্যমে ভাইরাস অবস্থান করে।
- ভাইরাসের আকার সাধারণত ১০ nm থেকে ৩০০ nm পর্যন্ত হয়ে থাকে।
 
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোগের ভাইরাস:
- জলাতঙ্ক রোগের ভাইরাস - র‍্যাবিস ভাইরাস   
- ডেঙ্গু রোগের ভাইরাস - ফ্ল্যাভি ভাইরাস
- গুটিবসন্ত রোগের ভাইরাস - ভেরিওলা ভাইরাস 
- হাম রোগের ভাইরাস - রুবিওলা ভাইরাস 
 
উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানিকালে কী কী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য
  2. আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা
  3. ক এবং খ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারার বিধান- বিচার-পূর্ব কার্যক্রম:

(১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।

(২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে।

(৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।

(৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
২০.
Where no details about the mode of payment of dower are specified in the nikah nama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be _________.
  1. not payable
  2. payable on demand
  3. payable after specified time
  4. None of above
ব্যাখ্যা
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961: Section 10- Dower:
Where no details about the mode of payment of dower are specified in the nikah nama, or the marriage contract, the entire amount of the dower shall be prescribed to be payable on demand.

ধারা ১০- দেনমোহর:
যেক্ষেত্রে দেনমোহরের টাকা পরিশোধের পন্থা কাবিননামায় অথবা বিবাহের চুক্তিতে বিস্তারিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয় নাই, সেক্ষেত্রে দেনমোহরের মোট পরিমানই চাহিবামাত্র পরিশোধযোগ্য বলে ধরে নেয়া হবে।
২১.
স্বামী কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন তালাক দেয়, তখন সেটাকে বলা হয়-
  1. ইলা
  2. জিহার
  3. তালাক-ই-তাওহিদ
  4. তালাক-ই-তাওফিজ
ব্যাখ্যা
'Talak e Tafwid' বা 'তালাক-ই-তাওফিজ':

সাধারণত বিবাহ বিচ্ছেদের ক্ষমতা কোন স্ত্রী-এর নেই। কোন স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদ করতে পারে, যদি স্বামী তাকে এমন ক্ষমতা অর্পন করে। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে স্ত্রী যখন স্বামীকে তালাক দেয়, তখন সেটাকে Talak e Tafwid 'তালাক-ই-তাওফিজ' বলে। আমাদের দেশে নিকাহনামায় বা বিবাহের চুক্তিপত্রের ১৮ নং অনুচ্ছেদে এই সংক্রান্ত বিধান আছে। অর্থাৎ নিকহানামার ১৮ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী- স্ত্রী, স্বামীর নিকট হতে তালাক প্রদানের ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়ে স্বামীকে তালাক দিতে পারে যা Talak e Tafwid নামে পরিচিত।

উদাহরণ:
বিবাহের কাবিননামায় শর্ত দেওয়া হলো যে- কাবিননামায় উল্লেখিত তাৎক্ষণিক দেনমোহর [Prompt Dower] স্বামী দিতে ব্যর্থ হলে, স্ত্রী বিবাহ বাতিল করতে পারবে। কিন্তু স্ত্রী উক্ত দেনমোহর চাইলেও স্বামী তা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে। এইক্ষেত্রে স্ত্রী বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে।
২২.
'Khiyar al-bulugh' নীতি কোন অধিকারের সাথে সম্পর্কযুক্ত?
  1. বিবাহ বাতিলের
  2. উত্তরাধিকার বাতিলের
  3. হেবা বাতিলের
  4. ওসিয়ত বাতিলের
ব্যাখ্যা
সাবালকত্বের ইচ্ছা [Option of Puberty or Khiyar al-bulugh]:

নাবালক তার অভিভাবকের মাধ্যমে বিবাহের চুক্তিতে উপনীত হতে পারে। যদি কোন নাবালক তার অভিভাবকের মাধ্যমে বিবাহে আবদ্ধ হয়, উক্ত নাবালক সাবালক হওয়ার পর উক্ত বিবাহ বাতিল করতে পারে। এটাকে Khiyar al-bulugh or Option of Puberty। সাবালকত্বের ইচ্ছা বা Option of Puberty বিধানটি The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 এর ২(৭) ধারায় সংযুক্ত করা হয়েছে।

The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 এর ২(৭) ধারায় বলা হয়েছে,
কোন মেয়েকে তার বয়স ১৮ বৎসর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে তার পিতা বা অন্য কোন অভিভাবক তাকে বিয়ে দেয়, তাহলে তার বয়স ১৯ বৎসর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে সে বিবাহটি বাতিল করতে পারে শর্ত হলো বিবাহটি যৌনমিলনের মাধ্যমে আইনসিদ্ধ করা হয় নি। এক্ষেত্রে, উক্ত মেয়ে বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী।
 
উল্লেখ্য যে,
শরীয়াহ আইনে ছেলে এবং মেয়ে উভয় এই অধিকার প্রয়োগ করতে পারলেও, The Dissolution of Muslim Marriages Act, 1939 এর ২(৭) ধারায় Option of Puberty যে বিধান রয়েছে তা শুধুমাত্র মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
২৩.
মুসলিম উত্তরাধিকারের নিয়মানুযায়ী মৃত ব্যক্তির একজন কন্যা এবং একাধিক পুত্রের কন্যা থাকলে, পুত্রের কন্যাগণ সম্পত্তির কত অংশ পাবে?
  1. ১/৩ অংশ
  2. ২/৩ অংশ
  3. ১/৬ অংশ
  4. বঞ্চিত হবে
ব্যাখ্যা
• পুত্রের কন্যার সম্পত্তি লাভের ক্ষেত্রে চারটি অবস্থা লক্ষ্য করা যায়:

ক) মৃত ব্যক্তির পুত্র বা একাধিক কন্যা থাকলে, পুত্রের কন্যা সম্পূর্ণরূপে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়।

খ) মৃত ব্যক্তির পুত্র-কন্যা না থাকলে, পুত্রের কন্যা একা হলে ১/২ অংশ এবং একাধিক হলে ২/৩ অংশ সম্পত্তি পায়।

গ) মৃত ব্যক্তির যদি একমাত্র কন্যা থাকে, তবে পুত্রের কন্যা একা বা একাধিক যাই থাকুক একা বা সবাই শুধুমাত্র ১/৬ অংশ পাবে। একাধিক হলে এই ১/৬ অংশ সবাই সমানভাবে পাবে।

ঘ) মৃত ব্যক্তির পুত্রের পুত্র থাকলে, পুত্রের কন্যা অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে তার বা তার সাথে ২:১ সম্পত্তি লাভ করবে।
২৪.
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী হলে, উক্ত নিবন্ধকের-
  1. জরিমানা হতে পারে
  2. নিয়োগ স্থগিত করতে পারে
  3. দেওয়ানি কারাগারে দণ্ডিত হতে পারে
  4. ক বা গ
ব্যাখ্যা
• হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২
 
ধারা ১৪- নিয়োগ স্থগিত বা বাতিলকরণ:
 
সরকারের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে এই মর্মে প্রতীয়মান হয় যে, কোন হিন্দু বিবাহ নিবন্ধক তাহার দায়িত্ব পালনে কোন অসদাচরণের জন্য দায়ী অথবা তাহার কর্তব্য পালনে অসমর্থ বা শারীরিকভাবে অক্ষম, তাহা হইলে, সরকার লিখিত আদেশ দ্বারা, তাহার নিয়োগ অনধিক দুই বৎসরের জন্য স্থগিত বা বাতিল করিতে পারিবে: 
তবে শর্ত থাকে, হিন্দু বিবাহ নিবন্ধককে যথাযথ কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান না করিয়া অনুরুপ কোন আদেশ প্রদান করা যাইবে না।
২৫.
একজন দায়ভাগ মতবাদের অনুসারী হিন্দু ব্যক্তি পিতা, ভাই, ভাইয়ের পুত্র এবং কন্যার পুত্র কে রেখে মারা যায়। এক্ষেত্রে সমুদয় সম্পত্তি কে পাবে?
  1. পিতা
  2. ভাই
  3. কন্যার পুত্র
  4. ভাই এবং ভাইয়ের পুত্র অর্ধেক করে পাবে
ব্যাখ্যা
• নিম্নে প্রথম ১০ জন সপিণ্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ
১) পুত্র;
২) পুত্রের পুত্র;
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র;
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা);
৫) কন্যা;
৬) কন্যার পুত্র;
৭) পিতা;
8) মাতা;
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই;
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র।

তালিকা অনুযায়ী, কন্যার পুত্রের অবস্থান ৬ষ্ঠ এবং পিতা, ভাই ও ভাইয়ের পুত্র যথাক্রমে ৭ম, ৯ম এবং ১০ অবস্থানে আছে। এক্ষেত্রে কন্যার পুত্র অগ্রগণ্য হবে এবং সমুদয় সম্পত্তি পাবে এবং বাকিরা বঞ্চিত হবে।
২৬.
Which of the following is a political allegory?
  1. Silas Marner
  2. Animal Farm
  3. The Cocktail Party
  4. The Doctor’s Dilemma
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Animal Farm হচ্ছে একটি political allegory.
 
• Animal Fram:
- It is a political allegory/ satirical allegorical novella/anti-utopian satire/ beast fable about revolution and power.
- অর্থাৎ, Animal Farm লেখা হয়েছে allegorical form এ।
- Allegory is a literary term in which one story is told in the guise of another story.
- Through the tale of a group of farm animals who overthrow the owner of the farm, Animal Farm explores themes of totalitarianism, the corruption of ideals, and the power of language. 
 
• এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ দুই দলে বিভক্ত -
১. মানুষ হিসেবে রয়েছেন  - Mr. Jones, Mr. Whymper, Mr. Pilkington,Mr. Frederick
২. পশু হিসেবে রয়েছে - Napoleon, Snowball, Old Major, Squealer, Boxer, Benjamin, Mollie, Clover, Moses, Muriel.
 
• George Orwell, Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে - Eric Arthur Blair.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং  Nineteen Eighty-four নামক novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
 
• Notable work:
- A Clergyman’s Daughter
- A Hanging
- Animal Farm
- Burmese Days
- Coming Up for Air
- Down and Out in Paris and London
- Homage to Catalonia
- Keep the Aspidistra Flying
- Nineteen Eighty-four
 
• অন্যদিকে, 
• The Cocktail Party -
-  A verse drama in three acts by T.S. Eliot, based on Alcestis by Euripides, it is a morality play presented as a comedy of manners.
 
• 'The Doctor’s Dilemma' written by G. B Shaw is a - Social satire.
 
• Silas Marner
- It is a novel written by George Eliot and it is the weaver in the English countryside village of Raveloe in the early nineteenth century. 
 
Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
২৭.
A celebrity enjoying fame and fortune may face loneliness behind the glamour. Here 'enjoying' is a/an -
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Verbal noun
  4. Present continuous
ব্যাখ্যা
⇒ A celebrity enjoying fame and fortune may face loneliness behind the glamour. Here 'enjoying' is a - Participle.
 
• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।
 
• Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed. 
 
• যখন Verb+ing Adjective এর কাজ করে, তখন তাকে Present Participle বলা হয়।
- এখানে enjoying শব্দটি fame and fortune – Noun কে Modify করছে।
- তাই এটি participle হয়েছে।
২৮.
He left the party as soon as -
  1. when he felt uncomfortable.
  2. he had felt uncomfortable.
  3. he felt uncomfortable.
  4. than he had felt uncomfortable.
ব্যাখ্যা
• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - he felt uncomfortable.
- Complete Sentence: He left the party as soon as he felt uncomfortable.
 
• As soon as এর পূর্বে past indefinite tense থাকলে এরপরেও past indefinite tense হয়।
- As soon as যুক্ত sentence টি এরপর শুধু comma বসে, than/when ইত্যাদি বসে না।
- যেমন - I opened the door as soon as I heard the bell.
 
• অন্যদিকে,  
• Future Indefinite Tense + As soon as + Present Indefinite Tense
- Example sentence: I shall ring you up as soon as I arrive.
২৯.
Which is not the antonym of 'Salutary'?
  1. Harmful
  2. Unhealthy
  3. Insalubrious
  4. Advantageous
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লেখিত প্রশ্নের Salutary এর  not antonym মানে Synonym হচ্ছে Advantageous.
 
⇒ Salutary (adjective)
English Meaning: Having a good effect on somebody/something, though often seeming unpleasant.
Bangla Meaning: (শরীর ও মনের জন্য) কল্যাণকর; কল্যাণবহ; হিতকর।
 
Synonyms: Healthful (স্বাস্থ্যকর), Health giving, Beneficial (উপকারী), Advantageous (সুবিধাজনক), Profitable (লাভজনক)।   
Antonyms: Unhealthy (অস্বাস্থ্যকর), Harmful (ক্ষতিকর), Noxious (ক্ষতিকর), Insalubrious (অস্বচ্ছল), Sickening (বিরক্তিকর, অস্বস্তিকর)।  
 
Example Sentence: 
1. The accident was a salutary reminder of the dangers of climbing.
2. The salutary influence of pure air.
 
Source; Live MCQ Lecture.
৩০.
Choose the correct spelling.
  1. Discombobullite
  2. Discombobulate
  3. Discombobullate
  4. Discombobulat
ব্যাখ্যা
⇒ The correct spelling is - Discombobulate. (অপশন 'ক')
 
• Discombobulate (verb)
English Meaning: to cause to be in a state of confusion/disconcert or confuse (someone).
Bangla Meaning: গুলিয়ে ফেলা; বিশৃঙ্খল করা; বিভ্রান্ত বা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হওয়া বা করা/অস্থির বা উত্তেজিত করা; বিরত বা অপ্রতিভ করা।
 
Example Sentence:
1. The unexpected turn of events seemed to discombobulate him, leaving him confused and bewildered.
2. His eccentric behaviour tended to discombobulate those around him, making it hard to predict his next move.
 
Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৩১.
A person who makes maps is known as a -
  1. Philatelist
  2. Calligrapher
  3. Cartographer
  4. Lexicographer
ব্যাখ্যা
⇒ A person who makes maps is known as a - Cartographer.
Bangla Meaning: মানচিত্রকর।
 
• Other options-
 
Lexicographer
English Meaning: A person who writes dictionaries.
Bangla Meaning: অভিধান রচয়িতা বা সংকলক।
 
Philatelist
English Meaning: One who collects or studies stamps.
Bangla Meaning: ডাকটিকিট সংগ্রাহক।
 
Calligrapher 
English Meaning: A person who practices calligraphy, the art of writing beautifully with a special pen or brush.
Bangla Meaning: খোশনবিশ হাতের লেখা; সুদর্শন স্বাক্ষরকারী।
 
Source: Oxford Learner's Dictionary and Bangla Academy Dictionary.
 
৩২.
'Right to be defended by a pleader'- ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় এই অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ৩৪২ ধারায়
  2. ৩৪০ ধারায়
  3. ৩৪১ ধারায়
  4. ৩৪৪ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার (Right to be defended by a pleader) আছে।
 
অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনজীবী দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি আসামি পক্ষে সাক্ষী হওয়ার যোগ্য এবং একই বিচারে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বা তার সাথে একই মামলায় অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণ করার জন্য শপথ গ্রহণপূর্বক দিতে পারবে।
 
তবে শর্ত এই যে-
⇒ সেই ব্যক্তি নিজে লিখিতভাবে অনুরোধ না করলে তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হবে না; অথবা
⇒ সে সাক্ষ্য দিতে ব্যর্থ হলে মামলার কোন পক্ষ বা আদালত সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে পারবে না এবং তার বিরুদ্ধে বা একই বিচারে অভিযুক্ত অন্য কোন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কোন অনুমান করা যাবে না।
 
Section 340: Right of person against whom proceedings are instituted to be defended and his competency to be a witness-
 
(1) Any person accused of an offence before a Criminal Court, or against whom proceedings are instituted under this Code in any such Court, may of right be defended by a pleader. 
 
(2) Any person against whom proceedings are instituted in any such Court under section 107, or under Chapter X, Chapter XI, Chapter XII or Chapter XXXVI, or under section 552, may offer himself as a witness in such proceedings. 
 
(3) Any person accused of an offence before a Criminal Court shall be a competent witness for the defence and may give evidence on oath in disproof of the charges made against him or any person charged together with him at the same trial: 
 
Provided that- 
(a) he shall not be called as a witness except on his own request in writing; or 
 
(b) his failure to give evidence shall not be made the subject of any comment by any of the parties or the Court or give rise to any presumption against himself or any persons charged together with him at the same trial.
৩৩.
'ক' একজন ম্যাজিস্ট্রেট, অভিযোগ আমলে নেয়ার সময় দেখতে পান তার কোনো এখতিয়ার নেই। এক্ষেত্রে তিনি কী আদেশ দিবেন?
  1. সরাসরি অভিযোগ খারিজ করবেন
  2. আসামী যদি উপস্থিত থাকে তাকে মুক্তি দিবেন
  3. উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য ফেরত পাঠাবেন
  4. ক বা খ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০১ এ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়েরের ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
• ধারা ২০১(১)
লিখিত আকারে নালিশের ক্ষেত্রে-
আমলে নেওয়ার এখতিয়ার নেই এমন কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে তিনি উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত দিবেন।
 
ধারা ২০১(২)
মৌখিক নালিশের ক্ষেত্রে-
যদি লিখিত আকারে নালিশ দায়ের না করা হয় অর্থাৎ মৌখিকভাবে নালিশ দায়ের করা হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নালিশকারীকে উপযুক্ত আদালতে প্রেরণ করবেন।
 
অর্থাৎ এখতিয়ারবিহীন ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট নালিশ দায়ের করা হলে, তিনি তা উপযুক্ত আদালতে পেশের জন্য নালিশটি ফেরত পাঠাবে।
 
Section 201: Procedure by Magistrate not competent to take cognizance of the case-
(1) If the complaint has been made in writing to a Magistrate who is not competent to take cognizance of the case, he shall return the complaint for presentation to the proper Court with an endorsement to that effect. 
(2) If the complaint has not been made in writing, such Magistrate shall direct the complainant to the proper Court.
৩৪.
একজন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক 'চ' দণ্ডবিধির ১২৪ক ধারায় দণ্ডিত হয়। এক্ষেত্রে 'চ' এর প্রতিকার কী?
  1. দায়রা আদালতে আপিল
  2. হাইকোর্ট বিভাগে আপিল
  3. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আপিল
  4. দায়রা আদালতে রিভিশন
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- যুগ্ম দায়রা জজ বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল:
 
যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন যুগ্ম দায়রা জজ বা কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের বিচারে দণ্ডিত হয়, সে ব্যক্তি দায়রা জজ বরাবর আপিল দায়ের করতে পারবে। নিম্নোক্ত শর্ত থাকে যে-
 
(ক) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমায় যুগ্ম দায়রা জজ ৫(পাঁচ) বৎসরের অধিক সময়ের কারাদণ্ডের আদেশ, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিচারে সাজাপ্রাপ্ত সকল বা যে দণ্ডিত ব্যক্তিকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
 
(খ) যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি কোন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দণ্ডবিধির (১২৪ক) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের বিচারে দণ্ডিত হয়, সেক্ষেত্রে তাকে হাইকোর্ট ডিভিশনে আপিল করতে হবে।
 
Section 408- Appeal from sentence of Joint Sessions Judge and Magistrates of the first class:
 
Any person convicted on a trial held by a Joint Sessions Judge,Metropolitan Magistrate or any Judicial Magistrate of the first class, may appeal to the Sessions Judge: Provided as Follws-
 
(a)When in any case a Joint Sessions Judge passes any sentence of imprisonment for a term exceeding five years, the appeal of all or any of the convicted persons shall lie to the High Court Division; 
 
(b)When any person is convicted by a Metropolitan Magistrate or Judicial Magistrate specially empowered to try an offence under section 124A of the Penal Code, the appeal shall lie to the High Court Division.
৩৫.
'জবানবন্দি ও পুনঃ জবানবন্দির সময় আদালতের অনুমতি ছাড়া ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যাবে না'- সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় বলা আছে?
  1. ১৪২ ধারায়
  2. ১৪৩ ধারায়
  3. ১৪১ ধারায়
  4. ১৪০ ধারায়
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১৪১ ধারা- ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন:
প্রশ্নকারী প্রশ্নের যে উত্তর আশা বা ইচ্ছা করেন, প্রশ্নের মধ্যেই তার ইঙ্গিত দেওয়া হলে তাকে ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলা হয়।
 
অর্থাৎ যে প্রশ্নের মধ্যেই উত্তর থাকে, তাকে নির্দেশক প্রশ্ন বা ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question বলে। সাধারণত 'হ্যা' অথবা 'না' এই দুই  ভাবে প্রশ্নের উত্তর দেয়া যায়।
 
যেমন- প্রশ্ন: আপনার নাম কি 'ক'?
উত্তর: হ্যা, আমার নাম 'ক'। এখানে প্রশ্নের মধ্যে উত্তরের ইঙ্গিত রয়েছে। এটাই ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বা Leading question.
 
১৪২ ধারার বিধান- বিরুদ্ধ পক্ষ যদি আপত্তি করেন, তবে জবানবন্দী ও পুনঃজবানবন্দী গ্রহণকালে আদালতের অনুমতি ব্যতীত ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা চলিবে না।
 
১৪৩ ধারার বিধান- জেরায় ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা চলিবে।
৩৬.
'ক' এর দোকানে নিযুক্ত ক্যাশিয়ার 'খ' দায়িত্বে নিয়োজিত থাকাবস্থায় ক্যাশ কাউন্টার থেকে ৩০,০০০ টাকা সরিয়ে ফেলে।এক্ষেত্রে 'খ' দণ্ডবিধির অধীন সর্বোচ্চ কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৪০৮- কেরানী বা ভৃত্য দ্বারা অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করা:
 
কোন ব্যক্তি যদি কেরানি বা ভৃত্য হয়ে অথবা বা ভৃত্য হিসেবে নিয়োজিত হয়ে অনুরূপ পদে কোন সম্পত্তির জিম্মাদার বা উহা পরিচালনের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে উহা সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
 
Section 408- Criminal breach of trust by clerk or servant:
 
Whoever, a clerk or servant or employed as a clerk or servant, and being in any manner entrusted in such capacity with property, or with any dominion over property, commits criminal breach of trust in respect of that property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৩৭.
No communication made in ______ is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.
  1. no faith
  2. good faith
  3. evil motive
  4. honest motive
ব্যাখ্যা
• Section 93- Communication made in good faith:
No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person.
 
Illustration 
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.

দণ্ডবিধির ৯৩ ধারা- বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।
 
উদাহরণ
'ক' একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। 'ক' এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রোগীটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
৩৮.
'ক', তার বন্ধু 'খ'-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, 'খ' তাকে টাকা না দিলে সে 'খ'- এর ছেলেকে আটকে রাখবে। এইভাবে 'ক','খ'-কে টাকা দিতে বাধ্য করে। 'ক' নিম্নের কোন অপরাধ করেছে?
  1. দস্যুতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:
 
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোন প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
 
উদাহরণসমূহ:
(ক) 'ক', 'গ'-কে এইরূপ ভয় দেখায় যে, 'গ' তাকে টাকা না দিলে 'ক', 'গ'- এর বিরুদ্ধে মানহানির কুৎসা রটনা করবে। এইভাবে সে তাকে টাকা দিতে 'গ'-কে বাধ্য করে। 'ক' 'বল প্রয়োগে' সম্পত্তি আদায়' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

উল্লিখিত ক্ষেত্রেও 'ক' ভয় দেখিয়ে সম্পত্তি আদায় করেছে। তাই উক্ত অপরাধ 'বলপূর্বক গ্রহণ' হিসেবে গণ্য হবে।
 
বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি:
দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারা মোতাবেক যে ব্যক্তি জোরপূর্বক গ্রহণের অপরাধ করে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
৩৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ নিবর্তনমূলক আইনের অধীন গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৩(২)
  2. অনুচ্ছেদ ৩৩(৪)
  3. অনুচ্ছেদ ৩৩(৫)
  4. উল্লিখিত সকল অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ-
 
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
 
(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।
 
(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান- সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।
 
(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্রকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।
 
(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।
 
Article 33: Safeguards as to arrest and detention-
 
(1) No person who is arrested shall be detained in custody without being informed, as soon as may be, of the grounds for such arrest, nor shall he be denied the right to consult and be defended by a legal practitioner of his choice. 
 
(2) Every person who is arrested and detained in custody shall be produced before the nearest magistrate within a period of twenty four hours of such arrest, excluding the time necessary for the journey from the place of arrest to the Court of the magistrate, and no such person shall be detained in custody beyond the said period without the authority of a magistrate. 
 
(3) Nothing in clauses (1) and (2) shall apply to any person– 
(a) who for the time being is an enemy alien; or 
(b) who is arrested or detained under any law providing for preventive detention. 
 
(4) No law providing for preventive detention shall authorise the detention of a person for a period exceeding six months unless an Advisory Board consisting of three persons, of whom two shall be persons who are, or have been, or are qualified to be appointed as, Judges of the Supreme Court and the other shall be a person who is a senior officer in the service of the Republic, has, after affording him an opportunity of being heard in person, reported before the expiration of the said period of six months that there is, in its opinion, sufficient cause for such detention. 
 
(5) When any person is detained in pursuance of an order made under any law providing for preventive detention, the authority making the order shall, as soon as may be, communicate to such person the grounds on which the order has been made, and shall afford him the earliest opportunity of making a representation against the order: 
Provided that the authority making any such order may refuse to disclose facts which such authority considers to be against the public interest to disclose.  
 
(6) Parliament may by law prescribe the procedure to be followed by an Advisory Board in an inquiry under clause (4).
৪০.
বিচার-বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার বিধান কীভাবে প্রয়োগ হবে?
  1. একচ্ছত্র ভাবে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
  2. একচ্ছত্র ভাবে সুপ্রীমকোর্টের প্রয়োগ করবে
  3. সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রয়োগ করবে
  4. রাষ্ট্রপতির সাথে পরামর্শক্রমে সুপ্রীম কোর্ট প্রয়োগ করবে
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১১৬- অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা:
বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচারবিভাগীয় দায়িত্বপালনে রত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল- নির্ধারণ, পদোন্নতিদান ও ছুটি মঞ্জুরীসহ) ও শৃংখলাবিধান রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক তাহা প্রযুক্ত হইবে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ এর মূল সংবিধানে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যস্ত ছিল।
- সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীয় মাধ্যমে এই ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির উপর অর্পণ করা হয়।
- এরপর Second Proclamation Order No. IV of 1978-এর মাধ্যমে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনরায় সংশোধন করা হয়।
- বিধান করা হয় যে, রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে অধঃস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলার ক্ষমতা প্রয়োগ করবে।
 
৪১.
কোন বিচারকের অসদাচরণ সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি কে নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারকদের পদের মেয়াদ:
 
(১) এই অনুচ্ছেদের অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে কোন বিচারক সাতষট্টি বৎসর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন।
 
(২) প্রমাণিত অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতার দ্বারা সমর্থিত সংসদের প্রস্তাবক্রমে প্রদত্ত রাষ্ট্রপতির আদেশ ব্যতীত কোন বিচারককে অপসারিত করা যাইবে না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন প্রস্তাব সম্পর্কিত পদ্ধতি এবং কোন বিচারকের অসদাচরণ বা অসামর্থ্য সম্পর্কে তদন্ত ও প্রমাণের পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করিতে পারিবেন।
 
(৪) কোন বিচারক রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

Article 96- Tenure of office of Judges:

(1) Subject to the other provisions of this article, a Judge shall hold office until he attains the age of sixty-seven years. 
 
(2) A Judge shall not be removed from his office except by an order of the President passed pursuant to a resolution of Parliament supported by a majority of not less than two-thirds of the total number of members of Parliament, on the ground of proved misbehaviour or incapacity. 

(3) Parliament may by law regulate the procedure in relation to a resolution under clause (2) and for investigation and proof of the misbehaviour or incapacity of a Judge. 

(4) A Judge may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
৪২.
সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদ অনুসারে, গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র __________ গ্রহণ করবে।
  1. শাস্তির ব্যবস্থা
  2. কার্যকর ব্যবস্থা
  3. নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
  4. অন্যতম ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা:
 
(১) জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করবে এবং বিশেষত: আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

(২) গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
 
Article 18: Public health and morality:
 
(1) The State shall regard the raising of the level of nutrition and the improvement of public health as among its primary duties, and in particular shall adopt effective measures to prevent the consumption, except for medical purposes or for such other purposes as may be prescribed by law, of alcoholic and other intoxicating drinks and of drugs which are injurious to health. 

(2) The State shall adopt effective measures to prevent prostitution and gambling.
৪৩.
The General Clauses Act, 1897 এ কোন পঞ্জিকা অনুসারে বৎসর সংজ্ঞায়িত?
  1. British
  2. Arabic
  3. Bengali
  4. Not mentioned in Act
ব্যাখ্যা
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭ এর ধারা ৩(৫৯) এর বিধান- বছর (year):
ব্রিটিশ পঞ্জিকা অনুযায়ী বর্ণিত বছরকে বুঝাবে।

The General Clauses Act, 1897 Section 3(59)-
"year" shall mean a year reckoned according to the British calendar.
৪৪.
'Power to appoint to include power to suspend or dismiss'- The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় বলা আছে?
  1. ধারা ১৩
  2. ধারা ১৬
  3. ধারা ১৭
  4. ধারা ১৮
ব্যাখ্যা
Section 16 of The General Clauses Act,1897: Power to appoint to include power to suspend or dismiss-
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to make any appointment is conferred, then unless a different intention appears, the authority having for the time being power to make the appointment shall also have power to suspend or dismiss any person appointed whether by itself of any other authority in exercise of that power.
 
ধারা ১৬: নিয়োগের ক্ষমতা সাময়িক বরখাস্ত বা বরখাস্তের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
আইনসভা কর্তৃক প্রণীত আইন বা প্রবিধান দ্বারা যদি কোন কর্তৃপক্ষকে নিয়োগের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে, ভিন্নরূপ কোন উদ্দেশ্য প্রতীয়মান না হলে, অনুরূপ কর্তৃপক্ষের উল্লেখিত ক্ষমতা প্রয়োগের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত বা বরখাস্ত করার ক্ষমতা থাকবে।
 
• জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের ১৬ ধারার প্রয়োগ প্রসঙ্গে S. Pratap Singh v State of Punjab মামলায় ভারতীয় সুপ্রীম কোর্ট বলেন যে, একজন সরকারি কর্মচারীকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার ক্ষমতা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের আছে। একই নীতি অনুসরণ করে R.P. Kapur v. Union of India মামলায় ঐ আদালত আবারও মন্তব্য করেন, কোন সরকারি কর্মচারীর বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা রুজু হলে ঐ কর্মচারীকে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার অধিকারী।
 
দেওয়ানী কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ নিয়ম মোতাবেক রিসিভার নিয়োগের ক্ষেত্রেও ১৬ ধারার বিধান প্রযোজ্য। ফলে রিসিভার নিয়োগাদেশ বাতিল করলে উহার বিরুদ্ধে ৪৩ আদেশ অনুযায়ী আপীল করা যায় না।
৪৫.
"A Judge should be sans per et sans reproche" এর অর্থ কী?
  1. একজন বিচারককে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকা উচিত।
  2. একজন বিচারককে বিচারের ক্ষেত্রে কঠিন অবস্থানে থাকা উচিত।
  3. একজন বিচারককে সকল প্রকার সন্দেহের উর্ধ্বে থাকা উচিত।
  4. একজন বিচারককে সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।
ব্যাখ্যা
Sans peur et sans reproche
- একটি French Phrase.
- যার বাংলা অর্থ হচ্ছে- Without fear and without reproach বা সকল ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা।
 
বিশিষ্ট আইনজ্ঞ Lord Denning এর মতে-
A judge should be sans peur et sans reproche. অর্থাৎ- একজন বিচারককে সকল তিরস্কার/নিন্দা/ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে থাকা উচিত।

অন্য অপশন:
ক) একটা অংশ সত্য হলেও এটি সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না।
৪৬.
মৃত বাদী বা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার দরখাস্ত কত দিনের মধ্যে দাখিল করতে হয়?
  1. মৃত্যুর তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  2. পক্ষ সংক্রান্ত অভিযোগের তারিখ হতে ৬০ দিনের মধ্যে
  3. মৃত্যুর তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
  4. পক্ষ সংক্রান্ত অভিযোগের তারিখ হতে ৯০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ- ১৭৬
 
মৃত বাদী বা আপীলকারীর আইনগত প্রতিনিধিকে পক্ষভুক্ত করার জন্য দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন দরখাস্ত;
তামাদি- ৯০ দিন;
সময় গণনা শুরু- মৃত বাদী বা আপীলকারীর মৃত্যুর তারিখ হতে।
৪৭.
'A' sells a field to 'B'. There is a right of way over the field of which 'A' has direct personal knowledge, but which he conceals from 'B'. In this case-
  1. 'A' is entitled to have the contract specifically enforced
  2. 'B' is entitled to have the contract rescinded
  3. 'B' is entitled to have the contract specifically enforced
  4. None of above
ব্যাখ্যা
• 'ক', 'খ' এর নিকট একটি মাঠ বিক্রয় করে। মাঠটির উপর দিয়ে চলাচলের অধিকার ছিল যা সম্পর্কে 'ক' এর সরাসরি ব্যক্তিগত জ্ঞান ছিল কিন্তু সে সেটা 'খ' এর নিকট হতে গোপন রেখেছিল। এই ক্ষেত্রে 'খ' সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান অনুযায়ী চুক্তিটি রদ করার অধিকারী

সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৩৫ ধারার বিধান: বিচারপূর্বক যখন রদ করা যায়-

লিখিত চুক্তিতে স্বার্থসংশ্লিষ্ট যেকোন ব্যক্তি তা রদ করার জন্য মামলা দায়ের করতে পারে এবং আদালত নিম্নোক্ত যেকোন ক্ষেত্রে বিচারপূর্বক চুক্তি রদ করতে পারেন:
 
(ক) যেখানে চুক্তি বাতিলযোগ্য অথবা বাদী কর্তৃক সমাপনীয়; 
(খ) যেখানে আপাতত দৃশ্যমান নয় এমন কারণে চুক্তি অবৈধ এবং বাদীর চেয়ে প্রতিবাদীকেই দোষী করা যায় বেশি;
(গ) যেখানে একটি বিক্রয়চুক্তি বা একটি ইজারা গ্রহণের চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিক্রি প্রদান করা হয়েছে এবং ক্রেতা ইজারাদার ক্রয়মূল্য বা অপরাপর অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হয়েছে।
 
যখন ক্রেতা বা ইজারাদার বিষয়বস্তুর দখলকারী থাকে এবং আদালত তেমন দখল অন্যায় মনে করেন সেখানে আদালত তাকে তেমন দখলকারী হিসাবে কোন লাভ বা ভাড়া পেয়ে থাকলে তা বিক্রেতা বা ইজারাদাতাকে প্রদানের নির্দেশ প্রদান করতে পারেন।
 
একই ক্ষেত্রে, আদালত সে মামলায়ই আদেশ কর্তৃক যাতে ডিক্রি প্রদান করা হয়েছিল, কিন্তু তদমোতাবেক কাজ করা হয়নি, হয় কর্তব্য অবহেলাকারী পক্ষের বেলায় বা অসম্পূর্ণ চুক্তিই মামলার ন্যায়বিচারের আবশ্যকতা মোতাবেক রদ করে দিতে পারেন।
 
Section 35- When rescission may be adjudged:
Any person interested in a contract in writing may sue to have it rescinded, and such rescission may be adjudged by the Court in any of the following cases, namely:- 
(a) where the contract is viodable or terminable by the plaintiff; 
(b) where the contract is unlawful for causes not apparent on its face, and the defendant is more to blame than the plaintiff; 
(c) where a decree for specific performance of a contract of sale, or of a contract to take a lease, has been made, and the purchaser or lessee makes default in payment of the purchase-money or other sums which the Court has ordered him to pay. 
 
When the purchaser or lessee is in possession of the subject-matter, and the Court finds that such possession is wrongful, the Court may also order him to pay to the vendor or lessor the rents and profits, if any, received by him as such possessor. 
 
In the same case, the Court may, by order in the suit in which the decree has been made and not complied with, rescind the contract, either so far as regards the party in default, or altogether as the justice of the case may require. 
 
Illustrations 
to (a)- 
A sells a field to B. There is a right of way over the field of which A has direct personal knowledge, but which he conceals from B. B is entitled to have the contract rescinded.
৪৮.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারায় কোন ধরনের ব্যক্তিদের নিয়ে বিধান রয়েছে?
  1. যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায়
  2. যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না
  3. যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায়
  4. যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৭ ধারা- যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• এই ধারার বিধান অনুযায়ী- যদি এই অধ্যায়ে অন্যভাবে বিধিবদ্ধ না থাকে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন কার্যকরী করা যেতে পারেঃ

(ক) যেকোন পক্ষের বিরুদ্ধে;
 
(খ) চুক্তির পরবর্তী সময়ে উদ্ভূত স্বত্ব দ্বারা তার অধীনে দাবিরত যেকোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যদি না সে মূল্যের বিনিময়ে এমন একজন হস্তান্তরগ্রহীতা হয়, যে সরল বিশ্বাসে মূল চুক্তি সম্পর্কে অনবহিত থেকে তার অর্থ প্রদান করেছে;
 
(গ) এমন স্বত্বের অধীন দাবিদার ব্যক্তির বিরুদ্ধে, যা যদিও চুক্তির পূর্ববর্তী ছিল এবং বাদীর জানা ছিল, তবুও তা প্রতিবাদী স্থানচ্যুত করে থাকবে;
 
(ঘ) যখন পাবলিক কোম্পানি চুক্তিবদ্ধ হয় এবং তার পর পরই তা অন্য পাবলিক কোম্পানির সথে একত্রিত হয়, তখন একত্রিত হওয়ার ফলে উদ্ভূত নূতন কোম্পানির বিরুদ্ধে;
 
(ঙ) যখন পাবলিক কোম্পানির উদ্যোক্তা ব্যক্তিরা, কোম্পানি গঠিত হওয়ার পূর্বেই চুক্তি করে, তখন কোম্পানির বিরুদ্ধে; যদি কোম্পানি চুক্তি অনুমোদন ও গ্রহণ করিয়া থাকে এবং কোম্পানি গঠনের শর্ত দ্বারা চুক্তি সমর্থিত হয়ে থাকে।

অন্যদিকে, 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৩ ধারা- যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় সে সম্পর্কে বলা হয়েছে,
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৪ ধারা- যাদের অনুকূলে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে,
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৮ ধারা- যাদের বিরুদ্ধে চুক্তি সম্পাদন করা যায় না সে সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
Section 27 of The Specific Relief Act- Relief against parties and persons claiming under them by subsequent title-

Except as otherwise provided by this Chapter, specific performance of a contract may be enforced against- 
(a) either party thereto; 

(b) any other person claiming under him by a title arising subsequently to the contract, except a transferee for value who has paid his money in good faith and without notice of the original contract;

(c) any person claiming under a title which, though prior to the contract and known to the plaintiff, might have been displaced by the defendant; 

(d) when a public company has entered into a contract and subsequently becomes amalgamated with another public company, the new company which arises out of the amalgamation; 

(e) when the promoters of a public company have, before its incorporation, entered into a contract, the company: provided that the company has ratified and adopted the contract and the contract is warranted by the terms of the incorporation. 
৪৯.
কোনটি মধ্যবর্তী মুনাফা (mesne profit) হিসাবে গণ্য হবে?
  1. 'চ' নিজের জমিতে বাড়ি তৈরি করে ভাড়া দিলে
  2. 'চ', 'ছ' এর সম্পত্তি অবৈধ দখল করে সেখানে বাড়ি বানিয়ে ভাড়া দিলে
  3. 'চ', 'ছ' এর সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখল করে তা হতে লাভ পেলে
  4. খ এবং গ
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে অপশন 'গ' সকল শর্ত পূরণ করে বিধায় তা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে।
 
• ধারা ২(১২) অনুসারে,
বেআইনীভাবে দখলকৃত সম্পত্তিতে স্বাভাবিক নিয়মে যে লাভ তৈরি হয় বা বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি সাধারণ বুদ্ধিমত্তায় যে লাভ করতে পারতো, সুদসহ উক্ত মুনাফা কে মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে।
 
• ব্যতিক্রমঃ
বেআইনীভাবে দখলদার ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির কোন উন্নয়ন করলে এবং সেই উন্নয়নের ফলে কোন মুনাফা হলে, উক্ত মুনাফা মধ্যবর্তী মুনাফা (Mesne Profits) বলে গণ্য হবে না।

উক্ত ব্যতিক্রমের কারণে অপশন (খ) উত্তর হবে না, কারণ অবৈধ দখল করলেও তিনি বাড়ি বানিয়ে অর্থাৎ সম্পত্তির উন্নয়ন করে উক্ত মুনাফা লাভ করেছেন। তাই তা মধ্যবর্তী মুনাফা বলে গণ্য হবে না।

Section 2(12)-
"mesne profits" of property means those profits which the person in wrongful possession of such property actually received or might with ordinary diligence have received therefrom, together with interest on such profits but shall not include profits due to improvements made by the person in wrongful possession:
৫০.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় আদালত সাক্ষীকে কমিশন প্রেরণ করার আদেশ প্রদান করতে পারে-
  1. স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে
  2. কোন পক্ষের আবেদনক্রমে
  3. সাক্ষীর আবেদনক্রমে
  4. ক বা খ বা গ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২৬ বিধি-২: কমিশনের জন্য আদেশ:

আদালত স্বেচ্ছা প্রণোদিত হয়ে বা মোকদ্দমার কোন পক্ষের বা যাহার সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে সে সাক্ষীর শপথপত্র সমর্থিত বা অন্যভাবে কোন আবেদনক্রমে আদালত কোন সাক্ষীকে কমিশন প্রেরণ করার আদেশ প্রদান করতে পারেন।
 
Order-26 Rule-2- Order for commission: 
An order for the issue of a commission for the examination of a witness may be made by the Court either of its own motion or on the application, supported by affidavit or otherwise, of any party to the suit or of the witness to be examined.
৫১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশে 'Reference' সংক্রান্ত বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৪৫
  2. আদেশ ৪৬
  3. আদেশ ৪৭
  4. আদেশ ৪৮
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৬ নং আদেশে রেফারেন্স সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে, যা নিম্নরূপ-

৪৬ নং আদেশের ১ নং বিধি অনুযায়ী-
আপিল-অযোগ্য ডিক্রির মামলার বিচার পর্যায়ে বা আপিলে অথবা উক্ত ডিক্রি জারি করার সময়, আইন বা আইনের ন্যায় বলবৎ কোন রীতি সম্পর্কিত প্রশ্নের সৃষ্টি হলে, উক্ত মামলার বিচারকারী আদালত বা আপিল আদালত অথবা ডিক্রি জারিকারক আদালত, স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনক্রমে মামলাটি হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্তের জন্য হাইকোর্টে প্রেরণ করতে পারে।
 
- রেফারেন্স প্রেরণকারী আদালত রেফারেন্স প্রেরণ করা সত্ত্বেও মামলার কার্যক্রমে অগ্রসর হতে পারে কিংবা কার্যক্রম স্থগিত রাখতে পারে এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রেরিত সিদ্ধান্তের আলোকে ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করতে পারেন।
 
৪৬ নং আদেশের ৫ নং বিধি অনুযায়ী-
অধীনস্ত যে আদালত হাইকোর্টে রেফারেন্সের জন্য কোন বিষয় পাঠাবে, সেই বিষয়ে উক্ত আদালত কর্তৃক দেওয়া ডিক্রি/আদেশ হাইকোর্ট বিভাগ পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারবে অথবা যে কোন উপযুক্ত আদেশ প্রদান করতে পারে।

অর্থাৎ Reference কোর্ট হিসেবে হাইকোর্ট তার অধস্তন আদালতের রায় বা ডিক্রি পরিবর্তন করতে পারে।
 
৪৬ নং আদেশের ৬ নং বিধিতে ক্ষুদ্র বিষয়ক এখতিয়ার সম্পর্কিত প্রশ্ন হাইকোর্ট বিভাগে প্রেরণ করার বিধান রয়েছে। ৬নং বিধি অনুযায়ী-
যেক্ষেত্রে মামলা ক্ষুদ্র বিষয়ক আদালতে বিচারার্থে গ্রহণযোগ্য বা অগ্রহণযোগ্য কিনা সে বিষয়ে সন্দেহ থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত আদালত মামলার প্রকৃতি সম্পর্কে উক্ত সন্দেহের কারণ সম্বলিত একটি বিবৃতিসহ হাইকোর্ট বিভাগে একটি নথি দাখিল করতে পারে।
৫২.
'মোকদ্দমায় বিচারকের কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকলে, এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও উক্ত বিচারক ঐ মামলার শুনানী করতে পারবেন না।'- কোথায় উল্লেখ আছে?
  1. দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ এর ৩৬ ধারায়
  2. Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারায়
  3. দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৯ ধারায়
  4. Civil Courts Act,1887 এর ৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
Civil Courts Act,1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-

কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
 
• Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
 
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try Judges not to any suit or other proceeding to which he is a party or in which which they are he is personally interested. 
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.
৫৩.
অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ এর অধীন কখন মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়?
  1. লিখিত জবাব দাখিলের পর
  2. রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে
  3. আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে
  4. উল্লিখিত যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• অর্থ ঋণ আদালত,২০০৩ আইনে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির মাধ্যমে অর্থ ঋণ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির ২টি পদ্ধতি আলোচনা করা হয়েছে। যথা
১. মধ্যস্থতার মাধ্যমে;
২. আপোষ নিষ্পত্তির মাধ্যমে।
 
• ধারা ২২ থেকে ২৫ এবং ৩৮, এবং ৪৪ক ধারায় মধ্যস্থতা সম্পর্কিত বিধান করা হয়েছে। অন্যদিকে, আপোষ নিষ্পত্তির বিষয়টি ৪৫ ধারায় উল্লেখ আছে।

অর্থ ঋণ মামলার ক্ষেত্রে ২২ ধারা অনুসারে- লিখিত জবাব দাখিলের পর মধ্যস্থতার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করা যায়। এই পর্যায়ে মধ্যস্থতা ব্যর্থ হলে ২৩ ধারার অধীন রায় বা আদেশ প্রদানের পূর্বে পুনরায় বিকল্প পদ্ধতিতে মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে।

আবার, ৩৮ ধারা অনুসারে- জারীর পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে জারী মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়।

অন্যদিকে, ৪৪ক ধারায়- আপীল বা রিভিশনের পর্যায়ে মধ্যস্থতার মাধ্যমে আপীল বা রিভিশন মামলার বিষয়বস্তু নিষ্পত্তি করা যায়। 
৫৪.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারায় কয় ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ১ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ২ ধরণের
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী দুই ধরনের আদালতকে ডিক্রি জারির ক্ষমতা দেয়া হয়েছে-
১। যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে, সেই আদালত;
২। যে আদালতে ডিক্রি জারি করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালত।
 
Section 38- Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
৫৫.
এক ব্যক্তি ফেসবুকে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে এক বিভ্রান্তিকর তথ্য পোস্ট করে। এক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি সর্বোচ্চ কত বছরের কারাদণ্ড পেতে পারে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১৪ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারা- মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি ও কুৎসামূলক প্রচারণা চালান বা উহাতে মদদ প্রদান করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ৫ (পাঁচ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

উল্লেখ্য, 
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২১ ধারার বিধান মতে উল্লিখিত অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ১০ বৎসর ছিলো। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ কে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ দ্বারা রহিত করা হয়েছে। অর্থাৎ বর্তমানের সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ২১ ধারার বিধান মতে সর্বোচ্চ কারাদণ্ড ৫ বৎসর।
৫৬.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০ এর অধীন “বিচারপ্রার্থী” বলতে বোঝাবে-
  1. দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
  2. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
  3. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার প্রকৃত বাদী, বিবাদী
  4. দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী
ব্যাখ্যা
• আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-

ধারা ২(ছ) “বিচারপ্রার্থী” অর্থ-
কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত [দেওয়ানী, পারিবারিক বা ফৌজদারী মামলার] সম্ভাব্য বা প্রকৃত বাদী, বিবাদী, ফরিয়াদী বা আসামী।
৫৭.
'Control Delivery' বলতে বোঝায় ____________ ব্যক্তিদের সনাক্ত করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল।
  1. মানব পাচার অপরাধ সংঘটনে জড়িত
  2. মানিলন্ডারিং আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটনে জড়িত
  3. বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন কোনো অপরাধ সংঘটনে জড়িত
  4. মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত
ব্যাখ্যা
• ‘নিয়ন্ত্রিত বিলি' বিধানটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ আইনে উল্লেখ রয়েছে।
 
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন,২০১৮ এর ২(১৫) ধারায় উল্লেখ আছে-
 
‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়।
৫৮.
সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩ এর ৩৬ ধারায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল কয় ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে?
  1. তিন ধরণের
  2. দুই ধরণের
  3. চার ধরণের
  4. পাঁচ ধরণের
ব্যাখ্যা
• সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩ এর ৩৬ ধারায় সাইবার ট্রাইব্যুনাল ৩ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে, অপরাধী কর্তৃক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার আদেশ দিতে পারে:

১) ডিজিটাল জালিয়াতি;
২) ডিজিটাল প্রতারণা;
৩) পরিচয় প্রতারণা।
 
• ধারা ৩৬- ক্ষতিপূরণের আদেশ দানের ক্ষমতা-
 
কোনো ব্যক্তি ধারা ২২ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক জালিয়াতি, ধারা ২৩ এর অধীন ডিজিটাল বা ইলেকট্রনিক প্রতারণা বা ধারা ২৪ এর অধীন পরিচয় প্রতারণা বা ছদ্মবেশ ধারণের মাধ্যমে অপর কোনো ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে, ট্রাইব্যুনাল, সৃষ্ট ক্ষতির সমতুল্য অর্থ বা তদ্বিবেচনায় উপযুক্ত পরিমাণ অর্থ ক্ষতিপূরণ হিসাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে প্রদানের জন্য আদেশ দিতে পারিবে।
৫৯.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধে ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে আদালত নিম্নোক্ত কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. উক্ত যন্ত্রপাতি ধ্বংস করার
  2. বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দেয়ার
  3. রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির
  4. খ বা গ
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২
 
ধারা ৭- অপরাধ সংঘটনে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি, অস্ত্র, ইত্যাদি
 
আদালত উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, কোন অপরাধ সংঘটনের জন্য ব্যবহৃত কোন যন্ত্রপাতি, অস্ত্র বা যানবাহন, এবং উক্ত অপরাধের দ্বারা সংগৃহীত অর্থ, মালামাল বা সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তির বা উহার বৈধ মালিক বা দখলদারের নিকট ফেরত দিবার আদেশ দিতে পারিবে।
৬০.
শিশু আইনে বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি কখন প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করা যায়?
  1. শিশুকে গ্রেফতারের আগে
  2. সাক্ষ্য গ্রহণের পূর্বে
  3. সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে
  4. বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪৮- বিকল্প পন্থা (diversion)
 
(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশুকে গ্রেফতার বা আটকের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রমের পরিবর্তে, শিশুর পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, আর্থিক, নৃতাত্ত্বিক, মনস্তাত্ত্বিক ও শিক্ষাগত পটভূমি বিবেচনাপূর্বক, বিরোধীয় বিষয় মীমাংসাসহ তাহার সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকল্পে বিকল্প পন্থা (diversion) গ্রহণ করা যাইবে। 
 
(২) ফৌজদারি কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশুর গ্রেফতারের পর হইতে বিচার কার্যক্রমের যেকোন পর্যায়ে, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালত আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়ার পরিবর্তে বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত বিকল্প পন্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি প্রবেশন কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিতে পারিবে। 
 
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিকল্প পন্থা গ্রহণ করা হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার শর্ত প্রতিপালন করিতেছে কি না প্রবেশন কর্মকর্তা তাহা লক্ষ্য রাখিবেন এবং বিষয়টি, সময় সময়, শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৪) শিশু, তাহার মাতা-পিতা এবং তাহাদের উভয়ের অবর্তমানে তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবক বা কর্তৃপক্ষ অথবা আইনানুগ বা বৈধ অভিভাবক বা, ক্ষেত্রমত, বর্ধিত পরিবারের সদস্য বিকল্প পন্থার কোন শর্ত ভঙ্গ করিলে প্রবেশন কর্মকর্তা বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে লিখিত আকারে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তা বা, ক্ষেত্রমত, শিশু-আদালতকে অবহিত করিবেন। 
 
(৫) বিকল্প পন্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি বিধি দ্বারা নির্ধারিত হইবে। 
 
(৬) এই ধারার উদ্দেশ্য পূরণকল্পে অধিদপ্তর বিকল্প পন্থা বাস্তবায়নের জন্য যথাযথ যুগোপযোগী ও বাস্তবায়নযোগ্য কার্যক্রম গ্রহণ করিতে পারিবে।
৬১.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর কত ধারায় দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যাবলী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৯ ধারায়
  2. ২১ ধারায়
  3. ১৭ ধারায়
  4. ২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
• দেশে দুর্নীতি এবং দুর্নীতিমূলক কার্য প্রতিরোধের লক্ষ্যে দুর্নীতি এবং অন্যান্য সুনির্দিষ্ট অপরাধের অনুসন্ধান এবং তদন্ত পরিচালনার জন্য একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধানকল্পে প্রণীত আইন হচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪।
 
ধারা ১৭- কমিশনের কার্যাবলী:
 
কমিশন নিম্নবর্ণিত সকল বা যে কোন কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:- 
 
(ক) তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহের অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা; 
(খ) অনুচ্ছেদ (ক) এর অধীন অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনার ভিত্তিতে এই আইনের অধীন মামলা দায়ের ও পরিচালনা; 
(গ) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগ স্বউদ্যোগে বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের ভিত্তিতে অনুসন্ধান; 
(ঘ) দুর্নীতি দমন বিষয়ে আইন দ্বারা কমিশনকে অর্পিত যে কোন দায়িত্ব পালন করা; 
 
(ঙ) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য কোন আইনের অধীন স্বীকৃত ব্যবস্থাদি পর্যালোচনা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(চ) দুর্নীতি প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা পরিকল্পনা তৈরী করা এবং গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে করণীয় সম্পর্কে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ছ) দুর্নীতি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সততা ও নিষ্ঠাবোধ সৃষ্টি করা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে গণসচেতনতা গড়িয়া তোলার ব্যবস্থা করা;
(জ) কমিশনের কার্যাবলী বা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে এমন সকল বিষয়ের উপর সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কর্মশালা ইত্যাদি অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা; 
 
(ঝ) আর্থ-সামাজিক অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রকার দুর্নীতির উৎস চিহ্নিত করা এবং তদ্‌নুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ পেশ করা; 
(ঞ) দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত, মামলা দায়ের এবং উক্তরূপ অনুসন্ধান, তদন্ত ও মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কমিশনের অনুমোদন পদ্ধতি নির্ধারণ করা; এবং 
(ট) দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচিত অন্য যে কোন কার্য সম্পাদন করা৷
৬২.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১০ ধারায় আটককৃত ব্যক্তির আটকের কারণ কার নিকট পেশ করার বিধান রয়েছে?
  1. সরকারের
  2. হাইকোর্ট বিভাগের
  3. উপদেষ্টা বোর্ডের
  4. খ ও গ
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৯ ধারায় সরকার উপদেষ্টা বোর্ড গঠন করতে পারে। উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য সংখ্যা হবে ৩ জন। ২ জন এমন ব্যক্তি হবে যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিল বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এবং অপর ব্যক্তি হবে বাংলাদেশ সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা। যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি ছিলেন বা আছেন বা তিনি বিচারপতি নিযুক্ত হওয়ার যোগ্য এমন ব্যক্তিকে সরকার উক্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করবেন।
 
ধারা ১০ অনুযায়ী,
আটকের তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে সরকার আটকের কারণ উপদেষ্টা বোর্ডের নিকট পেশ করবে। ক্ষতিকর কার্য হতে বিরত রাখতে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীন সরকার কোন ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১২০ দিন আটক রাখতে পারে। ১২০ দিনের অতিরিক্ত আটক রাখতে হলে উপদেষ্টা বোর্ডের মতামত অনুযায়ী রাখতে হবে। আটকের তারিখ হতে ১৭০ দিনের মধ্যে উপদেষ্টা বোর্ড ইহার রিপোর্ট সরকারের নিকট দাখিল করবে।