পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়29 minutes
মোট প্রশ্ন৪৩
সিলেবাস
রিভিশন পরীক্ষা [টপিক: বিগত তিনটি পরীক্ষার উপর রিভিশন পরীক্ষা] ---------------------------- নির্দেশনা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৩ প্রশ্ন

.
‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ’ গ্রন্থটি কোন স্থানে মুদ্রিত হয়েছে?
  1. রোমে
  2. ভাওয়ালে
  3. লিসবনে
  4. কলকাতায়
সঠিক উত্তর:
লিসবনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিসবনে
ব্যাখ্যা
• ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ’ গ্রন্থ:
• রোমান ক্যাথলিক পর্তুগিজ পাদরি মানোএল দা আসসুম্পসাঁও কর্তৃক ১৭৩৪ সালে রচিত এবং ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের লিসবন শহরের রোমান হরফে মুদ্রিত ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ’ গ্রন্থটি  বাংলা গদ্যের প্রাথমিক প্রচেষ্টার নিদর্শন হিসেবে উল্লেখযোগ্য।

• গ্রন্থটি ঢাকার ভাওয়াল অঞ্চলের নাগরী নামক স্থানে লিখিত। এই গ্রন্থের বাঁ দিকের পৃষ্ঠায় বাংলা ভাষায় এবং ডান দিকের পৃষ্ঠায় পর্তুগিজভাষায় গুরু ও শিষ্যের কথোপকথনের মাধ্যমে খ্রিষ্টধর্মের মহিমা এবং খ্রিষ্টানদের আচার-অনুষ্ঠানের কথা আলোচিত হয়েছে।

• মূল পর্তুগিজ অংশ মানোএল দা আসসুম্পসাঁও-এর লেখা; তিনি সম্ভবত কোন দেশীয় খ্রিষ্টান দ্বারা বাংলা ভাষায় অনুবাদ করিয়েছিলেন। গ্রন্থাকার ঢাকার ভাওয়াল অঞ্চলের পাদরি হিসেবে ধর্মপ্রচারে রত ছিলেন এবং সে অঞ্চলে থাকাকালীন গ্রন্থটি রচিত বলে তাতে স্থানীয় উপভাষার প্রভাব আছে।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
রামনারায়ণ তর্করত্ন রচিত নাটক কোনটি?
  1. ভদ্রার্জুন
  2. কীর্তিবিলাস
  3. কৃষ্ণকুমারী
  4. কুলীনকুলসর্বস্ব
সঠিক উত্তর:
কুলীনকুলসর্বস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুলীনকুলসর্বস্ব
ব্যাখ্যা
 ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ নাটক:
- নাট্যকার হিসেবে রামনারায়ণ তর্করত্ন প্রভূত খ্যাতিলাভের পশ্চাতে রয়েছে তাঁর সামাজিক নাটক ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ (১৮৫৪) সালে অভিনয় সাফল্য লাভ করে।
- তাঁর ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ নাটক তৎকালীন নাট্যসাহিত্যে প্রবল আলোড়ন সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।
- সমকালীন সমাজব্যবস্থার কুসংস্কারাচ্ছন্ন দিকগুলো নাটকে রূপায়িত করতে গিয়ে আঙ্গিকগত দিক থেকে তাঁর চূড়ান্ত সার্থকতা লাভ করা সম্ভব হয় নি।
- ‘কুলীনকুলসর্বস্ব’ নাটক রচনার জন্য রামনারায়ণ রংপুরের জমিদার কালীচন্দ্র রায়চৌধুরী ঘোষিত পঞ্চাশ টাকা পুরস্কার লাভ করেন।
- এই নাটকের মাধ্যমে দর্শকদের প্রবলভাবে মাতিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল। সে কারণে তিনি ‘নাটুকে নারায়ণ’ নামে খ্যাতি লাভ করেছিল।

• সংস্কৃতে সুপণ্ডিত রামনারায়ণ তর্করত্ন সংস্কৃত থেকে কতিপয় নাটক বাংলায় অনুবাদ করেন:
- শকুন্তলা,
- মালতীমাধব,
- রত্নাবলী।

অন্যদিকে,
• ১৮৫২ সালে যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্তের ‘কীর্তিবিলাস’ এবং তারাচরণ শিকদারের ‘ভদ্রার্জুন’ নামক দুটি মৌলিক নাটক প্রকাশিত হয়। ‘কীর্তিবিলাস’ হচ্ছে বিয়োগান্ত নাটক রচনার প্রথম প্রচেষ্টা। আর ‘ভদ্রার্জুন’ ইংরেজি ও সংস্কৃতের যুক্ত আদর্শে রচিত প্রথম মৌলিক মধুরান্তিক বাংলা নাটক।

• মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত নাটক কৃষ্ণকুমারী। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
‘বিদ্যাসুন্দর' নামে অভিহিত মঙ্গলকাব্য কোনটি?
  1. মনসামঙ্গল
  2. অন্নদামঙ্গল
  3. চণ্ডীমঙ্গল
  4. ধর্মমঙ্গল
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা
• ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য:
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করলেও তাঁর শ্রেষ্টসৃষ্টি ‘অন্নদামঙ্গল' (১৭৫২-৫৩ সালে) রচনা করেন ও এই কাব্যের দ্বিতীয়ংশ ‘বিদ্যাসুন্দর'।
- ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের বৈশিষ্ট্য হলো ছন্দ ও অলঙ্কারের সুদক্ষ প্রয়োগ।
- সমালোচক অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে: ‘অন্নদামঙ্গলকাব্য অষ্টদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের অন্যতম।
- এই কাব্যের প্রধান চরিত্র: মানসিংহ, ভবানন্দ, বিদ্যাসুন্দর, মালিনী, ঈশ্বরী পাটনী ইত্যাদি।

অন্নদামঙ্গল কাব্যের কিছু বিখ্যাত পঙ্‌ক্তি হলো:
- আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।
- মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন।
- হাভাতে যদ্যপি চায় সাগর শুকায়ে যায়।
- নগর পুড়িলে দেবালয় কি এড়ায়?
- না রবে প্রাসাদগুণ না হবে রসাল, অতএব কহি ভাষা যাবনী মিশাল।
- বড়র পিরীতি বালির বাঁধ! ক্ষণে হাতে দড়ি, ক্ষনেকে চাঁদ।

অন্যদিকে,
• কানা হরিদত্ত মনসামঙ্গলের আদি কবি। মনসামঙ্গল কাব্য পদ্মপুরাণ নামেও পরিচিত।
• চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের অপর নাম অভয়ামঙ্গল। 
• ধর্মমঙ্গল কাব্য ধর্ম ঠাকুরের কাহিনি অবলম্বনে রচিত। 

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলা সাহিত্যে গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ সৃষ্টি করেন কে?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  4. চণ্ডীচরণ মুন্শী
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
- বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত’ সৃষ্টি করেন।
- তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন।
- বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের ‘প্রথম শিল্পী’ বলে অভিহিত করেছেন।

বিদ্যাসাগরের কয়েকটি বিখ্যাত গদ্যগ্রন্থের নাম হলো:
• 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (হিন্দি বৈতালপৈচ্চিসির বঙ্গানুবাদ ১৮৪৭)।
• 'শকুন্তলা' (কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলম নাটকের উপাখ্যান ভাগের বঙ্গানুবাদ, ১৮৫৪)।
• 'সীতার বনবাস’ (ভবভূতির উত্তররাম চরিত নাটকের প্রথম অঙ্কের ও রামায়ণের উত্তর কাণ্ডের বঙ্গানুবাদ, ১৮৬০)।
• ‘ভ্রান্তিবিলাস' (শেক্সপিয়ারের Comedy of Errors-এর বঙ্গানুবাদ, ১৮৬৯)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
.
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৈমনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ১৯২০ সালে
  2. ১৯২২ সালে
  3. ১৯২৩ সালে
  4. ১৯২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৩ সালে
ব্যাখ্যা
মৈমনসিংহ গীতিকা:
• ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রচলিত গানগুলোকে একত্রে মৈমনসিংহ গীতিকা বলা হয়।
• কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. দীনেশচন্দ্র সেনের আগ্রহে মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। চন্দ্রকুমার দে ছিলেন ময়মনসিংহ নিবাসী।
• দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৈমনসিংহ গীতিকা প্রকাশিত হয়।
• মৈমনসিংহ গীতিকা বিশ্বের ২৩টি ভাষায় মুদ্রিত হয়।

• মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা ও রূপকথা স্থান পেয়েছে। যথা :
- মহুয়া,
- মলুয়া,
- চন্দ্রাবতী,
- কমলা,
- দেওয়ান ভাবনা,
- দস্যু কেনারামের পালা,
- রূপবতী,
- কঙ্ক ও লীলা,
- কাজলরেখা (রূপকথা) ও
- দেওয়ান মদিনা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
‘লালসালু’ উপন্যাসের বিদ্রোহিণী ও প্রতিবাদের প্রতীক নারী চরিত্র কোনটি?
  1. জমিলা
  2. রহিমা
  3. মালা
  4. আমেনা
সঠিক উত্তর:
জমিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমিলা
ব্যাখ্যা
• ‘লালসালু’ উপন্যাস:
• ‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস। ১৯৪৮ সালে কলকাতা থেকে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
• এই উপন্যাসে একদিকে যেমন বাংলার গ্রামজীবনের বাস্তব প্রকৃতি ধরা পড়েছে তার সৌন্দর্য, মাধুর্য ও কঠোরতা নিয়ে; তেমনই রূপায়িত হয়েছে অসংখ্য গ্রামীণ মানুষের জীবন।
• নোয়াখালি অঞ্চল থেকে মজিদ নামের একটি কূটচরিত্র গারোপাহাড়ি অঞ্চলে গিয়ে সেই এলাকার মানুষকে ধর্মের নামে কীভাবে শোষণ করে, সেই বাস্তব চিত্র আছে উপন্যাসটিতে।
• ধর্ম ব্যবসায়ী মজিদ অর্থ ও প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে অল্পবয়সী দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রহণ করে। সে গ্রামের মোড়লদেরও প্রভাবিত করে। পাশের গ্রামে অন্য পিরের আগমন হলে, নিজের দাপট খর্ব হবে বিবেচনায়, তাকে মারধর দিয়ে উচ্ছেদ করে।
• তবে স্বল্পবয়সী স্ত্রী জমিলা কর্তৃক মজিদ লাঞ্ছিত হয়। উপন্যাসে জমিলা বিদ্রোহিণী, প্রতিবাদের প্রতীক।
• 'লালসালু'র একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
• ঔপন্যাসিক ধর্মব্যবসায়ীদের উপলক্ষ করে লিখেছেন: 'খোদার এলেমে বুক ভরে না তলায় পেট শূন্য বলে।'
• উপন্যাসটি 'Tree Without Roots' নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে (১৯৬৭) খ্যাতি অর্জন করে।
• ওয়ালীউল্লাহর পত্নী অ্যান মেরির ‘লালসালু'র ফরাসি অনুবাদের নাম- ল্য অরবরে সামস মায়েমে (১৯৬১)।

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মজিদ,
- খালেক ব্যাপারি,
- জমিলা,
- রহিমা,
- আমেনা,
- আক্কাস,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা।

-----------------------
• সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- তিন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ‘ভোরের আলো’ নামে হাতে লেখ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।
- দি আগলি এশিয়ান।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'দুঃখবর্ণনার কবি' বলা হয় কাকে?
  1. গোবিন্দদাস
  2. ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
  3. জ্ঞানদাস
  4. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• মুকুন্দরাম চক্রবর্তী:
- মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে 'দুঃখবর্ণনার কবি' হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়।
- মুকুন্দরাম চক্রবর্তী চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের রচয়িতা।
- মেদিনীপুরের রাজা রঘুনাথ রায়ের অনুরধে তিনি এই কাব্য লেখেন। 
- রাজা রঘুনাথ রায় মুকুন্দরাম চক্রবর্তীকে 'কবিকঙ্কণ' উপাধি দেন। 
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মানব রসের তিনিই প্রথম এবং একমাত্র স্রষ্টা।

অন্যদিকে,
• শ্রীজীব গোস্বামী গোবিন্দদাসকে ‘কবিরাজ’ উপাধি দেন। জীব গোস্বামী গোবিন্দদাসকে ‘কবীন্দ্র’ উপাধিও প্রদান করেন।
• মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর। 

• জ্ঞানদাস চৈতন্যোত্তর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি। পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার কাটোয়ার কাঁদড়া গ্রামে এক মঙ্গল-ব্রাহ্মণ বংশে তাঁর জন্ম। এজন্য তিনি মঙ্গল ঠাকুর, শ্রীমঙ্গল, মদন-মঙ্গল প্রভৃতি নামেও পরিচিত ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
The cat purred softly. Here 'purred' is -
  1. Phrasal verb
  2. Transitive verb
  3. Intransitive verb
  4. Causative verb
সঠিক উত্তর:
Intransitive verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Intransitive verb
ব্যাখ্যা
• The cat purred softly.
- Here 'purred' is an intransitive verb.
- বাক্যে verb (purred) এবং এর object নেই তাই এটি Intransitive verb.

• Intransitive Verb:
- যেসব ক্রিয়ার কোনো object বা কর্ম থাকে না, সেগুলোকে Intransitive Verb বলা হয়।
- সাধারণত Intransitive Verb-এর পরে adverb বা preposition ব্যবহৃত হয়।
- বাক্যে ব্যবহৃত ক্রিয়ার কাছে "কী (what)" বা "কাকে (whom)" দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি কোনো উত্তর না পাওয়া যায়, তবে তা সাধারণত Intransitive Verb।
- উল্লেখযোগ্যভাবে, Intransitive Verb-এর ক্ষেত্রে "কখন (when)" বা "কোথায় (where)" দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়।
- Intransitive Verb-এর সাধারণ গঠন: subject + verb।

Intransitive Verb যুক্ত কিছু উদাহরণ বাক্য:
- He slept peacefully through the night.
- সে রাতে শান্তভাবে ঘুমিয়েছিল।
.
Is she passionate about painting landscapes? The underlined word is-
  1. Infinitive
  2. Gerund
  3. Participle
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা
• Is she passionate about painting landscapes?
- The underlined word is- Gerund.

• Gerund:
- Verb এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun এর কাজ করে অর্থাৎ Verb ও noun এর কাজ করে, তাহলে তাকে Gerund বলে।
- সংক্ষেপে: Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun.
- It is a word ending in "-ing" that is made from a verb and used like a noun:
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.
- একটি বাক্যের বিভিন্ন স্থানে gerund বসতে পারে।

Functions of the Gerund: 
কোন বাক্যে Gerund ব্যবহৃত হয়: 
1. As subject: Rising early is a good habit. 
2. As object: I like playing Badminton.
3. As object of preposition: He is fond of cooking beef. 
4. As complement of verb: Working is earning.

• প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে,
- Verb এর complement রূপে বসায় teaching হচ্ছে gerund. 
- Verb+ing – Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে এটা Gerund হয়।
১০.
He dreamed a vivid dream last night.
Here the word 'dreamed' is a -
  1. Cognate Verb
  2. Causative Verb
  3. Copulative Verb
  4. Factitive Verb
সঠিক উত্তর:
Cognate Verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cognate Verb
ব্যাখ্যা
• He dreamed a vivid dream last night.
- Here the word 'dreamed' is a - Cognate Verb.

• Cognate Verb: 
- বাক্যের verb বা ক্রিয়াপদ এবং কর্ম (object) যখন একই Intransitive verb থেকে উৎপন্ন হয় তখন সেই verb কে cognate verb বলা হয় এবং এর object কে বলা হয় cognate object.
- অর্থাৎ, কোন Intransitive verb যখন বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদ বা verb এর মূলশব্দ (root word) থেকে উৎপন্ন নতুন কোন word বা শব্দকে object হিসেবে গ্রহণ করে তখন সেই verb কে cognate verb বলা হয়।
- আর এই object কে বলা হয় Cognate object. 

যেমন, 
- Jamal ran a race বাক্যের ran হলো cognate verb ও race হলো cognate object.
- Kamal sang a song বাক্যের sang হলো cognate verb ও song হলো cognate object.
- He died a peaceful death বাক্যে died হলো cognate verb ও death হলো cognate object.
১১.
The dog sitting near the door is waiting for its owner.
Here, 'sitting' is a/an -
  1. Causative verb
  2. Transitive verb
  3. Finite verb
  4. Non-finite verb
সঠিক উত্তর:
Non-finite verb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Non-finite verb
ব্যাখ্যা
• The dog sitting near the door is waiting for its owner.
- Here, 'sitting' is a - Non-finite verb.

- A non-finite verb is a verb form that does not show tense.
- Most non-finite verbs found in English are infinitives, participles and gerunds.

আলোচ্য বাক্যে,
- ‘sitting’ verb টি কোনো tense নির্দেশ করেনা।
- এটা Present Participle এবং non-finite verb.
১২.
Will you let me know if you need help? In this sentence 'know' is a/an-
  1. Participle
  2. Infinitive
  3. Gerund
  4. Verbal noun
সঠিক উত্তর:
Infinitive
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Infinitive
ব্যাখ্যা
• Will you let me know if you need help?
- Here 'know' is - Infinitive.

• Infinitive হচ্ছে verb এর base form অথবা to + base form.
• Infintive দুই রকম হতে পারে-
১. To-যুক্ত infinitve এবং
২. To-বিহীন infinitive বা Bare Infinitive.

• সাধারণত এর অর্থ হয়ে থাকে “করতে/ খেতে/ যেতে/ বলতে” এ রকম। অর্থাৎ- বাংলা ক্রিয়ার শেষে 'তে' যোগ হয়।
• আবার to + verb, noun হিসেবে ব্যবহার হলে ক্রিয়ার শেষে আ-কার যোগ করা হয়। যেমন- to swim = সাতার কাটা ইত্যাদি।

• Let-এর পরে Verb-এর Bare Infinitive (to-বিহীন infinitive form) বসে।
- তাই, go verb-টি to-বিহীন infinitive form.
- সুতরাং, সঠিক উত্তর infinitive.
১৩.
The team capitalized ______ their opponent's mistake to score the winning goal.
  1. on
  2. in
  3. for
  4. into
সঠিক উত্তর:
on
উত্তর
সঠিক উত্তর:
on
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: The team capitalized on their opponent's mistake to score the winning goal.

• capitalize on something (phrasal verb with capitalize verb)
English Meaning: to use a situation to your own advantage.
Bangla Meaning: কোনো সুযোগের সদ্ব্যবহার করা বা কোনো কিছু থেকে লাভবান হওয়া।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৪.
Choose the best option.
She forgot her umbrella at home; _________, she got wet in the rain.
  1. whereat
  2. whereby
  3. therefore
  4. despite
সঠিক উত্তর:
therefore
উত্তর
সঠিক উত্তর:
therefore
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ -
ক) whereat (adverb)
- (প্রাচীন প্রয়োগ) যাতে; যেটাতে; যেটার প্রতি; এতে; এটাতে।.

খ) whereby (adverb)
- যার দ্বারা; যদ্দারা।

গ) therefore (conjunction)
- সেই কারণে; সুতরাং।

ঘ) despite
- (কিছু) সত্ত্বেও।

• শব্দগুলোর অর্থ বিবেচনায় বুঝা যাচ্ছে, শূন্যস্থানে therefore বসালে বাক্যের অর্থ পূর্ণতা পাবে।
- Complete sentenec: She forgot her umbrella at home; therefore, she got wet in the rain.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৫.
Choose the best option.
The weather was bad; __________, they decided to go for a hike.
  1. hence
  2. even though
  3. nevertheless
  4. wherefore
সঠিক উত্তর:
nevertheless
উত্তর
সঠিক উত্তর:
nevertheless
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লিখিত শব্দগুলোর অর্থ  -
ক) hence (adverb)
- (আনুষ্ঠানিক)  এখান থেকে; এখন থেকে: সুতরাং; অতএব; এ কারণে; এই হেতু।

খ) even so (adverb)
- যদিও ঘটনাটি তদ্রূপ।

গ) nevertheless (adverb), (conjunction)
- তথাপি; তবু; তা সত্ত্বেও।

ঘ) Wherefore (adverb)
- (প্রাচীন প্রয়োগ) কী কারণে; কেন।

• শব্দগুলোর অর্থানুযায়ী বুঝা যাচ্ছে, শূন্যস্থানে nevertheless শব্দটি বসালে বাক্যের অর্থ পূর্ণতা পাবে।
- Complete sentences: The weather was bad; nevertheless, they decided to go for a hike.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
১৬.
"Phew! That was a close one!" What emotion is being conveyed?
  1. Relief
  2. Joy
  3. Anxiety
  4. Confusion
সঠিক উত্তর:
Relief
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Relief
ব্যাখ্যা
• The required answer is - Relief.

• Phew (interjection)
English Meaning: used to express relief or fatigue / used to express disgust at or as if at an unpleasant odour.
Bangla Meaning: ফুঃ; বিস্ময়, অস্থিরতা, বিরক্তি ইত্যাদি বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত অব্যয়বিশেষ।

Example Sentence:
1. Phew! I thought I lost my keys, but they were in my pocket all along.
2. Phew! I finally finished that long assignment!

Source:
1. merriam-webster.
2. Accessible Dictionary by Bangladesh.
১৭.
x এর মান কত হলে 3(2x + 5) = 31 - x হবে?
  1. 2
  2. 16/7
  3. 17/7
  4. 15/7
সঠিক উত্তর:
16/7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16/7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x এর মান কত হলে 3(2x + 5) = 31 - x হবে?

সমাধান: 
3(2x + 5) = 31 - x
বা, 6x+ 15 = 31 - x
বা, 6x + x = 31 - 15
বা, 7x = 16
বা, x = 16/7
∴ x = 16/7
১৮.
x2 - y2 + 2y - 1 এর একটি উৎপাদক কোনটি?
  1. (x - y - 1)
  2. (x + y + 1)
  3. (x + y - 1)
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
(x + y - 1)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x + y - 1)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - y2 + 2y - 1 এর একটি উৎপাদক কোনটি?

সমাধান: 
x2 - y2 + 2y - 1
= x2 - (y2 - 2y + 1)
= x2 - (y - 1)2
= (x + y - 1)(x - y + 1)
১৯.
x + y = 0 এবং 2x - y + 3 = 0 সরলরেখা দুইটি কোন বিন্দুতে ছেদ করে?
  1. (1, 1)
  2. (- 1, - 1)
  3. (1, - 1)
  4. (- 1, 1)
সঠিক উত্তর:
(- 1, 1)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(- 1, 1)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x + y = 0 এবং 2x - y + 3 = 0 সরলরেখা দুইটি কোন বিন্দুতে ছেদ করে?

সমাধান: 
x + y = 0...........(i)
2x - y = - 3...........(ii)

(i) ও (ii) নং সমীকরণ যোগ করে পাই,
x + y + 2x - y = 0 - 3
3x = - 3
∴ x = - 1

x এর মান (i) নং সমীকরণে বসিয়ে পাই,
- 1 + y = 0
∴ y = 1

সরল রেখা দুইটি (- 1, 1) বিন্দুতে ছেদ করবে।
২০.
- 2x + 5 < 19 হলে, x এর মান কত?
  1. x > 7
  2. x < - 7
  3. x > - 7
  4. x < 7
সঠিক উত্তর:
x > - 7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
x > - 7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: - 2x + 5 < 19 হলে, x এর মান কত?

সমাধান: 
- 2x + 5 < 19
বা, - 2x + 5 - 5 < 19 - 5
বা, - 2x < 14
বা, 2x > - 14
∴ x > - 7
২১.
কোনটি 54x4 + 27x3a - 16x - 8a এর উৎপাদক নয় কোনটি?
  1. (2x + a)
  2. (9x2 - 6x + 4)
  3. (3x - 2)
  4. (9x2 + 6x + 4)
সঠিক উত্তর:
(9x2 - 6x + 4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(9x2 - 6x + 4)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি 54x4 + 27x3a - 16x - 8a এর উৎপাদক নয় কোনটি?

সমাধান: 
54x4 + 27x3a - 16x - 8a
= 27x3(2x + a) - 8(2x + a)
= (2x + a)(27x3 - 8)
= (2x + a){(3x)3 - (2)3}
= (2x + a)(3x - 2)(9x2 + 6x + 4)
২২.
x = 3 + 2√2 হলে, x + (1/x) এর মান কত?
  1. 6
  2. 4√2
  3. 6√2
  4. 8
সঠিক উত্তর:
6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x = 3 + 2√2 হলে, x + (1/x) এর মান কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে,
x = 3 + 2√2

∴ 1/x = 1/(3 + 2√2)
= (3 - 2√2)/{(3 - 2√2)(3 + 2√2)}
= (3 - 2√2)/(9 - 8)
= 3 - 2√2

∴ x + (1/x) = 3 + 2√2 + 3 - 2√2
= 6
২৩.
7x - 3y = 2 এবং x + y = 16/21 হলে, (x, y) এর মান কত?
  1. (1/7, 1/3)
  2. (3/5, 1/3)
  3. (3/7, 1/3)
  4. (3/7, 1/5)
সঠিক উত্তর:
(3/7, 1/3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(3/7, 1/3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 7x - 3y = 2 এবং x + y = 16/21 হলে, (x, y) এর মান কত?

সমাধান: 
7x - 3y = 2.............(i)
x + y = 16/21..........(ii)

(ii) নং সমীকরণকে 3 দ্বারা গুণ করে (i) নং সমীকরণের সাথে যোগ করে পাই,

7x - 3y + 3x + 3y = 2 + (16/7)
বা, 10x = 30/7
∴ x = 3/7

x এর মান (ii) নং সমীকরণে বসিয়ে পাই,
y = (16/21) - (3/7)
= 7/21
= 1/3

∴ (x, y) = (3/7, 1/3)
২৪.
x3 - x2 কে x - 2 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত?
  1. 8
  2. 4
  3. 3
  4. 2
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x3 - x2 কে x - 2 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ কত?

সমাধান: 
ধরি,
f(x) = x3 - x2

f(x) কে x - 2 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ f(2) এর মানর সমান হবে।

f(2) = (2)3 - (2)2
= 8 - 4
= 4
২৫.
।3x - 2। < 5 অসমতার সমাধান কোনটি?
  1. 1 < x < (7/3)
  2. - 1 < x < (- 7/3)
  3. 1 < x < (- 7/3)
  4. - 1 < x < (7/3)
সঠিক উত্তর:
- 1 < x < (7/3)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 1 < x < (7/3)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ।3x - 2। < 5 অসমতার সমাধান কোনটি?

সমাধান:
।3x - 2। < 5
বা, - 5 < 3x - 2 < 5
বা, - 5 + 2 < 3x - 2 + 2 < 5 + 2
বা, - 3 < 3x < 7
∴ - 1 < x < 7/3
২৬.
একটি দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার কীভাবে প্রধান ভূমিকা পালন করে?
  1. নিয়মিত সুষ্ঠু নির্বাচন করে
  2. নীতিমালা ও আইন প্রণয়ন করে
  3. নাগরিকদের ভাতা প্রধান করে
  4. বেকারত্বের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে
সঠিক উত্তর:
নীতিমালা ও আইন প্রণয়ন করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীতিমালা ও আইন প্রণয়ন করে
ব্যাখ্যা
সরকার ও সুশাসন:
-সরকার একটি দেশের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভূমিকা পালন করে।
- কারণ এটি নীতিমালা ও আইন প্রণয়ন করে যা সুশাসনের ভিত্তি তৈরি করে।
- এই নীতি ও আইন কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো সরবরাহ করে।
- যদি সরকার স্বচ্ছ ও জবাবদিহি সম্পন্ন হয়, তবে এটি জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারে এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হয়।
- সরকারের মূল দায়িত্ব হল জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা, যা সুশাসনের একটি অপরিহার্য দিক।

উল্লেখ্য,
- যদিও গণমাধ্যম, বিচার বিভাগ এবং সুশীল সমাজও সুশাসনে ভূমিকা রাখে, তবে সরকারই সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মূল ভূমিকা পালন করে।
- কারণ এটি নীতিমালা, আইন, এবং কার্যক্রম প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকে।

অন্যদিকে,
- নিয়মিত সুষ্ঠু নির্বাচন করে: নিয়মিত সুষ্ঠু নির্বাচন সুশাসনের একটি অংশ হলেও, এটি এককভাবে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যথেষ্ট নয়।
- নাগরিকদের ভাতা প্রদান করে: ভাতা প্রদান একটি সামাজিক সুরক্ষা নীতি হতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক মাধ্যম নয়।
- বেকারত্বের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে: কর্মসংস্থান সৃষ্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক উদ্যোগ, তবে এটি সুশাসনের একটি উপাদান মাত্র।

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
২৭.
"সুশাসন মানবাধিকার, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা, জনপ্রশাসনের স্বচ্ছতা এবং সক্ষমতাকে নিশ্চিত করে।" - উক্তিটি কার?
  1. ম্যাককরনি
  2. মারটিন মিনোগ
  3. কফি আনান
  4. মিশেল ক্যামডেসাস
সঠিক উত্তর:
কফি আনান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কফি আনান
ব্যাখ্যা
⇒ সুশাসন:
- কোন রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সহজেই নাগরিকগণ তা অনুধাবন করতে পারে।
- অংশগ্রহণ, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সংবেদনশীলতা, ঐকমত্য, কর্তব্য ও ন্যায়পরায়ণতা ও দক্ষতার মত বৈশিষ্ট্যগুলো তখন খুব সহজেই অনুমেয় হয়।
- সুশাসন না থাকলে সমাজে উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো পরিলক্ষিত হয় না। 

⇒  সুশাসনের কয়েকটি প্রামাণ্য সংজ্ঞা:
- মিশেল ক্যামডেসাস: "রাষ্ট্রের সব ধরনের উন্নয়নের জন্য সুশাসন অত্যাবশ্যক।"
- কফি আনান সুশাসন সম্পর্কে বলেন, "সুশাসন মানবাধিকার, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধা, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করা, জনপ্রশাসনের স্বচ্ছতা এবং সক্ষমতাকে নিশ্চিত করে।"
- ম্যাককরনি সুশাসন সম্পর্কে বলেন, "সুশাসন বলতে রাষ্ট্রের সাথে সুশীল সমাজের, সরকারের সাথে শাসিত জনগণের, শাসকের সাথে শাসিতের সম্পর্ককে বোঝায়।
- মারটিন মিনোগ (Martin Minogue) সুশাসন সম্পর্কে বলেন, “ব্যাপক অর্থে সুশাসন হচ্ছে কতগুলো উদ্যোগের সমষ্টি এবং একটি সংস্কার কৌশল যা সরকারকে অধিকতর গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করতে সুশীল সমাজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কার্যকর করে তোলে।”

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
২৮.
প্লেটো তাঁর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে সুশাসন সম্পর্কে কী বলেছেন?
  1. “শাসনপ্রক্রিয়া আইন নির্ভর হওয়া উচিত।”
  2. “শাসকের নৈতিকতা আইন দ্বারা নির্ধারিত।”
  3. “শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন।”
  4. “শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন শক্তিশালী।”
সঠিক উত্তর:
“শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন।”
উত্তর
সঠিক উত্তর:
“শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন।”
ব্যাখ্যা
⇒ উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে প্লেটো তাঁর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে সুশাসন সম্পর্কে “শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন।” এই উক্তিটি বলেছেন।

সুশাসনের ধারণা:
- সুশাসনের ধারণা প্রথম পাওয়া যায় 'The Republic' গ্রন্থে।
- The Republic গ্রন্থটির লেখক প্লেটো।
- প্লেটো তাঁর ‘রিপাবলিক’ গ্রন্থে বলেছেন, “শাসক যদি ন্যায়বান হন তাহলে আইন নিস্প্রয়োজন, আর শাসক যদি দুর্নীতিপরায়ণ হন তাহলে আইন নিরর্থক।”
- তার লেখা বিখ্যাত বইটি Plato’s Republic নামে পরিচিত।
- তার লেখা অন্যান্য বই:
- Symposium
- Apologia Sokrates
- Allegory of the Cave
- The Laws (348 BCE)
- Plato: Complete Works ইত্যাদি।  

উল্লেখ্য,
- কোন রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সহজেই নাগরিকগণ তা অনুধাবন করতে পারে।
- অংশগ্রহণ, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সংবেদনশীলতা, ঐকমত্য, কর্তব্য ও ন্যায়পরায়ণতা ও দক্ষতার মত বৈশিষ্ট্যগুলো তখন খুব সহজেই অনুমেয় হয়।
- সুশাসন এমন একটি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, যা সমাজের প্রতিটি স্তরে ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, এবং আইন অনুসরণ করে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মোজাম্মেল হক ও ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট।
২৯.
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা দ্বারা কী প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. দায়িত্বশীলতা
  2. জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য
  3. বেকারত্বের জন্য কর্মসংস্থান
  4. সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা
সঠিক উত্তর:
জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য
ব্যাখ্যা
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ:
- সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এর নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
- একটি সমাজে যখন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, আইনের শাসন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, কর্তব্যপরায়ণতার মতো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো নিশ্চিত হয় তখনই সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরমত সহিষ্ণুতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা, অন্যের মতের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের মতো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলোও সুশাসনের জন্য আবশ্যক।
- গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা দ্বারা সকলের মধ্যে জাতীয় স্বার্থের ক্ষেত্রে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অর্থাৎ জাতীয় স্বার্থে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার জন্য গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য,
সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধগুলো হলো: 
- পরমত সহিষ্ণুতা, স্বচ্ছতা, আইনের শাসন, ন্যায়পরায়ণতা, সচেতনাবোধ সৃষ্টি, দায়বদ্ধতা।

অন্যদিকে, 
- দায়িত্বশীলতা: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা দায়িত্বশীলতাকে উৎসাহিত করে, তবে এটি গণতান্ত্রিক চর্চার একটি অংশ।
- বেকারত্বের জন্য কর্মসংস্থান: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বেকারত্ব দূর করার পক্ষে সহায়ক হতে পারে, তবে এটি সরাসরি গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য নয়।
- সরকারি প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতা: গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতাকে প্রমোট করে, তবে এটি গণতন্ত্রের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত একটি মাধ্যম।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
পূর্ব পাকিস্তান সফরে ঢাকায় দুটি সভায় বক্তৃতায় একমাত্র উর্দুকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দেন কে?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ 
  2. খাজা নাজিমুদ্দীন
  3. নূরুল আমিন
  4. লিয়াকত আলী খান
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ 
ব্যাখ্যা
জিন্নাহর পূর্ব পাকিস্তান সফর:
- আন্দোলনের মুখে সরকারের মনোভাব কিছুটা নমনীয় হয়। মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন ছাত্রনেতাদের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তিতে তিনি অনেকগুলি শর্তের সঙ্গে একমত হলেও বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তাঁকে কোনো কিছুই মানানো যায়নি।
- ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল  মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পূর্ব পাকিস্তান সফরে আসেন।
- তিনি ঢাকার দুটি সভায় বক্তৃতা দেন এবং দুই জায়গাতেই তিনি বাংলা ভাষার দাবিকে উপেক্ষা করে একমাত্র উর্দুকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দেন।
- এ সময় সারা পূর্ব পাকিস্তানেই ভাষা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছিল।
- জিন্নাহর বক্তব্য তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩১.
১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে নিহতদের মধ্যে নিচের মধ্যে কে অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. বাবুল
  3. ওয়াজিউল্লাহ
  4. জহুরুল হক
সঠিক উত্তর:
জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট বিরোধী আন্দোলন (সেপ্টেম্বর, ১৯৬২):
- আইয়ুব খান শিক্ষা সংস্কারের উদ্দেশ্যে ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন।
- তদানীন্তন শিক্ষা সচিব এস.এম.শরীফকে সভাপতি করে গঠিত এগার সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন 'শরিফ কমিশন' নামে অভিহিত।
- কমিশন ১৯৫৯ সালের ২৬ আগস্ট তার সুপারিশ পেশ করে।
- কমিশনের এই রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ বিক্ষুব্ধ হয়।
- ঢাকা কলেজের ছাত্ররা 'ডিগ্রি স্টুডেন্টস ফোরাম' নামক একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে।
- এই সংগঠনের নামে ঢাকা শহরের অন্যান্য কলেজের ছাত্ররা আন্দোলন পরিচালনা করে।
- পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আন্দোলনে যোগ দেয়।
- তখন সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে করা হয় 'ইস্ট পাকিস্তান স্টুডেন্টস ফোরাম'।
- ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল আহ্বান করা হয়।
- হরতালের দিন ছাত্র জনতা মিলিতভাবে রাস্তায় নেমে পড়ে।
- মিছিলে গুলিবর্ষণ করা হলে বাবুল, বাসকন্টাক্টর গোলাম মোস্তফা ও গৃহভৃত্য ওয়াজিউল্লাহ নিহত হয়।
- তখন রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকায় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই আন্দোলনে অংশ নেননি।
- ছাত্রদের আন্দোলনের ফলেই সরকার শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত করে।
- এই আন্দোলনের তাৎপর্য এই যে, পরবর্তীকালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে ছাত্ররাই প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়।

অন্যদিকে 
- আগরতলা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ছিলেন সার্জেন্ট জহুরুল হক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
কত সালে আইয়ুব খানের পতন হয়?
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
আইয়ুব খানের  মৌলিক গণতন্ত্র: 
- আইয়ুব খানের সামরিক শাসনব্যবস্থা ছিল এক ধরনের প্রতিনিধিত্বমূলক একনায়কতন্ত্র। 
- তিনি ১৯৫৯ সালে  মৌলিক গণতন্ত্র নামে একটি নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানসমূহকে পাঁচটি স্তরে বিন্যস্ত করা হয়েছিল।
- ইউনিয়ন পরিষদ ছিল সর্বনিম্ন স্তর এবং এর সদস্যদের বলা হতো মৌলিক গণতন্ত্রী।
- পৌর এলাকায় একই ধরনের ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল।
- এক্ষেত্রে কতগুলো ছোট ইউনিয়ন পরিষদকে একত্রিত করে মিউনিসিপ্যাল কমিটি গঠন করা হতো এবং তারা একই ধরনের কাজ করত।
- ১৯৬০ সালে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরাই আইয়ুব খানের প্রেসিডেন্ট পদ সুনিশ্চিত করেন।
- ১৯৬২ সালের সংবিধান অনুযায়ী তাদের নিয়েই একটি নির্বাচকমন্ডলী গঠিত হয়।
- এই নির্বাচকমন্ডলীর ভোটে প্রেসিডেন্ট এবং জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যগেণ নির্বাচিত হতেন।
- আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থা দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পায় নি এবং আইয়ুব খানের স্বপ্নও সফল হয় নি।
- ১৯৬৯ সালে আইয়ুব খানের পতন হয় এবং তাঁর পতনের সঙ্গে সঙ্গে মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থারও অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৩৩.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কতটি মুসলিম আসন লাভ করে?
  1. ২৮৮টি
  2. ২৩৬টি
  3. ২২৩টি
  4. ২১৫টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ এবং পাঁচটি দলের সমন্বয়ে গঠিত যুক্তফ্রন্ট।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান শরিক দলগুলো ছিল:
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
- এ. কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক পার্টি,
- মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন নেজামে ইসলাম,
- হাজী মোহাম্মদ দানেশের নেতৃত্বাধীন গণতন্ত্রী দল এবং
- খিলাফতে রব্বানী পার্টি।

নির্বাচনের ফলাফল: 
- নির্বাচনী ফলাফল নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে।
- তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা, মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে অনীহা প্রভৃতি কারণে ভোটদানের হার কম ছিল।
- নির্বাচনী ফলাফল ঘোষিত হয় ২ এপ্রিল।
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২১৫টি, মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
- ফলে মুসলিম আসনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে। 
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়: আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রুপ), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি), কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।
- ফলে, যুক্তফ্রন্ট মোট আসন লাভ করে ২১৫টি+৮টি+১৩টি=২৩৬টি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
ছয় দফাকে ঘিরে ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত পুস্তিকার নাম কী ছিল?
  1. ছয় দফা: আমাদের অধিকার, আমাদের দাবি
  2. ছয় দফার ডাক: জাতির আশা, মানুষের অধিকার
  3. আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা-কর্মসূচি
  4. আমাদের সংগ্রাম, ছয় দফা আমাদের অস্তিত্বের দাবি
সঠিক উত্তর:
আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা-কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা-কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে পৌঁছান।
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে তিনি ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন।
- তিনি সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানের নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা-কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে কোন দেশের মালিকানা নেই?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. কোন দেশের নেই
সঠিক উত্তর:
কোন দেশের নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোন দেশের নেই
ব্যাখ্যা
অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ: 
- অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর দক্ষিণ মেরুতে অবস্থিত একটি বরফ আচ্ছাদিত মহাদেশ।
- এটি পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মহাদেশ, আয়তন প্রায় ১৪ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার।
- মহাদেশটির ৯৮% এলাকা বরফে ঢাকা এবং এটি পৃথিবীর ৭০% স্বাদু পানির আধার।
- আবহাওয়া: শীতলতম মহাদেশ; সর্বনিম্ন তাপমাত্রা -৮৯.২°C(ভোস্টক স্টেশন, ১৯৮৩)।
- বৃষ্টিপাত: বার্ষিক গড় মাত্র ২০ মিলিমিটার, যা এটিকে মরুভূমি হিসেবে চিহ্নিত করে।
- প্রাণিকুল: পেঙ্গুইন, সিল, তিমি, এবং সামুদ্রিক পাখি।
- উদ্ভিদকুল: শৈবাল, লাইকেন, মস।
- অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি (১৯৫৯) অনুসারে এটি বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য উন্মুক্ত এবং সামরিকীকরণ নিষিদ্ধ।
- অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশে কোন দেশের মালিকানা নেই। 
- জলবায়ু পরিবর্তন গবেষণা এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে অ্যান্টার্কটিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- তবে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও পরিবেশ দূষণের ফলে এটি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

অ্যান্টার্কটিকা চুক্তি (Antarctic Treaty):
স্বাক্ষরিত: ১৯৫৯।
কার্যকর: ১৯৬১।
উদ্দেশ্য: মহাদেশকে সামরিকীকরণ থেকে মুক্ত রাখা এবং বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।

গবেষণা কেন্দ্র:
- অ্যান্টার্কটিকা আন্তর্জাতিক গবেষণার জন্য উন্মুক্ত।
- ১৯৫৯ সালের অ্যান্টার্কটিক চুক্তি অনুসারে এটি শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ ও বৈজ্ঞানিক কাজে ব্যবহৃত হয়।
- প্রধান গবেষণা কেন্দ্র:
মেরি বার্ড ল্যান্ড (আমেরিকা)
ভোস্টক স্টেশন (রাশিয়া)
হ্যালি স্টেশন (যুক্তরাজ্য)

উৎস: National Geographic:
Britannica
World Atlas
৩৬.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. জন অ্যাডামস
  4. থমাস জেফারসন
সঠিক উত্তর:
জর্জ ওয়াশিংটন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জর্জ ওয়াশিংটন
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন (George Washington)।
- জর্জ ওয়াশিংটনকে "Father of His Country" বা যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা পিতা হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তাঁর নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র একটি নতুন প্রজাতন্ত্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং একটি কার্যকরী সরকার গড়ে তোলে।
- কার্যকাল: ৩০ এপ্রিল ১৭৮৯ থেকে ৪ মার্চ ১৭৯৭ পর্যন্ত।
- জন্ম: ২২ ফেব্রুয়ারি ১৭৩২, ভার্জিনিয়া।
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর ১৭৯৯।

গুরুত্বপূর্ণ অবদান:
- আমেরিকান রেভলিউশনারি ওয়ারে (১৭৭৫-১৭৮৩) যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর প্রধান কমান্ডার ছিলেন।
- তিনি সংবিধান কার্যকর করার প্রথম পদক্ষেপ নিয়েছিলেন এবং সংবিধান অনুযায়ী একটি কার্যকরী সরকার প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- তিনি কোনো রাজনৈতিক দলে যুক্ত হননি এবং রাজনৈতিক বিভাজন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
- দুই মেয়াদের পর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করার নজির স্থাপন করেন।

উৎস: Britannica.
৩৭.
যুক্তরাজ্যের বর্তমান রাজা কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. চার্লস II
  2. এলিজাবেথ II
  3. চার্লস III
  4. উইলিয়াম
সঠিক উত্তর:
চার্লস III
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার্লস III
ব্যাখ্যা

চার্লস III (জন্ম: ১৪ নভেম্বর ১৯৪৮, বাকিংহাম প্যালেস, লন্ডন): 
- তৃতীয় চার্লস ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ থেকে যুক্তরাজ্যের রাজা।
- তিনি রানি এলিজাবেথ II এবং প্রিন্স ফিলিপের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- ৭৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- ৭০ বছরের মধ্যে প্রথম রাজ্যাভিষেক অনুষ্ঠিত হয় ৬ মে ২০২৩।
- তিনি ব্রিটেনের ৪০তম রাজা।
- সিংহাসনে বসার পর, চার্লস তার বড় ছেলে উইলিয়ামকে প্রিন্স অব ওয়েলস উপাধি প্রদান করেন।
- ব্রিটেনকে বলা হয় গণতন্ত্রের সূতিকাগার এবং সেখানে সকলের মত প্রকাশের স্বাধীনতা আছে।
- রাজা যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্র-প্রধান।
- তবে তার ক্ষমতা প্রতীকী এবং আনুষ্ঠানিক।
- তিনি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেন।
- প্রতিদিন ব্রিটিশ সরকারের কাজের রিপোর্ট তার কাছে লাল রঙের চামড়ার একটি বাক্সে করে পাঠানো হয়, যার মধ্যে থাকে গুরুত্বপূর্ণ কোনো বৈঠকের আগে সে সম্পর্কে ব্রিফিং, অথবা কাগজপত্র যাতে তার স্বাক্ষর করা প্রয়োজন।
- সাধারণত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী প্রতি বুধবার বাকিংহাম প্রাসাদে গিয়ে রাজার সঙ্গে দেখা করে তার সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে রাজাকে অবহিত করেন।
- এসব বৈঠক একান্ত ব্যক্তিগত এবং সেখানে যেসব কথাবার্তা হয় সেগুলোর আনুষ্ঠানিক কোনো রেকর্ড রাখা হয় না।
- রাজা তৃতীয় চার্লস তার প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে জার্মানি গিয়েছিলেন যেখানে তিনি পার্লামেন্টে ভাষণ দিয়েছেন।
- তিনিই প্রথম ব্রিটিশ রাজা যিনি জার্মান পার্লামেন্টে ভাষণ দিলেন।
- ব্রিটিশ রাজা কমনওয়েলথেরও প্রধান।
- ৫৬টি স্বাধীন দেশ নিয়ে এটি গঠিত এবং এই কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মোট জনসংখ্যা প্রায় ২৫০ কোটি।
- ব্রিটেনের রাজা এই কমনওয়েলথ দেশগুলোর মধ্যে ১৪টির রাষ্ট্র-প্রধান।
- কমনওয়েলথের ১৫টি দেশে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চার্লসই রাজা।

দ্বিতীয় এলিজাবেথ: 

- ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ ৯৬ বছর বয়সে মারা যান।
- তিনি দীর্ঘ সত্তর বছর ব্রিটেনের সিংহাসনে আসীন ছিলেন।
- ব্রিটেনের রাজা-রানিদের প্রায় ১,২০০ বছরের ইতিহাসে কেউ এত দীর্ঘ সময় সিংহাসনে অধিষ্ঠ ছিলেন না।

উৎস: বিবিসি বাংলা 
Britannica. 

৩৮.
ভারতের সংবিধান কবে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
- ভারতে ২৬ নভেম্বর সংবিধান দিবস হিসাবে পালন করা হয়। 
- ২৬ নভেম্বর ১৯৪৯ তারিখে গৃহীত হয়েছিল ভারতের সংবিধান।
- জাতির জন্য এটি উৎসর্গ করা হয়েছিল।
- পরে কার্যকর করা হয়েছিল ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি। 
- যেহেতু ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর এটি গৃহীত হয়, তাই ওই দিনটিকে সংবিধান দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারিকে পালন করা হয় প্রজাতন্ত্র দিবস পালন করা হয়।
- ভারতীয় সংবিধান হল বিশ্বের দীর্ঘতম লিখিত সংবিধান। 
- ভারতীয় সংবিধানে মোট ৩৯৫টি অনুচ্ছেদ (২২টি অংশে বিভক্ত) ছিল, কিন্তু বিভিন্ন সংশোধনীর ফলে বর্তমানে এটিতে মোট ৪৪৮টি অনুচ্ছেদ (২৫টি অংশে বিভক্ত) রয়েছে। সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে।
- সম্পূর্ণ সংবিধান প্রস্তুত করতে ২ বছর, ১১ মাস এবং ১৮ দিন সময় লেগেছিল।
- ভারতের প্রথম আইনমন্ত্রী ডঃ ভীমরাও আম্বেদকর সংবিধানের খসড়া কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন।
- ভারতীয় সংবিধানের এই মূল লেখাগুলি টাইপ বা মুদ্রিত ছিল না। সংবিধানের মূল কপিটি প্রেম বিহারী নারায়ণ রায়জাদার হাতে লেখা। এটি চমৎকার ক্যালিগ্রাফির অক্ষরে লেখা হয়েছিল। এর প্রতিটি পৃষ্ঠা শান্তিনিকেতনের শিল্পীদের দ্বারা সজ্জিত ছিল। 

উৎস: Hindustan Times
৩৯.
জাপানের প্রাচীন রাজধানী কোনটি?
  1. কিয়োটো
  2. টোকিও
  3. ওসাকা
  4. হিরোশিমা
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিয়োটো
ব্যাখ্যা
দ্বীপরাষ্ট্র জাপান:
- জাপান একটি দ্বীপরাষ্ট্র। এর প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু ও অন্যান্য ছোট দ্বীপসমূহ।
- জাপানের রাজধানী টোকিও বৃহত্তম দ্বীপ হনসুতে অবস্থিত।
- জাপানের আইনসভা ডায়েট।
- জাপানের মুদ্রা ইয়েন।
- জাপানের সংবিধান ‘শান্তি সংবিধান’ হিসেবে পরিচিত।

কিয়োটো: 
- কিয়োটো জাপানের পশ্চিম-মধ্য হোনশু দ্বীপে অবস্থিত একটি শহর এবং কিয়োটো ফু (শহরীয় প্রিফেকচার) এর কেন্দ্র।
- এটি ওসাকা থেকে প্রায় ৫০ কিমি উত্তর-পূর্বে এবং নারা থেকে সমদূরত্বে অবস্থিত।
- ১৮০ ফুট (৫৫ মিটার) গড় উচ্চতায় অবস্থিত কিয়োটো, কিঙ্কি অঞ্চলের কেন্দ্রস্থলে এবং জাপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল কেইহানশিন জোনের একটি অংশ।
- ৭৯৪ থেকে ১৮৬৮ পর্যন্ত কিয়োটো ১,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জাপানের রাজধানী ছিল।
- এটি ঐতিহ্যবাহী জাপানি সংস্কৃতি, বৌদ্ধধর্ম, এবং সূক্ষ্ম বস্ত্রশিল্পের কেন্দ্র।
- শহরের ঐতিহাসিক মন্দির ও বাগানগুলো ১৯৯৪ সালে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- জাপানি ঐতিহ্যের প্রতি গভীর ভালোবাসার প্রতীক কিয়োটো, যা প্রায় প্রতিটি জাপানির জীবনে একবার হলেও দেখার আকাঙ্ক্ষা থাকে।

উৎস: i) Ministry of Foreign Affairs of Japan website
ii) Britannica
৪০.
রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য OPCW কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (CWC):
- পূর্ণ নাম: Chemical Weapons Convention
- গৃহীত হয়: ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩
- কার্যকর হয়: ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭
- উদ্দেশ্য: রাসায়নিক অস্ত্র উৎপাদন, ব্যবহার, মজুতকরণ এবং স্থানান্তর সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা এবং ধ্বংস নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক তদারকি নিশ্চিত করতে "অর্গানাইজেশন ফর দ্য প্রোহিবিশন অফ কেমিক্যাল উইপনস" (OPCW) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৩টি দেশ এই কনভেনশনের অন্তর্ভুক্ত।
- সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাছে রাসায়নিক অস্ত্র পৌঁছানো রোধে বিশেষ গুরুত্বারোপ।
- রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
- OPCW ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে রাসায়নিক অস্ত্র নির্মূলের জন্য।

উৎস: i) OPCW অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) United Nations Archives
৪১.
পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা কোন সংস্থার মূল কাজ?
  1. CTBTO
  2. OPCW
  3. IAEA
  4. OSCE
সঠিক উত্তর:
IAEA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IAEA
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA):
- পূর্ণ নাম: International Atomic Energy Agency
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২৯ জুলাই, ১৯৫৭
- সদর দপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার প্রচার করা এবং পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে কাজ করে।

মূল কাজ:
- পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পারমাণবিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা।
- পারমাণবিক শক্তির চিকিৎসা, কৃষি এবং শিল্পে শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা।
- গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি:NPT (Non-Proliferation Treaty) বাস্তবায়নে সহায়তা।
- পারমাণবিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণ।

উৎস: i) IAEA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
ii) Britannica
৪২.
কানাডার পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষের নাম কী?
  1. সিনেট
  2. হাউস অব কমন্স
  3. হাউস অব লর্ডস
  4. হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ
সঠিক উত্তর:
সিনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনেট
ব্যাখ্যা
কানাডার পার্লামেন্ট: 
কানাডার পার্লামেন্ট তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত:

ক্রাউন (সিংহাসন):
- এটি প্রতীকী ও আনুষ্ঠানিক, গর্ভনর জেনারেলের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

সিনেট:
- সিনেট হচ্ছে পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ।
- ১০৫ জন সদস্য নিয়ে গঠিত, যারা নিয়োগপ্রাপ্ত এবং ৭৫ বছর বয়সে অবসর গ্রহণ করেন।
- এটি আইনের পর্যালোচনা ও জাতীয় বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে।

হাউস অব কমন্স:
- হাউস অব কমন্স পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষ। 
- ৩৩৮ জন নির্বাচিত সদস্য (এমপি) নিয়ে গঠিত।
- কর এবং ব্যয়ের প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারে।

প্রধান বৈশিষ্ট্য:
সংসদীয় গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক রাজতন্ত্রের মিশ্রণ।
নতুন আইন পাস করতে তিনটি অংশের সম্মতি প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভা সংসদের অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল।
সংসদে বিরোধী দল সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।
স্থায়ী ও বিশেষ কমিটিগুলো জনগণের উদ্বেগ নিয়ে আলোচনা করে।

উৎস: Britannica.
৪৩.
ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ
  2. নিকোলা সারকোজি
  3. ফ্রাঁসোয়া ওলান্দে
  4. জ্যাক শিরাক
সঠিক উত্তর:
ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ
ব্যাখ্যা
ফ্রান্স: 
সরকারি নাম: ফরাসি প্রজাতন্ত্র (République Française)
রাজধানী: প্যারিস। 
অবস্থান: পশ্চিম ইউরোপ। 
ভূমি আয়তন: ৬৪৩,৮০১ বর্গকিলোমিটার (মেট্রোপলিটন ফ্রান্স)
ভাষা: ফরাসি (সরকারি ভাষা)
মুদ্রা: ইউরো (€)
জাতীয় দিবস: ১৪ জুলাই (বাস্তিল দিবস, Bastille Day)
- জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা।
- জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, এবং বৈশ্বিক রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা।

প্রশাসনিক কাঠামো:
- সরকারের ধরণ: আধা-রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র
- রাষ্ট্রপ্রধান: প্রেসিডেন্ট (বর্তমানে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ)
- সরকারপ্রধান: প্রধানমন্ত্রী

অর্থনীতি:
- মোট দেশজ উৎপাদন (GDP): বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতি।
- প্রধান শিল্প:বিলাস দ্রব্য (ফ্যাশন, পারফিউম)
- কৃষি (বিশ্বের বৃহত্তম ওয়াইন রপ্তানিকারক)
- প্রযুক্তি ও মহাকাশ (এয়ারবাস, থ্যালেস)
- পর্যটন: ফ্রান্স বিশ্বের সর্বাধিক পরিদর্শিত দেশ (প্রতি বছর প্রায় ৯০ মিলিয়ন পর্যটক)।

সংস্কৃতি:
- শিল্প ও সাহিত্য: ভ্যান গগ, রেনোয়ার, মোনেটের মতো বিশ্ববিখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- খাদ্য: ফরাসি খাবার (পেস্ট্রি, চিজ, ওয়াইন) ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্য।
- ভাষা: ফরাসি ভাষা বিশ্বব্যাপী কূটনীতি এবং সংস্কৃতির প্রতীক।

ফ্রান্সের বর্তমান প্রেসিডেন্ট হলেন ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ (Emmanuel Macron)।
- কার্যকাল শুরু: ১৪ মে ২০১৭।
- পুনর্নির্বাচিত: ২০২২ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন।
- রাজনৈতিক দল: লা রিপাব্লিক অঁ মার্শ! (La République En Marche!)
- জন্ম: ২১ ডিসেম্বর ১৯৭৭, আমিয়েঁ, ফ্রান্স।
- ম্যাক্রোঁ ৩৯ বছর বয়সে ফ্রান্সের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন।
- তাঁর নেতৃত্বে ফ্রান্সে অর্থনৈতিক ও সামাজিক নীতিতে অনেক সংস্কার সাধিত হয়েছে।

উৎস: BBC News
Britannica