পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৬
সিলেবাস
বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি সিলেবাস: i) বাংলাদেশের জনসংখ্যা, আদমশুমারি, জাতি, গোষ্ঠী ও উপজাতি সংক্রান্ত বিষয়াদি। ii) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, বাংলাদেশের খেলাধুলাসহ চলচ্চিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির সংশ্লিষ্ট বোর্ড বই, বিভিন্ন জাতীয় সমীক্ষা, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬ প্রশ্ন

.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম "ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী" এর ভাস্কর কে?
  1. অখিল পাল
  2. আবদুর রাজ্জাক
  3. শামীম শিকদার
  4. শ্যামল চৌধুরী
ব্যাখ্যা
'জাগ্রত চৌরঙ্গী' ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন ভাস্কর্য শিল্পী আবদুর রাজ্জাক। এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য।

জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- ডান হাতে গ্রেনেড, বাঁ হাতে রাইফেল, লুঙ্গি পরা, খোলা শরীর, দৃপ্ত পায়ে পেশিবহুল মুক্তিযোদ্ধার ভাস্কর্যটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে দাঁড়ানো।
- এটিই দেশে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগ স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- ভাস্কর: আবদুর রাজ্জাক।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা আর্ট কলেজের সেই সময়ের অধ্যক্ষ দেশের খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাকের হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হয়েছিল এই দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যকর্ম।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পত্রিকা রিপোর্ট।
.
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, কোন বিভাগের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বরিশাল
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

- ঢাকা বিভাগ সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়।

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২: 
- ২০২২ সালের ১৫ থেকে ২১ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনায় দেশে মোট জনসংখ্যা নির্ধারিত হয় ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন। এতে বার্ষিক বৃদ্ধি ১.১২% এবং সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০% পাওয়া যায়।
- এই শুমারিতে CPI ও Modified De-facto পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়।
- ঢাকায় সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে এবং বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম।
- রাঙ্গামাটি জেলাটি সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ এবং
- ঢাকা বিভাগ সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ 

.
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি ভাষার প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. জঁ ক্যা ১৯৭১
  2. দ্য ট্রুথ অব সেভেনটি ওয়ান
  3. দ্য লাস্ট কমান্ড
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত প্রথম ইংরেজি ভাষার বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের নাম ‘জঁ ক্যা ১৯৭১’।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি চলচ্চিত্র:

- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত প্রথম ইংরেজি ভাষার বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের নাম ‘জঁ ক্যা ১৯৭১’।
- ছবিটি নির্মাণ করছেন ‘ভুবন মাঝি’ ও ‘গণ্ডি’ খ্যাত পরিচালক ফাখরুল আরেফিন খান।
- এটি সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, যেখানে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ফ্রান্সের এক তরুণ, জঁ ক্যা, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (PIA) একটি বিমান ছিনতাই করেন।
- তার একমাত্র দাবি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২০ টন ওষুধ পাঠানো।
- এই সাহসিকতা ও মানবিকতার প্রতীক জঁ ক্যা-কে কেন্দ্র করেই ছবির কাহিনি গড়ে উঠেছে।

সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
.
আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নওয়াব আবদুল গনি
  2. খাজা আহসানুল্লাহ
  3. নবাব গাজীউদ্দিন
  4. নবাব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ঢাকার নওয়াব খাজা আবদুল গনি।
- ১৮৩০ সালে তিনি ফরাসিদের নিকট থেকে পুরনো কুঠিবাড়িটি কিনে সেটিকে নিজ বাসভবনে রূপান্তর করেন।
- এরপর ইউরোপীয় স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানিকে দিয়ে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান, এর ভিত্তিতে নির্মিত হয় আহসান মঞ্জিল।

উল্লেখ্য, 
- এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং শেষ হয় ১৮৭২ সালে।
- প্রাসাদটির নামকরণ করা হয় খাজা আবদুল গনির পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ-র নামে।
- এই ভবনটি ছিল ঢাকার নবাব পরিবারের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। দীর্ঘ সময় ধরে এখান থেকেই পূর্ব বাংলার মুসলমানদের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে।  

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
পাংখোয়ারা নিজেদের কোন ধর্মবিশ্বাসের অনুসারী বলে দাবি করে?
  1. খ্রিস্টান
  2. বাহাই
  3. জৈন
  4. বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা

- পাংখোয়ারা নিজেদের বৌদ্ধ দাবি করে। 

পাংখোয়া :
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ১৩টি অদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাংখোয়া অন্যতম।
- পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী নিজেদের ধর্মবিশ্বাসে বৌদ্ধ বলে দাবি করে থাকে।
- তবে একাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মতো প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত।
- তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’, যেমন লুসেইদের ‘পুথিয়ান’।
- বিশ্বসৃষ্টি সম্পর্কে তাদের সমাজে অনেক পৌরাণিক গল্পকাহিনী প্রচলিত আছে। সৃষ্টিকর্তা ‘পত্যেন’-এর পরই তাদের প্রধান উপাস্য দেবতার নাম ‘খোজিং’। 

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

.
কোন বাঙ্গালি বিজ্ঞানী মারকিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কাের সাথে জড়িত?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
  3. ড. কুদরাত-ই-খুদা
  4. জগদীশ চন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়: 
- আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্ম ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট, খুলনার পাইকগাছার রাড়ুলি গ্রামের জমিদার পরিবারে।
- মারকিউরাস নাইট্রাইট (HgNO₂) আবিষ্কার করেন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়।
- তিনি ১৮৯৫ সালে এই যৌগটি আবিষ্কার করেন।
- এটি দেশীয় বিজ্ঞানচর্চার পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচিত।
- তিনি নিজ বাসভবনে গবেষণা শুরু করে পরে বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই প্রতিষ্ঠান ছিল ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম রসায়নভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- তিনি মোট ১২টি যৌগিক লবণ ও ৫টি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কে দায়িত্ব পালন করেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. এ কে ফজলুল হক
  4. নূরুল আমিন
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের পর কৃষক প্রজা পার্টি ও মুসলিম লীগের সমর্থনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হন।

অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ।
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।

এছাড়াও,
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইন প্রবর্তনের পর ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় মুসলিম লীগ ও কৃষক প্রজা পার্টির কোয়ালিশন সরকার গঠিত হয় যার মুখ্যমন্ত্রী (অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী) নির্বাচিত হন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
পাঙন সম্প্রদায় বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অংশ হিসেবে পরিচিত?
  1. খাসিয়া
  2. মারমা
  3. মণিপুরী
  4. হাজং
ব্যাখ্যা

মণিপুরী: 
- পাঙন সম্প্রদায় মূলত মণিপুরী নৃগোষ্ঠীর একটি শাখা।
- মণিপুরের রাজা চৌরজিৎ সিংহের সময়কালে সংঘটিত বার্মা-মণিপুর যুদ্ধ (১৮১৯-১৮২৫) এর প্রেক্ষাপটে মণিপুরী জনগণের একটি অংশ ভারত ও বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়।
- বাংলাদেশে আগত মণিপুরীরা প্রধানত তিনটি শাখায় বিভক্ত হয়: (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ এবং (৩) পাঙন।
- পাঙনরা আর্য বংশভুক্ত হলেও মৈতৈ ভাষায় কথা বলেন এবং তারা ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করেন।
- এদের ভাষাগত পরিচিতি মৈতৈদের সঙ্গে মিলে গেলেও ধর্মীয় পরিচয় আলাদা। ফলে, পাঙনদের আলাদা একটি সম্প্রদায় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- মূলত ধর্মীয় বিশ্বাসে মুসলিম হলেও, তারা মণিপুরী সমাজের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবেই বিবেচিত।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

.
নিম্নোক্ত কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সিলেট অঞ্চলে সাধারণত বসবাস করে না?
  1. পাঙন
  2. মণিপুরী
  3. খাসিয়া
  4. তঞ্চঙ্গ্যা
ব্যাখ্যা
- তঞ্চঙ্গ্যা সিলেট অঞ্চলে বাস করে না।

তঞ্চঙ্গ্যা:
- তঞ্চঙ্গ্যা পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার রইস্যাবিলি, বিলাইছড়ি উপজেলার ফারুয়ার আশপাশের এলাকায় ও কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনার আশপাশের এলাকায়, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়, কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে তঞ্চঙ্গ্যা জাতিগোষ্ঠীর বসবাস।
- তঞ্চঙ্গ্যাদের পেশা মূলত কৃষি।
- এরা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- এদের ভাষায় বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানকে ‘বিষু’ বলা হয়।
- তঞ্চঙ্গ্যা সমাজে পিতার অবর্তমানে পুত্রসন্তানরা সম্পদের মালিকানা পায়।

উল্লেখ্য, 
- মণিপুরী, খাসিয়া, পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বাস করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০.
বাংলাদেশের প্রথম ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য হচ্ছে -
  1. ইলিশ মাছ
  2. নকশিকাঁথা
  3. জামদানি শাড়ি
  4. সাতক্ষীরার চিংড়ি
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো Geographical indication 
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক  হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

সূত্র: পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
১১.
বাংলাদেশে হাজং জনগোষ্ঠীর প্রধান আবাসভূমি কোন জেলা?
  1. নেত্রকোনা
  2. কুড়িগ্রাম
  3. বান্দরবান
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলায় হাজংদের বসবাস সবচেয়ে বেশি।

হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিজ

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১২.
গারোদের সমাজব্যবস্থা কোন ধরনের?
  1. পিতৃতান্ত্রিক
  2. মাতৃতান্ত্রিক
  3. শ্রেণিভিত্তিক
  4. গণতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
- গারো সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। মায়ের হাতেই সম্পত্তি ও পরিবারের কর্তৃত্ব থাকে।

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় গারোদের বাস।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিব্বতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।
 
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩.
ওরাওঁ মূলত বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. বরেন্দ্র অঞ্চল
  3. উপকূলীয় অঞ্চল
  4. উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

ওরাওঁ: 
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি আদিবাসী নৃগোষ্ঠী, তাদের প্রধান বসবাস বরেন্দ্র অঞ্চলজুড়ে।
- বরেন্দ্র অঞ্চল বলতে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলো বোঝানো হয়, যেমন রাজশাহী, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, জয়পুরহাট, বগুড়া, দিনাজপুর ও গাইবান্ধা।
- এছাড়া তারা কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, রংপুর ও নীলফামারী জেলার বিভিন্ন গ্রামে বসবাস করে।
- সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওরাওঁ জনগোষ্ঠী দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে।
- বর্তমানে গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলাতেও তাদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১৪.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে "প্রেসিডেন্সিয়াল আর্লি ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ড ফর সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স" পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. মুহাম্মাদ কুদরাত-এ-খুদা
  2. শহীদুল জহির
  3. কাজী আবুল মনসুর
  4. সাঈফ সালাহউদ্দিন
ব্যাখ্যা
প্রেসিডেন্সিয়াল আর্লি ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ড ফর সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স:
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০১৬ সালে ‘প্রেসিডেন্সিয়াল আর্লি ক্যারিয়ার অ্যাওয়ার্ড ফর সায়েন্টিস্টস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (PECASE)’ পদক লাভ করেন কম্পিউটার বিজ্ঞানী সাঈফ সালাহউদ্দিন।
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ও গবেষক হিসেবে এ পদক পান এহসান হক।
- ১৯৯৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন অসাধারণ সম্ভাবনাময় বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের সম্মান জানাতে এ পদক চালু করেন।
- হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এ পুরস্কারের লক্ষ্য হলো উদ্ভাবনী এবং সুদূরপ্রসারী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের স্বীকৃতি প্রদান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে ক্যারিয়ার সচেতনতা বাড়ানো এবং ভবিষ্যতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গুরুত্বকে তুলে ধরা।

সূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
১৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় মনিপুরী উপজাতি বসবাস করে?
  1. মৌলভীবাজার
  2. জামালপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

মণিপুরী: 
- বাংলাদেশে মণিপুরী আদিবাসীরা মূলত সিলেট বিভাগে বসবাস করে থাকে।
- সবচেয়ে বেশি মণিপুরী বসবাস করেন মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানায়।
- এছাড়া সিলেট শহর ও শহরতলি, হবিগঞ্জ জেলার চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক এলাকাতেও মণিপুরীদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- ইতিহাস অনুযায়ী, ১৮১৯-১৮২৫ সালের মণিপুর-বার্মা যুদ্ধের সময় মণিপুর থেকে ব্যাপক হারে জনগণের আগমন ঘটে বাংলাদেশে, বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলে।
- তারা সিলেটের মীর্জাজাঙ্গালে প্রাসাদ তৈরি করে স্থায়ী বসতি স্থাপন করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১৬.
NIPORT কী?
  1. নদীবন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  2. আবহাওয়া বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. বাণিজ্য বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
NIPORT: 
- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে ঢাকার আজিমপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও
- মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

সূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।