ব্যাখ্যা
কৃষ্ণকান্তের উইল (১৮৭৮) বঙ্কিমচন্দ্রের একটি সামাজিক উপন্যাস।
এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত।
এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গুলোর নাম গোবিন্দলাল, রোহিনী এবং ভ্রমর।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
DPE · ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ · ৮০ প্রশ্ন
কৃষ্ণকান্তের উইল (১৮৭৮) বঙ্কিমচন্দ্রের একটি সামাজিক উপন্যাস।
এটি তার সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত।
এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গুলোর নাম গোবিন্দলাল, রোহিনী এবং ভ্রমর।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
'ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য' সাত সাগরের মাঝি কাব্যগ্রন্থের উপজীব্য।
'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা ফররুখ আহমদ।
এটি প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
'কাশবনের কন্যা' উপন্যাসের রচয়িতা- শামসুদ্দিন আবুল কালাম।
তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস- দুই মহল, আলমনগরের উপকথা, নবান্ন, জায়জঙ্গল, সমুদ্রবাসর, কাঞ্চনগ্রাম ও কাঞ্চনমালা ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
বাংলা সংবাদ-সাময়িকপত্র প্রকাশের প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করেন শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশনারিরা।
১৮১৮ সালে মিশনের পক্ষে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় প্রথম বাংলা সাময়িক পত্র দিগ্দর্শন।
এর ২৬টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়।
পত্রিকাটিতে ইংরেজি প্রবন্ধও প্রকাশিত হতো।
১৮২১ সালের পরে এটি বন্ধ হয়ে যায়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
অভ্যন্তরীণ (অভ্যন্তর + ঈন):
১. মধ্যবর্তী
২. অভ্যন্তরে আছে এমন, ভেতরের
৩. মানসিক
উৎসঃ বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান।
ঈই - কার যোগে গঠিত শব্দঃ শারীরিক, মরীচিকা।
ইঈ - কার যোগে গঠিত শব্দঃ গৃহিনী, মালিনী, বাঘিনী।
বিশেষ ব্যক্তিত্বের নামের বানানঃ পাণিনি, কৃত্তিবাস, দধীচি, বাল্মীকি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
রাত্রির শেষ ভাগ- পররাত্র,
রাত্রির মধ্যভাগ- মহানিশা,
গভীর রাত্রি- নিশীথ,
রাত্রির তিন ভাগ একত্রে- ত্রিযামা,
রাতের শিশির- শবনম।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
‘অধিত্যকা’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ‘উপত্যকা’;
‘আলো’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ‘অন্ধকার’;
‘আবির্ভাব’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ‘তিরোভাব’;
এবং ‘ভারী’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ ‘হালকা’।
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
‘ঐহিক’ শব্দের বিপরীত শব্দ ‘পারত্রিক’;
‘উন্নতি’ শব্দের বিপরীত শব্দ ‘অবনতি’;
‘দৃশ্য’ শব্দের বিপরীত শব্দ ‘অদৃশ্য’;
এবং ‘কৃতজ্ঞ’ শব্দের বিপরীত শব্দ ‘অকৃতজ্ঞ’
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
'সমাস' শব্দের অর্থ সংক্ষেপ, মিলন ও একাধিক পদের একপদীকরণ।
অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি বড় শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে।
সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
সঠিক উত্তরঃ কর্মধারয় সমাস।
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন-
নীল যে অম্বর = নীলাম্বর।
নীল যে আকাশ = নীলাকাশ।
নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম।
রক্ত যে কমল = রক্তকমল।
অতিরিক্ত আলোচনাঃ
যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমনঃ
নীল অম্বর যার = নীলাম্বর।
দশ আনন যার = দশানন।
পদ্ম নাভিতে যার = পদ্মনাভ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
কোনো বিশেষ গুণে কারও দক্ষতা বা ক্ষমতা থাকলে সেখানে বৈষয়িক অধিকরণ হয়।
যেমনঃ রাকিব অঙ্কে কাচা কিন্তু ব্যাকরণে ভালো।
তেমনিভাবে, তিনি ব্যাকরণে পণ্ডিত।
এবং, অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ 'এ' 'য়' 'তে' ইত্যাদি যুক্ত হয়।
সুতরাং, 'ব্যাকরণে' শব্দটি অধিকরণে সপ্তমী৷
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
করণ শব্দটির অর্থ - যন্ত্র, সহায়ক, উপায়।
ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই বলে করণ কারক।
কীসের দ্বারা বা কী উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তাই করণ কারক।
যেমন - “জগতে কীর্তিমান হও সাধনায়” - এই বাক্যে কিসের দ্বারা বা কী উপায়ে কীর্তিমান হওয়া যাবে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় ‘সাধনায়’।
এবং এর সাথে সপ্তমী বিভক্তি ‘এ’ যুক্ত হয়েছে।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
অপশনগুলোতে সঠিক উত্তর নেই।
অ ও আ ভিন্ন অন্য স্বরের পরে বিসর্গ থাকলে এবং তার সাথে অ, আ, বর্গীয় ঘোষ অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ ব্যঞ্জনধ্বনি, নাসিক্যধ্বনি বা অন্তস্থ য, ব, র, ল, হ থাকলে বিসর্গ স্থানে র হয়।
যথা-
নিরাময় = নিঃ + আময়,
আশীর্বাদ = আশীঃ + বাদ,
নিরাকার = নিঃ + আকার,
নিরাকরণ = নিঃ + আকরণ,
নির্জন = নিঃ + জন,
দুর্যোগ = দুঃ + যোগ,
দুরন্ত = দুঃ + অন্ত।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সাহচর্য (বিশেষ্য)
১) সংস্রব (সাধু সাহচর্য)।
২) সহায়তা (কাজে সাহচর্য দান)।
৩) সঙ্গ (সাহচর্য দান)।
{(তৎসম বা সংস্কৃত) সহচর+য(ষ্যঞ্)}
উৎসঃ বাংলা একাডেমী অভিধান।
'বড়র পিরিতি বালির বাঁধ' বাগধারাটির অর্থ ভঙ্গুর।
বাগধারাটি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের একটি বিখ্যাত উক্তি থেকে নেওয়া হয়েছে।
'বড়র পিরিতি বালির বাঁধ, ক্ষণে হাতে দড়ি ক্ষণেকে চাঁদ।'
অর্থাৎ যতই পিরিতি কর না কেন, দিন ফুরালে বালির বাঁধের মতো সব ভেঙে যায়।
সামান্য একটু ঢেউ ও ধসিয়ে দিতে পারে বালির প্রেম।
তবুও ক্ষণেক চাঁদের জন্যই সমাজ দড়িকে মেনে নিতে বাধ্য হয়।
সবুজপত্র বিংশ শতাব্দীর বাংলায় আধুনিকতার বাহন বাংলা সাময়িকী।
প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় সবুজপত্র প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩২১ বঙ্গাব্দের (১৯১৪ সালে) ২৫ বৈশাখ।
বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম।
সাধু গদ্যরীতির বদলে চলিত গদ্যরীতি এই পত্রিকা ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠা করে।
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
কিরণ শব্দের সমার্থক শব্দ- ময়ূখ, কর, প্রভা, দীপ্তি, জ্যোতি, অংশু, রশ্মি, আলো, আলোক, বিভা প্রভৃতি।
রবি শব্দের সমার্থক শব্দ- অর্ক, আফতাব, আদিত্য, মিহির, অরুণ, সূর্য।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
সমাসের জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি সংজ্ঞাঃ
ব্যাসবাক্যঃ যে বাক্যাংশ থেকে সমাসের মাধ্যমে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় ব্যাসবাক্য। একে সমাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্যও বলা হয়।
সমস্ত পদঃ ব্যাসবাক্য থেকে সমাসের মাধ্যমে যে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তাকে বলা হয় সমস্ত পদ।
সমস্যমান পদঃ ব্যাসবাক্যের যে সব শব্দ সমস্ত পদে অন্তর্গত থাকে, সমস্ত পদের সেই সব শব্দকে সমস্যমান পদ বলে।
পূর্বপদঃ সমস্ত পদের প্রথম অংশ/ শব্দকে পূর্বপদ বলে। অর্থাৎ, সমস্ত পদের প্রথম সমস্যমান পদই পূর্বপদ।
পরপদ/ উত্তরপদঃ সমস্ত পদের শেষ অংশ/ শব্দকে পরপদ/ উত্তরপদ বলে। অর্থাৎ, সমস্ত পদের শেষ সমস্যমান পদই পরপদ।
যেমন, সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন।
এখানে ব্যাসবাক্য হলো- ‘সিংহ চিহ্নিত আসন’।
আর সমস্ত পদ হলো ‘সিংহাসন’। সমস্যমান পদ হলো ‘সিংহ’ আর ‘আসন’। এদের মধ্যে ‘সিংহ’ পূর্বপদ, আর ‘আসন’ পরপদ।
We say by car, by bus, by plane, etc. but if there is a determiner (e.g. a/an, the, some, my, his) before the noun, we say in or on.
For example -
- We went by train to Pisa.
- It’s easier to get there by car.
- Did you travel by plane?
Source: Cambridge Dictionary.
অপশনগুলোর মধ্যে (খ) এবং (গ) উভয়ই সঠিক।
With (কারণ নির্দেশ করতে) কারণে: trembling with fear.
With বিষয়ে; সম্পর্কে; be patient with somebody.
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
Incite(verb): encourage or stir up.
Synonym: provoke, instigate, motivate.
Source: Merriam Webster Dictionary.
Isolation- বিচ্ছিন্ন অবস্থা;
Separation- বিচ্ছিন্ন অবস্থা;
Loveliness- সৌন্দর্য;
Sadness- বিষণ্ণতা;
Depression- অবসাদ।
Patriot- দেশপ্রেমিক;
Traitor- দেশদ্রোহী;
Treacherous person- বিশ্বাসঘাতক ব্যক্তি;
Criminal- অপরাধী;
Tout- দালাল।
Limpid এর বিপরীত শব্দ Muddy.
Limpid - স্বচ্ছ
Muddy- কর্দমাক্ত
Watery- স্বচ্ছ
Bright- উজ্জ্বল
Transparent- স্বচ্ছ
Run counter to (বিপরীত হওয়া)- to be opposed to, to disagree with.
Contradict (বিপরীত হওয়া)- to imply the opposite or a denial of.
Cry wolf- to give alarm unnecessarily, give a false alarm.
বাংলা অর্থ- বিপদ এসেছে বলে মিথ্যা চিৎকার করা, মিথ্যা বিপদসংকেত দেওয়া।
Exaggerate (verb transitive), (verb intransitive) অতিরঞ্জিত করা; অত্যুক্তি করা; বাড়িয়ে বলা: He has an exaggerated sense of his own importance.
Exaggeration [noun] [Uncountable noun] অতিরঞ্জন; অতিকথন: a story full of exaggerates.
অপশন (ক), (খ) এবং (ঘ) তে বাক্যের প্রথম অংশে tense ভুল দেওয়া আছে।
Complex এবং Compound sentence এর voice পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা clause এর tense অপরিবর্তিত থাকে।
তাই প্রশ্নোক্ত বাক্যটির প্রথম অংশ present tense হওয়ায় পরিবর্তিত voice-এ তা present tense-ই থাকবে।
তাই সঠিক উত্তর অপশন (গ)।
সঠিক উত্তরঃ Principle verb এবং Transitive verb উভয়ই।
Principal বা Main verb দুই প্রকার। যথা- Transitive verb এবং Intransitive verb.
যে verb এর object থাকে তাকে Transitive verb বলে। যেমন- He writes a letter. এই বাক্যে writes এর object 'a letter'। তাই, 'write' একই সাথে Principle verb এবং Transitive verb.
Enact (verb transitive):
(১) আইনে পরিণত করা; আইন পাস করা।
(২) মঞ্চস্থ করা।
Direct speech এ now থাকলে Indirect speech এ then হয়।
তাই অপশন (ক) এবং (ঘ) উত্তর হবে না।
Reporting verb (said) past tense এ থাকায় reported speech এ shall এর পরিবর্তে should/would হবে।
তাই সঠিক উত্তর অপশন (গ)।
Lest এরপর subject থাকলে should + verb-এর base form হবে।
তাই প্রশ্নোক্ত বাক্যের শূন্যস্থানে should বসবে।
অতিরিক্ত আলোচনাঃ
Lest [লেস্ট্] (conjunction)
(১) যাতে না-ঘটে (এজন্য): I grabbed the iron rail lest I should fall down.
(২) এই আশঙ্কায়: We hurried lest we should miss the train.
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান।
as well as থাকলে তার আগের Noun/Pronoun অনুযায়ী Verb বসে।
তাই অপশন (ঘ) এর বাক্যটি সঠিক।
অন্যান্য অপশনের ভুল বাক্যগুলোর সঠিক রূপঃ
(ক) Few boys are present today.
(খ) His dress is inferior to me.
(গ) He prevented me from going there.
Guard against something- কোন কিছু থেকে রক্ষা করা বা বারণ করা।
তাই অপশন (গ) এর বাক্যটি সঠিক।
অন্যান্য অপশনের ভুল বাক্যগুলোর সঠিক রূপঃ
(ক) He succeeded in getting a job.
(খ) He has been suffering from fever for a week.
(ঘ) The train is running on time.
যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলায় মোট ২৯ টি বিল আছে।
এই উপজেলাতেই ভবদহ বিল অবস্থিত।
উৎসঃ অভয়নগর উপজেলা ওয়েবসাইট।
চাঁদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়কে লেকের উপর স্বাধীনতা যুদ্ধে চাঁদপুরের শহীদের স্মরণে ১৯৮৯ সালে এ মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য অঙ্গীকার নির্মিত হয়।
যার স্থপতি প্রফেসর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ।
এর উদ্বোধক ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
এটি চাঁদপুর কেন্দ্রীয় স্মৃতিসৌধ হিসেবে বিবেচিত।
উৎসঃ চাঁদপুর জেলা সরকারী ওয়েবসাইট।
১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিতে বিভিন্ন ছবি এঁকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন খ্যাতি অর্জন করেন।
দুর্ভিক্ষের উপর তার চিত্রকর্মের মধ্যে ম্যাডোনা-৪৩, দ্য রেবেল ক্রো উল্লেখযোগ্য।
এছাড়া তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে নবান্ন, সংগ্রাম, মনপুরা-৭০, মইটানা, পাইন্যার মা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রবর্ধন অন্যতম।
এ জনপেদর রাজধানী ছিলো বর্তমান বগুড়া জেলায় অবস্থিত পুন্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়।
পরবর্তীতে মৌর্য এবং গুপ্ত শাসনামলেও বাংলার রাজধানী ছিলো পুন্ড্রনগর।
বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রনগর ছিলো সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং এখানে প্রাপ্ত শিললিপি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বলে স্বীকৃত।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
CIRDAP (Center on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific) ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এর সদরদপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
সিরডাপ কার্যালয় চামেলি হাউস নামে পরিচিত।
এর সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
(সূত্রঃ সিরডাপ ওয়েবসাইট)
দারফুর সুদান এর পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এনসাইক্লোপিডিয়া।
রেল ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- স্টিফেনসন।
বাষ্পচালিত ইঞ্জিনের আবিষ্কারক- জেমস ওয়াট।
ফনোগ্রাফ ও বৈদ্যুতিক বাতির আবিষ্কারক- টমাস আলভা এডিসন।
টেলিগ্রাফের আবিষ্কারক- স্যামুয়েল মোর্স।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা।
Adam's peak বা আদম চূড়া বা শ্রী পদ বা পবিত্র পদচিহ্ন, শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের শ্রীপাড়া প্রদেশে অবস্থিত একটি পর্বত চূড়া যা খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও মুসলিম এই চার ধর্মের অনুসারীদের কাছে অতি পবিত্র স্থান।
এই চূড়ায় একটি পায়ের ছাপ আছে যার দৈর্ঘ্য ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি এবং প্রস্থ ২ ফুট ৬ ইঞ্চি।
বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন এই পদচিহ্নটি গৌতম বুদ্ধের, হিন্দুরা বিশ্বাস করেন এই পদচিহ্নটি তাদের দেবতা শিবের এবং মুসলমান ও খ্রিষ্টানরা বিশ্বাস করেন এটি পৃথিবীর প্রথম মানব আদম -এর।
উৎসঃ ব্রিটানিকা এবং ইউনেস্কো।
কোন বস্তুর রং সাদা দেখায় কারণ ঔ বস্তুটি সবগুলো আলোর সব রশ্মিই প্রতিফলন করে।
একই কারণে বরফকেও সাদা দেখায়।
আবার কোন বস্তুর রং লাল দেখায় কারণ বস্তুটি লাল ছাড়া সব আলোর রশ্মিই শোষণ করে নেয়, শুধু লাল আলোর রশ্মিই প্রতিফলন করে।
কোন বস্তুর রং কালো দেখায় কারণ বস্তুটি সবগুলো আলোর সব রশ্মিই শোষণ করে নেয়, আলোর কোন রশ্মিই প্রতিফলন করে না।
গোধূলির মূল কারণ হলো আলোর বিক্ষেপণ।
সূর্য যখন দিগন্তের নিচের দিকে অবস্থান করে, তখন নীল আর সবুজ রং ভেঙে যায় এবং আমরা কমলা এবং লাল রং-এর আভা দেখতে পাই।
এসময় সূর্যকে লাল দেখায়। এটাই গোধূলি নামে পরিচিত।
এর কারণ, আলোর যে রংগুলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট (যেমন বেগুনি এবং নীল) সেগুলোর বিক্ষেপণ বেশি হয়, বেশি তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো যেমন কমলা এবং লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি বলে এর বিক্ষেপণ কম হওয়ায় এরা সরাসরি পৃথিবীতে চলে আসে।
উৎসঃ বিবিসি (এখানে ক্লিক করুন)।
সৌর কোষ (Solar Cell) এক ধরনের সরঞ্জাম যা সূ্র্য্যের আলোক শক্তিকে আলোক-বিভব ক্রিয়ার (Photovoltaic Effect) মাধ্যমে বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করতে পারে।
এটি তৈরিতে সিলিকন ব্যবহৃত হয়।
উৎসঃ ব্রিটানিকা।
পৃথিবীর পৃষ্টে বস্তুর ওজনের অতি সামান্য তারতম্য ঘটে। এর কারণ হচ্ছে পৃথিবী সুষম গোলক নয় এবং ভূপৃষ্টে সর্বত্র অভিকর্ষজ ত্বরণের মানও এক নয়।
এক কেজি ভরের কোন বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হবে পৃথিবীর দুই মেরুতে অর্থাৎ উত্তর মেরু ও দক্ষিণ মেরুতে। যেখানে এর ওজন হবে ৯.৮৩ নিউটন।
বিষুবীয় অঞ্চলে এক কেজি ভরের কোন বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম ৯.৭৮ নিউটন।
ক্রান্তীয় অঞ্চলে এর ওজন হবে ৯.৭৯ নিউটন।
উৎসঃ বিজ্ঞান অষ্টম শ্রেণি।
কাজের একক = বল x সরণ এর একক।
যদি বল F = 1 N, সরণ S = 1 m এবং θ= 0° হয়, তাহলে W = 1J হবে।
1J = 1N m
কোনাে বস্তুর উপর এক নিউটন (N) বল প্রয়ােগের ফলে যদি বলের দিকে বলের প্রয়ােগ বিন্দুর এক মিটার (m) সরণ হয় তবে সম্পন্ন কাজের পরিমাণকে এক জুল (J) বলে।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
সাধারণত কলের পানিতে বিভিন্ন ধাতুর লবণ আয়নিত অবস্থায় থাকে।
যেমন- সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, কোবাল্ট, ক্লোরাইড ইত্যাদি।
যেহেতু ক্লোরাইড আয়ন ক্লোরিন থেকে সৃষ্টি, তাই বলা যায় কলের পানিতে ক্লোরিন থাকে।
রংধনু সৃষ্টির বেলায় পানির কণাগুলো প্রিজমের কাজ করার মাধ্যমে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের সৃষ্টি করে বলে আমরা রংধনু দেখতে পাই।
রংধনুতে ৭টি রং থাকে।
এগুলো হলো বেনীআসহকলা- বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা এবং লাল।
অর্থাৎ হলুদ রঙের দুই পাশের দুইটি রং হলো- সবুজ এবং কমলা।
উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
রক্তকণিকা ৩ ধরনের।
যথা-
১. লোহিত রক্তকণিকা,
২. শ্বেত রক্তকণিকা ও
৩. অনুচক্রিকা।
লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে যার জন্য রক্ত লাল হয়।
উৎসঃ জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
সমাঙ্গ বর্গের প্রধানত ক্লোরোফিলযুক্ত ও স্বভোজী উদ্ভিদরাই শৈবাল।
- এরা মাটি, পানি ও অন্য গাছের উপর জন্মাতে পারে।
- এদের দেহ এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে।
- এদের দেহে কোন পরিবহন কলা থাকে না।
- এর সবুজ, লাল, বাদামী ইত্যাদি নানা রঙের হতে পারে।
- ‘স্পাইরোগাইরা’ নামক শৈবাল জলাশয়ে পাওয়া যায়।
- সামদ্রিক শৈবাল থেকে এ্যালজিন প্রস্তুত করা হয় যা আইসক্রিম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।
- আয়োডিন ও পটাশিয়ামের একটি ভাল উৎস সামদ্রিক শৈবাল।
- মৎস্য চাষে ফাইটোপ্ল্যাংক্টন বিশেষ ভূমিকা রাখে।
- এর প্রধান অংশই শৈবাল।
- চা-পাতার রেড রাস্ট শৈবাল জাতীয় মারাত্মক রোগ।
- পুকুরে শৈবাল ওয়াটারব্লুম সৃষ্টি করে।
- ফলে জলজ প্রাণী ও মাছের অক্সিজেনের অভাব হয়।
[সূত্রঃ বিজ্ঞান সপ্তম শ্রেণি]
বাসস্থানের তুলনায় শিক্ষা, শিল্পায়ন এবং নগরায়ন সামাজিক পরিবর্তনের সাথে বেশি সম্পৃক্ত,
তাই বাসস্থান কে সঠিক উত্তর হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছে।
অতিরিক্ত আলোচনাঃ
বিভিন্ন ধরনের উপাদানের নানামুখী তৎপরতার কারণে সামাজিক পরিবর্তন হয়ে থাকে।
এর মধ্যে জৈবিক, প্রাকৃতিক ও প্রযুক্তিগত উপাদান অতি গুরুত্বপূর্ণ।
মানুষসহ অন্যান্য প্রাণি জৈবিক উপাদানের অংশ।
অন্যদিকে ঝড়, বন্যাসহ প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রাকৃতিক উপাদানের এবং বিজ্ঞানের বিভিন্ন আবিষ্কার প্রযুক্তিগত উপাদানের অংশ।
উৎসঃ এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২, ১৮, ২৪ এর লসাগু = ৭২
সুতরাং, নির্ণেয় লঘিষ্ট সংখ্যা = ৭২ - ২ = ৭০
খ কাজ করতে পারে = (১২ × ২০)/(২০ - ১২) দিনে
= (১২ × ২০)/৮ দিনে
= ৩০ দিনে
বিকল্প পদ্ধতিঃ
ক + খ ১ দিনে করে ১/১২ অংশ এবং ক করে ১/২০ অংশ
∴ খ একদিনে করে = ১/১২ - ১/২০
= ১/৩০ অংশ
∴ খ সম্পুর্ণ কাজটি করে = (৩০ × ১)/১
= ৩০ দিনে
দুটি সন্নিহিত কোণের সমষ্টি এক সমকোণ বা ৯০ ডিগ্রি হলে একটিকে অপরটির পূরক কোণ বলে।
আবার, দুটি সন্নিহিত কোণের সমষ্টি দুই সমকোণ বা ১৮০ ডিগ্রি হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।
স্রোতের অনুকূলে লঞ্চের বেগ ঘন্টায় = লঞ্চের বেগ + স্রোতের বেগ
= ১৮ + ৬ কিমি
= ২৪ কিমি
∴ ৪৮ কিমি যেতে সময় লাগবে = ৪৮/২৪ ঘন্টা
= ২ ঘন্টা।
স্রোতের প্রতিকূলে লঞ্চের বেগ ঘন্টায় = লঞ্চের বেগ - স্রোতের বেগ
= ১৮ - ৬ কিমি
= ১২ কিমি
∴ ৪৮ কিমি যেতে সময় লাগবে ৪৮/১২ = ৪ ঘন্টা।
∴ মোট সময় লাগবে = ২ + ৪ ঘন্টা।
= ৬ ঘন্টা।
ঘরের বিস্তার x মি. হলে, দৈর্ঘ্য = 2x মি.
∴ ক্ষেত্রফল = (x × 2x) = 2x2 বর্গমিটার।
প্রশ্নমতে, 2x2 = 512
=> x2 = 256
∴ x = 16
∴ দৈর্ঘ্য = 32 মি.
ঘরটির পরিসীমা = ২ (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
= ২ (৩২ + ১৬) মি.
= ৯৬ মি.
আমরা জানি,
(x - y)2 = (x + y)2 - 4xy
= (6)2 - 4 × 8
= 36 - 32
= 4
x + y + x - y = 12 + 2
বা, 2x = 14
বা, x = 7
∴ y = 5
So, xy = 35
সরল রেখার দৈর্ঘ্য x হলে বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = x2
এক চতুর্থাংশের দৈর্ঘ্য = x/4 এবং ক্ষেত্রফল = x2/16
∴ x2/(x2/16) = (x2 × 16)/x2 = 16
আমরা জানি,
সংখ্যাগুলোর ল.সা.গু= সংখ্যাগুলোর অনুপাতের গুনফল × গ.সা.গু.
∴ নির্ণেয় ল.সা.গু = ৫×৬×৪ = ১২০
রং দ্বারা বাঁশটির আবৃত অংশ = (২/৫ + ১/৪ + ১/৩) অংশ
= (২৪ + ১৫ + ২০)/৬০ অংশ
= ৫৯/৬০ অংশ।
প্রশ্নমতে,
(১ - ৫৯/৬০) অংশ = ৬ মিটার
বা, ১/৬০ অংশ = ৬ মিটার
বা, ১ মিটার = ৬×৬০ = ৩৬০ মিটার।
ধরি, সংখ্যাটি x
শর্তমতে, √x + ১০ = ৪২
বা, √x = ১৬ - ১০ = ৬
বা, (√x)২ = ৬২ = ৩৬
∴ x = ৩৬
প্রশ্ন: ৪, ৬, ৭ এবং x এর গড়মান ৫.৫ হলে x এর মান কত?
সমাধান:
প্রশ্নমতে,
(৪ + ৬ + ৭ + x)/৪ = ৫.৫
বা, ৪ + ৬ + ৭ + x = ৫.৫ × ৪
বা, ১৭ + x = ২২
বা, x = ২২ - ১৭
∴ x = ৫
১ম নল দ্বারা, ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় ১/১০ অংশ
২য় নল দ্বারা, ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় ১/১২ অংশ
৩য় নল দ্বারা, ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় ১/১৫ অংশ
∴ তিনটি নল দ্বারা ১ ঘন্টায় পূর্ণ হয় (১/১০ + ১/১২ + ১/১৫) অংশ
= (৬ + ৫ + ৪) / ৬০ অংশ
= ১/৪ অংশ
এখন,
১/৪ অংশ পূর্ণ হয় ১ ঘন্টায়
∴ ১ অংশ পূর্ণ হয় ৪ ঘন্টায়
∴ ১/২ অংশ পূর্ণ হয় ৪ × ১/২ ঘন্টায়
= ২ ঘন্টায়
২০% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = ১০০ - ২০ = ৮০ টাকা।
এখন,
বিক্রয়মূল্য ৮০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = ১০০/৮০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৫৬০ টাকা হলে ক্রয়মূল্য = (১০০ X ৫৬০)/৮০ টাকা
= ৭০০ টাকা।
ধরি,
পিতা, পূত্র এবং মাতার বয়স যথাক্রমে ক, খ এবং গ বছর।
তাহলে প্রথম শর্তানুযায়ী,
ক + খ = ৬০
ক = ৬০ - খ
দ্বিতীয় শর্তানুযায়ী,
গ = খ + ২০
সুতরাং, ক ও গ, তথা পিতা ও মাতার বয়সের গড়,
= (৬০ - খ + খ + ২০)/২
= ৮০/২
= ৪০
ত্রিভুজ সংক্রান্ত কিছু অনুসিদ্ধান্তঃ
১) ত্রিভুজের একটি বাহুকে বর্ধিত করলে যে বহিঃস্থ কোণ উৎপন্ন হয়, তা এর বিপরীত অন্তঃস্থ কোণদ্বয়ের সমষ্টির সমান।
২) সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয় বর্ধিত করলে উৎপন্ন কোণদ্বয় স্থুল কোণ হবে।
৩) সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহুকে উভয়দিকে বর্ধিত করলে উৎপন্ন বহিঃস্থ কোণদ্বয় পরস্পর সমান হবে।
সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = √৩/৪ (বাহু)২ বর্গমি.
= √৩/৪ (১৬)২ বর্গমি.
= ৬৪√৩ বর্গমি.
মোট লোকসংখ্যা = (৯+৩) = ১২ জন।
এখন,
৯ জন করতে পারে ১৫ দিনে
১ জন করতে পারে = (১৫ X ৯) দিনে
∴ ১২ জন করতে পারে (১৫X৯)/১২
= ১১(১/৪) দিনে