পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৪১ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৪২
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 11” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪২ প্রশ্ন

.
'আহ্বান করা হয়েছে যাকে' এক কথায় কী বলে?
  1. অবগাহন
  2. রবাহূত
  3. আহৃত
  4. অহূত
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আহূত।
অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
---------------------------- 

• 'আহ্বান করা হয়েছে যাকে' এক কথায় প্রকাশ - আহূত।

অন্যদিকে, 
• 'আবক্ষ জলে নেমে স্নান' এক কথায় প্রকাশ - অবগাহন।
• 'ভোজের সংবাদ শুনে উপস্থিত হয় এমন / অনিমন্ত্রিত আগন্তুক' এক কথায় প্রকাশ - রবাহূত।
• 'নিমন্ত্রিত নয় আমন' এক কথায় প্রকাশ - অহূত। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং অভিগম্য অভিধান।

.
'অজগরটি আসছে তেড়ে।'- বাক্যে 'অজ' কোন ধরনের উপসর্গ?
  1. সংস্কৃত উপসর্গ
  2. বাংলা উপসর্গ
  3. আরবি উপসর্গ
  4. ফারসি উপসর্গ
সঠিক উত্তর:
বাংলা উপসর্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা উপসর্গ
ব্যাখ্যা
• 'অজগরটি আসছে তেড়ে।' বাক্যে 'অজ' বাংলা উপসর্গ।

------------------
বাংলা ব্যাকারণে উপসর্গ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা:
১. বাংলা উপসর্গ,
২. তৎসম/সংস্কৃত উপসর্গ,
৩. বিদেশি উপসর্গ। 

• বাংলা উপসর্গ:
ব্যাকরণে বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি। এগুলো হলো-  
অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

অন্যদিকে,
• তৎসম/সংস্কৃত উপসর্গ:
বাংলা ভাষায় বহু সংস্কৃত শব্দ হুবহু এসে গেছে। সেই সঙ্গে সংস্কৃত উপসর্গও তৎসম শব্দের আগে বসে শব্দের নতুন রূপে অর্থের সংকোচন সম্প্রসারণ করে থাকে।
ব্যাকরণে তৎসম উপসর্গের সংখ্যা বিশটি- প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

• বিদেশি উপসর্গ:
• ফারসি উপসর্গ: কার্, দর্, না, নিম্, ফি, বদ্‌, বে, বর্, ব্‌, কম্।
• আরবি উপসর্গ: আম্, খাস, লা, গর্।
• ইংরেজি উপসর্গ: ফুল, হাফ, হেড, সাব।
• উর্দু-হিন্দি উপসর্গ: হর।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
'চরণকমল' সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
  1. কমলের মতো কমল
  2. চরণ ন্যায় কমল
  3. কমলের ন্যায় চরণ
  4. চরণ কমলের ন্যায়
সঠিক উত্তর:
চরণ কমলের ন্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চরণ কমলের ন্যায়
ব্যাখ্যা
• উপমিত কর্মধারয়:
এ সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝখানে 'মতো' অথবা শেষে 'ন্যায়' শব্দ থাকবে এবং বিশেষ্য -পদের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাস হবে।

অন্যভাবে,
• যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমেয়। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়। এগুলোকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।

যেমন:
- চাঁদের মতো মুখ - চাঁদমুখ;
- ফুলের মতো কুমারী - ফুলকুমারী; 
- কর পল্লবের ন্যায় - করপল্লব;
- ওল কপির ন্যায় - ওলকপি;
- চরণ কমলের ন্যায় - চরণকমল;
- বাহু লতার ন্যায় - বাহুলতা;
- বীর কেশরীর ন্যায় - বীরকেশরী;
- কুমারী ফুলের ন্যায় - ফুলকুমারী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
'ফ' ধ্বনির উচ্চারণ স্থানগত অবস্থান কোনটি?
  1. ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
  2. কণ্ঠনালী ব্যঞ্জন
  3. মূর্ধন্য ব্যঞ্জন
  4. দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন
সঠিক উত্তর:
ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা
• উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন,
- দন্ত্য ব্যঞ্জন,
- দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন,
- মূর্ধন্য ব্যঞ্জন,
- তালব্য ব্যঞ্জন,
- কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন,
- কণ্ঠনালী ব্যঞ্জন।

• ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরিচিত। পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
.
আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম কী?
  1. পালি ভাষা
  2. খাঁটি বাংলা ভাষা
  3. দেশি ভাষা
  4. উপভাষা
সঠিক উত্তর:
উপভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপভাষা
ব্যাখ্যা
• আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম উপভাষা।

• উপভাষা:
• উপভাষা হচ্ছে প্রমিত ভাষার (Standard Language) পাশাপাশি প্রচলিত অঞ্চলবিশেষের জনগোষ্ঠী কর্তৃক ব্যবহূত আঞ্চলিক ভাষা। পৃথিবীর সর্বত্রই প্রমিত ভাষার পাশাপাশি এক বা একাধিক আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা (Dialect) ব্যবহূত হয়ে থাকে।

• প্রমিত ভাষার সঙ্গে উপভাষার ব্যবধান ধ্বনি, রূপমূল, উচ্চারণ ও ব্যাকরণগত কাঠামোর মধ্যে নিহিত থাকে। সাধারণত প্রমিত ভাষায় ভাষাভঙ্গির সংখ্যা বৃদ্ধি, ভৌগোলিক ব্যবধান এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক শ্রেণিবিন্যাসগত পার্থক্যের কারণে উপভাষার সৃষ্টি হয়। প্রমিত ভাষা দেশের সর্বস্তরে ব্যবহূত হয়; লিখিত পদ্ধতির ক্ষেত্রেও তা অনুসৃত হয়, কিন্তু উপভাষার ব্যবহার কেবল বিশেষ অঞ্চলের জনসাধারণের মধ্যেই সীমিত থাকে।

• বাংলাদেশে বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থার অভাব, অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং সামাজিক ও ধর্মীয় কারণে বিভিন্ন উপভাষার সৃষ্টি হয়েছে। ব্রিটিশ আমলে কলকাতায় স্বতন্ত্র শ্রেণির প্রমিত ভাষা গড়ে উঠলেও ঢাকায় তা হয়নি; এমনকি ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ার পরেও নয়।

• বাংলাদেশের উপভাষাসমূহকে প্রধানত চার শ্রেণিতে ভাগ করা যায়, যথা: ১. উত্তরবঙ্গীয় দিনাজপুর, রাজশাহী, বগুড়া ও পাবনায় প্রচলিত উপভাষা; ২. রাজবংশী রংপুরের উপভাষা; ৩. পূর্ববঙ্গীয় (ক) ঢাকা, ময়মনসিংহ, ত্রিপুরা, বরিশাল ও সিলেটের উপভাষা, (খ) ফরিদপুর, যশোর ও খুলনার উপভাষা এবং ৪. দক্ষিণাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও চাকমা উপভাষা। 

• বাংলাদেশে উপভাষার বহুল ব্যবহারের জন্য উপভাষাভাষী ও প্রমিত ভাষাভাষীদের মধ্যে বৈষম্য লক্ষ্য করা যায়। বাংলা ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে তিনটি ভাষারীতি সমানভাবে ব্যবহূত হয়ে থাকে। সাধারণভাবে শিক্ষিত শ্রেণির মধ্যে লেখ্য ও কথ্যরূপে প্রমিত বাংলা, লিখিতরূপে ও পাঠ্যপুস্তকে সাধু/চলিত রীতি এবং বিভিন্ন অঞ্চলের ভাষাভাষীদের মধ্যে মৌখিক ভাষারূপে উপভাষা ব্যবহূত হয়।

• বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান ১৯৬৫ সালে মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র সম্পাদনায় বাংলা একাডেমী থেকে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে, 
• পালি প্রাচীন ভারতের একটি অন্যতম বড় ভাষা। ‘পালি’ শব্দটি ‘পাঠ’ (Sacred Text) অর্থে ব্যবহূত হয়েছে। গৌতম বুদ্ধ এ ভাষায় শিষ্যদের পাঠ বা উপদেশ দিতেন; তাই বুদ্ধবচনই হচ্ছে পালি (ইতি পি পালি)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
কোনটি সমীভবনের উদাহরণ?
  1. পোখত্ > পোক্ত
  2. স্বপ্ন > স্বপন
  3. গলদা > গল্লা
  4. সুবর্ণ > স্বর্ণ
সঠিক উত্তর:
গলদা > গল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গলদা > গল্লা
ব্যাখ্যা
• সমীভবন বা সমীকরণ:
শব্দের মধ্যে পাশাপাশি অবস্থিত অসম ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সুবিধার্থে একে অপরের প্রভাবে সঙ্গতি বা সাম্য লাভকরলে, তাকে বলা হয় সমীভবন বা সমীকরণ।
যেমন- জন্ম > জন্ম, কাঁদনা > কান্না ইত্যাদি।

সমীভবন তিন রীতির হয়। যথা- (ক) প্রগত সমীভবন, (খ) পরাগত সমীভবন, (গ) অন্যোন্য সমীভবন।

ক. প্রগত সমীভবন:
পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী অসম ব্যঞ্জনধ্বনি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সমতা প্রাপ্ত হয়। যেমন-পক্ব > পক্ক, পূর্ববর্তী 'ক'-এর প্রভাবে পরবর্তী 'ব' উচ্চারণে 'ক'-তে রূপান্তরিত হয়ে সাম্য লাভ করেছে।
একইভাবে,
- চন্দন > চন্নন,
- গলদা > গল্লা,
- স্বর্ণ > সন্ন,
- পদ্ম > পদ্দ,
- রাজ্য > রাজ্জ,
- চক্র > চক্কর,
- লগ্ন > লগ্ন ইত্যাদি।

--------------------
অন্যদিকে, 
• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি:
সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন-ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন-
অ - রত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন > স্বপন, হর্ষ > হরষ ইত্যাদি।
ই - প্রীতি > পিরীতি, ক্লিপ> কিলিপ, ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি।
উ - মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক, ভ্রু > ভুরু ইত্যাদি।
এ - গ্রাম > গেরাম, প্রেক> পেরেক, স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।
ও - শ্লোক > শোলোক, মুরগ> মুরোগ > মোরগ ইত্যাদি।

• অন্ত্যস্বরাগম:
কোনো কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে। এরূপ স্বরাগমকে বলা হয় অন্ত্যস্বরাগম।
যেমন: দিশ্ > দিশা, পোখত্ > পোক্ত, বেঞ্চ > বেঞ্চি, সত্য > সত্যি ইত্যাদি।

• সম্প্রকর্ষ বা স্বরলোপ:
দ্রুত উচ্চারণের জন্য শব্দের আদি, অন্ত্য বা মধ্যবর্তী কোনো স্বরধ্বনির লোপকে বলা হয় সম্প্রকর্ষ। যেমন- বসতি > বস্তি, জানালা > জান্না ইত্যাদি।
ক. আদিস্বরলোপ (Aphesis): যেমন- অলাবু > লাবু > লাউ, উদ্ধার > উধার > ধার।
খ. মধ্যস্বর লোপ (Syncope): অগুরু > অগ্নু, সুবর্ণ > স্বর্ণ
গ. অন্ত্যস্বর লোপ (Apocope): আশা > আশ, আজি > আজ, চারি > চার (বাংলা), সন্ধ্যা > সঞঝা > সাঁঝ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুসারে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. লবণ
  2. হরিণ
  3. বাণিজ্য
  4. কণিকা
সঠিক উত্তর:
হরিণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিণ
ব্যাখ্যা
• ণ-ত্ব বিধান:
তৎসম শব্দের বানানে মূর্ধন্য-ণ এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণত্ব বিধান।

মূর্ধন্য-ণ ব্যবহারের নিয়ম:
১. ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় মূর্ধন্য 'ণ' যুক্ত হয়। যেমন- ঘণ্টা, লণ্ঠন, কান্ড ইত্যাদি।
২. ঋ, র, ষ – এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেমন- ঋণ, তৃণ, বর্ণ, বর্ণনা, কারণ, মরণ, ব্যাকরণ, ভীষণ, ভাষণ, উষ্ণ ইত্যাদি।
৩. ঋ, র, ষ-এর পরে স্বরধ্বনি, য, য়, ব, হ, ং এবং ক-বর্গীয় ও প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেমন- কৃপণ (ঋ-কারের পরে প্, তার পরে ণ), হরিণ (র-এর পরে ই, তার পরে ণ, অর্পণ (র্ + প্ + অ+), লক্ষণ (ক্+ + অ + )। এরূপ রুক্মিণী, ব্রাহ্মণ ইত্যাদি।

• কতকগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ণ হয়। যেমন: চাণক্য, মাণিক্য, গণ, বাণিজ্য, লবণ, মণ, বেণু, বীণা, কঙ্কণ, কণিকা, কল্যাণ, শোণিত, মণি, স্থাণু, গুণ,  পুণ্য, বেণী। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)
.
"শোনা" কোন ধরনের বিশেষ্য পদ?
  1. গুণবাচক বিশেষ্য
  2. সংজ্ঞাবাচক বিশেষ্য
  3. ভাববাচক বিশেষ্য
  4. সমষ্টিবাচক বিশেষ্য
সঠিক উত্তর:
ভাববাচক বিশেষ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাববাচক বিশেষ্য
ব্যাখ্যা
বিশেষ্য পদ ছয় প্রকার। যথা- 
১. সংজ্ঞা বা নামবাচক, 
২. জাতিবাচক, 
৩. দ্রব্যবাচক, 
৪. সমষ্টিবাচক,
৫. ভাববাচক,
৬. গুণবাচক। 

১. সংজ্ঞা বা নামবাচক বিশেষ্য: যে পদ দ্বারা কোনো ব্যক্তি, ভৌগোলিক স্থান বা সংজ্ঞা এবং গ্রন্থ বিশেষের নাম বিজ্ঞাপিত হয়, তাকে সংজ্ঞা (বা নাম) বাচক বিশেষ্য বলে। যথা-
(ক) ব্যক্তির নাম: নজরুল, ওমর, আনিস, মাইকেল। 
(খ) ভৌগোলিক স্থানের: ঢাকা, দিল্লি, লন্ডন, মক্কা। 
(গ) ভৌগোলিক সংজ্ঞা: (নদী, পর্বত, সমুদ্র ইত্যাদি) মেঘনা, হিমালয়, আরব সাগর। 
(ঘ) গ্রন্থের নাম: 'গীতাঞ্জলি', 'অগ্নিবীণা', 'দেশে বিদেশে', 'বিশ্বনবি'। 

২. জাতিবাচক বিশেষ্য:
যে পদ দ্বারা কোনো একজাতীয় প্রাণী বা পদার্থের সাধারণ নাম বোঝায়, তাকে জাতিবাচক বিশেষ্য বলে। যেমন- মানুষ, গরু, পাখি, গাছ, পর্বত, নদী, ইংরেজ।

৩. কতুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য:
যে পদে কোনো উপাদানবাচক পদার্থের নাম বোঝায়, তাকে বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য বলে। এই জাতীয় বস্তুর সংখ্যা ও পরিমাণ নির্ণয় করা যায়। যথা- বই, খাতা, কলম, থালা, বাটি, মাটি, চাল, চিনি, লবণ, পানি।

৪. সমষ্টিবাচক বিশেষ্য:
যে পদে বেশকিছু সংখ্যক ব্যক্তি বা প্রাণীর সমষ্টি বোঝায়, তা-ই সমষ্টিবাচক বিশেষ্য। যথা- সভা, জনতা, সমিতি, পঞ্চায়েত, মাহফিল, ঝাঁক, বহর, দল।

৫. ভাববাচক বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য পদে কোনো ক্রিয়ার ভাব বা কাজের ভাব প্রকাশিত হয়, তাকে ভাববাচক বিশেষ্য বলে। যথা- গমন (যাওযার ভাব বা কাজ), দর্শন (দেখার কাজ), ভোজন (খাওয়ার কাজ), শয়ন (শোয়ার কাজ), দেখা, শোনা।

৬. গুণবাচক বিশেষ্য:
যে বিশেষ্য দ্বারা কোনো বস্তুর দোষ বা গুণের নাম বোঝায়, তা-ই গুণবাচক বিশেষ্য। যথা-মধুর মিষ্টত্বের গুণ- মধুরতা, তরল দ্রব্যের গুণ-তারল্য, তিক্ত দ্রব্যের দোষ বা গুণ- তিক্ততা, তরুণের গুণ-তারুণ্য ইত্যাদি। তদ্রুপ- সৌরভ, স্বাস্থ্য, যৌবন, সুখ, দুঃখ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮-সংস্করণ)।
.
কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া থেকে প্রকাশিত পত্রিকা কোনটি?
  1. লহরী
  2. মিহির
  3. হিতকরী
  4. বাসনা
সঠিক উত্তর:
হিতকরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিতকরী
ব্যাখ্যা
• 'হিতকরী' পত্রিকা:
- 'হিতকরী' পত্রিকা ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া থেকে মীর মশাররফ হোসেনের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তীতে এর সম্পাদক হন মোসলেম উদ্দীন খান।
- বাঙালি মুসলিমদের মাতৃভাষা বাংলাচর্চা এবং হিন্দু মুসলিম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ ও প্রবন্ধ ছাপা হয় পত্রিকাটিতে।

অন্যদিকে,
-----------------
• 'মিহির ও সুধাকর' পত্রিকা:
১৮৯২ সালের ২৭ জানুয়ারি শেখ আবদুর রহিম মিহির নামে একটি মাসিক পত্রিকা চালু করেন, যা অনিয়মিতভাবে প্রকাশিত হতো। ১৮৯৫ সালে মিহির এবং সুধাকর একীভূত হয়ে মিহির ও সুধাকর নাম ধারণ করে। প্রথমে কলকাতার ২৫, রায়বাগান স্ট্রিট থেকে এটি প্রাশিত হতো। পরবর্তীতে তা ৪২, মেটকাফ স্ট্রিটে স্থানান্তরিত হয়।

• 'লহরী' পত্রিকা:
- লহরী' নামক 'নানা বিষয়িনী কবিতাময়ী সমালোচনী পত্রিকা' মোজাম্মেল হকের সম্পাদনায় ১৯০০ সালে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
- পত্রিকাটিতে কেবল কবিতাই প্রকাশিত হতো। সম্পাদক হিন্দু কবিগণের কবিতা স্থান দিতেন।
- 'লহরী'তে প্রকাশিত কবিতাগুলোর যে পরিচয় পাওয়া যায় তাতে, কবির আত্মগত ভাবকল্পনাকে আশ্রয় করে খণ্ড কবিতা, মুসলমানদের জাতীয় গৌরব, তুরস্কের মহিমা প্রভৃতি বিষয় অবলম্বনে এবং সমসাময়িক সমাজের বিভিন্ন সমস্যাকে অবলম্বন করে কবিতা দেখা যায়।' - পত্রিকাটি কিছুকাল পরেই অকালমৃত্যুর অধীন হয়েছিল।

• 'বাসনা' পত্রিকা:
- বাসনা' নামে সাহিত্য মাসিকটি প্রকাশিত হয়েছিল রংপুরের কাকিনা থেকে ১৯০৮ সালে। শেখ ফজলল করিম ছিলেন এর সম্পাদক।
- পত্রিকাটি প্রায় দুই বৎসর স্থায়ী হয়েছিল। নিয়মিত লেখকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন রিয়াজউদ্দীন আহমদ, মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, তসলিমুদ্দীন আহমদ, সৈয়দ নুরুল হোসেন, মুনসী হামেদ আলী, খগেন্দ্রনারায়ণ দাস, ললিতমোহন সেন প্রমুখ।
- ধর্ম ইতিহাস দর্শন বিজ্ঞান জীবনী সমালোচনা প্রভৃতি বিষয়ে রচিত প্রবন্ধ এবং গল্প কবিতা এতে প্রকাশিত হতো। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসলেখকগণ নিজ নিজ সমাজ ও ঐতিহ্য সম্বন্ধে সচেতন ছিলেন।
- 'হিন্দু মুসলমান উভয় শ্রেণির লেখকই তাঁদের স্বীয় ধর্ম, সংস্কৃতি ও সমাজ সম্পর্কে নিজেদের ভাবনা পত্রিকায় প্রকাশ করেছেন। ইতিহাস, দর্শন প্রভৃতি চর্চা করেছেন এবং সঙ্গে সঙ্গে সাম্প্রদায়িক ঐক্য কামনা করেছেন।'

উৎস: বাংলাপিডিয়া; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
"প্রহরশেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্রমাস, তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ"- উক্তিটি রবীন্দ্রনাথের কোন উপন্যাসে উধৃত হয়েছে?
  1. চার অধ্যায়
  2. চোখের বালি
  3. চতুরঙ্গ
  4. গোরা
সঠিক উত্তর:
চার অধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চার অধ্যায়
ব্যাখ্যা
• 'চার অধ্যায়' উপন্যাস:
- 'চার অধ্যায়' একটি রাজনৈতিক উপন্যাস। অসহযোগ আন্দোলনের পর বাংলায় নতুন করে যে হিংসাত্মক বিপ্লব-প্রচেষ্টা দেখা দিয়েছিলো, 'চার-অধ্যায়' উপন্যাসে তার তত্ত্ববিশ্লেষণ এবং নিরপেক্ষ মূল্য নির্ধারণের চেষ্টা আছে।
- 'চার অধ্যায়' কাহিনির সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের 'রবিরার' গল্পের সম্পর্ক রয়েছে।

- সন্ত্রাসবাদের সমালোচনা করে এই উপন্যাসটি রচিত। উপন্যাসের চরিত্রে ইন্দ্রনাথ সন্ত্রাসবাদীদের নেতা। তিনি একদিকে অতিমানবিক অন্যদিকে নিষ্ঠুর ও মানবতাশূন্য। ইন্দ্রনাথ এর নির্দেশে অতীন ও এলার প্রেমের সমাপ্তি এই উপন্যাসের মূখ্য কাহিনি।

- সমকালীন বিপ্লবপন্থী আন্দোলনের প্রতি রবীন্দ্রনাথের বিরূপ মনোভাব এই উপন্যাসের মূলসুর। গ্রন্থটি ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বন্দীদের প্রতি উৎসর্গ করেন।

- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য উক্তি- "প্রহরশেষের আলোয় রাঙা সেদিন চৈত্রমাস, তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ"। 

• উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- অতীন,
- এলা,
- ইন্দ্রনাথ।

অন্যদিকে,
• 'চোখের বালি' বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি সামাজিক উপন্যাস। ১৯০১-০২ সালে নবপর্যায় বঙ্গদর্শন পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। ১৯০৩ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস- চতুরঙ্গ (১৯১৬)। এটি সাধু ভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস।
• গোরা (১৯১০) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বৃহত্তম ও রাজনৈতিক উপন্যাস। ধর্মান্দোলন, স্বদেশপ্রেম, এবং নারীমুক্তি চিন্তার পটভূমিকায় এই উপন্যাসটি লেখা হয়েছে।

উৎস: 'চার অধ্যায়' উপন্যাস; বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১.
কোনটি নাথ সাহিত্য?
  1. দস্যু কেনারামের পালা
  2. গোরক্ষ বিজয়
  3. কঙ্ক ও লীলা
  4. মলুয়া
সঠিক উত্তর:
গোরক্ষ বিজয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোরক্ষ বিজয়
ব্যাখ্যা
• নাথসাহিত্য:
- নাথধর্মের আচার-আচরণ ও নাথযোগীদের কাহিনিভিত্তিক সাহিত্য। এটি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা।
- এ সাহিত্য দুটি ধারায় বিকাশ লাভ করে: একটি হলো সাধন-নির্দেশিকা, আর অন্যটি হচ্ছে গাথাকাহিনি বা আখ্যায়িকা।

• কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাথ সাহিত্য হলো:
- 'গোরাক্ষ বিজয়' এর রচয়িতা শেখ ফয়জুল্লাহ।
- 'গোপীচন্দ্রের সন্যাস' এর রচয়িতা শুকুর মাহমুদ।
- 'মীনচেতন' এর রচয়িতা শ্যামাদাস সেন।
- 'ময়নামতির গান' এর রচয়িতা ভবানী দাস।
- 'গোর্খবিজয়' এর রচয়িতা ভীমসেন রায়।

• নাথ গীতিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- প্রাপ্ত পুথির ভিত্তিতে ময়নামতী-গোপীচন্দ্রের গানের তিনজন কবির সন্ধান পাওয়া যায় দুর্লভ মল্লিক, ভবানী দাস ও শুকুর মাহমুদ।
- দুর্লভ মল্লিকের কাব্যের নাম গোবিন্দচন্দ্র গীত; সম্পাদনা করেন শিবচন্দ্র শীল।
- নলিনীকান্ত ভট্টশালীর সম্পাদনায় ভবানী দাসের ময়নামতীর গান এবং শুকুর মাহমুদের গোপীচাঁদের সন্ন্যাস কাব্যদুটি ঢাকা সাহিত্য পরিষৎ থেকে প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে, 
• মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা ও রূপকথা স্থান পেয়েছে। যথা:
- মহুয়া,
- মলুয়া,
- চন্দ্রাবতী,
- কমলা,
- দেওয়ান ভাবনা,
- দস্যু কেনারামের পালা,
- রূপবতী,
- কঙ্ক ও লীলা,
- কাজলরেখা (রূপকথা) ও
- দেওয়ান মদিনা।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।
১২.
কোনটি জীবনানন্দ দাশ রচিত উপন্যাস?
  1. কবিতার কথা
  2. বেলা অবেলা কালবেলা
  3. জলপাইহাটি
  4. মহাপৃথিবী
সঠিক উত্তর:
জলপাইহাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জলপাইহাটি
ব্যাখ্যা
• 'জলপাইহাটি' উপন্যাস:
- জীবনানন্দ দাশ রচিত 'জলপাইহাটি' উপন্যাসটির রচনাকাল ১৯৪৮ খ্রি.।
- উপন্যাসের মূল বিষয় দেশভাগের মর্মন্তুদ পরিণতি। যেখানে কাহিনির ভিতর দিয়ে চিত্রিত হয়েছে উপমহাদেশের বৃহত্তম ট্রাজিক ঘটনার দহন ও বীভৎসতা।

- জলপাইহাটি উপন্যাসের প্লট নিবিড় হয়েছে দুটি স্থানের ঘটনাকে নিয়ে। উল্লিখিত জায়গার একটি স্বাধীন ভারতের কলকাতা এবং অন্যটি হলো পূর্ব-পাকিস্তানের জলপাইহাটি গ্রাম। কাহিনিতে প্রতিফলিত হয়েছে দেশভাগের পরের পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি। তেতাল্লিশের দুর্ভিক্ষ, বস্ত্রসংকট, কালোবাজারি কারবার এবং দেশভাগের কারণে মানুষের উদ্বাস্তু জীবনে সীমাহীন দুর্ভোগ নেমে আসে। লেখক শৈল্পিক দক্ষতায় সমসাময়িক সময়কে নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন তাঁর লেখায়।

---------------
জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থগুলো হলো:
- ঝরা পালক (এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য গ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

• প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কবিতার কথা।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য জিজ্ঞাসা, সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া এবং 'জলপাইহাটি' উপন্যাস।
১৩.
নিচের কোন ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমন ঘটেছে?
  1. খুটুর খুটুর
  2. ঝটাঝট
  3. জ্বলজ্বল
  4. থকথকে
সঠিক উত্তর:
ঝটাঝট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝটাঝট
ব্যাখ্যা
• ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব:
কোনো প্রাকৃতিক ধ্বনির অনুকরণে যেসব শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোকে ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে।
যেমন:
ঠন একটি ধ্বন্যাত্মক শব্দ। কোনো ধাতব পদার্থের সঙ্গে অন্য পদার্থের সংঘর্ষে এই ধরনের ধ্বনি তৈরি হয়। ঠন শব্দটি পরপর দুই বার বা কখনো ততোধিক বার ব্যবহৃত হলে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব সৃষ্টি হয়।

• অনেক সময়ে কল্পিত ধ্বনির ভিত্তিতেও ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্ব তৈরি হয়।
যেমন:
- ফোরা টনটন করে।
- গা ছমছম করে।

কয়েকটি ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের উদাহরণ:
কুট কুট, কোঁত কোঁত, কুটুস-কুটুস, খক খক, খুটুর-খুটুর, টুং টুং, ঠুক ঠুক, ধুপ ধুপ, দুম দুম, ঢং ঢং, চকচক, জ্বলজ্বল, ঝমঝম, টসটস, থকথকে, ফুসুর ফুসুর, ভটভট, শোঁ শোঁ, হিস হিস।

• কিছু ক্ষেত্রে ধ্বন্যাত্মক দ্বিত্বের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমন ঘটে।
যেমন- খপাখপ, গবাগব, ঝটাঝট, ফটাফট, দমাদম, পটাপট।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪.
'অন্তরিক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. সমুদ্র
  2. আকাশ
  3. আত্মা
  4. ভূগর্ভ
সঠিক উত্তর:
আকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকাশ
ব্যাখ্যা
• অন্তরিক্ষ (বিশেষ্য পদ),
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ: 
- আকাশ;
- গগন।

• 'আকাশ' শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো:
গগন, অন্তরিক্ষ, অম্বর, ব্যোম, আসমান, দ্যুলোক, শূন্য, নভঃ, সুরপথ, অম্বরতল, খগোল, নক্ষত্রলোক, নভোলোক, নভস্থল ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৫.
'সফল' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. পণ্ড
  2. অধঃ
  3. লঘু
  4. শ্লথ
সঠিক উত্তর:
পণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পণ্ড
ব্যাখ্যা
• 'সফল' এর বিপরীতার্থক শব্দ - পণ্ড।

অন্যদিকে,
• ঊর্ধ্ব - অধঃ।
• ত্বরিত - শ্লথ।
• গুরু - লঘু।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ১৯ সংস্করণ)।
১৬.
নিচের কোন বর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নেই?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• 'অ' বর্ণ:
- 'অ' কোনো বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে দেখা যায় না। কারণ 'অ'-এর কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নেই।
- কিন্তু 'অ' ছাড়া বাকি স্বরধ্বনিগুলোর সংক্ষিপ্ত রূপ আছে বলে সেগুলো কোনো বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হলে দেখা যায়।
যেমন:
- কর = কর্ + অ ('অ') দেখা যায় না।

আবার,
করা = কর্ + আ ('আ') দেখা যায়।
[অর্থাৎ 'অ' অন্য বর্ণের সঙ্গে লুকিয়ে থাকতে পারে বা নিঃশেষে লীন হয়ে থাকতে পারে বলে নিলীন বর্ণ।]

অন্যদিকে, 
• স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' বলে। বাংলায় কার বর্ণের সংখ্যা- ১০ টি।
যেমন:
আ - কার, ই- কার, ঈ কার, উ- কার, ঊ কার, ঋ - কার, এ - কার, ঐ - কার, ও - কার, ঔ - কার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭.
জসীম উদ্‌দীন সম্পাদিত লোকসঙ্গীত গ্রন্থ কোনটি?
  1. পূর্ববঙ্গ গীতিকা
  2. লালন গান
  3. জারীগান
  4. ভাটিয়ালি গান
সঠিক উত্তর:
জারীগান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জারীগান
ব্যাখ্যা
• জসীম উদ্‌দীন 'জারীগান' (১৯৬৮) ও 'মুর্শীদা গান' (১৯৭৭) নামে লোকসঙ্গীতের দুখানি গ্রন্থ সংকলন ও সম্পাদনা করেন।

• জসীম উদ্‌দীনের সম্পাদনায় এবং বাংলা উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় জারীগান বইটি ১৯৬৭ সালে প্রথম প্রকাশ করা হয়। বইটির মুদ্রণ অবিকৃত রাখার উদ্দেশ্যে প্রথম মুদ্রিত বইটি 'ফিল্ম' করে দ্বিতীয় মুদ্রণ প্রকাশ করা হয়েছে।

• জারী গান একান্তভাবেই বাংলাদেশের নিজস্ব সৃষ্টি। এ গ্রন্থে জারী গানের মোট ২৩টি পালা সংকলিত হয়েছে। গ্রন্থের ভূমিকায় জসীম উদ্‌দীন জারী গানের উৎস এবং বিভিন্ন এলাকার জারি গানের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরেন।

গ্রন্থের ভূমিকায় কবি লিখেন-
জারীগান, বিষাদের গান। এই গান স্বাধীনতাপূর্ব বঙ্গদেশের মুসলিম সংস্কৃতির একটি সাফল্যজনক নিদর্শন। মুসলমানেরাই এদেশে জারীগানের প্রথম প্রবর্তন করেন। এই গানের বিষয়বস্তু মুসলমানী পৌরাণিক ঘটনাবলী হইলেও মুহব্রমের করুণ কাহিনি ইহাতে প্রধান অংশ গ্রহণ করিয়াছে। কোন কোন জারীগানের দলে চণ্ডীদাস-রজকিনী, নিমাই-সন্ন্যাস প্রভৃতি কাহিনিও জারীর সুরে গাওয়া হয়। ইহা হয়ত আসরের হিন্দু-শ্রোতাদের মনোরঞ্জনের জন্য।
এখানে একটি কথা বলিয়া রাখি। স্বাধীনতাপূর্ব বালা দেশে হিন্দু-মুসলমানের সংখ্যা প্রায় সমান সমান ছিল। যে কোন গানের আসরে হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের শ্রোতাই থাকিত। সেই জন্য এ দেশের ধর্মকাহিনিকে কতকটা সার্বজনীন করিয়া লইতে না পারিলে শ্রোতাদের মন পাওয়া যাইত না। তাই এদেশের উভয় সম্প্রদায়ের পৌরাণিক কাহিনিগুলি অনেকটা মানবীয় ধর্মে অনুরঞ্জিত হইয়া উঠিয়াছে। এ কথা আমরা অন্যত্র বিশদভাবে আলোচনা করিব।
পূর্বেই বলিয়াছি, জারীগানে নানারকম কাহিনি বর্ণিত হইলেও মুহরমের করুণ গাথা এই গানের প্রধান বিষয়বস্তু। প্রথমে মুহরমের কাহিনি লইয়াই জারীগানের আরম্ভ হইয়াছে। পরবর্তীকালে অন্যান্য শ্রোতার চাহিদা অনুসারে অন্যান্য কাহিনি এই গানে প্রবেশ করিয়াছে। সুপ্রসিদ্ধ ঐতিহাসিক মিঃ খোদা-বশের একটি প্রবন্ধ হইতে মুহৱম কাহিনির ঐতিহাসিক ঘটনাবলীর উল্লেখ করি।

উল্লেখ্য, 
• জসীম উদ্‌দীনের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে গবেষণার ফসল মুর্শীদা গান বইটি। যা বাংলা উন্নয়ন বোর্ড ১৯৬৬ সালে প্রকাশনার জন্য হাতে নিয়েছিল, কিন্তু রাজনৈতিক কারণে বাংলা উন্নয়ন বোর্ডের বিলুপ্তির পর বাংলা একাডেমি প্রচণ্ড অবহেলার সাথে কবির মৃত্যুর পর "মুর্শীদা গান" বইটি প্রকাশ করে।

উৎস: 'জারীগান' গ্রন্থের ভূমিকা এবং বাংলাপিডিয়া।
১৮.
"নির্জন স্বাক্ষর" উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. নির্মলেন্দু গুণ
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধদেব বসু
ব্যাখ্যা
• "নির্জন স্বাক্ষর" উপন্যাস:
- "নির্জন স্বাক্ষর" বুদ্ধদেব বসু রচিত একটি উপন্যাস। কেউ কেউ কবি জীবনানন্দ দাশকে খুঁজে পেয়েছেন বুদ্ধদেব বসুর এই উপন্যাসে।

- অন্তর্গত বিস্ময়কে জীবিত রেখে হারিয়ে যাওয়া একজন মানুষের গল্প। উপন্যাসের প্রান্তর জুড়ে নির্জনতম এক কবিকে খুঁজে ফিরবে পাঠকের মন।

- নির্জন স্বাক্ষর নামে জীবনানন্দ দাশের একটি মায়াবী কবিতাও আছে। বুদ্ধদেব বসু শুধুমাত্র নামটিই নয়, উপন্যাসটির বিষয়বস্তুও জীবনানন্দের কাছ থেকে ধার করেছেন। উপন্যাসটির বিষয়বস্তু তিনি নিয়েছেন জীবনানন্দ দাশের বনলতা সেন কবিতা থেকে।

উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ:
উপন্যাসটির প্রধান চরিত্র সোমেন, যিনি মূলত একজন লেখক। সোমেন প্রথমে অধ্যাপক হিশেবে কলকাতার একটি কলেজে চাকরি নেয়; কিন্তু ঐ চাকরির টাকায় সংসার চালাতে ব্যর্থ হয়ে সে একটি বেসরকারি বিজ্ঞাপন কোম্পানিতে চাকরি নেয়। ফলে সোমেন লেখা বাদ দিয়ে প্রথাগত জীবনে ঢুকে পড়ে। এভাবেই সোমেন স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে প্রথাগত জীবন চালাতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। চারদিকের জীবন যখন সমুদ্র-স্রোতের মতো ফুলে ফুলে উঠছিলো, সোমেনের জীবন তখন ক্লান্ত হয়ে ভেঙে পড়ছিলো।

সোমেনের এক বন্ধু ঢাকায় থাকতো। সে মারা যাওয়ায়, তার স্ত্রী ও তার দুই সন্তান দেশ-ভাগের সময় ঢাকা ছেড়ে কলকাতা চলে আসে। তারা কলকাতায় আসায় সোমেন তাদের দেখতে যায়। সোমেনের ক্লান্ত, অসহায়, ভেঙে পড়া জীবন যখন আর চলছিলো না, তখন মালতি সেনের শ্রাবস্তীর কারুকার্যময় মুখটি তাকে দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিলো। সোমেন একবার নয়, কয়েকবার গিয়েছিলো দু-দন্ড শান্তি পেতে, কিন্তু প্রতিবারই সে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছিলো দুঃখের গাঁথা মালা এক বিশাল নদী। অবশেষে, প্রতিদিনের টুকরো টুকরো মৃত্যুর বদলে সোমেন গ্রহন করলো এক মুহূর্তের পরম দুঃখ। 

উপন্যাসের বিখ্যাত কিছু উক্তি:
- সব পাখি ঘরে আসে, সব নদী ফুরায় এ জীবনের লেনদেনে; থাকে শুধু অন্ধকার মুখোমুখি বসিবার মালতি সেন।
- এ কেমন, কেমন ভালোবাসা-তাও বাঁচতে দিলো না, বা বাঁচাতে পারলো না!

উৎস: "নির্জন স্বাক্ষর" উপন্যাস।
১৯.
‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’ কোন ধরনের সাহিত্য রচনা?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. উপন্যাস
  3. নাটক
  4. প্রবন্ধ গ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা
• ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’ উপন্যাস:
- হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’। উপন্যাসটি প্রথম বেরোয় দৈনিক ইত্তেফাক- এর ঈদ সংখ্যা ২০০৩-এ। বেরোনোর পর প্রগতিশীলেরা একে অভিনন্দিত করেন, আর মৌলবাদীরা মেতে ওঠে তার বিরুদ্ধে অক্রিমণে-উপন্যাসটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানায়। পুস্তকারে উপন্যাসটি পরিবর্ধিত হয়েছে।

- হুমায়ুন আজাদ এই উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছিলেন '১৯৭১' সালকে; পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের নামানুসারে এই উপন্যাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে কটাক্ষ করা হয়েছে।

উপন্যাসের পটভূমি-
১৯৬০-এর দশকে বাংলাদেশে ছিল পাকিস্তানের উপনিবেশ। তখন একটি উর্দুগানের নিরন্তর ঝালাপালা হতো আমাদের কান, যার প্রথম পংক্তি ছিলো ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’। সামরিক শাসন আর উর্দু জাতীয় সঙ্গীতে বাঙলাদেশ ছিল পীড়িত। ১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা সৃষ্টি করি একটি স্বাধীন দেশ; বাংলাদেশ। কিন্তু প্রতিক্রিয়াশীল অন্ধকারের শক্তিরাশি আমাদের সামনের দিকে এগোতে দেয়নি, বরং নিয়ে চলছে মধ্যযুগের দিকে; বাংলাদেশকে করে তুলছে একটি অপপাকিস্তান। মৌলবাদ এখন দিকে দিকে হিংস্ররূপ নিয়ে দেখা দিচ্ছে; ত্রাসে ও সন্ত্রাসে দেশকে আতঙ্কিত করে তুলছে। তারই এক ভয়াবহ ও শিল্পিত চিত্র রচিত হয়েছে হুমায়ুন আজাদের পাক সার জমিন সাদ বাদ উপন্যাসে।

উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ-
উপন্যাসটির প্রধান নায়ক একটি কাল্পনিক ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলের  সদস্য থাকে যে একটি হিন্দু মেয়ের প্রেমে পড়ে উপন্যাসটির শেষের দিকে তাকে বিয়ে করে এবং ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলটি ত্যাগ করে।

উৎস: ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’ উপন্যাস। 
২০.
বিহারের বিখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন চর্যাপদের কোন বিষয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে গবেষণা করেন?
  1. চর্যাপদের ভাষা
  2. বৌদ্ধ সহজযান প্রসঙ্গে
  3. তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ
  4. ব্যাকরণ ও ছন্দ
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ সহজযান প্রসঙ্গে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ সহজযান প্রসঙ্গে
ব্যাখ্যা
• চর্যাপদ:
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় অনুবাদ করেন কীর্তিচন্দ্র। ১৯৩৮ সালে প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী ভাষার অনুবাদ আবিষ্কার করেন।

• চর্যাপদ বিষয়ক গবেষণা:
• বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।

• ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে স্বীকৃত দেন যে, চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত। ১৯২৬ সালে ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় 'দি অরিজিন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অব দি বেঙ্গলি ল্যাংগুয়েজ' গ্রন্থে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বিস্তারিতভাবে চর্যাপদের ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব, ব্যাকরণ ও ছন্দ বিচার বিশ্লেষণ করে প্রমাণ করেন চর্যাপদ বাংলা ভাষার সম্পদ। অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী এ অভিমত সমর্থন করেন।

• ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, ড. সুকুমার সেন, ড. শশীভূষণ দাশগুপ্ত চর্যাপদের ভাষা, বিষয়বস্তু, প্রভৃতি আলোচনা করে প্রমাণ করেন যে-চর্যাপদ বাংলা ভাষায় রচিত।

• ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ১৯২৭ সালে চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনা করেন এবং ১৯৪২ সালে চর্যাপদের সঠিক পাঠ নির্ণয় করে আলোচনার পথ আরও সহজ করেন।

• ড. শশিভূষণ দাশগুপ্ত ১৯৪৬ সালে চর্যাগীতির অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রকাশ করেন।

• বিহারের প্রখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য, বৌদ্ধ সহজযান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেছেন।

• ড. তারাপদ মুখোপাধ্যায় চর্যাপদ থেকে বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ এবং বাক্যগঠনরীতির স্বরূপ দৃষ্টান্তযোগে দেখিয়েছেন। এসব আলোচনার ফলে দেশে ও বাইরে তত্ত্বজিজ্ঞাসুর মনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বলে চর্যাপদের আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
২১.
"কৃষ্ণকুমারী" নাটক প্রথম অভিনীত হয় কত সালে?
  1. ১৮৬০ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৮৬৭ সালে
  4. ১৮৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬৭ সালে
ব্যাখ্যা
• "কৃষ্ণকুমারী" নাটক:
- 'কৃষ্ণকুমারী' (১৮৬১) নাটকের কাহিনি উইলিয়াম টডের 'রাজস্থান' নামক গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত।
- এই নাটকে মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি রচনা করেন। এজন্য নাটকটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হলেও নাটকটি রচিত হয়েছিল ১৮৬০ সালে। রচনার প্রায় সাত বছর পর এ নাটক 'শোভাবাজার থিয়েটারে' ১৮৬৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম অভিনীত হয়।

এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো:
- ভীমসিংহ,
- কৃষ্ণকুমারী,
- মদনিকা,
- জগৎসিংহ,
- ধনদাস প্রমুখ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২.
মাহমুদুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস কোনটি?
  1. কালঘোড়া
  2. জীবন আমার বোন
  3. নূরলদীনের সারাজীবন
  4. কাবিলের বোন
সঠিক উত্তর:
জীবন আমার বোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবন আমার বোন
ব্যাখ্যা
• ‘জীবন আমার বোন’ উপন্যাস:
- মাহমুদুল হক রচিত তৃতীয় উপন্যাস ‘জীবন আমার বোন’।  প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭৬ সালে, সাহিত্য প্রকাশ থেকে।

- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ যুগসন্ধিক্ষণের ঘটনাপ্রবাহ আবর্তিত হয়েছে এই উপন্যাসে। পটভূমি ১৯৭১ সালের ১ মার্চ থেকে ২৭ মার্চের ঢাকা শহর।

- উপন্যাস এগিয়েছে কেন্দ্রীয় চরিত্র জাহেদুল কবির খোকার বয়ানে। ‘জীবন আমার বোন’ মুক্তিযুদ্ধকালীন উপন্যাস হয়েও শুধুমাত্র একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়। বরং দেশ-কালের সীমানা ছাড়িয়ে এটি হয়ে যায় মানবজাতির চিরন্তন স্বাধীনতার এক আখ্যান।

উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ-
১ মার্চ প্রেসিডেন্টের ভাষণে উত্তাল হয়ে ওঠে ঢাকা। যতদিন যেতে থাকে, বাড়তে থাকে উত্তেজনা। সবচেয়ে বেশি উত্তেজিত হয়ে ওঠে খোকার বয়সী তরুণেরা। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধের জল্পনা-কল্পনা, কাঠের ডামি রাইফেল হাতে কুচকাওয়াজ। সমান্তরালে চলতে থাকে রঞ্জু-খোকার পারিবারিক জীবন। এর মধ্যেই ঘটে যায় আসন্ন যুদ্ধ পূর্ববর্তী ঐতিহাসিক সব ঘটনাবলী- অসহযোগ আন্দোলন, জাহাজে করে চট্টগ্রামে পাকিস্তানী সৈন্যের আগমন, নতুন গভর্নর টিক্কা খান, ৭ই মার্চের ভাষণ, জয়দেবপুরে সেনাবাহিনীর গোলাগুলি, ঢাকার রাস্তায় রাস্তায় চলতে থাকা মিছিল-মিটিং-জনসভা। সমগ্র দেশ যেন ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটে চলে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তনের দিকে।

খোকার দৃষ্টি দিয়ে আমরা দেখি বারুদের স্তুপে পরিণত হওয়া ঢাকা শহরকে, যার সলতেয় স্ফুলিঙ্গ লাগে ২৫ মার্চ কালরাতে। গণহত্যা শেষে ২৭ মার্চ ঠিক মুক্তিযুদ্ধ শুরুর মুহূর্তেই শেষ হয় উপন্যাস। যদিও শেষ দু’পাতায় বর্ণিত হয়েছে যুদ্ধ শেষে চরিত্রগুলোর পরিণতি।
 
উল্লেখযোগ্য অন্যান্য চরিত্র:
- খোকার ছোট বোন রঞ্জু,
- বন্ধু মুরাদ-ইয়াসিন-রহমান,
- মুরাদের বড় বোন লুলু চৌধুরী,
- খোকার পরিচিত রাজীব ভাই এবং তার দুই স্ত্রী।

অন্যদিকে, 
• 'কালঘোড়া' ইমদাদুল হক মিলন রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক একটি উপন্যাস। 
• 'কাবিলের বোন' কবি আল মাহমুদ রচিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত একটি উপন্যাস।
• সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যনাটক 'নূরলদীনের সারাজীবন'। 

উৎস: ‘জীবন আমার বোন’ উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৩.
"ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে" গানটি কার রচনা?
  1. জসীম উদ্‌দীন
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. লালন শাহা
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• "ভেঙে মোর ঘরের চাবি নিয়ে যাবি কে আমারে"- গানটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এটি তাঁর পূজা পর্বের অন্তর্গত একটি রবীন্দ্রসঙ্গীত।  

• রবীন্দ্রনাথের অতি পরিচিত বিখ্যাত কয়েকটি গান ও পঙ্‌ক্তি হলো:
• বিপদে মোরে রক্ষা করো। 
• তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি।
• শান্ত হ রে মম চিত্ত । 
• গ্রহণ করেছ যত, ঋণী তত করেছ আমায়;
• তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি;
• আমি যে দেখেছি, গোপন হিংসা কপট রাত্রিছায়ে;
• বিপদে মোরে রক্ষা করো/এ নহে মোর প্রার্থনা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৪.
মহাকাব্যের কবি নন কে?
  1. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. কায়কোবাদ
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. বিহারীলাল চক্রবর্তী
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
• মহাকাব্যের কবি নন- বিহারীলাল চক্রবর্তী। 

• বিহারীলাল চক্রবর্তী:

- বিহারীলাল চক্রবর্তী আধুনিক বাংলা গীতিকবিতার অন্যতম পুরোধা এবং রবীন্দ্রনাথের কাব্যগুরু হিসেবে পরিচিত।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক গীতিকবিতার স্রষ্টা।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর 'সারদা মঙ্গল' কাব্য পড়ে তাঁকে 'ভোরের পাখি' বলে আখ্যায়িত করেন।এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। তাঁর শেষ কাব্যগ্রন্থ 'সাধের আসন'। একে 'সারদা মঙ্গল' কাব্যের পরিশিষ্ট বলা হয়।

অন্যদিকে, 
• 'বৃত্রসংহার' মহাকাব্য: 'বৃত্রসংহার' হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত মহাকাব্য। মহাভারতের কাহিনী অবলম্বনে রচিত হয়েছে এ কাব্যটি এবং এটি তাঁর শ্রেষ্ঠ রচনা।
• 'মহাশ্মশান' কায়কোবাদ রচিত বাংলা মহাকাব্য (১৯০৪)। এর উপজীব্য ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ।
• মধুসূদনের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ 'মেঘনাদবধ কাব্য' বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য। সংস্কৃত মহাকাব্য 'রামায়ণ'র ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ কাহিনি অবলম্বন করে মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালের জুন মাসে 'মেঘনাদবধ কাব্য' রচনা করেন। ১৮৫৭ সালের সংঘটিত সিপাহি বিপ্লবের স্বাধীনতামন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে রাবণকে নায়ক এবং রামকে খলনায়ক করে মধুসূদন দত্ত এটি রচনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
২৫.
"নবচর্যাপদ" কার সম্পাদনায় সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়?
  1. ড. বিজয়চন্দ্র মজুমদারের
  2. ড. শশিভূষণ দাশগুপ্তের
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর
  4. ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের
সঠিক উত্তর:
ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের
ব্যাখ্যা
• 'নবচর্যাপদ' সম্পাদকা বিষয়ক তথ্য:
- হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক চর্যাগীতির পুথি আবিষ্কারের প্রায় অর্ধশতক বছর পর ড. শশিভূষণ দাশগুপ্ত নেপাল থেকে ২০টি পুথি অবলম্বনে ২৫০টি চর্যাগীতি খুঁজে বের করেন।
এগুলোর মধ্য থেকে ৯৮টি চর্যাগীতি 'নবচর্যাপদ' নামে প্রকাশের উদ্যোগ নেন তিনি। কিন্তু তাঁর আকস্মিক মৃত্যু ঘটলে ড. অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দে সেগুলো প্রকাশিত হয়।

- এই গ্রন্থে সংকলিত চর্যাগীতিপুথির প্রথম ১৯টির রচনাকাল দশম থেকে দ্বাদশ শতক। পরবর্তী ৪৪টি চর্যাগীতি ত্রয়োদশ থেকে চতুর্দশ শতকের রচনা। বাকি ৩৫টি চর্যাগীতির রচনাকাল পঞ্চদশ শতক।

- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে নবচর্যাপদগুলির বিশেষ গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। প্রথমত ত্রয়োদশ ও চতুর্দশ শতক সম্পর্কে সাধারণ ধারণা, বাংলা সাহিত্যর তথাকথিত এই অন্ধকার কালপঠে এদেশে সাহিত্য রচিত হয় নি। কিন্তু নবচর্যাগীতিগুলি আবিষ্কারের পর এ প্রমাণ পাওয়া গেছে সেসময়ও সাহিত্য রচনা অব্যাহত ছিল।

উৎস: চর্যাগীতি পাঠ, ড. মাহবুবুল হক।
২৬.
'মৃত্যুঞ্জয়' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন গল্পের অন্তর্ভুক্ত চরিত্র?
  1. সতী
  2. বিলাসী
  3. মামলার ফল
  4. মেজদিদি
সঠিক উত্তর:
বিলাসী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলাসী
ব্যাখ্যা
• “বিলাসী” গল্প:
- শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের “বিলাসী” গল্পটি প্রথমে প্রকাশিত হয় ‘ভারতী' পত্রিকায় ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ খ্রিষ্টাব্দ) বৈশাখ সংখ্যায়। “ন্যাড়া” নামের এক যুবকের নিজের জবানিতে বিবৃত হয়েছে এ গল্প। এই গল্পের কাহিনিতে শরৎচন্দ্রের প্রথম জীবনের ছায়াপাত ঘটেছে।

- “বিলাসী” গল্পে বর্ণিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী দুই মানব-মানবীর চরিত্রের অসাধারণ প্রেমের মহিমা, যা ছাপিয়ে উঠেছে জাতিগত বিভেদের সংকীর্ণ সীমা। গল্পে সংঘটিত একের পর এক ঘটনা এবং বিভিন্ন চরিত্রের মধ্যে সংঘাতের মাধ্যমেই কাহিনি অগ্রসর হয়। ঘটনার দ্বন্দ্ব-সংঘাতের মধ্য দিয়ে কাহিনিতে গতি সঞ্চারিত হয়েছে। 

গল্পের কাহিনি সংক্ষেপ:
গল্পটি বলা হয়েছে 'ন্যাড়া'র জবানবন্দিতে। ন্যাড়ার সাথে পড়ত মৃত্যুঞ্জয়। মৃত্যুঞ্জয়কে আজীবন সবাই থার্ড ক্লাসে পড়তে দেখেছে। তাকে কেউ ফোর্থ ক্লাসে উঠতে দেখে নি। তার আপন বলতে কেউ ছিল না, শুধু এক খুড়ো (জ্যাঠা) ছাড়া। খুড়োর কাজ ছিল ভাইপোর বিরুদ্ধে হরেক রকম দুর্নাম রটানো।

মৃত্যুঞ্জয় নিজে রান্না করে খেত। তার বাড়ি সংলগ্ন আমবাগান থেকে আয়কৃত অর্থে দিন গুজরান হত তার। মৃত্যুঞ্জয় ছিল উদার প্রকৃতির, এতিম, ব্রাহ্মণ,উঁচুজাতের,নির্ভীক,দৃঢ়চেতা,ধৈর্যশীল ও প্রণয়নিষ্ঠ।

গ্রামের ভিতরে মৃত্যুঞ্জয়ের নামে হরেক রকম দুর্নাম শোনা গেলেও, সে ছিল দিলদরিয়া। সে দোকান থেকে এটা ওটা কিনে খাওয়াত সবাইকে। দরিদ্রকে সাহায্য করত সে। কিন্তু, তার থেকে সাহায্য পাবার কথা কেউ স্বীকার করত না, গ্রামের মাঝে মৃত্যুঞ্জয়ের এমন ছিল সুনাম।

একসময় মৃত্যুঞ্জয় রোগে শয্যাশায়ী হয়। সে সময় সাপুড়ে কন্যা বিলাসী তাকে সেবা করে সুস্থ করে থাকে। মৃত্যুপথযাত্রী মৃত্যুঞ্জয়কে যমের দুয়ার থেকে ফিরিয়ে আনে সে। একসময় তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়।

এতদিন মৃত্যুঞ্জয়ের সেবায় এগিয়ে না আসলেও কায়স্থ সন্তান মৃত্যুঞ্জয়ের সাথে সাপুড়ের মেয়ে বিলাসীর বিবাহের দরুন সৃষ্টি হওয়া সামাজিক অনাচার-এর বিরুদ্ধে এগিয়ে আসে তার খুড়ো। অন্নপাপী মৃত্যুঞ্জয়ের বাসায় ঢুকে তার স্ত্রী বিলাসীর উপর অকথ্য নির্যাতন চালায় সে ও তার সাঙ্গপাঙ্গ। ন্যাড়া রোগাক্রান্ত দুর্বল মৃত্যুঞ্জয়ের তা প্রতিরোধের কোন ক্ষমতা ছিল না। এরপর তারা ঐ বাড়ি ছেড়ে মালপাড়ায় গিয়ে বসতি স্থাপন করে।

এর বহুদিন পর ন্যাড়ার সাথে দেখা হয় মৃত্যুঞ্জয় ও বিলাসীর। মৃত্যুঞ্জয়কে দেখে অবাক হয় ন্যাড়া। সাত পুরুষের কায়স্থ যে সাপুড়েতে রূপান্তর হয়ে গিয়েছে! এরপর, বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়ের সাথে থাকা শুরু করে সে। তাদের সাথে থেকে মন্ত্রসিদ্ধ হয় ন্যাড়া।

একদিন, এক গোয়ালার বাড়িতে এক খরিশ গোখরোর কামড়ে মৃত্যু ঘটে মৃত্যুঞ্জয়ের। তাবিজ-মন্ত্র কোনটাই তার 'মৃত্যুঞ্জয়' নামটির সার্থকতা বজায় রাখতে পারে নি। তার মৃত্যুর পর বিলাসীর বিষ খেয়ে আত্নহত্যা করে। আর ন্যাড়ার সাপুড়ে জীবনের ইতি ঘটে।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- মৃত্যুঞ্জয়,
- ন্যাড়া,
- বিলাসী,
- খুড়ো। 

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলা সাহিত্যপাঠ এবং “বিলাসী” গল্প।
২৭.
Which of the following is a famous love poem by John Donne?
  1. Batter My Heart
  2. Dover Beach
  3. The Flea
  4. The Old Familiar Faces
সঠিক উত্তর:
The Flea
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Flea
ব্যাখ্যা
• 'The Flea' is a famous love poem by John Donne.

• The Flea
- এটি John Donne -এর অন্যতম বিখ্যাত প্রেমের কবিতা, যা ১৬শ শতকের Metaphysical Poem -এর অনন্য দৃষ্টান্ত।
- এই কবিতায় প্রেম ও শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি চতুর ও বুদ্ধিদীপ্ত যুক্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।
- কবিতায় (flea) বা মাছির/মক্ষিকা মাধ্যমে কবি ভালোবাসার একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
- কবিতাটি ব্যঙ্গাত্মক, যৌক্তিক কৌশলপূর্ণ এবং যুক্তির খেলা দ্বারা সমৃদ্ধ।
- কবিতাটি Metaphysical Conceit, Argumentative Tone, Playfulness ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন।

• কবিতার মূল সারাংশ হলো:
- কবি প্রথমেই প্রেয়সীকে flea টির দিকে নির্দেশ করে বলছেন, "এটি কত ছোট একটি জিনিস, যা তুমি আমাকে অস্বীকার করছো।
- flea টি " প্রথমে তার রক্ত শুষেছে, তারপর তার প্রেয়সীর রক্ত শুষেছে, ফলে flea -এর মধ্যে তাদের রক্ত মিশে গেছে।
- কবি দাবি করেন যে, তাদের এই রক্তের মিশ্রণ কোন পাপ নয় এবং যদি flea তাদেরকে একত্রিত করতে পারে, তবে তাদের শারীরিক সম্পর্ক কেন পাপ হবে?
- প্রতিক্রিয়ায় প্রেয়সী flea টিকে মেরে ফেলেন, ফলে কবি তাকে "নিষ্ঠুর এবং আকস্মিক" বলে অভিহিত করেন এবং তার নখে flea -এর "নিরপরাধ রক্ত" লেগে যাওয়ার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।
- এইভাবে কবিতাটি প্রেমের একটি অদ্ভুত এবং মার্জিত দৃষ্টিকোণ উপস্থাপন করে, যেখানে কবি যৌন সম্পর্কের সামাজিক অঙ্গীকারের বিরুদ্ধে একটি চৌকস যুক্তি তৈরি করেন।

• John Donne (1572-1631)
- John Donne হলো Renaissance যুগের একজন কবি।
- তিনি Metaphysical Poetry বা ভাববাদী কবিতার অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর কবিতায় প্রেম, ধর্ম, মৃত্যু ও দর্শনের গভীর চিন্তা প্রকাশ পায়।
- তিনি আধ্যাত্বিক কবিতার সূচনা করেছিলেন তাই তাকে Father of Metaphysi­cal poetry বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি Poet of Love and Religious হিসেবেও পরিচিত।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর John Done -এর কবিতা দ্বারা অত্যন্ত প্রভাবিত হয়েছিলেন।

• His famous poems:
- The Good Morrow,
- The Canonization,
- The Flea,
- The Apparition,
- The Sun Rising,
- A Valediction: Forbidding Mourning, etc.

• অন্যদিকে,
- 'Batter My Heart' is a religious sonnet by John Donne.
- 'Dover Beach' is a famous poem by Matthew Arnold.
- 'The Old Familiar Faces' is a famous poem by Charles Lamb.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
3. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
২৮.
"My heart aches, and a drowsy numbness pains
My sense, as though of hemlock I had drunk"
Who is the author of these lines?
  1. S. T. Coleridge
  2. John Keats
  3. P. B. Shelley
  4. Thomas Gray
সঠিক উত্তর:
John Keats
উত্তর
সঠিক উত্তর:
John Keats
ব্যাখ্যা
• "My heart aches, and a drowsy numbness pains
My sense, as though of hemlock I had drunk"
- The author of these lines is - John Keats.

- এটি Famous Romantic Poet John Keats -এর "Ode to a Nightingale" থেকে নেওয়া হয়েছে।
- এই কবিতাটি শুরু হয়েছে এই লাইনটি দিয়ে।

• Ode to a Nightingale
- John Keats রচিত "Ode to a Nightingale" কবিতাটি প্রকৃতি, সৌন্দর্য, মৃত্যু এবং বাস্তবতা থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা নিয়ে লেখা এক অনন্য সৃষ্টি।
- আটটি স্তবকে রচিত কবিতা যা "Lamia, Isabella, The Eve of St. Agnes, and Other Poems" (১৮২০) গ্রন্থে প্রকাশিত হয়।
- এটি কবির বাগানে বাসা বাঁধা একটি বুলবুলির গানের দ্বারা অনুপ্রাণিত।
- এই কবিতাটিকে গণ্য করা হয় meditation upon art and life হিসেবে।
- কবিতায় মূলত Nightingale পাখিকে দেখানো হয়েছে অমরত্বের প্রতীক হিসেবে।
- "Ode to a Nightingale" কবিতায় Keats প্রকৃতি ও কল্পনার মধ্য দিয়ে বাস্তব জীবনের দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। তবে কবি বুঝতে পারেন যে, মানুষকে বাস্তবতা মেনে নিতেই হয়।

• কবিতার মূল ভাব:
- এই কবিতায় কবি একটি বিষাদের অনুভূতি নিয়ে রাত্রির বুলবুলির (Nightingale) গান শুনছেন এবং সেই গান তাকে এক স্বপ্নিল জগতে নিয়ে যাচ্ছে।
- পাখিটির গান চিরন্তন ও অবিনশ্বর মনে হয়, যেখানে মানুষের দুঃখ-কষ্ট নেই, মৃত্যু নেই, কেবল আনন্দ ও শান্তি রয়েছে।
- কবি চান এই সৌন্দর্যের জগতে চিরকাল থাকতে, কিন্তু বাস্তবতা তাকে আবার দুঃখের পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনে।

• Famous Lines of this Poem:
- "My heart aches, and a drowsy numbness pains
My sense, as though of hemlock I had drunk"
- "Thou wast not born for death, immortal Bird!"
- "Forlorn! the very word is like a bell"

• John Keats (1795-1821)
- John Keats একজন English Romantic lyric poet ছিলেন।
- তিনি প্রকৃতি, সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব জীবনের নশ্বরতা নিয়ে গভীরভাবে লিখেছেন।
- তিনি মাত্র ২৬ বছর বয়সে মারা গেলেও, তার লেখা কবিতা তাকে চিরস্মরণীয় কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে আছে, sonnets, odes, and epics ইত্যাদি। 
- তার কাব্য সৌন্দর্য, কল্পনা ও মানব অভিজ্ঞতার গভীর উপলব্ধির জন্য আজও বিশ্ব সাহিত্যে অনন্য স্থান অধিকার করে আছে।

• John Keats এর Title গুলো হলো:
- Poet of Beauty,
- Poet of sensuousness,
- A Death Hunted Poet,
- The Youngest Poet of English Literature.

• Some Famous Quotations of John Keats:
- "Beauty is truth, truth beauty."
- "A thing of beauty is a joy forever:
Its loveliness increases; it will never
Pass into nothingness." (Endymion)
- "Heard melodies are sweet, but those unheard
 Are sweeter." (Ode on a Grecian Urn)
- "Where are the songs of spring? Aye, where are they?" (To Autumn)

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.
3. SparkNotes.
২৯.
A semi-autobiographical novel 'Sons and Lovers' is written by-
  1. O. Henry
  2. H.G. Wells
  3. D.H. Lawrence
  4. Jane Austen
সঠিক উত্তর:
D.H. Lawrence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D.H. Lawrence
ব্যাখ্যা
• A semi-autobiographical novel 'Sons and Lovers' is written by - D.H. Lawrence.

• Sons and Lovers
- "Sons and Lovers" হল D.H. Lawrence -এর একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই উপন্যাসটি লরেন্সের জীবনের অভিজ্ঞতা এবং তার পারিবারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে এবং এটি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- এটি D.H Lawrence -এর semi-autobiographical novel.
- এই novel টিকে Lawrence এর প্রথম mature novel ও বলা হয়।

• Summary:
- এটি একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা পারিবারিক সম্পর্ক, প্রেম, এবং মানসিক জটিলতা নিয়ে আলোচনা করে।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র Paul Morel, যে তার মায়ের প্রতি অতিরিক্ত নির্ভরশীল এবং তার এই অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এবং ভালোবাসা তাকে তার জীবনের অন্য সম্পর্কগুলোতে সমস্যা সৃষ্টি করে।
- Paul, পরবর্তীতে তিনি অন্য নারীদের সঙ্গেও (Miriam Leivers & Clara Dawes) সম্পর্ক তৈরি করে,কিন্তু তার মায়ের ছায়া ও প্রভাব তাকে তার সম্পর্কের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি করে, ভূমিকা রাখে।
- উপন্যাসে Paul -এর মায়ের প্রতি তার আবেগ, এবং পারিবারিক সংকটের প্রভাব চিত্রিত হয়েছে।
- উপন্যাসটি শ্রেণী বিভেদ এবং শ্রমিক শ্রেণীর জীবনের বাস্তবতা নিয়ে আলোচনা করে।
- এটি পারিবারিক সম্পর্ক, প্রেম, এবং ব্যক্তিগত মুক্তির সন্ধান নিয়ে আলোচনা করে এবং মানুষের মনোবিকাশের গভীরতা তুলে ধরে।

• Main characters:
- Paul Morel,
- mother, Gertrude,
- Miriam Leivers,
- Clara Dawes, etc.

• D.H. Lawrence (1885-1930)
- D.H. Lawrence, in full David Herbert Lawrence is an English author of novels, short stories, poems, plays, essays, travel books, and letters.
- তিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত হন।
- তিনি প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক এবং আধ্যাত্মিক জাগরণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
- তার উপন্যাস Sons and Lovers (1913), The Rainbow (1915), and Women in Love (1920) -এর জন্য তিনি বিশ শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লেখক হিসেবে পরিচিতি পান।
- তার লেখার বৈচিত্র্য এবং গভীরতা তাকে আধুনিক সাহিত্যের এক অনন্য প্রতিভা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

• His other novels:
- Aaron’s Rod,
- Lady Chatterley's Lover,
- Sons and Loves,
- The White Peacock,
- The Rainbow,
- Women in Love,
- A Modern Lover, etc.

Source: Britannica.
৩০.
'Hamlet' is a play written by Shakespeare.
What does the word 'Hamlet' mean?
  1. A type of poison
  2. A small village
  3. A valiant hero
  4. A historical event
সঠিক উত্তর:
A small village
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A small village
ব্যাখ্যা
• The word 'Hamlet' means - A small village
- Hamlet is a small village, usually without a church. (বিশেষত মসজিদ, মন্দির বা গির্জা নেই এমন) ছোট গ্রাম।

• Hamlet
- "Hamlet" William Shakespeare -এর লেখা একটি জনপ্রিয় ট্র্যাজেডি নাটক, যা প্রেম, প্রতিশোধ, এবং মানসিক দ্বন্দ্বের উপর রচিত।
- William Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet অন্যতম।
- এটি 5acts বিশিষ্ট একটি tragedy, এটি ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এবং ট্র্যাজিডিটি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- নাটকের কাহিনি ডেনমার্কের যুবরাজ Hamlet -এর জীবন ও সংকটকে ঘিরে আবর্তিত হয়।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet, the prince of Denmark (ডেনমার্কের যুবরাজ), জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর Hamlet পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে চান এবং বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy -এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায়।
- শেষাংশে Hamlet -এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এই Tragedy টির সমাপ্তি ঘটে।
- নাটকটি প্রতিশোধ, বিশ্বাসঘাতকতা, প্রেম, স্বার্থপরতা, মানসিক অবস্থা, এবং জীবন ও মৃত্যুর অর্থ নিয়ে গভীর দার্শনিক প্রশ্ন তুলে ধরে।
- "Hamlet" হলো একটি জটিল ও বহুমাত্রিক নাটক, যা মানব জীবনের গভীর সমস্যা ও আবেগের সাথে সংযুক্ত।
- এটি সাহিত্যে একটি অমর claasic হিসেবে বিবেচিত হয়।

• Main characters of Hamlet:
- King Hamlet,
- Prince Hamlet,
- Ophelia,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio,
- Laertes,
- Polonius, etc.

• Famous quotations of Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "There is divinity that shapes our end."
- "What a piece of work is a man!"
- "The rest is silence."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Neither a borrower nor a lender be; For loan oft loses both itself and friend."

Source:
1. Britannica.
2. Cambridge Dictionary.
৩১.
Henry Fielding's 'Rape Upon Rape' is a-
  1. Play
  2. Novel
  3. Short story
  4. Poem
সঠিক উত্তর:
Play
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Play
ব্যাখ্যা
• Henry Fielding's 'Rape Upon Rape' is a Play.

• 'Rape Upon Rape'
- In full, Rape upon Rape; Or, The Justice Caught in his own Trap, A Comedy
- "Rape Upon Rape" হলো আঠারো শতকের ইংরেজি লেখক ও নাট্যকার Henry Fielding -এর রচিত একটি নাটক।
- নাটকের কাহিনী একটি ধর্ষণ মামলাকে কেন্দ্র করে, যেখানে বিচার, নৈতিকতা, এবং সমাজে নারীদের ভূমিকা পরীক্ষা করা হয়।
- Henry Fielding হাস্যরস ও ব্যঙ্গের মাধ্যমে যৌন সহিংসতা এবং আইন ব্যবস্থার বৈপরীত্যকে তুলে ধরেন।
- নাটকটি যৌন রাজনীতি, সম্মতি, এবং সমাজের নারীর প্রতি নৈতিক দ্বিচারিতা নিয়ে আলোচনা করে।
- এটি একটি Rape মামলার মাধ্যমে মানব সম্পর্কের জটিলতাগুলি সমালোচনার মাধ্যমে প্রকাশ করে।

• Henry Fielding (1707-1754)
- Henry Fielding একজন ইংলিশ উপন্যাসিক এবং নাট্যকার ছিলেন, যিনি Samuel Richardson -এর সঙ্গে ইংরেজি উপন্যাসের founder হিসেবে বিবেচিত হন।
- তিনি মূলত কমেডি এবং সামাজিক সমালোচনা নিয়ে লেখা তার কাজের জন্য পরিচিত।
- Fielding ইংরেজি সাহিত্যে উপন্যাসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- He is famous for the Picaresque Novel.
- তার ছদ্মনাম (pen name) হলো Captain Hercules Vinegar.

• His famous plays:
- The Tragedy of Tragedies,
- Rape Upon Rape,
- The Temple Beau,
- The Miser,
- The Modern Husband, etc.

• Famous Novels of Henry Fielding:
- Tom Jones,
- Amelia,
- Joseph Andrews.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
3. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
৩২.
Who wrote the novel "From Here to Eternity"?
  1. Mark Twain
  2. James Jones
  3. George Orwell
  4. Wole Soyinka
সঠিক উত্তর:
James Jones
উত্তর
সঠিক উত্তর:
James Jones
ব্যাখ্যা
• The novel "From Here to Eternity" was written by James Jones.

• "From Here to Eternity"
• "From Here to Eternity" হলো American novelist James Jones রচিত একটি উপন্যাস, যা ১৯৫১ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৪১) জাপানের 'Pearl Harbor' আক্রমণের প্রাক্কালে হাওয়াইয়ের (Hawaii) Schofield Barracks -এর মার্কিন সেনাদের জীবন ও সংগ্রামকে কেন্দ্র করে রচিত।
- উপন্যাসটি যুদ্ধের প্রভাব এবং সৈনিকদের জীবনযাত্রার জটিলতাকে চিত্রিত করে।
- এই উপন্যাসটি James Jones কে একটি সুপরিচিত সাহিত্যিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- এটি James Jones -এর "War Trilogy" -র প্রথম উপন্যাস, যার মধ্যে The Thin Red Line (১৯৬২) এবং Whistle (১৯৭৮) ও রয়েছে।

• পরবর্তীতে Fred Zinnemann এই উপন্যাসটিকে চলচ্চিত্রে (১৯৫৩) রূপ দেন যা Best Picture সহ আটটি একাডেমি পুরস্কার (অস্কার) লাভ করে 1954 সালে।

• James Jones (1921-1977)
- James Jones একজন আমেরিকান উপন্যাসিক যিনি বিশেষভাবে "From Here to Eternity" উপন্যাসের জন্য পরিচিত। 
- তিনি 'National Book Award' পেয়েছেন যা আমেরিকার একটি prestigious literary award.
- তাঁর কাজগুলি সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে এবং তিনি সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছেন।

• Notable Works:
- “From Here to Eternity”
- “Some Came Running”
- “The Pistol”
- “The Thin Red Line”
- "Whistle", etc.

• অন্যদিকে,
- 'Mark Twain' was an American humorist, journalist, lecturer, and novelist.
- 'George Orwell' was an English novelist, essayist, and critic famous for his novels Animal Farm (1945) and Nineteen Eighty-four (1949).
- 'Wole Soyinka' is a Nigerian playwright and political activist who received the Nobel Prize for Literature in 1986.

Source: Britannica.
৩৩.
In the play King Lear, which daughter is loyal but disowned by King Lear for not flattering him?
  1. Regan
  2. Goneril
  3. Katherine
  4. Cordelia
সঠিক উত্তর:
Cordelia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Cordelia
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - ঘ) Cordelia.

• King Lear
- King Lear is a famous tragedy by William Shakespeare based on the chronicle history of a pre-Roman, Celtic king of Britain.
- 5 acts বিশিষ্ট এই tragedy টি ১৬০৫-০৬ সালের মধ্যে লেখা এবং ১৬০৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই ট্র্যাজিডিটির প্লট তৈরি হয়েছে ব্রিটেনের এক রাজা এবং তার তিন কন্যার কাহিনী নিয়ে।
- King Lear -এর তিন কন্যা হলো যথাক্রমে -Goneril, Regan এবং Cordelia.

• Summary
- Shakespeare -এর King Lear নাটকের শুরুতে, বৃদ্ধ রাজা তার রাজ্যকে তিন কন্যার মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
- তিনি শর্ত দেন যে, যে কন্যা তাকে সবচেয়ে ভালোবাসে এবং সবচেয়ে চাটুকারিতা করে তার উত্তরাধিকারের সবচেয়ে বড় অংশ পাবে।
- Goneril এবং Regan অতিরঞ্জিত প্রশংসা ও মিথ্যা কথা বলে তার মন জয় করার চেষ্টা করে।
- কিন্তু Cordelia রাজাকে সত্যিকারের ভালোবাসলেও, চাটুকারিতায় বিশ্বাস করে না।
- সে সোজাসাপ্টা জানিয়ে দেয় যে সে তার বাবাকে যথার্থ সম্মান ও ভালোবাসা করে, কিন্তু তার বোনদের মতো অতিরিক্ত মিথ্যা প্রশংসা করতে পারবে না।
- এই সত্যবাদিতার জন্য King Lear প্রচণ্ড রেগে যান এবং ক্রোধের বশে Cordelia -কে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত করেন এবং রাজ্য থেকে বিতাড়িত করেন।
- এই ঘটনার মাধ্যমে নাটকের মূল দ্বন্দ্ব শুরু হয় এবং এটি King Lear-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্য।
- King Lear তার ছোট মেয়ে Cordelia কে ভূল বুঝে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয় যা পরবর্তীতে King Lear সহ Cordelia -এর জীবনে দুঃখ, গ্লানি ও কষ্ট বয়ে আনে।
- অতঃপর King Lear এবং Cordelia -এর করুণ মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে ট্র্যাজিডিটির সমাপ্তি ঘটে।

• Important characters of this tragedy:
- King Lear,
- Goneril,
- Regan,
- Cordelia,
- Edmund,
- Edgar, etc.

• Some Important quotations from King Lear:
- "How sharper than a serpent's tooth it is
To have a thankless child!"
- "I can’t be made to love you."
- "Nothing will come of nothing: speak again."
- "I am a man more sinned against than sinning."
- O! that way madness lies; let me shun that.
- "When we are born, we cry that we are come
To this great stage of fools.
- Speak what we feel, not what we ought to say."

• William Shakespeare
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford upon Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- 1599 সালে তিনি এবং অন্যরা মিলে লন্ডনে প্রতিষ্ঠা করেন "Globe Theatre".
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• অন্যদিকে,
- Katherine হলো William Shakespeare -এর নাটক 'The Taming of the Shrew' -এর কেন্দ্রীয় চরিত্র।

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
3. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
৩৪.
"What's in a name? That which we call a rose,  
By any other name would smell as sweet."
Who uttered this?
  1. Portia
  2. Ophelia
  3. Juliet
  4. Lady Macbeth
সঠিক উত্তর:
Juliet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Juliet
ব্যাখ্যা
• What's in a name? That which we call a rose,
 By any other name would smell as sweet.
- This is uttered by - Juliet.

- নাটকটির Act II. Scene II. তে নায়িকা Juliet, Romio -কে উদ্দেশ্য করে আলোচিত উক্তিটি করেন।
- Juliet মনে করে যে নামের চেয়ে বস্তুর প্রকৃতি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
- Juliet যুক্তি দেয় যে, রোমিওর নাম তার প্রতি তার ভালোবাসার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নয় বা এর কোনো মূল্য নেই।
- সে বলে, যদি Romeo -এর নাম "Montague" না থাকত, তবুও সে একই ব্যক্তি থাকত এবং তার প্রতি জুলিয়েটের ভালোবাসা অপরিবর্তিত থাকত।
- অর্থাৎ, গোলাপকে অন্য কোনো নামেও ডাকা হলেও তার সৌন্দর্য ও সুবাস একই থাকবে।
- তার মতে, নাম শুধু একটি সামাজিক ট্যাগ, যা ভালোবাসার প্রকৃত অর্থকে পরিবর্তন করতে পারে না।

• Romeo and Juliet
- এটি William Shakespeare -এর একটি বিখ্যাত রোমান্সধর্মী ট্র্যাজেডি নাটক, যা দুই প্রেমিক-প্রেমিকার করুণ পরিণতি নিয়ে রচিত।
- এ নাটকটির প্রেক্ষাপট ইতালির Verona.
- রোমিও হচ্ছে Montague এবং জুলিয়েট Capulet পরিবারের সদস্য। এই দুই পরিবারের মাঝে শত্রুতা বিদ্যমান। 
- নানা ঘটনা, দূর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নাটকের শেষে ট্রাজিক পরিণতি বরণ করে নায়ক নায়িকা দুুজনেই।
- এই নাটক বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সেরা প্রেমের কাহিনি, যা যুগ যুগ ধরে ভালোবাসা ও ট্র্যাজেডির প্রতীক হয়ে আছে।

• Main characters:
- Juliet,
- Romeo,
- Count Paris,
- Tybalt,
- Friar Lawrence, etc.
 
• Other quotations of Romeo and Juliet:
- "If love be rough with you, be rough with love; Prick love for pricking, and you beat love down." 
- "Good night, good night! parting is such sweet sorrow,
That I shall say good nighttill it be morrow."
- "Too swift arrives as tardy as too slow."
- "My only love sprung from my only hate!"
- "These violent delights have violent ends."
 
• William Shakespeare
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• অন্যদিকে,
- Portia - The heroine of 'The Merchant of Venice' by William Shakespeare.
- Ophelia - The heroine of 'Hamlet' by William Shakespeare.
- Lady Macbeth - The wife of Macbeth in the play 'Macbeth' by William Shakespeare.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
3. Romeo and Juliet.
৩৫.
'Jane Eyre' is a-
  1. Victorian Novel
  2. Modern Novel
  3. Neo-classical Novel
  4. Romantic Novel
সঠিক উত্তর:
Victorian Novel
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Victorian Novel
ব্যাখ্যা
• 'Jane Eyre' is a Victorian Novel.
- ভিক্টোরিয়ান যুগের ঔপন্যাসিক Charlotte Bronte -এর অন্যতম জনপ্রিয়র উপন্যাস হচ্ছে Jane Eyre.

• Jane Eyre
- উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Jane Eyre অর্থাৎ তাঁর নামেই novel টি নামকরণ করা হয়েছে।
- Charlotte Bronte তাঁর এই Novel টি তাঁর ছদ্মনাম "Currer Bell" নামে ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত করেন।
- Jane Eyre কে তাঁর Autobiography ও বলা হয়ে থাকে।
- ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি classic হিসাবে বিবেচিত হয়।

• Summary:
- একজন নারীর সংগ্রামের গল্প। দশ বছরের একজন অনাথিনী বালিকা যে পিতা মাতার অনুপস্থিতিতে অন্য একটি পরিবারে লালিত পালিত এবং একই সাথে নিগৃহীত হয়।
- এরপর তার ঠিকানা হয় অনাথ আশ্রমে এবং তার শৈশব ছিল কষ্টদায়ক এবং অমানবিক।
- পরবর্তীতে Rochester নামক একজন বিত্তশালী পুরুষের প্রেমে পড়ে, কিন্তু তাদের মিলনে অনেক বাধা বিপত্তি দেখা দেয়। 
- নানা প্রতিকূলতা আর ঘাত প্রতিঘাত এড়িয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী হয় Jane Eyre। শেষে Rochester -এর সাথে তার মিলনের মাধ্যমে উপন্যাসের শুভ সমাপ্তি ঘটে।
- একটি শক্তিশালী এবং প্রগতিশীল নারীকেন্দ্রিক গল্প, যা প্রেম, আত্ম-সম্মান এবং সামাজিক ন্যায়ের মত বিষয়গুলো তুলে ধরে। এটি সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ এবং নারীবাদী সাহিত্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

• Main Characters of the novel:
- Jane Eyre,
- Edward Rochester,
- St. John Rivers,
- Helen Burns,
- Mrs. Reed, etc.

• Charlotte Bronte (1816-1855)
- Charlotte Bronte একজন প্রখ্যাত ইংলিশ ঔপন্যাসিক এবং কবি, যিনি বিশেষত তার উপন্যাস "Jane Eyre" -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি Bronte পরিবারের একজন সদস্য।
- তার Pseudonym (ছদ্মনাম) হলো- Currer Bell.
- তিনি প্রথমে কাব্য লেখা শুরু করেন, কিন্তু পরে উপন্যাস লেখায় মনোনিবেশ করেন।
- তার লেখাগুলোতে নারীদের পরিস্থিতি এবং স্বাধীনতা নিয়ে গভীর আলোচনা রয়েছে।
- তার লেখাগুলি সমাজের নৈতিকতা ও শ্রেণী বিভেদকে সমালোচনা করে।

• Her Notable works:
- Jane Eyre,
- Poems by Currer,
- Ellis and Acton Bell,
- Shirley: A Tale,
- The Professor,
- Villette, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
৩৬.
'It was the best of times, it was the worst of times.'
This is an example of-
  1. Anaphora
  2. Antithesis
  3. Paradox
  4. Irony
সঠিক উত্তর:
Antithesis
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Antithesis
ব্যাখ্যা
• It was the best of times, it was the worst of times.
- This is an example of- Antithesis.

• Antithesis (পরস্পরবিরোধী ভাবধারার সন্নিবেশ; বিরোধালংকার)
- “Antithesis” literally means “opposite” – it is usually the opposite of a statement, concept, or idea.
- এমন একটি অলংকার, যেখানে পরস্পর বিপরীত অর্থবোধক শব্দ বা ভাব একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়, যা একটি নাটকীয় বৈপরীত্য সৃষ্টি করে।
- যেমন: "It was the best of times, it was the worst of times."
- এখানে "best times" এবং "worst times" -এর মাধ্যমে পরস্পর বিরোধী ভাব প্রকাশ করা হয়েছে, যা Antithesis-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।

• উল্লেখ্য যে, এই লাইনটি Charles Dickens -এর উপন্যাস A Tale of Two Cities -এর Opening Line.

• Other options:
ক) Anaphora (অনাফোরা)
- Anaphora is when a certain word or phrase is repeated at the beginning of clauses or sentences that follow each other.
- অর্থাৎ, যখন একটি শব্দ বা বাক্যাংশ একাধিক বাক্যাংশ বা বাক্যের শুরুতে পুনরাবৃত্ত হয়।
- Example: "We shall fight on the beaches, we shall fight on the landing grounds..." - (Winston Churchill)

গ) Paradox (কূটাভাস; পরস্পরবিরোধী সত্য):
- A paradox is a statement that contradicts itself, or that must be both true and untrue at the same time.
- অর্থাৎ, যে উক্তি আপাতদৃষ্টিতে স্ববিরোধী মনে হলেও সত্যবর্জিত নয়; যা আপাতদৃষ্টিতে স্ববিরোধী মনে হলেও গভীর অর্থ বহন করে।
- Example: "I must be cruel to be kind." - Shakespeare (Hamlet)

ঘ) Irony (বিদ্রূপ):
- Irony is when there are two contradicting meanings of the same situation, event, image, sentence, phrase, or story.
- In many cases, this refers to the difference between expectations and reality.
- বক্তব্য জোরালো করতে নিজ চিন্তার সম্পূর্ণ বিপরীত কিছু বলে মনোভাব ব্যক্তকরণ; বক্রাঘাত।
- অর্থাৎ, নিন্দার ছলে প্রশংসা বা প্রশংসার ছলে নিন্দা করা।
- Example: "Brutus is an honourable man."

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.
৩৭.
Mr. Brownlow, a renowned character created by Charles Dickens, appears in-
  1. Great Expectations
  2. Hard Times
  3. Oliver Twist
  4. David Copperfield
সঠিক উত্তর:
Oliver Twist
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Oliver Twist
ব্যাখ্যা
• Mr. Brownlow, a renowned character created by Charles Dickens, appears in 'Oliver Twist'.

Mr. Brownlow হলেন Charles Dickens -এর বিখ্যাত উপন্যাস "Oliver Twist"-এর একজন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
- তিনি একজন দয়ালু ও মহানুভব ভদ্রলোক, যিনি উপন্যাসের প্রধান চরিত্র একজন orphan বালক Oliver Twist কে কষ্টের জীবন থেকে রক্ষা করেন এবং তাকে স্নেহ-ভালোবাসা দিয়ে বড় করেন।
- তিনি অলিভারের প্রকৃত পরিচয় জানার চেষ্টা করেন এবং তাকে একটি নিরাপদ ও সুখী জীবনে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করেন।

• Oliver Twist
- "Oliver Twist" (1838) হলো ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস।
- এটি সমাজের অবিচার, দারিদ্র্য, শোষণ ও অপরাধমূলক জীবনধারার বিরুদ্ধে একটি তীব্র প্রতিবাদ।
- উপন্যাসটি বিশেষভাবে শিশু শ্রম, এতিমদের দুর্দশা এবং লন্ডনের অপরাধ জগতের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।

• প্রধান চরিত্রসমূহ:
- Oliver Twist (Protagonist) – নিষ্পাপ, সরল ও নৈতিক চরিত্রের প্রতীক।
- Fagin – ধূর্ত চোর নেতা, যে পথশিশুদের চুরি শেখায়।
- Artful Dodger – এক চতুর পকেটমার, যে অলিভারকে ফ্যাগিনের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়।
- Nancy – অপরাধীদের দলে থাকলেও অলিভারকে সাহায্য করতে চায়।
- Bill Sikes – একজন নিষ্ঠুর অপরাধী, যে ন্যান্সিকে হত্যা করে।
- Mr. Brownlow – দয়ালু বৃদ্ধ ব্যক্তি, যে অলিভারকে আশ্রয় দেন।
- Monks – অলিভারের সৎভাই, যে অলিভারকে সমাজচ্যুত করতে চায়।
- Mr. Bumble – এতিমখানার নিষ্ঠুর কর্মকর্তা, যে দরিদ্র শিশুদের শোষণ করে।

• অন্যদিকে,
- Great Expectations, Hard Times, David Copperfield এই তিনটিও Charles Dickens -এর লেখা উপন্যাস।

• Great Expectations -এর প্রধান চরিত্রসমূহ:
- Pip (Protagonist),
- Miss Havisham,
- Estella,
- Magwitch,
- Joe Gargery, etc.

• Hard Times -এর প্রধান চরিত্রসমূহ:
- Thomas Gradgrind,
- Louisa Gradgrind,
- Josiah Bounderby,
- Stephen Blackpool,
- Sissy Jupe, etc.

• David Copperfield -এর প্রধান চরিত্রসমূহ:
- David Copperfield (Protagonist),
- Mr. Micawber,
- Uriah Heep,
- Betsey Trotwood,
- Dora Spenlow & Agnes Wickfield, etc.

• Charles Dickens
- তিনি একজন British novelist.
- He is generally considered the greatest of the Victorian era.

• His Other Novels:
- A Christmas Carol,
- Bleak House,
- A Tale of Two Cities,
- Our Mutual Friend,
- The Pickwick Papers, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.
৩৮.
"To make off" means-
  1. To argue with someone
  2. To make peace with someone
  3. To complete a task
  4. To leave quickly
সঠিক উত্তর:
To leave quickly
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To leave quickly
ব্যাখ্যা
• "To make off" means- ঘ) To leave quickly

• Make off [phrasal verb with make verb]
- English Meaning: To leave quickly, usually in order to escape.
- Bangla Meaning: দ্রুত কেটে পড়া।

• Ex. Sentence: The snatcher made off before the police arrived.
- Bangla Meaning: ছিনতাইকারী পুলিশ আসার আগেই পালিয়ে গেল।
 
Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৩৯.
Fill in the blank with an appropriate proposition:
The fire resulted _____ damage to their property.
  1. with
  2. to
  3. in
  4. from
সঠিক উত্তর:
in
উত্তর
সঠিক উত্তর:
in
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: The fire resulted in damage to their property.
- Bangla meaning: আগুনে তাদের সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে।

• Result in (something) [phrasal verb with result verb]
- English Meaning: To cause a particular situation to happen.
- Bangla Meaning: ডেকে আনা; পর্যবসিত হওয়া; বিশেষভাবে শেষ হওয়া।

• অন্যদিকে,
• Result from something [phrasal verb with result verb]
- English Meaning: If a situation or problem results from a particular event or activity, it is caused by it.
- Bangla Meaning: স্বাভাবিক পরিণতি লাভ করা; ফলে যাওয়া।

• Ex. sentence: His difficulty in walking results from a childhood illness.

• সুতরাং, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- in.

Source:
1. A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
3. Cambridge Dictionary.
৪০.
Find out the misspelled word from the following.
  1. Faience
  2. Reminesce
  3. Disease
  4. Occasion
সঠিক উত্তর:
Reminesce
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Reminesce
ব্যাখ্যা
• The misspelled word is - খ) Reminesce
- The correct spelling is - Reminisce.

• Reminisce (verb)

- English Meaning: To talk or write about past experiences that you remember with pleasure.
- Bangla Meaning: স্মৃতিচারণ করা; অতীত স্মরণ করা।

• Other options:
ক) Faience [uncountable noun] - (ফরাসি) চিত্রিত ও চকচকে মৃৎপাত্র বা চীনামাটির পাত্র।

গ) Disease [noun] - অসুখ; ব্যাধি; রোগ।

ঘ) Occasion [noun] - কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার সময়; (কোনোকিছুর) উপযুক্ত সময়।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
৪১.
The art or science of teaching adults is-
  1. Demagogy
  2. Pedagogy
  3. Andragogy
  4. Philology
সঠিক উত্তর:
Andragogy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Andragogy
ব্যাখ্যা
• The art or science of teaching adults is - গ) Andragogy

• Andragogy (noun)
- English Meaning: The art or science/method of teaching adults.
- Bangla Meaning: প্রাপ্তবয়স্কদের শিক্ষাদানের পদ্ধতি।

• Other options:
ক) Demagogy: A political strategy where leaders manipulate public opinion through false promises. - বক্তৃতাসর্বস্ব/গলাবাজির রাজনীতি।

খ) Pedagogy: The study of the methods and activities of teaching (especially children) - শিক্ষণবিজ্ঞান।

ঘ) Philology: The study of language, especially its history and development. - ভাষাবিজ্ঞান; ভাষাতত্ত্ব।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
৪২.
The sightseer slid ___ the hill.
  1. up
  2. from
  3. in
  4. down
সঠিক উত্তর:
down
উত্তর
সঠিক উত্তর:
down
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: The sightseer slid down the hill.
- Bangla Meaning: ভ্রমণকারী পাহাড়ের নিচে পিছলে পড়ল।

• down
- যে কোনো কিছুর Direction (গতিপথ) নিচের দিকে হলে সাধারণত Verb -এর পর Adverb হিসেবে down ব্যবহৃত হয়।
- যেহেতু ভ্রমণকারী পিছলে উপর থেকে নিচের দিকে পতিত হয়, তাই এখানে down ব্যবহৃত হবে।

• Slid (verb) [past form of slide]
- English Meaning: To cause something to move easily over a surface, or to move in this way.
- Bangla Meaning: কোনো মসৃণ পৃষ্ঠদেশের উপর দিয়ে (বা পৃষ্ঠদেশ যেয়ে) পিছলে যাওয়া বা অবাধে চলা।

• অন্যদিকে,
• slide on - কোনো মসৃণ পৃষ্ঠদেশের উপর দিয়ে (বা পৃষ্ঠদেশ যেয়ে) পিছলে যাওয়া বা অবাধে চলা।
- যেমন: slide on the ice.

• slide into - (কোনো অবস্থা, পরিণাম ইত্যাদিতে) (ক্রমেক্রমে) প্রায় অজান্তে গড়িয়ে যাওয়া বা পতিত হওয়া।
- যেমন: slide into alcoholism.

• slide into - সটকে পড়া, যাতে কেউ দেখতে না-পায় এমন চট করে কোনোকিছু করা।
- যেমন: The thief slid into a side alley. (চোর পাশের গলিতে সটকে পড়ল।)

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৪৩.
The authorities condemned the act of mob lynching and promised strict action against the culprits.
The underlined word can be replaced by-
  1. Flinching
  2. Due process
  3. Hanging
  4. Gathering
সঠিক উত্তর:
Hanging
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hanging
ব্যাখ্যা
• The authorities condemned the act of mob lynching and promised strict action against the culprits.
- The underlined word can be replaced by - Hanging.

• Lynching (noun)
- English Meaning: The act of killing someone without a legal trial, usually by hanging.
- Bangla Meaning: বিনাবিচারে প্রাণে মারা; (ফাঁসিতে ঝুলিয়ে)।

• Hanging (noun)
- English Meaning: The practice of killing someone by dropping them down suddenly with a rope tied around the neck.
- Bangla Meaning: ঝোলানো; ফাঁসিতে মৃত্যু।

• Other options:
ক) Flinching (present participle of flinch) - Making a quick, nervous movement as an instinctive reaction to fear, pain, or surprise.
- অর্থাৎ, পিছিয়ে যাওয়া; সংকুচিত/ কুণ্ঠিত/পরাঙ্মুখ/বিকম্পিত হওয়া।

খ) Due process - যথাযথ প্রক্রিয়া (বিশেষ করে আইনের ক্ষেত্রে)

ঘ) Gathering - জনসমাবেশ; সভা।

• সুতরাং, অপশন বিবেচনা করে দেখা যায় যে, সঠিক উত্তর হলো- গ) Hanging

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
৪৪.
Children love making mud castles.
Here, 'making' is-
  1. Participle
  2. Gerund
  3. Adjective
  4. Simple verb
সঠিক উত্তর:
Gerund
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gerund
ব্যাখ্যা
• Children love making mud castles.
- Here, 'making' is- Gerund.

- এখানে, 'making' শব্দটি 'love' - Verb -এর Object হওয়ার কারণে এটি Noun হিসেবে কাজ করছে।
- আর Verb+ing → Noun হিসেবে ব্যবহৃত হলে এটা Gerund হয়।  

• Gerund
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি noun -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও noun -এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund বলে।
- সহজে → Gerund = Verb + ing = noun = Verb + noun -এর কাজ করে।
- Gerunds don’t describe action—they act as nouns.

• More examples:
1. I like reading poetry.
2. Stop playing.

• Functions of the Gerund:
1. Subject of a verb: Rising early is a good habit.
2. Object of a verb: I like reading poetry.
3. Object of a preposition: I am tired of waiting.
4. Complement of a verb: Seeing is believing.
5. As absolutely (part of a compound noun): This is my writing table.

• অন্যদিকে,
- Participle হলো verbal adjective যা noun/pronoun কে modify করে অর্থাৎ, adjective-এর কাজ করে।

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
৪৫.
The submersible Titan went down in the North Atlantic Ocean in June 2023.
Here, the word "down" functions as a/an-
  1. Preposition
  2. Adjective
  3. verb
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Adverb
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb
ব্যাখ্যা
• The submersible Titan went down in the North Atlantic Ocean in June 2023.
- Here, the word "down" functions as an- Adverb.

• Down বিভিন্ন parts of speech হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া একটি শব্দ।
- বাক্যে অবস্থান ভেদে এটি Noun, adjective, verb, adverb এবং preposition হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।

• Down (adverb) - [in or towards a low or lower position, from a higher one]
- The submersible Titan went down in the North Atlantic Ocean in June 2023.
- এই বাক্যে down, adverb হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে। 
- কারণ 'down' শব্দটি এখানে verb 'went' কে modify করছে, যা নির্দেশ করছে submersible Titan নিচে গিয়েছে (ডুবেছে)।

• More examples:
- My parents moved down to Barishal after they retired.
- The sun's going down and it'll be dark soon.

• Adverb
- Adverb হচ্ছে এমন এক ধরনের word যেটি বাক্যস্থিত Noun and pronoun ব্যতীত যেকোনো parts of speech কে অথবা একটি গোটা বাক্যকে modify বা বিশেষিত করতে পারে।

Source:
1. A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Cambridge Dictionary.
৪৬.
The girl wants to go home.Here, the underlined part is a/an-
  1. Phrase preposition
  2. Verbal phrase
  3. Noun phrase
  4. Adverb phrase
সঠিক উত্তর:
Noun phrase
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun phrase
ব্যাখ্যা
• The girl wants to go home.
- Here, the underlined part is a - Noun phrase.

- এই বাক্যে "to go home" একটি Noun phrase কারণ এটি "wants" verb -এর object হিসেবে বসে noun -এর কাজ করছে।
- এটি মূলত "what the girl wants" বোঝাতে সাহায্য করছে এবং verb -এর উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য নির্দেশ করে।
- আরো স্পষ্ট করে বললে এখানে "to go home" হলো একটি infinitive phrase যা noun -এর কাজ করছে।

• Noun phrase
- A Noun phrase is a group of words that does the work of a noun.
- অর্থাৎ, Noun phrase হলো সেইসব phrase, যেসব phrase দ্বারা noun -এর কাজ সম্পন্ন হয়।
- Noun phrase -এর অর্থও কোনো একক noun কে নির্দেশ করে এবং এগুলো বাক্যে noun -এর স্থানে বসে।
- Noun phrase বাক্যে বিভিন্ন স্থানে বসতে পারে।
- যেমন:

- Verb এর subject হিসেবে।
- Object of a verb হিসেবে।
- Object of a preposition হিসেবে।
- Subject complement হিসেবে।
- Object complement হিসেবে।

• More Examples:
1. Running every morning helps to improve health. (Subject of a Verb হিসেবে)
2. She sat on the bench. (Object of a preposition হিসেবে)

• অন্যদিকে,
ক) Phrase preposition
- কয়েকটি word একত্রে Preposition -এর কাজ করে।
- যেমন: He waited in front of my office. 

খ) Verbal phrase
- যে phrase - verb -এর কাজ করে তাকে Verbal/Verb Phrase বলে।
- যেমন: You ought to respect your elders.

ঘ) Adverb phrase
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয় adverb -এর মত কাজ করে তাকে Adverb/Adverbial Phrase বলে ৷
- যেমন: My friend called on me at the eleventh hour.

Source:
1. High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.
2. A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
৪৭.
Which of the following words is plural?
  1. Alumnus
  2. Deer
  3. Alumna
  4. Focus
সঠিক উত্তর:
Deer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Deer
ব্যাখ্যা
• The required answer is - খ) Deer

• Deer (Noun)
- English Meaning: A quite large animal with four legs that eats grass and leaves.
- Bangla Meaning: (plural অপরিবর্তিত) হরিণ; মৃগ।

• Deer - singular এবং plural উভয়ভাবেই use হয়।
- এছাড়া Deers ও হলো Deer -এর আরেকটি plural form.

• অন্যদিকে,
ক) Alumnus: A person who has attended or has graduated from a particular school, college, or university.
- Alumnus -এর plural হলো- Alumni. 

গ) Alumna (Feminine) - হলো singular, এর plural হলো- Alumnae.

ঘ) Focus - এর plural হলো- Foci/Focuses.

Source:
1. A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
৪৮.
What would be the best antonym for 'hibernation'?
  1. Activity
  2. Indolence
  3. Efficacy
  4. Torpor
সঠিক উত্তর:
Activity
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Activity
ব্যাখ্যা
• The best antonym for 'hibernation' is - Activity.

• Hibernation (noun)
- English Meaning: The state of being asleep for the winter.
- Bangla Meaning: শীতনিদ্রা।

• Options:
ক) Activity (noun) - সক্রিয়তা; কর্মপরায়ণতা; কর্মিষ্ঠতা।

খ) Indolence (noun) - আলসা; শ্রমবিমুখতা।

গ) Efficacy (noun) - ফলপ্রসূতা; কার্যক্ষমতা।

ঘ) Torpor (noun) - অসাড় অবস্থা।

• সুতরাং, অপশনে উল্লেখিত শব্দগুলোর অর্থ বিশ্লেষণ করে বুঝা যায় যে, The best antonym for 'hibernation' is - Activity.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
৪৯.
The feminine form of 'Mayor' is-
  1. Mayoral
  2. Mayoress
  3. Mayori
  4. Mayoria
সঠিক উত্তর:
Mayoress
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mayoress
ব্যাখ্যা
• The feminine form of 'Mayor' is- খ) Mayoress.

• Mayor (noun)
- English Meaning: A person who is elected or chosen to lead the group who governs a town or city.
- Bangla Meaning: নগরের পৌরসংস্থার প্রধান; মেয়র।

• Mayoress (noun)
- English Meaning: A woman who is elected or chosen to lead the group who governs a town or city.
- Bangla Meaning: মেয়রপত্নী; মহিলা মেয়র।

• Note: In modern usage, "Mayor" is often used for both genders.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
৫০.
Everything will be told by my daughter after her mother _____ home.
  1. arrive
  2. had reached at
  3. has arrived
  4. had come
সঠিক উত্তর:
has arrived
উত্তর
সঠিক উত্তর:
has arrived
ব্যাখ্যা
• Complete sentence: Everything will be told by my daughter after her mother has arrived home.
- Bangla meaning: তার মা বাড়িতে পৌঁছানোর পরে আমার মেয়ে সব কিছু বলবে।

• After
- ভবিষ্যৎকালের দুইটি কাজ 'after' দ্বারা যুক্ত হলে after -এর পূর্বে future indefinite tense এবং after -এর পর present perfect tense হয়।
- এখানে after -এর পূর্বে future indefinite tense টি passive structure -এ আছে।
- সুতরাং, নিয়মানুযায়ী শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হিসেবে has arrived বসবে।

• More examples:
- He will apply for the job after he has earned a graduate degree.
- I shall go home after I have finished my task.

Another future use of after
- When after refers to future time, we use the present simple, not the future with shall or will.
- যেমন: I’ll do another course after I finish this one. (Not: … after I will finish …)

Source: Cambridge English Grammar.
৫১.
Rajib said to me, "Let us go to the wedding together." (Change the speech)
  1. Rajib proposed to me to come to the wedding together.
  2. Rajib proposed to me that we should go to the wedding together.
  3. Rajib wanted to me that we should go to the wedding together.
  4. Rajib urged to me to go to the wedding together.
সঠিক উত্তর:
Rajib proposed to me that we should go to the wedding together.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Rajib proposed to me that we should go to the wedding together.
ব্যাখ্যা
• Direct: Rajib said to me, "Let us go to the wedding together."
• Indirect: Rajib proposed to me that we should go to the wedding together.

• Let দ্বারা শুরু imperative sentence -এর narration পরিবর্তনের নিয়ম:
- Let us দিয়ে শুরু হয়ে যখন কোনো proposal/suggestion (প্রস্তাব) বোঝায় তখন reporting verb টি পরিবর্তিত হয়ে propose/suggest হয়।
- Inverted comma উঠে গিয়ে that বসে।
- পুনরায় subject হিসেবে they/we বসে।
- বাক্যে finite verb -এর আগে Modal auxiliary 'should' ব্যবহৃত হয়।
- তারপর reported speech -এর মূল verb থেকে শেষ পর্যন্ত বসে।

• Note: প্রস্তাবের ক্ষেত্রে Reporting verb -এর subject বা object টি first person হলে we এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে they বসে।
- তবে suggest -এর ক্ষেত্রে suggest +gerund ও ব্যবহার করা যায়।

• More Examples:
- Direct: Sarah said to Mitu, "Let us visit the museum."
- Indirect: Sarah proposed to Mitu that they should visit the museum.

Source:
1. A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.
৫২.
The best meaning of the phrase "To beg the question"-
  1. to take for granted
  2. to catch the issue
  3. to raise objections
  4. to be discussed
সঠিক উত্তর:
to take for granted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to take for granted
ব্যাখ্যা
• The best meaning of "To beg the question" is - ক) to take for granted

• Beg the question
- English meaning:
1. To assume the thing under examination as proved.
2. To pass over or ignore a question by assuming it to be established or settled.
- Bangla Meaning: কোনো বিষয়ে প্রমাণ না দিয়েই সত্য বলে ধরে নেওয়া বা অনুমান করা।

• Take for granted
- English meaning: To take as true or as a fact without actual proof.
- Bangla Meaning: নিশ্চিতভাবে ধরে নেওয়া।

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে যে, To beg the question এবং To take for granted একই অর্থ বহন করছে।

Source:
1. English-Bangla Dictionary.
2. Collins Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.
৫৩.
Identify the correct sentence from the following:
  1. One and a half hours were a long time.
  2. Wage depends on the demand and supply of labour.
  3. Are you planning to go in for the Champions Trophy?
  4. Had you been there on time, you could have the information.
সঠিক উত্তর:
Are you planning to go in for the Champions Trophy?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Are you planning to go in for the Champions Trophy?
ব্যাখ্যা
• The correct sentence is - গ) Are you planning to go in for the Champions Trophy?

• go in for (something [phrasal verb with go verb]
- to take part in a competition (পরীক্ষা দেওয়া/ প্রতিযোগিতায় নামা) অর্থে 'go in for' ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং, Are you planning to go in for the Champions Trophy? বাক্যটি সঠিক।

• Other options:
ক) One and a half hours were a long time.
- এই বাক্যটি ভুল, কারণ One and a half -এর পরে plural noun + singular verb বসে।
- অর্থাৎ, noun -এর সংখ্যা একের অধিক হলে noun টির plural হয় কিন্তু noun -এর সংখ্যা দুই না হওয়া পর্যন্ত verb টি singular হয়।
- সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে- One and a half hours was/is a long time.

খ) Wage depends on the demand and supply of labour.
- এই বাক্যে errors of preposition হয়েছে, কারণ (a need for something to be sold or supplied) অর্থে demand for ব্যবহার হয়।
- সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে- Wage depends on the demand for and supply of labour.

ঘ) Had you been there on time, you could have the information.
- Third Conditional sentence -এর নিয়মানুযায়ী, 
- Had + subject + verb -এর past participle থাকলে তার পরবর্তী clause -এ would/could/might + have + verb -এর past participle form ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে- Had you been there on time, you could have had the information.

Source:
1. A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.
2. Cambridge Dictionary.
৫৪.
√৩ + √৩ এর বর্গ কত?
  1. √৩
  2. ১২
  3. ৩√৩
  4. ৩৬
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: √৩ + √৩ এর বর্গ কত?

সমাধান: 
=(√৩ + √৩)
= (২√৩)
= ২× (√৩)
= ৪ × ৩
= ১২
৫৫.
১০% মুনাফায় ৩০০০০ টাকা এবং ৮% মুনাফায় ২০০০০ টাকা বিনিয়োগ করলে মোট মূলধনের উপর গড়ে শতকরা কত হারে মুনাফা পাওয়া যাবে?
  1. ৮.২%
  2. ৯%
  3. ৭%
  4. ৯.২%
সঠিক উত্তর:
৯.২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.২%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০% মুনাফায় ৩০০০০ টাকা এবং ৮% মুনাফায় ২০০০০ টাকা বিনিয়োগ করলে মোট মূলধনের উপর গড়ে শতকরা কত হারে মুনাফা পাওয়া যাবে?

সমাধান:
১ম ক্ষেত্রে,
মুনাফা = (আসল × মুনাফার × হার সময়)/১০০
= (৩০০০০ ×  ১০ × ১)/১০০
= ৩০০০ টাকা
২য় ক্ষেত্রে,
মুনাফা = (আসল × মুনাফার হার × সময়)/১০০
= (২০০০০ ×  ৮ × ১)/১০০
= ১৬০০ টাকা

∴ মোট বিনিয়োগ= ৩০০০০ + ২০০০০ = ৫০০০০ টাকা
∴ মোট মুনাফা = ৩০০০ + ১৬০০ = ৪৬০০ টাকা

মুনাফার হার = (মুনাফা × ১০০)/(আসল × সময়)
= (৪৬০০ × ১০০)/(৫০০০০ × ১)
= ৪৬/৫
= ৯.২ টাকা

মুনাফার হার = ৯.২ টাকা
৫৬.
একটি রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য 14 সে. মি. ও 7 সে. মি. । এই রম্বসের ক্ষেত্রফলের সমান ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত?
  1. 32 সে. মি.
  2. 49 সে. মি.
  3. 28 সে. মি.
  4. 56 সে. মি.
সঠিক উত্তর:
28 সে. মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
28 সে. মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রম্বসের কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য 14 সে. মি. ও 7 সে. মি. । এই রম্বসের ক্ষেত্রফলের সমান ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
প্রথম কর্ণ, d1​= 14 সে. মি.
দ্বিতীয় কর্ণ, d2 = 7 সে. মি.

আমরা জানি,
রম্বসের ক্ষেত্রফল = (1/2) × d1 × d2
= (1/2) × 14 × 7
= 49
∴ রম্বসের ক্ষেত্রফল = 49 বর্গ সে. মি.

যেহেতু, রম্বসের ক্ষেত্রফল = বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল

∴ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = a2
⇒ a2 = 49
⇒ a = √49
⇒ a = 7 সে. মি.

∴ বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 × a = 4 × 7 = 28 সে. মি.
৫৭.
(81)(√3)2x = 1 হয়, তবে x =?
  1. - 1
  2. - 4
  3. - 2
  4. - 3
সঠিক উত্তর:
- 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (81)(√3)2x = 1 হয়, তবে x =?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
⇒ (81)(√3)2x = 1
⇒ (34)(31/2)2x = 1
⇒ (34)(3)x = 1
⇒ 3x + 4 = 30
⇒ x + 4 = 0
∴ x = - 4
৫৮.
a + b + c = 32 এবং a - b = c হয়, তাহলে a এর মান কত?
  1. 28
  2. 22
  3. 8
  4. 16
সঠিক উত্তর:
16
উত্তর
সঠিক উত্তর:
16
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b + c = 32 এবং a - b = c হয়, তাহলে a এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
a + b + c = 32.............(১)
এবং
⇒ a - b = c
⇒ a = b + c .........(২)

(১) নং এ a এর মান বসিয়ে পাই,
⇒ a + b + c = 32
⇒ a + a = 32
⇒ 2a = 32
⇒ a = 32/2
∴ a = 16
৫৯.
এক কেজি ডালের মূল্য ২০% বৃদ্ধি পেলে মূল্য বৃদ্ধি পায় ১৫ টাকা । তবে ঐ ডালের নতুন মূল্য কত?
  1. ৬০ টাকা
  2. ৭৫ টাকা
  3. ৮০ টাকা
  4. ৯০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৯০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক কেজি ডালের মূল্য ২০% বৃদ্ধি পেলে মূল্য বৃদ্ধি পায় ১৫ টাকা । তবে ঐ ডালের নতুন মূল্য কত?

সমাধান:
ধরি,
প্রাথমিক মূল্য ছিল x টাকা

প্রশ্নমতে,
⇒ x + x এর ২০% = x + ১৫
⇒ x + x এর (২০/১০০) = x + ১৫
⇒ x + (x/৫) = x + ১৫
⇒ ৬x = ৫(x + ১৫)
⇒ ৬x = ৫x + ৭৫
⇒ ৬x - ৫x = ৭৫
∴ x = ৭৫

∴ নতুন মূল্য = ৭৫ + ১৫ = ৯০ টাকা
৬০.

  1. 24
  2. 22
  3. 16
  4. 28
সঠিক উত্তর:
22
উত্তর
সঠিক উত্তর:
22
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:


সমাধান:
৬১.
একটি আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য 4 সে.মি, প্রস্থ 3 সে.মি এবং উচ্চতা 12 সে.মি হলে, আয়তাকার ঘরটির মধ্যে রাখা বৃহত্তম দন্ডের দৈর্ঘ্য কত?
  1. 18 সে. মি.
  2. 14 সে. মি.
  3. 13 সে. মি.
  4. 15 সে. মি.
সঠিক উত্তর:
13 সে. মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13 সে. মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার ঘরের দৈর্ঘ্য 4 সে.মি, প্রস্থ 3 সে.মি এবং উচ্চতা 12 সে.মি হলে, আয়তাকার ঘরটির মধ্যে রাখা বৃহত্তম দন্ডের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
দৈর্ঘ্য, a = 4 সে. মি.
প্রস্থ, b = 3 সে. মি.
উচ্চতা, c =12 সে. মি.

∴ বৃহত্তম দণ্ডের দৈর্ঘ্য বা কর্ণের দৈর্ঘ্য = √(a2 + b2 + c2)
= √(42 + 32 + 122)
= √(16 + 9 + 144)
= √(169)
= 13 সে. মি.

∴ আয়তাকার ঘরের মধ্যে রাখা বৃহত্তম দণ্ডের দৈর্ঘ্য 13 সে. মি.।
৬২.
যদি log4128 = x হয়, তাহলে x এর মান কত?
  1. 7/2
  2. 7
  3. 2/3
  4. 2
সঠিক উত্তর:
7/2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7/2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি log4128 = x হয়, তাহলে x এর মান কত?
সমাধান:
দেওয়া আছে,
log4128 = x
⇒ 4x = 128
⇒ (22)x = 27
⇒ 22x = 27
⇒ 2x = 7
∴ x = 7/2
৬৩.
একটি নিরপেক্ষ ছক্কা ও একটি মুদ্রা একবার নিক্ষেপ করা হলে ছক্কায় জোড় সংখ্যা এবং মুদ্রায় T আসার সম্ভাবনা কত?
  1. 3/4
  2. 1/4
  3. 5​/6
  4. 2/3
সঠিক উত্তর:
1/4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি নিরপেক্ষ ছক্কা ও একটি মুদ্রা একবার নিক্ষেপ করা হলে ছক্কায় জোড় সংখ্যা এবং মুদ্রায় T আসার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
নমুনা বিন্দু = {1H, 2H, 3H, 4H, 5H, 6H, 1T, 2T, 3T, 4T, 5T, 6T}
মোট নমুনা বিন্দু = 12টি।

ছক্কায় জোড় সংখ্যা এবং মুদ্রায় T আসার অনুকূলে নমুনা বিন্দু {2T, 4T, 6T} = 3টি.
∴ সম্ভাবনা = 3/12
= 1/4
৬৪.
একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ ১৪ সে. মি. এবং কেন্দ্রীয় কোণ ৯০° হলে, বৃত্ত চাপের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ২২ সে. মি.
  2. ১৮ সে. মি.
  3. ২৪ সে. মি.
  4. ৩২ সে. মি.
সঠিক উত্তর:
২২ সে. মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ সে. মি.
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ব্যাসার্ধ ১৪ সে. মি. এবং কেন্দ্রীয় কোণ ৯০° হলে, বৃত্ত চাপের দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
কোণ, θ = ৯০° এবং ব্যাসার্ধ, r = ১৪ সে. মি.

আমরা জানি,
চাপের দৈর্ঘ্যের, L = (θ/৩৬০°) × ২πr
= (৯০°/৩৬০°) × ২ × (২২/৭) × ১৪
= (১/৪) × ৪ × ২২
= ২২ সে. মি.
৬৫.
A = {x : x ঋণাত্মক পূর্ণ সংখ্যা এবং x2 < 16} হলে সেটের উপাদানগুলো হবে?
  1. {1, 2, 3}
  2. {- 2, - 4, - 6}
  3. {1, 3, 5}
  4. {- 1, - 2, - 3}
সঠিক উত্তর:
{- 1, - 2, - 3}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{- 1, - 2, - 3}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A = {x : x ঋণাত্মক পূর্ণ সংখ্যা এবং x2 < 16} হলে সেটের উপাদানগুলো হবে?

সমাধান:
এখানে,
x একটি ঋণাত্মক পূর্ণ সংখ্যা
x2 < 16 অর্থাৎ, x2 এর মান 16-এর চেয়ে ছোট হতে হবে।
সুতরাং,
(- 1)2 = 1 < 16  ;[ যা 16 এর ছোট]
(- 2)2 = 4 < 16  ;[ যা 16 এর ছোট]
(- 3)2 = 9 < 16  ;[ যা 16 এর ছোট]
(- 4)2 = 16 < 16  ;[ যা গ্রহণযোগ্য নয়]

∴ A = {- 1, - 2, - 3}
৬৬.
চারটি ঘণ্টা একত্রে বেজে পরে যথাক্রমে ১, ৫/৪, ৭/২ ও ৯/৪ সেকেন্ড অন্তর বাজতে লাগল । কতক্ষণ পরে ঘণ্টাগুলো আবার একত্রে বাজবে?
  1. ৪ মিনিট ৪৫ সেকেন্ড
  2. ৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ড
  3. ৩ মিনিট ৫ সেকেন্ড
  4. ৬ মিনিট ২০ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: চারটি ঘণ্টা একত্রে বেজে পরে যথাক্রমে ১, ৫/৪, ৭/২ ও ৯/৪ সেকেন্ড অন্তর বাজতে লাগল । কতক্ষণ পরে ঘণ্টাগুলো আবার একত্রে বাজবে?

সমাধান:
আমরা জানি,
ভগ্নাংশের ল, সা, গু = (লব গুলোর ল, সা, গু)/(হর গুলোর গ, সা, গু)

∴ ভগ্নাংশ গুলো হলো, ১, ৫/৪, ৭/২ ও ৯/৪

লব = ১, ৫, ৭, ৯ এর ল, সা, গু =  ৩১৫ 
হর = ১, ৪, ২, ৪ এর গ, সা, গু = ১

∴ ভগ্নাংশের ল, সা, গু = (লব গুলোর ল, সা, গু)/(হর গুলোর গ, সা, গু)
= ৩১৫/১
= ৩১৫ সেকেন্ড
= ৫ মিনিট ১৫ সেকেন্ড
৬৭.
একটি সমান্তর ধারার প্রথম 10 টি সংখ্যার যোগফল 185 এবং এর প্রথম পদ 5 হলে, সাধারণ অন্তর কত?
  1. 4
  2. 8
  3. 5
  4. 3
সঠিক উত্তর:
3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার প্রথম 10 টি সংখ্যার যোগফল 185 এবং এর প্রথম পদ 5 হলে, সাধারণ অন্তর কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
সমষ্টি, Sn ​= 185, প্রথম পদ, a = 5 এবং পদ সংখ্যা, n = 10
সাধারণ অন্তর, d=?

আমরা জানি,
সমান্তর ধারার n পদের সমষ্টি, Sn​= (n/2)​[2a + (n - 1)d]

প্রশ্নমতে,
⇒ 185 = (10/2)​[2 × 5 + (10 - 1)d]
⇒ 185 = 5(10 + 9d)
⇒ 185 = 50 + 45d
⇒ 45d = 185 - 50
⇒ 45d = 135
⇒ d = 135/45
⇒ d = 3

∴ সাধারণ অন্তর 3
৬৮.
বিশুদ্ধ ও শুষ্ক বায়ুর প্রধান দুইটি গ্যাসের নাম কী?
  1. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
  2. অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. আর্গন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড
  4. ওজোন ও জলীয়বাষ্প
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলের উপাদান: 
- পৃথিবীপৃষ্ঠ ও তার চারদিক জুড়ে বায়ুমণ্ডল বেষ্টিত, এই মণ্ডল নানা রকমের গ্যাসের মিশ্রণে গঠিত হয়েছে। এই গ্যাসীয় মিশ্রণ ভূ-পৃষ্ঠ থেকে আনুমানিক ৮০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত প্রায় সমান। 
- বায়ুমণ্ডলে আরও রয়েছে অসংখ্য ধূলিকণার সংমিশ্রণ, এই সব কঠিন ও তরল কণিকাকে একত্রে বলা হয় রঞ্জক পদার্থ (Aerosols)। 
- বায়ুমণ্ডলের সব উপাদান স্বাভাবিক অবস্থায় অনুভব করা যায় না, বায়ুমন্ডলের উপাদান বলতে বিভিন্ন প্রকার গ্যাস, জলীয়বাষ্প, ধূলিকণা ও কণিকার সংমিশ্রণকে বুঝায়। 
- বায়ুমণ্ডল বিভিন্ন প্রকারের গ্যাসীয় উপাদান দ্বারা গঠিত। 
- বিশুদ্ধ ও শুষ্ক বায়ুর প্রধান দুইটি উপাদানের নাম নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। এই দুটি গ্যাস একত্রে মিলে বায়ুমণ্ডলের ৯৮.৭৩ শতাংশ জায়গা জুড়ে আছে এবং বাকি ১.২৭ শতাংশ জায়গা জুড়ে আছে অন্যান্য গ্যাসীয় উপাদান। এই ১.২৭ শতাংশ জায়গা জুড়ে থাকা গ্যাসীয় উপাদানগুলো হলো নিষ্ক্রিয় গ্যাস যেমন- ওজোন, জেনন, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, ক্রিপটন, হিলিয়াম, নিয়ন ইত্যাদি। 
- আয়তন হিসেবে বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহের একটি তালিকা দেয়া হলো- 
• নাইট্রোজেন (N2) → ৭৮.০২%, 
• অক্সিজেন (O2) → ২০.৭১%, 
• আর্গন (Ar) → ০.৮০%, 
• কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) → ০.০৩%, 
• অন্যান্য গ্যাসমূহ (ওজোন, মিথেন, জেনন, নাইট্রাস অক্সাইড, নিয়ন, হিলিয়াম ও ক্রিপটন → ০.০২%, 
• জলীয়বাষ্প → ০.৪১% এবং 
• ধূলিকণা ও কণিকা → ০.০১% । 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯.
'বাস্ট তন্তু' কোন টিস্যুর গঠনে অংশগ্রহণ করে?
  1. ভেসেল টিস্যু
  2. জাইলেম টিস্যু
  3. ফ্লোয়েম টিস্যু
  4. যোজক টিস্যু
সঠিক উত্তর:
ফ্লোয়েম টিস্যু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোয়েম টিস্যু
ব্যাখ্যা
জটিল টিস্যু: 
- এ টিস্যুর প্রধান কাজ মাটি থেকে পানি ও অজৈব লবণ পরিবহন করে পাতায় পৌঁছানো এবং পাতায় যে খাদ্য প্রস্তুত হয় তা পরিবহন করে উদ্ভিদ দেহের বিভিন্ন অংশে পৌঁছানো। 
- এদের কাজ পরিবহন বলে এ টিস্যুকে পরিবহন টিস্যুও বলা হয়। 
- জটিল টিস্যু দু'প্রকার। যথা- ১) জাইলেম টিস্যু ও ২) ফ্লোয়েম টিস্যু। 

জাইলেম টিস্যু: 
- এ টিস্যু পরিবহন টিস্যুগুচ্ছের অন্যতম অংশ। 
- ভাস্কুলার উদ্ভিদে জাইলেমের সাহায্যেই খাদ্য দ্রব্যের উপাদানগুলো মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পাতায় পরিবাহিত হয়। 
- উৎপত্তি ও বিকাশের ভিত্তিতে জাইলেম দু'রকম। 
যথা-প্রাথমিক জাইলেম ও সেকেন্ডারি জাইলেম। 
- ভ্রূণ থেকে উদ্ভিদ বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে প্রোক্যাম্বিয়াম থেকে যে জাইলেমের সৃষ্টি হয় তাকে প্রাথমিক জাইলেম বলা হয়। 
- উদ্ভিদের সেকেন্ডারি বৃদ্ধির সময় ক্যাম্বিয়াম থেকে যে জাইলেমের সৃষ্টি হয় তাকে সেকেন্ডারি জাইলেম বলা হয়। 
- পরিণত অবস্থায় আবৃতবীজী উদ্ভিদে জাইলেম চার রকম কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- ক) ট্রাকিড, খ) ট্রাকিয়া বা ভেসেল, গ) জাইলেম প্যারেনকাইমা ও ঘ) জাইলেম তন্তু। 

ফ্লোয়েম টিস্যু: 
- উদ্ভিদের পাতা ও অন্যান্য সবুজ অংশে যে খাদ্য উৎপাদন হয় তা উদ্ভিদের অন্যান্য অংশে পরিবহন করাই এদের কাজ। 
- ফ্লোয়েম টিস্যু চার ধরনের কোষ দ্বারা গঠিত। 
যথা- ক) সীভ নল, খ) সঙ্গী কোষ, গ) ফ্লোয়েম প্যারেনকাইমা এবং ঘ) ফ্লোয়েম ফ্লাইবার বা বাস্ট তন্তু। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭০.
নিচের কোন পদার্থের নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই কিন্তু নির্দিষ্ট আয়তন আছে?
  1. ইট
  2. অক্সিজেন
  3. অ্যামোনিয়া
  4. অ্যালকোহল
সঠিক উত্তর:
অ্যালকোহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালকোহল
ব্যাখ্যা
কঠিন পদার্থ: 
- কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে। 
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ বল খুবই তীব্র। 
যেমন- ইট, কাঠ, লোহা, সোনা, রূপা, কয়লা, চাল, গম ইত্যাদি। 

তরল পদার্থ: 
- তরল পদার্থের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই, তবে নির্দিষ্ট আয়তন আছে। 
- একে যখন যে পাত্রে রাখা যায় সে পাত্রের আয়তন ধারণ করে। 
- পানিকে কলসীতে রাখলে কলসীর আকার, বোতলে রাখলে বোতলের আকার, গ্লাসে রাখলে গ্লাসের আকার ধারণ করে। 
যেমন- দুধ, পানি, অ্যালকোহল, কেরোসিন তেল, নারিকেল তেল, সয়াবিন তেল এসবই তরল পদার্থ। 

গ্যাসীয় পদার্থ: 
- গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার বা আয়তন নেই, তবে এর নির্দিষ্ট ওজন আছে। 
- এ ধরনের পদার্থকে যে পাত্রেই রাখা হোক না কেন সে পাত্রকে পূর্ণ করে রাখে। 
- যে পাত্রে গ্যাসীয় উপাদানকে রাখা হয় সে পাত্রের আয়তনই তার আয়তন, সে পাত্রের আকারই তার আকার। 
যেমন- অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, অ্যামোনিয়া -এরা সকলেই গ্যাসীয় পদার্থ। 
- গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ নেই বললেই চলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১.
ঘনত্বের S.I একক কী? 
  1. g/mL
  2. kg/m3
  3. kg/L
  4. g/cm3
সঠিক উত্তর:
kg/m3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
kg/m3
ব্যাখ্যা
ঘনত্ব (Density): 
- একই আয়তনের সকল পদার্থের ভর সমান নয়, তাই পদার্থের একক আয়তনের ভরকে তার ঘনত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
যেমন- দশ একক আয়তনের বস্তুর ভর বিশ একক হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব দুই একক। 
অর্থাৎ, বস্তুর একক আয়তনের ভরকে তার উপাদানের ঘনত্ব বলে।
গাণিতিকভাবে বলা হয়, V আয়তনের কোন বস্তুর ভর m হলে ঐ বস্তুর ঘনত্ব, ρ = m/V  । 
এখানে, বস্তুর ভরকে m দ্বারা, আয়তনকে V দ্বারা এবং ঘনত্বকে ρ [গ্রীক অক্ষর রো] অথবা d অথবা D অক্ষর দ্বারা প্রকাশ করা হয়। 
- যেহেতু ভরের একক কিলোগ্রাম (kg) এবং আয়তনের একক ঘনমিটার (m3), তাই ঘনত্বের একক কিলোগ্রাম প্রতি ঘনমিটার (সংক্ষেপে কিলোগ্রাম/ঘনমিটার (kg/m3)
- ব্যবহারিক বা প্রায়োগিক ক্ষেত্রে ঘনত্বের একক গ্রাম প্রতি ঘন সেন্টিমিটার (সংক্ষেপে গ্রাম/সিসি (g/cc অথবা g/cm3) বহুল প্রচলিত, এটি S.I এককের উপগুণিতক। 

- ভরের মাত্রাকে আয়তনের মাত্রা দিয়ে ভাগ করলে ঘনত্বের মাত্রা পাওয়া যায়। ঘনত্বের মাত্রা, [ρ] = ML-3  । 
- তাপমাত্রার পরিবর্তন হলে একই বস্তুর আয়তন পরিবর্তন হয়, তাই ঘনত্বেরও পরিবর্তন হয়। 
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, পানির ঘনত্ব সব চেয়ে বেশি হয় 4° C তাপমাত্রায়। 
- 4° C থেকে তাপমাত্রা বাড়লেও পানির ঘনত্ব কমে যায়, 4° C থেকে তাপমাত্রা কমলেও পানির ঘনত্ব কমে যায়। 
- কেবল মাত্র 4° C তাপমাত্রায় 1 ঘনমিটার পানির ভর 1000 কিলোগ্রাম হয়, তাই পানির ঘনত্ব 1000 kgm-3 অথবা 1gm/cc । 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭২.
যকৃত কোন ভিটামিন সঞ্চয় করতে পারে না?
  1. ভিটামিন এ
  2. ভিটামিন ডি
  3. ভিটামিন সি
  4. ভিটামিন কে
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন সি
ব্যাখ্যা
- যকৃতের ভিটামিন সি সঞ্চয় করা সম্ভব নয়, কারণ ভিটামিন সি (আসকর্বিক অ্যাসিড) একটি জলে-দ্রবণীয় ভিটামিন, যা শরীরের মাধ্যমে সহজে ফেলে দেওয়া হয়। 

যকৃত: 

- দেহের সবচেয়ে বড় গ্রন্থি হলো যকৃত। 
- যকৃত পেটের উপরিভাগে ডানদিকে অবস্থিত। 
- প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের শরীরে যকৃতের ওজন প্রায় ১.৫-২.০ কেজি। 
- যকৃত থেকে পিত্তরস নামক এক প্রকার রস নিঃসৃত হয়ে যকৃতনালীর মধ্যে দিয়ে ধীরে ধীরে এসে পিত্তথলিতে জমা হয়। 
- পিত্তনালীর মাধ্যমে পিত্তরস যকৃত থেকে ডিওডেনামে আসে। 
- যকৃতকে শরীরের জৈব রসায়নাগার বলে। 

- যকৃত অতিরিক্ত গ্লুকোজ ও গ্লাইকোজেনকে চর্বিরূপে জমা রাখে। 
- যকৃত অতিরিক্ত এমাইনো এসিডকে ইউরিয়ায় পরিণত করে। 
- যকৃত ভিটামিন এ, ডি, ই, কে ও ফলিক এসিড সঞ্চয় করে। 
- যকৃতের হেপাটোসাইট কোষ অনবরত পিত্তরস তৈরি করে পিত্তথলিতে জমা করে। 
- যকৃত কোলেস্টেরল উৎপাদন করে। 
- যকৃত দেহ থেকে বিভিন্ন রোগজীবাণু অপসারিত করে। 
- এছাড়াও যকৃত চর্বি ও কোলেস্টেরল পরিপাক ও শোষণে সহায়তা করে। 

উৎস: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩.
গ্লিসারিন ঠোঁট বা ত্বকে কেন ব্যবহার করা হয়? 
  1. গ্লিসারিন ত্বককে দ্রুত শুকিয়ে দেয়
  2. গ্লিসারিন ত্বককে সোনালী করে
  3. গ্লিসারিন ত্বকের রঙ গাড় করে 
  4. গ্লিসারিন ত্বককে আর্দ্র রাখতে সহায়তা করে
সঠিক উত্তর:
গ্লিসারিন ত্বককে আর্দ্র রাখতে সহায়তা করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লিসারিন ত্বককে আর্দ্র রাখতে সহায়তা করে
ব্যাখ্যা
শীতকালে ঠোঁট, পায়ের গোড়ালি ফাটে কিন্তু গ্লিসারিন লাগালে না ফাটার কারণ: 
- শীতকালে বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা কম থাকায় বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে, তাই বস্পায়নের হার বেশি হয়। 
- শরীরের কোনো কোনো অংশের চামড়া জলীয় অংশ বাস্পায়নের ফলে শুকিয়ে যায়। 
- বিশেষ করে ঠোঁট এবং যাদের পায়ের গোড়ালি সবসময় ভেজা থাকে, সেই অংশ থেকে বাষ্পায়ন বেশি হয় এবং দ্রুত শুকিয়ে চামড়া সংকুচিত হয়। 
- বাইরের ও ভেতরের চামড়ার সংকোচন চাপের বিভিন্নতার কারণে ঠোঁট ফেটে যায়। 
- গ্লিসারিনের স্ফুটনাঙ্ক 290°C, ফলে এর বাস্পায়ন হার খুবই ধীর। 
- তাই গ্লিসারিন ঠোঁটে লাগালে সহজে বাষ্পায়ন হয় না ঠোঁট ভিজা থাকে। 
- ঠোঁট ভিজা থাকার কারণে সংকুচিত হয় না, ফলে ফাটে না। 
- এজন্য শীতকালে ঠোঁটে এবং ত্বকের বিভিন্ন স্থানে গ্লিসারিন লাগানো হয় যেন না ফাটে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
স্টোলন দ্বারা অঙ্গজ জনন ঘটে কোন উদ্ভিদে?
  1. পেঁয়াজ
  2. কচু
  3. আলু
  4. আদা
সঠিক উত্তর:
কচু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কচু
ব্যাখ্যা
রূপান্তরিত কাণ্ডের মাধ্যম: 
- উদ্ভিদের কোন অংশকে কাণ্ড বলে তা নিশ্চয়ই সবাই জানে তবে কিছু কাণ্ডের অবস্থান ও বাইরের চেহারা দেখে তাকে কাণ্ড বলে মনেই হয় না, এরা পরিবর্তিত কাণ্ড। 
- বিভিন্ন প্রতিকূলতায়, খাদ্য সঞ্চয়ে অথবা অঙ্গজ জননের প্রয়োজনে এরা পরিবর্তিত হয়। 
- এদের বিভিন্ন রূপ নিম্নে দেওয়া হলো- 
(ক) কন্দ (বাল্ব): 
- এরা অতি ক্ষুদ্র কাণ্ড। 
- এদের কাক্ষিক ও শীর্ষ মুকুল নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়, যেমন- পেঁয়াজ, রসুন ইত্যাদি। 

(খ) স্টোলন: 
- কচুর লতি হচ্ছে কচুর শাখা কাণ্ড, এগুলো জননের জন্যই পরিবর্তিত হয়। 
- স্টোলনের অগ্রভাগে মুকুল উৎপন্ন হয়। 
- এভাবে স্টোলন উদ্ভিদের জননে সাহায্য করে, যেমন- কচু, পুদিনা। 

(গ) রাইজোম: 
- এরা মাটির নিচে ভূমির সমান্তরালে অবস্থান করে। 
- কাণ্ডের মতো এদের পর্ব, পর্বসন্ধি স্পষ্ট, পর্বসন্ধিতে শঙ্কপত্রের কক্ষে কাক্ষিক মুকুল জন্মে। 
- এরাও খাদ্য সঞ্চয় করে মোটা ও রসাল হয়। 
- অনুকূল পরিবেশে এসব মুকুল বৃদ্ধি পেয়ে আলাদা আলাদা উদ্ভিদ উৎপন্ন করে, যেমন- আদা। 

(ঘ) টিউবার: 
- কিছু কিছু উদ্ভিদে মাটির নিচের শাখার অগ্রভাগে খাদ্য সঞ্চয়ের ফলে স্ফীত হয়ে কন্দের সৃষ্টি করে, এদের টিউবার বলে। 
- ভবিষ্যতে এ কন্দ জননের কাজ করে। 
- কন্দের গায়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গর্ত থাকে, এগুলো দেখতে চোখের মতো তাই এদের চোখ বলা হয়। 
- একটি চোখের মধ্যে একটি কুঁড়ি থাকে, আঁশের মতো অসবুজ পাতার (শঙ্কপত্র) কক্ষে এসব কুঁড়ি জন্মে। 
- প্রতিটি চোখ থেকে একটি স্বাধীন উদ্ভিদের জন্ম হয়, যেমন- আলু। 

(ঙ) বুলবিল: 
- কোনো কোনো উদ্ভিদের কাক্ষিক মুকুলের বৃদ্ধি যথাযথভাবে না হয়ে একটি পিণ্ডের মতো আকার ধারণ করে, এদের বুলবিল বলে। 
- এসব বুলবিল কিছুদিন পর গাছ থেকে খসে মাটিতে পড়ে এবং নতুন গাছের জন্ম দেয়, যেমন- চুপড়ি আলু। 

(চ) অফসেট: 
- কচুরিপানা, টোপাপানা ইত্যাদি জলজ উদ্ভিদে শাখা কাণ্ড বৃদ্ধি পেয়ে একটি নতুন উদ্ভিদ উৎপন্ন করে। 
- কিছুদিন পর মাতৃউদ্ভিদ থেকে এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন উদ্ভিদে পরিণত হয়, যেমন- কচুরিপানা।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
৭৫.
নিউক্লিয়াসে নিউট্রনবিহীন একমাত্র মৌল কোনটি?
  1. নাইট্রোজেন
  2. অক্সিজেন
  3. ফ্লোরিন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা
পরমাণুর মৌলিক কণিকাসমূহ: 
- যে সব সূক্ষ্ম কণিকা দ্বারা পরমাণু গঠিত তাদেরকে মৌলিক কণিকা বলা হয়। 
- পরমাণুর মৌলিক কণিকাগুলো হলো- ১. ইলেকট্রন ২. প্রোটন ও ৩. নিউট্রন। 

নিউট্রন (Neutron): 
- নিউট্রন আধানহীন (Neutral) বা চার্জ নিরপেক্ষ কণা। 
- ১৯৩২ সালে চ্যাডউইক নিউট্রন আবিষ্কার করেন। 
- নিউট্রনের ভর প্রায় প্রোটনের ভরের সমান। 
- একমাত্র হাইড্রোজেন পরমাণু ছাড়া সকল পরমাণুর নিউক্লিয়াসে নিউট্রন বিদ্যমান। 
- নিউট্রনের প্রতীক হচ্ছে n । 
- নিউট্রনের আসল ভর 1.675×10-24 g । 
- নিউট্রনের আপেক্ষিক আধান ০(শূন্য)। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৬.
'White Blood Cell' বলা হয় কোন রক্ত কণিকাকে?
  1. থ্রম্বোসাইট
  2. ইরাইথ্রোসাইট
  3. লিউকোসাইট
  4. অণুচক্রিকা
সঠিক উত্তর:
লিউকোসাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিউকোসাইট
ব্যাখ্যা
রক্ত কণিকা: 
- রক্তরসের মধ্যে ছড়ানো বিভিন্ন রকমের কোষকে রক্ত কণিকা বলে। 
- রক্ত কণিকাগুলো প্রধানত তিন রকমের। 
যথা- (১) লোহিত রক্তকণিকা বা ইরাইথ্রোসাইট, (২) শ্বেত রক্ত কণিকা বা লিউকোসাইট এবং (৩) অণুচক্রিকা বা থ্রম্বোসাইট। 

শ্বেত রক্তকণিকা: 
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকার নেই, এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ। 
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১-১৫ দিন। 
- হিমোগ্লোবিন না থাকার কারণে এদের শ্বেত রক্তকণিকা বলে, ইংরেজিতে White Blood Cell বা WBC বলে। 
- রক্তে এদের সংখ্যা RBC-এর তুলনায় অনেক কম। 
- এরা অ্যামিবার মতো দেহের আকারের পরিবর্তন করে। 
- ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায় জীবাণুকে ধ্বংস করে। 
- রক্ত জালিকার প্রাচীর ভেদ করে টিস্যুর মধ্যে প্রবেশ করতে পারে। 
- শ্বেত কণিকাগুলো রক্তরসের মধ্য দিয়ে নিজেরাই চলতে পারে। 
- দেহ বাইরের জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হলে, দ্রুত শ্বেত কণিকার সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। 
- মানবদেহে প্রতি ঘন মিলিমিটার রক্তে ৪-১০ হাজার শ্বেত রক্তকণিকা থাকে। 
- শিশু ও অসুস্থ মানবদেহে এর সংখ্যা বেড়ে যায়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
ফরমালিনের জলীয় দ্রবণে মিথান্যালের শতকরা পরিমাণ কত?
  1. ৪০ ভাগ
  2. ৬০ ভাগ
  3. ৭৫ ভাগ
  4. ৯০ ভাগ
সঠিক উত্তর:
৪০ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ ভাগ
ব্যাখ্যা
ফরমালিন: 
- মিথান্যালের জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে। 
- পরিমাণ হিসেবে ফরমালিনে ৪০% মিথান্যাল, ৫২% পানি ও ৪% মিথাইল অ্যালকোহলের মিশ্রিত থাকে। 

রেকটিফাইড স্পিরিট: 
- ৯৫.৬% ইথানল ও ৪.৪% পানির মিশ্রণকে রেকটিফাইড স্পিরিট বলে। 

মেথিলেটেড স্পিরিট: 
- ইথানলকে পানের অযোগ্য বা অসেবনীয় করার উদ্দেশ্যে রেকটিফাইড স্পিরিটের সাথে মিথানল মিশ্রিত করা হয়। 
- এ মিশ্রণকে মেথিলেটেড স্পিরিট বলে। 

পাওয়ার অ্যালকোহল: 
- পেট্রোলিয়াম জাতীয় উপাদানের সাথে ৩০% ইথানলকে যোগ করে বিকল্প জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- এ মিশ্রণকে পাওয়ার অ্যালকোহন বলে। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৮.
ভেড়ার অ্যানথ্রাক্স রোগ কোন অণুজীব দ্বারা সংক্রমিত হয়?
  1. ভাইরাস
  2. ছত্রাক
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. প্রোটোজোয়া
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাকটেরিয়া
ব্যাখ্যা
ব্যাকটেরিয়া: 
- মানুষের অধিকাংশ মারাত্মক রোগ ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হয়ে থাকে। 
যেমন- যক্ষ্মা, নিউমোনিয়া,  টাইফয়েড, কলেরা, ডিপথেরিয়া, আমাশয়, ধনুষ্টংকার, হুপিংকাশি ইত্যাদি। 
- আবার ব্যাকটেরিয়া গবাদি পশু ও অন্যান্য প্রাণীদেহে বিভিন্ন ধরনের রোগ সৃষ্টি করে। 
যেমন- গরু-মহিষের যক্ষ্মা, হাঁস-মুরগির কলেরা, ভেড়ার অ্যানথ্রাক্স, গলাফোলা, ইঁদুরের প্লেগ ইত্যাদি। 

ভাইরাস: 
- সর্দি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক, গুটিবসন্ত, নিউমোনিয়া, জলবসন্ত, বার্ড ফ্লু, সোয়াইন ফ্লু, হেপাটাইটিস ইত্যাদি রোগ সবই ভাইরাসজনিত রোগ। 
- মানুষের ন্যায় অন্যান্য প্রাণীসহ গাছপালারও ভাইরাসজনিত রোগ হয়। 
- ভাইরাস একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ বিষ, আদিকালে রোগ সৃষ্টিকারী যে কোনো বিষাক্ত পদার্থকেই ভাইরাস বলা হত।
- এরা অকোষীয় এবং আকারে এতই ছোট যে খালি চোখেতো দূরের কথা, সাধারণ অণুবীক্ষণ যন্ত্রেও দেখা যায় না।
- এদেরকে ইলেকট্রন অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখতে হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
নিচের কোনটি রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ নয়?
  1. চুম্বকের ঘর্ষণে ইস্পাতের সাময়িক চুম্বকত্ব লাভ
  2. খাবারের পরিপাক প্রক্রিয়া
  3. জ্বালানির দহন
  4. সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া
সঠিক উত্তর:
চুম্বকের ঘর্ষণে ইস্পাতের সাময়িক চুম্বকত্ব লাভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুম্বকের ঘর্ষণে ইস্পাতের সাময়িক চুম্বকত্ব লাভ
ব্যাখ্যা
ভৌত পরিবর্তন: 
- ভৌত পরিবর্তনের ফলে পদার্থের নতুন অণু বা পরমাণুর সৃষ্টি হয় না। 
অর্থাৎ, এ জাতীয় পরিবর্তনের ফলে পদার্থের অণুর গঠন বা উপাদানের কোনো পরিবর্তন ঘটে না, কেবলমাত্র পদার্থের কিছু বিশেষ অবস্থা যেমন- ভৌত অবস্থা, বৈদ্যুতিক অবস্থা ও চৌম্বক অবস্থা ইত্যাদির পরিবর্তন ঘটে। যেমন- চুম্বকের ঘর্ষণে ইস্পাতের সাময়িক চুম্বকত্ব লাভ, লবণ পানিতে দ্রবীভূত হওয়া এবং উত্তপ্ত করলে পুনরায় লবণ পাওয়া, কিংবা অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের উত্তাপে বাষ্পীভূত হয়ে পুনরায় কঠিন হয়ে জমাট বাঁধা—এসবই ভৌত পরিবর্তন। 

রাসায়নিক পরিবর্তন: 
- পদার্থের অণুর গঠন ও উপাদানের পরিবর্তন ঘটে এক বা একাধিক নতুন ধর্ম বিশিষ্ট পদার্থের উৎপত্তি ঘটে। 
- রাসায়নিক পরিবর্তনে পদার্থের পরমাণুসমূহের মধ্যবর্তী বন্ধন ভেঙ্গে নতুন বন্ধনের সৃষ্টি হয়। 
- অণুস্থিত পরমাণুসূহের বন্ধন ভাঙ্গা ও নতুন বন্ধন সৃষ্টি হওয়ার কারণে তাপশক্তির পরিবর্তন ঘটে, এটি একটি স্থায়ী পরিবর্তন। 
- মূল পদার্থের গঠন পরিবর্তিত হওয়ার কারণে মূল পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক উভয় প্রকার ধর্মই পরিবর্তিত হয়। 
- এ পরিবর্তনের ফলে পদার্থের অণুর গঠন ও উপাদানের পরিবর্তন ঘটে এক বা একাধিক নতুন ধর্ম বিশিষ্ট পদার্থের উৎপত্তি ঘটে। 
উদাহরণস্বরূপ, জ্বালানি দহন, খাবারের পরিপাক প্রক্রিয়া, সালোকসংশ্লেষণ, এবং রাসায়নিক বিক্রিয়ায় নতুন গ্যাস বা কঠিন পদার্থের উৎপত্তি সবই রাসায়নিক পরিবর্তনের উদাহরণ। এ পরিবর্তনে পদার্থের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম উভয়ই পরিবর্তিত হয় এবং শক্তির রূপান্তর ঘটে। 
 
উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮০.
একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে কী বলা হয়?
  1. অ্যারে
  2. ফাংশন
  3. স্ট্রাকচার
  4. ক্লাস
সঠিক উত্তর:
অ্যারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যারে
ব্যাখ্যা
• অ্যারে:
- একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে বলা হয়।

• অ্যারে ব্যবহারের সুবিধা:
- একই ধরনের ডেটাগুলোকে একটি চলক দিয়ে প্রকাশ করা যায়।
- অ্যারে প্রোগ্রামকে সহজ, সুন্দর ও ছোট করে।
- প্রোগ্রামের জটিলতা কমায়।
- অ্যারের উপাদানগুলো দ্রুত একসেস করা যায়।

• অ্যারে ব্যবহারের অসুবিধা:
- প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় অ্যারের সাইজ পরিবর্তন করা যায় না।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ অনেক বেশি ঘোষণা করা হলে মেমোরির অপচয় হতে পারে।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ কম ঘোষণা করা হলে অ্যারেতে ডেটার পর্যাপ্ত স্থান সংকুলান হয় না।
- বিভিন্ন টাইপের ডেটা অ্যারেতে রাখা যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮১.
মোবাইল ব্যাংকিং ও ই- কমার্স সেবা কার্যক্রম চালু হয় কোন প্রজন্মের মোবাইল ফোনে?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন:
- ২০০১ সালে জাপানের টোকিওতে সর্বপ্রথম পরীক্ষামূলকভাবে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের প্রধান প্রযুক্তিগত পার্থক্য হচ্ছে সার্কিট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের পরিবর্তে প্যাকেট সুইচিং ডাটা ট্রান্সমিশনের ব্যবহার।
- 3G বা Third Generation হচ্ছে এমন একটি মোবাইল প্রযুক্তি যাতে GSM, EDGE, UTMS, এবং CDMA 2000 প্রযুক্তি অন্তর্ভূক্ত।
- 3G প্রযুক্তি ব্যবহার করে DECT, WiMAX, Voice Call, Video Call সার্ভিস প্রদান করা সম্ভব।

• তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
- মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স ইত্যাদি সেবা কার্যক্রম চালু সম্ভব হয়।
- উচ্চগতি সম্পন্ন ডেটা ট্রান্সফার।
- GPRS স্ট্যান্ডার্ডের ব্যাপক উন্নতি সাধিত হয়।
- সর্বাধিক ডেটা ট্রান্সফারের মোবাইল টেকনোলজি EDGE সিস্টেম চালু হয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বোচ্চ প্রায় 2Mbps।
- প্যাকেট স্যুইচিং এবং সার্কিট স্যুইচিং উভয় পদ্ধতি ডেটা ট্রান্সমিশনে ব্যবহার করা যায়।
- অতি দ্রুত ভয়েজ ও ছবি আদান-প্রদান করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮২.
৮০৮৬ কত বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ৮ বিট
  2. ১৬ বিট
  3. ৩২ বিট
  4. ৬৪ বিট
সঠিক উত্তর:
১৬ বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ বিট
ব্যাখ্যা
• বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন:
• ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
- ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৪ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৪০০৪, ৪০৪০।

• ৮ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
- ৮ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৮ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৮০০৮, ৮০৮০।

• ১৬ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
- ১৬ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ১৬ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬, ৮০১৮৮, ৮০২৮৬, ৬৮০০০।

• ৩২ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর। যেমন- ৮০৩৮৬, ৮০৩৭৬, ৮০৪৮৬।

• ৬৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
- ৬৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৬৪ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- Intel core i3, core i5, core i7, xenon, Intel ITANIUM |
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে। এটি ছিল Intel 4000 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- কালের বিবর্তনে বর্তমানে ইন্টেল কোর আই নাইন Intel Core i9th- (13th Gen) বাজারে পাওয়ার যাচ্ছে।
- বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে বিশ্বের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইন্টেল কর্পোরেশন, মটোরোলা, আইবিএম, এএমডি, সাইরিক্স, এনভিডিয়া, কোয়ালকম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৩.
কোন ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. WAN
  2. PAN
  3. MAN
  4. LAN
সঠিক উত্তর:
LAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
LAN
ব্যাখ্যা
• ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক:
- কেন্দ্রীয়ভাবে ডাটা স্টোর, নিরাপত্তা দেওয়া, বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক খুবই উপযোগী।
- এই নেটওয়ার্কে একটি কম্পিউটারে সকল রিসোর্স থাকে এবং অন্যান্য সকল কম্পিউটারগুলো এসব রিসোর্স ব্যবহার করে।
- যে কম্পিউটার রিসোর্স শেয়ার করে সেটিকে সার্ভার বলে আর যেসব কম্পিউটার রিসোর্স ব্যবহার করে তাদেরকে ক্লায়েন্ট বলে।
- নেটওয়ার্কের সমস্ত রিসোর্স সার্ভারে জমা থাকায় রিসোর্স ম্যানেজম্যান্ট অনেক সহজ হয়।
- LAN এর ক্ষেত্রে ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের উপর ভিত্তি করে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ককে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ক্লায়েন্ট সার্ভার নেটওয়ার্ক এবং
২. পিয়ার টু পিয়ার নেটওয়ার্ক।

• LAN (Local Area Network):
- সাধারণত 1km বা তার কম জায়গার মধ্যে কিছু কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয় তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) বলে।
- এটি সাধারণত স্কুল-কলেজ ক্যাম্পাসে, বড় অফিস বিল্ডিংয়ে অথবা কোন ব্যয়বহুল পেরিফেরাল ডিভাইসকে অনেক ব্যবহারকারী যাতে ব্যবহার করতে পারে সেজন্য ব্যবহার করা হয়।
- ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে সাধারণত কো-এ্যাক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বা অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- তারবিহীন বা ওয়্যারলেস (LAN) প্রযুক্তির সাহায্যে ল্যান তৈরি করা হলে তাকে WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে
- আধুনিক তারবিহীন ল্যান IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে নির্মিত এবং ওয়াই-ফাই ব্র্যান্ডের নামে বাণিজ্যিকভাবে বাবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৪.
"Google" এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া
  2. সান ব্রুনো, ক্যালিফোর্নিয়া
  3. সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া
  4. ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া
সঠিক উত্তর:
মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
"Google" এর সদর দপ্তর অবস্থিত মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়াতে।
• Google:

- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন। 
- গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সুন্দর পিচাই।
- গুগল শব্দটির উৎপত্তি 'গুগোল' (googol) থেকে- যা একটি বিশেষ সংখ্যার নাম।
- গুগল ও আলফাবেটের কর্পোরেট হেডকোয়ার্টার কমপ্লেক্সের নাম হচ্ছে গুগলপ্লেক্স।
- গুগলপ্লেক্স মাউন্টেইন ভিউ, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- গুগলের পূর্ব নাম হল ব্যাকরাব।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- X এর সদর দপ্তর "সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া"।
- ইউটিউব এর সদর দপ্তর "সান ব্রুনো, ক্যালিফোর্নিয়া"।
- ফেসবুকের সদর দপ্তর "ম্যানলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া"।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৮৫.
লজিক্যাল ফাংশন সরলীকরণের ক্ষেত্রে নিচের কোনটির কাজ আগে করতে হয়?
  1. পূরক অপারেশন
  2. অর অপারেশন
  3. প্রথম বন্ধনীর
  4. অ্যান্ড অপারেশন
সঠিক উত্তর:
প্রথম বন্ধনীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম বন্ধনীর
ব্যাখ্যা
• লজিক ফাংশন:
- লজিক্যাল ফাংশনগুলো লজিক গেটের মাধ্যমে তৈরী করা হয় এবং বাস্তবায়ন করা হয়।
- বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে লজিক ফাংশনের সরলীকরণ করা হয়।

• লজিক ফাংশন সরলীকরণের নিয়ম:

- লজিক ফাংশন বাম হতে ডান দিকে সরল করতে হয়।
- প্রথম বন্ধনীর কাজ আগে করতে হয়।
- তারপর পূরক অপারেশনের কাজ করতে হয়।
- এরপর সকল অ্যান্ড (.) অপারেশনের কাজ করতে হয়।
- এরপর সকল অর (+) অপারেশনের কাজ করতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৬.
"ই-লার্নিং" ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম নয় কোনটি?
  1. শিক্ষক ডট কম
  2. জাগো অনলাইন স্কুল
  3. ইস্কুল ডট কম
  4. মুক্তপাঠ
সঠিক উত্তর:
ইস্কুল ডট কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্কুল ডট কম
ব্যাখ্যা
• ই-লার্নিং:
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- ই-লার্নিং এর পূর্ণরূপ ইলেকট্রনিক লার্নিং।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।

• এ ধরনের প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- মুক্তপাঠ,
- শিক্ষক ডট কম এবং
- জাগো অনলাইন স্কুল উল্লেখযোগ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৭.
কোনটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. Ms-Word
  2. Quarter Pro
  3. Informix
  4. Word Star
সঠিক উত্তর:
Quarter Pro
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Quarter Pro
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quarter Pro ইত্যাদি।
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
• উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
- এমএস অফিস,
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
- নেটস্কেপ নেভিগেটর,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইলেকট্রনিক মেইল,
- পেজ মেকার,
- ফটোশপ,
- ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
• উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলো:
- ব্যাংকিং সফটওয়্যার,
- ইলেকট্রনিস কমার্স,
- পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
IMAGE-এর কোড যদি RNZTV হয় তাহলে MODEL-এর কোড কী হবে?
  1. NLWVO
  2. NDJVT
  3. NLVOW
  4. NDJGTV
সঠিক উত্তর:
NLWVO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NLWVO
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: IMAGE-এর কোড যদি RNZTV হয় তাহলে MODEL-এর কোড কী হবে?

সমাধান:

ইংরেজি বর্ণগুলোকে Ascending ও Descending অর্ডারে সাজিয়ে পাই,
IMAGE = RNZTV
∴ MODEL = NLWVO
৮৯.
একটি ট্রেনের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩৬ কি.মি.। ট্রেনের দৈর্ঘ্য ২০০ মিটার হলে ট্রেনটি ১৩০ মিটার সেতু অতিক্রম করতে কত সময় লাগবে?
  1. ৩৯ সেকেন্ডে
  2. ৩৩ সেকেন্ড
  3. ৪১ সেকেন্ডে
  4. ৪৭ সেকেন্ডে
সঠিক উত্তর:
৩৩ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ট্রেনের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩৬ কি.মি.। ট্রেনের দৈর্ঘ্য ২০০ মিটার হলে ট্রেনটি ১৩০ মিটার সেতু অতিক্রম করতে কত সময় লাগবে?

সমাধান:
ট্রেনটিকে সেতু অতিক্রম করতে সেতুর দৈর্ঘ্য ও এর নিজের দৈর্ঘ্য অতিক্রম করতে হবে।
মোট দৈর্ঘ্য = (২০০ + ১৩০) মিটার
= ৩৩০ মিটার

আমরা জানি,
১ কি.মি = ১০০০ মিটার
∴ ৩৬ কি.মি = (১০০০ × ৩৬) মিটার
= ৩৬০০০ মিটার

৩৬০০০ মিটার যায় = ৩৬০০ সেকেন্ডে
∴ ১ মিটার যায় = ৩৬০০/৩৬০০০ সেকেন্ডে
∴ ৩৩০ মিটার যায় = (৩৬০০ × ৩৩০)/৩৬০০০ সেকেন্ডে
= ৩৩ সেকেন্ডে
৯০.
নিচের কোনটি ভিন্ন?
  1. শশী
  2. শর্বরী
  3. নিশাকর
  4. কুমুদনাথ
সঠিক উত্তর:
শর্বরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্বরী
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি ভিন্ন?

সমাধান:
অপশনে উল্লিখিত শর্বরী শব্দটি রাত্রি'র সমার্থক শব্দ এবং বাকিগুলো চাদ-এর সমার্থক শব্দ।

চাঁদ শব্দের সমার্থক: সোম, চন্দ্র, চন্দ্রমা, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, শুধাংশু, হিমাংশু, বিধু, ইন্দু, সিতকর, নিশাকর, সুধাকর, নিশাকান্ত, মৃগাঙ্ক, রজনীকান্ত, কলাধর, কলানিধি, কুমুদনাথ।
৯১.
১৯ দিন আগে আশিক বলেছিল যে তার জন্মদিন আগামী পরশুর পরের দিন। আজ মাসের ২৯ তারিখ হলে তার জন্মদিন কত তারিখে?
  1. ১২ তারিখ
  2. ১৩ তারিখ
  3. ১৪ তারিখ
  4. ১৫ তারিখ
সঠিক উত্তর:
১৩ তারিখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ তারিখ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৯ দিন আগে আশিক বলেছিল যে তার জন্মদিন আগামী পরশুর পরের দিন। আজ মাসের ২৯ তারিখ হলে তার জন্মদিন কত তারিখে?

সমাধান:
আজ মাসের ২৯ তারিখ হলে ১৯ দিন আগে ছিল (২৯ - ১৯) = ১০ তারিখ।
১০ তারিখের পরের দিন হলো ১১ তারিখ।
তাহলে পরশু হবে ১২ তারিখ।
পরশুর পরের দিন হবে ১৩ তারিখ।
অর্থাৎ, আশিকের জন্মদিন ১৩ তারিখে।
৯২.
রফিক বাড়ি থেকে বের হয়ে পূর্ব দিকে ১২ মিটার হাঁটার পর একটি বাজারে পৌছাল। বাজার গিয়ে দেখলো ডান দিকে একটি রাস্তা আছে, সেই পথ ধরে সে ৮ মিটার হাঁটল। এখন যদি সে ডান দিকে মোড় নিয়ে ৪ মিটার হেঁটে বিশ্রাম নিয়ে আবার বাম দিকে হাঁটা শুরু করে তাহলে সে কোনদিকে হাঁটবে?
  1. পুর্ব দিকে
  2. পশ্চম দিকে
  3. উত্তর দিকে
  4. দক্ষিণ দিকে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ দিকে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: রফিক বাড়ি থেকে বের হয়ে পূর্ব দিকে ১২ মিটার হাঁটার পর একটি বাজারে পৌছাল। বাজার গিয়ে দেখলো ডান দিকে একটি রাস্তা আছে, সেই পথ ধরে সে ৮ মিটার হাঁটল। এখন যদি সে ডান দিকে মোড় নিয়ে ৪ মিটার হেঁটে বিশ্রাম নিয়ে আবার বাম দিকে হাঁটা শুরু করে তাহলে সে কোনদিকে হাঁটবে?

সমাধান:
৯৩.
''আমি ______, আমি চেঙ্গিস
আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ!''
পঙ্‌ক্তিটির '________' স্থানে কোনটি বসবে?
  1. বীর
  2. পরাক্রান্ত
  3. বিপ্লব
  4. বেদুঈন
সঠিক উত্তর:
বেদুঈন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেদুঈন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ''আমি ______, আমি চেঙ্গিস
আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ!''
পঙ্‌ক্তিটির '________' স্থানে কোনটি বসবে?

সমাধান:
"আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস,
আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ!"

পঙ্‌ক্তিটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী কবিতার অংশবিশেষ।
৯৪.
একটি ফ্রন্ট ইঞ্জিন গাড়ি আস্তে আস্তে এই ঢালে নিচে গড়িয়ে যায়। গাড়িটি কোন অবস্থানে গিয়ে থামবে?
  1. A
  2. B
  3. C
  4. D
সঠিক উত্তর:
D
উত্তর
সঠিক উত্তর:
D
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ফ্রন্ট ইঞ্জিন গাড়ি আস্তে আস্তে এই ঢালে নিচে গড়িয়ে যায়। গাড়িটি কোন অবস্থানে গিয়ে থামবে?

সমাধান:
• গাড়ির ওজনের কেন্দ্র (Center of Mass):
সামনে ইঞ্জিন থাকার কারণে গাড়ির ওজনের কেন্দ্র সামনের দিকে।
যখন এটি ঢালু পথ দিয়ে নিচে নামবে, তখন সামনের অংশ বেশি ভারী হওয়ায় এটি আরও দ্রুত নীচের দিকে ঝুঁকে যাবে।
ঢালু পথের আকৃতি
ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে ঢাল শেষ হবার পর হঠাৎ একটি খাড়া প্রান্ত আছে।
এই ধরনের আকৃতিতে গাড়ির সামনের অংশ প্রথমে নিচে পড়বে, এবং গতি অব্যাহত থাকলে এটি আনুভূমিক অবস্থায় থাকার পরিবর্তে সামনের দিকে ঘুরতে শুরু করবে।

• ঘূর্ণন গতি (Rotational Motion):
ঢাল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর, সামনে বেশি ওজন থাকার কারণে গাড়িটি সামনের দিকে উল্টে যেতে বাধ্য।
এক পর্যায়ে গাড়িটি পুরোপুরি উল্টে গিয়ে চার চাকাই ওপরে থাকবে, যেমনটি D অপশন-এ দেখানো হয়েছে।

• ফলাফল:
গাড়িটি উল্টে যাবে এবং চাকার দিক ওপরে থাকবে, যা চিত্রে D তে দেখান হয়েছে।
৯৫.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
42 : 20 :: ? : 32
  1. 58
  2. 66
  3. 56
  4. 64
সঠিক উত্তর:
66
উত্তর
সঠিক উত্তর:
66
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
42 : 20 :: ? : 32

সমাধান:
এখানে, সম্পর্কটি হচ্ছে (2x + 2) : x
x = 20
2x + 2 = 20 × 2 + 2 = 40 + 2 = 42

x = 32
2x + 2 = 32 × 2 + 2 = 64 + 2 = 66
৯৬.
হাড় হাভাতে : হতভাগ্য :: হাত ধরা : ?
  1. বশীভূত
  2. কৃপণ
  3. হতাশ হওয়া
  4. দক্ষতা
সঠিক উত্তর:
বশীভূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বশীভূত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: হাড় হাভাতে : হতভাগ্য :: হাত ধরা : ?

সমাধান:
• 'হাড় হাভাতে' বাগধারার অর্থ হতভাগ্য।
• 'হাত ধরা' বাগধারার অর্থ বশীভূত।

অন্যদিকে,
- 'হাত-ভারি' বাগধারার অর্থ কৃপণ।
- 'হাল ছাড়া' বাগধারার অর্থ হতাশ হওয়া।
- 'হাত পাকান' বাগধারার অর্থ দক্ষতা।
৯৭.
ইসলাম খান চিশতি কোন স্থান থেকে স্থানান্তরিত করে বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থাপন করেন?
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. চট্টগ্রাম
  3. সোনারগাঁও
  4. রাজমহল
সঠিক উত্তর:
রাজমহল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজমহল
ব্যাখ্যা
ইসলাম খান চিশতি:
- সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।

উল্লেখ্য,
- ১৬০৮ সালে সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খানের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর বিখ্যাত সুফি সেলিম চিশতীর দৌহিত্র ইসলাম খান চিশতী বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন।
- নিয়োগ লাভ করে তিনি অনতিবিলম্বে বাংলার তদানীন্তন রাজধানী বিহারের রাজমহল-এ চলে আসেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- তিনি সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
- ইসলাম খান ঢাকাকে সুরক্ষিত করে তিনি ভূঁইয়াদের সব অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন এবং ১৬১১ খ্রিস্টাব্দেই মুসা খানসহ বারো ভূঁইয়াদের সবাই ইসলাম খানের নিকট বশ্যতা স্বীকার করেন। 

⇒ সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং ঢাকার ধোলাই খাল খনন করেন।
- বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন শাহ সুজা।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯৮.
নিম্নের কোন ব্যক্তি মুঘল সম্রাট ছিলেন না?
  1. জাহাঙ্গীর
  2. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. দ্বিতীয় শাহ আলম
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করলেও সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়। এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
- ঐতিহাসিক শামস-ই- সিরাজ আফীফ ইলিয়াস শাহকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" এবং 'সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

অন্যদিকে,
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট। .জাহাঙ্গীর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট আকবর-এর পুত্র।
- ১৭০৭ খ্রি. সম্রাট আওরঙ্গজেব মৃত্যুবরণ করেন। আওরঙ্গজের পরবর্তী মুঘল শাসকগণ হলেন যথাক্রমে;
১। বাহাদুর শাহ (১৭০৭-১২),
২। জাহান্দর শাহ (১৭১২-১৩),
৩। ফররুখ শিয়ার (১৭১৩-১৯),
৪। মুহাম্মদ শাহ (১৭১৯-৪৮),
৫। আহমদ শাহ (১৭৪৮-৫৪),
৬। দ্বিতীয় আলমগীর (১৭৫৪-৫৯),
৭। দ্বিতীয় শাহ আলম (১৭৫৯-১৮০৬),
৮। দ্বিতীয় আকবর (১৮০৬-৩৭),
৯। দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ (১৮৩৭-৫৮)।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৯.
বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রামের ডিজাইনার কে?
  1. কামাল হাসান
  2. এএনএ সাহা
  3. কাইয়্যুম চৌধুরী
  4. কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম:
- স্বাধীনতা উত্তর সময়ে বাংলাদেশ সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রামে দেশের কৃষি, শিল্প ও বাণিজ্যকে প্রাধান্য দিয়ে সেগুলোকে শৈল্পিক উৎকর্ষে উদ্ভাসিত করে তোলা হয়।
- বরেণ্য শিল্পী কামরুল হাসান ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম ডিজাইন করেন।
- কালের পরিক্রমায় মুদ্রণ ব্যবস্থার পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে মনোগ্রামের মূল ডিজাইনে কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসে।
- মনোগ্রামের মূল ডিজাইন পুনরুদ্ধার, রং নির্ধারণ এবং শিল্পী কামরুল হাসান কর্তৃক অংকিত ডিজাইনের নিগুঢ় অর্থ উদ্ভাবনের উদ্দেশ্যে সাবেক নির্বাহী পরিচালক ম. মাহফুজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠিত হয়।
- ১৯৭২ সালে প্রকাশিত বিভিন্ন বইয়ে মুদ্রিত মনোগ্রামকে ভিত্তি করে শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার এর সহযোগিতায় সঠিকরূপে মনোগ্রামের কাজ সম্পাদিত হয়।

⇒ ব্যাংকের মনোগ্রামে ব্যবহৃত -
- মনোগ্রামের রং: গাঢ় সবুজ। 
- মনোগ্রামের ঠিক মাঝখাণে রয়েছে ডিজাইনকৃত ধানের গোলা এবং এর ঢাকনা। ধানের গোলা আর্থিকভাবে সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- গোলার নিচে নদীর ঢেউ। গোলার নিচে দুটি বক্ররেখা নদীর ঢেউয়ের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। নদীমাতৃক বাংলাদেশকে বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
- দুপাশে ধানের ছড়া। ধানের গোলার দুপাশে দুটি ধানের ছড়া দেখানো হয়েছে। মাঠভরা সোনালি ফসল বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
- বাণের গোলার নিচে একটি কুঁড়িতে তিনটি পাটের পাতা রয়েছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে পাটিপাতাকে যুক্ত বাংলাদেশের বৈদেশিক আয়ের প্রধান উৎস ছিল পাট। হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১০০.
বাংলাদেশে কয়টি স্থলবন্দর চালু রয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১২টি
  2. ১৪টি
  3. ১৫টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশে বর্তমানে সরকার ঘোষিত ২৪ টি স্থল বন্দর রয়েছে।
- যার মধ্যে চালু রয়েছে ১৬টি।

উল্লেখ্য,
⇒ চালুকৃত স্থলবন্দর ১৬টি:
- সোনা মসজিদ স্থলবন্দর, হিলি স্থলবন্দর, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, বিবির বাজার স্থলবন্দর, টেকনাফ স্থলবন্দর, বেনাপোল স্থলবন্দর, বুড়িমারী স্থলবন্দর, ভোমরা স্থলবন্দর, তামাবিল স্থলবন্দর, সোনাহাট স্থলবন্দর, নাকুগাঁও স্থলবন্দর, আখাউড়া স্থলবন্দর, বিলোনিয়া স্থলবন্দর, গোবরাকুড়া-কড়ইতলী স্থলবন্দর, শেওলা স্থলবন্দর, ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দর।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। [link]
১০১.
বাংলাদেশে বর্তমানে কয়স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
সঠিক উত্তর:
তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার:
- স্থানীয় সরকার হলো রাষ্ট্রের ভৌগলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বিভক্ত করা ক্ষুদ্রতর শাসন কাঠামো।
- এটি হল কেন্দ্রীয় সরকারের বর্ধিত ও সহায়ক অংশ।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্থানীয় প্রশাসন কেন্দ্রিয় সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করে।

⇒ বাংলাদেশে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল: জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, এবং ইউনিয়ন পরিষদ।

• শহরে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
• পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
• গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।

উৎস: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০২.
'রাসলীলা' কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের অনুষ্ঠান?
  1. মণিপুরি
  2. রাখাইন
  3. রাজবংশী
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
মণিপুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরি
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।

উল্লেখ্য,
- মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব মহা রাসলীলা। 
- অষ্টাদশ শতাব্দীতে মণিপুরের রাজা মহারাজ ভাগ্যচন্দ্র প্রবর্তিত শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলানুকরণ বা রাসপূর্ণিমা নামের মণিপুরিদের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশে প্রায় দেড়শ বছর ধরে (আনুমানিক ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দ থেকে) পালিত হয়ে আসছে।

⇒ মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০৩.
'ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩' অনুসারে, পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩:
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কর্তৃক 'বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান ২০২৩' প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
- শিরোনাম: ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস’।
- সর্বশেষ প্রকাশিত হয়: আগস্ট, ২০২৪।
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন, 
২. বাংলাদেশ,
৩. ভিয়েতনাম,
৪. তুরস্ক,
৫. ভারত।

এছাড়াও,
- পোশাক আমদানীতে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট। [link]
১০৪.
বিবিএস-এর সর্বশেষ রিপোর্ট অনুসারে, দেশে প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুহার (এক বছরের কম বয়সী) কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২২ জন
  2. ২৪ জন
  3. ২৭ জন
  4. ৩৩ জন
সঠিক উত্তর:
২৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩:
- সর্বশেষ চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

⇒ মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।
- লিঙ্গ অনুপাত = পুরুষ : নারী = ১০০:৯৬.৩।

⇒ জন্মহার:
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল জন্মহার ১৯.৪।

⇒ মৃত্যুহার:
- প্রতি হাজার জনসংখ্যায় স্থূল মৃত্যুহার ৬.১।
- এক বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যু হার প্রতি হাজারে ২৭ জন।
- পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুহার ৩৩ (প্রতি হাজারে)।
- নবজাতক মৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ২০ জন। 
- মাতৃমৃত্যুর মৃত্যুর হার প্রতি লাখে জীবিত জন্মের বিপরীতে ১৩৬ জন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১০৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭১ নং
  2. ৭২ নং
  3. ৭৩ নং
  4. ৭৬ নং
সঠিক উত্তর:
৭১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১ নং
ব্যাখ্যা
দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭১ নং অনুচ্ছেদে ‘দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সংবিধানের ৭১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
(১) কোনো ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকার সংসদ-সদস্য হবেন না।
(২) কোনো ব্যক্তির একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচনপ্রার্থী হওয়ায় এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বর্ণিত কোনো কিছুই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না, তবে তিনি যদি একাধিক নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হন তা হলে-
(ক) তাঁহার সর্বশেষ নির্বাচনের ত্রিশ দিনের মধ্যে তিনি কোন নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করতে ইচ্ছুক, তা জ্ঞাপন করে নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণা প্রদান কঢ়বেন এবং তিনি অন্য যে সকল নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হয়েছিলেন, অতঃপর সেই সকল এলাকার আসনসমূহ শূন্য হবে;
(খ) এই দফার (ক) উপ-দফা মান্য করতে অসমর্থ হলে তিনি যে সকল আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন, সেই সকল আসন শূন্য হবে।

এছাড়া,
- ৭২ নং অনুচ্ছেদ সংসদের অধিবেশন,
- ৭৩ নং অনুচ্ছেদ সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী, 
- ৭৪ নং অনুচ্ছেদ সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০৬.
নিখিল পাকিস্তান শিক্ষক সম্মেলনে আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাবের প্রতিবাদ করেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  3. এ কে ফজলুল হক
  4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ব্যাখ্যা
নিখিল পাকিস্তান শিক্ষক সম্মেলনে আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাবের প্রতিবাদ করেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্।

আরবি হরফে বাংলা:
- ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু হলেও আরবি হরফ প্রবর্তনের এই ষড়যন্ত্র ভালভাবে দানা বাঁধে ১৯৪৯ সালে'।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ডিসেম্বর মাসে করাচীতে পাকিস্তান শিক্ষক সমিতির একটি একটি সম্মেলন আয়োজন করা হয়।
- সে সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে পাকিস্তানের তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমান বলেন, বাংলা ভাষায় আরবি হরফ প্রচলন করতে হবে।
- এক পর্যায়ে বাংলায় আরবি হরফ প্রবর্তনের বিষয়টি পরীক্ষা করে দেখার জন্য ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি বলে মত দেন সৈয়দ আলী আহসান।
- শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমান, শিক্ষা উপদেষ্টা মাহমুদ হাসানকে দিয়ে একটি চিঠি পাঠান ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর কাছে।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সে চিঠির কোন জবাব দেবার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেননি। উল্টো তিনি এই চিঠির বিষয়বস্তু সংবাদপত্রে জানিয়ে দেন।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ-এর প্রতিবাদ করেন।
- পরবর্তীতে আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের জাল হিসেবে বাংলা ভাষা সংস্কারের নামে ১৯৪৯ সালের মার্চে 'পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বিবিসি।
১০৭.
'পিলখানা হত্যাকান্ড' কবে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
বিডিআর হত্যাকান্ড:
- ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলস বা বিডিআর (যা বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বা বিজিবি) সদর দপ্তরে বিপথগামী সৈনিকরা নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায়।
- ওই বছরের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিপথগামী কিছু বিডিআর সদস্য ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ছাড়াও নারী ও শিশুসহ আরো ১৭ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। 

উল্লেখ্য,
- ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআর বিদ্রোহের সময় সংঘটিত পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা পুনঃতদন্তে সাত সদস্যের স্বাধীন কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- কমিশনের সভাপতি হিসেবে রয়েছেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC.
১০৮.
বর্তমানে দেশে করমুক্ত আয়ের সীমা কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৩,০০,০০০ টাকা
  2. ৩,২৫,০০০ টাকা
  3. ৩,৫০,০০০ টাকা
  4. ৩,৭৫,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩,৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয়সীমা:
⇒ বর্তমানে দেশে করমুক্ত আয়ের সীমা নিম্নরূপ:
- সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
- কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

⇒ ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%
- পরবর্তী ৩,০০,০০০/- টাকার: ১০%
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১৫%
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ২৫%

উৎস: i) জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রামে কতটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ বাস করে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
১১০.
বাংলাদেশে কোন ব্যাংক প্রথম ক্রেডিট কার্ড চালু করে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক 
  2. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  3. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
  4. আইএফআইসি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক:
- বাংলাদেশের প্রথম বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।
- ১৯০৫ সালে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক পিএলসি রয়্যাল চার্টার ১৮৫৩-এর অধীনে নিবন্ধিত একটি ব্রিটিশ ব্যাংক এবং এর প্রধান কার্যালয় লন্ডনে অবস্থিত।
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করে ১৯৪৮ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশে ব্যাংকটির কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক পিএলসি ২০০০ সালের এপ্রিল মাসে এএনজেড গ্রুপ-এর নিকট থেকে এএনজেড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংকের বিশ্বব্যাপী সমুদয় ব্যাংক ব্যবসায় ক্রয় করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড গ্রিন্ডলেজ ব্যাংক পিএলসি হিসেবে এর পুনঃনামকরণ করে।

⇒ বাংলাদেশে ১৯৯৬ সালে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক প্রথম ক্রেডিট কার্ড চালু করে।
- ওই সময়ে তৎকালীন ‘বণিক বাংলাদেশ’ (বর্তমানে লংকাবাংলা) ও ন্যাশনাল ব্যাংকও ক্রেডিট কার্ড চালু করে।

উৎস: i) স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১১১.
কত সালে রাশিয়ার কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্র আলাস্কা ভূখণ্ডটি ক্রয় করে? 
  1. ১৮০৩ সালে
  2. ১৮০৭ সালে
  3. ১৮৬৭ সালে
  4. ১৮১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬৭ সালে
ব্যাখ্যা

আলাস্কা: 
- ১৮৬৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা কিনে নেয়।
- রাশিয়ার উত্তর আমেরিকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর চুক্তিটি ৩০ মার্চ, ১৮৬৭ তারিখে স্বাক্ষরিত হয় এবং
- ১৮ অক্টোবর, ১৮৬৭ তারিখে সিটকায় এক অনুষ্ঠানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে দখল গ্রহণ করে।

যুক্তরাষ্ট্র: 
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট পঞ্চাশটি রাজ্য রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্র ইউনিয়নে যোগদানকারী শেষ দুটি রাজ্য হলো আলাস্কা ও হাওয়াই, এগুলো যথাক্রমে ৪৯তম ও ৫০তম রাজ্য হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত হয়। এর মধ্যে আলাস্কা হলো যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম রাজ্য।

উল্লেখ্য, 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে, এবং এই দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। জনসংখ্যার দিক থেকে ক্যালিফোর্নিয়া যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য।লুইসিয়ানা অঙ্গরাজ্যটি ১৮০৩ সালে ফ্রান্সের নিকট থেকে ক্রয় করা হয়েছিল। 

এছাড়াও, 
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন। দেশটির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি ঘটনা হলো ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ, এটি প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে ১৮৬৩ সালে কার্যকর হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

১১২.
"ফ্রাইডে ফর ফিউচার" কোন ধরনের আন্দোলন?
  1. নারী অধিকার
  2. শ্রমিক অধিকার
  3. পরিবেশ রক্ষা
  4. মানবাধিকার
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ রক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবেশ রক্ষা
ব্যাখ্যা

ফ্রাইডে ফর ফিউচার: 
- "ফ্রাইডে ফর ফিউচার" একটি পরিবেশবাদী আন্দোলন।
- এটা মূলত জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি নৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে উদ্যোগী।
- এই আন্দোলনের সূচনা ২০১৮ সালে সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ নামক ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী করেছিলেন।

উল্লেখ্য, 
- গ্রেটা থুনবার্গ স্কুল বর্জন করে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেন, যা পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।এই আন্দোলনে মূলত স্কুল শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের শীর্ষ নেতাদের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় যথাযথ পদক্ষেপ নিতে প্রভাবিত করা। "ফ্রাইডে ফর ফিউচার" আন্দোলন জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ রক্ষায় একটি বৈশ্বিক মুভমেন্ট হিসেবে পরিচিত।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও প্রত্রিকা রিপোর্ট। 

১১৩.
তেহরানের জনসংখ্যা, পানি-বিদ্যুতের সংকট মোকাবিলায় ইরানের প্রস্তাবিত নতুন রাজধানীর নাম কী?
  1. কিশ দ্বীপ
  2. মাক্রান
  3. শিরাজ
  4. তাবরিজ
সঠিক উত্তর:
মাক্রান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাক্রান
ব্যাখ্যা

ইরানের প্রস্তাবিত নতুন রাজধানী: 
- ইরান সরকার তেহরানের পরিবেশগত চাপ, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং পানি-বিদ্যুতের সংকট মোকাবিলায় রাজধানী স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- নতুন রাজধানী হবে মাক্রান, এটি উপকূলবর্তী হওয়ায় কৌশলগত ও অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে।
- প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং সরকারের মুখপাত্র ফাতেমেহ মোহাজেরানি এই পরিকল্পনার পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন। 

ইরান:
- ইরান দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত একটি মুসলিম রাষ্ট্র।
- সৌদি আরবের পর ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- ১৯৭৯ সালে ইরানী বিপ্লব গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজতন্ত্রের পতন ঘটায় এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্র স্থাপন করে।
- 'ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলি' ইরানের পার্লামেন্টের নাম।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১১৪.
১৯৮৫ সালের ভিয়েনা কনভেনশনের উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. ক্ষতিকর দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
  2. ওজোনস্তর রক্ষা
  3. বৈশ্বিক সহযোগিতা
  4. মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর রক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওজোনস্তর রক্ষা
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৮৫: 
- Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer. 
- ভিয়েনা কনভেনশন ১৯৮৫ সালে গৃহীত হয় ভিয়েনায়। 
- এটি কার্যকর হয় ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৮৮ সালে।
- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।

উৎস: United Nations ওয়েবসাইট।
১১৫.
"থ্রি ব্রাদারহুড এলায়েন্স" কোন দেশের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী?
  1. আফগানিস্তান
  2. সিরিয়া
  3. মিয়ানমার
  4. সুদান
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স: 
- মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তিনটি বৃহত্তর সংগঠন মিলে ‘থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ নামে একটি নতুন জোট গড়ে তুলেছে।
- এই জোটে রয়েছে মিয়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক আর্মি (এমএনডিএ), তায়াং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি (টিএনএলএ) এবং আরাকান আর্মি (এএ)।
- মূলত সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে তারা একত্রিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, 
- বর্তমানে মিয়ানমারে সামরিক জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ চলছে। 

মিয়ানমার: 
- মিয়ানমার দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার একটি দেশ। 
- এটি ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
- দেশটির রাজধানী ইয়াংগুন, যার পূর্বনাম ছিল রেঙ্গুন।
- মিয়ানমারের মুদ্রার নাম কিয়াট।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারকে বিভক্তকারী নদী হলো নাফ নদী।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার—এই তিনটি জেলার সঙ্গে মিয়ানমারের ২৭১ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও রয়টার্স। 

১১৬.
আফ্রিকায় 'জেন-জি' বিপ্লবের সূচনা কোন দেশে হয়েছিল?
  1. নাইজেরিয়া
  2. কেনিয়া
  3. দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ইথিওপিয়া
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
ব্যাখ্যা

আফ্রিকায় 'জেন-জি' বিপ্লবের সূচনা: 
- আফ্রিকায় 'জেন-জি' বিপ্লবের সূচনা কেনিয়াতে হয়েছিল।

- দেশটির সরকারের অতিরিক্ত কর আরোপের প্রতিবাদে জুন মাসে জেন-জি প্রজন্ম রাস্তায় নামতে শুরু করে।
- এ প্রতিবাদ মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিশেষত টিকটক, মাধ্যমে সংগঠিত হয়।
- কেনিয়ার সরকার তখন প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার রাজস্ব আদায়ের জন্য নতুন করের পরিকল্পনা নেয়, যা দেশটির গরিব জনগণের জন্য বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি করে।
- এই করের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে জেন-জি প্রজন্ম রাজনৈতিক দলগুলোর সাহায্য ছাড়াই নিজেদের উদ্যোগে রাস্তায় নেমে আসে।  

কেনিয়া: 
- কেনিয়া পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ, 
- এটি ভারত মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত। 
- দেশের আয়তন প্রায় ৫৮২,৬৪৬ বর্গকিলোমিটার। 
- কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবি এটি একটি দ্রুতবর্ধনশীল শহর এবং আফ্রিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। 
- কেনিয়ার মুদ্রার নাম শিলিং (Kenyan Shilling)। 

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

১১৭.
কোন সংস্থাটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা
  2. আন্তর্জাতিক তাপবিদ্যুৎ সংস্থা
  3. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা
  4. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা
ব্যাখ্যা

ILO:
- আইএলও (ILO) বা ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন একটি আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা। 
- এটি ১৯১৯ সালে ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- আইএলও এর সদরদপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত এবং বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন আইএলওর সদস্যপদ লাভ করে।
- আইএলও ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

সূত্র: ILO ওয়েবসাইট।

১১৮.
UNEP কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ৫ জুন ১৯৭২ সালে
  2. ৫ জুন ১৯৭৩ সালে
  3. ৫ জুন ১৯৭৪ সালে
  4. ৫ জুন ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
৫ জুন ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জুন ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

• UNEP:
- UNEP হল জাতিসংঘের একটি সংস্থা, এটা বৈশ্বিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়নে কাজ করে।
- UNEP-এর পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme।
- এই সংস্থা পরিবেশ সংরক্ষণে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে "চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ" পুরস্কার প্রদান করে।
- UNEP-এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
- এটি ৫ জুন, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে, এটি পরবর্তীতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপনের জন্য নির্ধারিত হয়।
- UNEP-এর সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা বর্তমানে ১৯৩টি।

সূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।

১১৯.
১৯৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দেশ?
  1. আর্জেন্টিনা
  2. ব্রাজিল
  3. জার্মানি
  4. উরুগুয়ে
সঠিক উত্তর:
উরুগুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উরুগুয়ে
ব্যাখ্যা

- ১৯৩০ সালের ফিফা বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় উরুগুয়ে।
- উরুগুয়ের মন্টেভিডিওতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে তারা আর্জেন্টিনাকে ৪-২ গোলে পরাজিত করে। 
- ২২তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় - ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর – ১৮ ডিসেম্বর কাতারে। চ্যাম্পিয়ন হয়  আর্জেন্টিনা (৩৬ বছর পর)। 

ফিফা: 
- ফিফা (Federation of International Football Association) হলো আন্তর্জাতিক ফুটবলের শীর্ষ সংস্থা,
- এর প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২১ মে, ১৯০৪ সালে।
- প্রতিষ্ঠার সময় ফিফার সদস্য দেশ ছিল মাত্র ৭টি।
- বর্তমানে, ফিফার সদস্য দেশের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২১১টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৬ সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।

সূত্র: ফিফা ওয়েবসাইট।  

১২০.
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার চতুর্থ লক্ষ্য কোনটি?
  1. লিঙ্গ সমতা
  2. মানসম্পন্ন শিক্ষা
  3. বৈষম্য হ্রাস
  4. সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতা
সঠিক উত্তর:
মানসম্পন্ন শিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানসম্পন্ন শিক্ষা
ব্যাখ্যা

• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা:
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। 

• ১৭টি অভীষ্ট হলো:
১. সর্বত্র সকল ধরনের দারিদ্রের অবসান,
২. ক্ষুধা নিবারণ, খাদ্য নিরাপত্তা, সুষম পুষ্টি ও টেকসই কৃষি,
৩. সুস্বাস্থ্য ও সুস্থতা,
৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা,
৫. লিঙ্গ সমতা,
৬. সবার জন্য স্যানিটেশন ও সুপেয় পানি,
৭. সাশ্রয়ী নির্ভরযোগ্য, টেকসই, আধুনিক ও দূষণমুক্ত জ্বালানি,
৮. স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং সবার জন্য পূর্ণাঙ্গ ও উৎপাদনশীল কর্মসংস্থান এবং শোভন কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা,
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো,
১০. বৈষম্য হ্রাস,
১১. টেকসই নগর ও সম্প্রদায়,
১২. দায়িত্বশীল ভোগ ও উৎপাদন নিশ্চিতকরণ,
১৩. জলবায়ু বিষয়ক বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় জরুরী পদক্ষেপ,
১৪. জলজ জীবনমান উন্নয়ন,
১৫. স্থলে জীবনমান উন্নয়ন,
১৬. শান্তি ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণ,
১৭. টেকসই উন্নয়নের জন্য অংশীদারিত্ব।

সূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট। 

১২১.
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ECB) কোথায় অবস্থিত?
  1. প্যারিস
  2. বার্লিন
  3. ফ্রাঙ্কফুর্ট
  4. ভিয়েনা
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কফুর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রাঙ্কফুর্ট
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক: 
- ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি) হলো ইউরো মুদ্রার ব্যাংক।
- এর গঠনের প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হয় ১৯৮৮ সালে, যখন Economic and Monetary Union গঠনের মাধ্যমে একটি ভিত্তি স্থাপন করা হয়।
- পরবর্তীতে, ১৯৯৪ সালে European Monetary Institute (EMI) গঠিত হয় এবং
- ১ জুন, ১৯৯৮ সালে আমস্টারডাম চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।  
- ইসিবি ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে EU অঞ্চলের একক মুদ্রা 'ইউরো' চালু করে এবং
- এর সদরদপ্তর জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে অবস্থিত।

এছাড়াও, 
- ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদরদপ্তর স্ট্রাসবার্গে অবস্থিত এবং
- EU-এর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমানে EU-এ সদস্য দেশ সংখ্যা ২৭টি।[ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]  

সূত্র: ECB ও EU ওয়েবসাইট।
১২২.
UNODC এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. United Nations Organization for Development and Cooperation
  2. United Nations Office for Disaster Control
  3. United Nations Office on Drugs and Crime
  4. United Nations Office on Defence and Crime
সঠিক উত্তর:
United Nations Office on Drugs and Crime
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Nations Office on Drugs and Crime
ব্যাখ্যা

• UNODC: 
- জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক সংস্থা UNODC
- এর পূর্ণরূপ United Nations Office on Drugs and Crime. 
- এটা মাদকদ্রব্যের অবৈধ ব্যবহার, সংঘটিত অপরাধ, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরে অবস্থিত।
- UNODC গঠিত হয় জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মাদক নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম (UNDCP) এবং জাতিসংঘ অপরাধ দমন ও বিচার বিভাগ এর সমন্বয়ে।

সূত্র: UNODC ওয়েবসাইট।

১২৩.
তাসখন্দ চুক্তিতে ভারতের পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  2. জওহরলাল নেহরু
  3. ইন্দিরা গান্ধী
  4. পি ভি নারসিমহা রাও
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা

তাসখন্দ চুক্তি:
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়,
- এই চুক্তি কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটায়।
- এই চুক্তি সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে সম্পন্ন হয়, তাই এটি ইতিহাসে তাসখন্দ চুক্তি নামে পরিচিত।

উলেখ্য, 
- তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায়।
- ভারতীয় পক্ষের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং
- পাকিস্তানি পক্ষের পক্ষে প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান।

সূত্র: ব্রিটানিকা এবং হিস্টোরি.কম।

১২৪.
নিচের কোন দেশটি সিটিবিটি-তে স্বাক্ষর করেনি?
  1. পাকিস্তান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty (CTBT): 
- কমপ্রিহেনসিভ নিউক্লিয়ার-টেস্ট-ব্যান ট্রিটি (CTBT) বিশ্বব্যাপী সব ধরনের পারমাণবিক বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ করে। 
- ১৯৯৬ সালের ১০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ সভায় এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- ১৮৭টি দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে এবং ১৭৮টি দেশ এটিকে অনুমোদন (ratify) করেছে।
- চুক্তি কার্যকর হওয়ার জন্য ৪৪টি নির্দিষ্ট পারমাণবিক প্রযুক্তি-ধারী দেশের স্বাক্ষর ও অনুমোদন প্রয়োজন।
- তবে ৪৪টি নির্দিষ্ট দেশের মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া এখনো এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি, এবং মাত্র ৩৬টি দেশ এটি অনুমোদন করেছে।
- এই চুক্তি তখনই কার্যকর হবে যখন ৪৪টি নির্দিষ্ট "পারমাণবিক সক্ষম রাষ্ট্র" আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে অনুমোদন করবে এবং জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে তাদের অনুমোদনের দলিল জমা দেবে।

সূত্র: CTBTO ওয়েবসাইট।
১২৫.
'জে-৩৬' কোন দেশের ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

জে-৩৬:
- 'জে-৩৬' একটি চীনের ষষ্ঠ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান।
- এটি চীনের সামরিক বাহিনীর একটি নতুন বিমান,
- এটি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওর মাধ্যমে প্রথম পরিচিতি লাভ করে।
- স্টেলথ প্রযুক্তি রয়েছে, যা রাডারের চোখ ফাঁকি দিতে সক্ষম।
- বি-২১ রাইডার বোমারু বিমানের মতো দূরের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর জন্য তৈরি।
- বিমানটির ৪৫ হাজার কেজি পর্যন্ত ভার বহন করতে সক্ষম।

সূত্র: প্রথম আলো। 

১২৬.
নিচের কোন দেশটি ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য নয়?
  1. ইতালি
  2. নরওয়ে
  3. ডেনমার্ক
  4. সুইডেন
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা

NATO
- এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organisation.
- একটি সামরিক সহযোগিতার ও রাজনৈতিক জোট,
- এটা ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিক চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্নে NATO-এর সদস্য ছিল ১২টি দেশ, এগুলো হলো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইতালি, ফ্রান্স, কানাডা, নরওয়ে, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ড, ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, পর্তুগাল এবং আইসল্যান্ড।

উল্লেখ্য, 
- বর্তমানে NATO-এর সদস্য সংখ্যা ৩২টি এবং এর সদর দপ্তর ব্রাসেলস, বেলজিয়ামে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব হলেন মার্ক রুট্টে।[ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]  
- NATO-এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে মুসলিম দেশ হিসেবে আলবেনিয়া এবং তুরস্ক রয়েছে।
- সর্বশেষ ৩২তম সদস্য হিসেবে সুইডেন NATO-তে যোগ দিয়েছে। [ফেব্রুয়ারি - ২০২৫]  

সূত্র: ন্যাটো ওয়েবসাইট। 

১২৭.
গ্রিনপিস কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা

Greenpeace: 
- গ্রিনপিস হলো একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন,
- এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম শহরে অবস্থিত।
- এই সংগঠনটি ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষার প্রতিবাদে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গ্রিনপিস মূলত পরিবেশ রক্ষা এবং পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমের জন্য কাজ করে। 

সূত্র: Greenpeace ওয়েবসাইট।  

১২৮.
ANZUS কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিলো?
  1. ওয়াশিংটন ডিসি
  2. ক্যানবেরা
  3. সান ফ্রান্সিসকো
  4. অকল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
সান ফ্রান্সিসকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সান ফ্রান্সিসকো
ব্যাখ্যা
ANZUS:
- ANZUS একটি সামরিক জোট, 
- এটি ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৫১ সালে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির স্বাক্ষরিত স্থান ছিল সান ফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া।

উল্লেখ্য, 
- এই জোটের সদস্য দেশগুলো হলো অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- ANZUS চুক্তির প্রধান লক্ষ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধে বৈদেশিক আগ্রাসন প্রতিহত করা।
- ANZUS জোটের সদরদপ্তর ক্যানবেরা, অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত।

সূত্র: Britannica.
১২৯.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত দূর পর্যন্ত বিস্তৃত?
  1. ১২ কিলোমিটার
  2. ২০০ কিলোমিটার
  3. ৩৭০.৪০ কিলোমিটার
  4. ৭১৬ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩৭০.৪০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭০.৪০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:
বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য: ৭১৬ কিলোমিটার।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা: ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।

আমরা জানি,
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার
- তাহলে, ২০০ নটিক্যাল মাইল × ১.৮৫২ কিলোমিটার = ৩৭০.৪০ কিলোমিটার
- অর্থাৎ, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা: এটি মহীসোপানের সেই অংশ, যেখানে একটি দেশ সকল প্রাকৃতিক সম্পদের মালিক। মাছ, খনিজ, প্রবালসহ সব সম্পদ ব্যবহারের অধিকার সংশ্লিষ্ট দেশের।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা: এটি ১২ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিস্তৃত, যেখানে দেশটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকে। বিদেশি নৌযান বা সেনা প্রবেশ আইনত নিষিদ্ধ, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে অনুমতি প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩০.
UNESCO কত সালে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফকে বিশ্ব হেরিটেজ সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ:
- এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘতম প্রবাল রিফ।
- রিফটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১,২৫০ মাইল (২,০০০ কিলোমিটার) এবং বিস্তৃতি ১০ থেকে ১০০ মাইল (১৬ থেকে ১৬০ কিলোমিটার) পর্যন্ত।
- এর আয়তন প্রায় ১,৩৫০০০ বর্গমাইল (৩৫০,০০০ বর্গকিলোমিটার)।
- ২,১০০টি পৃথক রিফ এবং ৮০০টি ফ্রিঞ্জিং রিফ রয়েছে।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড রাজ্যের উপকূলে, প্রশান্ত মহাসাগরের কোরাল সাগরে অবস্থিত।
- এই রিফের পানি সাধারণত স্ফটিকস্বচ্ছ এবং গরম জলের পরিবেশে প্রবালগুলো বেড়ে ওঠে, গড় তাপমাত্রা ২১°C থেকে ৩৮°C পর্যন্ত থাকে।
- গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ ১৭৭০ সালে ব্রিটিশ অভিযাত্রী ক্যাপ্টেন জেমস কুক দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে UNESCO এটি বিশ্ব হেরিটেজ সাইট হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এটি ২,৯০০ এর বেশি একক রিফ দ্বারা গঠিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট এবং ওয়ার্ল্ড এটলাস ওয়েবসাইট।
১৩১.
বাংলাদেশের 'পাহাড়ের রানি' নামে পরিচিত পাহাড় কোনটি?
  1. তাজিনডং পাহাড়
  2. লালমাই পাহাড়
  3. চিম্বুক পাহাড়
  4. সীতাকুণ্ড পাহাড়
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিম্বুক পাহাড়
ব্যাখ্যা
চিম্বুক পাহাড়:
- চিম্বুক পাহাড় বাংলাদেশের পাহাড়ি সৌন্দর্যের মধ্যে 'পাহাড়ের রানি' হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পাহাড়।
- বান্দরবান জেলা শহর থেকে মাত্র ২৬ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চিম্বুক পাহাড়।
- এর উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫০০ ফুট।
- চিম্বুক পাহাড়কে বাংলার দার্জিলিং হিসেবে অভিহিত করা হয়, কারণ এর মনোরম দৃশ্য এবং ঠান্ডা আবহাওয়া।
- এই পাহাড় থেকে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য যে কাউকে মুগ্ধ করতে পারে।

এছাড়াও,
- চিম্বুক পাহাড়কে বাংলাদেশের 'পাহাড়ের রানি' নামে পরিচিতি পেয়েছে।
- এটি কালাপাহাড় নামেও পরিচিত।

তথ্যসূত্র:- বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩২.
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. কয়লা
  2. পেট্রোলিয়ম
  3. চুনাপাথর
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
প্রধান খনিজ সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- এটি দেশের জ্বালানি চাহিদার অন্যতম প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে, যেমন- বিবিয়ানা, তিতাস, হবিগঞ্জ, বাখরাবাদ, রশিদপুর ইত্যাদি।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি সিলেটের হরিপুর এলাকায় প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশে মোট ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে।
- এর মধ্যে ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের সর্বশেষ (২৯তম) গ্যাসক্ষেত্র।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি এবং পেট্রোবাংলা।
১৩৩.
প্রচণ্ড তাপ ও চাপের ফলে আগ্নেয় ও পাললিক শিলা পরিবর্তিত হয়ে কী তৈরি হয়?
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. পাললিক শিলা
  3. অবক্ষেপিত শিলা
  4. রূপান্তরিত শিলা
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপান্তরিত শিলা
ব্যাখ্যা
রূপান্তরিত শিলা:
- প্রচণ্ড তাপ ও চাপের প্রভাবে আগ্নেয় ও পাললিক শিলা রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন ধরনের শিলায় পরিণত হয়, যা রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।
- এই শিলা আগের তুলনায় আরও কঠিন ও স্ফটিকযুক্ত হয়ে ওঠে।
- আগের গঠন ও প্রকৃতি পরিবর্তিত হওয়ায় একে রূপান্তরিত শিলা বলা হয়।
- এটি মূলত আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তিত রূপ।
- ভূ-গঠনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং আগ্নেয় শিলার সঙ্গে মিলে পৃথিবীর ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৮৫% তৈরি করেছে।
- ভূতাত্ত্বিক পরিবর্তন, মহাদেশীয় সঞ্চারণ ও প্লেট গতিবিধির তথ্য বিশ্লেষণে এই শিলা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ দেয়।
- এতে মার্বেল, শ্লেট, গার্নেটসহ বিভিন্ন মূল্যবান খনিজ পাওয়া যায়, যা বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি স্ফটিকযুক্ত ও ঘন কাঠামোর হয়ে থাকে।
- অত্যন্ত কঠিন এবং আগের শিলার তুলনায় শক্তিশালী হয়।
- এতে জীবাশ্ম পাওয়া যায় না, কারণ তাপ ও চাপে জীবাশ্ম নষ্ট হয়ে যায়।
- কিছু রূপান্তরিত শিলায় ঢেউ খেলানো স্তর বা ব্যান্ড দেখা যায়, যা চরম তাপ ও চাপের ফলে তৈরি হয়।

অন্যদিকে,
- আগ্নেয় শিলা: ম্যাগমা থেকে সরাসরি সৃষ্ট শিলা, যা উত্তপ্ত হয়ে রূপান্তরিত হয় না।
- পাললিক শিলা: নদী, হ্রদ বা সমুদ্রে পলির স্তূপীকরণের মাধ্যমে তৈরি হয়, যা রূপান্তরিত শিলায় পরিবর্তিত হতে পারে
- অবক্ষেপিত শিলা: এটি পাললিক শিলার আরেক নাম, যা সাধারণত সঞ্চিত পলির স্তর থেকে তৈরি হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৪.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্যগুলোর মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস করা
  2. ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পুনর্বাসন নিশ্চিত করা
  3. দুর্যোগের আগে সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি করা
  4. দুর্যোগের পর পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের আগে সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগের আগে সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্র:
- দুর্যোগ মোকাবিলার জন্যে দুর্যোগ-পূর্ব প্রস্তুতির কাজ সম্পন্ন করা আবশ্যক, যা মূলত আক্ৰান্ত অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে দুর্যোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সহায়তা করে।
- দুর্যোগ চলাকালীন সময়ে ও সংঘটনের অব্যবহিত পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য উপাদান যেমন- সাড়াদান, পুনরুদ্ধার, প্রশমন উন্নয়ন, প্রতিরোধ, পূর্বপ্রস্তুতি কার্যক্রম সম্পাদন করা প্রয়োজন।

• দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য তিনটি।
এগুলো হলো:
(১) দুর্যোগকালিন সময়ে জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো বা পরিমাণ হ্রাস করা;
(২) দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছানো ও পূর্ণবাসন নিশ্চিত করা এবং
(৩) দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ সুষ্ঠুরূপে সম্পন্ন করা।

অর্থাৎ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য ক্ষয়ক্ষতি কমানো, পুনরুদ্ধার করা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা।
তবে, সম্পদের পরিমাণ বৃদ্ধি করা এর উদ্দেশ্য নয়, কারণ এটি মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার নয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩৫.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক মূল্যবোধ নয়?
  1. শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ চর্চা করা
  2. সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা
  3. দায়িত্বশীলতার নীতি বাস্তবায়ন করা
  4. বিরোধী মত প্রকাশ ও প্রচারের স্বাধীনতা প্রদান করা
সঠিক উত্তর:
সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক মূল্যবোধ (Political Values):
- রাজনৈতিক মূল্যবোধ হলো এমন একগুচ্ছ চিন্তাভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও সংকল্প, যা মানুষের রাজনৈতিক আচরণ ও কর্মকাণ্ডকে নিয়ন্ত্রিত ও প্রভাবিত করে।

রাজনৈতিক মূল্যবোধের উপাদানসমূহ:
- রাজনৈতিক সততা ও নৈতিকতা বজায় রাখা।
- শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ চর্চা করা।
- রাজনৈতিক সহনশীলতা প্রদর্শন করা।
- দায়িত্বশীলতার নীতি বাস্তবায়ন করা।
- ভিন্ন মতের প্রতি সহিষ্ণু মনোভাব বজায় রাখা।
- বিরোধী মত প্রকাশ ও প্রচারের স্বাধীনতা প্রদান করা।
- বিরোধী দলকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাধা না দেয়া।
- নির্বাচনের ফলাফল (জয়-পরাজয়) মেনে নেয়া।
- রাজনৈতিক জবাবদিহিতার মানসিকতা গড়ে তোলা।
- আইনসভার কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করা।
- সংখ্যালঘিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যাগরিষ্ঠের সহিষ্ণু আচরণ নিশ্চিত করা।
- সংখ্যাগরিষ্ঠের মতের প্রতি সংখ্যালঘিষ্ঠের শ্রদ্ধা প্রদর্শন ও বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা।

অন্যদিকে,
• নৈতিক মূল্যবোধ (Moral Values):
- নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
- নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।

• নৈতিক মূল্যবোধগুলো হচ্ছে:
- সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা,
- অন্যায়কে অন্যায় বলা,
- অন্যায় কাজ থেকে নিজেকে বিরত রাখা এবং অন্যকে বিরত রাখতে পরামর্শ প্রদান করা,
- দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়ানো,
- বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো ও বিপদ থেকে উদ্ধারে তাকে সাহায্য করা,
- অসহায় ও ঋণগ্রস্ত মানুষকে ঋণমুক্ত হতে সাহায্য করাকে নৈতিক মূল্যবোধ বলা যেতে পারে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৬.
সুনাগরিকের গুণাবলী সম্পর্কে লর্ড ব্রাইস এর মতে কী কী গুণ থাকা উচিত?
  1. প্রজ্ঞা, নিষ্ঠা, সহনশীলতা
  2. বুদ্ধি, আত্মসংযম, বিবেক
  3. বুদ্ধি, আত্মবিশ্বাস, কর্মদক্ষতা
  4. প্রজ্ঞা, আত্মবিশ্বাস, ভালোবাসা
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধি, আত্মসংযম, বিবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুদ্ধি, আত্মসংযম, বিবেক
ব্যাখ্যা
• সুনাগরিক:
- সু শব্দের অর্থ হল ভালো বা আদর্শ। তাহলে সুনাগরিক মানে হল আদর্শ নাগরিক।
- যেকোনো রাষ্ট্রের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য সুনাগরিকের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। আবার এই সুনাগরিক গড়ে তোলাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
- কেউ একজন খুব সহজে একটা রাষ্ট্রের নাগরিক হলেও কেবল সুনাগরিকই রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করে।
- অধ্যাপক ই, এম, হোয়াইট এর মতে ’সাধারণ জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও নিষ্ঠা এ তিনটি গুন যদি কোন নাগরিকের থাকে তাহলে সে-ই সুনাগরিক।
- বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর বক্তব্যে নাগরিকের অনেকগুলো গুণের উল্লেখ রয়েছে।
- তবে লর্ড ব্রাইস প্রদত্ত উপাদানগুলোই এ পর্যন্ত সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।
- লর্ড ব্রাইস এর মতে, সুনাগরিক হিসেবে পরিগণিত হতে হলে তিনটি গুণ থাকা জরুরি:
১. বুদ্ধি - সুনাগরিকদের মধ্যে ভালো চিন্তা-ভাবনা এবং যুক্তির দক্ষতা থাকতে হবে। তারা সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিবেচনা করেন।
২. আত্মসংযম - সুনাগরিকদের আত্মসংযম থাকতে হবে, অর্থাৎ তাদের ব্যক্তিগত আবেগ বা তাড়না নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা থাকতে হবে। এতে তারা সমাজে স্থিতিশীলতা ও শান্তি বজায় রাখতে সাহায্য করে।
৩. বিবেক - সুনাগরিকের মধ্যে নৈতিক মূল্যবোধ এবং সঠিক-ভুলের বুঝ থাকার প্রয়োজন, যাতে তারা সমাজের কল্যাণের জন্য কাজ করে এবং অন্যদের ক্ষতি না করে।

- এই তিনটি গুণ—বুদ্ধি, আত্মসংযম, এবং বিবেক—একজন নাগরিককে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলে এবং তাকে তার দায়িত্ব পালন করতে সহায়তা করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৭.
বিচার বিভাগ শাসন বিভাগ থেকে পৃথক করা কেন প্রয়োজন?
  1. আইন প্রয়োগ করতে
  2. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য
  3. প্রশাসনিক ব্যয় কমাতে
  4. উল্লিখিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ:
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা:
- বিচার বিভাগকে শাসন বিভাগ থেকে পৃথক করার মূল উদ্দেশ্য হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।
- বিচার বিভাগের স্বতন্ত্রতা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।
- এটি নির্বাহী বিভাগের অযাচিত হস্তক্ষেপ থেকে রক্ষা করে।
- বাংলাদেশে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ আইনি কাঠামোতে বিদ্যমান।

ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ:
- ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণ বলতে রাষ্ট্রের আইন প্রণয়ন, শাসন ও বিচার কার্যক্রম পৃথক ব্যক্তিবর্গ বা প্রতিষ্ঠানসমূহের হাতে ন্যস্ত করাকে বোঝায়।
- এর উদ্দেশ্য হলো এক বিভাগের ক্ষমতায় অন্য বিভাগের হস্তক্ষেপ প্রতিরোধ করা।
- আধুনিক যুগে হবস, লক প্রভৃতি দার্শনিক স্বতন্ত্রীকরণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মন্টেস্কু সুস্পষ্টভাবে ক্ষমতা স্বতন্ত্রীকরণের নীতি উপস্থাপন করেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৮.
নৈতিক অধিকার কী দ্বারা জাগ্রত হয়?
  1. আইন
  2. রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত
  3. নীতি ও বিবেক
  4. রাষ্ট্রের সংবিধান
সঠিক উত্তর:
নীতি ও বিবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীতি ও বিবেক
ব্যাখ্যা
• অধিকারের শ্রেণিবিভাগ:
অধিকার প্রধানত দুই প্রকার- যথা (১) নৈতিক অধিকার ও (২) আইনগত অধিকার

• নৈতিক অধিকার (Moral Rights):
- নৈতিক অধিকার নীতি এবং বিবেকদ্বারা জাগ্রত।
- ন্যায়বোধ থেকে এটি তৈরি হয়।
- নৈতিক অধিকারের আইনগত ভিত্তি নেই।
- যেমন: ভিখারির ভিক্ষা পাওয়ার অধিকার।

• আইনগত অধিকার (Legal Rights):
- আইনগত অধিকার নাগরিকের জীবনধারণ ও বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
- এ অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত বা অনুমোদিত।
- এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌম কর্তৃত্ব দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- এ অধিকার রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন সংবিধান দ্বারা স্বীকৃত।
- ফলে এরূপ অধিকার ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র শাস্তি বিধান করে।
- যেমন: জীবনধারণের অধিকার, অন্ন-বস্ত্র, বাসস্থানের অধিকার ইত্যাদি।
- সমাজ ও রাষ্ট্রভেদে এ অধিকারের তারতম্য ঘটে না।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩৯.
সামাজিক মনোবিজ্ঞানী মিল্টন রকিচ (Milton Rokeach) এর মতে, টার্মিনাল মূল্যবোধ বলতে কী বোঝায়?
  1. সামাজিক প্রথা
  2. অর্থনৈতিক সাফল্য
  3. ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান
  4. জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য বা আদর্শ
সঠিক উত্তর:
জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য বা আদর্শ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য বা আদর্শ
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধের ধরন:
- মূল্যবোধ হলো এমন নীতি ও মানদণ্ড, যা মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটি কিছু বিশেষ চিন্তা ও অভ্যেসের সমষ্টি, যা সময়ের সঙ্গে স্থায়ী হয়ে ওঠে।
- মূল্যবোধ শিক্ষা সমাজের নিয়ম, প্রথা ও আদর্শ তৈরি করতে সাহায্য করে।

- সামাজিক মনোবিজ্ঞানী মিল্টন রকিচ (Milton Rokeach) এর মতে, মানুষের মধ্যে প্রধানত দুই ধরনের মূল্যবোধ বিদ্যমান।
- একটি হচ্ছে টার্মিনাল মূল্যবোধ (Terminal Values) এবং অপরটি ইন্সট্রুমেন্টাল মূল্যবোধ (Instrumental Values) ।

→ টার্মিনাল মূল্যবোধ (Terminal Values):
- এটি মানুষের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য গঠিত মূল্যবোধ।
- অর্থাৎ, ব্যক্তি তার জীবনে যে চূড়ান্ত লক্ষ্য বা আদর্শ অনুসরণ করতে চায়, সেটিই তার টার্মিনাল মূল্যবোধ।

→ ইন্সট্রুমেন্টাল মূল্যবোধ (Instrumental Values):
- এটি টার্মিনাল মূল্যবোধ অর্জনের জন্য গৃহীত আচরণগত মূল্যবোধ।
- অর্থাৎ, মানুষ তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য যে নীতিগত ও আচরণগত দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণ করে, সেটিই ইন্সট্রুমেন্টাল মূল্যবোধ।

অর্থাৎ,  টার্মিনাল মূল্যবোধ (Terminal Values) হল এমন মূল্যবোধ যা মানুষের জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য বা আদর্শের প্রতি নির্দেশিত। এটি সেইসব উদ্দেশ্য বা লক্ষ্য, যা একজন ব্যক্তি তার জীবনে অর্জন করতে চায়। উদাহরণস্বরূপ, সুখ, শান্তি, সফলতা বা মানসিক শান্তি—এই ধরনের মূল্যবোধগুলি টার্মিনাল মূল্যবোধ হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এগুলি ব্যক্তি জীবনে দীর্ঘমেয়াদী এবং চূড়ান্ত অর্জন হিসেবে দেখা হয়।
অন্যদিকে, ইন্সট্রুমেন্টাল মূল্যবোধ (Instrumental Values) হল সেই আচরণ বা নীতিগুলি, যা টার্মিনাল মূল্যবোধ অর্জনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: মূল্যবোধ, মনোভাব,কর্মসন্তষ্টি, এমবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪০.
নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি কোন গ্রন্থে "অস্ত্রহীন নবী" (The Unarmed Prophet) সম্পর্কিত আলোচনা করেছেন?
  1. The Prince
  2. Discourses on Livy
  3. Florentine Histories
  4. The Art of War
সঠিক উত্তর:
The Prince
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Prince
ব্যাখ্যা
নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি:
- নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি ইতালির ফ্লোরেন্স নগরীতে ১৪৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩ মে জন্মগ্রহণ করেন নিকোলো।
- ইতালীয় রাষ্ট্রদার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে 'জাতীয় রাষ্ট্রের' প্রবক্তা বা স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়।
- আইন ও নৈতিকতার মধ্যে সর্বপ্রথম পার্থক্য নির্ণয় করেন।
- ১৫২৭ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে তিনি মারা যান।

→ নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি "অস্ত্রহীন নবী" (The Unarmed Prophet) সম্পর্কিত আলোচনা "The Prince" গ্রন্থে করেছেন।
- ম্যাকিয়াভেলি "The Prince" গ্রন্থে রাজনীতি, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং শাসকদের নৈতিকতা ও কৌশল সম্পর্কে বিশ্লেষণ করেছেন।
- "অস্ত্রহীন নবী" ধারণাটি তিনি এখানে একটি বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যেখানে তিনি এমন এক নেতার কথা বলেছেন যিনি অস্ত্র বা বাহিনী ছাড়া ক্ষমতা অর্জন ও পরিচালনা করতে চেয়েছেন।
- ম্যাকিয়াভেলি এক্ষেত্রে গিরোলামো সাভনরোলা (Girolamo Savonarola), যিনি ফ্লোরেন্সে ধর্মীয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন, তার উদাহরণ দেন। সাভনরোলা তার আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় দর্শনের মাধ্যমে জনগণের সমর্থন অর্জন করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু অস্ত্র বা বাহিনী না থাকার কারণে তিনি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন।

⇒ তার বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম:
- The Prince,
- Discourses on Livy,
- The Life of Castruccio Castracani of Lucca,
- Florentine Histories,
- Lettera to Francesco Vettori,
- The Portable Machiavelli,
- The Complete Art of War ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটেনিকা ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১৪১.
"জন্মগতভাবে সব মানুষ সমান" এটি কোন ধরনের সাম্য?
  1. স্বাভাবিক সাম্য
  2. আইনগত সাম্য
  3. নাগরিক সাম্য
  4. রাজনৈতিক সাম্য
সঠিক উত্তর:
স্বাভাবিক সাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাভাবিক সাম্য
ব্যাখ্যা
সাম্য:
- সাম্য হচ্ছে এমন একটি ধারণা, যার মাধ্যমে সকল মানুষের জন্য সমান অধিকার, সুযোগ এবং ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়।
- এটি সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা নিশ্চিত করে, যেখানে কেউ তার জন্ম, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, ভাষা, সামাজিক অবস্থান বা অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বৈষম্যের সম্মুখীন হয় না।
- সাম্য সমাজে ন্যায়বিচার, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
- আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও সমতার অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হলে সমাজে সাম্য আনয়ন সম্ভব হয়।

সাম্যের বিভিন্ন দিক:
স্বাভাবিক সাম্য: জন্মগতভাবে সব মানুষ সমান। অর্থাৎ, সকল মানুষের মূল্য ও অধিকার জন্মগতভাবে সমান।
সামাজিক সাম্য: সমাজে ব্যক্তির যোগ্যতা অনুযায়ী সবাইকে সমান সুযোগ দেওয়া হয়। এখানে সামাজিক বৈষম্য থেকে মুক্তি এবং সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়।
অর্থনৈতিক সাম্য: যোগ্যতার ভিত্তিতে সম্পদ ও সুযোগের সঠিক বণ্টন। অর্থাৎ, সমাজের সব সদস্য যাতে সমানভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা লাভ করতে পারে, তা নিশ্চিত করা।
নাগরিক সাম্য: ব্যক্তিগত নাগরিক অধিকার ও সুযোগে সমান অধিকার প্রদান। এর মাধ্যমে সব নাগরিককে সমান মর্যাদা ও সুযোগ দেওয়া হয়।
রাজনৈতিক সাম্য: রাষ্ট্রীয় কাজে অংশগ্রহণ এবং মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে সমান অধিকার। এখানে ব্যক্তির রাজনৈতিক অধিকার যেমন ভোটাধিকার, নির্বাচনে অংশগ্রহণ ইত্যাদি সমান থাকে।
আইনগত সাম্য: আইনের কাছে সকল মানুষ সমান। আইন সকলের জন্য একেবারে সমান এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪২.
"আইডিয়ালিজম অ্যান্ড প্রগ্রেস" গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. এরিস্টটল
  2. আতাউর রহমান
  3. বারট্রান্ড রাসেল
  4. গোবিন্দ চন্দ্র দেব
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ চন্দ্র দেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ চন্দ্র দেব
ব্যাখ্যা
গোবিন্দ চন্দ্র দেব:
- গোবিন্দ চন্দ্র দেব একজন দার্শনিক ও শিক্ষাবিদ।
- চিন্তাচেতনায় দেব ছিলেন সক্রেটিসের ভাবশিষ্য।
- তাঁর দার্শনিক চিন্তাভাবনা জীবন, সমাজ, সংস্কৃতি, ধর্ম, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং মানবতাবাদী ভাবনাকে সমন্বিতভাবে বিশ্লেষণ করেছে।
- অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী দার্শনিক দেব সব ধর্মকে দেখেছেন উদার ও সর্বজনীন দৃষ্টিকোণ থেকে।
- তাই তাঁর দর্শন সমন্বয়ী ভাববাদ বা সিনথেটিক আইডিয়ালিজম নামে সমধিক পরিচিত।

উল্লেখ্য, 
- "আইডিয়ালিজম অ্যান্ড প্রগ্রেস" গ্রন্থের রচয়িতা গোবিন্দ চন্দ্র দেব।
- "আইডিয়ালিজম অ্যান্ড প্রগ্রেস" গ্রন্থে তিনি আইডিয়ালিজম এবং সমাজের অগ্রগতি সম্পর্কিত ধারণাগুলি বিশ্লেষণ করেছেন।

গোবিন্দ চন্দ্র দেবের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থসমূহ:
- আইডিয়ালিজম অ্যান্ড প্রগ্রেস (১৯৫২)
- আইডিয়ালিজম: এ নিউ ডিফেন্স অ্যান্ড এ নিউ অ্যাপলিকেশন (১৯৫৮)
- আমার জীবনদর্শন (১৩৬৭)
- অ্যাসপিরেশন অব দি কমন ম্যান (১৯৬৩)
- দি ফিলোসফি অব বিবেকানন্দ অ্যান্ড দি ফিউচার অব ম্যান (১৯৬৩)
- তত্ত্ববিদ্যাসার (১৯৬৬)
- বুদ্ধ: দি হিউম্যানিস্ট (১৯৬৯)
- দি প্যারাবুলস অব দি ইস্ট (১৯৮৪)
- মাই আমেরিকান এক্সপিরিয়েন্স (১৯৯৩

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।