পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ২৫: বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - জীববিজ্ঞান ১. পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, উদ্ভিদ টিস্যু, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি ও পরাগায়ন ইত্যাদি। ২. প্রাণিজগৎ ও প্রাণিবিজ্ঞান, জেনেটিক্স, জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন, প্রাণী টিস্যু, প্রাণী অর্গান ও অর্গান সিস্টেম, মানব হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন। এবং Subject - English Literature Topics: 1. Writers Neoclassical period [The Restoration Period, The Augustan Period, The Age of Sensibility]. 2. Writers of Romantic Period [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] i) Important Writers: John Milton, John Dryden, Alexander Pope, Jonathan Swift, Henry Fielding, Dr. Samuel Johnson, Thomas Gray, Edmund Burke, Oliver Goldsmith, William Blake, William Wordsworth, Samuel Taylor Coleridge, Lord Byron, Percy Bysshe Shelley, John Keats, Jane Austen. ii) Other Writers: John Bunyan, John Locke, Daniel Defoe, Beaumont and Fletcher, George Chapman, Samuel Butler, William Congreve, George Farquhar, Edmund Waller, Samuel Richardson, Edward Gibbon, William Wycherley, Charles Lamb, William Hazlitt."
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
প্রাণীর ক্ষেত্রে নামকরণের আন্তর্জাতিক নীতিমালাকে বলা হয়-
  1. ICZN
  2. IUCN
  3. ICBN
  4. IZCN
ব্যাখ্যা
 International Code of Zoological Nomenclature (ICZN):

• প্রাণীর ক্ষেত্রে নামকরণের আন্তর্জাতিক নীতিমালাকে বলা হয় 'International code of Zoological Nomenclature', সংক্ষেপে ICZN.

• দ্বিপদী নামকরণ : কোন জীবের গণ ও প্রজাতি এ দুটো অংশ নিয়ে ICZN-এর নিয়মাবলি অনুযায়ী নামকরণ করাকে দ্বিপদী নামকরণ বলে। যেমন- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম- Homo sapiens.
- সুইডেনের উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ক্যারোরাস লিনিয়াস (Carolus Linnaeus) দ্বিপদ নামকরণের প্রবর্তক।
• আন্তর্জাতিকভাবে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম নীতি মেনে জীবের বৈজ্ঞানিক নাম নির্ধারণ করা হয়।
• উদ্ভিদের নাম International Code of Botanical Nomenclature (ICBN) কর্তৃক স্বীকৃত নিয়মানুসারে হতে হবে।
• প্রকৃতপক্ষে এই কোড পুস্তকাকারে লিখিত একটি দলিল।
• নামকরণ ল্যাটিন শব্দে হওয়ায় কোনো জীবের বৈজ্ঞানিক নাম সারা বিশ্বে একই নামে পরিচিত হয়।


ছবির উৎস: ICZN এর ওয়েবসাইট 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং ICZN এর ওয়েবসাইট ।
.
উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. প্রজাতির নামের প্রথম অক্ষর Small letter হবে
  2. উদ্ভিদের নামটি হবে দ্বিপদী
  3. নামকরণের ভাষা হবে ল্যাটিন
  4. দ্বিপদী নামের অক্ষর হবে গ্রিক
ব্যাখ্যা
বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার (ICBN):

• ICBN -এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- International code of Botanical Nomenclature.
• এটি উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের আন্তর্জাতিক সংবিধান।
• উদ্ভিদ নামকরণের আন্তর্জাতিক নীতিমালাকে বলা হয় 'International code Botanical Nomenclature', সংক্ষেপে ICBN।
• এ বিধানের নিয়মনীতিগুলো International Botanical Congress কর্তৃক নির্ধারিত হয় এবং ইংরেজি, জার্মান ও ফরাসি ভাষায় প্রকাশ করা হয়।
• প্রাণির ক্ষেত্রে নামকরণের আন্তর্জাতিক নীতিমালাকে বলা হয় 'International code of Zoological Nomenclature', সংক্ষেপে ICZN ।

♦ ICBN-এর নিয়মানুযায়ী উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নামকরণের উল্লেখযোগ্য নিয়মাবলি নিম্নরূপ:

- উদ্ভিদের নামটি হবে দ্বিপদী।
- নামকরণের ভাষা হবে ল্যাটিন।
- দ্বিপদী নামের অক্ষর হবে রোমান।
- দ্বিপদী নাম ছাপার অক্ষরে লিখতে হলে ইটালিক হরফে লিখতে হবে।
- গণ নামের প্রথম অক্ষর Capital letter এবং প্রজাতির নামের প্রথম অক্ষর Small letter হবে।
- হাতে লিখলে গণ ও প্রজাতির নিচে পৃথক পৃথকভাবে দাগ টানতে হবে।
- যে বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম কোন উদ্ভিদের বর্ণনা দিবেন দ্বিপদী নামের শেষে তাঁর নামও সংক্ষিপ্তভাবে সংযোজন করতে হবে।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
মানুষের লোহিত রক্ত কণিকা কোথায় তৈরি হয়?
  1. প্লীহাতে
  2. অস্থিমজ্জায়
  3. হৃদপিন্ডে
  4. যকৃতে
ব্যাখ্যা
লোহিত রক্ত কণিকা

• অস্থিমজ্জায় তৈরি হয় এবং প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে।
• এদের গড় আয়ু ১২০ দিন।
• হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থ থাকায় রক্ত লাল দেখায়।
• এরা প্রধানত অক্সিজেন এবং সামান্য পরিমান কার্বন-ডাই-অক্সাইড পরিবহন করে।
• রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ হ্রাস পাওয়াকে রক্তশূন্যতা বা Anaemia বলে।
• ভিটামিন বি-১২, ফলিক এসিড, আমিষ বা লৌহ স্বল্পতা হলে Anaemia হয়।
• লোহিত রক্ত কণিকায় নিউক্লিয়াস থাকে না, দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল।



উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন কে?
  1. থিওফ্রাস্টাস
  2. রবার্ট হুক
  3. উইলিয়াম হার্ভে
  4. এরিস্টটল
ব্যাখ্যা
রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি (Blood circulatory system):

- রক্ত সঞ্চালন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন উইলিয়াম হার্ভে। 
- ১৬২৮ সালে তিনি রক্তের সঞ্চালন আবিষ্কার করেন।
- ইংল্যান্ডের ফোকস্টোন শহরে ১৫৭৮ সালে জন্মগ্রহণ করেন উইলিয়াম হার্ভে। 
- ১৬২৮ সালে ৫০ বছর বয়সে হার্ভে প্রকাশ করলেন তাঁর অবিস্মরণীয় গ্রন্থ ‘Exercitatio Anatomica de Moto Cordis er Sanguinis in Animalibus’। 
- শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তশিরা পথে হৃৎপিণ্ডে আসে এবং হৃৎপিণ্ড থেকে ধমনীর মাধ্যমে বিভিন্ন অংশে সঞ্চালিত হয়, এটা সর্বপ্রথম হার্ভেই বলেছিলেন।


অপরদিকে, 
- গ্রিক বিজ্ঞানী এরিস্টটলকে প্রাণিবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- গ্রিক বিজ্ঞানী থিওফ্রাস্টাসকে উদ্ভিদবিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- কোষবিদ্যার জনক রবার্ট হুক।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 
.
মেন্ডেলের বংশগতির দ্বিতীয় সূত্রের অনুপাত-
  1. ৯:৩:২:১
  2. ৯:৩:৩:১
  3. ৯:১:৩:১
  4. ৯:৩:১:৩
ব্যাখ্যা
মেন্ডেলের সূত্র: 

• গ্রেগর জোহান মেন্ডেল বংশগতির দুটি সূত্র প্রদান করেন ।
• জীনতত্ত্বের জনক বলে পরিচিত মেন্ডেল মূলত পেশায় অস্ট্রিয়ার একজন ধর্মযাজক ছিলেন।
• গ্রেগর জোহান মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের ফিনোটাইপিক অনুপাত ৩:১।
• মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অনুপাত ৯:৩:৩:১।
• মেন্ডেলের প্রথম সূত্রের অপর নাম - মনোহাইব্রিড ক্রস সূত্র/ জনন কোষ শুদ্ধতার সূত্র/ পৃথকীকরণ সূত্র।
• মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রের অপর নাম - স্বাধীন সঞ্চারণ বা ডাইহাইব্রিড ক্রস সূত্র।

মেন্ডেলের বংশগতির প্রথম সূত্র: 
‘জীবের প্রতিটি বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি একক দায়ী থাকে যাকে ফ্যাক্টর (জিন) বলা হয় এবং ফ্যাক্টর বা জিনগুলো জোড়ায় জোড়ায় থাকে। সঙ্কর (hybrid) জীবে ফ্যাক্টর বা জিনগুলো মিশ্রিত না হয়ে পাশাপাশি অবস্থান করে এবং গ্যামিট উৎপাদনের সময় অপরিবর্তিত অবস্থায় পরস্পর থেকে পৃথক হয়ে ভিন্ন ভিন্ন গ্যামিটে গমন করে'। 

মেন্ডেল এর বংশগতির দ্বিতীয় সূত্র: 
‘দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জীবে সঙ্করায়ন ঘটালে গ্যামিট সৃষ্টিকালে প্রতিটি বৈশিষ্ট্যের ফ্যাক্টর বা জিন যুগলের স্বাধীন সঞ্চারণ বা বিন্যাস ঘটে এবং কোন একটি ফ্যাক্টর যুগলের সঞ্চারণ অন্য ফ্যাক্টর যুগলের উপর নির্ভরশীল নয়' । 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
'আউশ ধান' কোন ধরনের উদ্ভিদের উদাহরণ?
  1. ছোট দিনের উদ্ভিদ
  2. বড় দিনের উদ্ভিদ
  3. নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
• ফটোপিরিওডিজম:

- উদ্ভিদের ফুল ধারণের উপর দিবালোকের দৈর্ঘ্যের প্রভাবকে ফটোপিরিওডিজম বলে। ফটোপিরিওডিজম এর উপর ভিত্তি উদ্ভিদকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- যথা:
১। ছোট দিনের উদ্ভিদ।
২। বড় দিনের উদ্ভিদ।
৩। নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ।

• ছোট দিনের উদ্ভিদ:
- দিনের দৈর্ঘ্য কম হলে যেসব উদ্ভিদে ফুল ধরে সেসব উদ্ভিদকে বলা হয় ছোট দিনের উদ্ভিদ।
- দিন ছোট হলে রাত বড় হয় তথা অন্ধকার কাল বেশি থাকে।
- সয়াবিন, আলু, ইক্ষু, কসমস, চন্দ্রমল্লিকা, অ্যাস্টার, ডালিয়া, তামাক, শিম এগুলো ছোট দিনের উদ্ভিদ। রোপা আমন, পাট এগুলোও ছোট দিনের উদ্ভিদ।

• বড় দিনের উদ্ভিদ:
- রাতের অন্ধকারের চেয়ে দিনের দৈর্ঘ্য বেশি হলে যে সব উদ্ভিদে ফুল ধরে সেসব উদ্ভিদকে বলা হয় বড়দিনের উদ্ভিদ।
- উদ্ভিদের বিভিন্নতায় দিনের এ দৈর্ঘ্যকাল ১৪-১৮ ঘন্টা হতে পারে।
- পালংশাক, লেটুস, আফিম, ভুট্টা, যব, ঝিঙা ইত্যাদি বড় দিনের উদ্ভিদ।

• নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ:
- যে সব উদ্ভিদের ফুল ধারণের উপর দিন রাতের তুলনামূলক দৈর্ঘ্যের কোন প্রভাব নাই এরাই নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ।
- প্রয়োজনীয় দৈহিক বৃদ্ধি হলেই এদের ফুল ধরে।
- এদেরকে বছরের বিভিন্ন সময়ে জন্মানো যায়।
- টমেটো, শশা, কার্পাস, সূর্যমুখী, আউশ ধান ইত্যাদি নিরপেক্ষ দিনের উদ্ভিদ।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ক্রোমাজোমের যে স্থানে জিন অবস্থান করে তাকে কী বলে?
  1. ফ্যাক্টর
  2. প্লাজমিড
  3. অ্যালিল
  4. লোকাস
ব্যাখ্যা
জিন (Gene):

• জীবের সব দৃশ্য এবং অদৃশ্যমান লক্ষণ বা বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী এককের নাম জিন।
• এর অবস্থান জীবের ক্রোমোজোমে।
• ক্রোমাজোমের যে স্থানে জিন অবস্থান করে, তাকে লোকাস (Locus) বলে।
• সাধারণত একটি বৈশিষ্ট্যের জন্য একটি নির্দিষ্ট জিন থাকে।
• কোনো কোনো ক্ষেত্রে একাধিক জিন মিলিতভাবে একটি বৈশিষ্ট্য প্রকাশে সহায়তা করে। আবার কোনো কোনো সময় একটি জিন একাধিক বৈশিষ্ট্যও নিয়ন্ত্রণ করে।
• জিনই বংশগতির নিয়ন্ত্রক।
• W.L Johannsen (গ্রিক genes=born) ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে জিন শব্দটি ব্যবহার করেন।
• ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে মেন্ডেল এর অনুমানকৃত জীবের বৈশিষ্ট্য নির্ধারক বস্তুটি হলো এলিমেন্টিস বা ফ্যাক্টর (elementes or factor) যা পরবর্তীকালে জিন নামে অভিহিত হয়।

• অ্যালিল (Allel), অ্যালিলোমর্ফ (Allelomorph) : ক্রোমোসোমের একই লোকাসে অবস্থানকারী জিনগুলোকে পরস্পরের অ্যালিল বলা হয়।
• প্লাজমিড: প্লাজমিড হল স্বজননক্ষম ও বহিঃ ক্রোমোসোমীয় বৃত্তকার দ্বৈত DNA অণু। প্লাজমিডকে জৈব প্রযুক্তির অন্যতম মৌলিক হাতিয়ার বলা হয়।


Image Source: https://microbenotes.com/genes-and-loci-a-complete-guide/ 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
.
প্রাণী টিসুকে প্রধানত কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ৩ ভাগে
  2. ৬ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
টিস্যু:
- একই ভ্রূণীয় কোষ থেকে উৎপন্ন হয়ে এক বা একাধিক ধরনের কিছুসংখ্যক কোষ জীবদেহের কোনো নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে সমষ্টিগতভাবে একটা কাজে নিয়োজিত থাকলে ঐ কোষগুলো সমষ্টিগতভাবে টিস্যু (Tissue) বা তন্ত্র তৈরি করে।
- একটি টিস্যুর কোষগুলোর উৎপত্তি, কাজ এবং গঠন একই ধরনের হয়।
- টিস্যু নিয়ে আলোচনাকে টিস্যুতত্ত্ব (Histology) বলে। 

প্রাণী টিস্যুর প্রকারভেদ: 

- কোন বিশেষ টিস্যু গঠনকারী কোষের সংখ্যা, বৈশিষ্ট্য এবং তাদের নিঃসৃত বা সৃষ্ট আন্তঃকোষীয় পদার্থ বা মাতৃকার বৈশিষ্ট্য, পরিমাণ, উপস্থিতি ও অনুপস্থিতির উপর নির্ভর করে  প্রাণী টিস্যুকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
(ক) আবরণী টিস্যু, 
(খ) যোজক টিস্যু, 
(গ) পেশি টিস্যু এবং 
(ঘ) স্নায়ু টিস্যু। 

ছবির উৎস: ৯ম-১০ম শ্রেণি জীববিজ্ঞান বই

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়  ও ৯ম-১০ম শ্রেণি জীববিজ্ঞান বই। 
.
রক্ত কোন ধরনের টিস্যু?
  1. যোজক টিস্যু
  2. পেশি টিস্যু
  3. স্নায়ু টিস্যু
  4. আবরণী টিস্যু
ব্যাখ্যা
যোজক টিস্যু (Connective Tissue):

• যোজক বা কানেকটিভ টিস্যুতে মাতৃকার (Matrix) পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি এবং কোষের সংখ্যা কম।
• গঠন এবং কাজের ভিত্তিতে কানেকটিভ টিস্যু প্রধানত তিন ধরনের হয়। যথা-
(i) ফাইব্রাস যোজক টিস্যু;
(ii) স্কেলিটাল যোজক টিস্যু;
(iii) তরল যোজক টিস্যু। 

রক্ত: 

• রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লালবর্ণের তরল যোজক টিস্যু।
• ধমনি, শিরা ও কৈশিকনালির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে রক্ত অভ্যন্তরীণ পরিবহনে অংশ নেয়।
• উষ্ণ রক্তবাহী প্রাণীর দেহে রক্ত তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা করে।
• রক্তের উপাদান দুটি- রক্তরস (৫৫%) এবং রক্তকণিকা (৪৫%)।
• রক্তরস (Plasma) রক্তের তরল অংশ, এর রং ঈষৎ হলুদাভ। এর প্রায় ৯১-৯২% অংশ পানি এবং ৮-৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০.
একটি আদর্শ ফুলের অংশ কোনটি?
  1. বৃতি
  2. পুংস্তবক
  3. পুষ্পাক্ষ
  4. উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের ফুল: 

• একটি সম্পূর্ণ ফুলের ৫ টি অংশ থাকে। যথা: 
- পুষ্পাক্ষ,
- বৃতি,
- দল,
- পুংস্তবক এবং 
- স্ত্রীস্তবক।



উৎস:  উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১১.
গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. গোড়া থেকেই শাখা-প্রশাখা বের হয়
  2. এগুলো অত্যন্ত সহিষ্ণু
  3. এদের কান্ড নরম
  4. উদ্ভিদগুলো দেখতে অনেকটা ঝোপের মতো
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদজগৎ: 

• কোনো অঞ্চলের প্রকৃতি ও সেই প্রকৃতিতে স্বাভাবিকভাবে অবস্থানরত উদ্ভিদকুলকে Flora এবং প্রাণীকুলকে Fauna বলে।
• মরু অঞ্চলে যে সকল উদ্ভিদ জন্মায় তাদেরকে মরুজ উদ্ভিদ (Xerophyte) বলে।
• উদ্ভিদের প্রাণ আছে এ কথা প্রথম বলেন ভারতীয় বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু।
• যেসব উদ্ভিদের কান্ড শক্ত কিন্তু গুঁড়িহীন অর্থাৎ ক্ষুদ্র কান্ড বিশিষ্ট এবং মাটির সামান্য উপরে ঝোপের মতো শাখাপ্রশাখা সৃষ্টি করে, সেসব উদ্ভিদকে গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ বলে।
- যেমন – জবা, রঙ্গন, গোলাপ, বেলি, জুঁই,কাগজি লেবু, গন্ধরাজ ইত্যাদি।

• গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
- এ জাতীয় উদ্ভিদ সাধারণত মাঝারি আকারে হয়ে থাকে।
- এদের কান্ড শক্ত
- এদের শেকড় মাটির বেশি গভীরে যায় না।
- এদের গোড়া থেকেই শাখা-প্রশাখা বের হয়
- এ উদ্ভিদগুলো দেখতে অনেকটা ঝোপের মতো দেখায়।
- কিছু কিছু গুল্ম উদ্ভিদ ফুল ও ফল প্রদান করে।
- এগুলো অত্যন্ত সহিষ্ণু এবং এরা প্রায় সব ধরণের মাটিতে জন্মায়। 


ছবির উৎস: বাংলাপিডিয়া 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় নির্গত অক্সিজেনের উৎস
  1. কার্বন - ডাইঅক্সাইড
  2. আলো
  3. পানি
  4. ক্লোরোফিল
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ:

• যে প্রক্রিয়ায় সবুজ উদ্ভিদ সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2) এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরী করে তাকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।
• সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো হলো: ক্লোরোফিল, আলো, পানি এবং কার্বন - ডাইঅক্সাইড ।
• সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার জন্য পরিমিত তাপমাত্রা হলো ২২° সেলসিয়াস থেকে ৩৫° সেলসিয়াস।

• সালোকসংশ্লেষণে সূর্যের আলোর রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা হলো ৩-৬%;
• লাল আলোতে সালোকসংশ্লেষণ সবচেয়ে বেশি হয়।
• ক্লোরোফিল ব্যতীত সালোকসংশ্লেষণ হয় না।
• সালোকসংশ্লেষণ উদ্ভিদের প্লাস্টিডে ঘটে। 
• সালোকসংশ্লেষণ প্রকৃয়ায় নির্গত অক্সিজেনের উৎস পানি।
• উদ্ভিদের মূলে সালোকসংশ্লেষণ হয় না।

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৩.
অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত ফুসফুস থেকে হৃৎপিন্ডে পৌঁছে দেয়-
  1. ধমনী
  2. শিরা
  3. পালমোনারি শিরা
  4. পালমোনারি ধমনী
ব্যাখ্যা
শিরা (Vein):

• যেসব নালির ভিতর দিয়ে রক্ত প্রবাহিত বা সঞ্চালিত হয়, তাকে রক্তনালি বা রক্তবাহিকা বলে।
• গঠন, আকৃতি এবং কাজের ভিত্তিতে রক্তবাহিকা বা রক্তনালি তিন ধরনের - ধমনি, শিরা এবং কৈশিক জালিকা।

• ধমনী: অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত হৃদপিন্ড থেকে সমগ্র দেহে নিয়ে যায়।  
• কৈশিক জালিকা: ক্ষুদ্রতম ধমনি এবং ক্ষুদ্রতম শিরার মধ্যে সংযোগ সাধন করে। 
• শিরা: যেসব নালি দিয়ে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে হৃৎপিন্ডে ফিরে আসে তাদের শিরা বলে। 
• শিরার প্রাচীর ধমনির মতো তিন স্তরবিশিষ্ট।
• শিরার প্রাচীর কম পুরু, কম স্থিতিস্থাপক ও কম পেশিময়।
• এদের নালিপথ একটু চওড়া এবং কপাটিকা থাকে।
• ফুসফুস থেকে হৃৎপিন্ডে আসা শিরাটি ছাড়া অন্য সব শিরা কার্বন ডাই-অক্সাইডসমৃদ্ধ রক্ত পরিবহন করে হৃৎপিণ্ডে নিয়ে আসে।
ফুসফুসীয় শিরা বা পালমোনারি শিরা অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত ফুসফুস থেকে হৃৎপিন্ডে পৌঁছে দেয়।
• একইভাবে, পালমোনারি ধমনী কার্বন ডাই অক্সাইড সমৃদ্ধ রক্ত হৃদপিন্ড থেকে ফুস্ফুসে নিয়ে যায়। 
• লসিকা এক রকম হালকা হলুদ বর্ণের স্বচ্ছ ক্ষারীয় তরল যোজক কলা।



উৎস: মাধ্যামিক জীববিজ্ঞান বই, নবম - দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা।   
১৪.
নিচের কোনটি স্নায়ুরোগ হিসেবে পরিচিত?
  1. অ্যজমা
  2. মায়োকার্ডাইটিস
  3. পারকিনসন
  4. উচ্চ রক্তচাপ
ব্যাখ্যা
স্নায়ুরোগ:

• স্নায়ুরোগ হল স্নায়ুতন্ত্রকে প্রভাবিত করে এমন যেকোনো অবস্থা।
• স্নায়ুতন্ত্র শরীরের একটি জটিল নেটওয়ার্ক যা মস্তিষ্ক এবং মেরুদণ্ড থেকে শরীরের বাকি অংশে বার্তা প্রেরণ এবং গ্রহণ করে।
• স্নায়ু রোগের ফলে বিভিন্ন ধরণের লক্ষণ দেখা দিতে পারে, যার মধ্যে রয়েছে:
- স্নায়ুতে ব্যথা, অসাড়তা, ঝিনঝিনি বা জ্বালাপোড়া;
- মাংসপেশীর দুর্বলতা বা পক্ষাঘাত;
- চলাফেরায় অসুবিধা;
- সমন্বয়ের অভাব;
- বক্তৃতা বা গিলে ফেলার সমস্যা;
- মূত্রাশয় বা অন্ত্রের নিয়ন্ত্রণ হারানো;
- সংবেদনশীলতা হ্রাস;
- জ্ঞান হারানো।

• স্ট্রোক, মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, পারকিনসন'স ডিজিজ, আলঝেইমার'স ডিজিজ, GBS, মেনিনজাইটিস প্রভৃতি স্নায়ুরোগ হিসাবে পরিচিত।
• হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর, উচ্চ রক্তচাপ, এনজাইনা, মায়োকার্ডাইটিস, এন্ডোকার্ডাইটিস ইত্যাদি হৃদরোগ হিসাবে পরিচিত।
• নিউমোনিয়া, অ্যজমা, সিওপিডি, ব্রঙ্কিয়েকটেসিস ইত্যাদি ফুসফুসের রোগ হিসাবে পরিচিত।


উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং The American Parkinson Disease Association (APDA)। 
১৫.
পাতার মাধ্যমে প্রজনন ঘটে থাকে-
  1. পাথরকুচি
  2. আম
  3. আদা
  4. কাঁকরোল
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদের প্রজনন:

• যে জটিল প্রক্রিয়ায় জীব তার প্রতিরূপ বা বংশধর সৃষ্টি করে তাকে প্রজনন বা জনন বলে। প্রজনন বা জনন প্রধানত দুই প্রকার, যথা- অযৌন ও যৌন জনন ।

• যৌন প্রজনন: 
- বীজের মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন হয়।
- সপুষ্পক উদ্ভিদ যৌন প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে।
- উদাহরণ: ধান, আম, জাম, গম ইত্যাদি।  

• অযৌন জনন: যে প্রক্রিয়ায় দুটি ভিন্নধর্মী জনন কোষের মিলন ছাড়াই জনন সম্পন্ন হয় তাই অযৌন জনন। নিম্নশ্রেণির জীবে অযৌন জননের প্রবণতা বেশি। অযৌন জনন প্রধানত দুই ধরনের, যথা- স্পোর উৎপাদন ও অঙ্গজ জনন।

১. স্পোর/ অনুবীজ উৎপাদন: নিম্ন শ্রেণির অপুষ্পক উদ্ভিদ স্পোর বা অনুবীজ উৎপাদনের মাধ্যমে বংশ রক্ষা করে। উদাহরণ: শৈবাল, ছত্রাক, মস, ফার্ণ ইত্যাদি।
২. অঙ্গজ প্রজনন: দেহ অঙ্গের মাধ্যমে (মূল, কান্ড, পাতা প্রভৃতি) প্রজনন হয়।
- মূলের মাধ্যমে: মিষ্টি আলু, ডালিয়া, কাঁকরোল, পটল প্রভৃতি।
- পাতার মাধ্যমে: পাথরকুচি (পাতার কিনারায় মুকুল সৃষ্টি হয়ে তার থেকে নতুন উদ্ভিদ সৃষ্টি হয়)। 
- রূপান্তরিত কান্ডের মাধ্যমে: আলু, আদা, হলুদ, পিঁয়াজ, রসুন , আনারস, কলা ইত্যাদি।


উৎস: উচ্চ-মাধ্যমিক উদ্ভিদবিজ্ঞান। 
১৬.
শ্বেত রক্ত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে গেলে কী ঘটে?
  1. লিউকেমিয়া
  2. অ্যানিমিয়া
  3. থ্যালাসেমিয়া
  4. পারপুরা
ব্যাখ্যা
লিউকেমিয়া
- নিউমোনিয়া, প্লেগ, কলেরা প্রভৃতি রোগে শ্বেত কণিকার সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- কিন্তু যদি শ্বেত কণিকার সংখ্যা অত্যধিক হারে বেড়ে ৫০,০০০-১,০০০,০০০ হয়, তাহলে তাকে লিউকেমিয়া বা ব্লাড ক্যান্সার বলে। 

রক্ত উপাদানের অস্বাভাবিক অবস্থা:


উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং উচ্চ-মাধ্যমিক প্রাণিবিজ্ঞান।
১৭.
প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সিস্টোলিক রক্তচাপ কত?
  1. ১১০-১৪০ মিলিমিটার (mm Hg)
  2. ৬০-৯০ মিলিমিটার (mm Hg)
  3. ৮০-১২০ মিলিমিটার (mm Hg)
  4. ১০০-১৫০ মিলিমিটার (mm Hg)
ব্যাখ্যা
মানুষের হৃৎপিণ্ড (Heart): 

• একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে প্রতি মিনিটে হৃৎপিণ্ড সংকুচিত ও প্রসারিত হয় ৭০ থেকে ৮০ বার এবং গড় হিসাবে ৭৫ বার। (হৃদচক্রের হার- ০.৮ সেকেন্ড)
• পূর্ণ বয়স্ক মানুষের হৃৎপিণ্ডের ওজন প্রায় ২৫০-৩৫০ গ্রাম।
• হৃৎপিণ্ড ৩ স্তর বিশিষ্ট পেশি দ্বারা গঠিত। যথা: এপিকার্ডিয়াম, মায়োকার্ডিয়াম এবং এন্ডোকার্ডিয়াম।
• পেরিকার্ডিয়াম নামের পর্দার/ ঝিল্লির আবরণে ঢাকা থাকে পুরো হৃৎপিণ্ড।
• মানুষের হৃৎপিণ্ডে প্রকোষ্ঠের সংখ্যা চারটি।
• হৃদপিণ্ডের প্রকোষ্ঠের প্রসারণকে বলে- ডায়াস্টোল এবং সংকোচনকে বলে- সিস্টোল।

• প্রবাহমান রক্ত রক্তনালীর গায়ে যে পার্শ্বচাপ দেয় তাকে রক্তচাপ বলে। রক্তচাপ ২ প্রকার। যথা:
১. সিস্টোলিক রক্তচাপ (১১০-১৪০ মি.মি. পারদ)
২. ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ (৬০-৯০ মি.মি. পারদ)

• একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ ব্যক্তির সিস্টোলিক চাপ ১২০ মি.মি. পারদ এবং ডায়াস্টোলিক চাপ ৮০ মি.মি. পারদ। একে ১২০/৮০ রূপে প্রকাশ করা হয়।
• মানবদেহের রক্তচাপ (Blood Pressure) নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম- স্ফিগমোম্যানোমিটার। 


উৎস: বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৮.
'Millamant and Mirabell' are protagonists of -
  1. Sense and Sensibility
  2. The Way of the World
  3. The Rape of the Lock
  4. The Country Wife
ব্যাখ্যা
•'Millamant and Mirabell' are protagonists of - The Way of the World.

•The Way of the World is a famous play by William Congreve.
- Comedy of Manner এর ধারায় লেখা 5acts বিশিষ্ট এই playটি ১৭০০ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এই play টিকে William Congreve এর অন্যতম সেরা সৃষ্টি হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
- Way of The World এ লেখক তাঁর তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা এবং এর রীতিনীতি গুলোকে বিশেষ করে প্রেম এবং বিবাহ সম্পর্কিত বিষয় গুলোকে নিয়ে উপহাস করেছেন।
- The plot concerns the efforts of the lovers Millamant and Mirabell to obtain the permission of Millamant’s aunt for their marriage.
- একে অন্যের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবার জন্য এবং Millamant এর aunt এর নিকট থেকে অনুমতি নেয়ার জন্য তারা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করে।
- নানারকম ভুল বোঝাবুঝি, ষড়যন্ত্র এবং হাস্যরস এর মাধ্যমে কাহিনি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।
- Despite a scheme that goes awry and after several misunderstandings and other complications are cleared up, the two finally obtain her consent.

• Major Characters:
- Mirabell,
- Fainall,
- Marwood,
- Mrs. Arabella Fainall,
- Lady Wishfort,
- Petulant,

• William Congreve was famous for the Comedy of Manners.
- তিনি Restoration period এর একজন স্বনামধন্য লেখক।
- He shaped the English comedy of manners through his brilliant comic dialogue, his satirical portrayal of the war of the sexes, and his ironic scrutiny of the affectations of his age.

• His famous plays:
- The Way of The World,
- Love for Love,
- The Double Dealer,
- The Old Bachelor etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.
১৯.
'She Stoops to Conquer' is written by -
  1. Henry Feilding
  2. Samuel Richardson
  3. Oliver Goldsmith
  4. George Farquhar
ব্যাখ্যা
• She Stoops to Conquer' is written by Oliver Goldsmith is a comedy.
- ১৭৭৩ সালে প্রকাশিত এটি একটি 5acts বিশিষ্ট comedy.
- This comic masterpiece mocked the simple morality of sentimental comedies. 
- Subtitled The Mistakes of a Night, the play is a lighthearted farce that derives its charm from the misunderstandings which entangle the well-drawn characters.

• Oliver Goldsmith, is an Irish author.
- তিনি ১৭৩০ সালে ৩০শে নভেম্বর আয়ারল্যান্ডে জন্মগ্রহন করেন।
- তাঁকে একাধারে Anglo-Irish essayist, poet, novelist, dramatist, and eccentric হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

•  Oliver Goldsmith তাঁর যেসব সাহিত্যকর্মের  জন্য তিনি বিখ্যাত হয়েছেন সেগুলো হচ্ছে - 
- The Citizen of the World, or, Letters from a Chinese Philosopher (1762),
- the poem The Deserted Village (1770),
- the novel The Vicar of Wakefield (1766), and
- the play She Stoops to Conquer (1773).

Source: Britannica.
২০.
William Hazlitt belongs to which literary period?
  1. The Augustan Age
  2. The Romantic Period
  3. The Restoration Period
  4. The Age of Sensibility
ব্যাখ্যা
• William Hazlitt  Romantic Period এর একজন সুপরিত লেখক যিনি সাহিত্য সমালোচিক হিসেবে অধিক পরিচিত।
- তিনি তাঁর humanistic essays এর কারনে সুখ্যাতি লাভ করেছেন।
- Lacking conscious artistry or literary pretention, his writing is noted for the brilliant intellect it reveals.
- কারো কারো মতে,  William Hazlitt তাঁর যুগের প্রধান সাহিত্য সমালোচক। 

• Famous quotation:
- Prejudice is the child of ignorance. (On Prejudice)

• Best works includes:
- The dramatic literature of the age of Elizabeth (1820)
- The spirit of the Age (1825)
- He was best known for his humanistic essays.

Source: Britannica and An ABC of English Literature by Professor Dr. M Mofizar Rahman and Cliffsnotes.
২১.
'Full many a flower is born to blush unseen' is a line taken from the poem -
  1. To Autumn
  2. The Rainbow
  3. An Elegy Written in a Country Churchyard
  4. The Rime of the Ancient Mariner
ব্যাখ্যা
• 'Full many a flower is born to blush unseen' is a lime taken from the poem - An Elegy Written in a Country Churchyard.

• An Elegy Written in a Country Churchyard (1751): 
- Thomas Gray রচিত একটি Elegy বা শোকগাঁথা এটি। 
- A meditative poem written in iambic pentameter quatrains published in 1751. 
- ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম সেরা রত্নভান্ডার বলা যেতে পাারে এই সাহিত্যটিকে।
- A meditation on unused human potential, the conditions of country life, and mortality, An Elegy Written in a Country Church Yard is one of the best-known elegies in the language.
- এখানে মূলত: কবরস্থানে বসে একজন বর্ণনাকারী অত্যন্ত করুন এবং স্পষ্ট ভাষায় তার চারপাশের বর্ণনা দিয়ে যাচ্ছে । 

• Thomas Gray:
- তিনি একজন বিখ্যাত Graveyard Poet.
- His famous Elegy is 'Elegy Written in a Country Churchyard'
- তিনি the Age of Sensibility এর একজন গুরুত্বপূর্ন সাহিত্যিক। 

• His famous quotations: 
'Full many a flower is born to blush unseen,
And waste its sweetness on the desert air.'
• 'The paths of glory lead but to grave.'

Source: Britannica.com & ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাস: ড. শীতল ঘোষ।
২২.
Who of the following is the protagonist of 'Pride and Prejudice'?
  1. Edward Ferrars
  2. Edmund Bertram
  3. George Knightley
  4. Fitzwilliam Darcy
ব্যাখ্যা
• 'Fitzwilliam Darcy' is the male protagonist of 'Pride and Prejudice'.

• Pride and Prejudice: 
- Jane Austen রচিত একটি romantic novel.
- এটি 1813 সালে তিনটি ভলিউমে প্রকাশিত হয়।
- প্রাথমিক অবস্থায় এই উপন্যাসের নামকরণ করা হয়েছিল: First Impressions.
- বুদ্ধিদীপ্ত উপমা এবং চরিত্রগুলোর চমৎকার উপস্থাপনা ও বর্ননার কারনে  English Literature এ এই novel টি একটি classic হিসেবে বিবেচিত।
- It is a domestic novel.
-  কাহিনীর সূত্রপাত ১৯ শতকের গ্রামীন ইংল্যান্ডে, Bennet পরিবারের সাথে Fitzwilliam Darcy নামক একজন জমিদারের সম্পর্কের রসায়ন নিয়ে।  
- এই novel টিতে Elizabeth Bennet, the daughter of a country gentleman, and Fitzwilliam Darcy, a rich aristocratic landowner এর মধ্যে ক্রমান্বয়ে গড়ে উঠা প্রেমের সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে।
- Elizabeth Bennet এবং Fitzwilliam Darcy একে অপরের প্রেমে পড়তে চায়, কিন্তু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় যুক্তিহীন কিছু পূর্ব ধারণা।

• বিখ্যাত উক্তি -
- "It is a truth universally acknowledged, that a single man in possession of a good fortune, must be in want of a wife.” (উপন্যাসটির প্রথম লাইন এটি।)
 
• এই novel এর চরিত্র সমূহ - 
- Mrs. Bennet,
- Mr. Bennet,
- Elizabeth Bennet,
- Mary Bennet,
- Jane Bennet,
- Catherine Bennet,
- Lydia Bennet,
- Charles Bingley,
- Fitzwilliam Darcy,
- George Wickham, etc.
 
• Jane Austen: 
- তিনি একজন English novelist.
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.
 
• Some notable work:
- Emma,
- Lady Susan,
- Mansfield Park,
- Northanger Abbey,
- Persuasion,
- Pride and Prejudice,
- Sense and Sensibility, etc.
 
• অন্যদিকে, 
Edward Ferrars, fictional character, the suitor of Elinor Dashwood in Jane Austen’s novel Sense and Sensibility (1811).
Edmund Bertram, is the love interest of the protagonist Fanny Price, from Jane Austen's novel, Mansfield Park (1814).
George Knightley, fictional character, the squire who attempts to guide—and eventually proposes marriage to—Emma Woodhouse in Jane Austen’s Emma (1815).

Source: Live MCQ Lecture, Sparksnotes and Britannica.
২৩.
'Yahoos and Houyhnhnms' are characters from -
  1. Robinson Crusoe
  2. Gulliver's Travels
  3. The Rover
  4. The Plain Dealer
ব্যাখ্যা
• "Yahoos" and "Houyhnhnms" are characters from Jonathan Swift's satirical novel "Gulliver's Travels."
- গল্পে, Yahoos রা নৃশংস, মানুষের মতো প্রাণী যারা মানব প্রকৃতির সবচেয়ে খারাপ দিকগুলিকে উপস্থাপন করে। তারা লোভী, স্বার্থপর এবং অসভ্য, মানবতার মৌলিক প্রবৃত্তির সমালোচনা করে।
- বিপরীতে, Houyhnhnms হল বুদ্ধিমান, যুক্তিবাদী ঘোড়ার একটি জাতি। তারা যুক্তি, আদেশ এবং সদগুণকে মূর্ত করে এবং তাদের সমাজ যুক্তি ও সম্প্রীতির একটি আদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে।
- এই দুটি গোষ্ঠী মানুষের আচরণের প্রতীক, ইয়াহুরা অযৌক্তিকতা এবং খারাপের প্রতিনিধিত্ব করে এবং Houyhnhnms যুক্তি এবং নৈতিকতার প্রতিনিধিত্ব করে।

• 'Gulliver's Travels' is a famous satirical novel of the 18th century by Jonathan Swift.
- এটি ৪ খন্ডের একটি রম্য রচনা। 
- এর full title হচ্ছে - Travels into Several Remote Places in the World.
- এই novel টি ১৭২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- Gulliver’s Travels combines adventure with savage satire, mocking English customs and the politics of the day.

• ‘Gulliver’s Travels’ এর চারটি খন্ডের নাম -
- A Voyage to Lilliput,
- A Voyage to Brobdingnag,
- A Voyage to Balnibarbi,
- A Voyage to the country of Houyhnhnms.

• Its important characters are:
- Gulliver,
- Blefuscudian,
- Yahoos,
- Houyhnhnms,
- Lilliputians,
- Laputans, etc.

• Jonathan Swift:
- তিনি একজন Anglo-Irish author এবং clergyman ছিলেন। 
- Jonathon Swift, an Anglo-Irish author, who was the foremost prose satirist in the English language
- অর্থাৎ, ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.

• Famous works:
- Gulliver's Travels,
- A Tale of a Tub,
- A Modest Proposal,
- The Battle of Books, etc.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
২৪.
'Love for Love' written by -
  1. John Dryden
  2. Jonathan Swift
  3. Alexander Pope
  4. William Congreve
ব্যাখ্যা
• 'Love for Love' written by William Congreve and is a comedy play.
- It is a racy, broad, farcical comedy, which relies on mistaken impressions, disguises, and deception for much of its humor.

• এই কমেডি এর চরিত্র সমূহ -
- Valentine Legend
- Sir Sampson Legend
- Angelica
- Ben
- Jeremy
- Miss Prue
- Tattle
- Mistress Frail
- Mrs. Foresight

• William Congreve:
- তিনি একজন English dramatist.
- তিনি comedy of manners এর জন্য বিখ্যাত।
- তিনি Restoration period এর একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক।
- He wrote some of the most popular plays in English literature.

• Notable works:
- Love for Love,
- The Double-Dealer,
- The Mourning Bride,
- The Old Bachelour,
- The Way of the World.

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.
২৫.
'Jonathan Swift' belongs to which literary age?
  1. The Romantic period
  2. The Age of Sensibility
  3. The Restoration Period
  4. The Augustan Age
ব্যাখ্যা
• Famous satirist 'Jonathan Swift' belongs to - The Augustan Age.
- The Neo-classical age এর অন্তর্ভুক্ত একটি ছোট যুগ হচ্ছে The Augustan Age.

• Jonathon Swift, an Anglo-Irish author, who was the foremost prose satirist in the English language
- অর্থাৎ18th century or The Neoclassical Period, ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
-  তিনি তাঁর ব্যঙ্গ রচনার মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের বিভিন্ন স্তরের অনিয়ম এবং অবিচার তুলে ধরেছেন।
- তার রচিত বিখ্যাত satire হলো ‘Gulliver’s Travels’.
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.

• His famous works -
- Gulliver's Travels (novel),
- The Battle of Books,
- A tale of a Tub (prose satire),
- A Modest Proposal (satiric essay),
- Argument Against Abolishing Christianity (essay),
- A Journey to Stella (Collection of letters from Swift to Stella),

Source: An ABC of English Literature, Dr. M Mofizar Rahman and Britannica.
২৬.
'Death is the golden key that opens the place of eternity' is a quotation from -
  1. Ode on immortality
  2. Paradise Lost
  3. Ozymandias
  4. None of the above
ব্যাখ্যা
• 'Death is the golden key that opens the place of eternity' is a quotation from - Paradise Lost.

• Paradise Lost (1667):
- Neo-classical period এর অন্যতম সাহিত্যিক John Milton রচিত একটি epic.
- It tells the biblical story of the fall from grace of Adam and Eve.
- The theme of Paradise Lost is to Justify the ways of God to men.
- তার লেখা Paradise lost কে the great Epic in English হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি মোট বারো খণ্ডে বিভক্ত।
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।

• Notable quotations of Paradise Lost:
- Of Man's First Disobedience, and the Fruit Of that Forbidden Tree, whose mortal taste Brought Death into the World, and all our woe. (First line)
- Better to reign in Hell than serve in Heaven.
- Death is the golden key that opens the place of eternity.
- Solitude sometimes is the best society.”
- Awake, arise or be forever fallen.

• এই Epic এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Adam,
- Eve,
- Satan,
- Beelzebub,
- Raphael,
- Michael,
- Mamoon,
- Belial,
- Gabriel, etc.

• John Milton (1608-1674):
- He was born in London, England in 1608.
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- মূলত কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও মিল্টন কিছু উচ্চমানের রাজনৈতিক প্রবন্ধও লিখেছিলেন।
- তাকে বলা হয় the Epic Poet. এছাড়া great master of Blank Verse ও বলা হয়।

• Some notable works of him:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- Comus (masque/ a type of theatre entertaining poetry)
- On Shakespeare (First published poem).
- Samson Agonistes (closet drama)
- L'Allegro,
- Il Penseroso,
- Of Education (pamphelet)
- Areopagitica.

Source: Britannica and Sparksnotes.
২৭.
Which of the following is written by 'John Dryden'?
  1. All for Love
  2. Mac Flecknoe
  3. Both of these
  4. None of these
ব্যাখ্যা
• All for Love এবং Mac Flecknoe, এই দুইটিই John Dryden রচিত সাহিত্যকর্ম।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর - Both of these.

• 'All for Love' is a tragedy written by John Dryden.
- The play is a retelling of the story of Antony and Cleopatra.
- Shakespeare এর Antony and Cleopatra এর উপর ভিত্তি করে Blank Verse এ লেখা হয়েছে এই tragedy টি।
- Antony and Cleopatra , এই ট্র্যাজিডির দুই কেন্দ্রীয় চরিত্রের মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে নাটকটির সমাপ্তি ঘটে।
- এটি John Dryden অন্যতম সাহিত্যকর্ম।

• 'Mac Flecknoe' is a poem written by John Dryden.
- 'Mac Flecknoe' মূলত তাঁর লেখা একটি extended verse satire.
- written in the mid-1670s and published anonymously and apparently without Dryden’s authority in 1682.
- It consists of a devastating attack on the Whig playwright Thomas Shadwell that has never been satisfactorily explained; Shadwell’s reputation has suffered ever since.

John Dryden হচ্ছেন The restoration Period এর একজন English poet, dramatist, and literary critic, যিনি তাঁর সময়ের সাহিত্যিক প্রেক্ষাপটে এতটাই আধিপত্য বিস্তার করেছিলেন যে, তাঁর যুগটিকে 'The Age of Dryden' হিসাবেও ধরা হয়।

• John Dryden রচিত অন্যান্য সাহিত্যকর্ম সমূহ -
- Absalom and Achitophel
- Annus Mirabilis
- Astraea Redu
- The Essay of Dramatic Poesy

Source: Britannica.
২৮.
'Tom Jones' Henry Fielding is the finest example of -
  1. Gothic novel
  2. Picaresque Novel
  3. Epistolary novel
  4. Regional novel
ব্যাখ্যা
• 'Tom Jones' Henry Fielding is the finest example of - a Picaresque Novel.
- A novel that tells the story of a rascal or knave who moves from place to place for adventures and fights his evil antagonists.
- Like a Picaresque Novel, Tom Jones also follows the adventures of the protagonist Tom Jones as he drifts from place to place, getting into various misadventures. 

• Tom Jones, in full The History of Tom Jones, a Foundling হচ্ছে একটি comic, Picaresque এবং Bildungsroman novel এর অন্যতম উদাহরণ।
- এটি ১৭৪৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়, which is the 1st half of 18th century.
- এটি একটি রোমান্স প্লটের উপরে লখা।
 
• এই novel এর চরিত্র সমূহ হচ্ছে- 
- Squire Allworthy, 
- Bridget Allworthy,
- Mrs. Wilkins,
- Tom Jones,
- Sophia,
- Jenny Jones,
- Dr. Blifil,
- Captain Blifil,
- Partridge,
- Molly Seagrim, etc.
 
• Henry Fielding is regarded as the 'Father of Modern English Novel' with Samuel Richardson.
- He is famous for the Picaresque Novel.
- His pen name is Captain Hercules Vinegar
 
His famous Novels:
- Tom Jones,
- Amelia,
- Joseph Andrews etc.
 
Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica and SparkNotes.
২৯.
'Tales from Shakespeare' is a collection of prose adaptations of Shakespeare's plays, written by -
  1. George Chapman
  2. Charles Lambs
  3. John Keats
  4. George Farquhar
ব্যাখ্যা
'Tales from Shakespeare' is a collection of prose adaptations of Shakespeare's plays, written by - Charles Lambs.
- Actually, this is an English children's storybook written by the siblings Charles and Mary Lamb in 1807,
- It was intended 'for the use of young persons' while retaining as much Shakespearean language as possible.
- এই গল্পের বইটি মূলত: শিশুতোষ বা অপরিণত বয়স্ক পাঠকদের জন্য।
- শেক্সপিয়ারের উপন্যাসের ভাষাকে যতটা সম্ভব শিশু কিশোর বা নবীন পাঠকদের উপযোগী করে তোলা হয়েছে এই বইটিতে।

• Charles Lamb এর ছদ্মনাম / pseudonym - Elia.
- Charles Lamb, an English essayist and critic belongs to the Romantic Period, is best known for his Essays of Elia.
- Lamb's greatest achievements were his remarkable letters and the essays that he wrote under the pseudonym Elia for London Magazine, which was founded in 1820.
- In The Essays of Elia (1823) and The Last Essays of Elia (1833), Charles Lamb, an even more personal essayist, projects with apparent artlessness a carefully managed portrait of himself—charming, whimsical, witty, sentimental, and nostalgic.

• উল্লেখ্য যে, বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য খেয়াল রাখা জরুরি, 
- A Tale of a Tub (Play by Ben Jonson) (Fiction by Jonathan Swift)
- A Tale of Two Cities (Novel by Charles Dickens)
- The Nun’s Priest’s Tale (Beast Fable by Geoffrey Chaucer)

Source: Britannica.