পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
বিষয়: বাংলা সাহিত্য পরীক্ষার টপিক: ১. মধ্যযুগের গুরুত্বপূর্ণ লেখক, ২. লোক সাহিত্য - গীতিকা, ৩. বাংলা গদ্য সাহিত্যের বিকাশ (ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ ও অন্যান্যদের অবদান)। উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যপাঠ বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো একজন ভালো একাডেমিক লেখকের বই; বাংলাপিডিয়া; বাজারে প্রচলিত যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'' কাব্য কে রচনা করেন?
  1. রামাই পণ্ডিত
  2. বড়ু চণ্ডীদাস
  3. শ্রীচৈতন্য দেব 
  4. গোবিন্দদাস
ব্যাখ্যা

 শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
- এটি একটি বৈষ্ণব কাব্য।
​- রচয়িতা বড়ু চন্ডীদাস।
- রচনাকাল সঠিকভাবে নির্ণীত না হলেও প্রাকচৈতন্য যুগের (খ্রিস্টীয় ১৪শ শতক) মনে করা হয়।
- মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে চর্যাপদের পরেই শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের স্থান।
- ১৩১৬ বঙ্গাব্দে (খ্রি. ১৯০৯) বসন্তরঞ্জন রায়বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার বনবিষ্ণুপুরের কাঁকিল্যা গ্রাম নিবাসী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের নিকট থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন।
- মোট ১৩ খন্ডে ৪১৮টি পদে এটি বিন্যস্ত।
- খন্ডগুলি: জন্মখন্ড, তাম্বূল খন্ড, দানখন্ড, নৌকাখন্ড, ভারখন্ড, ছত্রখন্ড, বৃন্দাবন খন্ড, কালীয়দমন খন্ড, যমুনা খন্ড, হারখন্ড, বাণখন্ড, বংশীখন্ড ও বিরহখন্ড (রাধাবিরহ)।
- কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই (দূতী)।
- কাব্যের চরিত্র-মধ্যে ঘাত-প্রতিঘাত আছে; বাক-বিতন্ডা, রাগ-দ্বেষ ইত্যাদি আছে। ফলে কাব্যটি গতিশীল ও নাট্যরসাশ্রিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
'মাণিকচন্দ্র রাজার গান' এর প্রথম সংগ্রাহক কে?
  1. জর্জ গ্রীয়ার্সন
  2. চন্দ্রকুমার দে
  3. দীনেশ্চন্দ্র সেন 
  4. স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

 • নাথগীতিকা:
- স্যার জর্জ গ্রীয়ার্সন ১৮৭৮ সালে রংপুর জেলার মুসলমান কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে 'মাণিকচন্দ্র রাজার গান' প্রকাশ করলে 'নাথগীতিকা' সুধীসমাজের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- এইগুলো এক শ্রেণির ঐতিহাসিক রচনা।
- ইতিহাসের কোন বিস্মৃত যুগে এই গীতিকার নায়ক রাজা গোপীচাঁদ বা গোবিন্দচন্দ্র মায়ের নির্দেশে তরুণ যৌবনে দুই নবপরিণীতা বধূ প্রাসাদে রেখে সন্ন্যাস অবলম্বন করেছিলেন এই কাহিনি কেন্দ্র করেই নাথগীতিকার উদ্ভব।
- নাথসম্প্রদায়ভুক্ত গুরুবাদী যোগিগণ তাঁদের গুরুর অলৌকিক মহিমাকীর্তন প্রসঙ্গে এই গীতিকা দেশবিদেশে প্রচার করেছেন।
- নাথগীতিকার দুটি বিভাগ: প্রথমটি তরুণ রাজপুত্র গোপীচন্দ্রের সন্ন্যাসের কাহিনি। এ সম্পর্কিত গীতিকা 'গোরক্ষবিজয়', 'মীনচেতন' নামে পরিচিত।
- অপর শ্রেণির গীতিকাগুলো 'মাণিক রাজার গান', 'গোবিন্দচন্দ্রের গীত', 'ময়নামতীর গান', 'গোবিন্দচন্দ্রের গান', 'গোপীচাঁদের সন্ন্যাস', 'গোপীচাঁদের পাঁচালী' ইত্যাদি নামে খ্যাত।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত নন কে?
  1. চণ্ডীচরণ মুনশী
  2. মৃত্যুঞ্জয়‌ বিদ্যালঙ্কার
  3. ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. তারিণীচরণ মিত্র
ব্যাখ্যা

• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ:
- লর্ড ওয়েলেসলী ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলাসহ ভারতের অনেক ভাষা বিশেষজ্ঞ ও ধর্মপ্রচারক উইলিয়ম কেরীকে স্থানীয় ভাষা বিভাগের প্রধান নিয়োগ করা হয়।
- ১৮০১ সালের মে মাসে উইলিয়াম কেরী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নিযুক্ত হন। পরবর্তীতে ১৮০৫ সালের মধ্যে কলেজে মোট ১২টি অনুষদ খোলা হয়।
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ হলেন: উইলিয়াম কেরী, রামরাম বসু, গোলকনাথ শর্মা, মৃত্যুঞ্জয়‌ বিদ্যালঙ্কার, তারিণীচরণ মিত্র, রাজীবলােচন, চণ্ডীচরণ মুনশী, হরপ্রসাদ রায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

.
ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৭৯৩ সালে 
  2. ১৮০০ সালে 
  3. ১৮০১ সালে
  4. ১৯০০ সালে 
ব্যাখ্যা

• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ:
- লর্ড ওয়েলেসলী ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলাসহ ভারতের অনেক ভাষা বিশেষজ্ঞ ও ধর্মপ্রচারক উইলিয়ম কেরীকে স্থানীয় ভাষা বিভাগের প্রধান নিয়োগ করা হয়।
- ১৮০১ সালের মে মাসে উইলিয়াম কেরী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
- পরবর্তীতে ১৮০৫ সালের মধ্যে কলেজে মোট ১২টি অনুষদ খোলা হয়।

​উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
মৈমনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত পূর্ব ময়মনসিংহ থেকে সংগৃহীত মোট গীতিকা কয়টি?
  1. ৫টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ২৩টি
ব্যাখ্যা

মৈমনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত পূর্ব ময়মনসিংহ থেকে সংগৃহীত মোট গীতিকা ১০টি । যথা :
- মহুয়া,
- মলুয়া,
- চন্দ্রাবতী,
- কমলা,
- দেওয়ান ভাবনা,
- দস্যু কেনারামের পালা,
- রূপবতী,
- কঙ্ক ও লীলা,
- কাজলরেখা (রূপকথা) ও
- দেওয়ান মদিনা।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
'মৈথিল কোকিল' নামে খ্যাত কে?
  1. বিদ্যাপতি 
  2. চণ্ডীদাস
  3. আলাওল
  4. কালিদাস
ব্যাখ্যা

• বিদ্যাপতি:
- মিথিলার রাজসভার কবি ছিলেন বিদ্যাপতি।
- তিনি ছিলেন পঞ্চদশ শতকের কবি।
- কবির রচনায় মোহিত ছিলেন মিথিলার রাজা শিবসিংহ।
- এ জন্য সে বিদ্যাপতিকে 'কবিকন্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- ‘মৈথিল কোকিল’ বলতে মিথিলার কবি বিদ্যাপতিকে বোঝায়।
- কোকিল যেমন সুললিত সুমধুর গান গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করে, মিথিলার রাজসভার কবি বিদ্যাপতিও মৈথিলি ভাষায় সুন্দর পদাবলি ও অন্যান্য গীতিকবিতা রচনা করে সকলকে মুগ্ধ করেছেন বলে তাঁকে ‘মৈথিল কোকিল’ বলা হয়।
- তিনি ছিলেন বৈষ্ণব কবি এবং পদসঙ্গীত ধারার রূপকার।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হচ্ছে ব্রজবুলিতে রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
 'তোতা ইতিহাস' এর রচয়িতা কে? 
  1. গোলকনাথ শর্মা
  2. রামরাম বসু
  3. তারিণীচরণ মিত্র
  4. চণ্ডীচরণ মুনশী 
ব্যাখ্যা

• চণ্ডীচরণ মুনশী:
- চণ্ডীচরণ মুনশী ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের একজন বাঙ্গালি লেখক এবং ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাঙ্গলা ভাষার অন্যতম অধ্যাপক।
- তাঁর রচিত একটি উপাখ্যান 'তোতা ইতিহাস'।
- এটি ফরাসি সাহিত্য থেকে অনুবাদকৃত।
- যা বাঙালা গদ্য সাহিত্যের অন্যতম আদি নিদর্শন।

​উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম এবং বাংলাপিডিয়া।

.
মুকুন্দরাম চক্রবর্তী কোন মঙ্গলকাব্য ধারার উল্লেখযোগ্য কবি?
  1. ধর্ম মঙ্গল
  2. চণ্ডীমঙ্গল
  3. অন্নদামঙ্গল
  4. মনসামঙ্গল
ব্যাখ্যা

 • মুকুন্দরাম চক্রবর্তী চণ্ডীমঙ্গল কাব্য ধারার কবি ছিলেন। 
​​- চণ্ডীমঙ্গল ধারার কবি: মানিকদত্ত, দ্বিজ মাধব, দ্বিজরাম দেব, মুক্তরাম সেনও। 

​অন্যদিকে,
- ​মনসা মঙ্গল কাব্য ধারার কবি: কানাহরি দত্ত, নারায়ণদেব, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ।
- ‘ধর্মমঙ্গল’ ধারার কবি: ময়ূর ভট্ট, আদিরূপরাম, খেলারাম চক্রবর্তী, শ্যাম পণ্ডিত, ঘনরাম চক্রবর্তী, নরসিংহ বসু। 
​- 'অন্নদা মঙ্গল’ ধারার কবি: ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।

​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'লিপিমালা' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. রামরাম বসু
  2. উইলিয়াম কেরি
  3. গোলোকনাথ শর্মা
  4. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
ব্যাখ্যা

ফোর্ট উইলিয়ামের পর্বে ১৮০১ থেকে ১৮১৫ সালের এই সময়ের মধ্যে ৮ জন লেখক ১৩ খানি বাংলা গদ্যপুস্তক লিখেছিলেন এগুলো হলো:
- উইলিয়াম কেরি রচিত: কথোপকথন (১৮০১); ইতিহাসমালা (১৮১২)।
- রামরাম বসু রচিত: রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র (১৮০১); লিপিমালা (১৮০২)
- গোলোকনাথ শর্মা রচিত: হিতোপদেশ (১৮০২)।
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত: বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২); হিতোপদেশ (১৮০৮); রাজাবলি (১৮০৮); প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮৩৩)।
- তারিণীচরণ মিত্র রচিত: ওরিয়েন্টাল ফেবুলিস্ট (১৮০৩)।
- রাজীবলোচন মুখোপাধ্যায় রচিত: মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র রায়স্য চরিত্রং (১৮০৫)।
- চণ্ডীচরণ মুন্শী রচিত: তোতা ইতিহাস (১৮০৫)।
- হরপ্রসাদ রায় রচিত: পুরুষ পরীক্ষা (১৮১৫)।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১০.
'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্যের লেখক কে?
  1. গোবিন্দদাস
  2. মালাধর বসু 
  3. কৃষ্ণদাস কবিরাজ
  4. বৃন্দাবন দাস
ব্যাখ্যা

• মালাধর বসু: 
- মালাধর বসু (১৫শ-১৬শ শতক) ভগবতের প্রথম বাংলা অনুবাদক।
- তাঁর কাব্য 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় অনুবাদ গ্রন্থ।
- তিনি গৌড়েশ্বরের কাছ থেকে 'গুণরাজ খান' উপাধি পেয়েছিলেন।
- তিনি ১৫ শতকের তৃতীয় বা চতুর্থ দশকে বর্ধমান জেলার কুলিন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি তাঁর কবিত্ব শক্তির জন্য শামসুদ্দীন ইউসুফ শাহের কাছ থেকে 'গুণরাজ খান' উপাধি লাভ করেন।
- তাঁর রচিত কাব্যের নাম  'শ্রীকৃষ্ণবিজয়'।
- তাঁর একমাত্র কাব্য শ্রীকৃষ্ণবিজয়ের রচনাকাল ১৩৯৫-১৪০২ শকাব্দ (১৪৭৩-১৪৮০ খ্রি)।
- এই কাব্যে ভগবত অনুসরণে শ্রীকৃষ্ণের জন্ম ও তাঁর লীলা বর্ণিত হয়েছে।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১১.
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর কোন রাজসভার কবি ছিলেন?
  1. রোসাঙ্গ রাজসভা
  2. লক্ষ্মণ সেনের রাজসভা
  3. কৃষ্ণনগর রাজসভা
  4. মিথিলার রাজসভা
ব্যাখ্যা

• ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।

• ভারতচন্দ্র রায় : 
- মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য রচনা করেন।
- ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের ৩টি খন্ড ছিল।
- এ কাব্যের জন্য মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দেন।
- ভারতচন্দ্রের প্রথম কাব্য ছিল বিমিশ্র দেবতা সত্যনারায়ণের সম্মানে রচিত একটি পাঁচালি।
- উনবিংশ শতাব্দীর কলকাতায় ভারতচন্দ্র অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিলেন এবং ৪৮ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১২.
‘দেওয়ানা মদিনা’ পালার লেখক কে?
  1. মনসুর বয়াতি
  2. চন্দ্রাবতী
  3. দ্বিজ ঈশান
  4. দ্বিজ কানাই
ব্যাখ্যা

• দেওয়ানা মদিনা':
- পালাটির লেখক মনসুর বয়াতি।
- বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার অধীনে বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচঙ্গের দেওয়ানদের সম্পর্কে এ পালা।
- বানিয়াচঙ্গের দেওয়ান সোনাফরের পুত্র আলাল ও দুলালের বিচিত্র জীবনকাহিনি এবং দুলাল ও গৃহস্থকন্যা মদিনার প্রেম কাহিনি ‘দেওয়ানা মদিনা' এর মূল বিষয়।
- ‘দেওয়ানা মদিনা' পালার অপর নাম ‘আলাল-দুলালের' পালা।
‘দেওয়ানা মদিনা’র প্রধান কয়েকটি চরিত্র হলো:
- আলাল,
- দুলাল,
- মদিনা,
-সোনাফর।

​​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৩.
'গোরক্ষ বিজয়' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. শুকর মুহম্মদ
  2. ভীমসেন রায়
  3. সৈয়দ সুলতান
  4. শেখ ফয়জুল্লাহ
ব্যাখ্যা

• শেখ ফয়জুল্লাহ:
​- তিনি নাথ সাহিত্যের আদি কবি।
- ​তার নাথ ধর্ম বিষয়ক আখ্যানকাব্যের নাম গোরক্ষ বিজয়।
- ​এই কাব্যটি আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ আবিষ্কার করেন।

• ​নাথসাহিত্য:
- নাথধর্মের আচার-আচরণ ও নাথযোগীদের কাহিনীভিত্তিক সাহিত্য।
- এটি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা।
- এ সাহিত্য দুটি ধারায় বিকাশ লাভ করে: একটি হলো সাধন-নির্দেশিকা, আর অন্যটি হচ্ছে গাথাকাহিনী বা আখ্যায়িকা।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলাপিডিয়া। 

১৪.
মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. বত্রিশ সিংহাসন
  2. হিতোপদেশ
  3. প্রবোধচন্দ্রিকা
  4. রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র
ব্যাখ্যা

• রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র গ্রন্থের রচয়িতা রামরাম বসু।

​• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:

- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পণ্ডিত, ভাষাবিদ, লেখক।
- উইলিয়াম কেরীর সুপারিশে তিনি ১৮০১ সালের ৪ মে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজএর বাংলা বিভাগের হেড-পন্ডিত নিযুক্ত হন।
- এছাড়াও তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির জজ-পন্ডিত হিসেবে।

​তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- বত্রিশ সিংহাসন,
- হিতোপদেশ,
- রাজাবলি,
- প্রবোধচন্দ্রিকা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

১৫.
জৈগুনের পুঁথি' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ফকির গরীবুল্লাহ
  2. সৈয়দ হামজা
  3. শেখ ফয়জুল্লাহ
  4. আমীর হামজা
ব্যাখ্যা

সৈয়দ হামজা :
- সৈয়দ হামজা পুঁথি সাহিত্য ধারার অন্যতম কবি।

​তাঁর গ্রন্থসমূহ হলো:
- জৈগুনের পুঁথি,
- হাতেম তাই ও
- আমির হামজা (দ্বিতীয় অংশ)।

উৎস:বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. লর্ড ওয়েলেসলী
  3. জর্জ গ্রিয়ার্সন
  4. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ:
- লর্ড ওয়েলেসলী ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলাসহ ভারতের অনেক ভাষা বিশেষজ্ঞ ও ধর্মপ্রচারক উইলিয়ম কেরীকে স্থানীয় ভাষা বিভাগের প্রধান নিয়োগ করা হয়।
- ১৮০১ সালের মে মাসে উইলিয়াম কেরী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
- পরবর্তীতে ১৮০৫ সালের মধ্যে কলেজে মোট ১২টি অনুষদ খোলা হয়।

​উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৭.
মধ্যযুগের কবি নন কে?
  1. বিদ্যাপতি
  2. জয়নন্দী
  3. জ্ঞান দাস
  4. সৈয়দ হামজা
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদের কবি:
- চর্যাচর্যবিনিশ্চয়ের মোট চব্বিশ জন পদকর্তার পরিচয় পাওয়া যায়।
- গানের মাঝে ও শেষে তাঁরা ভণিতা দিয়েছেন।
- তবে কারও কারও গুরুর ভণিতা আছে।
- নামের শেষে গৌরবসূচক ‘পা’ যোগ করা হয়েছে।
- চর্যার চব্বিশ জন পদকর্তা হলেন : লুই, কুক্কুরী, বিরুআ, গুণ্ডরী, চাটিল, ভুসুকু, কাহ্ন, কামলি, ডোম্বী, শান্তি, মহিত্তা, বীণা, সরহ, সবর, আজদেব, ঢেণ্ঢণ, দারিক, ভাদে, তাড়ক, কঙ্কণ, জয়নন্দী, ধাম, তন্ত্রী ও লাড়ীডোম্বী।
- লাড়ীডোম্বীপার কোন পদ পাওয়া যায় নি।
- জয়নন্দী ৪৬ নম্বর পদের রচয়িতা।

​অন্যদিকে,
- বিদ্যাপতি, জ্ঞানদাস ও  সৈয়দ হামজা মধ্যযুগের কবি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৮.
নিচের কোনটি পূর্ববঙ্গ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ভেলুয়া
  2. কমল সওদাগর
  3. নিজাম ডাকাতের পালা
  4. কমলা
ব্যাখ্যা

• 'কমলা' মৈমনসিংহ গীতিকার অন্তর্ভুক্ত।

​• পূর্ববঙ্গ-গীতিকা: 
- পূর্ববাংলার লোকসাহিত্যের একটি সংকলন।
- মুখে মুখে রচিত ও লোকসমাজে প্রচলিত এর পালাগুলি বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।
- ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফরিদপুর, সিলেট (শ্রীহট্ট), ত্রিপুরা প্রভৃতি অঞ্চল থেকে পালাগুলি সংগৃহীত হয়েছে।
- এগুলির প্রধান প্রধান সংগ্রাহক হলেন চন্দ্রকুমার দে, দীনেশচন্দ্র সেন, আশুতোষ চৌধুরী, জসীমউদ্দীন, নগেন্দ্রচন্দ্র দে, রজনীকান্ত ভদ্র, বিহারীলাল রায়, বিজয়নারায়ণ আচার্য প্রমুখ।
- সংগৃহীত পালাগুলির সংখ্যা পঞ্চাশের অধিক।

​পূর্ববঙ্গ গীতিকার পালা:
​- নিজাম ডাকাতের পালা 
- কাফন চোরা,
- ​ভেলুয়া,
- ​চৌধুরীর লড়াই, 
​- কমল সদাগর, 
​- সুজা তনয়ার বিলাপ, 
​- পরীবানুর হাহলা ইত্যাদি।

​উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৯.
'মনসামঙ্গল' কাব্যের আদি কবি কে?
  1. কানাহরি দত্ত
  2. মানিক দত্ত
  3. বিজয়গুপ্ত
  4. দ্বিজ বংশীদাস
ব্যাখ্যা

• মনসামঙ্গল' কাব্য:
- সাপের দেবী মনসার স্তব, স্তুতি, কাহিনি ইত্যাদি নিয়ে রচিত কাব্য 'মনসামঙ্গল'৷
- মনসামঙ্গলের আদি কবি কানা হরিদত্ত।
- মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম পদ্মাপুরাণ।
- 'কানা হরিদত্ত, বিজয় গুপ্ত, নারায়ণ দেব, বিপ্রদাস পিপিলাই, দ্বিজ বংশীদাস, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ, প্রমুখ ছিলেন 'মনসামঙ্গল' কাব্যের রচয়িতা।

মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র গুলো হলো:
- সাপের দেবী মনসা,
- চাঁদ সওদাগর,
- বেহুলা,
- লখিন্দর,
- সনকা।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২০.
কবি আলাওলের জন্মস্থান কোথায়? 
  1. চট্টগ্রাম 
  2. কক্সবাজার 
  3. বরিশাল 
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• আলাওল:
- তিনি মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন।
- আলাওলের জন্ম আনুমানিক ১৬০৭ খ্রিস্টাব্দে (জোবরা গ্রাম, হাটহাজারি, চট্টগ্রাম) মতান্বরে (ফতেহাবাদ পরগনা, ফরিদপুর)।
- আরাকান রাজসভা তথা সপ্তদশ শতকের শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল।
- পদ্মাবতী তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য, মাগন ঠাকুরের উৎসাহে তিনি এই কাব্য রচনা করেন।

​সৈয়দ আলাওল রচিত বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম:
- পদ্মাবতী,
- হপ্তপয়কর,
- সিকান্দারনামা,
- তোহফা,
- সয়ফুলমুলুক বদিউজ্জামান ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২১.
চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি কে?
  1. মুকুন্দরাম চক্রবর্তী
  2. মানিক দত্ত
  3. ভারতচন্দ্র রায়
  4. কানাহরি দত্ত
ব্যাখ্যা

• চণ্ডীমঙ্গল:
- ​'চণ্ডীমঙ্গল' চন্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের লিখিত কাব্য। 
- চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান কবি মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।
-  চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি মানিক দত্ত।

'চণ্ডীমঙ্গল' কাব্যের প্রধান চরিত্রগুলো হলো :
- কালকেতু,
- ফুল্লরা,
- ধনপতি,
- ভাঁড়ুদত্ত,
- মুরারি শীল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২২.
পূর্ববঙ্গ-গীতিকা কোন প্রতিষ্ঠান হতে প্রকাশিত হয়?
  1. আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ
  4. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

• পূর্ববঙ্গ-গীতিকা:
- পূর্ববাংলার লোকসাহিত্যের একটি সংকলন।
- মুখে মুখে রচিত ও লোকসমাজে প্রচলিত এর পালাগুলি বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।
- ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফরিদপুর, সিলেট (শ্রীহট্ট), ত্রিপুরা প্রভৃতি অঞ্চল থেকে পালাগুলি সংগৃহীত হয়েছে।
- এগুলির প্রধান প্রধান সংগ্রাহক হলেন চন্দ্রকুমার দে, দীনেশচন্দ্র সেন, আশুতোষ চৌধুরী, জসীমউদ্দীন, নগেন্দ্রচন্দ্র দে, রজনীকান্ত ভদ্র, বিহারীলাল রায়, বিজয়নারায়ণ আচার্য প্রমুখ।
- সংগৃহীত পালাগুলির সংখ্যা পঞ্চাশের অধিক।
- ১৯১৩ সাল থেকে চন্দ্রকুমার দে প্রথম এ ধরণের লোকগাথা প্রকাশ করতে থাকেন।
- দীনেশচন্দ্র সেন সেগুলি পড়ে আকৃষ্ট হন এবং চন্দ্রকুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
- ​পূর্ববঙ্গ-গীতিকা (১৯২৬) নামে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৩.
আরাকান রাজসভার প্রথম বাঙালি কবি-
  1. আলাওল
  2. কোরেশী মাগন ঠাকুর
  3. দৌলত কাজী
  4. মরদন
ব্যাখ্যা

​• আরাকান রাজসভা:
- ​আরাকান রাজসভার আদি কবি ও প্রথম বাঙালি কবি দৌলত কাজী।
- তিনি লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যের নাম 'সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী'।
- এটি হিন্দি কবি সাধনের 'মৈনাসত' কাব্য অবলম্বনে তিন খন্ডে রচিত।

• আরাকান রাজসভার অন্যান্য কবিগণ হলেন:
- আলাওল,
- কোরেশী মাগন ঠাকুর,
- মরদন,
- আবদুল করিম খন্দকার,
- শমসের আলী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৪.
কোন কবির রচনা ধারাকে অনুসরণ করে জ্ঞানদাস পদ রচনা করতেন?
  1. গোবিন্দদাস
  2. চণ্ডীদাস
  3. শ্রীচৈতন্যদেব
  4. দ্বীজ বংশীদাস
ব্যাখ্যা

• জ্ঞানদাস:
- জ্ঞানদাস চৈতন্যোত্তর বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি।
- বৈষ্ণব সাধকদের মধ্যেও তিনি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিলেন।
- তিনি বৈষ্ণবগুরু নিত্যানন্দের পত্নী জাহ্নবী দেবীর শিষ্য ছিলেন।
- জ্ঞানদাসই প্রথম ‘ষোড়শ-গোপাল’-এর রূপ বর্ণনা করে পদ রচনা করেন।
- তিনি বাংলা এবং ব্রজবুলিতে রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক প্রায় দুশ (মতান্তরে চারশ) পদ রচনা করেন।
- তাঁর রচিত মাথুর ও মুরলীশিক্ষা বৈষ্ণবগীতিকাব্যের দুটি মূল্যবান গ্রন্থ।
- পদরচনায় তিনি বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসকে অনুসরণ করলেও সংস্কার ত্যাগ করে নিজের মতো করে সরল সুরে পদ রচনা করেন, যে কারণে পাঠক সহজেই তাঁর লেখায় আকৃষ্ট হয়। 
​- প্রেম, সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিকতা জ্ঞানদাসের রচনার মুখ্য বিষয়। বৃন্দাবনের কিশোর-কিশোরীর লীলাকে জ্ঞানদাস মানবজীবনের আলোকে বর্ণনা করেছেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলাপিডিয়া।

২৫.
ড. আশুতোষ ভট্টাচার্য লোককথাকে কয় ভাগে ভাগ করেছেন??
  1. ২টি 
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• লোক কথা বা লোক কাহিনী:
​গদ্যের মাধ্যমে কাহিনী বর্ণনা করা হলে তাকে লোক কথা বা লোক কাহিনী বলা হয়ে থাকে।

​ড. আশুতোষ ভট্টাচার্য লোককথাকে ৩ ভাগ্যে ভাগ করেছেন।
​১। রূপকথা,
​২) উপকথা,
​৩)ব্রতকথা।

​​উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২৬.
মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদক কে? 
  1. কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাসদেব 
  2. কবীন্দ্র পরমেশ্বর
  3. কাশীরাম দাস
  4. মালাধর বসু
ব্যাখ্যা

• ​মহাভারত:
​- মহাভারত রচিত হয় সংস্কৃত ভাষায়। মূল রচয়িতা কৃষ্ণদ্বৈপায়ন ব্যাসদেব।
- মহাভারত প্রথম বাংলায় রচনা করেন কবীন্দ্র পরমেশ্বর।
- তার রচিত মহাভারতের নাম 'বিজয়পান্ডবকথা' অথবা 'ভারত পাঁচালী'।
- কাব্যটি ষোড়শ শতাব্দীতে রচিত ৷
- মহাভারতের শ্রেষ্ঠ অনুবাদকের নাম কাশীরাম দাস।
- শ্রীকর নন্দী অনুদিত মহাভারত 'ছুটিখানী' মহাভারত নামেও পরিচিত।
- মালাধর বসু ভগবতের প্রথম বাংলা অনুবাদক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।