পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
Exam - 25 The Code of Criminal Procedure-1898: Test-5 Topic: Section 337- 400 • General provisions as to inquiries and trials • The mode of taking and recording evidence in inquiries and trials • The judgment • The submission of sentences for confirmation • Execution
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুযায়ী মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করতে পারেন কে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. দায়রা জজ আদালত
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত
  4. উল্লিখিত সকলে
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল বা পরিবর্তন করে অন্য কোনো দণ্ড, এমনকি তা বাতিল করার আদেশ দিতে পারেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৩৭৪ থেকে ৩৮০ ধারা পর্যন্ত দণ্ড অনুমোদনের বিধানসমূহ রয়েছে। দণ্ড অনুমোদন বলতে মূলত মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের বিষয় বোঝায়। কার্যবিধির ধারা ৩১ এ বলা আছে যে,কোনো দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে বর্ণিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। কিন্তু যদি কোনো মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় তবে তা অবশ্যই হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে হতে হবে। 
অর্থাৎ,মৃতুদণ্ডের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট এর ৩৭৪ ধারার অধীন অনুমোদন নিতে হবে। ৩৭৫ ধারা অনুসারে হাইকোর্ট চাইলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির দণ্ড বিষয়ে বা তার নির্দোষিতা বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করতে পারবেন।

• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৬ ধারানুযায়ী দায়রা আদালত প্রদত্ত মৃত্যুদণ্ড কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে পেশ করলে হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত মৃত্যুদণ্ড-
⇒ বহাল রাখতে পারেন, বা
⇒ বাতিল করতে পারেন,বা
⇒ অন্য কোন দণ্ড দিতে পারেন,বা
⇒ খালাস দিতে পারেন।

তবে, শর্ত এই যে আসামি আপিল করলে আপিলের রায় না হওয়া পর্যন্ত,অথবা আপিল না করলে আপিলের জন্য নির্ধারিত সময় পার না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্ট শাস্তির অনুমোদনের আদেশ প্রদান করবে না।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুযায়ী, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীর ক্ষেত্রে দায়রা জজ তাকে কী জানাবেন?
  1. দণ্ড কার্যকরের সময়
  2. সাজা কমানোর সুযোগ
  3. ক্ষমা প্রার্থনার প্রক্রিয়া
  4. আপিলের সময়সীমা
সঠিক উত্তর:
আপিলের সময়সীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলের সময়সীমা
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামী আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতিত অন্য যেকোন মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামীকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপীল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপীল করতে পারবে।
.
আদালতের রায়ের ভাষা কী হবে?
  1. শুধু বাংলায়
  2. অভিযোগকারীর ভাষায়
  3. আসামির ভাষায়
  4. আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে
ব্যাখ্যা
 ধারা ৩৬৭: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু-
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

(৩) যদি দণ্ডাদেশ দণ্ডবিধির (Penal Code) অধীন হয় এবং এ বিষয়ে সন্দেহ থাকে যে অপরাধটি ঐ বিধির দুটি ধারার মধ্যে কোনটিতে অথবা একই ধারার দুটি অংশের মধ্যে কোনটিতে অন্তর্ভুক্ত, তাহলে আদালতকে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং বিকল্প রূপে রায় প্রদান করতে হবে।

(৪) যদি এটি খালাসের রায় হয়, তাহলে রায়ে উল্লেখ করতে হবে যে আসামিকে কোন অপরাধে খালাস দেওয়া হলো এবং নির্দেশ দিতে হবে যে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।

(৫) যদি আসামি এমন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয় যার জন্য মৃত্যুদণ্ড অথবা বিকল্পভাবে আজীবন কারাদণ্ড বা কয়েক বছরের সাজার বিধান রয়েছে, তাহলে আদালতকে রায়ে দণ্ড দেওয়ার কারণ উল্লেখ করতে হবে।

(৬) এই ধারার উদ্দেশ্যে, ধারা ১১৮ অথবা ধারা ১২৩-এর উপধারা (৩) অনুযায়ী দেওয়া কোনো আদেশকেও রায় বলে গণ্য করা হবে।
.
অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্বে কতটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার, অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়, তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

উক্ত ধারায় নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুপস্থিতিতে বিচার করা যায়-
১. ফৌজদারি কার্যবিধির ৮৭ এবং ৮৮ ধারার আবশ্যিক বিধানসমূহ প্রতিপালন করা হয়েছে;
২. আদালতের বিশ্বাস করার কারণ আছে যে, অভিযুক্ত পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে যেন তাকে গ্রেফতার না করা যায় এবং বিচারের জন্য হাজির না করা যায় এবংঅভিযুক্তকে গ্রেফতারের তাৎক্ষণিক কোন সম্ভাবনা নেই।

• অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার শুরুর পূর্ববর্তী শর্ত হলো অনুপস্থিত অভিযুক্তকে হাজিরার জন্য ব্যাপক প্রচার আছে এমন ২টি জাতীয় দৈনিক বাংলা পত্রিকায় হাজিরার আদেশ প্রকাশ করতে হবে। উক্ত প্রকাশিত আদেশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে হাজির হতে ব্যর্থ হলে, উক্ত অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করা যাবে।
তবে ৩৩৯(খ)(২) ধারায় বলা হয়েছে, জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত বা পলাতক অভিযুক্তের অনুপস্থিতিতে বিচার করতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের বিধান অনুসরণ করা প্রয়োজনীয় না।
.
কোনো মামলা আপস মীমাংসার মাধ্যমে নিষ্পন্ন হলে তা আসামির ____________ বলে গণ্য হবে।
  1. মুক্তি
  2. জামিন
  3. অব্যাহতি
  4. খালাস
সঠিক উত্তর:
খালাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খালাস
ব্যাখ্যা
• The Code of Criminal Procedure,1898 এর ৩৪৫(৬) ধারানুসারে কোন মামলার আপস হলে সংশ্লিষ্ট অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস (acquittal) পেয়েছে বলে গণ্য হবে।
 
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় যে সকল অপরাধসমূহ আপসযোগ্য, সেই সকল অপরাধের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির কোন ধারার কোন অপরাধটি আপসযোগ্য তা ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪৫ ধারায় উল্লেখিত টেবিলের প্রথম এবং দ্বিতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে ব্যক্তির দ্বারা এমন অপরাধ আপস করা যায় তা তৃতীয় কলামে উল্লেখ করা হয়েছে। 
 
• ৩৪৫(১) ধারায় উল্লেখিত অপরাধের আপস মীমাংসার ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তির সম্মতিই যথেষ্ট কিন্তু ৩৪৫ (২) ধারায় টেবিলে উল্লেখিত অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি নিয়ে তৃতীয় কলামে উল্লেখিত ব্যক্তিরা অপরাধের আপস মীমাংসা করতে পারে। দণ্ড আরোপের পূর্বে যেকোনো সময় ৩৪৫ ধারায় অপরাধ আপস মীমাংসা হতে পারে এবং সেটা কোর্টের ভিতরে বা অপরাধের আপস করার জন্য অন্যভাবে যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি ১৮ বছরের কম বয়স্ক হলে বা জড়বুদ্ধ হলে বা পাগল হলে, তার পক্ষে চুক্তি সম্পাদনের যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি আদালতের অনুমতি নিয়ে আপস মীমাংসা করতে পারে।
 
• ৩৪৫(৬) ধারা অনুযায়ী অপরাধের আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হবে।
 
প্রতিকার-
যেহেতু ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসা আসামীর খালাস বলে গণ্য হয় এবং যেহেতু খালাসের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়, তাই ৩৪৫ ধারায় আপস মীমাংসার বিরুদ্ধে ৪১৭ ধারায় সরকার আপীল করতে পারে।
.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৮ ধারায় চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন-
  1. জেলা জজ
  2. সরকার
  3. দায়রা আদালত
  4. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা আদালত
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৩৮- ক্ষমা প্রদর্শনের নির্দেশ দানের ক্ষমতা:
রায় দেয়ার পূর্বে যে কোন সময় যে দায়রা আদালত মােকদ্দমার বিচার করছেন সেই আদালত বিচারকালে সংশ্লিষ্ট অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ বা পরােক্ষভাবে জড়িত বা সেই সম্পর্কে গােপন তথ্যের অধিকারি বলে অনুমতি কোন ব্যক্তির সাক্ষ্য গ্রহণের উদ্দেশ্যে তাকে এই শর্তে ক্ষমা প্রদর্শন করতে পারবেন বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমা মঞ্জুর করার আদেশ দিতে পারেন।

⇒ Section 338- Power to direct tender of pardon:
At any time before the judgment is passed, the Court of Session trying the case may, with the view of obtaining on the trial the evidence of any person supposed to have been directly or indirectly concerned in or privy to, any such offence, tender, or order or the Chief Metropolitan Magistrate or the Chief Judicial Magistrate to tender, a pardon on the same condition to such person.
.
৩৬৪ ধারায় অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের পর কে স্বাক্ষর করবেন?
  1. শুধু ম্যাজিস্ট্রেট
  2. শুধু অভিযুক্ত
  3. তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা
  4. অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিযুক্ত এবং ম্যাজিস্ট্রেট উভয়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৪- অভিযুক্তের জবানবন্দি যেভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে:
(১) যেক্ষেত্রে কোন ম্যাজিস্ট্রেট বা হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত অন্য কোন আদালত, কোন অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণ করেন, সেক্ষেত্রে তাকে জিজ্ঞাসিত প্রত্যেকটি প্রশ্ন ও তাঁর প্রদত্ত প্রত্যেকটি জবাবসহ সমগ্র , যে ভাষায় তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছে সে ভাষায় বা তা সম্ভব না হলে আদালতের ভাষায় কিংবা ইংরেজি ভাষায় পূর্ণাংগরূপে লিপিবদ্ধ করতে হবে এবং উক্ত নথি তাকে দেখাতে হবে বা পড়ে শুনাতে হবে অথবা যে ভাষায় তা লেখা হয়েছে ঐ সে বুঝতে না পারলে, যে ভাষা সে বুঝে ঐ ভাষায় তা তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে এবং সে তার জবাব ব্যাখা করতে বা তাতে জবাবে নতুন কিছু যোগ করতে পারবে।

(২) সে যখন সমগ্র জবানবন্দি সত্য হিসাবে স্বীকার করে, তখন অভিযুক্ত এবং উক্ত আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ তাতে স্বাক্ষর করবেন এবং উক্ত ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বহস্তে সার্টিফাই করবেন যে, জবানবন্দি তাঁর উপস্থিতিতে ও শ্রবণের মধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং নথিতে অভিযুক্তের বিবৃতির একটি পূর্ণাঙ্গ ও সত্য বিবরণ রয়েছে।

(৩) ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ স্বয়ং অভিযুক্তের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ না করলে জবানবন্দি চলার সময় তিনি আদালতের ভাষায় বা ইংরেজীর সঙ্গে পর্যাপ্তভাবে পরিচিত হলে ইংরেজি ভাষায় তার একটি স্মারক তৈরী করতে থাকবেন এবং এরূপ স্মারক ম্যাজিস্ট্রেট বা জজ কর্তৃক স্বহস্তে লিখিত ও স্বাক্ষরিত হবে এবং নথির সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে। ম্যাজিস্ট্রেট বা জাজ যদি উক্ত স্মারক তৈরী করতে না পারেন, সেক্ষেত্রে তিনি তাঁর এরূপ অসামর্থ্যের কারণ লিপিবদ্ধ করবেন।

(৪) এই ধারার কোন বিধান ধারা-২৬৩ অনুসারে অভিযুক্তের জবানবন্দি গ্রহণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে মর্মে পরিগণিত করা যাবে না।
.
বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে কত দিনের মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট বিচার সমাপ্ত করবেন?
  1. ১২০ দিন
  2. ১৮০ দিন
  3. ২৭০ দিন
  4. ৩৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০ দিন
ব্যাখ্যা
 ধারা ৩৩৯গ- মামলা নিষ্পত্তির সময়:
১) ম্যাজিস্ট্রেট বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে একশত আশি দিনের মধ্যেই অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।

২) কোন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ বা যুগ্ম দায়রা জজ বিচারের জন্য মােকদ্দমা প্রাপ্ত হওয়ার তারিখ হতে তিনশত ষাট দিনের মধ্যে অবশ্যই বিচার সমাপ্ত করবেন।
২ক) উপ-ধারা (১) বা উপ-ধারা (২) এ যাই থাকুক না কেন যেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি একাধিক মােকদ্দমায় আসামি হয় এবং বিচারের জন্য তাকে ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা আদালতে হাজির করা হয়, সেক্ষেত্রে এইরূপ মােকদ্দমাগুলির বিচার সমাপ্ত করার জন্য (১) ও (২) উপ-ধারায় নির্ধারিত সময় ধারাবাহিকভাবে গণনা করা হবে।
২খ) এক আদালত হতে অপর আদালতে মােকদ্দমা হস্তান্তর সম্পর্কে যাই থাকুক না কেন (১) বা (২) উপ-ধারায় বর্ণিত সময় মােকদ্দমার বিচারের সময় হবে।

৪) নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি বিচার কার্য সম্পন্ন করা না যায়, তা হলে আদালত অন্যরূপ নির্দেশ না দিলে জামিন অযােগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে আদালতের সন্তুষ্টি সাপেক্ষে আসামিকে জামিনে মুক্তি প্রদান করা হতে পারে।

৫) দণ্ডবিধি (১৮৬০ সনের ৪৫ নং আইন) এর ধারা ৪০০ বা ধারা ৪০১-এর কোন মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে কিংবা যে মােকদ্দমার বিচারের জন্য চৌত্রিশতম অধ্যায় নিহিত বিধান প্রযােজ্য সেই মােকদ্দমার বিচারের ক্ষেত্রে অত্র ধারার কোন কিছুই প্রযােজ্য হবে না।

৬) এই ধারায়, বিচারের উদ্দেশ্যে সময় নির্ধারণের নিমিত্তে-
খ) জামিনে গিয়া কোন আসামির পলায়নের কারণে যে সময় ব্যয় হবে উহা পরিগণনা করতে হবে না।
.
বিচারকালে প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট উচ্চতর দণ্ড প্রদানের প্রয়োজন দেখলে, ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য হবে?
  1. ৩৪২ ধারার
  2. ৩৪৬ ধারার
  3. ৩৪৭ ধারার
  4. ৩৪৯ ধারার
সঠিক উত্তর:
৩৪৭ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪৭ ধারার
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৪৭- যেক্ষেত্রে আসামীকে যখন উচ্চতর দণ্ড প্রদান করা হয় সেক্ষেত্রে পদ্ধতি:
এই কার্যবিধিতে যা-ই বর্ণিত থাকুক না কেন যখন কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট সরকার পক্ষের সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করার পর এ মর্মে অভিমত পোষণ করেন যে, আসামীকে অথবা যেক্ষেত্রে একাধিক আসামীর একসাথে বিচার করা হয়, সেক্ষেত্রে তাদের মধ্যে যেকোন একজনকে দোষী মর্মে সাব্যস্ত করে ঐ ম্যাজিট্রেট যে দণ্ড দিতে পারেন তদাপেক্ষা অধিক দণ্ড দিতে হবে, সেক্ষেত্রে তিনি তার এরূপ অভিমতের কারণ লিপিবদ্ধ করে তিনি যেই দায়রা আদালতের অধীনন্ত সেই দায়রা আদালতে মামলার নথি দাখিল করতে এবং আসামীকে বা সকল আসামীকে অগ্রবর্তী করতে পারবেন এবং তার ফলে সেই দায়রা আদালতও এমনভাবে মামলার বিচার করবেন যাতে মামলাটি এই কার্যবিধি অনুসারে শুধুমাত্রই তৎকর্তৃক বিচার্য।
১০.
ফৌজদারি মামলায় কোনো ম্যাজিস্ট্রেট একসঙ্গে সর্বোচ্চ কতদিনের রিমান্ড দিতে পারবেন?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৪৪- কার্যক্রম স্থগিত বা মুলতবি রাখার ক্ষমতা:
(১) কোন সাক্ষীর অনুপস্থিতি বা অন্য কোন যৌক্তিক কারণে যদি কোন অনুসন্ধান বা বিচার আরম্ভ, স্থগিত রাখা বা মুলতবি রাখা প্রয়োজনীয় বা সংগত হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে আদালত সঠিক মনে করলে কারণ উল্লেখপূর্বক লিখিত আদেশ দ্বারা যে শর্তে সঠিক মনে করেন সে শর্তে, যে সময়ের জন্য যৌক্তিক মনে করেন সেই সময়ের জন্য সময়ে সময়ে তা স্থগিত বা মুলতবি রাখতে পারবেন এবং আসামী হাজতে থাকলে পরোয়ানা দ্বারা তাকে রিমান্ডে দিতে পারবেনঃ

রিমান্ডঃ শর্ত থাকে যে, এই ধারা অনুসারে, কোন ম্যাজিস্ট্রেট কোন আসামীকে একসঙ্গে ১৫ (পনের) দিনের অধিক মেয়াদের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারবেন না।

(২) হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতিরেকে অন্য কোন আদালত কর্তৃক এই ধারার অধীন প্রদত্ত প্রত্যেকটি আদেশ লিখিত ও বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে।

ব্যাখ্যাঃ আসামী অপরাধ করে থাকতে পারে এ মর্মে সন্দেহ সৃষ্টির মত পর্যাপ্ত সাক্ষ্য যদি সংগ্রহ হয়ে থাকে, এবং রিমান্ডের দ্বারা আরও সাক্ষ্য হতে পারে বলে যদি প্রতীয়মান হয়, তাহলে তা আসামীকে রিমান্ডে দিবার একটি যৌক্তিক কারণ হবে।
১১.
ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য কীভাবে লিপিবদ্ধ করা হবে?
  1. প্রশ্নোত্তর আকারে
  2. বিবরণ আকারে
  3. সংক্ষিপ্ত আকারে
  4. সারমর্ম আকারে
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবরণ আকারে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৫৯: ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য লিপিবদ্ধের পদ্ধতি:
(১) ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য সাধারণত প্রশ্নোত্তর আকারে লিপিবদ্ধ হবে না বরং বিবরণ আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে।
(২) ম্যাজিস্ট্রেট বা দায়রা জজ ইচ্ছা করলে কোন বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর লিপিবদ্ধ করতে বা করাতে পারবেন।

Section 359: Mode of recording evidence:
(1) Evidence taken under section 356 or section 357 shall not ordinarily be taken down in the form of question and answer, but in the form of a narrative.
(2) The Magistrate or Sessions Judge may, in his discretion take down, or cause to be taken down, any particular question and answer.
১২.
যদি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোন মামলা বিচার করতে না পারেন, তবে ধারা ৩৪৬ এর বিধান অনুযায়ী তিনি-
  1. মামলাটি বাতিল করবেন
  2. আসামিকে খালাস দিবেন
  3. বিচার স্থগিত করবেন
  4. আসামিকে জামিনে মুক্তি দিবেন
সঠিক উত্তর:
বিচার স্থগিত করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার স্থগিত করবেন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৬ এর বিধান অনুযায়ী:
(১) যদি কোনো জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে কোন তদন্ত বা বিচার চলাকালে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, বিষয়টি এমন একটি মামলা যা অন্য কোনো চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের বিচারাধীন হওয়া উচিত, তাহলে তিনি বিচার কার্যক্রম স্থগিত করে মামলা সম্পর্কিত একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনসহ মামলাটি তার অধীনস্থ অন্য কোনো চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অথবা জেলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে অন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে প্রেরণ করবেন।

(২) যেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মামলা প্রেরিত হয়েছে, তিনি যদি সেই ক্ষমতা অর্জন করেন, তাহলে তিনি নিজে মামলাটি বিচার করতে পারেন, অথবা তার অধীনস্থ কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে পাঠিয়ে দিতে পারেন, অথবা আসামিকে বিচারের জন্য পাঠাতে পারেন।
১৩.
মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে কোন আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়?
  1. দায়রা আদালত
  2. হাইকোর্ট ডিভিশন
  3. চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
  4. কোনো অনুমতির প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট ডিভিশন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯ ধারা- ক্ষমাপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিচার:
(১) যখন কোনো ব্যক্তিকে ৩৩৭ বা ৩৩৮ ধারার অধীনে ক্ষমা দেওয়া হয়েছে এবং পাবলিক প্রসিকিউটর মনে করেন যে, ওই ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছে অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে এবং ক্ষমার শর্ত লঙ্ঘন করেছে — তখন তাকে সেই অপরাধের জন্য, যার জন্য তাকে ক্ষমা দেওয়া হয়েছিল, অথবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো অপরাধের জন্য বিচারের মুখোমুখি করা যেতে পারে।

শর্ত: তাকে অন্য আসামিদের সঙ্গে একত্রে বিচার করা যাবে না। সে নিজেকে রক্ষা করতে বলতে পারবে যে, ক্ষমার শর্ত পালন করেছে। তখন প্রসিকিউশনের দায়িত্ব হবে প্রমাণ করা যে, সে শর্ত ভঙ্গ করেছে।

(২) ক্ষমা গ্রহণকারী ব্যক্তির দেওয়া বিবৃতি তার বিরুদ্ধে সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারবে।

(৩) তার মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে মামলা করতে হলে উচ্চ আদালতের (হাইকোর্ট ডিভিশন) অনুমতি (অনুমোদন) লাগবে।
১৪.
ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করার বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ৩৬৮ ধারায়
  2. ৩৬৯ ধারায়
  3. ৩৭০ ধারায়
  4. ৩৭২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৬৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারার বিধান:
(১) কোন ব্যক্তিকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ দেয়া হলে দণ্ডাদেশে নির্দেশ থাকবে যে, মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত তাকে তার গলায় ফাঁসি দিয়া ঝুলিয়ে রাখতে হবে।
(২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তিকে কোথায় প্রেরণ করিতে হইবে তাহার উল্লেখ থাকিবে না।

Section-368: Sentence of death:
(1) When any person is sentenced to death, the sentence shall direct that he be hanged by the neck till he is dead.
(2) No sentence of transportation shall specify the place to which the person sentenced is to be transported.
১৫.
দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারে-
  1. শুধুমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ
  2. যেকোন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট
  3. যে পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার করেছে
  4. শাস্তি প্রদানকারী বিচারক বা তাদের স্থলাভিষিক্ত বিচারক
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী বিচারক বা তাদের স্থলাভিষিক্ত বিচারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্তি প্রদানকারী বিচারক বা তাদের স্থলাভিষিক্ত বিচারক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৯ ধারার বিধান- কে পরোয়ানা জারি করতে পারে:
- যে জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড দিয়াছেন তিনি বা তার স্থলাভিষিক্ত জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত দণ্ড কার্যকর করার জন্য পরোয়ানা জারি করতে পারবেন।

Section 389: Who may issue warrant:
Every warrant for the execution of any sentence may be issued either by the Judge or Magistrate who passed the sentence, or by his successor in office.
১৬.
ধারা ৩৪৮ অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি ৩ বছর বা তার বেশি সময়ের জন্য দণ্ডিত হন এবং আবার একই অপরাধে অভিযুক্ত হন, তবে সেই ব্যক্তিকে কোথায় পাঠানো হবে?
  1. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. কোর্ট অব সেশন
  4. জেলা আদালতে
সঠিক উত্তর:
কোর্ট অব সেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোর্ট অব সেশন
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৪৮: মুদ্রা, স্ট্যাম্প আইন বা সম্পত্তির বিরুদ্ধে অপরাধে পূর্বে দণ্ডিত ব্যক্তির বিচার:

(১) যে ব্যক্তি পেনাল কোডের অধ্যায় ১২ বা ১৭-এর অধীনে কোনো অপরাধে দণ্ডিত হয়েছেন, এবং যাকে ৩ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যদি তাকে আবার একই ধরনের অপরাধে অভিযুক্ত করা হয় যা ৩ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ডের দণ্ডনীয়, তবে যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্তকে কোর্ট অব সেশন পাঠানোর যথেষ্ট কারণ রয়েছে, তবে তাকে কোর্ট অব সেশন পাঠানো হবে। তবে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, তিনি নিজেই এই মামলার যথাযথ বিচার করতে সক্ষম এবং আসামিকে যদি দোষী সাব্যস্ত করেন তবে তিনি যথাযথ শাস্তি দিতে পারেন, তবে তিনি ওই ব্যক্তিকে পাঠাবেন না।

 যদি কোনো ম্যাজিস্ট্রেটকে ধারা ৩০ অনুসারে ক্ষমতা প্রদান করা হয়, তবে সেই ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এই মামলা স্থানান্তরিত করা যেতে পারে, কোর্ট অব সেশন পাঠানোর পরিবর্তে।

(২) যখন কোনো ব্যক্তি উপধারা (১) অনুযায়ী কোর্ট অব সেশন পাঠানো হয়, তখন একই মামলায় একই সঙ্গে অভিযুক্ত অন্য ব্যক্তি(গণ)কেও একইভাবে কোর্ট অব সেশন পাঠানো হবে, যতক্ষণ না ম্যাজিস্ট্রেট তাদের বিরুদ্ধে মামলার নিষ্পত্তি করেন।
১৭.
যখন আসামিকে কারাগারে বন্দী করা হবে, পরোয়ানাটি কোথায় জমা দিতে হবে?
  1. আদালতে
  2. পুলিশ স্টেশনে
  3. সরকারি আইনজীবী
  4. কারাগারের জেলারের কাছে
সঠিক উত্তর:
কারাগারের জেলারের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারাগারের জেলারের কাছে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৮৫ অনুযায়ী:
যখন আসামিকে কারাগারে বন্দী করা হবে, তখন পরোয়ানাটি কারাগারের জেলারের কাছে জমা দিতে হবে।

Section 385 :Warrant with whom to be lodged:
When the prisoner is to be confined in a jail, the warrant shall be lodged with the jailor.
১৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড কার্যকরের পদ্ধতি উল্লেখ আছে?
  1. ৩৯০ ধারায়
  2. ৩৯২ ধারায়
  3. ৩৯৪ ধারায়
  4. ৩৯৬ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯৬ ধারায়
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৯৬: পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড কার্যকর-
(১) এই কোড অনুযায়ী যদি কোনো পলাতক দণ্ডিত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দণ্ড প্রদান করা হয়, তবে -
যদি দণ্ড মৃত্যুদণ্ড, অর্থদণ্ড বা বেত্রাঘাত (whipping) হয়, তবে পূর্ববর্তী বিধানের অধীন না থাকলে অবিলম্বে কার্যকর হবে;
আর যদি দণ্ড কারাদণ্ড বা নির্বাসনের দণ্ড হয়, তবে নিচের নিয়ম অনুযায়ী কার্যকর হবে:(২) যদি নতুন দণ্ড পূর্ববর্তী দণ্ডের তুলনায় প্রকৃতিতে অধিক কঠোর হয়, তবে নতুন দণ্ড অবিলম্বে কার্যকর হবে।

(৩) যদি নতুন দণ্ড পূর্ববর্তী দণ্ডের তুলনায় প্রকৃতিতে অধিক কঠোর না হয়, তবে নতুন দণ্ড কার্যকর হবে তখন, যখন পলাতক ব্যক্তি তার পলায়নের সময় পূর্ববর্তী দণ্ডের যে অবশিষ্ট সময় ছিল, তা পুনরায় ভোগ করবে।

ব্যাখ্যা: এই ধারার উদ্দেশ্যে—
(ক) নির্বাসনের দণ্ড (transportation) কারাদণ্ডের তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে।
(খ) নির্জন কারাদণ্ড (solitary confinement) সহ কারাদণ্ড, নির্জন কারাদণ্ড ব্যতীত কারাদণ্ডের তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে।
(গ) সশ্রম কারাদণ্ড (rigorous imprisonment) বিনাশ্রম কারাদণ্ডের (simple imprisonment) তুলনায় অধিক কঠোর বলে গণ্য হবে, নির্জন কারাদণ্ড থাকুক বা না থাকুক।
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮- এর ধারা ৩৯৯ কোন বয়স‑সীমার অপরাধীর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ১৮ বছরের বেশি
  2. ১৫ বছরের কম
  3. ২১ বছরের কম
  4. ১৫ বছরের বেশি
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছরের কম
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৯৯ ধারা- কিশোর অপরাধীকে চরিত্র সংশোধনী প্রতিষ্ঠানে আটক রাখা:
(১) যখন কোন ফৌজদারী আদালত পনের বৎসরের কম বয়স্ক কোন ব্যক্তিকে কোন অপরাধের জন্য কারাদণ্ড দেন, তখন উক্ত আদালত নির্দেশ দিবেন যে, উক্ত ব্যক্তিকে ফৌজদারী জেলে বন্দী না করে আটকের উপযুক্ত স্থানে সরকার কর্তৃক স্থাপিত সংশোধনাগারে আটক রাখতে হবে যেখানে উপযুক্ত শৃংখলা ও কোন দরকারী শিল্পের কোন শাখায় শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে অথবা তাকে কোন ব্যক্তি কর্তৃক পরিচালিত অনুরূপ প্রতিষ্ঠানে আটক রাখতে হবে, যে ব্যক্তি আটক ব্যক্তিদের শৃংখলা ও শিক্ষার জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত নিয়মাবলী অনুসরণ করতে ইচ্ছুক।

(২) এই ধারার অধীন সকল ব্যক্তির প্রতি উক্তরূপ নির্ধারিত নিয়মাবলী প্রযোজ্য হবে।
২০.
'Sentence of death to be submitted by Court of Session' — এই বিধান ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বর্ণিত আছে?
  1. ৩৭০
  2. ৩৭২
  3. ৩৭৪
  4. ৩৭৫
সঠিক উত্তর:
৩৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭৪
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৪: দায়রা আদালত কর্তৃক দাখিলকৃত মৃত্যুদণ্ড সংক্রান্ত বিধান:
যখন দায়রা আদালত (Court of Session) মৃত্যুদণ্ড প্রদান করে, তখন মামলার কার্যক্রম হাইকোর্ট বিভাগে উপস্থাপন করতে হবে, এবং হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন ছাড়া সেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যাবে না।

Section 374- Sentence of death to be submitted by Court of Session:
When the Court of Session passes sentence of death, the proceedings shall be submitted to the High Court Division and the sentence shall not be executed unless it is confirmed by the High Court Division.
২১.
কোন ক্ষেত্রে রায় প্রদানের দিন আসামির উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়?
  1. আসামি হাজতে থাকলে
  2. আসামিকে খালাস দিলে
  3. আসামিকে ২ মাসের কারাদণ্ড দিলে
  4. আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে
সঠিক উত্তর:
আসামিকে খালাস দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসামিকে খালাস দিলে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৬৬: রায় প্রদানের পদ্ধতি
১। মূল বিচারিক আদালতের প্রতিটি মামলার রায় ঘোষণা করতে হবে, অথবা রায়ের মূল সারাংশ ব্যাখ্যা করতে হবে—
(ক) খোলা আদালতে, হয় মামলার অবসানের সাথে সাথে অথবা পরে নির্ধারিত কোনো সময়ে, যার বিষয়ে পক্ষগণ বা তাদের আইনজীবীদের পূর্বে নোটিশ দিতে হবে; এবং
(খ) আদালতের ভাষায়, অথবা এমন ভাষায় যা আসামি বা তার আইনজীবী বুঝতে পারেন।

তবে যদি প্রসিকিউশন বা ডিফেন্স পক্ষের অনুরোধ থাকে, তাহলে সম্পূর্ণ রায় বিচারক নিজে পড়ে শোনাবেন।

২। যদি আসামি হেফাজতে থাকে, তাহলে তাকে আদালতে হাজির করে রায় শোনানো হবে। যদি হেফাজতে না থাকে, তবে আদালত তাকে রায় শুনতে আসার নির্দেশ দিবে, তবে যদি আসামির ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করা হয় এবং রায় শুধুমাত্র জরিমানার বা খালাসের হয়, সেক্ষেত্রে রায় তার আইনজীবীর উপস্থিতিতে ঘোষণা করা যেতে পারে।

৩। রায় ঘোষণার দিনে যদি কোনো পক্ষ বা তাদের আইনজীবী অনুপস্থিত থাকেন, বা তাদের নোটিশ প্রদানে কোনো ত্রুটি বা ত্রুটিপূর্ণ সেবা হয়,
তবুও শুধু এই কারণেই রায় বাতিল হবে না।

৪। এই ধারার কোনো কিছুই ধারা ৫৩৭-এর ক্ষমতা বা প্রভাব সীমিত করে না।
২২.
রায়ে কোন বিষয়টি অবশ্যই উল্লেখ থাকতে হবে?
  1. সিদ্ধান্ত
  2. নির্ধারণীয় বিষয়
  3. সিদ্ধান্তের কারণ
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৬৭: রায়ের ভাষা ও বিষয়বস্তু-
(১) এই কোডে যা না থাকুক, প্রত্যেকটি এইরূপ রায় আদালতের ভাষায় বা ইংরেজিতে আদালতের বিচারক কর্তৃক লিখিত হবে অথবা তার দিকনির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত হবে; এবং এতে নির্ধারণীয় বিষয় বা বিষয়সমূহ, সেগুলির সিদ্ধান্ত এবং সিদ্ধান্তের কারণসমূহ থাকবে; এবং তারিখ এবং বিচারকের স্বাক্ষর থাকবে, যা রায় ঘোষণার সময় আদালতে তিনি স্বহস্তে লিখবেন; এবং যদি বিচারক নিজেই না লিখে থাকেন, তাহলে রায়ের প্রত্যেকটি পৃষ্ঠায় তার স্বাক্ষর থাকবে।

(২) এতে বিচারিত অপরাধ (যদি থাকে), দণ্ডবিধি বা অন্য আইনের যে ধারায় অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তাকে যে শাস্তি প্রদান করা হয়েছে তা উল্লেখ থাকবে।

(৩) যদি দণ্ডাদেশ দণ্ডবিধির (Penal Code) অধীন হয় এবং এ বিষয়ে সন্দেহ থাকে যে অপরাধটি ঐ বিধির দুটি ধারার মধ্যে কোনটিতে অথবা একই ধারার দুটি অংশের মধ্যে কোনটিতে অন্তর্ভুক্ত, তাহলে আদালতকে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে এবং বিকল্প রূপে রায় প্রদান করতে হবে।

(৪) যদি এটি খালাসের রায় হয়, তাহলে রায়ে উল্লেখ করতে হবে যে আসামিকে কোন অপরাধে খালাস দেওয়া হলো এবং নির্দেশ দিতে হবে যে তাকে মুক্তি দেওয়া হোক।

(৫) যদি আসামি এমন অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয় যার জন্য মৃত্যুদণ্ড অথবা বিকল্পভাবে আজীবন কারাদণ্ড বা কয়েক বছরের সাজার বিধান রয়েছে, তাহলে আদালতকে রায়ে দণ্ড দেওয়ার কারণ উল্লেখ করতে হবে।

(৬) এই ধারার উদ্দেশ্যে, ধারা ১১৮ অথবা ধারা ১২৩-এর উপধারা (৩) অনুযায়ী দেওয়া কোনো আদেশকেও রায় বলে গণ্য করা হবে।
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় গর্ভবতী স্ত্রী লোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণের বিধান রয়েছে?
  1. ৩৮০ ধারা
  2. ৩৮২ ধারা
  3. ৩৮৪ ধারা
  4. ৩৮৬ ধারা
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৮২ ধারা
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৮২- গর্ভবতী স্ত্রীলোকের মৃত্যুদণ্ড স্থগিতকরণ:
মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত কোন স্ত্রীলোক গর্ভবতী রয়েছে বলে দেখা গেলে, হাইকোর্ট বিভাগ দণ্ড কার্যকরীকরণ স্থগিত রাখার আদেশ দিবেন অথবা উপযুক্ত মনে করলে দণ্ড হ্রাস করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে পারবেন।

Section 382- Postponement of capital sentence on pregnant woman:
If a woman sentenced to death is found to be pregnant, the High Court Division shall order the execution of the sentence to be postponed, and may, if it thinks fit, commute the sentence to transportation for life.
২৪.
সাক্ষীর জবানবন্দির সময় তার আচরণ সম্পর্কিত মন্তব্য কে লিপিবদ্ধ করতে পারেন?
  1. আসামি
  2. পুলিশ কর্মকর্তা
  3. সরকারী কৌঁসুলি
  4. দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৬৩ ধারা- সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে মন্তব্য:
যেক্ষেত্রে কোন দায়রা জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট কোন সাক্ষীর সাক্ষ্য লিপিবদ্ধ করে থাকেন, সেক্ষেত্রে যদি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন, সাক্ষীর জবানবন্দীর সময়ের তার আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে কোন মন্তব্য (যদি থাকে) লিপিবদ্ধ করবেন।

Section 363: Remarks respecting demeanor of witness:
When a Sessions Judge or Magistrate has recorded the evidence of a witness, he shall also record such remarks (if any) as he thinks material respecting the demeanour of such witness whilst under examination.
২৫.
অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে - এটি ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারার বিষয়বস্তু?
  1. ধারা ৩৫৩
  2. ধারা ৩৫৫
  3. ধারা ৩৫৭
  4. ধারা ৩৫৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫৩
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৫৩ - সাক্ষ্য গ্রহণ অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে করা:
যদি অন্যভাবে স্পষ্টভাবে কোনো বিধান না থাকে, তাহলে প্রথম অধ্যায়, অধ্যায় XX, XXII এবং XXIII-এর অধীনে গৃহীত সকল প্রমাণ অভিযুক্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে গ্রহণ করতে হবে। তবে, যদি আদালত অভিযুক্ত ব্যক্তির ব্যক্তিগত উপস্থিতি মওকুফ করে, সে ক্ষেত্রে তার আইনজীবীর উপস্থিতিতে প্রমাণ গ্রহণ করা যাবে।

[Except as otherwise expressly provided, all evidence taken under Chapters XX,  XXII and XXIII shall be taken in the presence of the accused, or, when his personal attendance is dispensed with, in presence of his pleader.]
২৬.
জরিমানা আদায়ের ওয়ারেন্ট কার্যকর করার ক্ষেত্রে আদালতের জন্য নিষিদ্ধ কোনটি?
  1. সম্পত্তি বিক্রি
  2. অপরাধীকে গ্রেপ্তার
  3. কালেক্টরের মাধ্যমে অর্থ আদায়
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে গ্রেপ্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধীকে গ্রেপ্তার
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৮৬: জরিমানা আদায়ের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু:
(১) যখন কোনো অপরাধীর বিরুদ্ধে জরিমানা প্রদানের শাস্তি প্রদান করা হয়, তখন আদালত জরিমানা আদায়ের জন্য নিচের এক বা উভয় পদ্ধতিতে ব্যবস্থা নিতে পারে:
(ক) অপরাধীর যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে বিক্রির মাধ্যমে জরিমানার টাকা আদায়ের জন্য ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারে;
(খ) জেলার কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করতে পারে, যাতে তিনি দেওয়ানি পদ্ধতিতে অপরাধীর অস্থাবর বা স্থাবর উভয় সম্পত্তির বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিয়ে জরিমানা আদায় করতে পারেন।

শর্ত থাকে যে, যদি রায় অনুযায়ী জরিমানা পরিশোধে ব্যর্থ হলে কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়, এবং অপরাধী সেই সম্পূর্ণ দণ্ড ভোগ করে থাকেন, তবে আদালত বিশেষ লিখিত কারণে প্রযোজ্য মনে না করলে আর ওয়ারেন্ট ইস্যু করতে পারবে না।

(২) সরকার উপ-ধারা (১), দফা (ক)-এর অধীনে জারিকৃত ওয়ারেন্ট কার্যকর করার পদ্ধতি এবং অন্য কোনো ব্যক্তি অপরাধী ব্যতীত যিনি ওই সম্পত্তির ওপর দাবি করেন, তার দাবির সংক্ষিপ্ত নিষ্পত্তির জন্য নিয়ম প্রণয়ন করতে পারে।

(৩) যখন আদালত উপ-ধারা (১), দফা (খ)-এর অধীনে কালেক্টরকে ওয়ারেন্ট প্রদান করে, তখন সেই ওয়ারেন্ট দেওয়ানি আদেশ (decree) বলে গণ্য হবে এবং কালেক্টর decree-holder (আদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তি) হিসেবে বিবেচিত হবেন। সেক্ষেত্রে, Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী যে নিকটস্থ দেওয়ানি আদালত এমন আদেশ কার্যকর করতে পারে, সেটিকে ঐ আদেশদাতা আদালত বলে গণ্য করা হবে এবং সিপিসির সকল বিধান প্রযোজ্য হবে।

শর্ত থাকে যে, এই ধরনের কোনো ওয়ারেন্ট অপরাধীকে গ্রেপ্তার বা কারাগারে আটক করে কার্যকর করা যাবে না।
২৭.
যদি কোনো আসামি উন্মাদ না হয়, কিন্তু বিচার কার্যক্রম বুঝতে না পারে সেক্ষেত্রে আদালত বিচার কার্যক্রম-
  1. স্থগিত করবে
  2. বন্ধ করে দিবে
  3. চালিয়ে যেতে পারবে
  4. সাময়িক মুলতবি ঘোষণা করবে
সঠিক উত্তর:
চালিয়ে যেতে পারবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চালিয়ে যেতে পারবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪১ ধারা- আসামি কার্যক্রম না বুঝলে বিচার পদ্ধতি:
যদি কোনো আসামি উন্মাদ না হয়, তবে বিচার কার্যক্রম বুঝতে অক্ষম হয়, তাহলেও আদালত তদন্ত বা বিচার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।

তবে, যদি হাইকোর্ট ডিভিশন ব্যতীত অন্য কোনো আদালত বিচার করে এবং এতে আসামি দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে সেই বিচার কার্যক্রমের সব নথিপত্র এবং মামলার পরিস্থিতির রিপোর্টসহ মামলাটি হাইকোর্ট ডিভিশনে পাঠাতে হবে। এরপর হাইকোর্ট ডিভিশন যেভাবে যথোপযুক্ত মনে করবে, সেই অনুযায়ী আদেশ দেবে।
২৮.
দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হওয়ার পর পরোয়ানা ফেরত পাঠানোর দায়িত্ব কার?
  1. বিচারকের
  2. তদন্তকারী কর্মকর্তার
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরের
  4. দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
সঠিক উত্তর:
দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ড সম্পাদনকারী অফিসারের
ব্যাখ্যা
• ধারা ৪০০- দণ্ড কার্যকর করার পর পরোয়ানা ফেরত:
যেক্ষেত্রে কোন দণ্ড সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হইয়াছে, সেক্ষেত্রে যে পদ্ধতিতে তা কার্যকর করা হয়েছে সম্পাদনকারী অফিসার উহার সত্যতা অনুমোদন পূর্বক স্বহস্তে পৃষ্ঠাঙ্কনসহ পরোয়ানাটি তার ইস্যুকারী আদালত বরাবর ফেরত দিবেন।

Section 400- Return of warrant on execution of sentence:
When a sentence has been fully executed, the officer executing it shall return the warrant to the Court from which it issued, with an endorsement under his hand certifying the manner in which the sentence has been executed.
২৯.
রায় স্বাক্ষর করার পর আদালতের রায়ে কোন ধরনের পরিবর্তন করা যায়?
  1. সম্পূর্ণ রায় পরিবর্তন
  2. রায়ে প্রকাশিত দণ্ডের পরিবর্তন
  3. চার্জ সংক্রান্ত তথ্য পরিমার্জন
  4. শুধু করণিক ভুল সংশোধন
সঠিক উত্তর:
শুধু করণিক ভুল সংশোধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুধু করণিক ভুল সংশোধন
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৯ ধারার বিধান- আদালত রায় পরিবর্তন করবেন না:
এই কার্যবিধি বা বর্তমানে কার্যকর অপর কোন আইনে ভিন্নরূপ কোন বিধান না থাকলে কোন আদালত রায়ে স্বাক্ষর করার পর করণিক ভুল সংশোধন করা ব্যতীত তা পরিবর্তন বা রিভিউ করবেন না।

Section-369: Court not to alter judgment: 
Save as otherwise provided by this Code or by any other law for the time being in force, no Court when it has signed its judgment, shall alter or review the same, except to correct a clerical error.
৩০.
'আদালত সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকবে'- ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৩৫০
  2. ধারা ৩৫১
  3. ধারা ৩৫২
  4. ধারা ৩৫৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৫২
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩৫২: আদালত উন্মুক্ত থাকবে-
কোন অপরাধের তদন্ত বা বিচারের উদ্দেশ্যে যে স্থানে কোন ফৌজদারি আদালতের অধিবেশন বসে, ঐ স্থানকে উন্মুক্ত আদালত হিসেবে পরিগণিত করতে হবে এবং যে পর্যন্ত সেখানে সুবিধাজনক স্থান সংকুলান হয়, সে পর্যন্ত সেখানে সর্ব সাধারণের প্রবেশাধিকার থাকতে পারেঃ
শর্ত থাকে যে, বিচারকারী জজ বা ম্যাজিস্ট্রেট সঠিক মর্মে মনে করলে কোন বিশেষ মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের যেকোন ধাপে আদেশ প্রদান করতে পারবেন যে, সর্বসাধারণ বা কোন বিশেষ ব্যক্তি আদালত কর্তৃক ব্যবহৃত কক্ষ বা ভবনে প্রবেশ করতে বা অন্য কোন জায়গায় অবস্থান করতে পারবে না।
৩১.
কোনো সাক্ষী তার প্রদত্ত সাক্ষ্যের কোনো অংশের সঠিকতা অস্বীকার করলে, আদালত ৩৬০ ধারার অধীনে কী করবে?
  1. সাক্ষ্য সংশোধন করবে
  2. সাক্ষীকে শাস্তি দেবে
  3. সাক্ষীকে পুনরায় সাক্ষ্য দিতে বলবে
  4. আপত্তির মেমোরেন্ডাম তৈরি করবে
সঠিক উত্তর:
আপত্তির মেমোরেন্ডাম তৈরি করবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপত্তির মেমোরেন্ডাম তৈরি করবে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬০ ধারা- সাক্ষ্য শেষ হওয়ার পর সম্পর্কিত পদ্ধতি:

(১) যেহেতু প্রতিটি সাক্ষীর সাক্ষ্য ধারা ৩৫৬ বা ৩৫৭ অনুসারে গ্রহণ করা হয়, সেগুলো শেষ হলে, তা আসামির সামনে, যদি সে আদালতে উপস্থিত থাকে, অথবা তার পক্ষে আইনজীবী থাকলে তার আইনজীবীর সামনে পড়ে শোনানো হবে। যদি প্রয়োজন হয়, তবে সাক্ষ্য সংশোধন করা হবে।

(২) যদি সাক্ষী কোনো অংশের সঠিকতা অস্বীকার করেন, যখন তার সাক্ষ্য পড়ে শোনানো হয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা সেশন জজ সেই অংশ সংশোধন না করে, সাক্ষীর আপত্তির একটি মেমোরেন্ডাম (নথিপত্র) তৈরি করবেন এবং যেকোনো প্রয়োজনীয় মন্তব্য যোগ করবেন।

(৩) যদি সাক্ষ্য কোনো ভাষায় গ্রহণ করা হয় যা সাক্ষী বুঝতে পারেন না এবং সাক্ষ্যটি যে ভাষায় নেওয়া হয়েছে, সেই ভাষায় সাক্ষীকে তা বুঝিয়ে পড়ে শোনানো হবে অথবা এমন ভাষায় তা ব্যাখ্যা করা হবে যা সাক্ষী বুঝতে পারেন।
৩২.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর 342 ধারা মতে আসামির জবানবন্দি গ্রহণ করার সময় কোনটি সঠিক?
  1. তাকে শপথ করাতে হবে
  2. তাকে শপথ করাতে হবে না
  3. সে উত্তর দিতে বাধ্য থাকবে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তাকে শপথ করাতে হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাকে শপথ করাতে হবে না
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা- আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষমতা:
(১) কোনো তদন্ত বা বিচারকার্যের যেকোনো পর্যায়ে, যদি কোনো সাক্ষ্যপ্রমাণে আসামির বিরুদ্ধে কোনো পরিস্থিতি উঠে আসে, তবে আদালত আসামিকে তা ব্যাখ্যা করার সুযোগ দিতে পারে। এজন্য আদালত পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই প্রয়োজনীয় প্রশ্ন করতে পারবে এবং প্রসিকিউশনের সাক্ষীদের জবানবন্দি শেষ হওয়ার পর ও আসামির আত্মপক্ষ সমর্থনের আগে তাকে সাধারণভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।

(২) আসামি যদি এই প্রশ্নগুলির উত্তর দিতে অস্বীকার করে বা মিথ্যা উত্তর দেয়, তবে শুধু এই কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। তবে আদালত তার এই আচরণ থেকে যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত টানতে পারবে।

(৩) আসামির দেওয়া উত্তর বিচার বা তদন্তে বিবেচনায় নেওয়া যেতে পারে এবং সেই উত্তর অন্য কোনো তদন্ত বা বিচারে তার পক্ষে বা বিপক্ষে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে, যদি তা অন্য কোনো অপরাধে জড়িত থাকার ইঙ্গিত দেয়।

(৪) আসামির জবানবন্দি গ্রহণের সময় তাকে কোনো শপথ (Oath) করানো যাবে না।
৩৩.
মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আসামির বিষয়ে হাইকোর্ট আরো অধিকতর তদন্ত বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারে ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী?
  1. ধারা ৩৭৫
  2. ধারা ৩৭৮
  3. ধারা ৩৮৫
  4. ধারা ৩৮৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭৫
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা ৩৭৫- অধিকতর অনুসন্ধান ও অতিরিক্ত সাক্ষ্য নেয়ার ক্ষমতা
হাইকোর্টে কার্যক্রম পেশ হওয়ার পর হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, দণ্ডিত ব্যক্তির দোষ বা নির্দোষিতা সম্পর্কিত বিষয় সম্বন্ধে আরও অনুসন্ধান করা বা অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা উচিত তাহলে নিজে অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারেন, অথবা দায়রা আদালত কর্তৃক অনুসন্ধানের বা সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারেন।

হাইকোর্ট বিভাগ ভিন্নরূপ নির্দেশ না দিলে উক্ত অনুসন্ধান বা সাক্ষ্য গ্রহণকালে দণ্ডিত ব্যক্তির উপস্থিতি মওকুফ করা যাবে।

Section 375: Power to direct further inquiry to be made or additional evidence to be taken
(1) If when such proceedings, are submitted the High Court Division thinks that a further inquiry should be made into, or additional evidence taken upon, any point bearing upon the guilt or innocence of the convicted person, it may make such inquiry or take such evidence itself, or direct it to be made or taken by the Court of Session. 

(2) Unless the High Court Division otherwise directs, the presence of the convicted person may be dispensed with when such inquiry is made or such evidence is taken.

(3) When the inquiry and the evidence (if any) are not made and taken by the High Court Division, the result of such inquiry and the evidence shall be certified to such Court.