উত্তর
ব্যাখ্যা
- আসামের বরাক নদী নাগা-মণিপুর অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশের সিলেট জেলায় প্রবেশ করেছে।
- উত্তরের শাখা সুরমা পশ্চিম দিকে সিলেট, ছাতক, সুনামগঞ্জ শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- আজমিরীগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, দক্ষিণ সিলেটের কুশিয়ারা নদী এবং হবিগঞ্জের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে কালনী, সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ কালনী নামে দক্ষিণে কিছুদূর প্রবাহিত হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা ভৈরববাজারের দক্ষিণে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে।
- চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- মনু, বাউলাই, তিতাস, গােমতী হচ্ছে মেঘনার উপনদী।
গুরত্বপূর্ণ নদীসমূহের মিলিত স্থান:
→ পুরাতন ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা: ভৈরব বাজার।
→ হালদা ও কর্ণফুলী: কালুরঘাট, চট্টগ্রাম।
→ তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র: চিলমারি, কুড়িগ্রাম।
→ পদ্মা ও যমুনা: গোয়ালন্দ, রাজবাড়ি।
→ পদ্মা ও মেঘনা: চাঁদপুর।
→ কুশিয়ারা ও সুরমা: আজমিরীগঞ্জ, হবিগঞ্জ।
সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।