পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
“Award Mania: Season - 7” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - জীববিজ্ঞান ১. পদার্থের জীববিজ্ঞান-বিষয়ক ধর্ম, উদ্ভিদ টিস্যু, এনিম্যাল ডাইভারসিটি, প্লান্ট ডাইভারসিটি, অর্গান এবং অর্গান সিস্টেম, সালোক সংশ্লেষণ, জুলোজিক্যাল নমেনক্লেচার, বোটানিক্যাল নমেনক্লেচার, উদ্ভিদ, ফুল, ফল, প্লান্ট নিউট্রেশন, উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি ও পরাগায়ন ইত্যাদি। ২. প্রাণিজগৎ ও প্রাণিবিজ্ঞান, জেনেটিক্স, জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন, জীববৈচিত্র্য ও প্রজনন, প্রাণী টিস্যু, প্রাণী অর্গান ও অর্গান সিস্টেম, মানব হৃদ্পিণ্ড ও হৃদরোগ, স্নায়ু ও স্নায়ুরোগ, রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন, রক্তচাপ, খাদ্য ও পুষ্টি, ভিটামিন। ----------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
RNA -তে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ কোন ক্ষারক অনুপস্থিত থাকে?
  1. অ্যাডিনিন
  2. থায়ামিন
  3. গুয়ানিন
  4. সাইটোসিন
সঠিক উত্তর:
থায়ামিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থায়ামিন
ব্যাখ্যা
আরএনএ (RNA): 
- RNA এর পুরো নাম- Ribo Nucleic Acid. 
- এটি ক্রোমোসোমের স্থায়ী উপাদান নয়। 
- ক্রোমোসোমে এর পরিমাণ হচ্ছে ০.২-১.৪%। 
- প্রতিটি RNA অণু একসূত্রকবিশিষ্ট। 
- এটিও পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ শর্করা (RNA এর রাইবোজ স্যুগারের ২নং কার্বনে অক্সিজেন অণু বিদ্যমান), অজৈব ফসফেট এবং নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, ইউরাসিল, সাইটোসিন) দিয়ে গঠিত। 
- RNA তে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ক্ষারক থাইমিনের পরিবর্তে ইউরাসিল উপস্থিত থাকে। 
- এটি ১০% ক্রোমোসোমে থাকে। 
- ভাইরাস ক্রোমোসোমে স্থায়ী উপাদান হিসেবে RNA থাকে। 

ডিএনএ (DNA): 
- Deoxyribo Nucleic Acid (DNA) হলো ক্রোমোসোমের প্রধান এবং স্থায়ী উপাদান। 
- ক্রোমোসোমের বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডিএনএ এর পরিমাণ হচ্ছে ৪৫%। 
- এটি ৯০% ক্রোমোসোমে থাকে। 
- DNA একটি পলিমার। এর একককে নিউক্লিয়োটাইড বলে। 
- নিউক্লিয়োটাইডের তিনটি উপাদান থাকে। যথা- পাঁচ কার্বনবিশিষ্ট রাইবোজ স্যুগার, নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ ক্ষারক (অ্যাডিনিন, গুয়ানিন, থায়ামিন, সাইটোসিন) এবং ফসফরিক অ্যাসিড। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ক্যালসিয়ামের অভাবজনিত সমস্যা কোনটি?
  1. এটির অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয়
  2. এটির অভাবে রিকেটস রোগ হয়
  3. এটির অভাবে রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ক্যালসিয়াম: 
- ক্যালসিয়াম (Ca) প্রাণীদের হাড় ও দাঁতের একটি প্রধান উপাদান। 
- মানুষের শরীরের মোট ওজনের শতকরা দুই ভাগ হচ্ছে ক্যালসিয়াম। 
- খনিজ পদার্থের মধ্যে দেহে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। 
- অস্থি এবং দাঁতে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়ামের সাথে যুক্ত হয়ে এর ৯০% শরীরে সঞ্চিত থাকে। 
- রক্ত এবং লসিকাতে এর উপস্থিতি রয়েছে। 

- ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎস হচ্ছে: ডাল, তিল, সয়াবিন, ফুলকপি, গাজর, লালশাক, পালংশাক, কচুশাক, কলমিশাক, বাধঁকপি এবং ফল। 
- প্রাণিজ উৎস হচ্ছে: দুধ, ডিম, ছোট মাছ, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি। 
- হাড় ও দাঁটের গঠন শক্ত রাখার জন্য ক্যালসিয়াম একটি অতিপ্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থ। 
- এ ছাড়া ক্যালসিয়াম রক্ত সঞ্চালনে, হৃৎপিণ্ডের পেশির স্বাভাবিক সংকোচনে এবং স্নায়ু ও পেশির সঞ্চালনে সাহায্য করে। 
- ক্যালসিয়ামের অভাবের কারণে রিকেটস এবং বয়স্ক নারীদের অস্টিওম্যালেসিয়া রোগ হয়। 
- এর অভাবে শিশুদের দাঁত উঠতে দেরি হয় এবং তাদের রক্ত সঞ্চালনে বিঘ্ন ঘটে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
ধানের বাদামী দাগ রোগ হয়- 
  1. ব্যাকটেরিয়া দ্বারা
  2. ভাইরাস দ্বারা
  3. ছত্রাক দ্বারা
  4. ব্যাক্টেরিওফাজ দ্বারা
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক দ্বারা
ব্যাখ্যা
ধানের রোগ: 
১.বাদামি দাগ রোগ: 
- ধানের বাদামি দাগ রোগের কারণ বাইপোলারিস ওরাইজি (Bipolaris oryzae) নামক ছত্রাক। 

২. ব্লাস্ট রোগ (Blast): 
- ধানের ব্লাস্ট রোগের কারণ পাইরিকুলারিয়াগ্রিসিয়া (Pyricularia grisea) নামক ছত্রাক। 

৩. খোল পচা রোগ (Sheath rot): 
- ধানের খোল পচা রোগের কারণ স্যারোক্লেডিয়াম ওরাইজি (Sarocladium oryzae) নামক ছত্রাক। 

৪. ব্যাকটেরিয়াজনিত পোড়া রোগ (Bacterial Blight): 
- জ্যানথোমোনাস অরাইজি পিভি অরাইজি (Xanthomonas oryzae pv.oryzae) এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া। 

৫. টুংরো (Tungro): 
- টুংরো রোগের কারণ রাইস টুংরো ভাইরাস (Rice Tungro Virus) নামক এক ধরনের অতি সূক্ষ্ম জীবাণু বা ভাইরাস। 

৬. উফরা রোগ (ডাক পোড়া) (Ufra): 
- উফরা রোগ (ডাক পোড়া) রোগের কারণ ডাইটিলেংকাস এ্যাংগাসটাস (Ditylenchus angustus) নামক এক ধরনের কৃমি। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
.
শর্করা কোন উপাদানগুলোর সমন্বয়ে তৈরি হয়? 
  1. কার্বন ও অক্সিজেন
  2. কার্বন ও নাইট্রোজেন
  3. অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন
  4. কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
শর্করা: 
- শর্করা হচ্ছে মানুষের প্রধান খাদ্য। 
- কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে শর্করা তৈরি হয়। 
- শর্করা বর্ণহীন, গন্ধহীন এবং অল্প মিষ্টি স্বাদযুক্ত। 
- শর্করা আমাদের শরীরে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে এবং তাপশক্তি উৎপাদন করে। 
- কয়েক ধরনের শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট রয়েছে এবং এদের উৎসও ভিন্ন। 
যেমন- 
উদ্ভিজ্জ উৎস: 
১। শ্বেতসার বা স্টার্চ: ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য শস্য দানা স্টার্চের প্রধান উৎস। এছাড়া আলু, রাঙা আলু এবং কচুতেও শ্বেতসার বা স্টার্চ পাওয়া যায়। 
২। সেলুলোজ: বেল, আম, কলা, তরমুজ, বাদাম, শুকনো ফল এবং সব ধরনের শাক-সবজিতে সেলুলোজ থাকে। 
৩। সুক্রোজ: আখের রস, চিনি, গুড় এবং মিছরি এর উৎস। 
৪। ফ্রোক্টোজ: আম, পেঁপে, কলা, কমলালেবু প্রভৃতি মিষ্টি ফলে এবং ফুলের মধুতে ফ্রোক্টোজ থাকে। একে ফল শর্করাও বলা হয়ে থাকে। 
৫। গ্লুকোজ: এটি চিনির তুলনায় মিষ্টি কম। এই শর্করাটি আঙুর, আপেল, গাজর,খেজুর ইত্যাদিতে পাওয়া যায়। 

প্রাণিজ উৎস: 
১। ল্যাকটোজ বা দুধ শর্করা: গরু, ছাগল এবং অন্যান্য প্রাণীর দুধে এই শর্করা থাকে। 
২। গ্লাইকোজেন: পশু ও পাখিজাতীয় (যেমন: মুরগি, কবুতর প্রভৃতি ইত্যাদি) প্রাণীর যকৃৎ এবং মাংসে (পেশি) গ্লাইকোজেন শর্করাটি থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
'মানুষ' কোন স্তরী বিশিষ্ট প্রাণী? 
  1. একস্তরী
  2. দ্বিস্তরী
  3. ত্রিস্তরী
  4. স্তরবিহীন
সঠিক উত্তর:
ত্রিস্তরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিস্তরী
ব্যাখ্যা
ভ্রূণীয় স্তর: 
- ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক. একস্তরী: 
- এরা সরল ধরনের প্রাণী। 
- এদের দেহের কোষসমূহ একটি মাত্র স্তরে সজ্জিত। 
যেমন- স্কাইফা (Scypha gilatinosum)। 

খ. দ্বিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর (Ectoderm) ও অন্তঃস্তর (Endoderm) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- অরেলিয়া (Aurelia aurita)। 

গ. ত্রিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর, মধ্যস্তর (Mesoderm) ও অন্তঃস্তর নামক তিনটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে ত্রিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- মানুষ (Homo sapiens)। 

ঘ. স্তরবিহীন প্রাণী: 
- যে সকল প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে স্তরবিহীন প্রাণী বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত কোন এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে? 
  1. লাইপেজ
  2. ট্রিপসিন
  3. টায়ালিন
  4. পেপসিন
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টায়ালিন
ব্যাখ্যা
মুখবিবর: 
- মুখ পরবর্তী অংশটি মুখবিবর। 
- মুখ বিবরের ঊর্ধ্ব প্রাচীর তালুর অস্থি ও পেশি দিয়ে, সামনের প্রাচীর ঠোঁটের পেশি দিয়ে এবং পার্শ্ব প্রাচীর গালের পেশি দিয়ে গঠিত। 
- তালুর অগ্রভাগ অস্থিনির্মিত এবং শক্ত, পেছনের অংশ মাংসল ও নরম। 
- তালুর পেছনের অংশের মধ্যভাগ থেকে একটি অপেক্ষাকৃত সরু আলজিহবা মুখবিবরে ঝুলে থাকে। 
- মানুষের ঊর্ধ্ব ও নিম্ন চোয়াল দাঁতযুক্ত। 
- এছাড়া মুখবিবরে তিন জোড়া লালাগ্রন্থি থাকে। 
- নিম্নে চোয়ালের অস্থির সাথে জিহ্বাযুক্ত থাকে। 
- পৃষ্ঠতলের উপর থাকে স্বাদকোরক এগুলো বিভিন্ন রাসায়নিক বস্তুর প্রতি সংবেদনশীল। 
- জিহ্বার অগ্রভাগ মিষ্টি, দুই পার্শ্ব নোনা, পশ্চাৎ ভাগের দুই পার্শ্ব টক এবং পেছনের দিক তিক্ত স্বাদ গ্রহণ করে। 

কাজ: 
- দাঁত খাদ্য দ্রব্যকে কাটা, ছেঁড়া ও পেষণে সাহায্য করে। 
- জিহ্বা খাদ্য দ্রব্যের স্বাদ গ্রহণ করে এবং পেষণের সময় লালারস মিশ্রিত করে খাদ্য দ্রব্যকে পিচ্ছিল করে পেছনে ঠেলে দেয়। 
- লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত “মিউসিন” খাদ্যকে পিচ্ছিল করে আর টায়ালিন ও মল্টেজ এনজাইম খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ক্ষুদ্রান্ত্রের কোন অংশে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে? 
  1. ইলিয়ামে
  2. মলাশয়ে
  3. জেজুনামে
  4. ডিওডেনামে
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিওডেনামে
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্রান্ত্র: 
- পাকস্থলির পাইলোরাস অংশের পর থেকে ইলিওকোলি পর্যন্ত প্রায় ৬-৭ মিটার লম্বা বিস্তৃত অংশ ক্ষুদ্রান্ত্র। 
- এটি আবার ৩ অংশে বিভক্ত। 
যথা- 
১। ডিওডেনাম, 
২। জেজুনাম ও 
৩। ইলিয়াম। 

- ডিওডেনামে মূলত অগ্ন্যাশয়িক রসের এনজাইমের ক্রিয়া এবং জেজুনাম ও ইলিয়ামে আন্ত্রিক রসের এনজাইমের ক্রিয়ার পরিপাক ঘটে। 
- ডিওডেনামে মূলত কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও লিপিডের পরিপাক ঘটে। 
- অম্লধর্মী পাকমণ্ড পাকস্থলি থেকে ডিওডেনামে প্রবেশ করলে যকৃত থেকে নিঃসৃত ও পিত্তথলিতে সঞ্চিত পিত্তরস নালিপথে ডিওডেনামে প্রবেশ করে ক্ষারীয় মাধ্যম সৃষ্টি করে। 
- অন্যদিকে অগ্ন্যাশয় থেকে রস নিঃসৃত হয়ে পাকমণ্ডের অম্লত্বের প্রশমন ঘটায়। 
- অগ্ন্যাশয় রসের এনজাইমসমূহ এ মাধ্যমে সক্রিয় হয়ে পরিপাকে অংশ নেয়। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইনসুলিন কতটি অ্যামাইনো অ্যাসিডের সমন্বয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন? 
  1. ৫০টি
  2. ৫১টি
  3. ৫২টি
  4. ৫৩টি
সঠিক উত্তর:
৫১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১টি
ব্যাখ্যা
ইনসুলিন: 
- ইনসুলিন একটি হরমোন। 
- ইহা অগ্ন্যাশয়ের Islets of langerhans এর বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয় যা রক্তে বিদ্যমান গ্লুকোজকে দেহ কোষে প্রবেশে সাহায্য করে। 
- এর ফলে গ্লুকোজের উচ্চ মাত্রা হ্রাসপ্রাপ্ত হয়ে স্বাভাবিক মাত্রায় ফিরে আসে। 
- কোনো কারণে অগ্ন্যাশয় থেকে ইনসুলিন নিঃসৃত না হলে বা কম নিঃসৃত হলে অথবা নিঃসৃত ইনসুলিন অকার্যকর হলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিস রোগ হয়। 

- এ অবস্থায় ডায়াবেটিক রোগীকে ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হয়। 
- ইনসুলিন ৫১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত ক্ষুদ্রাকার সরল প্রোটিন। 
- দুটি পলিপেপটাইড চেইন (২১টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন A এবং ৩০টি অ্যামাইনো অ্যাসিড নিয়ে গঠিত চেইন B) দুটি ডাইসালফাইড বন্ডের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে একটি ইনসুলিন অণু গঠন করে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটিকে জৈব মুদ্রা বা শক্তি মুদ্রা বলা হয়?
  1. NAD
  2. NADP
  3. GTP
  4. ATP
সঠিক উত্তর:
ATP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ATP
ব্যাখ্যা
শক্তির উৎস হিসেবে এটিপি এর ভূমিকা: 
- জীব কর্তৃক তার দেহে শক্তির উৎপাদন এবং ব্যবহারের মৌলিক কৌশলই হলো জীবনীশক্তি। 
- শক্তির মূল উৎস হলো সূর্য। 
- সবুজ উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তিকে রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। 
- এ প্রক্রিয়ার প্রথমে আলোক পর্যায়ে ATP এবং NADPH নামক জৈব যৌগের সৃষ্টি হয়। এগুলোই হলো জীবনীশক্তি (Bioenergy)। 
- পরবর্তীতে সালোকসংশ্লেষণের কার্বন বিজারণ পর্যায়ে এ শক্তি শর্করা এবং অন্যান্য জৈব যৌগের অণুর রাসায়নিক বন্ধনীতে সঞ্চিত এবং আবদ্ধ হয়। 
- জীবন পরিচালনার জন্য জীবকোষে প্রতিনিয়ত হাজারো ধরনের জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয়। 
- এ সকল বিক্রিয়া জীবনীশক্তি দ্বারা পরিচালিত হয়। 

- কিছু শক্তিসমৃদ্ধ যৌগ উচ্চশক্তি ধারণ করে। 
- প্রয়োজনে উচ্চ শক্তিসমৃদ্ধ যৌগগুলো অন্যান্য বিক্রিয়ায় শক্তি যোগায়। 
- উচ্চ শক্তি সম্পন্ন যৌগের মধ্যে রয়েছে ATP, GTP, NAD, NADP, FADH, ইত্যাদি। 
- ATP শক্তি জমা রাখে এবং দরকার হলে অন্য বিক্রিয়ায় শক্তি সরবরাহ করে। 
- এজন্য এটিপিকে (ATP) জৈব মুদ্রা বা শক্তি মুদ্রা বলা হয়। 
- সালোকসংশ্লেষণের সময় ADP সৌর শক্তি গ্রহণ করে ATP এ পরিণত হয়। 
- আলোর উপস্থিতিতে ATP তৈরির এ প্রক্রিয়াকে ফটোফসফোরাইলেশন বলা হয়। 

- এ প্রক্রিয়ায় এটিপি এর তৃতীয় ফসফেট বন্ধনীতে প্রায় ৭৩০০ ক্যালরি সৌর শক্তি আবদ্ধ হয়। 
- এটিপি হলো মুক্ত শক্তির বাহক, এর ফসফেট বন্ধনীর মধ্যে শক্তি আবদ্ধ থাকে। 
- জৈব সংশ্লেষণ, পরিবহন এবং অন্যান্য বিপাকীয় কাজে শক্তির দরকার হলে ATP ভেঙ্গে ADP ও AMP তৈরি হয় এবং শক্তি উৎপন্ন হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্যবিদ্যালয়।
১০.
জলাশয়ে পানির নিচে মাটিতে আবদ্ধ শৈবালকে বলা হয়- 
  1. এন্ডোফাইটিক শৈবাল
  2. বেনথিক শৈবাল
  3. এপিফাইটিক শৈবাল
  4. লিথোফাইটিক শৈবাল
সঠিক উত্তর:
বেনথিক শৈবাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনথিক শৈবাল
ব্যাখ্যা
শৈবাল: 
- শৈবাল সমাঙ্গদেহী বিভাগের অন্তর্গত ক্লোরোফিল সমন্বিত এক প্রকার প্রাচীনতম নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ। 
- শৈবালের দেহ থ্যালাসের ন্যায় কিন্তু দেহকোষে ক্লোরোফিল থাকাতে এরা স্বভোজী। 
- অর্থাৎ আলোকের উপস্থিতিতে এবং পানি ও কার্বন ডাইঅক্সাইডের সহায়তায় এরা নিজেরা নিজেদের দেহকোষে খাদ্য (শর্করা) প্রস্তুত করতে সক্ষম। 
- শৈবালের দেহকোষে প্রধান রঞ্জক পদার্থ সবুজ বর্ণের ক্লোরোফিল উপস্থিত থাকলেও অনেক সময় নানা রকম ভিন্ন রঞ্জক পদার্থ দিয়ে এরা আবৃত থাকে। 
- শৈবালের দেহকোষে সুগঠিত ও স্বতন্ত্র নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া এবং অন্যান্য কোষ অঙ্গাণু থাকে। 
- শৈবাল কখনও এককভাবে, কখনও দলবদ্ধভাবে নালা নর্দমা, পুকুর, হ্রদ, নদী, সাগর, এক কথায় পৃথিবীর সমস্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে রয়েছে এদের প্রায় ত্রিশ হাজার প্রজাতি। 

- জলাশয়ে পানির নিচে মাটিতে আবদ্ধ শৈবালকে ‘বেনথিক শৈবাল’ বলা হয়। 
- পাথরের গায়ে জন্মানো শৈবালকে ‘লিথোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- উচ্চশ্রেণির জীবের টিস্যুর অভ্যন্তরে জন্মানো শৈবালকে ‘এন্ডোফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- যে সমস্ত শৈবাল অন্যান্য উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ অথবা অন্য শৈবালের গায়ে জন্মায় তাদের ‘এপিফাইটিক শৈবাল' বলা হয়। 
- সম্পূর্ণ ভাসমান এককোষী শৈবালদেরকে ফাইটোপ্লাঙ্কটন বলা হয়। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোনটি অমেরুদন্ডী প্রাণী? 
  1. বাদুড়
  2. ব্যাঙ
  3. কুমির
  4. কেঁচো
সঠিক উত্তর:
কেঁচো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেঁচো
ব্যাখ্যা
মেরুদন্ডী প্রাণী: 
(ক) মৎস্যকুল: 
- এ দলের প্রাণীরা পানিতে বাস করে। দেহ আঁশ দিয়ে ঢাকা। ফুলকার সাহায্যে শ্বাস কাজ চালায়। 
যেমন- রুই, কাতল, পুঁটি। 

(খ) উভচর প্রাণী: 
- এসব প্রাণী পানিতে এবং ডাঙ্গায় বসবাস করে। জীবনচক্রের একটা অংশ এদের পানিতে বিকাশ লাভ করে। 
যেমন- ব্যাঙ। 

(গ) সরিসৃপ: 
- এরা বুকে ভর দিয়ে চলাফেরা করে। 
যেমন- কুমির, টিকটিকি। 

(ঘ) পাখি: 
- এসব প্রাণীর দেহ পালকে ঢাকা থাকে। 
যেমন- ময়না, টিয়া, ঘুঘু। 

(ঙ) স্তন্যপায়ী প্রাণী: 
- এসব প্রাণী মায়ের দুধ পান কর। 
যেমন- বাদুড়, তিমি, মানুষ। 

অমেরুদন্ডী প্রাণী: 
১. প্রোটোজোয়া: 
- এরা এককোষী আদি প্রাণী। 
যেমন- অ্যামিবা, ম্যালেরিয়া জীবাণু। 

২. পরিফেরা: 
- এসব প্রাণীর দেহ অসংখ্য ক্ষুদ ক্ষুদ্র ছিদ্র যুক্ত। এরা জলে বাস করে। 
যেমন- স্পনজিলা। 

৩. সিলেনটারেটা: 
- এ পর্বের বেশির ভাগ প্রাণী সমুদ্রে বাস করে। এদের দেহের মেলো দিকটা মুখ হিসেবে কাজ করে। মুখের চারদিকে টেন্টাকল আছে। 
যেমন- হাইড্রা, জেলীফিস। 

৪. প্লাটিহেলমিনথিস: 
- এ পর্বের অন্তর্ভুক্ত প্রাণীদের দেহ ফিতার মত চ্যাপ্টা। এরা সাধারণত পরজীবী। 
যেমন- ফিতাকৃমি। 

৫. নেমাথেলমিনথিস: 
- এ পর্বের প্রাণীদের দেহ নলাকৃতি ও অখণ্ডিত। এরা সাধারণত পরজীবী। 
যেমন- কেঁচোকৃমি। 

৬. অ্যানিলিডা: 
- এ জাতীয় প্রাণীদের দেহ নরম এবং রিং বা বলয়ের মত খণ্ড খণ্ড অংশ দিয়ে গঠিত। 
যেমন- কেঁচো, জোঁক। 

৭. আর্থোপোডা: 
- এ পর্বের প্রাণীদের দেহ শক্ত আবরণে ঢাকা এবং এদের সন্ধিযুক্ত পা রয়েছে। 
যেমন- চিংড়ি, তেলাপোকা। 

৮. একাইনোর্ডামাটা: 
- এসব প্রাণী সমুদ্রে বাস করে। এদের দেহ কাটাযুক্ত। 
যেমন- তারামাছ। 

৯. মলাস্কা: 
- এ পর্বের প্রাণীদের দেহ নরম কিন্তু শক্ত খোলস দিয়ে আবৃত। 
যেমন- শামুক, ঝিনুক। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
DNA কাঁটার জন্য বিশেষ কোন এনজাইম ব্যবহার করা হয়? 
  1. লাইগেজ এনজাইম
  2. লাইপেজ এনজাইম
  3. রেস্ট্রিকশন এনজাইম
  4. লেকটেজ এনজাইম
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেস্ট্রিকশন এনজাইম
ব্যাখ্যা
রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির ধাপ: 
- রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজির প্রধান ধাপসমূহ হলো- 
(ক) প্রত্যাশিত DNA নির্বাচন ও পৃথকিকরণ, 
(খ) বাহক নির্বাচন, 
(গ) প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন, 
(ঘ) ছেদনকৃত প্রত্যাশিত DNA অণুকে বাহক প্লাজমিডে সংযোজন এবং 
(ঙ) পোষক নির্বাচন ও রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ -কে পোষকে স্থাপন। 

প্রত্যাশিত DNA অণুকে ছেদন: 
- এক্ষেত্রে প্রথমে প্রত্যাশিত DNA অণুকে মূল DNA থেকে কেটে আলাদা করা হয়। 
- প্রত্যাশিত DNA অণুকে কাঁটতে একটি বিশেষ এনজাইম (রেস্ট্রিকশন এন্ডোনিউক্লিয়েজ দ্বারা DNA ছেদন করা হয়) ব্যবহার করা হয়। 
- বিভিন্ন ধরনের ব্যাকটেরিয়া থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ২৫০ টি রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কৃত হয়েছে। 
যথা- Eco RI, Hind III, Bam III ইত্যাদি। 
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম DNA অণুর একটি সুনির্দিষ্ট সাজানো অংশকে (Sequence) কেঁটে দেয়। 
- ভিন্ন ভিন্ন রেস্ট্রিকশন এনজাইম ভিন্ন ভিন্ন DNA sequence বিশিষ্ট স্থানে কর্তন করে থাকে। 
- রেস্ট্রিকশন এনজাইম এমনভাবে DNA অণু কর্তন করে যে DNA অণু দুটি স্ট্রান্ডের একটির প্রান্ত অপরটির থেকে লম্বা থাকে। 
- ফলে প্রত্যাশিত DNA খন্ডটি নতুন DNA অণুর সাথে সহজে যুক্ত হতে পারে। 
- খন্ডিত DNA অণুর প্রান্তদ্বয় আঁঠালো প্রকৃতির হয়, তাই একে আঁঠালো প্রান্ত (Sticky end) বলে। 

উৎস: উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।