পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৪
সিলেবাস
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস: ধর্মসমূহের ইতিহাস এবং ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গ [শুধুমাত্র গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পড়ুন। এই টপিক সারাজীবন পড়েও শেষ হবে না।] ২. আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু ও কূটনীতি: [পরিবেশ বিষয়ক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক চুক্তিসমূহ] উৎস: ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সম্পর্কিত বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪ প্রশ্ন

.
সম্প্রতি 'IUCN' এর শীর্ষ নেতারা কোথায় বৈঠকে মিলিত হয়?
  1. ক) বার্লিন, জার্মানি
  2. খ) জেজু, দক্ষিণ কোরিয়া
  3. গ) জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  4. ঘ) লন্ডন, যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
▪ IUCN (The International Union for Conservation of Nature) হলো একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা যেটি প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ বিষয়ে কাজ করে।
▪ IUCN ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর ফ্রান্সের ফনটেনব্লু শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
▪ এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্ল্যান্ড শহরে অবস্থিত।
▪ বর্তমান সদস্য সংখ্যা প্রায় ১,৪০০ এবং বিশেষজ্ঞ সংখ্যা প্রায় ১৫,০০০। এটি বিশ্বের ১৬০টির অধিক দেশে কাজ করছে।
▪ ১৩-১৫ অক্টোবর IUCN এর শীর্ষ নেতাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় জেজু, দক্ষিণ কোরিয়ায়

তথ্যসূত্র:- IUCN ওয়েবসাইট।
.
জেরুজালেম কোন ধর্মাবলম্বীদের নিকট পবিত্র স্থান?
  1. ক) ইসলাম, ইহুদি এবং হিন্দু
  2. খ) ইসলাম, খ্রিস্টান এবং বৌদ্ধ
  3. গ) ইসলাম, ইহুদি এবং খ্রিস্টান
  4. ঘ) ইসলাম, ইহুদি এবং জৈন
ব্যাখ্যা
• জেরুজালেম আধুনিক ইসরাইলে অবস্থিত একটি শহর এবং অনেকের কাছে এটি বিশ্বের অন্যতম পবিত্র স্থান হিসাবে বিবেচিত।
• জেরুজালেম তিনটি বৃহত্তম একেশ্বরবাদী ধর্মের (ইহুদি, ইসলাম এবং খ্রিস্টান) গুরুত্বপূর্ণ গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
• ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন উভয়ই জেরুজালেমকে রাজধানী হিসেবে দাবি করেছে।
• এর শহর এবং এর ভেতরের জায়গাগুলিকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য রক্তক্ষয়ী সংঘাত হাজার হাজার বছর ধরে চলছে।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা। 
.
নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ বন্ধ রাখা সংক্রান্ত চুক্তি কোনটি?
  1. ক) রটারড্যাম কনভেনশন
  2. খ) মিনামাতা কনভেনশন
  3. গ) বামাকো কনভেনশন
  4. ঘ) লন্ডন কনভেনশন
ব্যাখ্যা
লন্ডন কনভেনশন (London Convention)
• লন্ডন কনভেনশনের পূর্ণনাম - London Convention on the Prevention of Marine Pollution by Dumping of Wastes and Other Matter।
• নৌযান থেকে ক্ষতিকর ও বিপদজনক পদার্থ সমুদ্র ও নদীতে নিক্ষেপ করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই আন্তর্জাতিক চুক্তিটি করা হয়।
• আন্তর্জাতিক উপকূলীয় সংস্থা (IMO) - এর সহায়তায় এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
• চুক্তি অনুমোদন - ১৯৭২ সাল।
• চুক্তি কার্যকর - ১৯৭৫ সাল।
• চুক্তিবদ্ধ পক্ষ - ৮৭টি দেশ।

অন্যদিকে,
• মিনামাতা কনভেনশন - পারদের বিপজ্জনক ব্যবহার রোধ করার জন্য UNEP - এর তত্ত্ববধানে মিনামাতা কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়।
• রটারড্যাম কনভেনশন - মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কয়েকটি রাসায়নিক দ্রব্যের বাণিজ্য (কেনাকাটা ও আমদানি-রপ্তানি) নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি।
• বামাকো কনভেনশন - আফ্রিকায় বিপদজনক ও তেজস্ক্রিয় রাসায়নিক আমদানি নিষিদ্ধকরণ বিষয়ক চুক্তি হচ্ছে - বামাকো কনভেনশন।

তথ্যসূত্র:- IMO Website ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
.
কোনটি UNFCCC - এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ?
  1. ক) International Union for Conservation of Nature (IUCN)
  2. খ) International Maritime Organization (IMO)
  3. গ) Conference of the Parties (COP)
  4. ঘ) United Nations Environment Programme (UNEP)
ব্যাখ্যা
UNFCCC
• জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত রূপরেখা চুক্তি UNFCCC - এর পূর্ণরূপ - United Nations Framework Convention on Climate Change.
• এটি একটি পরিবেশগত চুক্তি যা ১৯৯২ সালের ৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও - তে ধরিত্রী সম্মেলনে (৩ - ১৪ জুন, ১৯৯২) স্বাক্ষরিত হয় এবং এটি কার্যকর হয় ২১ মার্চ, ১৯৯৪ সাল থেকে।

এক নজরে UNFCCC
• প্রতিষ্ঠাকাল -- চুক্তি স্বাক্ষর - ৪ জুন, ১৯৯২ সাল ও চুক্তি কার্যকর - ২১ মার্চ, ১৯৯৪ সাল
• চুক্তি স্বাক্ষরকারী পক্ষ -- ১৯৭টি
• সদরদপ্তর -- বন, জার্মানি
• বাংলাদেশ ও UNFCCC -- চুক্তি স্বাক্ষর - ৯ জুন, ১৯৯২ সাল এবং  চুক্তি অনুমোদন - ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সাল।
Conference of the Parties (COP) - হচ্ছে UNFCCC - এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কর্তৃপক্ষ
• প্রতিবছর COP সম্মেলনের মাধ্যমে UNFCCC - এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পর্যালোচনা ও জলবায়ু সম্পর্কিত নতুন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়।
• কার্যক্রম শুরুর পর থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত ইস্যুতে এই চুক্তির দপ্তর মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। 

তথ্যসূত্র:- UNFCCC ওয়েবসাইট।
.
শিখ ধর্মের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত কে?
  1. ক) গুরু নানক
  2. খ) শ্রীচৈতন্য
  3. গ) মহাবীর
  4. ঘ) সিদ্ধার্থ গৌতম
ব্যাখ্যা
শিখ (Sikhism) 
• উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ - ১৫ শতকের শেষের দিকে ভারতীয় উপমহাদেশের পাঞ্জাব অঞ্চলে শিখ ধর্ম, ধর্ম এবং দর্শন প্রতিষ্ঠিত হয়। • এর সদস্যরা শিখ নামে পরিচিত। 
• প্রবর্তক - গুরু নানক।
• ধর্মগ্রন্থ - গ্রন্থ সাহেব (আদি গ্রন্থ)।
• উপাসনালয় - গুরু দুয়ারা।
• পবিত্র স্থান - শিখদের পবিত্র ধর্মীয় স্থান - পাঞ্জাবের অমৃতসরে অবস্থিত ‘স্বর্ণমন্দির’। 

অন্যদিকে,
মহাবীর প্রবর্তিত ধর্ম হলো জৈন ধর্ম।
বৌদ্ধধর্ম বিশ্বের প্রাচীনতম ধর্মসমূহের অন্যতম। সিদ্ধার্থ গৌতম এর প্রবর্তক।
হিন্দু ধর্মের নির্দিষ্ট কোন প্রচারক নেই। তবে, প্রধান সংস্কারক -  শ্রীচৈতন্য।

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস প্রথম পত্র, বিএ, বিএসএস; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
.
'সিনাগগ' কোন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়ের নাম?
  1. ক) ইহুদী
  2. খ) শিখ
  3. গ) জৈন
  4. ঘ) বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
• ইহুদীদের উপাসনালয়ের নাম সিনাগগ
• যা কেবল ধর্মীয় প্রার্থনার জন্য নয়, এটি ধর্ম সম্পর্কিত সমাবেশ ও অধ্যয়নের জায়গা হিসাবেও ব্যবহৃত হয়।
• এর প্রচলিত ক্রিয়াকলাপগুলি তিনটি ভাগে বিভক্ত: bet ha-tefilla (“house of prayer”) বা (''প্রার্থনার ঘর''), bet ha-kneset (“house of assembly”) বা (''সমাবেশের ঘর''), এবং bet ha-midrash (“house of study”) বা (''অধ্যয়নের ঘর'')।

অন্যদিকে, 
• শিখদের উপাসনালয় - গুরু দুয়ারা। 
• জৈনদের ধর্মীয় পবিত্রস্থান - ভারতের রাজস্থানে অবস্থিত - দিলওয়ারা মন্দির।
• বৌদ্ধ ধর্মের উপাসনালয় মঠ নামে পরিচিত।  

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
.
'গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড' গঠিত হয় কততম 'COP' সম্মেলনের মাধ্যমে?
  1. ক) COP -16
  2. খ) COP -15
  3. গ) COP -17
  4. ঘ) COP -14
ব্যাখ্যা
গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড
• গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) - কর্তৃক গঠিত একটি তহবিল। শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হবে।

এক নজরে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড

• প্রতিষ্ঠাকাল : ২০১০ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান : কানকুন, মেক্সিকো।
• প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন : COP-16
• সদরদপ্তর : ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া (২০১৩ সালে এর স্থায়ী দপ্তর স্থাপিত হয়)
• তহবিলের পরিমাণ : ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

• ২০০৯ সালে ডেনমার্কের কোপেনহেগেন - এ অনুষ্ঠিত COP - এর ১৫-তম সম্মেলনে (COP-15) গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড তৈরীর অঙ্গীকার করে UNFCCC স্বাক্ষর করা ১৯৭টি পক্ষ।
• ২০১০ সালে মেক্সিকোর কানকুনে COP - এর ১৬-তম সম্মেলনে (COP-16) জলবায়ুর পরিবর্তন - এর প্রভাব মোকাবেলায় এই তহবিল গঠিত হয়।
• ২০১১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে অনুষ্ঠিত COP-17 - এ এই তহবিল পরিচালনা সংক্রান্ত নীতি প্রণয়ন ও গ্রহন করা হয়।

তথ্যসূত্র:- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ওয়েবসাইট।
.
খ্রিস্টধর্মের প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলনের প্রবর্তক মার্টিন লুথার কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
মার্টিন লুথার হলেন জার্মানির একজন বিখ্যাত ধর্মযাজক।
• ষোড়শ শতকের শুরুর দিকে মার্টিন লুথার জার্মানিতে প্রচলিত পোপ নিয়ন্ত্রিত চার্চতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠে প্রতিবাদী খ্রিস্টধর্ম বা প্রোটেস্ট্যান্ট আন্দোলনের সূচনা করেন।
• এই আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে।
• এর অংশ হিসেবে ১৫৪৩-১৫৫৫ সময়ে জার্মানিতে ক্যাথলিক ও প্রোটেস্টান্টদের মধ্যে গৃহযুদ্ধ সংঘটিত হয়।
• পরবর্তীতে অগসবার্গ সন্ধির মাধ্যমে এই সংঘাতের অবসান হয় এবং খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে।

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
.
আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন 'গেটিসবার্গ ভাষণ' দিয়েছিলেন -
  1. ক) ১৮৬১ সালে
  2. খ) ১৮৬৩ সালে
  3. গ) ১৮৬৫ সালে
  4. ঘ) ১৮৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
• গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
• আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়। শব্দ ছিল মাত্র ২৭২টি। অথচ তার শিহরণ লেগেছিল গোটা বিশ্বে। 
• আব্রাহাম লিংকন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট। ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
• ১৮৬৩ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাস প্রথার অবসান ঘটান এবং দাসত্ব মোচন ঘোষণার মাধ্যমে দাসদের মুক্ত করে দেন দাসপ্রথাকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এ সময় গৃহযুদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র:- কার্নেল ইউনিভার্সিটি ওয়েবসাইট ও কালেরকণ্ঠ রিপোর্ট।
১০.
কোনটি জাতিসংঘের ‘ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ’ বিষয়ক চুক্তি?
  1. ক) কিয়েটো প্রটোকল
  2. খ) বাসেল কনভেনশন
  3. গ) ভিয়েনা কনভেনশন
  4. ঘ) কার্টাগেনা প্রটোকল
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা কনভেনশন
• Vienna Convention for the Protection of the Ozone Layer (ভিয়েনা কনভেনশন)- হলো জাতিসংঘের ওজোন স্তরের সুরক্ষা ও সংরক্ষণ বিষয়ক চুক্তি।
• স্বাক্ষর ও গৃহীত - ১৯৮৫ সালের ২২ মার্চ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
• কার্যকর - ১৯৮৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর।
• স্বাক্ষরকারী পক্ষ - ২৮টি।
• অনুমোদনকারী পক্ষ - ১৯৮টি।

অন্যদিকে, 
• কিয়েটো প্রটোকল -- গ্রিণ হাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
• বাসেল কনভেনশন -- ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
• কার্টাগেনা প্রটোকল -- জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা বিষয়ক।

তথ্যসূত্র:- জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
১১.
কোন সংগঠনটি পূর্বে "Don't Make A Wave: It's Your Fault If Our Fault Goes" ব্যানারে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করত?
  1. ক) গ্রিনপিস
  2. খ) সিয়ারা ক্লাব
  3. গ) আইপিসিসি
  4. ঘ) ইউএনএফসিসি
ব্যাখ্যা
গ্রিনপিস (Greenpeace)
• গ্রিনপিস (Greenpeace) নেদারল্যান্ডস্‌ এর আমস্টারডাম ভিত্তিক একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংগঠন।
• ১৯৭১ সালে আলাস্কার আমচিটকা (Amchitka) দ্বীপে আমেরিকার ভূগর্ভস্থ পারমানবিক বোমার পরীক্ষামূলক বিস্ফোরণের বিরুদ্ধে প্রচারণা ও লং-মার্চ পরিচালনার মাধ্যমে এর যাত্রা শুরু।
• বর্তমানে এটি বৈশ্বিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্য প্রচারনা সহ বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির বিরুদ্ধে প্রচারনা ও সামুদ্রিক পরিবেশ রক্ষার জন্য কাজ কর যাচ্ছে।
• ১৯৭১ সালে গ্রীণপিস নামে আত্মপ্রকাশের আগে এটি ১৯৬৯ সাল থেকে "Don't Make A Wave: It's Your Fault If Our Fault Goes" ব্যানারে কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।
• গ্রিনপিস পরিবেশ বিপর্যযের বিপক্ষে গবেষণা, সচেতনতা, প্রচারণা এবং ক্ষেত্রবিশেষে সরাসরি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 

➧ এক নজরে গ্রিনপিস 
• প্রতিষ্ঠাকাল : ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১ সাল
• প্রতিষ্ঠার স্থান : ভ্যাঙ্কুভার, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, কানাডা
• সদস্য : ২৭টি দেশ ও আঞ্চলিক সংগঠন
• সদরদপ্তর :  আমস্টারডাম, নেদারল্যান্ড
• ১৯৭১ সালে যুদ্ধবিধবস্ত বাংলাদেশে যাতায়াত ও পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নকল্পে এই সংস্থা কাজ করেছে । যুদ্ধোত্তর যোগাযোগ ব্যবস্থা পূনর্গঠনে এর ভূমিকা উল্লেখ্যযোগ্য।

তথ্যসূত্র:- UNWTO ওয়েবসাইট।
১২.
'ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার' প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৮৩
  2. খ) ১৯৮৫
  3. গ) ১৯৬১
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
Fund for Wild Nature
• ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার হলো উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক পরিবেশ সংরক্ষণ তহবিল। বনায়ন বৃদ্ধি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা জন্য এই সংস্থা কাজ করে থাকে।
প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৮৩ সাল। 
• সদরদপ্তর - সিবাস্টোপোল, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র।

তথ্যসূত্র:- ফান্ড ফর ওয়াইল্ড নেচার ওয়েবসাইট।
১৩.
আহমদ সুকর্ণের নাম জড়িত কোন দেশের সাথে?
  1. ক) সিঙ্গাপুর
  2. খ) বাহরাইন
  3. গ) মালয়েশিয়া
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
আহমদ সুকর্ণ (১৯০১ - ১৯৭০)
• ১৯০১ সালের ৬ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি যৌবনে হল্যান্ডের দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছেন। এ জন্যে সুকর্ণকে কারাগারে ও নির্বাসনে থাকতে হয়েছে। ১৯৭০ সালের ২১ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

⤇ সুকর্ণ, ইন্দোনেশিয়ার জাতির পিতা। ইন্দোনেশিয়ার স্বাধীনতার স্থপতি। তিনি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার প্রথম রাষ্ট্রপতি এবং জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের উত্থানকালের প্রধান সারির নেতা।
⤇ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপান ইন্দোনেশিয়া দখল করে। কিন্তু ১৯৪৫ সালে জাপান পরাজিত হবার পর ইন্দোনেশিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করে। এ সময় স্বাধীনতাকামীরা জাপানীদের রেখে যাওয়া অস্ত্র ব্যবহার করে এবং সুকর্ণর নেতৃত্বে তারা স্বাধীনতা ঘোষণা করে। স্বাধীনতাকামীরা চার বছর লড়াই করে হল্যান্ডের সেনাদের ইন্দোনেশিয়া থেকে বিতাড়িত করে।
⤇ সুকর্ণ ১৯৪৯ সালে দেশের প্রেসিডেন্ট হন। তিনি ইন্দোনেশিয়ায় রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অনেক সংস্কার সাধন করেন। সুকর্ণ জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। 

তথ্যসূত্র:- ব্রিটানিকা।
১৪.
V-20 বা Vulnerable - 20 গঠিত -
  1. ক) বন ও পরিবেশ মন্ত্রীদের নিয়ে
  2. খ) বাণিজ্য মন্ত্রীদের নিয়ে
  3. গ) পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের নিয়ে
  4. ঘ) অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে
ব্যাখ্যা
V-20 বা Vulnerable - 20
• V-20 বা Vulnerable - 20 হচ্ছে - জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ২০টি দেশের অর্থমন্ত্রীদের নিয়ে গঠিত একটি ফোরাম।
• প্রতিষ্ঠাকাল - ৮ অক্টোবর, ২০১৫ সাল।
• প্রতিষ্ঠার স্থান - লিমা, পেরুতে অনুষ্ঠিত Climate Vulnerable Forum - এর বৈঠকে।
• বর্তমান সদস্য সংখ্যা - বাংলাদেশ সহ মোট ৫৮টি দেশ।
 
তথ্যসূত্র:- V-20 ওয়েবসাইট।