পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন৫০
সিলেবাস
Exam - 15 Topics: C. Political Process & Constitution Making: Political Development, 1972-2005 Rule of Military and Military withdrawal from Politics, Role of Opposition, The Concept of Caretaker Govt. Amendments to the Constitution, Source: Class - 10 and Relavant Books
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১]

৪৯তম বিসিএস ⎯ রাষ্ট্রবিজ্ঞান [৩৪১] · তারিখ অনির্ধারিত · ৫০ প্রশ্ন

.
The Constitution of Bangladesh was adopted on—(বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়—)
  1. 26 March 1971
  2. 4 November 1972 
  3. 16 December 1971
  4. 12 January 1972 
সঠিক উত্তর:
4 November 1972 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4 November 1972 
ব্যাখ্যা

- ২৬ মার্চ ১৯৭১: এদিন বাংলাদেশ স্বাধীনতার ঘোষণা দেয়, কিন্তু তখন কোনো স্থায়ী সংবিধান ছিল না। কেবল অস্থায়ী সাংবিধানিক কাঠামো কার্যকর ছিল।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের কাজ শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে। ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার "মুজিবনগর সরকার" গঠনের মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণা ও অস্থায়ী সংবিধান জারি করে।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বিজয় অর্জিত হয়, তবে সংবিধান তখনো প্রণীত হয়নি।
- ১২ জানুয়ারি ১৯৭২: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, কিন্তু স্থায়ী সংবিধান তখনো গৃহীত হয়নি।
- ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল একটি সংবিধান প্রণয়ন কমিটি (Constitution Drafting Committee) গঠিত হয়, যার চেয়ারম্যান ছিলেন ড. কামাল হোসেন। এই কমিটি কয়েক মাসের মধ্যে খসড়া সংবিধান তৈরি করে।
 - ৪ নভেম্বর ১৯৭২ তারিখে গণপরিষদে (Constituent Assembly) বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত (adopted) হয়। এটি ছিল বাংলাদেশের স্থায়ী সংবিধান।বাংলাদেশ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে নিজের সংবিধান গ্রহণ করে, যা জনগণের সার্বভৌমত্ব, মৌলিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়, বিজয় দিবসে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

.
Which was not a fundamental principle in the 1972 Constitution? (১৯৭২ সালের সংবিধানের মৌলিক নীতির মধ্যে কোনটি ছিল না?) 
  1.  Democracy (গণতন্ত্র)
  2. Nationalism (জাতীয়তাবাদ)
  3. Socialism (সমাজতন্ত্র)
  4. Islam (ইসলাম)
সঠিক উত্তর:
Islam (ইসলাম)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Islam (ইসলাম)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নকালে মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা, স্বাধীনতার চেতনা এবং গণআকাঙ্ক্ষাকে ভিত্তি করে চারটি মৌলিক নীতি (Fundamental Principles of State Policy) নির্ধারণ করা হয়েছিল। এগুলো হলো—
- জাতীয়তাবাদ (Nationalism) – একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তিতে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রের মূলভিত্তি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- গণতন্ত্র (Democracy) – জনগণের সার্বভৌমত্ব ও প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে মৌলিক নীতি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- সমাজতন্ত্র (Socialism) – শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে সমাজতন্ত্রকে রাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি করা হয়।
- ধর্মনিরপেক্ষতা (Secularism) – সকল ধর্মের সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য ধর্মনিরপেক্ষতাকে মৌলিক নীতি করা হয়।
কিন্তু ইসলাম তখন সংবিধানের মৌলিক নীতি ছিল না। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান (৫ম সংশোধনী, ১৯৭৯) এবং এরশাদের সময় (৮ম সংশোধনী, ১৯৮৮) সাংবিধানিক পরিবর্তনের মাধ্যমে ইসলামের প্রভাব সংবিধানে যুক্ত হয় এবং ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

.
The fundamental source of legitimacy of Bangladesh’s 1972 Constitution was— (বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধানের বৈধতার মূল উৎস হলো—)
  1. Proclamation of Independence 1971 (১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা)
  2. UN recognition (জাতিসংঘের স্বীকৃতি)
  3. British constitutional legacy (ব্রিটিশ সংবিধানিক ঐতিহ্য)
  4. Pakistani constitution 1962 (পাকিস্তানের সংবিধান ১৯৬২)
সঠিক উত্তর:
Proclamation of Independence 1971 (১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Proclamation of Independence 1971 (১৯৭১ সালের স্বাধীনতার ঘোষণা)
ব্যাখ্যা

- ২৬ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয়। এই Proclamation of Independence ছিল বাংলাদেশের সরকার ও রাষ্ট্র গঠনের মূল ভিত্তি। এটি সংবিধান প্রণয়নের বৈধতা নিশ্চিত করে, কারণ এটি স্বাধীন বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের আদেশকে প্রকাশ করে।
- জাতিসংঘ স্বীকৃতি অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এটি সংবিধানের মূল উৎস নয়। এটি বৈধতা প্রমাণের একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি মাত্র।
- ব্রিটিশ সংবিধানিক ঐতিহ্য (British legacy) কিছু আইন ও প্রশাসনিক কাঠামো নেওয়া হয়েছে, কিন্তু এটি মূল বৈধতার উৎস নয়।
- পাকিস্তান সংবিধান ১৯৬২ পূর্ব পাকিস্তানের সংবিধান বাংলাদেশকে বৈধ করতে পারে না। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ঘোষণা ছাড়া বাংলাদেশে স্থায়ী সংবিধান প্রণয়ন সম্ভব হতো না।
- বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ প্রণয়ন ও কার্যকর হয় স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে অর্জিত সার্বভৌমতা এবং জনগণের ইচ্ছার ভিত্তিতে। এটি সংবিধানের মূল বৈধতা এবং স্থায়িত্বের উৎস।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

.
The original 1972 Constitution was based on— (মূল ১৯৭২ সালের সংবিধানটি ভিত্তি করেছিল—)
  1. Presidential system (রাষ্ট্রপতি শাসন)
  2. One-party system (একদলীয় শাসন)
  3. Parliamentary democracy (সংসদীয় গণতন্ত্র)
  4. Military rule (সামরিক শাসন)
সঠিক উত্তর:
Parliamentary democracy (সংসদীয় গণতন্ত্র)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Parliamentary democracy (সংসদীয় গণতন্ত্র)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের সংবিধান বাংলাদেশকে একটি সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করে। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী সরকার পরিচালনার প্রধান এবং ক্যাবিনেট তার নেতৃত্বে কাজ করে। রাষ্ট্রপতি মূলত সংবিধানগত ও আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করেন, যেমন আইন অনুমোদন করা বা রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করা।
- রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা (যেমন যুক্তরাষ্ট্র) সংবিধানে ছিল না। রাষ্ট্রপতি কেবল Ceremonial ও সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতেন। ১৯৭৫ সালের ৪র্থ সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা চালু হয়, কিন্তু মূল ১৯৭২ সালের সংবিধান সংসদীয় গণতন্ত্রের উপর ভিত্তি করে।
- মূল সংবিধান বহুদলীয় গণতন্ত্র সমর্থন করেছিল। একদলীয় শাসন BAKSAL-এর মাধ্যমে পরে প্রবর্তিত হয়।
- সংবিধান স্বতন্ত্র ও সার্বভৌম সরকারের উপর ভিত্তি করে, কোনো সামরিক শাসনের ব্যবস্থা নেই। সামরিক অভ্যুত্থান এবং সামরিক শাসন পরে বৈধতা পায় ৫ম ও ৭ম সংশোধনীর মাধ্যমে।
- মূল ১৯৭২ সালের সংবিধান সংসদীয় গণতন্ত্রের ভিত্তিতে প্রণয়িত হয়েছিল, যেখানে সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ ক্ষমতার প্রধান কেন্দ্র। রাষ্ট্রপতি কেবল Ceremonial ও সাংবিধানিক ভূমিকা পালন করতেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– প্রফেসর মোঃ জামান    

.
The 1972 Constitution originally had how many articles?(মূল ১৯৭২ সালের সংবিধানে কতটি অনুচ্ছেদ ছিল?)
  1. 150
  2. 154 
  3. 153 
  4. 152 
সঠিক উত্তর:
153 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
153 
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের সময় মৌলিক অধিকার, নীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামো নির্ধারণের জন্য ১৫৩টি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই অনুচ্ছেদগুলো প্রথম সংবিধানিক কাঠামো তৈরি করে, যা সরকার, সংসদ, রাষ্ট্রপতি, বিচার বিভাগ ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান পরিচালনার নিয়ম নির্ধারণ করে।
- সংবিধানটি মূলত কয়েকটি অধ্যায়ে ভাগ করা ছিল, যেমন: মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights),রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (Principles of State Policy),প্রশাসনিক কাঠামো (Structure of Government),নির্বাচন ও বিচার বিভাগ সম্পর্কিত নিয়মাবলী।
- মূল ১৯৭২ সালের সংবিধান ১৫৩টি অনুচ্ছেদ নিয়ে তৈরি হয়েছিল, যা বাংলাদেশের সাংবিধানিক কাঠামো এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ভিত্তি স্থাপন করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

.
The “supreme law-making authority” under the 1972 Constitution was— (১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী “সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী সংস্থা” হলো—)
  1. President (রাষ্ট্রপতি)
  2.  National Parliament (জাতীয় সংসদ)
  3. Supreme Court (সুপ্রিম কোর্ট)
  4. Prime Minister (প্রধানমন্ত্রী)
সঠিক উত্তর:
 National Parliament (জাতীয় সংসদ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 National Parliament (জাতীয় সংসদ)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ (National Parliament) হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী সংস্থা।সংসদ আইন প্রণয়ন, সংশোধন, বাতিল এবং বাজেট অনুমোদনের ক্ষমতা রাখে।
- রাষ্ট্রপতি সংবিধান অনুযায়ী সাংবিধানিক ও আনুষ্ঠানিক ভূমিকা পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী কার্যনির্বাহী শাখার নেতৃত্ব দেন, কিন্তু সংবিধান সংশোধন বা আইন প্রণয়ন করার ক্ষমতা সরাসরি নেই।
- কোর্টের কাজ হলো আইন ব্যাখ্যা ও সংবিধান সংরক্ষণ। এটি আইন প্রণয়ন করে না।
- সংবিধান স্পষ্টভাবে জাতীয় সংসদকে সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এটি গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থার মূল ভিত্তি।
- ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদ (National Parliament) হলো সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী সংস্থা, যা সংবিধান ও দেশের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

.
The first amendment (1973) mainly addressed— (প্রথম সংশোধনী (১৯৭৩) মূলত কোন বিষয়টি নিয়ে?)
  1. Indemnity for 1971 crimes (১৯৭১ সালের অপরাধের জন্য দায়মুক্তি)
  2. Martial law (সামরিক আইন)
  3. Presidential system (রাষ্ট্রপতি শাসন)
  4. Fundamental rights (মৌলিক অধিকার)
সঠিক উত্তর:
Indemnity for 1971 crimes (১৯৭১ সালের অপরাধের জন্য দায়মুক্তি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Indemnity for 1971 crimes (১৯৭১ সালের অপরাধের জন্য দায়মুক্তি)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ও পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অনেক প্রাক্তন পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বা স্বদেশদ্রোহী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ব্যক্তিরা অভিযুক্ত হন। স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার কিছু নির্দিষ্ট কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তি (Indemnity) প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেয়।
প্রথম সংশোধনী (1973) মূলত “Indemnity Ordinance” কে সংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়। এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের নির্দিষ্ট অপরাধের জন্য দায়মুক্তি প্রদান করা হয়। লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সরকারকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করা।
- সামরিক শাসনের বৈধতা পরে ৫ম ও ৭ম সংশোধনীর মাধ্যমে আসে, ১ম সংশোধনীর বিষয় নয়।
- রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা ৪র্থ সংশোধনীতে চালু হয়।
- মৌলিক অধিকার ১ম সংশোধনীর বিষয় নয়।
- প্রথম সংশোধনী (১৯৭৩) মূলত ১৯৭১ সালের অপরাধের জন্য দায়মুক্তি সংক্রান্ত। এটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য প্রণীত হয়েছিল।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক   

.
Which amendment legalized one-party rule under BAKSAL? (কোন সংশোধনী বাকশাল-এর অধীনে একদলীয় শাসনকে বৈধতা দেয়?) 
  1. 2nd 
  2. 3rd
  3. 4th
  4. 5th
সঠিক উত্তর:
4th
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4th
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমান একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি Bangladesh Krishak Sramik Awami League (BAKSAL) প্রতিষ্ঠা করেন, যা একদলীয় শাসন ও কেন্দ্রীভূত সরকারের জন্য দায়ী ছিল।
- ১৯৭৫ সালে পাশ করা ৪র্থ সংশোধনী সংসদীয় গণতন্ত্রকে Presidential system-এ পরিবর্তন করে। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা (BAKSAL) বৈধ ঘোষণা করা হয়। এর ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাধীন কার্যক্রম সীমিত হয় এবং BAKSAL কে কেন্দ্রীয় ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
- ২য় ও ৩য় সংশোধনী পূর্ববর্তী আইনগত বা নীতি পরিবর্তনের জন্য ছিল, একদলীয় শাসনের সাথে সম্পর্কিত নয়। ৫ম সংশোধনী পরে জিয়াউর রহমানের সামরিক আইনকে বৈধ করার জন্য প্রণীত।
- ৪র্থ সংশোধনী BAKSAL-এর অধীনে একদলীয় শাসন বৈধ করে।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক  

.
The 4th amendment (1975) replaced parliamentary democracy with— (৪র্থ সংশোধনী (১৯৭৫) সংসদীয় গণতন্ত্রের স্থলে কি চালু করে?)
  1. Federal system (ফেডারেল শাসন)
  2. Martial law rule (সামরিক আইন)
  3. One-party socialism (একদলীয় সমাজতন্ত্র)
  4. Presidential system (রাষ্ট্রপতি শাসন)
সঠিক উত্তর:
Presidential system (রাষ্ট্রপতি শাসন)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presidential system (রাষ্ট্রপতি শাসন)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ৪র্থ সংশোধনী বাংলাদেশের রাজনৈতিক কাঠামোতে বড় পরিবর্তন আনে। মূলত সংসদীয় গণতন্ত্রকে রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থায় রূপান্তরিত করা হয়।
- রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদের কার্যনির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে কেন্দ্রীভূত হয়। রাষ্ট্রপতি চূড়ান্ত কার্যনির্বাহী ক্ষমতা রাখেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রধান ভূমিকা পালন করেন। এটি BAKSAL-এর একদলীয় শাসনের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ ইউনিটারি রাষ্ট্র, ফেডারেল নয়।
- ৪র্থ সংশোধনী একদলীয় শাসনের দিক নির্দেশ করলেও মূলত রাষ্ট্রপতি শাসন চালু হয়।
- সামরিক শাসন বৈধ করা হয় ৫ম ও ৭ম সংশোধনীর মাধ্যমে, ৪র্থ সংশোধনী নয়।
- ৪র্থ সংশোধনী (১৯৭৫) সংসদীয় গণতন্ত্রকে রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা (Presidential system) দিয়ে প্রতিস্থাপন করে।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক  

১০.
The Fifth Amendment,1979 retrospectively legalized— (পঞ্চম সংশোধনী,১৯৭৯ কোন ঘটনাকে বৈধতা দেয়?) 
  1. Caretaker government system (তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা)
  2.  War Crimes Tribunal (যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল)
  3. Secularism (ধর্মনিরপেক্ষতা)
  4. 1975–79 martial law acts (১৯৭৫–৭৯ সালের সামরিক আইন কার্যক্রম)
সঠিক উত্তর:
1975–79 martial law acts (১৯৭৫–৭৯ সালের সামরিক আইন কার্যক্রম)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1975–79 martial law acts (১৯৭৫–৭৯ সালের সামরিক আইন কার্যক্রম)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার পর সামরিক শাসন শুরু হয়। মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে সামরিক আইন জারি করেন এবং বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করেন। তবে এগুলোর বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল, কারণ এগুলো সংবিধানের বাইরে ছিল।
- ১৯৭৯ সালে পাসকৃত ৫ম সংশোধনী ১৯৭৫–১৯৭৯ সালের সব সামরিক আইন, ঘোষণা, অধ্যাদেশ ও কার্যক্রমকে বৈধতা দেয়।
এর মাধ্যমে জিয়াউর রহমানের শাসনকাল ও তাঁর জারি করা আইনসমূহের উপর কোনো আইনি চ্যালেঞ্জ আনা যায়নি। এছাড়াও ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দিয়ে ইসলামিক মূল্যবোধকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দেওয়া হয়েছিল, বৈধ করা হয়নি।
- যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল মূল সংবিধানে ছিল, ৫ম সংশোধনীর সাথে সম্পর্কিত নয়।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ১৩তম সংশোধনীর (১৯৯৬) মাধ্যমে চালু হয়।
- ৫ম সংশোধনী (১৯৭৯) মূলত ১৯৭৫–১৯৭৯ সালের সামরিক আইন কার্যক্রমকে বৈধতা দেয়। এটি জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসনের একটি সাংবিধানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ছিল।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক  

১১.
General Ziaur Rahman became President after— (কোন ঘটনার পর জেনারেল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হন—)
  1. Military coup  (সেনা বিপ্লব)
  2. Election victory (নির্বাচনে জয়)
  3. Martial law decree (সামরিক আইনের মাধ্যমে)
  4. Parliamentary majority (সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা)
সঠিক উত্তর:
Military coup  (সেনা বিপ্লব)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Military coup  (সেনা বিপ্লব)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পর একাধিক সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে। রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব চলাকালীন সময়ে জেনারেল জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ প্রভাব ও ক্ষমতার কারণে দ্রুত উত্থান ঘটান।
- প্রথমে তিনি Chief Martial Law Administrator (CMLA) হন। পরে ১৯৭৭ সালে এক সেনা বিপ্লব (Military coup)-এর মাধ্যমে কার্যত রাষ্ট্রপতি পদে আসীন হন। পরবর্তীতে তিনি নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করেন এবং নিজের অবস্থান বৈধ করেন, তবে প্রথম রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথ ছিল সামরিক অভ্যুত্থান।
- জেনারেল জিয়াউর রহমান পরে নির্বাচনে জয়লাভ করেন, কিন্তু শুরুতে রাষ্ট্রপতি হন সামরিক উপায়ে।
- যদিও তিনি Martial Law Administrator ছিলেন, সরাসরি “ডিক্রি” দ্বারা নয় বরং অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি হন।
- জিয়াউর রহমান সংসদীয় প্রক্রিয়ায় নয়, বরং সামরিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় আসেন।
- জেনারেল জিয়াউর রহমান একটি সামরিক অভ্যুত্থানের (Military coup) মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি হন এবং পরে নির্বাচনের মাধ্যমে নিজের অবস্থানকে বৈধ করেন।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক  

১২.
Ziaur Rahman founded which political party? (জিয়াউর রহমান কোন রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন?)
  1. Awami League (আওয়ামী লীগ)
  2. BNP (বিএনপি)
  3. Jatiya Party (জাতীয় পার্টি)
  4. Jamaat-e-Islami (জামায়াতে ইসলামি)
সঠিক উত্তর:
BNP (বিএনপি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BNP (বিএনপি)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি হয় এবং সামরিক শাসনের অধীনে দেশ পরিচালিত হতে থাকে।
জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে বুঝতে পারেন যে শুধুমাত্র সামরিক শক্তি দিয়ে দীর্ঘস্থায়ীভাবে শাসন করা সম্ভব নয়, এজন্য একটি রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন।
- ১৯৭৮ সালে তিনি প্রথমে “জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (Jatiyatabadi Ganatantrik Dal - JAGODAL)” গঠন করেন। পরে ১৯৭৮ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) প্রতিষ্ঠা করেন। BNP-এর মূল আদর্শ ছিল “Bangladeshi Nationalism” (বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ), যা “Bengali Nationalism” এর বিপরীতে দাঁড় করানো হয়েছিল।
- বিএনপি পরবর্তীতে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়। এর মাধ্যমে জিয়াউর রহমান সামরিক শাসনকে রাজনৈতিক বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেন। আজও বিএনপি বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের একটি।
- আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল।
- জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।
- জামায়াতে ইসলামি পাকিস্তানি আমলে প্রতিষ্ঠিত ইসলামি রাজনৈতিক দল, জিয়ার নয়।
- জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) প্রতিষ্ঠা করেন, যার আদর্শ ছিল বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

১৩.
Ziaur Rahman was assassinated in—(জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়—)
  1. 1979
  2. 1977
  3. 1981
  4. 1982
সঠিক উত্তর:
1981
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1981
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে ৩১ মে, ১৯৮১ সালে হত্যা করা হয়। তিনি তখন চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে অবস্থান করছিলেন।
- তাঁর বিরোধী একটি সেনা গোষ্ঠী এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত করে। সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এর অন্যতম কারণ ছিল। যদিও সেনাবাহিনীর সকলেই এতে জড়িত ছিল না, একটি অংশ এই হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করে।
- জিয়ার মৃত্যুর পর দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা আবার বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে ভাইস-প্রেসিডেন্ট আবদুস সাত্তার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেন এবং নির্বাচন দেন। এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক বড় মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
- ১৯৭৯ সালে তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে নিজের বৈধতা সুসংহত করেন, নিহত হননি।
- ১৯৮২ সালে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সামরিক অভ্যুত্থান করে ক্ষমতায় আসেন।
- ১৯৭৭ সালে জিয়া সামরিক শাসন থেকে নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি হন।
- রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ৩১ মে ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে সেনা অভ্যুত্থানকারীদের হাতে নিহত হন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

১৪.
Hussain Muhammad Ershad seized power in—(হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন—) 
  1. 15 August 1975
  2. 30 May 1981
  3. 24 March 1982 
  4. 6 December 1990
সঠিক উত্তর:
24 March 1982 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
24 March 1982 
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যার (১৯৮১) পর ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুস সাত্তার নির্বাচনে জয়লাভ করে রাষ্ট্রপতি হন।
কিন্তু বয়সজনিত কারণে তার নেতৃত্বকে দুর্বল মনে করা হয়। সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এই পরিস্থিতিকে সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করেন।
- ২৪ মার্চ ১৯৮২ সালে এরশাদ সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন। রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারকে পদচ্যুত করে তিনি Chief Martial Law Administrator (CMLA) হিসেবে শাসন শুরু করেন।
- বাংলাদেশে আবারও সামরিক শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। এরশাদ ধীরে ধীরে নিজের রাজনৈতিক দল জাতীয় পার্টি গঠন করেন এবং ১৯৮৬ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি হন। তার শাসন ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে পতন হয়।
- ১৫ আগস্ট ১৯৭৫- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়, এরশাদ তখন সেনাবাহিনীতে ছিলেন কিন্তু ক্ষমতায় আসেননি।
- ৩০ মে ১৯৮১- রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করা হয়, তবে এরশাদ তখনও সেনাপ্রধান ছিলেন না।
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০- এরশাদের পতন ঘটে, ক্ষমতা দখল নয়।
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ২৪ মার্চ ১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন এবং প্রায় ৯ বছর ক্ষমতায় ছিলেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন

১৫.
Ershad introduced which political party? (এরশাদ কোন রাজনৈতিক দল চালু করেন?) 
  1. BNP (বিএনপি)
  2. Awami League (আওয়ামী লীগ)
  3. Jatiya Party (জাতীয় পার্টি)
  4. Jamaat-e-Islami (জামায়াতে ইসলামি)
সঠিক উত্তর:
Jatiya Party (জাতীয় পার্টি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jatiya Party (জাতীয় পার্টি)
ব্যাখ্যা

- ১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ। প্রথমে তিনি Chief Martial Law Administrator (CMLA) হিসেবে দেশ পরিচালনা করেন। তবে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য শুধুমাত্র সামরিক শাসন যথেষ্ট ছিল না। এরশাদের প্রয়োজন হয় রাজনৈতিক বৈধতা।
- ১৯৮৬ সালে এরশাদ জাতীয় পার্টি (Jatiya Party) প্রতিষ্ঠা করেন। এই দলের মাধ্যমে তিনি নির্বাচন করেন এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। জাতীয় পার্টিকে তিনি তার শাসনের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন।
- এরশাদের সময়ে জাতীয় পার্টি ছিল ক্ষমতাসীন দল। এই দলই তার স্বৈরশাসনকে রাজনৈতিক বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করে।
- বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান (১৯৭৮)।
- আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা আবদুল হামিদ খান ভাসানী,শামসুল হক, শেখ মুজিবুর রহমান (১৯৪৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানে গঠিত মুসলিম লীগ ভেঙে)।
- জামায়াতে ইসলামি পাকিস্তান আমলে মাওলানা মওদুদী প্রতিষ্ঠিত।
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখলের কয়েক বছর পর জাতীয় পার্টি (Jatiya Party) প্রতিষ্ঠা করেন, যা তার সামরিক শাসনকে রাজনৈতিক বৈধতা দেওয়ার প্রধান হাতিয়ার ছিল।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

১৬.
The 7th Amendment (1986) validated—(সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) বৈধ ঘোষণা করে—)
  1. Sheikh Mujibur Rahman’s government (শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার)
  2. Ershad’s martial law regime (এরশাদের সামরিক শাসন ব্যবস্থা)
  3. Ziaur Rahman’s referendum (জিয়াউর রহমানের গণভোট)
  4. Caretaker government (তত্ত্বাবধায়ক সরকার)
সঠিক উত্তর:
Ershad’s martial law regime (এরশাদের সামরিক শাসন ব্যবস্থা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ershad’s martial law regime (এরশাদের সামরিক শাসন ব্যবস্থা)
ব্যাখ্যা

- ২৪ মার্চ ১৯৮২ সালে সেনাপ্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন। তিনি রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করে Chief Martial Law Administrator (CMLA) হিসেবে শাসন শুরু করেন। এই শাসন ছিল সংবিধান-বহির্ভূত (extra-constitutional)।
- ১৯৮৬ সালে সংবিধানে সপ্তম সংশোধনী আনা হয়। এর মাধ্যমে ১৯৮২ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত এরশাদের সকল সামরিক শাসন, অধ্যাদেশ ও কার্যক্রমকে বৈধতা দেওয়া হয়। অর্থাৎ, যেসব পদক্ষেপ আইনগতভাবে অসাংবিধানিক ছিল, এই সংশোধনীর মাধ্যমে সেগুলো সংবিধান সম্মত ঘোষণা করা হয়।
-ফলে এরশাদ তার সামরিক শাসনের বৈধতা অর্জন করেন। আদালতে পরবর্তীতে চ্যালেঞ্জ করা হলেও, তৎকালীন সময়ে এরশাদ তার অবস্থান মজবুত করতে সক্ষম হন।
- শেখ মুজিবুর রহমান গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপ্রধান হন, বৈধতা দিতে সংশোধনী প্রয়োজন ছিল না।
- ১৯৭৭ সালে জিয়া গণভোট করেছিলেন, কিন্তু তা সপ্তম সংশোধনীর সাথে সম্পর্কিত নয়।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তিত হয় ১৩তম সংশোধনীর (১৯৯৬) মাধ্যমে, সপ্তম সংশোধনী নয়।
- সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ১৯৮২–১৯৮৬ সালের মধ্যে এরশাদের সামরিক শাসন ও গৃহীত কার্যক্রমকে বৈধ ঘোষণা করা।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক  

১৭.
The 8th Amendment (1988) declared— (অষ্টম সংশোধনী (১৯৮৮) ঘোষণা করে—)    
  1. Islam as state religion (ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে)
  2. Presidential system (রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা)
  3. Bangladesh a secular state (বাংলাদেশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র)
  4. Democracy (গণতন্ত্র)
সঠিক উত্তর:
Islam as state religion (ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Islam as state religion (ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের সংবিধান ধর্মনিরপেক্ষতাকে (Secularism) অন্যতম মৌলিক নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালের পর রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় একাধিক সামরিক শাসক ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে পুনরায় উত্থিত করেন।
- রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এর আমলে ৭ জুন ১৯৮৮ সালে অষ্টম সংশোধনী পাস হয়। এর মাধ্যমে সংবিধানের ২(ক) অনুচ্ছেদে "The state religion of the Republic is Islam" (বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম) সংযোজন করা হয়। যদিও এর সঙ্গে শর্ত যোগ করা হয়েছিল যে, “অন্য ধর্ম পালন করার পূর্ণ স্বাধীনতা থাকবে।”
- ফলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো একটি ধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা করে। এটি ধর্মনিরপেক্ষতার নীতিকে দুর্বল করে দেয়।আজও এই সংশোধনী নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, কারণ এটি ধর্মনিরপেক্ষ চেতনার বিপরীত।
- বাংলাদেশকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে ছিল, ১৯৮৮ সালের অষ্টম সংশোধনীতে নয়।
- রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা আনা হয়েছিল ৪র্থ সংশোধনী (১৯৭৫) এর মাধ্যমে।
- ১৯৮৮ সালের সংশোধনী গণতন্ত্রকে নতুন করে ঘোষণা করেনি।
- অষ্টম সংশোধনী (১৯৮৮) এর মাধ্যমে ইসলামকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয়।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক  

১৮.
Ershad resigned due to mass uprising on— (এরশাদ গণআন্দোলনের কারণে পদত্যাগ করেন—) 
  1. 27 March 1990
  2. 16 December 1990
  3. 6 December 1990 
  4. 24 March 1982
সঠিক উত্তর:
6 December 1990 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6 December 1990 
ব্যাখ্যা

- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সেনাপ্রধান হিসেবে ২৪ মার্চ ১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। তিনি রাষ্ট্রপতি হন এবং পরবর্তীতে জাতীয় পার্টি গঠন করেন।
- তার শাসনামলে কিছু উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হলেও, রাজনৈতিক দমন-পীড়ন, একনায়কতান্ত্রিক শাসন, গণতন্ত্রহীনতা এবং ১৯৮৮ সালে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা জনগণের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ সৃষ্টি করে।
- ১৯৯০ সালে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, বাম গণতান্ত্রিক দলসহ সকল বিরোধী রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধভাবে এরশাদের পতনের জন্য আন্দোলন শুরু করে। ছাত্র-জনতার ব্যাপক অংশগ্রহণে আন্দোলন তীব্রতর হয়। অবশেষে অবিরাম গণঅভ্যুত্থান, ধর্মঘট, মিছিল, বিক্ষোভ এবং আন্তর্জাতিক চাপের মুখে এরশাদ বাধ্য হন ক্ষমতা ছাড়তে।
১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের সামরিক শাসনের অবসান ঘটে। এর পরবর্তী সময়ে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয় এবং ১৯৯১ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- 27 March 1990: আন্দোলন চলছিল, কিন্তু পদত্যাগ হয়নি।
- 16 December 1990: বিজয় দিবসে পদত্যাগের সাথে সম্পর্ক নেই।
- 24 March 1982: এটি এরশাদের ক্ষমতা দখলের দিন, পদত্যাগের নয়।
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে গণআন্দোলনের মুখে এরশাদ রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

১৯.
Who became acting President after Ershad? (এরশাদ পতনের পর কে সাংবিধানিক রাষ্ট্রপতি হন?) 
  1. Justice Kemaluddin Hossain (বিচারপতি কামালউদ্দীন হোসেন)
  2. A. K. Khandaker (এ. কে. খন্দকার)
  3. Muhammadullah (মুহাম্মদুল্লাহ)
  4. Shahabuddin Ahmed (সাহাবুদ্দীন আহমদ)
সঠিক উত্তর:
Shahabuddin Ahmed (সাহাবুদ্দীন আহমদ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shahabuddin Ahmed (সাহাবুদ্দীন আহমদ)
ব্যাখ্যা

- দীর্ঘ গণআন্দোলন, ছাত্র-জনতার প্রতিরোধ এবং বিরোধী দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। এভাবে প্রায় নয় বছরের সামরিক শাসনের অবসান ঘটে।
- বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহ গণতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানায়। একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন পরিচালনার জন্য নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্ব প্রয়োজন হয়।
- তৎকালীন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ-কে বিরোধী দল ও সরকার উভয়েই গ্রহণযোগ্য মনে করেন। এরশাদের পদত্যাগের পর তিনি সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে একটি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশকে আবার গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনে।
নির্বাচনের পর ১২তম সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এ. কে. খন্দকার মুক্তিযুদ্ধের উপ-সেনাপ্রধান ছিলেন, রাষ্ট্রপতি হননি।
- বিচারপতি কামালউদ্দীন হোসেন একজন বিচারপতি ছিলেন, কিন্তু রাষ্ট্রপতি হননি।
- মুহাম্মদুল্লাহ বঙ্গবন্ধুর সময়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন, কিন্তু ১৯৯০ সালে রাষ্ট্রপতি হননি।
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ এরশাদের পদত্যাগের পর প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ সাংবিধানিকভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

২০.
The 12th Amendment,1991 restored—(১২তম সংশোধনী,১৯৯১ পুনঃপ্রবর্তন করে-) 
  1. Martial law (সামরিক আইন)
  2. Parliamentary democracy (সংসদীয় গণতন্ত্র)
  3. Secularism (ধর্মনিরপেক্ষতা)
  4. Emergency provisions (জরুরি আইন)
সঠিক উত্তর:
Parliamentary democracy (সংসদীয় গণতন্ত্র)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Parliamentary democracy (সংসদীয় গণতন্ত্র)
ব্যাখ্যা

- ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনের ফলে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ পদত্যাগ করেন। প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করেন। দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক পুনঃপ্রবর্তনের জন্য একটি সংবিধান সংশোধনী প্রয়োজন হয়।
- ১৯৯১ সালে ১২তম সংশোধনী সংবিধান প্রণয়ন করা হয়।এর মূল উদ্দেশ্য হলো সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা। এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি শাসন (Presidential system) বাতিল করা হয় এবং প্রধানমন্ত্রী প্রধান নির্বাহী হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করেন।
- ১২তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার দ্বারা ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা দেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- ১২তম সংশোধনী সামরিক আইনকে পুনঃপ্রবর্তন করে না; বরং বাতিল করে।
- ধর্মনিরপেক্ষতা ১৯৭২ সালের সংবিধানের মূল নীতি ছিল, ১২তম সংশোধনী এটি পুনঃপ্রবর্তন করে না।
- এই সংশোধনী জরুরি আইন চালু করে না।
- ১২তম সংশোধনী (১৯৯১) বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করে, রাষ্ট্রপতি শাসন বাতিল করে প্রধানমন্ত্রী প্রধান নির্বাহী হন।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক  

২১.
The caretaker government system was introduced through— (তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার ধারণা প্রবর্তন হয়—) 
  1. 12th Amendment (১২তম সংশোধনী)
  2. 13th Amendment (১৩তম সংশোধনী)
  3. 11th Amendment (১১তম সংশোধনী)
  4. 14th Amendment (১৪তম সংশোধনী)
সঠিক উত্তর:
13th Amendment (১৩তম সংশোধনী)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
13th Amendment (১৩তম সংশোধনী)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পর সাধারণ নির্বাচনের সময় রাজনৈতিক দলের মধ্যে সংর্ঘষ ও অসন্তোষ দেখা দেয়। এই সমস্যা দূর করার জন্য একটি নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা প্রয়োজন হয়, যা নির্বাচন পরিচালনা করবে।
- ১৯৯৬ সালে সংসদে ১৩তম সংশোধনী পাস হয়। এর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার (Caretaker Government) ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরিচালনা করে নির্বাচন যাতে ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষ হয়, এবং রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব না থাকে।
- প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাহাবুদ্দীন আহমদ-এর নেতৃত্বে গঠন করা হয়। ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচন সফলভাবে এই ব্যবস্থার মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।
- ১২তম সংশোধনী সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করে, কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তন করে না।
- ১১তম সংশোধনী তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তন নিয়ে নয়।
- ১৪তম সংশোধনী ২০০৪ সালে মহিলাদের সংরক্ষিত আসন ও অন্যান্য পরিবর্তন নিয়ে আসে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রবর্তন করে না।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়, যা নির্বাচনের ন্যায়বিচার ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করে।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক  

২২.
The head of the caretaker government is— (তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হন—) 
  1. Retired Chief Justice (অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি)
  2. Prime Minister (প্রধানমন্ত্রী)
  3. President (রাষ্ট্রপতি)
  4. Military Chief (সেনা প্রধান)
সঠিক উত্তর:
Retired Chief Justice (অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Retired Chief Justice (অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নির্বাচনকালীন পক্ষপাতিত্ব একটি বড় সমস্যা ছিল। ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। মূল উদ্দেশ্য ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা।
- সংবিধান অনুযায়ী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হওয়ার জন্য: তাকে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি হতে হবে,এটি নিশ্চিত করে যে তিনি রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ,প্রধানমন্ত্রী বা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধান হতে পারেন না, কারণ তা পক্ষপাত সৃষ্টি করতে পারে।
- প্রথমবার এই ব্যবস্থায় সাহাবুদ্দীন আহমদ ছিলেন প্রধান। তার নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালের সাধারণ নির্বাচন সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়।এটি বাংলাদেশে গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত সরকারে থাকেন, পক্ষপাতিত্বের সম্ভাবনা থাকে।
- রাষ্ট্রপতি রাজনৈতিকভাবে যুক্ত, নিরপেক্ষতা নেই।
- সেনা প্রধান রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট হতে পারেন, তাই গ্রহণযোগ্য নয়।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি, যাতে নির্বাচন নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হয়।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক   

২৩.
First general election under caretaker government was held in— (তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়—) 
  1. 1991 
  2. 1996
  3. 2001
  4.  1986 
সঠিক উত্তর:
1996
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1996
ব্যাখ্যা

- ১৯৯১ সালে ১২তম সংশোধনী দ্বারা সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়। কিন্তু তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা (Caretaker Government) সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত ছিল না। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নির্বাচনকালীন পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ থাকায়, একটি নিরপেক্ষ সরকার ব্যবস্থা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।
- ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই সরকার নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম এবং কোনো রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত থাকে।
- ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৯১: সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রবর্তনের বছর, তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার তখন ছিল না।
- ২০০১: পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচনের বছর।
- ১৯৮৬: এরশাদের শাসনের সময় নির্বাচন, কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নয়।
- ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক    

২৪.
The caretaker government ensures— (তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিশ্চিত করে—) 
  1. Military rule (সামরিক শাসন)
  2. Presidential dominance (রাষ্ট্রপতির প্রভাবশালী ভূমিকা)
  3. Neutral election administration (নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা)
  4. Opposition boycott (বিরোধী দলের বর্জন)
সঠিক উত্তর:
Neutral election administration (নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Neutral election administration (নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা)
ব্যাখ্যা

- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাংলাদেশের সংবিধানে ১৩তম সংশোধনী (১৯৯৬) দ্বারা যুক্ত হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল একটি নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অবাধ জাতীয় নির্বাচন নিশ্চিত করা।
- ক্ষমতাসীন দল নির্বাচনকালীন সময়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রভাবিত করতে পারে বলে বিরোধীদলগুলোর আশঙ্কা ছিল। তাই একটি অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়, যাতে নির্বাচনকালীন সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করবে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাধারণত একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি (Retired Chief Justice) এর নেতৃত্বে গঠিত হতো। তারা দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করলেও মূল কাজ ছিল নির্বাচন পরিচালনা করা। নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করা ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করাই ছিল এদের দায়িত্ব।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সামরিক শাসন নয়, বরং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ।
- রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিকভাবে কিছু ভূমিকা রাখেন, তবে মূলত ক্ষমতা থাকে নিরপেক্ষ উপদেষ্টা পরিষদের হাতে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মূল লক্ষ্য ছিল বিরোধী দলের আস্থা ফিরিয়ে আনা।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিশ্চিত করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা, যেখানে সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করতে পারে এবং জনগণের রায় সুষ্ঠুভাবে প্রতিফলিত হয়।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক  

২৫.
Which opposition alliance led the 1990 movement against Ershad? (১৯৯০ সালের এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে কে ছিলেন?) 
  1. Awami League only (শুধু আওয়ামী লীগ)
  2. BNP only (শুধু বিএনপি)
  3. Jamaat-e-Islami only (শুধু জামায়াতে ইসলামি)
  4. Combined opposition (AL+BNP+others) (আওয়ামী লীগ + বিএনপি + অন্যান্য দলের যৌথ জোট)
সঠিক উত্তর:
Combined opposition (AL+BNP+others) (আওয়ামী লীগ + বিএনপি + অন্যান্য দলের যৌথ জোট)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Combined opposition (AL+BNP+others) (আওয়ামী লীগ + বিএনপি + অন্যান্য দলের যৌথ জোট)
ব্যাখ্যা

- ১৯৮২ সালে সেনাপ্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন এবং ধীরে ধীরে স্বৈরশাসন কায়েম করেন। ১৯৮০-এর দশকে ছাত্র-জনতা ও রাজনৈতিক দলগুলো এরশাদবিরোধী গণআন্দোলন গড়ে তোলে।
- শুরুতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি আলাদা আলাদা আন্দোলন করলেও, পরে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে তারা একত্রিত হয়। এই সময় তিনটি প্রধান বিরোধী জোট তৈরি হয়েছিল: ৭-দলীয় জোট (বিএনপি নেতৃত্বে),৮-দলীয় জোট (আওয়ামী লীগ নেতৃত্বে),৫-দলীয় বাম গণতান্ত্রিক জোট। শেষ পর্যন্ত এই জোটগুলো একত্রিত হয়ে এক বৃহত্তর বিরোধী জোটে পরিণত হয়।
- ছাত্রদের অল পার্টি স্টুডেন্টস অ্যালায়েন্স (সর্বদলীয় ছাত্রঐক্য) আন্দোলনকে ত্বরান্বিত করে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও বামপন্থী দলগুলো একসাথে নেতৃত্ব দেয়, যা ছিল বিরল ঐক্যের দৃষ্টান্ত। এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলে এরশাদ সরকার চূড়ান্তভাবে পতিত হয়।
- এরশাদ ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগে বাধ্য হন। বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদ অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন। পরবর্তীতে ১৯৯১ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- আওয়ামী লীগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও এককভাবে নয়।
- বিএনপি-ও নেতৃত্ব দেয়, তবে যৌথ জোট ছাড়া এটি সম্ভব হয়নি।
- জামায়াতও অংশ নেয়, তবে মূল নেতৃত্বে ছিল না।
- ১৯৯০ সালের আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয় আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং অন্যান্য বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ জোট।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

২৬.
The slogan “Politics of Development” is associated with— (“উন্নয়ন রাজনীতি” স্লোগান কার সঙ্গে যুক্ত?)
  1. Sheikh Mujibur Rahman (শেখ মুজিবুর রহমান)
  2. Ziaur Rahman (জিয়াউর রহমান)
  3.  Ershad (এরশাদ)
  4. Khaleda Zia (খালেদা জিয়া)
সঠিক উত্তর:
Ziaur Rahman (জিয়াউর রহমান)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ziaur Rahman (জিয়াউর রহমান)
ব্যাখ্যা

- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। ১৯৭৫ সালের পর জেনারেল জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন এবং নতুন রাজনৈতিক ধারা তৈরি করার চেষ্টা করেন।
- জিয়াউর রহমান রাজনীতিতে একটি নতুন বার্তা দেন— “উন্নয়ন রাজনীতি” (Politics of Development)। জনগণকে কেবল রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বরং অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে আস্থা অর্জন করা। কৃষি, গ্রামীণ উন্নয়ন, শিল্প ও অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া। জনগণকে “নিজেদের ভাগ্য নিজেরা গড়ার” আহ্বান জানানো।
- উন্নয়ন রাজনীতি বাস্তবায়ন: গ্রামীণ উন্নয়ন কর্মসূচি (যেমন: IRDP → পরে BRDB), স্বনির্ভরতা ও গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও মুক্তবাজার অর্থনীতির সূচনা।
৪. কেন অন্য উত্তর নয়:
- শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠন ও সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি জোর দিয়েছিলেন, তবে “উন্নয়ন রাজনীতি” স্লোগান দেননি।
- এরশাদ তিনি “নবম দলীয় নির্বাচন” ও প্রশাসনিক সংস্কার জোর দেন, কিন্তু মূল স্লোগান ছিল না।
- খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নির্বাচনী রাজনীতি জোর দেন, উন্নয়ন রাজনীতি তার প্রচলিত স্লোগান ছিল না।
- “উন্নয়ন রাজনীতি” স্লোগান মূলত জিয়াউর রহমানের সঙ্গে যুক্ত। তিনি অর্থনৈতিক উন্নয়নকে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে আনতে চেয়েছিলেন।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

২৭.
Which constitutional amendment reintroduced parliamentary democracy in 1991? (১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন কোন সংশোধনী করে?) 
  1. 10th Amendment (১০ম সংশোধনী)
  2. 11th Amendment (১১তম সংশোধনী)
  3. 12th Amendment (১২তম সংশোধনী)
  4. 13th Amendment (১৩তম সংশোধনী)
সঠিক উত্তর:
12th Amendment (১২তম সংশোধনী)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12th Amendment (১২তম সংশোধনী)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের সংবিধানে বাংলাদেশ ছিল সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা। ১৯৭৫ সালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি শাসন ব্যবস্থা (Presidential system) চালু হয়। এর ফলে ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে রাষ্ট্রপতির হাতে সর্বময় ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়।
- ১৯৮২ সালে এরশাদ রাষ্ট্রপতি শাসন বজায় রাখেন। দীর্ঘ আন্দোলনের ফলে ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে এরশাদের পতন ঘটে।
১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি বিজয়ী হয়।
- বিএনপি সরকার ১৯৯১ সালে ১২তম সংবিধান সংশোধনী পাস করে। ১২তম সংশোধনীর মাধ্যমে: সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তিত হয়,প্রধানমন্ত্রী হন সরকার প্রধান,রাষ্ট্রপতি হন শুধু রাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক প্রধান, কার্যত নির্বাহী ক্ষমতাহীন ও সংসদের প্রতি সরকারের জবাবদিহিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১০ম সংশোধনী ১৯৯০ সালে সংসদের কার্যকালের মেয়াদ বৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১১তম সংশোধনী ১৯৯১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বৈধতা দিতে পাস হয়।
- ১৩তম সংশোধনী ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করে।
- ১২তম সংশোধনী (1991) সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করে এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নতুনভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক  

২৮.
The first Prime Minister after restoration of parliamentary democracy was— (সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পরে প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন—) 
  1. Sheikh Hasina (শেখ হাসিনা)
  2.  Khaleda Zia (খালেদা জিয়া)
  3. Moudud Ahmed (মওদুদ আহমদ)
  4. Ataur Rahman Khan (আতাউর রহমান খান)
সঠিক উত্তর:
 Khaleda Zia (খালেদা জিয়া)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 Khaleda Zia (খালেদা জিয়া)
ব্যাখ্যা

- ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনের মাধ্যমে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পতন ঘটে। এরপর বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হন এবং দেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) সর্বাধিক আসন পায়। আওয়ামী লীগ (Awami League) দ্বিতীয় স্থানে থাকে।ফলে সরকার গঠন করে বিএনপি।
- ১২তম সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তিত হয়। প্রধানমন্ত্রী হন সরকারের প্রধান এবং নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী।
-বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পরে। এর আগে তিনি এরশাদবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- শেখ হাসিনা ১৯৯১ নির্বাচনে বিরোধী দলের নেতা হন, প্রধানমন্ত্রী নন।
- মওদুদ আহমদ এরশাদের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও ১৯৯১ সালের পর প্রধানমন্ত্রী হননি।
- আতাউর রহমান খান ১৯৮০-এর দশকে স্বল্প সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু ১৯৯১ সালে আর নন।
- ১৯৯১ সালের সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন খালেদা জিয়া।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

২৯.
Women’s 45 reserved seats in Parliament were provided through— (সংসদে মহিলাদের ৪৫টি সংরক্ষিত আসন প্রবর্তন হয়—)
  1. 10th Amendment (১০ম সংশোধনী)
  2. 14th Amendment (১৪তম সংশোধনী)
  3. 13th Amendment (১৩তম সংশোধনী)
  4. 12th Amendment (১২তম সংশোধনী)
সঠিক উত্তর:
14th Amendment (১৪তম সংশোধনী)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14th Amendment (১৪তম সংশোধনী)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানে শুরু থেকেই সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা ছিল। প্রথমদিকে এই সংখ্যা ছিল ১৫, পরে ৩০-এ উন্নীত হয়।
- ২০০৪ সালে ১৪তম সংশোধনী পাস হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের সংখ্যা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৪৫টি করা হয়। এই আসনগুলো সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের অনুপাতে দলগুলোকে বণ্টন করা হতো।
- ১২তম সংশোধনী (1991)সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করে, মহিলাদের সংরক্ষিত আসনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- ১৩তম সংশোধনী (1996) তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করে।
- ১০ম সংশোধনী (1990) সংসদের মেয়াদ ৫ বছর নির্ধারণ করে, মহিলাদের আসনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- পরে ১৫তম সংশোধনী (2011) এর মাধ্যমে মহিলাদের সংরক্ষিত আসন সংখ্যা আরও বাড়িয়ে ৫০টি করা হয় এবং ২০ বছর মেয়াদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়।
- সংসদে মহিলাদের জন্য ৪৫টি সংরক্ষিত আসন প্রবর্তিত হয়েছিল ১৪তম সংশোধনীর (২০০৪) মাধ্যমে।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক    

৩০.
The 14th Amendment (2004) also fixed judges’ retirement age at— (চতুর্দশ সংশোধনী (২০০৪) বিচারপতিদের অবসরের বয়স নির্ধারণ করে—) 
  1. 65
  2. 67
  3. 70
  4. 72
সঠিক উত্তর:
67
উত্তর
সঠিক উত্তর:
67
ব্যাখ্যা

- ১৪তম সংশোধনীর আগে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ছিল ৬৫ বছর। অনেক সময় বিচারপতিদের অভিজ্ঞতা যথাযথভাবে কাজে লাগানোর জন্য অবসরের বয়স বাড়ানোর দাবি উঠেছিল।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ বছর করা হয়। এর ফলে বিচার বিভাগের ধারাবাহিকতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সুযোগ বাড়ে।
- এই সংশোধনীতে মহিলাদের সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৩০ থেকে ৪৫ করা হয়। একই সঙ্গে সংসদ ভবনের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের জন্য সরকারি বাসভবন বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়।
- ৬৫ বছর  ছিল পূর্বের নিয়ম।
- ৭০ বা ৭২ বছর বাংলাদেশের সংবিধানে এমন কোনো বিধান নেই।
- চতুর্দশ সংশোধনী (২০০৪) অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর নির্ধারণ করা হয়।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক   

৩১.
The Chittagong Hill Tracts Peace Accord was signed in— (চট্টগ্রাম পাহাড়ের শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়—) 
  1. 1997
  2. 1996
  3. 1998
  4. 2001
সঠিক উত্তর:
1997
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1997
ব্যাখ্যা

- চট্টগ্রাম পাহাড়ি এলাকা (CHT) স্বাধীনতার পর থেকেই দীর্ঘদিন ধরে সংঘাতপূর্ণ ছিল। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (PCJSS) সরকারের সঙ্গে সমতার অধিকার, স্বায়ত্তশাসন এবং সংস্কৃতিগত স্বীকৃতির দাবিতে সশস্ত্র আন্দোলন চালায়। ফলে কয়েক দশক ধরে সেখানে বিদ্রোহ ও অশান্তি চলতে থাকে।
- ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানের উদ্যোগ নেয়। অবশেষে ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার এবং জনসংহতি সমিতি (PCJSS)-এর মধ্যে “চট্টগ্রাম পাহাড়ের শান্তি চুক্তি” স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির প্রধান দিকসমূহ: পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ (Regional Council) গঠন,ভূমি কমিশন গঠন করে পাহাড়ি জমি বিরোধ মীমাংসা,পাহাড়ে সেনা ক্যাম্প ধাপে ধাপে প্রত্যাহার ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, ভাষা ও পরিচয়ের স্বীকৃতি।
- এই চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘ সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটে। শেখ হাসিনা এই চুক্তির জন্য আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হন এবং এটি বাংলাদেশের শান্তি প্রক্রিয়ার একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- ১৯৯৬ তখন শুধু প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছিল।
- ১৯৯৮ বা ২০০১ তখন আর কোনো চুক্তি হয়নি, বরং বাস্তবায়ন পর্যায় চলছিল।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– প্রফেসর মোঃ জামান  

৩২.
The Ganges Water Sharing Treaty with India was signed in—
(ভারতের সঙ্গে গঙ্গা নদী পানি চুক্তি স্বাক্ষর হয়—)
  1. 1996 
  2. 1997 
  3. 1998
  4. 2000
সঠিক উত্তর:
1996 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1996 
ব্যাখ্যা

- গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। বিশেষ করে ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালু হওয়ার পর শুষ্ক মৌসুমে (ডিসেম্বর–মে) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে পানির প্রবাহ মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়। এর ফলে কৃষি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর এই সমস্যার সমাধানে কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ করে। অবশেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী এইচ. ডি. দেবগৌড়ার মধ্যে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি (Ganges Water Sharing Treaty) স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মেয়াদ ও বৈশিষ্ট্য: মেয়াদ ৩০ বছর (১৯৯৬–২০২6 পর্যন্ত)। এতে শুষ্ক মৌসুমে (ফেব্রুয়ারি–মে) দুই দেশের মধ্যে ন্যায্য পানি বণ্টনের সূত্র নির্ধারণ করা হয়। যৌথ নদী কমিশনের (JRC) মাধ্যমে বাস্তবায়ন তদারকির ব্যবস্থা করা হয়।
- এটি ছিল ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি। শেখ হাসিনা সরকার এই চুক্তির জন্য আন্তর্জাতিক প্রশংসা পায়। বাংলাদেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
- চুক্তিটি সেই বছরেই ক্ষমতায় আসার পর আলোচনার সূচনা হয়েছিল, কিন্তু স্বাক্ষর হয় ডিসেম্বর মাসে, অর্থাৎ ১৯৯৬ সালের মধ্যেই।
-  অনেক সময় বিভ্রান্তি হয়, কিন্তু আসল তারিখ হলো ১২ ডিসেম্বর ১৯৯৬।
- ১৯৯৮ বা ২০০০  বছরগুলোতে নতুন কোনো পানি চুক্তি হয়নি।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– প্রফেসর মোঃ জামান 

৩৩.
The 1999 High Court verdict declared the 5th Amendment—(১৯৯৯ সালের হাইকোর্ট রায় ৫ম সংশোধনীকে—) 
  1. Legal (বৈধ)
  2. Illegal (অবৈধ)
  3. Constitutional (সংবিধানিক)
  4. Mandatory (আবশ্যিক)
সঠিক উত্তর:
Illegal (অবৈধ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Illegal (অবৈধ)
ব্যাখ্যা

- ৫ম সংশোধনী (১৯৭৯) জিয়াউর রহমান সরকারের সময় প্রবর্তিত হয়। এটি মূলত ১৯৭৫–১৯৭৯ সালের সামরিক শাসন কার্যক্রম (Martial Law actions) বৈধ ঘোষণা করে। অর্থাৎ, সেই সময়ের সামরিক সরকার দ্বারা নেওয়া সব সিদ্ধান্তকে আইনসম্মত ও বৈধ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল।
- ১৯৯৯ সালে হাইকোর্ট এই সংশোধনীর বিষয়টি বিচার করে। রায়ে বলা হয়, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো (“basic structure”) পরিবর্তন করা যায় না। যেহেতু ৫ম সংশোধনী সংসদের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ক্ষুণ্ণ করেছিল, তাই এটি অবৈধ (Illegal) ঘোষণা করা হয়।
- এই রায় বাংলাদেশের সংবিধানের “মূল কাঠামো” নীতিকে শক্তিশালী করে। এটি নির্দেশ করে যে, সামরিক শাসন সংবিধানের মূল নীতির বিরুদ্ধে বৈধতা পেতে পারবে না। একই সাথে, এটি ভবিষ্যতের সংবিধান সংশোধন ও সামরিক হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনগত দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

৩৪.
The 2001 general election brought which party to power? (২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচন কোন দলকে ক্ষমতায় নিয়ে আসে?) 
  1. BNP-led Four-Party Alliance (বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট)
  2. Awami League (আওয়ামী লীগ)
  3. Jatiya Party (জাতীয় পার্টি)
  4. Jamaat-e-Islami alone (জামায়াতে ইসলামি)
সঠিক উত্তর:
BNP-led Four-Party Alliance (বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BNP-led Four-Party Alliance (বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট)
ব্যাখ্যা

- ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৯৬–২০০১ সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারে ছিল। নির্বাচন ঘোষণার পর বিএনপি আবার ক্ষমতা ফিরে পেতে প্রস্তুতি নেয়।
- বিএনপি চারদলীয় জোট গঠন করে: বিএনপি (Bangladesh Nationalist Party),জামায়াতে ইসলামি (Jamaat-e-Islami),জাতীয় পার্টি (Jatiya Party, মান্নান গ্রুপ),ইসলামী ঐক্যজোট।এই জোট নির্বাচনে বিজয়ী হয় এবং বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসে। বিএনপির নেতা খালেদা জিয়া দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হন।
- ২০০১ সালের নির্বাচন গণতান্ত্রিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। প্রথমবারের মতো বড় জোটের মাধ্যমে নির্বাচনে জয় অর্জন হয়। সরকার হিসেবে এই জোটের নীতি মূলত নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও ইসলামিক রাজনৈতিক সহমতের উপর নির্ভর করেছিল।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

৩৫.
The core achievement of the 1991 democracy movement was—(১৯৯১ সালের গণতন্ত্র আন্দোলনের মূল অর্জন ছিল—)
  1. Restoring secularism (ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃপ্রবর্তন)
  2. Restoring parliamentary democracy (সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন)
  3. Legalizing martial law (সামরিক আইন বৈধ করা)
  4. Ending reserved seats (সংরক্ষিত আসন বাতিল)
সঠিক উত্তর:
Restoring parliamentary democracy (সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Restoring parliamentary democracy (সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন)
ব্যাখ্যা

- ১৯৮২–১৯৯০ সালের মধ্যে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ সামরিক শাসন চালাতেন। এরশাদের শাসনকাল অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতায় ভরা। ১৯৯০ সালে বিরোধী দলসমূহ (Awami League, BNP, Jatiya Party dissidents এবং অন্যান্য দল) মিলিত হয়ে গণআন্দোলন শুরু করে।
- সাংবিধানিক গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন: প্রেসিডেন্ট প্রধান রাষ্ট্রপ্রধান, সংসদ নির্বাহী ক্ষমতা নেই – এই অবস্থা পরিবর্তন। সামরিক শাসনের অবসান এবং রাজনৈতিক মুক্তি। নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে এরশাদ পদত্যাগ করেন।১৯৯১ সালে ১২তম সংশোধনী (Twelfth Amendment) দ্বারা সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তিত হয়। রাষ্ট্রপতি পার্লামেন্টারি সিস্টেমের অধীনে সিরিয়াসলি চেক অ্যান্ড ব্যালান্স হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হন।
-  ধর্মনিরপেক্ষতা মূলত সংবিধানে স্থায়ীভাবে পূর্বের মতো পুনঃপ্রবর্তিত হয়, কিন্তু এটি মূল অর্জন নয়।
- আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল সামরিক শাসন দূর করা।
- সংরক্ষিত আসন (Reserved seats for women) পরে আইনগতভাবে নির্ধারিত হয়; এটি মূল অর্জন নয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

৩৬.
Which political principle was reintroduced after 1990? (১৯৯০ সালের পর কোন রাজনৈতিক নীতি পুনঃপ্রবর্তিত হয়?)
  1. Martial law (সামরিক আইন)
  2. Secularism (ধর্মনিরপেক্ষতা)
  3. State religion (রাষ্ট্রধর্ম)
  4. Presidential system (রাষ্ট্রপতি শাসন)
সঠিক উত্তর:
Secularism (ধর্মনিরপেক্ষতা)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Secularism (ধর্মনিরপেক্ষতা)
ব্যাখ্যা

- ১৯৮২–১৯৯০ সালে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ শাসনাধীন ছিলেন, যিনি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে সংবিধানে যুক্ত করেন (৮ম সংশোধনী, ১৯৮৮)। ১৯৯০ সালের গণআন্দোলন (Combined Opposition Movement) এর ফলে এরশাদ পদত্যাগ করেন।
- এরশাদ পতনের পর ১৯৯১ সালের ১২তম সংশোধনী (Twelfth Amendment) আনা হয়। ধর্মনিরপেক্ষতা (Secularism) সংবিধানের মৌলিক নীতি হিসেবে পুনঃপ্রবর্তিত হয়। রাষ্ট্রপতি শাসন বদলে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তিত হয়।
- ধর্মনিরপেক্ষতার পুনঃপ্রবর্তন নিশ্চিত করে যে সরকার সব ধর্মের প্রতি সমান আচরণ করবে।
- সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর অংশ হিসেবে এটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও নাগরিক অধিকার রক্ষা করে।
- সামরিক আইন বাতিল হয়েছে, পুনঃপ্রবর্তিত হয়নি।
- সংবিধান থেকে ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে থাকলেও ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃপ্রবর্তিত হয়।
- রাষ্ট্রপতি শাসন বাতিল হয়ে সংসদীয় গণতন্ত্র চালু হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– প্রফেসর মোঃ জামান  

৩৭.
Who was the first Speaker of Jatiya Sangsad in 1973? (১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার কে ছিলেন?)
  1. Abdul Hamid (আবদুল হামিদ)
  2. Humayun Rashid Chowdhury (হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী)
  3. Shahabuddin Ahmed (শাহাবুদ্দিন আহমেদ)
  4. Muhammadullah (মুহাম্মদুল্লাহ)
সঠিক উত্তর:
Muhammadullah (মুহাম্মদুল্লাহ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Muhammadullah (মুহাম্মদুল্লাহ)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ (Jatiya Sangsad) হলো দেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রথম সংসদে স্পিকার নির্বাচন করা হয়, যিনি সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
- মুহাম্মদুল্লাহ (Muhammadullah) প্রথম সংসদের স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনি সংসদের সভা পরিচালনা, আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দেওয়া এবং সংসদের শৃঙ্খলা রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করেন।
- এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। প্রথম স্পিকার হিসেবে মুহাম্মদুল্লাহ সংসদীয় ঐতিহ্য এবং নিয়মাবলী স্থাপন করেন।
- আবদুল হামিদ পরে (২০০৯–বর্তমান) স্পিকার ও রাষ্ট্রপতি হন।
- হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী পরবর্তী সময়ে স্পিকার হন, কিন্তু প্রথম নয়।
- শাহাবুদ্দিন আহমেদ প্রধান বিচারপতি ও পরে রাষ্ট্রপতি হন, সংসদের প্রথম স্পিকার নয়।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক   

৩৮.
The Indemnity Ordinance (1975) primarily protected—(১৯৭৫ সালের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ মূলত সংরক্ষণ করে-)
  1. Freedom fighters (মুক্তিযোদ্ধারা)
  2. Assassins of Sheikh Mujibur Rahman (শেখ মুজিব হত্যাকারীদের)
  3. War victims (যুদ্ধাপরাধের শিকার)
  4. Bureaucrats (বিচারক/কর্মকর্তারা)
সঠিক উত্তর:
Assassins of Sheikh Mujibur Rahman (শেখ মুজিব হত্যাকারীদের)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Assassins of Sheikh Mujibur Rahman (শেখ মুজিব হত্যাকারীদের)
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের অনেক সদস্যকে হত্যার পর সামরিক ও রাজনৈতিক অভ্যুত্থান ঘটে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা বা বিচার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় নতুন সরকার Indemnity Ordinance জারি করে।
- মূল উদ্দেশ্য হত্যাকারীদেরকে দায়মুক্তি দেওয়া – অর্থাৎ তারা কোন আইনি শাস্তি থেকে বাঁচবে। এটি আদালত ও আইন অনুযায়ী তাদের বিচার থেকে রক্ষা করে।
- প্রভাব: দীর্ঘ সময় ধরে হত্যাকারীরা আইনি শাস্তি এড়াতে সক্ষম হয়,বাংলাদেশের সংবিধান ও বিচারব্যবস্থায় এর বিরূপ প্রভাব পড়ে। পরবর্তীতে এই অধ্যাদেশ বাতিল করা হয় এবং ১৯৯৬ সালে হত্যাকারীদের বিচার শুরু হয়।
- মুক্তিযোদ্ধারা স্বাধীনতার জন্য লড়েছিলেন, তারা সংরক্ষিত নয়।
- যুদ্ধাপরাধের শিকার যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল তারা সংরক্ষিত হয়নি।
- প্রশাসনিক কর্মকর্তারা সংরক্ষিত হয়নি।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

৩৯.
The concept of “basic structure” doctrine in Bangladesh was upheld by— (বাংলাদেশে “মূল কাঠামো” নীতির ধারণা কাদের দ্বারা রক্ষা করা হয়?) 
  1. Parliament (সংসদ)
  2. Judiciary (বিচার বিভাগ)
  3. President (রাষ্ট্রপতি)
  4. Election Commission (নির্বাচন কমিশন)
সঠিক উত্তর:
Judiciary (বিচার বিভাগ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Judiciary (বিচার বিভাগ)
ব্যাখ্যা

- “Basic Structure Doctrine” ধারণা ভারতের সংবিধান থেকে নেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো, সংবিধানের মূল কাঠামো বা মৌলিক নীতি কোনো ক্ষমতাশালী সংস্থা, এমনকি সংসদও, পরিবর্তন করতে পারবে না। বাংলাদেশে এই নীতি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয় ১৯৭৫–১৯৭৯ সালের সামরিক শাসন ও পরবর্তী সংশোধনীর ক্ষেত্রে।
- বাংলাদেশে Supreme Court (সুপ্রিম কোর্ট) এই নীতির প্রয়োগ ও রক্ষা করে। উদাহরণ: ১৯৯৯ সালে হাইকোর্ট ৫ম সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে। অর্থাৎ, বিচার বিভাগই সংবিধানের মূল কাঠামো রক্ষার দায়িত্বে থাকে।
- বিচার বিভাগের রায় গণতান্ত্রিক কাঠামো, মৌলিক অধিকার ও সংবিধানিক ভারসাম্য রক্ষা করে। এটি ensures করে যে কোন সরকার বা সংসদ মৌলিক নীতিকে ধ্বংস করতে পারবে না।
- সংসদ আইন প্রণয়ন করতে পারে, কিন্তু মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারে না।
-  রাষ্ট্রপতি সংবিধান রক্ষার জন্য স্বাধীন ক্ষমতা রাখে না।
- শুধুমাত্র নির্বাচন পরিচালনা করে, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করে না।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

৪০.
Which amendment barred floor-crossing by MPs? (কোন সংশোধনী সংসদ সদস্যদের দল পরিবর্তন (floor-crossing) করতে বাধা দেয়?) 
  1. 7th Amendment (৭ম সংশোধনী)
  2. 12th Amendment (১২তম সংশোধনী)
  3. 14th Amendment (১৪তম সংশোধনী)
  4. 7th Schedule (1991) (৭ম সময়সূচি, ১৯৯১)
সঠিক উত্তর:
7th Schedule (1991) (৭ম সময়সূচি, ১৯৯১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
7th Schedule (1991) (৭ম সময়সূচি, ১৯৯১)
ব্যাখ্যা

- সংসদে floor-crossing বলতে বোঝায় সদস্যরা নির্বাচিত দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া বা দল ছেড়ে অন্য দলে যোগ দেওয়া।
এটি সংসদীয় স্থিতিশীলতার জন্য সমস্যা সৃষ্টি করে।
- ৭ম সময়সূচি (Seventh Schedule) ১৯৯১ সালের ১২তম সংশোধনীর অংশ হিসেবে সংযোজিত হয়। এটি স্পষ্ট করে যে, সংসদ সদস্যরা তাদের নির্বাচিত দলের নীতির বিরুদ্ধে ভোট দিতে পারবে না। যদি কেউ এ নিয়ম লঙ্ঘন করে, তবে তার আসন শূন্য ঘোষণা করা হবে।
- এটি সংবিধানের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। রাজনৈতিক দলগুলোর cohesive structure বজায় রাখে। সংসদে অপ্রয়োজনীয় রাজনৈতিক দোলাচলেরোধ করে।
- ৭ম সংশোধনী মূলত এরশাদের সামরিক শাসন বৈধকরণের জন্য।
- ১২তম সংশোধনী সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তনের জন্য।
- ১৪তম সংশোধনী প্রধানত নারী সংরক্ষিত আসন এবং বিচারপতির অবসরের বয়স নির্ধারণের জন্য।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক    

৪১.
The Supreme Court of Bangladesh consists of— (বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের গঠন হলো—) 
  1. High Court Division and Appellate Division (উচ্চ আদালত বিভাগ ও আপিল বিভাগ)
  2. District Court and High Court (জেলা আদালত ও উচ্চ আদালত)
  3. Tribunal and Appellate Division(ট্রাইব্যুনাল ও আপিল বিভাগ)
  4. President and Prime Minister(রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী)
সঠিক উত্তর:
High Court Division and Appellate Division (উচ্চ আদালত বিভাগ ও আপিল বিভাগ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division and Appellate Division (উচ্চ আদালত বিভাগ ও আপিল বিভাগ)
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, Supreme Court (সুপ্রিম কোর্ট) হলো দেশের সর্বোচ্চ বিচারবিভাগ। এটি দেশের আইনি বিচারব্যবস্থা ও সংবিধান রক্ষার প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- সুপ্রিম কোর্টের দুটি প্রধান বিভাগ রয়েছে:
High Court Division (উচ্চ আদালত বিভাগ): সংবিধান ও আইনগত মামলার প্রাথমিক বিচার করে। মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং সরকারি কার্যক্রমের বৈধতা যাচাই করে।
Appellate Division (আপিল বিভাগ): হাইকোর্ট বিভাগের রায়ের উপর চূড়ান্ত আপিল শুনানি করে। দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রদান করে।
- সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান রক্ষা, মৌলিক অধিকার সুরক্ষা, এবং আইনি দ্বন্দ্ব সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি দেশের আইনি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে।
-  জেলা আদালত সুপ্রিম কোর্টের অংশ নয়।
- ট্রাইব্যুনাল সুপ্রিম কোর্টের অংশ নয়।
- রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বিচার বিভাগের অংশ নয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

৪২.
The doctrine of separation of powers in Bangladesh is— (বাংলাদেশে ক্ষমতার বিভাজনের নীতি হলো—) 
  1. Strictly applied (কঠোরভাবে প্রয়োগিত)
  2. Modified and partial (পরিমার্জিত ও আংশিক)
  3. Non-existent (অস্তিত্বহীন)
  4. Fully judicial (সম্পূর্ণ বিচারিক)
সঠিক উত্তর:
Modified and partial (পরিমার্জিত ও আংশিক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modified and partial (পরিমার্জিত ও আংশিক)
ব্যাখ্যা

- Separation of powers doctrine বা ক্ষমতার বিভাজন হলো রাষ্ট্রের তিনটি প্রধান শাখা—বিচারিক, কার্যনির্বাহী ও আইন প্রণয়নকারী—কে পৃথকভাবে পরিচালিত করার নীতি। লক্ষ্য ক্ষমতার অপব্যবহার রোধ করা ও গণতান্ত্রিক ভারসাম্য বজায় রাখা।
- সংবিধান ১৯৭২ অনুযায়ী বিচার, আইন প্রণয়ন ও কার্যনির্বাহী শাখা আলাদা করা হয়েছে।তবে বাস্তবে এটি পরিমার্জিত ও আংশিক।
উদাহরণ: রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রী কিছু ক্ষেত্রে বিচারিক ও আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত প্রভাব রাখতে পারে। সংসদ, সরকার ও বিচার বিভাগের মধ্যে নির্দিষ্ট ভারসাম্য রয়েছে, কিন্তু এটি strictly applied নয়।
- কেন গুরুত্বপূর্ণ: বিচার বিভাগ সংবিধান রক্ষা করে,কার্যনির্বাহী শাখা সরকারের নীতি প্রয়োগ করে,সংসদ আইন প্রণয়ন করে। এই আংশিক বিভাজন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

৪৩.
In 2005, the High Court declared the 8th Amendment— (২০০৫ সালে হাইকোর্ট ৮ম সংশোধনীকে—)
  1. Partially unconstitutional (আংশিক অসংবিধানিক)
  2. Fully valid (সম্পূর্ণ বৈধ)
  3. Legalizing martial law (সামরিক আইন বৈধকরণ)
  4. Abolished (উপেক্ষা/অবৈধ ঘোষণা)
সঠিক উত্তর:
Partially unconstitutional (আংশিক অসংবিধানিক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Partially unconstitutional (আংশিক অসংবিধানিক)
ব্যাখ্যা

- ৮ম সংশোধনী (১৯৮৮) এর মাধ্যমে বাংলাদেশে ইসলামকে রাষ্ট্র ধর্ম হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এটি প্রবর্তিত হয়েছিল এরশাদের শাসনকালে, যখন ধর্মনিরপেক্ষতা প্রাথমিক সংবিধানের মূল নীতি থেকে সরানো হয়।
- হাইকোর্ট ৮ম সংশোধনীর কিছু অংশকে অসংবিধানিক ঘোষণা করে। কারণ: সংবিধানের মূল কাঠামো (basic structure) অনুযায়ী ধর্মনিরপেক্ষতা সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে সংশোধনীর কিছু অংশ সংবিধানের মূল নীতির বিরোধী হিসেবে গণ্য হয়।
- এটি বাংলাদেশের সংবিধানিক ধর্মনিরপেক্ষতার পুনর্বহাল এবং মৌলিক নীতি রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। রাষ্ট্র ধর্ম ঘোষণা সম্পূর্ণভাবে বাতিল না হলেও, এর বৈধতা সীমিত করা হয়।
- হাইকোর্ট এটি আংশিক অসংবিধানিক ঘোষণা করেছে।
- সংশোধনী সামরিক আইন বৈধ করে না।
- পুরো সংশোধনী বাতিল করা হয়নি, কেবল আংশিক অসংবিধানিক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন ( একাদশ-দ্বাদশ)-প্রফেসর  মোঃ মোজাম্মেল হক  

৪৪.
During 2001–2005, Bangladesh faced rise of— (২০০১–২০০৫ সময়ে বাংলাদেশের মধ্যে উত্থিত হলো—) 
  1. Separatist movements (স্বাধীনতাবাদী আন্দোলন)
  2. Islamist militancy (e.g., JMB) (ইসলামী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড)
  3. Royal monarchy (রাজতান্ত্রিক শাসন)
  4. Military coups (সামরিক অভ্যুত্থান)
সঠিক উত্তর:
Islamist militancy (e.g., JMB) (ইসলামী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Islamist militancy (e.g., JMB) (ইসলামী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড)
ব্যাখ্যা

- ২০০১ সালের নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসে। এই সময়ে বাংলাদেশে ধর্মনিরপেক্ষ সমাজ ও সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে ইসলামী সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বৃদ্ধি লক্ষ্য করা যায়।
- JMB (Jamaat-ul-Mujahideen Bangladesh) সহ কিছু সংগঠন দেশে ধর্মীয় উগ্রবাদ এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালায়। বোমা হামলা, সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ জনগণের উপর সহিংসতা এই সময়ে বৃদ্ধি পায়। এটি বাংলাদেশের ন্যাশনাল সিকিউরিটি ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে ধরা হয়।
- ২০০১–২০০৫ সময়ে মূলত কোন স্বতন্ত্র আন্দোলন উল্লেখযোগ্য ছিল না।
- বাংলাদেশে কোন রাজতান্ত্রিক শাসন ছিল না।
- এই সময়ে কোন সেনা অভ্যুত্থান ঘটেনি।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

৪৫.
Which factor helped the military withdraw from politics in 1990? (১৯৯০ সালে সেনাবাহিনী রাজনীতি থেকে সরে আসার কারণ কী?) 
  1. Popular uprising (ব্যাপক গণআন্দোলন)
  2. Election victory of Ershad (এরশাদের নির্বাচনী বিজয়) 
  3. Martial law decree (সামরিক আইন ডিক্রি বা আদেশ) 
  4. International intervention (আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ) 
সঠিক উত্তর:
Popular uprising (ব্যাপক গণআন্দোলন)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Popular uprising (ব্যাপক গণআন্দোলন)
ব্যাখ্যা

- ১৯৯০ সালে ব্যাপক গণআন্দোলন (popular uprising) এবং বিরোধীদলের একত্রিত আন্দোলনের ফলে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ পদত্যাগ করেন।
- এই গণআন্দোলন সেনাবাহিনীকে রাজনীতি থেকে সরে আসতে বাধ্য করে।
- এর ফলে সামরিক শাসনের অবসান ঘটে এবং দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বে পুনরায় সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- গণআন্দোলনের চাপ → সামরিক শাসনের অবসান
- সেনাবাহিনী রাজনীতি থেকে সরে আসে
- অস্থায়ী সরকার ও নির্বাচনের পথ পরিষ্কার হয়
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

৪৬.
Which constitutional principle was suspended during military rule? (সেনা শাসনের সময় কোন সংবিধানিক নীতি স্থগিত ছিল?) 
  1. Secularism (ধর্মনিরপেক্ষতা) 
  2. Democracy (গণতন্ত্র)
  3. Nationalism (জাতীয়তাবাদ)
  4. Socialism (সমাজতন্ত্র)
সঠিক উত্তর:
Democracy (গণতন্ত্র)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Democracy (গণতন্ত্র)
ব্যাখ্যা

সেনা শাসনের সময় (১৯৭৫–৯০) বাংলাদেশে গণতন্ত্র স্থগিত ছিল। এরশাদ ও পূর্ববর্তী সামরিক শাসকরা রাষ্ট্রপতি শাসন বা সামরিক নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করতেন।
- নির্বাচিত সংসদ কার্যত বন্ধ থাকত বা তার ক্ষমতা সীমিত হত।
- নাগরিকদের মৌলিক অধিকার ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ প্রায় শূন্যে নেমে আসত।
- সামরিক শাসনের সময় জরুরি আইন জারি করে রাষ্ট্রের প্রশাসন সামরিক নিয়ন্ত্রণে রাখা হতো।
- সামরিক শাসনের কারণে গণতন্ত্র কার্যত স্থগিত ছিল, যদিও অন্যান্য মৌলিক নীতি (ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র) আনুষ্ঠানিকভাবে সংবিধানে থাকলেও বাস্তবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া কার্যকর ছিল না।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

৪৭.
The military-backed referendums in Bangladesh were used to—(বাংলাদেশে সামরিক সমর্থিত গণভোটের উদ্দেশ্য ছিল—) 
  1. Legitimizing military rulers (সামরিক শাসনের বৈধতা) 
  2. Introducing parliamentary system (সংসদীয় ব্যবস্থার পরিচিতি)
  3. Ensuring free press (মুক্ত গণমাধ্যম নিশ্চিত করা) 
  4. Promoting secularism (ধর্মনিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা ) 
সঠিক উত্তর:
Legitimizing military rulers (সামরিক শাসনের বৈধতা) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Legitimizing military rulers (সামরিক শাসনের বৈধতা) 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সামরিক শাসনের সময়, বিশেষ করে জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের অধীনে, কিছু গণভোট আয়োজিত হয়। তবে এই গণভোটগুলো প্রকৃত নির্বাচনের চেয়ে সেনাবাহিনী শাসকদের বৈধতা প্রদানের জন্য একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হত।
- গণভোটের লক্ষ্য সামরিক শাসকদের ক্ষমতা বৈধ এবং জনগণ সমর্থিত মনে করানো।
- বাস্তবে গণভোট প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা সীমিত।
- পার্লামেন্টারি বা সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ব্যাহত থাকত।
- গণতান্ত্রিক অধিকার ও বিরোধী দলের কার্যক্রম সীমিত।
- সামরিক শাসনকে "জনমতের ছদ্মনাম" দিয়ে বৈধতা দেওয়ার উপায় ছিল এই গণভোট।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

৪৮.
Which opposition party first boycotted elections under military rule? (সেনা শাসনের সময় কোন বিরোধী দল প্রথম নির্বাচন বর্জন করে?) 
  1. BNP (বিএনপি)
  2. Awami League (আওয়ামী লীগ)
  3. Jatiya Party (জাতীয় পার্টি)
  4. Jamaat-e-Islami (জামায়াতে ইসলামি) 
সঠিক উত্তর:
BNP (বিএনপি)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BNP (বিএনপি)
ব্যাখ্যা

- সেনা শাসনের সময়, বিশেষ করে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের আমলে, বিরোধী দলগুলো নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল। সেই সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) প্রথম দফায় নির্বাচনে অংশ না নিয়ে নির্বাচন বর্জন করেছিল।
- বিরোধী দলের লক্ষ্য নির্বাচনের অস্বচ্ছতা ও সামরিক প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করা।
- নির্বাচনে অংশ না নিয়ে রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা।
- পরে অন্যান্য দলও ভোট বর্জন বা গণআন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিল।
- BNP সেনা শাসনের অধীনে প্রথম নির্বাচনী বর্জনকারী বিরোধী দল।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন ১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত– সৈয়দ নুরুল হক   

৪৯.
Who was the main opposition leader against Ziaur Rahman? (জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে প্রধান বিরোধী নেতা ছিলেন—) 
  1. Sheikh Hasina (শেখ হাসিনা) 
  2.  Hussain Muhammad Ershad (হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ)
  3. Khondaker Mostaq Ahmad (খন্দকার মোস্তাক আহমেদ)
  4. Muhammadullah (মুহাম্মদউল্লাহ) 
সঠিক উত্তর:
Sheikh Hasina (শেখ হাসিনা) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sheikh Hasina (শেখ হাসিনা) 
ব্যাখ্যা

- জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রপতি শাসনের সময় প্রধান বিরোধী নেতা ছিলেন শেখ হাসিনা, যিনি আওয়ামী লীগের নেত্রী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা। তিনি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার এবং সামরিক-সমর্থিত শাসনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন।
- শেখ হাসিনা বিরোধী নেতৃত্বের প্রতীক।
- তিনি BNP ও অন্যান্য বিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
- জিয়াউর রহমানের সরকারে রাজনৈতিক চাপ ও বিরোধিতা করে নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার চেষ্টা।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন    

৫০.
Who led the opposition against Ershad in Parliament? (সংসদে এরশাদের বিরুদ্ধে বিরোধী নেতৃত্ব কারা ছিলেন?) 
  1. Khondaker Mostaq Ahmad (খন্দকার মোস্তাক আহমেদ) 
  2. Ziaur Rahman (জিয়াউর রহমান)
  3. Sheikh Hasina (শেখ হাসিনা)
  4. Khaleda Zia (খালেদা জিয়া) 
সঠিক উত্তর:
Khaleda Zia (খালেদা জিয়া) 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Khaleda Zia (খালেদা জিয়া) 
ব্যাখ্যা

- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক শাসনের সময় সংসদীয় বিরোধী নেতৃত্ব প্রধানত খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি’র হাতে ছিল। তিনি সংসদে এরশাদের শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও সমালোচনা চালিয়েছেন।
- খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে BNP বিরোধী নেতা হিসেবে সক্রিয় ছিল।
- সংসদীয় প্রক্রিয়ায় সামরিক শাসনের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বিরোধী ভূমিকা পালন।
- গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বিরোধী দলগুলোকে সংগঠিত করা।
সূত্রঃ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক উন্নয়ন (১৯৭১ থেকে বর্তমান পর্যন্ত)– রাখী বর্মন