পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি অধ্যায়: বৈশ্বিক ইতিহাস, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূ-রাজনীতি টপিকসমূহ: ১. বৈশ্বিক ইতিহাস: i) মানব সমাজের বিবর্তন ii) বিশ্ব সভ্যতা ২. আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা: i) দেশ ও মহাদেশ সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য [দেশের ইতিহাস, ভৌগোলিক অবস্থান, রাজধানী, মুদ্রা, ভাষা, বিভিন্ন দেশের সংস্কার আন্দোলন, ইত্যাদি। উৎস: ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সম্পর্কিত বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, হিস্টরি.কম, সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট এবং যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] ------------------------- [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে? [ফেব্রুয়ারি,২০২৬]
  1. সানায়ে তাকাইচি
  2. নারুহিতো
  3. ইয়োশিহিদে সুগা
  4. শিনজো আবে
সঠিক উত্তর:
সানায়ে তাকাইচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সানায়ে তাকাইচি
ব্যাখ্যা

জাপান:
- জাপান পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র যা উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত।
- সংবিধানিক রাজতন্ত্র (Constitutional Monarchy).
- সম্রাটের ক্ষমতা আনুষ্ঠানিক কিন্তু কার্যকর শাসন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সংসদীয় পদ্ধতিতে প্রকৃত শাসন পরিচালিত হয়।
- বর্তমান সম্রাট: সম্রাট নারুহিতো (Emperor Naruhito)।
- রাজধানী: টোকিও (Tokyo) ১৮৬৮ সালে ইডো থেকে টোকিওতে স্থানান্তরিত হয়।
- ভৌগোলিক অবস্থান: পূর্ব এশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপদেশ; চারটি প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হোনশু, শিকোকু, কিউশু।
- জাপানের আয়তন: ৩৭৭,৯১৫ বর্গকিলোমিটার।
- সবচেয়ে বড় দ্বীপ: হোনশু।
- আয়তন প্রায় ২২৭,৯৬২ বর্গকিলোমিটার
- জনসংখ্যা (২০২৫ আনুমানিক): প্রায় ১২৩,১০৫,০০০ জন।
- জাতীয় ভাষা: জাপানি (Japanese)।
- ধর্ম: শিন্তো ও বৌদ্ধ ধর্ম প্রধান; খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারীও রয়েছে।
- জাপানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী হলেন সানায়ে তাকাইচি।
- আইনসভা: 'ডায়েট' (National Diet)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
রোমান সভ্যতায় আইনের ভিত্তি কী ছিল?
  1. The Ten Commandments
  2. The Twelve Tables
  3. The Code of Hammurabi
  4. Justinian Code
সঠিক উত্তর:
The Twelve Tables
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Twelve Tables
ব্যাখ্যা

- রোমান সভ্যতায় আইনের ভিত্তি ছিলো The Twelve Tables.

রোমান সভ্যতা:

- গ্রিক সভ্যতার অবসানের আগেই ইতালিতে টাইবার নদীর তীরে একটি বিশাল সম্রাজ্য ও সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- রোমকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই সভ্যতা রোমান সভ্যতা নামে পরিচিত।
- প্রথম দিকে রোম একজন রাজার শাসনাধীন ছিল।
- রাজা স্বৈরাচারী হয়ে উঠলে তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ৫১০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ রোমে একটি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রোমান সভ্যতা প্রায় ছয়শ' বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রোমের অর্থনীতি ছিলো দাসদের উপর নির্ভরশীল।

• সভ্যতায় রোমের অবদান:
- রোম শিল্প, সাহিত্য, দর্শন, স্থাপত্য সর্বক্ষেত্রে গ্রিকদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।
- তারা এসব বিষয়ে গ্রিকদের অনুসরণ ও অনুকরণ করেছে।
- তবে সামরিক সংগঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন ও প্রকৌশল বিদ্যায় তারা গ্রিক ও অন্যান্য জাতির ওপর শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল।
- রোমানদের সবচেয়ে বড় অবদান আইনের ক্ষেত্রে।
- রোমান আইনের ভিত্তি ছিলো The Twelve Tables.

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

.
মহেঞ্জোদারো কোন অঞ্চলে অবস্থিত?
  1. পাঞ্জাব প্রদেশ
  2. বেলুচিস্তান
  3. গুজরাট
  4. সিন্ধু প্রদেশ
সঠিক উত্তর:
সিন্ধু প্রদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিন্ধু প্রদেশ
ব্যাখ্যা

- মহেঞ্জোদারো পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় অবস্থিত।

সিন্ধু সভ্যতা: 

- সিন্ধু নদের অববাহিকা অঞ্চলে গড়ে উঠেছিল বলে এই সভ্যতার নাম সিন্ধু সভ্যতা।
- সিন্ধু সভ্যতার সংস্কৃতিকে অনেক সময়ে হরপ্পা সংস্কৃতি বা হরপ্পা সভ্যতা বলা হয়ে থাকে।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি প্রত্নতত্ত্ববিদ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারোতে এবং দয়ারাম সাহানীর চেষ্টায় পাঞ্জাবের পশ্চিম দিকে মন্টোগোমারী জেলার হরপ্পায় এই সভ্যতা আবিষ্কৃত হয়।
- জন মার্শালের নেতৃত্বে পুরাতত্ত্ব বিভাগ অনুসন্ধান চালিয়ে আরো বহু নিদর্শন আবিষ্কার করে।
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা উভয় অঞ্চল একই সভ্যতার অন্তর্গত।
- সিন্ধু সভ্যতা উপমহাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতা।
- এই সভ্যতা শুধু সিন্ধু নদীর অববাহিকা বা ঐ দুটি শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলনা। পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিন্ধু প্রদেশ, ভারতের পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাটের বিভিন্ন অংশে এই সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- ঐতিহাসিকরা মনে করেন যে পাঞ্জাব থেকে আরব সাগর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সিন্ধু সভ্যতা গড়ে উঠেছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
যুক্তরাজ্যের উচ্চকক্ষ কোনটি?
  1. হাউজ অফ কমন্স
  2. সিনেট
  3. হাউজ অফ লর্ডস
  4. কাউন্সিল অব স্টেট
সঠিক উত্তর:
হাউজ অফ লর্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাউজ অফ লর্ডস
ব্যাখ্যা

যুক্তরাজ্য (United Kingdom):
- যুক্তরাজ্য  ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের উত্তর-পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত।
- এটি চারটি প্রধান দেশ—ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের সমন্বয়ে গঠিত।
- রাজধানী: লন্ডন (London)
- জাতীয় সঙ্গীত: গড সেভ দ্য কিং (God Save the King)
- জাতীয় পতাকা: ইউনিয়ন জ্যাক (Union Jack)

• সরকার ও রাজনীতি:
- যুক্তরাজ্য একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র এবং সংসদীয় গণতন্ত্র।
- অলিখিত সংবিধানের প্রথা প্রচলিত।
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস (King Charles III)। তাঁর ভূমিকা মূলত আনুষ্ঠানিক ও প্রতীকী।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister), যিনি হাউজ অফ কমন্স-এ সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা।
- আইনসভা (Parliament): এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।
- হাউজ অফ কমন্স (House of Commons): নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কক্ষ।
- হাউজ অফ লর্ডস (House of Lords): উচ্চকক্ষ।
- রাজনৈতিক ব্যবস্থা: প্রধান দলগুলো হলো লেবার পার্টি এবং কনজারভেটিভ পার্টি। এছাড়া লিবারেল ডেমোক্র্যাটস এবং আঞ্চলিক দল (যেমন SNP) সক্রিয়।

এছাড়াও,
- সীমানা: এটি উত্তর সাগর, ইংলিশ চ্যানেল এবং আটলান্টিক মহাসাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- একমাত্র স্থল সীমানা আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের সাথে (উত্তর আয়ারল্যান্ডের মাধ্যমে)।
- মুদ্রা: পাউন্ড স্টার্লিং।

• ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU): ২০২০ সালে 'ব্রেক্সিট' (Brexit)-এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ইইউ ত্যাগ করে।
- ভাষা: প্রধান ভাষা ইংরেজি।
- বিশ্ববিদ্যালয়: অক্সফোর্ড এবং কেমব্রিজের মতো শতবর্ষী ও বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

উৎস: UK Government Official Portal (gov.uk) এবং Encyclopedia Britannica.

.
সৌদি আরবের রাজধানীর নাম কী?
  1. জেদ্দা
  2. মক্কা
  3. রিয়াদ
  4. মদিনা
সঠিক উত্তর:
রিয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়াদ
ব্যাখ্যা

সৌদি আরব:
- সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম দেশ।
- এটি ইসলামের দুটি পবিত্রতম শহর—মক্কা ও মদিনার।
- অফিসিয়াল নাম: কিংডম অফ সৌদি অ্যারাবিয়া।
- রাজধানী: রিয়াদ (Riyadh)।
- বৃহত্তম শহর: রিয়াদ।
- রাজা: সালমান বিন আব্দুল আজিজ (Salman bin Abdulaziz)।
- যুবরাজ (Crown Prince): মোহাম্মদ বিন সালমান (MBS)।
- মুদ্রা: সৌদি রিয়াল (SAR)।
- ভাষা: আরবি।
- আরব উপদ্বীপের প্রায় ৮০% এলাকা জুড়ে অবস্থিত। এর পশ্চিম পাশে লোহিত সাগর এবং পূর্ব পাশে পারস্য উপসাগর।
- মরুভূমি:  'রুব আল-খালি' (Empty Quarter) এই দেশে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- তেল সম্পদ: সৌদি আরব বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ অপরিশোধিত তেল উৎপাদনকারী এবং রপ্তানিকারক দেশ।
- ভিশন ২০৩০: তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিকে বহুমুখী করার জন্য যুবরাজ একটি মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।
- ২০৩৪ বিশ্বকাপ প্রস্তুতি: ২০৩৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ।
- সবুজ সৌদি উদ্যোগ (Saudi Green Initiative): জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দেশজুড়ে কয়েক বিলিয়ন গাছ লাগানোর প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে।

উৎস:  ব্রিটানিকা, আল জাজিরা নিউজ।

.
রাশিয়া মোট কতটি টাইম জোন জুড়ে বিস্তৃত? 
  1. ৭টি
  2. ১১টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

- রাশিয়া ১১টি টাইম জোন বা সময় অঞ্চলের ওপর দিয়ে বিস্তৃত রয়েছে।

রাশিয়া:
- রাশিয়া আয়তনে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ, যা পূর্ব ইউরোপ এবং উত্তর এশিয়া জুড়ে বিস্তৃত।
- রাজধানী: মস্কো (Moscow).
- জাতীয় দিবস: ১২ জুন (রাশিয়া দিবস)।
- জাতীয় সঙ্গীত: স্টেট অ্যানথেম অফ দ্য রাশিয়ান ফেডারেশন (State Anthem of the Russian Federation).
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাষ্ট্রপতি (President)। তিনি সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান এবং বৈদেশিক ও অভ্যন্তরীণ নীতির মূল নির্ধারক।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister), যিনি রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে নিযুক্ত হন এবং প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করেন।
- আইনসভা (Federal Assembly): এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।
- স্টেট ডুমা (State Duma): নিম্নকক্ষ।
- ফেডারেশন কাউন্সিল (Federation Council): উচ্চকক্ষ।
- রাজনৈতিক ব্যবস্থা: প্রধান রাজনৈতিক দল হলো 'ইউনাইটেড রাশিয়া' (United Russia)।
• রাশিয়া ১১টি টাইম জোন বা সময় অঞ্চলের ওপর দিয়ে বিস্তৃত।
- আয়তন: প্রায় ১৭.১ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার।

• সীমানা: রাশিয়ার স্থল সীমানা বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘ।
- এটি নরওয়ে, ফিনল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, বেলারুশ, ইউক্রেন, জর্জিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, চীন, মঙ্গোলিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার সাথে সংযুক্ত।

• প্রধান নদ-নদী ও হ্রদ: ভলগা (ইউরোপের দীর্ঘতম নদী), বৈকাল হ্রদ (বিশ্বের গভীরতম এবং বৃহত্তম স্বাদু পানির হ্রদ)।
• ভূ-প্রকৃতি: পশ্চিমে বিশাল সমভূমি, উরাল পর্বতমালা (যা ইউরোপ ও এশিয়াকে বিভক্ত করেছে), এবং সাইবেরিয়ার বিশাল বনাঞ্চল ও তুন্দ্রা অঞ্চল।
- মুদ্রা: রাশিয়ান রুবল।
- প্রধান খাত: খনিজ সম্পদ (তেল, গ্যাস, কয়লা), ধাতু শিল্প, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদন এবং মহাকাশ প্রযুক্তি।
- পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়া তার অর্থনীতিকে এশীয় এবং ব্রিকস (BRICS) দেশগুলোর সাথে আরও গভীরভাবে সংহত করার প্রক্রিয়া চলমান রেখেছে।

• মহাকাশ গবেষণা: সোভিয়েত আমল থেকেই রাশিয়া মহাকাশ বিজয়ের পথিকৃৎ। বর্তমানে 'রসকসমস' (Roscosmos) তাদের নতুন স্পেস স্টেশন নির্মাণ এবং চন্দ্র অভিযানের লক্ষ্যে কাজ করছে।

উৎস: Official Portal of the Russian Government এবং Encyclopedia Britannica.

.
নারা সভ্যতা কোথায় উদ্ভব ঘটেছিল?
  1. ভিয়েতনাম
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. কাজাখস্তান
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

নারা সভ্যতা:
- নারা সভ্যতা গড়ে উঠেছিল জাপানে।
- সময়কাল: ৭১০-৭৮৪ খ্রিস্টাব্দ।
- রাজধানী স্থানান্তর: ৭১০ খ্রিস্টাব্দে আসুকা থেকে নারা শহরে রাজধানী স্থানান্তর করা হয়।
- এটি ছিল প্রথম স্থায়ী রাজকীয় রাজধানী।
- পূর্বের রীতি অনুযায়ী, প্রত্যেক নতুন সম্রাটের সময় রাজধানী বদলানোর প্রথা এখানে বাতিল হয়।
- প্রধান ধর্ম: বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপক প্রসার।
- অগ্রগামী নেতা: সম্রাট শোমু।
- নারা যুগ: জাপানে বৌদ্ধ ধর্ম, চীনা সংস্কৃতি ও আমলাতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মিলনের যুগ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
চীনের সাথে স্থলসীমান্ত রয়েছে কয়টি দেশের?
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১৬টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা

- চীনের সাথে ১৪টি দেশের স্থল সীমানা রয়েছে।

চীন:

- চীন পূর্ব এশিয়ায় অবস্থিত।
- আয়তনের দিক থেকে এশিয়ার বৃহত্তম দেশ।
- পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী চীন (People's Republic of China)
- রাজধানী: বেইজিং (Beijing)
- জাতীয় দিবস: ১ অক্টোবর (প্রতিষ্ঠা দিবস)
- জাতীয় সঙ্গীত: মার্চ অফ দ্য ভলান্টিয়ার্স (March of the Volunteers)

• সরকার ও রাজনীতি:
- চীন একটি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- যা কমিউনিস্ট পার্টি অফ চায়না (CPC) দ্বারা পরিচালিত।
- চীনের বর্তমান রাষ্ট্রপতি (President of China) হলেন শি জিনপিং (Xi Jinping)।
- তিনি  তৃতীয় মেয়াদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন।
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাষ্ট্রপতি (President)। তিনি রাষ্ট্রীয় কার্যাবলি এবং সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- সরকার প্রধান: প্রিমিয়ার (Premier), যিনি স্টেট কাউন্সিল বা মন্ত্রিসভার নেতৃত্ব দেন।
- আইনসভা: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস (National People's Congress - NPC).
- রাজনৈতিক ব্যবস্থা: একক দলীয় শাসন ব্যবস্থা যেখানে 'কমিউনিস্ট পার্টি অফ চায়না' সকল নীতিনির্ধারণের মূলে থাকে।
- সীমানা: চীনের সাথে ১৪টি দেশের স্থল সীমানা রয়েছে (যৌথভাবে রাশিয়ার সাথে বিশ্বের দীর্ঘতম)।
- প্রধান নদ-নদী: ইয়াংজি (এশিয়ার দীর্ঘতম নদী) এবং হুয়াংহো (হলুদ নদী)।
- চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি (Nominal GDP) এবং বৃহত্তম উৎপাদনকারী (Manufacturing) রাষ্ট্র।
- মুদ্রা: রেনমিনবি (RMB), যার একক হলো ইউয়ান (¥ CNY)।
- ভাষা: ম্যান্ডারিন (Mandarin) রাষ্ট্রীয় ভাষা। 

উল্লেখ্য,
- 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ' (BRI)-এর মাধ্যমে চীন বিশ্বজুড়ে তার বাণিজ্যিক নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করছে এবং উচ্চ-প্রযুক্তিগত স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে মনোনিবেশ করছে।
- মহাকাশ গবেষণা: চীনের নিজস্ব স্পেস স্টেশন 'তিয়ানগং' (Tiangong) সম্পূর্ণ কার্যকর।
- ২০২৬ সালের মধ্যে তারা চন্দ্র অভিযানের পরবর্তী ধাপ এবং মঙ্গল গবেষণায় আরও অগ্রগতি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

উৎস:
১.The State Council of the People's Republic of China.
২. Encyclopedia Britannica.
৩. National Bureau of Statistics of China.

.
সুমেরীয়রা বিশ্বের প্রথম কোন লিখন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিল?
  1. হায়ারোগ্লিফ
  2. ল্যাটিন
  3. কিউনিফর্ম 
  4. সেরিফিক
সঠিক উত্তর:
কিউনিফর্ম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কিউনিফর্ম 
ব্যাখ্যা

সুমেরীয় সভ্যতা (Sumerian Civilization): 
- সুমেরীয় সভ্যতা ছিল মেসোপটেমীয় সভ্যতার প্রথম পর্যায়।
- এবং মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রথম সংগঠিত সভ্যতা।
- এটি মেসোপটেমিয়ার দক্ষিণ অংশে আনুমানিক  (বর্তমান দক্ষিণ ইরাক) খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ থেকে ৩০০০ অব্দের মধ্যে বিকশিত হয়েছিল।
-  প্রাচীন সুমের (Sumer) ছিল টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মোহনার নিকটবর্তী নিম্নভূমি।
- কালক্রম: এর বিকাশ আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০ অব্দে শুরু হয় এবং খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দ পর্যন্ত এর প্রভাব টিকে ছিল। [ব্রিটানিকা]
-  উরুক ছিল বিশ্বের প্রথম বড় শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।

• ঐতিহাসিক অর্জন ও অবদান
- লিখন পদ্ধতি (Cuneiform): সুমেরীয়রা বিশ্বের প্রথম লিখন পদ্ধতি 'কিউনিফর্ম' উদ্ভাবন করে।
- এটি নল খাগড়া দিয়ে ভেজা মাটির ফলকে খোদাই করে লেখা হতো।
- খ্রিস্টপূর্ব ৩৫০০ অব্দের দিকে তারা প্রথম চাকা (পটার’স হুইল বা কুমোরের চাকা) ব্যবহার শুরু করে, পরবর্তীতে এই ধারণা যানবাহনের চাকার বিকাশে ভূমিকা রাখে।
- আইন ও শাসন: তারা লিখিত আইনের প্রাথমিক ধারণা প্রদান করে।
- কৃষি প্রযুক্তি: সুমেরীয়রা অত্যন্ত উন্নত সেচ ব্যবস্থা এবং লাঙলের ব্যবহার শুরু করেছিল, যা মরুপ্রায় ভূমিকে শস্যভাণ্ডারে পরিণত করে।

• সাহিত্য: বিশ্বের প্রাচীনতম মহাকাব্য 'গিলগামেশ' (Epic of Gilgamesh) সুমেরীয় সংস্কৃতি থেকে উদ্ভূত।
- জিগুরাত: তারা তাদের প্রধান দেবতাদের সম্মানে বিশাল উঁচু মন্দির বা 'জিগুরাত' নির্মাণ করত।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১০.
অপারথাইড বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে কে জড়িত নন?
  1. নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. ডেসমন্ড টুটু
  3. স্টিভ বিকো
  4. চে গুয়েভারা
সঠিক উত্তর:
চে গুয়েভারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চে গুয়েভারা
ব্যাখ্যা

- অপারথাইড বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত নন চে গুয়েভারা।
• অপারথাইড বা বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন: 
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত চলা প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদের বিরুদ্ধে নেলসন ম্যান্ডেলা, ডেসমন্ড টুটু এবং স্টিভ বিকোর নেতৃত্বে বিশাল আন্দোলন গড়ে ওঠে।

দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দক্ষিণ আফ্রিকা আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
- পূর্ণ নাম: রিপাবলিক অফ সাউথ আফ্রিকা (Republic of South Africa).
- রাজধানী: দক্ষিণ আফ্রিকার তিনটি রাজধানী রয়েছে:
- প্রিটোরিয়া: প্রশাসনিক রাজধানী।
- কেপ টাউন: আইনসভা সংক্রান্ত রাজধানী।
- ব্লুমফন্টেইন: বিচার বিভাগীয় রাজধানী।
- জাতীয় দিবস: ২৭ এপ্রিল (স্বাধীনতা দিবস/মুক্তি দিবস)।
- রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান: রাষ্ট্রপতি (President)। তিনি ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি কর্তৃক নির্বাচিত হন।
- আইনসভা: এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট।
- ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি: নিম্নকক্ষ।
- ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ প্রভিন্সেস: উচ্চকক্ষ।
- রাজনৈতিক ব্যবস্থা: আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC) ঐতিহাসিকভাবে প্রভাবশালী দল হলেও বর্তমানে দেশটিতে বহুদলীয় জোট সরকারের রাজনীতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

• অপারথাইড বা বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন:
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত চলা প্রাতিষ্ঠানিক বর্ণবাদের বিরুদ্ধে নেলসন ম্যান্ডেলা, ডেসমন্ড টুটু এবং স্টিভ বিকোর নেতৃত্বে বিশাল আন্দোলন গড়ে ওঠে।
- ১৯৯৪ সালে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে এর অবসান ঘটে।

• অর্থনৈতিক সংস্কার (BEE): 'ব্ল্যাক ইকোনমিক এমপাওয়ারমেন্ট' (BEE) প্রকল্পের মাধ্যমে অর্থনীতিতে কৃষ্ণাঙ্গদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
- মুদ্রা: দক্ষিণ আফ্রিকান র‍্যান্ড (ZAR)।

উল্লেখ্য
- দক্ষিণ আফ্রিকা ব্রেক্সিট পরবর্তী যুক্তরাজ্যের সাথে এবং ব্রিকস (BRICS) সদস্য হিসেবে চীন ও রাশিয়ার সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সুসংহত করছে।
- জি২০ (G20) এর সদস্য হিসেবে বৈশ্বিক দক্ষিণে (Global South) নেতৃত্বের ভূমিকা পালন দেশটির বর্তমান প্রধান লক্ষ্য।

উৎস: South African Government Official Portal এবং Encyclopedia Britannica.

১১.
পারস্য সভ্যতা কোন দেশে কেন্দ্রীভূত ছিল?
  1. মিশর
  2. ইরান
  3. আফগানিস্তান
  4. তুরস্ক
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

পারস্য সভ্যতা:
- বর্তমান ইরানকে কেন্দ্র করে এই বিশাল ও শক্তিশালী সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল।
- এটি প্রাচীন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং সুসংগঠিত সাম্রাজ্য ছিল।
- পারস্য সাম্রাজ্যের গোড়াপত্তন করেন সম্রাট সাইরাস (Cyrus the Great)।

• সাম্রাজ্য বিস্তার ও শাসন পদ্ধতি:
- সম্রাট সাইরাস থেকে শুরু করে সম্রাট প্রথম দারিউস (Darius I) পর্যন্ত পারস্য সাম্রাজ্য এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিশাল অংশে বিস্তৃত ছিল।

• সম্রাট সাইরাসের সিলিন্ডার (Cyrus Cylinder): এটিকে বিশ্বের প্রথম 'মানবাধিকারের ঘোষণাপত্র' হিসেবে গণ্য করা হয়।
- সম্রাট সাইরাস যখন ব্যাবিলন জয় করেন, তখন তিনি সেখানকার বন্দি হিব্রুদের মুক্তি দেন এবং সবাইকে নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা দান করেন।

• ধর্ম ও দর্শন: পারস্যদের ধর্মের নাম ছিল 'জরথুস্ট্রবাদ' (Zoroastrianism)।
• স্থাপত্যকলা: পারস্য স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হলো 'পারসেপোলিস' (Persepolis) নামক বিশাল প্রাসাদ।
- মুদ্রার প্রচলন: সম্রাট দারিউস সর্বপ্রথম বাণিজ্য সহজ করার জন্য 'দারিক' (Daric) নামক স্বর্ণমুদ্রা এবং রৌপ্যমুদ্রার প্রচলন করেন।
- পারস্যরা প্রথম সুশৃঙ্খলভাবে একটি বিশাল নৌবাহিনী ও পদাতিক বাহিনী গড়ে তুলেছিল। তাদের বিশেষ একটি বাহিনী ছিল যার নাম 'ইমমোর্টালস' (Immortals) বা অমর বাহিনী।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
ভারতের বর্তমানে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল রয়েছে কয়টি? [ফ্রেব্রুয়ারি,২০২৬]
  1. ১০টি
  2. ৮টি
  3. ৬টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

• অঙ্গরাজ্য: বর্তমানে ভারতে ২৮টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে ।
- কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল: ভারতে ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল রয়েছে।
-  এগুলো হলো: আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, চণ্ডীগড়, দাদরা ও নগর হাভেলি এবং দমন ও দিউ, দিল্লি,  জম্মু ও কাশ্মীর, লাদাখ, লাক্ষাদ্বীপ, পুদুচেরি।

ভারত:
- ভারত আয়তনে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র।
-  বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ।
- পূর্ণ নাম: রিপাবলিক অফ ইন্ডিয়া বা ভারত প্রজাতন্ত্র।
- রাজধানী: নয়াদিল্লি (New Delhi)।
- জাতীয় দিবস: * ১৫ আগস্ট (স্বাধীনতা দিবস)।
- ২৬ জানুয়ারি (প্রজাতন্ত্র দিবস)।
- আইনসভা (Parliament): এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।
- লোকসভা: নিম্নকক্ষ (জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত)।
- রাজ্যসভা: উচ্চকক্ষ।
- পাকিস্তান, চীন, নেপাল, ভুটান, বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের সাথে এর স্থল সীমানা রয়েছে।
- মুদ্রা: ভারতীয় রুপি (₹ INR)।
- ভাষা:  হিন্দি ও ইংরেজি দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হয়।

• অঙ্গরাজ্য: বর্তমানে ভারতে ২৮টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে ।
- কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল: ভারতে ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ২০৭০ সালের মধ্যে "নেট জিরো" লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং গ্রিন হাইড্রোজেন মিশনে ভারত বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।

উৎস: Official Portal of the Government of India. এবং  Encyclopedia Britannica.লিঙ্ক

১৩.
প্রাচীন গ্রিসে একক সাম্রাজ্যের পরিবর্তে কি গড়ে উঠেছিল?
  1. প্রজাতন্ত্র
  2. দ্বীপ রাষ্ট্র
  3. গণরাজ্য
  4. নগর রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
নগর রাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগর রাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

গ্রীক সভ্যতা (Greek Civilization):
- গ্রিসের প্রধান সভ্যতাটি মূলত এজিয়ান সাগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল বলে একে 'এজিয়ান সভ্যতা'ও বলা হয়।
- এর দুটি প্রধান ধারা ছিল মিনোয়ান (ক্রিট দ্বীপ) এবং মাইসিনীয় (মূল ভূখণ্ড)।
• হোমারের মহাকাব্য: বিখ্যাত  কবি হোমারের 'ইলিয়াড' ও 'ওডিসি' মহাকাব্য দুটিতে এই প্রাচীন গ্রীক বীরত্ব, ট্রোজান যুদ্ধ এবং সভ্যতার কাহিনী বর্ণিত আছে।
• নগর রাষ্ট্র (City States): গ্রিস অসংখ্য পাহাড় ও উপত্যকায় বিভক্ত থাকায় সেখানে কোনো একক সাম্রাজ্যের পরিবর্তে ছোট ছোট 'নগর রাষ্ট্র' বা 'পলিস' গড়ে উঠেছিল।
- এথেন্স ও স্পার্টা ছিল এদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রতিদ্বন্দ্বী।

• এথেন্সকে বিশ্বের 'গণতন্ত্রের সূতিকাগার' বলা হয়।
- এথেন্সের বিপরীতে স্পার্টা ছিল একটি কঠোর সামরিক রাষ্ট্র। তাদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মূল লক্ষ্যই ছিল দক্ষ সৈনিক তৈরি করা।
- গ্রীকরা স্থাপত্যে অসামান্য দক্ষতা দেখিয়েছিল। এথেন্সের অ্যাক্রোপলিসে অবস্থিত 'পার্থেনন' মন্দিরটি তাদের স্থাপত্যকলার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

এছাড়াও,
• গ্রীকরা আধুনিক দর্শনের ভিত্তি স্থাপন করে। সক্রেটিস, প্লেটো এবং অ্যারিস্টটলের দর্শন আজও বিশ্বজুড়ে পঠিত। এছাড়া পীথাগোরাস (গণিত) এবং হিপোক্রেটিসকে (চিকিৎসা বিজ্ঞান) তাদের শ্রেষ্ঠ অবদানের জন্য স্মরণ করা হয়।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৭৬ অব্দে অলিম্পিয়া নামক স্থানে দেবতাদের রাজা 'জিউস'-এর সম্মানে প্রথম অলিম্পিক গেমস শুরু হয়।
- গ্রীকরা বহু ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিল। প্রধান দেবতাদের মধ্যে ছিলেন জিউস (আকাশ ও বিদ্যুৎ), অ্যাপোলো (সূর্য), অ্যাথেনা (প্রজ্ঞা) এবং পসাইডন (সমুদ্র)।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
ফ্রান্সের জাতীয় নীতিবাক্য কী? 
  1. ঐক্য, শক্তি ও সমৃদ্ধি
  2. স্বাধীনতা, ঐক্য ও শান্তি
  3. স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
  4. সত্য, ন্যায় ও শান্তি
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব
ব্যাখ্যা

ফ্রান্স:
- ফ্রান্স পশ্চিম ইউরোপের একটি রাষ্ট্র, 
- এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- রাজধানী: প্যারিস (Paris)
- জাতীয় দিবস: ১৪ জুলাই (বাস্তিল দিবস)
- জাতীয় নীতিবাক্য: স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাষ্ট্রপতি (President)। তিনি সরাসরি জনগণের ভোটে ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
- আইনসভা: এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।
- ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি (National Assembly): নিম্নকক্ষ।
- সিনেট (Senate): উচ্চকক্ষ।

•  সংস্কার আন্দোলন (Reform Movements):
- ফরাসি বিপ্লব (১৭৮৯): আধুনিক ফ্রান্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয় এই ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে, যা রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে সাম্য ও স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিল।
- পেনশন সংস্কার আন্দোলন (২০২৩-২৫): অবসরগ্রহণের বয়সসীমা বৃদ্ধি নিয়ে ফ্রান্সে বড় ধরনের শ্রমিক আন্দোলন ও প্রশাসনিক সংস্কার হয়েছে।
- মুদ্রা: ইউরো (€ EUR)।
- ভাষা: রাষ্ট্রীয় ভাষা ফরাসি (French)।

• সংস্কৃতি: লুভ্যর মিউজিয়াম, আইফেল টাওয়ার এবং কান চলচ্চিত্র উৎসব ফরাসি সংস্কৃতির বৈশ্বিক আইকন।

উৎস: Official Portal of the French Government এবং Britannica ওয়েবসাইট।

১৫.
হিব্রু সভ্যতার প্রধান নগর কোনটি ছিল?
  1. উরুক
  2. জেরুজালেম
  3. রোম
  4. বাগদাদ
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেরুজালেম
ব্যাখ্যা

 হিব্রু সভ্যতা:
- বর্তমান ফিলিস্তিন ও ইসরাইল অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা একটি প্রাচীন সভ্যতা হলো হিব্রু সভ্যতা।
- হিব্রু সভ্যতা জেরুজালেম নগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে।
- হিব্রু জাতি বর্তমানে ইসরাইলে বসবাস করে।
• হিব্রু মূলত ভাষার নাম, অর্থ যাযাবর বা নিম্ন শ্রেণি।
- জাতিগতভাবে হিব্রু সভ্যতার লোকজন একটি মিশ্র জাতি।
- প্রধান ধর্মীয় নেতা: হযরত মূসা (আ)।
- হিব্রুদের আদি পুরুষ ইব্রাহিম (আ:)।
- পৃথিবীর প্রাচীন ভাষা হিব্রু ভাষা।
- হিব্রু সভ্যতার অবদান ধর্ম প্রচার।
- হিব্রুদেরও আইন অনেকটা হাম্মুরাবীর আইনের দ্বারা প্রভাবিত।
- ব্যাবিলনীয় আইনের অনুকরণে তারা যে আইন তৈরী করে তা 'ডিউটোরোনোমিক কোড' নামে পরিচিত ছিল।

উৎস:  Britannica. এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
বেলফোর ঘোষণা করা হয় কত সালে? 
  1. ১৯১৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯২০ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৭ সালে
ব্যাখ্যা

- বেলফোর ঘোষণা করা হয় ১৯১৭ সালে।
• প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর একটি ঘোষণা দেন, যা 'বেলফোর ঘোষণা' নামে পরিচিত। 

ইসরায়েল:
- ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যের দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত।
- এটি বিশ্বের একমাত্র ইহুদি সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ
- রাজধানী: জেরুজালেম (জেরুজালেমকে ইসরায়েল তার রাজধানী হিসেবে দাবি করলেও আন্তর্জাতিকভাবে এটি বিতর্কিত এবং অধিকাংশ দেশের দূতাবাস তেল আবিব-এ অবস্থিত)।
- আইনসভা (Knesset): ইসরায়েলের পার্লামেন্ট 'নেসেট' নামে পরিচিত, যা ১২০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
- সীমানা: উত্তরে লেবানন, উত্তর-পূর্বে সিরিয়া, পূর্বে জর্ডান, দক্ষিণ-পশ্চিমে মিশর এবং পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর।
- মুদ্রা: নিউ ইসরায়েলি শেকেল।
- ভাষা: হিব্রু (Hebrew) দাপ্তরিক ভাষা।

• বেলফোর ঘোষণা (১৯১৭):
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর একটি ঘোষণা দেন, যা 'বেলফোর ঘোষণা' নামে পরিচিত।
- ব্রিটিশ সরকার ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইহুদিদের জন্য একটি 'জাতীয় আবাসভূমি' প্রতিষ্ঠার প্রতি সমর্থন জানায়।

• জাতিসংঘের বিভক্তি পরিকল্পনা (১৯৪৭): ব্রিটিশরা ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানের দায়িত্ব নবগঠিত জাতিসংঘের ওপর ছেড়ে দেয়।
- ১৯৪৭ সালের ২৯ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে 'রেজোলিউশন ১৮১' পাস হয়,
- যাতে ফিলিস্তিনকে দুটি ভাগে বিভক্ত করে একটি ইহুদি রাষ্ট্র ও একটি আরব রাষ্ট্র এবং জেরুজালেমকে আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাব দেওয়া হয়। ইহুদিরা এটি মেনে নিলেও আরবরা প্রত্যাখ্যান করে।

• ১৯৪৮ সালের ১৪ মে তেল আবিবে ডেভিড বেন-গুরিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে ইসরায়েল রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- যুক্তরাষ্ট্র এবং তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন দ্রুত এই নতুন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: Israel Government Portal এবং Britannica.

১৭.
বর্তমানে এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. চীন
  2. ভারত
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা

এশিয়া মহাদেশ:
- বিশ্বের বৃহত্তম মহাদেশ।
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট এভারেস্ট (৮,৮৪৮.৮৬ মিটার)। এটি নেপাল ও চীনের সীমান্তে অবস্থিত।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: মৃত সাগর (Dead Sea)। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪৩০ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: এশিয়ার নিজস্ব সীমানায় চীন বৃহত্তম।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: মালদ্বীপ (আয়তন ও জনসংখ্যা উভয় দিক থেকে)।
- বৃহত্তম হ্রদ: কাস্পিয়ান সাগর (এটি লোনা পানির হ্রদ)।
- গভীরতম হ্রদ: বৈকাল হ্রদ (রাশিয়া), এটি পৃথিবীর বৃহত্তম মিষ্টি পানির আধার।
- দীর্ঘতম নদী: ইয়াংসি নদী (চীন), দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৩০০ কিমি।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: ভারত (বর্তমানে চীনকে অতিক্রম করেছে)।
- জনবহুল শহর: টোকিও, জাপান (বিশ্বের বৃহত্তম মেট্রোপলিটন এলাকা)।
- শীতলতম স্থান: উত্তর এশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলের ওময়াকন (Oymyakon) পৃথিবীর সবচেয়ে শীতলতম জনবসতি।

এছাড়াও, 
- গ্রেট ওয়াল অফ চায়না (চীন): মানুষের তৈরি বিশ্বের দীর্ঘতম প্রতিরক্ষা প্রাচীর।
- তাজমহল (ভারত): মোঘল স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন এবং বিশ্বের অন্যতম বিস্ময়।
- পেত্রা (জর্ডান): প্রাচীন পাথরে খোদাই করা শহর।
- আঙ্কোর ওয়াট (কম্বোডিয়া): বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় মন্দির এলাকা।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

১৮.
কানাডা কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. আফ্রিকা
  3. ইউরোপ
  4. উত্তর আমেরিকা
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা

কানাডা:
- উত্তর আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- কানাডা আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ।
- রাজধানী: অটোয়া (Ottawa)।
- বৃহত্তম শহর: টরন্টো।
- সরকার পদ্ধতি: সংসদীয় গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস (গভর্নর জেনারেলের মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করেন)।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী (বর্তমানে মার্ক কার্নি (Mark Carney)।
- মুদ্রা: কানাডিয়ান ডলার (CAD, $)।
- ভাষা: ইংরেজি ও ফরাসি (উভয়ই সরকারি ভাষা)।

• সীমানা: দক্ষিণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (বিশ্বের দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক স্থল সীমান্ত), পূর্বে আটলান্টিক মহাসাগর, পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর এবং উত্তরে উত্তর মহাসাগর।
-  ১৫৩৪ সালে ফরাসিরা এবং পরবর্তীতে ব্রিটিশরা এখানে উপনিবেশ স্থাপন করে। ১৭৬৩ সালের প্যারিস চুক্তির পর ব্রিটিশরা উত্তর আমেরিকার বেশিরভাগ অংশের নিয়ন্ত্রণ নেয়।
- ১৮৬৭ সালের ১ জুলাই 'কানাডা অ্যাক্ট'-এর মাধ্যমে একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র হিসেবে কানাডা রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- ১৯১৮ সালে কানাডিয়ান নারীরা ফেডারেল নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার পান।

উৎস: Government of Canada Official Website এবং Britannica.

১৯.
ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?
  1. রাইন
  2. ভলগা
  3. দানিউব
  4. হোয়াংহো
সঠিক উত্তর:
ভলগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভলগা
ব্যাখ্যা

ইউরোপ মহাদেশ:
- বৃহত্তম দেশ: রাশিয়া (ইউরোপীয় অংশ)।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: ভ্যাটিকান সিটি। এটি আয়তন এবং জনসংখ্যা উভয় দিক থেকেই বিশ্বের ক্ষুদ্রতম স্বাধীন দেশ।
- দীর্ঘতম নদী: ভলগা নদী (রাশিয়া), দৈর্ঘ্য প্রায় ৩,৫৩০ কিমি।
- বৃহত্তম হ্রদ: লাডোগা হ্রদ (রাশিয়া)।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ: নরওয়ে, সুইডেন এবং ডেনমার্ককে একত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়া বলা হয়।
- আল্পস পর্বতমালা: এটি ইউরোপের সবচেয়ে বিস্তৃত এবং গুরুত্বপূর্ণ পর্বতমালা
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU): এটি ইউরোপের ২৭টি দেশের একটি অনন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
- শিল্প বিপ্লব: আধুনিক শিল্প বিপ্লবের সূচনা ইউরোপে (যুক্তরাজ্য) হয়েছি।
- ইউরোপ বিশ্বের একমাত্র মহাদেশ যেখানে কোনো মরুভূমি নেই।
- ট্রান্সকন্টিনেন্টাল দেশ: রাশিয়া, তুরস্ক,  ইউরোপ ও এশিয়া উভয় মহাদেশেই বিস্তৃত।

উৎস: WorldAtlas.com.

২০.
ফিলিস্তিন কোথায় অবস্থিত?
  1. মধ্য এশিয়া
  2. পশ্চিম এশিয়া
  3. দক্ষিণ এশিয়া
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম এশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিম এশিয়া
ব্যাখ্যা

ফিলিস্তিন:
- ফিলিস্তিন পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- প্রধানত দুটি বিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত পশ্চিম তীর (West Bank) এবং গাজা উপত্যকা (Gaza Strip)।
- সীমানা: পশ্চিম তীরের পূর্বে জর্ডান এবং উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমে ইসরায়েল।
- গাজা উপত্যকার পশ্চিমে ভূমধ্যসাগর, দক্ষিণে মিশর এবং উত্তর ও পূর্বে ইসরায়েল।
- প্রধান নদী: জর্ডান নদী পশ্চিম তীরের পূর্ব সীমানা ঘেঁষে প্রবাহিত।
- মৃত সাগর (Dead Sea): পশ্চিম তীরের পূর্ব অংশে মৃত সাগরের উপকূল অবস্থিত।
- প্রধান শহর: জেরুজালেম (পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনিরা তাদের রাজধানী হিসেবে গণ্য করে), রামাল্লাহ (প্রশাসনিক কেন্দ্র), গাজা সিটি, হেব্রন এবং বেথলেহেম।
- ভাষা: আরবি ফিলিস্তিনের দাপ্তরিক ভাষা।
- ধর্ম: এখানকার অধিকাংশ মানুষ সুন্নি মুসলিম।
- মুদ্রা: ফিলিস্তিনের নিজস্ব কোনো মুদ্রা নেই; সাধারণত ইসরায়েলি শেকেল, জর্ডানি দিনার এবং মার্কিন ডলার ব্যবহৃত হয়।
- আল-আকসা মসজিদ (জেরুজালেম): ইসলাম ধর্মের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান।
-  ফিলিস্তিনের জেরিকো (Jericho) শহরটিকে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন হিসেবে গণ্য করা হয়।
- জলপাই গাছ: ফিলিস্তিনি সংস্কৃতিতে জলপাই গাছ শান্তি, ধৈর্য এবং মাটির সাথে গভীর সম্পর্কের প্রতীক।
- ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ: বেথলেহেমের চার্চ অফ দ্য নেটিভিটি এবং হেব্রনের পুরনো শহর ইউনেস্কো স্বীকৃত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ।

এছাড়াও,
- সর্বশেষ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ ফ্রান্স।
- ফ্রান্স: ২০২৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- প্রথম স্বীকৃতিদাতা দেশ: আলজেরিয়া।

উৎস: WorldAtlas.com.

২১.
আফ্রিকার ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি? 
  1. সান মারিনো
  2. সিচেলিস
  3. মোনাকো
  4. লুক্সেমবার্গ
সঠিক উত্তর:
সিচেলিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিচেলিস
ব্যাখ্যা

আফ্রিকা মহাদেশ:
- আফ্রিকা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল মহাদেশ।:
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো (৫,৮৯৫ মিটার)।
- এটি তানজানিয়ায় অবস্থিত একটি আগ্নেয়গিরি।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: আসাল হ্রদ (Lake Assal)। এটি জিবুতিতে অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫৫ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: আলজেরিয়া (আয়তনের দিক থেকে)।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: সিচেলিস (এটি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র)।
- দীর্ঘতম নদী: নীল নদ (Nile River)।
- বৃহত্তম হ্রদ: ভিক্টোরিয়া হ্রদ। এটি আফ্রিকার বৃহত্তম এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিষ্টি পানির হ্রদ।
- বৃহত্তম মরুভূমি: সাহারা মরুভূমি। এটি বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: নাইজেরিয়া।
- খনিজ তেল: নাইজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা এবং লিবিয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ।
- গিজার পিরামিড (মিশর): প্রাচীন বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি যা আজও টিকে আছে।
- ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত (জাম্বিয়া/জিম্বাবুয়ে): বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ও চিত্তাকর্ষক জলপ্রপাত।
- মাউন্ট কেনিয়া: আফ্রিকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট।
- দীর্ঘতম উপকূলরেখা: সোমালিয়ার উপকূলরেখা আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডে দীর্ঘতম।

উৎস: WorldAtlas.com.

২২.
ইরানে ইসলামিক বিপ্লবের নায়ক ছিলেন কে?
  1. হোসেইন আমির
  2. শাহ পাহলভী
  3. আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
  4. আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী
সঠিক উত্তর:
আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী
ব্যাখ্যা

- ইরানের বিপ্লবের নায়ক ছিলেন আয়াতোল্লাহ রুহুলুল্লাহ খোমেনি।

ইরান: 
- ঐতিহাসিকভাবে পারস্য নামে পরিচিত।
- অফিসিয়াল নাম: ইসলামি প্রজাতন্ত্রী ইরান (Islamic Republic of Iran)।
- রাজধানী: তেহরান (এটি দেশটির বৃহত্তম শহর এবং রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক কেন্দ্র)।
- বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা (Supreme Leader): আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি।
- মুদ্রা: রিয়াল (Rial)।
- ভাষা: ফার্সি (অফিসিয়াল)। এছাড়া কুর্দি, আজারি এবং লুরি ভাষা প্রচলিত।
- ধর্ম: ইসলাম। জনসংখ্যার ৯০% এর বেশি শিয়া মুসলিম; বাকিরা সুন্নি এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু ধর্মের।
- ইরান দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় অবস্থিত।
- এর উত্তরে কাস্পিয়ান সাগর এবং দক্ষিণে পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগর।
- এটি তুরস্ক, ইরাক, আফগানিস্তান, পাকিস্তান এবং মধ্য এশিয়ার দেশগুলোর সাথে সীমানা রয়েছে।

• ইরানের ইসলামিক বিপ্লব:
- এই বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৯৭৯ সালে।
- এই বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের শাহ রাজতন্ত্রের পতন ঘটে।
- বিপ্লবের মাধ্যমে পাশ্চাত্যের প্রভাবমুক্ত হয়ে একটি ইসলামি প্রজাতন্ত্রে আবির্ভূত হয় ইরান।
- শেষ রাজা ছিলেন শাহ পাহলভী।
- ইরানের বিপ্লবের নায়ক ছিলেন আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনী।
- তিনি দীর্ঘদিন ফ্রান্সে নির্বাসিত ছিলেন।

উৎস: Britannica.

২৩.
দক্ষিণ আমেরিকার স্থলবেষ্টিত দেশ কোনগুলো?
  1. বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়ে
  2. চিলি এবং উরুগুয়ে
  3. ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনা
  4. ভেনিজুয়েলা এবং কলম্বিয়া
সঠিক উত্তর:
বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়ে
ব্যাখ্যা

- স্থলবেষ্টিত দেশ: দক্ষিণ আমেরিকায় মাত্র দুটি স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়ে।

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
- সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: মাউন্ট অ্যাকনকাগুয়া (৬,৯৬১ মিটার)।
- এটি আর্জেন্টিনায় অবস্থিত এবং এশিয়ার বাইরে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
- সর্বনিম্ন বিন্দু: লেগুনা ডেল কার্বন। এটি আর্জেন্টিনায় অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০৫ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: ব্রাজিল (এটি মহাদেশের প্রায় অর্ধেক ভূখণ্ড দখল করে আছে)।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: সুরিনাম।
- বৃহত্তম নদী: আমাজন নদী (Amazon River)। এটি জলপ্রবাহের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম নদী।
- দীর্ঘতম পর্বতমালা: আন্দিজ পর্বতমালা। এটি বিশ্বের দীর্ঘতম মহাদেশীয় পর্বতমালা।
- শুষ্কতম স্থান: আতাকামা মরুভূমি (চিলি)। এটি পৃথিবীর অন্যতম শুষ্কতম অঞ্চল।
- সর্বাধিক জনবহুল দেশ: ব্রাজিল।
- কৃষি পণ্য: কফি (ব্রাজিল ও কলম্বিয়া), সয়াবিন এবং গরুর মাংস উৎপাদনে দক্ষিণ আমেরিকা বিশ্বে শীর্ষস্থানীয়।
- খনিজ সম্পদ: চিলি বিশ্বের বৃহত্তম তামা উৎপাদনকারী দেশ।
- এছাড়া ভেনিজুয়েলায় বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুত রয়েছে।
- পর্যটন: পেরুর মাচু পিচু এবং ব্রাজিলের রিও ডি জেনেরিও বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
- অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত (ভেনিজুয়েলা): বিশ্বের সর্বোচ্চ নিরবচ্ছিন্ন জলপ্রপাত (উচ্চতা ৯৭৯ মিটার)।

এছাড়াও,
- পৃথিবীর ফুসফুস: আমাজন রেইনফরেস্টকে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।
- স্থলবেষ্টিত দেশ: দক্ষিণ আমেরিকায় মাত্র দুটি স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ রয়েছে—বলিভিয়া এবং প্যারাগুয়ে।
- পানামা খাল: এটি দক্ষিণ আমেরিকাকে উত্তর আমেরিকা থেকে পৃথক করেছে এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যের একটি প্রধান পথ।

উৎস: WorldAtlas.com.

২৪.
ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান কার জন্য নির্মিত হয়েছিল?
  1. সৈন্যদের প্রশিক্ষণের জন্য
  2. সম্রাট নেবুচাদনেজারের পুত্র জন্য
  3. সম্রাট নেবুচাদনেজারের রানীর জন্য
  4. রাজ্য পরিচালনার জন্য
সঠিক উত্তর:
সম্রাট নেবুচাদনেজারের রানীর জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট নেবুচাদনেজারের রানীর জন্য
ব্যাখ্যা

ব্যাবিলনীয় সভ্যতা (Babylonian Civilization):
- মেসোপটেমিয়ার টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে সুমেরীয় সভ্যতার পতনের পর ব্যবিলনীয় সভ্যতা বিকশিত হয়।
- এটি মূলত দক্ষিণ মেসোপটেমিয়ার 'ব্যাবিলন' শহরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।

• ভৌগোলিক অবস্থান:
- বর্তমান ইরাকের বাগদাদ শহরের দক্ষিণে ইউফ্রেটিস নদীর তীরে ব্যাবিলন শহরটি অবস্থিত ছিল।

• কালক্রম: এটি প্রধানত দুটি পর্যায়ে বিভক্ত:
১. পুরাতন ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য: খ্রিস্টপূর্ব ১৮৯৪ – ১৫৯৫ অব্দ (বিখ্যাত সম্রাট হাম্মুরাবির সময়কাল)।
২. নব্য ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য: খ্রিস্টপূর্ব ৬২৬ – ৫৩৯ অব্দ (সম্রাট নেবুচাদনেজারের সময়কাল)। [ব্রিটানিকা]

• ঐতিহাসিক অর্জন ও অবদান:
- হাম্মুরাবির আইন সংকলন (Code of Hammurabi): বিশ্বের প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক পূর্ণাঙ্গ লিখিত আইনগুলোর একটি” ।
- ২৮২টি আইনের এই সংকলনটি একটি বিশাল পাথরের স্তম্ভে খোদাই করা ছিল, যার মূলনীতি ছিল "চোখের বদলে চোখ এবং দাঁতের বদলে দাঁত"।
- ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান (Hanging Gardens of Babylon): সম্রাট নেবুচাদনেজার তাঁর রানীর জন্য এটি নির্মাণ করেছিলেন।
- এটি প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি।

• জ্যোতির্বিদ্যা ও গণিত: ব্যবিলনীয়রা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ গণনায় পারদর্শী ছিল।
- তারা রাশিচক্রের (Zodiac) ১২টি চিহ্নের ধারণা প্রবর্তন করে এবং বর্ষপঞ্জি তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• স্থাপত্য: তারা পোড়া ইটের ব্যবহার এবং খিলান ও গম্বুজ নির্মাণে দক্ষ ছিল। ব্যবিলনের 'ইশতার গেট' (Ishtar Gate) তাদের উন্নত স্থাপত্যকলার অন্যতম নিদর্শন।

• সভ্যতার পতন :
-  খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৯ অব্দে পারস্যের সম্রাট সাইরাস দ্য গ্রেট ব্যাবিলন দখল করেন। এর ফলে মেসোপটেমিয়ার ওপর ব্যাবিলনীয়দের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব চিরতরে শেষ হয়।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

২৫.
কিউবার মুদ্রার নাম কী? 
  1. পেসো
  2. ডলার
  3. রিয়াল
  4. বলিভার
সঠিক উত্তর:
পেসো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেসো
ব্যাখ্যা

 কিউবা:
- কিউবা ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের বৃহত্তম দ্বীপ রাষ্ট্র,
- রাজধানী: হাবানা (Havana)।
- বৃহত্তম শহর: হাবানা।
- সরকার পদ্ধতি: একক দলীয় সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র।
- মুদ্রা: কিউবান পেসো (CUP)।
- ভাষা: স্প্যানিশ।
- অবস্থান: মেক্সিকো উপসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর এবং ক্যারিবিয়ান সাগরের মিলনস্থলে অবস্থিত।
- প্রাকৃতিক সৌন্দর্য: ইউনেস্কো স্বীকৃত 'ভিনালেস উপত্যকা' এবং দেশটির অসংখ্য সাদা বালুর সৈকত পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ।

• বিপ্লবী ঐতিহ্য: ১৯৫৯ সালের কিউবান বিপ্লবের মাধ্যমে ফিদেল কাস্ত্রো ক্ষমতায় আসেন।
- সংবিধান সংস্কার: ২০১৯ সালে নতুন সংবিধানের মাধ্যমে সীমিত আকারে ব্যক্তিগত মালিকানা এবং ইন্টারনেটের ব্যবহারের পথ সুগম করা হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা, আল জাজিরা।

২৬.
ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ কোথায় পাওয়া যায়? 
  1. চিচেন ইৎজা
  2. কলোসিয়াম
  3. মাচু পিচু
  4. কুসকো
সঠিক উত্তর:
মাচু পিচু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাচু পিচু
ব্যাখ্যা

ইনকা সভ্যতা:
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার একটি প্রাচীন সভ্যতা।
- ইনকা সভ্যতা পেরুকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।
-প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূল এবং আন্দিজ পর্বতমালা বরাবর উত্তর ইকুয়েডর থেকে মধ্য চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ইনকা সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ দেখা যায় পেরুর মাচু পিচুতে।
-
নতুন সপ্তাশ্চর্য ‘মাচুপিচু’ (Machu Picchu) ইনকা সভ্যতার নিদর্শন।
- তারা বিশাল বিশাল পাথর দিয়ে কোনো সিমেন্ট বা চুন ছাড়াই সুনিপুণভাবে দেয়াল তৈরি করত, যা আজও বিশ্বের বিস্ময়।
- স্থপতি: মানকো কাপেন।
- ইনকাদের কোনো লিখিত লিপি ছিল না। এর বদলে তারা রঙিন সুতার গিঁট দিয়ে হিসাব রাখা ও তথ্য আদান-প্রদান করত, যাকে 'কুইপু' বলা হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং হিস্টোরি .কম।

২৭.
ভেনেজুয়েলার বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট কে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. নিকোলাস মাদুরো
  2. ডেলসি রদ্রিগেজ
  3. হুয়ান গুয়াইডো
  4. হোসে লুইস রমেরো
সঠিক উত্তর:
ডেলসি রদ্রিগেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেলসি রদ্রিগেজ
ব্যাখ্যা

ভেনেজুয়েলা:
- দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলে অবস্থিত একটি দেশ,
- যা বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুদ জন্য পরিচিত।
- অফিসিয়াল নাম: বোলিভারিয়ান রিপাবলিক অফ ভেনেজুয়েলা (Bolivarian Republic of Venezuela)।
- রাজধানী: কারাকাস (Caracas)।
- বৃহত্তম শহর: কারাকাস।
- সরকার পদ্ধতি: রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- রাষ্ট্রপতি: ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী/ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হলেন ডেলসি রদ্রিগেজ (Delcy Rodríguez),
- তিনি দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট থেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
- মুদ্রা: বলিভার সোবেরানো (VES)।
- ভাষা: স্প্যানিশ।

উল্লেখ্য,
- ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘসময় ধরে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাস মাদুরো   কিন্তু ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আটক হওয়ার পর ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে রয়েছে।

ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য:
- অ্যাঞ্জেল ফলস (Angel Falls): বিশ্বের সর্বোচ্চ জলপ্রপাত, যা ভেনেজুয়েলার কানাইমা ন্যাশনাল পার্কে অবস্থিত।
- তেলের মজুদ: ভেনেজুয়েলা বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুদের (Proven Oil Reserves) অধিকারী দেশ।
- সীমান্ত বিরোধ: প্রতিবেশী গায়ানার সাথে 'এসিকুইবো' (Essequibo) অঞ্চল নিয়ে ভেনেজুয়েলার দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ রয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা, রয়টার্স এবং বিবিসি নিউজ।

২৮.
অ্যাজটেক সভ্যতার মূল কেন্দ্র কোথায় গড়ে উঠেছিল?
  1. পেরুর উপকূলে
  2. মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে
  3.  চিলির উপকূলীয় অঞ্চল
  4. বলিবিয়ায় 
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে
ব্যাখ্যা

অ্যাজটেক সভ্যতা (Aztec Civilization):
- বর্তমান মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে গড়ে ওঠা এই সভ্যতাটি ছিল প্রাচীন আমেরিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শক্তিশালী সভ্যতা।
- আনুমানিক ১৩০০ থেকে ১৫২১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে এই সভ্যতা উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছায়।
- তাদের প্রধান শহর বা রাজধানীর নাম ছিল 'টেনোচটিটলান' (Tenochtitlan),
- যা একটি হ্রদের মাঝখানে কৃত্রিম দ্বীপে গড়ে উঠেছিল (বর্তমান মেক্সিকো সিটি)।

• অর্থনীতি ও বাণিজ্য:
- অ্যাজটেকরা বাণিজ্যে অত্যন্ত উন্নত ছিল। 
- তারা মুদ্রার বদলে অনেক সময় কোকো বিন (Cacao beans) ব্যবহার করত।

• স্থাপত্য ও প্রকৌশল (Engineering Marvels):
- অ্যাজটেকরা জলাভূমির ওপর বড় বড় পিরামিড, মন্দির এবং প্রাসাদ তৈরি করেছিল।
- 'চিনাম্পা' (Chinampa) বা ভাসমান বাগান ছিল তাদের এক অসামান্য উদ্ভাবন।
- হ্রদের ওপর কৃত্রিম জমি তৈরি করে তারা সারা বছর কৃষিকাজ করত।

• ধর্ম ও বলিদান প্রথা:
- অ্যাজটেকরা বহু ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিল। তাদের প্রধান দেবতাদের মধ্যে ছিলেন 'হুইজিলোপোচটলি' (সূর্য ও যুদ্ধের দেবতা) এবং 'কুয়েটজালকোটল' (জ্ঞানের দেবতা)।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং হিস্টোরি ডট কম।

২৯.
আলজেরিয়া কোন সাগরের উপকূলে অবস্থিত?
  1. ভূমধ্যসাগর
  2. কৃষ্ণ সাগর
  3. আরব সাগর
  4. লোহিত সাগর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা

আলজেরিয়া:
- আলজেরিয়া আয়তনের দিক থেকে আফ্রিকা মহাদেশের এবং আরব বিশ্বের বৃহত্তম দেশ।
- এটি ভূমধ্যসাগরীয় উপকূল  অবিস্থিত।
- রাজধানী: আলজিয়ার্স (Algiers)।
- বৃহত্তম শহর: আলজিয়ার্স।
- সরকার পদ্ধতি: আধা-রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- রাষ্ট্রপতি: আবদেল মাজিদ তেবৌন।
- মুদ্রা: আলজেরীয় দিনার (DZD)।
- ভাষা: আরবি ও তামাঝাইট (অফিসিয়াল), ফরাসি (বাণিজ্যিক ও শিক্ষায় বহুল ব্যবহৃত)।
- অ্যাটলাস পর্বতমালা: দেশটির উত্তরাঞ্চলে সাহারা এবং ভূমধ্যসাগরের মাঝখানে এই পর্বতমালা অবস্থিত।
- ফরাসি শাসন: ১৩২ বছরের দীর্ঘ ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের পর ১৯৬২ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে আলজেরিয়া স্বাধীনতা লাভ করে।
- আঞ্চলিক শক্তি: আলজেরিয়া আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU), আরব লীগ এবং ওপেকের (OPEC) অত্যন্ত প্রভাবশালী সদস্য।

উল্লেখ্য,
- ফিলিস্তিন ইস্যু: আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আলজেরিয়া ফিলিস্তিনের একনিষ্ঠ সমর্থক এবং সম্প্রতি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্যপদের পক্ষে জোরালো ভূমিকা পালন করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা, আল জাজিরা নিউজ।  

৩০.
হাইডেলবার্গ মানবের প্রথম জীবাশ্ম কোথায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. চীন
  3. জার্মানি
  4. নরওয়ে
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা

- হাইডেলবার্গ মানবের প্রথম জীবাশ্ম জার্মানিতে আবিষ্কৃত হয়।

হাইডেলবার্গ মানব (Heidelberg Man):

- হাইডেলবার্গ মানব বা 'হোমো হাইডেলবার্গেনসিস' (Homo heidelbergensis) হলো আধুনিক মানুষ (Homo sapiens) এবং নিয়ানডারথাল (Neanderthals) মানুষের সাধারণ পূর্বপুরুষ বলে ধারণা করা হয়।
- এরা আজ থেকে প্রায় ৭,০০,০০০ থেকে ২,০০,০০০ বছর আগে বসবাস করত।

• আবিষ্কারের ইতিহাস:
- ১৯০৭ সালে জার্মানির হাইডেলবার্গ শহরের কাছে মাউয়ার (Mauer) নামক স্থানে একটি বালুর খনিতে প্রথম এই প্রজাতির চোয়ালের হাড় (Mauer mandible) আবিষ্কৃত হয়।
- শ্রমিক ড্যানিয়েল হার্টম্যান এটি খুঁজে পান এবং পরবর্তীতে অধ্যাপক অটো শয়টেনস্যাক (Otto Schoetensack) এটি শনাক্ত করে এর নাম দেন 'হোমো হাইডেলবার্গেনসিস'।

• শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
- এদের মস্তিষ্কের আকার ছিল প্রায় ১১০০ থেকে ১৪০০ সিসি (cc), যা আধুনিক মানুষের মস্তিষ্কের আকারের কাছাকাছি।
- এরা ছিল প্রথম দিকের এমন এক প্রজাতি যারা শীত প্রধান জলবায়ু বা ঠান্ডা পরিবেশে বসবাসের জন্য অভিযোজিত হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউশন।

৩১.
কোন করিডোর আফগানিস্তানকে চীনের সাথে যুক্ত করেছে?
  1. খাইবার করিডোর
  2. সিল্ক করিডোর
  3. ওয়াখান করিডোর
  4. পামির করিডোর
সঠিক উত্তর:
ওয়াখান করিডোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াখান করিডোর
ব্যাখ্যা

আফগানিস্তান:
- আফগানিস্তান মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- একটি স্থলবেষ্টিত এবং পার্বত্য দেশ।
- রাজধানী: কাবুল (Kabul)।
- বৃহত্তম শহর: কাবুল।
- মুদ্রা: আফগানি (AFN)।
- ভাষা: পাশতু এবং দরি (ফার্সি)।
- হিন্দুকুশ পর্বতমালা পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃত এবং দেশটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে।
- স্থলবেষ্টিত অবস্থান: এর উত্তরে তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্তান; পূর্বে ও দক্ষিণে পাকিস্তান; পশ্চিমে ইরান এবং উত্তর-পূর্বে চীন।
- আফগান করিডোর: ওয়াখান করিডোর নামক একটি সরু ভূখণ্ড আফগানিস্তানকে চীনের সাথে যুক্ত করেছে।

উল্লেখ্য,
- তালেবান শাসন: ২০২১ সালের আগস্টে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের পর তালেবান পুনরায় ক্ষমতা দখল করে। অধিকাংশ দেশ এখনও তাদের সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি।
- আফগানিস্তানে পাশতুন (বৃহত্তম), তাজিক, হাজারা এবং উজবেকসহ অসংখ্য জাতিগোষ্ঠী বাস করে।
- নারী অধিকার: বর্তমান শাসনামলে নারী শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক সমালোচিত।

উৎস:  ব্রিটানিকা, আল জাজিরা এবং বিবিসি নিউজ।

৩২.
মিশরীয়রা প্যাপিরাস থেকে কী তৈরি করত?
  1. পোশাক
  2. কাগজ
  3. খাবার
  4. রং
সঠিক উত্তর:
কাগজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাগজ
ব্যাখ্যা

মিশরীয় সভ্যতা:
- ঐতিহাসিক হেরোডোটাসের মতে, মিশর হলো "নীল নদের দান" (The Gift of the Nile)। নীল নদের নিয়মিত বন্যা ও পলিমাটি না থাকলে এই মরু অঞ্চলে এমন বিশাল সভ্যতার বিকাশ অসম্ভব ছিল।
- ফারাওরা ছিলেন মিশরের একচ্ছত্র অধিপতি। তারা মনে করতেন তারা দেবতা 'হোরাস'-এর উত্তরসূরি।
- খুফু (Khufu): চতুর্থ রাজবংশের শাসক, যিনি বিশাল পিরামিড নির্মাণ করেন।
- হাটশেপসুট (Hatshepsut): তিনি কেবল রাণী ছিলেন না, বরং ফারাও হিসেবে পূর্ণ ক্ষমতা ভোগ করতেন এবং বাণিজ্যে উন্নতি ঘটান।
- তুতেনখামেন (Tutankhamun): "বালক রাজা" হিসেবে পরিচিত,
- মিশরের অর্থনীতির মূল ভিত্তি ছিল কৃষি।
- নীল নদ: প্রতি বছর নীল নদে বন্যা হতো, যা জমিতে উর্বর পলি ফেলে যেত। তারা বাঁধ ও সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে এই পানি নিয়ন্ত্রণ করত।
- প্যাপিরাস: এই গাছ থেকে তারা বিশ্বের প্রথমদিককার কাগজ তৈরি করেছিল।
- দেব-দেবী: সূর্যদেব 'রা', সৃষ্টির দেবতা 'আমন' এবং মৃত্যুর দেবতা 'আনুবিস' ছিলেন প্রধান।
- মমি: তারা বিশ্বাস করত মৃতদেহ রক্ষা করলে আত্মা (কা) অমর হবে। ন্যাট্রন লবণের সাহায্যে মৃতদেহ শুকিয়ে কাপড় দিয়ে পেঁচিয়ে মমি করা হতো। এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রায় ৭০ দিন সময় লাগত।

• হায়ারোগ্লিফিক্স: এটি ছিল এক ধরনের লিপি যা ছবির মাধ্যমে লেখা হতো।
- ১৮২২ সালে জাঁ-ফ্রাঁসোয়া চ্যাম্প লিওঁ'রোসেটা স্টোন' (Rosetta Stone) ব্যবহারের মাধ্যমে এই লিপির পাঠোদ্ধার করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৩.
উত্তর আমেরিকার মহাদেশের সর্বনিম্ন বিন্দু কোনটি?
  1. লেক সুপিরিয়র
  2. গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন
  3. ডেথ ভ্যালি 
  4. মেক্সিকো বে
সঠিক উত্তর:
ডেথ ভ্যালি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেথ ভ্যালি 
ব্যাখ্যা

উত্তর আমেরিকা মহাদেশ:
- উত্তর আমেরিকা পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম মহাদেশ।
• সর্বোচ্চ শৃঙ্গ: ডেনালি (Denali), যার উচ্চতা ৬,১৯০ মিটার।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কায় অবস্থিত (পূর্বে মাউন্ট ম্যাককিনলি নামে পরিচিত ছিল)।
• সর্বনিম্ন বিন্দু: ডেথ ভ্যালি (Death Valley)।
- এটি ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮৬ মিটার নিচে।
- বৃহত্তম দেশ: কানাডা (এটি আয়তনে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ)।
- ক্ষুদ্রতম দেশ: সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস।
- বৃহত্তম হ্রদ: সুপিরিয়র হ্রদ (Lake Superior)। এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের বৃহত্তম মিষ্টি পানির হ্রদ।
- দ্বীপ: গ্রিনল্যান্ড (Greenland) বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ, যা ভৌগোলিকভাবে উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত।

এছাড়াও,
-  উত্তর আমেরিকার দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অসংখ্য ছোট ছোট দ্বীপরাষ্ট্র রয়েছে যা ক্যারিবীয় অঞ্চল নামে পরিচিত।
- বাণিজ্য চুক্তি: USMCA (সাবেক NAFTA) চুক্তি এই মহাদেশের প্রধান তিনটি দেশের মধ্যে অবাধ বাণিজ্যের সুযোগ তৈরি করেছে।
- গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন (যুক্তরাষ্ট্র): কলোরাডো নদী দ্বারা সৃষ্ট বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত প্রাকৃতিক বিস্ময়।
- নায়গ্রা জলপ্রপাত (কানাডা/যুক্তরাষ্ট্র): উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী এবং পরিচিত জলপ্রপাত।

উৎস: WorldAtlas.com.

৩৪.
ক্যালডীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. হাম্মুরাবি
  2. সারগন
  3. নবোপোলাসার
  4. সাইরাস দ্য গ্রেট
সঠিক উত্তর:
নবোপোলাসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবোপোলাসার
ব্যাখ্যা

- ক্যালডীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন নবোপোলাসার।

ক্যালডীয় সভ্যতা (Chaldean Civilization):

- ক্যালডীয়রা ছিল একটি সেমিটিক জাতি যারা আসিরীয় সাম্রাজ্যের পতনের পর ব্যবিলনে একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য গড়ে তোলে।
- একে 'নব্য ব্যাবিলনীয় সাম্রাজ্য'ও বলা হয়।
- কালক্রম: খ্রিস্টপূর্ব ৬২৬ থেকে ৫৩৯ অব্দ পর্যন্ত এই সভ্যতার স্থায়ীত্ব ছিল।
- প্রধান সম্রাট: নবোপোলাসার (প্রতিষ্ঠাতা) এবং তাঁর পুত্র সম্রাট নেবুচাদনেজার (শ্রেষ্ঠ শাসক)।
- কেন্দ্রবিন্দু: এই সভ্যতার প্রাণকেন্দ্র ছিল পুনরায় সংস্কার করা জাঁকজমকপূর্ণ 'ব্যাবিলন' শহর।

• স্থাপত্যে :নেবুচাদনেজারের আমলে ব্যবিলন শহরটি বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত ও সুন্দর শহরে পরিণত হয়। তিনি শহরের চারদিকে বিশাল প্রাচীর এবং নীল রঙের চকচকে ইটের তৈরি 'ইশতার গেট' নির্মাণ করেন।

• জ্যোতির্বিদ্যার উন্নতি: ক্যালডীয়রা আকাশের গ্রহ-নক্ষত্র পর্যবেক্ষণে অত্যন্ত উন্নত ছিল।
- তারা সাত দিনে এক সপ্তাহ এবং ১২ মাসে এক বছরের হিসাব নিখুঁতভাবে করতে পারত।
- তারাই প্রথম সপ্তাহের সাত দিনের নামকরণ গ্রহ-নক্ষত্রের নামে করেছিল।

- ধর্ম: তারা বহু ঈশ্বরবাদী ছিল। তাদের প্রধান দেবতা ছিলেন 'মারদুক' (Marduk)। প্রতিটি বড় স্থাপত্য বা মন্দির তাঁর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হতো।

• পতন: খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৯ অব্দে পারস্যের সম্রাট সাইরাস দ্য গ্রেট ব্যবিলন দখল করেন।
- এর ফলে মেসোপটেমিয়ার ওপর ব্যবিলনীয় ও ক্যালডীয়দের রাজনৈতিক কর্তৃত্ব চিরতরে শেষ হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৩৫.
আধুনিক তুরস্ক গঠনে নেতৃত্ব দেন কে?
  1. মুহাম্মদ আলি পাশা
  2. মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক
  3. রিসেপ তায়্যিপ এরদোয়ান
  4. আবদুল্লাহ গুল
সঠিক উত্তর:
মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক
ব্যাখ্যা

- আধুনিক তুরস্ক গঠনে নেতৃত্ব দেন- মুস্তাফা কামাল আতাতুর্ক।

তুরস্ক :

- তুরস্ক একটি আন্তঃমহাদেশীয় রাষ্ট্র,
- যার অধিকাংশ ভূখণ্ড এশিয়ায় (আনাতোলিয়া) এবং ক্ষুদ্র অংশ ইউরোপে (পূর্ব থ্রেস) অবস্থিত।
- অফিসিয়াল নাম: রিপাবলিক অফ তুরকিয়ে।
- রাজধানী: আঙ্কারা (Ankara)।
- বৃহত্তম শহর: ইস্তাম্বুল (Istanbul) — এটি বিশ্বের একমাত্র শহর যা দুটি মহাদেশে অবস্থিত।
- সরকার পদ্ধতি: রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- রাষ্ট্রপতি: রিসেপ তায়্যিপ এরদোয়ান
- মুদ্রা: তুর্কি লিরা (TRY)।
- ভাষা: তুর্কি।
- অটোমান সাম্রাজ্য: অটোমান সাম্রাজ্যের কেন্দ্র ছিল এই তুরস্ক।
- আধুনিক তুরস্ক: ১৯২৩ সালে মুস্তফা কামাল আতাতুর্কের নেতৃত্বে আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়।
• আঞ্চলিক শক্তি: তুরস্ক ন্যাটোর (NATO) সদস্য।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের বিধ্বংসী ভূমিকম্পের পর ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোর পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

উৎস:  ব্রিটানিকা, আল জাজিরা নিউজ।

৩৬.
জাভা মানবের জীবাশ্ম কে আবিষ্কার করেন? 
  1. লুই লিকি
  2. ইউজিন ডুবোইস 
  3. ডেভিডসন ব্ল্যাক
  4. পেই ওয়েনঝং
সঠিক উত্তর:
ইউজিন ডুবোইস 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউজিন ডুবোইস 
ব্যাখ্যা

জাভা মানব (Java Man):
- জাভা মানব হলো 'হোমো ইরেক্টাস' (Homo erectus) প্রজাতির প্রথম আবিষ্কৃত জীবাশ্ম।
- ধারণা করা হয়, এরা আজ থেকে প্রায় ৭,০০,০০০ থেকে ১০,০০,০০০ বছর আগে বসবাস করত।

• আবিষ্কারের ইতিহাস:
- ১৮৯১ সালে ওলন্দাজ (ডাচ) অ্যানাটমিস্ট এবং ভূতাত্ত্বিক ইউজিন ডুবোইস  (Eugene Dubois) ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের সোলো নদীর তীরে এই জীবাশ্ম আবিষ্কার করেন।
- এটি ছিল ইউরোপের বাইরে আবিষ্কৃত প্রথম আদিম মানুষের জীবাশ্ম। ডুবোয়া এর নাম দিয়েছিলেন 'পিথেকানথ্রোপাস ইরেক্টাস' (Pithecanthropus erectus), যার অর্থ 'সোজা হয়ে দাঁড়ানো বানর-মানুষ'।

• শারীরিক বৈশিষ্ট্য:
- জাভা মানবের মাথার খুলি ছিল পুরু, কপাল ছিল নিচু এবং চোখের ওপরের হাড় (Brow ridge) ছিল বেশ চওড়া।
- এদের মস্তিষ্কের আকার ছিল প্রায় ৯০০ সিসি (cc), যা আধুনিক মানুষের চেয়ে ছোট কিন্তু ওরাংওটাং-এর চেয়ে বড়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

৩৭.
মালদ্বীপের বর্তমান রাষ্ট্রপতি কে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ
  2. আবদুল্লাহ ইয়ামিন
  3. ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু
  4. ড. মোহাম্মদ নাশিদ
সঠিক উত্তর:
ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু
ব্যাখ্যা

মালদ্বীপ:
- মালদ্বীপ ভারত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপ রাষ্ট্র।
- এটি মূলত প্রবাল দ্বীপ বা 'অ্যাটল' (Atoll)-এর সমন্বয়ে গঠিত এবং এশিয়ার ক্ষুদ্রতম দেশ।
- রাজধানী: মালে।
- সরকার পদ্ধতি: রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- রাষ্ট্রপতি: ড. মোহাম্মদ মুইজ্জু।
- মুদ্রা: মালদ্বীপীয় রুফিয়া (MVR)।
- ভাষা: দিভেহি (Dhivehi)।
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে নিচু দেশ (সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতা মাত্র ১.৫ মিটার)।
- অ্যাটল পদ্ধতি: ২৬টি প্রাকৃতিক অ্যাটল বা দ্বীপবেষ্টনীতে বিভক্ত।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে মালদ্বীপ বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।
- পর্যটন: মালদ্বীপের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হলো পর্যটন। মোট জিডিপির ২৮%-এর বেশি আসে এই খাত থেকে।

উল্লেখ্য,
- দীর্ঘমেয়াদী সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় সরকার 'হুলাহুমলে'  নামক একটি কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করেছে যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে অবস্থিত।

উৎস: ব্রিটানিকা, বিবিসি নিউজ এবং আল জাজিরা।

৩৮.
বর্তমান কোন দেশগুলোর অংশ নিয়ে ফিনিশীয় সভ্যতা গড়ে ওঠে?
  1. তুরস্ক ও গ্রিস
  2. লেবানন ও সিরিয়া
  3. ইসরাইল ও জর্ডান
  4. মিশর ও লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
লেবানন ও সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেবানন ও সিরিয়া
ব্যাখ্যা

• ফিনিশীয় সভ্যতা (Phoenician Civilization):
- বর্তমান লেবানন এবং সিরিয়ার কিছু অংশ নিয়ে ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে এই প্রাচীন সভ্যতাটি গড়ে উঠেছিল।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে তারা স্থলপথের চেয়ে জলপথে বাণিজ্যে বেশি আগ্রহী ছিল।
- গ্রীকরা এদের নাম দিয়েছিল 'ফিনিশীয়' বা 'পার্পল পিপল' (Purple People), কারণ তারা এক ধরণের বিশেষ সামুদ্রিক শামুক থেকে রাজকীয় বেগুনি রং তৈরি করত এবং এর ব্যবসা করত।

• বর্ণমালা আবিষ্কার (Invention of Alphabet):
- ফিনিশীয়দের সবচেয়ে বড় অবদান হলো বর্ণমালার উদ্ভাবন।
- তারা ২২টি ব্যঞ্জনবর্ণের একটি সেট তৈরি করে, যা ছিল আধুনিক বর্ণমালার পূর্বপুরুষ।
- পরবর্তীতে গ্রীকরা এই বর্ণমালার সাথে স্বরবর্ণ (Vowels) যুক্ত করে এবং রোমানদের হাত ধরে তা বর্তমান ইংরেজি বর্ণমালায় রূপ নেয়।

• প্রধান নগর রাষ্ট্রসমূহ:
- ফিনিশীয়রা কোনো একক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেনি, বরং তারা ছোট ছোট স্বাধীন 'নগর রাষ্ট্র' বা 'সিটি স্টেটস'-এ বিভক্ত ছিল।
- তারা ছিল প্রাচীন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নাবিক ও জাহাজ নির্মাতা।
- তারা ধ্রুবতারা দেখে দিক নির্ণয় করতে জানত, যাকে গ্রীকরা 'ফিনিশীয় তারা' বলত।

• কার্থেজ (Carthage):
- ফিনিশীয়রা ভূমধ্যসাগরের নানা স্থানে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল। এর মধ্যে উত্তর আফ্রিকায় (বর্তমান তিউনিসিয়া) অবস্থিত 'কার্থেজ' ছিল সবচেয়ে বিখ্যাত, যা পরবর্তীতে রোমান সাম্রাজ্যের প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট  এবং বিশ্ব ইতিহাস এনসাইক্লোপিডিয়া।

৩৯.
নেপালে কত সালে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

নেপাল:
- নেপাল দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র,
- এটি বিশ্বের একমাত্র দেশ যার জাতীয় পতাকা চতুর্ভুজাকার নয়।
- অফিসিয়াল নাম: ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ নেপাল।
- রাজধানী: কাঠমান্ডু (Kathmandu)।
- বৃহত্তম শহর: কাঠমান্ডু।
- সরকার পদ্ধতি: সংসদীয় প্রজাতন্ত্র।
- মুদ্রা: নেপালি রুপি (NPR)।
- হিমালয়ের দেশ: বিশ্বের ১০টি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের মধ্যে ৮টিই নেপালে অবস্থিত।
- স্থলবেষ্টিত অবস্থান: নেপাল উত্তর দিকে চীন (তিব্বত) এবং দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম দিকে ভারত দ্বারা বেষ্টিত।
- রাজতন্ত্রের অবসান: ২০০৮ সালে নেপাল দীর্ঘদিনের রাজতন্ত্র ত্যাগ করে একটি ধর্মনিরপেক্ষ প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়।
- ধর্ম: নেপালের জনসংখ্যার সিংহভাগ হিন্দু (৮১%), তবে বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাবও অত্যন্ত গভীর।
- লুম্বিনী: গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান হিসেবে লুম্বিনী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান তীর্থস্থান।

উৎস:  ব্রিটানিকা, বিবিসি নিউজ।

৪০.
ব্রাজিলের রাষ্ট্রীয় ভাষা কোনটি?
  1. স্প্যানিশ
  2. ইংরেজি
  3. পর্তুগিজ
  4. ফরাসি
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা

 ব্রাজিল:
- দাপ্তরিক নাম: ফেডারেটিভ রিপাবলিক অব ব্রাজিল।
- রাজধানী: ব্রাসিলিয়া।
- ভাষা: পর্তুগিজ (একমাত্র প্রধান পর্তুগিজভাষী দেশ দক্ষিণ আমেরিকায়)।
- মুদ্রা: ব্রাজিলিয়ান রিয়াল I
- ১৮২২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ব্রাজিল পর্তুগাল কাছ থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- বর্তমান রাষ্ট্রপতি: লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।
- অবস্থান: দক্ষিণ আমেরিকার পূর্ব ও মধ্যভাগে অবস্থিত।
- ব্রাজিল ১০টি দেশের সাথেই সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে ।
- উত্তর: ভেনিজুয়েলা, গায়ানা, সুরিনাম, ফরাসি গায়ানা।
- পশ্চিম: পেরু, বলিভিয়া।
- দক্ষিণ-পশ্চিম: প্যারাগুয়ে, আর্জেন্টিনা।
- দক্ষিণ: উরুগুয়ে।
- আমাজন বন: বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট, "পৃথিবীর ফুসফুস" নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- সাম্বা: এটি ব্রাজিলের জাতীয় সঙ্গীত ও নৃত্যের শৈলী, যা দেশটির প্রাণবন্ত জীবনের প্রতীক।
- ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার: রিও-তে অবস্থিত এই বিশাল যিশু মূর্তিকে আধুনিক বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি ধরা হয়।
- আমাজন সংরক্ষণ: বর্তমান সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে আমাজনের বন উজাড় শূন্যতে নামিয়ে আনার অঙ্গীকার করেছে।

উৎস: ব্রিটানিকা, বিবিসি নিউজ এবং রয়টার্স।

৪১.
প্রাচীন চীনারা কোন ধরনের লিখন পদ্ধতি ব্যবহার করত?
  1. বর্ণভিত্তিক
  2. চিত্রভিত্তিক
  3. ধ্বনিভিত্তিক
  4. সাংকেতিক সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
চিত্রভিত্তিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্রভিত্তিক
ব্যাখ্যা

চৈনিক সভ্যতা (Chinese Civilization):
- চীনের হোয়াংহো (Yellow River) ও ইয়াংসিকিয়াং (Yangtze River) নদীর অববাহিকায় এই সভ্যতার বিকাশ ঘটে।
- হোয়াংহো নদীতে প্রায়ই ভয়াবহ বন্যা হতো, যা জনপদ ধ্বংস করত। এ কারণে নদীটিকে ‘চীনের দুঃখ’ বলা হয়। তবে এই বন্যার পলিমাটিই জমিকে উর্বর করে সভ্যতাকে টিকিয়ে রাখে।

• সাং রাজবংশের সময় থেকেই চীনে লিখন পদ্ধতির বিকাশ ঘটে।
- উত্তর দিক থেকে আগত যাযাবর জাতিগোষ্ঠীর (যেমন—জিয়ংনু) আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য সম্রাট কিন শি হুয়াং চীনের মহাপ্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করেন।
- এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্থাপত্য নিদর্শন।

• চীনারা চিত্রভিত্তিক লিখন পদ্ধতি ব্যবহার করত।
- পরবর্তীকালে তারা গাছের ছাল, পুরনো কাপড় ও শণজাত আঁশ থেকে বিশ্বের প্রথম কাগজ আবিষ্কার করে।

• কনফুসিয়াস ও লাও-ৎসে-র দর্শন চীনা সমাজে গভীর প্রভাব ফেলে।
- কনফুসিয়াসের নৈতিকতা ও কর্তব্যভিত্তিক দর্শন রাষ্ট্রশাসন ও সমাজব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে তোলে।

- চীনের রেশম বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় ছিল। এই রেশম পরিবহনের দীর্ঘ বাণিজ্যপথকে ‘সিল্ক রোড’ বলা হয়,
- যা প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মধ্যে বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ স্থাপন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২.
ইন্দোনেশিয়ার সরকার পদ্ধতি কোনটি? 
  1. সংসদীয় গণতন্ত্র
  2. সামরিক শাসন
  3. রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র
  4. সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

ইন্দোনেশিয়া:
- ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ রাষ্ট্র এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ।
- এটি ১৭,০০০-এরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ।
- রাজধানী: জাকার্তা (Jakarta) [ তবে বর্তমানে পরিকল্পিতভাবে রাজধানী নুসানতারা (Nusantara)-তে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।]
- বৃহত্তম শহর: জাকার্তা।
- সরকার পদ্ধতি: রাষ্ট্রপতি শাসিত প্রজাতন্ত্র।
- মুদ্রা: ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়াহ (IDR)।
-  সুমাত্রা, জাভা, বোর্নিও (কালিমানতান), সুলাওয়েসি এবং নিউ গিনি প্রধান দ্বীপ।
- রিং অফ ফায়ার: দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় 'রিং অফ ফায়ার'-এ অবস্থিত হওয়ায় এখানে প্রচুর সক্রিয় আগ্নেয়গিরি রয়েছে এবং প্রায়ই ভূমিকম্প হয়।
- বিশ্বের চতুর্থ জনবহুল দেশ এবং বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ।
- প্রধান রপ্তানি: পাম অয়েল (বিশ্বে প্রথম), কয়লা, নিকেল, রাবার এবং কফি।
- পর্যটন: বালি (Bali) দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম সেরা পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা, বিবিসি নিউজ এবং জাকার্তা পোস্ট।

৪৩.
গ্রীক সভ্যতার দুটি প্রধান ধারা কোনটি?
  1. মিনোয়ান ও মাইসিনীয়
  2. রোমান ও ইজিয়ান
  3. এথেন্স ও স্পার্টা
  4. ট্রয় ও থিবস
সঠিক উত্তর:
মিনোয়ান ও মাইসিনীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিনোয়ান ও মাইসিনীয়
ব্যাখ্যা

গ্রীক সভ্যতা (Greek Civilization):
- গ্রিসের প্রধান সভ্যতাটি মূলত এজিয়ান সাগরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল বলে একে 'এজিয়ান সভ্যতা'ও বলা হয়।
- এর দুটি প্রধান ধারা ছিল মিনোয়ান (ক্রিট দ্বীপ) এবং মাইসিনীয় (মূল ভূখণ্ড)।
• হোমারের মহাকাব্য: বিখ্যাত  কবি হোমারের 'ইলিয়াড' ও 'ওডিসি' মহাকাব্য দুটিতে এই প্রাচীন গ্রীক বীরত্ব, ট্রোজান যুদ্ধ এবং সভ্যতার কাহিনী বর্ণিত আছে।
• নগর রাষ্ট্র (City States): গ্রিস অসংখ্য পাহাড় ও উপত্যকায় বিভক্ত থাকায় সেখানে কোনো একক সাম্রাজ্যের পরিবর্তে ছোট ছোট 'নগর রাষ্ট্র' বা 'পলিস' গড়ে উঠেছিল। এথেন্স ও স্পার্টা ছিল এদের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রতিদ্বন্দ্বী।

• এথেন্সকে বিশ্বের 'গণতন্ত্রের সূতিকাগার' বলা হয়।
- এথেন্সের বিপরীতে স্পার্টা ছিল একটি কঠোর সামরিক রাষ্ট্র। তাদের শিক্ষা ও জীবনযাত্রার মূল লক্ষ্যই ছিল দক্ষ সৈনিক তৈরি করা।
- গ্রীকরা স্থাপত্যে অসামান্য দক্ষতা দেখিয়েছিল। এথেন্সের অ্যাক্রোপলিসে অবস্থিত 'পার্থেনন' মন্দিরটি তাদের স্থাপত্যকলার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

এছাড়াও,
• গ্রীকরা আধুনিক দর্শনের ভিত্তি স্থাপন করে। সক্রেটিস, প্লেটো এবং অ্যারিস্টটলের দর্শন আজও বিশ্বজুড়ে পঠিত। এছাড়া পীথাগোরাস (গণিত) এবং হিপোক্রেটিসকে (চিকিৎসা বিজ্ঞান) তাদের শ্রেষ্ঠ অবদানের জন্য স্মরণ করা হয়।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৭৬ অব্দে অলিম্পিয়া নামক স্থানে দেবতাদের রাজা 'জিউস'-এর সম্মানে প্রথম অলিম্পিক গেমস শুরু হয়।
- গ্রীকরা বহু ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিল। প্রধান দেবতাদের মধ্যে ছিলেন জিউস (আকাশ ও বিদ্যুৎ), অ্যাপোলো (সূর্য), অ্যাথেনা (প্রজ্ঞা) এবং পসাইডন (সমুদ্র)।

• পেরিক্লিসের স্বর্ণযুগ: পেরিক্লিসের শাসনকালকে গ্রীক ইতিহাসের 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়। এই সময়েই সাহিত্য, শিল্পকলা এবং বিজ্ঞানের চরম বিকাশ ঘটে।
- মহাবীর আলেকজান্ডারের দিগ্বিজয়ের ফলে গ্রীক সংস্কৃতি প্রাচ্যের (মিশর ও পারস্য) সংস্কৃতির সাথে মিশে যায়, যা 'হেলেনিস্টিক সংস্কৃতি' নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪.
মাওরি ভাষায় নিউজিল্যান্ডকে কী বলা হয়?
  1. কিউইল্যান্ড
  2. প্যাসিফিকা
  3. হাকা
  4. আওতিয়ারোয়া
সঠিক উত্তর:
আওতিয়ারোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আওতিয়ারোয়া
ব্যাখ্যা

নিউজিল্যান্ড:
- নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র, 
- মাওরি ভাষায় একে 'আওতিয়ারোয়া' (Aotearoa) বলা হয়,
- এর অর্থ "দীর্ঘ সাদা মেঘের দেশ"।
- রাজধানী: ওয়েলিংটন (Wellington).
- বৃহত্তম শহর: অকল্যান্ড (Auckland)।
- সরকার পদ্ধতি: সংসদীয় গণতন্ত্র এবং সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- মুদ্রা: নিউজিল্যান্ড ডলার (NZD)।
- রাষ্ট্রপ্রধান: ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লস (গভর্নর জেনারেলের মাধ্যমে প্রতিনিধিত্ব করেন)।
- নারীর ভোটাধিকার: ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ড বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নারীদের ভোটাধিকার প্রদান করে।

এছাড়াও,
-  নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী 'মাওরি' সংস্কৃতি দেশটির পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ। 'হাকা' (Haka) নাচ বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
- কিউই (Kiwi): কিউই পাখি দেশটির জাতীয় প্রতীক এবং নিউজিল্যান্ডের মানুষকে আদর করে 'কিউই' বলা হয়।
- রাগবি দেশটির প্রধান খেলা।

উৎস:  ব্রিটানিকা, বিবিসি নিউজ।

৪৫.
পিকিং মানবের জীবাশ্ম কোথায় আবিষ্কৃত হয়? 
  1. বেইজিং 
  2. বার্লিন
  3. বালি দ্বীপ
  4. এথেন্স
সঠিক উত্তর:
বেইজিং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেইজিং 
ব্যাখ্যা

পিকিং মানব (Peking Man):
- পিকিং মানব হলো 'হোমো ইরেক্টাস' (Homo erectus) প্রজাতির একটি আদিম মানুষের গোষ্ঠী।
- ১৯২০-এর দশকে চীনের বেইজিংয়ের (তৎকালীন পিকিং) নিকটবর্তী ঝৌকৌদিয়ান (Zhoukoudian) গুহায় এদের জীবাশ্ম বা কঙ্কাল আবিষ্কৃত হয়।
- ধারণা করা হয়, এরা আজ থেকে প্রায় ৭,৫০,০০০ থেকে ২,৩০,০০০ বছর আগে বসবাস করত।

• আবিষ্কারের ইতিহাস:
- ১৯২১ সালে সুইডিশ ভূতাত্ত্বিক জোহান গুনার অ্যান্ডারসন প্রথম এই স্থানটি শনাক্ত করেন।
- পরবর্তীতে ১৯২৭ সালে কানাডীয় নৃতাত্ত্বিক ডেভিডসন ব্ল্যাক একটি দাঁত খুঁজে পান এবং একে একটি নতুন প্রজাতি হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ১৯২৯ সালে চীনা প্রত্নতাত্ত্বিক পেই ওয়েনঝং (Pei Wenzhong) প্রথম একটি পূর্ণাঙ্গ খুলি (Skullcap) আবিষ্কার করেন।

• আগুনের ব্যবহার: পিকিং মানবের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো আগুনের ব্যবহার।
- গুহায় পোড়া হাড় এবং ছাইয়ের স্তর দেখে প্রমাণিত হয়েছে যে, তারা আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে এবং তা ব্যবহার করে খাবার রান্না করতে শিখিয়েছিল। এটি মানব বিবর্তনের ইতিহাসে একটি বিশাল মাইলফলক।

• হাতিয়ার তৈরি:
- মূলত শিকার করা এবং পশুর চামড়া ছাড়ানোর জন্য তারা কুঠার ও চাঁছনি ব্যবহার করত।

• রহস্যময় অন্তর্ধান (Missing Fossils):
- ১৯৪১ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় যখন জাপান চীন আক্রমণ করে, তখন নিরাপত্তার খাতিরে পিকিং মানবের আদি কঙ্কালগুলো যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- কিন্তু যাত্রাপথে সেগুলো রহস্যজনকভাবে হারিয়ে যায় এবং আজ অবধি সেগুলোর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি।
- বর্তমানে কেবল কঙ্কালগুলোর ছাঁচ (Casts) টিকে আছে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট এবং ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক।

৪৬.
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানীর নাম কী?
  1. সিডনি
  2. ক্যানবেরা
  3. মেলবোর্ন
  4. ব্রিসবেন
সঠিক উত্তর:
ক্যানবেরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যানবেরা
ব্যাখ্যা

অস্ট্রেলিয়া: 
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ওশেনিয়ার সর্ব বৃহৎ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- বিখ্যাত জনবহুল শহর: সিডনি।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম: কিরিবিলি হাউস।
- অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯০১ সালে।
- ১৯০১ সালে অস্ট্রেলিয়া ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা স্বাধীন কমনওয়েলথ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান- ব্রিটেনের রাজা/রাণী।

উল্লেখ্য,
- অঙ্গরাজ্য (৬টি): নিউ সাউথ ওয়েলস, কুইন্সল্যান্ড, দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া, তাসমানিয়া, ভিক্টোরিয়া এবং পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া।
- নিরাপত্তা জোট (AUKUS): যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের সাথে পরমাণু চালিত সাবমেরিন তৈরির চুক্তির মাধ্যমে দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং আল জাজিরা, বিবিসি নিউজ।