পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬৭ বিষয় - কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি টপিক - কম্পিউটার ১. ডাটাবেজ সিস্টেম ও এর উপাদান, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। ২. কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ ব্যবহার, সাইবার অপরাধ ও এর প্রতিকার ইত্যাদি। ৩. কম্পিউটার নেটওয়ার্ক [ল্যান, ম্যান, ওয়াই-ফাই, ওয়াইম্যাক্স] ও ইন্টারনেটের ধারণা ও বিবর্তন। ৪. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW), নিত্য প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং প্রযুক্তি: ই-মেইল, ফ্যাক্স ইত্যাদি; ৫. দৈনন্দিন জীবনে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার। ------------------ [এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আজ বা যেকোন সময় পরীক্ষা শুরু করা হলেও নির্দিষ্ট সময়ে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ]

ডেইলি কুইজ [১৪০ দিনের রুটিনের অংশ] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের উদ্ভাবক কে?
  1. মার্টিন কুপার
  2. স্যামুয়েল টমলিনসন
  3. ভিনটন জি কার্ফ
  4. টিম বার্নাস লি
সঠিক উত্তর:
টিম বার্নাস লি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিম বার্নাস লি
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের উদ্ভাবক হলেন টিম বার্নাস-লি। তিনি ১৯৮৯ সালে সর্ভার, হাইপারটেক্সট এবং ব্রাউজারের ধারণা মিলিয়ে ওয়েব তৈরি করেন। এর মাধ্যমে তথ্য শেয়ার করা এবং ইন্টারনেটে নেভিগেশন করা অনেক সহজ হয়ে ওঠে। টিম বার্নাস-লি ওয়েবের জন্য HTTP প্রোটোকল এবং HTML ভাষা উদ্ভাবন করেন, যা ওয়েবপেজ তৈরি ও সংযোগের মূল ভিত্তি। তাঁর এই উদ্ভাবনের ফলে ইন্টারনেট কেবল তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম নয়, বরং শিক্ষার, গবেষণার এবং সামাজিক যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। তাই তাকে ওয়েবের পিতা বলা হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) টিম বার্নাস লি।

• WWW:

- WWW এর পূর্ণরূপ হলো World Wide Web.
- ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) হলো সুইজারল্যান্ডের গবেষকদের দ্বারা উদ্ভাবিত একটি হাইপারটেক্সট ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউটেড ইনফরমেশন সিস্টেম।
- এটি একটি বৃহৎ সিস্টেম যা অনেকগুলো সার্ভার সংযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়।
- টিম বার্নাস লি ১৯৮৯ সালে সুইজারাল্যান্ডের জেনেভায় WWW তৈরি করেন।
- টিম বার্নাস লিকে WWW এর জনক বলা হয়।
- ECRN (The European Center for Nuclear Research) -এ ১৯৮৯ সালে WWW এর সূচনা হয়।
- WWW এর বহুল প্রচলন শুরু হয় ১৯৯৩ সালে

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও www foundation.

.
পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেমে SSL কী ধরনের ভূমিকা পালন করে?
  1. ডেটা এনক্রিপশন
  2. পেমেন্ট প্রসেসিং
  3. পণ্য প্রদর্শন 
  4. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট
সঠিক উত্তর:
ডেটা এনক্রিপশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা

• পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেমে SSL (Secure Sockets Layer) মূলত ডেটা এনক্রিপশন এর মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যখন একজন ব্যবহারকারী ক্রেডিট কার্ড বা ব্যাংক তথ্য দিয়ে পেমেন্ট করে, তখন SSL সেই সংবেদনশীল তথ্যকে ইন্টারনেটে নিরাপদভাবে প্রেরণের জন্য এনক্রিপ্ট করে। এটি হ্যাকার বা অননুমোদিত ব্যক্তিদের তথ্য চুরি বা পরিবর্তন করা থেকে রক্ষা করে। ফলে ক্রেডিট কার্ডের নম্বর, পার্সোনাল ডেটা এবং লেনদেনের বিস্তারিত নিরাপদ থাকে। SSL পেমেন্ট প্রসেসিং, পণ্য প্রদর্শন বা অর্ডার ম্যানেজমেন্টের সরাসরি কাজ নয়; এটি শুধুমাত্র তথ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। তাই পেমেন্ট গেটওয়েতে SSL-এর মূল কাজ হলো ডেটা এনক্রিপশন।

- সঠিক উত্তর: ক) ডেটা এনক্রিপশন। 
 
SSL Certificate:
- SSL এর পূর্ণরূপ Secure Sockets Layer.
- SSL Certificate হলো একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট যা একটি ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- SSL একটি নিরাপত্তা প্রোটোকল যা একটি ওয়েব সার্ভার এবং একটি ওয়েব ব্রাউজারের মধ্যে একটি এনক্রিপ্ট করা লিংক তৈরি করে।
- এটি অনলাইন লেনদেন সুরক্ষিত করার ক্ষেত্রে এবং গ্রাহকের তথ্য গোপন ও সুরক্ষিত রাখতে কোম্পানি এবং সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত হয়।

ই-কমার্সে SSL এর ভূমিকা:
- ক্রেডিট কার্ড তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং পার্সোনাল ডাটা এনক্রিপ্ট করে।
- অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সাকশন সুরক্ষিত রাখে।
- গ্রাহকদের বিশ্বাস অর্জনের জন্য SSL সার্টিফিকেট থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
- SSL সাইটগুলিকে Google বেশি অগ্রাধিকার দেয়, ফলে SEO উন্নত হয়।

উৎস: Kaspersky website.

.
তথ্য Encryption করার মূল লক্ষ্য কী?
  1. মেমরি সাশ্রয়
  2. স্পিড বৃদ্ধি
  3. ডেটা সুরক্ষা
  4. ফাইল সাইজ কমানো
সঠিক উত্তর:
ডেটা সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

• তথ্য এনক্রিপশন করার মূল লক্ষ্য হলো ডেটা সুরক্ষা। এটি একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে সাধারণ বা পাঠযোগ্য তথ্যকে এমনভাবে রূপান্তর করা হয় যে তা শুধুমাত্র অনুমোদিত ব্যক্তিরাই পড়তে বা ব্যবহার করতে পারে। এনক্রিপশন ব্যবহার করে অননুমোদিত ব্যবহারকারী বা হ্যাকারদের থেকে সংবেদনশীল তথ্য যেমন পাসওয়ার্ড, ব্যাংক তথ্য, ব্যক্তিগত নথি ইত্যাদিকে সুরক্ষিত রাখা যায়। এটি মেমরি সাশ্রয় বা ফাইল সাইজ কমানোর জন্য নয়, বরং তথ্য চুরি, হ্যাকিং বা অবৈধ ব্যবহার থেকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োগ করা হয়। তাই, উপরের অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) ডেটা সুরক্ষা।

ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)। 

• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য সার্ভার কোন প্রোটোকল ব্যবহার করে?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. TCP
  4. POP
সঠিক উত্তর:
POP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
POP
ব্যাখ্যা

• ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য সাধারণত POP (Post Office Protocol) প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। POP ব্যবহারকারীকে সার্ভার থেকে তার ইমেইল বার্তা স্থানীয় ডিভাইসে নামানোর সুবিধা দেয়। অর্থাৎ, ইমেইলগুলি মূল সার্ভার থেকে ডাউনলোড হয়ে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইসে সংরক্ষিত হয়, এবং প্রয়োজনে অফলাইনে পড়াও যায়। অন্যদিকে, SMTP শুধুমাত্র ইমেইল পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, HTTP ওয়েব পেজ বা অ্যাপ্লিকেশন ডেটা আনার জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং TCP হল একটি ট্রান্সপোর্ট লেয়ার প্রোটোকল যা ডেটা পাঠানোর জন্য নিচের স্তরে কাজ করে।
- তাই সরাসরি ইমেইল ডাউনলোডের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো POP.

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হল Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হল Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রোসফট।

.
সাইবার সিকিউরিটিতে অজান্তে ও অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে প্রবেশ করাকে কী বলা হয়?
  1. স্নিকিং
  2. স্পুফিং
  3. স্প্যামিং
  4. প্লেজিয়ারিজম
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্নিকিং
ব্যাখ্যা

• সাইবার সিকিউরিটিতে অজান্তে ও অনুমতি ছাড়া কারো সিস্টেমে প্রবেশ করাকে “স্নিকিং” বলা হয়। এটি একটি অবৈধ কর্মকাণ্ড যেখানে হ্যাকার বা অননুমোদিত ব্যক্তি কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা সার্ভারে প্রবেশ করে তথ্য চুরি, ক্ষতি বা নজরদারি করতে পারে। স্নিকিং সাধারণত ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া ঘটে, তাই এটি একটি সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত। স্পুফিং হলো পরিচয় ভাঁওতা করা, স্প্যামিং হলো অবাঞ্ছিত বার্তা প্রেরণ, আর প্লেজিয়ারিজম হলো অন্যের কাজ চুরি করা।
- তাই অনুমতি ছাড়া সিস্টেমে অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো ক) স্নিকিং।

• সাইবার অপরাধ:
- বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।

- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- স্পুফিং- ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- ই-মেইল বম্বিং - বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
- Salami Attack - অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।

- Denial of Service Attack - বেশি পরিমাণেরিকোয়েস্ট পাঠিয়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত ও অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।
- লজিক বম্ব - ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।
- ট্রোজান এ্যাটাক - পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
এক বা একাধিক ফিল্ডের সাহায্যে রেকর্ডগুলোকে Ascending কিংবা Descending ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়া কী নামে পরিচিত?
  1. Indexing
  2. Cryptography
  3. Query
  4. Sorting
সঠিক উত্তর:
Sorting
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sorting
ব্যাখ্যা

• এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডগুলোকে ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়াকে Sorting বলা হয়। এটি ডেটাবেস এবং প্রোগ্রামিং উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। Sorting সাধারণত দুই ধরনের হতে পারে: Ascending (ছোট থেকে বড়) এবং Descending (বড় থেকে ছোট) ক্রম। উদাহরণস্বরূপ, একটি ছাত্রের নাম, রোল নম্বর বা গ্রেড অনুযায়ী তালিকা সাজানো যায়। Sorting ডেটা দ্রুত খুঁজে বের করা, বিশ্লেষণ করা এবং রিপোর্ট তৈরি করা সহজ করে তোলে। অন্য অপশন গুলো- Indexing, Cryptography, Query- তাত্ত্বিকভাবে ভিন্ন কাজ করে। তাই এক বা একাধিক ফিল্ডের সাহায্যে রেকর্ড সাজানোর সঠিক নাম Sorting.

- উত্তর: ঘ) Sorting.

• অপশন আলোচনা:
- কুয়েরি (Query):
- কুয়েরি হলো ডেটাবেস থেকে নির্দিষ্ট তথ্য খোঁজার বা বের করার একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য ফিল্টার বা সার্চ করতে ব্যবহৃত হয়, তবে কুয়েরির মাধ্যমে সর্ট করা গেলেও, নিজে থেকে এটি "Sorting" নয়।

- ক্রিপটোগ্রাফি (Cryptography):
- ক্রিপটোগ্রাফি হলো তথ্য গোপন বা নিরাপদ রাখার বিজ্ঞান। এটি ডেটা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। Sorting-এর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

- সর্টিং (Sorting):
- এটাই সঠিক উত্তর। এটি রেকর্ড বা তথ্যকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়া বোঝায়।

- ইনডেক্সিং (Indexing):
- ইনডেক্সিং হলো ডেটাবেসে তথ্য খোঁজার গতি বাড়ানোর একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য সাজায় না, বরং তথ্য খোঁজা দ্রুত করে। Sorting-এর মতো এটি রেকর্ডের অর্ডার পরিবর্তন করে না।
- ডাটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।

সুতরাং, রেকর্ডকে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং (Sorting) বলে। তাই সঠিক উত্তর হলো: সর্টিং। 

• সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না।
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- অর্থাৎ, এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
QR কোডে সাধারণত কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. অপটিক্যাল রিডিং
  2. রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটিং
  4. তড়িৎ চৌম্বকত্ব
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল রিডিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপটিক্যাল রিডিং
ব্যাখ্যা

• QR কোডে সাধারণত অপটিক্যাল রিডিং (Optical Reading) ব্যবহৃত হয়। QR কোড হলো একটি দ্বিমাত্রিক বারকোড, যা তথ্য সংরক্ষণ করে ছোট ব্লক আকারের কালো এবং সাদা বর্গক্ষেত্রের মাধ্যমে। যখন কোনো ডিভাইস, যেমন স্মার্টফোন বা স্ক্যানার, QR কোডের ছবি নেয়, তখন এটি ক্যামেরার মাধ্যমে কোডের প্যাটার্ন পড়ে এবং ডিভাইসের সফটওয়্যার সেই প্যাটার্নকে ডিজিটাল তথ্য, যেমন লিঙ্ক, টেক্সট বা কনট্যাক্ট ডেটা, এ রূপান্তর করে। এটি কোনো রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং বা তড়িৎ চৌম্বক শক্তি ব্যবহার করে না। QR কোডের কার্যকারিতা সম্পূর্ণভাবে দৃষ্টি বা ক্যামেরা-ভিত্তিক অপটিক্যাল প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) অপটিক্যাল রিডিং।

• QR কোড:
- QR কোড হলো এক ধরনের বারকোড, যা ছোট কালো ও সাদা বর্গক্ষেত্র দিয়ে তৈরি।
- এই বর্গক্ষেত্রগুলিতে তথ্য সংরক্ষিত থাকে, যা সহজে কম্পিউটার বা স্মার্টফোন স্ক্যানার দিয়ে পড়া যায়।
- কালো-সাদা স্কোয়ারগুলোতে সংখ্যা, ইংরেজি অক্ষর বা এমনকি জাপানি কানজি ও অন্যান্য অ-ল্যাটিন অক্ষরও রাখা যেতে পারে।

• QR কোডের ব্যবহার:
- মূলত QR কোড তৈরি করা হয়েছিল অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ ট্র্যাক করার জন্য।
- এখন এটি বিজ্ঞাপন, টিকিট, পণ্য ট্র্যাকিং এবং আরও নানা কাজে ব্যবহার করা হয়।
- QR কোডে ব্যবহৃত হয়- অপটিক্যাল রিডিং।
• QR কোড স্ক্যান ও বৈশিষ্ট্য:
- QR কোড স্ক্যান করতে ব্যবহারকারীদের ফোন বা লেজার স্ক্যানার প্রয়োজন হয়।
- বিশেষ সফটওয়্যার তথ্যটি ডিকোড করে দেখায়।
- সবচেয়ে বড় QR কোড (Version 40) 177 177 পিক্সেলের হয় এবং সবচেয়ে ছোট (Version 1) 21 × 21 পিক্সেলের হয়।
- Version 40 QR কোডে প্রায় 7,089টি সংখ্যা বা 4,296টি আলফানিউমেরিক অক্ষর সংরক্ষণ করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
এক বা একাধিক শহরকে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা কী হিসেবে পরিচিত?
  1. PAN
  2. LAN
  3. MAN
  4. WAN
সঠিক উত্তর:
MAN
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MAN
ব্যাখ্যা

• এক বা একাধিক শহরকে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা MAN (Metropolitan Area Network) হিসেবে পরিচিত। MAN হলো একটি নেটওয়ার্ক যা একটি শহর বা নগর অঞ্চলের মধ্যে কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে। এটি LAN (Local Area Network)-এর চেয়ে বড়, কিন্তু WAN (Wide Area Network)-এর চেয়ে ছোট। MAN সাধারণত বিভিন্ন অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল বা সরকারি ভবনের মধ্যে উচ্চ গতির ডেটা আদানপ্রদান নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি অপটিক্যাল ফাইবার বা অন্যান্য দ্রুত মাধ্যম ব্যবহার করে, যা শহরের ভেতরে স্থিতিশীল এবং দ্রুত ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান করে। তাই, এক বা একাধিক শহরকে সংযুক্ত করার জন্য MAN সবচেয়ে উপযুক্ত।

- সঠিক উত্তর: গ) MAN.

মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

নেটওয়ার্কের কাজ ও গঠন অনুসারে নেটওয়ার্ককে চারভাগে ভাগ করা যায়।
১। পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (Personal Area Network - PAN),
২। লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (Local Area Network - LAN),
৩। মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক (Metropolitan Area Network - MAN),
৪। ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক (Wide Area Network - WAN).

• পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেটওয়ার্ক তৈরির কৌশলকে বলা হয় পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বা প্যান (PAN)।
- পার্সোনাল কম্পিউটার ডিভাইসসমূহের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- খরচ তুলনামূলক কম।
- দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- এ ধরনের নেটওয়ার্ক যে কোন জায়গায় তৈরি করা যায়।
- ব্যাপ্তি সাধারণত ১০ মিটারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
- উদাহরণ: ব্লুটুথ হচ্ছে এক ধরনের PAN নেটওয়ার্ক।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- যেসব নেটওয়ার্ক খুব কাছাকাছি অবস্থিত কম্পিউটার সমূহ ও যন্ত্রপাতির মধ্যে করা হয়ে থাকে তাকে লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক বলা হয়।
- ছোট পরিসরে ব্যবহৃত হয়।
- একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে যুক্ত থাকে।
- রিপিটার, হাব, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড (NIC) ইত্যাদি LAN-এর উপযোগী ডিভাইস ব্যবহার হয়।
- দ্রুত গতির ডেটা ট্রান্সফার সম্ভব।
- উদাহরণ: একটি অফিস, স্কুলের কম্পিউটার ল্যাব, বাড়ির অভ্যন্তরীন নেটওয়ার্ক।

• মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের চেয়ে কিছুটা বৃহৎ অঞ্চল জুড়ে যে নেটওয়ার্ক থাকে তাকে মেট্রোপলিটান এরিয়া নেটওয়ার্ক বলে।
- LAN এর চেয়ে বড় পরিসরে ব্যবহৃত।
- একটি শহর বা কয়েকটি শহরের মধ্যে নেটওয়ার্ক গঠিত হয়।
- উচ্চ গতির ডেটা আদান-প্রদান সম্ভব।
- সাধারণত টেলিফোন কোম্পানির ক্যাবল বা নিজস্ব ক্যাবল ব্যবহার করে।
- উদাহরণ: ঢাকা শহরের বিভিন্ন অফিসে যুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।

• ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক:
- বিশাল ভৌগলিক এলাকার মধ্যে একাধিক ল্যান বা ম্যান নিয়ে গড়ে ওঠে ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক।
- সবচেয়ে বিস্তৃত নেটওয়ার্ক।
- টেলিফোন লাইন বা স্যাটেলাইট ব্যবহৃত হয়।
- গেটওয়ে ব্যবহার করে ভিন্ন ভিন্ন নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করা হয়।
- উদাহরণ: ইন্টারনেট, ই-মেইল ইত্যাদি সুবিধা দেয়।

উৎস:
১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
IPv6 ঠিকানার bit-length কত?
  1. ৩২ বিট
  2. ৬৪ বিট
  3. ২৫৬ বিট
  4. ১২৮ বিট
সঠিক উত্তর:
১২৮ বিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৮ বিট
ব্যাখ্যা

• IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রোটোকলের নতুন সংস্করণ, যা IPv4 এর সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। IPv4 ঠিকানার দৈর্ঘ্য ছিল ৩২ বিট, যা বিশ্বব্যাপী ডিভাইসের জন্য যথেষ্ট নয়। IPv6 ঠিকানার bit-length ১২৮ বিট, যা প্রায় অসীম সংখ্যক অনন্য ঠিকানা তৈরি করতে সক্ষম। এটি বড় ঠিকানা স্থান সরবরাহ করার মাধ্যমে IoT ডিভাইস, মোবাইল ডিভাইস এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক ডিভাইসের দ্রুত বৃদ্ধি সামলাতে সাহায্য করে। ১২৮ বিট ঠিকানার ফলে প্রতিটি ডিভাইসের জন্য অনন্য ঠিকানা নিশ্চিত করা যায় এবং নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ও রাউটিং আরও কার্যকর হয়। তাই IPv6 ঠিকানার সঠিক দৈর্ঘ্য হলো ১২৮ বিট।

- সঠিক উত্তর: ঘ) ১২৮ বিট। 

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে। এ ঠিকানাকে আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) বলা হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস (IP Address) এর পূর্ণ রূপ হলো Internet Protocol Address.

• IP Address এর দুটি ভার্সন রয়েছে:
1. IPv4:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট 4 টি অকটেট থাকে।
- প্রতিটি অকটেট ৪ বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি অকটেট ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে। যেমন: 11110000.01010110.11100010.01011100
- মোট 32 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 232 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায় ৷

2. IPv6:
- এই ভার্সনে অ্যাড্রেস প্রকাশ করার জন্য মোট ৪ টি ভাগ থাকে।
- প্রতিটি ভাগে 16 বিটের বাইনারি সংখ্যা।
- প্রতিটি ভাগ ডট (.) দ্বারা আলাদা করা থাকে।
- মোট 128 বিটের বাইনারির অ্যাড্রেস থাকে।
- এই ভার্সনের সাহায্যে 2128 টি ডিভাইসকে অদ্বিতীয় পরচিতি দেয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১০.
ক্রায়োসার্জারিতে কোন উপাদান ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত?
  1. হিলিয়াম
  2. অ্যাসিটোন
  3. ইথানল
  4. তরল নাইট্রোজেন
সঠিক উত্তর:
তরল নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তরল নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারিতে সবচেয়ে বেশি পরিচিত উপাদান হলো তরল নাইট্রোজেন। এটি খুব দ্রুত এবং অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় জ্বালানী বা টিস্যুকে জমিয়ে দেয়। তরল নাইট্রোজেনের তাপমাত্রা প্রায় -১৯৬°C, যা জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসা ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র টিস্যু ধ্বংসের জন্য আদর্শ। ক্রায়োসার্জারিতে এটি সাধারণত ত্বকের অস্বাভাবিক কোষ, ছোট টিউমার বা ওয়ার্ট ধ্বংস করতে ব্যবহার করা হয়। অন্যান্য বিকল্প যেমন হিলিয়াম, অ্যাসিটোন বা ইথানলও ঠাণ্ডা করতে সক্ষম হলেও, তারা এতটা সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং নিরাপদ নয়। তরল নাইট্রোজেনের উচ্চ শীতল শক্তি এবং দ্রুত কাজ করার ক্ষমতার কারণে এটি ক্রায়োসার্জারিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি বিভিন্ন রোগ যেমন ক্যান্সার, ছানি, হাড়ের সমস্যাসমূহ, যকৃতের সমস্যা এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

• ব্যবহৃত উপাদানসমূহ:
- তরল নাইট্রোজেন, তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড, তরল নাইট্রাস অক্সাইড, তরল আর্গন, ইথাইল ক্লোরাইড, ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১১.
যখন একাধিক ফিল্ড একসাথে প্রাইমারি কী-এর ভূমিকা পালন করে, তখন তাকে কী বলা হয়?
  1. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  2. অল্টারনেট কী
  3. ফরেন কী
  4. প্রাইমারি কী
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট প্রাইমারি কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• যখন কোনো টেবিলে একাধিক ফিল্ড একসাথে মিলিত হয়ে একটি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে চিহ্নিত করে, তখন সেই ফিল্ডগুলোর সমষ্টিকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) বলা হয়। এটি একক কলামের পরিবর্তে একাধিক কলামের সংমিশ্রণ যা প্রতিটি রেকর্ডের স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের রেজিস্ট্রেশন টেবিলে student_id এবং course_id একসাথে মিলিয়ে প্রতিটি রেজিস্ট্রেশন ইউনিক হয়। এই ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র student_id বা course_id যথেষ্ট নয়, তাই দুইটি ফিল্ড একসাথে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কম্পোজিট কী ডেটার স্বতন্ত্রতা বজায় রাখতে এবং তথ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

- সঠিক উত্তর: ক) কম্পোজিট প্রাইমারি কী।

• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
ই-মেইল ঠিকানায় কোন চিহ্ন অপরিহার্য?
  1. $
  2. &
  3. #
  4. @
সঠিক উত্তর:
@
উত্তর
সঠিক উত্তর:
@
ব্যাখ্যা

• ই-মেইল ঠিকানায় যে চিহ্নটি অপরিহার্য তা হলো “@”। এটি ব্যবহারকারীর নাম এবং ই-মেইল সার্ভারের ডোমেইন অংশকে আলাদা করে। উদাহরণস্বরূপ, user@example.com ই-মেইলে user হলো ব্যবহারকারীর নাম এবং example.com হলো সার্ভারের ডোমেইন। অন্য চিহ্ন যেমন $, &, বা # ই-মেইল ঠিকানায় সাধারণভাবে ব্যবহার করা যায় না এবং এগুলো কোনো প্রয়োজনীয় বিভাজক নয়। @ ছাড়া ই-মেইল ঠিকানা কার্যকর হয় না, কারণ এটি ঠিকানাটিকে দুটি অংশে ভাগ করে সার্ভারকে জানায় কোন অ্যাকাউন্টে মেইলটি পাঠাতে হবে। তাই ই-মেইলে @ চিহ্নটি অপরিহার্য।
 
ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।

- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত-
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy.
- BCC এর পূর্ণরূপ Blind Carbon Copy.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৩.
কোন ধরনের সাইবার হামলায় ব্যবহারকারীর ফাইল এনক্রিপ্ট করা হয় এবং মুক্তিপণ দাবি করা হয়?
  1. Data diddling
  2. Ransomware
  3. Debugging
  4. Phishing
সঠিক উত্তর:
Ransomware
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Ransomware
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো খ) Ransomware.

Ransomware হলো এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইসে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলোকে এনক্রিপ্ট করে অপ্রাপ্য করে দেয়। এর পর হামলাকারী একটি মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে, সাধারণত ডিজিটাল মুদ্রায়, ফাইলগুলি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিনিময়ে। এটি প্রায়শই ইমেইল, সংযুক্তি, সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ক্ষতিগ্রস্ত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যবহারকারীরা সচেতন না হলে বা যথাযথ ব্যাকআপ না থাকলে তারা সহজে এতে শিকার হতে পারে। Ransomware-এর কারণে ব্যক্তিগত তথ্য, ব্যবসায়িক ডেটা এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি হারানোর ঝুঁকি বেড়ে যায়। সতর্কতা ও নিয়মিত ব্যাকআপ Ransomware-এর থেকে রক্ষা পাওয়ার মূল উপায়।

• ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়‍্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে।
- অপরপক্ষে ম্যালওয়‍্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

উল্লেখ্য,
- Phishing:
- এটি এক ধরনের সাইবার অপরাধ যেখানে একজন প্রতারক ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে কোনো বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানের ছদ্মবেশ ধারণ করে ব্যক্তিগত তথ্য, যেমন পাসওয়ার্ড বা ক্রেডিট কার্ডের বিবরণ, হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।

- Debugging:
- এটি কোনো অপরাধ নয়। এটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যেখানে কোডের মধ্যে থাকা ভুল বা ত্রুটি (bugs) খুঁজে বের করে তা ঠিক করা হয়।

- Data diddling:
- এটি এমন একটি সাইবার অপরাধ যেখানে ডেটা ইনপুট হওয়ার সময় বা প্রক্রিয়াকরণের সময় তাতে অবৈধভাবে পরিবর্তন করা হয়। এটি ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়ার মতো নয়।

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। ব্রিটানিকা।

১৪.
WiMAX বলতে কী বোঝায়?
  1. Worldwide Interprovincial for Microwave Excess
  2. Worldwide Interchangeable for Microwave Excess
  3. Worldwide Interpenetration for Microwave Access
  4. Worldwide Interoperability for Microwave Access
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Worldwide Interoperability for Microwave Access
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) Worldwide Interoperability for Microwave Access.

WiMAX হলো একটি ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি যা উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে, বিশেষ করে যেখানে ব্রডব্যান্ড কেবল বা ফাইবার নেটওয়ার্ক পৌঁছায় না। এটি “Worldwide Interoperability for Microwave Access” এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা মূলত দূরদূরান্তের এলাকায় ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস এক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়। WiMAX প্রযুক্তি ব্যবহারে বড় এলাকার জন্য ইন্টারনেট সংযোগ তৈরি করা যায়, এবং এটি সেলুলার নেটওয়ার্কের মতো মোবাইল ব্যবহারকেও সমর্থন করে। এটি প্রধানত ৩০০ মিটার থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম, ফলে শহর ও গ্রাম উভয় অঞ্চলে দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সুবিধা প্রদান করে।

• WiMAX: 
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো - Worldwide Interoperability for Microwave Access. 
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়। 
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার করে। 
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা- বেস স্টেশন এবং অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৫.
একাধিক চাইল্ডকে একটি প্যারেন্টের সাথে যুক্ত করার জন্য কোন ধরনের সম্পর্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. One-to-one
  2. One-to-many
  3. Self-referencing
  4. Many-to-many
সঠিক উত্তর:
One-to-many
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One-to-many
ব্যাখ্যা

• একাধিক চাইল্ডকে একটি প্যারেন্টের সাথে যুক্ত করার জন্য One-to-many (এক-থেকে-অনেক) সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি প্যারেন্ট এককভাবে থাকে, কিন্তু তার সাথে অনেকগুলো চাইল্ড সম্পর্কিত থাকতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্কুলে একটি শিক্ষক থাকতে পারে, কিন্তু তার অধীনে অনেক শিক্ষার্থী থাকতে পারে। ডাটাবেসে এই সম্পর্ক সাধারণত প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী এবং চাইল্ড টেবিলের ফরেন কী ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠিত হয়। One-to-one সম্পর্ক একে এক সম্পর্ক তৈরি করে, Many-to-many সম্পর্ক দুই দিকেই একাধিক যুক্তি দেয়, আর Self-referencing সম্পর্ক নিজেই নিজেকে রেফার করে।
- তাই একাধিক চাইল্ডের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো One-to-many.

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে। 

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
LAN এর IEEE স্পেসিফিকেশন কোনটি?
  1. IEEE 802.16
  2. IEEE 802.14
  3. IEEE 802
  4. IEEE 802.12
সঠিক উত্তর:
IEEE 802
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IEEE 802
ব্যাখ্যা

• LAN (Local Area Network) এর জন্য IEEE এর স্বীকৃত স্পেসিফিকেশন হলো IEEE 802। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড সিরিজ যা স্থানীয় নেটওয়ার্ক এবং মেট্রোপলিটন এলাকা নেটওয়ার্কের জন্য নেটওয়ার্ক প্রোটোকল এবং হার্ডওয়্যার স্পেসিফিকেশন নির্ধারণ করে। বিশেষ করে LAN-এর ক্ষেত্রে, IEEE 802 সিরিজের মধ্যে Ethernet (IEEE 802.3) এবং Wireless LAN বা Wi-Fi (IEEE 802.11) অন্তর্ভুক্ত। এই স্ট্যান্ডার্ডগুলি ডেটা ট্রান্সমিশন, ফ্রেমিং, মিডিয়া অ্যাক্সেস কন্ট্রোল এবং অন্যান্য নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত প্রোটোকল নির্ধারণ করে, যাতে বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ডিভাইস একে অপরের সাথে সহজে সংযুক্ত হতে পারে।
- তাই LAN-এর জন্য IEEE স্পেসিফিকেশন হলো গ) IEEE 802.

 
লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN-Local Area Network):
- LAN এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Local Area Network
- সাধারণত ১ কি.মি. বা তার কম পরিসরের জায়গার মধ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার বা অন্য কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস (যেমন- প্রিন্টার) সংযুক্ত করে যে নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তাকে LAN বলা হয়। 
-LAN এর বিস্তৃতি সর্বোচ্চ 1 কিলোমিটার করার জন্য রিপিটার ব্যবহার করতে হয়।
- LAN এর মালিকানা সাধারণত কোনো একক ব্যাক্তি বা কিছুসংখ্যক লোকের একটি গ্রুপের হতে পারে।
- ল্যানের IEEE স্ট্যন্ডার্ড: IEEE 802

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. IEEE.

১৭.
কোন হ্যাকাররা পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনি ও বেআইনি হ্যাকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে?
  1. গ্রে হ্যাট হ্যাকার
  2. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার
  3. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার
  4. গ্রিন হ্যাট হ্যাকার
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রে হ্যাট হ্যাকার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক) গ্রে হ্যাট হ্যাকার।

গ্রে হ্যাট হ্যাকাররা এমন ধরনের হ্যাকার যারা পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনি বা বেআইনি হ্যাকিং কার্যক্রম করতে পারে। তারা সাধারণত সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে দুর্বলতা খুঁজে বের করে, কিন্তু তা সব সময় অনুমতি নিয়ে করে না। কখনও তারা নিরাপত্তা পরীক্ষার জন্য আইনি কাজেও নিযুক্ত থাকে, আবার কখনও বেআইনিভাবে সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে। অর্থাৎ, তারা হোয়াইট হ্যাট হ্যাকারদের মতো শুধুই আইনি কাজ করে না এবং ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের মতো সম্পূর্ণ বেআইনি কাজও করে না, বরং উভয় দিকের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে। এজন্য তাদের কর্মকাণ্ড কখনও আইনগত এবং কখনও অনৈতিক- উভয় ধরনের হতে পারে।
 
হ্যাকিং:
- প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।
- বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়।
যথা:

১. ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার:
- একজন ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার যখন কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি খুঁজে বের করে, তখন দ্রুত ঐ ত্রুটিকে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়।
- বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

২. গ্রে হ্যাট হ্যাকার:
- এ ধরনের হ্যাকাররা বৈধ এবং অবৈধ দুই ধরনের কাজই করতে পারে।
- একজন গ্রে হ্যাট হ্যাকার যখন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো খুঁজে বের করে তখন সে তার মন মতো কাজ করে।
- এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোকে ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

৩. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার:
- একজন হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটিগুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিককে ত্রুটির বিষয়ে দ্রুত অবহতি করে।
- সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, একটি ওয়েবসাইট, একটি সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১৮.
ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের ACID বৈশিষ্ট্যে “D” কী নির্দেশ করে?
  1. Dynamic Processing
  2. Data Validation
  3. Durability
  4. Data Integrity
সঠিক উত্তর:
Durability
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Durability
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের ACID বৈশিষ্ট্যে “D” নির্দেশ করে Durability। এটি নিশ্চিত করে যে একবার কোনো ট্রানজ্যাকশন সফলভাবে সম্পন্ন হলে তার দ্বারা করা সব পরিবর্তন স্থায়ীভাবে ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে, এমনকি সিস্টেম ক্র্যাশ বা পাওয়ার ফেইলিওরের পরও। অর্থাৎ, ডাটাবেজে একটি কমিট হওয়া ট্রানজ্যাকশন কোনোভাবেই হারানো যাবে না। Durability বাস্তবায়নের জন্য সাধারণত লগ ফাইল, ব্যাকআপ, এবং পুনরুদ্ধার ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। এটি ডাটার স্থায়িত্ব ও ব্যবহারকারীর বিশ্বাসযোগ্যতা নিশ্চিত করে। সুতরাং, ACID-এর D হলো Durability, যা ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের স্থায়িত্বের প্রতিশ্রুতি দেয়।

- সঠিক উত্তর: গ) Durability.

ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।